• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vaccine

রাজ্য

Sonarpur-Vaccine: সরকারি টিকা চুরি করে ভুয়ো ক্যাম্প, গ্রেপ্তার স্বাস্থ্যকর্মী

ডায়মন্ড হারবারের একটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে টিকা চুরি করে টাকা নিয়ে তা দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক যুবককে। তাঁর নাম মিঠুন মণ্ডল। জানা গিয়েছে, তিনি ডায়মন্ড হারবারের পঞ্চগ্রাম হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট। এ ছাড়া তিনি মশাট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকার কো-অর্ডিনেটরও ছিলেন বলে খবর। সেখান থেকেই টিকাগুলো চুরি করেছিল সে।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপুলিশ জানিয়েছে, মিঠুন বাসন্তী থানা এলাকার বাসিন্দা। সোনারপুরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। অভিযোগ, সম্প্রতি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের স্বরূপনগরে একটি বাড়িতে বেআইনি ক্যাম্প করে এলাকার প্রায় ৪০ জনকে টিকা দিয়েছেন তিনি। টিকার জন্য এক এক জনের কাছে ৫০০ থেকে হাজার টাকা করে মিঠুন নিয়েছেন বলে অভিযোগ। টিকা নেওয়ার পরে মোবাইলে মেসেজ না আসায় সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। তখনই তাঁরা সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।আরও পড়ুনঃ কিডস র্যাম্প শোর গ্রুমিং হলতদন্তে নেমে রূপনগর এলাকা থেকে মিঠুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর কাছে কোভিশিল্ডের দুটি ভায়াল পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। ধৃতকে তিন দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মিঠুনের কাছে উদ্ধার হওয়া টিকা আসল কি না তা জানার জন্য সেগুলি পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে জেলার স্বাস্থ্য দপ্তরও। শনিবার ডায়মন্ড হারবার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক দেবাশিস রায়, বারুইপুরের মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিক ইন্দ্রনীল মিত্র, সোনারপুরের বিডিও সৌরভ ধল্ল ও ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অনুপ মিশ্র সোনারপুর থানায় গিয়ে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহ আগে মিঠুন ডায়মন্ড হারবার ১ নম্বর ব্লকের মশাট স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে কাছ ছেড়ে দেন। টিকাগুলি মিঠুন সেখান থেকে চুরি করেছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।এই ঘটনা নিয়ে টুইট করেছেন বিজেপি বিধায়ক তথা দলের মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এই ঘটনার জন্য তিনি রাজ্য সরকারকেই দায়ী করেছেন।

জুলাই ২৪, ২০২১
দেশ

Vaccine: ভ্যাকসিনে ভাটা, বন্ধ হচ্ছে দিল্লির একাধিক টিকাকেন্দ্র

চরম টিকা সংকটে ভুগছে রাজধানী। সোমবার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীষ সিসোদিয়া উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, রাজ্যের কাছে বর্তমানে কোভিশিল্ডের পর্যাপ্ত মজুত নেই। যার জেরে আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে বন্ধ রাখা হবে একাধিক টিকাকরণ কেন্দ্র। একটি ছোট পরিসংখ্যান দিয়ে সিসোদিয়া জানিয়েছেন, দিল্লিতে সোমবার রাত ১০ টা পর্যন্ত মোট ৩৬ হাজার ৩১০ জন করোনা টিকা পেয়েছেন। যেখানে রাজধানীতে টিকা প্রাপকের গড় দেড় লক্ষ। টুইট করে উপ মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, দিল্লিতে ফের ভ্যাকসিন শেষ। কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের একদিন বা দুদিনের জন্য টিকা দেয়। তাই আমাদের কিছু দিনের জন্য টিকাকরণ কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হবে। কেন এতদিন পরে দেশের টিকাকরণ কর্মসূচিতে ভাটা আসছে?আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোটে শুটআউট -নিহত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিযদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যর মন্ত্রকের দাবি, রাজ্যগুলিতে এখনও ১ কোটি ৫৪ লক্ষের বেশি ভ্যাকসিন রয়েছে। দেশে এ পর্যন্ত মোট করোনা টিকা পেয়েছেন ৩৭ কোটি ৭৩ লক্ষ জন। কেন্দ্রের লক্ষ্য ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সব প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দেওয়া। কিন্তু সেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে গেলে দৈনিক ১ কোটির কাছাকাছি টিকাকরণ প্রয়োজন। যেখানে থেকে বর্তমানে অনেকটাই দূরে ভারত। তাই কোন উপায়ে এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে, তা বুঝে পাচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। টিকাকরণ শুরু থেকেই বারংবার সংকটের কথা বলে এসেছে কেজরিওয়াল সরকার। একাধিকবার কেন্দ্রের কাছে টিকা দাবি করেছে দিল্লি। রাজধানীর পাশাপাশি মহারাষ্ট্রও টিকা সংকটের কথা আগে একাধিকবার জানিয়েছে। রাজ্যগুলির পাশাপাশি সমগ্র দেশের টিকাকরণ কর্মসূচিও ধাক্কা খাচ্ছে। টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর থেকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমে টিকাকরণের গতি কমেই এসেছে। পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের অভাবে ফিরে আসতে হচ্ছে বহু মানুষকে। ক্রমাগত এই কম টিকাকরণের ফলে প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

জুলাই ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Mamata: "২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ", তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

বামেদের ২৩৫-এর দম্ভ যেন তাড়া করছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। এমনই দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রাজ্যে ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা পুরসভার পুরপ্রশাসক, বিধায়ক, আইপিএস, আইএএসরা যুক্ত বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার মূলতুবি প্রস্তাব অধ্যক্ষ বাতিল করে দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহার২০০৬-তে ২৩৫টি আসন পেয়ে বামফ্রণ্ট সরকার বাংলায় ক্ষমতায় ফিরে এসেছিল। সেই বিপুল জনসমর্থনে মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল বামফ্রণ্টকে, বিশেষত সিপিএমকে। মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন, আমরা ২৩৫, আপনারা ৩০। এভাবেই ক্ষমতা জাহির করেছিলেন তিনি। এবার সিপিএম বা বাম প্রতিনিধি বিধানসভায় শূন্য। সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, সব কথায় ক্ষমতা দেখাচ্ছেন। ২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ যদি দেখান, তাহলে বিএ কমিটিতে গিয়ে সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিবন্ধকতা আছে। তাই বিএ কমিটির বৈঠকে যাইনি। এটা আমাদের বয়কট নয়। এটা বলতে না দেওয়ার প্রতিবাদ। আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেভূয়ো টিকা নিয়ে এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে। একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। শুভেন্দু সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, আজ আমাদের বিধায়ক ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে আলোচনার জন্য মূলতুবি প্রস্তাব দেয়। কেন আলোচনা হবে না ভূয়ো টিকা নিয়ে? ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে মূলতুবি প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা কর্পোরেশনের পুরপ্রশাসক থেকে একাধিক বিধায়ক, আইপিএস, জনপ্রতিনিধি, ছোট থেকে বড় নেতা সকলেই যুক্ত। তা প্রমাণিত।

জুলাই ০৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

Vaccinated Without Vaccine: টিকা না নিয়েই সার্টিফিকেট, সমস্যার সমাধানে হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর

সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এল জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। টিকা না পেয়েও শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিকে বুধবার টিকার ব্যবস্থা করে দিল ওই দফতর। আজ, বুধবার সাঁকরাইলের একটি সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তাঁর টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এমনটাই জানালেন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক। উল্লেখ্য, এর আগে বর্ধমানেও এমন ঘটনা ঘটেছে।আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?গত সোমবার কোউইন অ্যাপে করনা টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার পরে নির্দিষ্ট দিনে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য স্লট বুকিং করা ছিল। টিকা না পেয়েও কয়েক মিনিটের ভিতরেই শংসাপত্র পেয়ে যান আন্দুলের আলমপুরের বাসিন্দা সমীর মাঝি। সমীর মাঝির অভিযোগ, করোনা প্রতিষেধক কোভিশিল্ড নেওয়ার ৮৪ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরই তিনি দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন। কখনও রাত আড়াইটে বা কখনও ভোর সাড়ে চারটেয় লাইন দিয়েও তিনবার ফিরে আসতে হয় টোকেন না পেয়ে। এরপরই তিনি তাঁর মেয়েকে কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে যদি কিছু করা যায় সেই চেষ্টা করতে বলেন। তাঁর মেয়ে কো-উইন অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করার পরই তাঁকে জানানো হয় বিকেল ৩টে থেকে ৪টের মধ্যে আমতার পানপুরের একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে তাঁকে এই ভ্যাকসিন নিতে হবে। কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করার মিনিট দশেকের মধ্যেই ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হয় তার ভ্যাকসিন নেওয়া হয়ে গিয়েছে। তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার সার্টিফিকেটও। স্বভাবতই এই ঘটনায় হতবাক হয়ে যান তিনি।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেতড়িঘড়ি বাড়ি থেকে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে সেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ছুটে যান। তিনি সেখানে গিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেখানে জানতে পারেন সকাল দশটার কিছু পরেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে সেই স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এরপর তিনি যোগাযোগ করেন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতামঙ্গলবার হাওড়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাই চন্দ্র মন্ডল জানান, কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। সমস্যাটি মূলত অ্যাপ কেন্দ্রিক। এক ব্যক্তির টিকা নেওয়ার স্লট বুকিং এর পরেই তার টিকা নেওয়ার আগে তাঁর নামের সার্টিফিকেট ইস্যু করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার ওই ব্যক্তির টিকাকরণের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে কোন ভাঁওতাবাজির ব্যাপার নেই। ওনার নামে টিকা অন্য কাউকে দেওয়া হয়েছে এমন কোনও বিষয় নয়। যেহেতু এটি একটি ইন্টারনেট কেন্দ্রিক অ্যাপ সেহেতু এটিতে সেখান থেকেই কোন সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। আজ, বুধবার টিকা নেওয়ার পরে ওনার কাছে আর নতুন করে সার্টিফিকেট আসবে না। পুরনো সার্টিফিকেট ওনার কাছে থাকবে। ওই পুরোনো সার্টিফিকেটের তারিখ সংশোধন করে দেওয়া যায় কিনা সেই বিষয়ে তিনি রাজ্য সরকারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আবেদন জানাবেন। এই খবর জানার পর কিছুটা স্বস্তি নিঃশ্বাস ফেলছেন মাঝি পরিবার।

জুলাই ০৭, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রধান হাতিয়ার ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ড

ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে যখন সরব রাজ্য রাজনীতি। ঠিক তখনই এই ভ্যাকসিন-কাণ্ডকেই শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে প্রধান হাতিয়ার করে তুলতে তৎপর বিজেপি শিবির। ভোট পরবর্তী হিংসার ইস্যু আগে থেকেই ছিল। বাড়তি হাতিয়ার হিসেবে এ বার ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড হাতে পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। তার মধ্যে আবার বেনজির সংঘাতের আবহে শুরু হয়েছে রাজ্যের বিধানসভা অধিবেশন। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও মোটামুটি পরিষ্কার করে দিয়েছেন, আসন্ন সময় এই ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডই প্রধান অস্ত্র হতে চলেছে গেরুয়া শিবিরের। ধৃত দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে রাজ্যের শাসকদলের ঘনিষ্ঠতা অভিযোগ তুলে বিধান ভবনের ভিতরে এবং বাইরে, তৃণমূলের যাত্রাপথ যতটা সম্ভব দুর্বিসহ করা বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি।আরও পড়ুনঃ প্রেম-বিরহ-সম্পর্কের জটিল বীজগণিত X=প্রেমশনিবার সকাল থেকে হেস্টিংসে বিজেপির কার্যালয়ে শুরু হয়েছে বিধায়কদের কর্মশালা। প্রথমবার নির্বাচিত একাধিক বিধায়কদের আচরণ বিধানসভার অন্দরে ও বাইরে কেমন হওয়া প্রয়োজন, সেই বিষয় নিয়েই চলছে এই কর্মশালা। স্যারের ভূমিকায় রয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের দুজনেরই একটা দীর্ঘ সময় কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে বিধানসভায়। এ দিনের বৈঠকে প্রথমে বিধায়কদের ক্লাস নেন দিলীপবাবু। এরপর ওঠেন শুভেন্দু। আগামী সময় রাজনৈতিকভাবে ঠিক কোন ইস্যুতে শাসকদের নিশানায় নিতে হবে, সেটা স্পষ্ট করে দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।শুভেন্দুর সাফ করে দেন, ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডই আগামী সময় মূল আক্রমণের হাতিয়ার হতে চলেছে বিজেপির। তিনি বিধায়কদের জানান, ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে সুর সপ্তমে তুলতে হবে বিধায়কদের। তাঁর কথায়, ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে এমন তীব্র আন্দোলন করতে হবে, যাতে শাসকদের কান ঝালাপালা হয়ে যায়।

জুলাই ০৩, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র

করোনা ভ্যাকসিন দেওয়াকে কেন্দ্রে করে বিতর্কে জড়ালেন আসানসোল পুর প্রশাসক বোর্ডের সদস্যা তাবাসসুম আরা। অভিযোগ, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মী থাকা সত্বেও তিনি নিজে এক মহিলাকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন।ঘটনায় ইতিমধ্যেই পুরসভার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র তথা তৃণমূল নেত্রী তাবাস্সুম আরাকে শোকজ করা হল। সেই সঙ্গে চবকার ওই শিবিরে উপস্থিত থাকা এক চিকিৎসক এবং দুই নার্সকেও কারণ দর্শানোর নোটিস ধরানো হয়েছে। ঘটনায় সরব হয়েছেন বাবুল সুপ্রিয় ও অগ্নিমিত্রা পল। শনিবার চবকায় যৌন কর্মীদের জন্য আয়োজন করা টিকা শিবিরে গুড়িয়া মাহাতো নামে এক মহিলাকে নিজেই টিকা দেন তাবাসসুম। ওই সময়কার যে ভিডিও পাওয়া গিয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে তাবাস্সুমের হাতে সিরিঞ্জ তুলে দিচ্ছেন নার্স। ওই কাণ্ডে স্বাভাবিক ভাবেই শোরগোল পড়ে যায়। এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আসানসোল পুরসভার পুর প্রশাসক বোর্ডের সদস্য তবস্সুমকে শোকজ করেছেন বোর্ডের চেয়ারপার্সন অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। শীঘ্রই ওই কাণ্ডেব জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যত ভুবনেরবিষয়টি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলতে রাজি নন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা। তবে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ফোনে বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ তারা করলেই ভালো। অন্য কারও তা করা উচিত নয়। এটি খুবই সেনসেটিভ বিষয়।আসানসোল(Asansol) পুরসভার স্বাস্থ্য আধিকারিক দিলীপ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, স্বাস্থ্য কর্মীরা নিজেদের কাজ করছিলেন। সেখানে অন্য কেউ তা না করাই উচিত। যে মহিলাকে উনি ভ্যাকসিন দিয়েছেন তাকে নজরে রাখা হচ্ছে। তাবাসসুম আরা এনিয়ে বলেন তাঁর নার্সিং ট্রেনিং রয়েছে। এসব কাজ তিনি জানেন। তবে তিনি মনে করেন কাজটা মনে হয় ভুলই হয়েছে।Seems like TMC govt has no control over its administrators.TMCs Tabassum Ara, a member of the administrative body of AMC, has vaccinated people herself and risked hundreds of livesWill her political colour shield her from stern punishment?@MamataOfficial pic.twitter.com/EaF3EsK9Bw Babul Supriyo (@SuPriyoBabul) July 3, 2021অন্যদিকে টিকা কাণ্ডে চবকার ওই টিকা শিবিরে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক অপূর্বকুমার পানকেও শোকজন করেছেন আসানসোলের পুর কমিশনার নীতিন সিংহানিয়া। তার পাশাপাশি, মনালি ভট্টাচার্য এবং শাহনওয়াজ পারভিন নামে দুই নার্সকেও শোকজ করা হয়েছে। তাঁরাও ওই টিকা শিবিরে ছিলেন।TMCs manhandling of the lives of people knows no bounds..A non-medical official, TMCs Tabassum Ara, member of administrative board of AMC, chose to vaccinate the people herself, in spite of doctors and nurses being present there Is she even medically authorised to do so? pic.twitter.com/3WSFqKw6hE Agnimitra Paul Official (@paulagnimitra1) July 3, 2021বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরও। গুড়িয়া নামের ওই মহিলাকে নজরে রাখার জন্য এক চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশ্বিনী কুমার মাজি। তিনি বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্য পুরসভার চিকিৎসক দীপক গঙ্গোপাধ্যায়কে নজর রাখতে বলা হয়েছে। কোনও রকম কোনও অসুবিধা হলে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সব সময় ওই মহিলার পাশে থাকবে।

জুলাই ০৩, ২০২১
দেশ

Vaccine: চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!

উপসর্গযুক্ত কোভিডের ক্ষেত্রে ৭৭.৮ শতাংশ কার্যকরী কোভ্যাক্সিন। চূড়ান্ত পর্বের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষে শনিবার এমনই দাবি করেছে এই টিকার প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারত বায়োটেক।তাদের আরও দাবি, করোনার ডেল্টা প্রজাতির বিরুদ্ধে কোভ্যাক্সিন ৬৫.২ শতাংশ কার্যকরী। উপসর্গহীন কোভিডের ক্ষেত্রে এই টিকা কার্যকরী ৬৩.৬ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণে সত্যি উল্লেখ ছিল না, তাই বাধাটিকা কতটা নিরাপদ তারও একটা তথ্য তুলে ধরেছে ভারত বায়োটেক। পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, এই টিকা ব্যবহারের পর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার হার ১২ শতাংশ। ০.৫ শতাংশেরও কম ক্ষেত্রে গুরুতর প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সংস্থার দাবি, যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে তা অন্যান্য কোভিড টিকার তুলনায় খুবই কম। বিশ্বের ১৬টি দেশে জরুরি ভিত্তিতে এই টিকা প্রয়োগের ছাড়পত্র পেয়েছে ভারত বায়োটেক। তার মধ্যে ভারত ছাড়াও রয়েছে ব্রাজিল, মেক্সিকো, ইরান, ফিলিপিন্সের মতো দেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি ভিত্তিতে টিকা প্রয়োগের তালিকায় কোভ্যাক্সিনকে অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে দাবি ভারত বায়োটেকের।দেশে যে দুটি টিকা সবচেয়ে বেশি প্রয়োগ করা হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট এবং অক্সফোর্ডের তৈরি কোভিশিল্ড এবং হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেক-এর কোভ্যাক্সিন। এবার কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশ হওয়াতে এই টিকার ব্যবহার বাড়বে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

জুলাই ০৩, ২০২১
রাজ্য

Devanjan Dev's Bodyguard: দেবাঞ্জনের দেহরক্ষীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি! তদন্ত চায় তৃণমূল

গতকালই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন ভূয়ো টিকাকাণ্ডে আরও ছবি থাকতে পারে। থাকলে তা শীঘ্রই প্রকাশ পাবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভূয়ো করোনা টিকাকরণে অভিযুক্ত ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি প্রকাশ্য আনল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় ওই ছবি দেখিয়ে তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কার কাছে যেত খাম ও সঙ্গে উপহার? তাও তদন্তকারী দলকে খতিয়ে দেখতে বলবে তৃণমূল কংগ্রেস। জানিয়ে দিলেন সুখেন্দুবাবু। আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনবৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী অরবিন্দ বৈদ্যর দুটি ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন তোলেন সুখেন্দুশেখর রায়। তাঁর দেখানো একটি ছবিতে অরবিন্দকে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের সঙ্গে, আরেকটি ছবিতে অরবিন্দ রাজ্য জগদীপ ধনকরের পরিবারের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে। সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, এই অরবিন্দ দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মী। তিনি কী করে রাজ্যপালের ব্যক্তিগত পরিসরে থাকতে পারেন। ওই ছবিতে সবাই রয়েছেন হাসিমুখে। তাঁদের পিছনেই অরবিন্দ।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতি শুধু ছবি দেখিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ। সুখেন্দুবাবু বলেন, এই নিরাপত্তা কর্মীর মাধ্যমে বিশেষ ব্যক্তির কাছে খাম যেত, যেত কিছু উপহারও। ইতিমধ্যে ভূয়ো টিকার তদন্তে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি দেখা গিয়েছিল দেবাঞ্জন দেবের। এবার রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীর ছবি সামনে আনায় বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশসুখেন্দুশেখর বলেন, রাজভবনে যিনি আলোকিত করে বসে আছেন তাঁর ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীকে। তদন্তকারী সংস্থার গোচরে আনতে চাই বিষয়টা। আমরা চাই সমস্ত তথ্য উঠে আসুক। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, টিকাকাণ্ডের সঙ্গে মানুষকে যাঁরা অসুবিধায় ফেলতে চেয়েছেন তিনি যত গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন রেহাই পাবেন না। এই ছবি যদি সত্যি হয় তাহলে তা দেশের পক্ষে ভয়ঙ্কর। জৈন ডায়েরির পাতায় জগদীপ ধনকড়ের নাম ছিল এদিনও দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন রাজ্যপাল পদে যোগ দেওয়ার পর থকেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত লেগেই রয়েছে জগদীপ ধনকরের। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত এখন একেবারে ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে গিয়েছে। তৃণমূল নেতার দাবি, সুরেন্দ্র জৈন হাওলাকাণ্ডের মাথা ছিলেন। পরশু দিন তাঁর মৃত্যু হয়েছে আর তারপর ৪৮ ঘণ্টা নীরব রয়েছেন রাজ্যপাল। জমি কেলেঙ্কারিতেও তিনি জড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, এত দুর্নীতির অভিযোগ কোনও রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ছিল না। এমন অভিযুক্ত লোককে রাজ্যপাল হিসাবে নিয়োগ করা উচিত নয়। অবিলম্বে বরখাস্ত করা প্রয়োজন। এবিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করব। পাশাপাশি দুই সংসদে আইন অনুযায়ী পন্থা নেব।

জুলাই ০১, ২০২১
দেশ

Vaccine: কেন্দ্রের ছা‌ড়পত্র পেল মডার্নার ভ্যাকসিন

খুব শীঘ্রই আরও এক কোভিড ভ্যাকসিন আসছে দেশীয় বাজারে। জরুরি পরিস্থিতি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র মডার্নার (Moderna Vaccine) টিকাকে। এদিকে এই ভ্যাকসিন আমদানি ও সরবরাহের জন্য ডিসিজিআইয়ের ছাড়পত্র চেয়েছিল ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা সিপলা (Cipla)। মঙ্গলবার দুপুরে সেই ছাড়পত্র দিল DCGI। আরও পড়ুনঃ রাস্তার ধারের বহুমূল্য গাছ বিক্রি করার অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধেসম্প্রতি দেশে-বিদেশি টিকার ছাড়পত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করেছে কেন্দ্র সরকার। জানানো হয়েছে, কোনও বিদেশি টিকা আমেরিকার মতো দেশে জরুরি অবস্থার জন্য ছাড়পত্র পেয়ে থাকলে তারা এদেশে ট্রায়াল ছাড়াই ছাড়পত্রে পেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে প্রথম ১০০ জন টিকাগ্রহীতার তথ্য জমা করতে হবে সরকারের কাছে। কেন্দ্রের এই শর্তকে হাতিয়ার করেই ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছিল সিপলা। তাদের সেই আবেদন গৃহীত হয়েছে বলেই খবর।উল্লেখ্য, মার্কিন প্রশাসন আগেই জানিয়েছে কোভ্যাক্স প্রকল্পে মডার্নার বেশকিছু টিকা পেতে পারে ভারত। ইতিমধ্যে করোনার বিরুদ্ধে ৯০ শতাংশ কার্যকর এই টিকা। শুধু কোভ্যাক্স প্রকল্পের জন্যই নয়, এবার সরাসরি সংস্থার কাছ থেকে টিকা আমদানি করবে কেন্দ্র। জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যাবে এই টিকা।

জুন ২৯, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccine: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে দেবাঞ্জনকে জঙ্গিদের থেকেও ভয়ঙ্কর বললেন মুখ্যমন্ত্রী

কসবার ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে (Kasba Fake Vaccine Case) ধৃত দেবাঞ্জন দেবকে জঙ্গির থেকেও ভয়ংকর বলে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রথমবার ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি নিয়ে বিজেপির খোঁচারও জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। টিকাপ্রাপ্তদের স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষজ্ঞ কমিটি খেয়াল রাখছে বলেও জানান তিনি।নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, এত বড় সাহস। এত ঔদ্ধত্য হয় কী করে? সাধারণ মানুষ, সহজ সরল মানুষদের অনেকে চিটফান্ডের নামেও বোকা বানায়। কিছু মানুষ দেখতে সুন্দর, সেজে গুজে থাকে। প্রতারণা করে। তাদের আমি মানুষ বলে মনে করিনা। অমানুষ বলেও মনে করিনা। এদের সমাজে থাকার কোনও যৌক্তিকতা নেই। মানুষের জীবন নিয়ে যারা খেলে তারা জঙ্গিদের থেকেও ভয়ংকর। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যারা সাহায্য করেছে সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ জিটিএ-র দুর্নীতি বিচারে অডিট করাবেন রাজ্যপাল ভ্যাকসিন-কাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জনের (Debanjan Deb) সঙ্গে রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে বিজেপি (BJP)। তা নিয়েও এদিন মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলে নেয়। বিমানে দূর থেকে বসেও ছবি তুলে নেয়। ছবি দেখিয়ে কিছু হবে না। ফটোশপ করে কোনও লাভ নেই। ছবি তুলে কাজে লাগায় প্রতারকরা। এরা ঠগবাজ মনে রাখতে হবে। এছাড়া কোন এলাকায় কে কী ব্যবসা চালাচ্ছে সেদিকে পুলিশ এবং পুর কর্তৃপক্ষকে নজর রাখার কথাও বলেছেন তিনি। যাঁরা কসবায় ভুয়ো টিকা নিয়েছেন তাঁদের স্বাস্থ্যের দিকে স্বাস্থ্যদপ্তরের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটি নজর রাখছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে বামেদের বিক্ষোভে উত্তাল পুরসভা চত্বর

কসবা ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের (Kasba Fake Vaccine Case) প্রতিবাদে বামেদের বিক্ষোভ ঘিরে কলকাতা পুরসভার সামনে ধুন্ধুমার। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন তাঁরা। তাতেই পুলিশের সঙ্গে বচসা এবং ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বাম কর্মী-সমর্থকরা। গ্রেপ্তার করা হয় বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। পুলিশ সূত্রে খবর, এলিট সিনেমা হলের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কথা ছিল বামেদের। সেখানেই ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। তবে সেই বাধা উপেক্ষা করে কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) দিকে এগোতে থাকেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। তাতেই বাধা দেয় পুলিশ। তার ফলে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বাম (Left Front) কর্মী-সমর্থকরা। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি, পুরসভার ভিতরে ঢুকে কমিশনারের হাতে স্মারকলিপি জমা দেবেন। তবে দাবিপূরণ না হওয়ায় কলকাতা পুরসভার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল বাম কর্মী-সমর্থকরা। খবর পাওয়মাত্রই বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বিক্ষোভ হঠানোর চেষ্টা করে। তবে বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবিতে অনড়। তাই বাধ্য হয়ে পুলিশ বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, আগাম অনুমতি না থাকায় বাম কর্মী-সমর্থকদের স্মারকলিপি জমা দিতে পুরসভার ভিতরে ঢুকতে দেওয়া সম্ভব নয়। কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি এদিন সল্টলেকে স্বাস্থ্যভবনের সামনেও বিক্ষোভ দেন বাম কর্মী-সমর্থকরা।

জুন ২৮, ২০২১
রাজ্য

Vaccination: বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচি

রাজ্যে ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে যখন সরগরম চারিদিক, সেই সময়ই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুমোদন নিয়েই বৃহত্তর স্বার্থে এক টিকাকরণ অভিযানের আয়োজন করেছে বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতাল। লিভার ফাউন্ডেশন ও কোভিড কেয়ার নেটওয়ার্কের উদ্যোগে এই অস্থায়ী কোভিড হাসপাতালটি গড়ে তোলা হয়েছে। মূলত, সত্তরোর্ধ্ব শারীরিকভাবে অক্ষমদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনামূল্যে এই টিকাকরণের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে জেলা নোডাল তথাগত পাল জনতার কথাকে জানান, ভ্যাকসিন অ্যাকসেস ইনিশিয়েটিভ নামক এই কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে সত্তরোর্ধ্ব ও শারীরিকভাবে দুর্বলদের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ জার্মানিতে পথচারীদের উপর জেহাদি হামলায় হত ৩দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর বিশেষজ্ঞরা যখন তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন নিয়ে নেওয়ার আবেদন করছেন চিকিৎসকরা। সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে এখনও এমন অনেক বয়স্ক মানুষ রয়েছেন যাঁরা করোনা ভ্যাকসিন নিতে পারেননি। অথবা লম্বা লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এইসব মানুষের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর দ্বারাই সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে এই টিকাকরণ কর্মসূচি চালানো হবে বলেও জানা গিয়েছে। প্রয়োজনীয় সবরকম সরকারি অনুমোদন নিয়েই এই অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তথাগত পাল। সংস্থার তরফে তথাগত পাল বলেন, এই বিরাট কর্মকান্ড চালাতে অনেক মানুষের সাহায্য অর্থের প্রয়োজন। বহু বিশিষ্ট সহৃদয় মানুষ এগিয়ে এসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের প্রত্যেককে আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সাধারণ মানুষ আমাদের এই কর্ম কান্ডে সাহায্য করলে কর্মসূচি সার্বিক ভাবে সাফল্যে পাবে।সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইচ্ছুকরা সংশ্লিষ্ট ফোন নম্বরে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন।(৯৮৮৩৮৩২৫১২ / ৭০০১৯০৬৮২৭ / ৮৯৬৭০০০৪২৮)

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Covid-19 Vaccine: ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

তিনদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ কলকাতা পুরসভার ভ্যাকসিন-কাণ্ডে শাসক দলের জড়িত থাকার বিষয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন। শনিবার কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামেন তিনি। সেখান থেকে তাঁর সোজা কোচবিহারের তিনবিঘা করিডর এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা।ফেক ভ্যাকসিন নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এক বছর ধরে ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেব কোভিড সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছে। এই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা ফেক ভ্যাকসিনকাণ্ডে যুক্ত। কলকাতা পুরসভাও যুক্ত। অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে ছবিতে। কী করে নেতারা বলছে তাঁকে চেনে না?আগামী পুরসভা নির্বাচন নিয়ে বিজেপি তৎপর হয়ে উঠেছে। শনিবার এনজেপিতে ট্রেন থেকে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সভাপতি জানান, উত্তরবঙ্গে পাঁচ জেলার কর্মসূচিতে অংশগ্রহহ করে আগামী পুরসভা নির্বাচনে ও দলের আগামী দিনের রনকৌশল ঠিক করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।রাজ্যে দলত্যাগ নিয়ে জল্পনা অব্যাহত আছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী বিধায়কদের দল পরিবর্তন নিয়ে জল্পনার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, যাঁরা যাওয়ার তাঁরা চলে গিয়েছে, কাজের লোক যাঁরা আছেন তাঁরা বিজেপি ছাড়বেন না। মুকুল রায় বিজেপি থেকে তৃণমূলে এসেই জানিয়েছিলেন বহু বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদ দল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দেবেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঘোষণা করেছন বিজেপির নেতা-নেত্রীরা দলে আসার জন্য পা বাড়িয়ে আছেন।

জুন ২৬, ২০২১
বিদেশ

Sputnik V : রাশিয়া ও চীনের তৈরি টীকা আনুমোদন দিতে নারাজ ইউরোপীয় ইউনিয়ন

রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি কোভিড-১৯ টিকা কখনও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুমোদন পাবে না বলে জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি। শুক্রবার তিনি চীনের তৈরী সিনোভাক জাব এর অনুমদনের বিষয়েও বিশেষ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।ব্রাসেলসে দ্রাঘি বলেছেন, স্পুটনিক-ভি এখনও পর্যন্ত অনুমোদন পায়নি। সম্ভবত কখনও ইএমএ (ইউরোপীয় মেডিসিন এজেন্সি) এর অনুমোদন তারা পাবে না। তিনি আরও জানান, চীনা ভ্যাকসিন সিনোভাক জাব যথোপযুক্ত নয় বলে ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে। চিলির অভিজ্ঞতার দিকে নজর দিলেই তা বোঝা যাবে।আরও পড়ুনঃ আমেরিকায় নিষিদ্ধ একধিক ইরানি ওয়েবসাইটচিলি, চীনা সিনোভাক জাবের উপর নির্ভর করে তাদের টিকাকরণ অভিযানে বিরাট জোর দিয়েছিল। এই মুহুর্তে তাঁদের ধারণা চীনের তৈরি টীকা করোনার নতুন স্টেন থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হবে। সেকারণে নতুন স্টেনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা বাড়াতে এখন তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।চীন ও রাশিয়ার তৈরি টীকা স্পুটনিক ভি এবং সিনোভাক উভয় ভ্যাকসিনই ইএমএ -র রোলিং রিভিউ ওপর নির্ভর করে আছে। আশা করা যাচ্ছে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেতে আরও এক ধাপ পরীক্ষার সামনে পড়তে হবে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভ্যাকসিন নিয়ে সাম্প্রতিক যথেষ্ট বিভ্রান্তি চলছে, এর পুনরাবৃত্তি এড়াতে ইএমএ-কে আরও শক্তিশালী এবং সংস্কারের প্রয়োজন ছিল।আরও পড়ুনঃ দেশের বাকি বড় শহরকে পিছনে ফেলে সুরাট এবং ইন্দোর সেরার সেরাতিনি ইএমএ এবং জাতীয় ঔষধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির মধ্যে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের সুরক্ষার বিষয়ে আরও আলোচনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। দুদিন ব্যাপী ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ সম্মেলনের শেষে দ্রাঘি তাঁর বক্তব্যে বলেন, রাষ্ট্র নেতাদের সাথে করোনা ভাইরাসের অতিমারি প্রতিরোধ বিষয়ে একটি সাধারণ আলোচনা ছিল। এই অতিমারি এখনও শেষ হয়ে যায়নি, আমরা এখনও এ থেকে বের হতে পারিনি। ইতালিয়ান নেতা ব্রিটেনে আরও ভয়ঙ্কর সংক্রমণযোগ্য ডেল্টা রূপটি ছড়িয়ে পড়ার দিকটিকেও ইঙ্গিত করেন।আরও পড়ুনঃ বিনামূল্যে ৫৫০ জনকে টীকাকরণ অটোমোবাইল সংস্থারএক বিবৃতিতে ইতালির জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা (আইএসএস) বলেছে যে, জুন মাস অবধি ইতালিতে করোনার যে স্টেন দেখা গিয়েছে তার ৭৪.৮ % আলফা। এবং একই সময়ে, ডেল্টা স্টেনেরও খোঁজ পাওয়া গেছে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৬.৮%, মে মাসে যা ছিলো মাত্র ৪.২%।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

Taltola Statue: টিকা বিতর্কে ভাঙা হল রবীন্দ্রনাথের মূর্তি থেকে দেবাঞ্জনের নামের ফলক

ভুয়ো টিকা-কাণ্ড নিয়ে বিতর্কের জেরে তালতলায় রবীন্দ্রমূর্তির ফলক তুলে ফেলা হল। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ওই ফলকে নাম ছিল অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের। নামের পাশে পরিচয় হিসেবে লেখা ছিল, তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুগ্মসচিব। দেবাঞ্জনের একের পর এক কীর্তি সামনে আসার পরই ওই ফলকে নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে তাঁর নাম থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। তাতেই শুক্রবার বিকেলে ফলকটি তুলে ফেলা হয়।আরও পড়ুনঃ ডেল্টা স্ট্রেনে দেশে প্রথম মৃত্যু মধ্যপ্রদেশেদেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে যখন তোলপাড়, শুক্রবার সেই সময় তালতলায় রবীন্দ্রমূর্তির পাদদেশে হাজির হন এলাকার লোকজন। প্রথমে হাতুড়ি, ছেনি দিয়ে মূর্তির নীচ থেকে ফলকটি তুলে নেওয়া হয়। তার পর হাতুড়ি দিয়ে সেটি টুকরো টুকরো ভেঙে ফেলেন এক ব্যক্তি। শেষে বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয় ভাঙা টুকরোগুলো। তালতলার ত্রিপুরা শঙ্করসেন শাস্ত্রী স্মৃতি গ্রন্থাগারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সেখানে যাতায়াত ছিল দেবাঞ্জনের। অন্যদের মতো তাঁরাও প্রতারণার শিকার।কলকাতা পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য অতীন ঘোষ এবং ইন্দ্রাণী সাহা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তদারকিতেই ফলকটি সরিয়ে ফেলা হল। তাঁরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের দিন রাজ্যের কোনও মন্ত্রী-বিধায়ক সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে নজরদারি রাখা উচিত ছিল বলে স্বীকার করলেও, অতীনের দাবি, মূর্তি উন্মোচনে তাঁকে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি।যদিও এই ফলক সরানো নিয়েও বিজেপি-র থেকে কটাক্ষ উড়ে এসেছে। রাজ্যে দলের মিডিয়া সেলের প্রধান সপ্তর্ষি চৌধুরীর অভিযোগ, স্থানীয় সাংসদ, বিধায়ক, মন্ত্রী তথা প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে ওই ফলকে উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল টিকা কেলেঙ্কারির নায়কের। ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়ে আসছে, তাই ফলক ভেঙে প্রমাণ লোপাট করা হচ্ছে বলে দাবি সপ্তর্ষির।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপির

রাজ্যে টিকাকরণের নামে ব্যাপক বেনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছে বিজেপি (BJP)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় নিজের দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান বাঁকুড়ার সাংসদ চিকিৎসক সুভাষ সরকার। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার কেন্দ্রের পাঠানো টিকাকে নিজেদের কেনা টিকা বলে দাবি করছে। তাছাড়া, এদিন সুভাষবাবু একাধিক ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, কলকাতার কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবির আয়োজনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইএএস (IAS) আধিকারিক দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তৃণমূলের (TMC)। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে ছবি রয়েছে দেবাঞ্জনের। এই ভুয়ো টিকাকরণ নিয়ে রাজ্য সরকারকে এক এক হাত নিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্র সরকার সকলের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছে, কিন্তু রাজ্য সরকার তা ঠিকভাবে বণ্টন করতে ব্যর্থ। উপরন্তু, এরকম ভুয়ো ঠিকাকরণে রাজ্যে মানুষের মনে ভয়ের সঞ্চার হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ হাম বা বিসিজি বা স্রেফ পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছে কসবার ক্যাম্পেএরপর তিনি হাওড়ার মানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাকরণের নামে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। বলেন, সেখানে অবনী খুটিয়া নামে এক ব্যক্তি টিকা নিতে যান। সেখানে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধানের সুপারিশ লিখিয়ে আনতে বলা হয়। তিনি সেখানে গেলে দেখেন তাঁর ফোনে টিকাকরণের (Vaccination) এসএমএস ও সার্টিফিকেট চলে এসেছে। অথচ টিকাই নেননি অবনীবাবু। প্রশ্ন হল, তাহলে অবনীবাবুর টিকা কে চুরি করল? টিকাটা কে নিল? সেই টিকাই কি বাজারে বিক্রি হচ্ছে? রাজ্যে টিকাকরণের অডিটের দাবিও তোলেন তিনি। বলেন, প্রত্যেকটা টিকা কাকে দেওয়া হয়েছে তা জানা দরকার। রাজ্য সরকার এত অসৎ হলে তো মহা মুশকিল। এই অবনী খুটিয়া যদি এবার করোনায় আক্রান্ত হন। পরিবার যদি তাঁকে হারায়। তাহলে কি তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার?যাদবপুরের সাংসদ গেলেন জাল ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পে ডোজ ও প্রচার নিতে!বিধায়ক লাভলী মৈত্র মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দিলেন,জয়েন্ট কমিশনার আইএএস অফিসার বলে!তাই জন্য কি আগেভাগে কেঁদে বলেছিলেন ফিরাদ সাহেব,আমায় কলকাতার মানুষকে বাঁচাতে দিল নাসঠিক তদন্ত হোক। দোষীরা যেন ছাড়া না পায়। pic.twitter.com/xOTuUV2Mab Saptarshi Chowdhury (@saptarshiOFC) June 25, 2021সুভাষবাবুর দাবি, কেন্দ্রের টিকাকে রাজ্যের টিকা বলে চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে ১.৭৫ কোটি টিকা দিয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকার কিনেছে মাত্র ১৭ লক্ষ ভ্যাকসিন। তাতেই সব টিকা রাজ্য সরকার কিনেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের নতুন নীতি অনুসারে কোনও রাজ্যকে আর একটাও টিকা কিনতে হবে না। কেন্দ্রীয় সরকার সবাইকে বিনামূল্যে টিকা দেবে। তিনি বলেন, পরিকাঠামো থাকলেও রাজ্য সরকার টিকাকরণের গতি শ্লথ করে রেখেছে। টিকার কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে টাকা উপার্জনের জন্য একাজ করছে তারা। কেন্দ্র আজ পর্যন্ত কত টিকা পাঠিয়েছে আর কত টিকা দেওয়া হয়েছে তার তথ্য কেন প্রকাশ করছে না রাজ্য? সুভাষবাবুর কথায়, এসব কথা জানিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেব।

জুন ২৫, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: আতঙ্কিত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সুরক্ষার আবেদন

কোভিড আবহে ভ্যাকসিনের আকাল এমনিতেই প্রকট সাধারণ মানুষদের জন্য। কিন্তু করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে সমাজের প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের জন্য সরকার বিশেষ ব্যবস্থা করেছে। প্রথমসারির যোদ্ধাদের প্রথমে ভ্যাকসিন দেওয়াকেই প্রাধান্য দিয়ে এসেছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসাকর্মী, সাংবাদিকদের প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধা ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসার সঙ্গেই যুক্ত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের জন্য ভ্যাকসিনের কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি কেন্দ্র, রাজ্য বা ওষুধ কোম্পানিগুলোর তরফে। এই কঠিন সময়ে তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎকদের কাছে ওষুধ জোগানের ব্যবস্থা করে গিয়েছে। কিন্তু তাঁদেরই সুরক্ষা এখন অবহেলিত। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ২১ জন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানা যায়। পরিসংখ্যান অনুসারে রাজ্যে মোট ১০ হাজার মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ রয়েছেন। যার মধ্যে বর্ধমান শহরেই রয়েছেন প্রায় ২ হাজার জন। যাদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। এখানে উল্লেখ্য বর্তমানে সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে ওই বয়সিদের টিকাকরণ বন্ধ আছে, এবং টিকার সরবরাহের অপ্রতুলাতার জন্য সাধারন ভাবে টিকা পাওয়াও প্রায় দুষ্কর হয়ে উঠেছে। তারা কবে টিকা পাবেন জানেন না, কিন্তু এই মহামারি কালেই তাদের নিত্যদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসকদের সাথে সাক্ষাত করতে অসুরক্ষিত অবস্থাতেই বাড়ি থেকে বেরোতে হচ্ছে। বর্ধমানে ২ জন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমিত হয়ে। মৃতদের নাম সন্তু দত্ত (ফার্মেড) ও অনিমেশ প্রসাদ রায়।রাজ্যে যাতে আর কোনও মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের অকাল মৃত্যু না হয়, সেজন্য জেলাশাসকের ও জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে আবেদন জানিয়েছে ওয়েস্টবেঙ্গল মেডিক্যাল অ্যান্ড সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ ইউনিয়ন। ইউনিয়নের জেলা সম্পাদক ও রাজ্য কমিটির সদস্য কৌশিক ব্যানার্জি জানান, অবিলম্বে এই মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করুক সরকার ও ওষুধ সংস্থা। কৌশিক ব্যানার্জি আরও জানান যে জেলার বিভিন্ন বাজার কমিটি উদ্যোগ নিয়ে এলাকার দোকানদার, হকার এবং তাদের পরিবারদেরও টিকার ব্যবস্থা করছেন সেখানে তাঁরাই ব্রাত্য। তাঁর বক্তব্য, আমরা যে কাজ করি সেটা জরুরী পরিসেবার আওতায় নেই, এটা রাজ্য কর্মচারি অ্যাক্ট-এর আওতায় পরে, সেই কারনেই কি আমাদের টিকার অগ্রাধিকার নেই? তাই যদি হয় তাহলে কোম্পানিগুলিও আমাদের বাধ্য করতে পারে না অতিমারিকালে কাজ করাতে। বর্ধমান শহরে কর্মরত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ সন্দীপন মণ্ডল বলেন, আমাদের কাজে বেরতে কোনও সমস্যা নেই এবং আমরা যথারীতি দায়িত্ব পালন করে চলেছি। আমাদের শুধু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে একটাই আবেদন আমাদের ও পরিবারের কথা ভেবে পরিসেবাকে জরুরি পরিসেবার মর্যাদা দিয়ে দ্রুত টিকাকরণের ব্যবস্থা করুক সরকার।

জুন ১৩, ২০২১
দেশ

G-7: বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নতুন মন্ত্র ‘এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য’

করোনা (Coronavirus) নামক মহামারি গোটা বিশ্বকে শিখিয়ে দিয়েছে, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে একত্রিত হওয়াটা জরুরি। বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশগুলির সংঠন জি-সেভেনের বৈঠক থেকে সেই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার রাতের ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্র এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য। অর্থাৎ, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও এদিন বিশ্বজনীন ভ্রাতৃত্ববোধের পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে করোনা ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে পেটেন্ট প্রত্যাহারের আর্জি জানান মোদি (Narendra Modi)।Participated in the @G7 Summit session on Health. Thanked partners for the support during the recent COVID-19 wave.India supports global action to prevent future pandemics.One Earth, One Health is our message to humanity. #G7UK https://t.co/B4qLmxLIM7 Narendra Modi (@narendramodi) June 12, 2021করোনা আবহে এবছর ভার্চুয়ালি আয়োজন করা হয়েছিল জি-সেভেন (G-7) আউটরিচ প্রোগ্রামের। ভার্চুয়াল বৈঠকে আমন্ত্রিত ছিলেন এ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে যোগ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden), জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন প্রমুখ। ওই বৈঠকে শুরুতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সমর্থন করার জন্য G-7 সদস্য দেশগুলিকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায় যে সমস্ত শিল্পপতিরা ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি। করোনাকে দমন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরির কথা বলেন তিনি। করোনা ভ্যাকসিনের উপর পেটেন্ট প্রত্যাহার সংক্রান্ত মোদির দাবিকে সমর্থন করেছে অস্ট্রেলিয়া। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ টিকা তৈরির কাজে ভারতের মতো দেশকে কাঁচামাল দিয়ে সাহায্য করার আর্জি জানান। এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত মোদির বক্তব্য সমর্থন করেছেন জার্মান চ্যান্সেলার অ্যাঞ্জেলা মর্কেলও।

জুন ১৩, ২০২১
রাজ্য

বেসরকারি হাসপাতালে ৩ টিকার দাম বাঁধল কেন্দ্র, দেখুন কার কত দাম

জাতির উদ্দেশে ভাষণে সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন, কোভিড টিকার দাম হিসাবে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা পরিষেবা কর হিসাবে নিতে পারে বেসরকারি হাসপাতালগুলো। এই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বেসরকারি হাসপাতালগুলোর জন্য কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন এবং স্পুটনিক ভি টিকার সর্বোচ্চ দাম বেঁধে দিল কেন্দ্র।মঙ্গলবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, বেসরকারি হাসপাতালে কোভিশিল্ড টিকার দাম ৭৮০ টাকা, কোভ্যাক্সিন টিকার দাম ১,৪১০ টাকা এবং স্পুটনিক ভি টিকার দাম ১,১৪৫ টাকা। এই দামের মধ্যে ১৫০ টাকা পরিষেবা-সহ ও অন্যান্য কর ধরা হয়েছে বলেই জানিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট দামের থেকে বেশি টাকা যেন বেসরকারি হাসপাতালগুলো না নেয় সে দিকে নজর দিতে। কোনও হাসপাতাল বেশি টাকা নিলে তার বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বিনামূল্যে টিকাকরণের ঘোষণা করতেই টিকার সরবরাহ নিয়ে পরিসংখ্যান দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, মোট ৪৪ কোটি টিকার বরাত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। অগস্ট মাসের মধ্যে সেই টিকা চলে আসবে কেন্দ্রের হাতে। এর মধ্যে ২৫ কোটি কোভিশিল্ড ও ১৯ কোটি কোভ্যাক্সিন রয়েছে। দেশের সামগ্রিক টিকাকরণের কাজে গতি আনতেই এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্র।দেখে নিনি কোন টিকার কত দাম দিতে হবে আপনাকে:কোভিশিল্ড- ৭৮০ টাকাকোভ্যাক্সিন-১৪১০ টাকাস্কুটনিক ভি- ১১৪৫ টাকা

জুন ০৯, ২০২১
বিদেশ

কুকুর-বিড়ালের জন্যও করোনা প্রতিষেধক

মানুষ তো করোনা (COVID 19) আক্রান্ত হচ্ছেই, কুকুর, বিড়াল, সিংহ, বাঘ কেউ বাকি নেই। করোনা করাল থাবা বসাচ্ছে প্রত্যেকের শরীরে। এমতাবস্থায় প্রাণীদেরও করোনা টিকা দেওয়া শুরু করেছে রাশিয়া। মার্চ মাসে রাশিয়াই প্রথম প্রাণীদের জন্য করোনা টিকা নিয়ে এসেছিল। ইতিমধ্যেই সে দেশের একাধিক অঞ্চলে শুরু হয়েছে প্রাণীদের করোনা টিকাকরণ।রাশিয়ার প্রাণীদের করোনা প্রতিষেধক কার্নিভ্যাক-কোভ বিশ্ব বাজারেও জায়গা করে নিয়েছে। ইতিমধ্যেই কার্নিভ্যাক-কোভ কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলেছেন পশুদের শরীরে করোনা ছড়ায় মানুষের কাছ থেকেই। পশুদের কাছ থেকে মানুষের দেহে মারণ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রত্যক্ষ কোনও প্রমাণ মেলেনি।তবে পশুরাও যাতে করোনা আক্রান্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই রাশিয়ায় শুরু হয়েছে করোনা টিকাকরণ। কুকুর, বিড়াল, মিঙ্ককে দেওয়া হচ্ছে এই টিকা। রাশিয়ার প্রাণীসংরক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, প্রত্যেকে নিজেদের পোষ্যকে করোনা টিকা দিতে চাইছেন। উল্লেখ্য, রাশিয়া ছাড়াও পশুদের জন্য করোনা টিকা তৈরি করছে মার্কিন ভেটিনারি ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা জোটিসও।

জুন ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal