• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tour

খেলার দুনিয়া

Copa America 2021: চাম্পিয়ানশিপের লক্ষ্যে আর এক ম্যাচ, প্রতিপক্ষ কে আর্জেন্টিনা না কলম্বিয়া?

৪৭ তম কোপা আমেরিকার চূড়ান্ত পর্বে চাম্পিয়ান হওয়ার লক্ষ্যে আর এক ধাপ এগিয়ে গেল ব্রাজিল। হট ফেভারিট ব্রাজিল নিজের দেশে সোমবার পেরুকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে। রিও-ডি-জেনেইরোর নীলটন সান্টোস স্টেডিয়ামে নেইমারের দুরন্ত পারফরম্যান্সের হাত ধরে ফাইনালে উঠল বিশ্বের প্রাচীনতম জাতীয় দলের টুর্নামেন্টে। এদিনও তিনি ম্যাচের সেরা হলেন। #CopaAmrica 🏆Casemiro 🇧🇷 e Gallese 🇵🇪 fizeram tudo certo 🤩Casemiro 🇧🇷 y Gallese 🇵🇪 hicieron todo bien 🤩🇧🇷 Brasil 🆚 Per 🇵🇪#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/LcuARd56u2 Copa Amrica (@CopaAmerica) July 6, 2021ব্রাজিলের আক্রমণের তোড়ে পেরু প্রথমার্ধ নিজের অর্ধেই আবদ্ধ ছিল। আত্মরক্ষা করতেই তাঁরা বেশী ব্যস্ত ছিল। সেইসময় খেলাটা গোলরক্ষক পেড্রো গ্যালিস বনাম ব্রাজিল আকার নিয়েছিল। ম্যাচের ১৫ মিনিটে গোলের সুযোগ এসে গেছিল ব্রাজিলের কাছে। বক্সের বাইরে ফ্রীকিক পায় ব্রাজিল, দুরন্ত গতির শট গোলরক্ষকের বুক থেকে বল ছিটকে বেরিয়ে আসে অরক্ষিত অঞ্চলে। সেই বল পেরুর রক্ষণভাগের খেলোয়াড় কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান। এযাত্রায় কোনও বিপদ ঘটেনি।#CopaAmrica 🏆Bola envenenada de Casemiro ⚽🇧🇷🇧🇷 Brasil 🆚 Per 🇵🇪#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/AcY1K0Q89I Copa Amrica (@CopaAmerica) July 6, 2021লুকাস পাকুয়েতা খেলার একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন প্রথমার্ধের ২৬ মিনিটে। নেইমার লেফট উইংন্স ধরে উঠে এসে পেরুর রক্ষণভাগের তিন জন খেলোয়ারকে ড্রিবল করে বল পাঠান অরক্ষিত পাকুয়েতাকে। তাঁর শট গোলরক্ষক পেড্রো গ্যালিস বাদিকে ঝাঁপিয়েও আটকাতে পারেননি।#CopaAmrica 🏆Esses foram os lances destaques do jogoEstas fueron las jugadas ms destacadas del partido🇧🇷 Brasil 🆚 Per 🇵🇪#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/GVhllvZOKB Copa Amrica (@CopaAmerica) July 6, 2021দ্বিতীয়ার্ধে পেরুর আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়লেও গোল করতে পারেনি। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ায় পেরু কোচ গ্যারেকা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অনেকগুলি পবিবর্তন করেন। দ্বিতীয়ার্ধে পেরু-র আক্রমণে ব্রাজিল রক্ষণের ত্রাহি ত্রাহি রব উঠে গিয়েছিল। ব্রাজিলের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের অনমণীয় মনোভাবের জন্য গোল করতে ব্যর্থ হয় পেরু। ভাগ্য-ও তাঁদের সহায় ছিল না। ৮০ মিনিটে রাইট ব্যাক দাঁড়ানোর জায়গায় ফ্রীকিক পায় পেরু। সেখান থেকে বাঁ-পায়ে ভাসানো বলে আলেকজেন্ডার কলেন্স ব্রাজিল গোলরক্ষকের হাত এড়িয়ে মাথা ছোঁয়ালেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।#CopaAmrica 🏆Tremenda chance! Alexander Callens no pudo marcar el empate de Per 🇵🇪🇧🇷 Brasil 🆚 Per 🇵🇪#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/ZBqfVLPio2 Copa Amrica (@CopaAmerica) July 6, 2021গ্রুপ পর্বের খেলায় পেরু ব্রাজিলের কাছে ০-৪ হেরে যায়। সেই হারের ধাক্কা সামলে দারুণভাবে টুর্নামেন্টে ফিরে এসেছিল তাঁরা। ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়াকে হারানোর পর ইকুয়েডরের সঙ্গে ড্র করে কোয়ার্টার ফাইনাল পৌঁছায়। তারপর ট্রাইব্রেকার শ্যুট-আউটে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে।#CopaAmrica 🏆Neymar, Paquet, Casemiro: Brasil 🇧🇷 magia pura e tiki-taka ✨⚽🎩🇧🇷 Brasil 🆚 Per 🇵🇪#VibraElContinente #VibraOContinente pic.twitter.com/04JKBjjGOn Copa Amrica (@CopaAmerica) July 6, 2021কোয়ার্টার ফাইনালে লাল কার্ড দেখায় ব্রাজিলের গ্যাব্রিয়েল জেসাস এই ম্যচে নির্বাসিত ছিলেন। ঘরের মাটিতে কোপা আমেরিকাতে কখনও হারেনি ব্রাজিল। কোচ তিতের ব্রাজিল সেই লক্ষ্যেই আরেক ধাপ এগোল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও পেরু গোলশোধ করে ফেলতে পারত। তবে জিয়ানলুকা লাপাদুলার শট দারুণভাবে রুখে দেন ব্রাজিলের ম্যান সিটির গোলকিপার এডেরসন।Neymar is leading the party in Brazils locker room after their Copa America semifinal win 🎉🇧🇷(via neymarjr IG) pic.twitter.com/bLyHZjrhIj FOX Soccer (@FOXSoccer) July 6, 2021একদিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে ফাইনালে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে? আর্জেন্টিনা না কলম্বিয়া কোন দলের মুখোমুখি হতে হবে নেইমারদের তা চূড়ান্ত হয়ে যাবে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই। নয়বারের চাম্পিয়ান ব্রাজিল কোপায় দেশের মাটিতে দশমবার চাম্পিয়ন হওয়ার জন্য তৈরি।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Eco-Tourism: পর্যটক টানতে শান্তিনিকেতনের পথে রাজ্যের উদ্যোগে ইকো ট্যুরিজম

সরকারি দুটি প্রকল্পের উদ্বোধন করতে বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এদিন তিনি ভাতারের ওড়গ্রামে সমন্বয়ী প্রকল্পের জায়গায় গড়ে ওঠা ইকো ট্যুরিজম হাবের উদ্ধোধন করেন। এছাড়াও মাছের ডিম থেকে চারাপোনা তৈরির যে প্রকল্প ভাতারে গড়ে তোলা হয়েছে তারও উদ্বোধন এদিন করেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। পঞ্চায়েতমন্ত্রী ছাড়াও রাজ্যের প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন দফতরের বিশেষ সচিব সৌম্যজিৎ দাস, ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী, ভাতারের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তপন সরকার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশগ্রামোন্নয়ন দপ্তরের বিশেষ সচিব সৌম্যজিৎ দাস জানান, ভাতারে গড়ে ওঠা হ্যাচারিতে বিভিন্ন প্রজাতির চারাপোনা উৎপাদন হবে। বছরে প্রায় ৪ কোটি চারাপোনা এখান থেকে উৎপাদন হবে। সেই চারাপোনা সুলভমূল্যে বিক্রি করা হবে এলাকার মৎসচাষিদের। তাতে সরকারের আয়ের পাশাপাশি মৎসচাষেও অগ্রগতি ঘটাণো সম্ভব হবে। ওড়গ্রামে সমন্বয়ী প্রকল্পের মধ্যেও এদিন একটি হ্যাচারির উদ্বোধন করা হয়।পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, ওড়গ্রামে সমন্বয়ী প্রকল্পের মধ্যে প্রচুর জমি রয়েছে। আমরা চাই এইসমস্ত জায়গাগুলির যাতে সদব্যবহার করা হয়। তাতে এখানকার গ্রামীণ এলাকার অর্থনীতির উন্নতি হবে। এলাকারও গুরুত্ব বাড়বে।পাশাপাশি অনেক মানুষের কর্মসংস্থানও হবে।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিভাতারের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তপন সরকার জানিয়েছেন, ওড়গ্রামে সমন্বয়ী প্রকল্পের স্থানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের হাতে তৈরি জিনিসপত্র বিপণনের জন্য ব্যবস্থা করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে দফতরের পক্ষ থেকে। একসময়ে ভাতারের ওড়গ্রামে সমন্বয়ী নামে জেলাপরিষদ পরিচালিত বহুমুখী প্রকল্প ছিল। কিন্তু এই প্রকল্প বহুদিন ধরেই ধীরে ধীরে ধ্বংস হতে বসেছিল। সম্প্রতি রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ প্রকল্প পুনুরুজ্জীবনের উদ্যোগ নেয়।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের মেয়ের রাজ্য স্তরে সাফল্যওড়গ্রামে সমন্বয়ীর প্রায় ২২ বিঘা পুকুরের পাড়ের ওপর তৈরী হয়েছে একটি ইকো পার্ক। এই ইকো পার্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। বর্ধমান সিউড়ি ২ বি জাতীয় সড়কের কাছেই ওড়গ্রাম জঙ্গলমহলে এই ইকোপার্ক তৈরি হয়েছে । সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সরকারের এই ইকোপার্ক নিয়ে বৃহৎ চিন্তাভাবনা রয়েছে। এখানে চারটি কটেজ তৈরি হবে। প্রতিদিনই ২ বি জাতীয় সড়ক দিয়ে বহু পর্যটক যাতায়াত করেন। তারা ইছাই ঘোষের দেউল, বর্ধমানের ১০৮ শিবমন্দির, আউশগ্রামের ভাল্কি মাচানসহ একাধিক পর্যটনকেন্দ্রে যান। ওড়গ্রামে ইকোপার্ক তাদের কাছে আকর্ষণ বাড়াবে। পর্যটকদের কথাই চিন্তা করে ওড়গ্রামে কটেজ তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের খাওয়া দাওয়ার সুবিধার্থে ক্যান্টিন থাকবে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা ক্যান্টিন পরিচালনা করবেন।

জুলাই ০১, ২০২১
রাজ্য

আমার জনশক্তি আছেঃ শুভেন্দু

আমার জনশক্তি আছে। ওই শক্তিই আসল শক্তি। বৃহস্পতিবার তমলুকের নিমতৌড়ির সভার পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু বিধায়কপদ ছেড়ে তাঁর কেমন লাগছে, নিজেকে মুক্ত বলে মনে হচ্ছে কি না, সেই সব প্রশ্নের জবাবেই শুভেন্দু উঁচুগলায় একটি শব্দই বলেছেন বন্দেমাতরম। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিমতৌড়ির সভায় গিয়েছিলেন শুভেন্দু। মাত্রই পাঁচমিনিটের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করেন তিনি। তার পর শোভাযাত্রায় হাঁটতে শুরু করেন। প্রতি বছরই এই দিনটি শুভেন্দু পালন করেন। কিন্তু এ বার তাঁকে ঘিরে আগ্রহ এবং উত্তেজনা স্বভাবতই অনেক বেশি। শুভেন্দু তাঁর বক্তৃতায় তমলুকে ২১ মাসের জাতীয় সরকারের স্মৃতিচারণ করেছেন। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ওই একুশ মাসের সরকারকে বৃটিশরা ফেলে দিতে পারেনি। প্রতিবছর এই দিনটি উদ্যাপিত হয়। এ বার অনেক বেশি সংবাদমাধ্যমের লোক এসেছেন। যারা এই ইতিহাস জানে না, তারা শুধু ভোট চায়! এর পরেই শুভেন্দু তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বলেছেন, ভোট চাই, ভোট দাও, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও, জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও শুধু এর মধ্যে আটকে থাকলে চলবে না। বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আছে। থাকবে। কিন্তু তার সঙ্গে এই ইতিহাসও থাকবে। বক্তৃতা শেষ করে শুভেন্দু হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে হাঁটতে শুরু করেন। তাঁর একেবারে পাশে ছিলেন অধুনা তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত এবং তাঁর অন্যতম ঘনিষ্ঠ নেতা কণিষ্ক পণ্ডা। ছিলেন ঢাক-ঢোল-কাঁসরঘন্টা নিয়ে বহু মানুষ।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

টুইটে করে ফের রাজ্যের পাওনার দাবিতে সরব ডেরেক

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ট্যুরিস্ট গ্যাং বলে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। মঙ্গলবার টুইটে তিনি লেখেন, সর্বশিক্ষা অভিযানে ১৪ হাজার ৫২০ কোটি, সমগ্র শিক্ষা মিশনে ৯৭০ কোটি, মিড ডে মিলে ২৩৩ কোটি, স্বচ্ছ ভারত মিশনে ২৭৫ কোটি, মনরেগায় ৬৩১ কোটি, আমরুতে ২৫৪ কোটি, ছিটমহল বিনিময় বাবদ ১৮৮ কোটি, বিআরজিএফ ২ হাজার ৩৩০ কোটি, বেসিক গ্রান্ট ৪৩৮ কোটি-সহ একাধিক খাতে মোট ৮৫ হাজার ৭২০ কোটি টাকা পাওনা বকেয়া রয়েছে বাংলার। এই খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি মোদি-শাহকেও কটাক্ষ করেন ডেরেক। লেখেন,মোদি-শাহর ট্যুরিস্ট গ্যাং বাংলায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, ওদের উচিত আগে বাংলার পাওনা মিটিয়ে দেওয়া। আরও পড়ুন ঃ পালসিট টোলপ্লাজায় হল্ট হাবের শিলান্যাস মন্ত্রীর রাজ্যের বকেয়া পাওনা নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠকেও এই দাবি জানিয়েছেন তিনি। এবার রাজ্যের দাবিতে ডেরেক আরও সুর চড়ালেন বলে মত রাজনৈ্তিক মহলের।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
ভ্রমণ

'মানা' যেন এক টুকরো  স্বর্গ

ছোটবেলা থেকেই সুন্দর জায়গা বা অপার শান্তির পরিবেশ এর উপমা আমরা সাধারণত টানি স্বর্গের সঙ্গে। ওখানে তো স্বর্গ সুখ বা কি সুন্দর জায়গা, ঠিক যেন স্বর্গ। কথাগুলো শুনে অনেক সময়েই ভাবতাম, যদি দেখতে বা অনুভব করতে পারতাম, কি ভালই হত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বুঝলাম, পৃথিবীর সকল কাজ সমাধা করার পরই সেখানে যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়, অবশ্যই সেটা ভালো কাজের পুরস্কার। অপকর্মের ফলে নরকের দরজা খোলা হয়। মহাভারত এর যুগের কথা অবশ্য আলাদা। কথিত আছে তখনকার সময়ে অনেক যোগী, ঋষিগণ তাঁদের তপস্যার বলে স্বশরীরে স্বর্গে যেতে আসতে পারতেন, দেবদেবীদের সাথে কথাবার্তাও সম্ভব হত। কঠোর তপস্যার পর অর্জুন স্বর্গে গিয়াছিলেন দেবতাদের কাছ থেকে অস্ত্র আনতে যা কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে তিনি ব্যবহার করতে পারেন। এরপর যুধিষ্ঠির স্বশরীরে স্বর্গে গিয়াছিলেন স্বর্গরোহিণীর পথ ধরে, জীবন সায়াহ্নে, পরীক্ষিতকে সাম্রাজ্যভার অর্পণ করে, পথে চার পাণ্ডব সহ দ্রৌপদীর মৃত্যু হয়েছিলো। এই গৌরচন্দ্রিকা র উদ্দেশ্য হলো এই ঘোর কলিতে তো স্বশরীরে স্বর্গে যাওয়া যাবে না, তবে স্বর্গীয় অনুভুতি এবং সেসব মহামানবদের কীর্তিকাহিনী, পুরাণের গল্প সবকিছুর স্বাদ নিতে বদ্রীনাথ থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে মানা গ্রামে চলে যাওয়া যাবে।মানা-র প্রবেশপথমানা একটি ছোট্ট পাহাড়ি জনবসতি, প্রাচীনকালে যার নাম ছিল মনিবভদ্রপুরম। কমবেশি ছয় মাস এখানে মানুষ বসবাস করে, প্রবল শীতে সাধারন মানুষ এই জনবসতি ত্যাগ করে নিচের দিকে নেমে আসেন। চারিদিকে সুউচ্চ পর্বত শৃঙ্গ, নীলকন্ঠ, আলোকাপুরী (এটাই নাকি সবচেয়ে ধনী দেবতা কুবেরের রাজধানী), নর এবং নারায়ণ পর্বত (শ্রীকৃষ্ণ এবং অর্জুন এর বন্ধুত্বের সাক্ষ্য বহন করে, এই নারায়ণ পর্বতেই বর্তমানে বদ্রি দ্রীবিশালজীর অপূর্ব সুন্দর মন্দির অবস্থিত), একটু দূরে তাকালে দেখা যায় স্বর্গরোহিনীর সুবিশাল উপস্থিতি। ধাপে ধাপে উঠে গেছে অসীমের দিকে, বুঝি স্বর্গের দিকে।সরস্বতী মন্দিরপঞ্চ পাণ্ডব সহ দ্রৌপদী কোন পথে স্বর্গে গিয়াছিলেন তা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। একটি মত অনুযায়ী এই মানা - বসুধারার পথ ধরেই নাকি তাঁরা যাত্রা করেছিলেন। মতের বিভিন্নতা যাই থাক, গ্রামটির অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অতুলনীয়, যা কল্পনার স্বর্গের মতই। জনশ্রুতি অনুযায়ী কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস এখানেই মহাভারত রচনা করেছিলেন। ব্যাস গুম্ফা নামে একটি গুহা বর্তমান, ভিতরে কৃষ্ণ বর্ণের ব্যাস দেবের মূর্তি। অদূরে গণেশ গুম্ফা, ভিতরে পার্বতী পুত্রের মূর্তি, তিনিই মহাভারতের লেখক। ব্যাসদেব বলেছিলেন আর গণেশ শুনে লিখেছিলেন। বেশ হাইটেক ব্যাপার সেযুগেও ছিল যা বুঝলাম, কি ছিল তা অবশ্য তাঁরাই জানতেন, কারণ গুহা দুটি নিকটবর্তী হলেও কথা শুনতে পাওয়ার মতো নয়। ব্যাস গুম্ফার উপরে প্রস্তরীভুত পুঁথির আকারে তাঁর রচনা বর্তমান, কারণ কলিকালের মানুষের কাছে সত্যি কারের সেই পুঁথি দর্শন সম্ভব নয়। প্রস্তরীভুত পুঁথিএই রচনার সঙ্গে আর একটি ঘটনাও ঘটেছিল, ব্যাসদেব যখন বলছিলেন এবং গণেশজী লিখছিলেন, বিদ্যাচর্চার সেই স্থানে দেবী সরস্বতীর আবির্ভাব ঘটে, নদী রূপে। প্রচন্ড গর্জনের সাথে, প্রবল বেগে ছুটে চলা নদীর শব্দে মনঃসংযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাতে কুপিত ব্যাসদেব অভিশাপ দেন অদূরেই এই নদী বিলীন হবে। সৃষ্টি হয় কেশবপ্রয়াগের, যেখানে সরস্বতী লীন হয়েছে অলকানন্দাজলে। এই সরস্বতীর উপরেই বিদ্যমান ভীমপুল, একটি মাত্র বিশাল পাথরের দ্বারা দুই পাড়ের সংযোগ রক্ষা করছে। মহাপ্রস্থানের পথে সরস্বতী নদীর প্রাবল্যে ভীত দ্রৌপদী নদী পার হতে অসমর্থ হলে, মহাবলী ভীম একটি মাত্র শিলা দ্বারা এই পুল তৈরী করেন। দেবী সরস্বতীর একটি মন্দির এখানে আছে। আছে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। এখানকার সব গল্প, কাহিনী আমাদের গাইড ভাই এর কাছে শোনা। চায়ের কাপ হাতে, প্রচন্ড বেগে ধাবমান সরস্বতীর ভয়ঙ্কর সুন্দর রূপ দর্শনের সাথে এইসব কাহিনীর বর্ণনা শুনতে শুনতে টাইম মেশিনে চলে গিয়েছিলাম সেই সুদূর অতীতে।এই পথ চলে গেছে বসুধারা, লক্ষ্মীবন, চক্র তীর্থ, সতপন্থ হয়ে সেই অসীমের দিকে। এখান থেকেই সৃষ্টি হোয়েছে স্বর্গের গঙ্গা অলকানন্দা, আলোকপুরী হিমবাহ থেকে। বিপুল জলরাশির জোগান দিয়ে প্রানসুধা সঞ্চার করেছে ভাগীরথীর বুকে। সবকিছু নিয়ে মানা গ্রামটি ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কাছে একটুকরো স্বর্গ, অপার শান্তির ঠিকানা।ব্যাস গুম্ফাডঃ ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়) কিভাবে যাবেনহাওড়া থেকে হরিদ্বার যাবার দৈনিক ট্রেন ১৩০০৯ দুন এক্সপ্রেস। এছাড়া ১২৩৬৯ কুম্ভ এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার ও শুক্রবার বাদে), উপাসনা এক্সপ্রেস ১২৩২৭ (মঙ্গলবার ও শুক্রবার থাকে) ট্রেন দুটি হরিদ্বার যায়। হরিদ্বার পৌঁছে সেদিন বিশ্রাম নেওয়া যেতে পারে। পরের দিন সকালে বেরিয়ে চলে আসুন যোশী মঠ, হরিদ্বার থেকে দূরত্ব ২৭৭ কিমি, গাড়িতে যেতে সময় লাগবে ১০ঘণ্টা। যোশী মঠ এ দেখে নিতে পারেন আদি শঙ্করাচার্য নিসৃংহ বদ্রী মন্দির, এটিই বদ্রীবিশাল জীর শীতকালীন আবাস।খুব সকালে পরের দিন রওনা দিন বদ্রীনাথের উদ্দেশ্যে। যোশী মঠ থেকে দূরত্ব ৪৫ কিমি। সেখান থেকে মানা গ্রামটি আরো ৪কিমি। গাড়ী থেকে নেমে পায়ে হেঁটে দেখেনিন দ্রষ্টব্য স্থানগুলি। হাতে একদিন অতিরিক্ত থাকলে ৬ কিমি দূরে বসুধারা জলপ্রপাত দেখতে পারেন। পুরোটাই হাঁটা পথ।হরিদ্বারে থাকার জন্যGMVN এর রাহী মোটেল (০১৩৩৪-২২৬৪৩০)যোশী থাকার জন্যGMVN এর জ্যোতি টুরিস্ট কমপ্লেক্স (৯৫৬৮০০৬৬৬৭)বদ্রীনাথে থাকার জন্যGMVN এর দেবলোক (৯৫৬৮০০৬৬৫১)গাড়ী বা হোটেল বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেনকিশোর ট্রাভেলস (৯১-৯৯২৭৭১২০৯০)

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal