• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc,

রাজনীতি

সোশাল মিডিয়ায় কী লিখলেন দেবাংশু? পোস্ট ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসে তুলকালাম, মুহূর্তে ডিলিট

গত ২০২১-এ এই দিনে উত্তেজনায় টগবগ করছিল সারা বাংলা। পরের দিন ছিল বিধানসভা নির্বাচনের গণনা। ২ মে ফল প্রকাশের পর দেখা গেল টানা তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতাসীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। ২১৩টি আসন পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ৭৭টি। কংগ্রেস ও সিপিএম কোনও আসনেই জয় পায়নি। এরইমধ্যে সিপিএমের জোটসঙ্গী আব্বাস-উদ্দিনের দল ভাঙড়ের আসনে জয়লাভ করে।তৃণমূলের জয়ের পর বিজেপি থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ঘরে ফিরতে শুরু করে। তাঁদের না ফেরানো নিয়ে আগেই মন্তব্য করেছিলেন যুব তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। ফের এদিন সোশাল মিডিয়ায় সেই আবহের কথা তুলে ধরে গঙ্গা জলের সঙ্গে ড্রেনের জলের তুলনা টেনেছেন দেবাংশু। বিতর্ক শুরু হতেই ফের সেই পোস্ট ডিলিটও করে দিয়েছেন তিনি। তবে সেটা যে তৃণমূল কংগ্রেসের অনেকেরই মনে কথা, তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে চর্চা অভ্যাহত।এদিন দেবাংশু লিখেছেন, গত বছর ঠিক আজকের দিন পর্যন্ত রাজ্যে যে তৃণমূলটা ছিল, সেটাই নিষ্কলুষ। ধান্দাবাজহীন, অকৃত্রিম, প্রকৃত তৃণমূল। তারপর তো বন্যা এল! গঙ্গার জল, ড্রেনের জল সব মিলেমিশে একাকার! তবুও দলে একটা স্ট্রং ফিল্টার আছে বলেই বিশ্বাস। তারা পিছনের সারিতেই থাকবেন, সেটাও বিশ্বাস করে দলের কর্মীরা। তৃণমূল ফের ক্ষমতায় আসার পর লাইন দিয়ে ঘরওয়াপসি শুরু হয়ে যায়। অনেক পদও পেয়ে গিয়েছেন। দেবাংশুর এই পোস্ট ঘিরে শোরগোল পড়তেই বিতর্ক এড়াতে সেটাও ডিলিট করে দেন তরুন তুর্কি এই যুব নেতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, পোস্টের ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে ফের আর একটা পোস্ট করেন দেবাংশু। একসময় এই যুবনেতা হুঙ্কার ছেড়েছিল, বিজেপি থেকে দলে ফিরলে তিনি গদ্দারদের আটকাতে তৃণমূল ভবনের দরজায় শুয়ে থাকবেন। যদি পাল পালে তৃণমূলে ফিরলেও তিনি আটকাতে পারেননি।বিতর্ক বাড়তেই পোস্ট ডিলিট দেবাংশুরধাপে ধাপে একাধিক বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। কৃষ্ণনগরের বিধায়ক মুকুল রায়কে দিয়ে এই ঘরে ফেরার পালা শুরু হয়েছিল। ইদানিং ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ পাট শিল্প নিয়ে বিদ্রোহ করেছেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আন্দোলনে রাজি বলেও তিনি ঘোষণা করেন। চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফের জল্পনা শুরু হয়ে যায় তাঁর তৃণমূলে ফেরা নিয়ে। কারণ এর আগে বাংলার মানুষ দেখেছে কীভাবে দলনেত্রীসহ তৃণমূল নেতৃত্বকে কড়া সমালোচনা করেও দলে দলে বিজেপি থেকে ঘাসফুল শিবিরে ফিরে গিয়েছেন। এমনকী অর্জুন সিংয়ের ভাইপো ভাটপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সৌরভ সিং যিনি রাজনীতিতে তাঁর ডানা হাত বলে পরিচিত ছিলেন, তিনিও তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এমন অনেকেই ফের তৃণমূলে পা বাড়িয়ে রয়েছেন বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।বিতর্ক বাড়তেই পোস্ট ডিলিট দেবাংশুরপোস্ট ঘিরে বিতর্ক বাড়তেই তা ডিলিট করে দেন দেবাংশু। ফের তিনি পোস্ট করে লেখেন, শেষ পোষ্টের অর্থ হয়ত ঠিকঠাক বোঝাতে পারিনি। অকারণ বিতর্ক হচ্ছে। তাই পোস্ট ডিলিট করলাম। কর্মীরাই দলের সম্পদ। সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। দলের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখতে হবে। এই দলে কর্মীদের স্বার্থ সবার আগে দেখা হয়। কারণ, এই দলের নেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পোস্ট, ডিলিট, ফের পোস্ট যাই হোক না কেন তৃণমূল নেতা-কর্মীদের একাংশের মনে কথা দেবাংশু লিখেছেন বলে তাঁরা মনে করছেন।

মে ০১, ২০২২
দেশ

প্রদ্যুত কিশোর ও আশিসলাল এক মঞ্চে থাকলে রাতের ঘুম উড়বে অন্যদের

ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণায় তোলপাড়। নতুন কমিটির সভাপতি হয়েছেন সুবল ভৌমিক। তাছাড়া ৬ জনের কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোর কমিটিতেও আছেন সুবল ভৌমিক। তাছাড়া বাকি পাঁচজন হলেন সুস্মিতা দেব, আশিসলাল সিং, আশিস দাস, ভৃগুরাম রিয়াং ও মামন খান। আরও একাধিক পদ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দলের নয়া কমিটি ঘোষণার পর থেকেই ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের মধ্যেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গিয়েছে। এঁদের পাশাপাশি ত্রিপুরা তৃণমূলের একাধিক নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে।ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আশিসলাল সিং কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন জনতার কথা-কে। আশিসবাবু বলেন, আমি দলের সৈনিক। দুঃসময়ে দলে ছিলাম। তবে দলের বোঝা হয়ে লাভ নেই। দলকে যদি জেতাতে না পারি তাহলে পদে থেকে কী হবে? আশিসলাল সিংয়ের মতোই আশিস দাসও নতুন কমিটি নিয়ে নিরাশ। এর আগে সোশাল মিডিয়ায় দলের নেতৃত্বের প্রতি নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ক্ষমতাসীন দলের বিধায়ক পদ ছেড়ে ন্যাড়া হয়ে প্রায়শ্চিত্ত করে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন আশিস দাস। সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন বাংলা ও ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে ততই তিনি ঘরে বসে গিয়েছেন। দূরে থেকেছেন রাজনীতি থেকে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁকে দেখাই যায়নি বললেই চলে।এদিন আশিস দাস জনতার কথা-কে বলেন, ত্রিপুরার মানুষ খুব সেন্টিমেন্টাল। ত্রিপুরার মানুষের পালস নিয়ে যেভাবে খেলা হচ্ছে রাজ্যের মানুষ কিন্তু ক্ষমা করবে না। অতিদর্পে হত লঙ্কা। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনের ফলকে ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬-এ কিছু একটা হবে। এক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নেগেটিভ দিকের কথা বলেন তিনি। তাঁর ব্যাঙ্গ, পরকীয়া করতে অনেকে আনন্দ পায়। ধরা পড়লে পরকীয়ার স্বাদ কি তখন বুঝবে। ত্রিপুরায় পরকীয়া চলছে। এটা ধরা পড়বে। রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আশিস দাস বলেন, আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সময়ই বলবে। তবে বলতে পারি একটা সম্ভাবনাটা নষ্ট হয় গেল।তৃণমূলের নয়া কমিটি গঠন নিয়ে দলের একাংশ ক্ষুব্ধ। রতন সরকার, বেচারাম দাস, অসিত ঘোষ, দুর্যোধন দাসদের মতো একনিষ্ঠরা দলে জায়গা পায়নি। ত্রিপুরা তৃণমূলের একটা বড় অংশ যোগাযোগ রাখছে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গে। একথা স্বীকারও করেছে তিপ্রা মথা। রাজনৈতিক মহলের মতে, মহারাজ বীর বিক্রম মানিক্য বাহাদুর ও টানা ২৪ বছরের ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিংয়ের সময় ত্রিপুরায় উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ হয়েছিল। এই দুই পরিবারের কেউ ত্রিপুরাকে ঠকায়নি। সর্বদা ত্রিপুরার মানুষের পাশে ছিল। এখন তিপ্রা মথার চেয়ারম্যান মহারাজ বীর বিক্রমের নাতি প্রদ্যুত কিশোর মানিক্য দেববর্মন। শচীন্দ্রলালের পুত্র আশিসলাল সিং ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা। অভিজ্ঞ মহলের মতে, প্রদ্যুত কিশোর ও আশিসলাল এক হয়ে লড়াই করলে বাকিরা বেসামাল হয়ে যাবে। রাজ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই হবে বিজেপি ও তিপ্রা মথার মধ্যে। তারপর সিপিএম, কংগ্রেস থাকবে। লড়াইয়ে থাকতে পারে আম আদমি পার্টিও। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস কোন স্থানে থাকবে তা নিয়ে সংশয়ে পড়েছে দলেরই একাংশ।আশিস দাসেরবিজেপি ত্যাগ করে মস্তক মুন্ডনআশিসলালের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল তাদের দুই প্রার্থীকে লড়াইয়ের জন্য আর্থিক সাহায্য দিয়েছিল। তা সত্বেও আগরতলা পূর্ব আসনের প্রার্থীকে দলীয় প্রচারের জন্য কয়েকলক্ষ টাকা নির্বাচনী প্রচারকার্যের জন্য দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরা তৃণমূলের রাজ্য সভাপতিকে কোনও ফান্ড দেয়নি দল। প্রার্থীদের মাত্র ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। তখনও ত্রিপুরায় যাতায়াত করা নেতাদের হোটেল বিল, গাড়ির ভাড়া দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে একটা আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় প্রার্থী মামন খানকে প্রচারের জন্য একটা টাকাও দেয়নি দলীয় নেতৃত্ব। ১৭ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। দলের ওই অংশের দাবি, শুধু দলীয় কর্মীদের পাশে নয়, আর্থিক ভাবেও দলের পাশে বারংবার দাঁড়িয়েছেন শচীন্দ্রলাল পুত্র। মান রেখেছেন পিতার।তৃণমূল সূত্রে খবর, গত ২১ জুলাই দলবদলুরা দলে আসেনি। ৮২ জন নেতা-কর্মীসহ কৈলাশহরে গ্রেফতার হয়েছিলেন আশিসলাল। সারা ত্রিপুরায় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ভার্চুয়াল ভাষণ চলেছে। প্রতিদিন কয়েকশো লোক যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। পোলো টাওয়ারে রাতের অন্ধকারে দলবদলুরা যোগ দিতেই দলে যোগদান পর্ব কমতে শুরু করল। মে থেকে জুলাই প্রায় ৫২ হাজার নেতা-কর্মী যোগ দিয়েছিল তৃণমূলে।ত্রিপুরা তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, যুব, মহিলা, এসটি মোর্চায় শিক্ষিত কাজের লোক থাকা সত্বেও তাঁদের দল দায়িত্ব দেয়নি। সভাপতি করা হয়েছে তৃতীয় শ্রেণি, অষ্টমশ্রেণি পাস লোকজনদের। কেউ আবার জেল খেটে জামিনে রয়েছেন। ওই মামলা কিন্তু রাজনৈতিক নয়। মোদ্দা কথা, ত্রিপুরায় সম্ভাবনা অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেল বলে আশিস দাসের মতোই দলের নেতা-কর্মীদের অনেকে মনে করছেন।

মে ০১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাতের জের, বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়র শপথ কবে?

বিজেপির সাংসদ হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন। মন্ত্রীত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর বিজেপি ছেড়ে দেন। রাজনীতি ছেড়ে দেব ঘোষণা করেও তৃণমূলে যোগ দেন। বালিগঞ্জের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। কিন্তু এখনও বিধায়ক হয়ে শপথ নিতে পারেননি বাবুল সুপ্রিয়। প্রায় ১০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে এখনও জয়ী প্রার্থী হিসাবেই রয়ে গিয়েছেন বাবুল। কবে শপথ হবে তার দিনক্ষণও ঠিক হয়নি।রাজ্য-রাজ্যপালের সংঘাত যেন কিছুতেই কমছে না। এবার সংঘাতের বলি হলেন বালিগঞ্জ উপনির্বাচনে নবনির্বাচিত বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়। তার শপথগ্রহণ সংক্রান্ত ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। তবে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, শপথের বিষয়ে রাজ্যপাল সাংবিধানিক ভাবে দায়বদ্ধ। তিনি কোনও শর্ত আরোপ করতে পারেন না। সূত্রের খবর, এবার একেবারে শপথের তারিখ উল্লেখ করে ফাইল পাঠাচ্ছে পরিষদীয় দফতর।বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব রাজ্যের কাছ থেকে মেলেনি রাজ্যপালের। সূত্রের খবর, এই কারণেই নাকি গোঁসা হয়েছে রাজ্যপালের। যদিও সরকারি ভাবে রাজ্যপাল বা রাজভবন থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। রাজ্য অপেক্ষা করে আছে রাজ্যপাল কী সিদ্ধান্ত নেন তার ওপর। অন্যদিকে নয়া বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয় হতাশ। বিধায়ক না হলে বিধানসভার কোনও কমিটিতেও থাকতে পারছেন না। আবার মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ থাকলেও বিধায়ক পদে শপথ নিতে হবে বাবুলকে।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

সিপিএম 'ছাড়ছেন' অনিল কন্যা অজন্তা, তৃণমূলে যোগ জল্পনা তুঙ্গে

সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক প্রয়াত অনিল বিশ্বাসের মেয়ে অজন্তা বিশ্বাস কী সিপিএম ছাড়লেন? তিনি দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদ নবীকরণ না করায় এই প্রশ্ন জোরালো হয়ে উঠেছে। এর আগে তৃণমূলের মুখপাত্র জাগো বাংলায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করে প্রবন্ধ লিখে শিরোনামে এসছিলেন অজন্তা।রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা অজন্তা বিশ্বাস জাগো বাংলায় ওই প্রবন্ধ লেখার দরুন তাঁকে সিপিএম সাসপেন্ড করেছিল। তাঁর শাস্তির মেয়াদও উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে বলে সিপিএম সূত্রের খবর। কিন্তু তিনি তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ করেননি। সেক্ষেত্রে এখন আর তিনি সিপিএমের সদস্য রইলেন না। কলকাতা জেলা কমিটি বা অজন্তা নিজে এখনও এবিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি। সেক্ষেত্রে তাঁর দল ছাড়়ার জল্পনা আরও বেড়েছে।সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদকের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অসম্ভব বলেই মানতেন ডান-বাম সব রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব। তাঁর জমানায় সিপিএস নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট রাজ্যে সর্বোচ্চ বিধানসভার আসন পেয়েছিল। একসময় দলীয় মুখপত্র গণশক্তি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন অনিল বিশ্বাস। তাঁর কন্যার দল ছাড়ার জল্পনায় সিপিএমে ব্যাপক আলোড়ন ছড়িয়েছে। এরই মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে তাহলে কী অজন্তা ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেবেন?

এপ্রিল ২৬, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল শচীন্দ্রলালের বাড়ি, সেখানেই থাকতেন বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের আঁতুরঘর ছিল ত্রিপুরা কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা শচীন্দ্রলাল সিংয়ের বাড়ি, অরুন্ধতি নগরের বাড়িতে থাকতেন বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান এবং রাতে শচীনবাবুর সরকারি বাসভবনে থাকতেন। মুজিব ও তাঁর সহকারীদের রান্না করে খাওয়াতেন শচীন্দ্রলালে-র ভগিনী হেমাঙ্গিনী সিং। শচীন্দ্রলাল এখনও ত্রিপুরার মানুষের মনে গেঁথে রয়েছেন। উন্নয়নের কান্ডারী টানা ২৪ বছরের মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিং জন্মসুত্রে ভিন রাজ্যের হলেও, কার্যত তিনি ত্রিপুরার ভূমিপুত্রই। ত্রিপুরার রূপকার বললে অত্য়ুক্তি হবে না।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নায়ক মুজিবর রহমান। যিনি বঙ্গবন্ধু নামে অধীক পরিচিত। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এদেশের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকাও দেশবাসী অবগত রয়েছেন। পাকিস্তান ভেঙে নতুন দেশ গঠন না হলে এখন হয়তো অন্য ইতিহাস লেখা হত। কিন্তু একজনের কথা দেশবাসীকে স্মরণ করতেই হবে, তিনি হলেন ত্রিপুরার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী তথা টানা ২৪ বছর প্রশাসনিক প্রধান শচীন্দ্রলাল সিং। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় মুজিবর রহমানের এদেশের ঘর ছিল শচীন্দ্রলালবাবুর বাড়ি। সেখানে থেকে যাবতীয় পরকল্পনা রচিত হত। তাছাড়া ত্রিপুরার উন্নয়নের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত শচীন্দ্রলাল সিং।স্বাধীনতা সংগ্রামী হওয়ার কারণে শচীন্দ্রলাল সিং ১৭ বছর ব্রিটিশ জেলে কাটিয়েছেন। ভারত সরকার স্বাধীনতা সংগ্রামে বিশেষ ভুমিকার জন্য ৯৭ জন স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ, অতুল্য ঘোষ, গোপিনাথ বড়দলুই, হরেকৃষ্ণ মহাতাব, প্রফুল্ল্য সেনেদের সাথে শচীন্দ্রলাল সিংও ছিলেন। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী পেনসান কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।শচীন্দ্রলাল সিং যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ত্রিগুনা সেনকে রাজ্যসভার সাংসদ করেছিলেন ত্রিপুরা থেকে। ওনার সঙ্গে ত্রিগুনা সেনের কথা ছিল কেন্দ্রে মন্ত্রী হলে ওএনজিসি দেবেন। ত্রিগুনা সেনের ঠিকানা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। ওই ডিমান্ড ফুলফিল করেছিলেন ত্রিগুনা সেন। শচীন্দ্রলাল সিংয়ের আমলেই রাজ্যে গোবিন্দ বল্লভ হাসপাতাল হয়েছিল। তারপর ত্রিপুরায় বড় কোনও হাসপাতাল হয়নি। পাওয়ার প্রোজেক্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কী হয়নি তখন পরশি রাজ্যে।বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় সব থেকে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল সিং। বাংলাদেশ স্বাধীন হয় তখন জেল থেকে বেরিয়ে শচীন্দ্রলাল সিংকে বাংলাদেশের ঢাকায় নিয়ে যান মুজিবর রহমান। সেখানে রেড কার্পেটে তাঁকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। মুজিবর রহমান শচীনবাবুর জন্য চেয়ার ছেড়ে দেন। তখন শচীনবাবু বলেছিলেন, এটা হয় না, আপনি বসুন। শচীন্দ্রলাল বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্য়তম হোতা। মুজিবর রহমানের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। শচীন্দ্রলালবাবুর ছোট ছেলে ঢাকায় গিয়েছিলেন। বাবার সৌজন্যে তাঁকে সোনার নৌকা দিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। একসময় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল ত্রিপুরা, রাজ্য গঠন করার ক্ষেত্রেও অগ্রনী ভূমিকা ছিল শচীন্দ্রলাল সিংয়ের। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে দাবি করেছিলেন রেললাইন চাই, ধর্মনগর অবধি সেই রেললাইন স্থাপিত হয়। ১৯৭৭ এ যখন তিনি সাংসদ হন সে সময় তৎকালীন রেলমন্ত্রী মধু দণ্ডবতকে অনশন করার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ধর্মনগর থেকে আগরতলা রেললাইন করতে হবে। যেদিন সংসদ ভবনের সামনে অনশনে বসার কথা, সেদিন সকালে মধু দন্ডবতে তাঁর দিল্লী বাসভবনে এসে সরকারের অর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে বলেন আপাতত কুমারঘাট অবধি রেললাইন দেওয়া হচ্ছে, পড়ে ওটা বর্ধিত করা হবে।শচীন্দ্রলাল সিং খেলার প্রসারের জন্য স্টেডিয়াম করেছিলেন। উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র। মহারাণী কাঞ্চনপ্রভাদেবী বনমালীপুরে একটি বাড়ি দিয়েছিলেন ত্রিপুরার জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শচীনবাবুকে বসবাস করার জন্য। ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল খোঁজ নিয়ে জানলেন ত্রিপুরাতে কোনও মহিলা কলেজ নেই। তিনি মহিলাদের শিক্ষাপ্রসারের জন্য সেই বাড়ি দান করে দেন কলেজ করার জন্য। এখন সেখানে স্থাপিত হয়েছে আগরতলা উইমেন্স কলেজ। শচীনবাবুর প্রধান সহযোগীদের মধ্যে উল্লেখ্যগয় হলেন তসলাম ফা, ওয়াজেদ আলি, মনসুর আলি, চক্র ফা, বুলু কুকি, কৃষ্ণদাস ভট্টাচার্য। এই কৃষ্ণদাস তাঁর মন্ত্রী সভায় অর্থ মন্ত্রী ছিলেন।২০১২-এর ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু অন্তর্জাতিক সন্মেলন কেন্দ্র, ঢাকাতে তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য বাঙালি জাতির শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার নিদর্শনস্বরূপ মরণোত্তর মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সন্মাননা তাঁকে প্রদান করেন।মুজিবর রহমান মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেই থাকতেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী, জহরলাল নেহরুর সময় থেকেই। ১৯৭১ ১লা নভেম্বর সারাদিন বিভিন্ন রিফিউজি ক্যাম্প ঘুরে দেখেন সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় ও শচীন্দ্রলাল সিংকে নিয়ে। ফিরে এসে আগরতলা বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে কথাবার্তা চলাকালীন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন, আপনি সীমান্ত খুলে দিয়েছেন, অস্ত্র ও অর্থ সাহায্য করছেন, আপনি তো দেশকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ইন্দিরাকে ত্রিপুরার রূপকার শচীন্দ্রলাল জবাব দেন, আমি যা করছি তা দেশের মঙ্গলের জন্যই করেছি এবং আপনার জন্যই করছি। আমি একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সমগ্র বিশ্ব আপনার নামই করবে, আমার নই। ইতিহাস আপনাকেই স্মরণ করবে। আরও বলেন, আমি আপনার বাবার সঙ্গে রাজনীতি করেছি। আপনি আমাকে রাজনীতি শেখাবেন না। একটা ছোট্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথা হজম না করতে পেরে দিল্লী ফিরেই ১লা নভেম্বর ১৯৭১ রাতে ত্রিপুরাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করলেন ইন্দিরা। ভেঙে দিলেন কংগ্রেসের-ই সংখ্যাগড়িষ্ট সরকার। তবুও দমলেন না দেশ তথা ত্রিপুরার প্রতি দায়বদ্ধ শচীন্দ্রলাল সিং, তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে ফোন করে বলেন Imposition is a great sin। সেই রাতেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী বাসভবন ত্যাগ করে পৈতৃক ভিটে জয়নগরের বাসভবনে ফিরে যান। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন দাপুটে ইন্দিরা গান্ধীকে। তখনও তাঁর পাশে ছিলেন ত্রিপুরার আপামর সাধারণ মানুষ। অনবরত সমর্থন জুগিয়ে গিয়েছেন শচীনবাবুকে। নির্দল প্রার্থী হয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল।জাতপাতের উর্দ্ধে রাজনীতি করতেন শচীন্দ্রলাল সিং। মানুষকে মানুষ ভাবতেন। সাধারণের সঙ্গে মিশে যেতে পারতেন অনায়াসে। এই দেশে এমন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এখন অমিল। ত্রিপুরার আদিবাসীরা মনে করতে শচীন্দ্রনাথবাবু তাঁদের ঘরের লোক। আদিবাসী সমাজে তাঁর নাম ফাটা ছিলুম তার মানে ছেঁড়া কাপড়। আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছে এতটাই আপন ছিলেন তিনি। কাছে টেনে নিয়েছিলেন মনিপুরি, সংখ্যালঘুসহ সকলকেই। কোনও ভেদাভেদ তাঁকে কখনও স্পর্শ করতে পারেননি। ২০০০ সালে ইহলোক ত্যাগ করলেও ত্রিপুরার মানুষ ভোলেনি শচীন্দ্রলাল সিংকে। এখনও তাঁর জন্মদিনের উৎসবে হাজির হন অগনিত মানুষ।শচীন্দ্রলালবাবুর বড় ছেলে আশিসলাল সিং ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। এখন দলের কোর কমিটির সদস্য। তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের কাছেও আশিসবাবু কাছের মানুষ, মাটির মানুষ। পাহাড় থেকে সমতল হোক রাত-বিরেতে কেউ বিপদে পড়লেই পাশে থাকেন শচীন্দ্রপুত্র আশিসলাল। তিনিও মহান পিতার মতোই কোনও জাতিগত ভেদাভেদে বিশ্বাস করেন না। তাঁর ভাবনাতেও রয়েছে বাবার মতোই ত্রিপুরার উন্নয়ন।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
দেশ

তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রয়াগরাজের নিহত পরিবারের আত্মীয়রা

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তোলপাড় সারা দেশ। এই ঘটনাকে ধিক্কার জানিয়ে বিজেপি বিরোধী দলগুলি যোগী সরকারের তুলোধোনা করছে। উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তাঁরা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রবিবার প্রয়াগরাজের ঘটনাস্থলে যায় পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে ওই প্রতিনিধি দল।এরাজ্যের বীরভূমের বগটুই গ্রামের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে সারা দেশকে। এবার উত্তরপ্রদেশের ঘচনায় ছিছি করছে সারা দেশ। প্রয়াগরাজের থরভই থানার খেবরাজপুর গ্রামে ২ বছরের শিশু-সহ একই পরিবারের ৫ জনকে গলার নলি কেটে হত্যা করা হয়েছে। তারপর বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার হয়েছে বিবস্ত্র অবস্থায় বিশেষভাবে সক্ষম মেয়ে ও পুত্রবধূর মৃতদেহ।এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রনিতিধি দলে ছিলেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন, বনগাঁর প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর, তৃণমূল নেতা সাকেত গোখলে, রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডি ও উত্তরপ্রদেশের তৃণমূল নেতা ললিতেশ ত্রিপাঠী। বিজেপি এরাজ্যে বগটুই গণহত্যা ও হাঁসখালি গণধর্ষণকান্ডে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠিয়েছিল। তৃণমূল দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীর ঘটনাতেও সাংসদদের নিয়ে গঠিত ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠায়। সেখানে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ, অভিযোগ করে তৃণমূল। এদিন তৃণমূল প্রতিনিধিদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের আত্মীয়রা। তাঁদের পাশে থাকার ব্যাপারে আশ্বাস দেন এই প্রতিনিধদলের সদস্যরা। উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলার তীব্র সমালোচনা করেন তাঁরা।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
দেশ

কোথায় এখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি? উত্তরপ্রদেশের পাঁচ নৃশংস খুন নিয়ে তোপ তৃণমূলের

প্রয়াগরাজে একই পরিবারের পাঁচ জনকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা নিয়ে যোগী সরকারের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ডাবল ইঞ্জিন সরকার ডাবল অত্যাচার করছে। যে ভূমিকে প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ভূমি বলে আখ্যা দিয়েছেন সেই প্রয়াগরাজের খেবরাজপুর গ্রামে যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে তাতে আমরা বেদনাহত। গতকাল রাতে বাড়ির ছেলে না থাকার সময় পাঁচজনকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। তাতে একটি শিশুও আছে। খুন করেই ক্ষান্ত থাকেনি একটি মেয়েকে বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনার পর বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। চন্দ্রিমা বলেন, আমাদের প্রশ্ন ভারতে অনেকে যোগীরাজের কথা বলেন। ফলাও করে প্রচার করেন। এটা কি যোগীরাজ না গুন্ডারাজ? এক সপ্তাহের মধ্যে আরও একটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটেছে। এখানে যাঁরা অবান্তর ভাবে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলেন আজ তাঁরা মূক ও বধির হয়েছে। আজ তাঁরা সাইলেন্ট মোডে চলে গিয়েছে। তাঁরা কী এখন সেখানে ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা জারি করার কথা বলবেন। আজ তাঁদের আওয়াজ নেই কেন। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এখন হবে না। সম্প্রতি আনিস খুন থেকে রামপুরহাটের বগটুই, হাঁসখালি গণধর্ষণসহ নানা ঘটনা নিয়ে বাংলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। বিজেপির দুটো ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘুরে গিয়েছে এরাজ্য থেকে। ওই কমিটি দলের সভাপতির কাছে বাংলায় ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারার উপযোগী বলে সুপারিশ করেছে। একই পরিবারের পাঁচজনকে খুন প্রকাশ হতেই উত্তরপ্রদেশের মুখ যোগী মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে প্রয়াগরাজের ঘটনা নিয়ে আক্রমণ শানাল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন একযোগে তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীরা টুইট করেছেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
রাজনীতি

অনুব্রত মন্ডল ছাড়া পাচ্ছেন হাসপাতাল থেকে, থাকবেন কলকাতাতেই

সিবিআই তলবের দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মণ্ডল৷ হাসপাতাল সূত্র জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়ার সতেরো দিন পর এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত। গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতিকে ৬ এপ্রিল নিজাম প্যালেসে তলব করেছিল সিবিআই। আগের দিন কলকাতায় চিনারপার্কে নিজের ফ্লাটে এসেও ছিলেন অনুব্রত। কিন্তু পরের দিন নিজাম প্যালেসে না গিয়ে শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। এদিকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কারণে সিবিআই-এর সামনেও হাজিরা দেননি অনুব্রত মণ্ডল৷ সিবিআইকে চিঠি দিয়ে অনুব্রতর আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের অনুমতি নিয়ে তাঁদের মক্কেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডলের হৃদযন্ত্রের দুটি ধমনীতে ব্লকেজ রয়েছে৷ আপাতত তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এখন তিনি বীরভূম যাচ্ছেন না। চিনারপার্কের ফ্লাটেই তিনি থাকবেন।গরু পাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মণ্ডলকে ৫ বার তলব করেছিল সিবিআই৷ প্রতিবারই কোনও না কোনও কারণে সিবিআয়ের তলব এড়িয়ে গিয়েছেন দোর্দন্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা। এবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন।

এপ্রিল ২২, ২০২২
দেশ

দিল্লিতে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে পুলিশি বাধা, কটাক্ষ বিজেপির

দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির মহিলা সদস্যরা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের ওই এলাকায় পুলিশ ঢুকতে দেয়নি বলে অভিযোগ। যদিও তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দাবি, এত বাঁধা সত্বেও তাঁরা পিছনের দিক থেকে ঢুকে অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কটাক্ষ, নিজের এলাকায় গণধর্ষণ, গণহত্যা ঘটলেও সেখানে যান না তৃণমূল সাংসদ। আর ছুটেছেন দিল্লি!বীরভূমের রামপুরহাটের বগটুইয়ের গণহত্যার ঘটনায় দিল্লি বিজেপি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিল। তাঁরা ঘটনাস্থল ঘুরে দিল্লি ফিরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে রিপোর্ট দাখিল করেন। তারপর হাঁসখালির গণধর্ষণে নাবালিকার মৃত্যুর অভিযোগ খতিয়ে দেখতেও জেপি নাড্ডার নির্দেশে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বাংলার মানুষ ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারার প্রয়োগ চাইছেন বলে দাবি করেছেন বিজেপির মহিলা প্রতিনিধি দল। এবার দিল্লির দাঙ্গাস্থল পরিদর্শনে তৃণমূল কংগ্রেসের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এদিন ওই দলে ছিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, অপরূপা পোদ্দার ও অর্পিতা ঘোষ।কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, জায়গাটা পুলিশ ঘিরে ব্যারিকেড করে রেখেছে। পুলিশ মানুষকে মানুষ মনে করছে না। তবু বাচ্ছা ও মহিলাদের সঙ্গে নিয়ে পিছনের দিক থেকে ঢুকেছি। সেদিনের অত্য়াচারের কাহিনী শুনেছি। বাড়িঘর ভেঙে দিয়েছে, জল নেই, খুবই কষ্টে রয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সংসদীয় ব্যবস্থায় বিরোধীদের জন্য জায়গা ছেড়ে রাখতে হয়। জাহাঙ্গিরপুরীতে আমাদের প্রতিনিধিদের ঢুকতে দেওয়া উচিত ছিল। গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারছে না বিজেপি।এদিকে দিল্লিতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যাওয়ায় কটাক্ষ করেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, নিজেরে এলাকায় গণধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও সেখানে যাননি সাংসদ। গণহত্যার এলাকাও পরিদর্শনে দেখা যায়নি তৃণমূল সাংসদকে। আগে নিজের এলাকা সামলাও তারপর দিল্লি যাবে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
দেশ

দিল্লি দাঙ্গার মাষ্টারমাইন্ড আনসার বিজেপি না তৃণমূলের? বিতর্ক বাড়ছে

দিল্লির সাম্প্রদায়িক হিংসায় নাম জড়িয়েছে বাংলারও। উত্তর-পশ্চিম দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীর দাঙ্গায় মূল অভিযুক্ত আনসারের বাড়ি হলদিয়ার কুমারপুর গ্রামে। এরইমধ্যে দিল্লি পুলিশের একটি দল ওই গ্রামে ঘুরে গিয়েছে। এদিকে আনসারের সঙ্গে হলদিয়ার তৃণমূল কাউন্সিলরের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক বেড়েছে। এবার বিতর্কে যুক্ত হল বিজেপিও। জাহাঙ্গিরপুরীর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় মূল অভিযুক্ত আনসারের সঙ্গে বিজেপি নেতাদের গুচ্ছ-গুচ্ছ ছবি প্রকাশ্যে এনে গেরুয়া শিবিরকে বিঁধলেন তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা। আনসারের সঙ্গে তৃণমূল না বিজেপির যোগ, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।আনসারের সঙ্গে কোন দলের সম্পর্ক তা নিয়ে একে অপরকে অভিযুক্ত করছে তৃণমূল ও বিজেপি। দিল্লি দাঙ্গার মূল অভিযুক্ত আনসারের সঙ্গে বিজেপি নেতাদের ছবি এনে শুক্রবার একসঙ্গে টুইট করলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের দুই মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, সুজিত বসু, আইএনটিটিউসির রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ররা। তৃণমূল নেতৃত্ব একযোগে দাবি করেছে, দিল্লির দাঙ্গায় মূল অভিযুক্ত আনসার বিজেপিরই কর্মী।I truly believe that our priority should be ensuring justice! The perpetrators must be adequately punished!Here, we see how Ansar has been closely associated with @BJP4India. Lets not have a one-track mind! pic.twitter.com/1hu8JEl6Vb Partha Chatterjee (@itspcofficial) April 22, 2022এর আগে হলদিয়ার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তৃণমূল নেতা আজিজুল রহমানের কাঁধে হাত দিয়ে বসে রয়েছেন আনসার। এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূলকে আক্রমণ করে বিজেপি। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় তৃণমূলের যোগ নিয়ে সোচ্চার হয় ঘাসফুল শিবির। অস্বস্তি বাড়তে থাকে তৃণমূলেও। আজিজুল রহমান জানিয়ে দেয়, ওই ছবিটা ২০১৯ সালের মে মাসের ছবি। জামা মসজিদের কাছের ছবি। আনসারের সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল। কিন্তু আনসারের কোনও অনৈতিক কাজের সঙ্গে আমি যুক্ত নই। বদনাম করার জন্য এই অভিযোগ আনছে বিজেপি। শুক্রবার তৃণমূল নেতারা বিজেপির সঙ্গে আনসারের ছবি টুইট করে পাল্টা তোপ দেগেছ বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিজ্ঞ মহলের বক্তব্য, আনসার বিজেপি না তৃণমূলের এই বিতর্ক চলতে পারে। কিন্তু সন্ত্রাসের মদতদাতাকে আইন মোতাবেক শাস্তি দিক পুলিশ প্রশাসন।

এপ্রিল ২২, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ বগটুইয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর, তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

আনারুলের পর এবার রাজ্যের মন্ত্রী ও রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপোর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ আনলেন মিহিলাল শেখ। মিহিলাল রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁর পরিবারের লোকজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ খুনের পরপরই। সংশোধনাগারে আনারুল, লালনরা খেয়ে-দেয়ে ফূর্তি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মিহিলালের অভিযোগ, এই সমস্ত ব্যবস্থাও করে দিচ্ছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। পুরো বিষয়টা তিনি সিবিআইকে জানাবেন বলেছেন। এদিকে মিহিলালের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন আশিষ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।কী বলেছেন মিহিলাল শেখ?আমার পরিবার তো শেষ হয়ে গেল। আনারুলরা জেলের মধ্যে ফূর্তি করছে। জেলে বিয়ার, মদ খেয়ে এনজয় করছে। বাড়িতে যা পেত তা জেলে পাচ্ছে। বাইরে থেকে খাবার যাচ্ছে। আমাদের লোকজনকে শেলে রেখে দিয়েছে। এসবে মদত দিচ্ছে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপো আমাদের ওপর অত্যাচার করত। আনারুলকে গাইড করছে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এসব কান্ড আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। একমাসেও কোনও খবর নেয়নি। ওর লোকজনও খবর নিতে আসেনি। আমি বিডিওকে হোয়াটসঅ্যাপে খাদ্যদ্রব্যের জন্য পাঠিয়েছিলাম। প্রথমে তিন-চার দিনের জন্য কিছু পাঠিয়েছিলেন। এখন সব বন্ধ। আমরা এক মাসের খাবার চেয়েছিলাম প্রশাসনের কাছ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সত্বেও কোনও খাবার দিচ্ছে না প্রশাসন। পুরো বিষয়টা সিবিআইকে জানাব। চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট নই। কারণ জীবনের বিনিময়ে কিছু হয় না।এর আগে বগটুইয়ের ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের নাম জড়াচ্ছিল। আনারুল কার লোক তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। আনারুলকে সুপারিশের বিষয় সংক্রান্ত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে দেওয়া চিঠিও বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। এবার সরাসরি অভিযোগ উঠলো রামপুরহাটের বিধায়কের বিরুদ্ধে। তবে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অভিযোগকেই পাত্তা দিতে নারাজ।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
দেশ

ফের কংগ্রেসে বড় ভাঙন, তৃণমূলে যোগ প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির

কংগ্রেসের ঘরে হানা দিয়েই চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগে গোয়ায় একাধিক কংগ্রেস নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এর আগে অসমের কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেব তৃণমূলে যোগ দিয়ে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। রবিবার অসম কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রিপুন বোরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। কয়েকদিন আগে রাজ্যসভার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন বিপুন। এদিনই পূর্বাঞ্চলের এই কংগ্রেস নেতা টুইটে কংগ্রেসের সভানেত্রীকে পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। এই তৃণমূলযোগের ফলে উত্তর-পূর্বে কংগ্রেসের ঘরে ভাঙন অব্যাহত রইল। এর আগে মেঘালয়ের ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।It gives us immense joy to welcome Shri @ripunbora, who joined the @AITCofficial family in the presence of our National General Secretary Shri @abhishekaitc pic.twitter.com/qfJka4PVIq All India Trinamool Congress (@AITCofficial) April 17, 2022উত্তর পূর্ব ভারতে কংগ্রেসের ভাঙন অব্যাহত। এদিন কলকাতায় রিপুন বোরার হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মেঘালয়ের পর এবার কংগ্রেসের ঘর ভেঙে অসমে সংগঠন বিস্তার করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিকে শনিবারই ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে সনিয়া গান্ধিসহ কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতৃত্বের বৈঠক হয়। প্রশান্ত কিশোর আবার তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ।Extending a very warm welcome to Shri @ripunbora, a stalwart and skilled politician, who joined the @AITCofficial family today.We are extremely pleased to have you onboard and look forward to working together for the well-being of our people! pic.twitter.com/Tz0Q691Egd Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) April 17, 2022অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৩ ও ৪ মে মেঘালয়ে যাবেন। সেখানে সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। মেঘালয়ের প্রাক্তন কংগ্রেসী মুখ্য়মন্ত্রীসহ একাধিক নেতা তৃণমূলে ভিড়েছেন। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন দক্ষ রাজনীতিক রিপুন বোরাকে তৃণমূল পরিবারে স্বাগত।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
রাজ্য

কোন সমীকরণে বালিগঞ্জের 'জয়'-এ চিন্তায় ঘুম উড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের?

বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে বিজেপি ফেরত বাবুল সুপ্রিয়র নাম ঘোষণার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। মুসলিম ভোটারদের একাংশ ভ্রু কুঁচকাতে থাকে। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আসানসোলের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ শিল্পাঞ্চলের দাঙ্গায় মদত দিয়েছিলেন। মুসলিমদের একাংশ বাবুলকে ভোট দিতে বেকে বসেন। দু-একটা মুসলিম সংগঠন প্রকাশ্যে বিবৃতিও দেয়। তারওপর আনিস খুন, বগটুইয়ের গণহত্যার মতো জ্বলন্ত ইস্যু রয়েছে। শনিবার ভোটের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় দুটি ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী এগিয়ে গিয়েছেন, তিন ওয়ার্ডে ব্যাপক ভোট কমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। মোদ্দা কথা জয়ের ব্যাপক মার্জিন কমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় মোট প্রাপ্ত ভোটের ৭০.৬০ শতাংশ পেয়েছিলেন। এবার বাবুল সুপ্রিয় পেয়েছেন প্রায় ৪৯.৬৯ শতাংশ ভোট। গত বিধানসভায় তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান ছিল ৫০ শতাংশের বেশি ভোট। দ্বিতীয় বিজেপি তখন পেয়েছিল ২০.৬৮ শতাংশ ভোট। এবার মোট ভোট কম পড়লেও শতাংশের হিসাবই দেখিয়ে দিয়েছে গতবারের থেকে এবারের উপনির্বাচনে ভোটপ্রাপ্তির ফারাক। জয়ের ব্যবধানেও ব্যাপক ফারাক হয়েছে। ৭৫ হাজারের ওপর ব্যবধান নেমে এসেছে ২০ হাজারে। দুই আসনে সবুজ ঝড়ের কথা বলা হলেও কার্যত বালিগঞ্জে তৃণমূল ভোট হারিয়েছে। এর পিছনে মুসলিম ভোটই প্রধান কারণ বলে জানিয়ে দিয়েছে বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিশন। তাঁদের বক্তব্য, বালিগঞ্জে মুসলিম ভোটারদের একটা বড় অংশ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব আত্মসমীক্ষা করে দেখতে পারে। মুসলিমদের একাংশের ভোট তৃণমূল না পাওয়ায় ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই সংগঠনের কর্তারা।রাজনৈতিক মহলের মতে, উপনির্বাচনে শাসকদলের অ্যাডভান্টেজ থাকে এটা অতীতের ফলাফলে প্রমানিত। কিন্তু বালিগঞ্জের ক্ষেত্রে এবার অন্তত সেকথা খাটছে না। সিপিএম এখানে ৩০.০৬ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। কংগ্রেস ৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। অর্থাৎ কংগ্রেস ও সিপিএমের মিলিত ভোট প্রায় ৩৬ শতাংশ। সামনে ২০২৩-এ পঞ্চায়েত ভোট, ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন, ২০২৬-তে বিধানসভা ভোট। বালিগঞ্জের ধারা অব্যাহত থাকলে ভোট রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক-এ সংকট হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
রাজনীতি

আসানসোলে সবুজ ঝড়ে উড়ল গেরুয়া শিবির, বালিগঞ্জে জয়েও আতঙ্কে তৃণমূল

রাজ্য়ের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আসানসোলে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে পরপর দুবারে জয় পাওয়া বিজেপিকে। প্রায় ২ লক্ষের ওপর ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালকে পরাজিত করেছেন তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। অন্যদিকে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় জয় পেয়েছেন ২০ হাজারের ওপর ভোটের ব্যবধানে। এখানে এবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। কিন্তু এই কেন্দ্রে যে ভাবে তৃণমূলের ভোট কমেছে তাতে ঘাসফুল নেতৃত্বের যথেষ্ট আতঙ্কের কারণ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে ২০১৪ ও ২০১৯-এ জয় পেয়েছিল বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় প্রায় ১,৯৭,৬৩৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে পরাজিত করেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হওয়ার পর আসানসোল কেন্দ্রে জয় পায়নি। এই প্রথম সেখানে জয় পেয়েছে তৃণমূল। শত্রুঘ্ন সিনহা ভোট পেয়েছেন ৬,৪৬,৬৬১ ভোট পেয়েছেন শত্রুঘ্ন। প্রায় ৫৬ শতাংশ ভোট। অগ্নিমিত্রা পাল ভোট পেয়েছেন ৩,৫০,০১৫। শতাংশের হিসাবে ৩০%। বিজেপির প্রায় ২২ শতাংশ ভোট কমেছে গতবাবের তুলনায়।এদিকে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপিকে সরিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় ২০হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে। বাবুল পেয়েছেন ৫০,৯৯৬ ভোট। সায়রার প্রাপ্ত ভোট ৩০,৯৪০ ভোট। বিজেপি গতবারে তুলনায় ৭ শতাংশ কম ভোট পেয়েছে। বিজেপি প্রার্থী কেয়া ঘোষ পেয়েছেন ১৩,১৭৪ ভোট। তবে এই কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোট প্রাপ্তি কমেছে তৃণমূলের। রাজনৈতিক মহলের মতে, গতবারের থেকে প্রায় ২০ শতাংশ ভোট কমায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ঘাসফুল শিবিরের।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
দেশ

কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন প্রশান্ত কিশোর?

কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। শনিবার দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধী, মল্লকির্জুন খাড়গে সহ কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করলেন পিকে। সম্প্রতি পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফল করেছে কংগ্রেস। ক্ষমতা হারিয়েছে পঞ্জাবে। এছাড়া সামনেই নির্বাচন রয়েছে গুজরাটে, তাছাড়া ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন, নানা কারণেই এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় খারপ ফল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তখন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রশান্ত কিশোরে দ্বারস্থ হয়েছিল। তারপরই তৃণমূলের কৌশল রচনার দায়িত্ব নেন পিকে। আই প্যাকের সঙ্গে জনসংযোগের নানান পন্থা অবলম্বন করে তৃণমূল। তার ফল পায় ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে। ২১৩টি আসনে জয় পেয়ে তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। পরবর্তীতে ফের আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের চুক্তি হয়েছে। সম্প্রতি নজরুল মঞ্চে তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে হাজির ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। তৃণমূলের সঙ্গে পিকের মত-বিরোধের জল্পনার অবসান হয়। সেই ভোটকুশলী এবার দিল্লিতে বৈঠক করছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কী তিনি কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন? নাকি আগামি নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেসের হয়ে ভোটের কৌশল রচনা করার দায়িত্ব নিচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর? আগামিদিন এই প্রশ্নের জবাব মিলবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
রাজ্য

'ডান্ডা দিয়ে ঠান্ডা করে দেব', তৃণমূল ব্লক সভাপতির হুমকি ভিডিও ভাইরাল

হাঁসখালি থেকে বোলপুর-শান্তিনিকেতনসহ রাজ্যের নানা প্রান্তে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড়। ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায় মিছিল করে সিপিএম। এরপরই তৃণমূল কংগ্রেসের ভগবানগোলা এক নম্বর ব্লক প্রেসিডেন্ট আফরোজ সরকারের হুমকি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিও-তে স্পষ্ট শোনা যায়, তিনি বলছেন, ডান্ডা দিয়ে ঠান্ডা করে দেব। (যদিও এই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা)।আফরোজ সরকারকে ওই ভিডিও-তে বলতে শোনা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরানো যাবে না। রাজ্যের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছে। আমরা আছি। ধর্ষণ হলে বড়বাবু, এসপিকে বলব গ্রেফতার করার কথা। প্রমান দেখাক ধর্ষণ করেছে। সিপিএম একটা মিছিল বের করে দিয়েছে। যদি বেশি বাড়াবাড়ি করে তাহলে ঠান্ডা করে দেব। তার জন্য ডান্ডার দরকার। বেশি যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যাপারে উল্টোপাল্টা কথা বলে তবে ডান্ডা দিয়ে ঠান্ডা করে দবে। আমি পদের ভয় করি না। যুব সভাপতিসহ নানা পদে ছিলাম, সিপিএম যদি উল্টোপাল্টা বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ছেলে আছি আফরোজ সরকার। এমন ঠান্ডা করে দেব বাড়ি থেকে বের হতে পারবে না।তৃণমূল ব্লক সভাপতির এই হুমকির পর সুড় চড়িয়েছে বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, হুমকি ছাড়া কথাই বলছেন না তৃণমূলীরা। এমন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছে সিপিএম।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
রাজ্য

হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে তৃণমূল সাংসদের বিষ্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ডে বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়। হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। বিরোধীরা এই বিষয় নিয়ে রাজ্য সরকারের তুলোধোনা করছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, সরকারকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে। পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার দক্ষিণেশ্বরে এক অনুষ্ঠানে পুলিশ আধিকারিকদের মঞ্চে বসিয়ে দমদমের সাংসদ সৌগত রায় বলেন, যে রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, সেখানে একটা ঘটনাও সকলের কাছে লজ্জার। সৌগতর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। তবে তৃণমূল সাংসদের এমন মন্তব্যকে বিতর্ক সৃষ্টির প্রচেষ্টা বলে মনে করেন বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, ঘটনার দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতেও এমন মন্তব্য করতে পারেন।তৃণমূল সাংসদ এদিন বলেন, রাজ্যে মহিলাদের ওপর অত্যাচার নিয়ে সকলেই চিন্তিত। এক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স করতে হবে। কোনও ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব বরদাস্ত করা যাবে না। যে রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, সেখানে একটা ঘটনাও লজ্জার। পুলিশ প্রশাসন এই বিষয়ে নজর রাখবেন। বিরোধীদের দাবি, একথা বলে রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনা স্বীকার করে নিলেন তৃণমূল সাংসদ। একইসঙ্গে সাংসদের এমন মন্তব্য তৃণমূল কংগ্রেসের কৌশলও হতে পারে।দেগঙ্গা, মাটিয়া, ইংরেজবাজার ও বাঁশদ্রোণীর ঘটনার তদন্ত ভার আদালত দিয়েছে আইপিএস দময়ন্তী সেনকে। আদালতের তদারকিতে হাঁসখালির ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। এই পরিস্থিতিতে সৌগত রায়ের এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
রাজ্য

সিবিআইতে হাজিরাঃ ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে আপতত স্বস্তিতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী

আপতত স্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব। এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সিবিআইতে হাজিরার হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল আজ, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেসের দফতরে হাজির হতে হবে। এমনকী এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডেও ভর্তি হতে পারবেন না বলে নির্দেশ দেয় আদালত। প্রয়োজনে গ্রেফতার করা যেতে পারে। আগামিকাল সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ফের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে।এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাজিরা সংক্রান্ত বিষয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ কোনও মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, কী আইনি প্রক্রিয়া চলছে তা শুনেছি। কিন্তু এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। এর আগে এসএসসি দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় প্রক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করুন বলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে বলেছিলেন কুণাল। সেই বক্তব্যের জের বহুদূর পর্যন্ত গড়িয়েছিল। পাল্টা কুণালের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এদিকে বিজেপির বক্তব্য, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা খুবই জরুরি। তা হলেই সত্যের উদ্ঘাটন হবে।

এপ্রিল ১২, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের ভাষণের সময় পাশে ঠায় দাঁড়িয়ে কল্যান, আপশোষ তৃণমূল কখনও আসানসোল জেতেনি

দলের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত মতামত হতে পারে না বলে তোপ দেগেছিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। এবার আসনসোলে তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার প্রচারে কল্যানের পাশে দাঁড়িয়েই বক্তব্য রাখলেন অভিষেক। হুঙ্কার ছাড়লেন বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিষেকের আপশোষ তৃণমূল কংগ্রেস কোনও দিন আসানসোল লোকসভা আসনে জয় পায়নি।এবার আসানসোল কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন বিহারীবাবু শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁকে বহিরাগত বলে দাবি করছে বিজেপি। অন্য দিকে এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে বহিরাগত তত্বে অনড় বলতে শোনা গেল অভিষেকর ভাষণে। বরং শত্রুঘ্ন সিনার সঙ্গে আসানসোলের দীর্ঘ বছরের সম্পর্ক বলে তিনি ঘোষণা করলেন। অভিষেক বলেন, এই আসন থেকে তৃণমূল কোনও দিন জিততে পারেনি। এবার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। একটা ইডি, সিবিআইয়ের নোটিশ ধরিয়ে কিছু করতে পারবে না।শ্রীলঙ্কায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে লঙ্কাকান্ড ঘটে চলেছে। ওই দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। ভারতের অর্থনীতির হাল যে শ্রীলঙ্কার থেকেও খারাপ, বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, ১৫৫ লক্ষ কোটি টাকা ঋণগ্রস্ত নরেন্দ্র মোদি সরকার। শ্রীলঙ্কার থেকে ভারতের ২০ গুন খারাপ অবস্থা। ৬৭ বছরে ভারতের ঋণের পরিমান ছিল ৫৪ লক্ষ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদী ৭ বছরে ১০২ কোটি টাকা ঋণ করেছে।বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসায় বাবুল সুপ্রিয়র প্রশাংসা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আসানসোল জয়ের পর ফের খেলা শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, বাবুল সুপ্রিয় চলে গিয়েছে তৃণমূলে। গায়ে লাগছে। যে করে হোক সিটটা জিততে হবে! আমি বলছি খেলা এখনও শুরু হয়নি। আসানসোল জেতার পর খেলা শুরু হবে। তারপর দরজা খুলব, কে কে আসবে আর কে কোথায় জিতবে আপনারা দেখবেন। তৈরি থাকুন। কী ভাবছেন তৃণমূলকে দমিয়ে রাখবেন। তাঁর ভাষণের সময় সারাক্ষণ পাশে ঠায় দাঁড়িয়েছিলেন কল্যান।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
রাজ্য

কুণালের পাল্টা দিলেন ফিরহাদ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে থাকার বার্তা

রাজ্যের নানা ক্ষেত্রে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত চলছে। বগটুইয়ের দুটি ঘটনা, ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের পাশাপাশি এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও তদন্ত করছে সিবিআই। শুক্রবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এসএসসি নিয়ে সিবিআইয়ের তদন্ত প্রসঙ্গে বলেছেন, যা বলার পার্থদা বলবেন। তিনি সে সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তাঁর মন্তব্যে এই শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কুণালের বক্তব্যের সঙ্গে সহমত নয় বলে শনিবার স্পষ্ট জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।কী বলেছেন ফিরহাদ হাকিম? তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও মন্ত্রী-নেতা অন্যায় করেনি? অন্যায় করবে না{ অন্যায় হয় না{ প্রসিডিওর মিসটেক হয় কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষ। পার্থদার ক্যাবিনেটে আমিও মন্ত্রী। যদি কোনও জায়গায় হয়, তাহলে যতটা দায়িত্ব পার্থদার ততটা দায়িত্ব আমারও। সুতরাং একটা কালেক্টিভ পরিবার। ওটা আমরা কারও কাছে কারও দায় ঠেলতে পারি না। আমি আমার মন্তব্য বললাম।কোনও আড়াআড়ি ভাঙার ব্যাপার না। ক্যাবিনেটের মেম্বার কুণাল নয়। আমরা যৌথ দায়িত্ব পালন করি। সেই দায়িত্ব ক্যাবিনেটের, এটা পার্থদার ব্যাপার নয়। এতবড় ক্যাবিনেট চলে কোথায় কী হচ্ছে সেটা একজন মন্ত্রীর পক্ষে জানা সম্ভব? আমি কর্পোরেশনে থাকি কোথায় অ্যাসেসমেন্টে ঘুস নিলে আমার পক্ষে জানা সম্ভব? কোথাও ট্রেড লাইসেন্সে বেনিয়ম হচ্ছে সেটা আমার পক্ষে জানা সম্ভব? পার্থদার সঙ্গে কী সম্পর্ক আছে। হয় ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারি হবে। যে এনকোয়ারি হচ্ছে তা হবে।এর আগে অনুব্রত মন্ডল প্রসঙ্গেও কুণাল কটাক্ষ করেছিলেন। সেদিন তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, সিবিআই বা কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা তলব করলে প্রয়োজনে ৫ মিনিট আগে গিয়েছি। অনুব্রত প্রসঙ্গে তাঁর চিকিৎসক বা আইনজীবী বলবেন বলে তিনি থেমে যাননি। শুক্রবার বলেছেন, ব্রাত্য এখন শিক্ষামন্ত্রী। তখন শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি যা বলার বলতে পারবেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বা মুখপাত্র মানে তিনি দলের কথাই বলছেন এটাই স্বাভাবিক। অর্থাৎ পার্টি লাইন বলাই তাঁর দায়-দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাহলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াতে তা পরখ করে নিতেই এমন মন্তব্য করেছেন দলের মুখপাত্র?

এপ্রিল ০৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • ...
  • 43
  • 44
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal