• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Terrorist

দেশ

রাতভর গুলির লড়াই, ভোর হতেই দুই জঙ্গির দেহ! উধমপুরে বড় অভিযান নিরাপত্তাবাহিনীর

জম্মু ও কাশ্মীরের উধমপুরে রাতভর নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে সংঘর্ষস্থল থেকে তাঁদের দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।উধমপুরের মাজলতা এলাকার জঙ্গলে সন্দেহজনক গতিবিধির খবর কয়েক দিন ধরেই পাচ্ছিল নিরাপত্তাবাহিনী। সেই তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। ব্রাতাল সোহান ও খুবান এলাকার দিকে যৌথবাহিনী ঘিরে তল্লাশি চালায়।অভিযানের সময় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়। জঙ্গিদের দিক থেকে গুলি চালানো হলে পাল্টা জবাব দেয় বাহিনী। প্রতিকূল আবহাওয়া, দুর্গম এলাকা এবং কম দৃশ্যমানতার মধ্যেও অভিযান চালানো হয় বলে সেনার তরফে জানানো হয়েছে।রাতভর চলা সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার ভোরে দুই জঙ্গির দেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাওয়া গিয়েছে। নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। প্রাথমিক ভাবে তাঁদের পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এই যৌথ অভিযানে সেনার হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। অভিযানের পরও এলাকায় তল্লাশি ও নজরদারি চালানো হচ্ছে।নিরাপত্তাবাহিনীর আশঙ্কা, জঙ্গলে আরও কেউ লুকিয়ে থাকতে পারে। সেই কারণে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। গোটা এলাকা ঘিরে সম্ভাব্য গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছে।উধমপুরের এই অভিযানকে কেন্দ্র করে জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। নিহত দুই ব্যক্তির পরিচয় এবং তাঁদের কোনও সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি যোগ ছিল কি না, তা নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

কেন্দ্রের নজরে ভাট্টি নেটওয়ার্ক, জঙ্গি সংগঠন ঘোষণার নেপথ্যে কী অভিযোগ?

শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ককে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় এই ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংগঠনটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার, মাদক পাচার এবং তরুণদের উগ্রপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের নাম এখন বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের প্রথম তফসিলে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে যুক্ত হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বক্তব্য, সংগঠনটি তরুণ এবং অপরাধজগতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নিজেদের নেটওয়ার্কে টানার চেষ্টা করত। সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং মাদক পাচারের অভিযোগও রয়েছে সংগঠনটির বিরুদ্ধে।কেন্দ্রের দাবি, ভাট্টি নেটওয়ার্কের সঙ্গে একাধিক অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের মামলা যুক্ত রয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন, অস্ত্র আইন, মাদক সংক্রান্ত আইন এবং বিস্ফোরক আইনের মতো একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে বলে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এর আগে স্বাধীনতা দিবসের আগে এই নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বড় অভিযান চালানো হয়েছিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ১২ অগস্ট ১৪টি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালিয়ে ২৫৩ জনকে আটক করা হয়। ওই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত মামলাগুলি মিলিয়ে ৮০টির বেশি মামলা এবং ২০০-র বেশি গ্রেফতারের কথা জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।ওই অভিযানে তদন্তকারীরা আইইডি, গ্রেনেড, পিস্তল, তাজা কার্তুজ এবং নজরদারির কাজে ব্যবহৃত ক্যামেরা উদ্ধার করার দাবি করেছিলেন। কিছু গ্রেনেডে পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির ছাপ ছিল বলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।কেন্দ্রের আরও দাবি, ভাট্টি নেটওয়ার্কের সদস্যরা পুলিশ, প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত জায়গা এবং ধর্মীয় স্থানের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছিল। নজরদারির জন্য ক্যামেরা বসানোর অভিযোগও রয়েছে। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা ঠেকাতেই ১২ অগস্টের সমন্বিত অভিযান চালানো হয়েছিল বলে কেন্দ্র জানিয়েছে।এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের যোগসূত্র নিয়েও তদন্ত হয়েছে। এর আগে রাজ্যে ভাট্টি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে কয়েক জনকে গ্রেফতার করার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। তদন্তকারীরা নেটওয়ার্কটির যোগাযোগ, নিয়োগের পদ্ধতি এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাদের সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সংগঠনটি সমাজমাধ্যম এবং অন্যান্য ডিজিটাল যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ানোর চেষ্টা করত। কেন্দ্রের মতে, এই ধরনের কার্যকলাপ দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে।শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ককে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পর সংগঠনটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা আরও কঠোর করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচার ও তদন্তের ফলাফলের উপরই নির্ভর করবে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
দেশ

পহেলগাঁওয়ের সেই হামলার নেপথ্যে কে? কাশ্মীরে সেনার গুলিতে লস্কর কমান্ডার ইয়াসিরের মৃত্যু

পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার স্মৃতি এখনও দেশবাসীর মনে তাজা। এর মধ্যেই জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে লস্কর-ই-তইবার কমান্ডার ইয়াসির নিহত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পহেলগাঁও হামলার অন্যতম চক্রী হিসেবে তার নাম উঠে এসেছিল বলেও দাবি করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, কাশ্মীরের বুদগাম জেলায় ইয়াসিরের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়েছিলেন নিরাপত্তাবাহিনীর গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ইউসমার্গের জঙ্গলঘেরা পাহাড়ি এলাকায় যৌথ অভিযান শুরু করে সেনার বিশেষ বাহিনী এবং ৫৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস।তল্লাশি অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে ইয়াসিরের গুলির লড়াই শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে ইয়াসির গুলি চালায় বলে সূত্রের দাবি। পাল্টা জবাব দেয় সেনাও। বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর ইয়াসির নিহত হয় বলে খবর।সূত্রের আরও দাবি, পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী হিসেবে পরিচিত সুলেমান মুসার গোষ্ঠীর সঙ্গে ইয়াসিরের যোগাযোগ ছিল। সে ওই গোষ্ঠীর সদস্যও ছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রায় এক বছর আগে সেই গোষ্ঠী থেকে বেরিয়ে যায় ইয়াসির। এরপর আলাদা ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।দীর্ঘদিন ধরেই ইয়াসির নিরাপত্তাবাহিনী ও গোয়েন্দাদের নজরে ছিল বলে সূত্রের খবর। তার গতিবিধি এবং যোগাযোগের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত বুদগামের জঙ্গলঘেরা এলাকায় অভিযানে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইয়াসিরের সঙ্গে আর কার কার যোগাযোগ ছিল, তার নেটওয়ার্ক কতটা ছড়িয়েছিল এবং পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে তার ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তার যোগাযোগের সূত্র ধরে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।এর আগে গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরে সেনার অভিযানে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছিল বলে জানা যায়। নিহতদের মধ্যে সুলেমান মুসা এবং তার দুই সঙ্গী ছিল বলে সূত্রের খবর। পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে ওই জঙ্গিদের যোগ থাকার অভিযোগও উঠেছিল।ইয়াসিরের মৃত্যুর পর পহেলগাঁও হামলার তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। তার যোগাযোগ এবং জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্ত এগোলে হামলার নেপথ্যের আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

স্বপ্ন ছিল পাক আর্মিতে যোগ দেওয়ার! আইএসআইএয়ের এজেন্ট হয়ে কত বার ভারতে এসেছিল পাক জঙ্গি

বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেফতার রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানা মোট পাঁচ বার ভারতে এসেছিল। প্রতিবারই কলকাতায় এসে তিলজলায় ইজাজের বাড়িতে থাকত বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তার কলকাতায় আসার তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আসার পর ভুয়ো পরিচয়ে একাধিক সরকারি নথি তৈরি করেছিল রানা। ইজাজের বাবা যুবের আলমকে নিজের বাবা বলে পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সেই পরিচয়ের ভিত্তিতেই প্যান কার্ড এবং আধার কার্ডও তৈরি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।জেরায় রানা জানিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পাকিস্তান সেনায় চাকরি করার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এরপর পাকিস্তান সেনা এবং আইএসআইয়ের সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। সেই যোগাযোগের সূত্রেই সে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে যুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ নিয়েছিল রানা। পাশাপাশি কাঠমান্ডুতেও তার ব্যবসা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই একটি মসজিদে ইজাজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় বন্ধুত্বে গড়ায়। অভিযোগ, ইজাজের সাহায্যেই কাঠমান্ডু থেকে ভারতে ঢুকত রানা।প্রথম বার কলকাতায় আসার সময় রানার কাছে কোনও ভারতীয় পরিচয়পত্র ছিল না বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিহারের রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে ভারতে প্রবেশ করত সে। পাঁচ বার ভারতে আসার সময়ই একই পথ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রতিবার কাঠমান্ডু থেকে ইজাজই তাকে ভারতে নিয়ে আসত বলে জানা গিয়েছে।সম্প্রতি ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় রানাকে ডেকেছিলেন বুথ স্তরের আধিকারিক। কিন্তু সে হাজির না হওয়ায় ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ যায় বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ইজাজ রানার পাকিস্তানি পরিচয় সম্পর্কে জানত কি না, তা-ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, পরিচয় জানার পরেও ইজাজ তাকে নিজের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।রানার গতিবিধি নিয়েও তদন্তকারীদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। ফোর্ট উইলিয়াম ছাড়াও ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সে ঘোরাফেরা করেছিল বলে জানা গিয়েছে। ওই সব জায়গার ছবি ও ভিডিয়ো তুলে সেগুলি বিদেশে থাকা সন্দেহভাজন যোগাযোগের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ভুয়ো পরিচয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করার পর একাধিক সিম কার্ড সংগ্রহ করেছিল রানা বলেও অভিযোগ। ওই সিম ব্যবহার করেই সে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তার যোগাযোগের জাল কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়েছিল, তা জানতে ফোন ও অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, গ্রেফতারের আগে বাংলাদেশের পথে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রানার। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে সেখান থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার ছক ছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয় সে। এখন রানা ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে আর কারা এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

সঙ্গীদের বাঁচাতে ফোন ভাঙলেন রানা, নোটবুক খুলতেই তদন্তকারীদের হাতে এল বড় সূত্র

মোবাইল ভেঙে ফেলেও রক্ষা হল না! সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে ফোন নষ্ট করেছিলেন বলে জেরায় দাবি করেছেন ধৃত পাক গুপ্তচর রানা রউফ খালিদ। কিন্তু তাঁর নোটবুক থেকেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আরও ছয় জন সন্দেহভাজনের নাম। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জন নেপালের বাসিন্দা এবং এক জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম। তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজকেও তপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানার সঙ্গে বিদেশে থাকা কয়েক জন সন্দেহভাজনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।জেরায় রানা কী তথ্য দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার সেনা ছাউনি, সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ছাউনি, রেলস্টেশন এবং রেলপথের ছবি, ভিডিয়ো ও মানচিত্র সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হত। এই কাজে তপসিয়ার ইজাজ তাঁকে সাহায্য করতেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালে থাকা পাঁচ জনের কাছে ওই তথ্য পাঠানো হত। তাঁদের নাম কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার বলে রানা তাঁর নোটবুকে লিখে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের বাসিন্দা পাভেলের নামও সেই নোটবুকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ছয় জনের সঙ্গে রানার যোগাযোগ ছিল।বিদেশে থাকা ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য মুছে ফেলতেই নেপালে গিয়ে নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেছিলেন বলে জেরায় রানা দাবি করেছেন। তবে দুটি সিম কার্ড নষ্ট করেননি তিনি। সেই সিম কার্ড দুটি তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছেন। ফলে মোবাইল নষ্ট করলেও যোগাযোগের সূত্র পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি বলে তদন্তকারীদের অনুমান।জেরায় রানা আরও জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে কয়েক জনের সঙ্গে বৈঠকের পর বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। বাংলাদেশে পাভেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। যশোরে পৌঁছনোর পর পাভেল তাঁকে একটি নতুন মোবাইল দেওয়ার কথা ছিল। সেই ফোনে দুটি সিম ঢুকিয়ে নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে ফের যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল বলে জেরায় উঠে এসেছে।বাংলাদেশ ও নেপালে থাকা ওই ছয় জনের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারের কাছে তথ্য পাঠানো হচ্ছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তাঁদের সঙ্গে রানার যোগাযোগের ধরন এবং কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, চরবৃত্তির মাধ্যমে তথ্য পাচার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন রানা। যদিও গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে। হাবড়ার চোংদা বাজারের কাছে ধরা পড়ার পর নিজের আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়ে নিজেকে তপসিয়ার বাসিন্দা ওয়াহাব আলম বলে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি বলে অভিযোগ।বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রানা প্রথমে অস্বস্তিতে পড়েন বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি পাকিস্তানের নাগরিক বলে স্বীকার করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর কাছ থেকে সিম কার্ড উদ্ধারের পর মোবাইলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে ফেলার কথাও স্বীকার করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
কলকাতা

জঙ্গি দমনে বড় পদক্ষেপ! রাজ্যে আসছে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী, নজরে একাধিক জেলা

রাজ্যে জঙ্গি দমনে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট এবং দিল্লির ধাঁচে একটি নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ভাবনা-চিন্তা চলছে। এই নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠকও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।বর্তমানে রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের আলাদা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স রয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় এই দুই বাহিনীকে একত্রিত করে আরও শক্তিশালী কাঠামো তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লক্ষ্য, জঙ্গি কার্যকলাপ, স্লিপার সেল এবং নাশকতার সম্ভাবনা আরও দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।সম্প্রতি হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগী অর্পিতা সরকারকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দাদের নজর আরও তীক্ষ্ণ হয়েছে। তদন্তে উঠে আসা বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে গোয়েন্দারা মনে করছেন, জঙ্গি সংগঠনগুলির নেটওয়ার্ক, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং অনলাইন যোগাযোগের উপর আরও কড়া নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্ত এলাকা ও সংবেদনশীল জেলাগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সূত্রের খবর, নতুন বাহিনীর নেতৃত্বে একজন আইজি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক থাকতে পারেন। তাঁর অধীনে ডিআইজি, এসপি-সহ বিভিন্ন স্তরের অফিসাররা কাজ করবেন। মূল দপ্তর কলকাতা বা তার আশপাশে তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলায় শাখা দপ্তর খোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।গোয়েন্দাদের প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী এবং অতীতে জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্তে উঠে আসা কয়েকটি জেলা বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকতে পারে। সেখানে নতুন বাহিনীর শাখা তৈরি হলে স্থানীয় স্তরে তথ্য সংগ্রহ, সন্দেহজনক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।রাজ্যের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা এবং সম্ভাব্য জঙ্গি নেটওয়ার্ক দ্রুত চিহ্নিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। তবে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠন নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হতে পারে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

ইনস্টাগ্রামের প্রেম থেকে জঙ্গি জাল! হামিম-অর্পিতার সম্পর্ক ঘিরে বিস্ফোরক তথ্য তদন্তে

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে তদন্তকারীরা। সেই তদন্তেই উঠে এসেছে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় হয় এবং পরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বড় নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডল ও ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের সম্পর্ক ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, সোশাল মিডিয়ায় পরিচয়ের পর তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সেই সম্পর্ককে ব্যবহার করে হানিট্র্যাপ, ব্ল্যাকমেল এবং অপহরণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হাওড়ার এক মন্ত্রীর ছেলেকে দীর্ঘ সময় ধরে সোশাল মিডিয়ায় যোগাযোগের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, সেই সূত্রে টাকা আদায় এবং পরে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের সব দিক এখনও তদন্তাধীন।এসটিএফের প্রাথমিক অনুমান, শুধু একজন নয়, আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকেও একইভাবে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল। হামিম ও অর্পিতার মাধ্যমে একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। সম্ভাব্য টার্গেটদের গতিবিধির উপর নজর রাখার কাজও চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা অর্পিতা সরকার সোশাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ভিডিও তৈরি করতেন। প্রায় চার বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। হামিম নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে তাঁদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয় এবং সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।তদন্তকারীদের দাবি, হামিমের মাধ্যমে অর্পিতার পরিচয় পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে হয়। এরপর তাঁকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা এখন খতিয়ে দেখছে, এই নেটওয়ার্কে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না এবং একই ধরনের হানিট্র্যাপের ঘটনায় অন্য কোনও ব্যক্তি জড়িয়ে পড়েছিলেন কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়ায় মিলল হামিমের গোপন ঘাঁটি! জামার ট্যাগের দোকানের আড়ালে চলত কী ভয়ঙ্কর খেলা?

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে গ্রেপ্তার হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে ফের বড় তথ্য সামনে এসেছে। এবার হাওড়ার পিলখানায় তার ব্যবহৃত একটি ঠিকানার খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সেখানে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির কাজ হত। তবে এই ব্যবসার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঠিকানা থেকেই বিভিন্ন পরিকল্পনা পরিচালিত হত কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে পূর্ব বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের গতিবিধি নজরদারির অভিযোগও সামনে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই হামিমের অতীত এবং তার ব্যবহৃত বিভিন্ন ঠিকানা নিয়ে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে।প্রথমে জানা গিয়েছিল, হামিমের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। কিন্তু সুনির্দিষ্ট ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তদন্তে আলম মিস্ত্রি লেনের একটি বহুতলের খোঁজ মেলে। ওই বহুতলের একতলায় ভাড়া নেওয়া দুটি ঘরেই থাকত হামিম বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে একটি ছোট ব্যবসা পরিচালিত হত।স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি ঘরে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির মেশিন বসানো ছিল। অন্য ঘরে কম্পিউটারের মাধ্যমে অফিসের কাজ করা হত। হামিমের বাবা মনিরউদ্দিন মণ্ডলও সেখানে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে হামিমের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা কোনওদিনও এমন সন্দেহ করেননি।বহুতলের মালিক জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে ঘর দুটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। একটি ঘরের মাসিক ভাড়া ছিল সাত হাজার টাকা এবং অন্যটির চার হাজার টাকা। তাঁর দাবি, গত প্রায় দুই মাস ধরে হামিমকে এলাকায় দেখা যায়নি। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে তার বাবাকেও আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর দাবি, হামিমের বাবার সঙ্গে মাঝে মধ্যে দেখা হলেও হামিমের সঙ্গে তেমন কোনও যোগাযোগ ছিল না। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ওই ব্যবসা শুধুই ব্যবসা ছিল, নাকি তার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত। পাশাপাশি হামিমের সঙ্গে যিনি বাবা পরিচয়ে থাকতেন, তিনি সত্যিই তার বাবা ছিলেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় এসেছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার বুকেই তৈরি হয়েছিল জইশের স্লিপার সেল! ধৃত হামিদের থেকে কী কী তথ্য মিলল

ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কাশ্মীরের সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে হামিদ মণ্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের বহু বছর পর একই এলাকার কাছাকাছি থেকে এই গ্রেপ্তারিকে ঘিরে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কীভাবে তিনি বাংলায় যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে আর কারা যুক্ত ছিলেন।তদন্তে জানা গিয়েছে, হামিদ মণ্ডলের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। তিনি আগে একটি গেঞ্জি কারখানায় দর্জির কাজ করতেন। পরে নিউটাউনে ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। এরপর কিছুদিন আগে বর্ধমানের একটি আবাসনে পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন। প্রতিবেশীদের কাছে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। কেন তিনি বর্ধমানে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য কাউকে দেননি বলে স্থানীয়দের দাবি।বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পূর্ব ভারতে সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর কাজে যুক্ত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কেও বিস্তারিত তদন্ত চলছে। এই মামলায় এখনও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তকারী সংস্থা আরও তথ্য সংগ্রহ করছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজন জঙ্গি, তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে হামিদ মন্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ এবং বর্ধমান পুলিশ। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃত ব্যক্তি পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথি, ডিজিটাল তথ্য এবং যোগাযোগের সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনও অনেক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।তদন্তকারী সূত্রে দাবি, ধৃত ব্যক্তির কাছে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা এবং ভিআইপি চলাচল সংক্রান্ত কিছু তথ্য মিলেছে। এই তথ্য কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনও সরকারি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃত হামিদ পূর্ব ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে যুক্ত থাকতে পারে। নতুন সদস্য সংগ্রহ, যোগাযোগ রক্ষা এবং সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এদিকে অসমেও একই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেখান থেকে মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা তথ্য যাচাই করছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই নেটওয়ার্ক অনলাইনের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ, উগ্রবাদে প্রভাবিত করা, গোপন তথ্য সংগ্রহ, লজিস্টিক সহায়তা এবং স্লিপার সেল তৈরির মতো কার্যকলাপে জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ ও গোয়েন্দাদের মতে, ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য এবং ডিজিটাল নথির ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী তদন্তের দিশা নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই মামলার সব দিকই খোলা রাখা হয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
দেশ

চিকেনস নেকে বড়সড় নিরাপত্তা আতঙ্ক! পানের দোকানের আড়ালে কী চলছিল? গ্রেপ্তার যুবক

পূর্ব ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি সিকিমে বড়সড় অভিযানে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে ধৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপ, উগ্রপন্থী প্রচার এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গ্যাংটকের নাং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া উনিশ বছরের মহম্মদ আরজু একটি পানের দোকানের আড়াল থেকে এই কার্যকলাপ চালাতেন বলে অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আরজু তাঁর বাবার সঙ্গে গ্যাংটকের লোয়ার এমজি মার্গ এলাকায় একটি পানের দোকান পরিচালনা করতেন। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী প্রচার চালাতেন এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করতেন। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ বেড়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তারা একটি সামাজিক মাধ্যমের গোষ্ঠীর সন্ধান পেয়েছে, যার মাধ্যমে দেশবিরোধী প্রচার এবং উগ্রপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ। সেই সূত্র ধরেই মহম্মদ আরজুর নাম সামনে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত যুবকের আচরণে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁর মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সেই পরীক্ষায় বিভিন্ন কথোপকথন, সন্দেহজনক তথ্য আদান-প্রদান এবং ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থানকারী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না।সিকিম পুলিশের অপরাধ দমন শাখা এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ জানিয়েছে, অনলাইনের মাধ্যমে উগ্রবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে।এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন সিকিমের বিধায়ক কলা রাই। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই ভবিষ্যতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর কড়া নজরদারি চালানো প্রয়োজন।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

ভারতে বড় হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, দুই রাজ্য থেকে আট জঙ্গি সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় সন্ত্রাসের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জঙ্গি যোগে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে মোট আট সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের চরমপন্থী গোষ্ঠীর মদতে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই ভারতে হামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাদ, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শাহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ছয় অভিযুক্তকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা থেকে আরও দুজনকে ধরা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা নকল পরিচয়পত্র তৈরি করে ভারতে বসবাস করছিল। তদন্তে জানা গেছে, বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা চলছিল এবং বিদেশ থেকে তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের পরবর্তী জেরা ও তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল জানিয়েছে, জঙ্গি কার্যকলাপ সমর্থনকারী অনলাইন পোস্ট নজরে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। এরপর তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ অভিযানে কারখানা থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও ষোলোটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে গোটা চক্রের যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।কয়েক দিন আগে দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের বিভিন্ন জায়গায় উসকানিমূলক পোস্টার দেখা যায়। কাশ্মীর ইস্যু ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজক বার্তা লেখা ছিল ওই পোস্টারগুলিতে। সেই তদন্তে নেমেই তামিলনাড়ুর যোগসূত্র সামনে আসে এবং ধৃতদের জেরা করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগেই বড় সাফল্য! বিল্লাওয়ারে খতম জইশ জঙ্গি

জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে নিহত হল এক জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি। শুক্রবার নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, কাঠুয়া জেলার বিল্লাওয়ার এলাকায় জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সেনা এবং সিআরপিএফ একসঙ্গে অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ওই পাক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে উপত্যকায় জঙ্গি নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সংক্রান্ত কিছু নির্দিষ্ট তথ্য নিরাপত্তা সংস্থার হাতে আসে। এর পর থেকেই জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করা হয়। তারই ফল হিসেবে বিল্লাওয়ারে এই সাফল্য মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, প্রায় দশ দিন আগেই বিল্লাওয়ার এলাকায় জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তারপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছিল। সেনার দাবি, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরই শুক্রবার নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এক জঙ্গি সেখানে আত্মগোপন করে রয়েছে এমন তথ্য মিলতেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে বাহিনী। ফলে অভিযানের সময় পালানোর কোনও সুযোগ পায়নি ওই জঙ্গি।একই সঙ্গে কিশ্তওয়ার জেলার পাহাড়ি জঙ্গল এলাকাতেও সেনার অভিযান চলছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে এলাকায় জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেটি গভীর জঙ্গল ও খাড়া পাহাড়ে ঘেরা। সেখানে সইফুল্লা ও আদিল নামে দুই জইশ জঙ্গি আত্মগোপন করে রয়েছে বলে খবর মিলেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, চার দিন আগে কিশ্তওয়ারে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহিদ হন। সেই ঘটনার পর কিশ্তওয়ারে অভিযান আরও তীব্র করা হয়েছে। তল্লাশি চালিয়ে সেনা জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরারও খোঁজ পেয়েছে। গাছের আড়ালে এমন ভাবে বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছিল যে, বাইরে থেকে তা চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব। বাঙ্কারটি এমন কৌশলে বানানো, যাতে উল্টো দিক থেকে হামলা হলেও সহজে প্রতিরোধ করা যায়।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে গা-ঢাকা ৩০-র বেশি পাক জঙ্গি! শীতের মধ্যেই বড় অপারেশন সেনার

শীত নামার আগেই সীমান্ত এলাকায় তৎপরতা বাড়ায় ভারতীয় সেনা। কারণ, শীত পড়ার আগেই বিপুল সংখ্যায় জঙ্গিদের ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়। শীতের সময় বরফে ঢাকা সীমান্ত পেরিয়ে কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এ বছর শীতের শুরুতেই কাশ্মীরে ৩০ জনেরও বেশি পাক জঙ্গির উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েছে।গোয়েন্দাদের দাবি, এই জঙ্গিরা মূলত মাঝারি ও উঁচু পাহাড়ি এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে। ওই সব এলাকায় সাধারণ মানুষের বসবাস খুব কম। কিশ্তওয়ার ও ডোডা এলাকায় জঙ্গিদের আনাগোনা বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রবল ঠান্ডাকে কাজে লাগিয়ে তারা উপত্যকায় নাশকতার ছক কষছে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই তথ্য সামনে আসার পরই বড়সড় অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। শীতের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। বরফে ঢাকা দুর্গম এলাকায় নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ ড্রোন ও সেন্সর। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের লক্ষ্য জঙ্গিদের এমন জায়গায় কোণঠাসা করা, যেখানে রসদ জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।সেনা কর্তাদের বক্তব্য, পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের জন্য এই অভিযান একটি স্পষ্ট বার্তা। শীতের সুযোগ নিয়ে আর জঙ্গিদের ভারতে লুকিয়ে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না। গোয়েন্দাদের অনুমান, চিল্লাই কালানের ৪০ দিনের প্রবল শীতের সময় জঙ্গিরা লুকিয়ে থেকে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাতে চাইছে। সেই কারণেই আগেভাগে অভিযান শুরু করা হয়েছে।এই জঙ্গি দমন অভিযানে সেনার পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ, বন দপ্তর-সহ একাধিক নিরাপত্তা বাহিনী একযোগে অংশ নিয়েছে। জঙ্গিদের গতিবিধির উপর নজর রেখে দ্রুত এবং কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

জম্মুর পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে ৩০-৩৫ পাক জঙ্গি, তল্লাশি শুরু সেনার

জম্মুর উঁচু পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে আছে প্রায় ৩০-৩৫ পাক জঙ্গি। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় সেনা তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে। উপত্যকার কিস্তওয়ার ও দোদা জেলায় শুরু হয়েছে জঙ্গিদমন অভিযান।সূত্রের মতে, চলতি বছরের এপ্রিলে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর সেনার অভিযান বাড়ায় পাক জঙ্গিদের স্থানীয় নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই কারণে তারা পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়েছে। শীতকালে সেই সব জায়গা বরফে ঢাকা থাকে এবং জনবসতিও নেই। তাই জঙ্গিরা নিরাপদে লুকোনোর জন্য পাহাড়ি এলাকা বেছে নিয়েছে।সেনা সূত্রে খবর, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ, স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ, ফরেস্ট গার্ড ও ভিলেজ ডিফেন্স গার্ড যৌথভাবে এই অভিযান চালাচ্ছে। যৌথ বাহিনীর লক্ষ্য লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের কোণঠাসা করে দ্রুত নিধন করা। নইলে তারা সুযোগ পেলে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ঢুকে হামলা চালাতে পারে।প্রসঙ্গত, এপ্রিলে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর সেনা পাল্টা অভিযান চালিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডে নটি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল অপারেশন সিঁদুর। ভারতীয় সেনার এই অভিযানের পর পাকিস্তানি সেনাও ভারতে হামলা চালায়, তবে দুদেশ সীমান্তে দিন দুয়েকের টানাপড়েনের পর সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
দেশ

জেলেই হামলা জঙ্গি-ডাক্তারের উপর! রাইসিন মিশিয়ে গণহত্যার চক্রান্ত—অবশেষে প্রতিশোধ নিল বন্দিরা?

মানুষকে বাঁচানোর শপথ নিয়েই ডাক্তার হন কেউ। কিন্তু আহমেদ মহিউদ্দিন সৈয়দের ক্ষেত্রে ঘটেছে ঠিক উল্টো। বহু বছর পড়াশোনা করে চিকিৎসকের ডিগ্রি পেলেও তাঁর পথ ঘুরে যায় ভয়ংকর সন্ত্রাসের দিকে। দিল্লিতে বিস্ফোরণের অভিযোগ, নিরপরাধ মানুষের প্রাণ কাড়া, এমনকি জনসাধারণের পানীয় জলে মারাত্মক রাসায়নিক রাইসিন মিশিয়ে গণহত্যার পরিকল্পনাসব মিলিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় ফেলে দেয় এই ডাক্তার-জঙ্গির কাহিনি।গুজরাট পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে আদালতের নির্দেশে সাবরমতি সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয়। কিন্তু জেলে ঢোকার কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটে বিপত্তি। মঙ্গলবার সকালে আচমকাই তিন বন্দিএকজন খুনের অভিযুক্ত ও দুজন পকসো মামলার ধৃতহামলা চালায় ওই জঙ্গির ওপর। জেল সূত্রের দাবি, সৈয়দের বিরুদ্ধে থাকা ভারতবাসীকে মেরে ফেলার চক্রান্ত-এর কারণেই নাকি ওই তিন বন্দির ক্ষোভ চরমে ওঠে। মুহূর্তে মাটিতে ফেলে নির্মমভাবে মারতে থাকে তারা।চিৎকার শুনে জেল রক্ষীরা ছুটে এসে প্রাণে বাঁচান মহিউদ্দিনকে। গুরুতর আঘাত লাগে মাথায় ও চোখের নীচে। তাড়াতাড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। চিকিৎসার পর ফের তাঁকে জেলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে রায়পুর থানায় তিন বন্দির বিরুদ্ধে FIR দায়ের হয়েছে। তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেল কর্তৃপক্ষের কার্যকলাপ নিয়েওকীভাবে এত বড় হামলা জেলের উচ্চ নিরাপত্তা এলাকা ভেদ করে ঘটল, সে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।উল্লেখ্য, তদন্তকারীদের অভিযোগ, মহিউদ্দিন রেড়ি গাছ থেকে রাইসিন সংগ্রহ করছিল এবং দিল্লির আজাদপুর ফলের বাজার থেকে আহমেদাবাদ পর্যন্ত বিভিন্ন বাজারে রেকি করেছিল। পরিকল্পনা ছিল এক ভয়াবহ রাসায়নিক হামলা চালানোর। কিন্তু গুজরাট ATS-এর তৎপরতায় পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। গ্রেপ্তার হয় তিন জঙ্গি, যার মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত এই ডাক্তার-জঙ্গি।সব মিলিয়ে দেশের নিরাপত্তা কাঠামো ও জেল ব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লা বিস্ফোরণের ‘মাস্টারমাইন্ড’ চিকিৎসক আফগানিস্তানে? ইন্টারপোলের পাহারা বাড়াল ভারত

দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নয়া মোড়। তদন্তে সামনে এসেছে দক্ষিণ কাশ্মীরের এক চিকিৎসকের নামমুজাফ্ফর রাঠার। তিনি এই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর থেকেই পলাতক মুজাফ্ফর পাকিস্তান পেরিয়ে আফগানিস্তানে আশ্রয় নিয়ে থাকতে পারে। তাকে ধরতেই এবার ইন্টারপোলের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। লক্ষ্যরেড কর্নার নোটিস জারি।মুজাফ্ফর রাঠার হলেন আরও এক অভিযুক্ত চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাঠারের ভাই। জানা গিয়েছে, দুজনেই দক্ষিণ কাশ্মীরের কাজিগান্দ এলাকার বাসিন্দা। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখেছেন, ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল মুজাফ্ফরের। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে তার নাম। পাশাপাশি সামনে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য২০২১ সালে উমর নবি এবং মুজাম্মিলের সঙ্গে তুরস্কে গিয়েছিলেন মুজাফ্ফর। সেখানে গিয়েই তিনজনের প্রশিক্ষণ নেওয়ার খবর মিলেছে তদন্তে।তদন্ত অনুযায়ী, গত আগস্ট মাস থেকেই দেশছাড়া মুজাফ্ফর। সেই থেকেই তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। নাম ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই জম্মুকাশ্মীর পুলিশ রেড কর্নার নোটিসের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তদন্তকারী দলের এক সদস্য জানিয়েছেন, বর্তমানে এই তদন্তের দায়িত্ব রয়েছে এসআইএ-র হাতে। তাই রাজ্য পুলিশ সরাসরি ইন্টারপোলের কাছে যেতে পারে না। কেন্দ্রীয় সংস্থার মারফতই রেড কর্নার নোটিসের আবেদন পাঠানো হবে।এর মধ্যেই লালকেল্লা বিস্ফোরণ-কাণ্ড আরও চাপ বাড়িয়েছে তদন্তকারীদের উপর। কয়েকদিন আগেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ঐতিহাসিক লালকেল্লা চত্বর। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৩ জনের। ঘটনার পর থেকেই একাধিক রাজ্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেশ কিছু চিকিৎসক। শুক্রবার বাংলা থেকেও এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ।বিস্ফোরণের তদন্তে উঠে আসা চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন। লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে আদিল আহমেদ রাঠার, মুজাফ্ফর আহমেদ, মুজাম্মিল শাকিল এবং শাহিন সইদের। ফলে তাঁরা আর ভারতে কোনও হাসপাতাল অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা পেশা চালাতে পারবেন না। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই বিস্ফোরণ-কাণ্ডের নেপথ্যে সংগঠিত নেটওয়ার্ক ছিল, যার আঁতুড়ঘর কাশ্মীর থেকে বিদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal