• ১০ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ২৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu

রাজ্য

মহিষাদলে সভার আগে 'দাদার অনুগামী'দের সংহতি দেখানোর অভিনব উদ্যোগ

মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর রবিবার ২৯ নভেম্বরই প্রথম জনসমক্ষে আসছেন শুভেন্দু অধিকারী‌।যদিও স্বাধীনতা সংগ্রামী রণজিৎ বয়ালের স্মরণসভা আয়োজনের কথা মন্ত্রিত্ব ছাড়ার অনেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তাম্রলিপ্ত জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি হিসেবে স্মরণসভার মুখ্য স্মৃতিচারক তিনিই। এই মঞ্চে রাজনীতির কথা বলার সম্ভাবনা না থাকলেও অন্তত ইঙ্গিত পেতে চাতকপাখির মতো অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল ও সংবাদমাধ্যম‌। ইতিমধ্যেই রাজ্যের জেলায় জেলায় আমরা দাদার অনুগামী বলে নানা ক্যাপশন দিয়ে ফ্লেক্স, ব্যানার পড়েছে। দলের স্টিয়ারিং কমিটির অন্যতম সদস্য দল না ছাড়লেও তাঁর পোস্টার তৃণমূলীদের পোড়াতেও দেখা গিয়েছে কোন্নগরে। পাল্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে 'দিদির সঙ্গে' লেখা ছবি নিজেদের প্রোফাইল বা ডিপিতে রেখেছেন। মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর প্রথম জননেতা জনসমক্ষে আসায় অনুগামীরাও নিলেন আরেকটি অভিনব উদ্যোগ। রবিবার সকলের ডিপিতে শুভেন্দুবাবুর ছবি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অনুগামীরা। রাত ১২টার পর থেকেই হু হু করে এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ডিপি বদলাচ্ছেন তাঁরা। নিজেদের সংহতি দেখাতেই এমন উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, অরাজনৈতিক সভা হলেও প্যান্ডালের রং নীল-সাদা রাখার বিষয়টিও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক , ফের বিস্ফোরক কল্যাণ

শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শালীনতার সীমা ছাড়ালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক, এভাবেই শুভেন্দুর মন্ত্রিসভা ছাড়া ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ। ্তিনি আরো বলেন, উনি নিজের ইচ্ছায় মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন। বাংলায় যে যেখানেই জিতেছেন তিনিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেখিয়ে জিতেছেন। এরাজ্যের ২৯৪টি আসনের মধ্যে তাঁর আসনটিও পড়ে। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট প্রসঙ্গত, শুক্রবারই রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও একের পর এক সরকারি পদ থেকেও ইস্তফা দিয়ে চলেছেন তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা। অন্যদিকে, ওই দিনই দিল্লি গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামীও। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদল ছেড়ে অনেক নেতা-কর্মীই বিজেপিতে যুক্ত হচ্ছেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। বিজেপি নেতাদের দাবি, আগামী দিনে তৃণমূল ছেড়ে একাধিক বিধায়ক, নেতা বিজেপিতে আসবেন।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিনটি দফতর নিজের হাতেই রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিন দফতরের দায়িত্ব নিজের হাতে রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, সেচ, পরিবহণ, জলসম্পদ দফতরের দায়িত্ব ছিল শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। পরিবহণ দপ্তরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফিরহাদ হাকিম বা অরূপ বিশ্বাস, এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেচদপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে, এই গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সম্ভাবনা পালটে যায়। ফিরহাদের কাঁধে আপাতত পুর, নগরোয়ন্নয়ন দপ্তরের ভার। অরূপ বিশ্বাসের হাতে দুটি দপ্তরের ভার ক্রীড়া, যুবকল্যাণ। এই সবকটি দপ্তরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া তাঁদের সংগঠনেরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আছে। আরও পড়ুন ঃ আমি দলেই আছিঃ রাজীব শুক্রবার বিকেলে শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পরই জরুরি বৈঠকে দলের শীর্ষনেতাদের নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সভাপতি সুব্রত বক্সি, দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখানে প্রায় ঘণ্টা দুই ধরে বৈঠকের পর ঠিক হয় দপ্তর বণ্টনের বিষয়টি।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

মন্ত্রিত্ব ছেড়ে কী বললেন শুভেন্দু?

জল্পনার অবসান। শুক্রবার ২৭ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি লিখে সব মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি নিরাপত্তা ছেড়ে অন্যান্য পদগুলিও তিনি ছেড়েছেন বলে খবর। রাজ্যপালকেও অবিলম্বে পদত্যাগপত্র অনুমোদন দিতেও আর্জি জানান শুভেন্দুবাবু। রাজ্যবাসীর সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি শুধু বলেছেন, চাপমুক্ত হলাম। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় টুইটে লিখেছেন, সংবিধান মেনেই পদক্ষেপ করব। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, শুভেন্দু দল ছাড়েননি। দল তাঁর সঙ্গে কথা বলার যে দায়িত্ব আমাকে দিয়েছিল তাও তুলে নেয়নি। দুবার কথা বলেছি। নেত্রীকেও জানিয়েছি। আবার তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করব। মন্ত্রিত্ব ছাড়া ওঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। গতকাল এইচআরবিসি-র পদ ছাড়ার পর জেড ক্যাটেগরি-সহ সরকারি নিরাপত্তাও ছেড়েছেন শুভেন্দুবাবু।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে কী বললেন সৌগত?

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সোমবার ২৩ নভেম্বর ২০২০ দ্বিতীয়বার বৈঠক করেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায়। তারপরেও নন্দীগ্রামের বিধায়ককে নিয়ে সংবাদমাধ্যমে জল্পনা থামেনি। বৈঠকের পর আশাবাদী কিনা এ প্রশ্নের উত্তরে সৌগতবাবু বলেছিলেন, নিরাশাবাদী নন। আজ, মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একবার কেন দশবার আলোচনায় বসতে পারি। আপনাদের মুখোমুখিও হতে পারি দশবার। কিন্তু বৈঠকে কী হয়েছে বা ফের কবে বৈঠক হবে কিনা সে ব্যাপারে কিছু বলব না। আর উনি তো দলেই আছেন। দলবিরোধী কিছু বলেননি। এ থেকে বুঝে নিন উনি দলবিরোধী কিছু বলতে চান না। গতকালও উনি পরিবহণ দফতরে গিয়েছিলেন। উঠে আসে সাধন পান্ডে-পরেশ পাল বাকযুদ্ধ ও অনুব্রত মণ্ডলকে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির মানতে না চাওয়ার প্রসঙ্গ। সৌগতবাবু বলেন, দলের মধ্যে থেকে কেউ কাউকে নিয়ে কিছু বলুন সেটা কাম্য নয়। তবে রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে বিষয়টি নতুন নয়। দলে যাঁরা এগুলি সামলান তাঁরা নিশ্চিত দেখবেন। তবে এ সব অ্যাডজাস্ট করে নিতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে তা দ্রুত হয়ে যায়, কিছু ক্ষেত্রে সময় লাগে। সৌগতবাবু বলেন, আমি সংবাদমাধ্যমকে গতকাল বলি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলব। মনে হয় ভুল করেছিলাম জানিয়ে। কেন না তারপর যেভাবে সংবাদমাধ্যম আমার গাড়ির পিছু নিল তাতে এই বয়সে আমি অভ্যস্ত নই। তা সত্ত্বেও বলেছি, বৈঠক হয়েছে, উনি মেদিনীপুরে চলেও গিয়েছেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

খেজুরিতে শুভেন্দুর কী বার্তা? কর্মসূচি বাতিল তৃণমূলেরও

২৪ নভেম্বর খেজুরির হার্মাদমুক্ত দিবসে বিশাল পদযাত্রা করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বাঁশগোড়া থেকে কামারদা বাজার পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার পদযাত্রায় পা মেলান কয়েক হাজার মানুষ। শুভেন্দুবাবু বলেন, ২০১১ সাল থেকে এই দিনটি স্মরণ করতে প্রতি বছর এখানে আসি। ভালোভাবে একসঙ্গে মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে হবে। শান্তি, গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা চিরস্থায়ী হোক, সেটাই চাই। ২০১০-এ হার্মাদদের খেজুরি দখল করার ঘটনার কথা উল্লেখ করে শুভেন্দুবাবু বলেন, সে ভয়ঙ্কর দিন ছিল। ভোর ৩টে ২০ নাগাদ এখানে ৩০০ হার্মাদ বন্দুকবাজ হামলা চালায়। সাড়ে তিনটেয় খবর পেয়েও প্রতিরোধ করতে পারিনি। তখন খেজুরিতে গণতন্ত্র বলে কিছু ছিল না। হার্মাদদের সাহায্য করেছিল পুলিশ। মা-বাবা, ভগবানের আশীর্বাদ নিয়ে বেলা ১২টায় কামারদা পৌঁছাই। আমাকে দেখে হার্মাদবাহিনী হতচকিত হয়ে গিয়েছিল। মনের জোর সম্বল করে ওদের তাড়া করি। তা দেখে পিলপিল করে মানুষ আমার সঙ্গে এসে রুখে দাঁড়ান। তাড়া খেয়ে হার্মাদরা শুনিয়ার চরে গিয়ে আশ্রয় নেয়, বেলা আড়াইটে নাগাদ খেজুরি হার্মাদমুক্ত হয়েছিল। এদিকে, শুভেন্দুবাবুর এই পদযাত্রা শুরুর আগে খেজুরিতে কর্মসূচি বাতিল করেছে তৃণমূল। নন্দীগ্রাম দিবসে পাল্টা সভা করায় বিতর্কের পর এদিন কর্মসূচি বাতিল করে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব বার্তা দিল, মত রাজনৈতিক মহলের। ফোনে এবং মুখোমুখি বসে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সাংসদ সৌগত রায়। সেই বৈঠক নিয়ে দুজনের কেউ সংবাদমাধ্যমে কিছু খোলসা করেননি। এই আবহে বিকেলে খেজুরিতে তৃণমূলের কর্মসূচি বাতিল ইঙ্গিতবহ বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যম

কলকাতার মিডিয়ায় নতুন চ্যানেল আসতেই এদিক-ওদিক আসা-যাওয়া চলছে। অনেকে নতুন পদ পাচ্ছেন। সবাই নিজেদের সিঁড়ি হিসেবে বেছে নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী সংক্রান্ত ব্রেকিং নিউজ! কেউ বলছেন, নিরাপত্তারক্ষী না নিয়ে অন্যের গাড়ি চড়ে কলকাতায় এসে বৈঠক করছেন শুভেন্দুবাবু! যা দেখে শুধুই হাসছেন শুভেন্দুবাবুর ঘনিষ্ঠরা। একটি আধা কমল মার্কা চ্যানেল তো নিজেরাই কনফিউজড। একবার দাবি করছে, শুভেন্দুবাবুকে আলটিমেটাম দিয়েছে দল, হয় এসপার, নয় ওসপার! পরক্ষণেই ওই চ্যানেল বলছে, শুভেন্দুবাবু নাকি তাঁর পর্যবেক্ষকের পদ ফিরিয়ে দিতে বলেছেন, শর্তও দিয়েছেন! শুভেন্দু অধিকারীকে যাঁরা কাছ থেকে বছরের পর দেখেছেন বা দেখছেন তাঁদের কথায়, এই চ্যানেলগুলো খবর না পেয়ে যা খুশি তাই বলে দিচ্ছে। শুভেন্দুবাবুকে এরা জানে না, বোঝে না। নিজের পদ চাওয়ার লোক আর যে হোন না কেন, জননেতা তা করবেন না। এমনকী তাঁকে পদ ফেরালে তিনি তা নেবেন কিনা সেটাও দেখার। ফলে তৃণমূল নেতৃত্ব সংবাদমাধ্যমের একাংশকে খবর খাওয়াচ্ছে আর শুভেন্দুবাবু ওই সাংবাদিকদের কিছু বলার প্রয়োজন বোধ না করায়, বাংলার সংবাদমাধ্যমগুলি গল্পের গরুকে গাছে তুলছে। শুভেন্দুবাবু যখন নিজে বলছেন, আমি যখন যা বলব তার আগে কিছু বিশ্বাস করবেন না। এরপরেও জল্পনা চলে কীভাবে?

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

বাঁকুড়া সফরে শুভেন্দুকে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত মমতার?

বাঁকুড়া সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার তাঁর বাঁকুড়া সফরে সঙ্গী ছিলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এবার দলনেত্রী নিয়ে গিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলাও করে সরকারি বিজ্ঞাপনে তাঁর নামও ছাপা হয়েছে। সেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁর সঙ্গে বাগযুদ্ধ চলছে শুভেন্দুবাবুর। তাঁর মতো জননেতাকে কল্যাণের বিলো দ্য বেল্ট লাগাতার আক্রমণ ভালোভাবে নিচ্ছেন না তৃণমূলের অনেকেই। বিশেষ করে যখন সৌগত রায়ের আরও একবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা। শুভেন্দুবাবু দলনেত্রী সম্পর্কে কিছু বলেননি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেননি। তবে গাড়ি বা হেলিকপ্টারে তাঁর সঙ্গীদের দেখে অনেক বার্তা বোঝা যায়। কল্যাণকে সঙ্গে নিয়ে জেলা সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দিলেন তা নিয়েই চর্চা চলছে।আরও পড়ুন- শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যমরবিবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দলের অনেকেই দোদুল্যমান। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথার উপর না থাকলে কার কত দম সেটাও বোঝা যাবে গোছের নাম না করে একটা বার্তা দেন তৃণমূল মহাসচিব। তারপরেই মমতা-কল্যাণ বাঁকুড়ায়। প্রশ্ন উঠছে, কল্যাণ যে শুভেন্দুবাবুকে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন (যা নিয়ে শেরপুরের সভায় নাম না করে কল্যাণকে অনিল বসুর সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্ন রাখেন, এই কালচার আপনারা সমর্থন করেন?), তাহলে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন করছেন? অভিজ্ঞমহলের মতে, নীরবতা এমনিতেই সম্মতি লক্ষ্মণ। সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুভেন্দুবাবুকে নিয়ে বিবৃতি প্রত্যাহার করেনি দল। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি তৃণমূল শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে বিচ্ছেদ চাইছে?আরও পড়ুন- বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরশুভেন্দুবাবুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাঁকুড়ার দুটো লোকসভা আসনে হারে তৃণমূল। শুভেন্দুবাবু কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে তৃণমূলের যে ঢাকিশুদ্ধ বিসর্জন হবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নিশ্চিত। বিভিন্ন জেলা থেকেও তেমন ভাঙনের আভাস মিলছে। অনেকে বলছেন, দিদির ম্যাজিক যদি থাকত তাহলে বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ ২২-এ থমকাতো না। এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। ভোটের ফলের চাবিকাঠি থাকবে পান্তা খাওয়া, গামছা পরা গ্রামের ছেলে নন্দীগ্রামের বিধায়কের হাতেই।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

শুধু শুভেন্দু নয় , সৌগত রায় সহ আরও ৫ তৃণমূল সাংসদ যোগ দেবেন বিজেপিতেঃ অর্জুন

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। এরমধ্যেই এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নয়, সৌগত রায়-সহ অন্তত ৫ জন তৃণমূল সাংসদ যে কোনও সময়ে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য প্রস্তুত। এটা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। শনিবার সকালে ছটপুজো উপলক্ষে নৌকায় করে গঙ্গা ভ্রমণের সময়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপিতে স্বাগত। উনি যেদিন বিজেপিতে যোগ দেবেন সেদিই সরকার ভেঙে যাবে। রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে শুভেন্দুর দূরত্ব বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ বলেছেন, শুভেন্দু একজন জননেতা। সচেতন মানুষ। ওনাকে তৃণমূলে ক্রমাগত অপমান করা হচ্ছে। ওনার তৃণমূল ছেড়ে চলে আসা উচিত। বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে স্বাগত জানাতে সবসময় প্রস্তুত। যদিও অর্জুনের দাবি খণ্ডন করে সৌগত রায় জানিয়েছেন, রাজনীতি ছেড়ে দেব, মরে যাব, তবু বিজেপিতে যাব না। রাজ্যে এসে এসব শিখিয়ে দিয়ে গেছেন অমিত মালব্যরা।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর

অতীতে সিপিএম সাংসদ অনিল বসু ব্যক্তিগত কটু কথার রাজনীতি করতেন বলে মানুষ সমর্থন করত না। সমালোচনা হতে পারে। আমরা কেউ তার উর্ব্ধে নই। কিন্তু যদি কোনও জনপ্রতিনিধি আমাকে বা আমার পরিবারকে ব্যক্তিগত কটূকথা বলে, আপনারা কি তাঁকেও সমর্থন করবেন? এনিয়ে জনতার মতামত নেন শুভেন্দু। জনতা তাঁকে সমর্থন করেন। শুক্রবার হুগলির বলাগড়ে জনসভা থেকে নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভক্তদের জন্য বন্ধ বেলুড়ের সারদা পিঠ প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দুর নাম না করে এক দলীয় সভায় বলেছিলেন, হিসাবটা আমরা বুঝে নেব। চলে যা বিজেপিতে। কোনও অসুবিধা নেই। যাবি কংগ্রেসে, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। সিপিএমে যাবি, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। দাদার অনুগামী হলে দাদার সঙ্গে চলে যা। তৃণমূল কংগ্রেস করে বেইমানি করলে বাড়ি ঢুকতে দেব না। দেখি কত বড়। দেখতে চাই কত হিম্মত রয়েছে। বাংলার মাটিতে দেখতে চাই, কোন দাদার কত অনুগামী? লড়াই করতে এসেছি। লড়ে যাব। লড়াইয়ের ময়দানে এক ইঞ্চিও ছাড়ব না। বেইমানদের আগামী দিনে বুঝিয়ে দেব।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের গাছের তলায় বড় হয়েছিস। ৪টে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিস, ৪ খানা চেয়ারে আছিস। কত পেট্রোল পাম্প করেছিস! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে মিউনিসিপ্যালিটিতে আলু বিক্রি করতিস রে, আলু বিক্রি করতিস।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে

পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হোর্ডিং এবার হাওড়া শহরে। হাওড়ার কোনা এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন বেলেপোল এর হ্যাংস্যাং ক্রসিংয়ে লাগানো হয়েছে ওই বিশাল হোর্ডিং। নিচে লেখা আমরা দাদার অনুগামী। হোর্ডিংয়ের উপরে লেখা চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির। এছাড়াও শুভেন্দুকে একজন দক্ষ প্রশাসক, দক্ষ সংগঠক, উদার ও নির্ভীক জননেতা এবং বঙ্গের বন্ধু হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হোর্ডিংয়ে রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবিও। আরও পড়ুন ঃ বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত এই হোর্ডিংয়ের কিছুটা দূরেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফ থেকে লাগানো হয়েছে আরও একটি হোর্ডিং। তাতে লেখা যার কাছে সবকিছু বলা যায়। যাকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। যাকে আপন বলে ভাবা যায়। যার কাছে বিশ্বাসটুকু রাখা যায়। সেইতো জননেতা। তুমি আমাদের সেই নেতা। আমাদের এই সম্পর্ক যেন থাকে চির অটুট। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে এই দুই হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কে বা কারা এই হোর্ডিং দিয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

রামনগরের মেগা শোয় কী বললেন শুভেন্দু?

আমি একটি দলের প্রাথমিক, সক্রিয় সদস্য, মন্ত্রিসভার সদস্য। মুখ্যমন্ত্রী তাড়াননি, আমিও ছাড়িনি। নিয়ন্ত্রকরা তাড়াননি, আমিও ছাড়িনি। মতভেদ থেকে বিচ্ছেদ হয়, কিন্তু বিদ্যাসাগরের জেলার লোক এত অনৈতিক নই যে এই মঞ্চে দলবদলের কথা বলব। ইন্দিরা গান্ধীর জন্মদিনে তাঁর ছবিতে মাল্যদান করছিলাম দেখে এক সাংবাদিক বললেন, মিডিয়া নাকি এ থেকে দলবদলের কথা ভাবছে। টিআরপির জন্য যা খুশি করতে পারেন। বৃহস্পতিবার ১৯ নভেম্বর রামনগরে সমবায় সপ্তাহের মেগা শো-র মঞ্চ থেকে এ কথা বললেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, আমি বসন্তের কোকিল নই। সব সময় ভোট চাই ভোট দাও, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও বলি না। স্থান, কাল, পাত্র, ব্যানার জানে শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের মঞ্চে যেমন রাজনৈতিক কথা বলি না, তেমন মন্ত্রিসভার সদস্য থেকে রাজনৈতিক কথা এখানে বলা যায় না। হাইপ তুলে এসেছিল মিডিয়া, দায়িত্ব তাদের। এটা সমবায়ীদের মেগা শো। কোনও রাজ্য বা দেশ এতো বড়ো সমবায় সভা করতে পারবেন না। দশকের পর দশক এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বলেই করতে পারি। অন্তত ৫ লক্ষ পরিবারের সঙ্গে সমবায়ের মাধ্যমেই আমার সম্পর্ক আছে। সবার সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক। হলদিয়ায় ছটপুজোর অনুষ্ঠানে যাব, ৫ হাজার হিন্দিভাষী ওখানে আছেন। নন্দকুমার থেকে পুরুলিয়া অবধি জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধন করব। সমবায় সমাবেশ শেষে জয়তু সমবায় স্লোগান দেন শুভেন্দুবাবু।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে মান-অভিমান চলছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের মোদির উপর ভরসা আছে। মোদি তো বাংলার লোক নন। আমরা সর্বভারতীয় পার্টি আমাদের সিস্টেম অনুযায়ী পার্টি চলে। বৃহস্পতিবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যাদের নেতারা আজকে ভয় পাবলিকের সামনে যাচ্ছে না, তারাই একথা বলবে। তাদের কোন মুখ নেই। সব মুখে কালি লেগে গিয়েছে। তারা এ কথা বলবে বাংলার বিজেপি কর্মীরা লড়াই করছে বলে একশ কুড়িজন বিজেপি কর্মী প্রাণ দিয়েছেন। আজও আমি বর্ধমান যাচ্ছি একটা কেসের জামিন নিতে। আমরা লড়াই করছি তাতে তৃণমূলের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিশ্চয়ই দেখতে আসবেন। আমাদের সারাদেশে পার্টি চলে। বাংলার বিজেপি সঙ্গে সারাদেশের বিজেপি আছে, বাংলায় পরিবর্তন হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছেঃ সুখেন্দুশেখর রায় এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারীর মানভঞ্জনের প্রসঙ্গে টেনে দিলীপ ঘোষ বলেন, কে কাকে বোঝাবে এটা ওদের ঘরের ব্যাপার। মান অভিমান চলছে। আজকে কেন বোঝাতে হচ্ছে? পার্টির যারা বফাদার সৈনিক প্রাণ হাতে করে লড়াই করেছে তাদের মন বদলে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের ভাবনা চিন্তা বদলে যাচ্ছে। ধোঁকা দিয়ে বেশি দিন চলে না। এই রাজনীতি সারা ভারতে বন্ধ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ করে দেব। এদিন ছটপুজো প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এই সব জায়গাতেই ছটপুজো একটাই বড় উৎসব হিন্দি ভাষীদের। বহু মানুষ নিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজো পালন করেন। এতদিন সরকারের ছট নিয়ে কোন চিন্তা ছিল না। কোর্ট যেহেতু রায় দিয়েছে সরোবরে ছট পুজো বন্ধ করা নিয়ে, তাই সরকার এই সব দেখাচ্ছে। আসলে হিন্দিভাষী ভোটের জন্য এই সব করছে। ছট পুজো যাঁরা করেন তাঁরা বহু বছর ধরে পূজো করে আসছেন। এতদিন সামাজিকভাবে লোকেরাই ব্যবস্থা করত। আজ সরকারের কেন মাথা ব্যথা হয়েছে? হিন্দি ভাষীদের ভোটের দরকার আছে। এতদিন হিন্দি ভাষীদের কথা মনে পড়েনি। এতদিন তাদেরকে বাইরের লোক বলে চালিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠেলার নাম বাবাজি ভোট বড় বালাই তার জন্যই এত কিছু করছেন। প্রসঙ্গত গতবছর ছট পূজাকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রসরোবরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেও সরব হন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, সরকার সফল নয় সব জায়গায়। সরকারের ধারণা থাকা উচিত কত মানুষ সেখানে আসেন। তাতে ধর্মীয় ভাবাবেগে যাতে আঘাত না আসে সেটা দেখা উচিত। এত বছর ধরে এই পরম্পরা আমরা করে আসছি। হঠাৎ করে বললে মানুষ এগুলো মেনে নেবে না বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। ছট পূজাতো হবেই। সেটা ভালো করে ব্যবস্থা করা করার দায়িত্ব সরকারের। অন্যান্য জলাশয়কে পরিস্কার করে সেখানে ব্যবস্থা করা উচিত। আমরা চাই যাঁরা এই পুজো করেন তাঁরা যেন নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করতে পারেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

 আমি 'নমিনেটেড' নই , ইলেকটেডঃ শুভেন্দু

কেন্দ্রের কাছে পৃথক সমবায় দফতরের দাবি জানালেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন , আমি নমিনেটেড নই! সমবায় জীবনের শুরু থেকেই আমি ইলেকটেড। কালীপুজো ও ভাইফোঁটার কারণে ১৪ নভেম্বরের থেকে উদযাপনের দিন পিছিয়েছে। সমবায় আন্দোলনের ইতিহাস থেকে আজকের সমবায় ব্যবস্থার পোক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে থাকা প্রসঙ্গ টেনে জওহরলাল নেহেরু , সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু । আরও পড়ুন ঃ বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদক খুন , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি আরও বলেন , সমবায় বিকল্প অর্থনীতি। সেই প্রসঙ্গে তিনি অবিভক্ত মেদিনীপুরের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি , সমবায় স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর রেজিস্ট্রি এক জায়গায় হলেও মা - বোনেরা সমান গুরুত্ব পান না। তিনি মা - বোনেদের আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা তুলে ধরেন ওই মঞ্চ থেকে। এদিন শুভেন্দুর পরণে ছিল নীল-সাদা উত্তরীয়। দলীয় সাংসদের সঙ্গে গোপন বৈঠকের পর তাঁর সঙ্গে দলের দূরত্ব কি মিটে যেতে চলেছে , এমনই জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে আমাদের কোনও কথাবার্তা হয়নিঃ দিলীপ

ওদের পার্টির মধ্যে ভাঙা-গড়া চলছে। পরস্পরের মান ভঞ্জন চলছে। এটা ওদের সমস্যা। শুক্রবার মানিকতলায় শিবাজি সিংহ রায়ের উদ্যোগে হওয়া কালীপুজোর উদ্বোধন করে একথা বলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন , তবে এতে ওদের দলের কর্মীরা হতাশ। যে পার্টি ক্ষমতায় আছে তা আজ ভেঙে যাচ্ছে। শুভেন্দু বড় নেতা,মন্ত্রী তিনি কী করবেন সেটা ওনার ব্যাপার। সবাই বলছে, উনি বিজেপিতে আসছেন। কিন্তু আমার জানা নেই। পিকে এখন ড্যামেজ কন্ট্রোলার হয়েছে। পার্টি এখন আড়াআড়ি ভাবে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে , সিদ্ধান্ত রেল-রাজ্য বৈঠকে এরপর শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিজেপি সাংসদ বলেন, আমাদের সঙ্গে কোনও কথাবার্তা হয়নি। সেটা নিয়ে আপনারা চিন্তা করবেন না। অনেক মানুষ আসছেন, আসবেন। কেউ এলে আমরা নেব, আমাদের পার্টির যে কার্য পদ্ধতি আছে, আদর্শ আছে তা নিয়েই বাংলা পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। কেউ যদি এই লড়াইয়ে শামিল হতে চায়। আমরা স্বাগত জানাব। বৃহস্পতিবার হামলা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন , পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। গতকাল আমার উপর আক্রমন করে ওরা বুঝিয়ে দিল প্রধানমন্ত্রী যা বলছেন তা ঠিক।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছেঃ ফিরহাদ

আমরা কেউই হেলিকপ্টারে নামিনি। সিঁড়ি দিয়ে উঠেছি। আর সেই সিঁড়িটা তৈ্রি করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ছিল শুভেন্দু অধিকারীর সভা। তাঁর সভার পর পালটা সভা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি কারও নাম না করে বলেন, থাকে , মীরজাফররাও থাকে। ফিরহাদ বলেন , সকালে ডাকেননি কেন ? ডাকলে আসতাম। মালা দিতাম শহিদ তর্পণে। ডাকা হবে না , আসতে দেওয়া হবে না। আবার আমি আমি করে আমিত্ব দেখিয়ে কথা বলা হবে। এ কেমন কথা । আমি না বলতে হবে আমরা। তিনি আরও বলেন , মমতাদি কাজের সুযোগ না দিলে আমরা কেউ কিছু নই। আরও পড়ুন ঃ নন্দীগ্রামের আন্দোলনকে স্মরণ করে টুইট মমতা , অভিষেকের তিনি বলেন, যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছে। সিপিএম খুব খারাপ ছিল। বিজেপি আরও খারাপ পার্টি। এমন কিছু করবেন না যাতে তাদের সুবিধা হয়। বাংলায় বিজেপির জায়গা নেই। ওরা মমতাকে সরাতে চায় ভাঙন ধরিয়ে। জন নেত্রী বাংলাকে ঠিক পথে রেখেছেন। বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরোধিতা করেন। বিজেপি এলে ধর্মের নামে সন্ত্রাস ফিরবে। এসব হতে দেবেন না।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূলের বিভাজন? সভা-পাল্টা সভায় সরগরম নন্দীগ্রাম

রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে প্রতি বছর ১০ নভেম্বর শহিদদের স্মরণ করে থাকে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। এবারও শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বেই সেই কর্মসূচি, তবে সমাবেশের ব্যাপ্তি বাড়ায় বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই কর্মসূচির দিকে সকলের নজর। এর মধ্যেই শুভেন্দুর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর ইঙ্গিত দিল তৃণমূল কংগ্রেস। গোকুলনগরের পাল্টা সভা করবে তৃণমূল, নন্দীগ্রামের হাজরাকাটায়। সেখানে সভার দায়িত্বে অধিকারী পরিবারের বিরোধী গোষ্ঠী বলে পরিচিত অখিল গিরি, সুপ্রকাশ গিরি এবং শেখ সুফিয়ান। প্রধান বক্তা ফিরহাদ হাকিম। আরও কয়েকজন সাংসদ, মন্ত্রী থাকতে পারেন। ফিরহাদ বলেন, শুভেন্দুর ব্যাপার জানি না। দল নজর রাখছে। নন্দীগ্রাম আমাদের আন্দোলন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলন। তাই তৃণমূল সভা করবে। ওই সভাস্থলের দেড়-দু কিলোমিটার দূরে চৌরঙ্গী বাজারে পাল্টা সভা করবে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি, একই সময়ে। কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের বলেন, ফিরহাদ হাকিম আমার নেতৃত্ব, সে ব্যাপারে কিছু বলছি না। তবে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জানতে হবে। ১০ নভেম্বর, জানুয়ারির ৩ ও ৭ তারিখ এবং ১৪ মার্চ এই চারটি দিন আমরা কালো পতাকা নিয়ে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সভা করি, ১২ বছর ধরে। সারা বছর দলীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচি হলেও এই চারটি দিন হয় না। কারণ, ওই আন্দোলনে কংগ্রেস, এসইউসিআই, জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দ ছিল। ফলে আমরা কীভাবে দলীয় পতাকা নিয়ে সভা করব? প্রতি বছর করপল্লীতে শহিদদের উদ্দেশ্যে মাল্যদানের পর আমরা যেখানে সভা করি সেখানে বাড়ি-ঘর হয়েছে। তাই তেখালিতে গোকুলনগর স্কুল মাঠে সমাবেশ হচ্ছে। বিকেলে হাজরাকাটাতেও সভা হয়। এবার ওই ১০ নভেম্বর গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ রেজাউল করিমের স্মৃতির উদ্দেশ্যে চৌরঙ্গী বাজারে বিকেল ৪টেয় সমাবেশ হবে। সেখানে থাকবেন ভূমি উচ্ছেদ কমিটির নেতৃত্ব ও শহিদ পরিবারের সদস্যরা।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

জেলায় জেলায় দাদার অনুগামীদের হোর্ডিং-ব্যানার, শুভেন্দুর মুর্শিদাবাদে সভা কি অন্য জায়গায়?

মোস্ট আনপ্রেডিক্টেবল। শুভেন্দু অধিকারীর জনসংযোগের ধরন দেখে এ কথা মানছেন তৃণমূলের একাংশ নেতৃত্ব ও প্রশাসনের কর্তারা। এর মধ্যেই জেলায় জেলায় বাড়ছে আমরা দাদার অনুগামীদের ব্যানার-হোর্ডিংয়ের সংখ্যা। সেখানে যেমন দাদার পথেই চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে, তেমনই রয়েছে নন্দীগ্রাম চলোর ডাক‌। খড়দহ-সহ উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গা এবং নদিয়ার চাকদহ, কৃষ্ণনগরে জাতীয় সড়কের ধারে লাগানো হয়েছে এমন হোর্ডিং, ব্যানার, পোস্টার। ১০ নভেম্বর বাংলার সব পথ মিশবে শহিদ তীর্থ নন্দীগ্রামে। রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে ওইদিন সভার আয়োজক ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটিই, যার প্রধান বক্তা 'নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক' শুভেন্দুবাবু। লাখো অনুগামী সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় জননেতার বার্তা যাতে সভাস্থলে পৌঁছাতে না পেরেও সকলে শুনতে পান তার জন্য অনেক জায়ান্ট স্ক্রিন লাগানো হয়েছে। এর মধ্যে ৬ নভেম্বর দলের কাউকে না জানিয়ে শুভেন্দুবাবু বেলডাঙা গিয়ে বিসর্জন দিতে গিয়ে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারানো পাঁচজনের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ শুধু গোটা বিষয়টি জানত। রাজনৈতিক কাউকে জানাতে বারণ করেছিলেন খোদ মন্ত্রী। ফের ৮ নভেম্বর তাঁর মুর্শিদাবাদ যাওয়ার কথা। প্রয়াত বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মফিজউদ্দিন মণ্ডলের স্মরণসভা নিয়ে জেলা তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল সামনে এসেছে। দলের জেলা কমিটি শুভেন্দুবাবুকে কার্যত উপেক্ষা করে ওই অনুষ্ঠান হাইজ্যাকে মরিয়া হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, জেলা সভাধিপতি মোশারফ হোসেন মধু শুভেন্দুবাবুর সভার স্থান বদলে ফেলছেন এ কারণেই‌। তৃণমূলের ব্যানারে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন হবে বলে যেখানে দলের জেলা সভাপতি আবু তাহের খান বার্তা দিয়েছেন সেখানে শনিবার ৭ নভেম্বর সাংবাদিক বৈঠকে মোশারফ ঘোষণা করেন, খড়গ্রামের বদলে সভা হবে মাড়গ্রাম হাই মাদ্রাসাতে। রবিবার সেখানে থাকবেন মাড়গ্রাম গ্রামের বাসিন্দারা এবং প্রয়াত মফিজউদ্দিন মণ্ডলের পরিবারের সদস্যরা এবং থাকবেন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে দলের ব্যানারে ওই সভা হবে না বলেও জানান জেলা সভাধিপতি, যিনি শুভেন্দুবাবুর অনুগামী।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

আচমকাই এই জেলা সফরে শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারী ৮ তারিখ মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে যাবেন জেলা পরিষদের এক কর্মাধ্যক্ষর স্মরণসভায়, এটা আগে জানা ছিল। তেমন প্রচার করেছিলেন তৃণমূলের একাংশ। ৭ তারিখ শুভেন্দুবাবুর পুরুলিয়া জেলায় যাওয়ার বিষয়টিও পূর্ব নির্ধারিত ছিল বলে জানা যায়। কিন্তু আচমকাই আজ, শুক্রবার ৬ নভেম্বর মুর্শিদাবাদ জেলায় হাজির মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সংঘে যান তিনি। মন্দিরে পুজো দেন। এরপর শুভেন্দু পাশে দাঁড়ালেন পাঁচ পরিবারের। গত ২৬ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন ঠাকুর বিসর্জন দিতে গিয়ে বেলডাঙাতে ডুমনিতলা ঘাটে পাঁচ জন যুবক নৌকাডুবিতে মারা যান। আজ শুভেন্দুবাবু তাঁর প্রাক্তন সাংসদ সদস্য তহবিল থেকে পাঁচজন মৃত যুবকের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করলেন এবং সবরকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন। জানা গিয়েছে, শুভেন্দুবাবুর এই সফরের কথা তৃণমূলের অনেক নেতাই আগে জানতে পারেননি।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে কয়েক হাজার বাস-গাড়িতে লাখো অনুগামী-সমাগম

জননেতা শুভেন্দু অধিকারী মানেই এক অন্য আবেগ। রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে নন্দীগ্রামে প্রতি বছর কর্মসূচি থাকে শুভেন্দুবাবুর। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এবার রাজনৈতিক মহলের নজরে থাকছে ১০ নভেম্বরের নন্দীগ্রাম। জননেতার ডাকে এবার সেখানে গোকুলনগর হাই স্কুল মাঠে সমাবেশ। শুভেন্দুবাবু বলেও দিয়েছেন নন্দীগ্রামের কারা কোথায় কীভাবে সেদিন কর্মসূচি পালন করবেন। কিন্তু সে তো গেল নন্দীগ্রাম বা জেলার কথা। জানা গিয়েছে, সেদিন বাংলার সব পথ মিশবে নন্দীগ্রামেই। যেমনটা হয় ধর্মতলা বা ব্রিগেডে। করোনাকে জয় করে শুভেন্দুবাবু নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। সক্রিয় তাঁর অনুগামীরাও। কটাক্ষ উপেক্ষা করে বাংলার নানা জায়গায় রোজ বাড়ছে আমরা দাদার অনুগামীদের পোস্টার, হোর্ডিং। জননেতার ছবি, সঙ্গে আকর্ষণীয় ক্যাপশন। অনুগামীদের কথায়, সেগুলি কোথাও ঈর্ষায় ছিঁড়ে দেওয়া হলেও জননেতা তো হৃদয়ে, বুকের মাঝে। তাঁর পথই পথ। শুভেন্দুবাবু আজ যাবেন খড়গপুরে। এরপর ৭ তারিখ পুরুলিয়া ও ৮ তারিখ বাঁকুড়া যাওয়ার কথা। তারপরেই নন্দীগ্রাম, ১৩ তারিখ বাঁকুড়া। শুভেন্দুবাবুর দলত্যাগ বা মন্ত্রিত্ব ছাড়া নিয়ে নানা কথা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খাওয়ানো হলেও ১০ তারিখ সে সংক্রান্ত কোনও ঘোষণার অপেক্ষায় যাঁরা, তাঁদের হতাশ হতে হবে। তবে দলের কাজকর্ম, বিশেষ করে পিকে ও তাঁর টিমের উপর ক্ষুব্ধ কিছু মন্ত্রী, বিধায়ক ভেবেই রেখেছেন শুভেন্দুবাবু যা বলবেন তাই করবেন তাঁরা। এটা ঠিক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যারিশমা অগ্রাহ্য করা না গেলেও আসন্ন ভোটের ফলাফলের ক্ষেত্রে বড় ফ্যাক্টর শুভেন্দু অধিকারীই, কলকাতার কোনও নেতা নন। এটা দলের অনেকেই বিশ্বাস করেন। দলে যাঁরা অন্যায়ভাবে কোণঠাসা হয়েছেন বা কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না, প্রতি জেলা থেকে এমন হাজার হাজার কর্মী নন্দীগ্রাম যেতে প্রস্তুত। উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ, জঙ্গলমহল থেকে কয়েক হাজার বাস, গাড়িতে করে তাঁরা যাবেন। হুগলি জেলা থেকে সবচেয়ে বেশি নেতা-কর্মী যাবেন আরামবাগ মহকুমা থেকে। বলাগড়, ডানকুনি, শ্রীরামপুর, চণ্ডীতলা-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ইতিমধ্যেই শতাধিক বাস, গাড়ি বুক করা হয়েছে। বারাসত, বসিরহাট, দমদম, ব্যারাকপুর-সহ উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গা থেকেও অনুগামীরা যাবেন। শুভেন্দুবাবু যে জেলাগুলির পর্যবেক্ষক ছিলেন এবং বিপদে আপদে রং না দেখে যাঁদের পাশে থেকেছেন সব জেলা থেকে তাঁর অনুগামী, ভক্তদের ঢল নামবে। লাখো জনসমাগম নিশ্চিত। হয়তো সিংহভাগ অনুগামী সভাস্থলে ঢুকতেই পারবেন না। তবু জননেতার ডাকে সকলেই যাবেন। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একুশের আগে এক নয়া ইতিহাস রচিত হবে ১০-এর নন্দীগ্রামে, এগারোয় বাংলার পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা ছিল ভূমিপুত্রের নেতৃত্বে যেখানকার আন্দোলনের।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক? ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রচার করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলায় ভোট প্রচারের শেষ কর্মসূচি নিয়ে কিছুটা আভাস মিললেও প্রথম কর্মসূচি এখনও স্পষ্ট নয়। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছে, আগামী ছাব্বিশ মার্চ থেকেই বাংলায় প্রচার শুরু করুন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, এপ্রিলের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদী। বিশেষ করে শিলিগুড়িতে তাঁর একটি রোড শো হওয়ার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। যদিও এই কর্মসূচি নিয়েও এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমশ গরম হচ্ছে। কবে, কোথা থেকে প্রচার শুরু হবে, তা জানতে আগ্রহ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। সব মিলিয়ে মোদীর বাংলায় আগমন ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আজই বেরোচ্ছে সাপ্লিমেন্টরি তালিকা! আপনার নাম আছে তো? নাহলে বিপদ

আজ প্রকাশিত হতে চলেছে ভোটার তালিকার প্রথম সম্পূরক তালিকা। এই তালিকায় প্রায় আটাশ লক্ষ ভোটারের নাম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে (Supplementary List)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছে ষাট লক্ষেরও বেশি নাম। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় আটাশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ফলে এখনও প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম বাকি রয়েছে (Supplementary List)।কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মোট নামের প্রায় চল্লিশ শতাংশ বাদ দেওয়া হতে পারে। সেই হিসেবে প্রথম সম্পূরক তালিকাতেই প্রায় দশ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে (Supplementary List)। এই তালিকা আজ বিকেলের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে।এই তালিকায় দুটি ভাগ থাকবে। একটি অংশে থাকবে নতুন করে যুক্ত হওয়া ভোটারদের নাম, অন্য অংশে থাকবে যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাদের তালিকা। ফলে একই তালিকার মধ্যেই সংযোজন এবং বিয়োজনদুই ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে (Supplementary List)।সাধারণ মানুষ অনলাইন এবং অফলাইন দুইভাবেই এই তালিকা দেখতে পারবেন। অনলাইনে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের নাম খোঁজা যাবে। সেখানে রাজ্য এবং বছর নির্বাচন করে সম্পূরক তালিকার অপশনে গিয়ে পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নাম খুঁজতে হবে। এছাড়া রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও এই তথ্য পাওয়া যাবে (Supplementary List)।অফলাইনে তালিকা দেখতে চাইলে জেলাশাসকের দফতর, উপযুক্ত প্রশাসনিক অফিস অথবা স্থানীয় বুথে গিয়ে তা দেখা যাবে। প্রতিটি বুথেই তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।যদি কারও নাম বাদ পড়ে, তাহলে তা তালিকার বিয়োজন অংশে দেখা যাবে। নাম বাদ গেলে নির্দিষ্ট ট্রাইবুনালে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের নিয়ে গঠিত একাধিক ট্রাইবুনালে এই বিষয়ে আবেদন জানানো যাবে।এই তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ ও উদ্বেগ দুইই বাড়ছে। কারণ ভোটার তালিকায় নাম থাকা বা না থাকা সরাসরি ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

১৪.২ কেজির এলপিজিতে ভর্তি গ্যাস নাও দেওয়া হতে পারে! সঙ্কটে নতুন করে ভাবছে কেন্দ্র

হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার ভারতে পৌঁছাতে শুরু করলেও এলপিজি সঙ্কট পুরোপুরি কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে নতুন পরিকল্পনা নিতে পারে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি। সূত্রের খবর, গৃহস্থালির ব্যবহারের জন্য যে ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়া হয়, তাতে পূর্ণ পরিমাণ গ্যাস দেওয়া নাও হতে পারে।জানা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে একটি সিলিন্ডারে প্রায় দশ কেজি গ্যাস ভরে দেওয়া হতে পারে। এর ফলে কম গ্যাস দিয়ে বেশি সংখ্যক গ্রাহকের মধ্যে বণ্টন করা সম্ভব হবে। সীমিত মজুতের কারণে যাতে সবাই গ্যাস পায়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে।ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালীতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ভারতে গ্যাস সরবরাহেও। দেশের মোট চাহিদার একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আসে। ফলে সরবরাহে সামান্য বাধা এলেই সঙ্কট তৈরি হচ্ছে।গত সপ্তাহে কয়েকটি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে। বর্তমানে যে পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে কিছুদিন চাহিদা মেটানো সম্ভব। তবে নতুন করে কবে গ্যাস আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনেক জাহাজ এখনও পারস্য উপসাগরে অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।ভারতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার হয়। সাধারণত একটি পূর্ণ সিলিন্ডার এক মাসেরও বেশি সময় চলে যায়। কিন্তু যদি গ্যাসের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা কম দিন চলবে। যদিও এতে সবার মধ্যে গ্যাস বণ্টন সহজ হবে।এছাড়া যদি সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমানো হয়, তাহলে তার দামও সেই অনুযায়ী কমানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এই নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তার প্রভাব পড়তে পারে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কা! এক লহমায় ধসে পড়ল শেয়ার বাজার, উধাও লক্ষ কোটি টাকা

যুদ্ধের উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়ল শেয়ার বাজারে। ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। সেই সঙ্গে অনিশ্চয়তার ছায়া নেমে এসেছে শেয়ার বাজারেও। সপ্তাহের প্রথম দিনেই বাজার খুলতেই বড় ধস নামল।সোমবার সকালে বাজার খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্রুত নেমে যায় সেনসেক্স। সকাল প্রায় সাড়ে নটার সময় সূচক নেমে দাঁড়ায় প্রায় তেহাত্তর হাজারের সামান্য উপরে। এক ধাক্কায় প্রায় দেড় হাজার পয়েন্ট পড়ে যায়। একই সময়ে নিফটিও চারশোর বেশি পয়েন্ট হারিয়ে বাইশ হাজার সাতশোর কাছাকাছি নেমে আসে।এই ধসের মধ্যে খুব কম সংখ্যক সংস্থাই লাভের মুখ দেখেছে। তেলের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার শেয়ারের দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে বড় বড় ব্যাঙ্কের শেয়ারে পতন দেখা গিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও চাপ স্পষ্ট, একাধিক সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে।অটোমোবাইল এবং ভোক্তা পণ্যের সংস্থাগুলিও এই ধাক্কা থেকে বাঁচতে পারেনি। একাধিক বড় সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে। নির্মাণ এবং পরিকাঠামো ক্ষেত্রের সংস্থাগুলির শেয়ারেও পতন দেখা গিয়েছে।এই পতনের জেরে বাজার থেকে এক ধাক্কায় বিপুল অর্থ উধাও হয়ে গিয়েছে। কয়েক লক্ষ কোটি টাকার সমপরিমাণ মূল্য কমে গিয়েছে বলে হিসাব মিলছে। কয়েক দিন আগেও যে বাজার মূলধন ছিল অনেক বেশি, তা আজ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।শুধু ভারতেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার বাজারেও বড় পতন হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।শেয়ার বাজারের পাশাপাশি সোনার দামেও বড় পতন হয়েছে। গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে দাম। রুপোর দামও কমেছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে তেলের ক্ষেত্রে। তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে এবং এক মাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার গভীর প্রভাব পড়তে পারে। এমনকি অতীতের বড় তেল সঙ্কটের থেকেও এই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে চমক! জাহাজ ছাড়তে কোটি কোটি টাকা নিচ্ছে ইরান?

যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে রেখে বিশ্বকে চাপে রাখছে ইরান। তবে এই কড়াকড়ির মধ্যেও কিছু নির্দিষ্ট দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু সেই অনুমতির বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়া হচ্ছে বলেই দাবি উঠেছে।সূত্রের খবর, প্রতিটি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হতে প্রায় দুই মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে হচ্ছে ইরানকে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় উনিশ কোটি টাকা। এই অর্থকে যুদ্ধ খরচের অংশ হিসেবেই দেখছে তেহরান।একটি বিদেশি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইরানের জাতীয় সুরক্ষা কমিটির সদস্য আলাদিন বোরোজের্দির বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, যুদ্ধের বিপুল খরচ সামলাতে হরমুজ দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলির কাছ থেকে এই অর্থ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এর মাধ্যমেই বোঝা যায় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীর উপর ইরানের কতটা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়েছে। ইরানের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে তারা বিশ্ব অর্থনীতির উপর চাপ বজায় রাখবে। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়।তবে এই উত্তেজনার মধ্যেও ভারতকে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি জাহাজ হরমুজ পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এটি ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।কিন্তু এই ছাড়ের পেছনে আর্থিক লেনদেন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই ইরানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি। তবুও ইরানের নেতার মন্তব্যের পর নতুন করে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকায় এই ধরনের অর্থ লেনদেন ভবিষ্যতে আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। ফলে ভারতীয় জাহাজ চলাচল নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
বিদেশ

রানওয়েতে দমকল গাড়ির সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষে চাঞ্চল্য! মৃত্যু দুই পাইলটের

নিউ ইয়র্কের একটি ব্যস্ত বিমানবন্দরে বড়সড় দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে গেটের দিকে এগোচ্ছিল একটি যাত্রীবাহী বিমান। সেই সময় রানওয়েতে একটি দমকল গাড়ির সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় পাইলট এবং সহকারী পাইলট গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। দমকল গাড়িতে থাকা দুই পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।জানা গেছে, মন্ট্রিয়াল থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বিমান ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল। সেই সময় প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার গতিতে সেটি দমকল গাড়িতে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার ঠিক আগে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে। তবুও শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি।এই দুর্ঘটনার পরই বিমানবন্দরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। কিছু সময়ের জন্য সমস্ত বিমান ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। পরে আগত এবং প্রস্থানের সব বিমান অন্যত্র ঘুরিয়ে দেওয়া হয় বা আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের ওয়েবসাইটেও এই পরিবর্তনের কথা জানানো হয়।দুর্ঘটনার সময় বিমানে প্রায় একশো জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে জরুরি পরিষেবার কর্মীরা পৌঁছে যান। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে বিমানের সামনের অংশে ক্ষতির চিহ্ন দেখা গিয়েছে।এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে, এই বিমানবন্দরে আগে থেকেই ভিড় এবং নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। কর্মীসংকটের কারণে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছিল। অনেক কর্মী কাজ বন্ধ রেখেছিলেন এবং যারা কাজ করছিলেন, তাঁদেরও বেতন সংক্রান্ত সমস্যা ছিল।এই পরিস্থিতির পেছনে কেন্দ্রীয় স্তরে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে জটিলতা দায়ী বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা সংস্থার কাজেও তার প্রভাব পড়েছে। ফলে বিমানবন্দরের পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে সমস্যা দেখা দেয়।এই ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের কথা জানানো হয়েছে। তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
কলকাতা

আবার মৃত্যু, আবার অভিযোগ! আর জি করে স্ট্রেচার না পেয়ে রোগীর প্রাণ গেল?

ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল আর জি কর হাসপাতাল। কয়েক দিন আগেই লিফটে আটকে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও নতুন অভিযোগ সামনে এল। এবার স্ট্রেচার না পাওয়ায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। মৃতের নাম বিশ্বজিৎ সামন্ত। হাসপাতালের অব্যবস্থার কারণেই এই মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে এই নিয়ে দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে।নিমতার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সামন্ত বুকে ব্যথা নিয়ে ভোর রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরিবারের দাবি, ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। কিছুক্ষণ পরে তিনি শৌচালয়ে যেতে চান। তখন তাঁকে জানানো হয়, কাছাকাছি শৌচালয় নেই, প্রায় একশো মিটার দূরে যেতে হবে। পরিবারের অভিযোগ, সেই সময় তাঁরা স্ট্রেচার চেয়েও পাননি। বাধ্য হয়ে অসুস্থ অবস্থাতেই হেঁটে যেতে হয় তাঁকে।পরিবারের দাবি, শুধু হেঁটে যাওয়াই নয়, শৌচালয়ে পৌঁছতে গিয়ে তাঁকে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতেও হয়। কিন্তু শৌচালয়ে পৌঁছনোর আগেই তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে দ্রুত জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের অভিযোগ, বারবার অনুরোধ করলেও হাসপাতালের কেউ তাঁদের সাহায্য করেনি।এই ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়ও স্ট্রেচার দেওয়া হয়নি বলেই এই মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের অব্যবস্থাকেই দায়ী করছেন তাঁরা।এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেন গুরুতর অসুস্থ একজন রোগীকে এত দূরের শৌচালয়ে যেতে বলা হল, কেন তাঁকে হেঁটে যেতে বাধ্য করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের হাসপাতালগুলির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে। তিনি সরকারের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

মার্চ ২৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার লোডশেডিং হয়ে যেতে পারে ভবানীপুরে! কর্মিসভা থেকে বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

গত পাঁচ বছর ধরে রাজ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছেই। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই ভবানীপুরে দলের কর্মিসভায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রবিবার কর্মীদের উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ভোট মিটে গেলেই যেন কেউ বাড়ি না চলে যান, কারণ লোডশেডিং করে দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি জানান, স্ট্রং রুমের ওপরেও কড়া নজর রাখতে হবে (Mamata Banerjee)।আসন্ন নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে বিশেষ গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। একুশ সালের মতোই এবারও এই কেন্দ্রে মুখোমুখি হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে তাঁদের মধ্যে সরাসরি লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে মমতাকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। পরে সেই ফল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা এবং লোডশেডিংয়ের অভিযোগও তোলেন।পাঁচ বছর পর আবারও ভবানীপুরে এই দুই নেতার লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। এদিন কর্মিসভায় তৃণমূলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের বলেন, অন্তত ষাট হাজার ভোটে জেতাতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি সবাইকে আত্মতুষ্টি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন (Mamata Banerjee)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এদিন আরও বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হলেও সতর্ক থাকতে হবে। তাঁর কথায়, যেকোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং স্ট্রং রুমে নজর রাখা জরুরি। কেন্দ্র এবং বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তারা সাধারণ মানুষের জন্য গ্যাস দিতে পারে না, কিন্তু নির্বাচনের সময় টাকা বিলি করে। এছাড়া যদি ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ যায়, তবে তৃণমূল আইনি সাহায্য করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।ভোট শেষ হওয়ার পরেই তৃণমূলের পরবর্তী লক্ষ্য হবে দিল্লি অভিযান, ভবানীপুরের কর্মিসভা থেকেই সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মার্চ ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal