• ২০ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ০৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sskm

কলকাতা

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুক্রবার সন্ধেয় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল থেকে হুইলচেয়ারে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠেন তিনি। ভোটের মুখে আগামী সপ্তাহ থেকে ফের দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। হুইলচেয়ারে বসেই প্রচার শুরু করতে পারেন তৃণমূল নেত্রী। আর সেই কারণে তাঁর জন্য তৈরি হয়েছে বিশেষ চটি। এদিন এসএসকেএমের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়, চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অবস্থার উন্নতি হয়েছে। নতুন করে প্লাস্টার করা হয়েছে। পায়ের ফোলাভাব অনেকটা কমেছে। চিকিৎসকরা আরও ৪৮ ঘণ্টা রাখতে চেয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলায় ছুটি দেওয়া হচ্ছে। সাতদিন পর ফের তাঁর পরীক্ষা করা হবে। আপাতত বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে তাঁকে। হুইলচেয়ার ব্যবহার করতে হবে।ফিরহাদ হাকিম এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই বাড়ি ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে হুইলচেয়ারে বসার জন্য তাঁকে বিশেষ জুতো পরার পরামর্শ দেওয়া হলেও মুখ্যমন্ত্রী নাকি চপ্পলই পরতে চেয়েছিলেন। সেই কারণে তাঁর জন্য বিশেষ চটি তৈরি হয়েছে। আঘাত পাওয়া স্থানে যাতে যন্ত্রণা না হয়, সেভাবেই তৈরি এই চটি। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত দলের কর্মী-সমর্থকরা।

মার্চ ১২, ২০২১
কলকাতা

শ্বাসকষ্ট, বাঁ-পায়ের গোড়ালিতে চোট, ২-৩ দিন পর্যবেক্ষণে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটছে না। নন্দীগ্রামে আঘাত পাওয়ার পর গতকাল রাত থেকেই এসএসকেএমের উডবার্ন বিভাগে ভর্তি মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, মমতার বাঁ-পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতার হাড়ে চিড় ধরেছে। ওই পায়ের পেশিতেও চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীর বাঁ পা ফুলে রয়েছে। গতকাল রাতে এমআরআইয়ের পর পায়ে টেম্পোরারি প্লাস্টার করা হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। পায়ের ফোলা ভাব কমলে আজ প্লাস্টার করা হতে পারে। আঘাত লেগেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান কাঁধ ও কনুইয়ে। চোট রয়েছে ঘাড়েও।গতকাল রাতে এসএসকেএমে আনার পর প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যথা কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। এমআরআইয়ের জন্য রাতেই অ্যাম্বুল্যান্সে করে বাঙ্গুর নিউরো সায়েন্সে নিয়ে যেতে হয় মমতাকে। সেখান থেকে গভীর রাতে তিনি ফেরেন এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইসিজি রিপোর্ট সন্তোষজনক হলেও, বুকে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের কথা চিকিৎসকদের জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুকে ব্যথার কারণ আঘাতজনিত কারণে নাকি অন্য কারণে জানতে সিটি স্ক্যান করা হবে মমতার। এছাড়া, আজ আবার করা হবে ইসিজি। করা হতে পারে ইকোকার্ডিওগ্রামও।হাসপাতাল সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর রক্তের একাধিক রুটিন পরীক্ষা করা হবে। তাঁকে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকেরা। আজ আবার মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করবেন। মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৯ সদস্যের দল গঠিত হয়েছে। এসএসকেএমের অধ্যক্ষ মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তিন বিভাগীয় প্রধান ও আরও পাঁচ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন মেডিক্যাল বোর্ডে। রাখা হয়েছে অর্থোপেডিক, নিউরো মেডিসিন, নিউরো সার্জারি, কার্ডিওলজি, জেনারেল সার্জারি, এন্ডোক্রিনোলজি, জেনারেল মেডিসিন এবং অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগের বিশেষজ্ঞদের। আজ দিনভর মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখবেন চিকিৎসকরা। করা হবে আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

রাতে হাসপাতালেই থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী

নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতায় ফিরেই সোজা এসএসকেএম হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর জন্য ইতিমধ্যেই এসএসকেএমের ট্রমা কেয়ার এবং উডবার্ন ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে ৪ সদস্যের মেডিক্যাল টিম। যাতে রয়েছে তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেনও। সতর্ক করা হয়েছে প্রথম সারির চিকিৎসকদের। প্রস্তত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিকিৎসাকর্মীদেরও। প্রথমে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে তাঁর পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে। তারপর সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন চিকিৎসরা। প্রয়োজনে রাতে তাঁকে উডবার্ন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা করানো হতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার যাতে কোনও রকম খামতি না থাকে তা নিশ্চিত করতে সবরকম বন্দোবস্ত করে রাখছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মুখ্যমন্ত্রীর চোট কতটা গুরুতর, তা খতিয়ে দেখেই শুরু হয়ে যাবে চিকিৎসা। তাঁর চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যেই হাসপাতাল চত্বর নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আসার পর তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা তাঁকে দেখতে যেতে পারেন বলে সূত্রের খবর। এসএসকেএম হাসপাতালে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের শাসক দলের বহু কর্মী-সমর্থক ইতিমধ্যেই এসএসকেএমে পৌঁছে গিয়েছেন। প্রসঙ্গত, আজ বিকেলে নন্দীগ্রামে ভোটপ্রচারে গিয়ে আহত হন মুখ্যমন্ত্রী। নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া গ্রামে তাঁর পায়ে চোট লাগে। মুখ্যমন্ত্রী নিজের কর্মসূচি বাতিল করে তড়িঘড়ি কলকাতায় আনা হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। শহরে ফিরেই সোজা এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হয় মমতাকে। সেখানে এই মুহূর্তে চিকিৎসা চলছে তাঁর।

মার্চ ১০, ২০২১
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত নির্মল মাজি

করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন শ্রম দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী নির্মল মাজি। শনিবার রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশালিটি ব্লক এ তে ভর্তি করা হয়। তাঁর জ্বর ও শ্বাসকষ্টও রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত শারদ ছাত্রসংগ্রাম পত্রিকা উল্লেখ্য, মাসখানেক আগেই হাসপাতাল থেকে ফিরেছেন তিনি। ব্রেইন স্ট্রোক হয়ে বেশ কয়েকদিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। এরপর ফের করোনা আক্রান্ত হওয়ায় চিন্তিত তাঁর পরিবার ও দলের নেতা - কর্মীরা।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
রাজ্য

ঝাড়গ্রামের রাজকিরণের কাছে ভগবান শুভেন্দু অধিকারী

রাজকিরণ পাত্র। সাকিন ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ১ নং ব্লকের আঠাঙ্গী গ্রাম। রাজকিরণের বাবা অপ্রকৃতিস্থ, মা নেই। অভাবের সংসারের ভার রাজকিরণেরই কাঁধে। সেই যুবকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে দিয়েছিল এক দুর্ঘটনা। যে অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে রাজকিরণের কাছে এখন ভগবান রাজ্যের মন্ত্রী তথা জঙ্গলমহলের কুটুম শুভেন্দু অধিকারী। গত ২৯ আগস্ট রাজকিরণের মোটরবাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। রাজকিরণের চোয়াল ভেঙে যায়। গোপীবল্লভপুর হাসপাতাল রেফার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু বড় সার্জারির প্রয়োজন থাকায় রাজকিরণকে কলকাতায় নিয়ে যেতে বলা হয়। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় রাজকিরণকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। বেশ কিছু দিন ওই অবস্থাতেই বাড়িতে পড়ে থাকেন রাজকিরণ, দিন দিন অবস্থার অবনতিও হচ্ছিল। ১৩ সেপ্টেম্বর অনুগামীদের কাছ থেকে সেই খবর জানতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। পরের দিনই রাজকিরণের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গোপীবল্লভপুর থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আর্থিক সাহায্য পাঠান তিনি। এমনকী ওইদিন থেকে কলকাতায় তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে এসএসকেএমে অপারেশন- সমস্ত ব্যবস্থা করেন শুভেন্দুবাবু। নিজে যখন কোভিড আক্রান্ত তখনও নিয়মিত রাজকিরণের চিকিৎসার যাবতীয় খবর নিয়েছেন মন্ত্রী। গত ৫ অক্টোবর সফল অপারেশন হয়েছে রাজকিরণের। ৭ অক্টোবর বাড়িও ফিরেছেন, এখন তিনি ভালোই আছেন। বিপদে এভাবে পাশে পেয়ে শুভেন্দুবাবুর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাজকিরণের বন্ধু ও প্রতিবেশীরা। খুশি আমরা দাদার অনুগামীর সদস্যরাও, যাঁরা জেলায় জেলায় এভাবেই শুভেন্দু অধিকারীকে আদর্শ মেনে সমাজসেবার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

অক্টোবর ১০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

উপসাগর সংকটে তেল সরবরাহ বন্ধ? ভারতের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রাশিয়া!

উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। একটি রুশ সূত্রের দাবি, উপসাগরীয় সংকটের কারণে যদি বিশ্ববাজারে তেলের প্রবাহ ব্যাহত হয়, তবে রাশিয়া ভারতকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করতে প্রস্তুত।পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ার ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বড় অংশের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হুমকির জেরে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গিয়েছে। বিমা সংস্থাগুলিও কিছু ক্ষেত্রে কভার প্রত্যাহার করায় ট্যাঙ্কার চলাচল প্রভাবিত হচ্ছে।এদিকে ভারত সরকার জানিয়েছে, দেশের কাছে আপাতত পর্যাপ্ত তেল ও জ্বালানির মজুত রয়েছে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, পেট্রল, ডিজেল-সহ প্রয়োজনীয় জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ছয় থেকে আট সপ্তাহের মতো মজুত রয়েছে। মোট হিসাবে প্রায় পঞ্চাশ দিনের জ্বালানি মজুত আছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় পঁচিশ দিনের অপরিশোধিত তেল এবং আরও পঁচিশ দিনের পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য রয়েছে।ভারতের প্রায় অর্ধেক অপরিশোধিত তেল ও তরল গ্যাস আমদানি হরমুজ প্রণালী হয়ে আসে। ফলে ওই অঞ্চলে অশান্তি দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রভাব পড়তে পারে। তবে সরকার বিকল্প দেশ থেকে তেল, তরল গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির পথও খতিয়ে দেখছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি জানিয়েছেন, স্বল্পমেয়াদি কোনও সরবরাহ ব্যাঘাত সামলাতে ভারত প্রস্তুত।বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ ভারত। একই সঙ্গে পরিশোধন ক্ষমতায় চতুর্থ এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানিতে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত তেল কেনার উৎস বাড়িয়েছে, যাতে একক অঞ্চলের উপর নির্ভরশীলতা কমে।পরিস্থিতি নজরে রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার চব্বিশ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষও চালু করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানির মজুত ও সরবরাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সরকার বর্তমান পরিস্থিতিকে যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক বলেই বর্ণনা করেছে।এই আবহে রাশিয়ার প্রস্তাব বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রয়োজনে রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত অপরিশোধিত তেল আমদানি করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও আগে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতার ভিত্তিতে রুশ তেল কেনা ধীরে ধীরে কমানোর কথা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই অবস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহে তৎক্ষণাৎ ঘাটতির সম্ভাবনা কম হলেও বড় প্রভাব পড়তে পারে দামের উপর। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি আশি ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে, যা ইরান সংকটের পর প্রায় দশ শতাংশ বৃদ্ধি। এতে ভারতের আমদানি ব্যয় ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়ছে। গত অর্থবর্ষে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে ভারত।এদিকে বেসামরিক বিমান চলাচল ক্ষেত্রেও সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিকে আগামী সাত দিনের জ্বালানি মজুত ও প্রয়োজনের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে দেশে তেত্রিশটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। পরিস্থিতি অস্থির থাকায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেল এবং প্রায় কুড়ি শতাংশ তরল প্রাকৃতিক গ্যাস হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে তার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়তে পারে। তবে আপাতত ভারত পরিস্থিতির উপর নজর রেখে বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত রেখেই এগোচ্ছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে সুবিধা করে দিতেই ইজরায়েল হামলা চালায় ইরানের ওপর! আজব দাবি পাকিস্তানের

ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জেরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে পাকিস্তানে। ইরানের সঙ্গে প্রায় নয়শো কিলোমিটারেরও বেশি সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, ইরানে চলা সশস্ত্র সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে জায়নিস্ট চক্রান্ত। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধের লক্ষ্য পাকিস্তানকে শেষ পর্যন্ত একটি দাস রাষ্ট্রে পরিণত করা।সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় তিনি বলেন, উনিশশো আটচল্লিশ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে মুসলিম বিশ্বে যত বড় সংঘাত হয়েছে, তার পিছনে সরাসরি বা পরোক্ষে জায়নিস্ট মতাদর্শের ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জায়নিস্ট শক্তিই দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অর্থনীতির দিশা ঠিক করছে এবং বড় শক্তিগুলিকেও প্রভাবিত করছে।ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার চলতি সংঘর্ষ প্রসঙ্গে আসিফের দাবি, তেহরান আলোচনায় রাজি থাকা সত্ত্বেও তাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, এই যুদ্ধ পরিকল্পিতভাবে শুরু করা হয়েছে, যাতে ইজরায়েলের প্রভাব পাকিস্তানের সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, যদি ইজরায়েল এই যুদ্ধে জয়ী হয়, তা হলে ভারত, আফগানিস্তান ও ইরান একযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে। এতে দেশের সীমান্ত চারদিক থেকে শত্রু দ্বারা ঘেরা হয়ে পড়বে এবং পাকিস্তান কার্যত দাস রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে বলে দাবি তাঁর।তিনি পাকিস্তানের প্রায় পঁচিশ কোটি নাগরিককে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিভেদ ভুলে এই চক্রান্ত বোঝার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মুসলিম প্রধান দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন তিনি। পাকিস্তান যে একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আসিফ বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি উনিশশো আটানব্বই সালে পারমাণবিক পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভূমিকাও উল্লেখ করেন।এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ তীব্র আকার নিয়েছে। হামলায় ইরানের সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর জেরে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরান একাধিক দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলেও খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের চারদিক থেকে ঘেরা অবস্থায় দেখানোর চেষ্টা করে। কখনও বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে ভারতের যোগের অভিযোগ, কখনও আফগান তালিবানকে ভারতের মদতপুষ্ট বলা এই অবস্থান নতুন নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে খোয়াজা আসিফের মন্তব্য সেই পুরনো অবস্থানকেই আরও জোরালো করল বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

মার্চ ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে মাস্টারস্ট্রোক! বুথে নজরদারিতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

নির্বাচনকে ঘিরে এবার কার্যত কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকলেও এবার বুথের ভিতরে ও বাইরে আলাদা করে ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী জেলা শাসক ও কমিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেন। কমিশনের ব্যাখ্যা, এবার বুথের ভিতরে বা বাইরে গন্ডগোল হলে তা সরাসরি ক্যামেরায় ধরা পড়বে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ জোরপূর্বক বুথে ঢোকার চেষ্টা করলে সেখানেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এছাড়া বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রোঅবজারভাররা। বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কোনও ধরনের আতিথেয়তা গ্রহণ না করে। ঝাড়গ্রাম ও ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দুশো জন জুডিশিয়াল অফিসার আগামী ৬ মার্চ ভোট পর্যবেক্ষণে থাকবেন। যেখানে বিবেচনাধীন কেস বেশি, সেখানে আরও বেশি অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।কমিশন সূত্রে খবর, কিছু বুথে এখনও জল বা বিদ্যুৎ সমস্যা রয়েছে। সবকিছু ঠিক আছে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে এবং রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই প্রাক-প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে কমিশন কোমর বেঁধে নেমেছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মধ্যমগ্রাম স্টেশনের পাশে ভয়াবহ আগুন! একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দাউ দাউ করে জ্বলছে দোকান

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম স্টেশনের পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে একাধিক দোকান। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে দূর থেকে দেখা যাচ্ছে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন। তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে দমকলকর্মীদের।প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, একটি কাঠগোলায় প্রথম আগুন লাগে। সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানগুলিতে। স্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় বহু খাবারের দোকান রয়েছে। সেখানে মজুত ছিল গ্যাস সিলিন্ডার। আগুন ছড়িয়ে পড়তেই একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়ংকর আকার নেয় এবং কাঠগোলা সংলগ্ন বহু দোকানে লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন। আগুনের জেরে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদ দূরত্বে সরে গিয়েছেন।স্টেশন লাগোয়া এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে রেল চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। ট্রেন চলাচল সাময়িক ভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না এলে কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।এই অগ্নিকাণ্ডে বহু দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রচুর টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনই জানা যায়নি। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।

মার্চ ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মোদির রাজ্যে স্কুল-আদালতে বোমাতঙ্ক! বাংলার যুবক গ্রেপ্তার, ফাঁস হতে পারে বড় চক্রান্ত

মোদির রাজ্য গুজরাট-এর একাধিক স্কুল ও আদালতে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানোর অভিযোগে বাংলার এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার আহমেদাবাদ-এর অপরাধদমন শাখা ও সাইবার অপরাধ দমন শাখার যৌথ অভিযানে তাকে ধরা হয়। জানা গিয়েছে, ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে এ রাজ্যে আনা হচ্ছে। এখানে আনার পর আদালতে পেশ করা হবে।ধৃত যুবকের নাম সৌরভ বিশ্বাস। অভিযোগ, গুজরাটের একাধিক স্কুল ও আদালতে বোমাতঙ্ক ছড়াতে তিনিই হুমকি মেল পাঠিয়েছিলেন। গত ২৩ জানুয়ারি গুজরাটের অন্তত ১৭টি স্কুলে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানো হয়। সেই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। স্কুলগুলিতে নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর ফেব্রুয়ারিতে পরপর কয়েক দিন গুজরাটের বিভিন্ন আদালতেও একই ধরনের হুমকি মেল আসে।তদন্তে নামে আহমেদাবাদের অপরাধদমন শাখা ও সাইবার অপরাধ শাখা। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মঙ্গলবার আহমেদাবাদ থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় সৌরভকে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই কাজের পেছনে তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ফাঁকফোকর খুঁজে তা কাজে লাগাতেই এই হুমকি মেল পাঠানো হয়ে থাকতে পারে।শুধু গুজরাট নয়, দিল্লি এবং সম্প্রতি এ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা আদালত ও পোস্ট অফিসেও একইভাবে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল হুমকি মেল। পরে সেগুলি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। এখন প্রশ্ন উঠছে, সেই ঘটনাগুলির সঙ্গেও কি ধৃত যুবকের যোগ রয়েছে?তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, কেন বারবার স্কুল ও আদালতকেই নিশানা করা হচ্ছিল। এর পেছনে বড় কোনও চক্রান্ত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সৌরভকে এ রাজ্যে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ প্রণালী বন্ধ! মাঝসমুদ্রে আটকে ৩৮ ভারতীয় জাহাজ, হাজারো নাবিকের প্রাণ সংশয়, তেল-চাল বাণিজ্যে মহাধাক্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল প্রায় স্তব্ধ। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধাক্কা লেগেছে। আমদানি-রফতানিতে গভীর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতের উপরেও। বিশেষ করে চাল-সহ একাধিক শস্য রপ্তানিতে বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী ও সংলগ্ন এলাকায় অন্তত ৩৮টি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে। সেই সব জাহাজে প্রায় ১১০০ নাবিক কর্মরত। তাঁদের ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই মিসাইল হামলায় এক জাহাজে কর্মরত তিনজন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও এক ভারতীয় নাবিক।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল জরুরি বৈঠক করেছেন জাহাজ মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডিজি শিপিং। গোটা পরিস্থিতির বিশদ রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শুধু বিদেশের জলপথ নয়, দেশের বন্দরগুলিতেও চাপ বাড়ছে। পণ্যবাহী জাহাজের ভিড়ে উপচে পড়ছে একাধিক বন্দর। জাহাজ মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, প্রায় হাজারের বেশি কনটেনারবাহী জাহাজ বিভিন্ন বন্দরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পণ্য খালাস ও রফতানিতে দেরি হওয়ায় ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ বাড়ছে।ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে রপ্তানিকৃত তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। ভারতের ক্ষেত্রেও এই পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং ৫০ শতাংশের বেশি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়েই আমদানি করে। ফলে এই জলপথে অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের উপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল শিপওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বহু ভারতীয় জাহাজ বর্তমানে সংঘাতপূর্ণ এলাকায় আটকে রয়েছে। এর জেরে বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জলসীমায় প্রায় ২৩ হাজার ভারতীয় নাবিক ও কর্মী আটকে রয়েছেন বলে খবর। তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র।পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত সরকারের তরফে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। নাগরিকদের জন্য টোল-ফ্রি নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাহরাইন, ইরান, ইরাক, ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসগুলিকেও সতর্ক রাখা হয়েছে।একই সঙ্গে দেশে কত পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে, তা নজরে রাখতে নয়া দিল্লিতে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ পর্যবেক্ষণ কক্ষ চালু হয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

খামেনেইয়ের পর যেই হোক নেতা, তাকেই খতম! সরাসরি হত্যার হুমকি ইজরায়েলের

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল পশ্চিম এশিয়ায়। খামেনেইয়ের উত্তরসূরি যিনিই হোন না কেন, তাঁকে হত্যা করা হবেএই ভাষাতেই প্রকাশ্য হুমকি দিল ইজরায়েল।বুধবার ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাট্জ সমাজমাধ্যমে লেখেন, ইরান যাঁকেই সর্বোচ্চ নেতা করবে, তাঁকেই ইজরায়েল শেষ করে দেবে। তাঁর দাবি, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা ইজরায়েল এবং আমেরিকার জন্য বিপজ্জনক হবেন। পাশাপাশি, তাঁর নেতৃত্বে ইরানের সাধারণ মানুষের উপর দমনপীড়ন চলবে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।কাট্জ জানান, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তিনি ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজন হলে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতাকে টার্গেট করে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমেরিকার সহযোগিতায় ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলার অভিযান চালানো হবে।ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে খামেনেইয়ের দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনেই-এর নাম জোরালো ভাবে শোনা যাচ্ছে। যদিও তেহরান সরকার এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি।গত শনিবার সকালে তেহরানে খামেনেইয়ের দপ্তরে হামলার ঘটনা ঘটে। সেই হামলায় খামেনেই-সহ অন্তত ৪০ জন উচ্চপদস্থ ইরানি আধিকারিক নিহত হন বলে খবর। নিহতদের মধ্যে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। এর পর ইরানের প্রেসিডেন্ট একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিল গঠন করেন এবং তাদের হাতে শাসনভার তুলে দেন। একই সঙ্গে নতুন সর্বোচ্চ নেতা বাছাইয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় সেই কাউন্সিলকে।এই পরিস্থিতিতেই মোজতবা খামেনেইকে পরবর্তী নেতা করা হতে পারে বলে জল্পনা ছড়ায়। আর সেই জল্পনার মাঝেই নতুন নেতাকে হত্যার প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিকে আরও বিস্ফোরক করে তুলল ইজরায়েল। ফলে ইরান-ইজরায়েল সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
দেশ

টাকার বড় পতন! ডলারের তুলনায় ৯২ ছুঁইছুঁই, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার জেরে বুধবার বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় মুদ্রা। মার্কিন ডলারের তুলনায় টাকার দর ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। সকালে লেনদেনের সময় এক ডলারের দাম দাঁড়ায় ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়তেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে টাকার উপর।আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ব জুড়ে আর্থিক বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব জ্বালানি রপ্তানির একটি বড় অংশ জোগান দেয়। সেখানে সংঘাত বাড়ায় তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার জেরেই তেলের বাজারে দামের উর্ধ্বগতি।ভারত তার মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় পঁচাশি শতাংশ আমদানি করে। ফলে তেলের দাম বাড়লে আমদানির খরচ বেড়ে যায়। এতে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ে এবং মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়। এই সব কারণেই টাকার উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।একই সময়ে মার্কিন ডলার আরও শক্তিশালী হয়েছে। আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময়ে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে ডলারের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলি থেকে মূলধন বেরিয়ে গিয়ে ডলার ও মার্কিন সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ বাড়ছে। এর ফলেও ভারতীয় টাকার দর দুর্বল হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি তেলের দাম দীর্ঘদিন উচ্চ স্তরে থাকে, তা হলে ভারতের চলতি হিসাব ঘাটতি আরও বাড়তে পারে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি কমতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে টাকার উপর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।

মার্চ ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal