• ৬ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Spy

দেশ

ভারতীয় নৌসেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানে! কর্নাটকে গ্রেপ্তার দুই যুবক, সামনে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য

ভারতের নৌবাহিনীর গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে কর্নাটকের উদুপিতে গ্রেপ্তার হলেন দুই যুবক। অভিযোগ এতটাই গুরুতর যে কোচিন শিপইয়ার্ডের সিইও নিজে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হন। ধৃতদের পরিচয় রোহিত (২৯) এবং সানত্রী (৩৭), দুজনেই উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। দেশবিরোধী এই কর্মকাণ্ড ঘিরে এখন উত্তপ্ত গোটা দক্ষিণ ভারত।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, রোহিত একসময় কেরলের কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডে কাজ করতেনযে শিপইয়ার্ড ভারতীয় নৌসেনার রণতরী, সাবমেরিন থেকে শুরু করে একাধিক অতি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রকল্প তৈরি করে। অভিযোগ, সেখানেই কাজ করার সময় তিনি বিভিন্ন নৌগোপন তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে পাচার করতেন। পরে তিনি কর্নাটকের একটি জাহাজ নির্মাণ সংস্থায় যোগ দিলেও পাচার বন্ধ হয়নি। বরং আরও নিয়মিতভাবে একই কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।শিপইয়ার্ডের সিইওর নজরে আসে তাঁর সন্দেহজনক গতিবিধি। তথ্য যত বেরোতে থাকে, ততই স্পষ্ট হয় যে রোহিতের কাছে পৌঁছে গিয়েছে এমন কিছু নথি ও চিত্র, যা কোনও ভাবেই সাধারণ কর্মীর কাছে থাকার কথা নয়। অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।রোহিতকে জেরা করতেই উঠে আসে সানত্রীর নাম। জানা যায়, বারবার সানত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন রোহিত। তাঁর কাছেও কিছু গোপন তথ্য পাঠানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তবে সানত্রীর ভূমিকাটি কতটা গভীর, তিনিও পাচার নেটওয়ার্কের অংশ কি নাসবটাই এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রের দাবি, গোটা চক্রটির পেছনে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কোনো যোগ রয়েছে কি না, তাও প্রধানত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কীভাবে এত বড় নিরাপত্তা সংস্থার ভিতর থেকে তথ্য চুরি হল, কীভাবে তা বিদেশে পৌঁছলসবকিছুর দিকেই নজর তদন্তকারীদের।দেশের নৌসেনা সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য পাচারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই প্রকাশ পাচ্ছে বহু অজানা তথ্য, আর ততই স্পষ্ট হচ্ছে চক্রটি আরও বড় হতে পারে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইজরায়েলের কাছ থেকে পেগাসাস কিনেছে ভারত দাবি নিউইয়র্ক টাইমসের

মোবাইল ফোন আড়ি পাতার স্পাই সফটওয়্যার পেগাসাস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত। আমেরিকার প্রথম সারির ট্যাবলয়েড নিউইয়র্ক টাইমসের পেগাসাস সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি আলোড়ন ফেলে দিয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মহলে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ সমরাস্ত্র অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও ভারত সরকার ২০১৭-তে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েল থেকে এক বড় অঙ্কের চুক্তিতে পেগাসাস কিনেছিল। এবং প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে সেই চুক্তিটি প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে নিষ্পত্তি হয়েছিল।নিউইয়র্ক টাইমস শুক্রবার গুপ্তচর সস্টওয়্যার পেগাসাস নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেই প্রতিবেদনে তাঁরা আরও দাবি করেছে যে, ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনও (FBI) এই স্পাইওয়্যারটি সস্টওয়্যার কিনেছে এবং সেটা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে।প্রতিবেদনটিতে সবিস্তারে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে বিশ্বব্যাপী স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে চুক্তির বিনিময়ে তাঁরা পেগাসাসের লাইসেন্স পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও ভারত ছাড়াও অন্যান্য দেশকেও বিক্রি করেছে। এতে ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরাইল সফরের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে। সেখানে উভয় দেশ ২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ও গুপ্তচর সফটওয়্যার প্যাকেজ ক্রয় করার চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। এতে পেগাসাস এবং মিসাইল সিস্টেমও রয়েছে। জুলাই ২০১৭তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরায়েলের ঐতিহাসিক সফরের কথা এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়। নরেন্দ্র মোদি-ই ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ইজরাইল সফর করেন। নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে যে, সফরটি যখন হয়েছিল তখন ভারত একটি নির্দিষ্ট নীতি তৈরি করেছিল যা প্যালেস্তাইন বা ইজরায়েলের প্রতি প্রতিশ্রুতির কথা বলা হচ্ছিল। ইজরাইলের সাথে ভারত ঠান্ডা সম্পর্ক রেখে চলছিল।নিউইয়র্ক টাইমস তার প্রতিবেদনে আরও লিখেছে, মোদির সফর, যদিও উল্লেখযোগ্যভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ, তিনি এবং প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইজরায়েলের একটি সমুদ্র সৈকতে ছিলেন। তাদের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু এই উষ্ণতার পেছনে কিছু কারণ ছিল। তাদের দুই দেশ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র এবং গুপ্তচর সরঞ্জামের একটি প্যাকেজ বিক্রি করতে সম্মত হয়েছিল। এই চুক্তির মূল ফোকাস ছিল পেগাসাস এবং একটি মিসাইল সিস্টেম।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, সফরের মাত্র কয়েক মাস পরে, জুন ২০১৯-এ তৎকালীন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ভারতে একটি সরকারি সফর করেন, ভারত প্যালেস্তানিদের মানবাধিকারের অনুমতি দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলে ইজরায়েকে সমর্থনে করে ভোট দেয়।যদিও সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত ভারত সরকার স্বীকার করেনি যে তারা ইজরায়েলর থেকে পেগাসাস সফ্টওয়্যার কিনেছে বা ইজরায়েল সরকারও একইভাবে স্বীকার করেননি যে তারা এই গুপ্তচরবৃত্তির ব্যবস্থা ভারতের কাছে বিক্রি করেছে। ২০১৯ লোকসভা ভোট অতিক্রান্ত হবার পর থেকেই এই বিশেষ গুপ্তচর বৃত্তির সফ্টওয়্যার নিয়ে পার্লামেন্টে দুই কক্ষে-ই ঝড় চলেছে। পশ্চিবঙ্গের মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে এর বিরেদ্ধে কমিশনও গঠন করেন। বিশেষজ্ঞ সুত্রে জানা যায়, পেগাসাস একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক স্পাই সফটওয়্যার। এটি তৈরি করেছে ইসরায়েলি কোম্পানি এনএসও গ্রুপ (NSO)। তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (https://www.nsogroup.com/) অনুসারে, এটি শুধুমাত্র কোনও সরকারের কাছেই বিক্রি করা হয়। এটি খরচ সাধরণের ক্রয়ের উর্ধে।এর আগে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক পেগাসাসের গুপ্তচরবৃত্তির রিপোর্ট স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ১৮ জুলাই লোকসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেছিলেন যে নজরদারির ক্ষেত্রে ভারত এমন প্রোটোকল তৈরি করেছে যা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং সময়ের সাথে সাথে এর উত্তর পাওয়া যাবে। তিনি পেগাসাস সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে ভারতীয়দের গুপ্তচরবৃত্তির দাবি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, যে এনএসও গ্রুপ-ও (স্পাইওয়্যার প্রস্তুতকারক) বলেছে যে পেগাসাস ব্যবহার করা দেশের তালিকাটি ঠিক নয়। তালিকায় যাদের নাম দেখা যাচ্ছে, সব দেশ-ই আমাদের গ্রাহক নয়। এনএসও জানিয়েছে তাদের বেশিরভাগ গ্রাহক-ই পশ্চিমা-দেশ। এটা স্পষ্ট যে এনএসও-ও ভারতকে পেগাসাস বিক্রির ব্যাপারটা স্পষ্টভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে।বিজেপি বিরোধি রাজনৈতিক দলগুলি বারংবার পেগাসাসের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ করে চলেছে। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। ২৭ অক্টোবর ২০২১ সুপ্রিম কোর্ট অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আরভি রভেন্দ্রনের নেতৃত্বে দুই বিশেষজ্ঞ নিয়ে একটি স্বাধীন কমিটি গঠন করে, এবং তারাই এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
দেশ

Pegasus Supreme Court: পেগাসাস কাণ্ডের তদন্ত করবে বিশেষ কমিটি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

পেগাসাস কাণ্ডে তদন্ত করতে এ বার বিশেষ কমিটি গঠন করবে সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার সকালে পেগাসাস মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি এনভি রমন এই নির্দেশই দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহেই এই কমিটি সংক্রান্ত যাবতীয় নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে শীর্ষ আদালতের তরফে।চলতি বছরের জুলাই মাসে বাদল অধিবেশনের শুরুর আগেরদিনই সামনে আসে পেগাসাস কাণ্ড। দাবি করা হয়, পেগাসাস নামক একটি ইজরায়েলি স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে বিভিন্ন নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে সাংবাদিক, শিল্পপতিদের উপর। বিরোধীরা এই বিষয়ে তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়। এরপরই পেগাসাস নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে।আরও পড়ুনঃ বিমানবন্দরে ভারতীয় আমেরিকানদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আপ্লুত মোদিপ্রধান বিচারপতি জানান, পেগাসাসকাণ্ডের তদন্তে টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদিও বেশকিছু বিশেষজ্ঞ এই কমিটির সদস্য হওয়া থেকে পিছু হঠেছেন। আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। উল্লেখ্য, গত ১৩ সেপ্টেম্বর পেগাসাস মামলার শুনানিতে পেগাসাস স্পাইওয়্যারের অপব্যবহার করা হয়েছে কি না তা কেন্দ্রের কাছে স্পষ্ট জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট। যদিও এ বিষয়ে হলফনামা দাখিল করতে নারাজ থাকে কেন্দ্র। জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি উল্লেখ করে জনসমক্ষে বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকে সরকার। এরপর পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তের দাবিতে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলার জেরে সুপ্রিম কোর্টে তিন পৃষ্ঠার হলফনামা দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু ইজরায়েল থেকে স্পাইওয়্যার কেনা হয়েছিল কি না, তা খোলসা করা হয়নি সেই হলফনামায়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Pegusas: ফোন ট্যাপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চান মমতা

শহিদ দিবসের মঞ্চে ভাষণের শুরু থেকেই পেগাসাস কাণ্ডে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে রীতিমতো খড়গহস্ত হয়ে ওঠেন মমতা। সবার ফোনে সর্বক্ষণ আড়িপাতা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। ভাষণ চলাকালীন একসময় হাত জোড় করে তিনি বলেন, সম্মানীয় শীর্ষ আদালতের কাছে আমার বিনীত আবেদন, দেশের সকলে আপনাদের ভীষণ সমীহ করে। যখন বিচারপতিদের ফোনও ট্যাপ করা হচ্ছে, তখন আপনারা কি একটা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করতে পারেন না? আমি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের কাছে এই আবেদন জানাচ্ছি। একমাত্র আপনারাই পারেন দেশকে বাঁচাতে। উল্লেখ্য, ফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে নজর রাখা হচ্ছে বলে মমতা নিজের ফোনের ক্যামেরা লিউকোপ্লাস্ট দিয়ে আটকে দিয়েছেন বলেও জানান। এমনকী, তা তুলেও দেখান।আরও পড়ুনঃ অগস্টের প্রথমেই ৫ কেন্দ্রের ভোটযন্ত্র পরীক্ষার নির্দেশমমতা বলেন, সকল রাজনৈতিক দলের ফোনও ট্যাপ করা হচ্ছে। ফোনটাই এখন রেকর্ডার হয়ে গিয়েছে। আপনারা যদি ঘরে থাকা স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেন সেটাও রেকর্ড করা হচ্ছে। স্যর, দয়া করা এই দেশকে, এই গণতন্ত্রকে রক্ষা করুন। একটা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করুন। না হলে একটি তদন্তকারী দল গঠন করে দিন। যে আপনাদের অধীনে কাজ করবে। যারা মনিটর করবে যে কার কার ফোনে আড়িপাতা হয়েছিল। আমার ফোনে তো হয়েছে স্যর।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?ফোন ট্যাপিং নিয়ে মমতার যুক্তি, যদি অভিষেকের ফোন ট্যাপ হয়ে থাকে, তবে তো আমার ফোনও হয়েছে। পিকে-র ফোনে হয়েছে। তাহলে তো আমি ওঁর সঙ্গে কথা বলি, আমারও হয়েছে। এমন বহু সাংবাদিক আছেন যাঁরা আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন, তাঁদেরও হয়েছে। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের উদাহরণ টেনে তাঁর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদেরও রেয়াত করা হচ্ছে না। তাই এই অবস্থায় গণতন্ত্রকে যদি কেউ রক্ষা করতে পারে সেটা একমাত্র দেশের বিচারব্যবস্থা, বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

জুলাই ২১, ২০২১
প্রযুক্তি

Pegasus: পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?

২০২১-র বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন দুই প্রধান বিরোধী দলের মুখ্য-কান্ডারিদের প্রতিনিয়ত ফোন কল সংবাদমাধ্যমের কাছে চলে আসাটা নিয়মিত ভাবে ঘটছিল। প্রত্যেক দলই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে দায়ী করছিলেন তাঁদের ফোনকল ট্যাপ হওয়ার জন্য। অতিসম্প্রতি আমরা প্যাগাসাস স্পাইওয়্যারের নাম শুনলাম। যার দ্বারা অতি সহজেই যেকোনও মোবাইল ফোন হ্যাক করা এবং তাদের ম্যাসেজ এবং কললিস্ট পড়া যায়। এই স্পাইওয়্যারটি ব্যবহার করে ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ সাংবাদিক, সরকারি আমলা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের ফোনে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে বলে জানা গেছে। তবে, ভারত সরকার জানিয়েছে যে, এই ধরণের মন্তব্য ভারতীয় গণতন্ত্র এবং এর প্রতিষ্ঠানগুলিকে কলুষিত করার জন্য অতিরঞ্জিত করে অনুমানভিত্তিক একটা চক্রান্ত চলছে।২০১৯ সাল থেকে ১৬টি সংবাদমাধ্যম মিলে পেগাসাস প্রোজেক্ট নামে একটি তদন্ত করেছিল। রবিবার সেই রিপোর্টের কিছু অংশ প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯-এর অক্টোবরে ফেসবুকের মালিকানাধীন সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, চারটি মহাদেশের অনুমানিক ১৪০০ জনের মোবাইল এই স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে হ্যাক করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে সেই তালিকায় ছিলেন কংগ্রেসের প্রিয়ঙ্কা গাঁধী, এনসিপি-র প্রফুল্ল পটেল, একাধিক সমাজকর্মী, আইনজীবী ও সাংবাদিকরা। আসুন এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পেগাসাস স্পাইওয়্যার কি? এর থেকে কি ভাবেই বা সাবধানে থাকব।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কী?পেগাসাস হল এনএসও গ্রুপের তৈরি একটি বিশেষ স্পাইওয়্যার। এনএসও গ্রুপ একটি ইজরায়েলি সংস্থা যারা সাইবার হানা দেওয়ার জন্য এই ধরণের স্পাইওয়্যার ও ম্যালওয়্যার বানাতে সিদ্ধহস্ত। এটি সর্বপ্রথম ২০১৬ তে আলোচনাতে আসে, যখন আরবের এক ব্যাক্তি তাঁর মোবাইলে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এমনও খবর পাওয়া গিয়েছে যে পেগাসাস আইফোন (iOS) ব্যবহারকারীদের টার্গেট করছে। এটা জানতে পেরে অ্যাপল আইওএসের (iOS) একটি আপডেট সংস্করণ প্রকাশ করেছিল। আইওএসের (iOS) সুরক্ষা বলয়ে যে যে ত্রুটি ছিল, যেখান দিয়ে পেগাসাস স্পাইওয়্যার ফোন হ্যাক করার সুযোগ নিচ্ছিল সেই জায়গাগুলি সঠিক ভাবে আটকাবার জন্য এই আপডেট।আইওএসের (iOS) আপডেটের এক বছর পরে দেখা গেল পেগাসাস অ্যান্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করতেও সমানভাবে সক্ষম। ফলস্বরূপ, সমস্ত মোবাইল ফোন সংস্থা তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা আপডেট করতে মাঠে নেমে পড়ল। ২০১৯ এ ফেসবুক পেগাসাস তৈরির জন্য এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে। একই সাথে হোয়াটসঅ্যাপ ও একটি বার্তার মাধ্যমে ভারতীয় ব্যবহারকারীদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে অবহিত করেছিল।পেগাসাস স্পাইওয়্যার কীভাবে কাজ করে?পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি মেলিসিয়াস ওয়েবসাইট লিঙ্কের মাধ্যমে গোপনে মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা হয়। মোবাইল ব্যবহারকারী এই লিঙ্কে ক্লিক করলে স্পাইওয়্যারটি ফোনে অটোমেটিক ইনস্টল হয়ে যায়। এটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কল করে সুরক্ষা বাগের মাধ্যমেও ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যারটি এতটাই উন্নত যে, কেবল মোবাইল ব্যবহারকারীর কাছে মিস কল দিয়ে ফোনে ইনস্টল করা যেতে পারে। স্পাইওয়্যার সফ্টওয়্যারটি কল লগ এন্ট্রি মুছে দেয়, যাতে মোবাইল ব্যবহারকারী জানতেও পারবে না যে তাদের ফোন হ্যাক করা হয়েছে।একবার ফোনে স্পাইওয়্যার ইনস্টল হয়ে গেলে এটি তার প্রয়োজনীয় মডিউলগুলি অটোম্যাটিক ভাবে ডাউনলোড করে নেয়, যাতে এটি ডেটা অ্যাক্সেস করতে সহায়তা করে। সাধারণভাবে জানা যায় পেগাসাস স্পাইওয়্যারটির কি-লগিং এবং অডিও রেকর্ডিং ক্ষমতা রয়েছে যার দ্বারা এটি কল শুনতে এবং এনক্রিপ্ট করা বার্তাগুলি পড়তে সক্ষম হয়।পেগাসাস স্পাইওয়্যার সম্পর্কে আরও একটি আকর্ষণীয় তথ্য হল, এটি ফোনে সম্পূর্ণ লুকিয়ে থাকতে পারে। যদি এটি এর কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল (CC) সার্ভারের সাথে ৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে যোগাযোগ করতে সক্ষম না হয় বা একটি ভুল ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে থাকে তাহলে স্পাইওয়্যার নিজেই নিজেকে ডিস্ট্রাক্ট করে দেয়।আপনার ব্যক্তিগত তথ্যভাণ্ডার কি সুরক্ষিত?পেগাসাস স্পাইওয়্যার যে মোবাইলে ইন্সটল হয়, তার সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য সে অ্যাক্সেস করতে পারে এবং ফোনটি হ্যাক করতে সমর্থ হয়। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এনক্রিপ্টেড করা চ্যাটগুলিও পড়তে পারে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, এই পেগাসাস স্পাইওয়্যারটি আপনার ফোনের ম্যাসেজ পড়তে, আপনার করা কলগুলি ট্র্যাক করতে, বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আপনি কি কি করলেন তার উপর নজরদারি চালাতে সক্ষম। এটি আপনার গতিবিধির উপরও নজরদারী চালায় জিপিএস এর মাধ্যমে এবং অজান্তে আপনার ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারে। এতেই শেষ নয়, হ্যাকার প্যাগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে আপনার মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আপনার ব্যাক্তিগত কথোপকথন শুনতেও সক্ষম।সাধরণ মানুষের দুশ্চিন্তা করা উচিত?২০২১ প্রজেক্ট পেগাসাস রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, বর্তমানে পেগাসাসের যে ভার্সনটি আছে তাতে আইওএস ১৪.৬ (iOS 14.6) পর্যন্ত সমস্ত ফোন হ্যাক করতে সক্ষম। তবে আশার কথা গুগল, অ্যাপল, ফেসবুকের মতো সংস্থাগুলি তাদের গ্রাহকের মোবাইল ফোন হ্যাক করা আটকাতে তাঁদের নিজেদের ভুলভ্রান্তির জায়গাগুলি ঠিক করার জন্য সদা সতর্ক থেকে নিয়মিত ভাবে তাদের সফ্টওয়্যার আপডেট করার চেষ্টা করে চলেছেন। সুতরাং, আপনি কারও নির্দিষ্ট লক্ষ্য না হয়ে থাকলে আপনার ফোন এই স্পাইওয়্যার দ্বারা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম। এছাড়াও, পেগাসাস হল অত্যন্ত ব্যয়বহুল এক স্পাইওয়্যার যা বড় সংস্থা বা সরকার অপরাধী এবং অসামাজিক উপাদানগুলির উপর নজরদারি রাখতে ব্যবহার করে। সাধারণ মানুষের দিকে এদের লক্ষ্য নেই বলেই সাইবার বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

জুলাই ২১, ২০২১
দেশ

Pak-Spy: রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার আইএসআই চর

মুখোশের আড়ালে থেকে দিনের পর দিন ধরে গোপন তথ্য পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছে পাক চর। এমনকী, দেশবিরোধী কাজও চালিয়ে গিয়েছে। কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। সম্প্রতি, রাজস্থানের পোখরান থেকে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। বুধবার রাতে তাকে দিল্লিতে আনা হয়। জেরা করে তার কাছ থেকে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আরও পড়ুনঃ জাতীয় স্তরের নাবালিকা ক্যারাটে খেলোয়াড়ের আত্মহত্যা, গ্রেফতার যুবকজানা গিয়েছে, সামান্য সবজি বিক্রেতার ছদ্মবেশে ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পড়শি দেশের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (ISI)-এর হাতে তুলে দিত ওই ব্যক্তি। ধৃতের নাম হাবিব খান। অভিযোগ, সবজি বিক্রেতার ছদ্মবেশে জওয়ানদের সঙ্গে ভাব জমিয়ে, তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করে, সেনার গোপন তথ্য পাক গুপ্তচর সংস্থার হাতে তুলে দিত ধৃত। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই হাবিব খানের উপর নজর ছিল। সূত্রের খবর, প্রাথমিক জেরায় ধৃতের কাছ থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

জুলাই ১৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আশঙ্কা! ৮০০ তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার হতে পারেন, হাই কোর্টে ছুটল দল

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বাংলার অন্তত আটশো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এই আশঙ্কা নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দল। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত বারোই এপ্রিল খণ্ডঘোষের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট প্রক্রিয়ায় ধীর গতি আনা, গণনায় দেরি করা এবং প্রথমে ভুল ফল দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দাবি, অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে এবং মধ্যরাত থেকে অভিযান শুরু হতে পারে। তিনি আরও বলেন, যদি কোথাও দেখানো হয় যে অন্য দল জিতছে, তাহলে তা মিথ্যে হতে পারে। মমতার অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবেই নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।এরপরই আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। সোমবার দলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় আটশো তৃণমূল কর্মীর নাম সংগ্রহ করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের আশঙ্কা রয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি। আদালতের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদনও জানানো হয়।আদালত এই আবেদন মেনে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত শুনানির আর্জিও গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আগামী বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
বিদেশ

ডলার ছেড়ে ইউয়ান! আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির, বিশ্ব অর্থনীতিতে ঝড়

ইরান ও আমেরিকার সংঘাত কবে থামবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বড় সঙ্কটে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। বিশেষ করে ডলার নির্ভর তেল বাণিজ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তারা জানিয়ে দিয়েছে, পরিস্থিতি না বদলালে ডলারের বদলে অন্য মুদ্রায় তেল বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন শুরু করতে পারে।খবর অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ইতিমধ্যেই আমেরিকাকে জানিয়েছে, প্রয়োজনে তারা চিনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করে তেল বিক্রির পথে হাঁটতে পারে। এতদিন আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, এবার তারা নিজেদের স্বার্থে আলাদা অবস্থান নিতে চাইছে। তাদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ডলারের সহায়তা দিতে হবে, না হলে বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে তারা।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই বিষয় নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে বিকল্প মুদ্রা ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে বলেই মনে করছে তারা। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর ইতিমধ্যেই মার্কিন অর্থ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। ডলারের জোগান কমে গেলে ইউয়ান ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকবে না বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।যুদ্ধের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই আর্থিক ক্ষতি সামাল দিতে তারা আমেরিকার কাছে ক্ষতিপূরণও চেয়েছে। সম্প্রতি ভারতের একটি বেসরকারি সংস্থা চিনা মুদ্রায় ইরানের তেল কিনেছে বলেও জানা গিয়েছে, যা এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব বাজারে তেল কেনাবেচা মূলত ডলারেই হয়ে থাকে। উনিশশো সত্তরের দশক থেকে এই প্রথা চালু। সেই সময় তেলের সঙ্কটের পর আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল, যার ফলে তেল বাণিজ্যে ডলারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রায় তেল লেনদেন শুরু হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

হরমুজ প্রণালিতে বড়সড় সংঘাত! ইরানের জাহাজে হামলা চালিয়ে দখল নিল আমেরিকা

হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী একটি ইরান-চিহ্নিত পণ্যবাহী জাহাজ দখল করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত করে সেটিকে অচল করে দেওয়া হয়, তারপর সেটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।ট্রাম্প জানান, ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ একটি ইরানি জাহাজকে আটকায়, যখন সেটি আমেরিকার আরোপ করা অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। হামলার ফলে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেটি আর চলতে পারেনি। পরে মার্কিন সেনারা জাহাজটির দখল নেয় এবং সেটির ভেতরে কী আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, হামলার আগে জাহাজের ক্রুদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। সেখানে বলা হয়, ইঞ্জিন কক্ষ খালি করে দিতে, না হলে গুলি চালানো হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণের দৃশ্যও দেখা যায়।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালিতে ইরানের জাহাজ চলাচলের উপর আমেরিকা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, তাই এর উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।একই সময়ে ইরানের সঙ্গে একটি বড় চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা পরবর্তী বৈঠকে অংশ নেবে না। তাদের অভিযোগ, আমেরিকা অতিরিক্ত শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছে এবং অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে, যা চুক্তির পরিপন্থী।ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জমা দিতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দিতে হবে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ি থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি! “একটা গুলি চালালে দুটো চালাব”—বাংলা রাজনীতিতে আগুন ধরালেন হিমন্ত

জলপাইগুড়ির জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, একটা গুলি চালালে, দুটো গুলি চালাব। বাংলায় পুলিশ থাকলে, অসমেও পুলিশ আছে। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মূলত তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করেই এই আক্রমণাত্মক সুর শোনা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে হিমন্ত দাবি করেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন। তাঁর কটাক্ষ, মমতার মুখে রাম বা দুর্গার নাম শোনা যায় না, বরং সারাদিন তিনি মোদী-শাহর নামই নেন। একই সঙ্গে হিমন্ত আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে মমতা তাঁর নামও নিচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তৃণমূলের লোকেরা আমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না। টক্কর সমানে সমানে হবে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অভিযোগ, হিমন্ত কার্যত গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের মন্তব্যের পরেও কেন প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নীরব রয়েছেন।জয়প্রকাশ আরও বলেন, একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির মুখে এমন প্ররোচনামূলক কথা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য বিপজ্জনক। এর ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন ও জনস্বার্থের ইস্যু ছেড়ে এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পাল্টা হুমকিই রাজনীতির মূল কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal