• ২২ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ০৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Smuggling

রাজ্য

গোরু পাচারকাণ্ডে অনুব্রতকেও তলব সিবিআইয়ের

ফের সিবিআই তলব বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। ভোট পরবর্তী সময়ে বিজেপিকর্মী খুনের মামলায় তাঁকে আগে তলব করেছিল ওই তদন্তকারী সংস্থা। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে আপাতত স্বস্তিতে তিনি। সেই আবহে ফের অনুব্রতকে তলব করল সিবিআই। এ বার তাঁকে ডাকা হয়েছে গোরু পাচারকাণ্ডে।আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতার নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে অনুব্রতকে। বুধবারই জানা গিয়েছিল, গোরু পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তৃণমূল সাংসদ দেবকেও তলব করেছে। তাঁকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তলব করা হল অনুব্রতকে। সিবিআই সূত্রে দাবি, গোরু পাচারকাণ্ডে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

গোরু পাচার মামলায় সাংসদ দেবকে নোটিস সিবিআইয়ের

গোরুপাচার মামলায় তৃণমূল সাংসদ এবং অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। বুধবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের তরফে এই মর্মে একটি নোটিস গিয়েছে দেবের কাছে। ওই নোটিসে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টা নাগাদ দেবকে নিজাম প্যালেসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কলকাতার দপ্তরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।দেবের সঙ্গে গোরু পাচার কাণ্ডের কী সম্পর্ক তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। সিবিআইয়ের নোটিসেও এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। তবে সূত্রের খবর গোরু পাচারকাণ্ডে যে সমস্ত সাক্ষীদের ইতিমধ্যে জেরা করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, তাদের বয়ানেই উঠে এসেছে অভিনেতা ও সাংসদ দেবের নাম। যদিও তৃণমূল সাংসদ দেব এই নোটিস নিয়ে বুধবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি বা ব্যখ্যা দেননি।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

Smuggling: গাঁজা পাচারে সাজা, ভিন রাজ্যের দুজনকে ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ডের নির্দেশ বর্ধমান আদালতের

লরিতে করে মাদক দ্রব্য গাঁজা পাচার করার দায়ে ভিন রাজ্যের দুই যুবককে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল বর্ধমান আদালত। পাশাপাশি আদালত তাঁদের ১ লক্ষ টাকা জরিমানারও নির্দেশ দিয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে সাজাপ্রাপ্তদের আরও ৬ মাস কারাবাসে থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের মাদক সংক্রান্ত বিশেষ আদালতের বিচারক নন্দনদেব বর্মন এই সাজা ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তদের আইনজীবী এদিন দাবি করেছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে আবেদন করবেন।সাজাপ্রাপ্তরা হলেন গিরি সিংহ ও ইলি শাকওয়া। গিরির বাড়ি অসমের কাছাড় জেলার বরখোলা থানার জরাইতোলায়। অপর ধৃত ইলির বাড়ি মেঘালয়ের রিভোই জেলার খানাপাড়া এলাকায়। ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ জেলার পূর্বস্থলীর বড়ডাঙা মোড়ে এসটিকেকে রোডে অভিযানে ধরা পড়া ১৫ কুইন্টল মাদক দ্রব্য গাঁজাবাহী লরির চালক ছিল গিরি সিংহ। আর ওই লরির খালাসি হলেন ইলি শাকওয়া। এই মামলার সরকারি আইনজীবী শিবরাম ঘোষাল বলেন, ৯ জন সাক্ষী এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। প্রচুর গাঁজা সহ ওই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে আদালতে প্রমাণ হয়েছে। তার ভিত্তিতেই বিচারক এই সাজা ঘোষণা করেছেন।আদালতে তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ পূর্বস্থলীর বড়ডাঙা মোড়ে এসটিকেকে রোডে ১০ চাকার একটি লরি আটকানো হয়। তল্লাশীতে ওই লরি থেকে প্রচুর পরিমাণে মাদক দ্রব্য গাঁজা উদ্ধার হয়। পূর্বস্থলী থানার পুলিশ মাদক দ্রব্য গাঁজাপাচারের অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে লরির চালক গিরি সিংহ ও খালাসী ইলি শাকওয়াকে গ্রেফতার করে। লরিটি আটকানোর পরে পূর্বস্থলী ২ ব্লকের যুগ্ম বিডিও-র উপস্থিতিতে ওই মাদক দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়। আদালতে তদন্তকারী অফিসার জানান , লরির ডালাতে এক প্রকার বাঙ্কার তৈরি করে সেখানে ১০০ প্যাকেট গাঁজা রাখা হয়েছিল। প্রতি প্যাকেটে ছিল ১৫ কেজি করে গাঁজা। গাঁজা পাচারের বিষয়টি সহজে যাতে বোঝা না যায় তার জন্য ট্রাকের ভিতরে এমন ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছিল বলেও তদন্তকারী অফিসার আদালতে জানান। বাজেয়াপ্ত সামগ্রীর নমুনা ফরেন্সিকে পাঠানো হয়। ওই বছরের ১২ জুলাই বাজেয়াপ্ত সামগ্রী গাঁজা বলে রিপোর্টে জানানো হয়। সরকারি আইনজীবীর দাবি করেছেন, মনিপুর থেকে ওই গাঁজা নিয়ে এসে রাস্তায় বিভিন্ন জায়গাতে তা বিক্রি করা হচ্ছিল।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

BSF: গোরু পাচার রুখতে বিএসএফ-এর গুলি, নিহত ২

রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজরদারির সীমানা বৃদ্ধি, সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলোর সুরক্ষা বৃদ্ধি ইত্যাদি নিয়ে শুক্রবারই বৈঠকে করতে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা । তার আগে কোচবিহারের সিতাইয়ের সাতভাণ্ডারি এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ। গুলিতে নিহত দুই । গোরু পাচারের সময় গুলি চালানো হয় এবং পাচারকারিদের মারে এক জওয়ান আহত হয়েছেন বলে বিএসএফ সূত্রে খবর। বৃহস্পতিবার রাতে গুলি চালানোর ঘটনাটি ঘটে। মৃত ভারতীয়ের নাম প্রকাশ বর্মন। তার মাথায় গুলি লাগে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। বিএসএফের দাবি, বৃহস্পতিবার রাত ৩টে নাগাদ বাংলাদেশের দিক থেকে কয়েকজন দুষ্কৃতী ভারতে গোরু পাচারের চেষ্টা করে। জওয়ানরা প্রথমে তাঁদের হুঁশিয়ারি দেন। ফিরে যেতে বলেন। কিন্তু বিএসএফের হুঁশিয়ারিতে কর্ণপাত করেনি দুষ্কৃতীরা। তাদের আটকাতে প্রাথমিকভাবে নন লিথেল অস্ত্র ব্যবহার করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। উল্টে দুষ্কৃতীরা বাহিনীর উপর চড়াও হয়। প্রাণ বাঁচাতে বিএসএফ জওয়ানার দুষ্কৃতীদের উদ্দেশ্য শূন্যে গুলি চালায়। পরে সীমান্ত থেকে দুটি অজ্ঞাত দুষ্কৃতীরা দেহ উদ্ধার হয়। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দিনহাটা এবং সিতাই থানার পুলিশ। যান বিএসএফ-এর আধিকারিকরা। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে তদন্ত।

নভেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Alcohol Smuggling: চারচাকা গাড়িতে চোলাই মদের চোরাচালান, গ্রেফতার-গাড়ি আটক, ব্যাপক চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে

গাঁজা, হেরোইন, কোকেন এই সব মাদক দ্রব্যের চোরাচালান কারবার যে হয় তা অনেকেই জানেন। কিন্তু চোলাই মদের চোরাচালান কারবারও যে ইদানিং শুরু হয়েছে তা অনেকের কাছেই অজানা ছিল। যা প্রকাশ্যে এসেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশের চালানো অভিযানে প্রচুর পরিমাণ চোলাই মদ বোঝাই চারচাকা গাড়িসহ এই পাচারকারী ধরা পড়ার পর। পুলিশের দাবি, চারচাকা গাড়িতে চোলাই মদ মজুত করে নিয়ে বুধবার রাতের অন্ধকারে হুগলি জেলা থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলায় পাচার করতে এসেছিল পাচারকারীরা। এই পাচারকারী ছাড়া ও চোলাই মদসহ হুগলী জেলার আরও এক চোলাই পাচারকারীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। চোলাই মদের চোরাচালানের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।পুলিশ জানিয়েছে, বিপুল পরিমান চোলাই মদসহ ধৃতের নাম প্রদীপ দাস। অপর ধৃত সুকুমার রুইদাস। প্রদীপ হুগলী জেলার সিঙ্গুর থানার রতনপুর এলাকার বাসিন্দা। সুকুমারের বাড়ি হুগলির তারকেশ্বর থানা এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ দুই ধৃতকে বৃহস্পতিবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে আগামী ৩ নভেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, জামালপুর থানা এলাকায় চোলাই মদ পাচার করতে আসার খবর পুলিশ গোপন সূত্রে মাধ্যমে পায়। সেই খবর পাওয়ার পরেই ওই রাতে পুলিশ অভিযানে নামে। জামালপুরের চকদিঘী পঞ্চায়েতের পর্বতপুর এলাকা দিয়ে যাওয়া একটি টাটাসুমো গাড়ির গতিবিধি দেখে পুলিশের সন্দেশ হয়। পুলিশগাড়িটির পথ আটকায়। তারই মধ্যে গাড়িটিতে সওয়ার থাকা এক ব্যক্তি পালিয়ে যায়। গাড়ির অপর আরোহী প্রদীপ দাসকে পুলিশ ধরে ফেলে। গাড়িতে তল্লাশি চালানো হলে একাধিক পাউচে ভর্তি ১২০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। প্রদীপ দাসকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি চোলাই মদ সহ টাটা সুমো গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এসডিপিও বলেন, ধৃত প্রদীপকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না, মাধবডিহিসহ বিভিন্ন জয়গায় পাচারের জন্য টাটাসুমোয় প্রচুর মদ বোঝাই করে নিয়ে হুগলির সিঙ্গুর থেকে তারা আসছিল। এসডিপিও বলেন, এই চোলাই মদ কারবারি চক্রের মূল পাণ্ডার সন্ধান চালানো হচ্ছে। পুলিশের একইরকম অভিযানে সুকুমার রুইদাস নামে তারকেশ্বরের এক চোলাই মদ পাচার কারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান জারি থাকবে বলে এডিপিও জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Malay Ghatak : কয়লা পাচার-কাণ্ডে ইডির তলব আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে

এবার কয়লা পাচার কাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তলব করল রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে। সূত্রের খবর, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে মলয় ঘটককে। তিনি কয়লা শিল্পাঞ্চল আসানসোলের তৃণমূলের বিধায়ক। এই তলবকেও রাজনৈতিক প্রতিহংসা বলে মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব।এর আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সস্ত্রীক তলব করেছে ইডি। যদিও অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা ইডির কাছে আবেদন জানিয়েছেন করোনা পরিস্থিতিতে তিনি দুই সন্তান নিয়ে দিল্লি যেতে পারছেন না। ইডি আধিকারিকদের তাঁর বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। অভিষেক নিজে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের লক্ষ্যে পানাগড়ে একাধিক বড় ঘোষণা মমতারএদিকে কয়লা পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র এখনও অধরা। তিনি রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের পদেও ছিলেন। সূত্রের খবর, তিনি এখন দ্বীপ রাষ্ট্র ভানুয়াতিতে রয়েছেন। আদালতে তাঁর আইনজীবী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।কয়লা পাচার নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে তদন্ত করছে সিবিআই। পাশাপাশি তদন্ত করছে ইডি। কয়লাখনি অঞ্চলে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করছেন মলয় ঘটক। তৃণমূল কংগ্রেসের টানা তিনবারের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী। আসানসোল শিল্পাঞ্চলে মলয় ঘটকের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেখানকার আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মলয়বাবু অবগত বলে মনে করে ইডির আধিকারিকরা। সেকারণেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Marijuana : বাইকে গাঁজা পাচার, গ্রেফতার এক

প্রচুর গাঁজা সহ গ্রেপ্তার হল গাঁজা পাচারকারী চক্রের এক পাণ্ডা। ধৃতের নাম কাজী জাহিরুল আলম। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার মোড়গ্রাম এলাকায়। জেলার নাদনঘাট থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় কালীতলা এলাকা থেকে তাকে গাঁজা সহ ধরে ফেলে। জাহিরুল আলমের কাছ থেকে ২৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে ৫ দিনের জন্য নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। এত গাঁজা কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং গাঁজা পাচার চক্রে আরও কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানতে পুলিশ ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে বৃহস্পতিবার রাতে গাঁজা পাচারের খবর আসে। সেই খবর পেয়েই নাদনঘাট থানার পুলিশ গভীর রাতে কালীতলা এলাকায় পৌঁছে যায়। এর কিছুক্ষণ পরেই মোটরবাইকে চড়ে গাঁজা পাচারকারিরা নাদনঘাটের কালীতলা এলাকা দিয়ে নাদনঘাট মোড়ের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ দেখেই এক ব্যক্তি পালিয়ে যায়। ধরা পড়ে যায় কাজী জাহিরুল আলম। তার কাছ থেকে সাদা প্যাকেটে মোড়া অবস্থায় ২৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। তা বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি জাহিরুলকে গ্রেপ্তার করা হয় । জেরায় ধৃত জানায়, বিভিন্ন জেলা থেকে কম দামে গাঁজা কিনে এনে সে বিভিন্ন জায়গায় চড়া দামে সেই গাঁজা বিক্রি করে মুনাফা করে। পুলিশের ধারনা এই চক্রে আরও অনেকে জড়িত রয়েছে। পুলিশ তাদেরই এখন সন্ধান চালাচ্ছে।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

রাস্তার ধারের বহুমূল্য গাছ বিক্রি করার অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে

অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বেআইনিভাবে গাছের পর গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।গাছ কাটার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সোমবার পঞ্চায়েতের একাংশ সদস্য, ব্লকের বিডিও,পঞ্চায়েত প্রধান -সহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছেন। এদিকে অভিযোগ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেছেন প্রশাসনের কর্তারা । জামালপুর ২ পঞ্চায়েতের চারজন সদস্য এদিন জানান, তাদের পঞ্চায়েত এলাকায় দামোদরের উপরে রয়েছে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতু।জামালপুরের দিক থেকে সেই সেতু পেরিয়ে কালাড়াঘাট হয়ে রায়না যাওয়ার জন্যে রয়েছে পূর্ত দপ্তরের সড়কপথ।সেই সড়কপথে কালাড়াঘাটের একটি রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্কের পর থেকে উচিতপুরের আগের সেতু এলাকা পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারে অনেক পুরনো গাছ রয়েছে। এই গাছ কাটার জন্যে বন দপ্তর ও পূর্ত দপ্তরের কাছ থেকে লিখিত কোনও অনুমতিও নেওয়া হয়নি। গাছ কেটে বিক্রি সংক্রান্ত কোনও টেন্ডারও পঞ্চায়েত করেনি। অথচ বিগত ৪- ৫ দিনে পূর্ত দপ্তরের সড়ক পথের দুই ধারে থাকা প্রকাণ্ড ও মূল্যবান প্রায় ৪০ টি গাছ কেটে পাচার করে দেওয়া হয়েছে । পঞ্চায়েত সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও প্রশাসনের কাছে জানিয়েছেন জামালপুর ২ পঞ্চায়েতের সদস্যরা। আরও পড়ুনঃ ভগবানের সুরের ভাঁজে হৃদয় ভিজছে সকলেরঅভিযোগকারী পঞ্চায়েত সদস্য হারাধন পাত্র ও সঞ্চয়িতা বাগ এদিন বলেন,বিগত ২০-২৫ দিনের মধ্যে বজ্রপাতে জামালপুর ব্লকের ৭ জন বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃক্ষ ঘাটতি ও দূষণ বৃদ্ধি মূলত কোনও এলাকায় বজ্রপাত বৃদ্ধির অন্যতম একটা কারণ। এইসব জানার পরেও খোদ পঞ্চায়েত কর্তাদের পরিচালনাধীনে বেআইনিভাবে বৃক্ষ নিধন হচ্ছে। এই অপরাধ যারা করছেন তাঁদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত । জামালপুরের শুড়েকালনা নিবাসী তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতা প্রদীপ পাল বলেন,পঞ্চায়েত সদস্যদের অভিযোগ যুক্তি সংগত।এই বিষয়ে প্রদীপ পাল বলেন, পূর্ত দপ্তরের সড়ক পথের ধারে থাকা গাছ কাটার ব্যাপারে জামালপুর ২ পঞ্চায়েত কোনও নিয়মকানুন মানার তোয়াক্কা করেনি।যারা এই কাজে যুক্ত রয়েছে তাদের সবার শাস্তি হওয়া দরকার। প্রদীপ পাল আরও বলেন, সরকার স্বচ্ছভাবে পঞ্চায়েত চালানোর কথা বলেলেও জামালপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত দুর্নীতির আখড়া হয়ে উঠেছে। নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য না হওয়া কয়েকজন ব্যক্তি এখন পঞ্চায়েতের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হয়েছেন। ওইসব স্বার্থান্বেষীদের অঙ্গুলি হেলনেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অন্ধকারে রেখে পঞ্চায়েতের পরিচালনাধীনে বেআইনি কাজকর্ম হচ্ছে। তার প্রতিবাদস্বরূপ মঙ্গলবার জামালপুর ২ পঞ্চায়েতে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে বলে প্রদীপ পাল জানিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে দেবাঞ্জনকে জঙ্গিদের থেকেও ভয়ঙ্কর বললেন মুখ্যমন্ত্রী সদস্যদের আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে জামালপুর ২ পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান উদয় দাস বলেন,পঞ্চায়েতের ওই এলাকায় ৩৪ টি গাছ কাটার ব্যাপারে চলতি জুন মাসের ১১ তারিখে একটি রেজোলিউশন হয়। কিন্তু গাছকাটা সংক্রান্ত সব নিয়ম মানতে না পারার কারণে এই ব্যাপারে আর এগনো হয়নি। তবে ওই গাছগুলোর পাহারাদার অর্থাৎ পাট্টাদার নিমাই মালিক নিজে দায়িত্ব নিয়ে গাছগুলি সম্প্রতি কেটেছেন। গাছ কেটে বিক্রি করে নিমাইবাবু ৩৫ হাজার টাকা এদিন পঞ্চায়েত অফিসে জমা দিয়ে গিয়েছেন বলে উদয় দাস জানান। কিন্তু পঞ্চায়েত-সহ অন্য সমস্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের লিখিত অনুমতি না নিয়ে একজন পাহারাদার কিভাবে পূর্ত দপ্তরের সড়কপথের ধারে থাকা গাছগুলি কেটে বিক্রি করলেন তার কোনও উত্তর উপ- প্রধান এদিন দিতে পারেননি। বেআইনিভাবে গাছ কেটে বিক্রি করার অর্থ পঞ্চায়েত কেন গ্রহণ করলো ? এর উত্তরে উপ -প্রধান বলেন, তিনি পঞ্চায়েতের নিয়ম কানুনের ব্যাপারে বিশেষ কিছু জানেন না। বিজেপির জামালপুর বিধানসভার আহ্বায়ক জীতেন ডকাল বলেন, যেসব গাছ কেটে বিক্রি করা হয়েছে তার মূল্য বেশ কয়েক লক্ষ টাকা হবে। অথচ বলা হচ্ছে ওই সব গাছের মূল্য নাকি মাত্র ৩৫ হাজার টাকা । আসলে পুরোটাই একটা ঘোটালা। ঘোটালায় মদত না থাকলে বেআইনিভাবে গাছ কেটে বিক্রি করার অর্থ পঞ্চায়েত গ্রহণ করতো না। আর এখন উপ- প্রধান বলছেন তিনি নাকি কিছুই জানেন না। জীতেনবাবু এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে বলেন, উপ-প্রধানের কথা মতো এটা যেন চোরে-চোরে ভাগ বাটোয়ার মতোই ব্যাপার। জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন,তিনি অভিযোগপত্র পেয়েছেন। অভিযোগের তদন্ত করার জন্যে পুলিশকে বলা হয়েছে। গাছ কাটার বিষয়ে কোনও অনিয়ম থাকলে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুন ২৯, ২০২১
দেশ

নয়া ছক বিনয় মিশ্রর, দ্বীপরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ

নীরব মোদি, মেহুল চোকসিদের পর এবার বিনয় মিশ্রও । শাস্তির হাত থেকে বাঁচতে এবার ভিন দেশে পালিয়ে সেখানকার নাগরিকত্ব নিল কয়লা ও গোরু পাচার চক্রের অন্যতম মূল পান্ডা। সিবিআই সূত্রে এমনই দাবি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের এক দ্বীপরাষ্ট্রের নাগরকিত্ব নিয়ে সেখানেই গা ঢাকা দিয়েছে বিনয়। ভানুয়াতু নামে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রে রয়েছে সে। সিবিআইয়ের দাবি, ওই রাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ায় বিনয় ভারতীয় দূতাবাসে নিজের পাসপোর্ট জমা দিয়েছে। আর নাগরিকত্বের জোরেই আপাতত গ্রেপ্তার হওয়া এড়াতে পারবেন কয়লা ও গোরু পাচার কাণ্ডে অন্যতম চক্রী।প্রায় মাস ৬ আগে, কয়লা ও গোরু পাচার কাণ্ডের কিনারায় সিবিআইয়ের তৎপরতা দেখে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী বিনয় মিশ্র বাংলা ছেড়ে মুম্বই হয়ে পালিয়ে যায় দুবাইয়ে। এমনই শোনা গিয়েছিল সেসময়। এরপর একাধিকবার সে ভিনদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করেই বারবার গা ঢাকা দিয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। তার ভাই বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। এই অবস্থায় তাকে জালে আনতে সিবিআই ইন্টারপোলের কাছে রেড কর্নার নোটিস জারি করার আবেদন জানায়। সেইমতো, রেড কর্নার নোটিসও জারি করা হয়। তারপর দীর্ঘদিন পেরিয়ে যাওয়ায় বিনয় মিশ্রের নাগাল পায়নি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তখন তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য আসানসোল সিবিআই আদালতে আবেদন জানানো হয়। তা মঞ্জুর হওয়ার পর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হতে না হতেই বিনয় মিশ্র সম্পর্কে নয়া তথ্য হাতে এল সিবিআইয়ের।জানা গিয়েছে, প্রশান্ত মহারাগরীয় অঞ্চলের দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব নিয়েছে বিনয় মিশ্র। ফলে নাগরিকের রক্ষাকবচ পেয়ে যাওয়ায় এখন বিনয়কে হাতে পাওয়া একটু মুশকিল। যদিও এই তথ্য জানার পর সিবিআই ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছে। তবে ভানুয়াতুর সঙ্গে ভারতের প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে কি না, থাকলেই বা তা কতটা জটিল, সেসব প্রশ্নও থাকছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যে কয়লা এবং গোরু পাচার কাণ্ডের সঙ্গে অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম মূল এই বিনয় মিশ্র। সে দুই পাচার চক্রের মধ্যে সমন্বয়ের কাজ করে গিয়েছে। তাই তাকে নাগালে পেলে দুই কেলেঙ্কারির কিনার করা সুবিধা হবে বলে মনে করছে সিবিআই আধিকারিকরা।

জুন ০৬, ২০২১
রাজ্য

গোরু পাচার মামলায় এবার সিবিআই তলব অনুব্রত মণ্ডলকে

গোরু পাচার মামলায় বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে তলব করল সিবিআই। সূত্রের খবর, আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার অনুব্রত মণ্ডলকে কলকাতায় সিবিআইয়ের দপ্তর নিজাম প্যালেসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। বলে রাখা ভাল, ২৯ এপ্রিল অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফায় বীরভূমের ১১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। তার আগেই জেলার দাপুটে তৃণমূল নেতাকে সমন পাঠানোর নেপথ্যে রাজনৈতিক অভিসন্ধি থাকার অভিযোগ উঠছে। উল্লেখ্য, দীর্ঘ তদন্তের পর গত ফেব্রুয়ারি মাসে গোরু পাচার কাণ্ডে চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই। অভিযোগপত্রে চক্রের মূল পাণ্ডা এনামুল হক, বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমার, গুলাম মুস্তফা ও আনারুল শেখ-সহ সাতজনের নাম ছিল। রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আবহে গোরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে জড়িত রাঘব বোয়ালদের জালে আনতে তৎপর সিবিআই। দুই পাচারের অন্যতম মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারির পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, ধৃতদের টানা জেরা করেও জট খোলার চেষ্টায় মরিয়া তাঁরা। সিবিআই সূত্রে খবর, জেরায় নানা তথ্য উঠে আসছে, যার ভিত্তিতে তাঁরা তদন্তের পরবর্তী ধাপে পৌঁছনোর জন্য কাজ করছেন।প্রসঙ্গত, গোরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্র ও তাঁর ভাই বিকাশ মিশ্রের। কয়েকদিন আগে নয়াদিল্লি থেকে বিকাশকে গ্রেপ্তার করে ইডি। তারপর থেকেই জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এদিকে, আজই এক সভা থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই ডাকলেও সাড়া না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তাঁর কথায়, আমি বলে দিয়েছি, একদম যাবি না। ইলেকশন প্রসেস ওভার হবে তারপর যাবি। আমি একটা পার্টির পলিটিক্যাল কর্মী। বাধা দেবেন না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
কলকাতা

দমদম মেট্রো স্টেশনে উদ্ধার প্রচুর গয়না

ব্যাগ ভর্তি শুধুই সোনার গয়না। দেখে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ার উপক্রম। সবমিলিয়ে ওজন প্রায় ৪৫০ গ্রাম! বাজারমূল্য কমবেশি ২৫ লক্ষ টাকা। ঘটনা দমদম মেট্রো স্টেশনের। আপাতত সোনাভর্তি ব্যাগ-সহ ওই ব্যক্তিকে সিঁথি থানার পুলিশ আটক করেছে।কলকাতা মেট্রো রেলের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, শনিবার বিকেল প্রায় চারটে নাগাদ দমদম মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ করছিলেন এক ব্যক্তি। প্রবেশের মুখে স্ক্যানারে তাঁর ব্যাগটি পরীক্ষা করতে গিয়ে চক্ষুচড়কগাছ নিরাপত্তারক্ষীদের। দেখা যায়, ব্যাগভর্তি সোনার গয়না। প্রায় ৪৩১ গ্রাম সোনা রয়েছে। এরপর তাঁকে প্রাথমিকভাবে এই সোনার উৎস নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাতে তিনি তেমন সন্তোষজনক কোনও উত্তর দিতে পারেননি বলে দাবি নিরাপত্তারক্ষীদের। ওই ব্যক্তির কাছ থেকে সোনা কেনার কোনও বৈধ কাগজপত্রও পাওয়া যায়নি। এরপর মেট্রোর তরফে খবর দেওয়া হয় সিঁথি থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাগটি বাজেয়াপ্ত করে, আটক করা হয় ব্যক্তিকেও। যদিও ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনও জানানো হয়নি পুলিশের তরফে। ফলে সোনা পাচারের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তাও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে এত বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না নিয়ে মেট্রো পথে কোথাও যাওয়ার চেষ্টা আগে কখনও হয়নি বলেই মত কর্তৃপক্ষের। আসলে কলকাতা মেট্রোয় নিরাপত্তা বরাবরই বেশি। তাই কোনও সন্দেহজনক বস্তু নিয়ে স্ক্যানারের নজরদারি এড়িয়ে বেরিয়ে যাওয়া কার্যত অসম্ভব। তা সত্ত্বেও ওই ব্যক্তি কেন এত সোনার গয়না নিয়ে, কোনও নথি ছাড়াই পাতালপথ ধরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, তা জানা যায়নি।

এপ্রিল ১২, ২০২১
কলকাতা

কয়লা-কাণ্ডে ফের তলব সিবিআইয়ের

দ্রুতগতিতে কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। এবার পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কলকাতার ব্যবসায়ী রণধীর বার্নওয়ালকে সমন পাঠাল সিবিআই।সূত্রের খবর, শনিবার সকাল ১১টা নাগাদ বার্নওয়ালকে কলকাতায় সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেসের দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাজিরা না-দিলে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে খবর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দাদের অভিযোগ, কয়লা পাচারের কালো টাকা বাজারে খাটাতে মদত করতেন বার্নওয়াল। তাঁর সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে পাচারচক্রের মাস্টারমাইন্ড অনুপ মাঝি ওরফে লালা। সেই সূত্রে একাধিক রাজনীতিবিদ ও পুলিশ আধিকারিকদের কালো টাকা বাজারে খাটিয়েছেন বাঁশদ্রোণীর ওই ব্যবসায়ী। তাঁর কাছ থেকে ওই সমস্ত লেনদেনের ব্যাংক ডিটেলস চাওয়া হয়েছে। কার কাছ থেকে কত টাকা নিয়েছেন তিনি এবং সেই টাকা কোথায় খাটানো হয়েছে সেই সমস্ত তথ্য হাতে পেতে চায় সিবিআই। উল্লেখ্য, শুক্রবার বাঁশদ্রোণী এলাকায় ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসে হানা দেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা।এদিনই কয়লা পাচার চক্রে কলকাতা, আসানসোল ও দুর্গাপুরে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট । তার আগে মঙ্গলবার কয়লা পাচার কাণ্ডে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের আত্মীয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধায়কে প্রায় সওয়া এক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। এরপর থেকেই আরও তীব্র হয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত। তারইমধ্যে শনিবার ফের এক কলকাতার ব্যবসায়ীকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজ্য

বাড়ির সামনে নলি কেটে খুন গোরু পাচারে জড়িত ব্যবসায়ী

রাতের অন্ধকারে বাড়ির সামনেই গলার নলি কেটে, এলোপাথাড়ি কুপিয়ে এক ব্যক্তিকে খুনের ঘটনায় ছড়িয়ে পড়ল তীব্র চাঞ্চল্য। নৃশংস হত্যাকাণ্ড উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায়। জানা গিয়েছে, আগে গোরু ও মাদক পাচারের মতো বেআইনি কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় গাইঘাটা থানার পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে গাইঘাটা থানার ঝাউডাঙা পঞ্চায়েতের কাহনকিয়া এলাকায়। মৃতের নাম বিধান সরকার। মাহিশাকাঠি বাজারে তাঁর একটি মাছের খাবার ও একটি ফার্নিচারের দোকান রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে দোকান বন্ধ করে বিধানবাবু মোটর সাইকেলে করে বাড়িতে ফিরেছিলেন। সেসময় বাড়ির সামনেই হামলা হয়। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বিধানবাবু ফেরার পর মোটর বাইক বাড়ির সামনে গ্যারেজে রাখেন। সেই শব্দও পান সকলে। কিন্তু তারপর বেশ খানিকটা সময় কেটে গেলেও তিনি ঘরে না আসায় তাঁকে খুঁজতে বেরন ছেলেরা। দেখা যায়, তারা দেখেন বাড়ির সামনের রাস্তার উপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন বছর তেষট্টির বিধান সরকার। গলায় আঘাতের চিহ্ন, মুখে মাফলার জড়ানো রয়েছে। তিনি যে খুন হয়েছেন, তা বুঝতে আর বাকি নেই কারও।সঙ্গে সঙ্গে খবর পাঠানো হয় পুলিশে। গাইঘাটা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে প্রথমে চাঁদপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর মাথায়, গলায় ও পায়ে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজ্য

গরু পাচার কাণ্ডের মূল চক্রী এনামুল গ্রেফতার

গরু পাচার কাণ্ডের মূল মাথা মুর্শিদাবাদের ব্যবসায়ী এনামুল হককে শুক্রবার দিল্লি থেকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এই খবর জানার পরেই সিবিআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একটি দল এনামুলকে কলকাতায় নিয়ে আসার জন্য দিল্লি রওনা দিয়েছে। তাকে কলকাতার সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই এনামুলের সঙ্গে কলকাতারও ঘনিষ্ঠ যোগ সূত্র ছিল। মূলত মুর্শিদাবাদের লালগোলার বাসিন্দা এনামুলের কলকাতাতেও বাড়ি রয়েছে, রয়েছে দিল্লিতেও। কয়েকদিন আগে তার কলকাতার বাড়িতেও তল্লাশি চালায় সিবিআই। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে গরু পাচার কাণ্ডের তদন্ত সিবিআই শুরু করতেই গা ঢাকা দেয় এনামুল। অবশেষে তার দিল্লির বাড়ি থেকে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। আরও পড়ুন ঃ তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ প্রসঙ্গত , রাজ্যে গরু পাচারকাণ্ডে বৃহস্পতিবার কলকাতার চার জায়গায় তল্লাশি চালায় সিবিআই। মানিকতলায় ব্যবসায়ী রাজন পোদ্দারের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি আটক করা হয়। কয়েকদিন আগে এই কাণ্ডে জড়িত থাকা এনামুল ঘনিষ্ঠ এক বিএসএফ কর্তাকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। দিন দুয়েক আগেও কলকাতায় শুল্ক দপ্তরের আধিকারিক-সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। গোটা চক্রের জাল খুলে ধীরে ধীরে এগোচ্ছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছিল, সীমান্তে গরুপাচারে যোগসাজশ ছিল বিএসএফেরও। প্রতি গরুতে হাজার দুয়েক টাকা পেত বিএসএফের এক শ্রেণির কর্তারা। গরুর এই দরদাম চলত মুর্শিদাবাদের শুল্ক দপ্তরের এক শ্রেণির কর্তাদের যোগসাজশে। গরু পাচারের ঘটনার সঙ্গে এই রাজ্যের কোনও রাজনৈতিক নেতা জড়িত আছে কিনা , তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার নয়, নতুন লড়াই! “আমি এখন মুক্ত পাখি”—দেশ জয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, বাংলা জিতে দিল্লির দিকে এগোবেন। কিন্তু ফল তাঁর বিপক্ষে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর সাফ কথা, আমি এখন মুক্ত পাখি। কোনও পদে নেই। সাধারণ কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।ফল ঘোষণার আগেই বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন এবং তেজস্বী যাদব-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আসতে চাইলেও তিনি পরের দিনের জন্য সময় দিতে বলেন।মমতার দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা তাঁর পাশে আছেন। তিনি বলেন, আমি ছোট কর্মীর মতো কাজ করব। ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করব। এই জোট খুব শক্তিশালী হবে।ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাতেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট গণনার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বাইরে থেকে।এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-ও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা এবং অসমে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এটি বৃহত্তর চক্রান্তের অংশ। এমনকি কংগ্রেসের কিছু নেতাকে সতর্কও করেছেন তিনি, যাতে এই পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বার্তা না যায়।এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কি আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে? ভবিষ্যতে কি কোনও বড় জোট গড়ে উঠতে পারে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি মমতা। তিনি শুধু বলেন, এই ধরনের কৌশল নিয়ে এখনই কিছু বলব না।পরাজয়ের পরেও তাঁর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান তিনি।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

চাঞ্চল্যকর বিস্ফোরণ! “রাজভবনে কেন যাব?”—ইস্তফা নয়, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তিনি রাজভবনে যাবেন না। তাঁর সাফ কথা, আমি কেন রাজভবনে যাব? যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে ভেবে আমি পদত্যাগ করতে যাবএটা ভুল। আমরা ভোট হারিনি, তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই।কংগ্রেসের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনও জোট হবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি কৌশলী উত্তর দেন। জানান, এই বিষয়ে এখনই কিছু বলবেন না।ভোটের ফল ঘোষণার পর একাধিক গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন মমতা। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন জায়গায় তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। বেলেঘাটায় খুনের ঘটনা, মহিলাদের ধর্ষণের হুমকিএমন অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর কথায়, এতে বিশ্বের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে যে নির্বাচন গণতান্ত্রিক ভাবে হয়নি।তিনি আরও বলেন, মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ। ওঁরা ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু আমরা সেই ভোট রক্ষা করতে পারিনি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, দেশে কি একটাই দল থাকবে?কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তীব্রভাবে আক্রমণ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, তারা গুণ্ডার মতো আচরণ করেছে। তাঁর দাবি, এভাবে অত্যাচার চলতে থাকলে খুব তাড়াতাড়ি সত্য সামনে চলে আসবে।মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাঁর দলের উপর যদি অত্যাচার করা হয়, তবে তার জবাব মিলবে। তিনি অভিযোগ করেন, জোর করে ভোট দখল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি দশ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সেই কমিটি বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করবে।তিনি আরও দাবি করেন, ভোট গণনার সময় তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, আমাকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। একজন মহিলা হিসেবে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত অপমানজনক।মমতা অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের একাংশ আগেই দেখাতে শুরু করেছিল যে তিনি পিছিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা জিতলে বলেছিলাম বদল চাই, বদলা নয়। কিন্তু এখন তিন দিন ধরে অত্যাচার চলছে।তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরও হামলা হয়েছে। ভাঙর থেকে বারাসত, কলকাতা থেকে জঙ্গলমহলসব জায়গাতেই অশান্তির অভিযোগ তোলেন তিনি।নিজের অবস্থান নিয়ে মমতা বলেন, আমি এখন পদে নেই, আমি স্বাধীন। আমি কখনও বেতন নিইনি, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি।তিনি আরও দাবি করেন, এমন নির্বাচন তিনি আগে কখনও দেখেননি। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে, হেমন্ত সোরেন-সহ বিরোধী জোটের নেতাদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান।সবচেয়ে বড় অভিযোগ হিসাবে তিনি বলেন, প্রায় একশো আসন জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, লড়াই হয়েছে শুধু একটি দলের বিরুদ্ধে নয়, নির্বাচন ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।ভোটের ফলের পর রাজ্যের রাজনৈতিক ছবি আমূল বদলে গিয়েছে। একাধিক মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন, কিছু এলাকায় দল টিকে থাকলেও কয়েকটি জেলায় একেবারে শূন্য হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে এই পরিস্থিতিতেও পরাজয় মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরই চমক! রাজভবনে যাচ্ছেন না মমতা, বললেন “আমরা হারিনি”

সোমবার ভোটের ফল স্পষ্ট হতেই বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দাবি উঠতে থাকে যে এবার রাজ্যের ক্ষমতা গিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। জল্পনা ছিল, বিকেলের মধ্যেই লোকভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাত গড়ালেও তিনি সেখানে যাননি।মঙ্গলবার কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি পরাজয় মানছেন না। তাঁর কথায়, আমরা হারিনি। তাই লোকভবনে যাওয়ার প্রশ্ন নেই। আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। যদি শপথ নিতে হত, তাহলে যেতাম।২০১১ সালে যেমন ৩৪ বছরের বামশাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা, তখন ফলাফল স্পষ্ট হতেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়েছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, ২০২৬ সালেও একই ছবি দেখা যাবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিলেন মমতা।নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে ইস্তফা দিতে বলতে পারেন। তবে মমতা জানিয়েছেন, সেই নির্দেশ এলেও তিনি ইস্তফা দেবেন না। অর্থাৎ ফলাফলকে তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে রাজি নন।এই অবস্থানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই আচরণ ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী।এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের ফল নিয়ে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, সকাল থেকেই সংবাদমাধ্যমে বিজেপির জয়ের খবর দেখানো হচ্ছিল। কয়েক রাউন্ড গণনার পর থেকেই তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা শুরু হয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলাদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নথিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।মমতা আরও বলেন, তাঁকেও অপমানের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়। তাঁর কথায়, একজন মহিলা এবং একজন মানুষ হিসেবে যে অপমান করা হয়েছে, তাতে বোঝা যায় কর্মীদের সঙ্গে কী করা হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে নজিরবিহীন দৃশ্য! কর্মীদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—গেরুয়া আবিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল প্রশাসন

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের পর নবান্নে দেখা গেল এক বিরল ছবি। ফল প্রকাশের পরই নবান্নের ভিতরে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মুখে শোনা গেল জয় শ্রীরাম স্লোগান। বিভিন্ন তলা থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দেখা যায়। গেরুয়া আবিরে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবিও সামনে আসে।চোখে পড়ার মতো বিষয়, মহিলা ও পুরুষউভয় কর্মীদেরই এই উচ্ছ্বাসে অংশ নিতে দেখা যায়। নবান্নের বিভিন্ন তলায় একই ছবি ধরা পড়ে। কর্মীদের দাবি, এতদিন তারা ভয়ের মধ্যে কাজ করতেন, এখন সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন। তাঁদের কথায়, এখন আমরা মুক্ত।অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও জয় উদ্যাপনে মেতে উঠেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ও সমর্থকরা। বিশেষ করে বিধাননগরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।এই নির্বাচনে প্রায় ১৫ বছর পর বাংলায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলাফল অনুযায়ী, তারা ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।উত্তর থেকে দক্ষিণরাজ্যের প্রায় সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের সাফল্য চোখে পড়েছে। তৃণমূলের একাধিক শক্ত ঘাঁটিতেও এবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা।নবান্নের আশপাশেও গেরুয়া পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পরিবর্তনের আবহ স্পষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রেও।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় ঘোষণা! বাংলায় সরকার গঠনের আগে বড় দায়িত্বে অমিত শাহ—মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন?

বাংলার ভোটে বহু প্রতীক্ষিত জয়ের পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে তৃণমূল শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত শাহ-কে।দল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া তিনি তদারকি করবেন। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি-কে। এই দুই নেতার উপরই এখন বড় দায়িত্ব, কারণ তাঁদের তত্ত্বাবধানেই ঠিক হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন।মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় পদ্ম শিবিরের নেতৃত্ব।অন্যদিকে অসমেও একইভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে দল। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জেপি নাড্ডা-কে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি। দল ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।উল্লেখ্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকেই সত্যি করে বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দুইশোর বেশি আসন পেয়েছে তারা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শতকের গণ্ডিও পার করতে পারেনি।ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ২টি আসন। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও পেয়েছে ২টি আসন। এছাড়া সিপিএম এবং আইএসএফ পেয়েছে ১টি করে আসন।তবে এই ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, ভোট প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের সাক্ষী থেকেছে গোটা রাজ্য, যা দেশের নজর কেড়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! মমতার বাড়ির সামনে থেকে সরল কড়া নিরাপত্তা, কী ঘটছে ভিতরে?

এখনও ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর নামের পাশে প্রাক্তন শব্দটি যুক্ত হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনকি তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেও প্রায় পনেরো হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি (Mamata Banerjee)।এই পরিস্থিতিতে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে সামনে এল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ছবি। তাঁর বাড়ির সামনে থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (Mamata Banerjee)।দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই বাড়িতেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলা। সময়ের সঙ্গে বাড়ির আশপাশের পরিবেশ বদলালেও তাঁর বাড়ির গঠন খুব একটা বদলায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ওই এলাকার নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছিল।বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর তাঁর বাড়ির সামনে শক্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। বাড়ির সামনে রাস্তা প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বাইরের কেউ ওই এলাকায় ঢুকতে গেলে গার্ডরেল পেরোতে হত এবং কারণ জানাতে হত। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিজেদের পরিচয় জানিয়ে ঢুকতে হত (Mamata Banerjee)।এখন সেই গার্ডরেল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে আর আগের মতো বাধা থাকছে না। তবে গলির মুখে পুলিশি নজরদারি এখনও বজায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতে একাধিকবার তাঁর বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকবার সন্দেহভাজন ব্যক্তির ঢুকে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। এমনকি অস্ত্র নিয়ে ঢোকার অভিযোগও উঠেছিল। বিভিন্ন সময়ে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে।কয়েক মাস আগেও অভিযোগ উঠেছিল, কিছু অচেনা ব্যক্তি তাঁর বাড়ির আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরার মুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাগুলি সামনে আসার পরই নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছিল।তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সেই নিরাপত্তা বলয়ে শিথিলতা আসায় নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal