• ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Security

দেশ

শরীরে চিপ লাগানো আছে, অজিত ডোভালের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করে গ্রেপ্তার ব্যক্তি

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে ডোভালের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন অভিযুক্ত। তখনই নিরাপত্তাকর্মীরা ওই ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন।পুলিশ সূত্রে খবর, ধরা পড়ার পর ওই ব্যক্তি আপন মনেই বকে যাচ্ছিলেন। এমনকী পুলিশের কাছে দাবি করেন, তাঁর শরীরে চিপ লাগানো আছে। বাইরে থেকে সেটি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এর পরই পুলিশ ধৃত শরীরের এমআরআই করানো হয়। দিল্লি পুলিশের দাবি, ধৃতের শরীরে কোনও চিপই মেলেনি। ধৃত ব্যক্তি বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা। তাঁকে দিল্লি পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কেন ঢোকার চেষ্টা করছিলেন তিনি। এই ঘটনার পিছনে কোনও চক্রান্ত রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।অজিত দোভালের বাসভবনের সামনে রয়েছে বিশাল নিরাপত্তা বাহিনী। সেই নিরাপত্তা এড়িয়েই এ দিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বাড়িতে প্রবেশ করার চেষ্টা করেছিলেন ওই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। কেন্দ্রের জেড প্লাস নিরাপত্তা পান অজিত দোভাল। তাঁর বাড়িতে রয়েছে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের নিরাপত্তা। পুলিশ জানিয়েছে সামনের গেট দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন ওই ব্যক্তি। এ দিন ছুটি নিয়ে বাড়িতেই ছিলেন অজিত দোভাল। পুরো ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশের বিশেষ সেল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
কলকাতা

ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় শুরু চার পুরনিগমের ভোটগণনা

রাজ্যের চার পুরসভার ভোট গণনা শুরু হয়েছে। ভোটের মত গণনা পর্বেও কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। কোভিড বিধি মেনে নির্বিঘ্নে সম্পাদন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে । রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল আটটা থেকে গণনা শুরু হয়েছে। কিন্তু সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সকাল সাতটার মধ্যে এসে উপস্থিত হতে হয়েছে গণনা কেন্দ্রে। সাড়ে সাতটা থেকে নিরাপত্তা কর্মীরা তাঁদের ভিতরে প্রবেশ করান।গণনা কেন্দ্র-সহ গণনা কেন্দ্রের বাইরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। একদম বাইরে রয়েছে আরটি মোবাইল, এইচআরএসএসও, কিউআরটি ফোর্স, সশস্ত্র বাহিনী ও লাঠিধারী পুলিশ। দ্বিতীয় স্তরে শুধুমাত্র বন্দুকধারী পুলিশ রয়েছে। তৃতীয় স্তরে একেবারে বন্দুকধারী পুলিশ। তারা শুধুমাত্র গণনা কেন্দ্রের মধ্যে তাদেরকেই প্রবেশ করতে দেবেন যারা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত অনুমতি পত্র নিয়ে যাবেন। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে দ্বিতীয় স্তর পর্যন্ত। তৃতীয় স্তরে শুধুমাত্র তারাই প্রবেশ করতে পারবেন যাবেন কমিশন নিয়ে যাবে। সেখানে রাজ্য তথ্য-সংস্কৃতি ও জেলাশাসকদের দপ্তরের কর্মীরা থাকবেন। তাঁরাই এ কাজে সহযোগিতা করবেন। তবে গণনা কেন্দ্রের প্রথম স্তরেই ঢুকতে গেলে শুধুমাত্র সাদা কাগজ এবং পেন ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে যাওয়া যাবে না। শুধুমাত্র সংবাদকর্মীদের এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্তর পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনার কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে অন্য কক্ষে শুরু হয়ে যাবে ইভিএম গণনা।রাজ্য নির্বাচন কমিশন নিরাপত্তার জন্য কঠোরতম ব্যবস্থা নিয়েছে। এই ফলাফলকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেই দিকে কমিশন সজাগ দৃষ্টি রেখেছে। পাশাপাশি কমিশন সূত্রে খবর, দুপুর ১টার মধ্যে ফলাফল সম্পূর্ণ প্রকাশিত হয়ে যাবে।কমিশন জানাচ্ছে, আসানসোলে ২২ রাউন্ড, বিধাননগরে সর্বনিম্ন ৮ এবং সর্বোচ্চ ১৪ রাউন্ড, চন্দননগরের সর্বনিম্ন ৬ এবং সর্বোচ্চ ১১ রাউন্ড ও শিলিগুড়িতে সর্বনিম্ন ৬ এবং সর্বোচ্চ ৭ রাউন্ড গণনা হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

চার পুরনিগমে শুরু ভোটগ্রহণ

চার জেলার চার পুরনিগমে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি পুরনিগম , হুগলি জেলার চন্দননগর পুরনিগম , উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর পুরনিগম ও পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল পুরনিগমে ভোট। সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আগামী সোমবার ভোটের ফল ঘোষণা। প্রথমে ২২ জানুয়ারি এই চার পুরনিগমে ভোট হওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবারের ভোটে চার পুরনিগমের জন্য ৯ হাজার বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে সাড়ে আট হাজার থাকছে বুথের দায়িত্বে। বাকি ৫০০ বাহিনী থাকছে কুইক রেসপন্স টিম, নাকা চেকিং ইত্যাদির জন্য। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে চার পুরনিগমের নির্বাচনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী থাকবে, থাকবে লাঠিধারীও। সমস্ত পুলিশ কমিশনারেটই প্রস্তুত রয়েছে এদিনের ভোট শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করতে। ১০০ শতাংশ বুথেই থাকছে সিসিটিভি।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় কাল চার পুরসভায় ভোটগ্রহণ

কলকাতা পুরসভার ভোট পর্ব মিটেছে নির্বিঘ্নেই। দ্বিতীয় দফায় শনিবার রাজ্যের চার পুরসভায় ভোটগ্রহণ। আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর ও চন্দননগরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে । ভোটের অনেক আগে থেকেই চলছে নাকা চেকিং এবং রুট মার্চ । বিশেষ করে, বিধাননগরে প্রতিটি প্রবেশ পথে চলছে কড়া নাকা চেকিং । প্রতিটি গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে ।এই পর্যায়ের ভোটে প্রতিটি বুথকেই স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।৪ পুর নিগমে মোট ওয়ার্ড ২১৭টি । সবচেয়ে বেশি ওয়ার্ড রয়েছে আসানসোলে, ১০৬ টি। এছাড়াও শিলিগুড়িতে ৪৭, বিধাননগরে ৪১, এবং চন্দননগরে ৩৩টি। ৪ পুরনিগমে মোট ভোটার ১৯ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৬২ জন।প্রত্যেক পুরনিগমের জন্য ৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং ১জন বিশেষ পর্যবেক্ষক থাকছেন বলে কমিশন সূত্রে খবর। নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি বুথের ভিতরে এবং বাইরে চলবে সিসিটিভির নজরদারি। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, চার পুরনিগমের ভোটের জন্য ৯ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। ভোট কেন্দ্রে থাকবে ৮ হাজার ৫০০ পুলিশ। বাকি ৫০০ পুলিশকর্মীকে নাকা চেকিং-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। কমিশন জানিয়েছে, সশস্ত্র পুলিশ থাকছে ৫ হাজার ৫৫৭ জন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই সশস্ত্র প্রহরী এবং লাঠিধারী কনস্টেবল থাকবেন। ৪ পুরসভার ২০৭৮টি বুথকেই স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে কমিশন।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

প্রজাতন্ত্র দিবসে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা

নিউ মার্কেট, পার্কস্ট্রিট থেকে বড়বাজার প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই শহরজুড়ে চলেছে পুলিশের তল্লাশি। হোটেল, গেস্ট হাউজগুলিতেও কড়া নজরদারি পুলিশের। বিভিন্ন রাস্তায় চলছে নাকা চেকিং। মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। শহরের আনাচে-কানাচে চলছে নজরদারি। মূল অনুষ্ঠানের জায়গাতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।রেড রোডে যেখানে প্যারেড রয়েছে, সেখানে আড়াই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে ১১০০ পুলিশ রয়েছে রেড রোডে। অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার কর্তারা রয়েছেন। রেড রোডে ১১টি জোন প্রস্তুত করা হয়েছে। দায়িত্বে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার কর্তারা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। তার মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হচ্ছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে পুলিশ পিকেটিং রয়েছে।যে যে পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের তরফে করা হয়েছে কোভিডের কারণে এবারও দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। ভিআইপি সংখ্যাও কমানো হয়েছে, যাতে কোভিডবিধি ভঙ্গ না হয়। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানের জায়গা কড়া নিরাপত্তার মোড়কে। শহরজুড়ে চলছে নজরদারি। নিরাপত্তার জন্য রেড রোড সংলগ্ন এলাকাকে ১১ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক জোনের দায়িত্বে একজন করে ডিসি পদমর্যাদার অফিসার। প্রত্যেক জোনকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। রেড রোডের চারপাশে ৫ টি স্যান্ড ব্যাংকার রয়েছে। ৯ ডিভিশনে ২৬ টি পিসিআর ভ্যান থাকছে। ১২ টি এইচআরএফএস গাড়ি থাকছে। মোটরবাইক পেট্রোল টিম রয়েছে ৮ টি। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার। মোতায়েন রয়েছে ৩ টি কুইক রেসপন্স টিম। রেড রোডে বিশেষ কন্ট্রোল পোস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহরে ঢোকা বেরোনোর প্রত্যেকটি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

শহর বর্ধমানে ব্যাঙ্ক ডাকাতির পর পূর্ব বর্ধমানের ব্যাঙ্কগুলির সুরক্ষা পর্যালোচনা শুরু পুলিশের

এ যেন চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে এমন অবস্থা। বর্ধমানে ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনার পর পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও একজনও দুস্কৃতির নাগাল পায়নি পুলিশ। তবে এই ঘটনার পর জেলার ব্যাঙ্ক গুলির সুরক্ষা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। সেই মতো গত দুদিন ধরে চলছে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় থাকা ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের নিয়ে পুলিশ কর্তাদের বৈঠক। যেমনটা মঙ্গলবার হল জেলার খণ্ডঘোষ, ভাতার, পূর্বস্থলী ও কালনা থানায়। এত কিছুর পরেও ব্যাঙ্কে দুস্কৃতী হানা রোখা যায় কিনা তার উত্তর ভবিষ্যতেই মিলবে বলে মত ওয়াকাবহাল মহলের। ব্যাঙ্কের সুরক্ষা বিষয়ক যে বিষয়গুলি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয় তা যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কগুলির সুরক্ষা বিষয়ক মিটিং তাঁরা করেছেন ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের সঙ্গে। মূলত ব্যাঙ্কের ইমার্জেন্সি এলার্ম ও সিসিটিভি সচল রাখা সহ ব্যাঙ্কে আর্মড সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ ইত্যাদি বিষয় গুলি নিয়ে মিটিংয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানার নম্বর, দমকল কেন্দ্রের নম্বর, সিকিউরিটি এজেন্সির নম্বর ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরে বিভিন্ন জায়গায় টাঙ্গিয়ে রাখার কথা কর্ত্পক্ষকে বলা হয়েছে। এছাড়াও আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ব্যাঙ্কের সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়গুলি নিয়ে মিটিংয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার এই দুদিনে কালনা মহকুমার নাদনঘাট , মন্তেশ্বর ,পূর্বস্থলী , কালনা প্রভৃতি থানা এলাকায় থাকা ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে এমন আলোচনা সম্পূর্ণ হয়েছে বলে এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন। ইতিপূর্বে জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারাও একই রকম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরেছেন।এদিন ভাতার ও খণ্ডঘোষ থানাতেও ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। একই বিষয় নিয়ে এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিন)সুপ্রভাত চক্রবর্তী এদিন মেমারি থানায় এলাকার ব্যাঙ্ক ও পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষকে নিয়ে মিটিং করেন। শহর বর্ধমানে ডাকাতির ঘটনা এই প্রথম ঘটলো এমনটা নয় ।ইতিপূর্বে ২০২০ সালের ১৭ জুলাই দিনেদুপুরে শহর বর্ধমানের বিসিরোড এলাকায় থাকা স্বর্ণঋণ দান সংস্থাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। তার আগে ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে বৈদ্যনাথ ক্যাটরায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক শাখা থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা লুট হয়। আর গত শুক্রবার সাত সকালে বর্ধমানের কার্জনগেট সংলগ্ন বৈদ্যনাথ ক্যাটরার বাজারের দোতলায় থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে হানা দেয় সশস্ত্র ডাকাত দল।তারা ব্যাঙ্কে থাকা গ্রাহকদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বসিয়ে রেখে ও ব্যাঙ্ক কর্মীদের মারধোর করে ৩৩ লক্ষ টাকা লুট করেনিয়ে বিনা বাধায় পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময়ে ব্যাঙ্কের মূল গেটে তালাও লাগিয়ে দেয় মুখ ঢাকা থাকা দুস্কৃতিরা। এই ডাকাতির ঘটনার পর তড়িঘড়ি সিট গঠন করে তদন্তে নামার কথা জানান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন । দুস্কৃতিদের নাগাল পেতে ঘটনার দিন জেলার বিভিন্ন সড়ক পথে শুরু হয় নাকা চেকিং। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি। এমনকি ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনার পর পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ দুস্কৃতিদের একজনেরও নাগাল পায় নি ।তারই মধ্যে এখন জেলার ব্যাঙ্ক গুলির সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন থানা এলাকায় থাকা ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের সঙ্গে মিটিং করে চলেছেন পুলিশ কর্তারা ।এই প্রসঙ্গে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন ,তাহলেকি এতদিন জেলার ব্যাঙ্ক গুলির সুরক্ষা নিয়ে পুলিশ সে ভাবে মাথা ঘামায় নি ? বর্ধমানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যাবার পর পুলিশ কর্তারা জেলার ব্যাঙ্কগুলির সুরক্ষায় খামতি খুঁজে পেলেন? এই সব প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলাবাসীর মুখে মুখে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
কলকাতা

সাধারণতন্ত্র দিবসে রেড রোডে কড়া নিরাপত্তা

প্রজাতন্ত্র দিবস ঘিরে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ছে কলকাতা। শহরের আনাচে-কানাচে চলছে নজরদারি। মূল অনুষ্ঠানের জায়গাতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।রেড রোডে যেখানে প্যারেড হবে, সেখানে আড়াই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে ১১০০ পুলিশ থাকবে রেড রোডে। অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার কর্তারা থাকবেন। রেড রোডে ১১টি জোন প্রস্তুত করা হয়েছে। দায়িত্বে থাকবেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার কর্তারা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার থাকবে। তার মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হবে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে পুলিশ পিকেটিং থাকবে।প্যারেডে এবার মূল আকর্ষণ নেতাজির ট্যাবলো। ইতিমধ্যেই তা প্রস্তুত করা হয়ে গিয়েছে। দিন কয়েক আগেই নেতাজি ট্যাবলোকে রেড রোডের কুচকাওয়াজে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। দিল্লির অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের নেতাজি ট্যাবলো বাদ পড়ার পরেই রেড রোডের কুচকাওয়াজে নেতাজি ট্যাবলো রাখার সিন্ধান্ত নেওয়া হয় রাজ্য সরকারের তরফে।রেড রোডে কড়া নিরাপত্তা কীভাবে সাজানো হয়েছে জানুন-১। কোভিডের কারণে এবারও দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। ভিআইপি সংখ্যাও কমানো হয়েছে, যাতে কোভিডবিধি ভঙ্গ না হয়।২। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানের জায়গাকে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। শহরজুড়ে চলবে নজরদারি। নিরাপত্তার জন্য রেড রোড সংলগ্ন এলাকাকে ১১ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক জোনের দায়িত্বে একজন করে ডিসি পদমর্যাদার অফিসার। প্রত্যেক জোনকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে।৩। রেড রোডের চারপাশে ৫ টি স্যান্ড বাংকার থাকবে।৪। ৯ ডিভিশনে ২৬ টি পিসিআর ভ্যান থাকবে।৫।১২ টি এইচআরএফএস গাড়ি থাকবে। মোটরবাইক প্যাট্রোল টিম ৮ টি।৬। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার। মোতায়েন থাকবে ৩ টি কুইক রেসপন্স টিম।৭। রেড রোডে বিশেষ কন্ট্রোল পোস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে।৮। শহরে ঢোকা বেরোনোর প্রত্যেকটি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলবে প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে কড়া নিরাপত্তা কলকাতা মেট্রোতে, কোথায় কোথায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে জেনে নিন

প্রজাতন্ত্র দিবসের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা কয়েক গুন বাড়ানো হল কলকাতা মেট্রোতে। ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই নিরাপত্তা বাড়ানো হল। মেট্রোরেলের পক্ষ থেকে প্রায় সাড়ে ৮০০ রেলপুলিশের কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়াও কলকাতা মেট্রোর যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে।১. বিভিন্ন স্টেশনে মোতায়েন থাকবে রেল পুলিশের কর্মীরা। সময় ভাগ করে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। নির্দিষ্ট দিনে যাতে কোনও রকম নাশকতামূলক ঘটনা কলকাতা মেট্রোতে না ঘটে, সেই কারণে এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।২. বেশ কয়েকটি কুইক রেসপন্স টিম তৈরি করা হয়েছে, যাতে বিপদ বুঝলেই সতর্ক হওয়া সম্ভব হয়। প্রতিটি টিমে থাকবেন ৫ থেকে ৬ জন করে নিরাপত্তাকর্মী।৩. মহিলা এবং শিশু যাত্রীদের জন্য নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বিশেষ মহিলা সিকিউরিটি টিম তৈরি করা হয়েছে। তাঁরাও স্টেশনগুলিতে উপস্থিত থাকবেন।৪. স্নিফার ডগ প্রস্তুত রাখা হচ্ছে স্টেশনগুলিতে। নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখতে চায় না কর্তৃপক্ষ।৫. একই সঙ্গে মেট্রোর যে সমস্ত সম্পত্তি রয়েছে সেগুলোর যাতে ক্ষতি না হয় তার জন্য পর্যাপ্ত নজরদারি রাখা হচ্ছে কলকাতা মেট্রো রেলের পক্ষ থেকে।৬. মেট্রোতে যে সমস্ত ইলেকট্রিক ইনস্টলেশন রয়েছে সেগুলিতে বাড়তি নিরাপত্তা রাখা হচ্ছে।৭. কলকাতা মেট্রো রেল লাইনের ওপর বিশেষ নজরদারি থাকবে। পরিষেবা শুরু হওয়ার আগে এবং পরিষেবা শেষ হওয়ার পর রাখা হবে নজরদারি। মেট্রোরেলের কারশেডেও নজর রাখা হবে।কলকাতা মেট্রো রেলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রত্যুষ ঘোষ জানিয়েছেন, নাশকতা মূলক কার্যকলাপ যাতে কলকাতা মেট্রোতে না ঘটে এবং তা রুখতে সম্পূণর্ প্রস্তুত থাকছেন তাঁরা।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজনীতি

Tripura-Supreme Court: বড় জয় সুস্মিতা দেবের, পুর ভোটের আগে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে নিরাপত্তার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

ত্রিপুরায় পুরভোটের আগে অশান্তির অভিযোগ নিয়ে বৃহস্পতিবার কড়া নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, ভোটের আগে সমস্ত রাজনৈতিক দল যাতে নির্বিঘ্নে প্রচার করতে পারে এবং নির্বাচন যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্য সরকারকে।এ প্রসঙ্গে সুস্মিতা বলেন, সুপ্রিম কোর্টকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ত্রিপুরা পুলিশ কোনও এফআইআরে পদক্ষেপ করছে না। আর কোনও তৃণমূলের নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর জমা পড়ছে, ওরা ওয়ারেন্ট জারি করছে। ওরা আমাদের চার সৃষ্টি করছে যাতে আমরা ভয়ে প্রচার করা বন্ধ করি। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর আমরা এ বার রাস্তা পেয়ে গেলাম।কুণাল ঘোষ টুইটে লেখেন, ত্রিপুরায় সন্ত্রাস। মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূল কংগ্রেসের মামলায় পুলিশকে বলল অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে। নিরাপত্তা দিতে হবে প্রার্থী-সহ সকলকে। স্বরাষ্ট্রসচিবকে হলফনামা দিয়ে পদক্ষেপ জানাতে হবে। তৃণমূল এই রায় স্বাগত জানাচ্ছে। এটি কার্যকর করতে হবে।ত্রিপুরায় সন্ত্রাস। মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূল কংগ্রেসের মামলায় পুলিশকে বলল অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে। নিরাপত্তা দিতে হবে প্রার্থীসহ সকলকে। স্বরাষ্ট্রসচিবকে হলফনামা দিয়ে পদক্ষেপ জানাতে হবে।তৃণমূল এই রায় স্বাগত জানাচ্ছে। এটি কার্যকর করতে হবে। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) November 11, 2021ত্রিপুরায় একের পর এক দলীয় নেতানেত্রীদের উপর হামলার ঘটনায় বিপ্লব দেবের সরকারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। বিপ্লব দেবের রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এক জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনেরও আর্জি জানিয়েছেন সুস্মিতা। ওই আর্জির ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়ে জানায়, ত্রিপুরায় ভোটের প্রক্রিয়া যখন শুরু হয়ে গিয়েছে, তখন সমস্ত রাজনৈতিক দলেরই প্রচার চালানোর অধিকার রয়েছেন। সুস্মিতা দেব-সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রচারকদের নিরাপত্তার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। পাশাপাশি ত্রিপুরার স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিজিপি-কে নির্দেশ, এ দিন আদালত যে রায় দিয়েছে, তার পালন কীভাবে হচ্ছে আদালতকে তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
দেশ

Kashmir-Amit Shah: ৩ দিনের ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে কাশ্মীরে অমিত শাহ

২ বছর পর জম্মু-কাশ্মীর সফরে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে তিনদিনের এই সফরে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে আবহাওয়া। আবহাওয়া দপ্তর শনি ও রবিবারের জন্য জারি করেছে হাই অ্যালার্ট।এদিন সকাল সাড়ে ১১টা-১২টা নাগাদ তিনি উপত্যকায় পৌঁছন। ২০১৯ সালে ৩৭০ অনুচ্ছেদ অবলুপ্ত করে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর এই প্রথম উপত্যকায় সফর তাঁর। স্বাভাবিকভাবেই এই সফর তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।Nowgam | HM Amit Shah visits residence of slain Insp Parvez Ahmed, who was killed by terrorists last month. During his visit, HM met Ahmeds wife Fatima Akhter gave her official papers for a govt jobJK LG Manoj Sinha, Union Min Jitendra Singh DGP Dilbag Singh also present pic.twitter.com/5MCm7v4lWl ANI (@ANI) October 23, 2021তিনদিনের সফরের প্রথমদিনেই ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। পৌঁছনোর পর শহিদ পুলিশ ইন্সপেক্টরের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পরই তিনি শ্রীনগরে রাজভবনে যান। সেখানে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিয়ে রিভিউ বৈঠক শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রধান কুলদীপ সিং তাঁকে নিরাপত্তা বিষয়ক যাবতীয় তথ্য জানিয়েছেন। বাকি গোয়েন্দা ও তদন্তকারী সংস্থার প্রধানরাও একে একে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করবেন বলে জানা গিয়েছে।#WATCH Union Home Minister Amit Shah chairs security review meeting during his three-day visit to the Union Territory of Jammu and Kashmir pic.twitter.com/qtohyuXs2P ANI (@ANI) October 23, 2021উপত্যকায় পৌঁছেই শহিদ পুলিশকর্মীর বাড়িতে ছুটলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গত জুন মাসে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ইন্সপেক্টর পারভেজ আহমেদ দার। এদিন শ্রীনগরে পৌঁছেই প্রথমে তাঁর বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পারভেজ ও বাকি পুলিশ অফিসাররা দেশের জন্য যে আত্মবলিদান করেছেন, তা দেশবাসী কখনও ভুলবে না বলেই জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পারভেজের পরিবারের পাশে সরকার তথা গোটা দেশ রয়েছে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। একইসঙ্গে তাদের আর্থিক কষ্টের কথা শুনে পারভেজ দারের স্ত্রীকে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন অমিত শাহ।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই হাই-ভোল্টেজ সফর ঘিরে আগে থেকেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে উপত্যকা। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অমিত শাহ যাওয়ার আগে ড্রোন ও মোটরবোট ব্যবহার করে নজরদারি শুরু করেছে সিআরপিএফ। ডাল লেকে ও ঝিলম নদীর ওপর নজর রাখা হয়েছে। বিশেষ বিশেষ জায়গা চিহ্নিত করে স্নাইপার ও শার্পশুটার মোতায়েন করা হয়েছে। রাস্তা দিয়ে যাওয় সব গাড়ি চেক করা হচ্ছে। আকাশপথে চলছে নজরদারি।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Independence Security: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঢেকেছে শহর

রবিবার স্বাধীনতা দিবস। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে কলকাতাকে। নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, কলকাতার নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবেন প্রায় চার হাজার পুলিশকর্মী। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেড রোডে নিরাপত্তা আটোসাঁটো করা হয়েছে। রেড রোডে তিনটি ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করেছে কলকাতা পুলিশ। সেখান থেকেই নজর রাখা হবে। রবিবার রাস্তায় থাকবেন ১১ জন ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিক। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকির দায়িত্বে থাকছেন অতিরিক্ত নগরপাল দময়ন্তী সেন।লালবাজার সূত্রে খবর, রেড রোড এবং গোটা কলকাতার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ২৩টি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলছে। প্রত্যেকটি গাড়ি পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রায় ৫০০টি অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে রেড রোড ও আশেপাশের এলাকায়। এছাড়াও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ। কলকাতার বিভিন্ন হোটেল ও গেষ্ট হাউসে তল্লাশি চলছে। কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় টহল দেবে পর্যাপ্ত পরিমান হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড। করোনা অতিমারির মধ্যেই এবার স্বাধীনতা দিবস পালন করা হবে। তাই বাড়তি সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। কোভিডবিধি মেনে এবার রেড রোডে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধ থাকছে। তবে রাজ্যের মন্ত্রীরা সহ আমন্ত্রিত অতিথিরা থাকবেন অনুষ্ঠানে। দুরত্ববিধি মেনেই তাঁদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার অবশ্য ট্যাবলো ফিরছে কুচকাওয়াজে। মোট ৪০ মিনিটের একটি অনুষ্ঠান করা হবে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গি কোভিড বিধি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে অনাড়ম্বরভাবেই দেশের ৭৫-তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। অতিমারির আবহে গত বছরেও স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল সাদামাটা। এবারও দর্শকহীন রেড রোডে মাত্র শ খানেক অতিথির উপস্থিতিতে মিনিট ৪০-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। যদিও স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তির বিশেষ গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে শোভাযাত্রায় ট্যাবলোর সংখ্যা কিছু বাড়ছে। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষকবন্ধু, জল স্বপ্ন, খেলা দিবস- এর মতো নতুন প্রকল্পগুলি মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে ৯ থেকে ১০টি ট্যাবলো। এছাড়া তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং একতাই সম্প্রীতির ওপর ট্যাবলো বানানো হচ্ছে। কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের তরফে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফের ওপরে থাকছে বিশেষ ট্যাবলো। এবারেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করছে না। গান শোনাবে লোকপ্রসার শিল্পের বাউলের দল। পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এর পরে পুলিশ মেডেল প্রদান করবেন তিনি।কলকাতা ও রাজ্য পুলিশের সুসজ্জিত টুকরি অংশ নেবে মার্চপাস্টে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর দেহরক্ষীর 'রহস্যমৃত্যু'র তদন্তে সিআইডি

৭২ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তভার কাঁধে নিল সিআইডি। ২০১৮ সালে ১৩ই অক্টোবর কাঁথির পুলিশ ব্যারাকে মাথায় গুলি লেগে নিহত হন তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষী (Security) শুভব্রত চক্রবর্তী (Subhabrata Chakraborty)। ঘটনায় শুক্রবারই কাঁথি থানায় (Kanthi) নতুন করে এফআইআর (FIR) দায়ের হয়। স্বামীকে খুনের অভিযোগ তুলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় এফআইআর দায়ের করেন শুভব্রতর স্ত্রী সুপর্ণা চক্রবর্তী। সোমবারই শুভব্রতর মহিষাদলের বাড়িতেও যাওয়ার কথা গোয়েন্দাদের।আরও পড়ুনঃ রথের রশি টানতে না পারার অক্ষমতায় বেদনাতুর শিক্ষক জগন্নাথ, এ এক মর্মস্পর্শী সংগ্রামের কাহিনীসুপর্ণার অভিযোগ পেয়ে কাঁথি থানায় ৩০২ এবং ১২০বি ধারায় এফআইআর দায়ের হয়। নিজের অভিযোগপত্রে একগুচ্ছ প্রশ্নে কার্যত শুভেন্দুর বিরুদ্ধেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন সুপর্ণা। সেই সঙ্গে তাঁর স্বামীর মৃত্যু-রহস্যের পিছনে প্রকৃত সত্য উদঘযটনের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, এফআইআরে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন মৃতের স্ত্রী। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিরাপত্তায় থাকাকালীন কীভাবে গুলিবিদ্ধ হলেন শুভব্রত চক্রবর্তী (Suvabrata Chakraborty)? কেন তাঁকে দেরি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল? জানতে চেয়েছেন তিনি। এদিকে আড়াই বছর পর কেন এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুনঃ অনাড়ম্বরেই মাসির বাড়ি যাচ্ছেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাএই মর্মে তিনি আগেই বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারীকে ভয় দেখিয়ে এসব হবে না। সোজাসুজি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলুন, শুভেন্দু অধিকারী তুমি আমাকে নন্দীগ্রামে হারিয়ে দিয়েছো। তাই ৩ মাস বা ৬ মাস জেলে থাকতে হবে। তিনি বয়সে বড়। যেদিন বলবেন তাঁর ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়ে কদিন জেলে কাটিয়ে আসব।

জুলাই ১২, ২০২১
বিদেশ

China-Uyghurs: উইঘুর নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের

উইঘুর নির্যাতন নিয়ে সরব রাষ্ট্রসঙ্ঘ (United Nations)। চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে এবার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত শিনজিয়াং প্রদেশ পরিদর্শনের কথা বললেন মানবাধিকার পরিষদের প্রধান মিশেল ব্যাকলেট। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে শিনজিয়াং প্রদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা হওয়ার পর থেকেই উইঘুর মুসলিমদের উপর রাশ টেনেছে চিন। সেখানে উইঘুর (Uyghurs) ও অন্য মুসলিম (Muslim) জনগোষ্ঠীর ওপর জুলুমের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগে বিবিসির তরফে এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, বন্দিশিবিরে থাকা মুসলিম মহিলাদের উপর পরিকল্পনা করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন চালাচ্ছে চিন। সেই রিপোর্টকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমেরিকা।আরও পড়ুনঃ সরকারি সম্পত্তি অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার রাজীব ঘনিষ্ঠসোমবার মানবাধিকার পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে চিন, রাশিয়া ও ইথিওপিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সরব হন ব্যাকলেট। বিশেষ করে চিনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুরদের উপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চলতি বছরই শিনজিয়াং যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ব্যাকলেট। একইসঙ্গে, হংকংয়ে চিনা দমননীতি নিয়েও সরব হন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের প্রধান। স্বশাসিত প্রদেশটির গণতান্ত্রিক মর্যাদা কেড়ে নিতে জিনপিং প্রশাসনের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের সমালোচনা করেন ব্যাকলেট। বিশ্লেষকদের মতে, উইঘুর ও হংকং ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যাকফুটে রয়েছে চিন। এবার শিনজিয়াং পরিদর্শনের প্রসঙ্গ তুলে চিনের উপর আরও চাপ বড়াল রাষ্ট্রসঙ্ঘ।

জুন ২২, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: মুকুলের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিজেপি ছেড়ে সদ্যই তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন সপুত্র মুকুল রায়ের (Mukul Roy)। ফের ঘাসফুল শিবিরে ফেরার পরই তাঁর নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছিল রাজ্য সরকার। তবে তার আগে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন খোদ মুকুল রায়। মুকুল রায়ের আর্জি মেনে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।Security of TMC leader Mukul Roy has been withdrawn by Ministry of Home Affairs (MHA), order has been issued: Govt Sources(File photo) pic.twitter.com/RcLInrbaLl ANI (@ANI) June 17, 2021সাড়ে তিন বছর পর ঘরে ফেরা। পুরনো দলে, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ফের রাজনৈতিক ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়লেন তিনি। শুক্রবারই বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় সপুত্র ফিরেছেন তৃণমূলে (TMC)। তাঁদের উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে যোগদানের পর তিনি বললেন, বিজেপি থেকে বেরিয়ে খুব ভাল লাগছে। নতুন আঙিনায় এসেছি, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। আর এটা ভেবে ভাল লাগছে, বাংলা আবার তার নিজের জায়গায় ফিরবে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন মমতা। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরল বলেই জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানান মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হল তাঁর। তবে তার আগেই তাঁকে জেড ক্যাটাগরি এবং শুভ্রাংশু রায়কে (Subhranshu Roy) ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেয় রাজ্য।

জুন ১৭, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: পুরনো ভূমিকাতেই মুকুল, মিলল জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা

সদ্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তন করা মুকুল রায়কে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। তাঁর পুত্র প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়কে ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর সূত্রে এ খবর জানা গিয়েছে। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের পরেই মুকুলবাবুর নিরাপত্তায় রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। যদিও তাঁর নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানেরা এখনও পর্যন্ত মোতায়েন রয়েছেন। তবে মুকুলবাবু ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে চিঠি লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শুক্রবারই আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে ফিরেই নিজের কাজ শুরু দিয়েছেন মুকুল রায়৷ সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিজেপি-র বেশ কয়েকজন সাংসদ এবং বিধায়কের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে মুকুলের৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও এদিন দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি। মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের দু জন বিজেপি সাংসদের সঙ্গে কথা হয়েছে মুকুলের৷ উত্তরবঙ্গেরই আরও এক সাংসদের কাছেও দল বদলের প্রাথমিক প্রস্তাব গিয়েছে বলে খবর৷ শুধু তাই নয়, উত্তরবঙ্গের একজন-সহ গোটা রাজ্যে অন্তত সাত থেকে আটজন বিজেপি বিধায়কের সঙ্গেও ফোনে কথা হয়েছে মুকুল রায়ের৷ এঁদের মধ্যে কয়েকজন মুকুল ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত৷ ফলে বিজেপি-র মধ্যেই তাঁদের দলবদল নিয়ে জল্পনা বাড়ছে৷ প্রসঙ্গত শুক্রবার মুকুল রায় যোগদান করার সময়ই তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছিলেন, বিজেপি থেকে আরও অনেকেই তৃণমূলে আসবে৷ কয়েকদিন আগে একই দাবি করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসও ইতিমধ্যে দলবদলের সম্ভাবনা বাড়িয়ে প্রকাশ্যেই বলেছেন মুকুল রায়ের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও মধুর সম্পর্ক তাঁর৷ শুক্রবার বনগাঁয় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ডাকা সাংগঠনিক বৈঠকেও যাননি তিনি৷ তবে শুধু সাংসদ, বিধায়করাই নন, নির্বাচনে হেরে যাওয়া মুকুল ঘনিষ্ঠ অনেক বিজেপি নেতাই ইতিমধ্যে মুখ খুলতে শুরু করেছেন৷ যেমন এ দিনই নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা বাড়িয়েছেন৷ মুকুলের হাত ধরেই বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন সুনীল৷ এমনিতেই নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বিজেপি-র মধ্যে অনেক নেতাই বেসুরো গাইছিলেন৷ তাঁদের অধিকাংশই হয় ভোটে জেতেননি, নয় টিকিট পাননি৷ কিন্তু মুকুল রায়ের দলবদলের পরই জয়ী বিধায়ক, এমনকী, সাংসদদের ধরে রাখা নিয়েও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বিজেপি শিবিরে৷

জুন ১২, ২০২১
রাজ্য

সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিতে চায় বিজেপি

পশ্চিমবঙ্গের সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আওতায় আনতে চায় বিজেপি। তবে ৭৭ জন বিধায়কের মধ্যে অনেকেই সেই সুবিধা পান। যাঁরা পান না তাঁদের আবেদন করতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৪০ জনের বেশি বিধায়ক আবেদনের ফর্ম পূরণ করেছেন। তবে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ি-সহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিতে চান না বলে দলকে জানিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে বিধায়কদের চলাফেরায় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণেই দল তাঁদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। যাঁরা চাইবেন তাঁদের জন্য নিরাপত্তার কথা বলা হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে।অন্য একটি সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও বাংলার বেশ কয়েকজন বিজেপি বিধায়কের উপরে হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে। সেই মর্মে ৬১ জন বিধায়কের একটি তালিকাও পাঠানো হয়েছে। সোমবারই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নির্বাচনের আগে থেকে জেড ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়ও একই রকম নিরাপত্তা পান। এ ছাড়াও দ্বিতীয়বারের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা আগে থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন করে কোচবিহারের সাংসদ তথা দিনহাটার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিকের নিরাপত্তা বাড়তে পারে। তিনি ওয়াই প্লাস ক্যাটিগরি অর্থাৎ, ২ জন কম্যান্ডো-সহ ১১ জন নিরাপত্তা রক্ষী পেতে পারেন। এখন নিশীথ ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। এ ছাড়াও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়-সহ ৩ বিধায়ককে ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ভাবছে বিজেপি। এই ক্যাটিগরিতে ৮ জন নিরাপত্তা রক্ষী থাকবেন। বাকি ইচ্ছুক বিধায়করা এক্স ক্যাটিগরিতে ২ জন করে নিরাপত্তা রক্ষী পাবেন। তবে এই নিরাপত্তা নেওয়া বা না নেওয়া নির্ভর করছে বিধায়কদের উপরে। তাঁরা না চাইলে নিরাপত্তা দেওয়া হবে নাসোমবার কলকাতার হেস্টিংসে বিজেপি দফতরে দলের সব বিধায়কদের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিরোধী দলনেতা নির্বাচন। সেই পর্ব মেটার পরে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য বিধায়কদের তথ্য নেওয়া হয়। মোট ৫২ জন বিধায়ক সোমবার উপস্থিত ছিলেন। সকলকেই নাম, বাসস্থান এবং কোন এলাকায় তিনি বেশি যাতায়াত করেন সে সব লিখে দিতে বলা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, সেই সময়েই তা জমা দেননি বালুরঘাটের অর্থনীতিবিদ বিধায়ক অশোক। নিরাপত্তা পাওয়ার তালিকায় নাম থাকলেও যাঁরা সোমবার উপস্থিত ছিলেন না তাঁদেরকেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। তালিকায় যাঁদের নাম নেই তাঁরাও যদি নিরাপত্ত চান সে ক্ষেত্রে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

মে ১০, ২০২১
রাজ্য

কড়া নিরাপত্তায় রাজ্যে শুরু হল গণনা

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আট দফা ভোট শেষে এবার ফলপ্রকাশের পালা। ২৯২ টি আসনে শুরু ভোটগণনা। বাকি ২টি আসনের প্রার্থীর মৃত্য়ুতে সেখানে ভোট হয়নি। কোভিডবিধি মেনে, প্রত্যেক গণনাকর্মী, রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা কর তবেই কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় জেলার প্রশাসনিক ভবনগুলিতে শুরু হয়েছে ভোটের গণনা। মোতায়েন ২৪২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল ৮.৪০: পোস্টাল ব্যালট গণনায় নন্দীগ্রামে এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। পুরুলিয়া, রঘুনাথপুরে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থীরা। বাঘমুন্ডি আসনে এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী নেপাল মাহাতো। সকাল ৮.৩৬: দমদমে পিছিয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী ব্রাত্য বসু। মানিকতলায় এগিয়ে সাধন পাণ্ডে। সকাল ৮.৩২: জামুড়িয়ায় এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী ঐশী ঘোষ। বারাকপুর, ভাটপাড়া, হাবড়া, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণে এগিয়ে বিজেপি। সকাল ৮.২৮: পোস্টাল ব্যালট গণনায় হাসন, সুজাপুরে এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীরা।সকাল ৮.২০: দাঁতন, মুরারই, মঙ্গলকোট, খড়গপুর সদর, রানাঘাট দক্ষিণে এগিয়ে তৃণমূল। রানিগঞ্জ, কেশিয়াড়ি, চন্দ্রকোণা, আলিপুরদুয়ার, দিনহাটা, মাদারিহাটে এগিয়ে বিজেপি। সকাল ৮.১২: পোস্টাল ব্যালট গণনার শুরুতে ৬ আসনে এগিয়ে বিজেপি, ৩ আসনে এগিয়ে তৃণমূল। কেতুগ্রাম, আসানসোল উত্তর, সবং, নলহাটিতে এগিয়ে তৃণমূল, মেমারি, সিউড়ি, দুবরাজপুরে বিজেপি এগিয়ে। সকাল ৮.০৪: গণনার শুরুতেই পানিহাটিতে অসুস্থ কংগ্রেসের এজেন্ট। গরমে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। হাসপাতালে ভরতি করাতে হল। এই গণনাকেন্দ্রে কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। গণনা ঘিরে শুরুতেই গন্ডগোল। সকাল ৮: ভোটগণননা শুরু রাজ্যের ২৯২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ২ টি কেন্দ্রে ভোট হয়নি। প্রথম আধঘণ্টা পোস্টাল ব্যালটের গণনা। তারপর হবে ইভিএমের ভোটগণনা।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

বাড়তি সতর্কতায় শান্তিপূর্ণ পঞ্চম দফা, জানাল কমিশন

শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে পঞ্চম দফার ভোট। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটলেও বড় কোনও অশান্তির খবর নেই। শনিবার ভোট শেষে এমনটাই জানালেন কমিশনের আধিকারিকরা। শনিবার পঞ্চম দফায় রাজ্যের মোট ৪৫টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই দফায় কিছু জায়গায় অশান্তির খবর পাওয়া গেলেও মোটের উপর ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে অভিমত কমিশনের। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব বলেন,পঞ্চম দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। দুএকটি জায়গায় অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। তা খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। নদিয়ার চাকদহে বুথের বাইরে বন্দুক হাতে ধরা পড়েন নির্দল প্রার্থী কৌশিক ভৌমিক। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানায় কমিশন। এ ছাড়া গয়েশপুরে বিজেপি কর্মীর উপর হামলার ঘটনায় ২ জনকে আটক করা হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, পঞ্চম দফার ভোটে সব মিলিয়ে মোট ১২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনকে আগাম আটক করা হয়েছিল।চতুর্থ দফার ভোটে কোচবিহারে অশান্তির পর এই দফায় বাড়তি সতর্কতা নিয়েছিল কমিশন। ভোটের ৭২ ঘন্টা আগেই প্রচার শেষের নির্দেশ দেয় কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি অশান্তি এড়াতে পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হয়। অশান্তির সম্ভাবনা রয়েছে এমন বুথগুলিতে ভিডিওগ্রাফি বাড়ায় কমিশন। এর পাশাপাশি ১৪৪ ধারা রয়েছে এমন এলাকায় কঠোর থাকতে বলা হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। এই সব পদক্ষেপই গন্ডগোল এড়াতে কাজে দিয়েছে বলে মত কমিশনের। কিছু জায়গায় প্রার্থীকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। তা নিয়েও রাজনৈতিক দলগুলো সরব হয়েছে। কমিশন অবশ্য জানাচ্ছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে প্রার্থীদের বুথে না আটকানোর কথা বলা হয়েছে। তারপরও যে সমস্ত অভিযোগ এসেছে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অনেক জায়গায় কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না বলেও স্বীকার করছে কমিশন। আগামী দফার ভোট থেকে কোভিড বিধির উপর বাড়তি নজর দেওয়া হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

বাড়তি সতর্কতায় পঞ্চম দফায় ৪৫ আসনে শুরু হল ভোট

পঞ্চম দফায় শনিবার সকাল ৭টা বাজতেই শুরু হয়ে গিয়েছে ৪৫ আসনের ভোটগ্রহণ। এর আগে ৪ দফায় রাজ্যের ১৩৫টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। এই দফায় ভোট কালিম্পঙের ১, দার্জিলিঙের ৫ এবং জলপাইগুড়ির ৭ বিধানসভা আসনের সবগুলিতেই। এ ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনায় ৩৩টির মধ্যে ১৬, নদিয়ায় ১৭টির মধ্যে ৮ এবং পূর্ব বর্ধমানের ১৬টির মধ্যে ৮ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে।রাজ্যে প্রথম ৩ দফার ভোট বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া মোটের উপরে শান্তিপূর্ণ হলেও চতুর্থ দফায় পাঁচটি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেটাও অবশ্য শুধুমাত্র কোচবিহার জেলার শীতলকুচি আসনে। বাকি ৪৩ আসনে তেমন কোনও কোনও অভিযোগ ওঠেনি। শীতলকুচিতে বুথের লাইনে এক জনের মৃত্যু হয় দুষ্কৃতীর গুলিতে। আর বাকি ৪ জনের কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে। আর তা নিয়ে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ। তবে শনিবার আরও সতর্ক নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দফার ভোটগ্রহণের জন্য মোট ১ হাজার ৭১ কোম্পানি আধা সেনা মোতায়েন হয়েছে। এর মধ্যে ভোটের কাজে ব্যবহার হবে ৮৫৩ কোম্পানি। বাকি বাহিনী থাকছে প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য। শুধু বারাসতেই মোতায়েন রাখা হয়েছে ৬৯ কোম্পানি আধাসেনা। এই দফায় অন্যতম নজরকাড়া কেন্দ্র বিধাননগর আসনটি। এই কেন্দ্রে এ বার মুখোমুখি লড়াই দুই প্রাক্তন সহযোদ্ধা সুজিত বসু এবং সব্যসাচী দত্তের। জানা গিয়েছে, হেভিওয়েট এই লড়াই শান্তিপূর্ণ রাখতে ৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। শনিবার পাহাড়েও ভোটগ্রহণ রয়েছে। দার্জিলিঙে ৬৮ কোম্পানি এবং কালিম্পঙে থাকছে ২১ কোম্পানি আধাসেনা থাকছে। শিলিগুড়িতে ৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। উত্তরবঙ্গের আর এক জেলা জলপাইগুড়িতে ১২২ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন রাখা হয়েছে।শুধু বিধাননগর নয়, এই দফায় নজরকাড়া কেন্দ্র অনেকগুলোই। ভাগ্য নির্ধারণ হবে রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু গৌতম দেব, তাপস রায়, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর। ভোট রয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রর কেন্দ্র কামারহাটিতেও। আর তারকা মুখের মধ্যে শনিবারের ভোটে লড়ছেন অভিনেত্রী বিজেপি প্রার্থী পার্নো মিত্র। তৃণমূলের তারকা প্রার্থী ২ জন। বারাসতে চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী এবং রাজারহাট-গোপালপুরে অদিতি মুন্সি।

এপ্রিল ১৭, ২০২১
দেশ

বিজাপুরে মাওবাদী হামলায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল না, দাবি সিআরপিএফ প্রধানের

ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে জওয়ানদের উপর যেভাবে হামলা চালিয়েছে মাওবাদীরা, তাতে গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে সিআরপিএফের শীর্ষকর্তা কুলদীপ সিং জানিয়ে দিলেন, কোনও গোয়েন্দা বা অভিযান সংক্রান্ত (অপারেশনাল) ব্যর্থতা ছিল না। যদি থাকত তাহলে জওয়ানদের গুলিতে ২৫-৩০ জন মাওবাদীর মৃত্যু হত না। তাঁর দাবি, জওয়ানদের পালটা গুলিতে প্রায় ৩০ মাওবাদী নিকেশ হয়েছে। সোমবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ছত্তিশগড় যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দেখা করবেন আহত জওয়ানদের সঙ্গে।শনিবার ছত্তিশগড়ে বিজাপুর ও সুকমার মাঝে জঙ্গলে দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া সেই সংঘর্ষ চলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। মাওবাদীরা যে ভাবে লড়াই চালায়, প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাতে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে মাওবাদী শীর্ষ নেত্রী মাধবী হিদমার লুকিয়ে থাকার খবর ছড়িয়ে কি ফাঁদে ফেলা হল জওয়ানদের! কারণ জওয়ানরা সেখানে পৌঁছনর আগেই ওঁৎ পেতে বসেছিল মাওবাদীরা। এ ছাড়াও মাওবাদীদের হামলার ধরন এবং আরও কিছু বিষয় দেখে সন্দেহ করা হয় গোয়েন্দা ব্যর্থতার কারণেই কি ২২ জওয়ানকে প্রাণ হারাতে হল, আহত হলেন আরও অনেকে। এমনকী, শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে ১ জওয়ান এখনও নিখোঁজ।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রবিবারই সিআরপিএফের ডিজি কুলদীপ সিংকে ছত্তিশগড় যাওয়ার নির্দেশ দেন। কুলদীপ এই মুহূর্তে সেখানেই আছেন। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রায়পুরে তিনি বলেন, মাওবাদীরা অন্তত ৩টি ট্রাক্টর ব্যবহার করেছে তাদের আহত ও নিহত সঙ্গীদের নিয়ে যেতে। তা থেকেই মনে করা হচ্ছে, ২৫ থেকে ৩০ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। আহত আরও অনেকে। ঠিক কত জন নিহত হয়েছে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে যদি গোয়েন্দা বা অপারেশনাল ব্যর্থতা থাকত তাহলে এত জন মাওবাদীর মৃত্যু হত না। তবে তিনি এও দাবি করেন, মাওবাদীরা ওঁৎ পেতে ছিল। তারা ৩ দিক থেকে ঘিরে জওয়ানদের উপর হামলা চালায়। যাতে প্রথমে কিছুটা হতচকিত হয়ে যান জওয়ানরা। কুলদীপ সিং জানিয়েছেন, নিহত জওয়ানদের মধ্যে ৭ জন সিআরপিএফ সদস্য রয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

খামেনেইকে কেন এখনও সমাহিত করা হয়নি? সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর দাবি

আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সেই সঙ্গে আরও দাবি করা হচ্ছে, তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেই ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনেইকে মাশহাদ শহরে সমাহিত করার পরিকল্পনা ছিল। তার আগে দেশের বিভিন্ন শহরে শোকসভা এবং জনসমাবেশের আয়োজন করার কথাও জানানো হয়েছিল। কিন্তু ১০০ দিনেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়নি বলে দাবি উঠেছে।কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগই এর প্রধান কারণ হতে পারে। ইরানের কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, বড় জনসমাবেশ হলে সেখানে হামলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ফলে সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকির কথা মাথায় রেখেই শেষকৃত্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে।এদিকে খামেনেইয়ের দেহ বর্তমানে কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর জেরে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন এবং জল্পনা তৈরি হয়েছে।কিছু প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, মোজতবা খামেনেই এখনও পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেননি। নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং শারীরিক অবস্থার কারণেই তিনি আড়ালে রয়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনও দাবি করা হয়েছে যে, গত ফেব্রুয়ারির হামলায় তিনি আহত হয়েছিলেন। যদিও এই দাবিগুলিরও কোনও সরকারি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ সামনে আসেনি।সব মিলিয়ে খামেনেইকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া এই তথ্য এবং জল্পনা আন্তর্জাতিক মহলে কৌতূহল তৈরি করেছে। তবে ইরানের সরকারি সূত্র থেকে স্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

জুন ০৮, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে তৃণমূলে মহাভাঙন! শতাব্দীর বাড়িতে শুভেন্দুর গোপন বৈঠক ঘিরে তুমুল জল্পনা

সোমবার সকাল থেকেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে ছিল চরম উত্তেজনা। একের পর এক বৈঠক, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি এবং তৃণমূলের একাধিক সাংসদের অবস্থান ঘিরে তৈরি হয় জোর জল্পনা। দিনের শেষে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিল শতাব্দী রায়ের দিল্লির বাসভবনে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠক।সূত্রের খবর, সন্ধ্যায় শতাব্দী রায়ের বাড়িতে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একে একে সেখানে পৌঁছন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অসিত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশ বাসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী-সহ একাধিক বিদ্রোহী সাংসদ।এই বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, লোকসভার পর এবার রাজ্যসভাকেও লক্ষ্য করে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরির চেষ্টা হতে পারে। যদিও বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক বৈঠক নয়, বরং শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং চা-চক্র।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করেন বিদ্রোহী সাংসদরা। সেখানে শতাব্দী রায়, আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং অসিত মাল নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন। পরে সেই বিষয়গুলি নিয়ে আরও আলোচনা করতেই শতাব্দীর বাড়িতে সন্ধ্যার বৈঠকের আয়োজন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই বৈঠকে সাংসদদের বিভিন্ন সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা হয়ে থাকতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।এর আগেই বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি জমা দিয়েছেন। সেই চিঠিতে তাঁরা বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে সূত্রের খবর। মোট ২০ জন সাংসদ এই চিঠিতে সমর্থন জানিয়েছেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা এড়াতে কোনও দলের আইনসভার সদস্যদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন হয়। তৃণমূলের লোকসভায় মোট ২৮ জন সাংসদ রয়েছেন। তার মধ্যে ২০ জন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে থাকায় এই সংখ্যাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে দিল্লির ধারাবাহিক বৈঠক এবং বিদ্রোহী সাংসদদের সক্রিয়তা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট নেতাদের একাংশ এখনও এটিকে শুধুই সৌজন্যমূলক বৈঠক বলেই দাবি করছেন।

জুন ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় দল থেকে বাদ, এবার কি মুম্বই থেকেও বিদায়? সূর্যকুমারকে ঘিরে তুমুল জল্পনা|

ভারতীয় ক্রিকেটে এখন অন্যতম আলোচনার বিষয় সূর্যকুমার যাদব। জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব হারানোর পর এবার তাঁকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, শুধু জাতীয় দল নয়, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গেও কি শেষ হতে চলেছে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্ক?সোমবার আচমকাই দেখা যায়, নিজের সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স সংক্রান্ত প্রায় সমস্ত পোস্ট সরিয়ে দিয়েছেন সূর্যকুমার। শুধু তাই নয়, তিনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং দলের অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়াকেও অনুসরণ করা বন্ধ করে দিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এরপর থেকেই ক্রিকেট মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।কয়েক দিন আগেই ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড সিরিজের জন্য ভারতীয় দলের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে শ্রেয়স আইয়ারকে। শুধু নেতৃত্ব নয়, দল থেকেও বাদ পড়েছেন সূর্যকুমার। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। গত প্রায় দেড় বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বড় রান করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।আইপিএলেও খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি সূর্যকে। চলতি মরসুমে ১৩ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ২৭০ রান। গড় ছিল ২০.৭৭ এবং স্ট্রাইক রেট ১৪৭.৫৪। ফলে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে খুব একটা বিস্মিত নন অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষক।তবে সব সমালোচনার মাঝেই ব্যাট হাতে জবাব দিয়েছেন সূর্য। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর প্রথম ম্যাচেই দুরন্ত ইনিংস খেলেছেন তিনি। মুম্বইয়ের একটি টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় ট্রায়াম্ফ নাইটস নর্থ ইস্ট মুম্বইয়ের হয়ে খেলতে নেমে মাত্র ৩৬ বলে ৭২ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৩টি চার এবং একটি ছক্কা। তাঁর এই ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলও জয় পায়।ম্যাচ শেষে সূর্যকুমার বলেন, দলের জন্য রান করতে পারা সবসময়ই বিশেষ আনন্দের। তাঁর এই মন্তব্য এবং দুরন্ত ইনিংসকে অনেকেই জাতীয় নির্বাচকদের উদ্দেশে বার্তা হিসেবে দেখছেন।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ার ইঙ্গিত মিললেও এ বিষয়ে এখনও সূর্যকুমার বা ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে সূর্যকুমারের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

জুন ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের! এবার কাদের বিরুদ্ধে সরাসরি তদন্ত করতে পারবে সিবিআই? প্রকাশ্যে নতুন নির্দেশিকা

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী, আধিকারিক বা কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কোনও অভিযোগের তদন্ত করতে গেলে আর রাজ্যের আগাম অনুমতির প্রয়োজন হবে না। তবে রাজ্য সরকারের কর্মী বা আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে হলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে আগের মতোই রাজ্যের লিখিত অনুমতি নিতে হবে। সোমবার প্রকাশিত এক নতুন নির্দেশিকায় এই বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী, কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা অথবা কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও অভিযোগ বা অপরাধের তদন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সরাসরি করতে পারবে। এমনকি কোনও মামলায় কেন্দ্রীয় কর্মী বা কেন্দ্রীয় সংস্থার যোগসূত্র থাকলে সেই মামলায় যুক্ত বেসরকারি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চালানোর ক্ষমতা থাকবে তদন্তকারী সংস্থার।তবে রাজ্য সরকারের কোনও কর্মী, আধিকারিক বা রাজ্যের অধীনস্থ সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার ক্ষেত্রে রাজ্যের অনুমতি বাধ্যতামূলক থাকবে। অর্থাৎ এই ধরনের তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে আগে রাজ্য সরকারের সম্মতি নিতে হবে।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, দুর্নীতির বিভিন্ন মামলায় আমলা এবং আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র অতীতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি এ-ও বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি, সমবায় সমিতির অর্থ তছরূপ এবং আদালতের নির্দেশে শুরু হওয়া বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।সেই ঘোষণার পরই স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা শাখা এই নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে, কোন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সরাসরি তদন্ত করতে পারবে এবং কোন ক্ষেত্রে রাজ্যের অনুমতি নিতে হবে।নির্দেশিকায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দিল্লি স্পেশ্যাল পুলিশ এস্টাবলিশমেন্ট আইন অনুযায়ী রাজ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত পরিচালিত হয়। সেই আইনের বিধান মেনেই এই সম্মতি ও শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে।নবান্ন সূত্রে খবর, এই নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়টি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারকেও প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, এই নতুন নির্দেশিকা ভবিষ্যতে দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। ফলে রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক স্তরে যথেষ্ট আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ০৮, ২০২৬
কলকাতা

স্বরূপের ফ্ল্যাটে রহস্যময় ঘর! ডিজিটাল লক খুলতে হিমশিম পুলিশ, বাড়ছে জল্পনা

বেহালার সাহাপুর কলোনিতে প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালাতে গিয়ে একটি ডিজিটাল লকে বন্ধ ঘরের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। ওই ঘরটি এখনও খোলা সম্ভব না হওয়ায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।সোমবার ধৃত স্বরূপ বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর বাড়িতে যায় পুলিশ। কয়েক ঘণ্টা ধরে সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময়ই তদন্তকারীরা একটি বন্ধ ঘরের খোঁজ পান। ঘরটির দরজায় ডিজিটাল লক লাগানো ছিল। পুলিশ সূত্রের দাবি, স্বরূপের কাছে লকের কোড জানতে চাওয়া হলেও তিনি তা জানাতে পারেননি।এরপর লক খোলার জন্য একজন চাবিওয়ালাকেও ডাকা হয়। তবে ডিজিটাল লক হওয়ায় তিনি দরজা খুলতে ব্যর্থ হন। ফলে অন্য উপায়ে ঘরটি খোলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পুলিশের অনুমান, ওই ঘরে তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি বা সামগ্রী থাকতে পারে। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে, সংশ্লিষ্ট মামলায় এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। আদালত থেকেও তিনি কোনও অন্তর্বর্তী সুরাহা পাননি বলে জানা গিয়েছে। ফলে তাঁকে খুঁজতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে স্বরূপ বিশ্বাসকে। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন, আর্থিক অনিয়ম, প্রভাব খাটানো-সহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও অস্ত্র আইনের ধারাতেও মামলা দায়ের হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিচার এখনও আদালতে হয়নি।তদন্তকারীদের মতে, এই মামলার সূত্র ধরেই অরূপ এবং স্বরূপ বিশ্বাসের বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সেই তল্লাশির মধ্যেই এই রহস্যময় ঘরের সন্ধান মেলায় নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এখন তদন্তকারীদের নজর সেই ঘরের দিকেই। ঘরটি খুলতে পারলে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।ঘরটির ভিতরে কী রয়েছে, তা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হলেও পুলিশ এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন আধিকারিকরা।

জুন ০৮, ২০২৬
দেশ

বাংলাদেশকে কড়া বার্তা ভারতের! দিল্লির বৈঠকে ‘পুশব্যাক’ নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

অনুপ্রবেশ এবং পুশব্যাক নীতি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হতে চলেছে। আজ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত নয়াদিল্লিতে বিএসএফ এবং বিজিবির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি এই বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে পারে বলে সূত্রের খবর।বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে ভারত স্পষ্টভাবে জানাতে পারে যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশকে গ্রহণ করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে কোনও ধরনের অজুহাত গ্রহণ করা হবে না বলেও বার্তা দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বেড়া তৈরির বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মতে, সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না। একই সঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেতে চলেছে।এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। অন্যদিকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন বিএসএফ প্রধান প্রবীণ কুমার।সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, কয়েক হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেই আবহেই এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, অনুপ্রবেশ রোধ, অবৈধভাবে ভারতে বসবাসকারীদের শনাক্তকরণ এবং তাঁদের বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের বিষয়গুলি বৈঠকে উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বেশ কিছু অংশে দীর্ঘদিন ধরে কাঁটাতার নির্মাণের সমস্যা ছিল। জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনেক এলাকায় কাজ এগোচ্ছিল না। তবে সেই সমস্যার একটি বড় অংশের সমাধান হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় জমিও বিএসএফকে দেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর এই বৈঠকের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে নয়াদিল্লির। কেন্দ্রীয় সরকারের একাংশ মনে করছে, সীমান্ত এবং অনুপ্রবেশের মতো জটিল সমস্যা শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে নয়, কূটনৈতিক এবং প্রশাসনিক স্তরেও সমাধান করতে হবে।বিএসএফ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং অবৈধভাবে বসবাসকারীদের রাখার জন্য বিভিন্ন জেলায় বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার অনুরোধও জানাতে পারে ভারত।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় চার হাজার ছিয়ানব্বই কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় আটশো ষাট কিলোমিটার এলাকায় এখনও কাঁটাতার নেই। আবার প্রায় একশো চুয়াত্তর কিলোমিটার সীমান্তে ভৌগোলিক এবং অন্যান্য কারণে কাঁটাতার নির্মাণ করা সম্ভব নয়। ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে দুই দেশের এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৮, ২০২৬
কলকাতা

‘ভাইপোর লোক’, ‘ডাকাত’, ‘জেল নিশ্চিত’— শুভেন্দুর মন্তব্যের পর বিস্ফোরক তরুণজ্যোতি

রাজারহাট গোপালপুরে এক অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ডাকাত শব্দ ব্যবহার করে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তিনি কারও নাম নেননি, তবে তাঁর মন্তব্যের পর সেই ডাকাত আসলে কে, তা নিয়ে শুরু হয় জোর রাজনৈতিক জল্পনা। পরে রাজারহাট গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি সেই রহস্যের পর্দা সরানোর দাবি করেন।রবিবার সন্ধ্যায় রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভার উদ্যোগে আয়োজিত একটি রক্তদান শিবিরে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি প্রথমে বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারির প্রশংসা করেন। এরপর তিনি বলেন, ২০২৬ সালে রাজ্যের মানুষ কার্যত দ্বিতীয় স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছেন। সেই কারণেই খারাপ আবহাওয়া সত্ত্বেও মানুষ ঘরে বসে না থেকে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।তরুণজ্যোতির প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, তাঁকে বিপুল ভোটে জিতিয়ে মানুষ এমন একজনকে পরাজিত করেছেন, যাকে তিনি ডাকাত বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়েছেন, ছোট ছোট কাজ কেড়ে নিয়েছেন এবং বহু মামলা দিয়ে বিরোধীদের হয়রানি করেছেন। একুশের পর রাজ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে তিনি কর্মী-সমর্থকদের আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার পরামর্শ দেন। শুভেন্দুর বক্তব্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আইনই ব্যবস্থা নেবে। তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় বলেন, যে ডাকাত-এর কথা তিনি বলছেন, তার বিষয়টি পুলিশমন্ত্রীর উপর ছেড়ে দিতে।মুখ্যমন্ত্রী নাম না বললেও পরে বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি দাবি করেন, শুভেন্দু অধিকারী আসলে দেবরাজ চক্রবর্তীর কথাই বলেছেন। তরুণজ্যোতির অভিযোগ, দেবরাজ এক সময় প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। সেখান থেকে তাঁর বিপুল সম্পত্তি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন বিজেপি বিধায়ক।তরুণজ্যোতি আরও বলেন, তিনি কখনও দেবরাজের স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তবে তাঁর প্রশ্ন, স্ত্রীর নামে এত সম্পত্তি এল কোথা থেকে? দেবরাজ চক্রবর্তী এখন কোথায়, কেন তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, আজ না হোক কাল, দেবরাজ চক্রবর্তীকে জেলে যেতেই হবে।শুভেন্দুর মন্তব্য এবং তরুণজ্যোতির এই দাবিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে দেবরাজ চক্রবর্তী বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

জুন ০৮, ২০২৬
বিদেশ

ভোরে প্রবল ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপিন্স! ভেঙে পড়ল বাড়ি, জারি সুনামি সতর্কতা

প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ফিলিপিন্স। সোমবার ভোরে দেশের মিন্ডানাও দ্বীপে শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের জেরে বহু বাড়ি ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি বহুতল ভবন ধসে পড়ার খবরও সামনে এসেছে। প্রাথমিকভাবে অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৮। জার্মান ভূবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কম গভীরতায় ভূমিকম্প হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হয় এবং সুনামির ঝুঁকিও বেড়ে যায়।প্রথমে ভূমিকম্পের মাত্রা ৭.৩ বলে জানানো হলেও পরে তা সংশোধন করে ৮.২ এবং শেষ পর্যন্ত ৭.৮ বলে ঘোষণা করা হয়। শক্তিশালী কম্পনের জেরে ভোরবেলাতেই আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন হাজার হাজার মানুষ।ইতিমধ্যেই ভূমিকম্পের একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, একটি স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা আতঙ্কে বসে রয়েছে, আর চারপাশের মাটি ও ভবন কাঁপছে। সেই দৃশ্য মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।ভূমিকম্পের পরপরই দেশের উত্তর-পূর্ব উপকূলীয় এলাকাগুলিতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমুদ্রের কাছাকাছি বসবাসকারী মানুষদের দ্রুত নিরাপদ এবং উঁচু এলাকায় সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে দক্ষিণ ফিলিপিন্সের একাধিক প্রদেশের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। তাঁদের সমুদ্র উপকূল থেকে দূরে থাকতে এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলতে বলা হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আগামী কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিনের মধ্যে আরও একাধিক আফটারশক অনুভূত হতে পারে। তার মধ্যে কিছু আফটারশকও যথেষ্ট শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র সরকারি তথ্য এবং সতর্কবার্তার উপর ভরসা করার আবেদন জানানো হয়েছে। উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।

জুন ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal