• ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩, শনিবার ১৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Report

বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে সোজা শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে রাহুলের দেব! কী জানালেন প্রিয়াঙ্কা

ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর অভিনেতা রাহুলের দেহ নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছে শববাহী গাড়ি। সোমবার দুপুরে তমলুকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়। তারপরই তাঁর দেহ নিয়ে রওনা দেন গাড়িচালক, ধারাবাহিকের প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং অন্যান্য সহকর্মীরা। শেষবারের মতো তাঁকে তাঁর কলকাতার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।তমলুক হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে, জলে ডুবেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর ফুসফুসে অস্বাভাবিক পরিমাণে বালি এবং নোনাজল পাওয়া গিয়েছে। শুধু ফুসফুস নয়, খাদ্যনালি, শ্বাসনালি এবং পাকস্থলীতেও বালি ঢুকে গিয়েছিল বলে জানা গেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, তাঁর ফুসফুস ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল।চিকিৎসকদের অনুমান, খুব অল্প সময় নয়, বরং বেশ কিছুক্ষণ জলের নিচে থাকলে এই ধরনের অবস্থা হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অন্তত এক ঘণ্টা জলের নিচে ছিলেন অভিনেতা। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এদিকে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের ইচ্ছে, বাড়ি থেকে সরাসরি কেওড়াতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হোক রাহুলের দেহ। সেই কারণে ভোলা বসু ভবনে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, হয়তো সরাসরি মহাশ্মশানেই নিয়ে যাওয়া হবে।সমাজমাধ্যমে রাহুলের বন্ধু এবং নাট্যপরিচালক জয়রাজ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর দেহ নিয়ে কলকাতায় ফিরছেন তাঁরা। সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ। দুপুর আড়াইটে নাগাদ বিজয়গড়ের বাড়িতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে। সেখানে শেষবারের মতো তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে, তবে তা নিয়েও এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি।

মার্চ ৩০, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপের ভ্রুকূটি! ফের তুমুল ঝড়-জলের সতর্কতা জেলায়-জেলায়

IMD জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে, ২৪ সেপ্টেম্বর-এর মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে, যা বাংলা ও ওড়িশা উপকূলে প্রবল বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত সহ হালকা থেকে মাঝারি ঝোড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘের সম্ভাবনা বাড়াবে। জেলায়-জেলায় ব্যাপক বৃষ্টিরও সম্ভাবনা বাড়ছে।ফের এক দফায় সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। IMD-এর আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, এই নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে, যার ফলে সামনের ৪৮ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত ও অস্বস্তিজনক আবহাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যদিও বর্তমান নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব নেই। তবুও বজ্রপাত-সহ বিক্ষিপ্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আগামী দুই-তিন দিন ধরে প্রায় প্রতিদিনই বজ্রসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। বিশেষ করে কলকাতা, হুগলি, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পার্শ্ববর্তী জেলার ক্ষেত্রে ঝড়-জলের সম্ভাবনা বেশি।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও আজ ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। আজ সপ্তাহের প্রথম দিনে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মালদা, দুই দিনাজপুরের পাশাপাশি কোচবিহারেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

আজ ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস একাধিক জেলায়, আবহাওয়ার উন্নতি কবে থেকে?

মৌসুমী অক্ষরেখা আপাতত বাংলা থেকে সরে গিয়ে ওড়িশার উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প প্রবাহিত হচ্ছে পূবালী হাওয়ায়। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই মৌসুমী অক্ষরেখা আবার বাংলার কাছাকাছি ফিরে আসতে পারে। বিশেষত মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস:রবিবার ও সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশের পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা।দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি।রবিবার ও সোমবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও জলীয় বাষ্পের কারণে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অব্যাহত থাকবে।মঙ্গলবার মৌসুমী অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের কাছে এগিয়ে আসবে, ফলে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস:আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে রবিবার বিক্ষিপ্তভাবে দুএক জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ কমতে শুরু করবে।কলকাতার আবহাওয়াশহরে সকাল থেকেই আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্বস্তি আরও বাড়বে।আকাশ বেশিরভাগ সময় পরিষ্কার থেকে আংশিক মেঘলা, তবে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।রবিবার হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও হ্রাস পেলেও বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের মাত্রা বেশি থাকায় বৃষ্টি না হলে অস্বস্তি বাড়বে। মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পরিমাণ ফের বাড়বে বলে পূর্বাভাস। সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কিছুটা কম হলেও মঙ্গলবার থেকে আবার বাড়তে পারে। আর উত্তরবঙ্গে রবিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সোমবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তির দিকে যাবে আবহাওয়া।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
দেশ

৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, রাজ্যে আসবে কেন্দ্রীয় দল

রাজ্যে ভেঙে পড়েছে আইন শৃঙ্খলা। কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবি নিয়ে মঙ্গলবার সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিংরা। অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে আসার পর সুকান্ত দাবি করেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলও পাঠাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, দাবি সুকান্তের।মঙ্গলবার সংসদ ভবনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বঙ্গ বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন, দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, রাজু বিস্তারা। সাক্ষাৎ সেরে বেরিয়ে এসে সুকান্ত সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অমিত শাহ আমাদের আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। তার পর যুগ্মসচিব স্তরের আধিকারিকের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় দল বাংলায় যাবে। যে ঘটনা ঘটেছে তা মানবতার লজ্জা। বাংলায় এই ধরনের ঘটনা বার বার ঘটছে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন, তা খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে দল যাবে বাংলায়।মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, কেরলে, রাজস্থানে, উত্তরপ্রদেশে যখন গোলমাল হয়, তখন কি সেখানে কেন্দ্রীয় দল যায়? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই পশ্চিম বাংলার মানুষের শান্তি, সম্প্রীতি বিঘ্নিত করাই আসল উদ্দেশ্য।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের ওই প্রতিনিধি দল রামপুরহাটের ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে বিস্তারিত রিপোর্ট দেবে। আর সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন অমিত শাহ।

মার্চ ২২, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ ডি মামলায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব

গ্রুপ সি-র পর এবার এসএসসি-র গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলাতেও সিবিআই অনুসন্ধানে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জানাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলার রিপোর্ট কমিটিকে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে।স্কুলের গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে প্রায় ৮০০ জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই ঘটনার সিবিআই তদন্তেরও নির্দেশ দেয় একক বেঞ্চ। তবে রাজ্য একক বেঞ্চের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতি মামলাটিতেও স্থগিতাদেশ দেয়।প্রসঙ্গত, গ্রুপ ডি পদে যে ৫৭৩ জনের নিয়োগ দুর্নীতির মামলা হয়েছে তাতে অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ শুক্রবার পর্যন্ত বজায় রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার।আদালতের আরও নির্দেশ, আদালতের কাছে জমা পড়া ভুয়া নিয়োগ সুপারিশপত্র সঙ্গে বাগ কমিটির কাছে থাকা নথি মিলিয়ে দেখতে চায় ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার কমিটির কোনও প্রতিনিধি তাদের কাছে জমা পড়া নিয়োগ সুপারিশপত্রের কিছু নমুনা মুখবন্ধ খামে জমা দেবে আদালতে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে অভিজাত আবাসনগুলিই, স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট পেশ নবান্নে

শহরের বড় আবাসনগুলিতেই বেশি করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এ নিয়ে একটি রিপোর্টও জমা পড়েছে নবান্নে। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে আরবানা, স্বর্ণমণি, শালবনি, এবং নিউটাউনের একাধিক আবাসনেও করোনা সংক্রমণের প্রকোপ বেশি। এই সব আবাসনে করোনা সংক্রমণ কীভাবে ঠেকানো যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ও নবান্নের কর্তাব্যক্তিরা। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তের নবান্নের চিন্তার কারণ কোনও বস্তি এলাকা নয়, বড় বড় আবাসনও। কারণ সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই গিয়ে দেখা গিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না আবাসিকরা। অরক্ষিত মুখের ভিড় সর্বত্র। কলকাতা পুরসভা ও নিউটাউনের ক্ষেত্রে হাউজিং ডিপার্টমেন্টে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে সংক্রমণ ঠেকানোর পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলছেন, আবাসনগুলিতেই সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হচ্ছে। এই মুহূর্তে আবাসনগুলিই উৎকন্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের। এরই মধ্যে নবান্নে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আবাসনগুলিতে সংক্রমণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিউটাউনের আবাসনগুলির ক্ষেত্রে ফোরাম ও কমিটিগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করার কথা ভাবা হচ্ছে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি যাতে তাঁরা মেনে চলেন, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হবে তাঁদের।কমিটিগুলিকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঝুপড়ি অঞ্চল ঘিঞ্জি, উল্টোদিকে আবাসনগুলো অনেকটাই খোলামেলা। তা সত্ত্বেও কেন আবাসনগুলিতে হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? অভিজাত আবাসনগুলিতে করোনা ছড়ানোর অন্যতম কারণ, বর্ষবরণের উৎসব-পার্টি-হুল্লোড়, আর লিফটের বহুল ব্যবহার।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
কলকাতা

Dhankhar: নেতাইয়ে শুভেন্দুকে ঢুকতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় মুখ্যসচিব, ডিজির কাছে কৈফিয়ৎ চান রাজ্যপাল

শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাইতে ঢুকতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল। এবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে কৈফিয়ৎ তলব করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও কী কারণে, কোন পরিস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাইয়ে ঢোকার আগে আটকানো হল। টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, এই ঘটনা জরুরি অবস্থার কথা মনে করায়।In view of highly disturbing scenario, reminiscent of emergency, in Jan 07 communication @SuvenduWB WB Guv has directed CS @MamataOfficial DGP @WBPolice to brief him,fully updated,with written report, on Jan 10 at 11 am.Serious that LOP was ill treated in spite of HC order. pic.twitter.com/eRFPWq4Ttj Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 8, 2022শুক্রবারই মেদিনীপুরের নেতাইয়ে কর্মসূচি ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে যাওয়ার পথে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিরোধী দলনেতা। আদালতের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে তাঁর রাস্তা আটকানোর অভিযোগ তোলেন পুলিশের বিরুদ্ধে। এরপর নেতাইয়ের বদলে ভীমপুরে কর্মসূচি করেন তিনি। নেতাইয়ে যেতে না পারার বিষয়টি উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যপালের কাছে অভিযোগপত্র পাঠান।সেই চিঠির পরই রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যর কাছে এই সংক্রান্ত লিখিত জবাব চান। আগামী ১০ জানুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে লিখিত আকারে তিনি কৈফিয়ৎ তলব করেন।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

Financial Scandal BMC: বর্ধমান পৌর এলাকায় বহুতল নির্মান সংক্রান্ত অডিট রিপোর্টে ফাঁস প্রায় ২৩ কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারি

কলকাতা পৌরসভার নির্বাচন শেষ হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যের বাকি পৌরসভাগুলির নির্বাচনের প্রস্তুতি। তারই প্রাক্কালে বর্ধমান পৌরসভার শপিং কমপ্লেক্স ও আবাসন তৈরি সংক্রান্ত অডিট রিপোর্টে ফাঁস হল প্রায় ২৩ কোটি টাকার কেলঙ্কারি। এছাড়াও অন্য আরও একটি অডিট রিপোর্টে ফাঁস হয়েছে ৪১.৩৯ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বর্ধমান পৌরসভা ২০১৮ সাল থেকে বেআইনি ভাবে ১০ টি বহুতল নির্মানের ছাড়পত্র দিয়েছে। এই সব কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল আলোড়ন পড়ে গিয়েছে বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে। ঘটনা জানার পর তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব। রাজ্যের প্রিন্সিপ্যাল এ্যাকাউন্টেন্ট জেনারেল (ওয়েস্ট বেঙ্গল লোকাল অডিট ডিপার্টমেন্ট) সম্প্রতি বর্ধমান পৌরসভা নিয়ে করা তাঁদের দুটি অডিট রিপোর্ট পেশ করেছে। রিপোর্টের কপি বর্ধমান পৌরসভাতেও জমা পড়েছে। যদিও কারা পৌরসভা পরিচালনার দায়িত্বে থাকাকালে এই আর্থিক কেলেঙ্কারি হয়েছিল তা অডিট রিপোর্টে স্পষ্ট করা হয়নি।একটি অডিট রিপোর্টে উল্লেখ কর হয়েছে, শহর বর্ধমানের গোদা মৌজার ৩.৪২ একর অর্থাৎ ৩৪২ শতক জমিটি বর্ধমান পৌরভার। ২০০৬ সালে পৌরসভা পিপিপি মডেলে (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনার শিপ) ওই জমিতে শপিং কমপ্লেক্স ও রেসিডেনসিয়াল কমপ্লেক্স (আবাসন) তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়ে টেন্ডার করে। সেই টেন্ডারে অংশ নিয়ে কাজের বরাত পায় আরডিবি রিয়েলিটি এ্যন্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটিড নামে সংস্থাটি। প্রকল্পের কাজ নিয়ে ২০০৭ সালে এই সংস্থার সঙ্গে বর্ধমান পৌরসভার মৌ (MOU) স্বাক্ষরিত। মৌ অনুযায়ী ঠিক হয় বর্ধমান পৌরসভাকে ১৬ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা দিতে হবে ওই সংস্থাকে। সেই মত প্রথমেই ওই সংস্থা চেকের মাধ্যমে ২ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা বর্ধমান পৌরসভায় জমা দেয়। বাকি ১৪ কোটি টাকা (প্রিমিয়াম মানি) ৬ টি কিস্তিতে ওই সংস্থাকে বর্ধমান পৌরসভাকে মিটিয়ে দিতে হবে বলে মৌ চুক্তিতে উল্লেখ থাকে।রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, মৌ চুক্তি অনুযায়ী ঠিক হয় গোদা মৌজার ওই জমিতে বেসমেন্ট সহ ৬ তলার একটি শপিং কমপ্লেক্স ও বেসমেন্ট সহ ৮ তলার ৪ টি রেসিডেনশিয়াল কমপ্লেক্স তৈরি হবে। সেই মতো পৌরসভা থেকে প্ল্যানও অনুমোদন হয়। প্ল্যান অনুযায়ী কাজও শুরু হয়। তারই মধ্যে পৌরসভার পাওনা ১৪ কোটি টাকা মিটিয়ে দেয় আরডিবি রিয়েলিটি এ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। তারপরেই ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে ওই সংস্থাটি বিল্ডিংয়ের হাইট এক্সটেনশনের জন্য বর্ধমান পৌরসভায় আবেদন করে। অভিযোগ, মৌ চুক্তির শর্ত দূরে সরিয়ে রেখে ব-কলমে সংস্থাটিকে অনুচিত সেই সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়।সেই সুবিধা পাওয়ার দৌলতেই সংস্থাটি বেসমেন্ট সহ ৮ তলা রেসিডেনসিয়াল কমপ্লেক্স তৈরির পরবর্তে করে নেয় বেসমেন্ট সহ ১২ তলার ৪টি রেসিডেনসিয়াল কমপ্লেক্স। অর্থাৎ ভিতরে ভিতরে সেটিং করে নিয়ে ওই সংস্থাটি অতিরিক্ত ১লক্ষ ১ হাজার ৭৯০ স্কয়ারফিটের বিল্ডিং তৈরি করে নেয়। বিল্ডিংয়ের এই হাইট এক্সটেনশন সংক্রান্ত কোনও নথি বা বোর্ড অফ কাউন্সিলার্সদের করা কোন রেজিলিউসন-র কপিও অডিটররা পৌরসভায় পাননি। অডিট রিপোর্টে এও উল্লেখ করা হয়েছে, বিল্ডিংয়ের হাইট এক্সটেশন করা নিয়ে সংস্থাটি বর্তমান বাজার মূল্য মোতাবেক ২২ কোটি ৯০ লক্ষ ২৮ হাজার ২৮৭ টাকা মুনাফা করে নেয়। কিন্তু হাইট এক্সটেনসশনের দরুন বর্ধমান পৌরসভায় কোনও প্রিমিয়াম অর্থ জমা না পড়ায় পৌরসভা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও ওই নির্মানকারী সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রদীপ কুমার পুগুলিয়া এদিন সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিল্ডিং নির্মান সংক্রান্ত সব কাগজপত্র স্বচ্ছ ভাবে রয়েছে। নতুন করে নকশার জন্য পৌরসভাকে তাঁদের বেশী টাকা দিতে হয়েছে। তবুও কেন অডিট রিপোর্টে এ ভাবে লিখেছে তা জানি না।একই অডিট রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই শপিং কমপ্লেক্স ও রেশিডেনশিয়াল কমপ্লেক্স ছাড়াও পৌরসভা ৫৯৯ মেমোতে অপর আরও একটি হাইরাইজ বিল্ডিং স্যাংশন করেছিল। তার কোনও নথির হদিশ যদিও পৌরসভায় পাননি অডিটাররা। অর্থপ্রাপ্তি থেকে পৌরসভাকে বঞ্চিত করে কারা-কি উদ্দেশ্যে একটি বেসরকারী সংস্থাকে এই আর্থিক সুবিধা পাইয়ে দিল সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।অপর একটি অডিট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৮ সাল থেকে বর্ধমান পৌরসভা বেআইনি ভাবে ১০ টি বহুতল (হাইরাইজ বিল্ডিং) নির্মানের ছাড়পত্র দিয়ে ৪১.৩৯ লক্ষ টাকা নিয়েছে। যদিও ওইসব বিল্ডিংয়ের প্ল্যান পাস নেই পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ারের কোনও রিপোর্ট। সুপারেনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার লেভেল থেকেও ওইসব বিল্ডিংয়ের প্ল্যান ভেটেড করা হয়নি। বহুতল তৈরি হলেও পৌরসভার নথিতে তার স্ট্রাকচারাল স্টেবিলিটি সার্টিফিকেটও পাওয়া যায়নি। এমনকি এই ক্ষেত্রে ওয়েস্টবেঙ্গল বিল্ডিং রুল ২০০৭ কে মান্যতাও দেওয়া হয়নি বলে অডিটাররা রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন।এই বিষয়ে বর্ধমান পৌরসভার উপ-প্রশাসক আইনুল হক বলেন, অডিট রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। রিপোর্টের আইনগত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুনীল গুপ্তা জানিয়েছেন, সঠিক ভাবে অডিট রিপোর্ট তৈরি হলে এই বাংলার সমস্ত পৌরসভার এমন আর্থিক কেলেঙ্কারি সামনে আসবে। সুনীল বাবু দাবি করেন, বর্ধমান পৌরসভার দায়িত্বে থাকা শাসক দলের কর্তা ব্যক্তিরা এই সব কেলেঙ্কারিতে যুক্ত। বেআইনি জেনেও তাঁরা কাটমানি খেয়ে বেআইনি ভাবে এইসব বহুতল বিল্ডিং নির্মানে ছাড়পত্র পাইয়ে দিয়েছেন। বেআইনিভাবে নির্মিত ওই সব বহুতল যে কোনও সময় ভেঙে পড়লেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। শুধু অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করলেই হবে না। যাদের অঙ্গুলি হেলনে বর্ধমান পৌরসভা এলাকায় একাধিক বেআইনি বহুতল বিল্ডিং নির্মান হয়েছে তাঁদের যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা রাজ্য সরকারকে করতে হবে। বর্ধমান পৌরসভা নির্বাচনে এই ইস্যুকেই সামনে রেখে বিজেপি আন্দোলনে নামবে বলে বিজেপি নেতা সুনীল গুপ্তা এদিন জানিয়ে দেন। অডিট রিপোর্টের বিষয়টি জানার পর জেলা সিপিআইএম নেতৃত্বও তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
দেশ

Inequality: ভারত এখন এক ‘চরম অসাম্যের দেশ, জানাল বিশ্ব রিপোর্ট

ভারতের নীচের সারির অর্ধেক মানুষের হাতে দেশের সম্পদের প্রায় কিছুই নেই। অথচ ধনীরা অত্যন্ত ধনী।দরিদ্র তো বটেই। ভারত এখন এক চরম অসাম্যের দেশও। আজ বিশ্ব অসাম্য রিপোর্ট জানাল, ২০২১-এ দেশের মোট আয়ের পাঁচ ভাগের এক ভাগই গিয়েছে দেশের উপরের সারির এক শতাংশ মানুষের হাতে। অথচ নিচু তলার ৫০ শতাংশ মানুষকে দেশের মোট আয়ের মাত্র ১৩ শতাংশ নিয়েই দিন গুজরান করতে হয়েছে।ভারতের সম্পর্কে অসাম্য রিপোর্টে বলা হয়েছে, ক্রয়ক্ষমতার তুলনার নিরিখে ভারতের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় বছরে ২ লক্ষ ৪ হাজার ২০০ টাকা। কিন্তু আয়ের দিক থেকে নীচের সারির অর্ধেক মানুষের গড় আয় মাত্র ৫৩ হাজার ৬১০ টাকা। উপরের সারির ১০ শতাংশ মানুষের আয় তার প্রায় ২০ গুণ। ১১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৫২০ টাকা।প্যারিস স্কুল অব ইকনমিকসএ অবস্থিত ওয়র্ল্ড ইনইক্যুয়ালিটি ল্যাব-এর এই রিপোর্ট তৈরিতে সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন ফ্রান্সের অর্থনীতিবিদ টমাস পিকেটি। রিপোর্টের মুখবন্ধে নোবেলজয়ী দুই অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ও এস্থার ডুফলো লিখেছেন, বিশ্বের যে সব দেশে অসাম্য চরমে, ভারত এখন তার মধ্যে পড়ছে।শুধু ভারতে অসাম্যের ছবি তুলে ধরা নয়, সেই অসাম্য কতটা গভীরে, তা বুঝতে নরেন্দ্র মোদি জমানায় সরকারি পরিসংখ্যানের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদেরা। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত তিন বছরে অসাম্য নিয়ে সরকার যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তার গুণগত মান গুরুতর ভাবে খারাপ হয়েছে। ফলে অসাম্যের ছবিটা সম্প্রতি কতটা বদলেছে, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে।অর্থনীতিবিদেরা রিপোর্টে বলছেন, কোভিড-সংকটে গোটা বিশ্ব জুড়েই বিলিয়নেয়ার বা কোটিপতিদের সম্পদের পরিমাণ আরও বেড়েছে। বিশ্বের মাত্র ২,৭৫০ জন বিলিয়নেয়ারের হাতে এখন পৃথিবীর ৩.৫ শতাংশ সম্পদ। ১৯৯৫ সালে এঁদের হাতে বিশ্বের ১ শতাংশ সম্পদ ছিল। কোভিডের সময়ই ধনীরা আরও ফুলেফেঁপে উঠেছেন। নীচের সারির অর্ধেক মানুষের কাছে এই ধনীদের তুলনায় মাত্র ২ শতাংশ সম্পদ রয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইনইক্যুয়ালিটি ল্যাব-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে লিঙ্গ বৈষম্যও চরমে। মোট আয়ে মহিলা শ্রমিক-কর্মীদের ভাগ মাত্র ১৮ শতাংশ। এই হার গোটা বিশ্বের মধ্যেই নিম্নতম। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতেই মহিলাদের আয়ের ভাগ ১৫ শতাংশ। চিন বাদ দিয়ে এশিয়ার দেশগুলিতে এর হার ২১ শতাংশ।রিপোর্টে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ জমানায় ভারতে আয়ের অসাম্য চরমে ছিল। ১০ শতাংশ ধনীতম মানুষের ঝোলায় দেশের মোট আয়ের অর্ধেক চলে যেত। স্বাধীনতার পরে সমাজতন্ত্রের অনুপ্রেরণায় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার ফলে অসাম্য কমে। ধনীতম ১০ শতাংশ মানুষের আয় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশে নেমে আসে। সরকারি নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়া, উদারীকরণ শুরুর পরে বিশ্বের মধ্যে ভারতে আয়-সম্পদের অসাম্য প্রবল ভাবে বেড়েছে। উপরের সারির ১ শতাংশ মানুষ আর্থিক সংস্কারের ফায়দা পেয়েছেন। কিন্তু কম ও মাঝারি আয়ের মানুষের আয় ততটা বাড়েনি। দারিদ্র বজায় থেকেছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিদেশ

Omicron: ওমিক্রনের পুনর্সংক্রমণের ক্ষমতা প্রায় তিন গুণ বেশি! দাবি সমীক্ষায়

করোনা ভাইরাসের ডেল্টা কিংবা বিটা রূপের তুলনায় ওমিক্রনের পুনর্সংক্রমণের হার প্রায় তিন গুণ বেশি! সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় এমনটাই দাবি করা হয়েছে।দক্ষিণ আফ্রিকার ডিএসআই-এনআরএফ সেন্টার অব এক্সিলেন্স ইন এপিডেমিওলজিকাল মডেলিং অ্যান্ড অ্যানালাইসিস-এর ডিরেক্টর জুলিয়াম পুলিয়েট জানিয়েছেন, করোনার প্রথম এবং দ্বিতীয় ঢেউয়ে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁদের অনেকের দেহেই সাম্প্রতিক কালে ওমিক্রন সংক্রমণ ঘটেছে।২৭ নভেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রনের সংক্রমণ লেখচিত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে ওই রিপোর্টটিতে। সেখানে প্রায় ২৮ লক্ষ নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, অন্তত ৩৫,৬৭০ জনের দেহে দ্বিতীয় বা তার বেশি বার সংক্রমণের কারণ হয়েছে ওমিক্রন। তবে ওই রিপোর্টটি এখনও পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করা হয়নি।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Priyanka Tibrewal: ১৪৪ ধারা সত্ত্বেও দোকান খোলা, পুলিশের সঙ্গে বচসা প্রিয়াঙ্কার, রিপোর্ট চাইল কমিশন

ভোটদান শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়লেন ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। তাঁর অভিযোগ, গোটা বিধানসভা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও কেন দোকান খোলা? ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। বিজেপি প্রার্থীর আরও অভিযোগ, ভবানীপুরের অন্তর্গত ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে বুথ জ্যাম করছেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে, ভোটের দিন সকালেই প্রিয়াঙ্কার বিস্ফোরক দাবি, এই কেন্দ্রে অনেক ভোটার ভোট দিতে আসেন না। যার অন্যতম কারণ, শাসকদলের দাদাগিরি।Madan Mitra (TMC MLA) has purposely shut the voting machine here as he wants to capture the booth: Priyanka Tibrewal, BJP candidate for Bhabanipur by-poll at polling booth of ward number 72 pic.twitter.com/lFB5hQytTY ANI (@ANI) September 30, 2021এ দিন ভোট শুরু হতেই বুথ জ্যামের অভিযোগ তোলে বিজেপি। ১২৬ নম্বর বুথে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ করেন প্রিয়াঙ্কা। ফিরহাদ হাকিম অবশ্য বুথ জ্যামের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, লড়াইয়ে না পেরে মিথ্যা অভিযোগ করছে বিজেপি। ভোট শুরুর অনেক আগে থেকেই ভবানীপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে, বিভিন্ন বুথে ঘুরে বেড়ান প্রিয়াঙ্কা। প্রার্থী জানান, ভবানীপুরের মানুষ নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন, ভোট দিন, এটুকুই চাইব। আবার ভোটের দিনই ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের নিরাপত্তা বাড়ানো হল। বিজেপি প্রার্থীর কনভয়ে জুড়ল কলকাতা পুলিশের তিনটি গাড়ি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
দেশ

Corona Update: স্বস্তি দিয়ে দেশে বেশ কিছুটা কমল করোনা সংক্রমণ

ওঠা নামা করছে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। পরপর কয়েকদিন সংক্রমণ তিরিশ হাজারের গণ্ডি ছাড়ালেও গতকালের তুলনায় আরও কমল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের ২৬,১১৫ জন। বেশ কয়েকদিন পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ এতটা কমল। একদিনে করোনার বলি ২৫২জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারির কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৪,৪৬৯ জন।আরও পড়ুনঃ বাবার জন্মশতবার্ষিকীতে বিশেষ ভাবনা অপর্ণা সেনেরগত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ২৫৬ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা দঁড়িয়েছিল ৩০ হাজার ৭৭৩। দুসপ্তাহ আগেও হু-হু করে বেড়ে গিয়ে প্রায় ৪৫ হাজারের গণ্ডি ছুঁয়েছিল এই সংখ্যাটা। এরপর এক ধাক্কায় তা কমে দাঁড়ায় ৩৩ হাজারে। পরপর কয়েকদিন সংখ্যাটা ৩০ হাজারের নীচেই ছিল। পরে সংখ্যাটা আবার ৩০ হাজার ছাড়ায়। দেশের মোট আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪১৯। গতকাল মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৪৮ হাজার ১৬৩ জন। এদিকে,গতকালের তুলনায় সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। এই সুস্থ হয়ে ওঠার হার ক্রমশ উর্ধ্বমূখী। আজ সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৩ হাজার ৯৩৮ জন। গতকালে সুস্থ হয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৪৫ জন। এদিকে, ওঠা-নামা করছে মৃত্যুর গ্রাফ। আজ এক ধাক্কায় মৃত্যু কমে ২৯৫-এ দাঁড়িয়েছে। গত দুদিন আগেও দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছিল। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ৩০৯।আক্রান্তের নিরিখে দেশের মধ্যে সপ্তম স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বিগত কয়েকদিন ধরে সাতশোর আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল সংক্রমণের গ্রাফ। আজ সামান্য স্বস্তি দিয়ে তা কমে ৬০০ হল। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩৫জন। সরকারি তথ্য বলছে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ৬৫২ জনের। এদিকে, উত্তরপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যে কিন্তু সংক্রমণের রিপোর্ট অনেকটাই কম। গোটা রাজ্যে দৈনিক মোট আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১৭ জন। বিগত এক সপ্তাহ ধরে এই রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৫০ এর নীচেই রয়েছে। তবে মোট মৃতের সংখ্যা ২২ হাজারের আশে পাশেই ঘোরাঘুরি করছে। অন্যদিকে, রাজধানী দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ জন। তবে কেরলে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণের হার।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
দেশ

Corona 3rd wave: অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!

উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ্যে আনল এনআইডিএম। অক্টোবরেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ শিখর ছুঁতে পারে। এই বার প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে গঠিত বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি রিপোর্ট দিয়ে জানাল এ কথা। আরও পড়ুনঃ বিনিসুতোয়-এর জার্নি শেয়ার করলেন অর্পণারিপোর্টে বলা হল, দেশে ইতিমধ্যেই আছড়ে পড়েছে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে দেশে আর ভ্যালু ১-এর উপর উঠে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এক জন সংক্রমিতের থেকে কত জন আক্রান্ত হচ্ছেন, তা বোঝানো হয় এই আর ভ্যালু দিয়ে।কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে যাতে আরও সতর্ক হয়ে আসন্ন ঢেউয়ের মোকাবিলা করা হয়, তার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে জমা দেওয়া ওই রিপোর্ট বলছে, তৃতীয় ঢেউয়ের সময়ে বিপুল সংখ্যক শিশু সংক্রমিত হলে তাদের চিকিৎসার জন্য যত সংখ্যক চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং পরিকাঠামো প্রয়োজন, তা নেই দেশে। এই বিষয়টির দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞদের ওই কমিটি।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার বিরল প্রজাতির ক্যামেলিয়ন, পুলিশের হাতে তুলে দিল দিনমজুর যুবকএই রিপোর্ট সামনে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মধ্যে। কারণ, অক্টোবর থেকেই বাংলায় পুজোর মরশুম হচ্ছে।তার মধ্যেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়া এবং তা শিখর ছোঁয়ায় পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

Begging: দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

করোনা মহামারি কেড়ে নিয়েছে সাধারণ মানুষের অনেক কিছু। মাথায় হাত পড়ার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এর জেরে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। এমন সব খবর তো গত এক দেড় বছরে অনেক শোনা গিয়েছে। কিন্তু এবার যে খবর সামনে আসছে সেটা শুনে মুষরে পড়তে পারেন অনেকেই। দিল্লি সরকারের একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, দিল্লির রাস্তায় গত কয়েক মাসে ভিখারির সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট- এর সেই সার্ভের রিপোর্ট বলছে, করোনা মহামারির এই চূড়ান্ত দুঃসময়ে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বেকার হয়ে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিচলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেখানে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। দিল্লির রাস্তায় এখন ৫২ শতাংশ বেড়েছে বেকারের সংখ্যা। গত পাঁচ বছর ধরে বহু নতুন ভিখারি দেখা গিয়েছে দিল্লির রাস্তায়। সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, মাত্র ৮ শতাংশ ভিখারি ছোটবেলা থেকে ভিক্ষা করতে বাধ্য হয়েছে। আইএইচডি-র রিপোর্ট বলছে, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অশিক্ষা এবং শারীরিক সমস্যার জন্য ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য হয়েছেন অনেকে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় এমন মানুষদের ভিক্ষাবৃত্তি করতে দেখা গিয়েছে যাঁরা করোনা মহামারির সময় কাজ হারিয়েছেন। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন যাঁরা তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষের মাথার উপরে ছাদ নেই। অর্থাৎ শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় মাথা গোঁজার কোন ঠাই নেই তাঁদের। দিল্লির রাস্তায় ভিক্ষাবৃত্তি করা মানুষদের ৪৫ শতাংশ ঝুপড়িতে থাকতে বাধ্য হন। করোনা মহামারির জন্য কাজ হারিয়ে ভিক্ষা করতে বাধ্য হওয়া মানুষদের সংখ্যাটা উল্লেখযোগ্য। তাঁদের মধ্যে অনেকেই অবশ্য ছোটখাটো কাজ করেন। কিন্তু হাতে যা টাকা আসে তা দিয়ে সংসার চলে না। ফলে বাড়তি উপার্জনের জন্য তারা ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করছেন। কুড়ি শতাংশ ভিখারি এমন রয়েছেন যাঁরা এই পেশায় আসার আগে দিনমজুর, কারখানার শ্রমিক, পরিচারক বা পরিচারিকা হিসেবে কাজ করতেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
বিদেশ

Natural Calamity: মহাপ্রলয়ের মুখে পড়তে চলেছে পৃথিবী!

পৃথিবী ক্রমশ বিপর্যয় ও মহাপ্রলয়ের দিকে যাচ্ছে, ইঙ্গিত দিল রাষ্ট্রসঙ্ঘ। ২০১৩ সালের পর আবার ২০২১। সাত বছর পর ফের আর একটি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত রিপোর্ট দিল রাষ্ট্রসঙ্ঘ। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে জলবায়ু পরিবর্তনের সেই রিপোর্ট। সেই রিপোর্ট জানাল, পৃথিবী ক্রমশ বিপর্যয়ের দিকে এগোচ্ছে। পৃথিবীর ভবিষ্যৎ যে খুব একটা সুখকর নয়, তা নিয়ে আগেও সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানী ও গবেষকরা। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও সুপার সাইক্লোন কিংবা দাবানলের ঘটনা ঘটছে। রিপোর্ট আরও জানিয়েছে, গোটা একুশ শতক জুড়ে ক্রমশ বাড়তে থাকবে সমুদ্রের জলস্তর। যার জেরে উপকূলবর্তী এলাকায় বাড়বে বন্যা। ১০০ বছরে একবার সমুদ্রের যে রূপ দেখা যেত, এই শতকশেষে প্রায় প্রতি বছরই সেই রূপ দেখা যাবে।সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী দুদশকের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রির মতো বাড়বে। এই পরিস্থিতির জন্য মানুষই সম্পূর্ণ দায়ী, সে কথাও উল্লেখ করা হয়েছে সেই রিপোর্টে। গত দুসপ্তাহ ধরে রিপোর্টটির জন্য কাজ করেছেন ১৯৫টি দেশের বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বের প্রতিটি দেশেই জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টটিতে।আরও পড়ুনঃ পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধেগ্লোবাল ওয়ার্মিং এই সময়ের একটা বড় সংকট। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের ভয়ের কথা আগেও জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে তাপমাত্রা বেড়ে যাবে, এমন রিপোর্ট এই প্রথম দিল রাষ্ট্রসঙ্ঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্যানেল। জানা গিয়েছে ২০ বছরের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়বে ১.৫ ডিগ্রি। জানা গিয়েছে, প্রতিটি দেশেই গ্রীষ্মকালের স্থায়িত্ব বাড়বে, অর্থাৎ, শীতকালের স্থায়িত্ব কমবে। এর অবধারিত প্রভাব পড়বে মানুষের স্বাস্থ্যে ও কৃষিকাজে। এবং সব মিলিয়ে এক চরম আবহাওয়ার সাক্ষী থাকবে পৃথিবী।শুধু তাই নয়, রিপোর্টে জানানো হয়েছে, আগামি দিনে বাড়বে বৃষ্টি , বাড়বে খরা। অতি ভারী বৃষ্টিতে সব কিছু ভেসে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে। যে ধরনের বৃষ্টি সাধারণত এক দশকে একবার হয়, সেটা এ বার আরও বাড়বে বলেই উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। এবং এই ধরনের বৃষ্টি হবে আগের থেকে ১.৩ গুণ বেশি। বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে ৬.৭ শতাংশ। এদিকে, প্রবল খরাও হবে।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Post-poll Violence: কমিশনের রিপোর্ট পড়তে আরও সময় চাইল রাজ্য

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে রিপোর্ট জমা দিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। যার পাল্টা হলফনামা দিয়ে রাজ্য সরকার অভিযোগ করেছে, রিপোর্টে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে। যদিও বুধবারের শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, এখনও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট পড়া শেষ করা হয়নি। তা পড়ার জন্য আরও কিছুটা সময় চায় রাজ্য। হাইকোর্ট আবেদন মঞ্জুর করে নির্দেশ দিয়েছে, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যকে রিপোর্ট পড়া শেষ করতে হবে, ওই সময়ের মধ্যেই অতিরিক্ত হলফনামা জমা করতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২ অগস্ট, সোমবার।আরও পড়ুনঃ অনীক দত্তের সিনেমায় বিমলা রায়ের চরিত্রে সায়নী ঘোষচলতি সপ্তাহের সোমবারই কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামা পেশ করে রাজ্য সরকার। যেখানে কড়া ভাষায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগের জবাব দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে খুব স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মানবাধিকার কমিশনের সদস্যরা বিজেপির হয়ে পক্ষপাতিত্ব করেছে। এমনকী, কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে বিজেপির প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে রাজ্যের হলফনামায়। এই প্রকারের ব্যক্তিদের থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। রাজ্য সরকারকে ফের হলফনামা পেশ করার নির্দেশ দিল কলকাতা উচ্চ আদালত। চলতি মাসের অন্তিম দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের হলফনামা পেশ করতে হবে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর বেঞ্চে মামলার শুনানিতে মানিকতলায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট জমা দেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ওয়াইজেড দস্তুর।আরও পড়ুনঃ ফের দুর্ঘটনার বলি ১৮ পরিযায়ী শ্রমিকঅন্যদিকে, মানবাধিকার কমিশনের আইনজীবী এদিন আদালতে বলেন, রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরেও বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যেই ১৬টি অভিযোগ নতুন করে জমা পড়েছে। যার মধ্যে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য পুলিশের চাপও রয়েছে। ফলে তারাও সাপ্লিমেন্টারি রিপোর্ট জমা দিতে চান বলে আদালতে জানান। যদিও হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করেছে। এদিকে এই মামলায় যুক্ত হতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন করেছেন রাজ্যের দুই বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও পার্থ ভৌমিক। মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে তাদের অভিযুক্ত দেখানো হয়েছে। এ বিষয়ে অবশ্য বৃহত্তর বেঞ্চ এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।

জুলাই ২৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Update: রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তি

রাজ্যে ফের একবার করোনা সংক্রমণের হার সামান্য বাড়ল। নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা অনেকটাই কম ছিল সোমবার। যে কারণে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাও একধাক্কায় কমে গিয়েছিল অনেকটাই। টেস্ট বাড়তেই মঙ্গলবার ফের বৃদ্ধি পেল রাজ্যের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যদিও সংক্রমণের হার বর্তমানে একেবারেই উদ্বেগজনক নয়। গতকালকের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যাও আজ কমেছে। অন্য দিকে, দেশের করোনা (Corona) পরিসংখ্যানে বড়সড় স্বস্তি। একদিনে দৈনিক আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা, দুটোই অনেকটা কমল। মঙ্গলবার দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা নামল ৩০ হাজারে। যা কিনা গত ১২৫ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে তেমনই মৃতের সংখ্যা নেমে এল চারশোরও নিচে। যা কিনা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।আরও পড়ুনঃ আদালতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নয় গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫২ জন। এই একই সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৯৯২ জন। গোটা রাজ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা আরও ২৫০ কমে তা নেমেছে ১২ হাজার ৫০৯-এ। সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৭.৯৯ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশে দাঁড়িয়ে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৫০ হাজার ৭১৩ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। পজিটিভিটির হার বর্তমানে ১.৪৮ শতাংশ। মঙ্গলবার সন্ধের স্বাস্থ্যদপ্তরের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা (COVID-19) আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫২ জন। সোমবার সংখ্যাটা ছিল ৬৬৬। এদিন সর্বাধিক করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে উত্তর ২৪ পরগনায় (৮২)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দার্জিলিং (৭৯)। তৃতীয় স্থানে রয়েছেল উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি (৬১)। কলকাতা (৬০) রয়েছেন চতুর্থস্থানে। সবমিলিয়ে এদিন রাজ্যের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লক্ষ ১৯ হাজার ৫৯৯ জন। তাঁদের মধ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগী ১২ হাজার ৫০৯ জন। সোমবারের তুলনায় অনেকটাই কমেছে এই সংখ্যা। রাজ্যের পজিটিভিটি রেট দাঁড়িয়েছে ১.৪৮ শতাংশ।গত কয়েকদিন ধরেই করোনার পরিসংখ্যান ওঠানামা করছে। ফলে মঙ্গলবারের এই পরিসংখ্যানের পর করোনা বিধিতে কোনওরকম ঢিলেমি বোকামি হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩০ হাজার ৯৩ জন করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় আট হাজার কম। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১১ লক্ষ ৭৪ হাজার ৩২২ জন।

জুলাই ২০, ২০২১
কলকাতা

NHRC Report: ভোট পরবর্তী হিংসায় মানবাধিকার কমিশনের বিস্ফোরক রিপোর্ট, পালটা মমতা

পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে হাইকোর্টে বিস্ফোরক রিপোর্ট জমা দিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদল। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো ভোট পরবর্তী হিংসায় কবলিত রাজ্যের একাধিক জায়গা ঘুরে আলাদতে এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্যে আইনের শাসন নয়, শাসকের শাসন চলছে।এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই ক্ষোভে রীতিমতো ফেটে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পালটা তোপ দেগে তিনি বলেন, কমিশনের নামে মিথ্যা রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে আদালতে।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংমানবাধিক কমিশনের এই বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠকে বিষয়টি তোলা হলে তিনি ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আদালতে জমা পড়া রিপোর্ট কেন প্রকাশ্যে এল সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ পক্ষাপাতমূলক একটা রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। রাজ্যকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। উত্তরপ্রদেশের নদী থেকে লাশ গঙ্গায় ভেসে আসার সময় মানবাধিকার কমিশন কোথায় থাকে। যদিও বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন, কোনও মন্তব্য করব না। কিন্তু যা হয়নি তা নিয়ে মিথ্যা প্রচার চলছে। উত্তরপ্রদেশ বিজেপি শাসিত রাজ্য বলে ওদের সাত খুন মাফ। ভোটের আগে যে হিংসা হয়েছে তখন নির্বাচন কমিশন দায়িত্বে ছিল। বিজেপি হার হজম করতে পারছে না। তাই হারের পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এইসব অভিযোগ তুলছে।আরও পড়ুনঃ জেএমবি-কাণ্ডে ধৃত মূল লিঙ্কম্যানভোট পরবর্তী হিংসার যে যে অভিযোগ রাজ্যে উঠেছিল, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের ঘুরে দেখে একটি রিপোর্ট জমা দিতে বলেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রিপোর্টই বৃহস্পতিবার আদালতে জমা পড়ে। রিপোর্টে উঠে আসে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হিংসার ঘটনায় যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রতি রাজ্য সরকার চরম উদাসীন আচরণ দেখিয়েছে। এখানেই শেষ নয়। হিংসার ঘটনার কারণে একাধিক পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে। খুন, অস্বাভাবিক মৃত্যু ও ধর্ষণের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্যের বাইরে মামলা হওয়া বাঞ্ছনীয় বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করেছে মানবাধিকার কমিশন। এর পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে একটি সিট গঠন করে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। যারা আহত বা মৃত, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিশন।

জুলাই ১৫, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Update: সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার, কি বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট? জানুন

ডেল্টা স্ট্রেনের সঙ্গে কাপ্পার মতো নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার মধ্যেই সুখবর হল, দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমন এখন অনেকটাই নিম্নমুখী। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৯০০-র কাছাকাছি। রবিবার দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৫০৬ জন। শনিবারের তুলনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও এখনও তা ৯০০-এর কাছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৮৯৫ জন মারা গিয়েছেন ভারতে। রাজ্যে করোনার দৈনিক সংক্রমণের হার শেষ পাঁচ দিনে মোটামুটি একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। গত ৫ জুলাই রাজ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৮৫। তার পর থেকে ধীরে ধীরে শনিবার দৈনিক সংক্রমণ পৌঁছেছে ৯৯৭-এ। সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৬ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হইচই তে মুক্তি পাচ্ছে হীরালালকেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১১ জুলাই, রবিবার পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৮ লক্ষ ৩৭ হাজার ২২২। এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ৮ হাজার ৪০ জনের। দেশে মোট কোভিড সংক্রমণের হার কমে হয়েছে ৭.১৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার অবশ্য সামান্য বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড সংক্রমণের হার ২.২৫ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ ফের ফেসবুকে পোস্ট করে কাকে বার্তা দিলেন সৌমিত্র খাঁ?আক্রান্তের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থতার সংখ্যা সামান্য বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪১ হাজার ৫২৬ জন। এখনও পর্যন্ত মোট ২ কোটি ৯৯ লক্ষ ৭৫ হাজার ৬৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অর্থাৎ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে। এই মুহূর্তে দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ১১৮। এদিকে, সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ১১ হাজার ২০৫। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। এ ক্ষেত্রেও শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে কমেছে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যাও। আপাতত ১৫ হাজার ৩০৪ জন সক্রিয় করোনা রোগী রয়েছেন রাজ্যে।

জুলাই ১১, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccine: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্ট তলব

কসবার ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে এ বার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে চিঠি দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ। জাল টিকাকরণ শিবির নিয়ে গত ২৬ জুন কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই চিঠির ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে বিস্ফোরণে মৃত ৪, জখম ১চিঠিতে বলা হয়েছে, শুভেন্দু কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে অনেক জায়গায় বেআইনিভাবে টিকাকরণ শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত কসবা এলাকার একটি শিবিরে টিকা প্রাপকরা কোনও মেসেজ পাননি। তাই এই শিবিরগুলি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্র জানিয়েছে, বার বার রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কো-উইন পোর্টালের মাধ্যমেই শুধুমাত্র টিকাকরণ শিবিরের আয়োজন করতে হবে। যাঁরা টিকা নেবেন তাঁদের তথ্য পোর্টালে থাকবে ও তার বদলে তাঁদের মেসেজ পাঠানো হবে। যদি কোনও প্রাপক মেসেজ না পান, তার মানে তিনি জাল শিবির থেকে টিকা নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে রাজ্যকে। সেই সঙ্গে এই পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি রিপোর্ট ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

জুন ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নিট কেলেঙ্কারির ভয়ংকর ফাঁস! “৫০০-৬০০ নম্বর নিশ্চিত”, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে বিস্ফোরক তথ্য

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, মূল অভিযুক্ত শুভম খয়েরনার পরীক্ষার্থীদের ৫০০ থেকে ৬০০ নম্বর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিত। তার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই ফাঁস হয়েছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।নিট ২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্তভার এখন সিবিআইয়ের হাতে। ইতিমধ্যেই জাতীয় পরীক্ষাকর্তা সংস্থা পরীক্ষা বাতিল করেছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার দিনও ঘোষণা করা হয়েছে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, নাসিক থেকে গ্রেফতার হওয়া শুভম খয়েরনার গত এপ্রিল মাসেই তার সাপ্লায়ার যশ যাদবকে জানিয়েছিল যে প্রশ্নপত্রের কপি জোগাড় হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, ২৯ এপ্রিল ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি হয়। তারপর থেকেই শুরু হয় পরীক্ষার্থীদের টার্গেট করে প্রলোভন দেখানো।অভিযুক্তরা পড়ুয়াদের বোঝাত, ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র নিলে তারা নিশ্চিতভাবে বেশি নম্বর পাবে এবং দেশের নামী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগ চলত মূল অভিযুক্তদের মধ্যে। সেখানে পরীক্ষার্থীদের ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ৫০০ থেকে ৬০০ নম্বর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হত।সিবিআই ইতিমধ্যেই শুভমের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। চ্যাটের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের কপিও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, মহারাষ্ট্র থেকে শুরু করে হরিয়ানার গুরুগ্রাম, রাজস্থানের জয়পুর ও শিকর-সহ দেশের বিভিন্ন বড় কোচিং কেন্দ্রে এই প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, জম্মু-কাশ্মীর, বিহার এবং কেরলেও ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।শুভম খয়েরনার বয়স ৩০ বছর। নাসিকের ইন্দিরানগরের বাসিন্দা সে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ছাত্র হলেও কখনও ডাক্তারি পাশ করতে পারেনি। তদন্তে জানা গিয়েছে, ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে নিটের প্রশ্নপত্র কিনে পরে তা ১৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দেয় সে।এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কারণ, লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে কীভাবে বড় চক্র কাজ করছিল, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে তদন্তে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে বড় অ্যাকশন! একসঙ্গে সাসপেন্ড তিন আইপিএস অফিসার

ক্ষমতায় এসেই আরজি কর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। নির্যাতিতা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্তও।যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত। রাজ্য সরকারের অভিযোগ, আরজি কর কাণ্ডের সময় পুলিশের তরফে যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়নি। এফআইআর করতে দেরি এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সেই সময় পুলিশের আধিকারিক এবং অফিসারদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মূল মামলার তদন্ত যেহেতু সিবিআই করছে, তাই সেই তদন্তে রাজ্য সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।আরজি কর কাণ্ড সামনে আসার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, দুই পুলিশ অফিসার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন। সেই অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।আরজি কর কাণ্ডের সময় কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে ছিলেন বিনীত গোয়েল। ডিসি সেন্ট্রাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় পুলিশের মুখপাত্রের মতো আচরণ করেছিলেন এবং সেই সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এত প্রশ্ন কেন উঠেছিল।এই ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে শুরু থেকেই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করল নতুন সরকার।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শাহজাহানদের জেল নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা! মোবাইল উদ্ধার, সাসপেন্ড দুই শীর্ষ আধিকারিক

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দিদের হাতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, জেলের ভিতর থেকেই অপরাধচক্র চালানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।শুক্রবার বিধানসভা থেকে নবান্নে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। এরপর রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তদন্তে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসির উপস্থিতিতে এবং কারা দফতরের ডিজির নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, শুধু প্রেসিডেন্সি নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার থেকেই অপরাধচক্র চালানো হচ্ছিল। তাঁর কথায়, গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের ভিতর থেকেই নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে পরোক্ষ আক্রমণও শানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই কাজ একদিনের নয়। বছরের পর বছর ধরে নিচ থেকে উপর পর্যন্ত দুর্নীতির আঁতাত তৈরি হয়েছে। সেই চক্র ভাঙতে সময় লাগবে।শুভেন্দু আরও জানান, দমদম থেকে বহরমপুর পর্যন্ত একাধিক সংশোধনাগারে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বন্দিদের আলাদা সেলে রাখা থেকে শুরু করে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেলে বসে যারা অপরাধচক্র চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এন কুজুর এবং চিফ কন্ট্রোলার দীপ্ত ঘরাইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, দায়িত্বে গাফিলতি হলে শুধু অপরাধীদের বিরুদ্ধে নয়, যারা তাদের সাহায্য করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোন কোন বন্দির কাছে মোবাইল ছিল, কার নামে সিম ব্যবহার করা হচ্ছিল এবং কীভাবে সেই ফোন জেলের ভিতরে পৌঁছল, তা জানতে সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কান্ডে বড় পদক্ষেপ! তিন আইপিএস সাসপেন্ড, ফের খুলছে তদন্তের ফাইল; মমতার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের বহুল আলোচিত চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডে নতুন করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শুক্রবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করলেন, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা তিন আইপিএস অফিসারবিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত-কে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি-র ভূমিকা নিয়েও খতিয়ে দেখার ইঙ্গিত দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী।নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে লিখিত রিপোর্ট তলব করেছিলেন। আরজি করের ঘটনার সময় পুলিশ প্রশাসন কীভাবে পরিস্থিতি সামলেছিল, কোথায় কোথায় গাফিলতি হয়েছে এবং কোন স্তরে তদন্ত প্রক্রিয়ায় ব্যত্যয় ঘটেছে, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরই এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর ত্রুটির অভিযোগ। বিশেষ করে ঘটনার পর যথাসময়ে এফআইআর দায়ের, প্রমাণ সংগ্রহ এবং তদন্তের প্রাথমিক ধাপগুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু তথ্যের উল্লেখ করে শুভেন্দু দাবি করেন, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সরকারি স্তরে আর্থিক সমঝোতার চেষ্টা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।২০২৪ সালের অগস্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড সামনে আসতেই সারা রাজ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। চিকিৎসক সমাজের লাগাতার আন্দোলন, প্রতিবাদ মিছিল এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের মুখে তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়। পরবর্তীতে তাঁকে কলকাতা পুলিশের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এসটিএফ-এর এডিজি ও আইজিপি পদে বদলি করা হয়েছিল।একই সময়ে কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) পদে ছিলেন অভিষেক গুপ্ত। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ ওঠার পর তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। ডিসি (সেন্ট্রাল) পদে থাকা ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ও আরজি কর-পরবর্তী অস্থির পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশের মুখপাত্র হিসেবে বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে এসেছিলেন। তাঁর ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায় আসছে।শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই তদন্ত শুধু প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা নির্ধারণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রয়োজন হলে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর এই ঘোষণার পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিরোধীরা একে ন্যায়বিচারের পথে বড় পদক্ষেপ বলে দাবি করলেও, শাসকদলের একাংশ এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই কটাক্ষ করেছে।আরজি কর কাণ্ডে নতুন করে তদন্তের দরজা খোলায় ফের সামনে আসছে সেই ভয়াবহ রাতের বহু অমীমাংসিত প্রশ্ন। এবার প্রশাসনিক পদক্ষেপ কতদূর গড়ায়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ঘরছাড়াদের ফেরাতে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! তবে মানতে হবে কড়া শর্ত

ছাব্বিশের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের তরফে দাবি করা হচ্ছিল, বিভিন্ন জেলায় তাঁদের বহু নেতা-কর্মী আক্রান্ত এবং ঘরছাড়া। শুক্রবার বিধানসভা অধিবেশনেও সেই অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আর সেই অভিযোগের পরই বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।বিধানসভায় এদিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অষ্টাদশ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হন শাসকদলের প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বোস। বিরোধীরা কোনও প্রার্থী না দেওয়ায় তাঁদের ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর বক্তব্য রাখতে উঠে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ তোলেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অত্যাচারে বহু তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন।এই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর জানা মতে বর্তমানে কেউ ঘরছাড়া নন। তবে যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে বিরোধী দলনেতাকে নামের তালিকা জমা দিতে বলেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, আপনারা তালিকা দিন, কারা ঘরছাড়া হয়েছেন জানিয়ে দিন।তবে এখানেই একটি স্পষ্ট শর্ত বেঁধে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, তালিকায় থাকা কেউ যদি একুশের ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর থাকে, তাহলে তাঁকে ঘরে ফেরানো হবে না। বরং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু যদি কেউ নির্দোষ হয় এবং সত্যিই ঘরছাড়া থাকেন, তাহলে স্থানীয় বিধায়ক ও পুলিশ সুপার তাঁকে সসম্মানে ঘরে ফিরিয়ে দেবেন বলে আশ্বাস দেন শুভেন্দু।বিধানসভায় এই আলোচনা শেষ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে গিয়ে দেখা করেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার। সূত্রের খবর, তিনি শুভেন্দুকে বলেন যে বাইরে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। তখন মুখ্যমন্ত্রী জানান, পরের দিন পুলিশের সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে এবং সেখানে পান্নালালকেও থাকতে বলেন তিনি।শোনা যাচ্ছে, সেই বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য লিখিত আমন্ত্রণপত্র চান পান্নালাল। পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। কারণ, বিধানসভায় আগেই শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, বিরোধীদেরও সমানভাবে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। আর এবার পুলিশের বৈঠকে বিরোধী বিধায়ককে ডাক দিয়ে তিনি যেন সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট করে দিলেন।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আর গোপন কিছু নয়! বিধানসভার সব কার্যকলাপ লাইভ দেখানোর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বিধানসভার প্রথম দিন থেকেই বড় পরিবর্তনের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধায়করা কে কতটা কাজ করছেন, কে নিয়মিত বিধানসভায় উপস্থিত থাকছেন, তা যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি জানতে পারেন, সেই লক্ষ্যে বিধানসভার কার্যকলাপ লাইভ সম্প্রচারের ঘোষণা করলেন তিনি। তাঁর কথায়, জনগণের নজরদারি আরও শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, অতীতের অম্ল-মধুর অভিজ্ঞতা তিনি আর টেনে আনতে চান না। পুরনো ত্রুটি-বিচ্যুতি ভুলে গিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নিয়ম মেনেই বিধানসভা চালানোর উপর জোর দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিধানসভাকে আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ করে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য।তিনি জানান, বিধায়কদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। প্রশ্নোত্তর পর্বে সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ অনেক সময় বুঝতেই পারেন না তাঁদের নির্বাচিত প্রতিনিধি কী কাজ করছেন। তাই বিল, বাজেট, জিরো আওয়ার-সহ বিধানসভার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপ সরাসরি সম্প্রচার করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।বিধানসভায় বিশৃঙ্খলা ও অশালীন আচরণের বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনও বিধায়ককে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা উচিত নয়। বিধানসভা মারামারির জায়গা নয়, বরং গণতান্ত্রিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মঞ্চ।শুভেন্দু আরও জানান, বিধানসভায় সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। এখনও ভোটাভুটির ক্ষেত্রে কাগজে লিখে মত জানাতে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভবিষ্যতে ডিলিমিটেশন হলে বিধানসভার আসন সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কারণেই নতুন বিধানসভা ভবন তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।বিরোধীদের উদ্দেশেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বিরোধীদের আরও বেশি করে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে বিরোধী বিধায়করা সরাসরি মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। পাশাপাশি কোনও মন্ত্রী এলাকায় গেলে স্থানীয় বিধায়ককে আগাম জানানো হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।শেষে বিরোধীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে চিঠি পাঠালেও উত্তর পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলাবে। বিরোধীরা চিঠি দিলে তিনি নিজে তার উত্তর দেবেন বলেও জানান শুভেন্দু।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

নাম না করেই অভিষেককে নিশানা তাপস রায়ের! “বিজেপি নয়, ওর ব্যবস্থা করবে জনগণ আর তৃণমূল”

নতুন সরকার গঠনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। স্পিকার নির্বাচনের দিন তৃণমূলকে একের পর এক আক্রমণ শানালেন মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়। নাম না করেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন তিনি। তাপসের বক্তব্য, বিজেপি তাঁর কিছু করবে না। তাঁর ব্যবস্থা করবে জনগণ এবং তৃণমূলই।শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন বিজেপির রথীন্দ্র বসু। এরপর বিভিন্ন দলের বিধায়করা বক্তব্য রাখেন। সেই সময় বক্তব্য রাখতে উঠে তাপস রায় শুরু থেকেই তৃণমূলকে আক্রমণ করতে থাকেন। তৃণমূল বিধায়কদের দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, অনেক তো করেছেন। এবার দেখতে খারাপ লাগছে নাকি?এরপরই তিনি দাবি করেন, এবারের নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের ভোট ছিল না, এটা ছিল ধর্মযুদ্ধ। সেই ধর্মযুদ্ধে যারা জিতে এসেছেন, তাঁদের অভিনন্দন জানান তিনি।নবনির্বাচিত স্পিকার রথীন্দ্র বসুর উদ্দেশে তাপস বলেন, বিধানসভায় কোনও দেশবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান যেন না ওঠে, তার জন্য প্রয়োজন হলে আইন আনতে হবে। তাঁর এই মন্তব্যে টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানাতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।এরপরই নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন তাপস রায়। তিনি বলেন, একজন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ব্লক অঞ্চল থেকে বিজেপি প্রার্থীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। যদিও বাংলার দলের আবার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক! এই মন্তব্যে তৃণমূল বিধায়করা প্রতিবাদ শুরু করলে তাপস বলেন, সব বলা যায়। বলতে দিতে হবে।তাপস আরও বলেন, সে বলেছিল হাড়গোড় ভেঙে দেওয়া হবে। আমি বলছি, এবার সে বাইরে বেরোক। বিজেপি কিছু করবে না। তার ব্যবস্থা জনগণ আর তৃণমূলই করবে।ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ নিয়েও তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। তাপসের দাবি, তৃণমূল ফের ক্ষমতায় এলে বিজেপির বহু কর্মী খুন হতেন। তিনি বলেন, আজ যদি ওরা ক্ষমতায় ফিরত, তাহলে দেড়শোর বেশি বিজেপি কর্মীর লাশ গুনতে হত। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হত। লক্ষ লক্ষ বিজেপি সমর্থক ঘরছাড়া থাকতেন।একসময় তৃণমূলেরই নেতা ছিলেন তাপস রায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বরাহনগর থেকে জিতেছিলেন তিনি। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তাপস বলেন, আমি যদি ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকি, তাহলে আমাকে জেলে পাঠান।শেষে জয় শ্রীরাম এবং ভারত মাতার জয় ধ্বনি দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন বিজেপি বিধায়ক।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

পদ হারিয়েই বিস্ফোরক পোস্ট কাকলির! তৃণমূলে কি বাড়ছে বিদ্রোহ?

লোকসভায় মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। আর তারপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। কারণ পদ হারানোর পর সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন কাকলি। সেই পোস্ট ঘিরেই এখন রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের একাংশ নেতার মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। কেউ সংবাদমাধ্যমের সামনে, কেউ আবার সমাজমাধ্যমে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। অনেকেই দলের খারাপ ফলের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাককে দায়ী করেছেন। সেই আবহেই কাকলির পোস্ট নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে।গত বছরের অগস্ট মাসে আচমকাই লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই দায়িত্ব দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। কিন্তু মাত্র নমাসের মধ্যেই ফের সেই পদে ফিরিয়ে আনা হল কল্যাণকে। আর তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত?পদ থেকে সরানোর পর সমাজমাধ্যমে কাকলি লেখেন, ৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথচলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই পোস্ট থেকেই স্পষ্ট, সিদ্ধান্তে তিনি যে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।এর আগেও কাকলির ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার একাধিক পোস্ট করে দলের অন্দরে চাঞ্চল্য ফেলেছিলেন। সমাজমাধ্যমে তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করেছিলেন তিনি। একইসঙ্গে সিপিএম নেতৃত্ব এবং মহম্মদ সেলিমের প্রশংসাও করেছিলেন।আরও একটি পোস্টে বৈদ্যনাথ লিখেছিলেন, আমার মাকে প্রশ্ন করার প্রয়োজন নেই। প্রশ্ন করুন সব্যসাচী দত্ত কোথায়? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পোস্টের পর থেকেই কাকলির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে।এখন ছেলের পর মা-ও প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখানোয় তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও কাকলির পোস্ট নিয়ে এখনও পর্যন্ত দলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal