• ৩ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rain

বিদেশ

যে কোনও মুহূর্তে ইউক্রেনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে রাশিয়া

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্যত রাশিয়া। রণডঙ্কা ক্রমশ জোরাল হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে বসবাসকারী ভারতীয়দের দেশে ফেরার পরামর্শ দিল ভারতীয় দূতাবাস। মঙ্গলবার কিয়েভের ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, যেসব পড়ুয়ারা কিয়েভে রয়েছেন, তাঁরা অবিলম্বে দেশে ফিরে আসুক। আর যাঁরা এই মুহূর্তে ফিরতে পারছেন না, তাঁরা যেন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, সেই পরামর্শও দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নিজে নাগরিকদের ইউক্রেন থেকে ফেরানোর বার্তা দিয়েছেন। খালি করা হচ্ছে কিয়েভের মার্কিন দূতাবাসও।বেশ কিছুদিন ধরেই রাশিয়া- ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে আড়াআড়ি বিভক্ত আন্তর্জাতিক মহল। একদিকে রাশিয়ান আগ্রসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো দেশগুলি অন্যদিকে ইউক্রেন ইস্যুতে কাছাকাছি আসতে শুরু করেছে রাশিয়া ও চিন। ফ্রান্সও এই ইস্যুতে ইউক্রেনের পক্ষেই রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে যাতে সমস্যার সমাধান হয় তাই রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, কিন্তু সেই চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি। আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা ছিল যেভাবে রাশিয়া প্রস্তুতি নিচ্ছে দ্রুতই হয়ত তারা ইউক্রেনে আক্রমণ করবে। এবার ফ্রান্সের তরফেও একই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রী জিন-ইভেস লে ড্রিয়ান সোমবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, রাশিয়া সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে এবং সীমান্তে হাজার হাজার সৈন্য মোতায়েন করার পরে যে কোনও মুহূর্তে তারা ইউক্রেনের ওপর আক্রমণ করতে পারে।রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকাও। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, ইউক্রেনে যেকোনও সময় আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া পাশাপাশি তারা তাদের ইউরোপীয় মিত্রদের কাছে আবেদন জানিয়েছে এমন কিছু হলে অর্থনৈতিকভাবে যেন রাশিয়াকে যেন বয়কট করে দেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

স্কুলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট, তবুও এসেছে প্রায় লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন পুর্ব-বর্ধমানে রায়নার স্কুল

বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর জন্য বিদ্যালয়ে রয়েছে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ইউনিট। তা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ দফতর পূর্ব বর্ধমানের রায়না ২ ব্লকের একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছে প্রায় লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল। শুধু এত বিশাল পরিমান টাকার বিদ্যুৎ বিল পাঠানোই নয়।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই বিল সংশোধনের আবেদন করার পর উল্টে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগই বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।তার কারণে এখন বিদ্যালয়ে পঠন পাঠন জারি রাখার ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে চুড়ান্ত অচলাবস্থা। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ ও স্কুল দফতর সহ প্রশাসনের নানা মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিদ্যালের প্রধান শিক্ষক। কিন্তু সুরাহার কোনও ব্যবস্থা হয়নি। সামনেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। সেই কথা মাথায় রেখে প্রশাসন কি ব্যবস্থা করে সেই দিকেই এখন তাকিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পড়ুয়ার।বিদ্যালয় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মহম্মদ মইদুল হক জানান, প্রথম থেকেই রাজ্য বিদ্যুৎ দফতরের দেওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল তাঁর বিদ্যালয়ে।পরবর্তী সময়ে রাজ্য সরকার বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎতের চাহিদা মেটাতে সৌরশক্তির উপর ভরসা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়।সেই মত ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ইউনিট চালু হয়। সেই সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট থেকে বিদ্যালয়ও বিদ্যুৎ সংযোগ পায়।তার পরেই বিদ্যুৎ দফতর বিদ্যালয়ে থাকা পূর্বের মিটার রিডিং যন্ত্রটি খুলে নিয়ে নেট মিটার যন্ত্র লাগিয়ে দেয়।প্রধান শিক্ষক তাঁর অভিযোগে বলেন, ওই নেট মিটার যন্ত্র লাগানো হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিন কেটে গেলেও বিদ্যুৎ দফতরের কেউ মিটার রিডিং দেখতে আসেনি।তারই মধ্যে করোনা অতিমারির প্রভাব বেড়ে যায়। তার কারণে রাজ্য সরকার স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ও বন্ধ থাকে। এর পরেও ২০২১ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ দফতরের লোকজন মিটার রিডিং সংগ্রহ করতে আসেন না। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিদ্যুৎ দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তার পর বিদ্যুৎ দফতরের লোকজন মিটার রিডিং নিয়ে যায়। পরে তারা ৯৮ হজার ৭৮৮ টাকার বিদ্যুৎ বিল বিদ্যালয়ে পাঠায়।এত বিপুল পরিমাণ টাকার বিল সঠিক মনে না হওয়ায় এরপর তিনি বিল সংশোধনের জন্য বিদ্যুৎ দফতরে লিখিত আবেদন করেন।কিন্তু সেই আবেদন গ্রাহ্য না করে উল্টে বিদ্যুৎ দফতরের কোন নোটিশ না দিয়েই ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর লোকজন পাঠিয়ে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।এদিকে বিদ্যুৎ না থাকার তার কারণে এখন বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন চালু রাখা নিয়ে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা।পড়ুয়ারা জানিয়েছে, বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ না থাকায় তাঁরা কম্পিউটার ক্লাস করতে পারছে না।পাম্প চালাতে পারা না যাওয়ায় স্কুলে পানীয় জলও পাওয়া যাচ্ছে না।এমনকি জলের অভাবে সাফাই কাজ বন্ধ থাকায় স্কুলের শৌচাগার ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে গিয়েছে।মিড ডে মিল রান্না করার জন্য দূর থেকে জল আনাতে হচ্ছে। এছাড়াও পড়ুয়াডের সরকারী সূযোগ সুবিধা পাবার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষে অনলাইনে যে যে বিষয়ে আবেদন করতে হয় সেই কাজও করতে পারা যাচ্ছেন না বলে পড়ুয়ারা অভিযোগ করেছে।বিদ্যুৎ বিল সঠিক মনে না হওয়ার কারণ নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মহম্মদ মইদুল হক বলেন, বিদ্যালয়ে থাকা সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট থেকে কতটা বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় তার হিসাব নেট মিটার যন্ত্রে দেখা যায়।উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিদ্যালয় তার প্রয়োজন মত ব্যবহার করার পর বাকি সবটা বিদ্যুৎ দফতর নিয়ে নেয়।অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর ধরে বিদ্যালয় বন্ধ ছিল।তাহলে আমাদের বিদ্যালয় বিদ্যুৎ খরচ করলো কোথায়! প্রধান শিক্ষক এও দাবি করেন, অতিমারির কারণে তাঁদের বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সময়ে উৎপাদিত সমস্ত সৌরবিদ্যুৎ বিদ্যুৎ দফতরই গ্রহন করেছে।কিন্তু বিলে বিদ্যুৎ দফতর কতটা সৌরবিদ্যুৎ গ্রহন করেছে আর বিদ্যালয় কতটা বিদ্যুৎ খরচ করেছে তার কোন হিসাবও দেওয়া হয় নি। নেট মিটারে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎতের যে হিসাব ধরা পড়েছে তার সবটাই একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবহার করেছে দেখিয়ে মনগড়া বিল তৈরিকরে বিদ্যুৎ দফতর বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক দাবি করেন।প্রধান শিক্ষক আরও জানান, ওই বিল পাওয়ার পর তিনি সৌরবিদ্যুৎ বিভাগের (ডাব্লুবিআরইডিএ) সুপারেনটেন্ডেন্ট ইঞ্জিয়ার পিসি রাউতকে বিস্তারিত জানান। উনি সবকিছু খতিয়ে দেখে জানান, নেট মিটার রিডিং ফলো করে ডাব্লু বি এ সি ডি সি এল বিল পাঠিয়েছে ঠিকই। কিন্তু সিস্টেম মেনে ওই বিলে উৎপাদিত সৌর বিদ্যুৎতের পরিমাণ ও স্কুল কতটা বিদ্যুৎ ব্যায় করেছে তার হিসাব আলাদা করা হয়নি। তার কারণেই এই সমস্যা তেরি হয়েছে।প্রধান শিক্ষক বলেন,সুপারেনটেন্ডেন্ট ইঞ্জিয়ার তাঁকে জানিয়েছেন, এমন সমস্যা শুধু একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেই তৈরি হয় নি। রায়না ও ভাতার এলাকার আরও তিনটি বিদ্যালয় সহ রাজ্যের ১৪ টি বিদ্যালয়ে এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে ।এই বিষয়ে যদিও বিদ্যুৎ দফতরের রায়নার সেহারাবাজারের স্টেশন ম্যানেজার জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী সংবাদ মাধ্যকে কোনকিছু জানাতে অস্বীকার করেন।তবে রায়না ২ ব্লকের বিডিও অনিষা যশ জানিয়েছেন, উদ্ভুত সমস্যার সমাধানে আগামী মঙ্গলবার তিনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ,বিদ্যুৎ দফতর ও পঞ্চায়েত সমিতির কার্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগে একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয় যাতে বিদ্যুৎ সংযোগ পায় সেই ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

বাড়িতে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী প্যারোলে মুক্তি পাওয়া বন্দি

কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলেন প্যারোলে মুক্তি পাওয়া এক বন্দি। মৃতর নাম উদয় মালিক (৪০)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার শ্যামসুন্দরে। বৃহস্পতিবার সকালে উদয় মালিক নিজের বাড়িতেই কীটনাশক খেয়ে নেন। আশঙ্কাজনক অবস্থা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিন রাতে সেখানেই তিনি মারা যান। এই ঘটনা জানার পরেই নড়েচড় বসেছে প্রশাসন ও সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,প্যারোলে মুক্ত থাকা বন্দির মৃতদেহের এদিন ময়নাতদন্ত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তও শুরু করেছে। পাশাপাশি বর্ধমানের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার জন্য ষষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দিয়েছেন।প্যারোলে মুক্তি পাওয়া বন্দির আত্মঘাতী হওয়ার বিষয়টি সম্বন্ধে রাজ্য ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। তা ছাড়াও সংশোনাগার কর্তৃপক্ষ কারাদফতরের উচ্চ মহলেও বিষয়টি জানিয়েছে। বর্ধমান থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের লালগোলা সংশোধনাগারে ছিলেন উদয় মালিক। কোভিড পরিস্থিতির জন্য তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা হাওড়াগামী সুপারফাস্ট ট্রেনের, প্রশংসিত গেটম্যান

চলন্ত ট্রেনের যাত্রী কামরার নীচে দাউদাউ করে জ্বলছিল আগুন। তা দেখে ট্রেনের গার্ড সহ স্টেশন কর্তৃক্ষকে সতর্ক করেন গেটম্যান। আর গেট ম্যানের এই তৎপরতার জেরেই শুক্রবার বড়সড় অঘটনের হাত থেকে রক্ষা পেলেন ডাউন শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেসের যাত্রীরা।হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার ডাউন লাইন ধরে এদিন দুপুরে শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস হাওড়া যাচ্ছিল। পথে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানা এলাকার মসাগ্রাম স্টেশন পেরিয়ে ট্রেনটি এগিয়ে যেতে থাকে। ওই সময়ে মসাগ্রাম লেভেল ক্রশিংয়ে থাকা গেটম্যান সৌমেন সাঁতরা শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেসের চালকের ইঞ্জিনের পরের যাত্রী কামরার নিচে আগুন জ্বলতে দেখেন। আগুন দেখেই গেটম্যান তৎক্ষণাৎ খবর দেন স্টেশন ম্যানেজারকে। এই খবর পাওয়ার পর এক মুহুর্ত আর দেরি না করে স্টেশন ম্যানেজার ট্রেনের চালককে সতর্ক করেন। তৎতক্ষণাৎ শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস ট্রেনের চালক ট্রেনটি রেলগেটের অদূরে দাঁড় করিয়ে দেন।আগুন লাগার খবর জানতে পেরে ট্রেন যাত্রীদের কামরা ছেড়ে লাইনে নেমে পড়ে। নিমিষে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। যদিও চালক ও রেল কর্মীদের তৎপরতায় আগুন ভয়াবহ রুপ নিতে পারেনি। মসাগ্রাম স্টেশন ম্যানেজার এ কে বালা জানিয়েছেন, এদিন দুপুর ২টা ৪০ মিনিট নাগাদ ডাউন ২৩৩৮ শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস মসাগ্রাম স্টেশন পার হয়।ট্রেনটি মসাগ্রাম লেবেল ক্রসিং পার হয়ে যাওয়ার সময় গেটম্যান সৌমেন সাঁতরা ট্রেনটির ইঞ্জিনের পরের যাত্রী কামরার নিচে আগুন জ্বলতে দেখেন। তা দেখেই গেটম্যান তাঁকে ঘটনার কথা জানায়। তৎক্ষণাৎ তিনি বিষয়টি ট্রেনের চালককে জানান। চালক মসাগ্রাম রেল গেটের অদূরে ট্রেন দাঁড় করিয়ে দিয়েই ইঞ্জিনে থাকা ফায়ার এক্সটিংগুইশার বের করে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। একে বালা আরও জানান, এর খানিক পরেই তিনি ও অন্য রেল কর্মীরা মিলে দুটি ফায়ার এক্সটিংগুইশার সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সবাই মিলে ফায়ার এক্সটিংগুইশার দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় রেল আধিকারিকদের পাশাপাশি রেল যাত্রীদেরও দুশ্চিন্তা কাটে। ঘটনার পর থেকে প্রায় এক ঘন্টা পর ৩ টে ১৩ মিনিট নাগাদ ডাউন শান্তি নিকেতন এক্সপ্রেস মসাগ্রাম থেকে হাওড়ার উদ্দেশ্যে ফের রওনা দেয় বলে স্টেশন ম্যানেজার জানিয়েছেন। আগুন লাগার কারণ প্রসঙ্গে স্টেশন ম্যাণেজার বলেন,হাইড্রোলিকের গা ঘেঁষে থাকা ট্রেনের চাকার ব্রেক জ্যাম হয়ে যাবার কারণে আগুন ধরে গিয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে এই বিষয়ে রেলের মেকানিকরা সঠিক কারণ জানাতে পারবে। স্টেশান ম্যাণেজার এও বলেন, আগুন নেভার পর বোঝা গিয়েছ ট্রেনটি নিরাপদেই হাওড়া যেতে পারবে। বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হওয়ার জন্য স্টেন কর্তৃপক্ষ গেটম্যান সৌরভ সঁতরার প্রশংসা করেছেন।গেটম্যান সৌরভ সাঁতরা বলেন, ডাউন শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস ট্রেনটি লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার সময়েই ইঞ্জিনের পিছনের বগির নীচে আগুন জ্বলতে দেখে ট্রেনটির গার্ডকে লাল পতাকা দেখান। পাশাপাশি স্টেশন ম্যানেজারকেও খবর দেন। চালক রেল গেট পার করেই ট্রেন দাঁড় করিয়ে দেন। এরপর চালক সহ রেল কর্মীদের সবার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হওয়ায় বড় কোন অঘটন ঘটেনি। ট্রেনের যাত্রীরা একই ট্রেনে চড়ে নিরাপদেই গন্তব্যের উদ্দেশ্য রওনা হতে পেরেছেন।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

আজ শহরতলীতে ঝেঁপে বৃষ্টি আসতে চলেছে

জাঁকিয়ে মরশুমি শীতের আশা কার্যত ছেড়েই দিয়েছে বঙ্গবাসী। একটানা পর পর পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে শীত কার্যত ছুটি নিয়েছে। শেষ মাঘেও কার্যত বৃষ্টি। খনার বচন বলে, ধন্য রাজার পুণ্য দেশ, যদি বর্ষে মাঘের শেষ। বৃহস্পতিবারও গোটা রাজ্যেই ফের বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আর কয়েকঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা-সহ সমস্ত শহরতলীতেই ঝেঁপে বৃষ্টি আসতে চলেছে।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এদিকে রাজ্যে আগামী কয়েকদিনে, শীতের প্রভাব আরও কমবে। রাতের তাপমাত্রা আগামী তিন দিনে দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়বে। একইসঙ্গে বৃষ্টির দাপট দেখা যাবে উত্তরের জেলাগুলিতেও। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পঙের মতো পাহাড়ি জেলাগুলিতে আগামী তিন থেকে চার দিন হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।জানা গিয়েছে,বৃহস্পতিবার, কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। ইতিমধ্যেই বাতাসে ঝঞ্ঝার প্রভাবে বেড়েছে জ্বলীয় বাষ্পের পরিমাণ। কলকাতায় এদিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। গোটা দিনই মেঘলা থাকবে আকাশ। আপাতত শীত ফিরছে না বঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

রায়নায় সেচ ক্যানেলের পাড় থেকে উদ্ধার যুগলের ঝুলন্ত মৃতদেহ

সেচ ক্যানেলের পাড়ের গাছ থেকে উদ্ধার হল ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা যুগলের মৃতদেহ। যা নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার নাড়ুগ্রাম পঞ্চায়েতের নান্দাল গ্রামে।খবর পেয়ে রায়না থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে গাছ থেকে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম রুপনাথ হাজরা(২৪) ও পুতুল রাণা(৩১)। দুজনেরই বাড়ি রায়নার নান্দাল গ্রামে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান হাসপাতাল পুলিশ মর্গে পাঠায়। রায়না থানার পুলিশ যুগলের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রুপনাথ হাজরা ও পুতুল রাণা দুজনেরই বাড়ি রায়নার নান্দাল গ্রামে। তবে এরা কেউ স্বামী স্ত্রী নয়। পেশায় লরি চালক রুপনাথ অবিবাহিত। তাঁর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল গ্রামেরই বধূ পুতুলের। এলাকাবাসীর কথায় জানা গিয়েছে, পুতুল ও রুপনাথের অবৈধ সম্পর্কের কথা দুজনের পরিবারের কেউই মেনে নেননি। এই পরিস্থিতিতে সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে যুগল আত্মঘাতী হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এই মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দুই মৃতের পরিবারের কেউ এদিন বিকাল পর্যন্ত থানায় কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ জানায়নি। তবে পুলিশ তদন্তে নেমে যুগলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কি তা খতিয়ে দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

শীতের আমেজেই ফের বৃষ্টির আশঙ্কা

তাপমাত্রা বাড়লেও রাজ্যে বজায় শীতের আমেজ। তবে শীত স্থায়ী হবে না বেশিদিন। বৃহস্পতিবার থেকেই আবারও বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলা। সেই সঙ্গে বাড়বে রাতের তাপমাত্রাও। তবে, বুধবার পর্যন্ত অর্থাৎ আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া মোটের উপর শুষ্কই থাকবে। তবে এখনই রেহাই নেই। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ, ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের ভিজতে পারে দক্ষিণের জেলাগুলি। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.৯ ডিগ্রি সেলিসয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ। আগামিকাল তাপমাত্রা বাড়লেও বিশেষ হেরফের হবে না। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলায় ধীরে ধীরে রোদের দেখা মিলবে। রাজ্যে ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট। বুধবার বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমাঞ্চলে জেলাগুলোতে। বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতে বৃষ্টি হবে। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

যাওয়ার আগে বঙ্গে হালকা শীতের ছোবল, ফের ঝঞ্ঝার ভ্রুকুটিতে শীত বিদায়ের বার্তা?

শেষ মাঘে অবশ্য বঙ্গে শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং। আপাতত বেশ কিছুদিন থিতু হবে শীত। কিন্তু, তার আয়ু খুব বেশিদিন নয়। চলতি সপ্তাহেই বৃহস্পতিবার থেকেই ফের বদলাতে শুরু করবে আবহাওয়া। বাড়বে তাপমাত্রা। রয়েছে আরও একটি ঝঞ্ঝার আশঙ্কাও। গত সপ্তাহেও শুক্রবার গোটা দিন দুই বঙ্গেই বৃষ্টি হয়েছে। শনিবার থেকে ধীরে ধীরে কমে বৃষ্টির প্রকোপ। জেলায় ও উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি হলেও কলকাতা ও শহরতলী মোটামুটিভাবে বৃ্ষ্টিহীনই ছিল। দেখা মিলেছে রোদের। সরস্বতী পুজোতেও কোনও বাধা পড়েনি।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি কম। সোমবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। সোমবার বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। আগামী বেশ কয়েকদিন শীত থাকবে। জেলাগুলির ক্ষেত্রে তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী থাকবে। জেলায় তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির কাছাকাছিও হতে পারে। সোমবার সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে।রবিবার থেকেই আবহাওয়ার উন্নতি হয়েছে উত্তরবঙ্গে। সরস্বতী পুজোর হাত ধরে বঙ্গে মৃদু শীতের প্রত্যাবর্তনও হয়েছে। ২-৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমেছে তাপমাত্রা। তবে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রাজ্যে মৃদু শীতের আয়ু সাময়িক। ৮ ও ১০ তারিখ উত্তর পশ্চিম ভারতে ফের ঝঞ্ঝার ভ্রুকুটি। বৃহস্পতি ও শুক্রবার ফের বঙ্গে মেঘ ঢুকবে। ফলে বৃষ্টিরও সম্ভাবনা থাকছে দুই বাংলায়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

বাড়ছে তাপমাত্রা, বৃষ্টি মাথায় নিয়েই বাগদেবীর আরাধনা অপেক্ষা

রাজ্যের দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেছে বসন্ত। সরস্বতী পুজোর পরে তাপমাত্রা সামান্য নামলেও তা ১৪-১৫ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। মেঘলা আকাশ বাগদেবীর আরাধনায় ছেদ ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্র এবং শনিবার আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। সঙ্গে দোসর হালকা বৃষ্টিও হতে পারে।রাতে সে ভাবে তাপমাত্রা কমেনি, একটু ভ্যাপসা ভাবও অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দমদমে ১৮ ডিগ্রি আবহবিদেরা জানিয়েছেন, আচমকা ঋতু পরিবর্তন হয় না। তাই প্রথমে রাতের দিকে শীত-শীত ভাব থাকবে। ধীরে ধীরে দিনের এবং রাতের পারদ চড়তে থাকবে। আস্তে আস্তে উত্তুরে হাওয়ার বদলে দখিনা বাতাস বইতে শুরু করবে। তাই শীত ফুরলো মানেই একেবারে ঠান্ডা বিদায় হয়ে গেল তাও নয়।হাওয়া অফিসের খবর, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে আজ, দার্জিলিং এবং সিকিমের কিছু জায়গায় তুষারপাত হতে পারে। উত্তরবঙ্গে এবং গাঙ্গেয় বঙ্গের বহু জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে বৃষ্টি হতে পারে। তবে গাঙ্গেয় বঙ্গের কয়েকটি জেলা ছাড়া বাকিগুলিতে বৃষ্টির তেমন আশঙ্কা নেই।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

আরও কমল তাপমাত্রা, মেঘলা আকাশ, ঝেঁপে আসছে বৃষ্টি!

ক্রমশ কমে আসছে শীতের আয়ু। একধাক্কায় ফের বাড়ল তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশে বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। শুক্রবার থেকেই রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবারও হতে পারে বৃষ্টি। হাওয়া অফিস বলছে, পিছু হটতে পারে শীত। উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ উভয় ক্ষেত্রেই আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরের জেলাগুলিতে থেকে হালকা বৃষ্টি শুরু হবে। মূলত বেশি বৃষ্টি হবে ৪ ফেব্রুয়ারি।৪ ফেব্রুয়ারি উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলাতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দুএক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হবে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। এর পাশাপাশি কিছু কিছু জায়গায় শিলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে । শনিবারও উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। রাতের তাপমাত্রা আগামী দিনে আরও দুই ডিগ্রি বাড়বে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার আকাশ আংশিক মেঘলাই থাকবে। সন্ধেবেলা বা রাতে বৃষ্টি হতে পারে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৮ শতাংশ ও সর্বনিম্ন ৩২ শতাংশ।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গেও বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বৃষ্টি হবে। এর পাশাপাশি পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মোটের উপর দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বৃহস্পতিবার।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জের, ফের বাড়ছে তাপমাত্রা, রয়েছে বৃষ্টির ভ্রূকুটি

পূর্বাভাস ছিলই। মঙ্গলবার সকাল থেকেই আরও কমল শীত। এদিন সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। সকালের দিকে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা দেখা গিয়েছে। এ বারের শীতের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। একাধিক বার জাঁকিয়ে শীত পড়তে না পড়তেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তাতে থাবা বসিয়েছে। আবহবিদদের মতে, এ বারও তেমনই পরিস্থিতি হতে চলেছে। এর ফলে রাজ্যের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়বে। সকাল থেকেই তার প্রভাব টের পাওয়া যাচ্ছে।চলতি সপ্তাহেই কলকাতায় রাতের তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়ে ফেলতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বৃষ্টিও। তবে সরস্বতী পুজোতেও বৃষ্টি হবে কি না, সেই বিষয়ে দ্বিমত আছে আবহবিদদের মধ্যেই। আবহবিদদের একাংশ বলছেন, শুক্রবারেই বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আবার শনিবার বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আবহবিদরা। আর এরজন্য দায়ী সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝাই। ফলে, মধ্য মাঘেও বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই বঙ্গের।মঙ্গলবার কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা এক ডিগ্রি নিচে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। তবে এই তাপমাত্রা সোমবারের তুলনায় খানিকটা বেশি।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

দমদমের পর নদিয়া, শ্লীলতাহানির পর চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা মহিলাকে

দমদমের পর এবার নদিয়া। ফের একবার চলন্ত ট্রেনে মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা। শুধু তাইই নয়, এরপর সেই মহিলা তার প্রতিবাদ করলে সুযোগ বুঝে ধাক্কা দেওয়া হয় সেই ট্রেন থেকেই। বরাত জোরে প্রাণে বাঁচলেও গুরুতর আহত সেই মহিলা হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১ জনকে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার গাংনাপুরে। আরও একবার লোকাল ট্রেনে মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষার নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।সূত্রের খবর, রানাঘাট-বনগাঁ শাখার গাংনাপুরের কাছে চলন্ত ট্রেনে ছিলেন সেই মহিলা। গাড়ি যখন রায়নগর স্টেশনে ঢুকছে, সেই মুহূর্তে সেই মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। ক্রমাগত উত্যক্ত করতে থাকেন সেই মহিলাকে। সেই হেনস্থার প্রতিবাদ করায় এরপর চলন্ত লোকাল ট্রেন থেকে ধাক্কা মারেন অভিযুক্ত ব্যক্তি সেই মহিলাকে। প্ল্যাটফর্মে পড়ে যাওয়ার পরে মহিলাকে উদ্ধার করে জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি গুরুতরভাবে আহত। ঘটনায় ১ জনকে গ্রেপ্তার করলেও, আরও এক অভিযুক্ত এখনও পলাতক।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে আকাশ মেঘলা, আগামী দু’দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে ভুগছে বাংলা। এ বার দোসর বাংলাদেশে বঙ্গপোসাগরের উপকূলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, এই দুয়ের জেরে সপ্তাহের শুরুতেই রাজ্যের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন রাজ্যজুড়ে সেই একই রকম আবহওয়া থাকবে বলে জানিয়েছে অলিপুর আবহওয়া দপ্তর।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তো আছেই। সঙ্গে বাংলাদেশের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে কার্যত প্রচুর জ্বলীয়বাষ্প বঙ্গে প্রবেশ করছে। ফলে বৃষ্টিকাঁটা থেকে রেহাই মিলছে না এত সহজে। কলকাতা তো বটেই, দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাগুলিতেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে শিলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।২৫ জানুয়ারি মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। সোমবার শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২২.৬ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি নীচে। এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। সোমবারও বৃষ্টি হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি। উত্তরবঙ্গেও আকাশের মুখ ভার থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। বৃষ্টিরও পূর্বাভাস রয়েছে। রাজ্য কয়েকটি জেলায় শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও তা হয়নি। তবে আগামী দুদিন কোনও কোনও এলাকায় শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

সকাল থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি, ঘন কুয়াশায় ঢাকল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ

পূর্বাভাস ছিলই। সেই পূর্বাভাস মতো শনিবার থেকে শহরে শুরু হল বৃষ্টি। ভোর থেকে কলকাতার আকাশের মুখ ভার। ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা ছিল খুবই কম। বেলা একটু গড়াতেই শুরু হল বৃষ্টি। আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনার জেরে বাড়ল রাতের তাপমাত্রা। হাওয়া অফিসের খবর, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও নিম্নচাপ অক্ষরেখার কারণে এই বৃষ্টি এবং পারদের ঊর্ধ্বমুখী হওয়া। শুধু কলকাতাই নয়, একাধিক জেলায় ভারী বর্ষণের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দপ্তর। বৃষ্টি কাটিয়ে কবে ফের মিলবে শীতের দেখা তা নিয়েও রয়েছে আশঙ্কা।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে প্রচুর পরিমাণে জ্বলীয়বাষ্প বঙ্গে প্রবেশ করায় আগামী ৪৮ ঘণ্টা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলাতেই বৃষ্টিপাত হবে। বৃষ্টিপাত হবে উত্তরবঙ্গের জেলাতেও। সিকিম ও দার্জিলিঙে তুষারপাতের আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতা ছাড়াও হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। আগামী দুই দিনেও আবহাওয়ার বিশেষ পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলাতেও একই পূর্ভাবাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে দার্জিলিঙের উঁচু জায়গা অর্থাৎ সান্দাকফু এবং টাইগার হিলসে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। অসময়ের বৃষ্টিতে পাহাড়ে ধস নামতে পারে বলেও অশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এমনই আবহাওয়া থাকবে। এ সবই হচ্ছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কারণে, যা উত্তুরে হাওয়ার গতি রুদ্ধ করছে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত যা বঙ্গোপসাগর হয়ে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত যাওয়ার সময় দক্ষিণবঙ্গে প্রচুর জলীয় বাষ্প রেখে দিয়ে গিয়েছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

কিছুটা বাড়ল তাপমাত্রা, আজ থেকেই বৃষ্টি? কী বলছেন আবহবিদরা?

আপাতত বঙ্গ জুড়ে শীতের আমেজ। গত কয়েকদিন ধরে ক্রমেই নিম্নমুখী পারদ। তবে এখানেই শেষ নয়, পরের পর ঘূর্ণিঝড় কেন ইদানিং বাংলার উপকূলে হানা দিচ্ছে তা নিয়েও বিশেষ পর্যবেক্ষণ চলছে। সব মিলিয়ে বঙ্গে বৃষ্টি বিপদ এখনও কাটানো যাচ্ছে না।আলিপুর আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে দুদিন। রাতের তাপমাত্রার ক্ষেত্রে এখনই বিশেষ কোনও পরিবর্তন নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে দুদিন পর থেকে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। অর্থাৎ, শীত কমবে। উত্তরবঙ্গে রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।হাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষণ আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার কলকাতায় আরও বেশ খানিকটা পারদ পতন হয়েছে। এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। বাতাসে সর্বোচ্চ আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। আপাতত বেশ কিছুদিন থিতু হয়েছে শীত। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলায় ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। রাতেও ক্রমেই কমছে তাপমাত্রা। জেলাগুলিতেও পারদ ক্রমেই নিম্নমুখী।ইতিমধ্যেই পূর্বাভাস অনুযায়ী, জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। পশ্চিম মেদিনীপুরে সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। দেখা নেই রোদের। শুরু হয়েছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টিও। শুধু মেদিনীপুর নয় বৃষ্টি হওয়ার কথা উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ২২ জানুয়ারিও পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। অন্যান্য জেলাগুলিতেও ওইদিন আকাশের মুখ ভার থাকতে পারে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

মাঘের শীতে কাঁপছে বাংলা, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পূর্বাভাস

মাঘের বাঘা শীতে কাঁপছে বাংলা। বৃহস্পতিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ২৩ ডিগ্রি। কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ কুয়াশা ঘেরা সকালে ভালই শীত টের পাচ্ছেন বাঙালি। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, এই শীত আর কত দিন? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সপ্তাহান্তেই শীত কমে নামতে পারে বৃষ্টি। শুক্রবার থেকে আকাশে জমতে শুরু করবে মেঘ। বা়ড়তে থাকবে তাপমাত্রা।বৃহস্পতিবার যদিও কিছুটা শীতের আমেজ রয়েছে কলকাতায়। ১৩.৩ ডিগ্রি থেকে তাপমাত্রা নেমে হয়েছে ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। কিন্তু আগামীকাল থেকে ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি রাজ্যে। ২১ তারিখ দুই মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে৷ ২২ তারিখ পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস ।এর আগেও দুটি ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের হানায় বঙ্গে শীত মুখ থুবড়ে পড়ে বৃষ্টি হয়েছিল। আবহবিদদের মতে, আগামিকাল, শুক্রবার রাজ্যের আকাশে মেঘ জমতে শুরু করবে। কিছু এলাকায় বৃষ্টিও হতে পারে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তুলনায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। এর জেরে রাতের তাপমাত্রা দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দুই বঙ্গেই ২৩ এবং ২৪ জানুয়ারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। কলকাতা সহ গাঙ্গেয় দক্ষিণ বঙ্গে মাঘের শীতে থাবা বসাতে চলেছে বৃষ্টি। এই আচমকা বৃষ্টির কারণ হিসেবে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জন্য হাওয়ার গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। আর এর সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জলীয় বাষ্পপূর্ণ হাওয়ার মিশেলে ফের ভিজতে চলেছে রাজ্য।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

ফের একবার দাপট দেখাচ্ছে শীত, তবে স্থায়ীত্ব নিয়ে চিন্তায় হাওয়া অফিস

গত দিনদুয়েক বঙ্গে কেবল হিমেল আমেজ। বুধবারও আরও একবার অনুভূত হচ্ছে শীত। ক্রমেই নিম্নমুখী পারদ। আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকার পাশাপাশি তাপমাত্রা আরও নামতে পারে বলে পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। তবে বিপদ যাচ্ছে না। কারণ, ফের বৃষ্টির কাঁটায় জেরবার হতে পারে শীত।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আপাতত বেশ কিছুদিন থিতু হবে শীত। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করবে। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলায় ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। রাতেও ক্রমেই কমবে তাপমাত্রা। জেলাগুলিতেও পারদ ক্রমেই নিম্নমুখী।২০ জানুয়ারি অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়াও ২১ জানুয়ারি এবং ২২ জানুয়ারি উত্তরের পাঁচটি জেলায় অর্থাৎ, দার্জিলিং,কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি দুই বঙ্গেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তাই একটানা শীতের দেখা আপাতত নেই বললেই চলে এমনটাই বলছে হাওয়া অফিস।তবে, আবহবিদরা বলছেন শীত নিয়ে উৎফুল্ল হওয়ারও কিছু নেই। কারণ ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট বাড়বে। যার জেরে আটকাবে উত্তুরে হাওয়া। বাড়বে পূবালী হাওয়ার দাপট সাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকবে। গরম পূবালী হাওয়া ও শীতল পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সংঘাতে বৃষ্টি শুরু হবে রাজ্যে। ইতিমধ্যেই বেড়েছে রাতের তাপমাত্রা। ১২.৯ ডিগ্রি থেকে তা বেড়ে হয়েছে ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কাল পর্যন্ত রাজ্যে শীতের আমেক বজায় থাকবে, এমনটাই জানিয়ে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

ঝঞ্ঝার দাপট যেন কমছেই না, তিন জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট যেন কিছুতেই কমছেই না। যার প্রভাবে শনিবার দিনভর মেঘলা থাকবে দক্ষিণবঙ্গের আকাশ। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে বলে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে।আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে একটি শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা পূর্বভারতের দিকে বয়ে এসেছিল। তার প্রভাবে বুধবার থেকে আকাশ শুধু মেঘলা ছিল। বৃষ্টিও হয়েছে কমবেশি। পৌষসংক্রান্তিতে রোদের দেখা মেলেনি। তার জেরেই এমন পরিস্থিতি। আগামী ১৮ জানুয়ারি আরও এক বার পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব দেখা যেতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর। মেঘলা আকাশ এবং দিনভর বৃষ্টির জেরে শুক্রবার গাঙ্গেয় বঙ্গে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে নীচে নেমে গিয়েছিল। শনিবারও সেই পরিস্থিতি বজায় থাকার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। রবিবারও এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লা

হাহাকার ক্রমেই বাঁধ ভাঙছে। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ লাইনচ্যুত হয় বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেস। সেই ঘটনায় শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত বহু। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। রেলের জেনারেল ম্যানেজার আনসুল গুপ্তা বলেন, দুর্ঘটনার কারণ এখনই বলা যাবে না। কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটি আসার পরেই সবটা জানা যাবে।শুক্রবার সকালে ময়নাগুড়িতে পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। মধ্য রাতেই হাওড়া স্টেশনে পৌঁছে যান রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তার পর বিশেষ ট্রেনে করে ময়নাগুড়ির দুর্ঘটনাস্থলে রওনা হন তিনি। সকালে পৌঁছে ট্রলিতে চেপে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তার পর বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে। আমি নিজে এখানে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছি। তদন্তও শুরু হয়েছে। যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টিরও উপর নজর রাখছেন। আমি এখানে এসেছি এই দুর্ঘটনার মূল কারণ কী তা জানার জন্য।আমার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যোগাযোগ রয়েছে। উনি খোঁজখবর নিচ্ছেন।West Bengal: Railway Minister Ashwini Vaishnaw reaches the train accident site near Domohani, JalpaiguriHe says, A statutory inquiry has been initiated. PM Modi is monitoring the situation Im in constant touch with him. I wish a speedy recovery to the injured. pic.twitter.com/eiamXGjxb2 ANI (@ANI) January 14, 2022অন্যদিকে শুক্রবার ভোরেই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা। তিনি বলেন, উদ্ধারকাজ চলছে। কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তার তদন্ত করা হবে। রাতভর উদ্ধারকাজ চলেছে। ভোরের ঘন কুয়াশাতেও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, বিএসএফ, সশস্ত্র সীমা বল-এর জওয়ানরা। দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া এবং লাইনের পাশে উল্টে থাকা ট্রেনের কামরাগুলি ক্রেনের সাহায্যে এক এক করে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, কামরার ভিতরে আর কেউ আটকে আছে কি না, তা ভাল করেও খতিয়ে দেখছেন উদ্ধারকারীরা।আহতদের ৩৬ জনের চিকিৎসা চলেছে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। ৬ জন যাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের কয়েক জনকে রেফার করা হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে। জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের সুপার গয়ারাম নস্কর বলেন, মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে আটটি মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

ময়নাগুড়িতে দুর্ঘটনার জেরে বাতিল বেশ কিছু ট্রেন, জেনে নিন সেই সব ট্রেনের তালিকা

ময়নাগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার পাশাপাশি প্রচুর ট্রেনের রুট বদল হয়েছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক বাতিল ও রুট বদল ট্রেনের তালিকা।বাতিল করা হয়েছে১. 13147 শিয়ালদহ-বামন হাট উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। বামন হাট অবধি যাওয়ার কথা থাকলেও এই ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি অবধি যাবে২. 13148 বামন হাট-শিয়ালদহ উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। এই ট্রেন বামন হাটের পরিবর্তে নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়বে।রুট বদল করা হয়েছে১. 12346 গুয়াহাটি-হাওড়া সরাইঘাট এক্সপ্রেস নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙ্গা- রানীনগর- জলপাইগুড়ি হয়ে চলবে।২. 13171 শিয়ালদহ আগরতলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন- শামুকতলা হয়ে চলবে।৩. 12507 ত্রিবান্দ্রাম সেন্ট্রাল শিলচর এক্সপ্রেস রানীনগর- জলপাইগুড়ি- মাথাভাঙা- নিউ কোচবিহার হয়ে চলবে।৪. 12505 কামাখ্যা- আনন্দ বিহার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৫. 15632 গুয়াহাটি- বার্মার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৬. 20502 তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৭. 15910 অবদ অসম এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৮. 22450 নয়াদিল্লি- গুয়াহাটি এক্সপ্রেস ঘুর পথে চলবে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মৃত্যু জল্পনার মাঝেই ভিডিও বার্তা, কী বলতে চাইলেন নেতানিয়াহু

মৃত্যু নিয়ে জল্পনার মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই ভিডিওর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি সুস্থ আছেন। তবে ভিডিওটি প্রকাশের পরই সমাজমাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে তাঁর হাতে একটি কফির কাপ দেখা যায়। সেই ভিডিওতে ব্যঙ্গের সুরে তিনি বলেন, তিনি কফির জন্য মরতেও রাজি এবং দেশের জন্যও মরতে প্রস্তুত। এর আগে যে বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, সেই বিষয়েও তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।কিন্তু সোমবার সকালে সমাজমাধ্যমে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর একটি পরিষেবা দাবি করে, নেতানিয়াহুর সেই ভিডিওটি নাকি আসলে কৃত্রিমভাবে তৈরি। তাদের মতে, ভিডিওতে কফির কাপের অবস্থান প্রায় একই রকম রয়েছে এবং ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে কথার মিলও ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও তাঁর বাঁ হাতের অবস্থানও অস্বাভাবিক বলে অনেকের দাবি। এই সব কারণেই অনেকে মনে করছেন ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হতে পারে।এই বিতর্কের মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি অজানা পাহাড়ি জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন নেতানিয়াহু। তাঁর পাশে দুজন তরুণীকেও দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে একটি বার্তাও দেওয়া হয়েছে, যেখানে লেখা রয়েছে নির্দেশ মেনে চলেই জয় অর্জন করা হচ্ছে। তবে এই বার্তার অর্থ কী, তা স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে নতুন এই ভিডিও ঘিরে আবারও নানা প্রশ্ন উঠছে। বর্তমানে নেতানিয়াহু ঠিক কোথায় আছেন, তা নিয়েও কোনও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। ফলে গোটা ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও কৌতূহল এবং জল্পনা আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

বকেয়া ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা, তবে পুরোটা নয়—নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানাল রাজ্য

বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগেই সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছিলেন, মার্চ মাস থেকেই এই বকেয়া ভাতা দেওয়া শুরু হবে। সেই ঘোষণার পর সোমবার নবান্নের অর্থদফতর ডিএ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি কর্মীরা বকেয়া ডিএ পাবেন ঠিকই, তবে আপাতত পুরোটা নয়। প্রথম ধাপে জানুয়ারি দুই হাজার ষোলো থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার উনিশ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে।এর আগে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল সমস্ত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে। তবে অর্থদফতরের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের কিছু আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বড় অঙ্কের খরচের কারণে একবারে সব টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে এই বকেয়া ভাতা মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই বকেয়া ডিএ দুই সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালের মার্চ মাসে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে।বকেয়া ডিএ হিসাব করা হবে সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে। পর্যবেক্ষণ কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এই অঙ্কের কিছু সমন্বয়ও করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।এপ্রিল দুই হাজার আট থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার পনেরো পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ কবে দেওয়া হবে, তা পরে আলাদা করে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।সরকারি কর্মীদের মধ্যে যাঁরা গ্রুপ এ, বি এবং সি শ্রেণির কর্মী, তাঁদের বকেয়া ডিএ সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। গ্রুপ ডি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।বর্তমান পেনশনভোগী এবং পারিবারিক পেনশনভোগীদের বকেয়া ভাতা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। কলকাতার বাইরে যাঁরা ট্রেজারি থেকে পেনশন নেন, তাঁদের টাকা সংশ্লিষ্ট ট্রেজারির মাধ্যমে দেওয়া হবে। আর কলকাতা অঞ্চলে যাঁরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন পান, তাঁদের ক্ষেত্রে পেমেন্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যাঙ্কেই টাকা পৌঁছে যাবে।যাঁরা এখন চাকরিতে নেই কিন্তু দুই হাজার ষোলো থেকে দুই হাজার উনিশ সালের মধ্যে কিছু সময় কাজ করেছেন, তাঁরাও সেই সময়ের জন্য বকেয়া ডিএ পাওয়ার যোগ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের শেষ কর্মস্থলের দপ্তরের প্রধানের কাছে আবেদন করতে হবে। কোনও কর্মচারী যদি এর মধ্যে মারা গিয়ে থাকেন, তবে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি বা আইনগত উত্তরাধিকারী এই বকেয়া পাওয়ার অধিকারী হবেন।এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার আদালতের নির্দেশ মানেনি। তাঁর কথায়, এই টাকা সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা হলে কর্মচারীরা অনেকদিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করতে পারবেন না। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং খুব শিগগিরই তারা আন্দোলনে নামতে পারেন।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

আবার মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু? ভবানীপুর ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের নজর ছিল নন্দীগ্রামে। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত জয় পাননি তিনি। পাঁচ বছর পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু এবারও হয়তো একই ধরনের রাজনৈতিক লড়াই দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।কারণ বিজেপি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, এবারও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই লড়তে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সরস্বতী পুজোর সময় ভবানীপুরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপেও ঘুরতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর পর থেকেই জল্পনা আরও বাড়তে থাকে।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী নিজে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়তে আগ্রহী ছিলেন। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কেন্দ্রে কেন শুভেন্দুকে প্রার্থী করা হল।২০২১ সালের নির্বাচনের আগে দীর্ঘদিন নন্দীগ্রামে থেকে প্রচার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অন্য অনেক কেন্দ্রে প্রচারে যেতে পারেননি। তবে তৃণমূল নেত্রী প্রায়ই বলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেরই প্রার্থী। সেই হিসেবে রাজ্যের সব জায়গায় তাঁর প্রচার করাও গুরুত্বপূর্ণ।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ব্যস্ত রাখতেই বিজেপি এই কৌশল নিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইকও প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধীরা কি মমতাকে ওই কেন্দ্রেই ব্যস্ত রাখতে চাইছে। যাতে তিনি সেখানেই বেশি সময় দেন, সেটাই কি উদ্দেশ্য।তবে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হবেন কি না। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই আবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

হিরণকে সরিয়ে দিলীপের প্রত্যাবর্তন, খড়্গপুর সদরে নতুন সমীকরণ

খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত নাম দিলীপ ঘোষের। তিনি এক সময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। পরে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় তাঁকে। তবুও খড়্গপুর সদর এলাকার রাজনীতির সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। এবার সেই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে।সোমবার বিজেপি একশো চুয়াল্লিশ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে রয়েছে দিলীপ ঘোষের নাম। ফলে বর্তমান বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে আর প্রার্থী করা হল না।দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা জ্ঞানসিং সোহনপালকে পরাজিত করেছিলেন। সোহনপাল দীর্ঘদিন ধরে এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। তাঁকে হারানোর পরই রাজ্য রাজনীতিতে বড় করে আলোচনায় আসেন দিলীপ ঘোষ।দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত তিনি খড়্গপুর সদরের বিধায়ক ছিলেন। পরে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিধায়ক পদ ছাড়েন তিনি। সেই সময় উপনির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে জয়ী হন তৃণমূলের প্রদীপ সরকার।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এবারও তিনি টিকিট পাওয়ার আশা করেছিলেন। অন্যদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে খড়্গপুর এলাকায় যাতায়াত বাড়িয়েছিলেন দিলীপ ঘোষও।গত বছর দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার পর দিলীপ ঘোষকে ঘিরে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। সেই সময় বিজেপির কর্মসূচিতে তাঁকে খুব বেশি দেখা যাচ্ছিল না। তবে পরে কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহের রাজ্য সফরের পর আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই তাঁকে আবার পুরনো ভঙ্গিতে রাজনীতিতে সক্রিয় দেখা যেতে থাকে।এই সময়ের মধ্যেই খড়্গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়। প্রথম স্ত্রীকে আইনি ভাবে বিচ্ছেদ না দিয়েই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়। এমনকি তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় অভিযোগও দায়ের করেন।এই সব বিতর্কের আবহেই শেষ পর্যন্ত হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী না করে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে দিলীপ ঘোষকে টিকিট দিল বিজেপি। এখন দেখার, দুই হাজার ষোলো সালের মতো আবারও কি এই কেন্দ্রে জয় ছিনিয়ে আনতে পারেন তিনি।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কাঁথি–তমলুকে নতুন সমীকরণ, শুভেন্দুর শক্ত ঘাঁটিতে লড়াই জমাতে মাঠে বামেরা

পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে কাঁথি ও তমলুক অঞ্চলে অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব অনেকদিনের। এই উপকূলের জেলার বহু এলাকায় মানুষ একে শুভেন্দুর গড় হিসেবেই চেনে।রাজনীতিতে সাধারণত গড় বলতে এমন একটি এলাকাকে বোঝানো হয় যেখানে কোনও নেতা বা রাজনৈতিক দলের দীর্ঘদিনের শক্ত প্রভাব থাকে। সেই অর্থে কাঁথি, তমলুক ও আশপাশের অঞ্চলকে অধিকারী পরিবারের প্রভাবের এলাকা বলেই মনে করেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক। এই পরিস্থিতিতেই সেই এলাকাগুলিতে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামেরা।বাম শিবিরের তরফে তমলুক কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিআই নেতাকে। ময়না কেন্দ্রে লড়ছেন সিপিআইয়ের স্বপন বর্মন। হলদিয়া কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে অশোক পাত্রের। পটাশপুর কেন্দ্রে সিপিআইয়ের সৈকত গিরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।কাঁথি উত্তর কেন্দ্রে, যেখানে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি, সেই এলাকায় সিপিএম প্রার্থী হিসেবে লড়বেন সুতনু মাইতি। আবার কাঁথি দক্ষিণ কেন্দ্রে সিপিআইয়ের প্রার্থী করা হয়েছে তেহরান হোসেনকে। রামনগর কেন্দ্রে লড়বেন অশোক কুমার মাইতি।পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, কাঁথি পূর্ব, খেজুরি, এগরা এবং তমলুক এলাকায় বহু বছর ধরেই অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী এবং ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীও দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশেষ করে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পর এই অঞ্চলে শুভেন্দু অধিকারীর জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। সেই কারণেই এই উপকূলের জেলাকে অনেকেই তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে মনে করেন। এবার সেই এলাকাতেই একাধিক প্রার্থী ঘোষণা করে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিল বামেরা।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোট ঘোষণার পরই বড় চমক, ১৯২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বামফ্রন্টের

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট। মোট একশো বিরানব্বইটি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু। এই তালিকায় যেমন একাধিক নতুন মুখ রয়েছে, তেমনই রয়েছে অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতারাও। পাশাপাশি কয়েকজন পরিচিত ও ভারী ওজনের নেতাকেও লড়াইয়ের ময়দানে নামানো হয়েছে।যাদবপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলেও গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা থেকে শুরু করে বকেয়া ভাতা সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি আদালতে সক্রিয় ছিলেন এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও পেয়েছেন।উত্তরপাড়া কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। তিনি বাম শিবিরের অন্যতম তরুণ ও পরিচিত মহিলা মুখ। এর আগেও বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মতো বড় নেতাদের বিরুদ্ধেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে তাঁর সরাসরি বক্তব্য এবং তীব্র বক্তৃতা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচিত হয়েছে।রানিবাঁধ কেন্দ্রে আবারও প্রার্থী করা হয়েছে দেবলীনা হেমব্রমকে। তিনি দীর্ঘদিন রানিবাঁধের বিধায়ক ছিলেন। দুই হাজার ছয় থেকে দুই হাজার এগারো পর্যন্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় তিনি অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানে তিনি সিপিএমের জেলা নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। দলের তরফে তাঁকে লড়াকু নেত্রী হিসেবেই তুলে ধরা হয়।মহেশতলা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি পেশায় আইনজীবী এবং সিপিএমের তরুণ মুখ হিসেবে পরিচিত। আগের লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন।পানিহাটি কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে কলতান দাসগুপ্তকে। তিনি বামেদের অন্যতম পরিচিত সংগঠক। অতীতে একটি বিতর্কের জেরে তাঁর নাম আলোচনায় উঠেছিল। পরে তিনি জামিন পান এবং নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন। বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমে বামেদের মুখপাত্র হিসেবেও তাঁকে দেখা গেছে।দমদম উত্তর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দীপ্সিতা ধরকে। তিনি বামেদের অন্যতম তরুণ নেত্রী। আগের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছিলেন। পরে লোকসভা নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে দলের তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে তাঁর নাম গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।এই প্রার্থী তালিকার মাধ্যমে বামফ্রন্ট একদিকে অভিজ্ঞ নেতাদের ভরসা রাখার পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বকেও সামনে আনার চেষ্টা করেছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। এখন দেখার, আসন্ন নির্বাচনে এই প্রার্থী তালিকা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতার, “বিনাশকালে বুদ্ধি নাশ” মন্তব্যে তোলপাড়

রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে পথে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই মিছিলে যোগ দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাতের মধ্যে বার্তা পেয়ে তিনি অবাক হয়ে যান। তাঁর প্রশ্ন, মধ্যরাতে এভাবে কোনও রাজ্যের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দেওয়া কি আগে কখনও দেখা গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগে এই ধরনের ক্ষেত্রে রাজ্যের কাছে কয়েকটি নাম চাওয়া হত এবং সেখান থেকে নির্বাচন করা হত। কিন্তু এবার কোনও প্রক্রিয়া মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই সিদ্ধান্ত যেন জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, যাঁকে সরানো হয়েছে তিনি একজন বাঙালি মহিলা আধিকারিক। তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্তের মধ্যে নারী বিদ্বেষের ইঙ্গিত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলার প্রতি এক ধরনের বিরূপ মনোভাব দেখানো হচ্ছে।মিছিলের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যদি কেউ মনে করে ভয় দেখিয়ে তাদের থামানো যাবে, তা হলে তারা ভুল করছে। তাঁর কথায়, লড়াই করতে হলে তারা প্রস্তুত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, শুধু বাঙালি আধিকারিক নয়, অবাঙালি আধিকারিকদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পিযুষ পাণ্ডে নামে এক আধিকারিককেও বদলি করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল এবং রাজ্যের মতামত নেওয়া হল না।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি এই বিষয়টিকে বাঙালি এবং অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের সঙ্গেই যুক্ত করে দেখাতে চাইছেন। তাঁর মতে, যারা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নির্দেশ মেনে চলে তাদেরই পছন্দ করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী একসঙ্গে দুই ধরনের ভোটারের কাছেই বার্তা দিতে চাইছেন। বিশেষ করে এমন এলাকায় যেখানে বাঙালি ও অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের ভোটই গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচনে সেই ভোট সমীকরণ কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ১৬, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের বড় ডাক, ভারত কি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে? স্পষ্ট জানাল দিল্লি

ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলিকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের এখনও কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। কিন্তু এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক কোনও আলোচনা এখনও হয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।এর আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে থাকলে বহু দেশ তার প্রভাবের মুখে পড়বে। তাই চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেনসহ একাধিক দেশকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিরাপদ ও খোলা রাখার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক ক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল করা হয়েছে। তবুও ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই আশঙ্কা থেকেই মিত্র দেশগুলিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।নিজের বার্তায় ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বহু দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আন্তর্জাতিক শক্তিগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে ওই জলপথকে নিরাপদ রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আমেরিকা সমুদ্রপথে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং যে কোনও উপায়ে হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত ও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই সংবেদনশীল বিষয়ে ভারত কী অবস্থান নেয়, তা আন্তর্জাতিক মহলেও নজরে রাখা হচ্ছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal