• ১ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rain

রাজ্য

Job Cheat: প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি! মহিলাদের বড়সড় প্রতারণার ঘটনায় ধৃত ৩

মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠল একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। কাজ পাওয়া তো দূরের কথা দেওয়া টাকাও ফেরত না মেলায় শনিবার প্রতারিত মহিলারা পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার দ্বারস্থ হন। মহিলাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সংস্থার এক ব্যক্তি ও দুই মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনকাটোয়া শহরের সুবোধ স্মৃতি রোড এলাকায় একটি মার্কেট কমপ্লেক্সে রয়েছে। সেখানেই রয়েছে কালনার বাসিন্দা এক ব্যক্তির অফিস ঘর। অফিসটি ২০১৯ সালে খোলা হয়। অফিসের সামনে ঝোলানো রয়েছে ভারত সরকারের বাণিজ্য এবং উদ্যোগ মন্ত্রালয়ের অধীনে ফুটওয়্যার ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট লেখা ব্যানার। ব্যানারে ব্যবহার করা হয়েছে অশোকস্তম্ভ লোগো। এছাড়া কৌশল বিকাশ কেন্দ্রলেখা আছে ওই ব্যানারে। ওই ব্যক্তি সেখানে নিজেকে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থার লোক বলে পরিচয় দিতেন।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারতৃপ্তি লাহা, মিনা দেবনাথ, মাধবী দাস সরকার প্রমুখ মহিলারা বলেন, ওই ব্যক্তি নিজের কাজের সুবিধার জন্য স্থানীয় দুই গৃহবধূকে নিয়োগ করেছিলেন। সেই দুজন মহিলাই তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেলাইসহ বিভিন্ন হাতের কাজ শিখিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নামে ব্যানার থাকায় তাঁরা ওই দুই মহিলার কথা বিশ্বাস করেছিলাম। এজন্য তাঁডের কাছ থেকে ১২০০-২৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন কাজের ব্যাবস্থা তো করছেই না, উপরন্ত টাকা চাইতে গেলে ফের নতুন গল্প শোনাচ্ছে। এলাকার ১ হাজারের অধিক মহিলা প্রতারিত হয়েছেন। কোথাও কোন সুরাহা না পেয়ে তাই বাধ্য হয়ে এদিন তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান। গৃহবধুদের প্রত্যাশা পুলিশ তাঁদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে পারবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
দেশ

Mumbai Rain: বৃষ্টি-বন্যা-ধসে বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্র, মৃত ১২৯

ভয়াবহ পরিস্থিতি মহারাষ্ট্রের।বৃষ্টি, বন্যা, ধসে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হচ্ছে। গত দুদিনের বৃষ্টির জেরে ১২৯ জনের মৃ্ত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্র জুড়ে একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। বন্যার জলের তোড়ে ভেসে গিয়েও অনেকের মৃত্যু হয়েছে। একাধিক জায়গায় চলছে উদ্ধার কাজ। চূড়ান্ত তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। হেলিকপ্টারে চালানো হচ্ছে নজরদারি। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জারি হয়েছে রেড অ্যালার্ট।আরও পড়ুনঃ কেতুগ্রাম বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ধৃত দুই, পলাতকদের খুঁজছে পুলিশরাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, ৪৮ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২৯। রায়গড় ও সাতারা জেলাতেই মৃতের সংখ্যা সবথেকে বেশি। শুধুমাত্র সাতারায় মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। গন্ডিয়া, চন্দ্রপুরের মতো এলাকাগুলোতেও পরিস্থিতি মারাত্মক আকার নিয়েছে। ধস নেমেছে আম্বেঘর, মিরগাঁও গ্রামে। রত্নগিরি জেলায় আটকে পড়েছে ১০ জন। বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে একটি বাস। বাসের যাত্রীদের কোনওমতে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। শুক্রবার মহারাষ্ট্রে ধসে মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। বায়ুসেনার এমআই-১৭ভি৫ ও এমআই- ১৭ হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে মহারাষ্ট্রে। ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর তরফেও সাতটি টিম কাজ করছে। শনিবারই উদ্ধারকাজে যোগ দেবে ভারতীয় সেনা ও নৌবাহিনীর মোট ৬টি টিম। মহারাষ্ট্রের মোট ৬টি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে মৌসম ভবন।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের বৃষ্টিতে ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ

রাত থেকেই কোথাও কোথাও বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছিল। শনিবার সকাল হওয়ার আগেই শুরু হয় দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টিপাত। বর্ষার বৃষ্টি নয়, শনিবার নিম্নচাপের জেরেই ভিজবে বাংলা।এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সকাল থেকেই মুখভার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশের। বৃষ্টি হয়ে চলেছে অবিরাম। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহে রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে, ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ। যার জেরে শনিবার সারাদিন দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলায় বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটাই জানান হয়েছে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে। নিম্নচাপ ছাড়াও মৌসুমী অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড, ওডিশা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আরও পড়ুনঃ ৪১ বছর পর নজির, একসঙ্গে ৫ জনের অভিষেক ভারতীয় দলেরাজ্যের সর্বত্র নিম্নচাপের প্রভাব না পড়লেও উপকূল এলাকাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ এবং মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া দাপটে আজ সারাদিনই বৃষ্টিতে ভিজবে শহর ও শহরতলি। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ থাকায় রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের জেরে ২৬ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে। ২৬ থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টিপাত হবে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।শনিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে, যা স্বাভাবিকে থেকে ২ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৮%, ন্যূনতম ৮৫%।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

weather: ভ্যাপসা গরম কাটিয়ে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে

প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গবাসী। এই রোদ তো এই বৃষ্টি। সঙ্গে অস্বস্তি। তবে বুধবার পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আকাশের মেধের ঘনঘটা বাড়বে, হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া বর্ষারও আবার দেখা মিলবে বলেও বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। আজ কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৭৬ শতাংশ। আরও পড়ুনঃ দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারতএদিকে আংশিক মেঘলা আকাশের নেপথ্যে রয়েছে নিম্মচাপের ভ্রূকুটি। মৌসম ভবনের তরফে জানান হয়েছে বুধবার থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হতে শুরু করবে। যার রেশ পড়বে বাংলাতেও। শুক্রবার গভীর নিম্মচাপে পরিণত হতে পারে যার ফলে বৃষ্টি অবধারিত৷ রাজ্যে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যদিও এই কদিনের টানা ভ্যাপসা গরমের পর এই বৃষ্টি কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে এমনটাই মত। তবে আর্দ্রতার অস্বস্তি কমবে না। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আর সেই কারণে আদ্রতাজনিত অস্বস্তি আরও বাড়বে। এদিকে, মৌসুমী অক্ষরেখা সক্রিয় থাকায় সিকিম ও উত্তরবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে। এছাড়া ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে।

জুলাই ২১, ২০২১
দেশ

Mumbai Rain: প্রবল বৃষ্টিতে মুম্বইয়ে বাড়ি ভেঙে মৃত্যু বেড়ে ২২ , জারি রেড অ্যালার্ট

প্রবল বৃষ্টিতে ভিজছে বাণিজ্যনগরী। একটানা বৃষ্টিতে বিপর্যয়ও শুরু হয়েছে মুম্বইয়ে।ইতিমধ্যেই বৃষ্টির কারণে বাড়ি ভেঙে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। চেম্বুর ও বিক্রোলি এলাকা মিলিয়ে কমপক্ষে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে। নিখোঁজ এখনও অনেকে। গোটা শহরজুড়েই জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট (Red Alert)।Maharashtra CM Uddhav Thackeray has expressed grief over the deaths in accidents at Chembur Vikhroli due to torrential rains announced that the government would pay Rs 5 lakh each to the heirs of the deceased free treatment would be given to the injured: CMO ANI (@ANI) July 18, 2021শনিবার রাত থেকে এ দিন ভোর পর্যন্ত কার্যত একটানা বৃষ্টিপাত হয়েছে মুম্বই ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে গোটা এলাকা। আবহাওয়া দপ্তর জারি করেছে রেড অ্যালার্ট। বিনা প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হতেও নিষেধ করা হয়েছে সাধারণ মানুষদের।শনিবার গভীর রাতে মুম্বইয়ের চেম্বুর ও বিক্রোলি এলাকায় দুটি বাড়ি ভেঙে পড়ে। খবর পেয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে মুম্বই পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। চেম্বুরের ভরত নগর এলাকায় ভেঙে পড়া বাড়ির নীচ থেকে সাত জনের দেহ পাওয়া গিয়েছে। ১৫ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।অন্যদিকে বিক্রোলিতে তিন জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। আরও দুজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখনও উদ্ধার কাজ চলছে বলেই জানিয়েছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ নাদনঘাট থানার বটবৃক্ষে জড়ো হওয়া পাখির দল পুলিশের মনজয় করে পেল বাসস্থান ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে চুনাভাট্টি, সিয়ন, দাদার, গান্ধি মার্কেট, চেম্বুর, কুর্লা এলবিএস রোডের মতো একাধিক জায়গা। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, গতকাল রাত আটটা থেকে রাত ২টো অবধি ১৫৬.৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে মুম্বইয়ে। পূর্ব শহরতলিতে ১৪৩.১৪ মিলিমিটার ও পশ্চিম শহরতলিতে ১২৫.৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

বড় খবর: রাজ্যে বাড়ল করোনার বিধিনিষেধ, চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ ফের বাড়ল। আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই বিধিনিষেছ লাগু থাকছে। এখনই চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে সাধারণের জন্য ১৬ জুলাই থেকে শর্তসাপেক্ষে মেট্রো চলাচল শুরু হবে। শনি ও রবিবার বাদে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে মেট্রো। স্কুল, কলেজ যথারীতি বন্ধই থাকছে। স্কুল, কলেজ যথারীতি বন্ধই থাকছে। গত জুন মাস থেকেই করোনা নিয়ে রাজ্যে বিধিনিষেধ চালু হয়েছিল।আরও পড়ুনঃ সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার, কি বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট? জানুনপ্রতিদিন মেট্রো স্যানিটাইজ করতে হবে। মেট্রোর কর্মী ও যাত্রীদের নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধই থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি বাস, ফেরি, ট্রাম, ট্যাক্সি, ক্যাব ও অটো চলবে। তবে চালক ও যাত্রীদের কোভিড বিধি মেনে চলতে হবে। শনি-রবি বাদে সপ্তাহে ৫ দিন চালু থাকবে মেট্রো রেল। ব্যাংক খোলার সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংক। সমস্ত দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হল। শপিংমলে খুচরো বিপণনী ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে খোলা যাবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ে থাকতে হবে ৫০ শতাংশ ক্রেতা। রেস্তোরাঁগুলি ৮টার পর খোলা রাখা যাবে না। সিনেমাহল, স্পা ও সুইমিংপুল বন্ধ থাকছে। যদিও রাজ্য, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাতারুদের প্রাত্যহিক অভ্যাসের জন্য সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে সুইমিংপুল। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত, বিনোদনমূলক ও রাজনৈতিক সভা-জমায়েত নিষিদ্ধ। বিবাহ অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশি অতিথি থাকতে পারবেন না। দাহকার্যে ২০ জনের বেশি থাকতে পারবেন না।আরও পড়ুনঃ করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রেকরোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সতর্কবার্তা আইএমএ-র তরফে আসার পরই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলো। ইতিমধ্যে করোনা সংক্রমণও গত ২দিনে সামান্য হলেও ঊর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগেভাগেই করোনা বিধিনিষেধে লাগাম টানল রাজ্য সরকার।১৫ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে কার্যত লকডাউনের বিধিনিষেধ ফের একবার ১৫ দিন বাড়ানো হল। যান চলাচলে ছাড় দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট করোনা বিধিনিষেধ অবশ্যই পালন করার কড়া নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২১
দেশ

CloudBrust: হড়পা বানে ভেসে গেল গাড়ি, দোকান

মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বানে বিপর্যস্ত হিমাচলপ্রদেশের ধরমশালা। এই হড়পা বানের বহু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে স্থানীয়দের। আটকে পড়েছেন অনেক পর্যটক। জলের তোড়ে ভেঙে পড়েছে বাড়ি, ভেসেছে গাড়ি। যদিও এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যু হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।এই বানের ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ধরমশালার ভাগসু নাগ এলাকায় রাস্তার উপর দিয়ে প্রবল বেগে জল বয়ে যাচ্ছে। সেই জলের স্রোতে ভেসে যাচ্ছে গাড়ি। জলের তোড়ে বেশ কিছু বাড়িঘরের ক্ষতি হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।The situation in Himachal Pradesh due to heavy rains is being closely monitored. Authorities are working with the State Government. All possible support is being extended. I pray for the safety of those in affected areas. Narendra Modi (@narendramodi) July 12, 2021ধরমশালা থেকে ৫৮ কিলোমিটার দূরে কাংড়া জেলায় প্রবল মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়েছে। তার ফলেই এই হড়পা বান দেখা দিয়েছে। ভাগসু নাগের মতো নামকরা পর্যটন কেন্দ্র নদীর রূপ নিয়েছে। কাংড়া ছাড়াও বেশ কিছু জায়গায় প্রবল বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত বলেই খবর। ঘটনায় টুইট করে দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকারকে পা্শে থাকার সবরকম আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজ্য

Weather: ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস

ভরা বর্ষার সময় আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টি হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গে রয়েছে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি।শুক্রবার আকাশ মেঘলা থাকতেও বর্ষার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ছাড়া প্রবল বর্ষণ হয়নি। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ছিল ধীরে ধীরে কমবে বৃষ্টি। যদিও আজ ফের বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস৷ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আর্দ্রতার দাপট বাড়বে। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪ ডিগ্রির সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৪%, ন্যূনতম ৬২ %।আরও পড়ুনঃ শাপমোচন করতে পারবেন? ব্যর্থতার তকমা ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া মেসিবেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তনও হতে পারে বলে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বেলার দিকে ঝেঁপে বৃষ্টি আসার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃষ্টিপাতের পুর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। যদিও আগামী তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে অস্বস্তিকর গরমও বাড়বে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ-ওডিশা উপকূল লাগোয়া বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত ছিল। যার জেরেই সপ্তাহের শুরু থেকে প্রবল বৃষ্টিতে ভিজেছিল রাজ্য। রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। বুধবার দুপুর থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। রবিবার দক্ষিণ ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নিম্মচাপের প্রভাব রাজ্যে কতটা পড়বে তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷ মধ্য ভারত হয়ে পশ্চিম ভারতের দিকে এগোবে। এর প্রভাবে মৌসুমী অক্ষরেখাটিও ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে নেমে যাবে, এমনটাই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২১
রাজ্য

বর্ধমানে লাইনচ্যুত আপ হাওড়া-রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের বগি, অল্পে রক্ষা

বর্ধমান স্টেশনে ঢোকার মুখে লাইনচ্যুত হল আপ হাওড়া- রাধিকাপুর ০৩০৫৩ স্পেশাল এক্সপ্রেস। সোমবার সকাল ১০ টা ৪০ মিনিট নাগাদ ট্রেনটি আপ লইন ধরে বর্ধমান স্টেশনের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ঢোকার মুখে প্রথম বগিটি লাইনচ্যুত হয়। ওই বগিটি গার্ড ও লাগেজের জন্য সংরক্ষিত ছিল। বর্ধমান স্টেশনে ঢোকার মুখে যেহেতু ট্রেনটির গতি কম ছিল তাই বগি লাইনচ্যুত হলেও বড়সড় কোন বিপত্তি ঘটেনি বলে স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। বর্ধমান স্টেশন ম্যানেজার সঞ্জয় অধিকারী জানিয়েছেন, ট্রেনটির গতি কম থাকায় বড় কোনও বপত্তি ঘটেনি। ঘটনার পরেই রেলের কর্মীরা বগিটি লাইন থেকে তোলার কাজ শুরু করে দেন । বেলা ১১ টা ৪০ মিনিটের মধ্যে বগিটি লাইন থেকে তোলার কাজ সম্পূর্ণ করা হয় । তার পর ট্রেনটি ফের গন্তব্যে রওনা দেয়। এই সময়টুকুতে ডাউন কর্ড লাইন ও ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। বাকি সব লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল বলে স্টেশন ম্যানেজার জানিয়েছেন।

জুলাই ০৫, ২০২১
বিদেশ

Japan-mudslide: জাপানে ভয়াবহ কাদাস্রোতে ভেসে গেল বাড়ি-ঘর, নিঁখোজ ২০

লাগাতার বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ কাদাস্রোত জাপানের আটামি এলাকায় (Mudslide)। হঠাৎ ধেয়ে আসা কাদাস্রোতে ভেসে গিয়েছে সারি সারি বাড়িঘর। শনিবার সকালে জাপানের (Japan) রাজধানী টোকিওর আটামি এলাকায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ২০ জন নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ ১০ জনে বাজিমাত করে শেষ চারে ব্রাজিলঅর্ধনিমজ্জিত আগ্নেয়শিলা দ্বারা গঠিত ভূমির ঢালে অবস্থিত আটামি শহর। এলাকায় একাধিক উষ্ণ প্রস্রবণ রয়েছে। সূত্রের খবর, শনিবার সকালে হঠাৎই কাদামিশ্রিত কালো ঘোলা জলের সঙ্গে আবর্জনা ধেয়ে আসে শহরের দিকে। অসহায় অবস্থায় এদিক ওদিক ছুটতে আরম্ভ করেন স্থানীয়রা। বর্তমানে উদ্ধারকার্য চলছে বলে জানা গিয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলার বাহিনীর এক আধিকারিক জানান, এখনও পর্যন্ত ২০ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও বোঝা যাচ্ছে না।প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই জাপানে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। দেশের মধ্য এলাকার নদীগুলি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। উপকূল এলাকায় জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট।

জুলাই ০৩, ২০২১
দেশ

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি স্বপন দাশগুপ্তর

রাজ্যে যে কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি চলছে তার নিন্দা আগেই করেছে বিজেপি। এ বার রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি জানাল গেরুয়া শিবির। দলের রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বৃহস্পতিবারই লোকাল ট্রেন চালানোর দাবি জানিয়ে রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠি-সহ টুইটও করেছেন স্বপন। লিখেছেন, রাজ্যে এখন যে লকডাউন চলছে তা খামখেয়ালি এবং শৃঙ্খলাহীন। এই দাবির সঙ্গে গয়ালকে চিঠিতে বিজেপি সাংসদ লিখেছেন, বাংলার সাধারণ মানুষের সুবিধা করে দিতে রেলমন্ত্রী হিসেবে এবং ব্যক্তিগতভাবে আপনি আশা করি উদ্যোগী হবেন। আমি বিশ্বাস করি, বাংলার মানুষ আপনার পদক্ষেপের আশায় রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুয়ারে সরকার,-এর পর এবার পূর্ব বর্ধমানে দুয়ারে পুলিশবিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে গত ৬ মে রাজ্যে করোনা রুখতে কড়া বিধিনিষেধ চালু করা হয়। রাজ্য সরকার সেটাকে লকডাউন না বললেও কার্যত সেই পরিস্থিতিই তৈরি হয়। লোকাল ট্রেন চলাচল সেই থেকেই বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি বিধিনিষেধে রাজ্য সরকার অনেক ছাড় দিলেও এখনও লোকাল ও মেট্রো রেল চালুর অনুমতি দেওয়া হয়নি। সম্প্রতি তা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাত্রী বিক্ষোভও হয়েছে।The terms of the lockdown in W Bengal are whimsical. Buses are allowed but local trains Kolkata Metro are not. Commuters are facing enormous hardship loss of livelihood. I have today requested the Rail Minister to initiate the process of resumption of services. pic.twitter.com/5jQ6LOrb1L Swapan Dasgupta (@swapan55) July 1, 2021বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে বিধিনিষেধে নতুন ছাড় শুরু হচ্ছে। এই সময় ট্রেল চলাচল স্বাভাবিক না হলেও কিছু ছাড় মিলবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টই জানিয়েছেন, এখন ট্রেন চালালে করোনা সংক্রমণ এক লাফে বেড়ে যাবে। তারই বিরোধিতা করে রেলমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে স্বপন দাবি করেছেন, গত ১৫ দিনে রাজ্যে লকডাউন পরিস্থিতিতে অনেক ছাড় মিলেছে। অফিস, থেকে রেস্তরাঁ, জিম, সেলুন ও পার্লার চালু হয়েছে। লোকাল বাসও চালু হয়েছে। কিন্তু ট্রেন চালু না হওয়ায় সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যে অল্পসংখ্যক গণপরিবহণ চালু রয়েছে তাতে খুবই ভিড় হচ্ছে। সুতরাং লোকাল ট্রেন চালু হলে যাত্রী সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে।

জুলাই ০১, ২০২১
কলকাতা

Rail Block: সোনারপুরের পর দমদম ক্যান্টনমেন্টে যাত্রীবিক্ষোভ

শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার পর এবার লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে বনগাঁ শাখায় রেল অবরোধ। সোমবার সকালে দমদম (Dumdum) ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে সকলের চড়ার দাবিতে অবরোধ (Rail Block) করেন নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের দাবি, রোজকার কাজকর্ম করার জন্য বেরতেই হচ্ছে। এই স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে শুধু জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদেরই নয়, উঠতে দেওয়া হোক সকলকেই। নয়ত পুরোদমে লোকাল ট্রেন চালু করে দেওয়া হোক। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন তাঁদের অবরোধের জেরে আটকে পড়ে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেলপুলিশ ও স্থানীয় থানার পুলিশ। ঘণ্টাখানেক পর অবরোধ ওঠে।আরও পড়ুনঃ জেনে নিন হাওড়ায় কোথায় কোথায় কন্টেনমেন্ট জোনগত সপ্তাহে পরপর দুদিন লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে যাত্রী বিক্ষোভের উত্তাল হয়ে উঠেছিল শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার সোনারপুর (Sonarpur), মল্লিকপুর স্টেশন। সেই বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে আক্রান্ত হন আরপিএফ জওয়ানরা। রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এসব স্টেশন। এর জেরে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় গত সপ্তাহে রেলের তরফে ফের রাজ্যের কাছে আবেদন জানানো হয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এখনই ট্রেন চালানোর অনুমোদন দেননি।এরপর আজ ফের দমদম ক্যান্টনমেন্টে একই ঘটনা। সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে অবরোধ শুরু করেন যাত্রীরা। স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে (Staff special trains) সবাইকে ওঠার অনুমতি দিতে হবে, এই দাবি তোলেন তাঁরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে আরপিএফ, জিআরপি ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে সরকারের অনুমোদন ছাড়া কোনও সিদ্ধান্ত রেল নিতে পারবে না বলে জানানো হয়। শেষে ঘণ্টাখানেক পর ওঠে অবরোধ। যদিও বাড়তি ভিড় সামাল দিতে আজ থেকে শিয়ালদহ শাখায় আরও বাড়তি স্টাফ স্পেশ্যাল চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহে সোনারপুরের ঘটনার পর থেকে আরও ১০০টি ট্রেন বাড়ানো হয়েছে। আগামী দিনে তা আরও বাড়বে বলে শিয়ালদহ ডিভিশনের রেলকর্তারা জানিয়েছেন।

জুন ২৮, ২০২১
দেশ

Corona-Delta Strain: ডেল্টা স্ট্রেনে দেশে প্রথম মৃত্যু মধ্যপ্রদেশে

দেশে আগেই থাবা বসিয়েছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট। এ বার বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও। মধ্যপ্রদেশে আরও সাতজনের দেহে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলল। মৃত্যুও হয়েছে দুইজনের।করোনার নতুন প্রজাতির সংক্রামক ক্ষমতা কতটা, তা এখনও জানা না গেলেও ক্রমশ বিস্তার করছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। তবে গোটা দেশ নয়, আপাতত কয়েকটি রাজ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে করোনার এই নতুন প্রজাতির সংক্রমণ। মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও কেরলে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরেও এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত একজনের খোঁজ মিলেছে। চিন্তা বাড়িয়ে মধ্যপ্রদেশেই ক্রমশ বাড়ছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা।আরও পড়ুনঃ পিএসি নির্বাচনে মুকুলের মনোনয়কে বৈধতা স্পিকারের গতকালই দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে প্রথম মৃত্যুর খবর মেলে মধ্যপ্রদেশ থেকেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কমপক্ষে সাতজন করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত, এদের মধ্যে দুজন আবার ভ্যাকসিন নেননি। তিনজন রোগী, যাঁরা টিকার একটি বা দুটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁরা বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের অধিকাংশই ভোপালের বাসিন্দা, এছাড়া উজ্জয়ীন ও অশোকনগর জেলার এক বাসিন্দাও রয়েছেন।যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন ২২ বছরের যুবতী ছিলেন এবং অপরজন দুবছরের একটি শিশু। জানা গিয়েছে, গত মাসেই তাঁরা সকলে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হলে জুন মাসে তার রিপোর্ট আসে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকেই অভিযোজিত হয়ে তৈরি ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ ভারত ছাড়াও আমেরিকা, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইজ়ারল্যান্ড, জাপান, পোল্যান্ড, রাশিয়া ও চিনেও মিলেছে। তবে এই ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে এখনও বিশদে তথ্য জানা যায়নি।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে ধুন্ধুমার মল্লিকপুরে

রেল অবরোধ ঘিরে মল্লিকপুর স্টেশনে (Mallikpur station) ধুন্ধুমার। দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান যাত্রীরা। পুলিশ এবং রেল পুলিশের দুটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। ছোঁড়া হয় পাথর। বিক্ষোভের জেরে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে। ভোগান্তির শিকার হন স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে থাকা যাত্রীরা। এদিকে, দুদিনের অবরোধের পর লোকাল ট্রেন চালাতে চেয়ে নবান্নে চিঠি দিচ্ছে রেল।পরপর দুদিন রেল অবরোধের ঘটনায় বিব্রত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই লোকার চালুর কথা জানিয়ে নবান্নে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতিও শুরু করেছে রেল।আরও পড়ুনঃ ম্যাচে ফেরালেন শামিবুধবারের পর বৃহস্পতিবার সকালে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার সোনারপুরে (Sonarpur) প্রথমে রেল অবরোধ শুরু হয়। অবরোধকারীদের দাবি, গণপরিবহণ না চলায় সমস্যায় পড়ছেন যাত্রীরা। অথচ পেট চালাতে গেলে কাজে যোগ দিতেই হবে। তাই অবিলম্বে চালাতে হবে লোকাল ট্রেন। এই দাবিতে প্রায় ঘণ্টাখানেক সোনারপুর স্টেশনে চলে অবরোধ। তারপর একে একে মল্লিকপুর, বেতবেড়িয়া, ঘুটিয়ারি শরিফ-সহ একাধিক স্টেশনে রেল অবরোধ শুরু হয়। অবরোধ তুলতে যায় রেলপুলিশ। অবরোধ তুলতে গেলে মল্লিকপুরে কার্যত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। রেলপুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের দুটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথরও ছুঁড়তে থাকে অবরোধকারীরা। বেশ কয়েকজন জখমও হয়েছেন। এই ঘটনার জেরে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে যায় বহু স্টাফ স্পেশ্যাল। ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের (Sealdah) ডিআরএম এস পি সিং জানান, রুটিরুজির বিষয় তাই ট্রেন (Local Train) চলার দাবিকে একেবারে অমূলক বলা যাবে না। গতবারের তুলনায় চলতি বছর স্টাফ স্পেশ্যালের সংখ্যাও কিছুটা কম। যাত্রী সংখ্যার অনুপাতে তাকে নগণ্যও বলা চলে। তাঁর দাবি, প্রতিদিনই ট্রেন স্যানিটাইজেশনের কাজ চলছে। ট্রেন চালাতেও তাঁরা প্রস্তুত। তবে নবান্নের সবুজ সংকেত এখনও মেলেনি। মিললেই দাবিপূরণ হবে অবরোধকারীদের।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে বিক্ষোভ সোনারপুরে

সোনারপুর স্টেশনে যাত্রী বিক্ষোভের জেরে বন্ধ ট্রেন চলাচল। বুধবার সকাল থেকেই লোকাল ট্রেন চালু করার দাবিতে স্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ দেখান কয়েকশো মানুষ। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অধিকাংশই শহর কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে আসা পরিচারিকরা ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষ।আরও পড়ুনঃ সৌমিত্রকে জরুরি তলব দিল্লিতেবুধবার সকালে স্টাফ স্পেশ্যালে চড়তে দেওয়া এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে সোনারপুরে ট্রেন অবরোধ করেন সাধারণ যাত্রীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে মূলত কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে যাওয়া পরিচারিকরা এবং শ্রমিকরা রয়েছেন। এদিন সকাল ৭.৩০ থেকে হওয়া প্রতিরোধে আপ ডাউন দুটো লাইনই আটকে গিয়েছে। এর ফলে রেলের কর্মী-সহ বাকিরা কর্মস্থলে পৌঁছতে পারছেন না। আরপিএফ, জিআরপি ও পুলিশের আবেদন সত্বেও প্রতিবাদকারীরা অবস্থান থেকে সরতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, আমরা খেতে পাচ্ছি না। এভাবে না খেয়ে মরার চেয়ে লড়াই করে মরা ভাল। ট্রেনে চড়তে দিতেই হবে। এই বিষয়ে শিয়ালদহের ডিআরএম এসপি সিং জানিয়েছেন, আমরা ট্রেন চালাতে চাই। রাজ্যের অনুমতি পেলেই ট্রেন চলবে। শিয়ালদহ ডিভিশনে অত্যাধিক চাপ। যার মধ্যে বনগাঁ শাখায় অস্বাভাবিক ভিড়। ফলে কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না। ঝামেলা বাড়ছে। যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এদিকে, বিক্ষোভের জেরে বেশ কিছু ট্রেন আটকে পড়ে। চরম সমস্যার মধ্যে পড়েন যাত্রীরা। তারাও পালটা ক্ষোভ দেখিয়েছেন। ট্রেন খোলার দাবি করছেন অনেকেই। যাত্রীদের বক্তব্য, ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে দূরত্ব বজায় রাখা যাবে।

জুন ২৩, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: বাধা বৃষ্টি, স্থগিত মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

বঙ্গে পা রেখেই ঝোড়ো ইনিংস শুরু করেছে বর্ষা (Monsoon)। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ের চাপে রাজ্যজুড়ে চলছে দুর্যোগ। একটানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন বহু এলাকা। চিন্তা বাড়াচ্ছে নদীর জলস্তর বৃদ্ধিও। শনিবার পর্যন্ত এমন আবহাওয়া জারি থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাই উত্তরবঙ্গ সফর আপাতত স্থগিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ২১ জুন উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)। তৃতীয়বার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর। তাই এবারের উত্তরবঙ্গ সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। গত লোকসভার মতো বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বেশ কঠিন লড়াই করতে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। হাতছাড়া হয়েছে বহু আসন। তাই মনে করা হচ্ছে কী কারণে ভোটবাক্সের এমন অবস্থা হল, তা খতিয়ে দেখতেই মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর। তাছাড়া উত্তরবঙ্গে প্রায়শই দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা শোনা যায়। তা প্রশমন করাও লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এছাড়া দলনেত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর স্থানীয় দলীয় কর্মীদের মনোবল যে বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট, তা নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এছাড়াও এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে পাঁচ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে শিলিগুড়িতে বৈঠকেরও কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেক্ষেত্রে আধিকারিকদের নিজস্ব জায়গা ছেড়ে শিলিগুড়িতে আসতে হত। তার ফলে ত্রাণ এবং প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্তদের উদ্ধারকাজ থমকে যেতে পারে, তাই উত্তরবঙ্গ সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত বলেই জানিয়েছেন গৌতম দেব।

জুন ১৮, ২০২১
কলকাতা

Monsoon: প্রবল বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা হাওড়ার

রাত থেকে একটানা অতিভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে হাওড়া শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। এর জেরে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নিচু এলাকা জলে ডুবে রয়েছে। পুরনিগম এলাকার অধিকাংশ ওয়ার্ডে জল জমেছে। বুধবার দিনভর দফায় দফায় বৃষ্টির পর সারারাত অতিভারী বৃষ্টি হয়। টানা ভারী বৃষ্টির জেরে হাওড়া শহর জলমগ্ন হয়ে পড়ে। হাওড়ার পঞ্চাননতলা, বেলিলিয়াস রোড, বেনারস রোড, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস, টিকিয়াপাড়া, লিলুয়া ভূতবাগান, পেয়ারাবাগান, কোনা, জিটি রোড জলমগ্ন হয়। এছাড়াও বেনারস রোডের কামিনী স্কুল লেন, ঘোষপাড়া, মহীনাথপাড়া, অক্ষয় চ্যাটার্জ্জি লেন, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা, তিনকড়ি নাথ লেন, সীতানাথ বোস লেন-সহ ১০ নং ওয়ার্ড এদিনের বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়। নিম্নচাপ ও মৌসুমী বায়ুর জোড়া প্রভাবে মুষলধারের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া রেল স্টেশনের কাছে রাস্তা প্রায় ফুট তিনেক জলের তলায় চলে গিয়েছে। এছাড়াও বালিখাল, বালি মিল, অভয়নগর, বসুকাটি, বোসপাড়া বেলুড় স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জলের তলায় চলে যায়। বি গার্ডেন কোলে মার্কেটের মতো এলাকায় হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ঘুসুড়ির জেএন মুখার্জি রোড-সহ হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমে যায়। এদিন ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাসে টিকিয়াপাড়া রেল স্টেশনের কাছে রাস্তায় জমা জল ঢুকে বিকল হয়ে যায় একটি অ্যাম্বুল্যান্স।রোগী নামিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুল্যান্সটি বিকল হয় বলে জানা গিয়েছে। পুরসভার তরফ থেকে পুর প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য ভাস্কর ভট্টাচার্য্য বলেন, সব মিলিয়ে ৪৫ টি পাম্প চালানো হয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্গে চলছে হাওড়া পুরনিগমের ৯টি এবং কেএমডিএ-র ২টি পাম্পিং স্টেশন। সকাল থেকে জোয়ার ছিল। ওই সময় লকগেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বারোটার পর ভাটার সময় লক গেট খোলা হয়েছে। তার আগে জল বার করা সম্ভব হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যদি মুষলধারে বৃষ্টি আর না হয় তাহলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। তাঁর দাবি, যেসব জায়গায় বেশি পরিমাণ জল দাঁড়ায় ওই সকল জায়গায় জলের উচ্চতা অনেকটাই কমেছে। সকাল থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় আশা করছেন লক গেট খুলে দেওয়ায় খুব তাড়াতাড়ি জল অনেকটাই নেমে যাবে। বর্ষায় বিভিন্ন প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেমন নিকাশি নালার পরিষ্কার করার কাজ চলছিল। অনেকটাই কাজ হয়ে গিয়েছে। যেসব পাম্পগুলো খারাপ হয়ে গিয়েছিল সেগুলো ঠিক করা হয়েছে। বাকি যে কাজ আছে সেগুলোর কাজ চলছে। গত বুধবার প্রচণ্ড বৃষ্টি হয়। এর পাশাপাশি সকাল থেকেও সেই বৃষ্টি হয়ে যাচ্ছিল। যদি এই বৃষ্টি না হতো তাহলে জলের স্তর অনেকটা কমে যেত। উল্লেখ্য, বর্ষার আগে হাওড়া শহরের রাস্তায় জমা জল জমার মতো সমস্যা সমাধানে গত ১৮মে হাওড়া শরৎ সদনে এক বৈঠক হয়। সেখানে কেএমডিএ, সেচ, এইচ আই টি-র ইঞ্জিনিয়াররা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে স্থায়ী জল সমস্যা সমাধানের জন্য সাতাশটি জায়গাকে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

Monsoon: বৃষ্টিস্নাত বঙ্গ, রাতভর বারিধারায় জলমগ্ন কলকাতা

দিনভর আকাশের মুখভার ছিলই। পূর্বাভাসও ছিল বৃষ্টি (Rain) হওয়ার। তবে ভারী বৃষ্টির দেখা মেলেনি দিনের বেলায়। বুধবার রাতে বদলে গেল পরিস্থিতি। রাত থেকে কলকলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি। যার ফলে জলমগ্ন শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। আগামী ২৪ ঘণ্টাও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (West Bengal Weather Update)। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতেও। পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর (Alipur Weather Office)। মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তা সঙ্গে নিম্নচাপের জোড়া প্রভাবে এই ভারী বৃষ্টি হবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও তা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার দিনভর কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে। আগামী দু ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশিম মেদিনীপুর-কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়ার কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। পরের দিকে বৃষ্টি বাড়বে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে। ঝাড়খণ্ড থেকে ক্রমশ বিহারের দিকে সরছে নিম্নচাপ। রাজস্থান থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। এর প্রভাবেই আগামী ৩ দিন বৃষ্টি চলবে রাজ্য জুড়ে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত শহরে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে মোমিনপুর এলাকায়। সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ১৭৯ মিলিমিটার। এরপর বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে বেহালা ফ্লাইং ক্লাব নিকাশী পাম্প স্টেশন এবং কালীঘাট এলাকায়। সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৬৮ এবং ১৬৩ মিমি। ১৫০ মিমির উপর বৃষ্টি হয়েছে তপসিয়া এবং চেতলা লকগেট নিকাশি পাম্পিং স্টেশন এলাকায়। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলকাতার একাধিক এলাকা।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের জেরে সকাল থেকেই ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ

সোমবারের পর মঙ্গলবারও সকাল থেকেই রাজ্যের আকাশের মুখভার। ইতিমধ্যেই দু-এক পশলা বৃষ্টিও হয়েছে জেলায় জেলায়। আগামী তিনদিন এমনই থাকবে রাজ্যের আবহাওয়া। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গেও, জানাল হাওয়া অফিস (Regional Meteorological Centre)।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) থেকে ক্রমশ বিহারের দিকে সরছে নিম্নচাপ। অন্যদিকে রাজস্থান থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। ঝাড়খণ্ডের নিম্নচাপ এলাকার মধ্যে দিয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ওই অক্ষরেখা উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এর প্রভাবেই আগামী তিন দিন বৃষ্টি চলবে রাজ্য জুড়ে। এছাড়া মৌসুমী বায়ু দেশের অধিকাংশ এলাকা প্রবেশ করেছে। যার জেরে উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু এলাকা ছাড়া দেশের সব অংশেই আগামী কয়েক দিনে বিক্ষিপ্ত ও ভারি বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিহারে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ওই রাজ্য ও সংলগ্ন রাজ্যের নদীর জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন।বিহারের (Bihar) পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। আগামী তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বাঁকুড়া পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়ায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় দু-এক পশলা বৃষ্টির হবে বলেই খবর। বৃষ্টি বাড়তে পারে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়াবিদরা। করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত সকলেই গৃহবন্দি। অত্যন্ত প্রয়োজনে ঘর থেকে যদি বেরতেই হয়, ছাতা নিতে ভুলবেন না।

জুন ১৫, ২০২১
কলকাতা

Monsoon: বঙ্গে প্রবেশ বর্ষার, আজ দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

উত্তরবঙ্গে প্রবেশের পাঁচদিন পর দক্ষিণবঙ্গে ঢুকল বর্ষা (Monsoon)। শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাংশে বর্ষা প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবারের মধ্যে রাজ্যের বাকি অংশে প্রবেশ করবে বর্ষা। সাধারণত জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করে বর্ষা। এবার স্বাভাবিক সময়েই প্রবেশ করল মৌসুমী বায়ু। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ক্যানিং, কৃষ্ণনগর, মালদহে এদিন বর্ষা প্রবেশ করেছে। এই জায়গাগুলোর উপর দিয়ে বিস্তৃত রয়েছে মৌসুমী বায়ুর উত্তরসীমা। মৌসুমী বায়ু প্রবেশের পরই বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে ওই এলাকায়। এর পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের অন্যত্রও এদিন থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ছিল ঝোড়ো হাওয়া। তবে অমাবস্যার ভরা কোটালের কারণে সমুদ্রে এবং গঙ্গায় যে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা খুব বেশি হয়নি।শুক্রবার সকালেই উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়েছে। যা শনিবার আরও শক্তিশালী হবে। ফলে বৃষ্টি বাড়বে বঙ্গে। ক্রমশ ওই নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে ওডিশায় ঢুকে যাবে। ফলে ওডিশায় (Odisha) বেশি বৃষ্টি হবে। হতে পারে সাইক্লোনও। এজন্য জগৎসিংপুর, কটক, অঙ্গুল, সম্বলপুরে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। বৃষ্টি হচ্ছে কেন্দাপাড়াতেও। প্রশাসনের তরফে সমস্ত রকম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। অলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে। তবে রবিবার বিকেলের পর কলকাতা-সহ হাওড়া-হুগলিতে বৃষ্টি কমলেও তা বাড়বে রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলোতে। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে। সেই সঙ্গে উপকূলবর্তী জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

জুন ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal