• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purba Bardhaman

রাজ্য

জাল ইঞ্জিন ওয়েল বিক্রীর অভিযোগে বাড়িতে হানা, বাবার অপমানে আত্মঘাতী মেয়ে

বাবার হেনস্থা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী মেয়ে। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎই হেমায়েতপুর এলাকায় একটি মোটরসাইকেল স্পেয়ার পার্টসের দোকানে একটি নামী কোম্পানির লুব্রিকেন্ট কোম্পানির লোক ও নাদনঘাট থানা পুলিশ হানা দেয়। এর পর পরই বাবাকে হেনস্থা করছে দেখে অপমানে আত্মঘাতী হয় মেধাবী ছাত্রী। তার পরই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হেমায়েতপুর মোড়ের কাছে মৃতদেহ নিয়ে পথ অবরোধে শামিল মৃত ছাত্রীর পরিবারের লোকেরা।মৃতের বাবার দাবি আজ দুপুরে হঠাৎই একটি অয়েল কোম্পানির লোকেরা এসে বলে, সে নাকি ডুপ্লিকেট ইঞ্জিন অয়েল বিক্রি করছে, এই অভিযোগ তুলে নাদনঘাট থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এসে তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং বেশ কিছু ইঞ্জিন অয়েল নিয়ে যায়। বাবাকে হেনস্তা করতে দেখে অপমানে আত্মঘাতী হয় ক্লাস টুয়েলভের ওই মেধাবী ছাত্রী।এর পরই হেমায়েতপুর মোড় এলাকায় পথ অবরোধে সামিল হন মৃতের আত্মীয় পরিজনেরা। মিনিট ত্রিশ অবরোধ চলার পর অবরোধ উঠে যায়। মৃত ওই ছাত্রীর নাম সৌমি সিংহ সে নবদ্বীপের তারাসুন্দরী স্কুলের ক্লাস টুয়েলভের ছাত্রী। মেয়ের মৃত্যুর পরই মৃত ওই ছাত্রীর বাবা ওই ইঞ্জিন অয়েল কোম্পানির আধিকারিক ও স্থানীয় এক দোকানদারের বিরুদ্ধে তাঁর মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে অভিযোগ তুলেছেন।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

এজলাসের লড়াইয়ে মধূসূদনকে হারিয়ে মামলায় জিতলেন 'মা কালি'

মা কালী একেবারে আদালতের দরজায়। আজ বর্ধমানের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে একটি খুবই অন্যরকম মামলা হয়। মামলাটি হয় মধূসূদন বিশ্বাস বনাম দেবীপুর গ্রামবাসীর মধ্যে। মামলা হয় একটি জমিতে পুরনো পুজো চালানো নিয়ে। মামলায় জিতে পুজো চালিয়ে যাবার অধিকার পেলেন।এই পুজোটি প্রায় ৭৫ বছরের পুরনো। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার দেবীপুরে এই পুজোটি হয়ে আসছে ৭৫ বছর ধরে।গ্রামবাসীদের দাবি ওই পুজো অনেকদিনের। এখানে পুজো হয়। বড় মেলা বসে। মানুষের ভাবাবেগ জড়িয়ে আছে ওই পুজোর সাথে। তাদের বক্তব্য, মধুসূদন বিশ্বাস একজন পরিচিত জমির দালাল। সে ওই দেবোত্তর জায়গাটি কোনোভাবে হাতিয়ে নিয়ে বিক্রি করতে চায়। সেজন্য আদালতে সে স্থগিতাদেশ চেয়েছিল যাতে পুজো না হয়। অন্যদিকে গ্রামবাসীদের দাবি; তারা ওখানে পুজো করতে চান। তাদের আর কোনো দাবি নেই। আদালতে বিচারক গ্রামবাসীদের বক্তব্য মেনে নেন। তিনি থানা ও ভূমি দপ্তরের কাছে এই নির্দেশ দেন যাতে এলাকাবাসী নির্বিঘ্নে পুজো করতে পারেন। একইসাথে থানাকে নির্দেশ দেন যাতে এলাকায় আইন শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্নিত না হয়।

অক্টোবর ২০, ২০২২
রাজ্য

রাস্তা ও সেতু সংস্কারের দাবিতে সড়কপথ অবরোধ, ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়

দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তার অবস্থা বেহাল। আর রাস্তা ও সেতু সংস্কারের দাবিতে বুধবার পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামে পথ অবরোধ করলেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। শেষে পুলিশের আশ্বাসে প্রায় আধঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।আউশগ্রাম কালীদহ রোডের সংস্কারের দাবিতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে গুসকরা ইলামবাজার সড়কপথ অবরোধ করেন। কালীদহ থেকে আউশগ্রাম আসার এই রাস্তাটি জেলাপরিষদের অধীনে । প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তায় রয়েছে একাধিক সেতুও। স্থানীয়রা জানান আউশগ্রামের কালীদহ, সিলুট, বসন্তপুর, বেরেণ্ডা, কুড়ুম্বা, সোমাইপুর প্রভৃতি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন এই রাস্তা দিয়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই রাস্তাটি বহুকাল ধরেই সংস্কার হয়নি। রাস্তার ওপর বড়বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সেতুগুলির অবস্থাও বেহাল। ফলে যাতায়াত করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, কালীদহ আউশগ্রাম রাস্তায় কুনুর নদীর কাঁদরের ওপর সেতুরও বেহাল অবস্থা। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেতুর ওপর থেকে যানবাহন নদীতে পড়ে গিয়েছে কিছুদিন আগে। এমন বিপজ্জনক অবস্থার মধ্যে স্থানীয় গ্রামবাসীদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।অথচ বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন নিবেদন করেও কোনও সুরাহা মেলেনি। তারই প্রতিবাদে এদিন শুরু হয় অবরোধ। দাড়িয়ে পড়ে বেশকিছু যানবাহন। আউশগ্রাম ১ নম্বর বিডিও অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় টেলিফোনে জানান জেলাপরিষদের অধীনে রয়েছে ওই রাস্তা। সংস্কারের আবেদন জানিয়ে আগেই জেলাপরিষদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

রাজধানী অটকে পড়লো! দীর্ঘক্ষন লোকাল ট্রেনগুলিকে খানা তে আটকে রাখার প্রতিবাদে

যাত্রী বিক্ষোভের জেরে আটকে যায় রাজধানী এক্সপ্রেস। ডাউন রামপুরহাট বর্ধমান লোকালকে খানা জংশন স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখায় ক্ষুদ্ধ যাত্রীরা লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন। ফলে ডাউন নয়াদিল্লি হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেস থেমে যায়।প্রতিদিন লোকাল ট্রেন খানা জংশন স্টেশনে আটকে রেখে মেল এক্সপ্রেস ট্রেন পার করা হচ্ছে। তারই প্রতিবাদে রেল অবরোধ। ঘন্টা খানেক অবরোধ চলার পর রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পর অবরোধ ওঠে।তারপর রাজধানী সহ সব ট্রেনের চলাচল শুরু হয়। অবরোধের জেরে ডাউন কাজিরাঙ্গা এক্সপ্রেস আটক পড়ে বনপাস স্টেশনে। খানা জংশন স্টেশনে আটকে ছিল একটি সেলুনকার।বর্ধমান স্টেশন থেকে ছাড়তে দেরী হয় আপ বর্ধমান রামপুরহাট লোকাল।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

বিজয়া সন্মিলনী ঘিরে গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব চরমে বর্ধমানের মেমারীতে

শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মেলনে গড় হাজির পূর্ব বর্ধমানের মেমারী শহরের একাধিক নেতৃত্ব। শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির ইঙ্গিত পূর্ণ তির্যক মন্তব্যে প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল।মেমারী শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান হলেও মেমারি পৌরসভার একাধিক নেতৃত্বর অনুপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। এমন কি অনুপস্থিত ছিলেন মেমারী পৌরসভার পৌর প্রধান স্বপন বিষয়ী ও উপ পৌরপ্রাধান সুপ্রীয় সামন্ত।এ বিষয়ে মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি স্বপন ঘোষালের অভিযোগ, ২০২১ সালে যারা বিজেপি জিতবে বলে উল্লাস করেছিল, তারা আজকে অনুপস্থিত আছে। ২১ সালে যারা সিপিএম এবং বিজেপির সাথে টক্কর লাগিয়ে লড়াই করেছিল তারা সবাই আছে।কার্ডে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান এর নাম নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন এটা সাংগঠনিক ব্যাপার, এখানে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান নাম থাকার কোনো ব্যাপার নেই। পুরসভার কোন অনুষ্ঠান হলে অবশ্যই চেয়ারম্যান-ভাইস-চেয়ারম্যানের নাম থাকত। তিনি আরো বলেন, তৃণমূলের এই সম্মেলনকে আটকাবার জন্য আজকে যারা আসেনি তারা রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড করেছে। সিপিএমের আমলে যেমন তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস কে ভোট দিতে যেমন বাধা দেওয়া হতো, আটকে দেওয়া হতো, ঠিক তেমনি ভাবে একটি সম্মেলনে না আসার জন্য আমাদের কর্মীদেরকে ভয় দেখানো হয়েছে। যারা অনুপস্থিত তারাই ভয় দেখিয়েছে। তবে যারা আটকাচ্ছে তারা তৃণমূল কিনা জানি না। যারা বিজেপির সাথে আঁতাত করে ২১ সালে বিধায়ককে হারানোর চেষ্টা করেছিলেন তারাই আজকে ব্যারিকেড করেছে।যদিও এই বিষয়ে মেমরি পৌরসভার পৌর প্রধান ও উপ-পৌরপ্রধান কোন কোন প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমি একটু দেরিতে পৌঁছেছি এখানে, অনুপস্থিতির বিষয়টি দেখতে পাচ্ছি তবে কারণ কি এখনও জানি না, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হবে।গোটা বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস তোলাবাজদের দল। কোন নেতার সাথে থাকলে বেশি ভাগবাটোয়ারা পাওয়া যাবে সেই নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে কোন্দল আছে। সেকারণে সব নেতারা একসাথে থাকতে পারে না।শহর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মেমারীর কৃষ্টি প্রেক্ষা গৃহে মঙ্গলবার বিকেলে বিজয়া সম্মেলন ও দলীয় প্রবীণ নেতৃত্বদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা তথা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী, মেমারীর বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তবে মেমারী পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২জন কাউন্সিলর থাকলে ও গড়হাজির ছিলেন বাকি ১৪ জন কাউন্সিলর।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি তালিকাভুক্ত করা হলে রাজ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি

কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি করার চেষ্টার প্রতিবাদর জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্ত্বরে বিক্ষোভ দেখাল আদিবাসী কল্যাণ সমিতি । সমিতির অভিযোগ, এসটি হওয়ার নির্ধারিত বৈশিষ্ট্য না থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে, অনৈতিকভাবে কুড়মী সম্প্রদায়কে এসটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। তার বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ। কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি করা হলে রাজ্যে আগুন জ্বলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা। প্রয়োজনে রেল রোখা থেকে শুরু করে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে বলে জানালেন তারা, এবং আগামী লোকসভা ভোটে ভোটবাক্সের মধ্যে দিয়েও এর প্রতিবাদ হবে বলে জানান তারা। এদিন বিক্ষোভ শেষে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেয় আন্দোলনকারীরা।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

বিপুল পরিমাণের চোলাই মদ আটক, ধরা পড়ল দুই চোলাই কারবারি

জাতীয় সড়ক ধরে চারচাকা গাড়ি করে বিপুল পরিমাণের চোলাই মদ পাচার করার সময় পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশের হতে ধরা পড়ল দুই চোলাই কারবারি। ধৃতদের নাম সঞ্জয় সাউ ও সন্তোষ সাউ। বাড়ি বীরভূমের বোলপুরের হাটতলা এলাকায়।মঙ্গলবার ধৃতদের বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। মাস কয়েক আগে ভাতার থানার পুলিশের জালে মদ ভর্তি গাড়িসহ ধরা পড়েছিল ধৃতরা। বর্ধমান বোলপুর জাতীয় সড়কের ভাতারের ওড়গ্রামে রুটিনমাফিক নাকাচেকিং চালাচ্ছিল ভাতার থানার পুলিশ। সেই সময় সন্দেহজনক একটি চার চাকা গাড়িকে আটক করে। তল্লাশি শুরু করতেই পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ। গাড়ির মধ্যে পলিথিনের প্যাকেট ভর্তি বিপুল পরিমাণের মদ। এরপরই মদ ভর্তি গাড়ি সহ দুজনকে অটক করে পুলিশ।ভাতার থানার ওসি অরুন কুমার সোম জানিয়েছেন, বর্ধমান বোলপুর টু বি জাতীয় সড়কের রুটিন মাফিক নাকাচেকিংয়ের সময় একটি চারচাকা গাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। গাড়িসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতরা জানান, বেশি গাড়ি ভাড়া ভাড়া পাওয়ার জন্য সিঙ্গুর থেকে বোলপুর অন্যজনের কাছে এই মদ বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

শখ করে ডিঙ্গী নিয়ে ভাসতে গিয়ে প্রান গেলো এক যুবকের

শখ করে ছোট নৌকায় দিঘির মাঝে ঘুরতে চলে যান যুবক। কিন্তু দিঘির মাঝখানে হাত থেকে হালটি ফস্কে যায়। সেটি জলে নেমে তুলতে গিয়ে দিঘির জলে তলিয়ে গেলেন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের আলেফনগর গ্রামের বরকত আলি মল্লিক(৩১) নামে এক যুবক। সোমবার দুপুরের দুর্ঘটনাটি ঘটে। এখনও ওই যুবকের হদিশ মেলেনি। খবর দেওয়া হয়েছে ডুবুরির দলকে।জানা যায় পেশায় রাজমিস্ত্রি বরকত আলি মল্লিক কেরলে থাকতেন।পাঁচদিন আগে বাড়ি আসেন। গ্রামের পাশে দিঘির পাড়ে ঘাস কাটতে গিয়ে দিঘিতে থাকা ছোট নৌকাটি নিয়ে জলে নেমে পড়েন।দিঘিতে মাছচাষ করেন যিনি তিনি ওই নৌকাটি করে মাছের খাবার ছড়ান। তার নজর এড়িয়ে নৌকা নিয়ে দিঘির মাঝে চলে যান ওই যুবক।এরপর গ্রামের লোকজন খবর পান। যুবকের সন্ধানে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

বালি বোঝাই ট্রাক্টারের ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুল ছাত্রের

বর্ধমান শহরের বেড়মোড়ে বালি বোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল এক স্কুল ছাত্রের। দুর্ঘনায় জখম হয় ছাত্রের বাবা।পূর্ব-বর্ধমানের খণ্ডঘোষের কেশবপুর থেকে বাবার সঙ্গে মোটরবাইকে করে বর্ধমানের গোলাহাটে যাওয়ার পথে বেড়মোড় এলাকায় একটি বালি বোঝাই ট্রাক্টর বাইকটিকে ধাক্কা মারলে মন্তাসীর সেখ (১১) রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। জখম বাবা আজমগীর সেখ ও বর্ধমান মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।মন্তাসীর সেখ বর্ধমানের দেওয়ানদীঘি এলাকায় ইংরেজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল-র চতুর্থ শ্রেণিতে পড়তো। পুলিশ ঘাতক ট্রাক্টরটি ও চালককে আটক করেছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজ্য

চায়না আলোর দাপটে ম্রিয়মাণ মাটির দীপাবলীর মাটির প্রদীপ

এক সময় পুজোর আগে থেকেই শুরু হত দীপাবলীর জন্য মাটির প্রদীপ তৈরির কাজ। দুর্গা পুজো, লক্ষী পুজো পরপর পেরিয়ে গেলেও হুশ থাকতো না বর্ধমানের মৃত্শিল্পীদের। ঠিক সময় অর্ডারী মাল তৈরি করতে হবে। সেই জন্য নাওয়া খাওয়া ভুলে শুধু মূত্শিল্পীরা নন কার্যত গোটা পরিবার প্রদীপ তৈরিতে ব্যস্ত থাকত। শুধুকি বর্ধমান শহর,শহর ছাড়িয়ে নীলপুরের মাটির প্রদীপ গোটা জেলায় এমন কি ভিন জেলাতেও পৌঁছে যেত। সময় বদলেছে,বদলেছে মৃতশিল্পীদের কাজের ধরণ। বদলেগেছে মানুষের চাহিদাও। ঝাচকচকে এলিডি টুনিতে মজেছে সকলো ব্রাত্য হয়ে পড়েছে মাটির প্রদীপ।এখন আর সেই রকম অর্ডার পাতি হয় না।চাহিদা কমে গেছে তবুও মৃত্শিল্পীরা প্রদীপ তৈরি করেন। বাপ-ঠাকুরদার পেশা কি করেই বা ছেড়ে অন্য পেশায় যাবে। তাই চাহিদা না থাকলেও প্রতি বছরই প্রদীপ তৈরি করেন। ছোট,পাতি,মাঝারি,সাজার সহ বিভিন্ন ধরণের প্রদীপ তৈরি করেন। এক সময় কালী পুজোর আগে নীলপুরের মৃৎশিল্পীদের উঠোনে পা ফেলার জায়গা থাকতো না। শরতের রোদ বৃষ্টি খেলার মাঝেই গোটা উঠোন জুড়ে দীপাবলীর প্রদীপ শুকানো হত। আগে গোটা পাড়ায় ৩০ ঘরের বেশী বাড়িতে প্রদীপ বানানো হত। চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন মাত্র তিন থকে চারটি বাড়িতে প্রদীপ তৈরি হয়। নতুন প্রজন্ম জীবিকার টানে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন সংকটে মৃৎশিল্পীরা। বাজারে সল্প মূল্যের রীন টুনির হরেকরেকমবা দাপটে পিছিয়ে পড়েছে কুমোর পড়ার গরুর গাড়ি থুরি মৃত্শিল্পীরা।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজ্য

শহরে জিটি রোডে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক সিভিক ভলেন্টিয়ার

সাত সকালে সড়ক দুর্ঘটনা বর্ধমান শহরে। সোমবার সকালে জিটি রোডের বাদামতলায় ফুড কর্পোরেশন অফ ইণ্ডিয়ার একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই ব্যক্তিকে ধাক্কা মারে। স্থানীয় মানুষজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। ক্রেন এনে ট্রাকটিকে সরানো হয়। দুর্ঘটনার জেরে কার্জনগেটমুখী লেনে সাম্যীক ভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। আহতদের মধ্যে একজন কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ার।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

বিস্ফোরক বিজেপি নেতা! কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত থেকে গা ঢাকা দিতে আমেরিকা গেছেন বলে অভিযোগ

ইডি, সিবিআইয়ের তদন্ত থেকে বাঁচতে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ইউএসএ পালিয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।রবিবার দুপুরে বাঁকুড়া থেকে কলকাতা যাবার পথে ক্ষনিকের জন্য বর্ধমান সদর বিজেপি কার্যালয়ে আসেন সৌমিত্র খাঁ। এখানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি এক চোখের ছবি ঘুরে বেরাচ্ছে। উনি যে হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলে কুনাল ঘোষ জানিয়েছেন, সেই হাসপাতালে আমার এক বন্ধুকে দিয়ে খোঁজ নিয়েছি। তিনি শুধুমাত্র চোখ দেখিয়েছেন বলে জানতে পারছি। তিনি বলেন, ইডি,সিবিআই এর ইনট্রোগেশন থেকে বাঁচতে তিনি ইউএসএ পালিয়ে গেছেন। ২০২৪ সাল পর্যন্ত অভিষেক বাইরেই থাকবেন বলে মন্তব্য করেন সৌমিত্র খাঁ। অভিষেকের স্ত্রী ও শালিকার ডাক পরেছে, এর পর অভিষেকের ডাক হতো। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মানিক ভট্টাচার্যের যে চাকরি প্রার্থীদের লিস্ট পাওয়া যাচ্ছে তাতে বেশিরভাগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশেই কাজ হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।শিবপুরে টাকা উদ্ধার প্রসঙ্গে সৌমিত্র খাঁ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কয়লা ও বালি পাচার নগদ লেনদেনের মাধ্যমে হয়। তাই এখানে টাকা উদ্ধার হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। মেট্রো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরোনো শহরে এই ধরনের প্রজেক্ট করতে গেলে কিছু ক্ষতি হয়। তবে মেট্রোর নকশা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা মত পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,এর আগেও বড় বাজারে ওভারব্রিজ ভেঙে কত মানুষের প্রান গেছে। একশো দিনের কাজ ও আবাস যোজনার টাকা আটকে যাওয়া প্রসঙ্গে সৌমিত্র খাঁ জানান, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছিলেন একশো দিন ও আবাস যোজনার টাকা আমাদের দরকার নেই। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের একটি বিজয় সম্মিলনী অনুষ্ঠানে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি বিজেপি নেতাদের গাছে বেঁধে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গে সৌমিত্র বলেন, আমরা এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভাল ফল করবো। জেলা পরিষদে দেবু টুডু যে দূর্নীতি করেছেন তার তদন্ত হবে।

অক্টোবর ১৬, ২০২২
রাজ্য

জাল নোট সহ তিন ব্যক্তি গ্রেফতার বর্ধমান স্টেশনে

যৌথ ভাবে অভিযানে জালনোট সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করলো বর্ধমান থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।পুলিশ গোপনসূত্রে খবর শনিবার সন্ধ্যায় বর্ধমান স্টেশন চত্বরে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করে। বর্ধমান থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ আধিকারিকরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২৪ টি ২ হাজার টাকার জালনোট। ধৃত মহম্মদ রাজ ওরফে রাজুয়া ওরফে বসিরুদ্দিন, মহম্মদ আমিন হোসেন ওরফে আমান ও মহম্মদ মঈনুদ্দিন ওরফে গোবরা প্রত্যেকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়।১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করে ৩ জনকেই রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। কি উদ্দেশ্যে এই জালনোট নিয়ে স্টেশন চত্বরে ধৃতরা অপেক্ষা করছিলো তার তদন্ত শুরু করছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

অক্টোবর ১৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহর জুড়ে তাল্লসী অভিযানে জুয়ার ঠেক চালানোর অভিযোগে মোট ১৮ জন গ্রেফতার

দিপাবলীর আগে জুয়ার ঠেকে অভিযান চালিয়ে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করলো বর্ধমান থানার পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে ১১ হাজার ৯০ টাকা ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে বর্ধমান শহরের নাড়ি বেলবাগান ও সদরঘাটের ইডেন ক্যানেল পাড় এলাকায় জুয়ার ঠেকে অভিযান চালায় বর্ধমান থানার পুলিশ। জুয়া খেলার অভিযোগে দুটি জায়গা থেকে মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিস। উদ্ধার হয় ১১ হাজার ৯০ টাকা ও বেশকিছু তাশের বাণ্ডিল।

অক্টোবর ১৬, ২০২২
রাজ্য

অভিষেক ব্যানার্জীর আরোগ্য কামনায় পুজোর আয়োজন করা হয় বর্ধমান সর্বমঙ্গলা মন্দিরে

সারা ভারত তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জীর আরোগ্য কামনায় পুজোর আয়োজন করা হয় বর্ধমান সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাসের উদ্যোগে রবিবাসরীয় সকালে পুজোপাঠ ও যজ্ঞের আয়োজন করা হয় সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। কয়েকদিন আগে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জীর বাঁ চোখে বিদেশে অস্ত্রোপচার করা হয়। তিনি এখন কলকাতায় ফিরেছেন। বিধায়ক খোকন দাস বলেন, তাদের দলের নেতা অভিষেক ব্যানার্জীর চোখ যাতে তাড়াতাড়ি ভালো হয় তার জন্য মা সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো ও যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে।এখানে উল্লেখ্য কয়েক বছর আগে ২০১৬র নভেম্বর মাসে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জী মুর্শিদাবাদ থেকে দলীয় কর্মসূচি সেরে কলকাতা ফেরার পথে দুর্ঘটনায় পড়ে তার গাড়ি। হুগলির ২ নম্বর জাতীয় সড়কের সিংহের ভেড়ি এলাকায় তার কনভয় রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লরির পিছনে ধাক্কা মেরে উল্টে যায়। সাংসদ অভিষেকের চোখ দারুণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।এদিন সর্বমঙ্গলা মন্দিরে বর্ধমান পৌরসভার বেশীর ভাগ কাউন্সিলর পুজোপাঠ আয়োজন উপস্থিত ছিলেন বলে জানান বিধায়ক খোকন দাস। তার ছবিকে সামনে রেখে মন্দিরের পুরোহিতরা যজ্ঞের অনুষ্ঠান করেন।তার চোখ দ্রুত সেরে ওঠার জন্য মা সর্বমঙ্গলার কাছে প্রার্থনা করা হয় বলে জানান খোকন দাস।

অক্টোবর ১৬, ২০২২
রাজ্য

গোপন সুত্রে খবর পেয়ে দুই ব্যক্তিকে আগ্নেয় অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার বর্ধমান পুলিসের

আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করল বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতদের শনিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ গোদা হাইওয়ের কাছ থেকে রবিদাস নামে একজনকে আটক করে। তার কাছ থেকে একটি পাইকগান ও এক রাউণ্ড গুলি উদ্ধার হয়। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রদীপ কুমার অধিকারী নামে আর এক ব্যক্তির খোঁজ পায় পুলিশ। তার বাড়ি শ্যামসুন্দর। রাতেই বর্ধমান থানা পুলিশ তার বাড়িতে যায় এবং তার কাছ থেকেও একটি পাইপ গান ও এক রাউণ্ড গুলি উদ্ধার করে। পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। শনিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয় দুজনকে। রবিদাসকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ধৃত রবিদাসের বাড়ি বর্ধমানের বিসি রোড এলাকায় ও প্রদীপ কুমার অধিকারীর বাড়ি রায়না থানার শ্যামসুন্দর এলাকায়।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
রাজনীতি

দলের আস্থায়ী কার্যালয় থেকে বোমা উদ্ধারে চাঞ্চল্য, দলীয় কোন্দল দাবী দুই গোষ্ঠীর

তৃণমূল কংগ্রেসের অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ের ভিতর থেকে তাজা বোম উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। পুলিশ জামালপুরের জোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েত অমরপুর গ্রামের হিরু সেখের নির্মীয়মান বাড়ি থেকে ৯ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে। জোৎশ্রীরাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কার্তিক ঘোষের দাবী দলীয় গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে তাদেরকে হেনস্তা করার জন্যই বোমা রাখা হয়েছে। তার অভিযোগ জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানের গোষ্ঠীর লোকজনই এখানে বোম রেখেছে তাদের বদনাম করার জন্য। তারা প্রদীপ পাল ও অরবিন্দ ভট্টাচার্যের সঙ্গে দল করেন। তারা দলের পুরনো কর্মী।একই দাবী করেন জোৎশ্রীরাম পঞ্চায়েতের সদস্যা রেবা ধারা পঞ্চায়েত সদস্য গোষ্ঠ পাল। তারা বলেন, ব্লক সভাপতি মেহমুদ খানের অনুগামীরা এই ফাঁকা অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ে বোম রেখেছে। এখানে বাচ্চারাও খেলে। নির্মীয়মান বাড়ি মালিক তৃণমূল কর্মী হিরু সেখ বলেন,এখানে বোম রেখে তাদের বদনাম করা হচ্ছে।বিজেপি নেতা রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম থেকেই গোষ্ঠী কোন্দল আছে। আর এতে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছে। নিজেদের মধ্যে বালির টাকার ভাগ নিয়ে অশান্তি করছে তৃণমূল নেতারা। তার ফল ভোগ করছে এলাকার বাসিন্দারা।রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি দেবু টুডু বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে বলতে পারবো। তবে পুলিশ প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই বিষয়ে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
উৎসব

৪৮২ বছর ধরে পুজীত দেবী সিদ্ধেশ্বরী, আর কোনও কালী মুর্তীর পুজো হয় না এই গ্রামে!

সময়টা ছিল ১৫৪০ খৃষ্টাব্দ। ভূ-কৈলাসের রাজবংশের বংশধর দিগম্বর ঘোষাল মহাশয় গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড এবং রাজস্ব সংক্রান্ত ব্যাপারে শেরশাহের নির্দেশ মত কাজকর্ম দেখাশোনার জন্য কংসানদী পথে প্রায়ই আসতেন। তিনি এক দিন কংসানদীর তীরে কোলসড়া গ্রামে রাত্রি নিবাস করেন। এবং এক রাতে মা সিদ্ধেশ্বরী তাঁকে পুজো করার জন্য স্বপ্নাদেশ দেন ও মন্দির প্রতিষ্ঠা করতে বলেন। তখন দিগম্বর ঘোষাল শেরশাহকে তাঁর স্বপ্নাদেশের কথা জানান। যানা যায় শেরশাহ ইসলাম সম্প্রদায় ভূক্ত হয়েও দিগম্বর বাবুর ইচ্ছা পুরন করার জন্য মা সিদ্ধেশ্বরী নামে একটি তাম্র ফলকের ওপর পাঁচশত বিঘা জমি একটি দলিল করে দান করেছিলেন।১৫৪০ থেকে আজ পর্যন্ত মা সিদ্ধেশ্বরী কালীর পুজো হয়ে আসছে জামালপুরের কোলসড়া গ্রামে। সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দিরটি নির্মান হয়েছে শ্মশানের ধারে।পঞ্চমুণ্ডের আসনের উপর দেবীর মূর্তি স্থাপন করা আছে এবং দেবীর মূর্তিটি একটি ত্রিশুলকে বেষ্টন করে তৈরী হয়েছে, তাই এই মূর্তিটি ঘরে ও বাইরে অক্ষত অবস্থায় বের করা যায় না। যখন সিদ্ধেশ্বরী কালীর অঙ্গহানী হয় তখন পাঁচজন পুরোহিত মূর্তিটি কে খণ্ডখণ্ড করে কেটে ঝুঁড়িতে ভরে পুকুরে নিরঞ্জন দেয়।ঘোষাল পরিবারের বর্তমান বংশধর সমীর ঘোষাল জানান ১৮২৯ পর্যন্ত সিদ্ধেশ্বরী কালী মায়ের পুজো ঘোষাল বাড়ির পুজো হিসাবেই গণ্য হত। তবে ১৮৩০ থেকে এই পুজো কোলসড়া গ্রামের সর্বজনীন পুজো হিসাবেই বিবেচিত হয়েছে। এই গ্রামে সিদ্বেশ্বরী কালীর একা পুজো হয়। এছাড়া দ্বিতীয় আর কোন কালীর মূর্তী পুজো হয় না। এখানে বলি দান প্রথা আছে। প্রতিবছর চৈত্রমাসের শুক্ল পক্ষে এবং কার্ত্তিক মাসে কালী পুজোর সময় মহা ধুমধাম সহকারে সিদ্ধেশ্বরী কালীর পুজো হয় কোলসড়া গ্রামে।

অক্টোবর ১৪, ২০২২
রাজ্য

বিদায়ী বর্ষার ব্যপক বর্ষনে সংকটে শস্যগোলা। চরম ক্ষতির শঙ্কায় চাষীরা

গত তিনদিন ধরে দফায় দফায় বৃষ্টিপাতের জেরে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের কয়েকটি এলাকায় ধানজমি জলমগ্ন হয়েছে। ফলে কৃষকরা ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। জমিতে ধানগাছে থোর আসতে শুরু করেছে সেসব ধানগাছ জলমগ্ন হয়ে থাকলে গাছ পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকার কৃষকরা। আউশগ্রামের সোমাইপুর ও আউশগ্রামের মাঝামাঝি এলাকায় বেশকিছু ধানজমি জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। ওই এলাকায় পাঁচটি বড় নালা এক জয়গায় এসে মিশেছে। স্থানীয় এলাকায় পঞ্চগঙ্গা নামে পরিচিত ওই নিচু জলাভূমি এলাকা।গত তিনদিন দফায় দফায় বৃষ্টিপাতে পঞ্চগঙ্গা সহ তার আশপাশের এলাকা প্লাবিত হয়। জলে ডুবে যায় প্রচুর ধানজমি। এছাড়া আউশগ্রামের কুনুর নদীর সংলগ্ন সিলুট, বসন্তপুর এলাকায় বেশকিছু ধানজমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয় কৃষকরা জানান। বৃষ্টির জেরে কুনুর নদীর জলও বেড়েছে। নদী ছাপিয়ে এলাকা প্লাবিত। ওই এলাকার কৃষকরাও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা আশিষ কুমার বারুই বলেন, এখনও পর্যন্ত যা বৃষ্টি হয়েছে তাতে ধানের ক্ষতির আশঙ্কা নেই। বরঞ্চ সেচের জলের অভাবটা অনেকটাই মিটবে। কৃষকদের সুবিধা হবে বলে তিনি জানান।

অক্টোবর ১৪, ২০২২
রাজ্য

উধাও খোদ মহাদেব! বর্ধমানে চুরি গেলো শিবলিঙ্গ এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য

শিবলিঙ্গ চুরি হওয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহিতে। শুক্রবার সকালে মাধবডিহির নরত্তমবাটি গ্রামের বাসিন্দারা দেখেন শিবলিঙ্গ নেই। কিভাবে শিবলিঙ্গটি উধাও হল তা ভেবেই কূলকিনারা পাচ্ছেন না গ্রামের বাসিন্দারা। ধর্মীয় স্থান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে একটি শিব ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত ছিল। কথিত আছে এখানকার দেবাদিদেব মহাদেব নাকি কোন মন্দিরে নয় বরং খোলা জায়গাতেই থাকতে পছন্দ করেন। রাতের অন্ধকারে কোন ভাবে সেই শিবলিঙ্গের অর্ধেক অংশ উধাও হয়ে গিয়েছে বলে জানাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। কিভাবে সেই শিবলিঙ্গটি উধাও হয়ে গেল সেই নিয়ে দ্বন্দ্বে পড়ে গিয়েছেন তারা। এই ঘটনায় গ্রামের মানুষরা খুবই দুঃখিত। যেহেতু এই শিব ঠাকুরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কাল্প কাহিনী রয়েছে তাই এই ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না তারা। শিবলিঙ্গটিকে খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করেছে মাধবডিহি থানার পুলিশ।সেবাইত শান্তিনাথ ব্যানার্জী বলেন, উপরের অংশ নিয়ে গেছে দুস্কৃতিরা।কিন্তু বাবাকে অর্থাৎ শান্তিনাথকে নিয়ে যেতে পারে নি।কারণ বাবা মহাদেব এখানে স্বপ্নাদেশ দিয়ে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। সুতরাং বানার আসল রূপ এখানে আছে।গ্রামের বাসিন্দা সুশান্ত ঘোষ বলেন, শিবলিঙ্গটি কেউ চুরি করে নিয়ে গেছে।স্থানীয় বাসিন্দা জয়রাম চক্রবর্তী বলেন, এটি কষ্টিক পাথরের শিবলিঙ্গ। হাজার বছরের পুরনো, বহু মূল্য। তার ধারণা কোন তান্ত্রিকের কাজ হতে পারে।

অক্টোবর ১৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal