• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purba BArdhaman

রাজনীতি

অতীতে টেকনোলজি কে দূরে সরানো বামেদের ভরসা 'কিউআর (QR) কোড'

সদস্য সংখ্যা বাড়াতে বিজেপির মতো বামেরাও শরণাপন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মে। মিসড কলের মাধ্যমে বিজেপি তাদের পার্টির সদস্যা সংখ্যা বাড়ানোর কৌশল নিয়েছিল। আর এবার সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই কিউ আর (QR) কোড মাধ্যমে তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ওই পথেই হাঁটলো। কটাক্ষ করে টিএমসিপি নেতারা বলছেন,বামেরা হল বিজেপির ভাব শিষ্য। তাই সংগঠন তৈরির কায়দা কানুনও তাদের একইরকম হবে,এটাই স্বাভাবিক।২১ শের বিধানসভা ভোটে শূন্য হয়ে গেলেও হাল ছাড়েতে নারাজ সিপিএম নেতৃত্ব। আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট ও ২৪-র লোকসভা ভোটে ঘুরে দাঁড়াতে তারা এখন থেকেই মরিয়া হয়ে রাজনীতির ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। দলের হয়ে বড় ভূমিকা পালনের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই (DYFI) ও ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জনমত সংঘটিত করার জন্য এসএফআই তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দিয়েছে। এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা পোস্টারও তৈরি করেছে। সেই পোস্টারেই এখন ছয়লাপ পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর সহ গোটা জেলার বাজার, হাট,বাসস্ট্যাণ্ড চত্ত্বর। ওই পোস্টারে বড় বড় অক্ষরে আবেদন জানিয়ে লেখা রয়েছে, এসএফআই (SFI) এর সদস্য হও। তার ঠিক নিচেই দেওয়া রয়েছে একটি কুইক রেসপন্স কোড । সেই কোডের নিচে আবার লেখা রয়েছে, স্ক্যান কিউ আর (QR) কোড- জয়েন এসএফআই। আর এই পোস্টার ঘিরেই শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক বিরোধী তর্জা।এসএফআইয়ের জেলা কমিটির সদস্য তথা জামালপুর ব্লকের এসএফআই সম্পাদক নীলকমল পাল বলেন, হ্যাঁ-কিউআর (QR) কোড দেওয়া পোস্টারের মাধ্যমে আমরা এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ারই আহ্বান জানিয়েছি। কারণ আমরা পথেও আছি, হেঁটেও আছি নেটেও আছি। আমরাই ছাত্র বিরোধী নয়া শিক্ষা নীতি,ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র ফেরানোর দাবি সহ রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছি। সেই লড়াইয়ের সাথী হওয়ার জন্য সবাইকে কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সদস্য বাড়ানোর এই পন্থাকে বিজেপির অনুকরণ বলে মানতে চান নি নীলকমল। উল্টে তিনি দাবি করেন, বিজেপি পার্টিটাই সম্পূর্ণ ভাবে মিস কলের মাধ্যমে চলে। কিন্তু ,সেই পথে বামেরা হাঁটে না।সদস্য সংখ্যা বাড়ানো জন্য এসএফআইয়ের কিউআর কোড ব্যবহারের কৌশলকে বিলম্বিত বোধদয় বলে কটাক্ষ করেছেন, জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বাম আমলে সিপিএম ও তাদের সমস্ত শাখা সংগঠন কম্পিউটার সহ ডিজিটাল মাধ্যমেরই বিরোধীতা করে গেছে। একমাত্র কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দেশে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। আর এখন সেই বামেরাই নকল করছে বিজেপিকে। মিস কলের মাধ্যমে বিজেপি সদস্য সংগ্রহের পন্থা নিয়েছিল। সেটকেই অনুসরনণ করে সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই এখন ডিজিটাল কিউআর (QR) কোড মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। রামকৃষ্ণ এও বলেন, এইসব করে বামেরা লাভের লাভ কছু করতে পারবে না বলে তিনি মনে করেন না।সংগঠনের সদস্য বাড়ানোর এইসব ডিজিটাল পন্থা অবলম্বন নিয়ে বাম ও বিজেপি দুপক্ষকেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) জেলা সভাপতি সেখ সাদ্দাম। তিনি দাবি করেন, বামেরা হল বিজেপির ভাব শিষ্য। দুটো দলই জন বিচ্ছিন্ন। তাই সংগঠন তৈরির কায়দা কানুনও এই দুই দলের একইরকম হবে, এটাই স্বাভাবিক। তৃণমূল কংগ্রেস দল ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ মানুষের মাঝে থেকে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলে বলেই মিস কল বা কিউআর (QR) কোড মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের প্রয়োজন হয় না।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

সিপিএমের আইন অমান্য কর্মসুচীতে গ্রেফতার ৩১ জনের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর সিজেএম আদালতের

আইন অমান্য কর্মসূচি চলাকালীন বর্ধমান শহরের কার্জন গেটে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাসের অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও কয়েকজন কর্মীকে মারধরের ঘটনায় ধৃত সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাষ রায়চৌধুরি, এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক অনির্বাণ রায়চৌধুরি সহ ৩১ জনের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর করল সিজেএম আদালত।ধৃতদের মঙ্গলবার বর্ধমান সংশোধনাগার থেকে আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতদের হয়ে বামপন্থী আইনজীবী সংগঠনের সদস্যরা সহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী জামিনের সওয়াল করেন। সরকারি আইনজীবী অবশ্য জামিনের বিরোধিতা করেন। দুপক্ষের সওয়াল শুনে সপ্তাহে ২দিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা, অনুমতি ছাড়া আদালতের এলাকা না ছাড়া, শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার শর্তে ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম চন্দা হাসমত। শর্ত লঙ্ঘন করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সিআরপিসির ৪৩৭(৫) ধারা অনুযায়ী জামিন বাতিলের প্রক্রিয়া কার্যকর করা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন সিজেএম।উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট সিপিএমের আইন অমান্য কর্মসূচি চলাকালীন কার্জন গেট চত্বরে ব্যাপক গণ্ডগোল হয়। পুলিসের উপর হামলা চালানো হয়। পুলিসের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। কার্জন গেটে বিধায়কের অফিসেও ভাঙচুর করা হয়। তৃণমূলের কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিস লাঠি চার্জ করে। তাতে কাজ না হওয়ায় কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। এমনকি জলকামান ব্যবহার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস ৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। পরে আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার বিষয়ে বর্ধমান থানার আইসির অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু হয়। বিধায়কের অফিসে ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় তৃণমূল নেতা শেখ নুরুল আলম অভিযোগ দায়ের করেন। এনিয়ে পৃথক একটি মামলা রুজু হয়। পুলিসের দায়ের করা মামলায় আগেই ধৃতদের জামিন মেলে। সিপিএম অবশ্য ঘটনার জন্য পুলিসকে দায়ী করেছে। পুলিসই দলের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালায় বলে সিপিএমের পাল্টা অভিযোগ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত দুই, চালক আটক

ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান আরামবাগ রোডের সগড়াই মোড় এলাকায়। সোমবার সকালেব সূর্যকান্ত মালিক ও খোকন দাস এই দুই শ্রমিক কাজে যাবার উদ্দেশ্যে সগড়াই মোড়ে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় আরামবাগের দিক থেকে বর্ধমান মুখি একটি ডাম্পার এই দুই শ্রমিককে ধাক্কা মারে।গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের বাড়ি সগরাই পশ্চিম পাড়া ও সগড়াই দাস পাড়া এলাকায়। ঘাতক ডাম্পারটিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে খালাসি ও ডাম্পার চালককে। দেহ দুটি ময়না তদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহরের সৌন্দার্যায়নে আঘাত হানার প্রতিবাদে বিদ্বজনেদের অবস্থান বিক্ষোভ

৩১ শে আগষ্ট সিপিআইএমের ডাকে আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে যে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে। সেদিন রণংদেহী জনতাকে বাগে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ছোঁড়ে। পরিস্থিতি বাগে আনতে লাঠিচার্জ করতে হয়। পুলিসের অভিযোগ সিপিএম সমর্থকদের ছোঁড়া ইঁটে ঘায়েল হন বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী। জনতা-পুলিসের খন্ডযুদ্ধ বাধে। কার্জনগেটের নতুন সাজসজ্জা ভাঙচুর করা হয়। বিশ্ববাংলা গ্লোব উপড়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। কার্জন গেটের অদুরে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন বেশ কিছু বাম কর্মী-সমর্থক। জানা যায় বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস সেদিন পুরস্কার নিতে শহরের বাইরে ছিলেন। সোমবার ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে মেঘলা আবহাওয়ায় বিকেলে বিধায়ক সমর্থকদের এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয় কার্জন গেট চত্তরে। সেখানে শিক্ষক, অধ্যাপক, চিকিৎসক, উকিল, লেখক ও শিল্পী সহ বিদ্বদজনেরা অংশ নেন। মঞ্চের পাশে রাখা একটি সাদা বড় ক্যনভাসের ওপর সাক্ষর সংগ্রহ করা হয় সভায় উপস্থিত মানুষজনের কাছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

বোরজানের বারোমাস্যা, দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন বোরজান

বছর বদলালেও দুর্দশার জীবন বদলায়নি বোরজানের। বছর দুই আগে ভেঙে পরে মাথার উপরে থাকা চালাঘরটি। বৃষ্টি হলেও সব জল ঢুকে পরে বাড়িতে। এরফলে বসত ভিটের ভাঙা ঘর আগলে নিত্য দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বাবলা গ্রামের বোরজান। দুঃখ আর যন্ত্রণা এখন নিত্য সঙ্গী তার। তার বড় প্রয়োজন মাথার উপরে একট ফালি ছাদ।সমস্যার বারোমাস্যা নিয়ে বারবার স্থানীয় গলসি গ্রাম পঞ্চায়েত ও বিডিও অফিসে গেলে, সেখান থেকে কোন সুরাহা মেলে নি। এদিকে শারীরিক অসুবিধার জন্য উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে। তাই সপ্তাহের কয়েকদিন রেশনের চাল রান্না করে ও কয়েকদিন পরের বাড়িতে খাবার খেয়ে কোনরকম দুবেলা পেট চলান। কোন কোন দিন আবার উপসেও দিন কাটাতে হয় রোবজানকে।বোরজানের স্ত্রী মানসিক ভারসাম্যহীন। ফলে ১৫ বছর আগে তার তিন ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে চলে যায় তার শ্বাশুড়ি। সেখানেই তাদের লালন পালন করে মানুষ করছেন তার শ্বাশুড়ি। ছেলেরা এখন বেশই বড় হয়েছে। ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করে উপার্জন করে। ছেলেদের উপার্জনে পরিবারের দিন ফিরলেও দুর্দশাগ্রস্ত বোরজানকে তারাও কেউই দেখেনা। এমনকি বোরজান শ্বশুরবাড়ি শিড়রাই গেলেও তাকে বের করে দেয় শ্বাশুড়ি। ফলে ভাঁঙা ঘরের অ্যাজবেস্টারের নিচে দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন বোরজান।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
স্বাস্থ্য

হোস্টেলের দাবীতে আন্দোলনে বর্ধমান ডেন্টাল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা

বর্ধমানের ডেন্টাল কলেজের ছাত্ররা আন্দোলনে নেমেছেন। তারা দাবি তোলেন, ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে অবিলম্বে হোস্টেল চাই তাদের জন্য। রীতিমতো শ্লোগান দিয়ে তারা ধরণা চালিয়ে যাচ্ছেন।২০০৯ এ বর্ধমান ডেন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ছাত্রছাত্রীদের বক্তব্য ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও এই কলেজে এখনও পর্যন্ত কোনোও হোস্টেল নেই। নতুন নতুন নার্সিং থেকে মেডিকেল কলেজ সবার হোস্টেল আছে।শুধু তাঁদেরই নেই।তাদের আরো বক্তব্য হোস্টেল না থাকায় তাদের বাইরের মেস বা পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকতে হচ্ছে। জুনিয়র ডাক্তার বা ছাত্র হিসেবে এই সুযোগ তাদের প্রাপ্য। যদি কোনো ব্যবস্থা না হয় তারা আরও বড় আন্দোলনে নামবেন।তাদের কথায়, তারা জেলা এবং রাজ্যস্তরে জানিয়েছেন। কোনো ফল হয় নি তাতে। আজ থেকে তারা আন্দোলন শুরু করলেন। তবে আউটডোর সহ রোগীর পরিষেবা সব চালু রেখেছেন তারা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

কল আছে জল নেই, জল সঙ্কটে হাহাকার ভাতারের শিলাকোট গ্রাম

কল আছে জল নেই। সত্যিই জল পড়ে না। ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা।পানীয়জলের জন্য হাহাকার গ্রাম জুড়ে। পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ের শিলাকোট গ্রামে বছর দুয়েক আগে পিএইচই মাধ্যমে গ্রামে জলের পাইপ বসানো হয়।গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে পাইপের কানেকশন ও ট্যাপকলও দেওয়া হয়। কিন্তু কাকস্য পরিবেদনা জল কোথায়! না এখনও গ্রামে পানীয় জল পৌঁছায় নি। গ্রামের দাসপাড়া, মালিক পাড়া ও আদিবাসী পাড়ার মানুষজন সব থেকে বেশী সমস্যায় পড়েছেন। পাড়ার টিউবওয়েলগুলিও দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে।ফলে তারা বাধ্য হয়েই পুকুরের জল ব্যবহার করছেন।ভাতাড়ের ওড়গ্রামের ফরেস্টের কাছে পিএইচই পাম্প বসানো হয়েছে। পরিকল্পনা ওই জায়গা থেকে এলাকার চার পাঁচটি গ্রামে পানীয় জল সরবরাহ করা হবে।কিন্তু পরিকল্পনা অনুযায়ী এখনো কাজ হয় নি।শিলাকোর গ্রামে কমবেশি তিন হাজার মানুষের বাস। গ্রামের আদিবাসী পাড়ার বাসিন্দা সরমণি মুর্মু বলেন, বাড়িতে পাইপ বসানো হয়েছে দুবছর আগে। কলের ট্যাপও লাগানো আছে। কিন্তু তাতে জল আসে না। পাড়ার টিউবওয়েলও খারাপ হয়ে পড়ে থাকায় জলের জন্য খুব সমস্যা হচ্ছে। একই সমস্যার কথা বলেন, কৈবর্ত পাড়ার বাসিন্দা অলকা দাস। তিনি বলেন, পানীয় জলের পাইপ বসানোর কাজ হয়েছে বছর দুয়েক আগে। কিন্তু জল আসছে না।এই বিষয়ে সাহেবগঞ্জ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিনয় কৃষ্ণ ঘোষের সাফাই জল ট্রাঙ্ক তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ ওড়গ্রামের থেকে শিলাকোট গ্রাম বেশ খানিকটা উঁচু। তাই পাইপলাইনের মাধ্যমে জল পৌঁছাচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান

আজ বর্ধমান জেলা কার্যালয়ে বাঘার ১নং অঞ্চলের মাহিনগর গ্ৰামের সাতজন তৃণমূল সহ অন্য দলের সৎ, আদর্শবান, সশক্ত কর্মী ভারতীয় জনতা পার্টির বিচার ধারায় উদ্ভুত হয়ে এবং তৃণমুল নেতামন্ত্রীদের দূর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে স্ব-ইচ্ছায় ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করার আগ্রহ প্রকাশ করলে, জেলা পদাধিকারী ও মন্ডল সভাপতির উপস্থিতিতে তাঁদের সকলকে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে এবং উত্তেরীয় দিয়ে বরণ করে নিলেন মাননীয় জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা মহাশয়।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে ধানের জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু দম্পতির

বজ্রপাতে মৃত্যু হল ক্ষেতমজুর দম্পতির। মৃতদের নাম বিষ্টুপদ বাগদি (৪৩) ও মমতা বাগদি (৪০)। পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভেঁপুর গ্রামের পুর্ব পাড়ার বাসিন্দা। শনিবার সকালে তারা মাঠে ধান জমিতে আগাছা পরিস্কারের কাজে গিয়েছিলেন। কাজের শেষে দুজনই বাড়ির গবাদি পশুর জন্য ঘাস কাটছিলেন। দুপুর আনুমানিক সাড়ে বারোটা একটা নাগাদ আচমকা বজ্র বিদ্যুৎসহ বৃষ্টি শুরু হলে দুজনই জমিতে ছিটকে পরে যান। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে মাঠের এগোরো হাজারের বিদ্যুৎের খুঁটির তার ছিঁড়ে জমিতে পরে যায়। দুর্ঘটনাস্থলে দুজনের মৃত্যু হয় বলে জানান স্থানীয়রা। একটু দূর থেকে দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্থানীয়রা। তারা পুলিশে খবর দিলে দুরঘটনাস্থলে যায় গলসি থানার পুলিশ ও বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা। পুলিশ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতব্যরত চিকিৎসকরা দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান বজ্রপাতের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। ওই বিষয়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের পূর্ব বর্ধমান সাউথ ডিভিশন ইঞ্জিনিয়ার সুমন পাল জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের আগের পোলের পিন ইনসুলেটারে বাজ পরে তার কেটে যায়। তাছাড়া ওই জায়গার বিদ্যুৎের পোলে লাইটিং হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মারা গেছে না বাজ পড়ে মারা গেছে তা ময়নাতদন্ত না হলে বলা সম্ভব নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চম শ্রেণি পাশ নাদনঘাটের রেজাউল আকাশে উড়ানের স্বপ্নে বিভোর, হেলিকপ্টার তৈরিতে মগ্ন

পড়াশুনা পঞ্চম শ্রেণী। পেশা গ্যারেজ মিস্ত্রি। লক্ষ্য হেলিকপ্টার তৈরি। শুধু ইচ্ছাশক্তিতে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে গবেষণা করে আস্ত হেলিকপ্টার তৈরি করার কাজ করে চলেছেন রেজাউল শেখ। পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানার ঘোলার বাসিন্দা নিজের বাড়ির পাশে খোলা জায়গায় লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে এই কপ্টার তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য ইতিমধ্যে কয়েক লক্ষ টাকা খরচও করেছেন রেজাইল। তাঁর হেলিকপ্টার দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন মানুষজন। এখন রেজাউল শুধু আকাশে ওড়ার স্বপ্নে বিভোর।কেন এভাবে হেলিকপ্টার তৈরির নেশায় মাতলেন রেজাউল? তার ব্যাখ্যাও দিয়োছেন রেজাউল। তাঁর কথায়, বাবা আমাকে একদিন বলেছিলেন এমন একটি কিছু কাজ করতে, যাতে দেশের মানুষ আমাকে মনে রাখে। বাবার সেই কথাটাই সবসময় মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে। তার পর একদিন ৪০ ফুট লম্বা ও পাইলট সহ পাঁচ আসন বিশিষ্ঠ হেলিকপ্টার তৈরির সিদ্ধান্ত নিই।হেলিকপ্টার তৈরি করা তো যেমন তেমন বিষয় নয়। বললাম আর হয়ে গেল। রীতিমতো গবেষণা করে পড়াশুনা করা দরকার। সম্যক জ্ঞান না থাকলে কোনওভাবেই তা সম্ভব নয়। রেজাউল বলেন, বেশি দূর পড়াশুনা করিনি। মাত্র পঞ্চমশ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করেছি। একটা সময় কাজ করতেন মোটর গ্যারেজে।রেজাউলের একটি জেসিবি মেশিনও রয়েছে। এটাই হেলিকপ্টার তৈরির বাস্তব অভিজ্ঞতা। হেলিকপ্টার তৈরি করার জন্য নিজে ৫ বছর গবেষণা করেছেন। কয়েক মাস আগে সাজসরঞ্জাম কিনে এনে হেলিকপ্টার তৈরির কাজ শুরু করেন রেজাউল। হেলিকপ্টার তৈরি করতে এখনও মাসখানেক সময় লাগবে বলে রেজাউল জানিয়েছেন।হেলিকপ্টারটি প্রায় চল্লিশ ফুট লম্বা এবং পাইলট সহ পাঁচটি আসন থাকছে। হেলিকপ্টারের কাঠামোটা তৈরি করতে লোহার পাত ব্যবহার করা হয়েছে। ব্লেডও সেটিং হয়ে গিয়েছে। এককথায় এখন নাদনঘাটের ঘোলাতে রেজাউলের হেলিকপ্টার নিয়ে উৎসাহে গা ভাসিয়েছে আশেপাশের গ্রামবাসী।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

ড্রোনের সাহায্যে আকাশপথে সার ছড়ানো হবে জমিতে

আর জমির মধ্যে জলকাদায় নেমে স্প্রে মেশিনের সাহায্যে কীটনাশক ছড়ানোর পর্ব থাকবে না। ধান সহ বিভিন্ন কৃষি জমিতে রোগ পোকার আক্রমণে ড্রোনের মাধ্যমে জমিতে ছড়ানো যাবে কীটনাশক। শনিবার তা পরীক্ষামূলকভাবে দেখানো হল শস্যগোলা পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে।এদিন একটি বেসরকারি কোম্পানি আউশগ্রামের কয়রাপুর গ্রামে স্থানীয় কৃষকদের হাতে কলমে দেখানোর জন্য ড্রোনের মাধ্যমে ধানজমিতে কীটনাশক ছড়ানো হয়। আউশগ্রাম ১ নম্বর ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা দেবতনু মাইতির সহযোগিতার স্থানীয় কয়েকজন কৃষকের জমিতে কীটনাশক ছড়ানো হয় পরীক্ষা মূলক ভাবে। স্থানীয় কৃষক হামিদ মল্লিক জানান জমিতে এভাবে কীটনাশক ছড়ানো যায় তা ইতিপূর্বে চাক্ষুষ তারা দেখেননি।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

প্যারা টিচারের মারে মাথায় চোট পেয়ে অসুস্থ শিশু

মেমারি দুনম্বর ব্লকের অন্তর্গত সোতলা মহিষডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ সামিল হলো গ্রামবাসীরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় মেমারি থানার সাতগেছিয়া ফাঁড়ির পুলিশ। অভিযোগ জুন মাসের শেষের দিকে এক সেচ্ছাসেবক শিক্ষকের মারে আহত হন। এক স্কুল পড়ুয়া।আহত ওই স্কুল পড়ুয়া জিৎ শিল অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র মহিষডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। স্কুলে পড়া না পারার জন্য তাকে মারধর করা হয় এবং সেই মারেই মাথায় চোট পান বলে অভিযোগ। বর্তমানে ওই ছাত্র ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না এবং অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে তার পরিবারের দাবি।বর্তমানে ওই ছাত্রের সমস্ত চিকিৎসা খরচ স্কুল কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে বলে জানিয়েছেন আহত ছাত্রের পরিবার। বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষকরা জানিয়েছেন আহত হওয়ার পর ওই ছাত্রের প্রথম চিকিৎসা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেই এবং পরবর্তী সময়ও তাদের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। শুনবো এই দিনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষক কি জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে খুন আউশগ্রামে, স্বীকার অভিযুক্তর

পরকীয়ার জেরেই খুন করেছে স্বীকার করলো অভিযুক্ত। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই রাগের বশে সাদেক শেখকে খুন করেছে পুলিশের কাছে একথা জানাল পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামে খুনের ঘটনায় ধৃত চন্দন মেটে। ধৃত শুক্রবার দাবি করে তার স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল সাদেক শেখের। বারবার নিষেধ সত্বেও সাদেক শোনেনি। তাই রাগের বশেই তাকে কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে মেরেছিলাম। মরে যাবে বুঝতে পারিনি।যদিও নিহতের স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগপত্রে জানান,পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বচসার জেরেই চন্দন মেটে তার স্বামী সাদেক শেখকে পরিকল্পনা মাফিক খুন করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চন্দন মেটেকে আটক করার পর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাকে বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়। আদালত ধৃতকে ৭ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যায়।বৃহস্পতিবার বিকেলে আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামের মেটেপাড়ার কাছে সাদেক শেখকে রক্তাক্তবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। বীরভূমের সিয়ান হাসপাতালে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয়। পেশায় কৃষক সাদেক শেখ। স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন তার স্বামী চন্দনকে ২০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। ওই টাকা বৃহস্পতিবার বিকেলে চাইতে গিয়েছিলেন তার স্বামী সাদেক শেখ। টাকা দিতে অস্বীকার করলে সাদেকের সঙ্গে চন্দনের বচসা হয়। চন্দন তখন হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। গোলেনূর শেখ জানান তারপর চন্দনের বাড়ি থেকে সাদেক বেড়িয়ে এসে যখন ভেদিয়া দীননাথপুর মালিয়াড়া রাস্তায় উঠছিলেন তখন চন্দন পিছন থেকে ভারী বস্তু দিয়ে সাদেকের মাথায় আঘাত করে।যদিও এদিন ধৃত চন্দন বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে সাদেক শেখের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। আমার স্ত্রীকে লজে নিয়ে যেত। আমি না থাকা অবস্থায় বাড়িতেও যেত। বৃহস্পতিবার বাড়ি ঢুকেই দেখি সাদেক আমার ঘর থেকে বেড়িয়ে আসছে। তখন রাগের মাথায় কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে পিঠে আঘাত করতে গিয়েছিলাম। মাথায় লেগে গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে এক ব্যক্তিকে টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ

টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে পিটিয়ে এক ব্যক্তিকে খুন করার অভিযোগ উঠলো পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামে খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের নাম সাদেক শেখ(৩৮)। ওই ঘটনায় এক মহিলা সহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। যান পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন সহ পুলিশ আধিকারিকরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে পুরানো রাগের জেরেই সাদেক শেখকে খুন করা হয়েছে।পেশায় কৃষক ছিলেন সাদেক শেখ। তিনি আমিনের (জমি পরিমাপ) কাজও করতেন। নিহতের ভাই সঞ্জয় শেখ জানান তার দাদা সাবমার্সিবল পাম্পের সেচখরচা বাবদ টাকা আদায় করতে গ্রামের কয়েকজনের কাছে গিয়েছিলেন। মেটেপাড়ায় চন্দন মেটের বাড়ির সামনে দিয়ে যাবার সময় সাদেককে আচমকা টিউবওয়েলের লোহার হাতল দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। লুটিয়ে পড়েন সাদেক। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বীরভূমের সিয়ান হাসপাতালে নিয়ে যান। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। সঞ্জয় শেখের অভিযোগ, পুরানো কোনও রাগের কারণেই তার দাদাকে চন্দন মেটে খুন করেছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ চন্দন, তার স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে যাত্রীবাহী বাস

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাল্টি খেয়ে নয়ানজুলিতে পড়ে গেল যাত্রীবাহী বাস। বৃহস্পতিবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ায়দিঘী থানার ভিটা রাইপুর এলাকায়। দুর্ঘটনায় বাসের প্রায় ১৫ জন যাত্রী কমবেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দশ জনকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। বাকিদের কুড়মুন প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা করা হয়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এদিন বিকেল ৪টা নাগাদ বর্ধমানের দিক থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস করিমপুর যাচ্ছিল। দ্রুত গতিতে যাবার সময় রাস্তায় একটি মোটর সাইকেলকে বাঁচাতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে পাল্টি খেয়ে রাস্তার পাশের নয়ানজুলিতে পড়ে যায় বাসটি। আচমকা এই দুর্ঘটনায় বাসের একাধিক যাত্রী জখম হয়েছেন বলে খবর। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

জোরকদমে প্রতিমা তৈরির কাজ চললেও কোভিডের যাঁতাকলে আটকে মৃৎশিল্পীরা

অতি মহামারী কোভিড শিথিল হলেও তার প্রভাব এখনো ছত্রে ছত্রে রয়ে গেছে। গত দুবছর লকডাউন ও কোভিডের যাঁতাকলে পড়ে দুর্গাপুজো বেশ ধাক্কা খেয়েছিল। কিন্তু এখনও সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বর্ধমানের মৃৎশিল্পীরা। মৃৎশিল্পী পাপ্পু পাল বলেন, পুজোর জন্য দুর্গা প্রতিমার বায়না যে হচ্ছে না তা নয়, তবে প্রতিমার বাজেট বাড়াতে চাইছে না কেউই। আসলে মানুষের হাতে পয়সা নেই।পুজোর আর মাস খানেক হাতে আছে। শিল্পীরাও থেমে নেই। জোরকদমে শহরের পালপাড়া থেকে পার্কাস রোড কিংবা নীলপুরে মৃৎশিল্পীরা সৃষ্টিতে মগ্ন। আবহাওয়া এবার তেমন খারাপ না থাকায় মূর্তি বানানোর কাজে তেমন ব্যাঘাত ঘটছে না। গত কয়েক বছরে হুহু করে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে বাজারে।তার থেকে বাদ যায়নি মৃৎশিল্পীরাও। প্রতিমা তৈরির কাঁচামালের দাম বেড়েছে দেদার। মাটি থেকে খড় কিংবা বাঁশ থেকে দড়ি সবক্ষেত্রেই দাম উর্দ্ধমুখী। কিন্তু পুজো কমিটিগুলো বর্তমানে দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে।সাধারণত অগাষ্টের মধ্যেই বায়নাপত্র হয়ে যায়। কিন্তু এবছর যেন উল্টো চিত্র। অগাষ্ট মাসের শেষের দিকেও তেমন বায়নাপত্র হয়নি।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানের বিজেপি জেলা কার্যালয়ের সামনে একটি ফ্লেক্স টাঙানো নিয়ে আলোড়ন পড়েছে

ফ্লেক্স লেখা আছে যে সব চাকরিপ্রার্থীরা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বা সরকারি আধিকারিকদের টাকা দিয়েও চাকরি পান নি। তারা জেলা সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে তাদের বিজেপির দলীয় কার্যালয় যোগাযোগ করলে তারা দায়িত্ব নিয়ে টাকা ফেরত দিয়ে দেবে।সম্প্রতি বর্ধমানে দলীয় কর্মসূচিতে এসেছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বর্ধমানের বড়নীলপুর এলাকায় একটি পথসভা হয়। সেখানে তিনি বলেছিলেন, দলীয় কার্যালয়ের সামনে ব্যানার টাঙ্গিয়ে দিন, যারা টাকা দিয়েও চাকরি পাননি তারা জেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করুক। তাদের নাম গোপন রাখা হবে। সেই সমস্ত তৃণমূল নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করে সেই টাকা তাদের ফিরিয়ে দিতে দেওয়া হবে। এই দায়িত্ব নিতে হবে।এ প্রসঙ্গে জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানিয়েছেন জেলা সভাপতি নির্দেশেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানিয়েছেন, কারোর এই ধরনের সমস্যা হলে তারা তো প্রশাসনের কাছে যাবে, পুলিশের কাছে যাবে, বিজেপি অফিসে যাবে কেন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

জমি জালিয়াতি, চিকিৎসককে আটক রাখলেন গ্রামবাসীরা

অন্যের জমি জালিয়াতি করে নিজের নামে রেকর্ড করানোর অভিযোগে একজন চিকিৎসককে আটক রাখলেন গ্রামবাসীদের একাংশ। সোমবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের কামালপুর এলাকায়।অভিযোগ কামালপুর এলাকার তিলডাঙা গ্রামের ২৪০ দাগের এক বিঘে জায়গা চিকিৎসক শান্ত কুমার মণ্ডল নিজের নামে রেকর্ড করে নেন ২০১৯ সালে।আসলে জায়গাটির মালিক দুষ্টু মাহাতো।দুষ্টু মাহাতোর নাতি হীরু মাহাতোর অভিযোগ আমরা তেমন লেখাপড়া জানি না। ৪৭ বছর আগে এই জায়গাটি কেনা হয়।দুষ্টু মাহাতোর নামে জায়গার দলিল আছে।এই জায়গার উপর একটি ক্লাবঘর ও মন্দির আছে।আমরা ভূমি সংস্কার দপ্তরে গিয়ে জানতে পারি জমির মালিক দুষ্টু মাহাতোর পরিবর্তে শান্ত কুমার মণ্ডল। তখন আমি ডাক্তারবাবুকে বলি আমাদের জমি আমাদের ফিরিয়ে দিতে।উনি আমাকে বলেন, জমিটি কিনতে হবে।এই নিয়ে ক্লাবে অনেকবার আলোচনা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ডাক্তারবাবু জমি ফিরিয়ে দিতে রাজী হন।তারপর থেকে টালবাহানা করছেন।এই নিয়ে এলাকার তৃণমূল নেতা থেকে পঞ্চায়েত সদস্য সবাইকেই বিষয়টি জানানো হয়।কিন্তু কেউ বিষয়টি গুরুত্ব দেয় নি।এদিন শান্ত কুমার মণ্ডল তিলডাঙা গ্রামে তার চেম্বারে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ঘিরে ধরে।জালিয়াতি করে জমি নেওয়ায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের একাংশ তাকে বিদ্যুতের পোলে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ গিয়ে শান্ত কুমার মণ্ডলকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।শান্ত কুমার মণ্ডলের বাড়ি কামালপুরে। পাশের গ্রাম তিলডাঙায় তার চেম্বার।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচি গণ্ডগোলে আরও দুইজন গ্রেফতার

বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচির ঘটনায় গ্রেফতার হল আরও দুজন। যার মধ্যে একজনের জামিন হলেও অপর জনের তিন দিনের পুলিশি হেভফাজত হয়েছে। পাশাপাশি ১ সেপ্টেম্বর চার দিনের জন্য পুলিশি হেফাজত পাওয়া ৭ জনের আবার তিন দিনের পুলিশি আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত। গত ৩১ আগষ্ট বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচির ঘটনায় পুলিশ ৪৬ জনকে গ্রেফতার করেছিল। ধৃতদের মধ্যে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাস রায় চৌধুরী রয়েছে। এই ঘটনায় বাকি ৩৪ জনের ইতিমধ্যেই ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে রয়েছে।বুধবার বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে এই ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। পুলিশের সাথে সিপিএম কর্মীদের খণ্ডযুদ্ধ বাধে। ভাঙচুর করা হয় বিশ্ববাংলা লোগো লাগানো গ্লোব, রাস্তার দুই পাশে থাকা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ছবি লাগানো একাধিক গ্লোসাইন। ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়ি ও মোটর সাইকেলে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী আন্দোলনকারীদের মারে আহত হয়। আন্দোলনকারীদের বাগে আনতে লাঠি চার্জ করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করা হয়।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

মেমারিতে দুঃস্থ ও অসহায় থ‍্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যার্থে রক্তদান শিবির

মেমারি ১ ব্লকের দুর্গাপুর গ্রামের বারোয়ারি তলায় গুরু গোবিন্দ বসু সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যার্থে রক্তদান শিবির আয়োজন কগরা হয়। শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় ৫০ ইউনিট লক্ষ্যমাত্রা রেখে রক্ত সংগ্রহের কাজ শুরু করে। এদিন একইসঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ছেলেমেয়েদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান করা হয়। দুর্গাপুর গ্রামের আধুনিকতার রূপকার গুরু গোবিন্দ বসুর ছবিতে মাল্যদান করে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। তাঁর স্মৃতিতে গুরু গোবিন্দ বসু সংঘ সহ গ্রামবাসীরা উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক কাজে এগিয়ে আসেন।আজকের অনুষ্ঠানে মহিলাদের রক্তদানে বেশি উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়। বর্ধিষ্ণু গ্রাম দুর্গাপুরে এই কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিবারের মত উদ্দীপনা ছিল দিনভর।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ...
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal