• ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Pm

দেশ

কৃষি আইন চাষিদের উন্নয়ন করবে , সওয়াল মোদির

বিতর্কিত আইন নিয়ে নিজের অবস্থানে অনড় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবারও এফআইসিসিআইয়ের ৯৩ তম সাধারণ সভার উদ্বোধনে তিনি বলেন, দেশকে আত্মনির্ভর করতে প্রতিটি ক্ষেত্রে সংস্কার প্রয়োজন। কৃষকদের উন্নতি করতে তাঁদের কাছে নতুন প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে হবে। আর সেই কাজ করতে নতুন আইন প্রয়োজন। চাষবাস ও ওই ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ক্ষেত্র-কোল্ড চেন, কৃষি প্রযুক্তির অগ্রগতির ক্ষেত্রে একাধিক বাধা ছিল। সেগুলি এখন সরে গিয়েছে। পুরনো আইন সংস্কার ফলে কৃষকরা দেশে নতুন বাজার, নতুন সুযোগ-সুবিধা পাবে। বিরোধীদের দুষে তিনি বলেন, সদিচ্ছার অভাবে দেশে এত বছর কোনও সংস্কার হয়নি। তাই ভারত আত্মনির্ভর হতে পারেনি। আরও পড়ুন ঃ কৃষক আন্দোলনে যোগ দিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন কৃষকরা, মোদিকে কটাক্ষ রাহুলের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চলতি বছরের শুরুতে যখন করোনা মহামারীর মুখে পড়লাম তখন জানতাম না কীভাবে এর মোকাবিলা করব। উন্নয়ন থমকে গিয়েছিল। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেছিল। প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে দেশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সংস্কারে র প্রয়োজন রয়েছে বলে সওয়াল করেন তিনি।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
দেশ

কৃষক আন্দোলনে যোগ দিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন কৃষকরা, মোদিকে কটাক্ষ রাহুলের

কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী সংখ্যাটা ১১, আবার আন্দোলনকারীদের দাবি সংখ্যাটা ১৫। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের নয়া কৃষি বিলের প্রতিবাদে পথে নেমেছেন কৃষকরা। আইন প্রত্যাহারের দাবিতে, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা গত ১৭ দিন ধরে প্রবল ঠাণ্ডার মধ্যেও দিন-রাত বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দিল্লি সীমান্তে। প্রবল ঠাণ্ডায় এই বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন কৃষক। তাঁদের সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও তা যে কোনও মতেই ১১ জনের কম নয় তা স্পষ্ট। আরও পড়ুন ঃ দিল্লিতে অভিষেকের বাড়িতে হামলা চালাল একদল দুষ্কৃতী এই কৃষক মৃত্যু নিয়ে এবার কেন্দ্রকে বিঁধলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। শনিবার এক টুইট বার্তায় তিনি এনিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। এদিন একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনকে হাতিয়ার করে রাহুল লেখেন, কৃষি আইন রদ করতে আমাদের কৃষক ভাইদের আর কত বলিদান দিতে হবে?। উল্লেখ্য, কেন্দ্রের সঙ্গে কৃষকদের ছয় দফা আলোচনাতেও কোনও ফল মেলেনি। আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় কৃষকরা। লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তাঁরা।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

মোদী সরকারের সমালোচনা করলে দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবেনঃ অপর্ণা সেন

নাম না করে কেন্দ্রের মোদী সরকারের ফের সমালোচনা করলেন অভিনেত্রী তথা চিত্র পরিচালক অপর্ণা সেন। টুইটারে অভিনেত্রী লেখেন, দয়া করে দেশের কোনও ঘটনার প্রতিবাদ করবেন না। যদি করেন তাহলেই আপনি হয় দেশদ্রোহী আর নয়তো আর্বান-নকশাল হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবেন। কিন্তু পাকিস্তানের সমর্থক হিসেবেও প্রতিপন্ন হতে পারেন। নয়তো বলা হতে পারে, আপনি টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের প্রতিনিধি আর নাহলে একজন সন্ত্রাসবাদী বা খালিস্তানি। যে কোনও মুহূর্তে আপনা জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে। তাই সাবধান। আরও পড়ুন ঃ ভেন্টিলেশন থেকে বের করা হল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নিজের টুইটের মধ্যে দিয়েই অপর্ণা সেন বোঝাতে চেয়েছেন, দেশে গণতন্ত্র ভুলুণ্ঠিত। কারণ এখানে সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই শাস্তি পেতে হবে। ঘটনার প্রতিবাদ করলে বিপদে পড়তে হবে। সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় বিজেপির তীব্র বিরোধী অভিনেত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর জরুরি অবস্থাটা ছিল গণতন্ত্রের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। কিন্তু গত কয়েক বছরের পরিস্থিতি যেন আরও ভয়াবহ।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

১০ বছরের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ তৃণমূলের

রাজ্যে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সভার দিনই গত দশ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান পেশ করল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রিপোর্ট কার্ড এ কথাই তুলে ধরলেন দলীয় নেতৃত্ব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মতো রাজ্যের একাধিক দফতরের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা। বৃহস্পতিবার দলের সদর দফতর তৃণমূল ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হল বঙ্গধ্বনি যাত্রা কর্মসূচির। আগামীকাল থেকে এই রিপোর্ট কার্ড নিয়ে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছাবেন তৃণমূলকর্মীরা। রাজ্যের মানুষ গত দশ বছরের মধ্যে যা যা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন তাই তুলে ধরা হয়েছে রিপোর্ট কার্ডে। এদিনের অনুষ্ঠানে রাজ্যের দুয়ারে সরকার কর্মসূচিকেও তুলে ধরা হয়। এই কর্মসূচির সাফল্য নিয়ে কথা বলেন দলের নেতারা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যের ১১টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুবিধা দিতে সাধারণ মানুষের বাড়ির দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছে সরকার। এদিন দলের মহাসচিব ও রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই সরকার দশ বছরের মধ্যে ৮ বছর কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। করোনার জন্যে এক বছর, উপনির্বাচনের জন্যে বাকি ১ বছর কাজ করার সম্ভব হয়নি। তাও সরকার সমস্ত রকম ভাবে মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছে। আর সেই কাজের খতিয়ান নিয়েই মানুষের দোরগোড়ায় এবার পৌঁছবে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধুমাত্র শিক্ষাক্ষেত্রের যে উদাহরণ তিনি টেনেছেন সেখানে উল্লেখ রয়েছে, ২০১১ সাল থেকে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ তিন গুণ বেড়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য ও খাদ্য এই দুটি ক্ষেত্রেও বেড়েছে বরাদ্দ। যা উল্লেখ রয়েছে রিপোর্ট কার্ডের মধ্যে। গত দশ বছর ধরে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার কী কী কাজ করেছে বাংলার মানুষের জন্যে, তার যাবতীয় খতিয়ান তুলে ধরা হয়েছে এই রিপোর্ট কার্ডের মাধ্যমে। যাকে এদিন সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায় বলেন, এটা আসলে শ্বেতপত্র। দিদিকে বলো, বাংলার গর্ব মমতার পরে চালু হচ্ছে নয়া প্রকল্প বঙ্গধ্বনি। যার মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছবেন জনপ্রতিনিধি থেকে সাংগঠনিক পদের ব্যক্তিরা। তারাই মানুষের কাছে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে দেবেন। সেই উন্নয়নের চেহারাই প্রকাশ পাবে এই রিপোর্ট কার্ড পেশের মাধ্যমে। বারবারই মমতা বন্দোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র প্রাপ্য টাকা দিচ্ছে না। কিন্তু আর্থিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও উন্নয়নের গতি থামেনি। আর্থিক সঙ্কটের মধ্যেও প্রতি মাসে সরকারি কর্মীদের বেতন ও পেনশন দেওয়া হয়। এছাড়াও বিনাপয়সায় চিকিত্সার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা তুলে ধরা হয়েছে রিপোর্ট কার্ডে। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার সফরে পুলিশি নিরাপত্তায় ঢিলেমির অভিযোগ, শাহকে চিঠি দিলীপের পাশাপাশি, গত ১০ বছরে রাস্তা থেকে পানীয় জল। বিদ্যুৎ থেকে সকলের জন্যে খাদ্যসাথী। স্বাস্থ্যসাথীর মতো বিশেষ সুবিধাও এনেছে রাজ্য সরকার। বিরোধীরা উন্নয়ন ইস্যুতে একাধিকবার আক্রমণ শানালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর দলের নেতা মন্ত্রীরা একপ্রকার নিশ্চিত মানুষের কাছে তাঁদের উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে যাবে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ আস্থা রাখবে সেই উন্নয়নের উপরেই। তাই আজ থেকেই এই প্রচারে কোমর বেঁধে নেমে পড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর জেলা নেতৃত্ব সেই বিষয়ে নিজেদের জেলায় কেন্দ্রীয়ভাবে প্রচার করবেন। শুক্রবার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে সাংবাদিক সম্মেলন এবং মিছিল করে শুরু হবে বঙ্গধ্বনি যাত্রার প্রচার অভিযান। আগামী দশ দিনে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিন থেকে পাঁচটি দল যাত্রা শুরু করবে ধারাবাহিকভাবে। জানা গিয়েছে, ওই যাত্রায় চার হাজার নেতা ৯৫০টি দলে ভাগ হয়ে ২৭ হাজার ৫০০ এলাকায় যাবেন। রাজ্যের প্রায় আড়াই লক্ষ কিলোমিটার জুড়ে ১ কোটি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করবেন ওই প্রচারের দায়িত্বে থাকা নেতানেত্রীরা। তৃণমূলের দশ বছরের রিপোর্ট কার্ড বাংলার প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়াই হচ্ছে মূল লক্ষ্য। সেই সঙ্গে দেওয়া হবে ২০২১ সালের দিদিকে বলো পকেট ক্যালেন্ডার।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি তৃণমূলের থেকে ভয়ঙ্করঃ সুশান্ত ঘোষ

সিআইডি হেফাজতে থাকাকালীন জেরার নাম করে আমায় খুনের চক্রান্ত করা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সিপিআইএম নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষ। দীর্ঘ ৯ বছর পর তিনি নিজের জেলায় ফিরে আসেন। সুশান্ত ঘোষের ঘরে ফেরা উপলক্ষে কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ, উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মত। তিনি বলেন, দিনের পর দিন একটানা জাগিয়ে রেখে আমায় জেরা করা হয়েছে। আমাকে মানসিকভাবে অত্যাচার করে পাগল করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। জেরার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। ওরা চেয়েছিল যাতে আমার প্রেসার বেড়ে হার্টফেল করে আমি মারা যাই। কিন্তু মানুষের ভালোবাসার জোরেই লড়াই চালিয়ে গিয়েছি। আরও পড়ুন ঃ দিদিমণিকে দেখে মায়া হয়ঃ দিলীপ এদিনের সভাথেকে তৃণমূল বিজেপিকেও একযোগে আক্রমণ করেছেন সুশান্ত ঘোষ। বলেছেন, তৃণমূল-বিজেপি একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। ওরা একই। ওদের যুদ্ধ নকল। একই বিড়ি ভাগ করে খায় ওরা। সিপিএম নেতা সুশান্তের দাবি, বিজেপি তৃণমূলের থেকেও ভয়ঙ্কর। আরও ১০০ গুণ খারাপ দল। তাই সাবধান তৃণমূলের বিকল্প বিজেপি নয়- বাম পতাকাই মেহনতি মানুষের একমাত্র বিকল্প। জঙ্গলমহলে যারা অত্যাচার করেছে তাঁরাই আজ শাসক দলের নেতা-মন্ত্রী। কিন্তু এবার ঘৃণা ভরে তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করবে জঙ্গলমহলবাসী।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

অভিনব কায়দায় কেপমারি, লক্ষাধিক টাকার সোনার গহনা লুট

প্রকাশ্য রাস্তায় এক প্রৌঢ়াকে কথার জালে ভুলিয়ে প্রায় ২লক্ষ টাকার সোনার গহনা নিয়ে চম্পট দিল দুই যুবক। প্রৌঢ়ার নাম বাসন্তী দেবী শর্মা (৬০)। বাড়ি হাওড়া থানা এলাকার ভগবান গাঙ্গুলি লেনে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে শিবপুরে জনবহুল জিটি রোডে। বৃদ্ধার ছেলে হেমন্ত কুমার শর্মা জানালেন, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর মা বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। জিটি রোড ধরে বাসন্তী দেবী শিবপুরের দিকে কাজে যাচ্ছিলেন। তখনই এক অপরিচিত যুবক তাঁর পিছনে আসতে শুরু করে। সে বৃদ্ধাকে জানায়, লকডাউনের পর থেকে আর্থিক কষ্টে ভুগছে তার পরিবার। এই কথা বলে বৃদ্ধার কাছে আর্থিক সাহায্য চায় সে। বাসন্তীদেবী ওই যুবককে জানান, তিনি সামান্য কিছু টাকা দিয়ে আর্থিক সাহায্য করতে পারেন। এর থেকে বেশি কিছু করতে পারবেন না। তখন ওই যুবক অপর এক যুবককে দেখিয়ে জানান, ওই যুবককে টাকা দিতে না পারলে তাকে মেরে ফেলবে অপর ওই যুবক। বৃদ্ধার গায়ের গয়না খুলে বিক্রি করে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে ওই যুবক তাকে ছেড়ে দেবে। কিছুক্ষনের জন্য বৃদ্ধা গয়না খুলে দিলে সে উপকৃত হবে। অনেক পীড়াপীড়ির পরে বৃদ্ধা ওই যুবককে তার গায়ের সমস্ত গয়না খুলে দেন। হাতের সোনার একটি বালা, তিনটি সোনার আংটি ও গলার একটি সোনার চেন তার হাতে তুলে দেন। আরও পড়ুন ঃ বদলি করা হল পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে তারপর ওই যুবক তার মাকে ডেকে আনতে যাচ্ছে বলে বৃদ্ধাকে সন্ধ্যাবাজার এলাকার একটি জায়গায় বসিয়ে চম্পট দেয়। পালিয়ে যায় অপর এক যুবকও। ওই বৃদ্ধা শিবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিকের কথায়, বৃদ্ধা ও তাঁর ছেলের বক্তব্য শুনে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কিভাবে সামান্য কয়েক মিনিটের পরিচয়ে এক অপরিচিত যুবকের হাতে নিজের গায়ে পরে থাকা গহনা নিজের হাতে খুলে তুলে দিতে পারেন এক মহিলা সেই কথাও ভাবচ্ছে তদন্তকারীদের।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
দেশ

টিকাকরণ নিয়ে ভোলবদলের অভিযোগে কেন্দ্রকে তোপ রাহুলের

এবার করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ শানালেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। বৃহস্পতিবার সকালে টুইটারে একটি পোস্ট করেন রাহুল। সেখানে তিনি করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে মোদি সরকারের অবস্থান জানতে চান। টুইটারে কেন্দ্র সরকারের তিনটি মন্তব্য তুলে ধরেছেন রাহুল। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য- সকলে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাবেন। দ্বিতীয়, বিহারে বিজেপির দাবি- ক্ষমতায় এলে বিহারে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন বিতরণ করা হবে। তৃতীয়, সরকারের বর্তমান দাবি- কখনই বলিনি সবাই ভ্যাকসিন পাবে। শেষে কংগ্রেস নেতার খোঁচা, প্রধানমন্ত্রীর কথার গুরুত্ব কোথায়? আরও পড়ুন ঃ কৃষকদের সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ অধীরের সম্প্রতি, স্বাস্থ্যমন্ত্রক বলেছে ৩০ কোটি মানুষ করোনার টিকা দেওয়া হবে। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতেই এই পদক্ষেপ করা হবে। সকল দেশবাসীর টিকার প্রয়োজন নেই। এরপরই ফের কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেছে বিরোধীরা। সবমিলিয়ে ভ্যাকসিন ভারতে বাজারে আসার আগেই চরমে উঠেছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

আমিও বাংলা হরফে লিখে গুজরাতি ভাষা বলতে পারি, নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ মমতার

আমফানের টাকা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। কিন্তু পিএম কেয়ার্সের লক্ষ ্লক্ষ কোটি কোটি টাকা কোথায় গেল? মঙ্গলবার এভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগে বারবার সরব হন বিজেপি নেতারা, তার জবাবে মমতার সাফ কথা দুর্নীতি তো দূরঅস্ত, সরকারের টাকায় চা-ও খান না তিনি। এও জানালেন যে তাঁর লেখা বই বিক্রির টাকাই আয়ের উৎস। নির্বাচনী লড়াইয়ের সুর চড়িয়ে ফের বলেন, বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমি বাংলার মানুষ ছাড়বে না। তাঁর আক্রমণ, সিপিএম বিজেপির সর্দার। পরিকল্পনা করে তৃণমূলের বদনাম করা হচ্ছে। ভাত দেওয়ার ক্ষমতা নেই, কিল মারার গোঁসাই। কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে আগেই তিনি বলেছিলেন, ডাক পেলে তিনি দিল্লি যেতে প্রস্তুত। আর আজ কেন্দ্রের নয়া কৃষিনীতি নিয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য, অটলজি থাকলে এই আইন সমর্থন করতেন না। আরও পড়ুন ঃ নাম করে অভিষেককে আক্রমণ বিজেপি সাংসদের তিনি আরও বলেন, টেলিপ্রম্পটারের দৌলতে এখন এ সবই সম্ভব। গুজরাটি হরফে বাংলা লিখে উচ্চারণ করা কোনও ব্যাপারই নয়। বাংলা বললেই বাঙালি হয় না। আমিও গুজরাটি ভাষা বাংলা হরফে লিখে বাংলা বলতে পারি। টেলিপ্রম্পটারে সম্ভব সব। তাই কেউ বাংলা বললেই তা নিয়ে মাতামাতি করার কিছু নেই। এছাড়াও দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মোট চার দফায় ক্যাম্পগুলি বসবে। প্রকল্প বা সরকারি পরিষেবার বিষয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে ওই ক্যাম্পেই যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে জিএসটি বাবদ বকেয়া দাবি মমতার

অতিমারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে টিকাকরণ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গও প্রস্তুত আছে। টিকাকরণের জন্য রাজ্যে প্রশিক্ষিত দক্ষ ব্যক্তি ও পরিকাঠামো প্রস্তুত। যত দ্রুত ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে, কেন্দ্র ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে তত তাড়াতাড়িই কাজ শুরু করে দেবে বাংলা। যাতে সবাই দ্রুত ভ্যাকসিন পায়, তা নিশ্চিত করা হবে। মঙ্গলবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে মোদীকে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সারা দেশে করোনার টিকার দিকে তাকিয়ে আছে। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দুর্গাপুজো, কালীপুজো, ছট প্রভৃতি উৎসব ও লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়া সত্ত্বেও রাজ্যে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে। রাজ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমেছে। সুস্থতার হার বেড়েছে। বাংলা একটি সংবেদনশীল রাজ্য, বাংলাদেশ-ভুটানের সীমান্ত এই রাজ্যে রয়েছে। দেশগুলি থেকে রোগীরাও বাংলায় চিকিৎসার জন্য আসে। ফলে বাংলাদেশে করোনা রোগীর পরিমাণ বাড়লে তা এ রাজ্যেও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশার রোগীরাও এ রাজ্যে চিকিৎসার জন্য আসে। তা সত্ত্বেও অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলায় মৃত্যুর হার কম। অন্যান্য বছরে রাজ্যে এর চেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গু, কিডনির রোগ বা হৃদরোগে মারা যেতেন। সে তুলনাতেও রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী এর আগেও বার বার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে জিএসটি বকেয়া নিয়ে অভিযোগ করেছেন মমতা। তবে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জিএসটি বাবদ রাজ্য কেন্দ্রের কাছ ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পায়। সেই টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না। এদিকে বিভিন্ন খাতে রাজ্যের খরচ বেড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য ৪০০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে দিয়েছে মাত্র ১৯৩ কোটি টাকা।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী

তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক মিহির গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে দুজনের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী জানান, বিজয়া করতেই মূলত মিহির গোস্বামীর বাড়িতে এসেছিলেন। তবে সাক্ষাৎ হওয়ার পর নানা বিষয়ে কথা হয়েছে দুজনের। ঠিক কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা যদিও খোলসা করে বলেননি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মিহির গোস্বামীর দলের অভিমান প্রসঙ্গেও সেভাবে কিছু বলেননি মন্ত্রী। তবে তাঁর কথায়, মিহিরদা পুরনো লোক। ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মিহিরবাবু দলে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন। আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী জানান, ফেসবুক পোস্ট ও কলকাতার নেতাদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে একই অবস্থানে রয়েছেন তিনি। তবে রাজ্য নেতৃত্ব তথা দলনেত্রীর বার্তা পাওয়ার পরে যে সব কিছু গভীরভাবে তলিয়ে দেখে পদক্ষেপ করবেন। চিন্তন ও মন্থনের পরে যে সিদ্ধান্ত নেব, তা জনসমক্ষে জানিয়ে দেব।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে মান-অভিমান চলছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের মোদির উপর ভরসা আছে। মোদি তো বাংলার লোক নন। আমরা সর্বভারতীয় পার্টি আমাদের সিস্টেম অনুযায়ী পার্টি চলে। বৃহস্পতিবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যাদের নেতারা আজকে ভয় পাবলিকের সামনে যাচ্ছে না, তারাই একথা বলবে। তাদের কোন মুখ নেই। সব মুখে কালি লেগে গিয়েছে। তারা এ কথা বলবে বাংলার বিজেপি কর্মীরা লড়াই করছে বলে একশ কুড়িজন বিজেপি কর্মী প্রাণ দিয়েছেন। আজও আমি বর্ধমান যাচ্ছি একটা কেসের জামিন নিতে। আমরা লড়াই করছি তাতে তৃণমূলের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিশ্চয়ই দেখতে আসবেন। আমাদের সারাদেশে পার্টি চলে। বাংলার বিজেপি সঙ্গে সারাদেশের বিজেপি আছে, বাংলায় পরিবর্তন হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের নিয়ে এসে রাজ্যে শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছেঃ সুখেন্দুশেখর রায় এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারীর মানভঞ্জনের প্রসঙ্গে টেনে দিলীপ ঘোষ বলেন, কে কাকে বোঝাবে এটা ওদের ঘরের ব্যাপার। মান অভিমান চলছে। আজকে কেন বোঝাতে হচ্ছে? পার্টির যারা বফাদার সৈনিক প্রাণ হাতে করে লড়াই করেছে তাদের মন বদলে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের ভাবনা চিন্তা বদলে যাচ্ছে। ধোঁকা দিয়ে বেশি দিন চলে না। এই রাজনীতি সারা ভারতে বন্ধ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ করে দেব। এদিন ছটপুজো প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এই সব জায়গাতেই ছটপুজো একটাই বড় উৎসব হিন্দি ভাষীদের। বহু মানুষ নিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজো পালন করেন। এতদিন সরকারের ছট নিয়ে কোন চিন্তা ছিল না। কোর্ট যেহেতু রায় দিয়েছে সরোবরে ছট পুজো বন্ধ করা নিয়ে, তাই সরকার এই সব দেখাচ্ছে। আসলে হিন্দিভাষী ভোটের জন্য এই সব করছে। ছট পুজো যাঁরা করেন তাঁরা বহু বছর ধরে পূজো করে আসছেন। এতদিন সামাজিকভাবে লোকেরাই ব্যবস্থা করত। আজ সরকারের কেন মাথা ব্যথা হয়েছে? হিন্দি ভাষীদের ভোটের দরকার আছে। এতদিন হিন্দি ভাষীদের কথা মনে পড়েনি। এতদিন তাদেরকে বাইরের লোক বলে চালিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠেলার নাম বাবাজি ভোট বড় বালাই তার জন্যই এত কিছু করছেন। প্রসঙ্গত গতবছর ছট পূজাকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রসরোবরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গেও সরব হন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, সরকার সফল নয় সব জায়গায়। সরকারের ধারণা থাকা উচিত কত মানুষ সেখানে আসেন। তাতে ধর্মীয় ভাবাবেগে যাতে আঘাত না আসে সেটা দেখা উচিত। এত বছর ধরে এই পরম্পরা আমরা করে আসছি। হঠাৎ করে বললে মানুষ এগুলো মেনে নেবে না বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। ছট পূজাতো হবেই। সেটা ভালো করে ব্যবস্থা করা করার দায়িত্ব সরকারের। অন্যান্য জলাশয়কে পরিস্কার করে সেখানে ব্যবস্থা করা উচিত। আমরা চাই যাঁরা এই পুজো করেন তাঁরা যেন নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করতে পারেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

নেতাজির জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২২ সালে নেতাজির ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালিত হবে। সেই উপলক্ষে চিঠিতে ফের ওই দিন জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মোদীকে দেওয়া চিঠিতে জানিয়েছেন, আগামী ২৩ জানুয়ারি, ২০২২ দেশজুড়ে নেতাজির ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালিত হবে। নেতাজি শুধু বাংলার নন, গোটা দেশের সুপুত্র এবং জাতীয় নায়ক। তাঁর নেতৃত্বে ব্রিটিশ শাসন উপড়ে ফেলতে হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামী আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগ দিয়ে আত্মহুতি দিয়েছেন। প্রতিবছর দেশজুড়ে নেতাজির জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়। নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি আমরা। বহুদিন ধরেই কেন্দ্র সরকারের কাছে এই দাবি জানিয়ে আসছি আমরা। তাই জাতীয় নায়ককে যোগ্য সম্মান দিতে ২৩ জানুয়ারি জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হোক। আরও পড়ুন ঃ প্রতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডাঃ দিলীপ এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, নেতাজি নিয়ে বর্তমান প্রজন্ম সমান কৌতুহলী। মানুষ জানতে চান, বাংলা তথা গোটা দেশের জননায়কের সঙ্গে ঠিক কি হয়েছিল! ইতিমধ্যেই রাজ্য কিছু গোপন ফাইল জনসমক্ষে এনেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মমতা। তাঁর দাবি, এবার কেন্দ্রের উচিত এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষকে গড়বেতায় ফেরার অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট

সাসপেন্ডেড সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষকে গড়বেতায় ফেরার অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ৮ বছর পর নিজের জেলায় যেতে পারেন সিপিএম - এর এই প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি এলাকায় ফিরলে ফের অশান্তি হতে পারে বলে অভিযোগ করেছিল রাজ্য সরকার। সেই অভিযোগের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে আবেদন করেন তিনি। সেই আবেদনের ভিত্তিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট সুশান্ত ঘোষকে জেলায় ঢোকার অনুমতি দিল। তিনি জেলায় ফিরতে পারবেন শুনে উচ্ছাসে ফেটে পড়েন সিপিএমের নিচুতলার কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ বিধানসভা নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়েই লড়বে বাম- কংগ্রেস উল্লেখ্য , ২০১১ সালে বেনাচাপড়া কঙ্কাল কাণ্ডে গ্রেফতার হন তিনি। পরের বছর জামিন পেলেও এতদিন জেলায় ঢোকার অনুমতি দেয়নি রাজ্য সরকার। সোমবার সেই অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বর মাসে দলবিরোধী কাজের জন্য সিপিএম সুশান্ত ঘোষকে তিন মাসের জন্য সাসপেন্ড করেছে। ডিসেম্বর মাসে তার শাস্তির মেয়াদ শেষ হবে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ রিঙ্কু নস্করের

সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন রিঙ্কু নস্কর। তিনি কলকাতা পুরসভার ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর। বর্তমানে দলের তরফে ওয়ার্ড কোর্ডিনেটরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তাঁর বহু অনুগামীও এদিন বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ রিঙ্কু নস্করের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। ২০১৫ সালের পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূল কলকাতার অন্যান্য জায়গায় বিরোধীদের ধরাশায়ী করলেও ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে দাঁত ফোটাতে পারেনি। প্রসঙ্গত , মঙ্গলবারই বাম ও কংগ্রেস আগামী বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল ঠিক করার জন্য বৈঠকে বসেছে। তার আগেই কাউন্সিলরের দলত্যাগ সিপিএম-এর কাছে বড় ধাক্কা বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের। রিঙ্কু নস্কর জানান , কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের জোট মানতে না পারায় তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর স্বামী মানস মুখোপাধ্যায় আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দিলীপবাবু বলেন , যাঁদের কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে , কিন্তু অন্য দলে থেকে হাঁপিয়ে উঠেছেন তাঁদের জন্য বিজেপির দ্বার খোলা রয়েছে। অন্যন্যা দল থেকে প্রায় প্রায় ৩০০ কর্মী এদিন বিজেপিতে নাম লিখিয়েছে। আরও অনেকেই যোগাযোগ করছেন বিজেপিতে যোগদানের জন্য। আরও পড়ুন ঃ একুশের লড়াইয়ে বাংলায় বিজেপির দায়িত্বে ৫ কেন্দ্রীয় নেতা প্রসঙ্গত , কাউন্সিলর হওয়ার আগেই লোকসভা ভোটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর কেন্দ্র থেকে রিঙ্কুকে প্রার্থী করেছিল সিপিএম। তবে, চৌধুরী মোহন জাটুয়ার কাছে হারতে হয় তাঁকে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ্কোনওভাবেই রোখা যাচ্ছে না। বেড়েই চলেছে জিনিসপত্রের দাম। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি চিঠিতে লিখেছেন , রাজ্যের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা না করেই তড়িঘড়ি করে এই আইন আনা হয়েছে। এই আইনের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে কৃষক ও উপভোক্তাদের উপর। চিঠিতে মমতা আরও লিখেছেন, যেভাবে আলু-পেঁয়াজকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আরও পড়ুন ঃ বাদুড়িয়ার কংগ্রেস বিধায়ক আবদুর রহিম গাজি যোগ দিলেন তৃণমূলে মুখ্যমন্ত্রী চিঠিতে উল্লেখ করেছেন , এবার নয়া আইনের ফলে রাজ্যের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। যেভাবে তাড়াহুড়ো করে এই আইন আনা হয়েছে, তাতে প্রথম থেকেই রাজ্য সরকার শঙ্কিত ছিল, আজ সেই আশঙ্কাই সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
দেশ

কাশ্মীরে খুন তিন বিজেপি কর্মী , নিন্দা মোদির

তিন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন করল অজ্ঞাতপরিচয় জঙ্গিরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিহত তিনজন হলেন বিজেপি-র যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক ফিদা হোসেন , উমের হাজাম এবং উমের রশিদ বেগ৷ কুলগামের ওয়াই কে পোরা এলাকায় এই তিনজনের উপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ ঘটনাস্থলে মারা যায় ফিদা হোসেন। বাকি দুই দলীয় কর্মী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যায়। টিআরএফ এই হামলার দায় স্বীকার করেছে৷ আরও পড়ুন ঃ সমাজবাদী পার্টিকে হারাতে প্রয়োজনে বিজেপিকে ভোটঃ মায়াবতী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই হামলার নিন্দা করে টুইটারে লিখেছেন, আমাদের তিনজন তরুণ কার্যকর্তার হত্যার নিন্দা করছি৷ যুব প্রজন্মের উজ্জ্বল প্রতিনিধি হিসেবে জম্মু কাশ্মীরে এঁরা খুব ভাল কাজ করছিল৷ এই শোকের সময়ে আমি তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই৷ তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি৷ পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লাহও এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন৷

অক্টোবর ৩০, ২০২০
কলকাতা

অষ্টমীর সন্ধ্যায় বুদ্ধদেবের বাড়ি গেলেন সস্ত্রীক ধনকড়

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। অষ্টমীর সন্ধ্যায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিয়েছেন রাজ্যপাল।এরপর রাজ্যপাল একটি টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, শ্রীমতী সুদেশ ধনখড়ের সঙ্গে আজ প্রবীণ কমিউনিস্ট নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও তাঁর স্ত্রী মীরাদেবীর সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁদের অষ্টমীর শুভেচ্ছা-সহ আরোগ্য কামনা করেছি। আরও পড়ুনঃ সৌমিত্রকে অন্ধকারে রেখেই জেলা যুব মোর্চার সভাপতিদের পদ বাতিল করলেন দিলীপ পোস্টে বুদ্ধবাবুর সঙ্গে সস্ত্রীক তাঁর সাক্ষাতের ছবিও দিয়েছেন রাজ্যপাল। সেখানে দেখা যাচ্ছে শয্যাশায়ী বুদ্ধবাবুর নাকে লাগানো রয়েছে অক্সিজেনের নল। এদিন পাম এ্যাভিনিউয়ে সস্ত্রীক রাজ্যপালকে স্বাগত জানান বুদ্ধ জায়া মীরা ভট্টাচার্য। পরে রাজ্যপাল জানান, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য একজন প্রকৃত সজ্জন ব্যক্তি। রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেছি।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
উৎসব

বাঙালিদের উদ্দেশে মহাষ্টমীর শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদির

মহাষ্টমীর সকালে এক টুইট বার্তায় বাঙালিদের মহাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মো্দি। এদিন টুইটে তিনি লেখেন, সকলকে জানাই মহাঅষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা। মা দুর্গার আশীর্বাদে সমগ্র দেশবাসীর জীবন যেন সুখে শান্তিতে, স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ থাকে এই কামনা করি। আরও পড়ুনঃ সেনা ক্যান্টিনে বিদেশি পণ্য বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের প্রসঙ্গত , এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ষষ্ঠীর দিন সল্টলেকের ইজেডসিসির পুজো উদ্বোধন করেছিলেন। সেদিন তিনি বাংলায় বক্তৃতা করেছিলেন। ফের অষ্টমীর দিন তিনি বাঙালিদের উদ্দেশে টুইট করেছেন। এটা আগামী বছরের বিধানসভা ভোটের আগে বাঙালিদের মন জয়ের চেষ্টা বলে মত বিরোধীদের।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
উৎসব

এপিজি মেমোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশনের পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন মোদি

হাওড়ার ইছাপুরের এপিজি মেমোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশনের ১৬তম বর্ষের পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার মহাষষ্ঠীর সকালে এই পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রীর এই ভার্চুয়াল মাধ্যমে উদ্বোধন অনুষ্ঠান পুজো উদ্যোক্তাদের তরফ থেকে সরাসরি দেখার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন পুজো মন্ডপের বাইরে এবং ইছাপুর শিয়ালডাঙা চৌরাস্তা মোড়ে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে উদ্বোধনের সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তবে বৃষ্টির কারণে পুজো প্রাঙ্গনে সোশ্যাল ডিসট্যান্স মেনে দর্শকদের বসার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন ক্লাব প্রাঙ্গনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু , বিজেপি নেতা মনোজ পান্ডে, জেলা সদর বিজেপির সভাপতি সুরজিৎ সাহা, সাধারণ সম্পাদক নবকুমার দে সহ দলের জেলার কর্মকর্তারা। এছাড়াও ৯৭২৭২৯৪২৯৪ এই নম্বরে মিসড কলের মাধ্যমে এর সরাসরি সম্প্রচার ঘরে বসেই সকলের জন্য দেখার ব্যবস্থা করা হয়। এদিন সকলকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। আরও পড়ুনঃ কবিগুরুর দুঃসময় কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ এদিনের অনুষ্ঠান শেষে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, আজকে প্রথমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী বাঙালীর প্রধান উৎসবের সাথে যুক্ত হয়েছেন, এটা আপামর বাঙালির পক্ষে গর্বের বিষয়। তিনি আরো বলেন, মা দূর্গার হাতে অস্ত্র থাকবে না তা ঠিক নয়। তিনি অস্ত্রহীন দুর্গা ও মহরমের কারণে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন বন্ধ রাখা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেন। এর সাথে আগামী নির্বাচন বা রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই বলেই জানান তিনি। এদিনের অনুষ্ঠান দেখতে বহু মানুষ জড়ো হন। মানুষের মধ্যে বিপুল আগ্রহ দেখা যায়।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

প্রকাশিত শারদ ছাত্রসংগ্রাম পত্রিকা

প্রকাশিত হল শারদ ছাত্রসংগ্রাম পত্রিকা। শনিবার শারদ সংখ্যা প্রকাশ করলেন প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক বিমান বসু , নেপালদেব ভট্টাচার্য, সুজন চক্রবর্তী, শমীক লাহিড়ী। উপস্থিত ছিলেন এই রাজ্যের ছাত্র আন্দোলনের প্রাক্তন শীর্ষনেতা সোমনাথ ভট্টাচার্য, সায়নদীপ মিত্র, মধুজা সেনরায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এসএফআই নেতা ময়ূখ বিশ্বাস, প্রতীকউর রহমান, সৃজন ভট্টাচার্য্য, সমন্বয় রাহা, অর্জুন রায় প্রমুখ। ছাত্রসংগ্রাম পত্রিকার তরফে ছিলেন ঋজুরেখ দাশগুপ্ত , গীতশ্রী সরকার , পৃথা তা, শুভজিৎ সরকার। আরও পড়ুনঃ পুজোয় কোভিড বিধি , প্রতি প্যান্ডেলে একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত লালবাজারের সমসময়ের বিভিন্ন ইস্যু উঠে এসেছে এবারের শারদ সংখ্যায়। করোনা-লকডাউন থেকে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, রামমন্দির থেকে কৃষি বিল - সব কথাই থাকছে শারদের অক্ষরে৷এছাড়াও থাকছে সদ্য প্রয়াত কম.শ্যামল চক্রবর্তী ও কম.নিরুপম সেনের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। এই পত্রিকার দাম ধার্য করা হয়েছে মাত্র ৫০ টাকা। উল্লেখ্য , এসএফআই-এর ৫০ বছর পূর্তি চলছে।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে চরম অপমান! ম্যাচ খেলেই দেশছাড়া, ক্ষোভে ফুঁসছে ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে ইরান ফুটবল দল। দীর্ঘ যাত্রা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দেশ ছাড়ার নির্দেশ সব মিলিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইরান শিবিরে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোম্বেইনি এই পরিস্থিতিকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার পরও স্বস্তি মেলেনি মেহদি তারেমিদের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হতেই দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইরানি ফুটবলারদের জন্য শুধুমাত্র ম্যাচের সময়সীমা অনুযায়ী ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে দলের সদস্যদের বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।ইরানের কোচ আমির ঘালেনোইও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ইরানের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় ফুটবলারদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চলেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হেদায়াত মোম্বেইনি বলেন, আগে যে নিয়ম জানানো হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু ইরান নয়, গোটা প্রতিযোগিতার ভাবমূর্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই মনে রাখা হবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তেজনা চলেছে। সেই প্রভাবই বিশ্বকাপেও পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অনেক কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এমনকি বহু সমর্থক টিকিট থাকা সত্ত্বেও আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি পাননি বলে অভিযোগ।এদিকে আগামী ২২ জুন শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ইরান। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতেই হবে তারেমিদের। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গেও সমান তালে লড়তে হচ্ছে ইরানকে।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘আমি স্পেনের ফুটবলার!’ বারবার বলেও লাভ হল না, নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অপমানিত তারকা

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অদ্ভুত এক ঘটনার মুখে পড়লেন স্পেনের তারকা ফুটবলার বোরহা ইগলেসিয়াস। নিজের দলের হোটেলে ফিরেও প্রবেশ করতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পর ফুটবলারদের একদিনের ছুটি দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ছুটির দিনে স্ত্রী মারিয়া ভালেরোকে নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ইগলেসিয়াস। পরে হোটেলে ফিরতেই ঘটে বিপত্তি। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। ফলে টিম হোটেলের দরজার সামনেই আটকে দেওয়া হয় স্পেনের এই তারকা স্ট্রাইকারকে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ইগলেসিয়াস বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি স্পেনের জাতীয় দলের ফুটবলার। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা পরিচয়পত্র এবং অনুমতির প্রমাণ চাইতে থাকেন। এমনকি তাঁকে নিজের নামও বলতে হয়। তবুও প্রথমে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক ও সাংবাদিকও নিরাপত্তারক্ষীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইগলেসিয়াস। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের প্রতিনিধিরা এসে বিষয়টি মিটিয়ে দেন এবং তিনি হোটেলে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন স্পেনের সামনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জয় না পাওয়ায় পরের পর্বে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলের এক তারকা ফুটবলারকে নিজের হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হওয়ায় বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীরা।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হারলেই মৃত্যু! বিশ্বকাপে প্রাণ বাঁচাতে মাঠে নেমেছিলেন কঙ্গোর ফুটবলাররা

পর্তুগালকে প্রথম ম্যাচে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের জন্ম দিয়েছে কঙ্গো। আফ্রিকার দেশটি দীর্ঘ ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলছে। অনেকেই ভেবেছিলেন তারকাখচিত পর্তুগালের সামনে কঙ্গো টিকতেই পারবে না। কিন্তু মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।তবে কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা আজও শুনলে গা শিউরে ওঠে। সেই ঘটনা ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের। তখন দেশের নাম ছিল জাইরে। প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল দেশটি। সেই সময় দেশের শাসক ছিলেন একনায়ক মোবুতু সেসে সেকো। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফুটবলকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পরই ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটবলাররা পরবর্তী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানের চাপে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে বাধ্য হন তাঁরা। দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারতে হয় দলকে।এরপর ড্রেসিংরুমে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর হুমকি দেন মোবুতু। তিনি জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে যদি দল তিন গোলের বেশি ব্যবধানে হারে, তাহলে ফুটবলারদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না। এই হুমকির পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামে জাইরে।ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় কাজ করছিল ফুটবলারদের মধ্যে। তাঁদের কাছে ম্যাচটি শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ফলে কোনওভাবে রক্ষা পায় দল।বহু বছর পরে দলের ডিফেন্ডার এম্পেউ ইলুঙ্গা জানান, ব্রাজিল একটি ফ্রি-কিক পাওয়ার পর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম ভেঙে বল দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মুহূর্তে আর একটি গোল মানেই দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারত। এজন্য তাঁকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিয়েছিল গোটা দলকে।দেশে ফেরার পরও ফুটবলারদের জীবন সহজ হয়নি। আর্থিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। বিদেশে গিয়ে খেলার সুযোগও হারান অনেকে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর প্রথম অভিযান ফুটবলের চেয়ে বেশি হয়ে ওঠে ভয়, চাপ এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।আজ সেই কঙ্গোই আবার বিশ্বকাপে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে নতুন ইতিহাস লিখছে। তাই বর্তমানের সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে থাকা এই ভয়ংকর অতীত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

‘৪ কোটি টাকা নিয়েছেন!’ মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে ফুঁসছেন বিদ্রোহী সাংসদরা, এবার আদালতে বড় লড়াই

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ শানাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে ঘিরে তাঁর একটি মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা।সম্প্রতি এক সমাজমাধ্যম পোস্টে মহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদ অগ্রিম চার কোটি টাকা করে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ছত্রিশ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে এক কোটি টাকা করে পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, তাঁরা রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানের কারণে দল ছেড়েছেন, কোনও আর্থিক লেনদেনের জন্য নয়।কাকলির প্রশ্ন, মহুয়া মৈত্র কীভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের কথা বলছেন। তাঁর কাছে যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের মন্তব্য জনসমক্ষে করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির উপরও আঘাত। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, অনেকেই নিজেদের সম্পত্তি, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেই দল ছেড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অর্থের প্রলোভনও এই দলবদলের অন্যতম কারণ।এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের আইনি পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ।এখন নজর আদালতের দিকে। বিদ্রোহী সাংসদরা সত্যিই আইনি পদক্ষেপ নিলে এই বিতর্ক আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

দল ভাঙনের চরমে! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সাংসদ পদ হারাতে পারেন ৬ বিদ্রোহী

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। দলের নির্দেশ অমান্য করে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৬ বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের শোকজ নোটিস পাঠিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি সাংসদ পদও খারিজ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার দলের মুখ্য সচেতক অনিল দেশাই বিদ্রোহী ৬ সাংসদের হাতে শোকজ নোটিস তুলে দেন। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁরা দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। জবাব না পেলে ধরে নেওয়া হবে যে তাঁরা স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। সেই ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নাগেশ আশিতকর, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাটিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বলকর এবং ভাওসাহেব ওয়াকচুরে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় বৈঠককে ঘিরে। সকল সাংসদকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও বৈঠকে মাত্র ৩ জন উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ৬ সাংসদের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত।দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।এদিকে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, এখন আর আলাদা কোনও শিবির নেই, শিব সেনা একটাই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বর্তমান সংকটকেই পরোক্ষে তুলে ধরেছেন তিনি।সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal