• ১১ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Plan

সম্পাদকীয়

গরমে প্রাণ প্রাণ যায় যায় অবস্থা! বৃক্ষ রোপনের উৎসব হোক বছরভর

কিছু সময়কাল আগে ফিরে যাই। মাত্র কয়েক বছর আগে। যেখানে ফ্ল্যাট হয়েছে সেই বাড়িতে গোটা দশেক বড়-ছোট গাছ ছিল। হয়তো সেখানে একটাও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র ছিল না। তখনও কংক্রিটের জঙ্গল তৈরি হয়নি। এক একটি ফ্ল্যাট বাড়িতে কমপক্ষে ১০-১২টি পরিবার থাকলে কমপক্ষে ১৮টা এসি। যা থেকে নির্গত হচ্ছে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, নাইট্রাস কার্বন, কার্বনডাই অক্সাইড। বুঝুন ঠেলা, গাছ কেটে অট্টালিকা বানিয়ে পরিবেশের কি চরম ক্ষতি হচ্ছে। না এক্ষেত্রে ওই প্রমোটার বা ফ্ল্যাটের মালিকরা একটাও গাছ রোপন করে না। কারও দরকার অতিরিক্ত লাভ, কারও দরকার বসতি। এমন সর্বনাশ তো গোটা বাংলা জুড়ে নগরায়নের ফলে হয়ে চলেছে অনবরত। তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এবিষয়ে সরকারকেও কড়া আইন এনে পদক্ষেপ করতে হবে। দিল্লির থেকে গড়ে এরাজ্যে তাপমাত্রা রোজ দিনই বেশি ছিল। এবছর যা অবস্থা হচ্ছে পরবর্তী বছরগুলিতে আরও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হতে বাধ্য।নগরায়নের পরই আছে পরিকাঠামো উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ সারা রাজ্য জুড়ে। আগে জিটি রোডের দুধারের গাছের ছায়া থাকতো রাস্তায়। এখন কোনও রাস্তার পাশে গাছের নীচে পথিকের বিশ্রামের কোনও ব্যাপারই নেই। বৃক্ষই তো নেই। যদিও বা জাতীয় সড়কের পাশে নতুন করে কিছু গাছ বড় হয়েছিল, লেন বাড়াতে গিয়ে লক্ষ লক্ষ গাছের নিধন করা হল। এ দৃশ্যও রাজ্যের সর্বত্র। তবে তার পরিবর্তে গাছ লাগানোর কোনও লক্ষণ নেই। এদিকে গাড়ির সংখ্যা নিয়মিত বাড়ছে। সিএনজি পরিচালিত গাড়ি এখনও যথেষ্ট নেই। সোলার লাইটের তেমন ব্যবহার নেই। মোদ্দা কথা পরিবেশের ক্ষতি করার জন্য যা যা করনীয় আমরা সবাই মিলে সেই ধংস যজ্ঞ করছি। আর সভা-সমাবেশে বড় বড় জ্ঞান বিতরণ করছি। তার ওপর ভারতের জন বিষ্ফোরণ। চিনকেও জনসংখ্যায় ছাপিয়ে গেল ভারত। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণও খুব জরুরি।রাজনীতিক, প্রশাসন, বুদ্ধিজীবী, দেশপরিচালকরা দেশ সেবা নিয়ে এত ভাবছে যে পরিবেশ নিয়ে ভাবার কোনও সময় পাচ্ছেন না। জলস্তর যে মাটির কত নীচে নেমে যাচ্ছে তারও হুঁশ নেই কারও। পুরএলাকাগুলিতেও রোজ বসছে সাবমার্সিবল। এখনও পানীয় জলের পিছনে শয়ে শয়ে টাকা খরচ করতে হচ্ছে। এরপর এমন সময় আসবে অক্সিজেন সিলিন্ডার পিঠে বহণ করতে হবে মানুষজনকে। এখনও হাল ধরার সময় আছে। সরকারি উদ্যোগ না থাকলেও সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। বৃক্ষ রোপন ছাড়া বাঁচার কোনও উপায় নেই। আসুন আমরা গাছ লাগানোকে প্রধান কাজ হিসাবে প্রাধান্য দিই। এটাই এখন সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আগামী প্রজন্ম কিন্তু আমাদের অপরাধী হিসাবেই দেখবে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েতে জয়ের লক্ষ্যে নয়া কর্মসূচি ঘোষণা অভিষেকের, তৃণমূলের প্রার্থী ঠিক হবে গোপন ব্যালটে

দিদির রক্ষাকবচ কর্মসূচির মাধ্যমে জনসংযোগ কর্মসূচি চলছেই। এবার ফের গ্রামীণ ক্ষেত্রে জনসংযোগ ও প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য নয়া কর্মসূচি ঘোষণা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তিনি তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে দলের নবজোয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২৫ এপ্রিল থেকে নিজে টানা ২ মাস পথে থাকবেন। তারপর কলকাতার বাড়িতে ফিরবেন।পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে রীতিমতো জলঘোলা হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসে। সময়ে সময়ে বদলে যাচ্ছিল প্রার্থী তালিকা। প্রার্থী বাছাই নিয়ে তীব্র মতবিরোধও চোখে পড়েছিল। এবার আর সেই পথে হাটতে নারাজ দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। যাতে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া নিয়মের মধ্য়েই করা যায় তার জন্যই জনসংযোগের মাধ্যমে গোপন ব্যালটে প্রার্থী বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে গ্রামবাংলায় জনসংযোগ তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচির সূচনা হবে। ২ মাস ধরে মানুষের পাশে থেকে তাঁদের অভাব, অভিযোগ শুনব। মানুষই এবার পঞ্চায়েত গড়বে। মানুষের মতামত নিয়ে ৬০ হাজার গ্রামীণ বুথে কে কোথায় প্রার্থী হবে সরাসরি প্রার্থী বাছাই হবে। পঞ্চায়েতের তিনটে স্তরে কাদের প্রার্থী দেখতে চান তাদের কাছ থেকে নাম জানতে চাইব। গোপন ব্যালটে ঠিক হবে কারা প্রার্থী হবে। অভিষেক এদিন ফের জানিয়ে দেন, আগামী পঞ্চায়েতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। মানুষ মানুষের ভোট দেবে। ২০১৮ -তে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্য়ের নানা জায়গায় হিংসা হয়েছিল। বিরোধীদের প্রার্থী দিতে ব্যাপক বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সতর্ক। ২০১৯-এর লোকসভার মতো ২০২৪-এ লোকসভায় যাতে আর না ভুগতে হয় সেদিকে নজর রয়েছে তৃণমূলের।অভিষেকের দাবি, আমরা ভারতে প্রথমবার পঞ্চায়েতে প্রার্থী করতে মানুষের মতামত নিচ্ছি। জনপ্রতিনিধি মানুষের দুঃখের সময় পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করবে। পঞ্চায়েতের পরিষেবা দরকার হবে, তখন যাকে ফোন করলে পাবে তাঁকে প্রার্থী করা হবে। ভারতের রাজনীতিতে যে ভাবে বদ্ধ ঘরে প্রার্থী নিয়ে সিদ্ধান্ত হয় এবার এখানে তা হবে না।তৃণমূলে নবজোয়ারে একদিকে যেমন জনসংযোগ যাত্রা হবে পাশাপাশি গ্রামবাংলার মতামত নেওয়ার কাজও চলবে। অভিষেক বলেন, আমরা আগামী ২৫ এপ্রিল নয়া কর্মসূচি শুরু করছি। কোচবিহারের দিনহাটা থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। ২ মাস টানা রাস্তায় থাকব। ২৪ জুন সাগরে শেষ হবে কর্মসূচি। এটা সমাপ্ত করে বাড়ি ফিরব। প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটা জনসভা থাকবে। প্রথমে কর্মীসভা বা জনসভা, পরে ক্য়াম্পে ফিরব। ওই ক্যাম্পে জেলাস্তরের নেতৃত্ব থেকে বুথ সভাপতিরাও থাকবে। সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও থাকবে। ৩-৪ হাজার লোককে ডাকা হবে। গোপন ব্যালটে ভোট নেওয়া হবে প্রার্থীর জন্য। অনলাইনেও ওয়েবসাইটে গিয়ে মতামত দিতে পারবে।শুরুতে কোচবিহারে ৩ রাত, আলিপুরে ১ রাত, জলপাইগুড়িতে ২ রাত, শিলিগুড়ি হয়ে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিন দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম হয়ে অন্য জেলাগুলিতে পরিক্রমা চলবে। এই কর্মসূচি ২ মাসে মোট ২৫০টি জনসভা, ৩৫০০ কিলোমিটা রাস্তা অতিক্রম করবে।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজ্য

খোদ চেয়ারম্যানের বাড়ির নাকের ডগায় পুরমাতার বিনা প্ল্যানে বাড়ি করার অভিযোগ বর্ধমানে

বর্ধমান পুরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের শাসকদলের কাউন্সিলর চন্দ্রা দাসের বিরুদ্ধেই এবারে পোস্টার পড়ল বর্ধমান শহরের কয়েকটি এলাকায়। ওই পোস্টারে কে বা কারা লাগিয়েছে জানা যায় নি। সেখানে লেখা আছে বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যানের বাড়ির ১০মিটারের মধ্যেই ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চন্দ্রা দাস বিনা প্ল্যানে বাড়ি করেছেন।তার স্বামী ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা স্বপন দাস এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি; এগুলো কিছু লোক হিংসা করে করছেন। তারা দলের বদনাম করছেন। তিনি জানান, ওই জায়গায় একটি মনসা মন্দির ও সহায়তা কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। সেটার প্ল্যান তারিখ পেরিয়ে যাবার পর রিনিউ করতে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, বর্ধমান পুরসভা এ ব্যাপারে কঠোর। কেউ বেআইনি কাজ করলে অভিযোগ জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অন্যদিকে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানান, বর্ধমান পুরসভা সব দিক দিয়েই ব্যর্থ। এই অভিযোগ এলাকা থেকেই উঠেছে। কাউন্সিলর বিনা প্ল্যানে এতবড় বাড়ি করছেন কীভাবে? আয়ের উৎস কী? এগুলো তদন্ত হওয়া উচিত। আর, বিজেপি পোস্টার দেবার রাজনীতি করে না। ওদের দলের লোকেরাই এসব করেছে।

নভেম্বর ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

গাছ লাগান, প্রাণ বাঁচান এই ভাবনাকে মাথায় রেখে গোবরডাঙা নাবিক নাট্যম বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর আয়োজন করল। প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের মেল বন্ধন দৃঢ় করতে ৪২ টি বৃক্ষ রোপন করলো গোবরডাঙা নাবিক নাট্যম। তাঁদের সঙ্গে পা মেলালেন এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সচেতন মানুষেরা। প্রকৃতিকে সুষ্ঠভাবে টিকিয়ে রাখতে আগামী প্রজন্মেকে নতুন বার্তা দিলো গোবরডাঙা নাবিক নাট্যম। এই নাট্যদলের বৃক্ষ রোপনে উপস্থিত ছিলেন নাবিক নাট্যমের প্রতিষ্ঠাতা প্রদীপ কুমার সাহা এবং নাবিক নাট্যমের অন্যান্য কলাকুশলীরা। সংস্থার সম্পাদক অনিল কুমার মুখার্জী জানান পরিবেশ কে সুস্থ রাখার দায় আমাদের সকলের, সেই বিষয়ে মানুষকে সচেতন করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা প্রদীপ কুমার সাহা বলেন পরিবেশ রক্ষায় আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। সংস্থার কর্ণধার জীবন অধিকারী জানান আমরা গাছ কেটে নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনছি। তাই গাছ কাটার পরিবর্তে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।

জুন ১০, ২০২২
দেশ

সিগ্রামে’র 100 পাইপার্স ‘নাউ ফান্ডিং টুমরো’ ভারতে প্রথম এনএফটি প্রবর্তনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণে নিবেদিত

নিউ দিল্লি, ২২শে এপ্রিল, ২০২২বছরের পর বছর ধরে, সিগ্রামের 100 পাইপার্স প্লে ফর আ কজ প্ল্যাটফর্ম এমন সব কারণকে সমর্থন করে যা সমাজকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে, যার ফলে একটি অভিজ্ঞতামূলক ভাবে ব্র্যান্ডের বি রিমেম্বারড ফর গুড [ভালোর জন্য মনে রাখবে]-এর মূল প্রস্তাবকে জীবন্ত করে তুলেছে। আরোহ (AROH) ফাউন্ডেশনের সাথে অংশীদারিত্বে এক বছরের মধ্যে ১ মিলিয়ন গাছ লাগানোর শপথ নিয়ে এই বছর 100 পাইপার্স প্লে ফর এ কজ একটি সবুজ ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দেয়। 100 পাইপার্স ২২শে এপ্রিল পৃথিবী দিবসে (আর্থ ডে) এই গুরুত্বপূর্ণ প্রচারাভিযানটি শুরু করেছে। 100 পাইপার্স ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগুলি গ্রহণ করেছে এবং নাউ ফান্ডিং টুমরো শীর্ষক বৃক্ষরোপণে নিবেদিত ভারতের প্রথম পরিবেশ-থিমযুক্ত এনএফটি প্রবর্তন করেছে।পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বৃক্ষরোপণ ঘিরে ১৩টি লোভনীয় এনএফটি ডিজাইনের থিম https://ngagen.com/100pipers প্ল্যাটফর্মে কেনার জন্য, ২২শে এপ্রিল ২০২২ লঞ্চ করা হয়। লঞ্চের ১০ মিনিটের মধ্যে ১৩টি এনএফটির সমস্তই বিক্রি হয়ে যায়।ব্র্যান্ডটি বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতাকে আরও প্রসারিত করতে একটি অনন্য ডিজিটাল প্রচারাভিযান শুরু করেছে।এই উদ্যোগের প্রতি তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে, কার্তিক মহিন্দ্রা, চিফ মার্কেটিং অফিসার, পার্নোড রিকার্ড ইন্ডিয়া বলেন, সিগ্রামের 100 পাইপার্স চিন্তা ও উদ্ভাবনের নেতৃত্বে বিশ্বাস করে। প্লে ফর এ কজ মিউজিক ইভেন্ট মূল ব্র্যান্ডের অভিজ্ঞতা যা নৈতিকতাকে জীবন্ত করে তোলে বি রিমেম্বারড ফর গুড। এই বছর, প্লে ফর এ কজ-এর লক্ষ্য হল দুটি অনন্য উপায়ে বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ-পুনরুজ্জীবনের কারণকে সমর্থন করে যুবকদের কাছে আরও জোরালোভাবে অনুরণিত হওয়া। পৃথিবী দিবস ২০২২ থেকে শুরু করে, 100 পাইপার্স আরোহ ফাউন্ডেশনের সাথে এক বছরের মধ্যে ভারত জুড়ে ১ মিলিয়ন গাছ লাগানোর জন্য ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। পরিবর্তনের বাতাসে চড়ে, 100 পাইপার্স এই কারণকে সমর্থন করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে এনএফটি-এর মতো নতুন যুগের প্রযুক্তিগুলিকেও কাজে লাগাচ্ছে। ভারতে এই প্রথম! আমরা আমাদের প্রথম সেটের এনএফটিগুলি ১০ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে বিক্রি হয়ে যাওয়ার সাথে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। এই কারণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার কারণে আমরা শীঘ্রই দ্বিতীয় এনএফটি শুরুর ঘোষণা করব।এই উদ্যোগ সম্পর্কে চিন্তাভাবনা শেয়ার করে, আরোহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সিইও ডঃ নীলম গুপ্তা বলেন, আমাদের গ্রহে বিনিয়োগ করার জন্য কোনও সময়েই এতটা স্পষ্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। সিগ্রামের 100 পাইপার্স প্লে ফর এ কজ-এর সাথে সহযোগিতা ভারতব্যাপী ১ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণ অভিযানের সাথে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য আমাদের প্রচেষ্টাকে আরও বাড়ানোর জন্য একটি নিখুঁত প্ল্যাটফর্ম। এছাড়াও আমাদের ভবিষ্যত গঠনের জন্য আমাদের ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগুলিকে আলিঙ্গন করতে হবে যা এনএফটি প্রচারাভিযানকে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক করে তোলে যাতে আমাদের বার্তা আজকের তরুণ শ্রোতাদের কাছে পৌঁছায় তা নিশ্চিত করতে।

মে ০৪, ২০২২
বিদেশ

১৩৩ জন যাত্রী-সহ দক্ষিণ চিনে ভেঙে পড়ল বিমান

ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার মুখোমুখি চিন। দক্ষিণ চিনে ভেঙে পড়ল যাত্রীবাহী বিমান। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে ওই বিমানে ১৩৩ জন যাত্রী ছিল। জানা গিয়েছে চিনে যে বিমানটি ভেঙে পড়েছে সেটি বোয়িং ৭৩৭ বিমান ছিল। মনে করা বিমান থাকা কোনও যাত্রীরই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। সবেমাত্র উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে বিমানটি কুনমিং শহর থেকে গুয়াংজুর দিকে যাচ্ছিল। ভেঙে পড়া বোয়িং বিমানটি চিন ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের বিমান ছিল। চিনের সিভিল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, এখনও অবধি এই বিমান দুর্ঘটনায় কত জন মারা গিয়েছেন তা জানা যায়নি।বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তদন্তের নির্দেশ দিলেন। কীভাবে আচমকা ভেঙে পড়ল সুরক্ষিত বোয়িং ৭৩৭ বিমান, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে খবর।Crash site pic.twitter.com/8qJWYK8FhS ChinaAviationReview (@ChinaAvReview) March 21, 2022তবে বিমানে থাকা ১৩৪ জন যাত্রী বেঁচে থাকার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। বিমান সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভেঙে পড়া বিমানটি ৬ বছরের পুরানো। সিএএসি জানিয়েছে, উঝুর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। বিমানটিতে মোট ১২৩ জন যাত্রী এবং পাইলট সহ মোট ৯ জন কর্মী ছিলেন। ইতিমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে এবং উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের এক সদস্যকে উদ্ধৃত করে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ফলে বিমানটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে বিমান দুর্ঘটনার সময়ে আগুন দেখা গিয়েছিল। পাহাড়ের কোলে যে এলাকার বিমানটি ভেঙে পড়েছে, সেখানকার বাঁশ বনে আগুন লেগে গিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

মার্চ ২১, ২০২২
স্বাস্থ্য

Pig Heart: শুকরের হৃদয়ে মানুষের জীবনীশক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বে মহাবিপ্লব

চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটালেন আমেরিকার এক দল চিকিৎসক। এক ঐতিহাসিক কান্ড করে বসলেন। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মানুষের শরীরে শূকরের হৃদয় (Genetically Modified Pig Heart) প্রতিস্থাপন করেছেন তাঁরা। ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারের (University of Maryland Medical Center) হাসপাতাল কতৃপক্ষ সোমবার জানিয়েছেন যে, অস্ত্রপচারের তিন দিন পরেও রোগী জীবিত আছেন। অস্ত্রপচারের পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রতিস্থাপিত হার্ট রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনকে স্বাভাবিক রাখার কাজ করছে।আরও পড়ুনঃ ভামিকার জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া, রান পেলেও ব্যর্থ বাবা কোহলিপ্রায় আট ঘণ্টা ব্যাপী এই অস্ত্রপচারটি শেষ হয়েছে শুক্রবার। যদিও চিকিৎসকরা কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে অস্ত্রপচারের সময় লাগানো কৃত্রিম হার্ট ও ফুসফুসের বাইপাস মেসিন এখনো খোলেননি। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নতুন হার্ট-ই কাজ করছে, বিকল হওয়ার কোনও সম্ভবনা আপাতত তাঁরা দেখছেন না। চিকিৎসকরা আশা করছেন খুব শীঘ্র-ই দু-এক দিনের মধ্যে সাপোর্ট সিস্টেম খুলে স্বাভাবিক অবস্থায় রেখে দেবেন।আরও পড়ুনঃ বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাওমুখ্য শল্য চিকিৎসক ডঃ বার্টলে পি গ্রিফিথ জানিয়েছেন, আমরা খুব মনযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছি পুরো পদ্ধতিটা এবং আমরা ভীষণ আশাবাদী যে সারা পৃথিবীর মানুষের জন্য একটা বিকল্প দিক খুলে দিতে পারব। যখন মানুষের অঙ্গ পাওয়া খুব-ই দুষ্কর ব্যাপার। তিনি আরও জানিয়েছে যে, এটা মনে রাখতে হবে, এর আগেও শূকরের কোষ, চামড়া, হার্টের ভাল্ব মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, কিন্তু অন্য জীবের পুর্নাঙ্গ অঙ্গ প্রতিস্থাপন সারা পৃথিবীতে এটাই প্রথমবার। এই ধরনের অস্ত্রপচার-কে বলে জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন (Xenotransplantation)। করাচী অধিবাসী এক পাকিস্তানি চিকিৎসক ডঃ মহম্মদ মহিউদ্দিন এই অস্ত্রপচারে ডঃ বার্টলে পি গ্রিফিথকে মূল সহয়তা করেন।BREAKING; In a medical first, doctors transplanted a pig heart into a human in a last-ditch effort to save his life. A Maryland hospital says the patient is doing well three days after the highly experimental surgery. https://t.co/hAQcYbwaYl The Associated Press (@AP) January 10, 2022ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার কতৃপক্ষ সোমবার জানিয়েছে, অত্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে অস্ত্রপচারের তিন দিন পরেও রোগীর স্বাস্থ্য ভালো আছে। ডঃ মহম্মদ জানিয়েছেন, এটা খুব কঠিন এক পদক্ষেপ ছিল, দীর্ঘ নয় মাস ধরে আমরা এই বিষয়ে গবেষণা চালিয়েছি। রোগীর শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল তাতে আমাদের এটা ডু-অর-ডাই অবস্থা। আর কোনও বিকল্প রাস্তা ছিল না। তিনি আরও জানান, এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক দিগন্তের দেখা মিলল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবনদায়ী এক পদ্ধতির দরজা খুলে গেল।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়েও জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেররোগী ডেভিড বেনেটের ছেলে (৫৭) সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তাঁর বাবা ছয় সপ্তাহ যাবত একমো সাপোর্টে মেরিল্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ডেভিড জানতেন এই ধরনের অস্ত্রপচারের সাফল্যের কোনও নিশ্চয়তা নেই। রোগী মারাও যাতে পারেন। তিনি চেয়েছিলেন তাঁর শরীরে একটি মানব হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করতে। বেনেট অস্ত্রপচারের একদিন আগে বলেছিলেন, এটি আমার জন্য করো বা মরো পরিস্থিতি। আমি বাঁচতে চাই, আমি জানি এটা অন্ধকারে তীর নিক্ষেপ করার মত, কিন্তু এটাই আমার কাছে শেষ বিকল্প।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
কলকাতা

Omicron: ৩ জানুয়ারি থেকে ব্রিটেন ফেরত বিমান নামবে না শহরে, কেন্দ্রকে চিঠি নবান্নর

ওমিক্রন পরিস্থিতি নজরে রেখে কলকাতায় ব্রিটেন থেকে আগত বিমান নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে চলেছে নতুন নিষেধাজ্ঞা। বৃহস্পতিবার চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা কেন্দ্রকে জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন।বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহণ মন্ত্রককে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। চিঠিতে তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে ওমিক্রনে সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের আবহে কেন্দ্র যে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে, ওই তালিকায় রয়েছে ব্রিটেন।ঝুঁকিপূর্ণ নয়, এমন দেশ থেকে আসা বিমান যাত্রীদের কলকাতায় এসে নিজেদের খরচেই কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে বিমানবন্দরে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক বিমান সংস্থাকেই বিমানে ওঠা ১০ শতাংশ যাত্রীর কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে। আর বাকিদের র্যা পিড অ্যান্টিজেন পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। এই পদ্ধতিতে রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁদের আবার আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে পরীক্ষা করাতে হবে। বিমানবন্দরে কোভিড পরীক্ষার কাজে যাতে খুব বেশি সময় নষ্ট না হল, তার জন্য যাত্রীদের আগে থেকেই পরীক্ষার বুকিং করাতে হবে বলে জানানো হয়েছে চিঠিতে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dia Mirza : জন্মদিনে বিশেষ ভাবনা দিয়া মির্জার

দিয়া মির্জা যে কতটা পরিবেশ সচেতন সেটা কারোর অজানা নয়। আগামী ৯ ডিসেম্বর ৪০ এ পা দিচ্ছেন দিয়া মির্জা। আর এই ৪০ বছর উপলক্ষে বিশেষ প্ল্যান রয়েছে তার। তবে এই প্ল্যানটা নিজের জন্য নয়।৪০ এর জন্মদিনে ৪০ লক্ষ টাকা দেওয়ার ভাবনা রয়েছে তার। এই অর্থ ব্যয় হবে বনরক্ষকদের মধ্যে যারা অতিমারীতে প্রাণ হারিয়েছেন তাদের পরিবারের জন্য।সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ভক্তদের কাছে দিয়া আবেদন করেছেন,আমার জন্মদিনে অনেকেই ফুল, উপহার পাঠিয়ে থাকেন। আমার অনুরোধ, সেটার বদলে যদি কিছু অর্থ সাহায্য করে এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে পারেন, তার চেয়ে ভালো আর কিছু হবে না। এই পোস্টে ভক্তরা খুব খুশি হয়েছেন। তারা দিয়াকে অনেক শুভকামনা জানিয়েছেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২১
কলকাতা

Plantation: মোদির জন্মদিনে রাজ্যপালের বৃক্ষরোপণ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭১তম জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গ বিজেপি এলাহি কর্মসূচির আয়োজন করেছে। শুক্রবার সকাল থেকেই দেশের পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপির তরফে নানা কর্মসূচি পালন চলছে। এরই মধ্যে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় সস্ত্রীক বৃক্ষরোপণ করেন রাজভবনের ভিতরেই। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধি করতেই এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন অ্যাসিস্যান্ট চিফ সেক্রেটারি সুনীল গুপ্তা। উল্লেখ্য, আজ প্রধানমন্ত্রীর ৭১ তম জন্মদিন। দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন। বারাণসী থেকে পশ্চিমবঙ্গ, সর্বত্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে সেবা ও সমর্পণ অভিযান পালন করবে বিজেপি শিবির। প্রতি বছর এক সপ্তাহের জন্য সেবা দিবসে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করা হয় গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। এই বছর তা বাড়িয়ে টানা ২০ দিনের মেগা কর্মসূচিতে দেশজুড়ে কোমর বেঁধে নামছে বিজেপি নেতৃত্ব। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে কর্মসূচি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Plane: তিন বছরের জন্য বিমান ভাড়া নিল রাজ্য, খরচ কত জানেন?

দশ আসনের একটি বিমান ভাড়া নিল রাজ্য সরকার। প্রধানত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যের অন্য ভিআইপি-দের জন্যই এই বিমান ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রের খবর। বিমানটি এখনও কলকাতায় আসেনি। আশা করা হচ্ছে, দিন তিনেকের মধ্যে সেটি পৌঁছে যাবে। সেপ্টেম্বরের গোড়াতেই উত্তরবঙ্গ যাওয়ার কথা মমতার। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, ভাড়া করা ওই বিমানেই উত্তরবঙ্গে যাবেন তিনি।আরও পড়ুনঃ জোর কদমে দল গঠন করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, কোন কোন ফুটবলারকে তুলল? নবান্নের একটি সূত্র জানিয়েছে, ফ্রান্সের দেসল্ট সংস্থার তৈরি দুই ইঞ্জিনের এই ফ্যালকন ২০০০ বিমানের জন্য মাসে কমপক্ষে সওয়া দুকোটি টাকা খরচ হবে রাজ্য সরকারের। দিল্লির একটি সংস্থার কাছ থেকে যে-চুক্তিতে সেটি ভাড়া নেওয়া হয়েছে, তাতে বলা আছে, প্রতি মাসে ন্যূনতম ৪৫ ঘণ্টা ওড়ার টাকা দিতে হবে। প্রতি ঘণ্টায় ওড়ার খরচ প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা। যার অর্থ, কোনও মাসে বিমান ৪৫ ঘণ্টার কম উড়লেও রাজ্যকে ৪৫ ঘণ্টার খরচই দিতে হবে। বেশি উড়লে ঘণ্টা প্রতি আরও পাঁচ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা।ওই বিমানের সঙ্গেই আসছেন দুজন পাইলট, এক জন ইঞ্জিনিয়ার এবং বিমানসেবক। আগামী তিন বছর তাঁরা শহরের পাঁচতারা হোটেলে থাকবেন। তবে তাঁদের খরচ আলাদা করে রাজ্যকে দিতে হবে না বলেই সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর। চুক্তির টাকার মধ্যেই সেই খরচ ধরা আছে। ঠিক হয়েছে, বিমানটি তিন বছর থাকবে কলকাতা বিমানবন্দরে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

Mamata: ঘাটাল বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার প্ল্যান কী?

আমতার পর এবার ঘাটালের জলমগ্ন এলাকাও জলে নেমেই ঘুরে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ঘাটালের প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে যান তিনি। তবে সেখানে গিয়েও মমতার মুখে শোনা গিয়েছে পরিকল্পিত বন্যার অভিযোগই। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তোলেন। মাস্টার প্ল্যান না হলে ঘাটালকে বাঁচানো যাবে না বলেও জানান তিনি। কেন্দ্রকে বহুবার জানালেও কাজ হয়নি দাবি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন্দ্রের সেচমন্ত্রীর কাছে প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যসভায় হুইপ জারি বিজেপিরএদিন ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতি দেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি হেলিকপ্টারে যখন আসছিলাম ৭ কিলোমিটার জায়গা ভিডিও করি। দেখলাম বাড়ি ঘর মাঠ সবটাই ভেসে গিয়েছে। প্রশাসনকে এখানে আরও অনেক কাজ করতে হবে। এখানে ক্যাম্প বাড়াতে হবে। আমি দেখে গেলাম, রিপোর্ট তৈরি করব। প্রশাসনিক বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র, ঘাটালের সাংসদ দেবও। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২ হাজার ৮০০ কোটির প্রকল্প নিয়েছে রাজ্য সরকার। দামোদর তীরের নিচু এলাকাগুলির কাজ হবে। এছাড়াও জল ধরো জল ভরো প্রকল্পে সাড়ে ৩ লক্ষ পুকুর কাটা হয়েছে, ৫০০ কোটির চেকড্যাম তৈরি হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। চেকড্যামে জল ঢোকায় কিছুটা বিপদ কমানো গিয়েছে। তবে ঘাটালে আরও প্রচুর কাজের প্রয়োজন। সেই মতো জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের সভাধিপতি থেকে এলাকার বিধায়ক, সাংসদদের নির্দেশ দেন তিনি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, ত্রাণ বণ্টনে যেন কোনওরকম দলাদলির অভিযোগ তাঁর কানে না যায়। বিপদে ভেদাভেদ ভুলে সকলের পাশে দাঁড়াতে হবে, নির্দেশ মমতার।মমতার কথায়, ঘাটাল নিচু জায়গা। মাস্টার প্ল্যান ছাড়া কোনও ভাবেই ঘাটালকে রক্ষা করা সম্ভব নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বার বার মাস্টার প্ল্যান নিয়ে বলা হচ্ছে। কেন্দ্র তাতে কিছুতেই অনুমোদন দিচ্ছে না। এদিকে জল ছেড়ে দেওয়ার ফলে পরিকল্পিত বন্যা হচ্ছে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে আমি সৌমেন মহাপাত্র, মানস ভুঁইয়াকে বলব কেন্দ্রীয় সেচ মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করুন। এখন সংসদ অধিবেশন চলছে। সঙ্গে শ্রীকান্ত মাহাতো, শিউলি সাহা, জুন মালিয়া, দেবও যাক। ওরা দাবি জানাক। আমি মনে করি লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরাও সঙ্গে যান। না হলে কিন্তু ঘাটালকে বাঁচানো যাবে না।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Bribery : বিল্ডিংয়ের নকশা পাশ করাতে মোটা টাকা ঘুষ, বর্ধমানে অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

বিল্ডিং-এর নকশা অনুমোদনের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযুক্ত সদস্যা মিতা দাস।এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীসহ তৃণমূলের এক কর্মীও মিতা দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এলাকার তৃণমূল নেত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্য মিতা দাস ওই তৃণমূল কর্মীকেই তোলাবাজ আখ্যা দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে বজ্রপাতে মৃত ৩, জখম ৭বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদনের জন্য যারা পঞ্চায়েত সদস্য মিতা দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিজয় সাঁই। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বামচাঁদাইপুরে তাঁর ওষুধের দোকান। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য ইতামধ্যেই বিজয় সাঁইকে ওই দোকান ভেঙে ফেলার জন্য নোটিশ দিয়েছে। সেইজন্য তিনি তড়িঘড়ি এই দোকানের পিছনে থাকা জায়গায় আইন মেনে দোকানঘর তৈরির নকশা অনুমোদনের আবেদন করেন পঞ্চায়েতে। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর কাছ থেকে প্ল্যান পাশ করাতে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ নেন বৈকন্ঠপুর ২ পঞ্চায়েতের সদস্য মিতা দাস। তার অভিযোগ, আজ অবধি নকশা পাশ হয়নি। এলাকার তৃণমূলকর্মী মোজাম্মেল শাহের অভিযোগ, মিতা দাস এভাবেই ঘুষ নিয়ে থাকেন। তাঁকে টাকা দিয়েই বাড়ি কিংবা দোকান ঘর তৈরির জন্য প্ল্যান নিতে হয়। মিতা দাসকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও করেছেন মোজাম্মেল শাহ।আরও পড়ুনঃ শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাসএই বিষয়ে মিতা দাসকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ মিথ্যা। কোনও প্রমাণ ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে এইসব অভিযোগ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, মোজ্জামেল শাহ-ই তোলাবাজ।উনি শিখিয়ে পড়িয়ে এই অভিযোগ করিয়েছেন। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, প্ল্যান পাশ করাতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করাতে হবে। অভিযোগ সত্য প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
বিদেশ

৫ বছর আগেই সার্স-কোভ-২-কে জৈব অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের ছক ছিল চিনের!

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবের পিছনে চিনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ হাত রয়েছে, এমন অভিযোগ বার বার উঠেছে। কিন্তু তার কোনও পোক্ত প্রমাণ কেউ তুলে ধরতে পারেনি, যা দিয়ে চিনকে সরাসরি কাঠগড়ায় তোলা যায়। চিনও বার বার চেষ্টা করেছে তাদের ঘাড় থেকে দায় নামিয়ে ফেলতে। কিন্তু এবার যে নথি প্রকাশ্যে এল তাতে সার্স করোনা ভাইরাস নিয়ে চিনের অনেক গোপন পরিকল্পনা অনেকটাই ফাঁস হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।চিনের সামরিক বিজ্ঞানীরা নাকি ২০১৫ সালেই এই ভাইরাসকে জৈব অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করার বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিলেন। চিনেরই এক শীর্ষ স্থানীয় বিজ্ঞানী এই তথ্য ফাঁস করেছেন। লি-মেং ইয়ান নামের ওই চিনা ভাইরোলজিস্টের দাবি ঘিরে এখন তোলপাড় গোটা বিশ্ব। চিনা ভাষায় লেখা কিছু নথি তিনি ইংরেজিতে অনুবাদ করে টুইট করেছেন। সেখানে উল্লেখ রয়েছে সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটি চিনের সরকারি গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে। এবং চিনের সামরিক বিভাগের বিজ্ঞানীরা সার্স করোনা ভাইরাসকে জৈব হাতিয়ার রূপে ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা করছেন। শুধু তাই নয়, জৈব অস্ত্র দিয়েই নাকি তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধে লড়াই হবে। এই নথিতে এমন আলোচনার উল্লেখ রয়েছে।২০১৫ সালে এই আলোচনা যখন হয়, তখন বিশ্বে করোনার অতিমারির কথা সাধারণ মানুষের কেউ ভাবেননি। তার প্রায় ৫ বছর পর বিশ্বজুড়ে শুরু হয়ে যায় করোনা ভাইরাসের তাণ্ডব। অস্ট্রেলিয়ার এক খবরের ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, এই ভাইরাসের জিন ইচ্ছে মতো পরিবর্তন করে মানব শরীরে ঘাতক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। এই নথি প্রকাশ্যে আসার পর চিনের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। তবে ইতিমধ্যেই তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বে।

মে ০৮, ২০২১
দেশ

জইশের নিশানায় অজিত ডোভাল, জারি কড়া সতর্কতা

পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের নিশানায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হওয়া জইশ-ই-মহম্মদের এক জঙ্গিকে জেরা করার পরই সামনে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।গত ৬ ফেব্রুয়ারি হিদায়তউল্লা মল্লিক নামের ওই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয় জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ান থেকে। তার কাছ থেকে অজিত ডোভালের অফিসের রেকি করার ভিডিওটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিয়েছে সে। জেরার মুখে নিজের কীর্তির কথা সবিস্তারে জানিয়েছে ধৃত জঙ্গি। ২০১৯ সালের ২৪ মে শ্রীনগর থেকে বিমানে নয়াদিল্লিতে আসে হিদায়ত। কেবল ভিডিও তোলাই নয়, পাশাপাশি সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখে সে। পরে তার তোলা ভিডিওটি সে হোয়াটসঅ্যাপে পাকিস্তানে পাঠিয়েও দেয়। নিজের পাক প্রভুকে ডক্টর বলে উল্লেখ করেছে ধৃত। পাকিস্তান থেকে কারা নির্দেশ দিত, সে সম্পর্কেও বহু তথ্য ফাঁস করেছে সে। দশটি ফোন নম্বর ছাড়াও তাদের নাম, সাংকেতিক নামও জানিয়েছে হিদায়ত।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
দেশ

ভারতের মাটি ছুঁল আরও ৩টি রাফালে যুদ্ধবিমান

সাধারণতন্ত্র দিবসে রাফালে যুদ্ধবিমানের কৌশল দেখেছে দেশ। এবার ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি বাড়িয়ে বুধবার ফ্রান্স থেকে আরও ৩টি রাফালে এসে পৌঁছেছে দেশে। বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, ফ্রান্সের একটি বায়ুসেনাঘাঁটি থেকে উড়ান শুরু করে রাফালে বিমানগুলো। প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটারের এই সফরে মাঝ আকাশে রাফালেগুলোতে জ্বালানি ভরে দেয় সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বায়ুসেনার ট্যাংকার বিমান। টানা ৮ ঘণ্টার উড়ান শেষে ভারতে এসে পৌঁছয় যুদ্ধবিমানগুলো। উল্লেখ্য, প্রায় দুদশক পর নতুন কোনও অত্যাধুনিক বিদেশি যুদ্ধবিমান হাতে পেয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ১৯৯৭ সালে ভারতীয় বায়ুসেনায় এসেছিল রাশিয়ার তৈরি সুখোই যুদ্ধবিমান। যুদ্ধে রাফালে বিমানকে গেম চেঞ্জার বলে মনে করছে বায়ুসেনা। ইতিমধ্যেই এই বিমানকে লাদাখের প্রতিকুল আবহাওয়ায় মহড়া দেওয়া হয়েছে। বিমানটি দশ টন মাল বহন করতে সক্ষম। মাটি থেকে সমুদ্র বা আকাশের কোনও লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত হানার ক্ষেত্রে এই বিমানের জুড়ি মেলা ভার। চতুর্থ প্রজন্মের মিডিয়াম মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট রাফালে রয়েছে ম্যাটিওর বিয়ন্ড ভিস্যুয়াল রেঞ্জ এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র স্কাল্প এবং হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্র। আকাশে উড়তে উড়তেই জ্বালানি ভরে নিতেও দক্ষ রাফালে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
রাজ্য

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ধর্মঘট , বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্ভাবনা

বেতন বৃদ্ধির দাবি সহ একাধিক দাবিতে বাঁকুড়ার মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৭২ ঘণ্টা ধর্মঘটে নেমেছে অস্থায়ী কর্মীরা। শুক্রবার সকাল ৬ টা থেকে ডিভিসি র মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণের (মেইনটেনেন্স) কাজে নিযুক্ত ঠিকা শ্রমিকরা ৭২ ঘণ্টার ধর্মঘট ও অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দেয়। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ৩ হাজার ৭২০ জন তাঁদের অভিযোগ, ২০১৭ থেকে বেতন বৃদ্ধি, বোনাস সহ একাধিক দাবিতে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এরপরেও কর্তৃপক্ষ তাদের কথা শুনছে না বলে অভিযোগ অস্থায়ী কর্মীদের। এর ফলে আটটি ইউনিটের কাজ স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈ্রি হয়েছে। কলকাতায় সদর দফতরের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই ধর্মঘট যদি না ওঠে , তাহলে পুজোর সময়ে রাজ্যে বড়সড় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে ।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা কবে ফিরবে? হাই কোর্টের নির্দেশে সামনে এল নির্দিষ্ট সময়

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর কাজ চললেও তার গতি যথেষ্ট নয় বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতির হিসাব আদালতে জমা দিতে হবে।বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করাই সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির মূল দায়িত্ব। এর বাইরে কমিটির কোনও অতিরিক্ত আইনি ক্ষমতা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা সহযোগী সংস্থা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে হোটেল পরিচালনার যে চুক্তি করেছিল, তার অনুমোদনের ক্ষমতা কমিটির ছিল না। ফলে ওই ধরনের অনুমোদনহীন চুক্তিগুলিকে শুরু থেকেই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে কমিটির হাতে বিপুল সম্পত্তি থাকলেও সেই তুলনায় টাকা ফেরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে হয়েছে। আদালতে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি। গত ১১ বছরে মাত্র ১০টি সম্পত্তির নিলাম এবং ৮০টি সম্পত্তির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।অন্যদিকে, রোজভ্যালি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একাধিক দফায় এক লক্ষেরও বেশি দাবিদারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষ দাবি নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে আগের বছরগুলিতে কাজের গতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটিও আদালতের নজরে রয়েছে।হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মুলতুবি থাকা দাবিগুলির ভিত্তিতে যোগ্য আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২২০টি মুলতুবি দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সম্পত্তি বিক্রি এবং সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু সময়সীমা বেঁধে দিয়েই থামেনি আদালত। প্রতি মাসে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটিকে আদালতে কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অর্থাৎ কতগুলি সম্পত্তি বিক্রি হল, কত টাকা বণ্টন করা হল এবং কতগুলি দাবি এখনও বাকি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতির হিসাব আদালতের নজরে থাকবে।আদালত আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাজ বাকি থাকে, তা হলে অবশিষ্ট সম্পত্তি, অর্থ এবং অন্যান্য অসম্পূর্ণ বিষয় বিচারপতি এস পি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।রোজভ্যালি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও যুক্ত রয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত না হওয়া বাকি সম্পত্তি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তে চিহ্নিত নতুন সম্পত্তির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিসকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরেনসিক অডিট শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে রোজভ্যালির সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়তে চলেছে।রোজভ্যালি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বহু আমানতকারী। আদালতের এই নির্দেশে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে সম্পত্তি বিক্রি, দাবির যাচাই এবং টাকা বণ্টনের কাজ কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমস! বৃষ্টির মধ্যেই সোনা জিতে ইতিহাস নীরুর

এই কাহিনী শুনলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। লক্ষ্য যদি অবিচল থাকে তাহলে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি আসুক না কেন, কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার মাত্র ১০ দিন আগেও তাঁর কেরিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় অনিশ্চয়তা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্ডা। সংক্রমণের কারণে শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসে আদৌ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই অসুস্থতাকেই পিছনে ফেলে মঙ্গলবার ইতিহাস গড়লেন ২৬ বছরের এই ভারতীয় শুটার।জাপানের গ্রামীণ টয়োটার উরেনোচো শুটিং রেঞ্জে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ট্র্যাপ শুটিংয়ের ফাইনালে ৩০টির মধ্যে ২৮টি লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। এর ফলে এশিয়ান গেমসের নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন তিনি। চিনের সুন ইউনং ২৬টি লক্ষ্যভেদ করে রুপো পান। এশিয়ান গেমসে এটিই ভারতের পঞ্চম সোনা। তবে নীরুর সাফল্যের গুরুত্ব শুধু পদকের হিসাবেই নয়। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা ট্র্যাপ শুটিংয়ে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। একইসঙ্গে ১৯৭৮ সালের পর এই ইভেন্টে কোনও ভারতীয় শুটারের ব্যক্তিগত সোনার অপেক্ষাও শেষ হল। ১৯৭৮ সালে রণধীর সিং ট্র্যাপ শুটিংয়ে সোনা জিতেছিলেন।এই সাফল্যের নেপথ্যে ছিল কঠিন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প। নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিবিরে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারেননি নীরু। অসুস্থতার সময় টানা পাঁচ দিন খাবারও খাননি, শুধু জল খেয়ে ছিলেন। হাসপাতালেও তিন দিন কাটাতে হয় তাঁকে। এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর কোচ অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মনশের সিং। প্রতিদিন ফোন করে নীরুকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেন তিনি। নীরুর কথায়, কোচ তাঁকে বলতেন কয়েক দিন অনুশীলন না করলেও কিছু যায় আসে না, তিনি প্রতিভাবান এবং তারকা হয়েই থাকবেন। প্রাক্তন সাংসদ তথা ক্রীড়ামন্ত্রী যশোধরা রাজের কাছ থেকেও সমর্থনের বার্তা পেয়েছিলেন নীরু।ভারতের ট্র্যাপ শুটিং কোচ পিটার উইলসন জানান, হাসপাতালে থাকার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নীরু প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন না করেও জাপানে মাত্র দুদিন শুটিং করে ফাইনালে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। নীরুর শুটিংয়ে আসার গল্পও বেশ চমকপ্রদ। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তাঁর খুড়তুতো ভাই লক্ষ্য শেওরান ট্র্যাপ শুটিংয়ে রুপো জেতার পর এই খেলায় আগ্রহী হন তিনি। পরে ভোপালের মধ্যপ্রদেশ স্টেট শুটিং অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ISSF বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ সোনা জেতার পর এবার এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পেলেন নীরু। তার উপর মঙ্গলবার ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির জল শুটারদের হাতে পড়ছিল, মনোযোগও নষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে বারবার প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনে লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। হাসপাতালের বিছানা থেকে এশিয়ান গেমসের মঞ্চ, এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শেষে তাঁর হাতেই উঠল ঐতিহাসিক সোনা।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জেএমবি-যোগের সন্দেহে মঙ্গলকোটের মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার এনআইএ-র, বাজেয়াপ্ত ডায়েরি ও মোবাইল

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহেই পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদের ইমাম পিয়ার মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলকোট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদে অভিযান চালায় এনআইএ। সেখান থেকেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়ার মোহাম্মদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার কুলুট গ্রামে। গত প্রায় তিন-চার বছর ধরে তিনি মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তদন্তকারীরা তাঁর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন, একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন তিনি।এনআইএ সূত্রে খবর, মসজিদে ইমাম থাকার জন্য যে ঘরটি পিয়ার মোহামদ ব্যবহার করতেন, সেখান থেকে একটি ডায়েরি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ডায়েরিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই যোগাযোগগুলির সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।চলতি বছরের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল এনআইএ। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পিয়ার মোহাম্মদের নাম তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাবলিগ জামাতের কাজে বৈধভাবে প্রায় ৪০ দিন বাংলাদেশে ছিলেন পিয়ার মোহাম্মদ। তবে সেই সফরের সময়ে তিনি জেএমবির কোনও সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, কোনও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন কি না, কিংবা বাংলাদেশের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে আরও কারও যোগাযোগ ছিল কি না, তাঁর মাধ্যমে কোনও বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও স্থানীয় পুলিশ।ইমামকে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিশ গ্রামে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পিয়ার মোহাম্মদকে তাঁরা বরাবরই শান্ত এবং সাধারণ স্বভাবের মানুষ হিসেবেই জানতেন। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর তাঁদের বিস্মিত করেছে।এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত ইমামকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএ। তাঁকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।পিয়ার মোহাম্মদের আইনজীবী কাজি সাহাবাব জামান জানিয়েছেন, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে বার্তালাপের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর মক্কেল নির্দোষ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

২৭০০ থেকে ২৭ হাজার! ক্যানসারের ওষুধে দশ গুণ দাম দেখে সুপ্রিম কোর্টে তোলপাড়

ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ওষুধের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। একটি ক্যানসারের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা খুচরো বিক্রেতাকে যে দামে ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় সর্বোচ্চ খুচরো দামের ব্যবধান দশ গুণ পর্যন্ত হতে পারেএমন তথ্য শুনানিতে উঠে আসে। উদাহরণ হিসেবে আদালত জানতে পারে, ২৭০০ টাকায় খুচরো বিক্রেতার কাছে পৌঁছনো একটি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো দাম ২৭ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত।বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল। সেখানেই ক্যানসারের ওষুধের দামে খুচরো বিক্রেতার জন্য নির্ধারিত দাম এবং রোগীর জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরো দামের মধ্যে এত বড় ফারাক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত জানতে চায়, ২৭০০ টাকায় যে ওষুধ বিক্রেতার কাছে যাচ্ছে, সেটির সর্বোচ্চ খুচরো দাম কেন ২৭ হাজার টাকা হবে।আদালতের প্রশ্ন ছিল, এই অতিরিক্ত টাকার বড় অংশ কোথায় যাচ্ছে এবং এর ফলে কারা লাভবান হচ্ছে। বিচারপতিরা এমন দামের ব্যবধানকে রোগীদের উপর গুরুতর আর্থিক চাপ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে ক্যানসারের মতো রোগে চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে রোগী এবং পরিবারের উপর।শীর্ষ আদালত বেসরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেছে। শুনানিতে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ ওঠে যে, কিছু কর্পোরেট হাসপাতাল রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে। বাইরে থেকে একই ওষুধ কিনে আনলে চিকিৎসা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কাও রোগীদের সামনে থাকে বলে আদালতে বিষয়টি উঠে আসে।সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ওষুধের বাড়তি দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। কারণ কোনও সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা বা ওষুধের খরচ বেশি হলে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয়ের একটা অংশ সরকারি অর্থ থেকে মেটানো হয়। ফলে এর আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপরও পড়তে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে।শুনানিতে ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় এবং অনত্যাবশ্যকীয়এই ভাগ করে আলাদা নিয়ম রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতিরা জানতে চান, সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রেই কি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। আদালতের তরফে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমার কথাও আলোচনায় আসে।কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের অবস্থান আদালতকে জানানো হবে। কেন্দ্র আরও সময় চেয়েছে বলেও সাম্প্রতিক শুনানির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।তবে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমা এখনই কার্যকর কোনও নতুন নিয়ম নয়। এটি শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বা প্রশ্ন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ক্যানসারের ওষুধের দাম নিয়ে এই শুনানি তাই রোগীদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির পদ্ধতিতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কেই সামনে এনেছে। এখন কেন্দ্রের বক্তব্য এবং পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থানের দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি! কাঠুয়ায় সিআইএসএফ শিবিরে ভয়াবহ ঘটনায় মৃত্যু ৪ জওয়ানের

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সিআইএসএফের একটি শিবিরে ভয়াবহ গুলিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসার পর এক সহকর্মী কয়েকজন জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সিআইএসএফ সূত্রে খবর, বিকেলে ডিউটি পরিবর্তনের সময় হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংয়ের সঙ্গে কয়েকজন জওয়ানের বচসা হয়। প্রথমে বিষয়টি কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই বচসা বড় আকার নেয়।অভিযোগ, এক পর্যায়ে অবধেশ সিং নিজের রাইফেল তুলে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে চার জওয়ান গুরুতর আহত হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হয়।নিহত জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক।ঘটনার পর কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কী কারণে ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসা শুরু হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইএসএফ সদর দপ্তরের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিআইএসএফের মহাপরিচালক গোটা পরিস্থিতি এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। চার সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে এখন তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal