• ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Murder

রাজনীতি

বিজেপি কর্মী খুন বীরভূমের মহম্মদবাজারে, অভিযোগের তির তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ সহ সভাপতিকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।মৃত বিজেপির বুথ সভাপতির নাম দিলীপ মাহারা (৪৮)। বাড়ি বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের হিংলো অঞ্চলের সারেন্ডা গ্রামে। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের কুলু পুকুরের কাছে চন্দ্রপুর গ্রাম যাওয়ার রাস্তার ধারে তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ পরে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। তাঁর স্ত্রী ছবি হিংলো গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ নম্বর আসনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে ওই আসনে সিপিএম, তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চন্দ্রপুর গ্রামের সারদা সাহা। বিজেপির দাবি কৌশলগত কারণে তারা ছবিকে নির্দল প্রার্থী করেছে।এদিকে ঘটনার পর থেকে চন্দ্রপুর-সারেন্ডা রাস্তার উপর মৃতদেহ রেখে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, বীরভূম জেলা সাংগঠনিক সভাপতি ধ্রুব সাহা সহ দলের জেলা নেতারা। দাবি ওঠে, পুলিশ কুকুর এনে ঘটনার তদন্ত করতে হবে। বিজেপির দাবি মেনে বিকেলের দিকে পুলিশ কুকুর এলে অবস্থান বিক্ষোভ উঠে যায়। ধ্রুব সাহা বলেন, খুব কাছ থেকে মাথার পিছনে গুলি করা হয়েছে দিলীপ মাহারাকে। গুলির খোল পাওয়া গিয়েছে। তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়রা এরকম ঘটনা ঘটিয়ে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করে পাঁচ বছরের জন্য চুরির লাইসেন্স পেতে চাইছে। পুলিশের পক্ষপাতিত্ব করছে। তাই এই খুনের ঘটনা ঘটল। আমরা মহম্মদবাজার থানার ওসিকে ক্লোজ করার জন্য সাত দিন আগে পুলিশ সুপারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। জেলা রিটার্নিং অফিসার তথা জেলাশাসককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আমরা প্রশাসনকে বলেছিলাম এই ওসি থানায় থাকলে নিরপেক্ষ ভোট হবে না। তাই আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইছি। আমরা দাবি করছি ওসির বিরুদ্ধেও সিবিআই তদন্ত করতে হবে।ছবি মাহারা বলেন, বুধবার বিকেলে ঘর থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি। এদিন সকালে মৃত্যুর খবর পাই। তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় স্বামীকে খুন করেছে। একই বক্তব্য তাঁর ছেলে উৎপল মাহারার। তিনি বলেন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় হুমকি দিতে শুরু করে। মনোয়ন তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছিল। কিন্তু মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় বাবাকে হারাতে হল। আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইছি।সারেন্ডা গ্রামের বিজেপি প্রার্থী পরিতোষ পাল বলেন, মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর থেকে তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি বাড়ি হুমকি দিয়ে আসছিল। সেই কারণে আমরা সব আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছিলাম। একজন তুলে নিলে আরেকজন থেকে যাবে এই ভেবে। সেই ভেবেই ছবিকে প্রার্থীকে করা হয়েছিল। কিন্তু ভয়ে গা ঢাকা দেওয়ায় মনোনয়ন তোলার সময় আসতে পারেননি। তবে ওই পরিবার আমাদের বিজেপির সক্রিয় কর্মী। আমরা পুলিশকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ কোনরকম সাহায্য করেনি। এমনকি এদিন সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গুলির খোল চুপচাপ নিয়ে গিয়েছে। গ্রামবাসীদের চাপে পরে ফের একই জায়গায় রাখতে বাধ্য হয়।এদিকে বিজেপির দাবি মেনে পুলিশ কুকুর এসে ঘটনাস্থলের পর সোজা চলে যায় পুকুর ঘাটে। সেখান থেকে দিলীপের বাড়ি হয়ে পৌঁছে যায় প্রতিবেশী প্রদীপ মাহারার বাড়িতে। পুলিশ প্রদীপ মাহারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ওই ঘটনার সঙ্গে আমাদের কেউ যুক্ত নয়। ওটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্য হয়েছে। জেলা পুলিস সুপার রাজ নারায়ণ মুখোপাধ্যায় বলেন, তদন্ত চলছে। পরিবারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজ্য

রাজু ঝা খুনের ঘটনায় বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

কয়লা মাফিয়া দুর্গাপুরের বাসিন্দা রাজু ঝা খুনের মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। চার মাসের মধ্যে তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এই ঘটনার তদন্ত করছিল সিআইডি। বর্ধমানের শক্তিগড়ে ল্যাংচা হাবের সামনে গাড়ির মধ্যে বসে থাকা অবস্থায় গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলেন রাজু ঝা। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজু। বামফ্রন্ট আমলে তাঁর বেআইনি কয়লার রমরমা কারবার চলত। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাজু ঝা গ্রেফতারও হয়েছিলেন। গত ১ এপ্রিল খুন হয়েছিলেন কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা। তাঁর গাড়িতে ছিলেন গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বীরভূমের আব্দুল লতিফ। কয়লা মাফিয়া ও গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত একই গাড়িতে কেন? উঠেছে এই প্রশ্ন। তাহলে রাজুর সঙ্গে লতিফের সঙ্গে কি লেনদেনের সম্পর্ক ছিল? তাও খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিবিআইকে চার মাসের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজ্য

নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র কালিয়াগঞ্জ, পুলিশর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস

উত্তরদিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ রণক্ষেত্র। ধর্ষণ-খুনকাণ্ডে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে শনিবার বিক্ষোভকারীরা দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে। দোকান পুড়েছে। কালিয়াগঞ্জে এক রাজবংশী নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারই প্রতিবাদে কালিয়াগঞ্জ থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় এবিভিপি। তারপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কমব্যাট ফোর্স, বিশেষ বাহিনী নামে পুলিশের সঙ্গে। এমনকী গ্রামবাসীদের সঙ্গে খন্ডযুদ্ধ বেধে যায় পুলিশের সঙ্গে।শনিবার মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীসহ বিজেপি নেতৃত্ব। পরে তাঁরা রায়গঞ্জে এসপি অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সুকান্ত। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে চলে ধুন্ধুমার কান্ড। অগ্নিগর্ভ হয়ে এলাকা। পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পুলিশকে লাটিচার্জ করতে হয়, ছুড়তে হয় কাঁদানে গ্যাস। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইচপাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। তবে অপরাধী ধরা না পর্যন্ত এই ক্ষোভ-বিক্ষোভ থামবে না বলে জানিয়ে দেন তাঁরা। জাতীয় মহিলা কমিশন কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে রাজ্য পুলিশের ডিজির হস্তক্ষেপ চেয়েছে। মৃতদেহ টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কিনা তার সত্যতা যাচাই করতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।

এপ্রিল ২২, ২০২৩
রাজ্য

রাজু ঝা খুনের সিসি টিভি ফুটেজ সামনে এল, তবে এখনও খুনিরা অধরা

ঘটনা ঘটে গিয়েছে প্রায় দু সপ্তাহ হতে চলল। এখনও গুলিতে ঝাঁঝরা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের খুনীদের গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ। তবে এবার রাজু ঝা খুনের সিসি টিভি ফুটেজ সামনে চলে এসেছে। এর আগে গরুপাচার চক্রে অভিযুক্ত লতিফের মোবাইল ফোনে কথা বলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। যদিও লতিফ এখনও ফেরার। তাঁকে তলব করেই চলেছে ইডি। সিসি টিভি ফুটেজের দেখা যাচ্ছে সাদা রংয়ের ফরচুনা গাড়ি দাড়িয়ে আছে। নীল রঙের অন্য একটি চারচাকা গাড়িতে চড়ে আসা দুষ্কৃতীরা গাড়ি থাকে নামে। একেবারে সাধারণ ভাবে সাদা গাড়ির সামনে আসে। তারপর একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে সাদা গাড়িতে বসে থাকা কাউকে এক নাগারে গুলি করতে থাকে। পরে জানা যায় সাদা গাড়িতে ছিলেন রাজু ঝা। তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে দুষ্কৃতীরা। হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাজুকে মৃত বলে চিকিৎসকরা ঘোষণা করেন। বর্ধমান শহর থেকে অনতি দূরে আমড়ায় জাতীয় সড়কের দুধারে ল্যাংচার দোকানের সামনের এই ঘটনা ঘটেছে ১ এপ্রিল। তারপর ৯ দিন কেটে গিয়েছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। খুনিদের গাড়ি ঝাড়খন্ডের দিক থেকে এসেছে সেই সিসি টিভি ফুটেজও সামনে এসেছে। ঝাড়খন্ডে পুলিশ খুনিদের ধরতে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনও একজনও দুষ্কৃতী ধরা পড়ার খবর মেলেনি।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
দেশ

শ্রদ্ধাকে খুনের পর দেহ ৩০ টুকরোই, রোমহর্ষক খুনের ৬,৬২৯ পাতার চার্জশিট পেশ

দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়াকারের রোমহর্ষক খুনের ঘটনার তদন্ত শেষ করেছে দিল্লি পুলিশ। গায়ে কাঁটা দেওয়া ওই খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল সারা দেশ। হতবাক হয়েছে দেশবাসী। অভিযোগ, খুন করেই ক্ষান্ত হয়নি অপরাধী। তাঁর লিভ-ইন-পার্টনার মৃতদেহ কেটে একাধিক টুকরো করেছিল। শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যা মামলায় মোট ৬,৬২৯ পাতার চার্জশিট আদালতে পেশ করছে দিল্লি পুলিশ। সূত্রের খবর, ওই চার্জশিটে বলা হয়েছে, গত বছরের মে মাসে লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুন করেছে আফতাব পুনাওয়ালা। হত্যার করে শ্রদ্ধার দেহ টুকরো টুকরো করে দেহাংশগুলো ফেলে এসেছিল কাছের জঙ্গলে। কেন খুন করা হয়েছে সেই কারণও বলা হয়েছে চার্জশিটে। তদন্তকারীদের অনুমান, পুরোনো এক বন্ধুর শ্রদ্ধার দেখা হওয়াই কাল হয়েছিল। ওই সাক্ষাতের পর ১৮ মে আফতাব ও শ্রদ্ধার মধ্যে মারপিট হয়। তারপরই শ্রদ্ধাকে নৃশংস ভাবে খুন করে আফতাব।দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার(সাউদার্ন রেঞ্জ) মিনু চৌধুরী বলেন, শ্রদ্ধা তাঁর এক পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফিরেছিল। আফতাব এই ঘটনায় হতাশ হয়ে পড়ে। সে শ্রদ্ধার সঙ্গে মারামারি করে। এই সময়ই রাগের বশে শ্রদ্ধাকে খুন করে আফতাব। চার্জশিটে মোট ১৫০ জন সাক্ষীর উল্লেখ করা হয়েছে। শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছিল আফতাব। তারপর নিজের লিভ-ইন পার্টনারের দেহ সে ৩০ টুকরো করে। সেই দেহাংশগুলোই মেহরৌলির জঙ্গলে ফেলে দিয়ে এসেছিল আফতাব। চার্জশিটে আফতাবের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারা (খুন), ২০১ ধারা (প্রমাণ নষ্ট)-র অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ।এই মামলার তদন্তে পুলিশ মোট ৯টি দল গঠন করেছিল। গঠন করা হয়েছিল বিশেষ তদন্তকারী দলও। পুলিশকে তদন্তের কারণে ছুটতে হয়েছে হিমাচল প্রদেশ, দিল্লি, হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন জায়গায়। পুলিশ জানিয়েছে, এই মামলার তদন্তে ডিএনএ টেস্ট, নার্কো টেস্ট, ভয়েস অ্যানালাইসিস এবং মুখমণ্ডল পরীক্ষাও করা হয়েছে। মোবাইল, ল্যাপটপ, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ এবং ফোনের কল ডিটেলসেও চার্জশিটে উল্লেখ করেছে পুলিশ।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজ্য

কেতুগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুন, এর পিছনে কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না বালির কারবার?

সাতসকালে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ভরা বাজারেই লুটিয়ে পড়ল তৃণমূল কর্মী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল। এই ঘটনার পর এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের আমগরিয়া এলাকার জনবহুল বাজারে। মৃতের নাম দুলাল শেখ (৪৫)। এই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বালির কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মৃতের বাড়ি কেতুগ্রামের রতনপুরের পীড়তলা এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ দলের অন্তর্কলহে খুন হয়েছেন দুলাল।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুলাল শেখ বালির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল, পাশাপাশি ঠিকাদারিও করতেন। তবে এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত, পরিচিতিও আছে। পরিবার সূত্রে খবর, এদিন সকালে আমগরিয়ায় গিয়েছিলেন কোনও কাজে। সেখানেই বাজারে বসে গল্প করতে করতে চা খাচ্ছিলেন। তখন হঠাৎ করে বাইকে চেপে এসে কেউ বা কারা তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি ছোঁড়া হয়। ঘটনাস্থলেই দুলালের মৃত্যু হয়। সাতসকালে ভরাবাজারে প্রকাশ্যে জনবহুল এলাকায় শুটআউটের ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা।পুলিশ তদন্ত করে দেখছে ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটল। বালি ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টাই কি কাল দুলালের? তা নিয়েও জল্পনা চলছে। গোষ্ঠী কোন্দলের অভিযোগ করেছে বিজেপি।জেলা পুলিশ সুপারকামনাশী সেন নিজে ঘটনাস্থলে তদন্তে গেছেন। পুলিশ সুপার জানান, কেস রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। খুনিদের সন্ধানে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের সন্ধান পাওয়ার জন্য জেলা ও ভিন জেলার সঙ্গে সংযোগকারী বিভিন্ন সড়কপথে পুলিশি নাকা চেকিং শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেব টুডু বলেন, কি কারনে এমন ঘটনা ঘটলো সেটা আমাদের কাছে এখনো পরিষ্কার নয়, পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। তৃণমূল কর্মী খুনের পর থেকে পুরো এলাকা থমথমে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
রাজ্য

বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্তের মৃত্যু রহস্য খতিয়ে দেখতে সিবিআইয়ের দুঁদে কর্তা কলকাতায়

বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা খতিয়ে দেখতে কলকাতায় এলেন সিবিআই এর অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। মঙ্গলবার দমদম এয়ারপোর্ট থেকে তিনি সরাসরি এলেন সিজিও কমপ্লেক্সে। বগটুই-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েই বিরাট প্রশ্ন উঠেছে। লালনের স্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। কলকাতায় সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন অজয় ভাটনগর।সিবিআই হেফাজতে বগটুই-কাণ্ডে কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য। বিক্ষোভ চলেছে রামপুরহাট সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে। হেফাজতে থাকাকালীন কীভাবে লালনের মৃত্যু হল? তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। সিবিআইয়ের দাবি, গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে লালন সেখ। তবে কেন্দ্রীয় সংস্থার এই দাবি মানতে নারাজ তাঁর পরিবার। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলও লালন শেখের মৃত্যুর তদন্তের দাবি জানিয়েছে। খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে সিবিআইকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন।নিজেদের হেফাজতে মূল অভিযুক্তের মৃত্যু ঘিরে বেশ বেকায়দায় সিবিআই। লালন-মৃত্যুর প্রতিবাদে আজ দিনভর বোলপুরে সংস্থার অস্থায়ী ক্যাম্পের বাইরে চলে দফায়-দফায় বিক্ষোভ, চলতে থাকে অশান্তি। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভের আঁচ আছড়ে পড়ে কলকাতাতেও। এপিডিআর কলকাতার নিজাম প্যালেসের সিবিআই অফিসের সামনের রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায়। এক কথায় বগটুই কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু ঘিরে সিবিআইয়ের ওপর দায় ঠেলছে অনেকেই।সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন বগটুই-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর বক্তব্য, সিবিআই যদি এত সিরিয়াস, তাহলে কীভাবে হেফাজতে থাকাকালীন একজনের মৃত্যু হল? এই ঘটনায় মঙ্গলবার মেঘালয়ের শিলঙে সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার বীরভূমে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যু হয় ভাদু শেখ খুন পরবর্তী বগটুই গ্রামে হিংসার ঘটনায় সম্প্রতি গ্রেফতার হয় লালন। এই গটনায় এফআইআর দায়ের করেছেন লালনের স্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

মদ্যপ ভাইয়ের অত্যাচারে অতিষ্ট দাদার হাতে খুন ভাই!

মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে অশান্তি প্রতিবাদ করায় দাদার হাতে খুন হল ভাই। বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বোহার গ্রামে। মৃতের নাম মাধাই প্রামাণিক (৪৪)। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দাদা জগাই প্রামাণিক পলাতক।বাবা উদয় প্রামাণিক বলেন, বড়ছেলে জগাই প্রায়শই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে স্ত্রী ও বাবা মায়ের সঙ্গে অশান্তি করে। বুধবারও সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি শুরু করে নেশাগ্রস্ত জগাই। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি থামাতে গেলে বয়স্ক বাবা ও মাও আক্রান্ত হন মদ্যপ ছেলেটা জগাইয়ের কাছে। প্রতিবাদ করে ভাই মাধাই।তখনকারমতো অশান্তি মিটে গেলেও গভীররাতে পিছন থেকে মাধাইয়ের মাথায় ভারীবস্তু দিয়ে আঘাত করে জগাই।ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পরে মাধাই। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে কালনা মহকুমা হাসপাতাল ও পরে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে। খুনের মামলা রুজু করে মেমারি থানার পুলিশ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

নভেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল কালনায়

এদিন শনিবার বিকেলে কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় ঘরের মধ্যেই হঠাতই গলা কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃত ওই ব্যক্তির নাম উৎপল গুপ্ত (8৯) বাড়ি কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। মৃতের পরিবার পরিজনদের দাবি তিনি প্রতিদিনই প্রচণ্ড নেশা করতেন। এদিনও বিকেলে বাড়ি থেকে নেশা করবে বলে মোটরবাইকের চাবি নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময় হঠাৎই তাঁর ছেলে মোটরবাইকের চাবিটি কেড়ে নেয়, তারপরই ঘর থেকে একটি বিকট শব্দ এলে পরিবারের লোকেরা দেখতে পায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন উৎপলবাবু। এরপরই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। স্থানীয় মানুশে খবর দেওয়ায় ঘটনাস্থলে হাজির হয় কালনা থানা পুলিশ। মৃতের ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কালনা থানায় নিয়ে যায় কালনা থানা পুলিশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতার মদতে মারধর করে খুনের অভিযোগ মৃতার পরিবারের

পারিবারিক বিবাদের জেরে স্ত্রী ও শ্বাশুড়িকে মারধরের অভিযোগ পূর্ব বর্ধমানের আলুডাঙ্গা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী শেখ ফিরোজের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় শ্বাশুড়ি আজো রাউতের মৃত্যু ঘটেছে। তার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, মারধর করেই তাকে খুন করা হয়েছে। অন্যদিকে এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা শিবশঙ্কর ঘোষের হাত আছে বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি করেন। যদিও শিবুবাবু এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমানের লোকো এলাকায়।পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ গতকাল তাদের জামাই ভাগ্নেকে নিয়ে মদ্যপ অবস্থায় তাদের বাড়ি আসে। এসে সে ডিভোর্সের মামলা করার জন্য হম্বিতম্বি করতে থাকে। একইসঙ্গে নিজের স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। তাকে বাঁচাতে ছুটে এলে শ্বাশুড়িকে ভীষণভাবে মারে। তার জেরেই তিনি মারা যান বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি।মৃতার মেয়ে ও তার ভাই জানায়, বেশ কয়েকবছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়েতে পণ ও দানসামগ্রী সব দিয়েও জামাইয়ের মন পাওয়া যায়নি। সে মদ্যপ অবস্থায় স্ত্রীকে লাগাতার নির্যাতন করতো। উপায়ান্তর না দেখে মেয়েটি ছেলেমেয়েকে নিয়ে লোকো নেপালী পল্লীতে বাপের বাড়ি চলে আসে। পরে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করা হয়। তাদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা শিবু ঘোষ বারবার তাদের ডেকে হুমকি দিয়েছেন। অভিযোগ তুলে নেবার চাপ দিয়েছেন। এমনকি অফিসে ডেকেও ভয় দেখিয়েছেন। এছাড়াও তার হস্তক্ষেপেই স্থানীয় পার্টি অফিসে গিয়েও সুবিচার পাননি তারা। তাদের দাবি অভিযুক্ত শেখ ফিরোজ শিবু ঘোষের অনুগামী। তার উস্কানিতেই সে এত বড় ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে শেখ ফিরোজকে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা শিবশঙ্কর ঘোষ জানান, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। তার অফিসে বা পার্টি অফিসে কোনো মিটিং হয়নি। পরিবারের সদস্যরা শেখ ফিরোজের চরম শাস্তি দাবি করেছেন।

অক্টোবর ০২, ২০২২
রাজ্য

সব্জী ব্যবসায়ী মায়ের অনুপস্থিতিতে মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু বর্ধমানের রসুলপুরে

এক নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন রাস্তা এলাকায়। মেয়েটির বয়স মাত্র সতেরো। তার মা ও এলাকাবাসীর ধারণা, তাকে কেউ খুন করেছে। পুলিশ খুনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। জেলা পুলিশসুপার জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে ফরেন্সিক টিমের সাহায্য নেওয়া হবে।পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর রেল গেটের কাছে নতুন রাস্তা এলাকায় মৃতার বাড়ি। তার মা দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে থাকেন। প্রতিদিন ভোরে তিনি সব্জি আনতে মেমারি যান। আজ ও মেয়েকে বলেই বেরোন। মেয়েকে জানিয়ে বাইরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে যান। আলোও জ্বালা ছিল। সকাল ৭ টা বাজতে ১০ মিনিট আগে তিনি ফিরে আসেন। তিনি ও তার ভাইপো গিয়ে দেখেন মেয়ের কোনো সাড় নেই। বালিশ টা একপাশে পড়ে আছে। মুখটা কিছুটা ফোলা। তাদের চিৎকারে এলাকার মানুষ ছুটে আসেন। এসে দেখা যায় মেয়েটি মৃত। এরপর পুলিশ আসে। উত্তেজিত এলাকাবাসী মৃতদেহ নিয়ে যেতে বাঁধা দেন। তাদের বুঝিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠায় পুলিশ।এলাকায় এসেছেন জেলা পুলিশসুপার কামনাশীষ সেন সহ পুলিশের টিম।জেলা পুলিশসুপার জানান; ঘটনাটি সকালের দিকেই ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তারা ফরেন্সিক টিম ডেকেছেন।মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমেছে। এর কিনারা করবেই পুলিশ।মৃতা মেয়েটি বৈদ্যডাঙ্গা গার্লস স্কুলে পড়তো। তার মৃত্যতে শোকের ছায়া এলাকায়।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

শিশু খুন, অ্যাসবেস্টসের ছাউনির ওপর মিলল দেহ, ধৃত প্রতিবেশী মহিলা

দুদিন নিখোঁজ থাকার পর মঙ্গলবার বেলার দিকে বাড়ি পাশেই উদ্ধার হল শিশুর মৃতদেহ। এই ঘটনার পর অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজত জনতা। এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত মহিলা রুবি বিবিকে আটক করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন থানার মোলডাঙা এলাকার বাসিন্দা শম্ভু ঠাকুর ও মমতা ঠাকুরের দুই সন্তান। বড় ছেলে সুপ্রিয় ঠাকুর (১০) এবং ছোট ছেলে শিবম (৫)। শম্ভু পেশায় নাপিত। ফলে পেশার তাগিদে প্রতিদিন সকালে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তবে মমতাদেবী বাড়িতেই থাকেন। রবিবার সকালে শিবম বাড়ির ঢিল ছোড়া দুরত্বে বিস্কুট কিনতে বেড়িয়েছিল। তারপর থেকেই সে নিখোঁজ হয়ে যায়। ওই দিন রাতে পুলিশ কুকুর নিয়ে তল্লাশি চালিয়েও তার খোঁজ পায়নি পুলিশ। এরপরেই মঙ্গলবার বেলার দিকে প্রতিবেশী রুবি বিবির বাড়ির অ্যাসবেস্টস ছাউনির উপর থেকে কালো ত্রিপল দিয়ে মোরা পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়াই এলাকায়। এলাকার মানুষ রুবি বিবির ভাংচুর করার পাশাপাশি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালেই রুবি বিবি ওই শিসুটিকে হাট ধরে টেনে বাড়ির মধ্যে নিয়ে গিয়ে গলা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে খুন করে। ওইদিন গ্রামের মন্দিরে পুজোর জন্য লোকজন থাকায় মৃতদেহ সরাতে পারেনি। ফলে প্রথমে একটি গামছায় জড়িয়ে তার উপর কালো ত্রিপল দিয়ে বেঁধে দেহ ছাউনির উপর তুলে রাখে। এদিকে শিশুর নিখোঁজ খবরের পর থেকেই গ্রামে পুলিশের আনাগোনা শুরু হয়। গ্রামবাসীরাও চারিদিকে নজর রাখতে শুরু করে। ফলে দেহ সরিয়ে ফেলতে পারেনি রুবি বিবি। এদিন দুপুরে এলাকার মানুষ গলা পচার গন্ধ পায়। তারপরেই রুবির বাড়ির অ্যাসবেস্টসের ছাউনিতে প্রচুর মাছি উড়তে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে একা রুবি নয়, আরও কেউ যুক্ত রয়েছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শিশুর বাবা শম্ভু ঠাকুরের সেলুনে কাজ করতেন হাবল বাউরি নামে এক যুবক। তার সঙ্গে রুবি বিবির অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। এমনকি রুবি তাকে বিয়ে করতে চাইলে তাতে আপত্তি জানায় শম্ভু। সেই থেকেই শম্ভুর সঙ্গে আক্রোশ হয় রুবির। তারই বদলা নিতে শিশুকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি প্রতিবেশীদের।জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি বলেন, রবিবার থেকে ওই শিশু নিখোঁজ ছিল। দুপুরের দিকে স্থানীয় থানায় পরিবার অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই আমরা ছয়টি দল গঠন করে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। এলাকার মানুষকে নিয়ে সমস্ত বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কিন্তু খোঁজ পাওয় জায়নি। কুকুর নিয়ে এসেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সোমবার সকালে দুই কিলোমিটার এরিয়ায় তল্লাশি চালানো হয়। এমনকি সোনাঝুড়ির জঙ্গলেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। মৃতদেহের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে। মহিলাকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের কারণ জানার চেষ্টা করা হবে। উত্তেজনা থাকায় গ্রামের ছয়টি জায়গায় পুলিশ পিকেট মোতায়েন করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

ভাদু শেখ খুনের মামলায় গ্রেফতার সোনা শেখ

ভাদু শেখ খুনে অন্যতম অভিযুক্ত সোনা শেখকে গ্রেফতার করল সিবিআই। সোমবার তাকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতের বিচারক চার দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন।চলতি বছরের ২১ মার্চ রাত্রি সাড়ে আটটা নাগাদ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে রামপুরহাট থানার বগটুই মোড়ে বোমা মেরে খুন করা হয় বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান, তৃণমূল নেতা ভাদু শেখকে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পুলিশ জানতে পারে দুটি মোটর বাইকে চার দুষ্কৃতী তাকে কাছ থেকে বোমা মেরে খুন করে। এদিকে ভাদু শেখ খুনের বদলা নিতে সোনা শেখের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। আগুনে আট জনের মৃত্যু হয়। সেই তালিকায় ছিল সোনা শেখের স্ত্রী রুপালী বিবি। ওই মামলায় ভাদু শেখের পরিবার ১০ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ঘটনার পরেই পুলিশ ছয়জনকে গ্রেফতার করে। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে দুটি হত্যা মামলা সিবিআইয়ের হাতে আসতেই ভোল পাল্টে যায়। চার্জশিটে ধৃত পাঁচ জনের নাম না থাকায় আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করে। শুধুমাত্র শেখ সঞ্জুকে ভাদু খুনে সাব্যস্ত করে সিবিআই। ধৃত সোনা শেখের নাম ভাদুর পরিবারের অভিযোগ তালিকায় থাকলেও সিবিআইয়ের প্রথম চার্জশিটে ছিল না বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে। পরবর্তী চার্জশিটে সোনা শেখের নাম ঢোকায় সিবিআই। তাকে রবিবার সিউড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার তাকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে সিবিআইয়ের আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক ধৃতকে চারদিনের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।সরকারি আইনজীবী সুরজিত সিনহা বলেন, প্রথম সিবিআইয়ের চার্জশিটে সোনা শেখের নাম ছিল না। পরবর্তীতে তার নাম ঢোকান হয়। সিবিআই মনে করেছে ভাদু শেখ খুনের সঙ্গে সোনা শেখের যোগসাজশ রয়েছে। তাই তাকে সাতদিন হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিল। বিচারক চারদিন মঞ্জুর করেছেন।অভিযুক্তর পক্ষের আইনজীবী আব্দুর বাড়ি বলেন, সোনা শেখকে রামপুরহাটের আশেপাশে থেকে ধরা হয়েছে। তার নাম এফআইআর তালিকায় দ্বিতীয়তে ছিল। তবে সিবিআই তদন্তে নেমে ভাদু খুনের সঙ্গে তার যোগসাজশ না পেয়ে চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দিয়েছিল। পরবর্তীতে তদন্তের স্বার্থে সিবিআই তার নাম ঢোকায়।সোনা শেখের নিকট আত্মীয় মিহিলাল শেখ বলেন, উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে সোনা শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তবে সিবিআইয়ের তদন্তে আমাদের আস্থা রয়েছে। তারা তদন্ত করে দেখুক। যদি সোনা শেখ দোষী হয় তাহলে সাজা পাবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

ফের খুন পানিহাটিতে! বন্ধুদের মধ্যে মদ্যপানে বচসা,তার জেরে চার বন্ধু মিলে গলার নলি কেটে গঙ্গার চড়ে পুতে দেওয়ার অভিযোগ,গ্রেপ্তার চার

যানা যায়, পানিহাটি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পিভি গঙ্গার ঘাটে ৫ বন্ধু মিলে মদ্যপান করছিল, সেই সময় ভান্ডারী নামে এক বন্ধু বাকি চার বন্ধুর সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। বচসা চলাকালীন চার বন্ধু মিলে ভান্ডারী নামের যুবককে গলার নলি কেটে গঙ্গার মাটির চরে পুঁতে দেয় এমনটাই অভিযোগ। সকালে এসে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পায় গঙ্গায় মৃতদেহ, তারপর খড়দহ থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়।খুনের তদন্তে নেমে খরদা থানার পুলিশ ঘটনার সাথে যুক্ত চার অভিযুক্তকে মুস্তাক, সূর্য, লাল্লু ও নিবেদকে বেলঘড়িয়া কামারহাটি ও আগরপাড়া অঞ্চল থেকে খুনে ব্যবহৃত চপার সহ গ্রেপ্তার করে। আজ অভিযুক্তদের ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে। খুনের ঘটনায় এলাকায় মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

বাগুইআটির পর ইলামবাজার, অপহরণের পর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র খুন

পাথর ব্যবসায়ীর ছেলেকে অপহরণ করে খুন করার অভিযোগ উঠল। আসানসোল পলিটেকনিক কলেজের ছাত্রের গলাকাটা ক্ষত-বিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় বীরভূমের ইলামবাজারের জঙ্গলে। জানা গিয়েছে, ছাত্রের বাবার কাছে ৩০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে ফোন এসেছিল। মৃতের ছাত্রের বন্ধু সালমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।বাগুইআটির দুই মাধ্যমিক ছাত্রকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় তোলপাড়। তারপর ইলামবাজারে ক্ষত-বিক্ষত ছাত্রের দেহ মিলল। শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ হয় আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারংয়ের ছাত্র সৈয়দ সালাউদ্দিন। তারপর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ মুক্তিপন চেয়ে ফোন আসে তার বাবার কাছে। পুলিশকে পুরো বিষয়টা জানায় সালাউদ্দিনের বাবা। অপহরণকারীরা পুলিশকে জানাতে নিষেধ করেছিল। অপহরণকারীরা জানিয়েছিল, তারা দুর্গাপুরে আছে। ইলামবাজারের দিকে যাচ্ছে। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রের মৃতদেহ মেলে। ঘটনাস্থল থেকে ১০০ মিটির দূরে মোটর বাইক মিলেছে। পুলিশ মনে করছে, একেবারে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। পুলিশ জেনে যাওয়ায় তড়িঘড়ি খুন করা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছে, অপহরণকারীরা ছাত্রের ঘনিষ্ঠ বা কাছের কেউ এই কাণ্ডে সহযোগিতা করেছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে খুন আউশগ্রামে, স্বীকার অভিযুক্তর

পরকীয়ার জেরেই খুন করেছে স্বীকার করলো অভিযুক্ত। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই রাগের বশে সাদেক শেখকে খুন করেছে পুলিশের কাছে একথা জানাল পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামে খুনের ঘটনায় ধৃত চন্দন মেটে। ধৃত শুক্রবার দাবি করে তার স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল সাদেক শেখের। বারবার নিষেধ সত্বেও সাদেক শোনেনি। তাই রাগের বশেই তাকে কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে মেরেছিলাম। মরে যাবে বুঝতে পারিনি।যদিও নিহতের স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগপত্রে জানান,পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বচসার জেরেই চন্দন মেটে তার স্বামী সাদেক শেখকে পরিকল্পনা মাফিক খুন করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চন্দন মেটেকে আটক করার পর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাকে বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়। আদালত ধৃতকে ৭ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যায়।বৃহস্পতিবার বিকেলে আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামের মেটেপাড়ার কাছে সাদেক শেখকে রক্তাক্তবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। বীরভূমের সিয়ান হাসপাতালে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয়। পেশায় কৃষক সাদেক শেখ। স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন তার স্বামী চন্দনকে ২০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। ওই টাকা বৃহস্পতিবার বিকেলে চাইতে গিয়েছিলেন তার স্বামী সাদেক শেখ। টাকা দিতে অস্বীকার করলে সাদেকের সঙ্গে চন্দনের বচসা হয়। চন্দন তখন হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। গোলেনূর শেখ জানান তারপর চন্দনের বাড়ি থেকে সাদেক বেড়িয়ে এসে যখন ভেদিয়া দীননাথপুর মালিয়াড়া রাস্তায় উঠছিলেন তখন চন্দন পিছন থেকে ভারী বস্তু দিয়ে সাদেকের মাথায় আঘাত করে।যদিও এদিন ধৃত চন্দন বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে সাদেক শেখের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। আমার স্ত্রীকে লজে নিয়ে যেত। আমি না থাকা অবস্থায় বাড়িতেও যেত। বৃহস্পতিবার বাড়ি ঢুকেই দেখি সাদেক আমার ঘর থেকে বেড়িয়ে আসছে। তখন রাগের মাথায় কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে পিঠে আঘাত করতে গিয়েছিলাম। মাথায় লেগে গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

বাগুইআটির দুই ছাত্র খুনে অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র পুলিশের জালে

বাগুআটির দুই কিশোর হত্যার ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার হল মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীকে। দীর্ঘ টানাপড়েন, ক্ষোভ-বিক্ষোভ, পুলিশ কর্তা সাসপেন্ডের পর বিধাননগর পুলিশের হাতে শুক্রবার সকালে হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে গ্রেফতার বাগুইআটি খুনের মূল অভিযুক্ত৷ সূত্রের খবর, ফোনের টাওয়ার লোকেটেড করেই তার সন্ধান পায় পুলিশ৷ অভিযুক্ত বারবার লোকেশন বদবাচ্ছিল, হাওড়া থেকে ট্রেন ধরে ভিন রাজ্যে পালানোর পরিকল্পনা ছিল সত্যেন্দ্রর৷ আদতে সে বিহারের বাসিন্দা। শেষমেষ তার কিন্তু সেই ইচ্ছা আর সফল হল না৷ অভিযুক্তের ফাঁসি চাইছে, মৃত ছাত্রদের পরিবারের সদস্যরা৷অতনু দে ও অভিষেক নষ্করকে এই সত্যেন্দ্রই খুন করেছে বলে দুই পরিবারের তরফে অভিযোগ কা হয়েছে। অভিযোগ, এই সত্যেন্দ্রই ২২ আগস্ট দুই পড়ুয়াকে মোটর বাইক কেনার জন্য নিয়ে যায়। অতনু দে এবং অভিষেক নস্করকে শ্বাস রোধ করে খুন করে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাট পর নহু দিন পলাতক ছিলেন সত্যেন্দ্র।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে এক ব্যক্তিকে টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ

টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে পিটিয়ে এক ব্যক্তিকে খুন করার অভিযোগ উঠলো পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামে খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের নাম সাদেক শেখ(৩৮)। ওই ঘটনায় এক মহিলা সহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। যান পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন সহ পুলিশ আধিকারিকরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে পুরানো রাগের জেরেই সাদেক শেখকে খুন করা হয়েছে।পেশায় কৃষক ছিলেন সাদেক শেখ। তিনি আমিনের (জমি পরিমাপ) কাজও করতেন। নিহতের ভাই সঞ্জয় শেখ জানান তার দাদা সাবমার্সিবল পাম্পের সেচখরচা বাবদ টাকা আদায় করতে গ্রামের কয়েকজনের কাছে গিয়েছিলেন। মেটেপাড়ায় চন্দন মেটের বাড়ির সামনে দিয়ে যাবার সময় সাদেককে আচমকা টিউবওয়েলের লোহার হাতল দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। লুটিয়ে পড়েন সাদেক। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বীরভূমের সিয়ান হাসপাতালে নিয়ে যান। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। সঞ্জয় শেখের অভিযোগ, পুরানো কোনও রাগের কারণেই তার দাদাকে চন্দন মেটে খুন করেছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ চন্দন, তার স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
কলকাতা

বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে সিসিটিভি ফুটেজ বড় ভুমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে সিআইডি

গতকাল সন্ধায় বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে ভাঙ্গড় থানার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখলেন CID তদন্তকারী অফিসারেরা। বাগুইয়াটি জোড়া কাণ্ডে বাসন্তী হাইওয়ের ঘটকপুকুর সহ ভাঙ্গড় থানা এলাকার একাধিক মোড়ের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তিনজনার একটি CID টীম। তাঁরা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্তে আসতে চাইছেন সেদিন কোন জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে। এখনও অবধি মুল অভিযুক্ত অধরা।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

স্বামীর খুনের আসামী ছাড়া পাওয়ায়, আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন অনুপম দত্তের স্ত্রী

এদিন আদালত থেকে মূল অভিযুক্ত বাপি পণ্ডিতের জামিনের খবর এলাকায় জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। তারা একজোট হয়ে রাত পৌনে দশটা নাগাদ আগরপাড়া তেঁতুলতলা মোড়ে বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকে। এদিকে জামিন পাওয়ার ঘটনার খবরে বিক্ষোভ চলাকালীনই অনুপম দত্তের স্ত্রী তথা ওই ওয়ার্ডের পৌরমাতা মীনাক্ষী দত্ত তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তার মায়ের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাকে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিক্ষোভকারী বলেন, যদি বাপিকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন ।এখানে উল্লেখ্য, ১৩ মার্চ ২০২২ অনুপমের বাড়ি থেকে সামান্য দূরে, আগরপাড়া স্টেশন রোডে স্কুটারে ওঠার মুহুর্তে এক দুষ্কৃতী কয়েক হাত দূর থেকে অনুপমকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তৎকালীন পানিহাটি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপমের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । সেই রাতের মধ্যে গ্রেফতার হয় অমিত পণ্ডিত। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে আসে, খুনের সুপারি দিয়েছিল বাপি। জানাযায় এর আগে অন্য এক দুষ্কৃতীকে অনুপমকে মারা জন্য সুপারি দেইয়েছিল বাপি, সে কাজটি না করায় পুর ভোটের ঠিক পরেই অমিতকে কাজে লাগায়। সেই ঘটনার পরেই অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী ও আত্মীয় পরিজনেরা দোষীদের চরম শাস্তির দাবি করে আসছিলেন। এমতবস্থায় বাপি জামিন পেয়ে গেলে তাঁদের কোনও ক্ষতি হতে পারে সেই আশঙ্কায় মীনাক্ষী ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ৩০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিদেশি প্রতিযোগীদের টেক্কা দিয়ে সাফল্য, আন্তর্জাতিক ক্যারাটে মঞ্চে গুসকরার জয়জয়কার

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ফের উজ্জ্বল হল পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার নাম। কলকাতার নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দশম আন্তর্জাতিক ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সাফল্য পেল গুসকরার একটি ক্যারাটে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বিদেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়াই করে একসঙ্গে ৩১টি পদক জয় করেছেন এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ১৬ জন প্রতিযোগী।গত ৩১ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় গুসকরার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগীরা মোট ৩১টি ইভেন্টে অংশ নেন। তাঁদের ঝুলিতে এসেছে ৫টি স্বর্ণ, ৮টি রৌপ্য এবং ১৮টি ব্রোঞ্জ পদক। এই সাফল্যের পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে গুসকরা জুড়ে।স্বর্ণপদক জয়ীদের মধ্যে রয়েছেন শ্রেয়াঙ্ক মুর্মু, অন্যরা সাউ, সৌরদীপ অধিকারী এবং অরণ্যা দত্ত। তাঁদের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাকি প্রতিযোগীরাও বিভিন্ন ইভেন্টে সাফল্য অর্জন করে গুসকরার ক্রীড়াক্ষেত্রকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন।আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিযোগীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা-সহ সাতটিরও বেশি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেন। ফলে এমন একটি প্রতিযোগিতার মঞ্চে গুসকরার খেলোয়াড়দের এই সাফল্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন জেলার ক্রীড়ামহলের সঙ্গে যুক্তরা।প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্ণধার তথা প্রধান প্রশিক্ষক সেনসাই পার্থ সারথী পাল বলেন, গুসকরা থেকে এই প্রথম এত সংখ্যক প্রতিযোগী আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য অর্জন করল। তাঁর মতে, ক্যারাটেকে শুধুমাত্র পদক জয়ের খেলা হিসেবে দেখলে চলবে না। শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো, আত্মরক্ষার কৌশল শেখানো, শৃঙ্খলাবোধ তৈরি, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তোলাই এই খেলার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।অভিভাবকরা যদি সেই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সন্তানদের ক্যারাটে প্রশিক্ষণে উৎসাহিত করেন, তাহলে আগামী দিনে আরও বহু প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।এলাকার ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, গুসকরার এই সাফল্য কোনও একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাফল্য নয়। এটি গোটা পূর্ব বর্ধমান জেলার গর্ব। আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুসকরার খেলোয়াড়দের এই নজরকাড়া পারফরম্যান্স আগামী দিনে জেলার ক্যারাটে চর্চাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দেরও আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের মেলে ধরার ক্ষেত্রে এই সাফল্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘মেসি’ হয়ে ওঠার নেপথ্যের মানুষ আর নেই, প্রয়াত জর্জ মেসি

৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন লিওনেল মেসির বাবা জর্জ মেসি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে মেসির পরিবারের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ফুটবল মহলেজর্জ মেসি শুধু লিওনেল মেসির বাবা ছিলেন না, ছেলের দীর্ঘদিনের এজেন্ট ও পরামর্শদাতাও ছিলেন। মেসির ফুটবলজীবনের শুরু থেকে তাঁর পাশে ছিলেন জর্জ। ছেলের প্রতিভার উপর আস্থা রেখে ছোটবেলা থেকেই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি।রোজারিওতেই ছোটবেলায় ফুটবলের হাতেখড়ি হয়েছিল মেসির। নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের যুব দলে খেলার সময় তাঁর প্রতিভা নজর কাড়ে। শারীরিক বৃদ্ধির জন্য হরমোনের চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল মেসির। সেই পরিস্থিতিতে ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে জর্জই তাঁকে নিয়ে স্পেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে বার্সেলোনায় মেসির ফুটবলজীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।ছেলের সঙ্গে বার্সেলোনায় থেকেছেন জর্জ। মেসির পেশাদার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলির সঙ্গেও জড়িয়ে ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সাঁ জাঁ এবং ইন্টার মায়ামিমেসির ক্লাবজীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বাবার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।শুধু ফুটবল নয়, মেসির ব্যক্তিগত জীবনেও বাবার প্রভাব ছিল গভীর। কঠিন সময়েও জর্জ ছেলের পাশে থেকেছেন। তাই মেসির জীবনে জর্জ ছিলেন একইসঙ্গে বাবা, অভিভাবক, পরামর্শদাতা এবং দীর্ঘদিনের পেশাদার প্রতিনিধি।চলতি বছর বিশ্বকাপের সময় থেকেই জর্জের অসুস্থতার খবর সামনে আসতে শুরু করেছিল। মেসিও একসময় জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত জীবনের নানা কারণে তিনি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। পরে দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই শেষ হল জর্জ মেসির।মেসির ফুটবলজীবনের উত্থানের সঙ্গে জর্জের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ছেলের প্রতিভায় বিশ্বাস রেখে যে মানুষটি তাঁর পথচলার শুরু থেকে পাশে ছিলেন, তাঁর প্রয়াণে মেসির জীবনে তৈরি হল এক গভীর শূন্যতা। ফুটবল দুনিয়াতেও নেমে এসেছে শোকের আবহ।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
ভ্রমণ

সিকিমের অফবিট সৌন্দর্যে মুগ্ধ করবে জুলুক থেকে জোংগু, ঘুরে এলে মন চাইবে বারবার

ব্যস্ত শহরের কোলাহল, কর্মব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি আর প্রতিদিনের দৌড়ঝাঁপ থেকে কিছুদিনের জন্য মুক্তি পেতে আমরা কয়েকজন বন্ধু বেরিয়ে পড়লাম ভারতের উত্তর-পূর্বের ছোট্ট অথচ অপরূপ সুন্দর রাজ্য সিকিমের উদ্দেশ্যে। পাহাড়, মেঘ, ঝরনা আর সবুজ প্রকৃতির টানে বহুদিন ধরেই সিকিম আমাদের স্বপ্নের গন্তব্য ছিল।শিলিগুড়ি থেকে গাড়িতে চড়ে যখন সিকিমের পথে যাত্রা শুরু করলাম, তখনই বুঝতে পারলাম এক অন্য জগতে প্রবেশ করতে চলেছি। তিস্তা নদী আমাদের পথসঙ্গী হয়ে বয়ে চলছিল। পাহাড়ের গা বেয়ে আঁকাবাঁকা রাস্তা, দূরে মেঘে ঢাকা পাহাড়ের সারি আর নদীর কলকল শব্দ যেন মনকে এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরিয়ে দিল।গ্যাংটক পৌঁছে আমরা প্রথমেই শহরের পরিচ্ছন্নতা এবং শৃঙ্খলা দেখে মুগ্ধ হলাম। তবে আমাদের আসল লক্ষ্য ছিল সিকিমের কিছু অফবিট বা কম পরিচিত স্থান ঘুরে দেখা। তাই পরদিন সকালে আমরা রওনা দিলাম জুলুকের উদ্দেশ্যে। পূর্ব সিকিমের এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটি পর্যটকদের কাছে এখনও তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত। পথে বিখ্যাত জিগজ্যাগ রোডের ৩২টি বাঁক দেখে আমরা অভিভূত হয়ে গেলাম। পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচের রাস্তা দেখতে যেন বিশাল কোনো শিল্পকর্মের মতো লাগছিল।জুলুকের ঠান্ডা আবহাওয়া আর নিস্তব্ধ পরিবেশ আমাদের মন জয় করে নিল। রাতের আকাশে অসংখ্য তারার মেলা দেখে মনে হচ্ছিল যেন স্বর্গের খুব কাছাকাছি এসে গেছি। শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে এই অভিজ্ঞতা সত্যিই ছিল অসাধারণ।পরের দিন আমরা গেলাম থাম্বি ভিউ পয়েন্টে। ভোরবেলায় সূর্যের প্রথম আলো যখন কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফঢাকা শৃঙ্গে পড়ল, তখন সেই দৃশ্য ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন। সোনালি আলোয় ঝলমল করা পর্বতশ্রেণি আমাদের চোখে এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি হয়ে রইল।এরপর আমরা উত্তর সিকিমের এক সুন্দর অফবিট গ্রাম জোংগুতে পৌঁছালাম। এটি লেপচা সম্প্রদায়ের সংরক্ষিত এলাকা। এখানকার মানুষজন অত্যন্ত আন্তরিক এবং অতিথিপরায়ণ। তাদের সংস্কৃতি, জীবনযাপন এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আমাদের গভীরভাবে মুগ্ধ করল। ছোট ছোট কাঠের বাড়ি, পাহাড়ি ঝরনা এবং সবুজ বনভূমির মধ্যে কয়েকটি দিন কাটিয়ে মনে হলো প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের এক অপূর্ব সহাবস্থান প্রত্যক্ষ করছি।জোংগু থেকে ফেরার পথে আমরা কয়েকটি অজানা ঝরনা এবং ছোট পাহাড়ি গ্রামে থামলাম। প্রতিটি স্থান যেন প্রকৃতির নিজস্ব হাতে সাজানো একেকটি চিত্রপট। কোথাও পাখির ডাক, কোথাও ঝরনার শব্দ, আবার কোথাও শুধুই নীরবতাসব মিলিয়ে সিকিমের প্রকৃতি যেন হৃদয়কে নতুন করে বাঁচতে শেখায়।ভ্রমণের শেষ দিনে আমরা বুঝতে পারলাম, সিকিম শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়; এটি এক অনুভূতির নাম। এখানে পাহাড় শুধু চোখকে নয়, মনকেও ছুঁয়ে যায়। প্রকৃতির এত কাছে এসে জীবনের ছোট ছোট সুখগুলোর মূল্য আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করা যায়।ফেরার পথে গাড়ির জানালা দিয়ে শেষবারের মতো পাহাড়গুলোর দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছিল, সিকিম যেন নীরবে বলছেআবার এসো। আমরাও মনে মনে প্রতিশ্রুতি দিলাম, এই অফবিট সৌন্দর্যের রাজ্যে আবার ফিরে আসব। কারণ সিকিমের মায়া একবার যার মনে জায়গা করে নেয়, তাকে বারবার টেনে নিয়ে যায় তার সবুজ পাহাড়, নীল আকাশ আর মেঘের দেশে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

‘রাজনীতিটাই জটিলতা’, শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর এনডিএ নিয়ে বড় বার্তা দুই সাংসদের

এনডিএ-তে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনার মধ্যেই শনিবার কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করলেন এনসিপিআইয়ের দুই সাংসদ আবু তাহের ও খলিলুর রহমান। বৈঠকের পর এনডিএ নিয়ে তাঁদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন তাঁরা। আবু তাহের জানান, এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে তাঁরা যাবেন না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রাজনীতিটাই জটিলতা। প্রতিদিন জটিলতার মধ্যে দিয়ে চলছি।এনসিপিআইয়ের মোট ২০ জন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠানকে ঘিরেই মূলত জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তিন সাংসদের নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ফলে তাঁদের বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।এই তিন সাংসদ এখনও পর্যন্ত এনডিএ-র বিভিন্ন বৈঠক থেকে দূরে থেকেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকা বৈঠকে তাঁদের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়। তার পরেই শনিবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়।পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন দুই সাংসদ। বৈঠকে তাঁদের রাজ্য এবং নিজ নিজ লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তাঁরা। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন বলে দাবি করেন দুই সাংসদ।বৈঠকের পর আবু তাহের এবং খলিলুর রহমান জানান, তাঁদের উত্থাপিত সমস্যাগুলি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এনডিএ-র সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক বা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা পুরোপুরি থামেনি।বিশেষ করে তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে যে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই আবু তাহেরের এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে যাব না মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী ডাকা বৈঠকে তাঁদের উপস্থিতি এবং তার পরেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎদুই ঘটনাকে পাশাপাশি রেখে রাজনৈতিক মহলও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে পুলিশের অভিযান, দত্তপুকুর থেকে পাকড়াও নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক

নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে-কে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে পাকড়াও করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। শনিবার তাঁকে বারাকপুর আদালতে তোলা হবে।২০২৪ সালের উপনির্বাচনে নৈহাটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন সনৎ দে। তবে তার আগে থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয় সূত্রে তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং জমি দখলের অভিযোগ ছিল বলে জানা যায়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়। এরপর সনৎ দে-র বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের সূত্র ধরেই শুক্রবার রাতে দত্তপুকুরে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই প্রাক্তন বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে গত জুন মাসে জনরোষের মুখেও পড়েছিলেন সনৎ দে। নৈহাটির বিজয়নগরে নিজের বাড়ির কাছে দলীয় কার্যালয় খোলার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ সামনে আসে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা সেই অভিযোগগুলিও খতিয়ে দেখছেন। সব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।শুক্রবার গভীর রাতে গ্রেফতারের পর শনিবার সনৎ দে-কে বারাকপুর আদালতে পেশ করার কথা। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তে পুলিশ কী তথ্য পায় এবং আদালতে কী অবস্থান জানায়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal