• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Modi

দেশ

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের পর বড় ঘোষণা, ভারতেই হবে এশিয়ার সর্ববৃহৎ এআই বিনিয়োগ

মাইক্রোসফট আগামী চার বছরে ভারতে ১৭.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে চলেছে। সংস্থার সিইও সত্য নাদেলা এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, এই বিনিয়োগের লক্ষ্য হলো ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বাজারকে শক্তিশালী করা এবং দেশের এআই-ফার্স্ট ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ও দক্ষতা তৈরি করা।নাদেলা জানিয়েছেন, এই বিনিয়োগ চলতি বছরের শুরুতে ঘোষিত ৩ বিলিয়ন ডলারের উপর ভিত্তি করে করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের শেষের দিকে প্রকল্পের কাজ জোর কদমে শুরু হবে।মাইক্রোসফটের এই ঘোষণা তারই আগে এসেছে, যখন নাদেলা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীও সোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে বিশ্ব ভারতকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে। তিনি বলেন, মাইক্রোসফটের এই বিনিয়োগ ভারতের তরুণদের জন্য বড় সুযোগ এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে তারা পৃথিবীকে আরও উন্নত করতে পারবে।Thank you, PM @narendramodi ji, for an inspiring conversation on Indias AI opportunity. To support the countrys ambitions, Microsoft is committing US$17.5Bour largest investment ever in Asiato help build the infrastructure, skills, and sovereign capabilities needed for pic.twitter.com/NdFEpWzoyZ Satya Nadella (@satyanadella) December 9, 2025ভারতে মাইক্রোসফটের এই ১৭.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা। এটি এশিয়ায় সংস্থার সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরক! বন্দে মাতরম নিয়ে আজ কী কী প্রকাশ করতে চলেছেন মোদী?

লোকসভায় আজ থেকে শুরু হয়েছে বন্দে মাতরম নিয়ে বিশেষ আলোচনা। শীতকালীন অধিবেশনে এই বছর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই ঐতিহাসিক গানের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দুই দিন ধরে সংসদে দীর্ঘ আলোচনা হবে। আজ দুপুর ১২টায় লোকসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও বক্তব্য রাখবেন। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী বন্দে মাতরম নিয়ে বেশ কিছু অজানা ঐতিহাসিক তথ্য সামনে আনবেন।আজ ও আগামীকালমোট ১০ ঘণ্টা এই বিশেষ আলোচনার জন্য নির্ধারিত হয়েছে। শুধু লোকসভাই নয়, রাজ্যসভাতেও তিন ঘণ্টা ধরে এই গানের ওপর আলোচনা হবে। আগামী ৯ ডিসেম্বর রাজ্যসভায় আলোচনার সূচনা করবেন অমিত শাহ। বিরোধীদের মধ্যে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ও গৌরব গগৈ-সহ বহু নেতা বক্তব্য রাখতে পারেন। তৃণমূল কংগ্রেস এই আলোচনাকে সমর্থন জানালেও, কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে এই সময়ে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। তাদের অভিযোগ, দেশজুড়ে যেখানে এসআইআর বিতর্ক ও পশ্চিমবঙ্গে সামনে নির্বাচন, ঠিক তখনই কেন হঠাৎ বন্দে মাতরমকে সামনে আনা হল, তা নিয়ে সন্দেহের জায়গা রয়েছে।১৮৭০-এর দশকে বঙ্কিমচন্দ্র বন্দে মাতরম লেখেন। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় এই গান ছিল সাহস ও ঐক্যের প্রতীক। বহুবার এটিকে জাতীয় সঙ্গীত করার প্রস্তাব উঠেছিল, তবে পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা জনগণমনকে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। বন্দে মাতরমের ছয়টি স্তবক থাকলেও সাধারণত প্রথম দুইটি স্তবকই গাওয়া হয়। ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ১ অক্টোবর থেকে বছরভর উদযাপনের ঘোষণা করেছে।গত ৭ নভেম্বর একটি অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, কংগ্রেস বন্দে মাতরমের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অংশ বাদ দিয়ে রেখেছিল। তাঁর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেও রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

“বন্দে মাতরম নিয়ে আজব বিতর্ক!” লোকসভায় বিস্ফোরক প্রিয়ঙ্কা গান্ধী

বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে দুদিনের আলোচনা শুরু হয়েছে লোকসভায়। আলোচনা চলাকালেই বন্দে মাতরম জাতীয় সঙ্গীত না হওয়া নিয়ে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর পাল্টা সুরেই সোমবার কেন্দ্রকে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। তাঁর অভিযোগ, বন্দে মাতরমকে ভোটের রাজনীতিতে টেনে আনা হচ্ছে, বিশেষ করে বাংলার ভোট সামনে রেখে বিষয়টিকে নতুন করে উসকে দেওয়া হচ্ছে।প্রিয়ঙ্কা বলেন, এই বিতর্ক তাঁকে আজব লাগছে। তাঁর কথায়, দেড়শো বছর ধরে বন্দে মাতরম মানুষের অন্তরে রয়েছে, দেশ স্বাধীন হয়েছে ৭৫ বছর আগে, তাহলে এখন হঠাৎ এই বিতর্ক কেন? তিনি বলেন, মানুষ সংসদের সদস্যদের যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালন করাই আসল কাজ। বন্দে মাতরম দেশের জাতীয় গান, তার উপর বিতর্ক ওঠার কোনও কারণই নেই।তিনি আরও অভিযোগ করেন, এই বিতর্কের পিছনে দুটি উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথমত, সামনে বাংলায় নির্বাচন। আর দ্বিতীয়ত, স্বাধীনতার আন্দোলনে যাঁরা লড়েছেন, শহিদ হয়েছেন, তাঁদের পরোক্ষে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে সরকার। দেশের আসল সমস্যাগুলি থেকে মানুষের নজর ঘোরানোর চেষ্টা চলছে বলেও দাবি তাঁর।বিজেপিকে সরাসরি আক্রমণ করে প্রিয়ঙ্কা বলেন, আপনারা নির্বাচনের জন্য লড়েন, আর আমরা দেশের জন্য। তিনি এও জানান, কংগ্রেস যতবারই ভোটে হারুক, তবুও দেশের স্বার্থে লড়াই থামাবে না। পাশাপাশি, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর উন্নয়নের কাজও লোকসভায় তুলে ধরেন তিনি।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

স্বামী দিল্লিতে দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তুতিতে, করাচি থেকে মোদির কাছে ন্যায় ভিক্ষা পাক মহিলার!

করাচিতে স্ত্রীকে রেখে দিল্লিতে নাকি দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্বামীএমনই গুরুতর অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে সরাসরি সাহায্য চেয়েছেন পাকিস্তানের নাগরিক নিকিতা নাগদেব। এক ভিডিও বার্তায় কান্নাজড়িত গলায় তিনি জানান, এই বিষয়ে তিনি ভারতে অভিযোগও জমা দিয়েছেন।নিকিতা বলেন, ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি করাচিতে তাঁর বিয়ে হয় পাক বংশোদ্ভূত বিক্রম নাগদেবের সঙ্গে। বিক্রম দীর্ঘমেয়াদি ভিসা নিয়ে ভারতের ইন্দোরে থাকেন। বিয়ের পর কিছুদিন স্বামীর সঙ্গেই ছিলেন তিনি। কিন্তু পরে ভিসা সংক্রান্ত সমস্যার কথা বলে তাঁকে আটারি সীমান্ত দিয়ে করাচিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই থেকেই তিনি পাকিস্তানে আটকে আছেন।নিকিতার অভিযোগ, বিক্রম আর কখনও তাঁকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে চাননি। বরং ধীরে ধীরে শ্বশুরবাড়ির আচরণও বদলে যায়। তিনি দাবি করছেন, স্বামীর নাকি তাঁরই এক আত্মীয়ের সঙ্গে অসৎ সম্পর্ক রয়েছে। নিকিতা বলেন, বিষয়টি যখন শ্বশুরকে জানান, তিনি গুরুত্ব না দিয়ে বলেনছেলেরা প্রেম তো করবেই, এতে কিছু করার নেই।নিকিতা আরও জানান, করোনাকালেই তাঁকে জোর করে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। তারপর থেকে তিনি বারবার স্বামীকে অনুরোধ করেছেন তাঁকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু বিক্রম প্রতিবারই তা এড়িয়ে গিয়েছেন।অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে নিকিতা বলেন, ভারতের প্রতিটি নারীর ন্যায় পাওয়ার অধিকার আছে। তিনি ন্যায়ের আবেদন জানিয়ে বলেন, যদি আজ তিনি বিচার না পান, তবে বহু মহিলারই ন্যায়বিচারের উপর বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যাবে। শ্বশুরবাড়িতে বহু নারী যে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন, সেই কথাও তুলে ধরেন তিনি। শেষে সকলের কাছে সমর্থন চান নিকিতা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

“হিন্দুদের কালিমালিপ্ত করা হয়েছিল!”— তীব্র ক্ষোভ মোদীর, অর্থনীতি নিয়ে বামপন্থীদের সরাসরি আক্রমণ

ভারতের বর্তমান অর্থনীতি নিয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে তিনি দাবি করেছেন, দেশের অর্থনীতি যখন দুর্বল ছিল, তখন সেই পরিস্থিতিকে ভর করে হিন্দুদের সংস্কৃতিকে কালিমালিপ্ত করা হয়েছিল। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই বক্তব্য রাখেন তিনি এবং সরাসরি আক্রমণ করেন বাম মনোভাবাপন্নদের।মোদী বলেন, এখন এমন একটি সময়ে দাঁড়িয়ে আছে ভারত, যখন একবিংশ শতাব্দীর প্রথম চতুর্থাংশ ইতিমধ্যেই পার হয়ে গেছে। বিশ্ব নানা আর্থিক ঝড়, সঙ্কট এবং মহামারি দেখেছে। এখনও বিশ্ব অর্থনীতি অনিশ্চিত। কিন্তু এই কঠিন সময়েও ভারত নিজেকে এক নতুন জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে এবং আজ দেশ আত্মবিশ্বাসে ভরপুর।বিশ্বের বহু দেশ ধীরগতির অর্থনীতিতে দিশেহারা, সেই সময় ভারতকে উদীয়মান সূর্য বলে উল্লেখ করছেন বহু অর্থনীতিবিদ। জিডিপি বৃদ্ধির হার, আয়ের পরিমাণ, আমদানি-রফতানি সবকিছুই ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে নয়াদিল্লির জিডিপি হিসেব নিয়ে বিতর্কও কম নয়।এই প্রসঙ্গে মোদী বলেন, আজ সবাই প্রশংসা করছে। কিন্তু একসময় আমাদের অর্থনীতি ধুঁকছিল, আর তখনই দেশের মানুষকে অপমান করা হয়েছিল। কে কোনও দেশের অর্থনীতিকে হিন্দু রেট অব গ্রোথ বলে? এই শব্দ বলেছিল কারা? এখন তাঁরা কোথায় গেলেন? ভারতের ধীরগতির জন্য হিন্দু সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে দোষ দেওয়া হয়েছিল। এটা দাসত্বের মানসিকতার ফল ছাড়া আর কিছু নয়।উল্লেখ্য, ১৯৫০ থেকে ১৯৮০ সালের ধীর অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে হিন্দু রেট অব গ্রোথ শব্দে চিহ্নিত করেছিলেন অর্থনীতিবিদ রাজ কৃষ্ণ। পরে অনেক বিশেষজ্ঞ এই শব্দ ব্যবহার করে ভারতকে ব্যঙ্গ করেছিলেন। একাংশের মতে, রাজ কৃষ্ণ বাম মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং তাঁর তত্ত্বকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মোদীর মন্তব্যে সেই বিতর্কই আবার নতুন করে উথলে উঠল।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
কলকাতা

মোদী গেলে বিজেপি শেষ, মমতা থাকলে তৃণমূল অজেয়—কল্যাণের বিস্ফোরক মন্তব্য

বিজেপিতে যেমন নরেন্দ্র মোদি সবার মূল মুখ, তেমনই তৃণমূলে একমাত্র মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমনই মন্তব্য করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, যত দিন মোদী রয়েছেন, তত দিন বিজেপি টিকে থাকবে। ঠিক সেই ভাবেই যত দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন, তত দিন তৃণমূলকে কেউ নড়াতে পারবে না। কল্যাণের কথায়, দল চলে মমতার নামেই, বাকিরা কী বলছেন, তাতে দলের কিছু আসে যায় না।মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত মন্তব্যে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, মোদী থাকলে যেমন পদ্মফুল ফুটবে, তেমনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকলে তৃণমূলকে কেউ ঠেকাতে পারবে না। আগেও একাধিকবার তিনি বলেছেন, তাঁর কাছে একমাত্র নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্য কিছু তাঁর মাথায় থাকে না।তৃণমূলের অন্দরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্ব নিয়ে টানাপোড়েন নতুন নয়। এক সময় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা নিয়ে বক্তব্য রাখায় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তখন অনেকেরই মত ছিল, এতে তৃণমূলের অন্দরের নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেই সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো প্রবীণ নেতাদের অবস্থান বারবার আলোচনায় এসেছে।এই প্রসঙ্গে বিজেপির সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃণমূলে এখনও এমন অনেক প্রবীণ নেতা রয়েছেন, যাঁরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন। অন্য দিকে, তৃণমূলের মুখপাত্রের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখই আসলে তৃণমূলের মুখএ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই।

ডিসেম্বর ০২, ২০২৫
দেশ

অঙ্গ-কলিঙ্গের পর এবার ‘বঙ্গ মিশন’! ডিসেম্বরে বাংলায় আসছেন মোদী ও শাহ?

অঙ্গ, কলিঙ্গ জয় হয়েছে। এবার নজর একটাইবঙ্গ। বিজেপির রাজনৈতিক ব্লুপ্রিন্টে এখন কার্যত এটাই সবচেয়ে বড় টার্গেট। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে সমস্ত কৌশল কাজে লাগাতে শুরু করেছে গেরুয়া শিবির। তারই অঙ্গ হিসেবে ডিসেম্বর থেকেই বাংলায় টানা কর্মসূচি শুরু করতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী। বঙ্গ বিজেপির অন্দরমহলের খবর, নির্বাচনী বিধি চালু হওয়ার আগেই রাজ্যে বাকি থাকা সব কর্মসূচি সেরে ফেলতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী।দলের শীর্ষ সূত্রের দাবি, ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে বাংলায় মোট ১০টি বড় কর্মসূচির আবেদন জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে। তার মধ্যে আলিপুর, দমদম ও দুর্গাপুর মিলিয়ে ইতিমধ্যেই তিনটি কর্মসূচি হয়ে গিয়েছে। বাকি রয়েছে আরও সাতটি। ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকেই সেই কর্মসূচিগুলি একের পর এক সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু তাই নয়, এই সময়কালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই মঞ্চে কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।পরের বছর একযোগে তিন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনঅসম, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ। দক্ষিণে বিজেপির সংগঠন এখনও তুলনায় দুর্বল। অসমে গেরুয়া শিবিরের ভিত যথেষ্ট মজবুত। ফলে রাজনৈতিক লড়াইয়ের আসল ময়দান হয়ে উঠছে বাংলা। এখানেই সবথেকে কঠিন পরীক্ষা। সেই কারণেই কোনও খামতি রাখতে রাজি নয় বিজেপি নেতৃত্ব।বৃহস্পতিবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা-র বাসভবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈশভোজ বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিহারের নির্বাচনী কৌশল রচনার নেপথ্যের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠকেরা। অঙ্গ জয়ের সাংগঠনিক মডেল যাঁরা দাঁড় করিয়েছিলেন, এবার তাঁদেরই দায়িত্ব আরও বাড়তে চলেছে বলে সূত্রের খবর। বিহারের পর বাংলা ও তামিলনাড়ুতেও জয় ছিনিয়ে আনার লক্ষ্যেই এবার ওই অভিজ্ঞ নেতাদের নামানো হচ্ছে নির্বাচনী ময়দানে।রাজনৈতিক মহলের মতে, অঙ্গ-কলিঙ্গের পর বাংলাকেই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে বিজেপি। সরাসরি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তত্ত্বাবধানে গোটা নির্বাচনী রণকৌশল সাজানো হচ্ছে। ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে চলা টানা কর্মসূচির মাধ্যমেই এই লড়াইয়ের সূচনা করতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

২০৪৭-এর ‘বিকশিত ভারত’ গড়তে কী করতে বললেন মোদি? সংবিধান দিবসে নতুন বার্তা

সংবিধান দিবসে দেশবাসীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মূল কথা কর্তব্য পালন করলেই অধিকার জন্ম নেয়, আর সেই কর্তব্য পালনই ভারতকে ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি বিকশিত দেশে পরিণত করবে।বুধবার দেশবাসীকে উদ্দেশে মোদি বলেন, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের প্রতিটি পদক্ষেপ সংবিধানকে আরও শক্তিশালী করে। জাতীয় লক্ষ্য ও স্বার্থকে সামনে রেখে এগোলে দেশ উন্নতির পথে আরও দৃঢ়ভাবে হাঁটতে পারবে। তাঁর কথায়, যদি দেশের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা থাকে, তবে কর্তব্য পালন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।নিজের জীবনের কথাও স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, একটি দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া পরিবারে জন্ম নিয়েও তিনি আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী আর তার পেছনে সংবিধানের শক্তি ও সুযোগই রয়েছে। বলেন, আমাদের সংবিধান মহৎ, শক্তিশালী এবং সকলের জন্য সমান সুযোগের বার্তা দেয়।মহাত্মা গান্ধীর আদর্শের কথা তুলে ধরে মোদি বলেন, অধিকার আসে কর্তব্য পালনের মধ্য দিয়েই। সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভিত্তিই হলো এই কর্তব্য। এদিন ডঃ বি আর আম্বেডকর, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদসহ গণপরিষদের বিশিষ্ট নারী সদস্যদেরও শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের দূরদর্শিতা ও চিন্তাশীলতার ফলেই ভারত পেয়েছে এই সংবিধান এমনটাই মন্তব্য করেন তিনি।এক্স পোস্টে মোদি লেখেন, দেশের সংবিধান মানুষের মর্যাদা, সাম্য ও স্বাধীনতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। এটি যেমন নাগরিকদের অধিকার প্রয়োগের ক্ষমতা দেয়, তেমনই কর্তব্য পালনের কথাও মনে করিয়ে দেয়। আর সেই কর্তব্যই শক্তিশালী গণতন্ত্রের ভিত্তি।সংবিধান দিবসের বার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও একবার স্মরণ করিয়ে দেন নাগরিকদের ভোটাধিকারের গুরুত্ব। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে সকলে ভোট দেওয়া ও দায়িত্ব পালন করা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
দেশ

‘দূরত্ব’ জল্পনায় ফুলস্টপ? রামলালার সামনে একসঙ্গে আরতি করলেন মোদী-ভগবত

সেজে উঠেছে রামনগরী। মঙ্গলবার রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলনের জন্য সকাল থেকেই অযোধ্যায় মানুষের ঢল। ঠিক সময়মতো সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি রাম মন্দিরে গিয়ে যোগ দিলেন পুজোর কাজে। তাঁর পাশেই দেখা গেল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভগবতকে। দুজনে পাশাপাশি হেঁটে মন্দির চত্বরে ঢুকলেন, তারপর রামলালার সামনে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে করলেন আরতি। এই দৃশ্যেই নতুন করে সরগরম রাজনীতি।কারণ, বাংলায় ২৬ তারিখ ভোট। তার পরের দিনেই উত্তরপ্রদেশে নির্বাচন। লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশে ধাক্কা খেয়েছিল গেরুয়া শিবির। সেই ক্ষত মেরামত করতে মোদীভগবতকে একই মঞ্চে দেখা যাওয়া যে নির্বাচনী দিক থেকে বিরাট তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বিজেপি এবং সঙ্ঘ পরিবারের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। বয়সের সীমা, মেয়াদকাল নিয়ে মতবিরোধএসব নিয়ে বারবার শিরোনামে এসেছিল দুই পক্ষের সম্পর্ক। এমনকি বাংলায় বিজেপির ফলাফলও নাকি সঙ্ঘকে অসন্তুষ্ট করেছিল। সেই প্রেক্ষিতে রাম মন্দিরে একই মঞ্চে মোদীভগবতের উপস্থিতি দূরত্ব ঘোচানোর ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এই ছবি নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবিরের ঐক্যকে আরও উজ্জ্বল করে তুলবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।অযোধ্যায় এদিন উৎসবের আবহ। ভোর থেকেই রাস্তায় নেমেছেন সাধারাণ মানুষ। রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলন দেখতে এসেছেন লক্ষাধিক দর্শনার্থী। পাশাপাশি রাম মন্দির ট্রাস্টের আমন্ত্রণে উপস্থিত হতে চলেছেন প্রায় ৭ হাজার বিশিষ্ট অতিথিনেতা-মন্ত্রী, গবেষক, দাতা, শিল্পপতিকাদেরই নেই সেই তালিকায়। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার ধ্বজা উত্তোলনের জন্য ১১টা ৪৮ মিনিট থেকে ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সময়কে শুভক্ষণ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই গেরুয়া ধ্বজা উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।এত আয়োজনের মাঝেই উঠেছে এক প্রশ্নহঠাৎ এই ধ্বজা উত্তোলনের তাৎপর্য কী? রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির বক্তব্য, এই মুহূর্তটিই নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করবে। যদিও বাস্তবে মন্দির চত্বরে কিছু ক্ষুদ্র কাজ এখনো বাকি, তবুও ধ্বজা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই মন্দিরের পূর্ণতা উদযাপন করা হবে।অযোধ্যায় এখন আক্ষরিক অর্থেই উৎসব। আর তার কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত রেখে গেলেন মোদী ও ভগবতএকই ফ্রেমে, একই মঞ্চে, রামলালার সামনে।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
দেশ

রাম মন্দিরে ভিড়ের ঢল, মোদীর দাবি—‘আজ ভারতের সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবনের দিন’

অবশেষে ক্ষত সারল। রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলনের ঠিক পরেই এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অযোধ্যার পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে তাঁর সুরে মিশে ছিল ঐতিহাসিক গর্ব, রাজনৈতিক ইঙ্গিত এবং সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাস। ৫০০ বছরের আন্দোলন, লড়াই, রক্তপাত আর অপেক্ষার পর মঙ্গলবার যেটি ঘটল, তাকে প্রধানমন্ত্রী দেশের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের নতুন অধ্যায় বলে ব্যাখ্যা করলেন।মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে উত্তোলন হয় রাম মন্দিরের গেরুয়া ধ্বজা। অযোধ্যায় তখন মানুষের ঢল। রাস্তায়, ঘাটে, মন্দিরপ্রাঙ্গণেদেখার মতো ভিড়। শুধু সাধারণ মানুষ নন, উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭ হাজার বিশেষ অতিথি। এমন অনুষ্ঠানকে জীবনের গর্বের মুহূর্ত বলেই উল্লেখ করেন মোদী। তাঁর কথায়,আজ অযোধ্যা ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনার চূড়ায় পৌঁছল। প্রতিটি রামভক্তের কাছে আজকের দিন অসীম তৃপ্তির।ভাষণের একাধিক জায়গায় প্রধানমন্ত্রী অযোধ্যাকে তুলনা করেন রাম রাজ্য-র সঙ্গে। তাঁর দাবি, দেশের ভেতরেও এখন সেই রামরাজ্যের নীতি ও আদর্শ নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হবে। ধ্বজার গেরুয়া রঙকে তিনি ব্যাখ্যা করেন সূর্যের আলো ও ধর্মের প্রতীক হিসেবে। ধ্বজায় থাকা ওঁম এবং কোভিদার গাছকেও তিনি রাম রাজ্যের প্রতীক বলেই উল্লেখ করেন।সবচেয়ে নজর কাড়ে মোদীর স্লোগান। বিজেপি শিবিরে বছরের পর বছর ধরে জয় শ্রীরামই পরিচিত। কিন্তু ধ্বজা উত্তোলনের পর প্রধানমন্ত্রী উচ্চারণ করেনজয় সিয়ারাম।অযোধ্যাবাসীর প্রচলিত সংস্কৃতিকে সম্মান জানাতেই এমন স্লোগান, দাবি স্থানীয়দের একাংশের। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উচ্চারণের মধ্যেও থাকতে পারে নরম সুরে সামাজিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা।এই ভাষণে সম্পূর্ণ রাজনীতি নেইএমনটা ভাবা কঠিন। তাই প্রত্যাশিত ভাবেই মোদীর কথায় উঠে আসে কংগ্রেসের প্রসঙ্গ। স্বাধীনতার পর রাজনীতিতে বিদেশপ্রীতি এবং দাসত্বের মানসিকতা তৈরি হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি,স্বাধীনতা পেলাম বিকৃত রূপে। বিদেশি ব্যবস্থা ভালো, স্বদেশি নয়এ বিশ্বাস থেকেই দাসত্বের যুগ শুরু হয়। কিন্তু সত্যি কথা হলভারতই গণতন্ত্রের জনক।এই বক্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন বেড়েছেরাম মন্দিরের ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান কি তবে নির্বাচনী বার্তার মঞ্চ হয়ে উঠল? মন্দিরের গেরুয়া ধ্বজা কি শুধুই ধর্মীয় প্রতীক, নাকি তার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে ভবিষ্যৎ রাজনীতির পথরেখা?অযোধ্যায় এখনো উচ্ছ্বাস থামেনি। তবে মোদীর ক্ষত সারল মন্তব্যএটি কি বাবরি মসজিদ ঘটনাকে সূক্ষ্মভাবে উস্কে দিল? সেই প্রশ্নে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে নতুন বিতর্ক।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
কলকাতা

গোর্খাল্যান্ড নিয়ে কেন্দ্র–রাজ্য সংঘাত! মমতার চার পাতার চিঠি নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক ঝড়

গোর্খাল্যান্ডের আলাদা প্রশাসনের দাবিতে এক সময় পাহাড় উত্তাল হয়েছিল। সেই আন্দোলনের মধ্যেই তৈরি হয়েছিল গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা জিটিএ। রাজ্য সরকার বরাবরই পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য মধ্যস্থতার ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু সেই মধ্যস্থতাকে কেন্দ্র করেই এবার রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে নতুন সংঘাত দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক দার্জিলিং, তরাই এবং ডুয়ার্স অঞ্চলের গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রাক্তন আইপিএস পঙ্কজকুমার সিংহকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে। আর এই নিয়োগকে ঘিরেই আপত্তি তুলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চার পাতার চিঠি পাঠিয়ে জানালেন রাজ্যের অসন্তোষ।এর আগে গত মাসেও একই ইস্যুতে মোদীকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই চিঠির পর প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছিল যে বিষয়টি স্বরাষ্ট্র দফতরকে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। কিন্তু মমতার অভিযোগ, কোনও আলোচনার তোয়াক্কা না করেই আবারও নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। তাঁর কথায়, জিটিএ-র মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের আগে রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল, কিন্তু কেন্দ্র সেই পথ নেয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রাক্তন আমলাদের এইভাবে বিশেষ দায়িত্ব দিলে তাঁদের মধ্যে রাজনৈতিক আনুগত্যের ঝোঁক বাড়ে, যা প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার পরিপন্থী।মমতার অভিযোগ আরও তীব্র হয়েছে কেন্দ্রের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি ঘিরে। অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশ সত্ত্বেও স্বরাষ্ট্র দফতর রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেনি; উল্টে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ পাওয়া প্রাক্তন আইপিএস ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছেন বলে জানানো হয়েছে। মমতার বক্তব্য, এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা পাহাড়ের শান্তি ও স্থিতাবস্থা নষ্ট করতে পারে।তবে এই ইস্যুকে গুরুত্ব দিতে নারাজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সরাসরি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো চিঠির কোনও মূল্যই নেই। শুভেন্দুর মন্তব্য, কেন্দ্র আইন বুঝেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং একজন প্রাক্তন আইপিএসকে নিয়ে অভিযোগ তোলার কোনও মানে হয় না। রাজ্যের অভিযোগকে তিনি ফালতু বলেই সমালোচনা করেছেন।পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। জিটিএ নিয়ে কেন্দ্ররাজ্য সংঘাত নতুন করে কী প্রভাব ফেলবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে গোটা দার্জিলিং পাহাড়।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

নকশাল-অধ্যুষিত অঞ্চলে রেকর্ড ভোট—কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?

বিহার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ যখন তুঙ্গে, তখন বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরব হয়ে সোজাসুজি ভরসা দিলেন কমিশনকে। বিশেষত ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (SIR) নিয়ে যে আপত্তি উঠেছিল, সেই ইস্যুতে তিনি বললেনভোটাররা, বিশেষ করে যুবসমাজ, ভোটার তালিকা বিশুদ্ধকরণকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখে। তাঁর কথায়, পরিষ্কার ভোটার তালিকা গণতন্ত্রের মূল ভিত, তাই সব রাজনৈতিক দলকেই বুথ স্তরে ভোটার তালিকা যাচাইয়ে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া উচিত।বিহার বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কমিশন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা করেছে এবং বিরোধীদের তোলা অভিযোগের কোনও ভিত্তিই নেই। তিনি দাবি করেন, যে সব অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে, তা মানুষের বিশ্বাস নষ্ট করার চেষ্টা। মোদীর মতে, যুবসমাজ এখন অনেক বেশি সচেতনতালিকা থেকে নকল নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করাকে তারা গুরুত্বের চোখে দেখে, তাই এই পরিশোধন প্রক্রিয়া অনিবার্য।বক্তৃতায় আরজেডিকে সরাসরি নিশানা করেন মোদী। তিনি বলেন, জঙ্গল রাজ এবং কট্টা সরকার-এর কথা আগে কেউ চ্যালেঞ্জ করত না, কিন্তু এখন সময় বদলে গিয়েছে। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণাকট্টা সরকার কখনও ফেরার নয়। এই বক্তব্যে মোদী জানিয়ে দেন যে পুরনো অভিশাপের দিন শেষ, এবং মানুষ এখন উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও স্বচ্ছ রাজনীতি চায়।বিহারের রায়কে গণতন্ত্রের বড় জয় বলে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেসব এলাকা আগে নকশাল-প্রভাবিত ছিল বা উপেক্ষিত ছিল, সেখানকার ভোটারদের রেকর্ড উপস্থিতি গণতন্ত্রের শক্তিকে আরও দৃঢ় করেছে। এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে মানুষ এখন ভোটব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে, এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিজের মত প্রকাশ করতে আগ্রহী।মোদীর মতে, এই ফলাফল শুধু কোনও এক দলের জয় নয়, বরং মানুষের আস্থার জয়, এবং পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিলবিহার উন্নয়ন ও পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়িয়েছে।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
বিদেশ

সংযুক্তিই সুযোগ সৃষ্টি করে এবং সুযোগ সৃষ্টি করে সমৃদ্ধি"- এই নীতিকেই সামনে রেখেই মোদী ভারত -ভুটান বন্ধুত্বের দিলেন নতুন শিলমোহর।

প্রতিবেশী রাষ্ট্র বলয়ে বিবাদপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারত এবং ভুটানের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে , ভুটান সফরে যান। ভুটানের পারো বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী নিজে। পরবর্তীতে তিনি অংশ নেন থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিশাল জনসমাবেশে, যেখানে প্রায় ২৫-৩০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে উভয় দেশের নেতারা বক্তব্য রাখেন।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান , ভারত এবং ভুটান সরকারের মধ্যে ১০২০ মেগাওয়াটের নতুন দ্বিপাক্ষিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের (পুংটাসাংচু-২) উদ্বোধন হয়েছে। এরই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে অসমের হাতিসার এলাকায় একটি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট তৈরি করা হবে। সেই চেকপোস্টের মাধ্যমে ভুটানের পণ্য, ব্যবসায়ী এবং পর্যটকরা অনায়াসে ভারতে আসতে পারবেন। উলটোটাও হবে। যার ফলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং আদানপ্রদান বৃদ্ধি পাবে।প্রধানমন্ত্রী আরো ঘোষণা করেন , ভারত সরকার ভুটানের জন্য ৪,০০০ কোটি টাকার একটি স্বল্পসুদের উন্নয়ন ঋণ (Line of Credit) ঘোষণা করেছে, যা প্রায় ৪০ বিলিয়ন নুলট্রাম সমমূল্যের।সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও মজবুত করতে প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেন যে ভারতের বারাণসীতে তৃতীয় রয়্যাল ভুটানি মন্দির নির্মাণের জন্য ভারত সরকার জমি প্রদান করবে। এর আগে রাজগিরে দ্বিতীয় রয়্যাল মন্দির উদ্বোধন করা হয়েছিল। তিনি আরো জানান যে, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে সহযোগিতা, যার মাধ্যমে দুই দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যৌথ গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতিতে কাজ করবে।ভারতের নিমহান্স (NIMHANS) ও ভুটানের PEMA Secretariatএর মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহযোগিতা চুক্তি, যা ভুটানে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও গবেষণার পরিধি বাড়াবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

‘গভীর ষড়যন্ত্র’, দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মোদীর! দিলেন কঠোর হুঁশিয়ারি

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণকে গভীর ষড়যন্ত্র বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার ভুটান সফরে গিয়ে সেই বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ টেনে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বলেন, দিল্লির ঘটনায় আমি মানসিকভাবে খুব ভারাক্রান্ত। যারা নিজেদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাঁদের কষ্ট আমি অনুভব করতে পারছি। এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, এক গভীর ষড়যন্ত্র।সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ নাগাদ দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় আশপাশের গাড়িগুলিতে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয় অন্তত আটজনের। আহত বহু। বিস্ফোরণের পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ ও এনএসজি কমান্ডোরা। ঘটনার পরদিন সকালেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভুটান সফর ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রওনা দেন তিনি।ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় যারা জড়িত, তারা রেহাই পাবে না। আমি প্রতি মুহূর্তে ঘটনার আপডেট নিচ্ছি। তদন্তকারীরা খুব তাড়াতাড়ি এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা মাথাদের চিহ্নিত করবে। ভারত সরকার কোনওভাবেই এমন জঘন্য কাজ বরদাস্ত করবে না।ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা একসঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। সিসিটিভি ফুটেজে বিস্ফোরণের আগে ঘাতক গাড়ির গতিপথ চিহ্নিত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, গাড়িটি বিকেল চারটের দিকে সুনহেরি মসজিদের পার্কিং লটে ঢোকে এবং তিন ঘণ্টা পর বের হয়। পরে সেই গাড়িতেই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ফরিদাবাদে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকের সঙ্গে এর যোগ থাকতে পারে।এদিকে বিস্ফোরণ ঘিরে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন নিরাপত্তা আধিকারিকেরা। গৃহমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনায় জঙ্গি যোগ-এর দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।রাজধানীর এমন সংবেদনশীল এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, লখনউ চার মেট্রো শহরে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে সতর্কতা। প্রধানমন্ত্রী নিজে আশ্বস্ত করেছেন দেশবাসীকে ভারতকে ভয় দেখানোর চেষ্টা ব্যর্থ হবে। আমরা এর জবাব দেব শক্ত হাতে।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

এনডিএর পুরনো অস্ত্র ‘লালুর ভয়’— এবার ফাঁস করলেন প্রশান্ত কিশোর!

বিহারে প্রথম দফার ভোট শেষ। রাজ্যজুড়ে রেকর্ড ভোটিং ৬৪.৬ শতাংশ। রাজনৈতিক দলগুলো যখন অঙ্ক কষতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই ফের আলোচনায় এলেন প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, লালু প্রসাদ যাদবের ভয় দেখিয়ে ভোট জিততে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি!বিহারের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরের কথায়, বিজেপি এবং এনডিএর একমাত্র অস্ত্র এখন লালুর ভয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বিহারের ভোটারদের মনে লালু প্রসাদ যাদবের ভয় ঢুকিয়ে দিতে চাইছেন। কারণ, তাঁর আর বলার মতো নতুন কিছু নেই। গত কয়েক দশক ধরে এনডিএ-র মূল স্ট্র্যাটেজিই হচ্ছে এই ভয় দেখিয়ে ভোট তোলা যাতে মানুষ ভাবে, কাজ হোক বা না হোক, অন্তত জঙ্গলরাজ ফিরে আসেনি।কিশোর আরও বলেন, কিন্তু সময় বদলে গেছে। আজকের বিহারের মানুষ বিকল্প খুঁজছে। সেই বিকল্প জন সুরজ। মোদি যদি বলেন জঙ্গলরাজ ফিরবে না, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এত বছর পরেও আপনি (এনডিএ) কেন?রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিঃসন্দেহে বিজেপিকে চাপে ফেলবে। তাঁর দল জন সুরজ-এর বার্তা ইতিমধ্যেই তরুণ ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজের প্রচারে জঙ্গলরাজ প্রসঙ্গ তুলে আরজেডি ও তেজস্বী যাদবকে আক্রমণ করেছিলেন। মোদি বলেন, বিহারের তরুণরা যেন পুরোনো প্রজন্মের মুখে শোনে, লালুর আমলে কেমন ছিল অপরাধের দৌরাত্ম্য। এনডিএ বিহারকে সেই জঙ্গলরাজ থেকে মুক্ত করেছে।বিহারের রাজনীতিতে জঙ্গলরাজ শব্দটি বহু বছর ধরে বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রচার অস্ত্র। লালু প্রসাদ যাদবের শাসনকাল যেখানে আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে রাজ্য প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল আজও রাজনৈতিক প্রচারে ঘুরে ফিরে আসে। কিন্তু প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্যে এবার সেই প্রচারই প্রশ্নের মুখে।প্রথম দফার ভোটে ৬৪.৬ শতাংশ ভোট পড়েছে যা বিহারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০০০ সালে ভোট পড়েছিল ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ, বিহারের মানুষ এবার আগের চেয়ে বেশি আগ্রহী, বেশি সক্রিয়। ফলে, দ্বিতীয় দফার আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিছক কৌশল নয়, বরং দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে জন সুরজ-এর পক্ষে পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

‘বিহারের ছেলেরা ডাক্তার হতে চায়, গুন্ডা নয়’— নির্বাচনী সভায় গর্জে উঠলেন মোদি

বিহারে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ফের জোরালো রাজনৈতিক পাল্টা আক্রমণ। জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তোপ দাগলেন রাষ্ট্রীয় জনতা দল তথা তেজস্বী যাদবকে। সাফ বার্তা, বিহারের শিশুরা এখন স্টার্ট-আপের স্বপ্ন দেখে, তারা আর গুন্ডারাজ চায় না।শনিবার বিহারের এক নির্বাচনী সভায় মোদি বলেন, আরজেডি আজ বিহারের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিষ খাওয়াচ্ছে। তারা চায় শিশুরা তোলাবাজ, দুষ্কৃতী হয়ে উঠুক। কিন্তু বিহারের ছেলেমেয়েরা এখন বিজ্ঞানী হতে চায়, চিকিৎসক হতে চায়, উদ্যোক্তা হতে চায় গুন্ডা নয়।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জঙ্গলরাজের সময়কার ভয়াবহতা বিহারের মানুষ ভুলে যায়নি। আজ যারা সেই সময়ের রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চাইছে, তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করছে। মোদি দাবি করেন, তেজস্বী যাদবের নেতৃত্বে আরজেডি আবারও সেই জঙ্গলরাজ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, যেখানে বন্দুক, তোলাবাজি আর দুর্নীতি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা।তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে সাম্প্রতিক একটি ভাইরাল ভিডিওর প্রসঙ্গও। সেখানে দেখা গিয়েছিল, আরজেডির এক সভায় এক কিশোর মঞ্চে দাঁড়িয়ে বন্দুক আর তোলাবাজির কথা বলছে। মোদি সরাসরি সেই ভিডিওর ইঙ্গিত দিয়েই বলেন, শিশুদের মুখে এই ধরনের কথা আরজেডির সংস্কৃতি প্রকাশ করছে। বিহারের মা-বাবারা কি চান তাঁদের সন্তান এমন হোক? না কি চান, তাঁদের সন্তান দেশের গর্ব হয়ে উঠুক?বিহারের উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, আজকের বিহার আর লালুর আমলের বিহার নয়। আজ এখানে নতুন রাস্তা হচ্ছে, শিল্প আসছে, বিনিয়োগ বাড়ছে। এখানে কাট্টা নয়, কম্পিউটার তৈরি হচ্ছে। এখানে কুশাসন নয়, কর্মসংস্থান হচ্ছে।এর আগেও একাধিকবার বিহারে দাঁড়িয়ে আরজেডি ও কংগ্রেসকে একযোগে আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, বিহারে এখন দুজন যুবরাজ। একজন দুর্নীতির যুবরাজ, অন্যজন জঙ্গলরাজের যুবরাজ। আর এই দুই পরিবার মিলে বিহারকে আবার অন্ধকারে ঠেলে দিতে চায়।প্রধানমন্ত্রী এদিনও স্মরণ করিয়ে দেন সেই পুরনো পাঁচ ক-এর কথা লালু আমলে জঙ্গলরাজ মানে ছিল পাঁচ ক: কাট্টা, ক্রুরতা, কটুতা, কুশাসন আর করাপশন। এখন বিহারের মানুষ সেই সময় আর দেখতে চায় না। তারা উন্নয়ন চায়, সুরক্ষা চায়, শিক্ষা চায়।তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি শিবির দাবি করেছে, এটাই বাস্তব চিত্র বিহারের মানুষ লালু রাজের ভয়াবহতা ভুলতে পারেনি। অন্যদিকে আরজেডি শিবিরের পাল্টা দাবি, প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন নয়, ভয় দেখিয়ে ভোট চাইছেন। মানুষের সমস্যার কথা তিনি ভুলে গিয়েছেন।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

"অপারেশন সিঁদুর ভুলতে পারেনি পাকিস্তান-কংগ্রেস", নতুন করে বিস্ফোরক মন্তব্য মোদির

বিহারের আরায়ায় রবিবার নির্বাচনী প্রচারে এসে কংগ্রেস ও আরজেডিকে একযোগে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এল জাতীয় নিরাপত্তা, কাশ্মীর, এবং অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ।মোদি বলেন, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকে পাকিস্তান ও কংগ্রেসদুই পক্ষই এখনও ধাক্কা সামলাতে পারেনি। পাকিস্তানে বিস্ফোরণের সময় কংগ্রেসের রাজপরিবারর ঘুম নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মন্তব্যআমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সন্ত্রাসীদের ঘরে ঢুকে মারব। অপারেশন সিঁদুর সেই অঙ্গীকার পূরণ করেছে। সঙ্গে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন মোদি। বলেন, এটি তাঁর গ্যারান্টি ছিল এবং আজ তা বাস্তব।বিহার রাজনীতিতে মহাগঠবন্ধনের দিকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস কখনওই তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ করতে চাইনি। কিন্তু আরজেডির চাপেই কংগ্রেসকে রাজি হতে হয়েছে। তাঁর ভাষায়আরজেডি বন্দুক ঠেকিয়ে কংগ্রেসকে সিএম প্রার্থী ঘোষণা করাতে বাধ্য করেছে।মোদি দাবি করেন, কংগ্রেস-আরজেডির মধ্যে গভীর বিরোধ আছে, এবং নির্বাচন শেষে তারা পরস্পরকে দোষারোপ করবে। তাই তাঁদের উপর আস্থা রাখা যায় না। মহাগঠবন্ধনের ইস্তেহারকে তিনি মিথ্যার আর প্রতারণার দলিল আখ্যা দেন। এনডিএর ঘোষণাপত্রকে বলেন সত্ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, যা বিহারের উন্নয়নের জন্য তৈরি।এদিন ১৯৮৪র শিখবিরোধী দাঙ্গার কথাও টেনে আনেন মোদি। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস আজও সেই সময়ের দোষীদের সম্মান দিচ্ছে। তিনি বলেনআরজেডির নাম জঙ্গলরাজের সঙ্গে জড়িত, আর কংগ্রেসের পরিচয় শিখ গণহত্যার সঙ্গে। বিহার ভোটমাঠে শেষ দফা প্রচারে তাই তীব্র হচ্ছে ভাষার লড়াই। একদিকে এনডিএর উন্নয়নের দাবি, অন্যদিকে পরিবর্তনের ডাকদুই পক্ষের জোর প্রচারের মধ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ভোটযুদ্ধের ময়দান।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
রাজ্য

সাংসদের ওপর হামলায় রাজ্যকে নিয়ে বড় প্রশ্ন মোদির, কড়া জবাব মমতার

বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের ওপর হামলা নিয়ে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার পাল্টা কড়া জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সোশ্যাল মিডিয়া লিখেছেন, এটা খুবই দুর্ভাগ্যের এবং গভীর উদ্বেগের বিষয় যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়ে রাজনীতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কোনো উপযুক্ত অনুসন্ধানের জন্য অপেক্ষা না করেই তা-ও আবার যখন উত্তরবঙ্গের মানুষ ভয়াবহ বন্যা ও ধসের সঙ্গে যুঝছেন।যখন সমগ্র স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে ব্যস্ত হয়ে আছে, তখন বিজেপি নেতারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়েছিলেন বিপুল সংখ্যক গাড়ির কনভয় নিয়ে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে এবং স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে কোনো খবর না দিয়ে। রাজ্য প্রশাসন, স্থানীয় পুলিশ বা তৃণমূল কংগ্রেসকে কীভাবে এই ঘটনার জন্য দায়ী করা যাবে?এখানেই থামেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী পদের গরিমা নিয়েও। প্রশ্ন তুলেছেন মোদির নৈতিকতা নিয়েও। তাছাড়া কোনও প্রমান ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেস এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ওপর দোষারোপ করেছেন কিছুমাত্র প্রমাণ ছাড়া, আইনানুগ কোনো তদন্ত ছাড়া এবং কোনো প্রশাসনিক রিপোর্ট ছাড়া। এটা শুধু রাজনৈতিক নিম্নতা স্পর্শ করল না, যে সাংবিধানিক নৈতিকতা তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন, সেই নৈতিকতারও লঙ্ঘন হল। যে কোনো গণতন্ত্রে আইন তার নিজস্ব পথ নেয় এবং কোনো ঘটনার দায় নির্ধারিত হয় যথাযথ প্রক্রিয়ায় -কোনো রাজনৈতিক বেদীর উচ্চতা থেকে করা একটি ট্যুইটের মাধ্যমে নয়।উত্তরবঙ্গ কাল যাবো, আজ কার্নিভাল !!!কার্নিভাল নাকি বাংলার ঐতিহ্য ! তা দশমীর চার দিন পর সরকারি অনুদান আর প্রশাসনিক চোখ রাঙানির জেরে প্রতিমা নিরঞ্জন আটকে রেখে, মিছিল করিয়ে ঘাটে যাওয়া কবে থেকে বাংলার ঐতিহ্য হয়ে গেলো?আর মুখ্যমন্ত্রী চটজলদি উত্তরবঙ্গ যেতে আগ্রহী নন কেন, pic.twitter.com/mD0TeqWIaz Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) October 5, 2025মমতা বলেছেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনা ঘটেছিল একটি কেন্দ্রে, যেখানে মানুষ নিজেরাই বিজেপির একজন বিধায়ককে নির্বাচন করেছেন। তথাপি এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের তথাকথিত শক্তিমত্তা দেখায় প্রধানমন্ত্রী দ্বিচারিতা অনুভব করলেন না। এই ধরনের অসার এবং অতি-সরলীকৃত সাধারণীকরণ শুধু অপরিণতই নয়, তা দেশের সর্বোচ্চ পদের সঙ্গে মানানসইও নয়।

অক্টোবর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বিজেপি সাংসদ ও বিধায়কের ওপর হামলা, নিন্দা নরেন্দ্র মোদীর, ফোন রাজনাথ সিংয়ের

বন্যা ও ভমি ধ্বসে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। এরই মধ্যে নাগরাকাটায় বন্যা পরিস্থিতি দেখতে গিয়েছিলেন মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তাঁদের ওপর তৃণমূল কংগ্রেস প্রাণঘাতী হমলা করেছে বলে অভিযোগ। মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়েছেন খগেন মুর্মু। আঘাত পেয়েছেন শঙ্কর ঘোষ। যদিও তৃণমূল অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এবার এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জখম সাংসদের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেছেন। নরেন্দ্র মোদী এক্স হ্যান্ডেলে বলেছেন, যেভাবে আমাদের দলের সহকর্মীরাযাদের মধ্যে একজন বর্তমান সাংসদ ও বিধায়কও রয়েছেনপশ্চিমবঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি তৃণমূল কংগ্রেসের অসংবেদনশীলতা এবং রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার করুণ রূপের স্পষ্ট প্রতিফলন।যেভাবে আমাদের দলের সহকর্মীরাযাদের মধ্যে একজন বর্তমান সাংসদ ও বিধায়কও রয়েছেনপশ্চিমবঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি তৃণমূল কংগ্রেসের অসংবেদনশীলতা এবং রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার করুণ রূপের স্পষ্ট প্রতিফলন।আমার Narendra Modi (@narendramodi) October 6, 2025আমার একান্ত কামনা পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেস এই কঠিন পরিস্থিতিতে হিংসায় লিপ্ত না হয়ে মানুষের সাহায্যে আরও মনোযোগী হোক। আমি বিজেপি কার্যকর্তাদের আহ্বান জানাই, তারা যেন জনগণের পাশে থেকে চলতি উদ্ধার কাজে সহায়তা করে যান।এদিকে নাগরাকাটায় বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংজি। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে বলেছেন, তিনি টেলিফোনে আমার সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানতে চান এবং স্পষ্ট বার্তা দেন রাজনীতিতে হিংসার কোনো স্থান নেই। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই অন্যায় ও অত্যাচার কখনো মেনে নেবে না। সবাই মিলে এই হিংসার রাজনীতি প্রতিহত করতে হবে। বাংলার মানুষ গণতন্ত্রের শক্তিতে বিশ্বাস রাখে।

অক্টোবর ০৭, ২০২৫
দেশ

হঠাৎ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কারণ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে!

রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি। শনিবার রাইসিনা হিলসে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। বৈঠকের একটি ছবি রাষ্ট্রপতি নিজেই এক্স-এ পোস্ট করলেও, আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে কোনও সরকারি ব্যাখ্যা আসেনি। ফলে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান ও চিন সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। কূটনৈতিক দিক থেকে দুই সফরই গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বিশেষ নজর কাড়ছে চিন সফর। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলন ঘিরে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক মিত্রতার সমীকরণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্মেলনে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদীর বৈঠককে কেন্দ্র করে বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যা আমেরিকাকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থান পুনর্নির্মাণে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।তবে শুধু বৈদেশিক সম্পর্কই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই বৈঠকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কেননা, ৯ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরি কে হবেন, তা ঠিক করতে এখন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের সময়। এমন পরিস্থিতিতেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আলাপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই বৈঠক আদৌ কি আন্তর্জাতিক কূটনীতি নিয়ে আলোচনা, নাকি আসন্ন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত? উত্তর স্পষ্ট না হলেও, নয়াদিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রে নতুন সমীকরণের গুঞ্জন ইতিমধ্যেই জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময়ের থেকে এগিয়ে’—প্রয়াণে আবেগঘন শ্রীলেখা মিত্র

দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার মধ্যে ছিল আধুনিকতা, স্মার্টনেস আর এক আলাদা ফ্রেশনেসমিঠুকে স্মরণ করে লিখলেন শ্রীলেখাবর্ধমান: সত্তর-আশির দশকের বাংলা ছবির পরিচিত মুখ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্রমহল। ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী। প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠুকে স্মরণ করে তাঁর লেখা দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে উঠে এসেছে এক দর্শকের ব্যক্তিগত মুগ্ধতাযে মুগ্ধতা শুধু অভিনয়ে নয়, মিঠুর পর্দার উপস্থিতি এবং নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে ঘিরেও।শ্রীলেখার কথায়, মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময় থেকে এগিয়ে থাকা এক অভিনেত্রী। তাঁর চোখে মিঠুর আকর্ষণ ছিল এমন এক স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বে, যা পর্দায় আলাদা করে নজর কাড়ত। শ্রীলেখা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সত্তরের দশক থেকে আশি এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিক পর্যন্ত মিঠু একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌচাক, মর্জিনা আবদুল্লাহ, স্বয়ংসিদ্ধার মতো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।মিঠুর সৌন্দর্য নিয়েও অকপট শ্রীলেখা। বড় বড় চোখ, সেই চোখের অভিব্যক্তি, শিফন শাড়িতে তাঁর পর্দার উপস্থিতিসব মিলিয়ে মিঠুর মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার পরিচিত ছাঁচের বাইরে থাকা এক আধুনিক মুখ। শ্রীলেখার মতে, সেই সময়ের অনেক অভিনেত্রী যেখানে নির্দিষ্ট একটি ইমেজ-এর মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতেন, সেখানে মিঠু ছিলেন অনেকটাই অন্যরকম।তাঁর ভাষায়, মিঠু যেন সেই সময়ের পর্দায় এক ঝলক fresh airআধুনিক, স্মার্ট, চুলবুলি এবং নিজের মতো করে থাকা এক অভিনেত্রী।শুধু সৌন্দর্য নয়, মিঠুর স্বাভাবিক আকর্ষণকেও বিশেষভাবে মনে করেছেন শ্রীলেখা। তাঁর সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু সিংয়েরও কোথাও একটা মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যেই ছিল এমন এক effortless charm, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রয়োজন পড়ত নাস্বাভাবিকভাবেই যা দর্শকের চোখে ধরা দিত।১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর শেষ পর্ব ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লাহ, নিশিকন্যা, মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, হোটেল স্নো ফক্স-সহ একাধিক ছবিতে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেন বাংলা ছবিতে। উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিকের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন মিঠু।তবে জীবনের পরের পর্বে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রজগতের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু। মুম্বইয়ে অনেকটাই অন্তরালে কাটছিল তাঁর জীবন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অসুস্থতার পর থেমে গেল সেই জীবনযাত্রা।শ্রীলেখার পোস্টের শেষটুকু তাই হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রিয় অভিনেত্রীকে বিদায় জানিয়ে তাঁর লেখামিঠু মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব পছন্দের একজন অভিনেত্রী ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন শ্রীলেখা, পাশাপাশি সমবেদনা জানিয়েছেন মিঠুর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি।পর্দার আলো নিভে গিয়েছে। কিন্তু বড় বড় চোখ, স্বতঃস্ফূর্ত হাসি আর সেই স্বতন্ত্র freshnessস্মৃতির পর্দায় হয়তো আরও অনেকদিন জ্বলজ্বল করবেন মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

উৎসবের মরসুমের পুণ্যার্থীদের জন্য জ্যাকপট, তারাপীঠ যাবেন? বিরাট ঘোষণায় ছক্কা হাঁকাল পূর্ব রেল

উৎসবের মরসুমের আগে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকার ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল পূর্ব রেল। দীর্ঘদিনের দাবির পর শিয়ালদহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ব্যারাকপুরে এবার পরীক্ষামূলকভাবে থামবে ১৩১৮৭/১৩১৮৮ শিয়ালদহরামপুরহাটশিয়ালদহ মা তারা এক্সপ্রেস। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে এই নতুন স্টপেজ কার্যকর হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী ১৩১৮৭ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ব্যারাকপুর স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেবে।অন্যদিকে, রামপুরহাট থেকে শিয়ালদহগামী ১৩১৮৮ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে ব্যারাকপুরে পৌঁছবে। এক মিনিটের বিরতির পর বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে শিয়ালদহের উদ্দেশে যাত্রা করবে।এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুরের পাশাপাশি টিটাগড়, খড়দহ, পলতা-সহ আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন তারাপীঠ বা বীরভূমের অন্যান্য এলাকায় যেতে হলে অনেক যাত্রীকে প্রথমে শিয়ালদহ যেতে হত। কেউ কেউ নৈহাটি বা ব্যান্ডেল হয়ে সংযোগকারী ট্রেনের উপর নির্ভর করতেন। এবার ব্যারাকপুর থেকেই সরাসরি রামপুরহাটগামী ট্রেন ধরার সুযোগ মিলবে।বিশেষ করে তারাপীঠের মা তারার দর্শনে যাওয়া পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা সুবিধাজনক হবে। এতে যাতায়াতের সময় এবং অতিরিক্ত খরচ, দুটিই কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল সূত্রে খবর, আপাতত যাত্রীদের চাপ এবং টিকিটের চাহিদা পর্যালোচনা করতে পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজ চালু করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী সংগঠন এবং নিত্যযাত্রীদের তরফেও রেলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগ বাড়ানোই এই ধরনের সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যারাকপুরে মা তারা এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রীদের পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে তারাপীঠগামী যাত্রীদেরও সুবিধা হবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে হারিয়ে শোকে বুকে পাথর চেপে প্রচারে ঝড়! দেড় লাখের বেশি ভোটে জয়ে আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ হাসিরানি রথ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের কাছে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি তুলে ধরলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন পর্বত ধারণের প্রসঙ্গ। তাঁর বক্তব্য, শ্রীকৃষ্ণ যেমন এক আঙুলে গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন, তেমনই ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের শক্তি দেখাতে হবে।নন্দীগ্রামে প্রচার চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন হাসিরানি। নন্দীগ্রামকে নিজের বাড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটের দিন ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি।প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে একাধিকবার হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিরানি।এরপরই ৬ অক্টোবরের ভোটকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি নেতৃত্ব এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন তিনি।নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে ঘরের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেন হাসিরানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে হাসিরানি রথকে। তিনি প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। বিজেপি, তৃণমূলের দুই শিবির, কংগ্রেস এবং বাম-সহ একাধিক রাজনৈতিক শক্তি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

একসময় পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন, তারপর আচমকাই অন্তরালে! প্রয়াত মিঠু মুখোপাধ্যায়

বিনোদন জগতে ফের শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সাতের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর পারিবারিক বন্ধু প্রবীর রায়। তাঁর কথায়, প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।অভিনেত্রীর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের ছবি ভাগ করে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর স্মৃতি এবং তাঁর কাজ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।সাতের দশকের বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ১৯৭২ সালে একটি বাংলা ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লা ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, নিশিকন্যা-সহ একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পরে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। সেই সময় অনেকেই তাঁর সঙ্গে বলিউডের অভিনেত্রী রেখার তুলনা করতেন। বাংলা ছবির দর্শকদের একাংশের কাছে তিনি কলকাতার রেখা নামেও পরিচিত হয়ে ওঠেন।তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। পরবর্তী জীবনে তাঁকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলও ছিল দর্শকদের মধ্যে।তাঁর অভিনয়জীবন খুব দীর্ঘ না হলেও বাংলা সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রেমিকা থেকে শুরু করে প্রাণবন্ত তরুণী, নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।শেষ জীবনে অবশ্য সিনেমার আলো থেকে অনেক দূরে ছিলেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রবিবার রাতে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হল। তাঁর প্রয়াণে বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

এসআইআরের জট কাটতে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বিস্ফোরক দাবি নির্বাচন কমিশনের

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া জট এখনও কাটেনি। এসআইআরের সময় নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সব আপিলের নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজারের মতো আপিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের ২২ লক্ষ ২১ হাজার ১১৮টি আবেদন রয়েছে। তাঁরা ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম ফেরানোর আবেদন করেছেন। অন্য দিকে, প্রায় ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে।এই বিপুল সংখ্যক আপিলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক লক্ষের কিছু বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আরও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পক্ষে সিদ্ধান্ত গিয়েছে এবং তাঁদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ৮ হাজার ৬৪৯টি আপিলে আবেদনকারীরা হেরে গিয়েছেন।কমিশনের হিসাব বলছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। বর্তমান গতিতে মাসে গড়ে প্রায় ২৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই হিসাবেই বাকি আবেদন শেষ করতে ১৪৬ মাসের মতো সময়, অর্থাৎ ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আপিলের শুনানি দ্রুত শেষ করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের ভিত্তিতে একটি করে ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো নয়, অনলাইনেও শুনানি করার অনুমতি চেয়েছে কমিশন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে নিজেদের বাসভবন বা অন্য নির্দিষ্ট জায়গা থেকে অনলাইনে শুনানি করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সংশোধনের কথাও হলফনামায় জানানো হয়েছে।এসআইআরের সময় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল বলে কমিশনের তথ্য। তাঁদের মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটার নিজেদের নাম ফেরানোর জন্য আপিল করেছেন। অর্থাৎ বাদ পড়া ভোটারদের একটি বড় অংশই এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।ফলে এখন মূল নজর আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব এবং অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা কার্যকর হলে মামলার গতি কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার। একই সঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের শুনানি এবং ভোটার তালিকায় নাম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ! মমতার মামলায় জরুরি শুনানির আর্জি মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।নির্বাচন কমিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং দলের নির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর আবেদনে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। সেই মামলাটিই দ্রুত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান কপিল সিব্বল।সোমবার আদালতে মামলাটি উল্লেখ করে কপিল সিব্বল কমিশনের সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের প্রক্রিয়া জুন মাসে শুরু হয়েছিল এবং জুলাইয়ে তাঁদের তরফে জবাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সিব্বলের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন বলেও আদালতে জানান।এর পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে সব পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবে। আদালত বিষয়টি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়। অর্থাৎ জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করা হলেও সেই মুহূর্তে শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন নাম ও নতুন প্রতীক এবং অপর গোষ্ঠীর জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর করা হয়েছে।ফলে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর এবার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। মামলাটি কবে তালিকাভুক্ত হয় এবং শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সমর্থন পাওয়ার পরেই গ্রেফতার, এবার হাইকোর্টে মিলন! কী চাইছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি উল্লেখ করেছেন। আগামীকাল মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। আদালত মামলাটি শুনে অভিযোগগুলির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে।মিলন প্রধানের গ্রেফতারিও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন।এ ছাড়াও মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র আইনের মতো ধারায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে আরও একটি মামলা যুক্ত হওয়ার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। তাঁর আইনজীবী নির্বাচনের আগে রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে আদালত এই আবেদন গ্রহণ করে কী নির্দেশ দেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একদিকে প্রার্থীর গ্রেফতারি, অন্য দিকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদনদুই ঘটনাতেই নতুন করে নজর পড়েছে এই কেন্দ্রের দিকে। আগামীকাল শুনানি হলে মিলন প্রধানের আবেদনে আদালতের অবস্থান কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal