• ৩ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mla

রাজ্য

রেলের এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের প্রতিবাদ , লাঠি হাতে মিছিল বিধায়কের

রেলের এলাকায় বেআইনি ভাবে বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে লাঠি হাতে নিয়ে মিছিল করেন বিধায়ক অসিত মজুমদার। মিছিলে মহিলা-পুরুষ সকলের হাতেই ছিল মুঙ্গেরের লাঠি। এর আগে এই উচ্ছেদের প্রতিবাদ করতে তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলারা ঝাঁটা হাতে নিয়ে মিছিল করেছে। অসিত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার নোটিশ দিয়েছে রেলের এলাকায় চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর ধরে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ব্যান্ডেল অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে আজ এখানে লাঠিসহ মিছিল করলাম। এর আগে মেয়েরা ঝাঁটা নিয়ে বেরিয়ে ছিল। আজ আমরা লাঠি নিয়ে বেরিয়েছি। রেলের আরপিএফের ক্ষমতা দেখতে চাই। মানুষের পেটে লাথি মারবার সরকার কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের ক্ষমতা বেশী না গরীব মানুষের ক্ষমতা বেশি। আরও পড়ুন ঃ ইস্তেহার নিয়ে বৈঠকে বিজেপি তিনি আরো বলেন, লকেট চট্টোপাধ্যায় নাটক করছেন। যখন এই নোটিশ জারি করা হয়েছিল, তখন তো লকেট চট্টোপাধ্যায় কোনও কথা বলেননি। এই উচ্ছেদ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে রেল কতৃপক্ষ আরও ৬ মাস সময় নিয়েছে বলে প্রচার চলছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সে বিষয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার করার কথা রয়েছে। অসিত মজুমদার সেই প্রসঙ্গে বলেন, ব্যান্ডেলের মানুষ প্রতিবাদ করেছে। নির্বাচন সামনে আসছে, এখন নাটক করছে। বিকল্প ব্যবস্থা করে উচ্ছেদ করতে হবে। বিধায়কের জবাব, হ্যা করছি। দরকার হলে গরীব মানুষের জন্য করব। যাদের পেটে লাথি মারছে, এই শীতে তাঁদের বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করলে যা করতে হয় তাই করব। রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজ্য

রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী

তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক মিহির গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে দুজনের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী জানান, বিজয়া করতেই মূলত মিহির গোস্বামীর বাড়িতে এসেছিলেন। তবে সাক্ষাৎ হওয়ার পর নানা বিষয়ে কথা হয়েছে দুজনের। ঠিক কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা যদিও খোলসা করে বলেননি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মিহির গোস্বামীর দলের অভিমান প্রসঙ্গেও সেভাবে কিছু বলেননি মন্ত্রী। তবে তাঁর কথায়, মিহিরদা পুরনো লোক। ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মিহিরবাবু দলে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন। আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী জানান, ফেসবুক পোস্ট ও কলকাতার নেতাদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে একই অবস্থানে রয়েছেন তিনি। তবে রাজ্য নেতৃত্ব তথা দলনেত্রীর বার্তা পাওয়ার পরে যে সব কিছু গভীরভাবে তলিয়ে দেখে পদক্ষেপ করবেন। চিন্তন ও মন্থনের পরে যে সিদ্ধান্ত নেব, তা জনসমক্ষে জানিয়ে দেব।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

ইলিশ খেয়ে মাঠে কাঁটা ফেলে রেখে যায়, পরেশ পালের নাম না করে বেনজির আক্রমণ সাধনের

আমি সেই নেতাদের ঘৃণা করি যারা এখানে ইলিশ মাছ খায়। আর কাঁটাগুলো ফেলে রাখে। আমি খুব দুঃখিত হই, যখন শুনি পাশের বড় পার্কে ইলিশ মাছ খাওয়ানো হয়েছে। ওখানে বহু মানুষ থাকেন যাঁরা নিরামিশাষি। কিন্তু সেই পার্কেই ইলিশ মাছ খাচ্ছে। খুব লজ্জা হয়। বলি বাড়িতে কি খেতে পান না? মাছ খেয়ে কাঁটা ফেলে রেখে যান? রবিবার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এক কর্মী সমাবেশ থেকে পরেশ পালের নাম না করে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের ক্রেতা ও সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। সেখানে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করা হয়। তিনি পরেশ পালের নাম না করে আরও বলেন, এলাকার মানুষ ভয় পাচ্ছে। রাতে দশটা ছেলে পাঠিয়ে হামলা করছে। যখন তখন যাকে তাকে মারধর করছে। কারো দোকানের সামনে স্ট্যাচু বসিয়ে দিচ্ছে। এমএলএ পদ ছেড়ে দিয়ে টাকা কামাতে হলে কাউন্সিলর হতে হবে? বড়ো নেতা নেত্রীদের বলে কোনও লাভ হয় না। কারণ তাঁরা মনে করেন যারা গুন্ডামি করে তাদের গুন্ডামি করতে দিতে হবে। তারাও ইলিশ খেতে আসে। পরিস্থিতি সমাধানের রাস্তা হিসেবে বললেন, প্রতিটি দরজায় দরজায় যাব। মানুষকে সাহসী হতে বলব। কেউ ভয় দেখালে আমাকে একটা ফোন করবেন। বুঝে নেব। গালাগালিতে ভয় পাবেন না। কিছু লোকের স্বভাব গালাগালি দেওয়া। তারপর তাদের আর কিছু করার নেই। কেউ কিছু বললে আমাকে জানান। এলাকায় ইল্লিগাল প্রমোটিং, হামলা বাজি রুখতে হবে। আরও পড়ুন ঃ মুকুল রায়কে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি করছিঃ কুণাল তিনি আরও বলেন, কোনও মারওয়ারী লোককে গালে থাপ্পড় মারলে এটা কি বাঙালি কালচার? অনেকে ভাবছেন বিধায়ক সাংসদ হলেও টাকা আনতে হবে। টাকা আনতে গেলে কাউন্সিলর হতে হবে। এমন অনেক লোক ভাবছে ধান্দাবাজি করার জন্য পার্টি তে ঢুকে যাও। কিন্তু ধান্দাবাজি চলবে না। ক্ষমতা থাকলে কেউ করুক, আমি অন্যায় করতে দেব না। আমার মৃত বডির উপর দিয়ে এসব করতে হবে। পোস্তার ব্রিজ ভেঙে পড়া প্রসঙ্গে সাধন পাণ্ডে বলেন, পোস্তার ব্রিজটা হল। ভেজাল মালটাল দিল। ভেঙে পড়ে গেল ব্রিজটা। আমি উল্টোডাঙা থেকে একটা ব্রিজ বানাব। যেটা ১৫ মিনিটে সোজা হাওড়া চলে যাবে। উল্টোডাঙা থেকে কাঁকুড়গাছি হয়ে। চিফ সেক্রেটারির সঙ্গে কথা বলেছি এই নিয়ে।

নভেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

এই দল আমার নয়, হতে পারে নাঃ মিহির গোস্বামী

আমার দল আর আমার নেত্রীর হাতে নেই, অর্থাৎ এই দল আর আমার নয়, হতে পারে না। দিদি এখানে নিস্পৃহ। ফের তৃ্ণমূলের বিরুদ্ধে এ ভাষাতেই তোপ দাগলেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। তিনি তাঁর ফেসবুক পেজে আরও লেখেন , শ্যামা মায়ের আরাধনালগ্নে আমার এই অনুমান আরও দৃঢ় হয়েছে। তাই এই দলের সঙ্গে সমস্ত রকমের সম্পর্ক ছিন্ন করাটাই কি স্বাভাবিক নয়? তাঁর অভিযোগ , যে দলের অভিধানে সম্মান বলে শব্দটিই অনুপস্থিত , সেই দলে বাইশটা বছর কাটিয়ে দিলাম! কী করে সম্ভব হল, কেন তা সম্ভব হল এসব প্রশ্ন উঠে আসে নিজের মনেই! উত্তর একটাই খুঁজে পাই, দিদি! দলের ভেতর অজস্র অপমান অবমাননা ক্রমাগত সহ্য করে গিয়েছি অকারণে, চুপ করে থাকার জন্য শুভানুধ্যায়ীরাও বিরক্ত হয়েছেন বারবার। কিন্তু আমার উত্তর একটাই ছিল, দিদি! যার উপর বিশ্বাস-আস্থাতেই এতদিন টিকে ছিলাম। আরও পড়ুন ঃ উত্তর ২৪ পরগণার সব আসন দখল করবঃ দিলীপ তিনি দলের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে আরও লেখেন , ১৯৮৯ সাল থেকে মমতা বন্দ্যো্পাধ্যায়ের নেতৃত্ব মেনে চলেছি। দীর্ঘ তিরিশ বছর অতিক্রম করার পর বোধগম্য হয়েছে, দিদির লোক এখানে অপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বহীন। অন্যায্য সবকিছু মেনে নিয়ে যো হুজুর করে টিকে থাকতে পারলে থাকো, নয়ত তফাৎ যাও। তিনি আরও লেখেন , সংগঠন থেকে আমার অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা করার পর ছয় সপ্তাহ কেটে গেছে। এই বিয়াল্লিশ দিনে আমি সব দলের কাছ থেকে এক বা একাধিক ফোন কল পেয়েছি, কথা বলেছি। বহু পুরনো রাজনৈতিক বন্ধুর ফোন পেয়েছি রাজ্যের বাইরে থেকেও। কিন্তু গত ছয় সপ্তাহে খোদ নেত্রীর কাছ থেকে কোনও ফোন আসেনি। কোনও বরখাস্তনামা কিংবা বহিস্কারের নির্দেশও আসেনি তাঁর কাছ থেকে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহিলার , রণক্ষেত্র কাদাপাড়া মোড়

পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক মহিলার। রাস্তা পারাপারের সময় সিগন্যাল ভেঙে আসা গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয় তাঁর। মৃতের নাম গৌরি দত্ত। তিনি দত্তাবাদের বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ সল্টলেকের দিক থেকে একটি সাদা রঙের গাড়ি আসছিল। ইএম বাইপাসের কাদাপাড়া মোড়ের কাছে সিগন্যাল ভেঙে এগিয়ে আসে গাড়িটি। সেই সময় রাস্তা পার হচ্ছিলেন এক মহিলা। দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসা ওই গাড়িটি মহিলাকে সজোরে ধাক্কা মারে। মহিলাকে গাড়ির চাকায় জড়িয়ে বেশ কিছুটা রাস্তা টেনে হিঁচড়ে নিয়েও যায় গাড়িটি। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় মহিলার। গাড়িটিকে আটকে রাখে স্থানীয় বাসিন্দারা। গাড়ির চালক এবং আরোহীকে মারধরও করা হয়। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে ফুলবাগান থানার পুলিশ পৌছলে তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভও দেখাতে থাকে স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যবাসীকে কালীপুজো ও দীপাবলির শুভেচ্ছা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এরপর উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। এছাড়া স্থানীয় বিধায়ক পরেশ পালও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁদের হস্তক্ষেপে প্রায় ঘণ্টাদুয়েক পর অবরোধ উঠে যায়। ওই গাড়ির চালক এবং আরোহীকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়াও মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য এনআরএস হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূল ছাড়ছেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী

তৃণমূলে আর ফিরবেন না কোনওদিনই। সো্মবার একথা জানিয়ে দিলেন কোচবিহারের দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিদ্রোহী বিধায়ক মিহির গোস্বামী। আগামী দিনে কোন দলে যোগ দেবেন এই প্রশ্নে তাঁর সাফ কথা-- অনেকেই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিজেপির সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন। তিনি অবশ্য এখনই কিছু ঠিক করেননি। মানসিক প্রস্তুতি নিলে জানাব। তিনি এদিন বলেন , বেড়ালের গলায় ঘণ্টা কে বাঁধবে, এটা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে দ্বিধা ছিল, তিনি সেটা বেঁধে দিলেন। সম্প্রতি এক কর্মিসভায় দিনহাটার তৃ্ণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ দলের নেতা - কর্মীদের উদ্দেশে বলেছিলেন , অনেক খেয়েছেন। আবার খাবেন। তবে এখন ছ মাস খাওয়া বন্ধ রাখুন। এখন মানুষের খাবার মানুষকে খেতে দিন। এবার মানুষের খাবার কেড়ে নিলে মানুষ পরবর্তী্তে আর খাওয়ার সুযোগ দেবে না। সেই প্রসঙ্গ টেনে মিহিরবাবু বলেন , একজন বিধায়কের মুখে এমন কথা মানায় কি ? শুধু নীচুতলার নেতা-কর্মী কেন, দলের উপরের নেতারাও দুর্নীতিগ্রস্ত। মিহিরবাবু দাবি করেন, দোলা সেনও প্রায় একই ধরনের কথা বলে নীচুতলার দলীয় নেতাকর্মীদের অপমান করেছেন। মিহিরবাবু জানান, দোলার বক্তব্য ছিল , ৭৫ শতাংশ দলকে দিন, ২৫ শতাংশ নিজের রাখুন। মিহিরের আপত্তি, দোলার এই কথায় দলের দুর্নীতিগ্রস্ততার বিষয়টিই সিলমোহর পেয়ে যায়। ফলে তিনি অপমানিত বোধ করছেন। মিহিরবাবুর বক্তব্য, যেসব বিধায়ক ও সাংসদ দলীয়কর্মীদের এভাবে অসম্মান করছেন, তাঁদের এ বার নিজেদের দিকেও তাকানো দরকার। দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি রাজ্যের শাসক দলকে আক্রমণ করে বলেন, তৃণমূলের অবস্থা উলঙ্গ রাজার মতো। আরও পড়ুন ঃ রাজ্য নেতৃত্বকে উপেক্ষা? মন্ত্রীর সভামঞ্চে হাতের লাঠি বহিষ্কৃত নেতা! তাঁর সবচেয়ে ক্ষোভের জায়গা , উত্তরবঙ্গের প্রতি বঞ্চনা। তাঁর মতে, যা আগেও ছিল, এখনও চলছে। মিহির জানান, সব কিছুই কলকাতাকেন্দ্রিক। কিছু নেতা সব কিছু কলকাতা থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত এখানকার ওপর চাপিয়ে দিচ্ছেন। শুভেন্দু অধিকারীর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সরাসরি কিছু না বলে মিহিরবাবু জানান, শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারীর সঙ্গে তাঁর ৪০ বছরের সম্পর্ক। প্রসঙ্গত , দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে অক্টোবরের গোড়াতেই দলের সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন মিহিরবাবু। এরপর থেকে কখনও নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে বৈঠক করে , কখনও রাজ্যের মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা না করে তাদের ফিরিয়ে দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন অবিলম্বে পাস করানোর দাবিতে বিধায়ককে স্মারকলিপি বাংলা পক্ষের

বাংলার চাকরি সহ ব্যবসা , টেন্ডার , ঠিকাকাজ , লাইসেন্স সমস্ত ক্ষেত্রে বাঙালি প্রতিনিধিদের অধিকার সুনিশ্চিত করতে উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষালের কাছে ডেপুটেশন জমা দিল বাংলা পক্ষ হুগলি জেলা। প্রসঙ্গত , গত ১ নভেম্বর এই একই ইস্যুতে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে হুগলীর জাঙ্গিপাড়ার বিধায়ক স্নেহাশীষ চক্রবর্তীকে স্মারকলিপি জমা দেয় বাংলা পক্ষর প্রতিনিধিরা। বিধায়ক তাদের কথা শোনেন এবং তা বিবেচনা করে দেখার প্রতিশ্রুতি দেন। আরও পড়ুনঃ ডোমজুড়ে অগ্নিকাণ্ডের জেরে ভস্মীভূত ছয়টি কারখানা দীর্ঘ দুবছর ধরে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের জন্য লড়াই করে চলেছে বাংলা পক্ষ। তাদের মতে , হিন্দি সাম্রাজ্যবাদকে দমন করার জন্য শ্রেষ্ঠ উপায় হল ভূমিপুত্র সংরক্ষণ। বাঙালি তথা বাংলার ভূমিজ জাতির প্রতিনিধিরা যাতে বাংলায় চাকরি , ব্যবসা এবং সমস্ত ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পায় তা সুনিশ্চিত করতে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন অবিলম্বে বাংলায় পাস করানো দরকার। বিধানসভায় যাতে এই দাবি ওঠে , সেদিকে লক্ষ্য রাখছে বাংলা পক্ষ। এর আগে, ইটাহারের বিধায়ক অমল আচার্য ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইনের কথা বিধানসভায় তোলেন। তার এই পদক্ষেপের কারণে বাংলা পক্ষর তরফ থেকে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। উল্লেখ্য , ইতিমধ্যে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ নিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য আইন পাস করেছে। তারমধ্যে বিজেপি, কংগ্রেস ও বাম শাসিত রাজ্য আছে। তাই বাংলা পক্ষর দাবি যে বাংলার ক্ষেত্রেও যেন এই রাজনৈতিক দলগুলি একইভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

নন্দীগ্রাম নিয়ে জল্পনার মধ্যেই বিদ্রোহী সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই

বাংলায় পরিবর্তনের ভিত রচনা করেছিল সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রাম আন্দোলন। ১০ নভেম্বর ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ডাকা সমাবেশে ওই আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক শুভেন্দু অধিকারীর বার্তা শুনতে যখন মুখিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল, সেখানে সিঙ্গুরের বিধায়ক, মাস্টারমশাই রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যর গলায় বিদ্রোহের সুর। আজ হুগলি জেলা তৃণমূলের কমিটি ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে অসন্তোষের আগুন বেড়েই চলেছে। তার মধ্যেই দলত্যাগের হুঁশিয়ারি দিলেন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রবীণ বিধায়ক। এমনিতেই লোকসভা ভোটে ব্যাপক ভোটে সিঙ্গুরে তৃণমূলকে মাত করেছে বিজেপি। তৃণমূল ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে কোথায়, একের পর এক ভুল করে আজ কমিটির মাধ্যমে কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে ফেলল। এক দলীয় কর্মী ফেসবুকে লিখেছেন, শেষে কফিন বইবার লোক থাকবে তো? লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর যে লড়াকু কর্মীরা খেটে দলকে ঘোরানোর চেষ্টা করছিলেন, তাঁদের সরিয়ে পিকের টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে নতুন কমিটিতে দুর্নীতিগ্রস্তদের বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই বলেন, কমিটি দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিবর্তন না করলে দল বদলে ভিন্ন দলে যাওয়ার ভাবনাচিন্তা করতে হবে। ক্ষোভের কারণ, দুর্নীতিতে যুক্তরা আজ দল পরিচালনার দায়িত্বে, আর আমরা যাঁরা দুর্নীতিতে নেই তাঁদের অপমান, অবহেলা, বঞ্চনা করে তাড়িয়ে দেওয়া হলো! আমার এখানকার সভাপতিকে সরানো মানছি না। দল আমাকে টিকিট দিলেও আমাকে বাধা দেওয়া হবে, ব্যর্থ প্রমাণ করে হারানোর চক্রান্ত হবে, যা অতীতেও হয়েছে। তাই প্রয়োজনে দল পরিবর্তন করতে হলে তা-ই করব।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

বাদুড়িয়ার কংগ্রেস বিধায়ক আবদুর রহিম গাজি যোগ দিলেন তৃণমূলে

তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বাদুড়িয়ার কংগ্রেস বিধায়ক আবদুর রহিম গাজি দিলু। এছাড়াও রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি মৌমিতা বসু চক্রবর্তী শনিবার তৃণমূলে যোগ দেন। এদিন তোপসিয়ার তৃণমূল ভবনে তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে দলে বরণ করে নেওয়া হয়। এদিন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, দুশোর গল্প করে বাংলার মাটি পাওয়া যাবে না। এখানে মাটি পেতে হলে বাংলার সাধারণ মানুষের সঙ্গে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপধ্যায় লড়াই করেছেন ঠিক সেভাবে লড়াই করতে হবে। তিনি আরও বলেন , বাংলার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে ৷ ইতিহাস বিকৃত করে কথা বলার চেষ্টা করছে বিজেপি। বাংলার লাঞ্ছনা, উপেক্ষার প্রতিবাদে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে বাংলাকে এক রাখার লড়াই চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ যেভাবে প্রতি ক্ষেত্রে আমাদের পাওনা টাকা, আমফান, কোভিড, জিএসটি থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার , তার বিরুদ্ধে বাংলার মানুষ গর্জে উঠেছে। এমনকী যাঁরা এতদিন বিরোধী দলে ছিলেন তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে লড়াই করতে চাইছেন। আরও পড়ুন ঃ বেতনের দাবিতে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিদের আন্দোলন এদিন তৃণমূলে যোগ দেওয়া কংগ্রেস বিধায়ক বলেন , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুধু স্বপ্ন দেখিয়েছেন, কাজ করেননি কিছু। গোটা দেশে শান্তির পরিবেশ নষ্ট করেছেন। যখন একমাত্র বাংলায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে, তখন এই রাজ্যকেই পাখির চোখ করেছে বিজেপি। কিন্তু বিজেপিকে পরাস্ত করার মতো বিরোধী শক্তি সেভাবে মজবুত নয়। সারাদেশের মতো এরাজ্যেও দুর্বল কংগ্রেস। তাই অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের কাজেই নিজেকে নিয়োজিত করছেন বলে জানান তিনি। এছাড়াও এদিন তৃণমূলে যোগ দেন তৃণমূল বিধায়ক সুভাষ মাহাতোর ছেলে সিদ্ধার্থ মাহাতো। এছাড়াও কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকও এদিন জোড়াফুল শিবিরে যোগ দিলেন।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

দলের তরফে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও কিছুই পূরণ হয়নি , অভিযোগ মিহির গোস্বামীর

ফের দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী। শুক্রবার তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন , আজ যখন দেখছি দিদির দলে কোন ঠিকাদার থিংকট্যাঙ্ক কোম্পানি ঢুকে ঘরবাড়ি তছনছ করে দিচ্ছে, অপমানিত জনপ্রতিনিধিরা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তখন দিদি অন্তরালে নির্বিকার! তাহলে সেই ঘরবারির মতো দিদির প্রতি এতদিনের সব আস্থা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাওয়াটা কী স্বাভাবিক নয়? আরও পড়ুন ঃ দার্জিলিং পুরসভার ১৭ কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় তিনি আরও লেখেন , কংগ্রেসকে হারাতেই তৃণমূলে আস্থা রেখেছিলেন। তবে তা সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যারা কুকথা বলেছেন, তারাই আবার দলে যোগ দেওয়ায় বিরক্ত হয়েছিলেন তিনি। এত কিছুর পরেও তিনি দলনেত্রীর উপর আস্থা হারাননি। দলের তরফে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও কিছুই পূরণ হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁর। দলে একাধিকবার অপমানিতও হতে হয়েছে তাঁকে। এদিন এভাবেই দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে তিনি দলের বিরুদ্ধে এই একই ইস্যু্তে সুর চড়িয়েছিলেন। তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্কও কম হয়নি। এদিন ফের তিনি এই ইস্যুতে মুখ খোলায় নতুন করে এই বিতর্ক মাথাচাড়া দেবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় বিজেপি কর্মী খুন

এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম বীরেন্দ্র সাউ (৪৪)। স্থানীয়রা জানান, গত ১০ অক্টোবর মিথ্যা বোমাবাজির জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পঞ্চমীর দিন বীরেন্দ্র জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিল। অভিযোগ , সপ্তমীর দিন রাতে ঠিক বাড়ির উল্টোদিকে বসেছিলেন বীরেন্দ্র সাউ। ঠিক সেই সময় বাবুয়া, মন্নু সাউ-সহ তৃণমূলের পাঁচ-ছয়জন এসে পিস্তলের বাট দিয়ে বেধড়ক পেটায় বীরেন্দ্রকে। মাথায় আঘাত পেয়ে তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁকে কল্যাণী হোমে রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছিল। ফের বুকে ব্যথা শুরু হলে শনিবার রাতে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আরও পড়ুন ঃ অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি অধীরের এই ঘটনা প্রসঙ্গে ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন কুমার সিং বলেন, পিস্তলের বাট দিয়ে চিপ্পাকে মারধোর করেছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। মাথায় আঘাত লাগায় ওকে কল্যাণীর একটি হোমে রেখে চিকিৎসা করানো হচ্ছিল। শনিবার রাতে বুকে ব্যাথা শুরু হলে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পবনের দাবি, বাংলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। নিত্যদিন বাংলায় বিজেপি কর্মী খুন হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন উদাসীন।

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের

ওনারা ওকে বিজেপিতে পাঠিয়েই দেবেন? আমরা দরজা বড়ো করে খুলে রেখেছি সবাইকে নেওয়ার জন্য। ওনারা যদি কাউকে পাঠিয়ে দেন আমরা দলে নেব। রবিবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর সুলঙগুড়িতে চা চক্রে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত , ববি হাকিম বলেছিলেন , শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গিয়ে বিজেপি তাদের রাজ্য সদর দফতর মুরলিধর সেন স্ট্রিটে বসাক। সেই কথার সূ্ত্র ধরেই এদিন এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, একজন রাজনীতিবিদ রাজনীতি করতে চাইলে বিজেপি সুযোগ দেবে। আমার সঙ্গে অবশ্য কারও কোনো আলোচনা এখনও হয়নি। ববি-শুভেন্দুর বাকযুদ্ধ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, সেটা ওদের পার্টির ভিতরে চলছে। আমার কিছু বলার নেই। তারাই মিটিয়ে নিক নিজেদের ব্যাপার। আরও পড়ুন ঃ আগুনে পুড়ে মৃত্যু জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর রেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এই নিয়ে এতদিন বসেনি কেন ? কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চিঠি লিখেছে। ওনাদের কানে জল ঢোকেনি। যখন মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে , পুলিশ লাঠি চালাচ্ছে। তখন এই সরকার নড়েচড়ে বসছে। এদের চামরা এত মোটা হয়ে গেছে। কানে তালা লেগে গেছে। মানুষের দুঃখ - কষ্ট শুনতে পায় না। যদি অন্যান্য রাজ্যে লোকাল ট্রেন চলতে পারে , এই রাজ্যে মেট্রো , টোটো , অটো , বাস , ট্রাম চলতে পারে। তাহলে লোকাল ট্রেন কেন চলবে না ? এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, জেদের জন্য এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই বিষয়ে তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজনীতি

কাউগাছিতে খুন বিজেপি কর্মী

ফের খুন বিজেপি কর্মী। এবার কাউগাছিতে খুন হল এক বিজেপি কর্মী। নিহত বিজেপি কর্মীর নাম মিলন হালদার। বাড়ি কাউগাছিতে। এই ঘটনায় বিজেপির অভিযোগের তির তৃ্ণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ , তৃ্ণমূলের গুন্ডাবাহিনী মিলনের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়। এর জেরেই ওই বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়। তৃণমূল অবশ্য তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ দিলীপ ঘোষকে প্রণাম করে বিজয়ার শুভেচ্ছা সৌমিত্র খাঁয়ের এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ভাটপাড়ার বিজেপি বিধায়ক পবন সিং টুইটে লেখেন , রাজ্যপালের কাছে আবেদন বাংলায় অবিলম্বে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হোক। এই টুইটে তিনি ট্যাগ করেছেন অমিত শাহ , কৈ্লাস বিজয়বর্গীয় ও দিলীপ ঘোষকে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

নতুন মিউজিক ভিডিও লঞ্চ লক্ষীরতন শুক্লার

শুরু হতে চলেছে দুর্গাপুজো। তার আগে নতুন মিউজিক ভিডিও লঞ্চ করলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী লক্ষীরতন শুক্লা। কেটে যাবে সব বাধা, নিয়ে আসবে নতুন আশা, আমরা করব জয় শীর্ষক একটি মিউজিক ভিডিও লক্ষীরতন শুক্লা বাজারে নিয়ে এলেন। এই ভিডিওতে তিনি নিজেই পারফর্ম করেছেন। আরও পড়ুনঃ বন্ধুর সঙ্গে বাগদান সেরে ফেললেন ইমন তাঁর আশা, এই ভিডিও দর্শকদের মনোরঞ্জন করবে। এই মিউজিক ভিডিওর একটি লাইনে রয়েছে বলো দুগ্গা মাকি জয় । এই করোনা আবহে এবার পুজো অন্যরকম হতে চলেছে। সকলেই তাঁর সঙ্গে গলা মিলিয়ে বলুন বলো দুগ্গা মাকি জয় । এতদিন ক্রিকেট ও রাজনীতির ময়দানে সকলে লক্ষীর প্রতিভা দেখেছেন। এবার বিনেদনের জগতে তাঁর এই পারফরম্যান্স কেমন দর্শকদের মন কাড়ে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ২০, ২০২০
রাজ্য

নেতাইয়ের সঙ্গে আছি, থাকবঃ শুভেন্দু

আমাকে আমার লক্ষ্য ,কর্মপদ্ধতি ও দায়বদ্ধতা থেকে কেউ কোনওদিন সরিয়ে দিতে পারেনি আর পারবেও না। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে নেতাই গ্রামের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। রবিবার নেতাই শহীদ স্মৃতিরক্ষা কমিটির ব্যবস্থাপনায় গৃহ প্রদান ও মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে এসে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ৫২ জন মহিলাকে সেলাই প্রদান ও ১৭ জনকে বাড়ি প্রদান করা হয় এদিন। তিনি এদিন বলেন, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে নেতাই গ্রামের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। নেতাইয়ের মানুষের সমস্ত প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। তুলে ধরলেন নেতাইয়ের শহিদ ও আহত পরিবার, মামলায় সাক্ষীদের ক্ষোভের কথা। আরও পড়ুনঃ নেতাইয়ে গৃহ প্রদান ও মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন , তিনি বলেন, এর আগে আমি এখানে ক্ষোভ লক্ষ্য করেছি কিন্তু আমার প্রতি তাঁদের কোনওরকম ক্ষোভ নেই। তাঁরা ৮ জনের কর্মসংস্থানের কথা বলেছিলেন। আমি তাদের পাঁচজনের ছোটখাটো কর্মসংস্থান করতে পেরেছি। বাকি তিন জনের কথাও ভাবছি। নেতাইয়ের সঙ্গে আমার আত্মিক, মানসিক ও হৃদয়ের সম্পর্ক।তিনি বলেন, চন্দ্র, সূর্য, পৃথিবী যতদিন থাকবে শুভেন্দু অধিকারী যতদিন হাঁটাচলা করতে পারবে ততদিন নেতাইয়ের সঙ্গে আছি, থাকব। পুজোতে তিনি ফের জঙ্গলমহলে আসবেন বলে জানিয়ে দেন শুভেন্দু।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

প্রভাবশালী সিপিএম বিধায়ক যোগ দিলেন তৃণমূলে

সিপিএম বিধায়ক রফিকুল ইসলাম মণ্ডল তৃণমূলে যোগ দিলেন। তিনি বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিএম বিধায়ক ছিলেন। আগে তিনি তৃণমূলেই ছিলেন। ২০১৬ সালে টিকিট না পেয়ে দল ছেড়ে সিপিএম-এর টিকিটে ভোটে লড়াই করেন। জয়লাভও করেন। শুক্রবার তিনি সিপিএম ছেড়ে পুনরায় তৃণমূলে যোগ দিলেন। আরও পড়ুনঃ পটাশপুরে মৃত বিজেপি কর্মীর ফের ময়নাতদন্ত, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের এছাড়াও বিএসপি থেকে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাবু নন্দ প্রসাদ এদিন তৃণমূলে যোগদান করেন। এদিন তৃণমূল ভবনে তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল নেতা অরূপ বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন সাধন পাণ্ডে। এছাড়াও বহুজন সমাজ পার্টি থেকে আরও ১০০০ জন সদস্য এদিন তৃণমূলে যোগ দেন।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
রাজনীতি

আরামবাগে তৃণমূলের বিশাল পদযাত্রা, পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুতে দিলীপকে পাল্টা শান্তনুর

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পরিযায়ী শ্রমিকদের যেভাবে অসম্মান করেছেন তার কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর হুগলির আরামবাগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশাল পদযাত্রা ও সমাবেশ হয়। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, বিধায়ক কৃষ্ণচন্দ্র সাঁতরা, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌর প্রশাসক স্বপন নন্দী, ব্লক সভাপতি কমল কুশারী প্রমুখ। সম্প্রতি খড়দহে দিলীপ ঘোষ বলেন, পুলিশের সন্তানদের ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার নয়, পরিযায়ী শ্রমিক করে ছাড়ব। এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে শান্তনু বলেন, বিজেপি ও তাদের রাজ্য সভাপতি পরিযায়ী শ্রমিকদের কী চোখে দেখেন এই মন্তব্যেই তা বোঝা যায়। আরামবাগে ২০-৩০ হাজার মানুষ আছেন যাঁরা ভিনরাজ্যে নানাবিধ কাজ করে উপার্জন করেন। লকডাউনে তাঁদের ফিরিয়ে এনেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করেছেন, তাঁরা যাতে কাজ পান প্রশাসনকে দিয়ে তার ব্যবস্থা করেছেন। ভিনরাজ্যে থাকা শ্রমিকদের স্নেহের পরশ প্রকল্পে অর্থসাহায্য করেছেন। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে ও বিভিন্ন রাজ্যকে অনুরোধ করেছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকদের যত্ন নিতে। এ রাজ্যে থাকা অন্য রাজ্যের শ্রমিকদের জন্য তিনি এতো ভালো বন্দোবস্ত করেছিলেন যে তাঁরা কেউ ফিরে যেতে চাননি। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা সকলেই নিজের চোখে দেখেছেন। দিলীপ ঘোষ সেই শ্রমিকদের নিকৃষ্টতম মনে করে তাঁদের প্রতি অসম্মানজনক কথা বলছেন! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষ কীভাবে ভালো থাকেন সেদিকে নজর রাখেন। আর কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের বিপদেও রাজনীতির স্বার্থ দেখে। রাজ্যের প্রাপ্য না দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলছে। সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করা হচ্ছে একের পর এক। ব্যাঙ্কে জনসাধারণের টাকা সুরক্ষিত নয়। এলআইসি নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষের ঘাড়ে জিএসটির বোঝা চাপাচ্ছে। বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ছাঁটাইয়ের খাঁড়ার নীচে রয়েছেন। আর ভোট এলেই নজর ঘোরাতে বিজেপির যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

দিল্লি দাঙ্গার চার্জশিটে ইয়েচুরীদের নাম, প্রতিবাদে সিপিআইএম, সরব মহুয়া

দিল্লি দাঙ্গার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে সীতারাম ইয়েচুরী, জয়তী ঘোষ, অপূর্বানন্দ, জয়তী ঘোষ, রাহুল রায়ের নাম সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে যুক্ত করেছে দিল্লি পুলিশ। এর তীব্র সমালোচনা করে দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিপিআইএম। সুজন চক্রবর্তী টুইটে লিখেছেন, মোদী-শারা ভয় পেয়েছে, তাই সীতারামদের ভয় দেখাতে চাইছে। এতই সহজ? দেশের শাসকরা সংবিধান মানে না। সমগ্র অধিকারগুলোকেই তছনছ কতে চায়। ওদেরই উচ্ছেদ করতে হবে। এটাই নাগরিক কর্তব্য। দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রের হাতে। তাই এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইটে লেখেন, দিল্লি দাঙ্গার চার্জশিটে সীতারাম ইয়েচুরী, যোগেন্দ্র যাদবদের নাম থাকলেও কপিল মিশ্রর ব্যাপারে নীরব। আমি নিশ্চিত বিজেপি সরকার নতুন করে ইতিহাসের পাঠ্যবই লিখবে, যেখানে গুজরাট দাঙ্গার প্রধান ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে জওহরলাল নেহরুর নাম রাখা হবে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal