• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Militant

দেশ

কাশ্মীরে তুমুল গুলির লড়াই, যৌথ বাহিনীর অভিযানে খতম দুই জঙ্গি

রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায় বড়সড় সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাল যৌথ বাহিনী। কিস্তওয়ার জেলার ছাতরু অঞ্চলে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এখনও এলাকায় তল্লাশি ও নিরাপত্তা অভিযান চালানো হচ্ছে।গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল, পার্বত্য এলাকার একটি মাটির বাড়ির ভিতরে জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই যৌথ বাহিনী এলাকায় পৌঁছলে আড়াল থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াইয়ের পর দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে একে সাতচল্লিশ রাইফেল সহ একাধিক আধুনিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নিহতদের মধ্যে একজন জইশ ই মহম্মদ এর শীর্ষ কমান্ডার। তার পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত এক মাসে ছাতরু জঙ্গলে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

ধৃত জঙ্গি আব্বাসের বাংলাদেশ ও পাকিস্তানযোগ, তদন্তে এসটিএফ

জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) জঙ্গি সন্দেহে ধৃত আব্বাস উদ্দিন মোল্লার সঙ্গে পাকাস্তিন ও বাংলাদেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। শুক্রবার জঙ্গি সন্দেহে ধৃতদের সম্পর্কে বীরভূমের রামপুরহাট মহকুমা আদালতে এমনটাই জানিয়েছে স্পেশাল ট্যাক্স ফোর্স। এদিন ধৃত তিনজনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৯ মে জেএমবি জঙ্গি সন্দেহে বীরভূমের নলহাটি থানার বানিওর গ্রাম পঞ্চায়েতের চণ্ডীপুর গ্রাম থেকে আজমল হোসেন, মুরারই থানার চাতরা গ্রাম থেকে সাহেব আলি খান এবং পরদিন দক্ষিণ ২৪ পরগণার ডায়মন্ড হারবার থেকে আব্বাস উদ্দিন মোল্লাকে গ্রেফতার করে স্পেশাল ট্যাক্স ফোর্স। তাদের প্রত্যেককে পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। শুক্রবার ফের তিনজনকে আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী সৈকত হাতি বলেন, ধৃত আব্বাস উদ্দিন মোল্লার সঙ্গে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। স্পেশাল ট্যাক্স ফোর্স জিজ্ঞাসাবাদে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। এর সঙ্গে আরও অনেকের জড়িত থাকার সম্ভবনা রয়েছে বলে তদন্তকারী অফিসার আদালতকে জানিয়েছেন। বিচারক তিনজনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

মে ২৪, ২০২৫
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত, বাংলায় স্লিপার সেলের সন্ধানে জোরদার তদন্ত

বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিমের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নওদা থেকে ধৃতদের মঙ্গলবার বহরমপুর সিজেএম আদালতে তোলা হয়। রাজ্য পুলিশের এসটিএফের পক্ষ থেকে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছিল। বিচারক দিলওয়ার হোসেন ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃতদের নাম সাজিবুল ইসলাম ও মুস্তাকিম মণ্ডল। ধৃতদের বিরুদ্ধে জঙ্গি যোগ সন্দেহ আরও মাত্রা পেল।বাংলাদেশে ইউনুসের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসতেই সীমান্তের পশ্চিমপাড়ে জঙ্গিদের স্লিপার সেলের একের পর এক সন্ধান মিলেছে। এবার এপারে জেএমবি অপেক্ষা আনসারুল্লা বাংলা টিমের দাপট অনেক বেশি।দিন কয়েক আগে আসম পুলিশ হঠাৎ হানা দেয় হরিহরপাড়ায়। হরিহরপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আব্বাস শেখ ও মিনারুল শেখ। আব্বাস শেখ স্থানীয় মসজিদের ইমাম ছিলেন। মিনারুল এলাকায় একটি খাদিজিয়া মাদ্রাসা চালাতেন। দুজনেই এবিটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাদের জেরা করে আসাম পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের এসটিএফ রবিবার রাত তিনটে নাগাদ নওদা থানার দুর্লভপুর থেকে সাজিবুল ইসলামকে ও পরে ভেলো গ্রাম থেকে মুস্তাকিম মণ্ডলকে জঙ্গিযোগ সন্দেহে আটক করে। ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর দুজনকে সোমবার গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ১১৩-৩/৪/৫/৬, ৬১ বিএনএস ও ১৪-সি ফরেনার অ্যাক্টে মামলা রুজু করে মঙ্গলবার আদালতে তোলা হয়। দুজনকেই ১৪ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সাজিবুল ইসলাম ও মুস্তাকিম মণ্ডল কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সাধারণ দুই যুবকের সঙ্গে বাংলাদেশি জঙ্গিযোগ রয়েছে শুনে এলাকার মানুষ হতবাক হয়ে পড়েন। পুলিশ সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদ জেলায় একাধিক স্লিপার সেল রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্লিপার সেল থেকে এবিটির হয়ে কাজ করছিল আব্বাস, মিনারুল, সাজিবুল, মুস্তাকিরা। সাজিবুল কেরল থেকে ধৃত শাদ রবি ওরফে সাব শেখের পিসতুতো ভাই। আনসারুল্লা বাংলা টিমের প্রধান জসিমুদ্দিন রহমাণির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সাব শেখ বহুবার নওদায় তার আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছে বলেই তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। জেলায় বাংলাদেশি জঙ্গিদের একাধিক ডেরা থাকলেও কেন জেলা পুলিশ কিছুই জানতে পারল না। এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪
রাজনীতি

শুভেন্দুর ওপর জঙ্গি আক্রমণ নিয়ে দিনভর চর্চা, প্রতিক্রিয়া দিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক

প্রথম থেকে বাংলাদেশ ইস্যুতে সোচ্চার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দুবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গিয়ে সভা করেছেন, বাংলাদেশ হাইকমিশনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তারই পাশাপাশি সোচ্চার হয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এবার জল্পনা ছড়িয়েছে বাংলাদেশের দুটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন শুভেন্দুর ওপর হামলা চালাতে পারে। রাজ্যপুলিশকে এবিষয়ে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। এমন খবর ছড়িয়েছে। যদিও সরকারি ভাবে এই তথ্যের সত্য়াতা নিয়ে কোনও কথা বলেনি পুলিশ। তবে শুভেন্দু অধিকারী জঙ্গি হামলা নিয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন।তাদের কাজ তারা করবে, আমার কাজ আমি করব। তাঁর ওপর জঙ্গি হামলার আশঙ্কা প্রসঙ্গে এমনই সরল প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু অধিকারীর ওপর জঙ্গি হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলে রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদেরও এ ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সে দেশের মৌলবাদীদের সম্পর্কে নানা মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলনেতা। সেই কারণেই শুভেন্দু অধিকারীর উপর জঙ্গি হামলার আশঙ্কা বেড়েছে বলে জেনেছে কেন্দ্রীয় সরকারের গোয়েন্দা বাহিনী।শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, তাদের কাজ তারা করবে, আমার কাজ আমি করব। আগে তৃণমূল আক্রমণ করেছে, এখন জঙ্গিরা করতে চাইছে। আগে জনগণ সুরক্ষা দিয়েছে, এখনও জনগণই সুরক্ষা দেবে।উল্লেখ্য, ওপার বাংলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর কট্টরবাদীদের উপর্যুপরি হামলা নিয়ে প্রথম থেকেই সরব বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন অভিযান করেছেন। ইউনূস সরকারের তুলোধোনা করে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪
রাজ্য

এবার জঙ্গি-যোগ পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের যুবকের, চেন্নাই থেকে গ্রেফতার এসটিএফের

পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার পানাগড় ও নদীয়ার নবদ্বীপ থানার মায়াপুর মোল্লাপাড়া থেকে জঙ্গি যোগে গ্রেফতারের পর চেন্নাই থেকে এদের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে আরেকজনকে গ্রেফতার করল এসটিএফ। মঙ্গলকোটের ভালুক গ্রামের বাসিন্দা শেখ আনোয়ারকে বেঙ্গল এসটিএফ-এর দল খবর পেয়ে চেন্নাই থেকে গ্রেপ্তার করে আনা হয় দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে। দুর্গাপুর মহকুমা আদালত এই জঙ্গিকে ১৪ দিনের এসটিএফ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। সূত্র মারফত জানা যায়, ৪ বছর ধরে এই নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ ছিল তার। শেখ আনোয়ার কর্মসূত্রে চেন্নাইয়ে একটি লন্ড্রিতে কাজ করতো। আর জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগেই কাঁকসার পানাগড় ও নবদ্বীপ থেকে যে দুজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ তাদেরকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে পর চেন্নাইয়ে শেখ আনোয়ারের খোঁজ পায়। বেঙ্গল এসটিএফ-এর একটি দল শেখ আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করে দুর্গাপুরে নিয়ে আসে এবং আনোয়ারকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্তের গতি আরও বাড়িয়ে নিয়ে যেতে চায় এসটিএফ। এই নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে শেখ আনোয়ার যুক্ত হয়ে কি কাজ করত সেটাও জানার চেষ্টা করছে এসটিএফ।

জুন ২৯, ২০২৪
দেশ

ফিরে এল পুলওয়ামার স্মৃতি, পুঞ্চে জঙ্গি হামলায় শহিদ ৫ সেনা জওয়ান-জখম বহু

পুলওয়ামার স্মৃতি ফিরল পুঞ্চে। বৃহস্পতিবার জম্মুতে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় পাঁচ সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছেন। নর্দান কমান্ডের সদর কার্যালয়ের তরফে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি পড়ছিল। স্বভাবতই দৃশ্যমানতাও কম ছিল। সেই সুযোগেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে জঙ্গিরা। জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেডে জওয়ানদের গাড়িতে দাউ দাউ করে আগুন লেগে যায়। তাতেই প্রাণ হারান ৫ সেনা জওয়ান। জখম হন অনেকে।বৃহস্পতিবার দুপুর গড়িয়ে ৩টে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সময় সেনাবাহিনীর গাড়িটি রাজৌরি সেক্টরের ভিম্বার গালি এবং পুঞ্চের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। জানা গিয়েছে, নিহত জওয়ানরা রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সদস্য। মূলত সন্ত্রাস দমনের জন্য তাঁদের উপত্যকায় নিয়োগ করা হয়েছিল। এই হামলায় মৃত্যুর পাশাপাশি বেশ কয়েকজন সেনা জওয়ান আহতও হয়েছেন। জখমদের রাজৌরির সেনা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। জঙ্গি হামলার পর ঘটনাস্থল ঘিরে জোরদার তল্লাশি শুরু করেছেন সেনাবাহিনীর জওয়ানরা।পুঞ্চে সেনা জওয়ানদের গাড়িতে আগুন লেগে গিয়েছে, প্রথমে এই খবর জানানো হয়েছিল। অবশেষে সন্ধের পর সত্যিটা সামনে আসে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং টুইটে লেখেন, পুঞ্চ জেলার (জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর) ট্র্যাজেডিতে মর্মাহত। সেখাানে একটি ট্রাকে আগুন লাগায় ভারতীয় সেনাবাহিনী তার সাহসী সৈন্যদের হারিয়েছে। এই দুঃখজনক সময়ে, আমি মানসিকভাবে শোকাহত পরিবারগুলোর পাশে আছি। হামলার পর পর ভিম্বার গালি-পুঞ্চ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘুরপথে গাড়ি চলাচল করতে থাকে।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
দেশ

নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম দুই জঙ্গি

নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে লস্কর-ই-তইবার দুই জঙ্গি খতম হল। পাশাপাশি ধরা পড়ল তাদের এক সহযোগী। ঘটনাটি ঘটেছে সুরানকোটে এলাকার চট্টপানি-দুগরান গ্রামে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সন্ত্রাসবাদীদের ডেরা ঘিরে ফেলেছিল নিরাপত্তাবাহিনী। তারপর জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। রবিবার সকাল থেকে তীব্র গুলিযুদ্ধ শুরু হয় জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার দুগরানের মুঘল রোড এলাকায়। শেষ পর্যন্ত দুই জঙ্গিকে খতম করা হয় আর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত জেপি নাড্ডা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জঙ্গিদের মধ্যে একজন স্থানীয় ও দুজন বিদেশি। তিনদিন আগে তারা নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল। জইশ-ই-মহম্মদ ও লস্কর-ই-তইবার যৌথ অভিযান চালানোর ছক ছিল। জম্মু ও কাশ্মীরের স্থানীয় নির্বাচনে ঝামেলা পাকানোর পরিকল্পনা কষেছিল।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

বীরভূম থেকে গ্রেফতার এক জঙ্গি

বীরভূম জেলা থেকে এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হল। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপন অভিযান চালিয়ে এসটিএফ ওই জঙ্গিকে পাইকর থানার কাবিলনগর থেকে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, খাগড়াকাণ্ডের পর থেকেই এসটিএফের নজরে ছিল বীরভূমের পাইকর থানা এলাকার কাবিলনগরের বাসিন্দা নাজিবুল্লা। তাকে নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। মাস খানেক আগে এসটিএফের তরফে যোগাযোগ করা হয় পাইকর থানার সঙ্গে। জানানো হয়, সাকিব আলি নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে নাজিবুল্লার। সেখান থেকে দেশবিরোধী নানা প্রচারের অভিযোগও ওঠে ধৃতের বিরুদ্ধে। আরও পড়ুন ঃ জেপি নাড্ডার গাড়িতে হামলা, মুখ্যসচিব - ডিজিকে তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পাইকর থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়, নাজিবুল্লার আচরণের উপর নজর রাখতে। এরপর বৃহ্স্পতিবার বীরভূমের কাবিলনগরে পৌঁছয় এসটিএফের আধিকারিকরা। গ্রেপ্তার করে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে। গ্রেপ্তারির পাশাপাশি একটি ল্যাপটপ, কম্পিউটার, সিপিইউ-সহ বেশ কয়েকটি ইলেকট্রনিক গেজেট বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ধৃত ওই জঙ্গী নাজিবুল্লাহ(আনুমানিক ৫০ বছর) জেএমবি সংগঠনের সাথে সক্রিয় ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি একটি ছাপাখানার মালিক বলে জানা যায়। তাকে আজ আদালতে তোলা হবে জানা গেছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
দেশ

কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে খতম চার জঙ্গি

জম্মুর নাগরোটা টোল প্লাজায় নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে গুলির লড়াইয়ে খতম চার জঙ্গি। সংঘর্ষের জেরে আহত হয়েছেন এক জওয়ানও। তাঁর ঘাড়ে চোট লেগেছে। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত স্থানীয় বান টোল প্লাজায় এই সংঘর্ষ এখনও চলছে। এর ফলে উধমপুরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। জঙ্গিরা মোট কতজন ছিল সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। আরও পড়ুন ঃ পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের কাজে হাত মেলাতে চান , তারা চলে আসুনঃ দিলীপ আগে থেকেই খবর ছিল। তাই জঙ্গিদের তল্লাশিতে শুরু হয়েছিল নাকা চেকিং। সেই সময়ই আচমকা নিরাপত্তা বাহিনীর উপরে গুলি চালাতে শুরু করে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিরা। তারা দ্রুত পালিয়ে সামনের জঙ্গলে ঢুকে পড়ে। এরপরই শুরু হয় গুলির লড়াই। জানা গিয়েছে, জঙ্গিরা বাসে করে জম্মু থেকে কাশ্মীরের দিকে যাচ্ছিল। এরপর থেকে ওই এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। শুরু হয়েছে তল্লাশি। জঙ্গিদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
দেশ

পুলওয়ামায় ফের জঙ্গি হামলা, শহিদ ২ জওয়ান

ফের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা। ওই হামলায় শহিদ হয়েছেন ২ সিআরপিএফ জওয়ান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ৩ জওয়ানকে শ্রীনগরের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামার পাম্পোরে সোমবার দুপুর নাগাদ এই হামলা চালায় জঙ্গিরা। এদিন সিআরপিএফ-এর ১১০ নম্বর ব্যাটালিয়ন ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সেখানে টহল দিচ্ছিলেন। কান্দিজাল সেতুর কাছে আসতেই আচমকাই তাদের ওপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামলার পরই এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী।চলে তল্লাশি।

অক্টোবর ০৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

ক্ষমতার শীর্ষ থেকে অনিশ্চয়তার কিনারায়, মমতা-অভিষেকের সামনে কঠিন প্রশ্ন

দেহপট সনে নট সকলি হারায় মঞ্চে বা পর্দায় যে নট-নটিরা অসংখ্য মানুষের চোখের পর্দায় বিচরণ করেন তাঁদের সম্পর্কে কবির এই নিদান। গ্ল্যামারের ছটায় যে সাফল্য আসে নট-নটিদের, তার জনমোহিনী আকর্ষণ শরীরে বয়স থাবা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে অতি দূরের নির্জন দ্বীপের চেহারা নেয়। তবে, রাজনীতির মঞ্চে কালের এই নিয়ম আলাদা। সেখানে বয়স নয়, ক্ষমতার মসনদ ই মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতার মসনদের উপরে ও নিচে কোথায় অবস্থান তা নির্দিষ্ট করে দেয় খেলার নিয়ম। এই মুহূর্তে এই অনুভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ বুঝছেন না। শুধু ক্ষমতা হারানো নয় ১৯৯৮ সালে যে দলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই দলটাই তাঁর মুঠোয় আর থাকবে কি না সেই প্রশ্ন ই এখন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মমতার। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাস বলছে ব্যক্তি নির্ভর দলের বোধহয় এটাই ভবিতব্য। ইংরেজিতে একটা কথা আছে nothing succeeds like success। নতুন দল তৈরির পর থেকেই সাফল্যের মুখ দেখেননি মমতা। ধীরে ধীরে রাজ্যের বিরোধী পরিসরে তিনি জায়গা পেয়েছেন। অবশেষে, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে ক্ষমতার বিন্দুর দিকে যাত্রা শুরু হয় মমতার। ২০০৯ এর লোকসভা, ২০১০ এর পুরসভা ও পৌরসভার নির্বাচন এর পরপর ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিন্দুর স্পর্শ পেয়েছেন তিনি। তারপরে তো দল এবং সরকারে তিনিই ছিলেন শেষকথা। ক্ষমতায় থাকার জন্য দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে মজবুত করতে নিচুতলার কর্মী থেকে নেতা - মন্ত্রীদের বেপরোয়া ক্ষমতার ব্যবহার ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে একের পর এক ঘুঁটি সাজিয়েছেন। এই সবই ছিল ক্ষমতার মসনদে বসে থাকাকালীন সময়ের ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু, ২০২৬ সালের ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। দলের টিকিটে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড় করালেও মমতার নামে তিনি বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন - দলের মধ্যে এই যে myth তৈরি হয়েছিল তা আজ অতীত। এখন তো তাঁর নামে একটি কর্মসূচিতেও দলের নেতা কর্মীদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় মমতার থেকে ও অনেক অনেক বেশি কঠিন কঠোর বাস্তব এসে দাঁড়িয়েছে অভিষেকের সামনে। মমতার পক্ষে তাঁকে ব্রাত্য করা অসম্ভব হলেও দলের নেতা, বিধায়ক, কর্মীদের কাছে নয়। কারণ অভিষেক দলের মধ্যে যেখানে ছিলেন তা তাঁর রাজনৈতিক পরিশ্রমের ফল নয়। ক্ষমতার সোপানে পা রেখেই তাঁর যাত্রা শুরু। দলের নেতা, বিধায়ক ও কর্মীদের তা অজানা নয়। ফলে এখন পরীক্ষা অভিষেকের। এতদিন তিনি digital space এ রাজনীতি করে এসেছেন, এবার নামতে হবে রাজনীতির রুক্ষ মাঠে, রাস্তায়। এই রাস্তা, মাঠে তাঁর জন্য কোন বাস্তব অপেক্ষা করে আছে তা তিনি আঁচ পেয়েছেন সোনারপুরের রাস্তায়। তিনি কি দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন? সাফল্যের নিচে যে অন্ধকার থাকে তার সঙ্গে কি মানিয়ে চলতে পারবেন? দলের মধ্যে যাঁরা মাঠে - ময়দানে লড়াইতে, অভিজ্ঞতায় তাঁর থেকে এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে পা মেলাতে পারবেন? এইগুলোই এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে কালীঘাট ও হরিশ মুখার্জি রোডের দরজায়।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি টাকার কারবার? প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সঙ্গীতশিল্পী ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিপুজো প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দুই হাজার বাইশ সালে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন মধুছন্দা সেন। সেই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় যে ইউনেস্কো তাদের সহযোগী সংস্থা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়, কলকাতার চব্বিশটি দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে নির্বাচন করেছে। কিন্তু পরে জানা যায়, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনেস্কোর প্যারিস এবং দিল্লি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।দুই হাজার একুশ সালে বাংলার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পরের বছর থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা কলকাতার নির্বাচিত কিছু দুর্গাপুজোর থিম এবং শিল্পকর্ম আগেভাগে প্রদর্শনের আয়োজন করত। সেই প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শকদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হত। অভিযোগ, এই পুরো আয়োজনকে ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়েছিল।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের আরও দাবি, গত তিন বছরে এই টিকিট বিক্রি থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন পুজো কমিটি খুব সামান্য অংশ পেয়েছে, আর বাকি অর্থ সংস্থার কাছে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব পুজোকে এই সংস্থা বেছে নিত, সেগুলিই পরে বিভিন্ন পুরস্কার এবং বড় স্পনসরশিপ পেত।তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না এবং তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচয়ও নেই। তিনি বলেন, তিনি কোনওদিন কোনও দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন শিল্পী ও আলোকচিত্রী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে তাঁর কাজের সম্পর্ক রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি আইনি পদক্ষেপও করবেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং বউবাজার থানার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে একাধিক নথি এবং তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

উধাও অরূপ বিশ্বাস! ফোন বন্ধ, মিলছে না টাওয়ার লোকেশন, চাপে পুলিশ

মেসি কাণ্ডে জটিলতা আরও বাড়ল রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।বিধাননগর পুলিশ সূত্রের খবর, অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকেও তাঁর খোঁজ সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি। গোটা বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগে মেসি কাণ্ডে গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানালেও বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে জরুরি শুনানির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।আদালত থেকে স্বস্তি না মেলার পরই সোমবার দুপুরে অরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের সাহাপুর এলাকার ফ্ল্যাটে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হলেও অরূপ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, মেসি কাণ্ডে এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। অন্যদিকে যৌন নির্যাতন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বেহালার সাহাপুর কলোনির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই তল্লাশির সময় একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘর এবং সেখানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।প্রাক্তন মন্ত্রীর খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal