• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Men

রাজনীতি

Jay Bannerjee: রাজীবের পর এবার কী জয়ের পালা? বিজেপি ছেড়ে কোথায় যাচ্ছেন?

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর কি এবার জয় বন্দ্যোপাধ্যায়? ফের দলবদলের সম্ভাবনা তৃণমূলে!এইরকম একাধিক প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠির শেষ লাইনে তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি বিজেপি ছেড়ে দিচ্ছেন তবে কোন দলে যোগদান করছেন সেই বিষয়ে খোলাখুলি কিছু জানাননি।ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জয়ের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা। পাশাপাশি খবর মিলেছে জাতীয় কর্মসমিতি থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এই বিষয়ে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি বিজেপি ছাড়ছেন। যেই দলের সঙ্গে মানুষ নেই সেই দলে থেকে কোনও লাভ নেই। যেই দলে মানুষ রয়েছেন সেখানেই তিনি যাবেন। কারণ সেখানেই কাজ করার সুযোগ পাবেন।এই বিষয়ে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি বিজেপিতেই ছিলাম প্রথম থেকে। কিন্তু কিছু বিষয়ে আমার দলের উপর খারাপ লাগা তৈরি হয়েছে। আমি খুবই দুঃখ পেয়েছি। আমায় জাতীয় কার্যনির্বাহী পদ থেকে সরিয়ে রাজীব বন্দ্য্যোপাধ্যায়কে করা হয়েছিল। এখন তিনিও দলবদল করে নিয়েছেন। একাধিকবার আমি এই রাজ্যে মার খেয়েছি। তবুও গতকাল আমার নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হয়। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রীকে আমি জানিয়ে দিয়েছি যে আমি নিজেকে বিজেপি থেকে সরিয়ে নিলাম। আর আমি মানুষের কাজ করি। তাই যেই দলের সঙ্গে মানুষ রয়েছে আমি সেই দলে রয়েছি। যেই দল মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে সেই দল আমি ছাড়ছি। বিজেপি নেতা ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, আমি বিগত এক মাস অসুস্থ ছিলাম। দলের তরফে একটাও খোঁজ নেওয়া হয়নি আমার। তবে আমি এখনও বলছি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমায় খুবই ভালোবাসেন। তাঁরা আমাকে বিজেপি থেকে সরিয়ে দেয়নি। আমি নিজেকে বিজেপি থেকে সরিয়ে নিয়েছি।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
কলকাতা

Office Flag: সুব্রতর প্রয়াণে সরকারি দপ্তরে আজ অর্ধনমিত পতাকা

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে, তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে রাজ্য সরকার আজ, সরকারি কার্যালয়গুলিতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কালীপুজোর রাতে গোটা রাজ্যে নেমে আসে অন্ধকার। প্রয়াত হন রাজ্যের বর্ষীয়ান মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৭৫ বছরে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের জীবনাবসান। সকাল ১০টা থেকে মরদেহ রয়েছে রবীন্দ্রসদনে। রবীন্দ্রসদন থেকে মরদেহ আসবে বালিগঞ্জের বাড়িতে।সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকবিহ্বল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকাল ১০টা-দুপুর ২টো পর্যন্ত রবীন্দ্রসদনে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে। তারপর বিধানসভা হয়ে দুপুর ২টোর পর বাড়ি নিয়ে যাওয়া হবে দেহ। একডালিয়া ক্লাব হয়ে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে প্রয়াত রাজনীতিকের শেষ কৃত্য। আজ, শুক্রবার সরকারি দপ্তরে অর্ধনমিত থাকবে জাতীয় পতাকা। প্রয়াত মন্ত্রীর শ্রদ্ধায় রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: চিন হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ! বিস্ফোরক দিলীপ

উপনির্বাচনের পরে পুরসভা নির্বাচনেও সন্ত্রাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে এই কথা জানান তিনি। দিলীপ বলেন যে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা চিনের মত হয়ে যাবে। একটাই দল ভোটে দাঁড়াবে। তাকেই সবাই ভোট দেবে। বাকি দলের অস্তিত্ব মুছে দেওয়া হবে। এই ভাবেই উপনির্বাচন হইয়েছে এবং সেখানে প্রার্থীকেও ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলেই দাবি করেছেন তিনি। উপনির্বাচনের ফল দিয়ে কিছু বোঝা যাবে না এমনটাই দাবি দিলীপের।সামনেই পুরভোট হবে শহরে। বিজেপি সর্ব শক্তি দিয়ে লড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভোট ঠিকমত হলে পরিস্থিতি আলাদা হবে আশা দিলীপের। যদিও শান্তিপূর্ণ ভোট হওয়ার আশা খুব কম বলেই তাঁর ধারণা।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

School Reopen: স্কুল খোলা নিয়ে একগুচ্ছ নির্দেশিকা-সহ বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য

১৬ নভেম্বর থেকে রাজ্যে খুলছে স্কুল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন শুরু হবে স্কুলে। এবার রাজ্য সরকারের তরফে স্কুলের সময়সীমা ধার্য করা হল।রাজ্যের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০ টা থেকে। চলবে ৩:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে ৯:৩০ টার মধ্যে। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ১১ টা থেকে। চলবে ৪:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রীছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে। এই মর্মে রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্কুলগুলিকে তা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। তবে অতিমারি পরিস্থিতিতে স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার্থে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করে ওয়েস্ট বেঙ্গল সেকেন্ডারি বোর্ড। সেগুলো কী, আসুন জেনে নেওয়া যাক।১. সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, সোম থেকে শনিবার পর্যন্তই স্কুল হবে। তবে কিছুটা সময় সীমার পরিবর্তন করা হয়েছে।২.এক-একটি ক্লাসকে দুটি বা তার বেশি শ্রেণি কক্ষে ভেঙে বসাতে হবে। পড়ুয়াদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।৩. থিওরি ক্লাসের পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলি নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই শর্ত প্রযোজ্য।৪. নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০ টা থেকে। চলবে ৩:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে ৯:৩০ টার মধ্যে। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ১১ টা থেকে। চলবে ৪:৩০ পর্যন্ত।৫. ক্লাস শুরু হওয়ার অন্তত আধ ঘণ্টা আগে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে।করোনার বিষয়ে অভিভাবক ও পড়ুয়াদের সতর্ক করার দায়িত্বও স্কুলকেই দিয়েছে রাজ্য। করোনা সম্পর্কে অবহিত হতে হবে। কী করা যাবে এবং কী করা যাবে না সে বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। ডু অ্যান্ড ডোন্টস-এরও একটি তালিকা রয়েছে বিকাশ ভবনের স্কুল রিওপেন বুকলেটে। সেখানে বলা হয়েছে, জ্বর হলে কোনও অভিভাবক যেন পড়ুয়াকে স্কুলে না পাঠান। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, ক্লাস চলাকালীন একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর পর ক্লাসরুম, ল্যাব বা অন্যান্য ঘরগুলি স্যানিটাইজ করতে হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Covid Infection: উৎসব মিটতেই কোভিড সংক্রমণ উর্ধমুখী, বর্ধমানে নেওয়া হল কড়া পদক্ষেপ

শারদোৎসব মিটতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায ক্রমশ উর্ধ্বমুখী হচ্ছে কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ। নতুন করে বুধবার জেলায় ২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৭ জন বর্ধমান শহরেই বাসিন্দা। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি রুখতে ফের আগের মতোই কড়া পদক্ষেপ নিল জেলার পুলিশ ও প্রশাসন।রাস্তায় নাকা চেকিং শুরু করার পাশাপাশি পুলিশ মাস্ক পড়ার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামলাল এলাকার একাংশ গণ্ডিবদ্ধ এলাকা হিসাবে ঘোষণা করেন জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই এলাকায় বিধি লাগু করতে এদিন আশরে নামেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা।বিধি মেনে ওই গণ্ডিবদ্ধ এলাকায় আগামী ৭ দিন সমস্ত দোকাণপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে প্রশাসন। বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস ;বর্ধমান পৌরসভার সহ পুর-প্রশাসক আইনুল হক ,বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী সহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরাএদিন গণ্ডিবদ্ধ এলাকা পরিদর্শে যান। তাঁরা সেখানকার মানুষকে সচেতন করেন। মাস্ক পড়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন। এছাড়াও এলাকার সব দোকানপাট আগামী সাতদিন বন্ধ রাখার কথাও জানিয়ে দেন প্রশাসনের কর্তারা। প্রশাসন সূত্রে খবর,এই মুহূর্তে বর্ধমান শহরে ৫৮ জন অ্যাক্টিভ কোভিড রোগী আছেন। তার মধ্যে ১৭ জনই শ্যামলাল এলাকার। তাই কঠোর ব্যবস্থা বলবত করার দিকেই যেতে হল প্রশাসনকে।বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিধি লাগু হওয়া এলাকা স্যানিটাইজ করা হবে। বাইরে থেকে লোক আসা যাওয়া নিয়ন্ত্রণে রুখতে এলাকায় পুলিশ পোস্টিং থাকবে । পৌরসভার সহ-প্রশাসক আইনুল হক জানিয়েছেন, আশাকর্মীরা এই এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করবেন। প্রয়োজনে বাসিন্দাদের আর টি পি সি আর টেস্ট করা হবে। কোন ভাবেই এলাকায় ভিড়বাড়তে দেওয়া হবে না। দোকান বাজার বন্ধ থাকলেও বাসিন্দাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কোনও জিনিসের অভাব হবে না। কোভিড আক্রান্তদের কাছে দুবেলা খাবার যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়াও এলাকার আক্রান্তদের বাড়ি থেকে বর্জ্যপদার্থ নিয়ে যাবে পুরসভার কর্মীরা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Fire Cracker: কালীপুজো ও দীপাবলীতে বাজি ফাটাতে জারি নির্দেশিকা, কী সেই নির্দেশিকা?

কালীপুজো এবং দীপাবল এবং ছট পুজোয় বাজি ফাটানোর নিয়ম বেঁধে দিল রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। উৎসবের দিনগুলোতে কতক্ষণ বাজি ফাটানো যাবে, তা স্পষ্ট ভাবে জানাল পর্ষদ।দীপাবলির বাজি বাজারে এসে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো পরিবেশবান্ধব বাজিই ফাটাতে হবে, আরও একবার নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। পরিবেশ বান্ধব বাজি ফাটানোর নোটিস জারি করল রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।প্রসঙ্গত, কালীপুজো ও দীপাবলিতে আতসবাজি ফাটানোর গত বছরের নির্দেশ বহাল রাখার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। কোভিড আবহে ২০২০ সালে রাজ্যে শব্দবাজি-সহ সবরকমের আতসবাজি পোড়ানো নিষিদ্ধ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই রায় দেওয়া হয়েছিল। করোনা আবহে এই রায় অত্যন্ত কার্যকরী হয়েছিল।রাজ্যের তরফ থেকে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র পরিবেশবান্ধব আতসবাজিই বিক্রি করা হবে। রাত ৮-১০টা পর্যন্ত এই বাজি ফাটানো যাবে। ছট পুজোতেও কেবল ২ ঘণ্টাই এই বাজি ফাটানো যাবে। পাশাপাশি ক্রিসমাস ও বর্ষশেষের অনুষ্ঠানে কোন সময়ে বাজি ফাটানো যাবে, সেই সময় সীমাও ধার্য করে দিল রাজ্য সরকার। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ক্রিসমাস ও বর্ষশেষের রাতে ১১.৫৫ মিনিট থেকে সাড়ে বারোটা পর্যন্ত পরিবেশবান্ধব আতসবাজি ফাটানো যাবে।পরিবেশ দূষণের কথা মাথায় রেখে আতসবাজি বিক্রি ও ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। কিন্তু পুরোপুরি তা বন্ধ না করে নিরাপদ ও কম শব্দ উত্পন্ন করে সেই ধরনের বাজি বিক্রি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
নিবন্ধ

Soap: সাবানের সালতামামি - চঞ্চলা ঝরনায় উচ্ছল স্নানের উল্লাসে উচ্ছ্বসিত মডেল

ভীষণ তিতকুটে স্বাদ ঢুকে যাচ্ছে মুখের ভেতর... চোখের ফাঁকে সাবানজলের তীব্র জ্বালা... চোখ আরো টিপে বন্ধ করতে গিয়ে দরবিগলিত অশ্রুধারা... ঝরছে... মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে নাকের জলে-চোখের জলে-মগের জলে... সর্বাঙ্গে ধুঁধুলের ছোবড়ার কর্কশ দৌড়দৌড়ি...চলছে প্রবল দলাইমলাই... আমার পরিত্রাহি চিৎকারে একটু দুরের ছাত্রাবাস থেকে ছুটে আসছে বাবার ছাত্ররা কেউ কেউ... কোয়ার্টারের কলতলায় বিপর্যস্ত আমাকে কেউ যোগাচ্ছে সাহস, কেউ দিচ্ছে সান্ত্বনা...আমার ছোটবেলায় সবচেয়ে ভয়াবহ দুটি কর্তব্যকর্মের মধ্যে একটি ছিল এই সাবানজলে স্নান করা, রবিবারের সকালগুলো আজো যার জন্য দাঁতখিঁচোনো স্মৃতি হয়ে আছে; আর সেই নিদারুন নির্যাতনের প্রধান কুশীলব ছিল একটি সাবান , যার নাম মার্গো I নিমের তেল ও নির্যাস দিয়ে তৈরী এই সাবান নামক আতঙ্কটি বানিয়ে ক্যালকাটা কেমিক্যাল কোম্পানি আমার মতো লক্ষ লক্ষ অপোগন্ড বাঙালী বালকবালিকার কোটি কোটি অভিশাপের ভাগী হয়েছেন বলে আমার বিশ্বাস। কালচে-সবুজ ইষ্টক-সম একটি খুদে অ্যাটম বোম, উগ্র কষায় স্বাদে গন্ধে যা জিনা হারাম করে ছেড়ে দিত... তার প্রতি আমাদের বিরাগ ও বাঙালী বাপ মায়েদের অনুরাগ সমানুপাতে চলাফেরা করতো। আমার সারা স্কুলজীবনে আমাদের বাড়িতে মার্গো ভিন্ন অন্য কোনো সাবান প্রবেশাধিকার পায় নি। কম দাম, বেশী উপকারিতা আর নিমের সর্বরোগহর গ্ল্যামার তো আছেই; ত্বকের স্বাস্থ্যরক্ষায়ও নাকি তার জুড়ি মেলা ভার! ব্যাস, আর কী চাই! একেবারে প্লেন লিভিং হাই থিঙ্কিং-এর চূড়ান্ত!আরও পড়ুনঃ পুজো শুরু হয়ে গেলষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় একবার রেশন দোকান থেকে মিলেছিল একটি ফিকে সবুজ সাবান (তখন শুধু চিনি-কেরোসিন-গমই সাধারনতঃ মিলত সেখানে)I একটু নরমসরম, মিষ্টি মিষ্টি গন্ধে বিগলিত হয়ে দীর্ঘ স্নান সারলাম তার সাহচর্যে। ফলাফল হলো ভয়াবহ... ঘন্টাখানেক বাদে সর্বাঙ্গে খড়ি উঠে হাফ-সাহেব বনে গেলাম। ভুরভুরে সুবাসের আড়ালে সেই রেশন-শোভন সাবানের নিম্নমান গোটা পরিবারকে আরো ঠেলে দিল মার্গো-র মৃত্যু-মার্গে!আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী-- আনন্দমেলাআমার শৈশবের রবিবারগুলি তাই মার্গো-ময়! সেই হাকুচ -তিতো স্নান-বিপাককে পরিহাস করতেই বুঝি বা তিরাশি সালে আকাশবাণীর বিজ্ঞাপনে শুরু হয়েছিল মার্গো-র এই নাম-সংকীর্তন...পথেঘাটে ভিড়ভাট্টা মেজাজটা তাই খাট্টা,গাড়ি লরী ধুলোবালি ঝকমারী সব একা তালগোল;নাকেমুখে ধোঁয়ার ধাক্কা, করবো কি তার তোয়াক্কা?মাখি তাই রোজ ভাইআদি নিম খাঁটি নিম মার্গো।ফুরফুরফুর স্নানের ফুর্তি জীবাণুর হবে ছুটি,মাখি তাই রোজ ভাইআদি নিম খাঁটি নিম মার্গো।সাদামাটা চেহারাটা, তবুও যে চাই প্রতি বার গো...মার্গো!পঁচাশি-র মাঝামাঝি বন্ধু নির্মাল্য-র বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পন্ডস ড্রিমফ্লাওয়ার সাবানের প্রেমে পড়ে গেলাম। আশৈশবের ব্র্যান্ড লয্যালটিকে দূরছাই করে দিয়ে ভিড়ে গেলাম পন্ডস ক্যাম্পে। ততদিনে মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেলে গিয়ে কিঞ্চিত স্বাবলম্বী হয়েছি, সাবান-স্নানও বিভীষিকা থেকে স্নান-বিলাসে বদলে গেছে। এরপর ঘুরেফিরে পন্ডস-এর তিনটি ব্র্যান্ডই স্থান পেতে লাগলো সাবান-কেসেI যেমন সুন্দর মোড়ক তাদের, তেমনই খোশবাই আর মখমলী মোলায়েম স্পর্শ!আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুনেশা লেগে গেল একের পর এক নতুন নতুন সাবান ব্যবহার, ও তাদের সুন্দর সুন্দর মোড়ক সংগ্রহের। রঙ-রূপ-গন্ধ-স্পর্শের মেলায় ভরে উঠতে থাকলো ছোট্ট সেল্ফ। সাবানের দুনিয়ায় কি বৈচিত্র্যই না ছিল সেই আশি-নব্বইয়ের দশকে। সস্তা আকাশী ফ্রেসকা বা রেক্সোনা থেকে শুরু করে রুচিশীল মাইশোর স্যান্ডাল সোপ, মার্গো-র জ্ঞাতি-ভাই হামাম, সুগন্ধী সিন্থল, লাইফবয় থেকে অভিজাত অ্যারামাস্ক (অনেকে মজা করে বলতেন আরামসুখ) বা হালকা বেগুনী মনমাতানো সৌরভের ল্যাভেন্ডার ডিউ... গঙ্গাজল দিয়ে তৈরী গঙ্গা সাবান...আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্য...আটের দশকের শেষদিকে আবির্ভূত পামোলিভ সাবান বা নিরমা বিউটি সোপ (নিউ এম্পায়ারে যে সাবানের বিজ্ঞাপনে সোনালী বেন্দ্রে-র লাস্য দেখতে বহু যুবক এমনিই দশ মিনিটের জন্য টিকিট কেটে ঢুকত বলে শোনা যায়!)... শীতের শুরুতে পিয়ার্স, চেসমি, সোনালী গিসারিন সাবানের হুজুগ... বলিউডের সমকালীন শীর্ষস্থানীয়া নায়িকার কৃপাধন্য ঝলমলে লাক্স... সুরভিত নরম ডাভ-এর শৌখিনতা... চন্দনগন্ধী মোতি... এ বলে আমায় দেখ ও বলে আমায়!হস্টেলে এক বন্ধুর প্রবাসী আত্মীয় বেড়াতে এসে তাকে উপহার দিয়ে গেলেন একটি ক্যামে সাবান। সেই প্রথম আমাদের সবার ড্যাবডেবিয়ে বিদেশী সাবান দেখা। মহার্ঘ্য বস্তুটির ওপর হারামী শকুনিদের চক্ষুদান এড়াতে বাক্সে তালাচাবি দিয়ে রাখত তার মালিক! ততদিনে দূরদর্শনের তুমুল জনপ্রিয় ধারাবাহিক বুনিয়াদ-এর ফাঁকে ফাঁকে নতুন এক সাবানের মনোহর শরীরী বিজ্ঞাপন হয়ে দেখা দিয়েছেন স্বপ্নসুন্দরী ডিম্পল। সাঁতারের পোশাকে জলে ঝাঁপ, ও জলকেলির শেষে মাথা তুলে চুলের ঢেউ ঈষৎ দুলিয়ে সেই মোহময়ীর ইটস মাই ক্রাউনিং গ্লোরি! শুনে সারা দেশে কত যে নাবুঝ লড়কা মর্দ হয়ে উঠলো!আরও পড়ুনঃ কন্যা রুপেন সংস্থিতাতবু আমাদের শৈশবে একটি সাবানের বিজ্ঞাপন যে ভাবে আসমুদ্রহিমাচলকে দুলিয়ে দিয়েছিল,তার তুলনা বিরল! দুহাজার সালে খান্ডালা বেড়াতে গিয়ে দূরে পাহাড়ের গায়ে এক তরলিতচন্দ্রিকাচম্পকবর্ণা জলপ্রপাত দেখিয়ে গাইড বলেছিলেন,ওই দেখুন, লিরিল সাবানের বিজ্ঞাপনের সেই বিখ্যাত ঝর্ণা। আমার চোখের সামনে সময়ের কাঁটা কয়েক দশক পিছিয়ে গিয়েছিল এক ধাক্কায়... চঞ্চলা ঝরনায় উচ্ছল স্নানের উল্লাসে উচ্ছ্বসিত মডেল কারেন লুনেল... লা-আ-আ লা লা লা লা-আ-আ ....লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20WC-MS Dhoni : মহেন্দ্র সিং ধোনির টানে আবার মাঠে ‘‌চাচা শিকাগো’‌

মুখে সেই চিরপরিচিত একগাল দাঁড়ি। হাতে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা। গায়ের জার্সিতে অভিনবত্ব। অর্ধেক ভারতের, অর্ধেক পাকিস্তানের। জার্সির সামনে মহেন্দ্র সিং ধোনির ছবি। আবার গ্যালারিতে ফিরে এসেছেন চাচা শিকাগো। কে এই চাচা শিকাগো? আসল নাম মহম্মদ বশির বোজাই। মহেন্দ্র সিং ধোনির অন্ধ ভক্ত। আদি বাড়ি পাকিস্তানের করাচি। বর্তমানে কানাডায় থাকেন। একসময় পাকিস্তানের ম্যাচ থাকলেই বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে ছুটে যেতেন। ভারতপাকিস্তান হলে তো কথাই নেই। ধোনি ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর পর মাঠ থেকে সন্ন্যাস নিয়েছিলেন চাচা বশির। বিশ্বকাপে ধোনি ভারতীয় দলের মেন্টর হয়ে ফিরতেই আবার গ্যালারিতে ফিরে এসেছেন। রবিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেও ভারতপাকিস্তান ম্যাচে গ্যালারিতে হাজির ছিলেন। মহেন্দ্র সিং ধোনিও তাঁর এই ভক্তকে দারুণ ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে চাচা বশিরকে প্রথমবার টিকিট দিয়েছিলেন ধোনি। সেবার মোহালিতে ভারতপাকিস্তান সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১৪ সালে ঢাকায় টি২০ বিশ্বকাপের টিকিটও পৌঁছে গিয়েছিল বশির চাচার কাছে। এবারও ধোনিকে দেখবেন বলে দুবাইয়ে হাজির। নিজের হাতেই তৈরি করেছেন ভারতপাকিস্তান মৈত্রীর জার্সি। নিজের দেশ পাকিস্তান হলেও চাচা বশির কিন্তু জয় চেয়েছিলেন ভারতেরই। আর সেটা মহেন্দ্র সিং ধোনির জ্যই। কিন্তু তাঁর সেই আশা পূরণ হয়নি। চাচা বশির যথেষ্ট বিমর্ষ। মাঝে করোনার জন্য বার হতে পারেননি। অসুস্থ শরীর নিয়েও দুবাইয়ে হাজির হয়েছেন শুধু মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্যই। কেন উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছিলেন? চাচা বশিরএর কথায়, আমি ধোনির অন্ধ ভক্ত। ধোনি অবসর নেওয়ার পর খেলা দেখার ইচ্ছেটাই হারিয়ে গিয়েছিল। আমি টিভিতে পর্যন্ত খেলা দেখতাম না। আবার ধোনির টানে ফিরে এসেছি। আমার স্ত্রীর অপারেশন হবে। ছেলেদের কাছে স্ত্রীকে রেখে চলে এসেছি। এইরকম ম্যাচে কি বাড়িতে বসে থাকা যায়। বাইশ গজে দেখতে না পেলেও মাঠে তো ধোনিকে দেখতে পেয়েছি। রবিবার ম্যাচের পর শোয়েব মালিকসহ বেশ কয়েকজন পাকিস্তানের ক্রিকেটার ধোনির কাছে ছুটে গিয়েছিলেন। ধোনির সঙ্গে ছবিও তুলেছিলেন। সেই ছবি দেখে আপ্লুত বশির চাচা। ধোনির প্রতি এত টান, একবার রাঁচি পর্যন্ত ছুটে গিয়েছিলেন চাচা শিকাগো। ক্যাপ্টেন কুলও কখনও ফেরাননি বশির চাচাকে। বহুবার তাঁর জন্য টিকিট রেখে দিয়েছেন। একবার রোদ লাগছে দেখে সুরেশ রায়নাকে দিয়ে চাচা বশিরের জন্য গ্যালারিতে সানগ্লাসও পাঠিয়েছিলেন ধোনি। ধোনির জন্য গলা ফাটাতে গিয়ে পাকিস্তান সমর্থকদের হাতে মারও খেয়েছেন বশির চাচা। ধোনির ছবিসহ ভারতপাকিস্তান মৈত্রী জার্সি প্রসঙ্গে চাচা শিকাগোর বক্তব্য, ধোনি মেন্টর হয়ে ফিরে এসেছে বলেই আমি আবার দুবাইয়ে। ধোনির জন্যই আমার জার্সির একদিকে ভারত, একদিকে পাকিস্তান। আমার জন্ম করাচিতে। শ্বশুর বাড়ি হায়দরাবাদে। দুই দেশের প্রতিই আমার ভালোবাসা রয়েছে। আমার শরীর পাকিস্তানের হলেও, হৃদয় ভারতের। ধোনির জন্যই ভারতের জয় চেয়েছিলাম।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
দেশ

Corona: দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১২ হাজার, চিন্তা বাড়াচ্ছে বাংলাও

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৪২৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৪ হাজার ৩০৬ জন। এদিকে, করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫ হাজার ৯৫১ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৮৩ হাজার ৩১৮ জন।বিগত কয়েকদিন ধরেই সংক্রমণ ছিল ১৫ হাজারের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল। এরপর আজ একধাক্কায় তা অনেকটাই কম হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি দেশে যে হারে টিকাকরণ হয়েছে সেক্ষেত্রে সংক্রমণ অনেকটা কম থাকায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে চিকিৎসক থেকে সাধারণ জনগণের। তবে বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করেছেন যে টিকাকরণে রোগের মাত্রাটা কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে। কিন্তু কখনও সংক্রমণ প্রতিহত করতে পারে না। এদিকে, গতকালের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও, ভয় ধরাচ্ছে দেশের মৃত্যুর গ্রাফ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার জেরে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫৬ জন গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ৪৪৩ জন।সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী পজিটিভিটি রেটেই বাংলাতেও বাড়ছে আতঙ্ক। সোমবারও এক লাফে অনেকটা বাড়ল এই সংখ্যাটা। রবিবার ২.৩২ শতাংশ পজিটিভিটি রেট ছিল বাংলায়। সোমবার তা বেড়ে হল ২.৭৭ শতাংশ। এদিন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮০৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। কলকাতায় দৈনিক আক্রান্ত ২২৯ জন। মৃত ৩।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
দেশ

Corona: ভয় ধরিয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৬৬ জনের

বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই নিম্নমুখী রয়েছে দেশের করোনা চিত্র। এরমধ্যে আবার ১০০ কোটির টিকাকরণের মাইল ফলক ছোঁয়ার পর থেকেই করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী হয়েছে দেশ।বিগত কিছুদিন ধরেই সংক্রমণ গ্রাফ ২০ হাজারের নীচেই রয়েছে। গতকালও তার অন্যথা হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৬ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৫ হাজার ৭৮৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা সামান্য কমে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৭ হাজার ৬৭৭ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ১২৬ জন।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান হাসপাতালে ৯ সদ্যোজাতর মৃত্যুতে বাড়ছে উদ্বেগএদিকে, আজ এক ধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে দেশের মৃত্যর সংখ্যা। বিগত কয়েকদিনের তুলনায় রেকর্ড মৃত্যু হয়েছে দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬৬৬ জনের। তবে গোটা দেশে সংক্রমণ কমলেও শীর্ষে এখনও কেরল, তামিলনাড়ু মহারাষ্ট্র রয়েছে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ এখনও কেরলে। এদিকে,চিন্তা বাড়াচ্ছে এই রাজ্যের করোনা সংক্রমণ। শুক্রবারের বুলেটিন অনুযায়ী, ফের দৈনিক সংক্রমণ ৮০০-র ওপরে। এই নিয়ে টানা তিন দিন ৮০০ পার করল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৮৪৬ জন। এর আগে বৃহস্পতিবার ও বুধবার এই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৮৩৩ ও ৮৬৭।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

corona Update: দেশে নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ, চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্য

আশঙ্কাই সত্যি হল। দুর্গাপুজো শেষ হতেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতার করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান। এ শহরের দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় প্রায় ২০০-র কাছে পৌঁছেছে। দুদিনের মধ্যেই কলকাতার নতুন সংক্রমণ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।আরও পড়ুনঃ গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্যকলকাতা ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়ও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে নতুন আক্রান্ত বেড়ে প্রায় ৭০০ হয়েছে। সংক্রমণের দৈনিক হারও ঊর্ধ্বমুখী। সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯০ জন। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের নীচে রয়েছে দেশের কোভিড গ্রাফ। যেহেতু দেশে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছ উৎসবের মরশুম, সেই কারণে সংক্রমণে দাড়ি টানতে বারবার সতর্ক হতে বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারপর বিগত কয়েকদিনের এই সংক্রমণ গ্রাফ অনেকটাই আশা জোগাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে আম-জনতাকে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৩ হাজার ৫৯৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ হাজার ৪৭০ জন।দেশের মৃত্যুর গ্রাফও নিম্নমুখী। গত একমাস আগেও ভয় ধরাচ্ছিল মৃতের সংখ্যা। কখনও ২০০ কখনও বা ৩০০-র গণ্ডি ছুঁইছুঁই ছিল সেই সংখ্যাটা। এরপর তা কমে দেড়শোর কম হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯

রাজ্যে ফের কিছুটা বাড়ল করোনার সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যুও। শনিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। রবিবারের বুলেটিনে দুক্ষেত্রেই পারদ উপরের দিকে উঠেছে। একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৬২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। একই সময়ের মধ্যে করোনা মুক্ত হয়েছেন ৬৩৪ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ১৪৮টি। পজিটিভিটি রেট ২.৩০ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্যএক লাফে কলকাতার সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৯ জন। মারা গিয়েছেন চারজন। শনিবার ১০৮ জন কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছিলেন। একজনের মৃত্যু হয়েছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, দার্জিলিংয়েও একজনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা তিন করে। হুগলিতে দুজন করোনার বলি হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মারা গিয়েছেন একজন।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Smriti Mandhana: আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে গোলাপি টেস্টে দারুন শুরু স্মৃতিদের

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে ঐতিহাসিক টেস্ট খেলতে নামার আগে কিছুটা হলেও চাপে ছিল ভারতীয় দল। অস্ট্রেলিয়ার গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও মিতালি রাজদের একেবারেই ছিল না। ভালভাবে অনুশীলনের সুযোগও পাননি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শেষ হওয়ার পর মাত্র একটা সেশন অনুশীলনে সুযোগ পেয়েছিলেন গোলাপি বলে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। তাতেই কামাল স্মৃতি মান্ধানাদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দিনরাতের টেস্টের প্রথম দিনে রীতিমতো দাপট দেখালেন স্মৃতি, শেফালিরা। ঐতিহাসিক দিনরাতের টেস্টে দারুণ শুরু ভারতীয় মহিলা দলের। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনের শেষে ১৩২/১।জুন মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের বেশ কয়েকজনের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এদিন টেস্ট অভিষেক হল মেঘনা সিং ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়ার। একদিনের সিরিজে দারুণ নজর কেড়েছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তার পুরস্কার পেলেন। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। দারুণ শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। আশঙ্কা ছিল গোলাপি বলে অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলাররা শুরুতেই চেপে বসবে ভারতীয়দের ওপর। কিন্তু এলিসে পেরি ও ডার্সি ব্রাউন কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের উপর। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ২৫ ওভারে ওঠে ৯৩। শেষ পর্যন্ত জুটি ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার সোফিয়ে মলিনেক্স। মলিনেক্সের বল তুলে মারতে মিড অফে তালিয়া ম্যাকগ্রাথের হাতে ক্যাচ দেন শেফালি। ৬৪ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। ভারতের রান তখন ৯৩। শেফালি আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান স্মৃতি মান্ধানা ও পুনম রাউত। দুজনের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৩৯। এদিন টেস্ট জীবনের সর্বোচ্চ রান করেন স্মৃতি। তাঁর আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৮। ৪৪.১ ওভার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভারতের রান তখন ১৩২/১। স্মৃতি ৮০ রানে ও পুনম ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। টেস্টের আগের দিন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ আশঙ্কা করেছিলেন, গোলাপি বলে সুইং সামলাতে সমস্যা হবে। তাঁর সেই আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে দিলেন স্মৃতিরা।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Pink Ball Test: ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?

ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বিরাট কোহলিদের। এবার ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে মিতালি রাজরা। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হতে চলেছে মিতালিদের। বৃহস্পতিবার থেকে কুইন্সল্যান্ডের ক্যারারা ওভালে দিনরাতের টেস্ট খেলতে নামবে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল।২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিল ভারত। ১৫ বছর পর আবার অসিদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন মিতালিরা। ওই টেস্টে মিতালি রাজের সঙ্গে খেলেছিলেন ঝুলন গোস্বামী। এবারও তাঁরা মাঠে নামবেন। ওই টেস্টে খেলা কোনও ক্রিকেটার অবশ্য অস্ট্রেলিয়া দলে নেই। ঐতিহাসিক গোলাপি বলে দিনরাতের টেস্ট খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। গোলাপি বলে টেস্ট খেলাটা চ্যালেঞ্জিং বলেও মনে করছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মিতালি বলেন, গোলাপি বলে একটা সেশন প্র্যাকটিস করেছি। অন্যরকম অভিজ্ঞতা। লাল বলের তুলনায় অনেক বেশি সুইং করে। ম্যাচে খেলাটা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। একদিনের সিরিজের পর আরও কয়েকদিন অনুশীলনের সুযোগ পেলে ভাল হত। কিন্তু কিছু করার নেই। কোভিড প্রটোকলের জন্য মানিয়ে নিতে হচ্ছে।অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলের টেস্টে ঝুলন গোস্বামীদের ওপর ভরসা করছেন মিতালি রাজ। ভারতীয় দলের অধিনায়ক বলেন,আমাদের এই জোরে বোলিং শক্তি দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা। ঝুলনের প্রচুর অভিজ্ঞতা রয়েছে। একদিনের সিরিজে মেঘনা সিং দুর্দান্ত বোলিং করেছে। ওর বলে দারুন গতি আছে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে এসে পুজা বাস্ত্রকার নিজেকে মেলে ধরেছে। ওকে অলরাউন্ডার হিসেবে তৈরি করার দিকে নজর দিচ্ছি।মাস দুয়েক আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিল ভারত। ফলোঅন করেও ম্যাচ বাঁচিয়েছিল ভারত। ওই টেস্টের লড়াই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে মিতালিদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় শিবিরকে চিন্তায় রাখছে হরমনপ্রীত কাউরের চোট। নেটে ব্যাট করার সময় আঙুলে ছোট পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন না।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Lili Don't Be Silly: এবার দুর্গাপুজো কাঁপাবে লিলি

অভিনেত্রী এনা সাহার প্রোডাকশন হাউস জ্যারেক এন্টারটেনমেন্ট থেকে গতবছর পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি এসওস কলকাতা মুক্তি পেয়েছিল। এটা ছিল এনার প্রোডাকশন হাউসের প্রথম কাজ। সম্প্রতি জ্যারেক এন্টারটেনমেন্টের দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি শিলাদিত্য মৌলিকের পরিচালনায় চিনে বাদাম-এর শুটিং শেষ হয়েছে। ছবির পাশাপাশি মিউজিক ভিডিওর কাজও করেছে তারা।এবার জ্যারেক এন্টারটেনমেন্ট থেকে দুর্গাপুজোর আগে আরও একটি ধামাকা আসতে চলেছে। ১ অক্টোবর মুক্তি পেতে চলেছে তাদের পুজোর গান লিলি ডোন্ট বি সিলি। জয়জিৎ ব্যানার্জীর লেখা এই গানটি গেয়েছেন সমিধ মুখার্জি ও উরভি চ্যাটার্জী। গানটির সুরকার সমিধ মুখার্জি। এই গানেরই পোস্টার মুক্তি পেয়েছে জ্যারেক এন্টারটেনমেন্টের সোশ্যাল মিডিয়ায়। পোস্টারটা খুব সুন্দরভাবে করা হয়েছে। এর আগে একটা টিজারও প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে পোস্টার ও টিজার দুটোতেই কোন অভিনেত্রীকে দর্শকরা দেখতে পাবেন সেটা এখনও দেখা যায়নি। তবে হাটকে একটা ব্যাপার যে রয়েছে সেটা অবশ্য দেখেই বোঝা যাচ্ছে। এখন শুধু মুক্তির অপেক্ষায় পুজোর গান লিলি ডোন্ট বি সিলি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

By Poll-High Court: ভবানীপুর উপনির্বাচন: নির্বাচন কমিশনকে জরিমানা হাইকোর্টের

ভবানীপুরে উপনির্বাচন মামলায় হাইকোর্টে ধাক্কা কমিশনের। নির্বাচন কমিশনকে জরিমানা করল আদালত। মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে নির্দিষ্ট দিনেই ভোট হবে বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্বাচন কমিশনকে জরিমানা নিয়ে পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।আরও পড়ুনঃ আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচনউল্লেখ্য, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তোলে বিজেপি। মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাকারীদের অভিযোগ, শুধুমাত্র কেন একটি কেন্দ্রেই নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। এই মামলায় কমিশনের কাছে জবাবি হলফনামা চেয়েছিল আদালত। কমিশন হলফনামা জমা দেয়। কিন্তু আদালত জানিয়ে দেয় কমিশনের উত্তরে সন্তুষ্ট নয় তারা। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ভবানীপুরে উপনির্বাচন না হলে সাংবিধানিক স্ংকট তৈরি হতে পারে, এই মর্মে সুপারিশ করে কমিশনকে চিঠি লেখেন মুখ্যসচিব। ভোট বিজ্ঞপ্তিতে কমিশনও সেই কথা উল্লেখ করে। যা নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক।মামলাকারীর দাবি, শুধু মাত্র একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রের জন্য এইভাবে সুপারিশ করা যায় কি? গত শুক্রবার এই মামলায় রায়দান স্থগিত করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
বিদেশ

Modi-Pakistan: সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে নাম না করে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্মেলনে পড়শি দেশের উদ্দেশে মোদি কী বার্তা দেন, সে দিকেই নজর ছিল গোটা বিশ্বের। পাশাপাশি আফগানিস্তান ইস্যুতেও তাঁর অবস্থান জানতে চাইছিল গোটা বিশ্ব। সেই সমস্ত বিষয়েই শনিবার একে একে মুখ খুললেন মোদি। একবারও পাকিস্তানের নাম মুখে না এনে ইমরান খানকে কড়া বার্তা দিয়ে রাখলেন। আফগানিস্তানের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মোদি বলেন, কেউ যেন সন্ত্রাসবাদের সম্প্রসারণ ঘটানোর জন্য সেই দেশের মাটি ব্যবহার না করে। যেই বক্তব্য আসলে পাকিস্তানকে উদ্দেশ্য করেই ছিল, এটা দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার।আরও পড়ুনঃ ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদিনমো এ দিন বলেন, যেই দেশ সন্ত্রাসবাদকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, তাদের বুঝতে হবে যে সন্ত্রাসবাদ ওদের জন্যও একইভাবে বিপজ্জনক। আফগানিস্তানের মাটির ব্যবহার যেন সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো, এবং জঙ্গি হামলার জন্য ব্যবহার না করা হয়। এটা সুনিশ্চিত করতে হবে আমাদের। কোনও দেশ যাতে নিজের স্বার্থে আফগানিস্তানের স্পর্শকাতর পরিস্থিতিকে ব্যবহার না করে, সেই নিয়ে সতর্কতাও অবলম্বন করা আবশ্যক। কোনও দেশ যেন ব্যক্তিগত স্বার্থে এই পরিস্থিতিকে নিজের ফায়দার জন্য ব্যবহার না করে।অন্যদিকে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সে দেশের মহিলা এবং শিশুদের কথা টেনে আনেন। তাঁর কথায়, আফগান জনগণ, সেখানকার মহিলা, শিশু এবং সংখ্যালঘুদের এখন সাহায্যের প্রয়োজন। আর এই নিয়ে আমাদের নিজেদের দায়িত্ব পালন করতেই হবে। মোদি শনিবারের ভাষণের বুঝিয়ে দিলেন, আফগানিস্তানের থেকেও পাকিস্তানের কার্যকলাপই বেশি চিন্তার বিষয় ভারতের জন্য। পাশাপাশি ইসলামাবাদ যে নিজেদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতির সুযোগ নেবে, সেই আশঙ্কার কথাও আগেভাগেই বিশ্ব-মঞ্চে জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Weather Emergency: দুর্যোগের আবহে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি বাতিল সরকারি কর্মীদের

রাজ্যে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ স্তরের প্রস্তুতি নিতে রাজ্য সরকার প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাজ্যের যে তিন আসনে উপনির্বাচন রয়েছে, দুর্যোগের কারণে সেখানে ভোট পর্ব যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, তা দেখতে বলা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত সমস্ত রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ মহামূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে জোড়া দুর্যোগ, আতঙ্কে বঙ্গবাসীমুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী আজ সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিয়ে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলার জেলাশাসক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করেন।সেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জমা জল বা ছেঁড়া তার থেকে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানি কমাতে সবরকম ব্যবস্থা করার তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রশাসন বা বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থার কাজে গাফিলতি প্রমাণ হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। শহরাঞ্চলে সব বাতিস্তম্ভ ফিডার বক্স গুলির অবস্থা খতিয়ে দেখে সে গুলোকে নিরাপদ করে তোলার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রামাঞ্চলেও দুর্যোগের সময় ওভারহেড তার ছিড়ে দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে মুখ্য সচিব জেলাশাসকদের নির্দেশ দেন মুখ্যসচিব। পাশাপাশি ঝড় বৃষ্টির সময় বা জল জমে থাকলে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারে কি কি সর্তকতা প্রয়োজন তা নিয়ে এইসময় নিরন্তর প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নে খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম।যে কোনও সমস্যায় টোল ফ্রি নম্বর ১০৭০ তে যোগাযোগ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।কলকাতায় পুলিশ, পুরসভা , সিইএসসি, দমকল, পূর্ত দপ্তরের যৌথ ইউনিফায়েড কমান্ড তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একাধিক দল শহরে মোতায়েন থাকবে। ভবানীপুর একবালপুর কালীঘাট-সহ শহরের মোট পাঁচ জায়গায় বাইশটি দল মোতায়েন থাকবে। এর পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিতে শহরের বিপজ্জনক বাড়িগুলি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকায় ওই সব বাড়ির বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে অনুরোধ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Band Drug: নিষিদ্ধ হল হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও আইভারমেক্টিন

নিষিদ্ধ হল হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও আইভারমেক্টিন। কোভিড চিকিৎসার নির্দেশিকা থেকে আইভারমেক্টিন এবং হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনকে বাদ দিল আইসিএমআর। কোভিডের বিরুদ্ধে এই দুটি ওষুধ যথেষ্ট উপযোগী, এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি বলেই দেশের এই স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থার বিশেষজ্ঞদের দাবি। উল্লেখ্য, গত মে মাসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেস কোভিড চিকিৎসায় আইভারমেক্টিন এবং হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। এবং এই দুটি ওষুধ বন্ধ করার পক্ষে সওয়াল করেছিল তারা। কিন্তু তখন আইসিএমআর তাদের সঙ্গে সহমত হয়নি। ফলে এ নিয়ে ডিজিএইচএস এবং আইসিএমআর-এর বিশেষজ্ঞদের মধ্যে একটা মতপার্থক্য তৈরি হয়। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ডিজিএইচএস-এর নির্দেশিকাকে সঠিক বলে জানিয়েছিল। সেই সঙ্গে এই দুটি ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কবার্তাও দিয়েছিল। আর সেই সতর্কবার্তা অনুসারেই এই পদক্ষেপ করা হল বলে মনে করা হচ্ছে। আইসিএমআর-এর সংক্রামক রোগ বিভাগের প্রধান সমীরণ পন্ডা বলেন, এই দুটি ওষুধ কোভিড চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত কি না তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। অবশেষে বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেয়, দুটি ওষুধের যথেষ্ট কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাই কোভিড চিকিৎসার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হল এগুলিকে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

SONY & Zee: একসঙ্গে হল সোনি-জি

খুশির খবর। সোনি পিকচার্স-এর সঙ্গে সংযুক্ত হল জি এন্টারটেনমেন্ট এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড। বুধবার সকালেই জি-এর তরফে এই কথাটা জানানো হয়েছে।এই সংযুক্তির পরে নতুন সংস্থায় সোনি ১৫৭ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চলেছে্টাএমনটাই জানা গিয়েছে। তবে সংস্থার মালিকানা থাকছে সোনির হাতেই। নতুন এই বিনিয়োগের ফলে সংস্থার ৫২.৯৩ শতাংশ শেয়ার থাকবে তাদের হাতে। অন্য দিকে জি-এর হাতে থাকছে ৪৭.০৭ শতাংশ শেয়ার। জি এন্টারটেনমেন্ট এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড-এর সম্মতির পরেই এই সংযুক্তি হয়েছে। নতুন সংস্থার চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর হবেন পুনীত গোয়েঙ্কা।জি-এর তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র আর্থিক নয়, অন্য অনেক পরিকল্পনা করেই দুটি সংস্থা এক হয়েছে। সব বিষয়ে দুটি সংস্থা এক মত হয়েছে। সব দায়িত্বই নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হবে। জি এন্টারটেনমেন্ট যুক্ত হয়ে গেলেও এখনই সোনির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে না জি মিডিয়া। তারা আলাদা ভাবেই কাজ করবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ...
  • 32
  • 33
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal