• ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Men

রাজ্য

Kunal Ghosh Vs Adhikari's: কুণালের কটূক্তির প্রতিবাদ, মামলা শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দুর

ত্রিপুরার পর এ রাজ্যেও তৃণমূলের মুখপাত্র কুণালের বিরুদ্ধে মামলা। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করলেন অধিকারীরা৷ ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে ভূমি উচ্ছেদ কমিটির উদ্যোগে রাজ্যের শাসকদল শহিদ স্মরণে একটি সভার আয়োজন করে ৷ সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ, জয়া দত্ত, অখিল গিরি-সহ এক ঝাঁক রাজ্যের প্রথম সারির নেতা-নেত্রী । অভিযোগ, ওই মঞ্চ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ তাঁর পরিবারের উদ্দেশ্যে কটূক্তি করে মন্তব্য করেন তৃনমূল নেতা কুণাল ঘোষ ৷ তার ভিত্তিতেই কুণালের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেছেন শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী৷ তবে মামলার বিষয়টি পাত্তা দিচ্ছেন না কুণাল৷অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ শুভেন্দুদের মীরজাফর, গাদ্দার-সহ একাধিক শব্দবাণে কটূক্তি শানান । তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতার ভাই সৌমেন্দু অধিকারী কাঁথি মহকুমা আদালতে কুণালে বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করলেন । তবে এনিয়ে বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেননি সৌমেন্দু ৷ বলেন, কুণাল ঘোষ কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে মামলা করেছি । আর বেশি কিছু বলব না, যা বলার আমার আইনজীবী বলবেন ।বেইমান, অকৃতজ্ঞ, বিভীষণ, মীরজাফর, সুবিধাবাদীকে গদ্দার বলা যাবে না?যাবে। বলেছি। বেশ করেছি।মামলা করেছে?চল্ ভাই কোর্টে দেখা হবে।তৃণমূলের আবেগ বিক্রি করে সব ভোগ করেছো। তারপর সিবিআই থেকে বাঁচতে বেইমানি।এখন বললে গায়ে লাগছে?বেগম.. জেহাদি.. এসব বলে যাবে আর রসগোল্লা খাওয়াব নাকি? Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) November 11, 2021কাঁথি আদালতে এসিজেএম বিচারক শিবম মিশ্রের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । কেস ফাইল করাও হয়ে গিয়েছে ।তবে মামলা দায়ের হওয়ার বিষয়টি পাত্তা দিতে চাইছেন না কুণাল ৷ তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, আমি এখনও পর্যন্ত কিছু জানি না । তবে আমি গতকাল যা বলেছি, ঠিক বলেছি । ওরা সব পদ তো তৃণমূল কংগ্রেস থেকেই পেয়েছে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Burdawan-Elecphant: গলসি ও আউশগ্রামে ৪২টি হাতির তাণ্ডব, ভয়ে তটস্থ এলাকাবাসী, সতর্ক বনদপ্তর

প্রায় চল্লিশটি হাতির একটি পাল দামোদর পেরিয়ে ঢুকে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে।বৃহস্পতিবার ভোরে বাঁকুড়ার শালতোড়া জঙ্গল থেকে দামোদর পেরিয়ে প্রায় চল্লিশটি হাতির দল পূর্ব বর্ধমানের গলসির রামগোপালপুর এলাকায় ঢুকে পড়ে। পিছনে আরো একটি হাতির দল রয়েছে বলে বনদপ্তর সূত্রের খবর। হাতির দলটিতে দাঁতাল পুরুষ হাতির পাশাপাশি রয়েছে মহিলা ও শিশু হাতিও। দলটি গলসি এলাকায় প্রচুর ধানের জমি নষ্ট করে দিয়েছে বলে গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন। এত বড় একটি হাতির দলকে কি করে বাগে আনা যায় তা ভাবতেই ঘাম ছুটেছে বনদপ্তরের কর্তাদের। হাতিদলটিকে জঙ্গলে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন। সে ক্ষেত্রে হুলা পার্টি ও কুনকি হাতির সাহায্য নেওয়া হতে পারে বলে বর্ধমান রেঞ্জের বনদপ্তর সূত্রের খবর।গলসির পর এবার আউশগ্রামের নওয়াদা ও বিল্বগ্রামের মাঠে হাতির পালটি রয়েছে। প্রচুর ধানের জমির ক্ষতি হয়েছে। এলাকায় গিয়েছেন বনকর্মীরা। নওয়াদা গ্রামে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়েছেন জেলা বনাধিকারিক নিশা গোস্বামী। বনকর্মীরা এলাকায় মাইকিং করে স্থানীয় মানুষজনকে সর্তক করছে বলে খবর।স্থানীয় মানুষজন জানান, এদিন ভোর বেলায় গলসির সিংপুরে ওই হাতির দলটিকে প্রথম দেখতে পান তারা। তাদের দাবি, এলাকার বিঘার পর বিঘা পাকা ধান মাড়িয়ে দিয়ে তাদের লোকসানের মুখে ফেলে দিয়েছে হাতির দলটি। মূলত রাতের দিকে দলটি বাঁকুড়ার জঙ্গল থেকে দামোদর নদ পেড়িয়ে গলসির কাশীপুর, শিল্লা হয়ে শিড়রাই চলে আসে। তারপর ভোর নাগাদ পোতনা হয়ে সিংপুরের মাঠে চলে আসে। তখনই নজরে আসে সাধারণ মানুষের। তারপর গলিগ্রাম বনসুজাপুর উচ্চগ্রাম কুতররুকী হয়ে খড়ি নদী পেরিয়ে আউশ গ্রামের দিকে চলে যায়।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গিয়েছে, হাতির পালটি আউশগ্রামের সরগ্রামে রয়েছে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
রাজনীতি

Ministry Reshuffle: মমতার মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল, কে পেলেন কোন কোন দপ্তর?

রাজ্যের মন্ত্রিসভায় রদবদলের জল্পনা ছিলই। বিশেষত, সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পর পঞ্চায়েত দপ্তর কার হাতে দেওয়া হবে, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই রদবদলের কথা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুব্রতর দপ্তরে দায়িত্ব দেওয়া হল পুলক রায়কে। বর্তমানে তিনি জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তরের মন্ত্রী। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তাঁর হাতে পঞ্চায়েতের ভার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, অর্থমন্ত্রী হিসেবে অমিত মিত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে আসায় সেই দপ্তরের দায়িত্ব নিজে নিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কার হাতে কোন দপ্তর দেখে নিন একনজরে১. পঞ্চায়েত মন্ত্রী হচ্ছেন পুলক রায়। জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তরের পাশাপাশি পঞ্চায়েতের দায়িত্ব সামলাবেন তিনি।২. পঞ্চায়েত দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন বেচারাম মান্না। বর্তমানে তিনি শ্রম দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী। তাঁর হাতেও অতিরিক্ত দায়িত্ব।৩. অর্থ দপ্তরের দায়িত্ব সামলাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। অর্থ দপ্তরের উপদেষ্টা হচ্ছেন বর্তমান অর্থ মন্ত্রী অমিত মিত্র।৪. অর্থ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।৬. ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব সামলাবেন মানস ভুঁইয়া, বর্তমানে তিনি জল সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী। তাঁর হাতেও যাচ্ছে অতিরিক্ত দায়িত্ব।৭. রাষ্ট্রায়ত্ত্ব উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হলেন বীরবাহা হাঁসদা। বন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন বীরবাহা। সঙ্গে নতুন যুক্ত হল শিল্প পুনর্গঠন।৮. স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্ব-নিযুক্তি দপ্তরের মন্ত্রী হচ্ছেন শশী পাঁজা। বর্তমানে নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী তিনি। সামলাবেন অতিরিক্ত দায়িত্ব।সাধন পাণ্ডে অসুস্থ থাকায় পঞ্চায়েত দপ্তরের পাশাপাশি সাধন পাণ্ডের হাতে থাকা ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের দায়িত্বও সামলাচ্ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এ বার ক্রেতা সুরক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হল মানস ভুঁইয়াকে। এ দিকে, সাধন পাণ্ডের হাতে ছিল আরও একটি দপ্তর, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্ব-নিযুক্তি। সেই দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হল শশী পাঁজাকে।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
রাজনীতি

Jay Bannerjee: রাজীবের পর এবার কী জয়ের পালা? বিজেপি ছেড়ে কোথায় যাচ্ছেন?

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর কি এবার জয় বন্দ্যোপাধ্যায়? ফের দলবদলের সম্ভাবনা তৃণমূলে!এইরকম একাধিক প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠির শেষ লাইনে তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি বিজেপি ছেড়ে দিচ্ছেন তবে কোন দলে যোগদান করছেন সেই বিষয়ে খোলাখুলি কিছু জানাননি।ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জয়ের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা। পাশাপাশি খবর মিলেছে জাতীয় কর্মসমিতি থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এই বিষয়ে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি বিজেপি ছাড়ছেন। যেই দলের সঙ্গে মানুষ নেই সেই দলে থেকে কোনও লাভ নেই। যেই দলে মানুষ রয়েছেন সেখানেই তিনি যাবেন। কারণ সেখানেই কাজ করার সুযোগ পাবেন।এই বিষয়ে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি বিজেপিতেই ছিলাম প্রথম থেকে। কিন্তু কিছু বিষয়ে আমার দলের উপর খারাপ লাগা তৈরি হয়েছে। আমি খুবই দুঃখ পেয়েছি। আমায় জাতীয় কার্যনির্বাহী পদ থেকে সরিয়ে রাজীব বন্দ্য্যোপাধ্যায়কে করা হয়েছিল। এখন তিনিও দলবদল করে নিয়েছেন। একাধিকবার আমি এই রাজ্যে মার খেয়েছি। তবুও গতকাল আমার নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হয়। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রীকে আমি জানিয়ে দিয়েছি যে আমি নিজেকে বিজেপি থেকে সরিয়ে নিলাম। আর আমি মানুষের কাজ করি। তাই যেই দলের সঙ্গে মানুষ রয়েছে আমি সেই দলে রয়েছি। যেই দল মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে সেই দল আমি ছাড়ছি। বিজেপি নেতা ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, আমি বিগত এক মাস অসুস্থ ছিলাম। দলের তরফে একটাও খোঁজ নেওয়া হয়নি আমার। তবে আমি এখনও বলছি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমায় খুবই ভালোবাসেন। তাঁরা আমাকে বিজেপি থেকে সরিয়ে দেয়নি। আমি নিজেকে বিজেপি থেকে সরিয়ে নিয়েছি।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
কলকাতা

Office Flag: সুব্রতর প্রয়াণে সরকারি দপ্তরে আজ অর্ধনমিত পতাকা

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে, তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে রাজ্য সরকার আজ, সরকারি কার্যালয়গুলিতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কালীপুজোর রাতে গোটা রাজ্যে নেমে আসে অন্ধকার। প্রয়াত হন রাজ্যের বর্ষীয়ান মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৭৫ বছরে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের জীবনাবসান। সকাল ১০টা থেকে মরদেহ রয়েছে রবীন্দ্রসদনে। রবীন্দ্রসদন থেকে মরদেহ আসবে বালিগঞ্জের বাড়িতে।সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকবিহ্বল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকাল ১০টা-দুপুর ২টো পর্যন্ত রবীন্দ্রসদনে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে। তারপর বিধানসভা হয়ে দুপুর ২টোর পর বাড়ি নিয়ে যাওয়া হবে দেহ। একডালিয়া ক্লাব হয়ে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে প্রয়াত রাজনীতিকের শেষ কৃত্য। আজ, শুক্রবার সরকারি দপ্তরে অর্ধনমিত থাকবে জাতীয় পতাকা। প্রয়াত মন্ত্রীর শ্রদ্ধায় রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: চিন হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ! বিস্ফোরক দিলীপ

উপনির্বাচনের পরে পুরসভা নির্বাচনেও সন্ত্রাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে এই কথা জানান তিনি। দিলীপ বলেন যে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা চিনের মত হয়ে যাবে। একটাই দল ভোটে দাঁড়াবে। তাকেই সবাই ভোট দেবে। বাকি দলের অস্তিত্ব মুছে দেওয়া হবে। এই ভাবেই উপনির্বাচন হইয়েছে এবং সেখানে প্রার্থীকেও ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলেই দাবি করেছেন তিনি। উপনির্বাচনের ফল দিয়ে কিছু বোঝা যাবে না এমনটাই দাবি দিলীপের।সামনেই পুরভোট হবে শহরে। বিজেপি সর্ব শক্তি দিয়ে লড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভোট ঠিকমত হলে পরিস্থিতি আলাদা হবে আশা দিলীপের। যদিও শান্তিপূর্ণ ভোট হওয়ার আশা খুব কম বলেই তাঁর ধারণা।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

School Reopen: স্কুল খোলা নিয়ে একগুচ্ছ নির্দেশিকা-সহ বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য

১৬ নভেম্বর থেকে রাজ্যে খুলছে স্কুল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন শুরু হবে স্কুলে। এবার রাজ্য সরকারের তরফে স্কুলের সময়সীমা ধার্য করা হল।রাজ্যের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০ টা থেকে। চলবে ৩:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে ৯:৩০ টার মধ্যে। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ১১ টা থেকে। চলবে ৪:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রীছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে। এই মর্মে রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্কুলগুলিকে তা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। তবে অতিমারি পরিস্থিতিতে স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার্থে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করে ওয়েস্ট বেঙ্গল সেকেন্ডারি বোর্ড। সেগুলো কী, আসুন জেনে নেওয়া যাক।১. সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, সোম থেকে শনিবার পর্যন্তই স্কুল হবে। তবে কিছুটা সময় সীমার পরিবর্তন করা হয়েছে।২.এক-একটি ক্লাসকে দুটি বা তার বেশি শ্রেণি কক্ষে ভেঙে বসাতে হবে। পড়ুয়াদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।৩. থিওরি ক্লাসের পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলি নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই শর্ত প্রযোজ্য।৪. নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে সকাল ১০ টা থেকে। চলবে ৩:৩০ পর্যন্ত। ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে ৯:৩০ টার মধ্যে। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ১১ টা থেকে। চলবে ৪:৩০ পর্যন্ত।৫. ক্লাস শুরু হওয়ার অন্তত আধ ঘণ্টা আগে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছতে হবে।করোনার বিষয়ে অভিভাবক ও পড়ুয়াদের সতর্ক করার দায়িত্বও স্কুলকেই দিয়েছে রাজ্য। করোনা সম্পর্কে অবহিত হতে হবে। কী করা যাবে এবং কী করা যাবে না সে বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। ডু অ্যান্ড ডোন্টস-এরও একটি তালিকা রয়েছে বিকাশ ভবনের স্কুল রিওপেন বুকলেটে। সেখানে বলা হয়েছে, জ্বর হলে কোনও অভিভাবক যেন পড়ুয়াকে স্কুলে না পাঠান। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, ক্লাস চলাকালীন একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর পর ক্লাসরুম, ল্যাব বা অন্যান্য ঘরগুলি স্যানিটাইজ করতে হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Covid Infection: উৎসব মিটতেই কোভিড সংক্রমণ উর্ধমুখী, বর্ধমানে নেওয়া হল কড়া পদক্ষেপ

শারদোৎসব মিটতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায ক্রমশ উর্ধ্বমুখী হচ্ছে কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ। নতুন করে বুধবার জেলায় ২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৭ জন বর্ধমান শহরেই বাসিন্দা। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি রুখতে ফের আগের মতোই কড়া পদক্ষেপ নিল জেলার পুলিশ ও প্রশাসন।রাস্তায় নাকা চেকিং শুরু করার পাশাপাশি পুলিশ মাস্ক পড়ার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামলাল এলাকার একাংশ গণ্ডিবদ্ধ এলাকা হিসাবে ঘোষণা করেন জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই এলাকায় বিধি লাগু করতে এদিন আশরে নামেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা।বিধি মেনে ওই গণ্ডিবদ্ধ এলাকায় আগামী ৭ দিন সমস্ত দোকাণপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে প্রশাসন। বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস ;বর্ধমান পৌরসভার সহ পুর-প্রশাসক আইনুল হক ,বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী সহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরাএদিন গণ্ডিবদ্ধ এলাকা পরিদর্শে যান। তাঁরা সেখানকার মানুষকে সচেতন করেন। মাস্ক পড়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন। এছাড়াও এলাকার সব দোকানপাট আগামী সাতদিন বন্ধ রাখার কথাও জানিয়ে দেন প্রশাসনের কর্তারা। প্রশাসন সূত্রে খবর,এই মুহূর্তে বর্ধমান শহরে ৫৮ জন অ্যাক্টিভ কোভিড রোগী আছেন। তার মধ্যে ১৭ জনই শ্যামলাল এলাকার। তাই কঠোর ব্যবস্থা বলবত করার দিকেই যেতে হল প্রশাসনকে।বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিধি লাগু হওয়া এলাকা স্যানিটাইজ করা হবে। বাইরে থেকে লোক আসা যাওয়া নিয়ন্ত্রণে রুখতে এলাকায় পুলিশ পোস্টিং থাকবে । পৌরসভার সহ-প্রশাসক আইনুল হক জানিয়েছেন, আশাকর্মীরা এই এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করবেন। প্রয়োজনে বাসিন্দাদের আর টি পি সি আর টেস্ট করা হবে। কোন ভাবেই এলাকায় ভিড়বাড়তে দেওয়া হবে না। দোকান বাজার বন্ধ থাকলেও বাসিন্দাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কোনও জিনিসের অভাব হবে না। কোভিড আক্রান্তদের কাছে দুবেলা খাবার যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়াও এলাকার আক্রান্তদের বাড়ি থেকে বর্জ্যপদার্থ নিয়ে যাবে পুরসভার কর্মীরা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Fire Cracker: কালীপুজো ও দীপাবলীতে বাজি ফাটাতে জারি নির্দেশিকা, কী সেই নির্দেশিকা?

কালীপুজো এবং দীপাবল এবং ছট পুজোয় বাজি ফাটানোর নিয়ম বেঁধে দিল রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। উৎসবের দিনগুলোতে কতক্ষণ বাজি ফাটানো যাবে, তা স্পষ্ট ভাবে জানাল পর্ষদ।দীপাবলির বাজি বাজারে এসে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো পরিবেশবান্ধব বাজিই ফাটাতে হবে, আরও একবার নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। পরিবেশ বান্ধব বাজি ফাটানোর নোটিস জারি করল রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।প্রসঙ্গত, কালীপুজো ও দীপাবলিতে আতসবাজি ফাটানোর গত বছরের নির্দেশ বহাল রাখার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। কোভিড আবহে ২০২০ সালে রাজ্যে শব্দবাজি-সহ সবরকমের আতসবাজি পোড়ানো নিষিদ্ধ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই রায় দেওয়া হয়েছিল। করোনা আবহে এই রায় অত্যন্ত কার্যকরী হয়েছিল।রাজ্যের তরফ থেকে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র পরিবেশবান্ধব আতসবাজিই বিক্রি করা হবে। রাত ৮-১০টা পর্যন্ত এই বাজি ফাটানো যাবে। ছট পুজোতেও কেবল ২ ঘণ্টাই এই বাজি ফাটানো যাবে। পাশাপাশি ক্রিসমাস ও বর্ষশেষের অনুষ্ঠানে কোন সময়ে বাজি ফাটানো যাবে, সেই সময় সীমাও ধার্য করে দিল রাজ্য সরকার। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ক্রিসমাস ও বর্ষশেষের রাতে ১১.৫৫ মিনিট থেকে সাড়ে বারোটা পর্যন্ত পরিবেশবান্ধব আতসবাজি ফাটানো যাবে।পরিবেশ দূষণের কথা মাথায় রেখে আতসবাজি বিক্রি ও ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। কিন্তু পুরোপুরি তা বন্ধ না করে নিরাপদ ও কম শব্দ উত্পন্ন করে সেই ধরনের বাজি বিক্রি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
নিবন্ধ

Soap: সাবানের সালতামামি - চঞ্চলা ঝরনায় উচ্ছল স্নানের উল্লাসে উচ্ছ্বসিত মডেল

ভীষণ তিতকুটে স্বাদ ঢুকে যাচ্ছে মুখের ভেতর... চোখের ফাঁকে সাবানজলের তীব্র জ্বালা... চোখ আরো টিপে বন্ধ করতে গিয়ে দরবিগলিত অশ্রুধারা... ঝরছে... মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে নাকের জলে-চোখের জলে-মগের জলে... সর্বাঙ্গে ধুঁধুলের ছোবড়ার কর্কশ দৌড়দৌড়ি...চলছে প্রবল দলাইমলাই... আমার পরিত্রাহি চিৎকারে একটু দুরের ছাত্রাবাস থেকে ছুটে আসছে বাবার ছাত্ররা কেউ কেউ... কোয়ার্টারের কলতলায় বিপর্যস্ত আমাকে কেউ যোগাচ্ছে সাহস, কেউ দিচ্ছে সান্ত্বনা...আমার ছোটবেলায় সবচেয়ে ভয়াবহ দুটি কর্তব্যকর্মের মধ্যে একটি ছিল এই সাবানজলে স্নান করা, রবিবারের সকালগুলো আজো যার জন্য দাঁতখিঁচোনো স্মৃতি হয়ে আছে; আর সেই নিদারুন নির্যাতনের প্রধান কুশীলব ছিল একটি সাবান , যার নাম মার্গো I নিমের তেল ও নির্যাস দিয়ে তৈরী এই সাবান নামক আতঙ্কটি বানিয়ে ক্যালকাটা কেমিক্যাল কোম্পানি আমার মতো লক্ষ লক্ষ অপোগন্ড বাঙালী বালকবালিকার কোটি কোটি অভিশাপের ভাগী হয়েছেন বলে আমার বিশ্বাস। কালচে-সবুজ ইষ্টক-সম একটি খুদে অ্যাটম বোম, উগ্র কষায় স্বাদে গন্ধে যা জিনা হারাম করে ছেড়ে দিত... তার প্রতি আমাদের বিরাগ ও বাঙালী বাপ মায়েদের অনুরাগ সমানুপাতে চলাফেরা করতো। আমার সারা স্কুলজীবনে আমাদের বাড়িতে মার্গো ভিন্ন অন্য কোনো সাবান প্রবেশাধিকার পায় নি। কম দাম, বেশী উপকারিতা আর নিমের সর্বরোগহর গ্ল্যামার তো আছেই; ত্বকের স্বাস্থ্যরক্ষায়ও নাকি তার জুড়ি মেলা ভার! ব্যাস, আর কী চাই! একেবারে প্লেন লিভিং হাই থিঙ্কিং-এর চূড়ান্ত!আরও পড়ুনঃ পুজো শুরু হয়ে গেলষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় একবার রেশন দোকান থেকে মিলেছিল একটি ফিকে সবুজ সাবান (তখন শুধু চিনি-কেরোসিন-গমই সাধারনতঃ মিলত সেখানে)I একটু নরমসরম, মিষ্টি মিষ্টি গন্ধে বিগলিত হয়ে দীর্ঘ স্নান সারলাম তার সাহচর্যে। ফলাফল হলো ভয়াবহ... ঘন্টাখানেক বাদে সর্বাঙ্গে খড়ি উঠে হাফ-সাহেব বনে গেলাম। ভুরভুরে সুবাসের আড়ালে সেই রেশন-শোভন সাবানের নিম্নমান গোটা পরিবারকে আরো ঠেলে দিল মার্গো-র মৃত্যু-মার্গে!আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী-- আনন্দমেলাআমার শৈশবের রবিবারগুলি তাই মার্গো-ময়! সেই হাকুচ -তিতো স্নান-বিপাককে পরিহাস করতেই বুঝি বা তিরাশি সালে আকাশবাণীর বিজ্ঞাপনে শুরু হয়েছিল মার্গো-র এই নাম-সংকীর্তন...পথেঘাটে ভিড়ভাট্টা মেজাজটা তাই খাট্টা,গাড়ি লরী ধুলোবালি ঝকমারী সব একা তালগোল;নাকেমুখে ধোঁয়ার ধাক্কা, করবো কি তার তোয়াক্কা?মাখি তাই রোজ ভাইআদি নিম খাঁটি নিম মার্গো।ফুরফুরফুর স্নানের ফুর্তি জীবাণুর হবে ছুটি,মাখি তাই রোজ ভাইআদি নিম খাঁটি নিম মার্গো।সাদামাটা চেহারাটা, তবুও যে চাই প্রতি বার গো...মার্গো!পঁচাশি-র মাঝামাঝি বন্ধু নির্মাল্য-র বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পন্ডস ড্রিমফ্লাওয়ার সাবানের প্রেমে পড়ে গেলাম। আশৈশবের ব্র্যান্ড লয্যালটিকে দূরছাই করে দিয়ে ভিড়ে গেলাম পন্ডস ক্যাম্পে। ততদিনে মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেলে গিয়ে কিঞ্চিত স্বাবলম্বী হয়েছি, সাবান-স্নানও বিভীষিকা থেকে স্নান-বিলাসে বদলে গেছে। এরপর ঘুরেফিরে পন্ডস-এর তিনটি ব্র্যান্ডই স্থান পেতে লাগলো সাবান-কেসেI যেমন সুন্দর মোড়ক তাদের, তেমনই খোশবাই আর মখমলী মোলায়েম স্পর্শ!আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুনেশা লেগে গেল একের পর এক নতুন নতুন সাবান ব্যবহার, ও তাদের সুন্দর সুন্দর মোড়ক সংগ্রহের। রঙ-রূপ-গন্ধ-স্পর্শের মেলায় ভরে উঠতে থাকলো ছোট্ট সেল্ফ। সাবানের দুনিয়ায় কি বৈচিত্র্যই না ছিল সেই আশি-নব্বইয়ের দশকে। সস্তা আকাশী ফ্রেসকা বা রেক্সোনা থেকে শুরু করে রুচিশীল মাইশোর স্যান্ডাল সোপ, মার্গো-র জ্ঞাতি-ভাই হামাম, সুগন্ধী সিন্থল, লাইফবয় থেকে অভিজাত অ্যারামাস্ক (অনেকে মজা করে বলতেন আরামসুখ) বা হালকা বেগুনী মনমাতানো সৌরভের ল্যাভেন্ডার ডিউ... গঙ্গাজল দিয়ে তৈরী গঙ্গা সাবান...আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্য...আটের দশকের শেষদিকে আবির্ভূত পামোলিভ সাবান বা নিরমা বিউটি সোপ (নিউ এম্পায়ারে যে সাবানের বিজ্ঞাপনে সোনালী বেন্দ্রে-র লাস্য দেখতে বহু যুবক এমনিই দশ মিনিটের জন্য টিকিট কেটে ঢুকত বলে শোনা যায়!)... শীতের শুরুতে পিয়ার্স, চেসমি, সোনালী গিসারিন সাবানের হুজুগ... বলিউডের সমকালীন শীর্ষস্থানীয়া নায়িকার কৃপাধন্য ঝলমলে লাক্স... সুরভিত নরম ডাভ-এর শৌখিনতা... চন্দনগন্ধী মোতি... এ বলে আমায় দেখ ও বলে আমায়!হস্টেলে এক বন্ধুর প্রবাসী আত্মীয় বেড়াতে এসে তাকে উপহার দিয়ে গেলেন একটি ক্যামে সাবান। সেই প্রথম আমাদের সবার ড্যাবডেবিয়ে বিদেশী সাবান দেখা। মহার্ঘ্য বস্তুটির ওপর হারামী শকুনিদের চক্ষুদান এড়াতে বাক্সে তালাচাবি দিয়ে রাখত তার মালিক! ততদিনে দূরদর্শনের তুমুল জনপ্রিয় ধারাবাহিক বুনিয়াদ-এর ফাঁকে ফাঁকে নতুন এক সাবানের মনোহর শরীরী বিজ্ঞাপন হয়ে দেখা দিয়েছেন স্বপ্নসুন্দরী ডিম্পল। সাঁতারের পোশাকে জলে ঝাঁপ, ও জলকেলির শেষে মাথা তুলে চুলের ঢেউ ঈষৎ দুলিয়ে সেই মোহময়ীর ইটস মাই ক্রাউনিং গ্লোরি! শুনে সারা দেশে কত যে নাবুঝ লড়কা মর্দ হয়ে উঠলো!আরও পড়ুনঃ কন্যা রুপেন সংস্থিতাতবু আমাদের শৈশবে একটি সাবানের বিজ্ঞাপন যে ভাবে আসমুদ্রহিমাচলকে দুলিয়ে দিয়েছিল,তার তুলনা বিরল! দুহাজার সালে খান্ডালা বেড়াতে গিয়ে দূরে পাহাড়ের গায়ে এক তরলিতচন্দ্রিকাচম্পকবর্ণা জলপ্রপাত দেখিয়ে গাইড বলেছিলেন,ওই দেখুন, লিরিল সাবানের বিজ্ঞাপনের সেই বিখ্যাত ঝর্ণা। আমার চোখের সামনে সময়ের কাঁটা কয়েক দশক পিছিয়ে গিয়েছিল এক ধাক্কায়... চঞ্চলা ঝরনায় উচ্ছল স্নানের উল্লাসে উচ্ছ্বসিত মডেল কারেন লুনেল... লা-আ-আ লা লা লা লা-আ-আ ....লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20WC-MS Dhoni : মহেন্দ্র সিং ধোনির টানে আবার মাঠে ‘‌চাচা শিকাগো’‌

মুখে সেই চিরপরিচিত একগাল দাঁড়ি। হাতে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা। গায়ের জার্সিতে অভিনবত্ব। অর্ধেক ভারতের, অর্ধেক পাকিস্তানের। জার্সির সামনে মহেন্দ্র সিং ধোনির ছবি। আবার গ্যালারিতে ফিরে এসেছেন চাচা শিকাগো। কে এই চাচা শিকাগো? আসল নাম মহম্মদ বশির বোজাই। মহেন্দ্র সিং ধোনির অন্ধ ভক্ত। আদি বাড়ি পাকিস্তানের করাচি। বর্তমানে কানাডায় থাকেন। একসময় পাকিস্তানের ম্যাচ থাকলেই বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে ছুটে যেতেন। ভারতপাকিস্তান হলে তো কথাই নেই। ধোনি ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর পর মাঠ থেকে সন্ন্যাস নিয়েছিলেন চাচা বশির। বিশ্বকাপে ধোনি ভারতীয় দলের মেন্টর হয়ে ফিরতেই আবার গ্যালারিতে ফিরে এসেছেন। রবিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেও ভারতপাকিস্তান ম্যাচে গ্যালারিতে হাজির ছিলেন। মহেন্দ্র সিং ধোনিও তাঁর এই ভক্তকে দারুণ ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে চাচা বশিরকে প্রথমবার টিকিট দিয়েছিলেন ধোনি। সেবার মোহালিতে ভারতপাকিস্তান সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১৪ সালে ঢাকায় টি২০ বিশ্বকাপের টিকিটও পৌঁছে গিয়েছিল বশির চাচার কাছে। এবারও ধোনিকে দেখবেন বলে দুবাইয়ে হাজির। নিজের হাতেই তৈরি করেছেন ভারতপাকিস্তান মৈত্রীর জার্সি। নিজের দেশ পাকিস্তান হলেও চাচা বশির কিন্তু জয় চেয়েছিলেন ভারতেরই। আর সেটা মহেন্দ্র সিং ধোনির জ্যই। কিন্তু তাঁর সেই আশা পূরণ হয়নি। চাচা বশির যথেষ্ট বিমর্ষ। মাঝে করোনার জন্য বার হতে পারেননি। অসুস্থ শরীর নিয়েও দুবাইয়ে হাজির হয়েছেন শুধু মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্যই। কেন উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছিলেন? চাচা বশিরএর কথায়, আমি ধোনির অন্ধ ভক্ত। ধোনি অবসর নেওয়ার পর খেলা দেখার ইচ্ছেটাই হারিয়ে গিয়েছিল। আমি টিভিতে পর্যন্ত খেলা দেখতাম না। আবার ধোনির টানে ফিরে এসেছি। আমার স্ত্রীর অপারেশন হবে। ছেলেদের কাছে স্ত্রীকে রেখে চলে এসেছি। এইরকম ম্যাচে কি বাড়িতে বসে থাকা যায়। বাইশ গজে দেখতে না পেলেও মাঠে তো ধোনিকে দেখতে পেয়েছি। রবিবার ম্যাচের পর শোয়েব মালিকসহ বেশ কয়েকজন পাকিস্তানের ক্রিকেটার ধোনির কাছে ছুটে গিয়েছিলেন। ধোনির সঙ্গে ছবিও তুলেছিলেন। সেই ছবি দেখে আপ্লুত বশির চাচা। ধোনির প্রতি এত টান, একবার রাঁচি পর্যন্ত ছুটে গিয়েছিলেন চাচা শিকাগো। ক্যাপ্টেন কুলও কখনও ফেরাননি বশির চাচাকে। বহুবার তাঁর জন্য টিকিট রেখে দিয়েছেন। একবার রোদ লাগছে দেখে সুরেশ রায়নাকে দিয়ে চাচা বশিরের জন্য গ্যালারিতে সানগ্লাসও পাঠিয়েছিলেন ধোনি। ধোনির জন্য গলা ফাটাতে গিয়ে পাকিস্তান সমর্থকদের হাতে মারও খেয়েছেন বশির চাচা। ধোনির ছবিসহ ভারতপাকিস্তান মৈত্রী জার্সি প্রসঙ্গে চাচা শিকাগোর বক্তব্য, ধোনি মেন্টর হয়ে ফিরে এসেছে বলেই আমি আবার দুবাইয়ে। ধোনির জন্যই আমার জার্সির একদিকে ভারত, একদিকে পাকিস্তান। আমার জন্ম করাচিতে। শ্বশুর বাড়ি হায়দরাবাদে। দুই দেশের প্রতিই আমার ভালোবাসা রয়েছে। আমার শরীর পাকিস্তানের হলেও, হৃদয় ভারতের। ধোনির জন্যই ভারতের জয় চেয়েছিলাম।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
দেশ

Corona: দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১২ হাজার, চিন্তা বাড়াচ্ছে বাংলাও

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৪২৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৪ হাজার ৩০৬ জন। এদিকে, করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫ হাজার ৯৫১ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৮৩ হাজার ৩১৮ জন।বিগত কয়েকদিন ধরেই সংক্রমণ ছিল ১৫ হাজারের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল। এরপর আজ একধাক্কায় তা অনেকটাই কম হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি দেশে যে হারে টিকাকরণ হয়েছে সেক্ষেত্রে সংক্রমণ অনেকটা কম থাকায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে চিকিৎসক থেকে সাধারণ জনগণের। তবে বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করেছেন যে টিকাকরণে রোগের মাত্রাটা কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে। কিন্তু কখনও সংক্রমণ প্রতিহত করতে পারে না। এদিকে, গতকালের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও, ভয় ধরাচ্ছে দেশের মৃত্যুর গ্রাফ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার জেরে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫৬ জন গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ৪৪৩ জন।সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী পজিটিভিটি রেটেই বাংলাতেও বাড়ছে আতঙ্ক। সোমবারও এক লাফে অনেকটা বাড়ল এই সংখ্যাটা। রবিবার ২.৩২ শতাংশ পজিটিভিটি রেট ছিল বাংলায়। সোমবার তা বেড়ে হল ২.৭৭ শতাংশ। এদিন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮০৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। কলকাতায় দৈনিক আক্রান্ত ২২৯ জন। মৃত ৩।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
দেশ

Corona: ভয় ধরিয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৬৬ জনের

বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই নিম্নমুখী রয়েছে দেশের করোনা চিত্র। এরমধ্যে আবার ১০০ কোটির টিকাকরণের মাইল ফলক ছোঁয়ার পর থেকেই করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী হয়েছে দেশ।বিগত কিছুদিন ধরেই সংক্রমণ গ্রাফ ২০ হাজারের নীচেই রয়েছে। গতকালও তার অন্যথা হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৬ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৫ হাজার ৭৮৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা সামান্য কমে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৭ হাজার ৬৭৭ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ১২৬ জন।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান হাসপাতালে ৯ সদ্যোজাতর মৃত্যুতে বাড়ছে উদ্বেগএদিকে, আজ এক ধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে দেশের মৃত্যর সংখ্যা। বিগত কয়েকদিনের তুলনায় রেকর্ড মৃত্যু হয়েছে দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬৬৬ জনের। তবে গোটা দেশে সংক্রমণ কমলেও শীর্ষে এখনও কেরল, তামিলনাড়ু মহারাষ্ট্র রয়েছে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ এখনও কেরলে। এদিকে,চিন্তা বাড়াচ্ছে এই রাজ্যের করোনা সংক্রমণ। শুক্রবারের বুলেটিন অনুযায়ী, ফের দৈনিক সংক্রমণ ৮০০-র ওপরে। এই নিয়ে টানা তিন দিন ৮০০ পার করল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৮৪৬ জন। এর আগে বৃহস্পতিবার ও বুধবার এই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৮৩৩ ও ৮৬৭।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

corona Update: দেশে নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ, চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্য

আশঙ্কাই সত্যি হল। দুর্গাপুজো শেষ হতেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতার করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান। এ শহরের দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় প্রায় ২০০-র কাছে পৌঁছেছে। দুদিনের মধ্যেই কলকাতার নতুন সংক্রমণ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।আরও পড়ুনঃ গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্যকলকাতা ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়ও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে নতুন আক্রান্ত বেড়ে প্রায় ৭০০ হয়েছে। সংক্রমণের দৈনিক হারও ঊর্ধ্বমুখী। সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯০ জন। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের নীচে রয়েছে দেশের কোভিড গ্রাফ। যেহেতু দেশে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছ উৎসবের মরশুম, সেই কারণে সংক্রমণে দাড়ি টানতে বারবার সতর্ক হতে বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারপর বিগত কয়েকদিনের এই সংক্রমণ গ্রাফ অনেকটাই আশা জোগাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে আম-জনতাকে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৩ হাজার ৫৯৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ হাজার ৪৭০ জন।দেশের মৃত্যুর গ্রাফও নিম্নমুখী। গত একমাস আগেও ভয় ধরাচ্ছিল মৃতের সংখ্যা। কখনও ২০০ কখনও বা ৩০০-র গণ্ডি ছুঁইছুঁই ছিল সেই সংখ্যাটা। এরপর তা কমে দেড়শোর কম হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯

রাজ্যে ফের কিছুটা বাড়ল করোনার সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যুও। শনিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। রবিবারের বুলেটিনে দুক্ষেত্রেই পারদ উপরের দিকে উঠেছে। একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৬২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। একই সময়ের মধ্যে করোনা মুক্ত হয়েছেন ৬৩৪ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ১৪৮টি। পজিটিভিটি রেট ২.৩০ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্যএক লাফে কলকাতার সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৯ জন। মারা গিয়েছেন চারজন। শনিবার ১০৮ জন কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছিলেন। একজনের মৃত্যু হয়েছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, দার্জিলিংয়েও একজনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা তিন করে। হুগলিতে দুজন করোনার বলি হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মারা গিয়েছেন একজন।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Smriti Mandhana: আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে গোলাপি টেস্টে দারুন শুরু স্মৃতিদের

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে ঐতিহাসিক টেস্ট খেলতে নামার আগে কিছুটা হলেও চাপে ছিল ভারতীয় দল। অস্ট্রেলিয়ার গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও মিতালি রাজদের একেবারেই ছিল না। ভালভাবে অনুশীলনের সুযোগও পাননি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শেষ হওয়ার পর মাত্র একটা সেশন অনুশীলনে সুযোগ পেয়েছিলেন গোলাপি বলে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। তাতেই কামাল স্মৃতি মান্ধানাদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দিনরাতের টেস্টের প্রথম দিনে রীতিমতো দাপট দেখালেন স্মৃতি, শেফালিরা। ঐতিহাসিক দিনরাতের টেস্টে দারুণ শুরু ভারতীয় মহিলা দলের। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনের শেষে ১৩২/১।জুন মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের বেশ কয়েকজনের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এদিন টেস্ট অভিষেক হল মেঘনা সিং ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়ার। একদিনের সিরিজে দারুণ নজর কেড়েছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তার পুরস্কার পেলেন। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। দারুণ শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। আশঙ্কা ছিল গোলাপি বলে অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলাররা শুরুতেই চেপে বসবে ভারতীয়দের ওপর। কিন্তু এলিসে পেরি ও ডার্সি ব্রাউন কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের উপর। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ২৫ ওভারে ওঠে ৯৩। শেষ পর্যন্ত জুটি ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার সোফিয়ে মলিনেক্স। মলিনেক্সের বল তুলে মারতে মিড অফে তালিয়া ম্যাকগ্রাথের হাতে ক্যাচ দেন শেফালি। ৬৪ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। ভারতের রান তখন ৯৩। শেফালি আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান স্মৃতি মান্ধানা ও পুনম রাউত। দুজনের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৩৯। এদিন টেস্ট জীবনের সর্বোচ্চ রান করেন স্মৃতি। তাঁর আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৮। ৪৪.১ ওভার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভারতের রান তখন ১৩২/১। স্মৃতি ৮০ রানে ও পুনম ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। টেস্টের আগের দিন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ আশঙ্কা করেছিলেন, গোলাপি বলে সুইং সামলাতে সমস্যা হবে। তাঁর সেই আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে দিলেন স্মৃতিরা।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Pink Ball Test: ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?

ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বিরাট কোহলিদের। এবার ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে মিতালি রাজরা। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হতে চলেছে মিতালিদের। বৃহস্পতিবার থেকে কুইন্সল্যান্ডের ক্যারারা ওভালে দিনরাতের টেস্ট খেলতে নামবে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল।২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিল ভারত। ১৫ বছর পর আবার অসিদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন মিতালিরা। ওই টেস্টে মিতালি রাজের সঙ্গে খেলেছিলেন ঝুলন গোস্বামী। এবারও তাঁরা মাঠে নামবেন। ওই টেস্টে খেলা কোনও ক্রিকেটার অবশ্য অস্ট্রেলিয়া দলে নেই। ঐতিহাসিক গোলাপি বলে দিনরাতের টেস্ট খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। গোলাপি বলে টেস্ট খেলাটা চ্যালেঞ্জিং বলেও মনে করছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মিতালি বলেন, গোলাপি বলে একটা সেশন প্র্যাকটিস করেছি। অন্যরকম অভিজ্ঞতা। লাল বলের তুলনায় অনেক বেশি সুইং করে। ম্যাচে খেলাটা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। একদিনের সিরিজের পর আরও কয়েকদিন অনুশীলনের সুযোগ পেলে ভাল হত। কিন্তু কিছু করার নেই। কোভিড প্রটোকলের জন্য মানিয়ে নিতে হচ্ছে।অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলের টেস্টে ঝুলন গোস্বামীদের ওপর ভরসা করছেন মিতালি রাজ। ভারতীয় দলের অধিনায়ক বলেন,আমাদের এই জোরে বোলিং শক্তি দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা। ঝুলনের প্রচুর অভিজ্ঞতা রয়েছে। একদিনের সিরিজে মেঘনা সিং দুর্দান্ত বোলিং করেছে। ওর বলে দারুন গতি আছে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে এসে পুজা বাস্ত্রকার নিজেকে মেলে ধরেছে। ওকে অলরাউন্ডার হিসেবে তৈরি করার দিকে নজর দিচ্ছি।মাস দুয়েক আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিল ভারত। ফলোঅন করেও ম্যাচ বাঁচিয়েছিল ভারত। ওই টেস্টের লড়াই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে মিতালিদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় শিবিরকে চিন্তায় রাখছে হরমনপ্রীত কাউরের চোট। নেটে ব্যাট করার সময় আঙুলে ছোট পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন না।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Lili Don't Be Silly: এবার দুর্গাপুজো কাঁপাবে লিলি

অভিনেত্রী এনা সাহার প্রোডাকশন হাউস জ্যারেক এন্টারটেনমেন্ট থেকে গতবছর পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি এসওস কলকাতা মুক্তি পেয়েছিল। এটা ছিল এনার প্রোডাকশন হাউসের প্রথম কাজ। সম্প্রতি জ্যারেক এন্টারটেনমেন্টের দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি শিলাদিত্য মৌলিকের পরিচালনায় চিনে বাদাম-এর শুটিং শেষ হয়েছে। ছবির পাশাপাশি মিউজিক ভিডিওর কাজও করেছে তারা।এবার জ্যারেক এন্টারটেনমেন্ট থেকে দুর্গাপুজোর আগে আরও একটি ধামাকা আসতে চলেছে। ১ অক্টোবর মুক্তি পেতে চলেছে তাদের পুজোর গান লিলি ডোন্ট বি সিলি। জয়জিৎ ব্যানার্জীর লেখা এই গানটি গেয়েছেন সমিধ মুখার্জি ও উরভি চ্যাটার্জী। গানটির সুরকার সমিধ মুখার্জি। এই গানেরই পোস্টার মুক্তি পেয়েছে জ্যারেক এন্টারটেনমেন্টের সোশ্যাল মিডিয়ায়। পোস্টারটা খুব সুন্দরভাবে করা হয়েছে। এর আগে একটা টিজারও প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে পোস্টার ও টিজার দুটোতেই কোন অভিনেত্রীকে দর্শকরা দেখতে পাবেন সেটা এখনও দেখা যায়নি। তবে হাটকে একটা ব্যাপার যে রয়েছে সেটা অবশ্য দেখেই বোঝা যাচ্ছে। এখন শুধু মুক্তির অপেক্ষায় পুজোর গান লিলি ডোন্ট বি সিলি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

By Poll-High Court: ভবানীপুর উপনির্বাচন: নির্বাচন কমিশনকে জরিমানা হাইকোর্টের

ভবানীপুরে উপনির্বাচন মামলায় হাইকোর্টে ধাক্কা কমিশনের। নির্বাচন কমিশনকে জরিমানা করল আদালত। মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে নির্দিষ্ট দিনেই ভোট হবে বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্বাচন কমিশনকে জরিমানা নিয়ে পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।আরও পড়ুনঃ আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচনউল্লেখ্য, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তোলে বিজেপি। মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাকারীদের অভিযোগ, শুধুমাত্র কেন একটি কেন্দ্রেই নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। এই মামলায় কমিশনের কাছে জবাবি হলফনামা চেয়েছিল আদালত। কমিশন হলফনামা জমা দেয়। কিন্তু আদালত জানিয়ে দেয় কমিশনের উত্তরে সন্তুষ্ট নয় তারা। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ভবানীপুরে উপনির্বাচন না হলে সাংবিধানিক স্ংকট তৈরি হতে পারে, এই মর্মে সুপারিশ করে কমিশনকে চিঠি লেখেন মুখ্যসচিব। ভোট বিজ্ঞপ্তিতে কমিশনও সেই কথা উল্লেখ করে। যা নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক।মামলাকারীর দাবি, শুধু মাত্র একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রের জন্য এইভাবে সুপারিশ করা যায় কি? গত শুক্রবার এই মামলায় রায়দান স্থগিত করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
বিদেশ

Modi-Pakistan: সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে নাম না করে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্মেলনে পড়শি দেশের উদ্দেশে মোদি কী বার্তা দেন, সে দিকেই নজর ছিল গোটা বিশ্বের। পাশাপাশি আফগানিস্তান ইস্যুতেও তাঁর অবস্থান জানতে চাইছিল গোটা বিশ্ব। সেই সমস্ত বিষয়েই শনিবার একে একে মুখ খুললেন মোদি। একবারও পাকিস্তানের নাম মুখে না এনে ইমরান খানকে কড়া বার্তা দিয়ে রাখলেন। আফগানিস্তানের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মোদি বলেন, কেউ যেন সন্ত্রাসবাদের সম্প্রসারণ ঘটানোর জন্য সেই দেশের মাটি ব্যবহার না করে। যেই বক্তব্য আসলে পাকিস্তানকে উদ্দেশ্য করেই ছিল, এটা দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার।আরও পড়ুনঃ ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদিনমো এ দিন বলেন, যেই দেশ সন্ত্রাসবাদকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, তাদের বুঝতে হবে যে সন্ত্রাসবাদ ওদের জন্যও একইভাবে বিপজ্জনক। আফগানিস্তানের মাটির ব্যবহার যেন সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো, এবং জঙ্গি হামলার জন্য ব্যবহার না করা হয়। এটা সুনিশ্চিত করতে হবে আমাদের। কোনও দেশ যাতে নিজের স্বার্থে আফগানিস্তানের স্পর্শকাতর পরিস্থিতিকে ব্যবহার না করে, সেই নিয়ে সতর্কতাও অবলম্বন করা আবশ্যক। কোনও দেশ যেন ব্যক্তিগত স্বার্থে এই পরিস্থিতিকে নিজের ফায়দার জন্য ব্যবহার না করে।অন্যদিকে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সে দেশের মহিলা এবং শিশুদের কথা টেনে আনেন। তাঁর কথায়, আফগান জনগণ, সেখানকার মহিলা, শিশু এবং সংখ্যালঘুদের এখন সাহায্যের প্রয়োজন। আর এই নিয়ে আমাদের নিজেদের দায়িত্ব পালন করতেই হবে। মোদি শনিবারের ভাষণের বুঝিয়ে দিলেন, আফগানিস্তানের থেকেও পাকিস্তানের কার্যকলাপই বেশি চিন্তার বিষয় ভারতের জন্য। পাশাপাশি ইসলামাবাদ যে নিজেদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতির সুযোগ নেবে, সেই আশঙ্কার কথাও আগেভাগেই বিশ্ব-মঞ্চে জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • ...
  • 28
  • 29
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমানে উঠতেই মহুয়ার দিকে ‘চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল শোরগোল

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জায়গায় জনরোষের মুখে পড়ছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এর আগে গণনাকেন্দ্রে অভিনেতা-পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর দিকে কাদা ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিনেতা দেবকেও প্রকাশ্যে চোর স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।শুক্রবার দিল্লিগামী বিমানে উঠেছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, তাঁকে দেখামাত্রই কয়েকজন সহযাত্রী আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিমানের ভিতরেই ওঠে, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সব চোর স্লোগান। আচমকা এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ। তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন। পরে বিমানকর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই দলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, অভিনেতা দেব কার্যত টি-শার্ট দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। সেই ঘটনার পর এবার মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে নতুন ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ইতিমধ্যেই বিমানের ভিতরের সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ভোটের ফলের পর কি রাজ্যে জনরোষ আরও বাড়ছে? যদিও এই ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি মহুয়া মৈত্র।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি রাজ্যের! টাটাদের ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি পেল রাজ্য। টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চ আগামী আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ জারি করেছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে।সিঙ্গুরে কারখানা তৈরি না করতে পারার কারণে টাটা মোটরসকে এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সালিশি আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই তৎকালীন তৃণমূল সরকার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তিন সদস্যের সালিশি ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেয়, পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা মেটানো পর্যন্ত বছরে ১১ শতাংশ হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ আরও ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য অধিগৃহীত ৯৯৭ একর জমিকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালতের নির্দেশে কৃষকদের জমি ফেরানোর কাজ শুরু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। যদিও বহু কৃষকের অভিযোগ ছিল, জমি ফেরত পেলেও তা চাষের উপযুক্ত অবস্থায় ছিল না।২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু জমি আন্দোলন এবং রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে ২০০৮ সালে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকার সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন ও উন্নয়ন আইন পাশ করে জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।সিঙ্গুর মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এই নতুন সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের রাজনৈতিক এবং শিল্প মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় কি সত্যিই বন্ধ হচ্ছে মদ? অমিত শাহকে ঘিরে ভাইরাল পোস্টে তুমুল চাঞ্চল্য!

বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জল্পনা ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। আর তার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি পোস্ট, যেখানে দাবি করা হয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মদ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি এমন ঘোষণা করেছেন।ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের নামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে লেখা রয়েছে, পশ্চিমবঙ্গকে ড্রাই স্টেট ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ রাজ্যে আর কোথাও মদ বিক্রি করা যাবে না। এই পোস্ট সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়ে যায় তুমুল চর্চা। অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, তাহলে কি সত্যিই বিহারের মতো বাংলাতেও মদ নিষিদ্ধ হতে চলেছে? কেউ আবার দাবি করেন, বিজেপি সরকার এলে মাছ-মাংসের পাশাপাশি মদের উপরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।তবে এই ভাইরাল দাবির সত্যতা সামনে আনল প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি। কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অমিত শাহ এমন কোনও ঘোষণা করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মদ নিষিদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনাও নেই। ভাইরাল হওয়া ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।পিআইবি জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ধরনের ভুয়ো খবর সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাই কোনও খবর যাচাই না করে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, ভুয়ো খবর বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেখলে সরকারি মাধ্যমে অভিযোগ জানানো যেতে পারে।রাজ্যে সরকার গঠনের আগেই এই ভুয়ো পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে মদ নিষিদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়কে কেন্দ্র করে হঠাৎ এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে কেন্দ্রের স্পষ্ট বার্তার পর আপাতত এই জল্পনায় জল পড়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘আমি না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথ বাঁচত!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু, কাঁপছে বাংলা রাজনীতি

নতুন সরকার গঠনের আবহের মধ্যেই ফের ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ফল প্রকাশের মাত্র দুদিনের মাথায় খুন হলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। নিজের দীর্ঘদিনের সহকর্মীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।বৃহস্পতিবার চন্দ্রনাথের দেহ কলকাতা থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে নিয়ে যাওয়ার সময় আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, আমি ভবানীপুরে না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথকে খুন হতে হতো না। আমি বিরোধী দলনেতা ছিলাম বলেই আমার পিএ হিসেবেও ও টার্গেট হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, এই খুনের ঘটনায় চার্জশিট জমা পড়বে এবং দোষীরা কঠোর শাস্তি পাবে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত প্রায় দশটা পনেরো নাগাদ মধ্যমগ্রামে নিজের ফ্ল্যাটের দিকে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। সেই সময় একটি চারচাকা গাড়ি এসে তাঁর গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। গাড়িতে চালকের পাশাপাশি পিছনের সিটে আরও একজন ছিলেন। হামলার সময় তিনি সিটের নীচে লুকিয়ে পড়ায় প্রাণে বেঁচে যান বলে জানা গিয়েছে।গুলিতে গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। দ্রুত তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথ রথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখনও তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর।এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই খুনের ঘটনায় সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই হামলা কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

নাটকীয় মোড় বাংলার রাজনীতিতে! সংবিধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিধানসভা ভাঙলেন রাজ্যপাল

নতুন সরকার গঠনের আর মাত্র দুদিন বাকি। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় মোড়। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল রবি নারায়ণ রবি। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।রাজভবন সূত্রে খবর, ভারতীয় সংবিধানের একশো চুয়াত্তর নম্বর অনুচ্ছেদের দুই নম্বর দফার খ উপদফা অনুযায়ী রাজ্যপাল এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভার কার্যকালের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে। এর ফলে অষ্টাদশ বিধানসভা গঠনের পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেল।রাজনৈতিক মহলে গত কয়েক দিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা নিয়ে জোর চর্চা চলছিল। নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরেননি। এর আগেও এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, আমরা হারিনি। আমাদের একশো আসন লুঠ করা হয়েছে। সেই কারণেই তিনি পদত্যাগ করতে নারাজ বলেও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন।এদিকে শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন ব্রিগেডে হতে চলেছে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। নতুন সরকারকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে এসপিজি, কলকাতা পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ব্রিগেড চত্বর ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ খুনে বিস্ফোরক মোড়! সিবিআই তদন্তের দাবি তুলল তৃণমূল

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে চন্দ্রনাথ রথের হত্যার পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত তিন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বার্তায় বলা হয়েছে, মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, আদর্শ আচরণ বিধি চালু থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক দিনে বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনজন তৃণমূল কর্মী নিহত হয়েছেন। ঘটনায় আদালতের তত্ত্বাবধানে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে শাসকদল। দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইকে করে এসে দুই দুষ্কৃতী শুভেন্দুর আপ্তসহায়কের গাড়ির পথ আটকায়। এরপর খুব কাছ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলাকারীদের বাইকে কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। চন্দ্রনাথ রথের বুকে, পেটে এবং মাথায় গুলি লাগে। ঘটনায় আহত হন তাঁর গাড়ির চালকও।গুরুতর আহত অবস্থায় চন্দ্রনাথকে দ্রুত মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। সেখানে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং, কৌস্তভ বাগচী-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই খুনের পিছনে রয়েছে।এদিকে ব্যারাকপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী বলেন, এই ঘটনার ফল তৃণমূলকে ভুগতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পুরো ঘটনাই পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার না করা হলে চন্দ্রনাথের দেহ দাহ করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে’! চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পৌঁছে এই ঘটনাকে ঠান্ডা মাথায় খুন বলে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।চন্দ্রনাথ রথ দীর্ঘদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। গত প্রায় এক দশক ধরে রাজনৈতিক সফর থেকে সাংগঠনিক কাজ সবক্ষেত্রেই শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইক এবং গাড়িতে করে আসা একদল দুষ্কৃতী চন্দ্রনাথের স্করপিও গাড়ির পথ আটকায়। তারপর খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, অন্তত আটজন হামলাকারী চারটি মোটরবাইকে করে এসেছিল। প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ছিল বলেও জানা গিয়েছে।তদন্তে আরও উঠে এসেছে একটি সন্দেহজনক গাড়ির তথ্য। শিলিগুড়ির নম্বরযুক্ত একটি গাড়ি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই গাড়ি থামতেই আততায়ীরা গুলি চালাতে শুরু করে। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা।পুলিশ জানিয়েছে, চন্দ্রনাথের বুকে এবং পেটে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। চিকিৎসকেরা প্রাণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।ঘটনায় আহত হয়েছেন চন্দ্রনাথের সঙ্গে থাকা বুদ্ধদেব নামে আরও এক ব্যক্তি। তাঁর শরীরেও একাধিক গুলি লেগেছে। পরে তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তিনি এখনও সচেতন অবস্থায় রয়েছেন এবং তাঁর অস্ত্রোপচার করা হবে।এদিকে রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত গাড়িতে ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগানো ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেছে। গাড়ির গতিবিধি এবং হামলাকারীদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।ঘটনার খবর ছড়াতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। সেখানে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং-সহ আরও অনেকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

হার্ট ভেদ করে গুলি! কেন বাঁচলেন ড্রাইভার, মৃত্যু হল চন্দ্রনাথের?

ভোট পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যমগ্রাম। শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে গাড়ি আটকে খুব কাছ থেকে তাঁর উপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় আহত হয়েছেন তাঁর গাড়ির চালকও। তাঁকে পরে বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, রাতেই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। চিকিৎসকদের দাবি, চন্দ্রনাথের বুকে বাঁদিক দিয়ে দুটি গুলি লাগে। গুলি হৃদযন্ত্র ভেদ করে যাওয়ায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকার কাছে বাড়ি ছিল চন্দ্রনাথ রথের। বুধবার রাতে তিনি গাড়ি করে ফিরছিলেন। সেই সময় একটি ছোট চারচাকার গাড়ি এসে তাঁদের গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর পিছন দিক থেকে বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা গুলি চালাতে শুরু করে। অভিযোগ, মোট ছয় রাউন্ড গুলি চালানো হয়। সেই সময় চন্দ্রনাথ চালকের পাশের আসনে বসেছিলেন।স্থানীয় সূত্রে খবর, মূল রাস্তা থেকে একটু ভিতরের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গাড়ি দাঁড়িয়ে যেতেই খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। চন্দ্রনাথ গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যাওয়ার পর আততায়ীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছোট গাড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। আহত চালক কিছুটা সুস্থ হলে তাঁর বয়ান থেকে হামলার বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।

মে ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal