• ১ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Meeting

রাজ্য

Mamata Bannerjee: অজানা জ্বরের কারণ জানতে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় শিশুদের মধ্যে জ্বর ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার কারণ চিহ্নিত হয়েছে। এই নিয়ে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করল স্বাস্থ্য দপ্তর। বৃহস্পতিবার এসএসকেএম হাসপাতালে বৈঠকে এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। এমনটাই জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনসূত্রে।এদিন একঘণ্টার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ৫ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে অজানা জ্বরের আতঙ্ক ছাড়াও স্বাস্থ্যপরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সেখানে হাসপাতালগুলির বেড বাড়ানো, মেডিক্যাল কলেজে আসন সংখ্যা বাড়ানো মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশভোট প্রচারে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী এদিন বৈঠক ছেড়ে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে উত্তরবঙ্গ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় প্রকোপ ছড়ানো শিশুদের অজানা জ্বর নিয়ে তিনি বৈঠকে স্বাস্থ্যকর তাদের কাছ থেকে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে এদিন সকালেই মুখ্যমন্ত্রী খোঁজখবর নিয়েছেন। জানতে পেরেছেন, কোনও অজানা জ্বর নয়, এমনি সাধারণ জ্বরেই আক্রান্ত হয়েছে শিশুরা। যাদের মৃত্যু হয়েছে, তারা সকলেরই অন্য জটিল অসুখ ছিল। হাসপাতালে নিয়ে আসা হলেও চিকিৎসার কোনও সুযোগ হয়নি।জ্বরের প্রকোপ ছড়াতেই স্বাস্থ্যদপ্তর তড়িঘড়ি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিল। তাতে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গে শিশুদের মধ্যে অজানা জ্বরের নেপথ্যে রয়েছে আরএস ভাইরাস। তবে এই ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি কারণ কী, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। এদিনের বৈঠকে এই সংক্রান্ত আলোচনা ছাড়াও কলকাতার ৫ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিকাঠামোর আরও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই হাসপাতালগুলি দেশের অন্যতম সেরা হাসপাতাল হিসেবে ইতিমধ্যেই খ্যাত। শুধু কলকাতাই নয়, সংলগ্ন জেলাগুলি থেকেও প্রচুর মানুষজন এসব হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন। অন্তত ৭৬ শতাংশ মানুষ এর উপর নির্ভরশীল। আরও কীভাবে এসব হাসপাতালের পরিকাঠামো ঢেলে সাজানো যায়, শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি করা যায় এবং মেডিক্যাল কলেজের আসন সংখ্যাও বাড়ানো যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
দেশ

Modi: মন্ত্রিসভার বৈঠকে সময়জ্ঞানের পাঠ দিলেন মোদি

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পর দ্বিতীয়বার সকল মন্ত্রীর মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিভিন্ন মন্ত্রকের কাজের গতিপ্রকৃতি ও আগামিদিনের পরিকল্পনা জানতেই সমস্ত মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ভবনে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে এই বৈঠক। সূত্রের খবর, মন্ত্রীদের কাছ থেকে কাজের খতিয়ান ও আগামিদিনের পরিকল্পনা জানতেই প্রধানমন্ত্রী এই বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। এর আগে জুলাই মাসে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পর নতুন মন্ত্রী ও পরে সকল মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।আরও পড়ুনঃ আড়াই ঘণ্টার লড়াই শেষে ম্যানহোল থেকে বেরোলেন বৃদ্ধারাষ্ট্রপতি ভবনে এই বৈঠক হলেও উপস্থিত ছিলেন না রাষ্ট্রপতি নিজেই। জানা গিয়েছে, করোনাকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে একসঙ্গে এতজন মন্ত্রীর বসার মতো জায়গা করা সম্ভব ছিল না প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে। সেই কারণেই রাষ্ট্রপতি ভবনকে বেছে নেওয়া হয় বৈঠকের জায়গা হিসাবে। দুপুর ৩টে ৪৫ মিনিট থেকে শুরু হয়ে রাত ৯টা অবধি চলে এই বৈঠক। প্রায় পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দুই ধাপে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, মঙ্গলবারের বৈঠকে তিনটি মন্ত্রককে তাদের কাজের খতিয়ান ও আগামিদিনের পরিকল্পনী নিয়ে একটি উপস্থাপনা পেশ করতে বলা হয়েছিল। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও মনসুখ মাণ্ডব্য সেই উপস্থাপনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। দেশে কীভাবে দ্রুতগতিতে টিকাকরণ চলছে এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দেশের সকল প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা যাবে কিনা, লক্ষ্যপূরণে কী কী সহায়তার প্রয়োজন এই সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিস্তারিত খতিয়ান দেন।জানা গিয়েছে, বৈঠকে মন্ত্রিসভার ১৫ জন মন্ত্রী নানা বিষয়ে নিজেদের মতামত পেশ করেছেন। উল্টোদিকে, কীভাবে সময়ের সঠিক ব্যবহার করা যায়, তা নিয়েও মন্ত্রীদের পাঠ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মন্ত্রীদের দক্ষতা বৃদ্ধির উপরও বিশেষ জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতার

চেতলার কর্মিসভার মঞ্চ থেকে বিজেপিকে কয়েক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ পরোক্ষে টেনে খুনের মামলায় তথ্য রয়েছে, তাও এফআইআর করা যাবে না, বলে আক্রমণ শানান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। বুধবার মমতা নিজের ভাষণে কারও নাম না নিলেও তাঁর লক্ষ্যবস্তু শুভেন্দুই ছিলেন, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেভবানীপুরে প্রার্থী ঘোষণার পর এ দিন অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভা করল জোড়াফুল শিবির। ওই মঞ্চ থেকেই মমতা বলেন, আমাদের কাছে মার্ডার কেসে তথ্য থাকলেও এফআইআর করা যাবে না? কেন এফআইআর করা যাবে না? ভগবানের জ্যেষ্ঠপুত্র?২০১৮ সালে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দুর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর অস্বাভাবিক মৃত্যু-মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ভবানীভবনে শুভেন্দুকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু তিনি হাজির হননি। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কলকাতা-সহ রাজ্যের পাঁচটি থানায় দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলায় ওই দিনই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, শুভেন্দুকে আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না। নতুন এফআইআর হলে শুভেন্দুকে জানাতে হবে। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হার নিয়েও বুধবার সুর চড়ালেন মমতা। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে লড়তে গিয়েছিলাম, অপরাধ তো করিনি৷ আমার একটা আবেগ ছিল। অনেকে অনুরোধও করেছিলেন৷ বুথ অফিসার, আইসি, পর্যবেক্ষক বদলে দিয়ে খালি ছাপ্পা মারা হয়েছে৷ বাধ্য হয়ে এক জায়গায় গিয়ে বসে থেকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছি৷ এঁদের ষড়যন্ত্রের জন্য ফের নির্বাচনে আবার দাঁড়াতে হল৷ কিন্তু আমি ভবানীপুরে নিজের ঘরে ফিরে আসতে পেরেছি৷ আমি নিশ্চিত, ভবানীপুরের মানুষও চেয়েছিলেন আমি এখানেই থাকি৷

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

By-Polls: সেপ্টেম্বরে হচ্ছে না উপনির্বাচন?

সেপ্টেম্বরে কি উপনির্বাচন হচ্ছে রাজ্যে? প্রশ্ন ঘুরছে। তবে আপাতত সেপ্টেম্বরে যে উপনির্বাচন যে হচ্ছে না, তা কার্যত স্পষ্ট রাজনৈতিকবিদদের কাছে। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক বাতিলের পর উপনির্বাচন না-হওয়ার সম্ভাবনাই জোরাল হচ্ছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। ফলে দুএকদিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে বলে ভাবা হয়েছিল। কিন্তু আচমকা বাতিল হয় বৈঠক। ফলে চলতি মাসের মধ্যে উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রইল না বলে মনে করছেন অনেকে। সেক্ষেত্রে অক্টোবরে উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। উল্লেখ্য,দুদিন আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। পরে কমিশনকে চিঠি দিয়ে পুজোর আগেই উপনির্বাচনের অনুরোধ করেন তিনি।কমিশন সূত্রের খবর, পুজোর আগে নির্বাচন করাতে হলে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। কারণ বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার ন্যূনতম ২৪ দিন পর ভোটগ্রহণ হয়। সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি জারি হলে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ভোট হতে পারে। পুজোর আগে বা পরে উপনির্বাচন করানোর জন্য প্রস্তুত নবান্ন । সূত্রের খবর, পুজোর আগেই ভোট মিটিয়ে ফেলতে চাইছে রাজ্য সরকার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

Petrol Pump Strike: আজ রাজ্যজুড়ে পেট্রল পাম্প বনধ, কোথাও মিলবে না তেল

আজ রাজ্যজুড়ে পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট। বন্ধ থাকবে কয়েক হাজার পেট্রোল পাম্প। সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মব্যস্ত দিনে ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের আওতাধীন সমস্ত পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকায় তেলের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। যদিও সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবারের এই ধর্মঘট প্রতীকী। এই প্রতিবাদে কাজ না হলে পরবর্তী কালে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবে তারা। অন্যদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে এদিনই পেট্রোল পাম্প মালিক সংগঠনের সঙ্গে বসতে চলেছেন পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।আরও পড়ুনঃ পিসির পুলিশ ভয় দেখিয়ে দলবদল করিয়েছে তন্ময়কেনিজেদের দাবি দাওয়া নিয়ে আগেই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কাছে দরবার করেছিলেন পেট্রোল পাম্প মালিকরা। সেই বিষয় নিয়েও এদিন আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যে হারে পেট্রোল-ডিজেল মহার্ঘ হয়েছে, সেই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবারের বৈঠক যে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে তা বলাই যায়। উল্লেখ্য, পেট্রোল পাম্প মালিকদের দীর্ঘদিন ধরে বেশ কিছু দাবিদাওয়া রয়েছে। সেই দাবিদাওয়াগুলো তাঁরা রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে এর আগেও জানিয়েছেন। সেই মতো আজ আলোচনায় বসার সময় দেওয়া হয়েছে মন্ত্রীর তরফে। এই বৈঠকে উঠে আসতে পারে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পেট্রোল ডিজেলের যে মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে সেই বর্ধমান মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানাতে চলেছেন পেট্রোল পাম্প মালিকরা। একইসঙ্গে, পেট্রোল-ডিজেলের সঙ্গে ইথারল মিশ্রিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পেট্রোল পাম্প মালিকদের। মূলত পেট্রোলের সঙ্গে ইথারল মেশানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। তার ফলে এই পেট্রোপণ্য ক্ষতিকারক হয়ে দাঁড়াচ্ছে গাড়ির জন্য। যাঁরা বাইক চালান কিংবা স্কুটার চালান, এমনকী, অন্যান্য গাড়ি রয়েছে তাঁদের জন্য এই ইথারল মিশ্রিত পেট্রোল খুবই ক্ষতিকর।এইসব একাধিক দাবি নিয়ে এদিনের প্রতীকী ধর্মঘট। পাশাপাশি এদিন ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকে কী সমাধানসূত্র উঠে আসে, সেটাই এখন দেখার।

আগস্ট ৩১, ২০২১
দেশ

All Party Meeting: আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূল

আফগানিস্তান ইস্যুতে কেন্দ্রের ডাকা সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূল।দেশ ও দশের স্বার্থে আটকদের স্বার্থে রাজ্য কেন্দ্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে দেশের ব্যাপার জড়িয়ে, রাজ্যের ব্যাপার জড়িয়ে। আমরা একসঙ্গেই কাজ করছি। সবাইকে যাতে ফিরিয়ে আনা যায় এখন সেটাই লক্ষ্য। বিস্তারিত যখন হাতে পাব, আমাদের কাছে রিপোর্টিং করবে, তখন আমরা আপনাদের জানাতে পারব।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবআফগান-পরিস্থিতি নিয়ে আগামী ২৬ অগস্ট সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই বৈঠক হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বক্তব্য, বিদেশ মন্ত্রক যদি সর্বদল ডাকে, আফগান তালিবানের মতো বিষয়ে যদি বৈঠক ডাকা হয় সেখানে নিশ্চয়ই যাবে।তিনি বলেন, আফগানিস্তানে আটকদের ফেরাতে কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে কাজ করেছে। ২৬ অগস্ট কেন্দ্রের ডাকে সর্বদলীয় বৈঠকে যাবে তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরআফগানিস্তান সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবারই সর্বদল বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার টুইট করে এ কথা জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি টুইটে লেখেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছেন সংসদে সব দলের নেতাকে আফগান পরিস্থিতি নিয়ে অবহিত করতে। সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী টুইটে জানিয়েছেন, ২৬ অগস্ট সকাল ১১টায় সর্বদল বৈঠক বসবে। সেখানে বিদেশ মন্ত্রক সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অবহিত করবে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

Opposition meeting: সনিয়ার ডাকা বিরোধী-বৈঠকে মমতার বার্তা

পাখির চোখ ২০২৪। বিজেপি বিরোধী জোটে শান দিতে মোট ২০ টি দল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হওয়া বৈঠকে অংশ নিয়েছিল। সেখানেই সম্মিলিতভাবে মোট ১১ টি দাবি পেশ করা হয় কেন্দ্রের সামনে। সূত্রের খবর, সমস্ত দল মিলে আগামী মাসের ২০ তারিখ থেকে গোটা দেশে কেন্দ্র-বিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র করবে বলে জানিয়েছে। যৌথভাবে গোটা দেশের নানা প্রান্তে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। আজকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অবশ্য অংশ নেয়নি সপা এবং বসপা। তবে তৃণমূল মনে করছে, এদিনের বৈঠকের মাধ্যমে ২০২৪-এর লক্ষ্যে একটা প্রক্রিয়া অন্তত শুরু হল।আরও পড়ুনঃ মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলেরযখনই বিরোধী জোটের কথা আসে, তখন পাল্লা দিয়ে আরেকটা প্রশ্নেরও উত্থাপন হয়। সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে সেই প্রশ্নটাই ভুলে যেতে বলেছেন মমতা। কে নেতা, তা ভুলে যান। আসুন ব্যক্তিগত স্বার্থকে আমরা একপাশে রাখি। মানুষই আমাদের নেতৃত্ব দেবে, বৈঠকে এমনটাই বলেন মমতা। অন্যদিকে, আজকের বৈঠকের পর একটি সম্মিলিত বিবৃতি প্রকাশ করে মোট ১১টি দাবি কেন্দ্রের নিকট তুলে ধরে অংশগ্রহণকারী ২০ টি রাজনৈতিক দল। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের পথে আরেকধাপ এগোনোর প্রতিশ্রুতি নিলেন বিরোধী নেতারা। বৈঠকে ছিলেন শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে, এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার, ডিএমকে-র এমকে স্ট্যালিন, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার হেমন্ত সোরেন। তবে গরহাজির ছিলেন এসপি ও বিএসপি নেতৃত্ব। আরও তাৎপর্যপূর্ণভাবে সনিয়ার ডাকা বৈঠকে মমতার পাশাপাশি ছিলেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

আগস্ট ২০, ২০২১
দেশ

Cabinet Meeting: বিপদের দিনে আফগান হিন্দু ও শিখদের পাশে ভারত

আফগান হিন্দু ও শিখদের আশ্রয় দেবে ভারত। মঙ্গলবার নিজের বাসভবনে নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে এমনই বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মানুষ সাহায্য চাইলে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশও দেন তিনি। সূত্রের খবর, মোদি বৈঠকে জানিয়েছেন, ভারত কেবলমাত্র নিজের দেশের নাগরিকদের রক্ষা করবে না। তিনি বলেছেন, আফগানিস্তানে সংখ্যালঘু শিখ ও হিন্দুদের অবশ্যই আমাদের আশ্রয় দিতে হবে। যে আফগান ভাইবোনেরা সাহায্যের জন্য ভারতের দিকে তাকিয়ে আছেন, তাঁদেরও প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিতে হবে। সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কেবল আফগান হিন্দু ও শিখ শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আশ্রয় দেওয়ার কথা না বললেও আফগান নাগরিকদের সাহায্যের আশ্বাস দেন মোদি।আরও পড়ুনঃ সুপার ড্যান্স শো তে ফিরলেন শিল্পাভারতীয় বায়ুসেনার বিমানে মঙ্গলবার আফগানিস্তান থেকে দেশে ফিরেছেন ১৪০ জন ভারতীয়। এর মধ্যে রয়েছেন আফগানিস্তানে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রুদ্রেন্দ্র ট্যান্ডন, দূতাবাসের কর্মী, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি) কর্মী ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা। ট্যান্ডন দেশে ফিরেই হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট বৈঠকে। সেখানে তিনি আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। মঙ্গলবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর রাজধানীর বাইরে থাকায় মন্ত্রকের হয়ে বৈঠকে অংশ নেন বিদেশ সচিব। এ ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও।

আগস্ট ১৮, ২০২১
বিদেশ

Tliban-UN: আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ

সোমবারই আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠকে বসবে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ। এমনটাই খবর আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে। রবিবার কাবুল দখল নিয়েছে তালিবান। আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসরাফ গনির সঙ্গে বৈঠকের পর স্থির হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ভাবেই ক্ষমতা তুলে দেওয়া হবে তালিবান নেতৃত্বের হাতে। তার পরই পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন গনি, খবর সে দেশের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে। প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ দখল নিয়ে তালিবান নেতৃত্ব সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, শীঘ্রই কাবুল থেকে আফগানিস্তান মুসলিম আমিরশাহির ঘোষণা হবে। তার পরই আরও তৎপর হয়ে আফগানিস্তান থেকে নাগরিকদের সরাতে উদ্যোগী হল জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন-সহ বহু দেশ। বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে নয়াদিল্লিও।আরও পড়ুনঃ কাবুল দখল নিতেই দেশ ছেড়ে পালালেন প্রেসিডেন্ট ঘানিআন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, রবিবার রাতেই বিমান পাঠিয়ে নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানির সরকার। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইজিপ্ট-সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি। নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার কাজে এই দেশগুলিকে সহায়তা করবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। আফগানিস্তানের পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। ইতিমধ্যেই দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সাউথ ব্লকে তৎপরতা লক্ষ্য করা গিয়েছে।কাবুল থেকে ১২৯ জন যাত্রীদের নিয়ে রবিবার রাতে দিল্লি বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ৷ দিল্লি-কাবুলের মধ্যে সপ্তাহে তিনবার এই বিমান চলাচল করে ৷ তবে এখনই আগামী দিনের ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা না করা হলেও এয়ার ইন্ডিয়া এই রুটে আর কতদিন বিমান চালায়, সেটাই দেখার ৷ রবিবার আফগানিস্তানের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬.০৬ মিনিটে কাবুল বিমানবন্দর থেকে উড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি দিল্লি এসে পৌঁছয় রাত ৮টা নাগাদ৷

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: ফের মুকুলের মুখে বিজেপি! নতুন কোন ইঙ্গিত দিলেন?

কৃষ্ণনগরে আবারও নির্বাচন হলে তিনিই জিতবেন। তবে তৃণমূলের টিকিটে নয়, বিজেপির টিকিটে লড়লেই জিতবেন। শুক্রবার বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে বললেন তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। বারবার তাঁর মুখে চলে আসছে বিজেপির নাম। এটা কেন, প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। মুকুল বলেন, বিজেপির কাছে প্রশ্ন করা হলে, তার হিসাবেই উত্তর পাবে। অন্য রাজনৈতিক দলের কাছে প্রশ্ন করলে, সে জবাব দেবে। আমি বিজেপি দল হিসাবে বলেছি। আমি এখন স্বাভাবিকভাবে পুরোপুরি তৃণমূলে আছি।আরও পড়ুনঃ শাশুড়িকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার জামাই এদিন পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির দ্বিতীয় দিনের বৈঠক ছিল। বৈঠক শুরু হওয়ার ৩৬ মিনিট পর তিনি পৌঁছন। ১.৩০ নাগাদ তিনি বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান। যাওয়ার সময়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কৃষ্ণনগর থেকে দাঁড়ালে জিতবেন কী না প্রশ্ন করা হলে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, আবারও বিপুল ভোটে জিতব। তবে বিজেপির টিকিটে দাঁড়াতে হবে। তৃণমূলের হয়ে দাঁড়ালে কী হবে, সেটা মানুষ ঠিক করবে।বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ, যিনি বঙ্গ রাজনীতিতে পরিচিত চাণক্য নামে। তাঁর এই মন্তব্যের পিছনে গূঢ় কোনও মানে রয়েছে কি না তা খোঁজার চেষ্টা করছেন বিশেষজ্ঞরা।। তৃণমূলে যোগ দিয়ে কেবলই কৌতুক করতেই তাঁর এই উক্তি, নাকি এর পিছনে লুকিয়ে অন্য সমীকরণ, তা বোঝার চেষ্টা করছেন সকলেই।ত্রিপুরা ইস্যুতেও মুকুল এদিন মুখ খোলেন। সেখানে যা হচ্ছে, তা অন্যায়। তৃণমূল সেখানে ভালো ফল করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজনীতি

TMC-Tripura: তৃণমূলের ত্রিপুরা অভিযান অব্যাহত, আজ যাচ্ছেন ৯ সাংসদ

লক্ষ্য ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই জনসংযোগ বাড়াতে ত্রিপুরায় আজ একযোগে হাজির থাকছেন ৯ সাংসদ ও বাংলার ১ মন্ত্রী। যাদের প্রধান কাজই হচ্ছে আগামী সোমবার খেলা হবে দিবস পালন করা। দলের শীর্ষ স্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না। তাই ২১শে জুলাই পালনের মতো করেই ত্রিপুরায় খেলা হবে দিবস পালন করতে উদ্যোগী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আজ সাংসদ অর্পিতা ঘোষ, অপরুপা পোদ্দার, আবীররঞ্জন বিশ্বাস ও প্রতিমা মণ্ডল, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, আবু তাহের, প্রসূন বন্দোপাধ্যায়রা যাচ্ছেন ত্রিপুরায়। মনে করা হয়েছে, সেরাজ্যে সাংগঠনিক বৈঠক করতেই তৃণমূলের এই অভিযান। আরও পড়ুনঃ এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?ব্রাত্য বসু অবশ্য এদিন জানিয়েছেন, ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার ভয় পেয়েছে। তাই আমাদের নেতা কর্মীদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। আমরা তো সংগঠন তৈরি করতে যাচ্ছি। এতে বিজেপির এত ভয় পাওয়ার কী আছে? আসলে ত্রিপুরা বিজেপি বুঝে গিয়েছে, তাদের পাশে আর সেখানকার মানুষ নেই। এখানেও তো বিজেপির নেতারা এসেছিলেন সংগঠনের কাজে, ভোট প্রচারে। বাংলায় তো তাদের ওপর আক্রমণ হয়নি। তাহলে কেন ত্রিপুরায় এমন হচ্ছে? ত্রিপুরায় বামেদের সঙ্গে জোট করতে রাজি নয় তৃণমূল। তবে কোনও বাম নেতা কর্মী তৃণমূলে যোগ দিতে চাইলে তাঁদের স্বাগত জানাবে দল।তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, ত্রিপুরাতে বিজেপির গুন্ডারাজ ও পুলিশ রাজ চলছে। মানুষের মহাজোট হচ্ছে ওখানে। ওরা ভয় পেয়েছে। যেনতেন প্রকারে আটকাতে চাইছে। গত কয়েকদিন রাতভোর পুলিশি সন্ত্রাস চালিয়েছে।গাড়ির চালককে অবধি তুলে নিয়েছে। মিথ্যা মামলা করেছে৷ জামিন প্রাপকদের গ্রেপ্তার করছে। হামলা-মামলা করে লাভ নেই। মূর্খের স্বর্গে বাস করছে। কুণাল জানান, আজ সাংসদ অর্পিতা ঘোষ, অপরুপা পোদ্দার, আবীররঞ্জন বিশ্বাস ও প্রতিমা মণ্ডল, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, আবু তাহের, প্রসূন বন্দোপাধ্যায়রা যাবেন ত্রিপুরায়।ইতিমধ্যেই ত্রিপুরায় পৌঁছে গিয়েছেন সাংসদ শান্তনু সেন। তিনি বলেন, আগামী ১৭ মাস ত্রিপুরায় মাটি গেঁড়ে বসে থাকবে তৃণমূল। এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Opposition Alliance: বিরোধী বৈঠকে মমতাকে আমন্ত্রণ সনিয়ার

বিরোধী শক্তিকে একজোট করতে বৈঠক ডাকলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধি। ২০ অগস্ট ভার্চুয়ালি এই আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার পাশাপাশি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনকেও। উপস্থিত থাকতে পারেন এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ারও। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বিরোধীদের নিয়ে একটি নৈশভোজের আয়োজন করতে পারেন সনিয়া গান্ধি। তার আগে এই ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধী ঐক্যের শক্তি তিনি মেপে নিতে চাইছেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের। আরও পড়ুনঃ শুটিং শেষ হল রেডিও-রবাদল অধিবেশনের শুরু থেকেই বিরোধীরা এককাট্টা হয়ে সংসদের দুই কক্ষে সরকার বিরোধিতায় নেমেছিল। সেই ঐক্যের ছবি দেখা গিয়েছে বৃহস্পতিবারও। একাধিক ইস্যুতে মিছিল করেছে ১৫টি বিজেপি বিরোধী দল। মিছিলের আগে কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে আলোচনায় বসতে দেখা যায় আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিংকেও। পরে শিবসেনার তরফ থেকে সঞ্জয় রাউত জানান, বিরোধীরা একজোট হয়েছে। ২০ অগস্ট কংগ্রেস সভাপতি সনিয়া গান্ধি কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন। সেই আলোচনায় আমন্ত্রিত রয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীও। বুধবার সংসদের উভয় কক্ষেই অধিবেশন সময়ের আগেই শেষ হয়। সরকার তার দায় বিরোধীদের ঘাড়ে চাপালেও, বিরোধী দলগুলির দাবি, সংসদে মার্শাল আইন চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার সকালে সেই বিষয়টি ফের উল্লেখ করে রাহুল গান্ধি বলেন, গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে সংসদে। পেগাসাস নিয়ে আলোচনা করতে দেওয়া হয়নি, তুলতে দেওয়া হয়নি কৃষি আইন নিলে আলোচনাও।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

School re-openning: পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতার

অবশেষে রাজ্যের স্কুল-কলেজ খুলতে চলেছে রাজ্যে! এমনই আশার বাণী শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা মোকাবিলায় গঠিত গ্লোবাল অ্যাডভাইজারি বোর্ডের প্রধান নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৃহস্পতিবার নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় রোডম্যাপ তৈরি নিয়ে এ দিনের বৈঠকে আলোচনা হয়। বৈঠকের শেষে সাংবাদিক বৈঠকের মুখোমুখি হয়ে মমতা জানান, পুজোর পরই রাজ্যে স্কুল খোলার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের। কোভিড পরিস্থিতি যদি ঠিক থাকে, তবে পুজোর ছুটির পরই একদিন ছাড়া একদিন স্কুলগুলি খোলা হতে পারে বলে এ দিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ আবার ব্যর্থ কোহলি, চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা রাখলেন অ্যান্ডারসনযদিও কলেজ খোলা নিয়ে আলাদা করে তিনি এ দিন কিছুই বললেনি। তবে স্কুল খোলা হতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু কোন ক্লাস থেকে কোন ক্লাসের পড়ুয়াদের স্কুলে ডাকা হবে সেই নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মমতা বলেন, পুজোর ছুটির পর আমরা চেষ্টা করব একদিন ছাড়া একদিন স্কুলগুলো খোলার। মুখ্যমন্ত্রীর আজকের এই ঘোষণার ফলে রাজ্যের শিক্ষা এবং পড়ুয়া মহলে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে বলা চলে। শিক্ষক সংগঠনের অবশ্য় দাবি, পুজোর পর খুলতে হলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। ততদিনে আরও সময় নষ্ট হবে, নতুন করে ঢেউও আসতে পারে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি যেমন রয়েছে, তাতে এখনই একদিন ছাড়া একদিন স্কুল চালু করে দেওয়া সম্ভব।তৃতীয় ঢেউয়ের সঙ্গে কোন পথে মোকাবিলা করা সম্ভব, তা নিয়ে পরিকল্পনা নির্ধারিত করতেই এ দিন নবান্নে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মমতা। বৈঠক শেষে অভিজিৎবাবু বলেন, এই মুহূর্তে যত বেশি পরিমাণে টিকাকরণ করা যায়, তত বেশি মানুষ সুরক্ষিত হবেন। দুর্গা পুজোর পরে যাতে পরিস্থিতির কোনওভাবে অবনতি না হয়, সেই উপলক্ষে পুজোর জন্য একটি পৃথক প্রকোটলও তৈরি করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Babul Supriyo: নাড্ডার কথায় মত বদল বাবুলের

থাকবেন না কি ছাড়বেন, এই নিয়ে ২ দিন টানাপড়েন ভালই চলছিল। অবশেষে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হল। রাজনীতি ছাড়লেও সাংসদ পদ ছাড়ছেন না বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংসদ হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করার কথা জানালেন বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলেন, রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসিনি। তবে এখনই ইস্তফা দিচ্ছি না। বিকল্প আয় না থাকায় বাবুল সাংসদ হিসেবে তাঁর বেতন এবং ভাতা নেবেন বলেও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিতসোমবার রাতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁর বাড়িতে বাবুলের সঙ্গে বৈঠকে করেন। রাত ৮ নাগাদ বাবুল নিজেই গাড়ি চালিয়ে নড্ডার বাড়িতে পৌঁছন। বিজেপি সূত্রের খবর, বাবুলের মান ভাঙাতেই হয় বৈঠক। বৈঠকের পর অন্য কোনও দলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেন বাবুল। পাশাপাশি সাংসদ হিসেবে ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, সাংসদ হিসেবে আমার সাধ্যমত আসানসোলের মানুষের সেবা করে যাব।আরও পড়ুনঃ মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়ালশনিবার বাবুল প্রথমে রাজনীতি ছাড়ছেন ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন অন্য কোনও দলেই তিনি যোগ দিচ্ছেন না। এর পরে তিনি কেন সাংসদ পদ ছাড়ছেন না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানতে চান, উনি কি ইস্তফা দিয়েছেন, খোঁজ নিন। এর পরে পরেই বাবুল নিজের ফেসবুক পোস্ট এডিট করে জানান, তিনি খুব তাড়াতাড়ি ইস্তফা দেবেন। মন্ত্রী ও সাংসদ হিসেবে পাওয়া দিল্লির বাড়িও ছেড়ে দেবেন। শনিবার রাতেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডার ডাকে দলের সদর দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বাবুল। সূত্রের খবর, তিনি নাড্ডাকে দল সম্পর্কে নিজের ক্ষোভের কথা জানান। বিজেপি সূত্রের খবর, এরপর মন্ত্রিত্ব হারানো বাবুলের ক্ষোভ প্রশমনে রবিবার সক্রিয় হয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাঁর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন অমিত শাহ। নাড্ডা বাবুলকে সোমবার আলোচনার জন্যও ডাকেন। সেই ডাকে সাড়া দেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুএদিকে, বাবুল সাংসদ পদে ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেই তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষে ফের তাঁর বিরুদ্ধে নাটক করার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, পুরোটাই কাঁচা হাতের চিত্রনাট্য। কী ঘটতে চলেছে, তা আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল।

আগস্ট ০২, ২০২১
দেশ

Mamata-Javed-Shabana: মমতার কাছে কৃতজ্ঞ জাভেদ, লিখতে চান 'খেলা হবে' গান

বিধানসভা নির্বাচনে জনপ্রিয় স্লোগান খেলা হবে নিয়ে এ বার বিশিষ্ট কবি জাভেদ আখতারকে গান লেখার অনুরোধ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে বৃহস্পতিবার মমতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শাবানা আজমি, জাভেদ আখতার। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তাঁরা। সেখানে খেলা হবে স্লোগানের প্রসঙ্গ উঠলে মমতা জাভেদকে এই অনুরোধ করেন।আরও পড়ুনঃ সুপার হেভিওয়েট ক্যাটেগরির প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে ইতিহাস সতীশ কুমারেরবৃহস্পতিবার বৃষ্টিভেজা দিল্লিতে সকাল থেকে একের পর এক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিকেলে কথা বলতে মমতার সঙ্গে দেখা করতে আসেন জাভেদ-শাবানা। আলোচনা সেরে বেরিয়ে এসে জাভেদ বললেন, আমি মমতার কাছে কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দিলেন, যে ভাবে পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন চেয়েছেন মমতা, সে ভাবেই দেশেও পরিবর্তন চাইছেন। নিশ্চয়ই পরিবর্তন আসবে। বৈঠক শেষে বেরিয়ে মমতাকে পাশে দাঁড় করিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করেন তাঁরা। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে খেলা হবে স্লোগান জনপ্রিয় হয়েছে। জাতীয় স্তরে পৌঁছে গিয়েছে এটি। একজন কবি হিসাবে এই স্লোগান ও তাকে ঘিরে উন্মাদনাকে কতটা জানতে চাইলে জাভেদ আখতার উত্তরে বলেন, এটা আর নতুন করে বলে দিতে হবে না। সকলের মুখে মুখে ফিরছে এই স্লোগান। আমার উত্তর দেওয়ার বদলে আপনারা বুঝে নিন, কতটা জনপ্রিয় হয়েছে এটি। এরপরেই শাবানা ও জাভেদের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা মমতা ঝুঁকে পড়ে জাভেদকে বলেন, খেলা হবে নিয়ে একটি গান লিখে দিন আপনি। প্রস্তাবকে স্বাগত জানান শাবানা আজমিও।বিরোধী জোটের মুখ কে হবেন, তা নিয়েও জাভেদকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। জাভেদ বলেন, কে নেতৃত্ব দেবেন, সেটি পরের বিষয়। গুরুত্বপূর্ণ হল আমরা কেমন ভারত চাই। আমরা ভারতের কেমন ঐতিহ্য, কেমন স্বাধীনতা, কেমন গণতন্ত্র চাই। গণতন্ত্রকে যতটা ভাল করা যায়, ততটাই ভাল করতে হবে।

জুলাই ৩০, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Sonia: সনিয়া-রাহুলের সঙ্গে বৈঠকের পর 'হোপ টোয়েন্টি ফোর'-এর বার্তা মমতার

বিজেপি-কে রুখতে হলে বিরোধীদের একজোট হতে হবে বলে বার্তা দিয়েছিলেন একুশের মঞ্চেই। দিল্লিতে সনিয়া গান্ধির সঙ্গে বৈঠক সেরেও একই বার্তা দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে বাকি এখনও বছর তিনেক। তবে এখন থেকেই বিজেপি বিরোধী জোটের প্রস্তুতি শুরু করতে হবে বলে জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেন, বিজেপি-কে হারাতে সবাইেক একজোট হয়ে লড়তে হবে। আমি একা কিছু করতে পারব না। আমি লিডার নই, আমিও ক্যাডার। আমি স্ট্রিট ফাইটার। একসঙ্গে লড়াই করতে হবে সকলকে। ২০২৪-এ বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আশা জোগাতে হোপ টোয়েন্টি ফোর বার্তাও দেন মমতা।আরও পড়ুনঃ তিরন্দাজিতে পদকের আশা জাগিয়ে রাখলেন দীপিকা কুমারীতাঁর মতে, ২০২৪-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-কে হারাতে হলে সব বিরোধী দলগুলিকে একজোট হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। সনিয়ার সঙ্গে জোট নিয়ে সদর্থক আলোচনা হয়েছে বলে জানালেও, বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করা প্রয়োজন বলে সেখানে মন্তব্য করেন মমতা। বুধবার কংগ্রেস সভানেত্রী এবং রাহুল গান্ধির সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন মমতা। বিজেপি বিরোধী জোটে তিনিই নেতৃত্ব দেবেন কি না, তাঁর কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে মমতা বলেন, বিজেপি-কে হারাতে হলে সকলকে একজোট হয়ে লড়তে হবে। একা আমি কিছু করতে পারব না। আমি লিডার নই, ক্যাডার। আমি স্ট্রিট ফাইটার।বুধবার ১০ নম্বর জনপথে সনিয়ার সঙ্গে রাহুলও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান মমতা। তিনি বলেন, আমাকে চায়ের আমন্ত্রণ পাঠিয়েছিলেন সনিয়াজি। রাহুলজিও ছিলেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কথা হয়েছে পেগাসাস এবং কোভিড নিয়েও। ভবিষ্যতে ইতিবাচক ফল বেরিয়ে আসবে বলে আশাবাদী আমি।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Meeting: আজও দিনভর হেভিওয়েট বৈঠকে মমতা

মঙ্গলবারের মতো বুধবারও রাজধানীতে দিনভর কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে মমতার। বুধবার তাঁর সঙ্গে একাধিক ওজনদার নেতার দেখা করার কথা রয়েছে। তৃতীয় দিনের দিল্লি সফরে আজ ১০ জনপথে যেতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সূত্রের খবর, আজ বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ সেখানে সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক করতে যাবেন তিনি। তার আগে দুপুর ১টায় সুখেন্দুশেখর রায়ের বাড়িতে দলীয় সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন মমতা। সেখানে লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় সাংসদদের উপস্থিত থাকতে বলেছে তৃণমূল। আর সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার কথা তৃণমূল নেত্রীর।আরও পড়ুনঃ কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধুএ ছাড়া আজ বিজেপি বিরোধী একাধিক নেতার সঙ্গেও তাঁর দেখা করার কথা রয়েছে। ফলে আজ দিনভর মমতার গোটা কর্মসূচির উপর নজর থাকবে।

জুলাই ২৮, ২০২১
দেশ

Mamata-Kamalnath: মমতার 'ক্ষমতায়' বিশ্বাসী কমলনাথ

বিরোধী জোটে সিলমোহর দিতে দিল্লি সফরে গিয়েছেন। বুধবার তা নিয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধির সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার দিল্লিতে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা কমল নাথের সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী জোট গড়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন মমতা। এই সময় কমলনাথের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ মমতা কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর, ২০০১ সালে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল এবং কংগ্রেসের জোট গড়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল কমলনাথের। তাই সনিয়ার সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনার আগে কমলনাথের সঙ্গে পরামর্শ করেই মমতা এগোতে চাইছেন বলে জল্পনা।আরও পড়ুনঃ ইরাক থেকে সরবে মার্কিন সেনামঙ্গলবার দুপুর ২টো নাগাদ দিল্লিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলোয় মমতার সঙ্গে দেখা করতে পৌঁছন কমলনাথ। সেখানে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় দুজনের মধ্যে। দুপক্ষের মধ্যে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে তৃণমূল নেত্রী কোনও মন্তব্য করেননি যদিও। তবে ২০২৪-এ জোট গড়ার প্রসঙ্গ যে তাঁদের আলোচনায় উঠে এসেছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে। মমতার সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমে কমলনাথ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানাতে এসেছিলাম। মূল্যবৃদ্ধি, আইন-শৃঙ্খলা-সহ একাধিক বিষয়ে ওঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। ২০২৪-এর আগে জোট গড়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলব। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখিয়ে দিয়েছেন, মানুষ পাশে থাকলে, যে কোনও শক্তিকেই রোখা সম্ভব। ২০২৪-এ বিরোধী জোটের চালকের আসনে মমতাকে বসানোর ক্ষেত্রে কমলনাথ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারেন বলে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।

জুলাই ২৭, ২০২১
দেশ

Modi-Mamata: দুটি দাবি নিয়ে ২৫ মিনিটের বৈঠক মোদি-মমতার

ভ্যাপসা গরমের পর বৃষ্টিভেজা রাজধানীতে মঙ্গলবার ৪ টে বাজার মিনিট পাঁচেক আগেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ৭ লোককল্যাণ মার্গে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিনিট ২৫-এর বৈঠক করেন। তারপর বেরিয়ে এসে মুখোমুখি হন সংবাদ মাধ্যমের। সেখানে মমতা জানান, সংক্ষিপ্ত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মূলত দুটি দাবি জানিয়েছেন তিনি। প্রথমত, রাজ্যে করোনা টিকার সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলায় পরিবর্তন করার বিষয়টি দেখতে বলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ দিনভর হেভিওয়েটদের সঙ্গে বৈঠক মমতারনানা জল্পনা এবং রাজনৈতিক সম্ভবনার আবহেই প্রায় দেড় বছর পর মুখোমুখি বৈঠকে বসেছিলেন মোদি ও মমতা। সকাল থেকে এই হাইভোল্টেজ বৈঠকের দিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। সেই বৈঠক এ দিন ২৫ মিনিট স্থায়ী হয়। বৈঠক শেষে মমতা বলেন, তৃতীয়বার আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছিলাম। এটা সম্পূর্ণভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। নির্বাচনের পর দেখা করাটা সাংবিধানিক বাধ্যকতা। কী নিয়ে আলোচনা হল বৈঠকে? মমতা বলেন, আমি কোভিড নিয়ে আলোচনা করেছি। যা ভ্যাকসিন পাওয়া গিয়েছে তার থেকে আমাদের চাহিদা আরেকটু বেশি। প্রত্যেক রাজ্যই পাক, তাতে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু আমাদের রাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে কম ভ্যাকসিন এসেছে।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতএই ছিল মমতার প্রথম দাবি। মুখ্যমন্ত্রীর দ্বিতীয় দাবিটি ছিল, পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের বিষয়টি যেন কেন্দ্রীয় সরকার বিচার করে। তাঁর কথায়, অনেকদিন হয়ে গেল। দয়া করে এ বার আপনি আমাদের রাজ্যের নামটা বদলের ব্যবস্থা করুন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সমস্ত আবেদন শুনেছেন বলেই এ দিন দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

জুলাই ২৭, ২০২১
রাজনীতি

CM-Delhi: দিনভর হেভিওয়েটদের সঙ্গে বৈঠক মমতার

সোমবার দিল্লি পৌঁছেছেন মমতা। তৃতীয় বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। চার দিনের সফরে রাজধানীতে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে মমতার। মঙ্গলবার বিকেল ৪টে নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে। আবার মঙ্গলবার থেকেই বিজেপি বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গেও একে একে বৈঠক করার কথা তৃণমূল নেত্রীর। তৃণমূল সূত্রে খবর, আজ মোদি ছাড়াও সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে আরও তিন ওজনদার নেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা। দুপুর ২টোয় রয়েছে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের সঙ্গে বৈঠক। তার পরই রয়েছে কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মার সঙ্গে। মাঝখানে কিছু সময় মোদির সঙ্গে আলাপচারিতা। তার পর ফের সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ বিশিষ্ট আইনজীবী তথা কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক মনু সিংভির সঙ্গে বৈঠক। যাঁকে ইদানীং তৃণমূলের হয়ে একাধিক মামলা লড়তে দেখা গিয়েছে। সব মিলিয়ে আজ দিনভর মমতার রাজধানী সফরের প্রতিটি মুহূর্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

জুলাই ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal