• ২২ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ০৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata Banerje

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে ঢুকল ২০০ কিমি বেগে গাড়ি! মাথায় আঘাত মমতার

বুধবার বর্ধমানের সভা সেরে সড়কপথে কলকাতায় আসার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি। চোট পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধ্যায় রাজ্যপালের সহ্গে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী ভয়ঙ্কর ইঙ্গিত করেছেন। দাবি করেন, যে ভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তাতে তাঁর মৃত্যুও হতে পারত! মমতা জানান, একটি গাড়ি ২০০ কিলোমিটার বেগে তাঁর কনভয়ে ঢুকে পড়েছিল। যে কারণে তাঁর গাড়ির চালক জোরে ব্রেক কষেন। তাতেই তাঁর মাথায় আঘাত লেগেছে।আঘাতের কারণে বর্তমানে তাঁর শীতকরছে, মাথাও ব্যথা করছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রী। জ্বর আসতে পারে বলে আশঙ্কা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।কীভাবে আঘাত পেলেন তিনি? কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, জানি না ঠিক কী হল। আমরা একটা গলি দিয়ে বেরচ্ছি। সামনে একটা গাড়ি প্রায় ২০০ স্পিডে যাচ্ছে। পুরো মরেই যেতাম। যে ড্রাইভার ছিল, ও সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক কষে। তখন ড্যাশবোর্ডটা আমার মাথায় এসে লাগে। রক্তও বেরিয়েছিল। তাই নিয়ে কাজ করে গেলাম।দুর্ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর গাড়ির কাচটা খোলা ছিল তাঁর। জনসংযোগের জন্যই ওই কাচ খোলা রেখেছিলেন তিনি। বলেন, যদি কাচটা বন্ধ থাকত তাহলে কাচ-ড্যাশবোর্ড সব শুদ্ধ আমার সারা শরীরের ওপর পড়ত। মানুষের আশীর্বাদে বেঁচেছি।শেষে তিনি বলে যান, আমার মাথা টনটন করছে। গা বমি বমি করছে। তাই বাড়ি চলে যাচ্ছি।ওই গাড়িতে কে ছিলেন? তা জানেন না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। পুলিশ সবটা দেখছে।বুধবার কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে বর্ধমানে গিয়ে প্রশাসনিক সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ফেরার পথে আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় আর কপ্টারে নয়, গাড়িতে চেপে কলকতার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। সড়ক পথে ফেরার পথেই চোট পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি জিটি রোডে ওঠার সময়ে চালক আচমকা জোরে ব্রেক কষেন। তাতেই মুখ্যমন্ত্রীর কপাল গাড়ির উইন্ড স্ক্রিনে ঠুকে যায়। মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে অন্য একটি গাড়ি ঢুকে পড়াতেই এই বিপত্তি বলে সেই সময়ই জানা গিয়েছিল।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

অধীরেই আটকে তৃণমূল? মুর্শিদাবাদ নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠকে বিশেষ নির্দেশ মমতার

পশ্মিম মেদিনীপুরের পর মুর্শিদাবাদ। শুক্রবার কালীঘাটে এই জেলার সাংসদ, বিধায়ক ও সাংগঠনিক নেতাদের নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক সারলেন তৃণমূল নেত্রী। সেই বৈঠক কার্যত হয়ে উঠল অধীরময়! যদিও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম একবারও উচ্চারণ করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নবাবের জেলা নিয়ে বৈঠকে অধীর চৌধুরীর নাম উঠবে সেটাই স্বাভাবিক। এদিনের বৈঠকেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শুক্রবারের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে অধীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন একদা তাঁরই শিষ্য হুমায়ুন কবীর। যদিও হুমায়ুন এখন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। সূত্রের খবর, বৈঠকে হুমায়ুন মমতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দিদি বহরমপুরে অধীর চৌধুরী কিন্তু একটা চ্যালেঞ্জ।সূত্রের খবর, দলের বিধায়কের মুখে তা শুনেই তৃণমূল নেত্রী বলেন, মাথা থেকে এসব বের করে দাও। একসঙ্গে লড়াই করতে পারলে কিছুই চ্যালেঞ্জ নয়।২০১৯-এর ভোটে মুর্শিদাবাদ জোড়-ফুলের দখলে এলেও বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারাতে পারেনি তৃণমূল। বহরমপুরে ১৯৯৯ সাল থেকে পরপর পাঁচবারের সাংসদ অধীর। এবারও বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারানো চ্যালেঞ্জ মমতার দলের। ফলে এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম মুখে না নিলেও দিদির মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।নানা কার্যকলাপের জন্য হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে অসন্তুষ্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদ মাধ্যমের সামনে এদিন এই বিধায়ককে বেশি কথা না বলার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূল সূত্রে খবর, এদিন দলের দুই সাংসদ আবু তাহের খান আর খলিলুর রহমানের কাজের প্রশংসা করেছেন মমতা। জানা গিয়েছে, বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়া নিয়ে দলের সাংসদ, বিধায়ক ও নেতাদের সতর্ক করে দিয়েছেন।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

আদালতে টিকল না শুভেন্দুর আবেদন, রামমন্দির উদ্বোধনের দিন পথে মমতা

হাইকোর্টে টিকল না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধিতা। অযোধ্যার রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন কলকাতায় তৃণমূলের সংহতি যাত্রার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২২ জানুয়ারি, হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের সংহতি মিছিল হবে। তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে হাইকোর্টে জানিয়েছে, সুশৃঙ্খলভা ভাবে এই মিছিল করতে হবে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে কোন মন্তব্য করা যাবে না।এছাড়াও একাধিক সতর্কতা মূলক কথা বলেছে আদালত। প্রাধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের সতর্কবার্তা, এই ধরনের মিছিলের ক্ষেত্রে ট্রাফিকের সমস্যা হতে পারে, আটকে পড়তে পারে অ্যাম্বুল্যান্স। এই বিষয়গুলি সংশ্লিষ্ট দল ও রাজ্য সরকারকে তৎপর হতে হবে।শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে যে মিছিলের আর্জি জানিয়েছিলেন, তাও খারিজ করে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশে উল্লেখ করেছে যে, অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট দলের (তৃণমূল) উপর দায় বর্তাবে। আদালতের রায় লঙ্ঘন করলে যেকোনও ব্যক্তিই দায়ী হতে পারেন।২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন। সেদিনই বাংলায় সংহতি যাত্রার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা ছাড়াও ব্লকে ব্লকে ওই মিছিল করার কথা বলা হয়েছে। সেই মিছিল নিয়ে আপত্তি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই দিন আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানান বিরোধী দলনেতা। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।২২ জানুয়ারি সংহতি যাত্রার অনুমতি মেলার পর তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, এই নির্দেশ আসলে শুভেন্দুর গালে আদালতের থাপ্পড়। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন নেই। রাজ্য পুলিশই যথেষ্ট। শুভেন্দুরা বিভেদ চেয়েছিল। আদালত ওদের গালে কষিয়ে থাপ্পড় মেরেছে। বাংলায় শান্তি-সম্প্রীতির মিছিল হবে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

রামমন্দিরের উদ্বোধনে তো যাবেন না, ওই দিন বাংলায় বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা মমতার

রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য অযোধ্যাজুড়ে চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতিপর্ব। ২২ জানুয়ারি হবে উদ্বোধন হবে বহু প্রতিক্ষিত রাম মন্দিরের। ওই অনুষ্ঠাণে যাবেন না বলেই আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রামমন্দির উদ্বোধনের দিনই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশেষ কর্মসূচির ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, আগামী ২২ জানুয়ারী কলকাতায় তৃণমূল সম্প্রীতি মিছিল করবে। যার নেতৃত্বে থাকবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। শুধু কলকাতাতেই নয়, ব্লকে ব্লকে, জেলায় জেলায়ও কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুরুতেই রামমন্দিরের উদ্বোধন নিয়ে বলেন, রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠা আমাদের কাজ নয়, তাহলে আমি অযোধ্যায় গিয়ে কী করব? আমাদের কাজ পরিকাঠামো নির্মাণ করা, আমি সেই কাজই করে যাব।এরপরই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চড়া সুরে তোপ দাগলেন মমতা। সম্প্রসারণের জন্য রেল দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াক ভেঙে দিতে বলেছে রাজ্যকে। যা নিয়ে এদিন মমতা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ওই স্কাইওয়াক আমার মনের মণিমুক্ত। রক্ত থাকতে আমি ওটা ভাঙতে দেব না। পাশাপাশি মেট্রোর জন্য বডিগার্ড লাইনের জমি চাওয়ায় রেলকে এদিন তুলোধনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রেলের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।মন্দির নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি যে বিরক্ত হন তা-ও বুঝিয়ে দেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বলেন, আপনারা মন্দির নিয়ে বার বার প্রশ্ন করছেন আমাকে। আমার এ নিয়ে কিছু বলার নেই। আমি বার বার বলি, ধর্ম যার যার নিজের, উৎসব সকলের। আমরা ২৩ জানুয়ারি, ২৬ জানুয়ারি পালন করি। ২২ জানুয়ারি একটি মিছিল করব আমি, দলের প্রোগ্রাম। নিজে একটা মিছিল করব আমি। প্রথমে নিজে কালীমন্দিরে যাব। সবাই যাবে না। আমি যাব। সেখানে মায়ের কাছে পুজো দিয়ে হাজরা থেকে সর্বধর্মের মানুষকে নিয়ে মিছিল করে পার্ক সার্কাস ময়দানে গিয়ে সভা করব। মা কালীকে ছুঁয়ে, মন্দির, মসজিদ, গুরুদ্বার, ওখানে অনেক গির্জাও রয়েছে, সব ছুঁয়ে যাব, সকলকে নিয়ে এই সভা করব। তৃণমূলের সভা, তবে শুভান্যুধায়ী, সাধারণ মানুষও এই সংহতি মিছিলে আসতে পারেন। প্রত্যেক জেলার ব্লকে ব্লকে বেলা ৩টেয় সম্প্রীতি মিছিল হবে।রামমন্দিরের উদ্বোধনের এটা পাল্টা কর্মসূচি নয় বলেও জানিয়ে দিয়েছেন মমতা। তৃণমূল নেত্রী বলেন, কোনও পাল্টা মিছিল করছি না, কোনও প্রতিবাদ করছি না। আমি সাধু-সন্তদের মানি। তাঁদের কথা শুনছি। এ ব্যাপারে একটাই কথা বলতে পারি, ধর্ম যার যার নিজের, উৎসব সকলের। আমি সর্বধর্ম সমন্বয় করছি কারণ, তার পরদিনই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন। সেটাও ব্লকে ব্লকে পালিত হবে। আমি বরাবরের মতো নেতাজি মূর্তির সামনে থাকব।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৪
রাজ্য

গঙ্গাসাগরে গিয়ে ফের প্রবীণদের হয়ে ব্যাট ধরলেন মমতা

তৃণমূলে আদি-নব্য, প্রবীণ-নবীন দ্বন্দ্ব তুঙ্গে। এবার দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে এই নিয়ে মুখ খুলেছিলেন একাধিক নেতা। এসবের মধ্যেই রবিবার নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে বয়সসীমা বিতর্কে ফের মন্তব্য করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের তারুণ্যের উপরই জোর দেন তিনি। ২৪ ঘন্টা না পেরতেই সোমবার গঙ্গাসাগর থেকে তৃণমূল সেনাপতিকে পালটা বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।আমি এখন যে কাজ করতে পারছি, তা কি ৭০ বছর হলে করতে পারব? ৩৬ বছর বয়সে যে কর্মক্ষমতা থাকে, ৫৬ বছর বয়সে তা থাকে না। ৭০ বছর বয়সে তা আরও কমে যায়। এই প্রথম নয়। এর আগেই বেশ কয়েকবার তৃণমূলে নবীনদের পক্ষে সোচ্চার হয়েছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দলে এক ব্যক্তি-এক পদের ঘোষণা করে তিনি বলেছিলেন, সব পেশার মতো রাজনীতিততেও অবসরের বয়স থাকা উচিত।বয়সসীমা বিতর্কের মধ্যেই গত নভেম্বরে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে দলনেত্রী বলেছিলেন, মনের বয়স বাড়ল কিনা সেটাই আসল ব্যাপার। প্রবীণ সৌগত রায়দের নির্দ্বিধায় কাজ চালানোর কথা বলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার-এর মতো লড়াইয়ের কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার সপ্তাহ পরে দাবি করেছিলেন, পুরনো চাল ভাতে বাড়ে।সোমবার গঙ্গাসাগর গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মেলার এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। তারপর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, আমরা কিন্তু যাঁরা যোগ্য লোক তাঁদের ৬০ বছরে বিদায় দিই না। আমরা তাঁদের কাজকর্ম, পুরো অভিজ্ঞতা নিয়ে পুরো কাজে লাগাই। এটা বিরল ব্যাপার। মূলত রাজ্য প্রশাসনে অবরপ্রাপ্ত তিন যোগ্য অফিসারের পুনর্নিয়োগ করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই এই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।অভিজ্ঞতার পক্ষে কথা বলে দলের সাম্প্রতিক বিতর্কও কী উস্কে দিলেন তৃণমূল নেত্রী? সেনাপতিকে বার্তা দিলেন? এখন এই প্রশ্নই বড় হয়ে উঠছে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজনীতি

মমতাকে বড় চ্যালেঞ্জ অধীর চৌধুরীর, ইন্ডিয়া জোটে কি অশনি সংকেত?

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বিবাদে কি অশনি সংকেত? তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়া বা আসন রফার বিরোধিতা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলে নেত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতার।২০১৯ লোকসভা ভোটে বাংলায় বহরমপুর ও মালদা দক্ষিণ আসনটি হাত শিবিরের দখলে গিয়েছিল। তৃণমূলের প্রস্তাব ওই দুই আসনই শুধু কংগ্রেসকে ছাড়া হবে। মমতা এবং কংগ্রেস হাই কমান্ডের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কথা জানিয়ে তৃণমূলের প্রস্তাব বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যেই বলেছেন অধীর। রাজ্যের শাসক শিবিরের এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয় পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস নেতৃত্ব। অধীর চৌধুরীর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, কংগ্রেসকে দুটো আসন (লোকসভা) দেব। কোন দুটো আসন (আসন) দেবেন? ওঁকে ও বিজেপিকে হারিয়েই তো ওই দুটো আসন নিয়েছি আমরা। ওরা আমাদের কি উপকার করছে? কে তাঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বিশ্বাস করবে? আমাদের নিজেদের ক্ষমতায় আরও অনেক আসনে আমরা লড়তে পারি।অধীর চৌধুরী বলেছেন, কংগ্রেসকে জেতাতে মমতার দরকার নেই। কংগ্রেস নিজের দমে লড়তে পারে এবং এর থেকে (দুটো) বেশি আসন জিততে সক্ষম। আমরা দেখাবো। আমাদের এই দুটো আসনে মমতার দয়ার দরকার নেই।বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরারে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন অধীর চৌধুরী। বলেছেন, আসুন, আপনি নিজে আসুন। আপনি প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে বলছেন মোদীর বিরুদ্ধে লড়তে। আমি আপনাকে বলছি, আপনি আসুন এখানে আমার বিরুদ্ধে লড়তে। যে কোনও মামুকে এখানে পাঠিয়ে দাও। যদি হারাতে পারে, রাজনীতি ছেড়ে দেব। কত তাগদ আছে দেখছি আপনার। মালদায় চলুন দেখছি। আপনার দয়ায় আমরা এ সব আসন জিতিনি। কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতার দাবি, মমতা জোটে থাকতে পারবেন না, কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অপছন্দ করেন এমন কিছু তিনি কখনই করবেন না।বহরমপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) রাজ্যে জোটের সম্ভাবনা নষ্ট করছেন। তিনি যা বলেছেন তা শুনলে বোঝা যাবে তিনি জোট চাননি। তাঁর দল বলছে যে তারা জাতীয়ভাবে জোটে আগ্রহী, কিন্তু বাংলায় নয়। এটা স্পষ্ট যে মুখ্যমন্ত্রী এখানে জোট চান না।তৃণমূলের তরফে দেওয়া দুটি আসনের প্রস্তাব উড়িয়ে অধীর চৌধুরী। বহরমপুর, মালদা উত্তর ছাড়াও প্রদেশ কংগ্রেসের নজরে রয়েছে রায়গঞ্জ, পুরুলিয়া, দার্জিলিং, বসিরহাট সহ আরও বেশ কয়েকটি বাংলার লোকসভা আসন।অধীরের চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, অধীর চৌধুরী কেন এত দিন দক্ষিণ কলকাতায় এসে দাঁড়াননি? সুতরাং এ সব কথা অর্থহীন। আর ২০২১ সালে তৃণমূল আলাদা লড়ে সরকার গড়েছে। সিপিএমের সঙ্গে জোট করে অধীর পেয়েছিলেন শূন্য।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৪
রাজ্য

এসএসকেএম হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাঁধে ছোট্ট অস্ত্রোপচার

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান কাঁধে ছোট্ট অস্ত্রোপচার করা হয়েছে শুক্রবার। এই অস্ত্রোপচারের পর তিনি সুস্থই রয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই খবর জানান এসএসকেএম হাসপাতালের ডিরেক্টর মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিট নাগাদ হাসপাতাল থেকে বের হন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার এসএসকেএমে এসেছিলেন কলকাতার মেয়র ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।রশুক্রবার দুপুরে রুটিন চেকআপের জন্য এসএসকেএমে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক পরীক্ষার সময়ে চিকিৎসকেরা তাঁর ডান কাঁধে পুরনো চোটের জায়গায় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন বোধ করেন। তার পরেই উডবার্ন ব্লকের ওটিতে মুখ্যমন্ত্রীর ডান কাঁধে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মণিময়। তিনি বলেছেন, রুটিন চেক আপের জন্য এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। চেকআপের সময় তাঁর ডান কাঁধে ছোট্ট অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন বোধ করেন চিকিৎসকেরা। পুরনো চোটের জায়গাতেই ওই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। উডবার্ন ওটিতে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন চিকিৎসকদের সঙ্গে চা-পান করছেন তিনি।এদিকে শুক্রবার এসএসকেএমে ঢোকার সময়ে মমতা জানান, রুটিন চেক আপের জন্যই এসেছেন। তাঁর শরীর একেবারেই ঠিক আছে। তিনি বলেন, শরীর ঠিক রয়েছে। পা চেকআপ করাতে এসেছি। আমি হাঁটছি। সবই ঠিক রয়েছে। রোজ বিশ হাজার স্টেপ করছি। এমনিতে সময় পাই না। শুধু এক্স-রে করাতে এসেছি। এর পর তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের নতুন বছরের শুভেচ্ছাও জানান। এও জানান, এগুলো বলে মানুষকে বিরক্ত করার কোনও মানে হয় না। এখন সকলে সময়টা উপভোগ করুন।এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে স্পেন এবং দুবাই সফর সেরে এসএসকেএমে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিদেশে থাকাকালীন বাঁ পায়ের হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন। ব্যস্ত কর্মসূচি থাকায় বিদেশ সফরে পায়ের চিকিৎসা করাতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতায় ফেরার এক দিন পরেই নিজের পায়ের চিকিৎসা করাতে যান তিনি।গত ২৭ জুন জলপাইগুড়ি থেকে আকাশে ওড়ার পরই দুর্যোগের মধ্যে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার। বৈকুণ্ঠপুরের জঙ্গলের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় প্রবল ঝড়-বৃষ্টির মুখে পড়ে ওই হেলিকপ্টারটি। দুর্ঘটনা এড়াতে বিমানের জরুরি অবতরণ করানো হয় সেবকে, বায়ুসেনার ঘাঁটিতে। সেখানেই কপ্টার থেকে তড়িঘড়ি নামতে গিয়ে কোমরে এবং পায়ে চোট পান মমতা। সেই সময় থেকেই এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। যে কারণে কয়েক দিন হাসপাতালে ভর্তিও থাকতে হয়েছিল তাঁকে। জুন মাসে যে পায়ে চোট পেয়েছিলেন তিনি, পরে বিদেশ সফরে সেই পায়েই চোট পেয়েছিলেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছিল। তাঁর পায়ের আঘাতের ভুল চিকিৎসা হয়েছিল এসএসকেএমে, একথা বলেছিলেন স্বয়ং মমতা। যদিও এসএসকেএমের তরফে সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৩
দেশ

মমতার পুলিশকে সেরার স্বীকৃতি মোদি সরকারের, দেশের তিন সেরা থানার এক বাংলায়

বাংলায় আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্ন যখন রাজ্যজুড়ে বিজেপি আন্দোলন করছে ঠিক তখনই মোদি সরকারের তরফে এল পুরস্কার। কেন্দ্রের স্বীকৃতি পেল হুগলির চন্দননগর কমিশনারেটের শ্রীরামপুর থানা। দেশের তিন সেরা থানার অন্যতম শ্রীরামপুর। বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য পুলিশকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোশাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, এই ঘোষণা করতে পেরে গর্বিত যে ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণায়, আমাদের শ্রীরামপুর থানা-কে (চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট) ২০২৩ সালের জন্য গোটা দেশের সেরা তিনটি থানার মধ্যে একটি হিসাবে নির্বাচিত করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি নিজে আমাদের সংশ্লিষ্ট অফিসারের কাছে ট্রফি তুলে দেবেন। জাতীয়স্তরে আমাদের অনবদ্য নজিরের জন্য সকল পুলিশ ভাইদের ধন্যবাদ। জয় বাংলা।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি, অন্যান্য বিরোধী দলের নেতৃত্ব যখন পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে বারে বারেই প্রশ্ন তুলছেন, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এমন স্বীকৃতি এল পুলিশমন্ত্রী মমতার ঝুলিতে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে মমতা সরকারকে নিশানা করা হলে পাল্টা এবার শ্রীরামপুর থানার উদাহরণকেই হাতিয়ার করবে তৃণমূল।কয়েক সপ্তাহ আগেই ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি)-র রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছিল। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে, ২০২১ সালে দেশের বড় শহরগুলির মধ্যে সব থেকে নিরাপদ কলকাতা। এর আগে ২০২০ সালেও এই তকমা পেয়েছিল এই তিলোত্তমা। ২০১৮ সালেও দেশের সব থেকে নিরাপদ শহর হওয়ার কৃতিত্ব ছিল কলকাতার-ই। এনসিআরবির রিপোর্ট অনুসারে, কলকাতার প্রতি লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে দেশের বাকি শহরের তুলনায় সব থেকে কম অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। এর ভিত্তিতেই সব থেকে নিরাপদ শহরের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে কলকাতার নাম।কেন্দ্রীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২১-এ কলকাতায় প্রতি লক্ষ মানুষে নথিভুক্ত অপরাধ ১০৩.৪। এই সংখ্যা ২০২০-র তুলনায় কম। সে বছর এই সংখ্যা ছিল ১২৯.৫। ভারতের যে বড় শহরগুলির জনসংখ্যা ২০ লক্ষেরও বেশি, একমাত্র সেই শহরগুলির তথ্যের ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট বানায় এনসিআরবি। তবে রাজ্যের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এনসিআরবি রিপোর্ট দেয় বলেই এমন মর্যাদা পেয়েছে কলকাতা। এমন দাবি রাজ্য বিজেপি নেতাদের।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৩
রাজনীতি

ইন্ডিয়া জোটের শোক সভা হবে, বৈঠকের পর গোয়ায় পিন্ড দান হবে, কটাক্ষ শুভেন্দুর

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠককে শোক সভা বলে কটাক্ষ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার সন্ধ্যায় বীরভূমের সাঁইথিয়ায় কিষাণ মোর্চার ডাকে প্রকাশ্য সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, মঙ্গলবার শোক সভা হবে। নীরবতা পালন হবে। সেমিফাইনালে হেরেছে। ছত্রিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে হেরেছে। মিটিংয়ের শেষে সবাই যাবে গয়ায় পিণ্ড দিতে।সোমবার বিকেলে সাঁইথিয়ায়র সভায় বক্তব রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, চোর মমতার মন্ত্রী সভার সদস্যরা গোটা রাজ্য জুড়ে কয়েক বছরে লক্ষ লক্ষ কৃষকের ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে ধান চুরি করেছে। গতবছর ২৯ লক্ষ কৃষকের নাম নথিভুক্ত হয়েছিল। এবার ১১ লক্ষ কৃষকের নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এক বছরে ১৮ লক্ষ কৃষক ভুত হয়ে গেল? তার মানে গত বছর ১৮ লক্ষ ভুয়ো আকাউন্ট খুলে ভারত সরকারের পাঠানো পাঁচ হাজার কোটি টাকার বড় অংশ লুঠ করেছে এই চোর মন্ত্রী সভা। গোঘাটে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে পথ অবরোধ করায় এক পুলিশ অফিসার কৃষককে গালি দিয়েছিলেন। কথা দিচ্ছি বিজেপি ক্ষমতায় এলে ওই পুলিশ অফিসারকে ঘাড় ধরে নিয়ে গিয়ে কৃষকের পা ধুইয়ে ঘটি জল খাওয়াব।শুভেন্দু বলেন, আমাকে হারাতে নন্দিগ্রামে গিয়ে হেরে এসেছেন উনি। আপনারা আমার উপর ভরসা রাখুন উনাকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপোকে জেলে পাঠাবই।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া নিয়ে শুভেন্দু কটাক্ষ করে বলেন, মোদি বাবার পা ধরতে দিল্লিতে গিয়েছে গাই-বাছুর। গিয়ে বলবেন মোদীবাবা টাকা দাও। তবে পিসি ভাইপো কোম্পানি দিল্লিতে গিয়ে কোন লাভ করতে পারবে না।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩
দেশ

এবার অভিষেককে নিয়ে মোদীর দরবারে মমতা, নয়া কৌশল তৃণমূলের

বুধবার বাংলার বকেয়া পাওনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রবিবারই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই দিনই রাজধানী যাবেন দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে মমতার নেতৃত্বে তৃণমূলের যে প্রতিনিধি দল যাবে তাতে থাকছেন অভিষেক।বাংলার বকেয়া নিয়ে সরব তৃণমূল। দাবি আদায়ে পুজোর আগে দিল্লি ও কলকাতায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ধরনা কর্মসূচি হয়েছে। কিন্তু, পুজো মিটতেই সেই আন্দোলন গতি হারায়। বদলে শাসক দলের অন্দরের বিবাদ মাথাচাড়া দেয়। চর্চায় আসে জোড়া-ফুলের অন্দরের এক ব্যক্তি এক পদ ও বয়সসীমা বিতর্ক। স্পষ্টতই তৃণমূলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে মতপার্থক্য ধরা পড়ে। আর তাতেই তোলপাড় হয় বঙ্গ রাজনীতি। গুঞ্জন চলে ঘাস-ফুলের অন্দরেও।নভেম্বরের শেষে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে দেখা যায়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। চোখে রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর গড়হাজিরা বলে দাবি করেছিলেন খোদ দলনেত্রী। এরপর কুণাল ঘোষের মন্তব্যে বিতর্কের শুরু। তিনি বলেছিলেন, কারা এটা করেছেন, আমি বলতে পারব না। তবে এটা ঠিক হয়নি। এখন অভিষেকের ছবি ছাড়া তৃণমূলের মঞ্চ অসম্পূর্ণ। এটা হতে পারে না। যা মমতা-অভিষেককে ঘিরে দলের অন্দরে নেতৃত্বের আড়াআড়ি টানাপোড়েনের ইঙ্গিত জোড়াল করেছিল। তারপর কুণাল বলেছিলেন, ব্যাপারটা কখনওই মমতাদি বনাম অভিষেক নয়। ব্যাপারটা মমতাদি এবং অভিষেক। একজনকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। আর একজন সময়ের কথা বিবেচনা করে দলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা দেখছেন। কিন্তু এতে বিতর্কের ইতি ঘটেনি।এরপর মমতা-অভিষেককে একসঙ্গে নজরে পড়েনি। উল্টে খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়েতে দার্জিলিং যাওয়ার পথে অভিষেক রাজনীতিতে প্রবীণদের প্রোডাক্টিভিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজনীতিতে তারুণ্যের পক্ষে সওয়াল করেন। তার আগে নেতাজি ইন্ডোরের সভায় অবশ্য আশি ছুঁইছুইঁ সৌগত রায়ের নাম করেই তাঁকে আগামিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরও দলে বয়সসীমা ও এক ব্যক্তি এক পদ নিয়ে নিজের অবস্থান অনড় থাকেন। যা পিসি-ভাইপোর প্রকট মতভেদের প্রকাশ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

দুর্নীতি নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা

ভরা মঞ্চ থেকে এবার রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের একাংশকে কড়া ভাষায় হুঙ্কার ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের। তাঁর হুঁশিয়ারি কোনও অফিসার দুর্নীতিতে জড়ালে আমি ছেড়ে কথা বলব না। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে এভাবেই রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের একাংশকে সতর্কতার পাঠ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।সাম্প্রতিক সময়ে গরু, কয়লা, নিয়োগ, রেশন-সহ একাধিক দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে রাজ্যের শাসকদলের তাবড় নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের। ইতিমধ্যেই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়ে জেল খাটছেন তাঁদের অনেকেই। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মানিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহারা দিনের পর দিন ধরে জেলে রয়েছেন।কয়লা কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই একাধিকবার ইডির সমন পেয়েছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বারবার ডেকে পাঠিয়ে চোখা চোখা প্রশ্ন করেছে ইডি। শাসকদলের হেভিওয়েট একাধিক নেতা-মন্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার স্ক্যানারে থাকায় ফি দিন তৃণমূলকে তুলোধনা করে সোচ্চার বিরোধীরা।তবে এবার খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন আশঙ্কা নয়া বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দলের নেতা-মন্ত্রী কিংবা বিধায়ক নন, এবার প্রশাসনের অন্দরেই বিরাট অনিময়ের আঁচ পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার ভরা সভায় সেই আশঙ্কার কথাই নিজে মুখে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু জানানোই নয়, অনিয়ম রুখতে কড়া বার্তাও দিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।একটা রাজনৈতিক লোক ৫ টাকা চুরি করলেও ১০ বার টিভিতে দেখানো হয়। কিন্তু কোনও অফিসারও যদি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন আমি কিন্তু ছেড়ে কথা বলব না। দুএকজন বিএলআরও দুষ্টু লোকেদের সাথে মিলে জমি কেনা-বেচায় জড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সোচ্চার হতেই ফের একবার দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে বৈঠকের সময় দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, আগামী ২০ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই রাজ্যের পাওনাগণ্ডা নিয়ে দরবার করবেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

পাহাড়ের সঙ্গে তাঁর ‘রক্তের সম্পর্ক’, কল্পতরু মমতা

কার্শিয়াঙের বাসিন্দা দিক্ষা ছেত্রীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর শুক্রবার সেই কার্শিয়াংয়েই সরকারি সভায় অংশ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড় ও সমতলের এই বন্ধনে তিনি খুব খশি বলেও জানিয়েছেন। এ দিনের সভা থেকে পাহাড়বাসীকে ঢালাও সুবিধাদানের কথা তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রীতিমত কল্পতরু মমতা। একই সঙ্গে পাহাড়বাসীদের উদ্দেশ্যে তাঁর আবেদন, আপনারা পাহাড়কে শান্ত রাখার দায়িত্ব নিন। আমি কথা দিচ্ছি, পাহাড়ের উন্নয়নের দায়ি।ভাইপো আবেশের বিয়ের কথা এ দিন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা গেল সরকারি মঞ্চে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, দীক্ষা ছেত্রির সঙ্গে আমার ঘরের ছেলের বিয়ে হল। ওরা দুজনেই ডাক্তার। এখন পাহাড়ের সঙ্গে সমতলের একটা রক্তের সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেল। এটা ইতিহাস হয়ে গেল। আমি বলতাম পাহাড়ে আমার একটা ঘর চাই, দেখুন ভগবান কীভাবে আমাকে ঘর তৈরি করে দিল। এখানকার সব মানুষই নিজের, প্রত্যেকটা বাড়িই আমার ঘর। আমি চাই আপনারা সকলে শান্ত থাকন, সুস্থ থাকুন।গত কয়েক বছর ধরে পাহাড়ে গেরুয়া বাহিনী দাপট দেখাচ্ছে। যা নিয়ে এ দিন সতর্ক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, কিছু লোক পাঁচ বছর অন্তর একবার করে জেগে ওঠে, পাহাড়কে অশান্ত করার চেষ্টা করে। অশান্তি হলে শিল্পপতিরা বিনিয়োগ করবে কেন? তাই আমি আপনাদের বলে যাচ্ছি, পাহাড়কে শান্ত রাখার দায়িত্ব আপনারা নিন, উন্নয়নের দায়িত্ব আমার। ভোটের সময় অনেকে আসে, অনেক লোভ দেখিয়ে যায়। অ্যাকাউন্টে লাখ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু কিচ্ছু করে না। মনে রাখবেন, কথা দিয়ে কথা রাখতে জানি আমরা।এ দিন সরকারি অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে পাহাড়বাসীর উদ্দেশ্যে ঢালাও সুযোগ সুবিধা দানের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একনজরে সেইসব ঘোষণা-কার্শিয়াঙে ১ হাজার ২০০ জনকে পাট্টা বিলি।পাহাড়ে ২৪ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব।দার্জিলিং কালিম্পঙে IT সেক্টর হবে।জিটিএ-কে ৭৫ কোটি টাকা দেওয়ার হবে।জিটিএ-র কর্মরা অবসরের পর গ্র্যাচুইটি বাবদ ২০ লাখ টাকা দিতে হবে।জিটিএর রেগুলার এমপ্লয়িদের ২০০৯ সালের পে-রুল, ২০১৯ সালের পে-রুল মোতাবেক বেতন সংশোধন।২০০৩ সাল থেকে রিজিওনাল স্কিল সার্ভিস কমিশন ফর হিলস বন্ধ। তা আবার চালু হবে।দার্জিলিং জেলায় সেকেন্ডারি স্কুলে ৫৯০ শূন্যপদে নিয়োগ।দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলা স্কুল বোর্ডের জন্য অ্যাডহক কমিটি তৈরি করা হবে।জেলা বোর্ডে ১০০০ পদে নিয়োগ।চা সুন্দরী প্রকল্পে তিন লাখ শ্রমিককে পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার ঘোষণা।পাহাড়ে তিন লাখ ৩২ হাজার বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ।তিস্তায় বন্যাদের ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক সাহায্য।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

দিদির বাড়ি দেখে হিংসে করেন সলমন খান, বললেন চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবার হাজির মুম্বাইয়ের সুপারস্টার সলমন খান। ছিলেন না অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খানরা। এর আগে তাঁরা প্রতিবারই হাজির থাকবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন। এর আগে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন সলমন। এবার বললেন সেই অভিজ্ঞতা।এবার চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির হয়েছেন অনিল কাপুর, শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁরা বক্তব্য রেখে ফেলেছেন। এদিন সলমন বলেন, কালীঘাটে দেখতে গিয়েছিলাম দিদির বাড়ি।এর আগে সাল্লু ভাই তথা ভাইজান এসেছিলেন কলকাতায়। সেদিন আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাসভবনে। পুরনো কথা তুলেই তিনি বললেন, আমি যখন এর আগে আমন্ত্রণ পেলাম তখন একটাই বিষয় মাথায় ঘুরছিল, যে গিয়ে এটাই দেখব দিদির বাড়ি আসলেই এত ছোট কিনা? আমার বাড়ির থেকে ছোট কিনা দেখতে গিয়েছিলাম। আমি আপনার সঙ্গে হিংসা করি দিদি। আমি সত্যিই ভাবিনি যে আপনার বাড়ি আমার থেকে ছোট হবে। এপ্রসঙ্গে অনিল কাপুরের বাংলোর কথাও বললেন।কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বাড়ি এত ছোট যেন ভাবতেই পারেননি তিনি। বেশ অবাক হয়েছিলেন। বললেন, আমি খুব খুশি, যে সত্যি দিদির বাড়ি এত ছোট। এত ক্ষমতায় থেকেও তাঁর বাড়ি যে এত ছোট হবে, অবিশ্বাস্য! আমার হিংসা হয় দিদি। আমার আর বড় বাড়ির ইচ্ছে নেই।উল্লেখ্য, সলমন এই প্রথমবার এই অনুষ্ঠানে এসেছেন। আর বাংলার মানুষের উন্মাদনা দেখে তিনি আপ্লুত। সলমন খান বললেন, আমরা বাংলার কাছে বাঙালির কাছে ঋণী। এখানের মানুষরা অনেক কিছু দিয়েছেন। আমরা হিন্দি ছবির মানুষ হলেও বাংলার ট্যালেন্টকে কদর করি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৩
রাজনীতি

মমতার মুখে কেষ্ট, পার্থ, বালু, মানিকের নাম, নেত্রীর হুঙ্কার গ্রেফতারের বদলা দ্বিগুন হবে

নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে কেষ্ট, বালু, পার্থ, মানিকের নাম। একদা ঘনিষ্ঠ এই চারজনের জেলবন্দি দশায় এখনও বেজায় ক্ষিপ্ত তৃণমূল সুপ্রিমো। একইসঙ্গে বেশ কিছুদিন পর এবার বদলার কথা তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় দলের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের পাশাপাশি দলের সভাপতি, ব্লক সসভাপতি-সহ অন্য নেতা-কর্মীরাও হাজির ছিলেন।লোকসভা ভোটের কয়েক মাস আগে বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে ২০২৪-এর লক্ষ্য স্থির করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কোন কোন ইস্যু তুলে ধরে লোকসভার লড়াইয়ে ঝাঁপাতে হবে, দলনেত্রীর তরফে স্পষ্ট নির্দেশ এল মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদ ও অন্য নেতাদের কাছে। এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের দিকে ধেয়ে আসা তিরের পাল্টা হামলার রূপরেখাও ঠিক করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য, অনুব্রত মণ্ডল ও সব শেষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারি যে এখনও তাঁকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, এদিন তাঁর কথায় তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে।আমাদের লোকেরা সবাই চোর? দুর্নীতি দেখাচ্ছে। টাকা দিয়ে বলা হচ্ছে চোর বলতে। তৃণমূলকে চোর না বললে ইডি-সিবিআই রেড করবে। খুব হাসছেন! পার্থ জেলে, কেষ্ট জেলে, মানিক জেলে, বালু জেলে। আরও অনেকেই জেলে আছেন। গদ্দার বলছে, অমুক দিন ওর বাড়িতে যাবে। লুঠ করে নিয়ে চলে এল। সিজার লিস্টও দিল না। দিল্লির সরকার সবাইকে আন্ডার গান রেখে দিয়েছে।গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এখনও রাজ্যের বনমন্ত্রী। মানিক ভট্টাচার্য দলীয় বিধায়ক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় দল থেকে বহিষ্কৃত। তবুও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে এনেছেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এঁদের নাম নিয়ে মমতা বোজাতে চেয়েছেন কেউ বিপদে পড়লে দল ভুলে যায় না।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

সৌরভকে বড় সম্মান মমতা সরকারের, ঘোষণা বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে

এবার বাংলার ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার হলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে বক্তব্যের একবারে শেষ পর্যায়ে সৌরভের নাম ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মঞ্চে ডেকে নিন বাংলার আইকনকে। সৌরভের হাতে নিয়োগ পত্র তুলে দেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। নিজের লেখাও তুলে দিয়েছেন সৌরভের হাতে।এর আগে বাংলার ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার ছিলেন মুম্বাইয়ের স্টার শাহরুখ খান। দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠছিল সৌরভকে ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার করার জন্য। এর আগে স্পেনে মুখ্যমন্ত্রীর নানা অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন সৌরভ। সুদূর স্পেন থেকে শালবনিতে ইস্পাত কারখানার কথা ঘোষণা করেছেন। তা নিয়ে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। আজ বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে শিল্পপতি হিসাবেও হাজির ছিলেন সৌরভ।

নভেম্বর ২১, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় জার্সির রং গেরুয়া! বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন মমতার

আগামী রবিবারব বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মহাজজ্ঞ। চ্যাম্পিয়ন হতে আর একটি ম্যাচ দূরে ভারতীয় ক্রিকেট দল। বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে রবিবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নামবে রোহিতের নেতৃত্বে ভারতীয় দল। এই অবস্থায় শুক্রবার ভারতীয় দলের জার্সি নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পোস্তায় শুক্রবার ব্যবসায়ী সমিতির জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই স্বৈরাচারী মনভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেন তিনি। সেই প্রসঙ্গেই রং নিয়ে রাজনীতির বিষয়টি তোলেন তিনি। বলেন, এখন তো সব গেরুয়া বানিয়ে দিচ্ছে।এই প্রসঙ্গেই বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সির রঙের বিষয়টি টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আমরা আমাদের ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্য গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি ভারতীয় ক্রিকেট দল চ্যাম্পিয়ন হবে। ওদেরও গেরুয়া বানিয়ে দিয়েছে। ওরা যে ড্রেস করে প্র্যাকটিস করে, সেটা গেরুয়া করে দিয়েছে। ওরা তো নীল রংয়ের জার্সি পরে ম্যাচ খেলে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন নিয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, উনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, গেরুয়া রং নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। রাজ্যবাসীর মাথা হেঁট করে দিচ্ছেন। এবার তো মুখ্যমন্ত্রী জাতীয় পতাকায় কেন গেরুয়া রং ব্যবহার হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলবেন।বিশ্বকাপের ম্যাচে এবার ভারতীয় দল চিরাচরিত নীল রঙের জার্সি পড়ে খেলছে। তবে, তাদের প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ গেরুয়া। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক হয়েছে। কেন হঠাৎ প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ পাল্টানো হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। অনেকেই দাবি করেছেন, কেন্দ্রের শাসক দলের প্রভাব ও বিসিসিআই সচিব তথা অমিত শাহর পুত্র জয় শাহর অঙ্গুলি হেলনেই ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ গেরুয়া হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৩
রাজ্য

প্রয়াত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

প্রয়াত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুর ১২.৩৫ নাগাদ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। অর্থনীতির অধ্যাপক নির্মলাদেবীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়েই বৃহস্পতিবার নির্মলাদেবীকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন এক্সবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ প্রফেসর নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নোবেলজয়ী প্রফেসর অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। আজ কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। আমি গতকাল তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম। অধ্যাপক নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে প্রশিক্ষিত ছিলেন এবং কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সে অর্থনীতির প্রাক্তন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রয়াত অধ্যাপক দীপক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আমি নির্মলাদিকে ভালো করে চিনতাম এবং ওনার সঙ্গে আমার অনেক মধুর স্মৃতি আছে। তাঁর মৃত্যু আমাদের জনজীবনের এক বিরাট ক্ষতি। অভিজিৎ, অনিরুদ্ধ, এসথার ডুফলো সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পাশাপাশি নির্মলাদির বন্ধু ও ছাত্রদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা।শুক্রবার সকালে কলকাতায় এসে পৌঁছন নোবেলজয়ী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেই তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শুরু থেকেই ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক ছিল বলে গতকালই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল, শুক্রবারই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক সব জানে,' কি জানার কথা বললেন ইতি হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয়

রীতিমতো বোমা ফাটালেন রেশন দুর্নীতিতে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে কমান্ড হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাঁকে। বেরনোর সময় সাংবাদিকদের দেখেই বালুর সাফ কথা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন। দলের সুপ্রিমো এবং সেকেন্ড ইন কম্যান্ড আসলে কোন কথা জানেন? কীসের ইঙ্গিত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের? তা নিয়েই চর্চা তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে।আমি নির্দোষ। আমাকে ফাঁসিয়েছে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন। দলের সঙ্গে ছিলাম আছি ও থাকব। আমি নির্দোষ। মমতাদি সব জানেন। দুদিনের মধ্যে সত্য প্রকাশ হয়ে যাবে। বারে বারে এক কথা বলছিলেন মন্ত্রী।এদিকে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এই মন্তব্যের পাল্টা সমালোচনায় সোচ্চার বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সংবাদমাধ্যমে এদিন তিনি বলেন, এত বড় খাদ্য দুর্নীতির হওয়ার পর ওদের পার্টির নাম হয়েছে চাল চোর। যাঁর এত বেআইনি সম্পত্তি উদ্ধার হচ্ছে, মেয়ের-স্ত্রীর নামে বেআইনি টাকা বেরোচ্ছে। এত কিছুর পরেও বড় বড় কথা বলছে। চোরের মায়ের বড় গলা। এটা ঠিক মমতা-অভিষেক সব জানেন। অর্থাৎ, ভাগ উনি ওখানে পাঠিয়েছেন। বিজেপির এতে কী করার আছে? আদালতের নির্দেশে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে বিপুল পরিমাণ বেআইনি সম্পত্তি পাওয়া যাচ্ছে।অন্যদিকে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী সংবাদমাধ্যমে বলেন, উনি ঠিকই বলেছেন। সব মুখ্যমন্ত্রী জানেন। মুখ্যমন্ত্রীর জানার বাইরে তো কিছু ঘটেনি। ধান কেনা থেকে শুরু করে প্রতিটা ক্ষেত্রে লোপাট হয়েছে। সমস্ত লোপাটের অর্থের অংশ যদি কালীঘাট পায়, মুখ্যমন্ত্রী এতে খুশিই হন। দুর্নীতিগ্রস্ত অপরাধী যারা, তারা কেউ একা একা দুর্নীতি করেননি। মুখ্যমন্ত্রীর আনুকূল্যেই করেছেন। তাই একথা ঠিক, মুখ্যমন্ত্রী সবই জানেন।উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের হেফাজতেই রয়েছেন তিনি। আদালতের নির্দেশে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হচ্ছে আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে। শুক্রবার ইডির সিজিও কমপ্লেক্সের দফতর থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেছেন বনমন্ত্রী।তৃণমূল সাসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কী আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিফ মিনিস্টার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষ কী আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্বাস করে একজন একটা দায়িত্ব দিয়েছে। তার যদি পদস্খলন হয়ে থাকে, সে যদি বেইমানি কোথাও করে থাকে, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কোথায়? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কোথায়? অন্যায় করেছেন জ্যোতিপ্রিয়। অভিষেকের নামটা আসছে কেন এসবের মধ্যে?

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা হাসপাতালে, দেখে এলেন মুখ্যমন্ত্রী

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা অসুস্থ জানতে পেরেই তাঁকে দেখতে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী। নির্মলাদেবীর অবস্থা সঙ্কটজনক বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন এক্সবার্তায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়ের অসুস্থতার খবর জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপিকা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা নোবেলজয়ী অধ্যাপক অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক জেনে আমি দুঃখিত। আমি এখন তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যাচ্ছি। আসুন আমরা তার জন্য প্রার্থনা করি।জানা গিয়েছে, সন্ধ্যার মুখে হাসপাতালে পৌঁছে রোগীর ঘরে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী। কেমন আছেন নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় সেবিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি। সূত্রের খবর, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
দেশ

ধূপগুড়িতে জয় তৃণমূলের, উচ্ছ্বসিত মমতা গেলেন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী ধূপগুড়ি উপ নির্বাচনে তৃণমূলের জয় প্রসঙ্গে বলেন, আমি ধুপগুড়ির মানুষকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। চা বাগান থেকে রাজবংশী সবাই যেভাবে তৃণমূলকে সমর্থন করেছেন। বিজেপির একটা শক্ত ঘাঁটি। বিজেপির মন্ত্রীরা সবাই ওখানে পড়েছিলেন। উত্তরবঙ্গের বড় জয়। সারা ভারতে নির্বাচন হয়েছে। সেখানে চারটিতে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট জয়লাভ করেছে। উত্তর প্রদেশের মত জায়গাতে বিজেপি হেরেছে। ত্রিপুরায় দুটো আসনে জিতেছে বিজেপি। সেখানে কাউকে লড়তেই দেয়নি। ৯০ শতাংশ ভোটে জয়লাভ করেছে। ইন্ডিয়া জোটের বড় জয় এটা।ধূপগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়ের প্রাপ্ত ভোট- ৯৬,৯৬১। বিজেপির তাপসী রায় পেয়েছেন ৯২,৬৪৮। বাং-কংগ্রেসের জোট প্রার্থী পেয়েছেন১৩,৬৬৬ ভোট। তৃণমূল প্রার্থী ভোট জিতেছেন ৪,৩১৩টি ভোটে। শতাংশের বিচারে তৃণমূল পেয়েছে ৪৬ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ...
  • 23
  • 24
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার নয়, নতুন লড়াই! “আমি এখন মুক্ত পাখি”—দেশ জয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, বাংলা জিতে দিল্লির দিকে এগোবেন। কিন্তু ফল তাঁর বিপক্ষে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর সাফ কথা, আমি এখন মুক্ত পাখি। কোনও পদে নেই। সাধারণ কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।ফল ঘোষণার আগেই বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন এবং তেজস্বী যাদব-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আসতে চাইলেও তিনি পরের দিনের জন্য সময় দিতে বলেন।মমতার দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা তাঁর পাশে আছেন। তিনি বলেন, আমি ছোট কর্মীর মতো কাজ করব। ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করব। এই জোট খুব শক্তিশালী হবে।ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাতেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট গণনার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বাইরে থেকে।এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-ও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা এবং অসমে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এটি বৃহত্তর চক্রান্তের অংশ। এমনকি কংগ্রেসের কিছু নেতাকে সতর্কও করেছেন তিনি, যাতে এই পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বার্তা না যায়।এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কি আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে? ভবিষ্যতে কি কোনও বড় জোট গড়ে উঠতে পারে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি মমতা। তিনি শুধু বলেন, এই ধরনের কৌশল নিয়ে এখনই কিছু বলব না।পরাজয়ের পরেও তাঁর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান তিনি।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

চাঞ্চল্যকর বিস্ফোরণ! “রাজভবনে কেন যাব?”—ইস্তফা নয়, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তিনি রাজভবনে যাবেন না। তাঁর সাফ কথা, আমি কেন রাজভবনে যাব? যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে ভেবে আমি পদত্যাগ করতে যাবএটা ভুল। আমরা ভোট হারিনি, তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই।কংগ্রেসের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনও জোট হবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি কৌশলী উত্তর দেন। জানান, এই বিষয়ে এখনই কিছু বলবেন না।ভোটের ফল ঘোষণার পর একাধিক গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন মমতা। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন জায়গায় তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। বেলেঘাটায় খুনের ঘটনা, মহিলাদের ধর্ষণের হুমকিএমন অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর কথায়, এতে বিশ্বের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে যে নির্বাচন গণতান্ত্রিক ভাবে হয়নি।তিনি আরও বলেন, মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ। ওঁরা ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু আমরা সেই ভোট রক্ষা করতে পারিনি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, দেশে কি একটাই দল থাকবে?কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তীব্রভাবে আক্রমণ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, তারা গুণ্ডার মতো আচরণ করেছে। তাঁর দাবি, এভাবে অত্যাচার চলতে থাকলে খুব তাড়াতাড়ি সত্য সামনে চলে আসবে।মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাঁর দলের উপর যদি অত্যাচার করা হয়, তবে তার জবাব মিলবে। তিনি অভিযোগ করেন, জোর করে ভোট দখল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি দশ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সেই কমিটি বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করবে।তিনি আরও দাবি করেন, ভোট গণনার সময় তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, আমাকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। একজন মহিলা হিসেবে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত অপমানজনক।মমতা অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের একাংশ আগেই দেখাতে শুরু করেছিল যে তিনি পিছিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা জিতলে বলেছিলাম বদল চাই, বদলা নয়। কিন্তু এখন তিন দিন ধরে অত্যাচার চলছে।তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরও হামলা হয়েছে। ভাঙর থেকে বারাসত, কলকাতা থেকে জঙ্গলমহলসব জায়গাতেই অশান্তির অভিযোগ তোলেন তিনি।নিজের অবস্থান নিয়ে মমতা বলেন, আমি এখন পদে নেই, আমি স্বাধীন। আমি কখনও বেতন নিইনি, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি।তিনি আরও দাবি করেন, এমন নির্বাচন তিনি আগে কখনও দেখেননি। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে, হেমন্ত সোরেন-সহ বিরোধী জোটের নেতাদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান।সবচেয়ে বড় অভিযোগ হিসাবে তিনি বলেন, প্রায় একশো আসন জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, লড়াই হয়েছে শুধু একটি দলের বিরুদ্ধে নয়, নির্বাচন ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।ভোটের ফলের পর রাজ্যের রাজনৈতিক ছবি আমূল বদলে গিয়েছে। একাধিক মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন, কিছু এলাকায় দল টিকে থাকলেও কয়েকটি জেলায় একেবারে শূন্য হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে এই পরিস্থিতিতেও পরাজয় মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরই চমক! রাজভবনে যাচ্ছেন না মমতা, বললেন “আমরা হারিনি”

সোমবার ভোটের ফল স্পষ্ট হতেই বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দাবি উঠতে থাকে যে এবার রাজ্যের ক্ষমতা গিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। জল্পনা ছিল, বিকেলের মধ্যেই লোকভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাত গড়ালেও তিনি সেখানে যাননি।মঙ্গলবার কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি পরাজয় মানছেন না। তাঁর কথায়, আমরা হারিনি। তাই লোকভবনে যাওয়ার প্রশ্ন নেই। আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। যদি শপথ নিতে হত, তাহলে যেতাম।২০১১ সালে যেমন ৩৪ বছরের বামশাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা, তখন ফলাফল স্পষ্ট হতেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়েছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, ২০২৬ সালেও একই ছবি দেখা যাবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিলেন মমতা।নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে ইস্তফা দিতে বলতে পারেন। তবে মমতা জানিয়েছেন, সেই নির্দেশ এলেও তিনি ইস্তফা দেবেন না। অর্থাৎ ফলাফলকে তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে রাজি নন।এই অবস্থানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই আচরণ ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী।এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের ফল নিয়ে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, সকাল থেকেই সংবাদমাধ্যমে বিজেপির জয়ের খবর দেখানো হচ্ছিল। কয়েক রাউন্ড গণনার পর থেকেই তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা শুরু হয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলাদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নথিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।মমতা আরও বলেন, তাঁকেও অপমানের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়। তাঁর কথায়, একজন মহিলা এবং একজন মানুষ হিসেবে যে অপমান করা হয়েছে, তাতে বোঝা যায় কর্মীদের সঙ্গে কী করা হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে নজিরবিহীন দৃশ্য! কর্মীদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—গেরুয়া আবিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল প্রশাসন

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের পর নবান্নে দেখা গেল এক বিরল ছবি। ফল প্রকাশের পরই নবান্নের ভিতরে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মুখে শোনা গেল জয় শ্রীরাম স্লোগান। বিভিন্ন তলা থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দেখা যায়। গেরুয়া আবিরে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবিও সামনে আসে।চোখে পড়ার মতো বিষয়, মহিলা ও পুরুষউভয় কর্মীদেরই এই উচ্ছ্বাসে অংশ নিতে দেখা যায়। নবান্নের বিভিন্ন তলায় একই ছবি ধরা পড়ে। কর্মীদের দাবি, এতদিন তারা ভয়ের মধ্যে কাজ করতেন, এখন সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন। তাঁদের কথায়, এখন আমরা মুক্ত।অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও জয় উদ্যাপনে মেতে উঠেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ও সমর্থকরা। বিশেষ করে বিধাননগরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।এই নির্বাচনে প্রায় ১৫ বছর পর বাংলায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলাফল অনুযায়ী, তারা ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।উত্তর থেকে দক্ষিণরাজ্যের প্রায় সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের সাফল্য চোখে পড়েছে। তৃণমূলের একাধিক শক্ত ঘাঁটিতেও এবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা।নবান্নের আশপাশেও গেরুয়া পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পরিবর্তনের আবহ স্পষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রেও।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় ঘোষণা! বাংলায় সরকার গঠনের আগে বড় দায়িত্বে অমিত শাহ—মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন?

বাংলার ভোটে বহু প্রতীক্ষিত জয়ের পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে তৃণমূল শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত শাহ-কে।দল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া তিনি তদারকি করবেন। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি-কে। এই দুই নেতার উপরই এখন বড় দায়িত্ব, কারণ তাঁদের তত্ত্বাবধানেই ঠিক হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন।মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় পদ্ম শিবিরের নেতৃত্ব।অন্যদিকে অসমেও একইভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে দল। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জেপি নাড্ডা-কে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি। দল ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।উল্লেখ্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকেই সত্যি করে বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দুইশোর বেশি আসন পেয়েছে তারা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শতকের গণ্ডিও পার করতে পারেনি।ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ২টি আসন। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও পেয়েছে ২টি আসন। এছাড়া সিপিএম এবং আইএসএফ পেয়েছে ১টি করে আসন।তবে এই ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, ভোট প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের সাক্ষী থেকেছে গোটা রাজ্য, যা দেশের নজর কেড়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! মমতার বাড়ির সামনে থেকে সরল কড়া নিরাপত্তা, কী ঘটছে ভিতরে?

এখনও ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর নামের পাশে প্রাক্তন শব্দটি যুক্ত হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনকি তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেও প্রায় পনেরো হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি (Mamata Banerjee)।এই পরিস্থিতিতে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে সামনে এল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ছবি। তাঁর বাড়ির সামনে থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (Mamata Banerjee)।দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই বাড়িতেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলা। সময়ের সঙ্গে বাড়ির আশপাশের পরিবেশ বদলালেও তাঁর বাড়ির গঠন খুব একটা বদলায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ওই এলাকার নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছিল।বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর তাঁর বাড়ির সামনে শক্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। বাড়ির সামনে রাস্তা প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বাইরের কেউ ওই এলাকায় ঢুকতে গেলে গার্ডরেল পেরোতে হত এবং কারণ জানাতে হত। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিজেদের পরিচয় জানিয়ে ঢুকতে হত (Mamata Banerjee)।এখন সেই গার্ডরেল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে আর আগের মতো বাধা থাকছে না। তবে গলির মুখে পুলিশি নজরদারি এখনও বজায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতে একাধিকবার তাঁর বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকবার সন্দেহভাজন ব্যক্তির ঢুকে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। এমনকি অস্ত্র নিয়ে ঢোকার অভিযোগও উঠেছিল। বিভিন্ন সময়ে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে।কয়েক মাস আগেও অভিযোগ উঠেছিল, কিছু অচেনা ব্যক্তি তাঁর বাড়ির আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরার মুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাগুলি সামনে আসার পরই নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছিল।তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সেই নিরাপত্তা বলয়ে শিথিলতা আসায় নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal