• ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kalna

রাজ্য

মধ্যরাতে ঘিরে ফেলল পুলিশ! পালাতে গিয়েই ধরা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, চাঞ্চল্য কালনায়

পূর্ব বর্ধমানের কালনায় মধ্যরাতে নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হল। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগকে আটক করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, সোমবার গভীর রাতে তাঁর বাড়ি ঘিরে ফেলে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। অভিযোগ, তাঁর বাড়িতে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী মজুত রয়েছে বলে পুলিশের কাছে তথ্য ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানের সময় বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন দেবপ্রসাদ বাগ। সেই সময়ই তাঁকে আটক করা হয়। শুধু তিনিই নন, কালনা দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রণব রায়কেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাতেই প্রাক্তন বিধায়কের বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এলাকায় চোর চোর স্লোগানও শোনা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী।দেবপ্রসাদ বাগের বোন সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রথম জীবনে তাঁর ভাই বিদ্যুতের মিস্ত্রির কাজ করতেন। পরে কংগ্রেসের কাউন্সিলর হন এবং এরপর তৃণমূলে যোগ দেন। তিনি দাবি করেন, তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন কোনও পারিবারিক সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বাড়িতে ভূগর্ভস্থ ঘর রয়েছে বলে শুনেছি। এত সম্পত্তি সৎ পথে হয়েছে বলে আমার মনে হয় না।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রাক্তন বিধায়কের বিশাল বাড়ির ভিতরে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ ঘর রয়েছে। সেখানে ত্রিপল-সহ বিভিন্ন সামগ্রী মজুত রাখা হয়েছিল বলেও দাবি উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।এদিকে দেবপ্রসাদ বাগের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানি, ভয় দেখানো এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তাঁর পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

স্ট্রংরুমে হঠাৎ সিসিটিভি বন্ধ, কালনায় চাঞ্চল্য—রাত পাহারায় নামলেন প্রার্থী

দলীয় নেতা-কর্মীদের স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন জেলায় সতর্ক রয়েছেন দলের কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে কালনায় স্ট্রংরুমের সিসিটিভি ক্যামেরা দুই মিনিট বন্ধ থাকার ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী স্বপন দেবনাথ। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, দুই মিনিট সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই সময়ের মধ্যেই অনেক কিছু ঘটে যেতে পারে। এরপর তিনি জানান, এখন থেকে তিনি নিজে রাতেও সেখানে পাহারা দেবেন।কালনা কলেজে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলি হল কালনা, মন্তেশ্বর, পূর্বস্থলী উত্তর এবং পূর্বস্থলী দক্ষিণ। অভিযোগ, গতকাল সন্ধ্যার কিছু আগে প্রায় দুই মিনিট সিসিটিভি বন্ধ ছিল। দলের স্বেচ্ছাসেবকদের কাছ থেকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে পুলিশকে কারণ জানতে চান স্বপন দেবনাথ। তিনি বলেন, বড় কোনও ঘটনা ঘটতে খুব বেশি সময় লাগে না, এক মুহূর্তই যথেষ্ট, তাই কেন এই সময় ক্যামেরা বন্ধ ছিল তা স্পষ্ট করা দরকার।অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। কালনার বিজেপি প্রার্থী সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে এত দেরিতে কেন সেখানে পৌঁছলেন তৃণমূল প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল এখন অজুহাত খুঁজছে। তিনি দাবি করেন, মানুষের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে এই কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।

মে ০১, ২০২৬
রাজ্য

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম নেই কালনার প্রধানের, বাংলাদেশি বিতর্কে নতুন মোড়

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হতেই পূর্ব বর্ধমানের কালনায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। হাটকালনা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রাবন্তী মণ্ডলের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তাঁর নামের পাশে ডিলিটেড উল্লেখ থাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়েছে।শনিবার নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায়, প্রধানের নাম আর সক্রিয় ভোটারের তালিকায় নেই। বিষয়টি নিয়ে জানতে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি তাঁর বাড়িতে গেলে প্রথমে তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে রাস্তায় দেখা হলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অস্বীকার করেন। ছবি তুলতে গেলে ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যান তিনি।প্রসঙ্গত, আগে বিজেপি অভিযোগ তুলেছিল যে হাটকালনা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বাংলাদেশি। তাদের দাবি ছিল, তিনি অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে এসে নথি তৈরি করে প্রধান হয়েছেন। সেই সময় এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিলেন শ্রাবন্তী মণ্ডল। তিনি পাল্টা বলেছিলেন, যারা অভিযোগ করছেন, তারাই আগে নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করুন।এ দিন নাম বাদ পড়ার ঘটনায় বিজেপি নেতৃত্ব নতুন করে সরব হয়েছে। কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার এক পদাধিকারী জানান, তাঁদের করা অভিযোগই শেষ পর্যন্ত সত্য প্রমাণিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী দিনে প্রধানের পদ খারিজের দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হবেন তাঁরা।এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মানেই কি অভিযোগ প্রমাণিত, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর সকলের।

মার্চ ০১, ২০২৬
রাজ্য

কালনায় আস্ত নন্দন! মহানায়ক উত্তমকুমারকে ঘিরে দুর্গাপুজোয় অভিনব উদ্যোগ

জন্মশতবর্ষের সূচনায় মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা মহকুমার পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাবের অভিনব থিম বাংলা তথা ভারতীয় সিনেমার পীঠস্থান এক সিনেমা হলের আবহে মণ্ডপ, বাজবে মহানায়ক উত্তম কুমারের জনপ্রিয় গানের সুর।পূর্ব বর্ধমানের কালনা এবার দুর্গাপুজোয় দেখবে অন্য রকম চমক। আস্ত নন্দন-এর আবহ টেনে আনা হচ্ছে প্যান্ডেলে, আর সেই আবহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন বাংলা চলচ্চিত্রের অমর নায়ক উত্তমকুমার। জন্মশতবর্ষের সূচনায় মহানায়ককে ঘিরে বছরভর নানা আয়োজন চলছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে, আর সেই আবহকেই এ বার থিমে প্রতিষ্ঠা করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।মণ্ডপজুড়ে থাকবে উত্তমকুমারের সিনেমার অমর মুহূর্ত, পর্দায় চলবে তাঁর অভিনীত ছবির ক্লিপিংস, আর চারপাশে বাজবে কালজয়ী গান। এক কথায়, তৈরি হচ্ছে সিনেমা হলের মতো পরিবেশ। প্রতিমা আসছে কোলড়ার শিল্পী অভিজিৎ রায়ের হাত ধরে। স্থানীয় শিল্পীরা তৈরি করছেন সাজসজ্জা ও আলোকব্যবস্থা।ক্লাব সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক সুরজিৎ বক্সী বলেন, নন্দনের আদলে মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে। মাল্টিপ্লেক্সের দাপটে সিঙ্গল স্ক্রিন হারিয়ে গেলেও নন্দন এখনও গর্বের জায়গা। সেই নন্দনের আবহেই মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে চাই।থিমের রূপায়ণের দায়িত্বে রয়েছেন এলাকার বিশু সাহা। যদিও মাঠ ছোট, ফলে নন্দনের হুবহু অনুকরণ সম্ভব নয়, তবে পরিবেশ তৈরির দিকেই জোর দিচ্ছেন তিনি। ক্লাবের সচিব সুকল্যাণ কুণ্ডুর কথায়, বর্তমান প্রজন্মের কাছেও মহানায়কের কীর্তি পৌঁছে দিতে চাই, যাতে তারাও বুঝতে পারে, মহানায়ক কাকে বলে।ক্লাবের এক সদস্য জানান, প্রতি বছরের মতো এ বছরও সংহতি ক্লাব দুর্গাপুজোর সঙ্গে যুক্ত করবে সামাজিক উদ্যোগ। দুই শতাধিক মানুষের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হবে।সব মিলিয়ে, কালনার এই অভিনব থিম শুধু পুজোর আনন্দই বাড়াবে না, বরং মহানায়ক উত্তমকুমারের প্রতি বাঙালির চিরন্তন শ্রদ্ধাকেই আরও গভীর করবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কালনা থানার মৈত্রী কাপ কলঙ্কিত করল কেএসএসএ

পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের উদ্যোগে কালনা থানার পরিচালনায় শনিবার থেকে শুরু হলো মৈত্রী কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। ১৬ দলকে নিয়ে দু-দিনের এই প্রতিযোগিতা হচ্ছে অঘোরনাথ পার্ক স্টেডিয়ামে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়ানো ও ফুটবল প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। যদিও প্রথম দিনেই এই টুর্নামেন্টে কালির দাগ লাগাল কালনা মহকুমা ক্রীড়া সংস্থার কর্তা মানিক দাসের ভূমিকা।প্রি কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় ম্যাচে বিজাড়া সুহানা একাদশ যথাসময়ে দল নামাতে না পারায় ওয়াকওভার পায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। সময়ানুবর্তিতার উপর জোর দিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন কালনা থানার আইসি সুজিত ভট্টাচার্য। এরপরেই শুরু হয় চালাকি। পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতিকে দ্বিতীয় ম্যাচের পরিবর্তে চতুর্থ ম্যাচ খেলতে বিজাড়ার এক কর্তা অনুরোধ করলেও তারা রাজি হয়নি। বিজাড়ার টিম লিস্ট জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া কেএসএসএ-র এক প্রভাবশালী আটকে দেন বলে অভিযোগ। এরপর তিনিই গিয়ে ওই দলের কয়েকজনকে কেএসএসএ-র হয়ে খেলানোর উদ্যোগ নেন। যদিও ওই ফুটবলাররা মাঠে নামতেই বেঁকে বসে তৃতীয় ম্যাচে কেএসএসএ কোচিং ক্যাম্পের প্রতিপক্ষ দল মধুপুর মারাং বুরু ক্লাব। শেষ অবধি কালনা থানার আইসির নির্দেশে তিন ফুটবলারকে বসাতে বাধ্য হয় কেএসএসএ। কাহানি মে ট্যুইস্ট এখানেই। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী পরাজিত দলের কাউকে খেলানো যাবে না। এমনকী রবিবারের খেলার যে নিয়ম প্রকাশ করা হয়েছে তাতে লেখা আছে, যদি কেউ এমন করে এবং তা প্রমাণিত হয় তাহলে সেই দলকে বহিষ্কার করা হবে। সেটাই যদি হবে, তাহলে যে দল এমন অপরাধ করল সেই দলের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নিয়ে প্রতিপক্ষ মধুপুরকে জয়ী ঘোষণা করা হলো না সেই প্রশ্ন উঠছে। দর্শক মহলেও বিষয়টি নিয়ে চর্চা চলতে থাকে।এরপর সেমিফাইনালের আগে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি জানায় যে তিনজনকে আগেই জালিয়াতির জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁদের যেন না নামানো হয়। এই সময় সেই মানিক লোকজন জোগাড় করে আপত্তিকর আচরণ করেন। এমনকী মঞ্চে বসেই। প্রশ্ন হলো, টুর্নামেন্টে একটি দলের কর্তা এহেন আচরণ করেন কীভাবে, তাও পুলিশ আধিকারিকদের মঞ্চে বসে? প্রথমে জালিয়াতি করতে গিয়ে পার পাওয়া, তারপর মানিকের অস্ত্র হয়ে দাঁড়ায় রেফারি ম্যানেজ।সেমিফাইনালে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল কেএসএসএ-র। খেলা যখন ১-১, টাইব্রেকারের দিকে ম্যাচ গড়াচ্ছে তখন রেফারি চরম ভুল সিদ্ধান্ত নেন। যার মাশুল গুনতে হয় সংহতিকে।বল কেএসএসএ-র ফুটবলারের গায়ে লেগে গোললাইন অতিক্রম করলেও কর্নার দেন রেফারি! সংহতি প্রতিবাদ জানালেও রেফারি কর্ণপাত করেননি। সেই মুভ থেকে জয়সূচক গোল পায় টেইন্টেড কেএসএসএ। যা দেখে মাঠে উপস্থিত অন্য রেফারিরাও বলেন ওটি কর্নার ছিল না। কর্নার না হলে গোলটিও হতো না। যে রেফারিরা ম্যাচটি খেলালেন তাঁরা স্থানীয় রেফারি। তাঁরা সংশ্লিষ্ট মানিক দাসকে মানিকদা বলে অভিহিত করছিলেন। অভিযোগ, ওই মানিক কেএসএসএ-তে নিজের থাকার প্রভাব খাটিয়ে রেফারি ম্যানেজ করেছেন। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল জাজ রাখা হলো না কেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেল, এই টুর্নামেন্ট খেলাতে এআইএফএফের রেফারি জোগাড়ের চেষ্টা করেছিল থানা। তবে তাঁদের পাওয়া যায়নি। এরপর সব ঠিক করা হয় মানিকের উপস্থিতিতেই। তিনি লটারির সময়েও হাজির ছিলেন। মানিকের এমন জালিয়াতির প্রচেষ্টা ও উদ্ধত আচরণে রুষ্ট অনেকেই।এক ক্লাবের কর্তা থেকে দর্শকদের কয়েকজন বলছিলেন, দেখে তো মনে হচ্ছে থানা নয়, মানিক সর্বেসর্বা! তিনি থানার কে? যদিও কালনা থানার উপর কোনও ক্ষোভ নেই কারও। পুলিশের টুর্নামেন্ট, রেফারির সিদ্ধান্ত শিরোধার্য বলে সবাই সব সিদ্ধান্ত মুখ বুজে মেনে নিলেন। কিন্তু আগাগোড়া পক্ষপাতদুষ্টতা কলঙ্কিত করল কালনা থানার সাধু উদ্যোগকে। সকলেই বলছিলেন, টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী যে দলের প্রথম ম্যাচেই বহিষ্কার হয়ে যাওয়ার কথা, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সেই দল গায়ের জোরে ফাইনালে, এই বিষয়টি হাস্যকর। ফুটবলের স্পিরিটের সঙ্গে বেমানান। পুলিশের টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে দুর্ভাগ্যজনক অভিজ্ঞতার শিকার হয়ে রুষ্ট অনেকেই। যে মানিকের জন্য কলঙ্কিত হলো এমন দারুণ এক টুর্নামেন্ট, তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয় থানা ও কেএসএসএ-র তরফে সেটাই দেখার। আর কিছু না হলে ফুটবল মহলের কাছে কি সদর্থক বার্তা যাবে? প্রশ্ন থেকেই গেল।

জুলাই ১২, ২০২৫
রাজ্য

কালনায় হিমঘরে অ্যামোনিয়া গ্যাসের কম্প্রেসার মেশিন ফেটে বিপর্যয়, মৃত্যু ২ শ্রমিকের

হিমঘরে অ্যামোনিয়া গ্যাসের কম্প্রেসার মেশিন ফেটে মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার ভবানন্দপুরের একটি হিমঘরে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতরা হলেন সজল কুমার ঘোষ (৫৯) এবং শ্রাবণ প্রসাদ (৪৫)। সজলবাবুর বাড়ি কালনায় হলেও দ্বিতীয় জন বিহারের বাসিন্দা। এদিনই মৃত দুজনের দেহের ময়নাতদন্ত হয় কালনা মহকুমা হাসপাতালে। পুলিশ ও দমকল বিভাগ হিমঘরে হওয়া দুর্ঘটনা কাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,হিমঘরে হওয়া দুর্ঘটনায় দুই শ্রমিকের মৃত্যু পাশাপাশি অ্যামোনিয়া গ্যাসের দাপটে হিমঘরের ১ শ্রমিক সহ ২ গ্রামবাসী অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা শ্বাসকষ্ট অনুভব করতে শুরু করেন। সেই খবর পেয়ে দমকলবাহিনী ছাড়াও পুলিশ ও মহকুমা প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। গ্যাসের প্রভাব যাতে স্কুল ও কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যে না পড়ে তাই তা এদিন ঘটনাস্থল এলাকার স্কুল ও কলেজে বন্ধ রাখা হয়। পুলিশ ও এলাকার বাসিন্দাদের কথা অনুযায়ী, এদিন সকালে ভবানন্দপুর গ্রামে থাকা হিমঘরের ভিতর বিকট শব্দে অ্যামোনিয়া গ্যাসের কম্প্রেসার মেশিন ফেটে যায়। তার পরেই সেখান থেকে সাদা ধোঁয়ার আকারে প্রচুর গ্যাস নির্গত হতে শুরু করে। চারপাশ সাদা ধোঁয়ায় ভরে যেতে শুরু করে। ওই অবস্থার মধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলে দুই শ্রমিকের দেহ পড়ে থাকে। এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চারটি ইঞ্জিন সহ দমকলবাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্তলে পৌছায়। তাঁরা মুখে মাস্ক পড়ে উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। হিমঘরের আহত এক কর্মী বুদ্ধদেব প্রামাণিককে কালনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাণে বাঁচতে উঁচু জায়গা থেকে ঝাঁপ দিতে গিয়ে তিনি পায়ে গুরুতর চোট পান। বুদ্ধদেব প্রামাণিক বলেন, দুর্ঘটনা ঘটার সময় হিমঘরের মেশিনঘর ও বাইরে সাতজন শ্রমিক ছিল। এলাকার বাসিন্দা দেবব্রত ঘোষ জানান, অ্যামোনিয়া গ্যাস হিমঘরের কাছে পিঠে থাকা ঘোষপাড়ায়, ব্রাহ্মণপাড়া এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের চোখমুখ জ্বালা করতে থাকে। ভয় পেয়ে অনেকেই চোখ মুখ কাপড়ে ও মাস্ক ঢেকে ফেলেন। সকালে জমিতে কাজ করতে থাকা কৃষক সহ স্থানীয়দের অনেকেই বিকট আওয়াজের আতঙ্কে জমির আল ধরে ছুটতে শুরু করেন। গ্যাসের ঝাঁঝে প্রিয়াংকা মণ্ডল নামের এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও মিঠু বাগ নামের এক মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর গ্রামে আসা মেডিকেল টিম তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। প্রিয়াংকাকে পাঠানো হয় কালনা হাসপাতালে। স্বাস্থ্য কর্মীরা এলাকায় ঘুরে স্বাস্থ্যের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।কালনার মহকুমাশাসক শুভম আগরওয়াল জানিয়েছেন, হিমঘরে হওয়া দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। কিভাবে এই ঘটনা ঘটল তার ফরেন্সিক তদন্ত হবে। ফরেন্সিক টিম চাওয়া হয়েছে। এদিন ব্যারাকপুর ও দুর্গাপুর থেকে ডিজাস্টারের দুটি এক্সপার্ট টিম ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশের কাছেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
রাজ্য

দুর্গা পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যানের ঢেউ আছড়ে পড়ল পূর্ব বর্ধমানে, এবার কালনার সংহতি ক্লাবের!

দুর্গা পুজোর সরকারি অনুদান ফেরানোর তালিকা বেড়ে হলো ৮ । তালিকায় যুক্ত হল পূর্ব-বর্ধমান জেলার নাম। রাজ্য সরকারের দেওয়া দুর্গা পুজোর অনুদান নিতে অস্বীকার করল পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা সংলগ্ন পূর্ব সাতগেছিয়ার সংহতি ক্লাব। যদিও সংগঠকদের তরফে দুর্গা পুজোর সরকারি অনুদান নিতে অস্বীকার করার কোনও যথাযথ কারণ ক্লাবের তরফে জানানো হয়নি। স্থানীয় থানাকে দেওয়া চিঠিতে উল্লিখিত আছে, অনিবার্য কারণের জন্য চলতি বছরে অনুদান তারা নেবে না।ইতিমধ্যে আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ৭টি দুর্গা পুজো কমিটি সরকারি অনুদান প্রত্যাখ্যান করে স্থানীয় সরকারি দপ্তরে জানিয়ে দিয়েছে। সেক্ষেত্রে ওই ক্লাবগুলি ঘোষণা করে দিয়েছিলো যে তাঁরা আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েই তার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল পূর্ব সাতগেছিয়ার সংহতি ক্লাব।সংহতি ক্লাবের লেটারহেডে কালনা থানার আই সি-কে চিঠি পাঠিয়ে ক্লাবের সম্পাদক সঞ্জীব গুপ্ত তাঁদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন। সেই চিঠিতে সঞ্জীব গুপ্ত লিখেছেন, অনিবার্য কারণ বশত এইবছর সংহতি ক্লাব সরকারি অনুদান গ্রহণ করতে পারবে না। তাঁরা প্রস্তাব দিয়েছে যে, তাঁদের জন্য ধার্য করা অনুদানের টাকা গরিব কল্যাণ উন্নয়নমূলক কাজে ব্যায় করলে তাঁরা কৃতজ্ঞ থাকবেন।পূর্ব সাতগেছিয়ার সংহতি ক্লাব-এর পক্ষ থেকে প্রশাসন কে জানানো হয়েছে যে, দূর্গা পুজোয় পুলিশের যাবতীয় বিধি, নিয়ম এবং নির্দেশিকা মেনেই তাঁরা পুজো আয়োজন করবে। এবং সরকারের যাবতীয় অনুমতি নিয়েই আগের বছরগুলির ন্যায় তাঁরা পুজো আয়োজন করবে।এর আগে হুগলির চারটি ক্লাব উত্তরপাড়ার বৌঠান সঙ্ঘ, উত্তরপাড়া শক্তি সঙ্ঘ, আপনাদের দুর্গাপুজো এবং কোন্নগরের মাস্টারপাড়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি সরকারি অনুদান গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল। তাঁরা প্রত্যেকেই আরজি কর-এ কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রতিবাদে দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। একই সুরে পুজোর অনুদান বয়কট করেছে জয়নগর মজিলপুর পুরসভার ৭ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড, মুর্শিদাবাদের কৃষ্ণপুর সন্ন্যাসীতলা মহিলা দুর্গোৎসব কমিটি এবং কলকাতার মুদিয়ালি আমরা কজন ক্লাব। প্রত্যাখ্যানের তালিকা বেড়ে আট হলেও পূর্ব সাতগেছিয়ার সংহতি ক্লাব তাঁদের দুর্গা পুজোর অনুদান ফেরানোর কারণ তাঁরা ব্যক্ত করেননি।পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যানকারী ক্লাব গুলির মূল বক্তব্য, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার বিচার চায় তারা। তাঁরা জানান ইতিমধ্যে এই মর্মে ক্লাবের তরফে জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পুজোয় রাজ্য সরকারের আর্থিক অনুদানের পাশাপাশি অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার খরচাও মকুব করা হয়েছে। অন্যদিকে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আগেরবছর ৬৬ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছিল। এই বছর থেকে ছাড়ের পরিমাণ বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৪
উৎসব

বাংলায় ব্যতিক্রম: রাজ ঐতিহ্যের রীতি মেনে আজ, মঙ্গলবার রঙের উৎসবে মেতেছে বর্ধমান

দোল পূর্ণিমার দিন অর্থাৎ গতকাল, সোমবার সারা বাংলা রঙের উৎসবে মেতেছে। লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থীরা এই উৎসবের আবহে ভোট প্রচারও করেছেন। কিন্তু ব্যতিক্রম ছিল একদা রাজাদের শহর বর্ধমান। ঐতিহ্যের পরম্পরা বজায় রেখে আজ, মঙ্গলবার রঙের উৎসবে মেতেছে বর্ধমান। অবশ্য হাল আমলের দুএকটি হাউসিং কমপ্লেক্সে ও কিছু কলা ও সংস্কৃতি শিক্ষাকেন্দ্র গতকাল সোমবার হোলি বা দোল পূর্ণিমা পালন করেছে। যা বর্ধমানের ঐতিহ্যের সঙ্গে একেবারেই বেমানান।রাঢ়বঙ্গের অন্যতম প্রাচীন নগর বর্ধমানের বাসিন্দারা দোল উৎসব পালন করেন দোল পূর্ণিমার পরের দিন। রাজাদের আমল চলে গেলেও সেই রীতিনীতি মেনেই রঙের উৎসব পালন করে চলেছেন বর্ধমানবাসী। শুধু শহর বর্ধমান নয় সাবেকি রীতি মেনে অম্বিকা কালনা সহ আরও বেশ কয়েক জায়গায় আজ চলছে রঙের উৎসব।কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয় চাঁদ মহতাব এই প্রথা চালু করেন। প্রথম দিন অর্থাৎ দোল পূর্ণিমার দিনটি বর্ধমানের অধিষ্টাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলা দেবীর দোল। এও কথিত আছে বর্ধমানে দোল পূর্ণিমা তিথিটি হল কূল দেবতার দোল উৎসবের দিন। লক্ষ্মী নারায়ণ জিউ মন্দিরে দোল পালন হয়েছে গতকাল। সেদিন শুধুমাত্র দেব-দেবীর রাঙা চরণ আবির ও কুমকুমে চর্চিত হবে। সেই উপলক্ষে রাজবাড়ির অন্দর মহলে দোল খেলা হয়ে থাকে। পরের দিন অনুষ্ঠিত হবে সাধারণের রঙের উৎসব। সেই রীতির আজও চালু রয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৪
উৎসব

কালনায় থিমের পুজো ছেড়ে টাইপ স্কুলের সরস্বতী পুজোয় মাতলেন প্রাক্তন ছাত্ররা

এ যেন রকেট কে উপেক্ষা করে ঢেঁকিতে চড়ে বসা। হ্যাঁ, সে রকমই এক অসাধারণ দৃশ্য দেখা গেল পুর্ব বর্ধমান জেলার কালনা বা অম্বিকা কালনা শহরে। মন্দির শহর কালনার জনপ্রিয়তম পুজোর মধ্যে অন্যতম মহিষমর্দিনী পুজো। এই পূজোয় প্রচুর জনাসমাগম হয়। এর সাথে সাথে শহরের সব চেয়ে জনপ্রিয় সরস্বতী পুজো। শহরের আনাচে কানাচে থিম পুজোর রমরমা। কোনও ক্লাবের ১০ লাখ বাজেট তো কারুর ২৫।সেই সব চাকচিক্য জাঁকজমকপূর্ণ থিম পুজো এড়িয়ে একদল মানুষ ভিড় জমিয়েছেন পলেস্তারা খসে পরা, রঙচটা, নিরিবিলি এক কর্মমন্দিরে। তাঁরা তাঁদের জীবনের আনন্দ খুঁজে নিলেন তাঁদের জীবন ও জীবিকার সাথে একান্ত ভাবে জড়িয়ে থাকা সেই পুরানো টাইপস্কুলে। তাঁদের সকলেই আজ প্রতিষ্ঠিত স্ব স্ব ক্ষেত্রে। কেউ রাজ্য সরকারি আধিকারিক তো কেউ কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক। তাঁদের অনেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দপ্তরে কর্মরত। কেউ কেউ অবসরপ্রাপ্ত। কিন্তু তাঁরা সকলেই এক সুত্রে গাঁথা মালার মত হাজির হয়েছিলেন অমল স্যারের (অমল কুমার শীল) মর্ডান কমার্সিয়াল ইনস্টিটিউট। এবছর তাঁরা তাঁদের টাইপ স্কুলের সরস্বতী পুজোর সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করলেন। সংস্থার কর্নধার অমল শীল জনতার কথা কে জানান এবার পুজোটা নমো নমো করে সারার পরিকল্পনা ছিল। প্রতি বছরের ন্যায় ছাত্র ছাত্রীদের খাওনোর কোনও ভাবনা ছিলনা।অমল শীল বলেন, কম্পিউটারের আগমনের পর থেকে টাইপ রাইটারের জৌলস ক্রমশই হারাতে থাকে। নিত্যদিন নানাবিধ প্রযুক্তি আবিষ্কারের ফলে ক্রমশ পিছু হাটতে থাকে টাইপ। এক সময় আমাদের এই স্কুলে ২৫০ ওপর ছাত্র-ছাত্রী ছিল। গমগম করত এই পুজো। এখন মেরেকেটে ২০ জনের মত! তাঁরা সকলেই স্টেনো শর্টহ্যান্ড শেখে। তিনি আরও জানান তাঁর এই স্কুল থেকে কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্র সরকারি চাকরি পেয়েছে। তাঁরা সকলেই সুপ্রতিষ্ঠিত। তাঁদের উদ্যোগেই এবছর পুজো হচ্ছে। তারাই খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলে জানান অমল বাবু।অমল শীল জানান, তার ছাত্ররা কর্ম সুত্রে অনেক দূরে দূরে থাকেন। তা স্বত্তেও এই পুজোতে হাজির হয়েছেন। তিনি জানান কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক পদে কর্মরত শুভাশিস ব্যানার্জী এসেছিলেন কালনা থেকে ১২০ কিমি দূর দূর্গাপুর শহর থেকে। অমল শীল জানান, কিছুদিন আগেও কোলকাতা হাইকোর্টে এক স্টেনো পরীক্ষায় এই স্কুলেরই ছাত্র কালনা শহরের দেবজ্যোতি ব্যানার্জী প্রথম স্থান লাভ করেন।ওই ইনস্টিটিউট-এর এক প্রাক্তন ছাত্র, অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি আধিকারিক দেবাশিষ গোস্বামী জনতার কথাকে জানান, অমল স্যার র প্রাণ এই ইনস্টিটিউট। তিনি অর্থলাভের জন্য ওই ইনস্টিটিউট-এ আসেন না। ওটা ওনার প্যাশন। দেবাশিষ গোস্বামী জানান শত ব্যস্ততার মধ্যেও সরস্বতী পুজোতে একবার এখানে আসার চেষ্টা করি। তিনি জানান, আজ আমি যে যায়গায় তার জন্য এই ইনস্টিটিউট-এর অবদান অনেকেংশেই।বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হলেন সরস্বতী। হিন্দু ধর্মমতে সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্মাই প্রথম তাঁর স্ত্রী সরস্বতীর আরাধনা করেন। মর্ডান কমার্সিয়াল ইনস্টিটিউট-র অমল শীল তার ছাত্রদের কাছে ব্রহ্মা। তাঁরা মনে করেন তাঁদের কর্মজগতের সৃষ্টিকর্তা তো অমল শীল-ই। তাঁর ছাত্রকুলের কাছে ৭৫টি বসন্ত অতিক্রান্ত অমল বাবুর নাম চিরকাল অমলীন হয়েই থাকবে এটাই তাঁদের আশা।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৪
রাজ্য

একেবারে বাড়ির দুয়ারে কুমির, কালনায় ছড়াল আতঙ্ক, দেখুন ভিডিও

কাটোয়ার পর কালনা। কাটোয়ায় ভাগীরথী থেকে কুমির ধরা হয়েছিল। এবার কুমির পূর্ব বর্ধমানের কালনায় রাস্তা দিয়ে একেবারে বাড়ির দুয়ারে ঘোরাফেরা করল। আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। খবর পেয়ে রাতেই হাজির হয় কালনা থানার পুলিশ। তারপর ফায়ার ব্রিগেড আসে, কুমির উদ্ধার করতে চলে আসে বন দফতর।কুকুরের দল চিৎকার না করলে সহজে টের পাওয়া যেত না কুমির নদী থেকে রাস্তায় ঘোরাফেরা করছে। সোমবার রাত ১টা ৩০ মিনিট নাগাদ কুকুরের টানা চিৎকার শুনে স্থানীয় মানুষজন বাইরে বেরিয়ে দেখে রাস্তায় ঘাপটি মেরে পড়ে আছে প্রায় ১০ ফুটের কুমির। তারপর এপাড়া ও পাড়া ঘোরাঘুরি করেছে। বাড়ির উঠোনে চলাফেরা করতে শুরু করতে।কালনা ১০ নম্বর ওয়ার্ড এর পালপাড়া এলাকায় রাত ১.৩০ নাগাদ ১০ ফুটের একটি কুমির দেখা মাত্র প্রত্যক্ষদর্শীরা কালনা থানায় খবর দেয়। কালনা থানা খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ফোর্স ওই এলাকায় হাজির হয়। কোন মানুষের ক্ষতি যাতে না হয় এবং কোন মানুষ কুমিরটাকে ক্ষতি করতে না পারে সেই কারণে পুলিশ নজর রাখছিল কুমিরটির দিকে। এলাকাবাসীরা জানান, তাঁদের জীবনে এই প্রথম কুমির বাড়ির সামনে চলে এসেছে। এই নিয়ে এলাকায় প্রবল আতঙ্ক ছড়ায়, এলাকাবাসীরা না ঘুমিয়ে সারারাত ধরে বাড়ির আশেপাশে এবং এলাকাতে ঘোরাঘুরি করতে থাকে। পরিস্থিতি সামলাতে ফায়ার ব্রিগেড এসে হাজির হয়, বনদপ্তর আসে কুমিরটিকে উদ্ধার করতে। আজ, মঙ্গলবার কালনা শহরের ভাগীরথী তীরবর্তী জাপটপাড়ায় কুমিরটি ঘুরছিল

অক্টোবর ১০, ২০২৩
রাজ্য

রাস্তা তৈরি প্রকল্পের কাজে দুর্নীতির গন্ধ! জেলাশাসকের উপরই আস্থা গ্রামবাসীদের

পথশ্রী প্রকল্পের কাজ ঘিরে দুর্নীতির গন্ধ! গ্রামবাসীরা নিম্নমানের কাজ রুখে দিতেই সদলবদলে পালালেন সুপারভাইজার। ঘটনা পূর্ব বর্ধমানের কালনা ২ নং ব্লকের পূর্ব সাতগেছিয়া গ্রামে। আজ সকালে বৃষ্টির মধ্যে পিচের রাস্তার কাজ চলছিল। তখনই বাধা দেন গ্রামবাসীরা।সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমার বাড়ির কাছেই কাজ হচ্ছিল। দেখি পিচের উপর পাথর ফেলে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এটি পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তা। এভাবে সংস্কারের কাজ হওয়ার কথা নয়। ঠিকাদার বা ইঞ্জিনিয়ার কেউই ছিলেন না। রাস্তা তৈরির বৈধ নথিপত্র বা শেডিউল তিন-চার দিন ধরেই দেখতে চাইছিলাম আমরা। কিন্তু আজও সুপারভাইজার দেখাতে পারেননি।এরপরই ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হন বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী ও পঞ্চায়েতের সদস্যরা। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মীও ছিলেন। এক গ্রামবাসীর কথায়, বৃষ্টিতে পিচ রাস্তার কাজ হওয়া উচিতই নয়। কয়েকদিন ধরেই আবহাওয়া খারাপ। তারই মধ্যে জোড়াতালি দিয়ে কাজ হচ্ছিল। যে সব জায়গায় কাজ হয়েছে, বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই তার বেশ কিছু জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ হচ্ছে আঁচ করেই প্রধান হরেকৃষ্ণ মণ্ডলকে আমরা জানিয়েছি। আজ সকালেও কাজে বাধা দেওয়ার সময় প্রধানকে ফোন করা হয়। কিন্তু তিনি অন্য কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় আসতে পারেননি। প্রধান ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তাঁদের সংশয় দূর করতে পারতেন বলেও মন্তব্য গ্রামবাসীদের।জনতার কথা কে প্রধান হরেকৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েই কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারের কাজে শেডিউল চাই। কেন না, নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে আমি কনট্রাক্টরের কাছে নথি দেখতে চাই। তিনি আজ অবধি তা অজ্ঞাত কারণে দেখাতে চাননি। আমরা সকলেই চাই রাস্তার কাজ ভালোভাবে হোক।প্রধানের কথায়, গ্রামবাসীরাও ন্যায্য কথাই বলছেন। রাস্তা খুঁড়ে নতুন রাস্তা হবে, নাকি রাস্তা রিপেয়ার হবে, সেটা তো নথি দেখলেই স্পষ্ট হবে। সেই নথি আমাকেও দেখাতে পারেননি কনট্রাক্টর। ফলে গ্রামবাসীরা কাজে বাধা দিলে আমার পক্ষে তাঁদের সংশয় দূর করা সম্ভব নয়। কাজ বন্ধের কথা কালনা ২ নম্বর ব্লকের বিডিওকেও জানিয়েছি। উপ প্রধান অনিমেষ ভাঙ্গি বলেন, রাজ্য সরকার রাস্তা তৈরির কাজ করছে। সেখানে নিম্নমানের কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তবে পিচের রাস্তার কাজ বৃষ্টির সময় করা উচিত নয়। গ্রামবাসীদের পঞ্চায়েতের তরফে বলাই আছে, যেখানে রাস্তার কাজ হবে নিয়ম মেনে তা হচ্ছে কিনা নথি দেখে যাচাই করে নিতে। ফলে গ্রামবাসীরা সঠিক কাজই করেছেন।সূত্রের খবর, পথশ্রী প্রকল্পে এসটিকেকে রোডে মাঠের পাড়া বাস স্টপ থেকে সাতগাছি গ্রাম পঞ্চায়েত অবধি আড়াই কিলোমিটার রাস্তা তৈরির জন্য প্রায় ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই প্রকল্পের কাজের সূচনা হয়। কিছুটা অংশের কাজ হয়েছে আগেই। বাকি রাস্তার কিছুটা অংশ আগে থেকে পিচের, সেখানে বেহাল দশা।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেও বারবার বলেছেন, এমন কাজ করতে হবে যাতে টাকা জলে না যায়। এমনকী রাস্তা মেয়াদ ফুরানোর আগে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকেই ওই রাস্তা পূর্বাবস্থায় ফেরানোর দায়িত্ব নিতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। গ্রামবাসীরা সে কথা তুলে ধরেই বলেন, যা কাজ হচ্ছিল তাতে ৩০ লক্ষ টাকার কাজ বলেই মনে হচ্ছে।যেখানে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ সেখানে নিম্নমানের কাজ কেন হবে? এই প্রশ্ন তুলেই রুখে দাঁড়ান গ্রামবাসীরা। তার উপর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেই কেন হঠাৎ করে কাজ শুরু হলো এবং গ্রামবাসীদের বাধা পেয়ে বৈধ নথি দেখাতে না পেরে সুপারভাইজারের পলায়ন সন্দেহ জোরালো করছে। কাটমানির কারণেই এই অবস্থা কিনা তার তদন্ত দাবি করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিষয়টি প্রশাসনিক মহলের নজরে আনতে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হন গ্রামবাসীরা। কিছুদিন আগে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝি রায়নায় গিয়ে নিম্নমানের রাস্তার কাজ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। নতুন করে রাস্তা তৈরির নির্দেশ দেন। সেই ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই এই ঘটনা। গ্রামবাসীরা জেলাশাসকের উপরই আস্থা রাখছেন।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
রাজনীতি

জয়ের সার্টিফিকেট হাতে নিয়েই তৃণমূলে যোগ, ফের 'বায়রন বিশ্বাস'

ভোটে জিতেই আর এক মুহূর্ত দেরি নয়। পঞ্চায়েতে সিপিএমের প্রার্থী হিসেবে গ্রাম সভার আসনে ২৩ ভোটে জিতেই সটান তৃণমূলে যোগদিয়ে দিলেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার সহজপুরের ১৬৯ সংসদ প্রার্থী গীতা হাসদা। এরপরইএই পঞ্চায়েতে মোট ১৮ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ১৭ টি আসনেই জয়লাভ করেছিল, একটি আসনে কেবলমাত্র সিপিএম জয় লাভ করে। আর গননা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসার পরই তিনি তৃণমূলের যোগদান করেছেন বলে জানান সংবাদ মাধ্যমকে। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন আগে আমি তৃণমূলটাই করতাম কিছু রাগের কারণে সিপিএম এ যোগদান করেছিলাম। ফের তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলাম। চাপের কারণে সিপিএম থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান এমন বামেদের দাবি হলেও, দাবি মানতে চাইনি শাসক দল।

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

দলেরই এক কাউন্সিলরের ছোঁড়া কাপের আঘাতে জখম অপর কাউন্সিলর, দলীয় কোন্দলে জেরবার কালনা শহর তৃণমূল কংগ্রেস

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবার বাইরে নয় একেবারে কালনা পুরসভার অন্দরমহলে। তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর এর ছোঁড়া কাপের আঘাতে জখম অপর কাউন্সিলর, ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা। বুধবার দুপুরে কালনা পৌরসভায় পৌরসভার বোর্ড মিটিং চলার সময়, কালনা শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের শহর সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জির উপর হামলার অভিযোগ, কালনা শহরেরই ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সন্দীপ বসু এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুমন বসুর বিরুদ্ধে।ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য এরপরই এদিন বুধবার সন্ধ্যায় কালনা কাটোয়া এসটিকে রোডের উপর আগুন জ্বালিয়ে, রাস্তা অবরোধ করে সন্দীপ বসু এবং অনিল বসুর বিরুদ্ধে ধিক্কার জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তৃণমূল কংগ্রেসেরই একাংশ। কালনা পৌরসভারই ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তাপস দাসের ওয়ার্ডে ঠিক মতন নিকাশী নালা পরিষ্কার হয় না, আর সেই বিষয় নিয়ে আজকের বোর্ড মিটিংয়ে প্রশ্ন উঠতেই সুমন বসু ওরফে অনিল বসু ওই ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, তাপস দাস কে চেয়ার ছুড়ে মারতে যায়, এরপর তাকে লক্ষ্য করে একের পর এক কাপ ছুঁড়তে থাকে,সেই কাপ দিয়ে লাগে রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জীর দাঁতে এবং কপালে।গুরুতর জখম অবস্থায় থাকে কানলা মহকুমা হসপিটালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূলের অন্তরে এই এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত কাউন্সিলর অনিল বসু দিন জানান, আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে, উনি বয়স্ক মানুষ আমি ওনাকে যথেষ্ট সম্মান করি। কালনা এসটিকেকে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করার পর বিক্ষোভকারীরা কালনা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায়, অন্যদিকে এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন সুমন বসু।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

মোবাইল ঘাঁটা মানা, অভিমানে কীটনাশক খেয়ে অত্মঘাতী মেয়ে

পড়াশোনা ছেড়ে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত, মা বাবার বকুনিতে অভিমানে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হল ছাত্রী। মৃতার নাম সুমি খাতুন (১৮)।বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনার শাসপুরে। ইংরাজী অনার্স নিয়ে মুড়াগাছা কলেজে ভর্তি হয় সুমি খাতুন।কিন্তু পড়াশোনা ঠিক মতো করছিলো না। অধিকাংশ সময়ই মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতো এই নিয়ে মঙ্গলবার বাবা ও মা তাকে বকাঝকা করে।এরপরই সে ঘরে রাখা কীটনাশক খায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে কালনা মহকুমা হাসপাতাল ও পরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাতেই তার মৃত্যু হয়।পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল কালনায়

এদিন শনিবার বিকেলে কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় ঘরের মধ্যেই হঠাতই গলা কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃত ওই ব্যক্তির নাম উৎপল গুপ্ত (8৯) বাড়ি কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। মৃতের পরিবার পরিজনদের দাবি তিনি প্রতিদিনই প্রচণ্ড নেশা করতেন। এদিনও বিকেলে বাড়ি থেকে নেশা করবে বলে মোটরবাইকের চাবি নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময় হঠাৎই তাঁর ছেলে মোটরবাইকের চাবিটি কেড়ে নেয়, তারপরই ঘর থেকে একটি বিকট শব্দ এলে পরিবারের লোকেরা দেখতে পায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন উৎপলবাবু। এরপরই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। স্থানীয় মানুশে খবর দেওয়ায় ঘটনাস্থলে হাজির হয় কালনা থানা পুলিশ। মৃতের ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কালনা থানায় নিয়ে যায় কালনা থানা পুলিশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

২৬৩ বছরের পুরানো কালনার ভবানন্দপুরে বিচারক হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায়'র "মুখার্জী বাড়ি"র পুজো

কালনা শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি গ্রাম ভবনন্দাপুর। সেই সময়ে শহর থেকে দূরে এই প্রত্যন্ত গ্রামে দুর্গা পুজো করা দূর অস্ত, ভাবনাটাই ছিলো কঠিন। বর্তমানে মুখোপাধ্যায় পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য অশোক মুখোপাধ্যায় জানালেন, সতেরশো খীষ্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কালনা মহুকুমার অন্তর্গত ভবানন্দপুর গ্রামে জমিদারী লাভ করেন। এই অঞ্চলে দুর্গা পুজোর অধিক্য সেভাবে না থাকায় তিনি দুর্গা পুজোর উদ্যোগ নেন। বহুকাল অবধি এই মুখোপাধ্যায় পরিবারের পুজো-ই গ্রামের একমাত্র পুজো ছিলো। গ্রামবাসীরা চারদিন ধরে এই মন্ডপেই আনন্দ করতেন।শারদ সন্মান নিয়ে ক্ষুদে সদস্যদের উল্লাসভবানন্দপুরে গ্রামে এই দুর্গা পুজোর প্রবর্তক ছিলেন হরিনারায়ন মুখোপাধ্যায়। তারই উদ্যোগে এই পুজোর সূত্রপাত। পরিবারের সুত্রে জানা যায়, হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায় ১৭৫৯ এ (ইংরাজী) এই পুজো শুরু করেন। সাবেকি ঘরানার প্রতিমা, প্রথা মেনে মহালয়ার ভোরে দেবীর চক্ষূদান করা হয়। দেবীর গায়ে মাটি দেওয়া হয় জন্মাষ্টমীর পরেরদিন। মুখোপাধ্যায় পরিবারের সদস্য অশোক মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, অতীতে এই পুজোতে ছাগল বলিদান দেওয়া হত। উত্তরসুরীদের কাছে শোনা কথা, কোনও এক সাধক একবার এই পুজোতে আসেন, তাঁর আদেশেই ছাগল বলি দেওয়া বন্ধ হয়। বর্তমানে এই পুজোতে ছাঁচি কুমড়ো, কলা ও আখ বলি দেওয়া হয়। নবমীর দিন কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়।মুখার্জী বাড়ির কুমারী পুজোঅশোক মুখোপাধ্যায় আরও জানান, গ্রামের সকলে এসে মায়ের ভোগ প্রসাদ গ্রহণ করেন। আনুমানিক ১৫০০ থেকে ১৬০০ মানুষ মায়ের ভোগ প্রসাদ এখানে বসে খেয়ে যান। গ্রামের মানুষজনই সোৎসাহে এই ভোগ প্রসাদ বিতরণ করেন। জনতার কথার প্রতিনিধীর, দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধিতে পুজোর আচার বা মানুষজন কে নিমন্ত্রনে কোনও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে কিনা প্রশ্নের উত্তরে অশোক মুখোপাধ্যায় জানান, দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সেভাবে আমারা কোনও কিছু ত্রুটি রাখিনি, কিভাবে মায়ের পুজোর যোগার হয়ে যাচ্ছে সেটা আমরাও বুঝতে পারিনা, পরিবারের প্রত্যকেই তাঁর অর্থনৈতিক ক্ষমতা মত এগিয়ে আসেন তাই এই পুজো করতে আমাদের সেভাবে এখনও কোনও অসুবিধার মধ্যে প্ররতে হয়নি।পরিবারের আরও এক সদস্য তাপস মুখোপাধ্যায় জানান ১৭৭৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট কোলকাতা ফোর্ট উইলিয়ামে চালু হয়। হরিনারায়ণ মুখোপাধ্যায় সেই সময়ে সেই কোর্টে কলকাতায় বিচারক ছিলেন তাঁরই উদ্যোগে এই পুজোর শুরু। তাঁর কথায় এই পুজোর খরচ মায়-ই যোগার করে নেন। তিনি আরও বলেন পরিবারের সকলে এবং গ্রামবাসীদের নিয়ে এই পাঁচদিন আমরা মাতোয়ারা থাকি। তাঁর বিশ্বাস খুবই জাগ্রত এই পুজো।পরিবারের কনিষ্ট সদস্য কুনাল মুখোপাধ্যায় জানান, বংশ পরম্পরায় একটা লিগাসি আমরা ক্যারী করে চলেছি খুব আনন্দ সহকারে, আমরা কোনও সময়েই মনে করিনা আমরা খাওয়াচ্ছি। এই যে গ্রামবাসীদের ভোগ বিতরণ, এটা মা দুর্গা নিজেই করিয়ে নেন, এতে আমাদের কোনও ভুমিকা নেই। তিনি ও পরিবারের বাকি সদস্যরা প্যানোরামা ও জনতার কথার শারদ সন্মান সেরা বনেদী বাড়ির পুজো পুরস্কার পেয়ে খুবই আনন্দিত বলে জানান। পুরস্কার পাওয়ার মোমেন্টো নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঢাক বাজিয়ে নৃত্য করতেও দেখা যায়।

অক্টোবর ০৪, ২০২২
রাজ্য

নাবালিকা কন্যাকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল সৎ বাবার বিরুদ্ধে

কালনা থানার বাঘনাপাড়া এলাকায় নাবালিকা কন্যাকে দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল সৎ বাবার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চালছল্য ছড়িয়ে পড়ে। যানা যায় নির্যাতিতা ওই নাবালিকাকে প্রানে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এই এমন অপকর্ম করে আসছিলেন তার বাবা।তিন দিন আগে মেয়েটি তার মাকে পুরো ঘটনা খুলে বলে। এর পরই নির্যাতিতা ওই নাবালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে কালনা থানায় দায়ের হয় অভিযোগ, সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে রবিবার কালনা আদালতে পাঠায় কালনা থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

সরকারি আবাস যোজনা প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে

সরকারি আবাস যোজনা প্রকল্পে কাটমানি ও একশো দিনের কাজের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ রমজান আলী শেখ, কৃষ্ণদেবপুর পঞ্চায়েতে এক পঞ্চায়েত সদস্যা রেহেনা বিবি ও তাঁর স্বামী মেহের আলীর বিরুদ্ধে। এই মর্মে কালনা মহকুমাশাসক, বিডিও অফিস ও কালনা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্বাভাবিক কারণেই এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় কালনায়। যদিও ঘটনার কথা সত্য নয় বলে জানান তৃণমূল নেতা মেহের আলি শেখ ও তাঁর স্ত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্যা রেহেনা বিবি। যদিও যার বিরুদ্ধে ভুরিভুরি অভিযোগ রমজান আলী শেখ তাঁর বাড়িতে যাওয়া হলে এদিন তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর পরিবারের লোকেরাও এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাননি।সরকারি প্রকল্পে উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানির টাকা ও একশো দিনের কাজে অন্যজনের জব কার্ডের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠল কালনার বিজয়নগর এলাকার বাসিন্দা তৃণমূল নেতা রমজান আলি শেখ ও কৃষ্ণদেবপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা রেহেনা বিবি ও তাঁর স্বামী মেহের আলি সেখের বিরুদ্ধে। কালনা মহকুমাশাসক, কালনা-১ বিডিও অফিস ও কালনা থানায় দায়ের করা অভিযোগে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন, আমরা বিজয়নগর গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামের সদস্যা রেহেনা বিবি, স্বামী মেহের আলি শেখ, মেহের আলি শেখের দাদা রমজান আলি শেখ দিনের পর দিন প্রধান মন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে গরীব মানুষের পাওয়া টাকা থেকে প্রতিটি বাড়ি পিছু কুড়ি থেকে ত্রিশ হাজার টাকা কাটমানি নিয়েছে।তাঁরা জানিয়েছেন, একশো দিনের কাজে তাদের পরিবারের কেউ সামিল না হয়েও বহু ব্যক্তির জব কার্ডের লক্ষাধিক টাকা দুর্নীতি করে আত্মসাৎ করেছে। আর এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে নানারকমভাবে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন। কৃষ্ণদেবপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা রেহেনা বিবির স্বামী মেহের আলী তিনি এদিন শনিবার বলেন,আমার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে,সামনে পঞ্চায়েত ভোট আসার কারণে বিরোধীরা এই চক্রান্ত করছে। আর এক অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রমজান আলী শেখ তিনি এদিন বাড়িতে ছিলেন না।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

প্রতিবেশী নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে কুড়ি বছরের জেল ও নগদ জরিমানার আদেশ কালনা কোর্টের

প্রতিবেশী দশ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের বিরুদ্ধে কুড়ি বছরের জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায় আরও ছয় মাস জেলের সাজা ঘোষণা করল আদালত। শুক্রবার কালনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুধীর কুমার এই সাজা ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত সুব্রত হালদারের বাড়ি কালনা থানার সাতগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষপল্লী গ্রামে।গত ২০২০-র ১৪ ই অক্টোবর সন্ধ্যাবেলায় প্রতিবেশী ওই নাবালিকা মুদিখানা দোকানে গিয়েছিল। ফেরার পথে আসামি সুব্রত হালদারের সঙ্গে ওই নাবালিকার দেখা হয়। সুব্রত একটা মোবাইল দেখিয়ে নাবালিকাকে বলে চার্জ ফুরিয়ে গেছে, তুই এটা বাড়িতে দিয়ে আয়। সরল বিশ্বাসে মেয়েটি তার বাড়িতে মোবাইল পৌঁছে দিতে গেলে সুব্রতও চুপিসারে পিছন পিছন বাড়ি ফিরে আসে। নিজের বাড়ির ভিতরে পেঁপে গাছ তলায় তাকে ধর্ষণ করে।বাড়ি ফিরে নাবালিকা বাড়িতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে তার মাকে সব খুলে বললে পরিবার তরফে কালনা থানায় অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়। কালনা থানার পুলিশ সুব্রত হালদারকে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ এ বি এবং পস্ক আইনের ৪ উপ-ধারায় মামলা রজু করে। এই মামলার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন পুলিশ অফিসার সোমনাথ নস্কর। এই মামলায় তদন্তকারী অফিসার সহ ১৬ জনের সাক্ষ্যদানের পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।কালনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুধীর কুমার শুক্রবার তাকে কুড়ি বছর জেল এবং দশ হাজার টাকা জরিমানার রায় ঘোষণা করেন। অনাদায় আরও অতিরিক্ত ছয় মাসের জেলের সাজা দেন। সরকারি আইনজীবী মলয় পাঁজা বলেন, এই মামলার রায়ে সমাজে একটা বার্তা পৌঁছালো যে, নাবালিকার উপর অত্যাচার করলে তার পরিণতি এটাই হবে। তবে নির্যাতিতা ওই মহিলা কেস চলাকালীন আত্মহত্যা করেন এই ঘটনার চাপ সহ্য করতে না পেরে। যদিও তার আগেই এই কেসের তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গিয়েছিল। নির্যাতিতা নাবালিকার মা এদিন শুক্রবার কালনা আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন আমার মেয়ে বেঁচে থাকলে আমি আজ আরও খুশি হতাম।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

স্ত্রীকে নোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করার অভিযোগে স্বামীকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল কালনা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক

সিঙেরকোনের আনোকা গ্রামে নিজের স্ত্রীকে নোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করায় তাঁর স্বামীকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল কালনা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক সুধীর কুমার। মঙ্গলবার ২০১৭র আগস্ট মাসের ১৭ তারিখ নিজের স্ত্রীকে নিজের বাড়িতেই নোড়া দিয়ে থেঁতলে খুন করার অভিযোগ ওঠে তাঁর স্বামী নীলু বাগের বিরুদ্ধে।জানা যায় বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর উপর পণের জন্য নানান রকম ভাবে অত্যাচার চালাতো তার স্বামী নিলু বাগ। তার স্ত্রী যেদিন খুন হন, তার আগের দিন নিলু তাঁর স্ত্রীকে বাপের বাড়ি পাঠিয়েছিল পয়সা নিয়ে আসার জন্য। সেখান থেকে সে পয়সা না নিয়ে আসায় রাতের বেলায় তাঁকে খুন করে। এর পরই কালনা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। সংশোধনাগারে রেখেই তার এতদিন ধরেই বিচার চলছিল। কালনা থানার তৎকালীন তদন্তকারী অফিসার শরিফুল ইসলাম সহ মোট পনেরো জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর এদিন মঙ্গলবার তাকে সাজা শোনায় কালনা আদালতের বিচারক।

আগস্ট ২৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal