• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Join

রাজনীতি

বিজেপিতে যোগদান মেলা, গেরুয়া শিবিরে ৫ তৃণমূল বিধায়ক

অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একসময়ের সঙ্গী সোনালি গুহ, তৃণমূলের হবিবপুরের প্রার্থী সরলা মুর্মু যোগ দিলেন বিজেপিতে। পদ্ম পতাকা হাতে নিয়েছেন সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, শিবপুরের তৃণমূল বিধায়ক জটু লাহিড়ি, সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার। সোমবার দুপুরে হেস্টিংসে বিজেপির নির্বাচনী অফিসে রীতিমতো যোগদান মেলা। সবমিলিয়ে তৃণমূলের ৫ বিধায়ক একইদিনে সামিল হলেন বিজেপিতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী ছিলেন সোনালি গুহ । বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার তথা সাতগাছিয়ার বিধায়ককে এবার প্রার্থী করেননি তৃণমূল নেত্রী । ক্ষোভ গোপন রাখেননি সোনালি। ফোন করেন মুকুল রায়কে। অভিমানে তৃণমূল ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি। সোনালি এ দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুলে এলেন। সরলা মুর্মুকে মালদহের হবিবপুরে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল । তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছে জানতে পেরে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে প্রার্থী বদল করে তৃণমূল। হবিবপুরে প্রার্থী হয়েছেন প্রদীপ বাস্কে। অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছিল। সেই জনশ্রুতি সত্যি হল আজ। সোনালি, সরলার সঙ্গে পদ্ম শিবিরে সামিল হলেন তিনি। সিঙ্গুরের চারবারের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থীতালিকা ঘোষণার সময় জানিয়েছিলেন, করোনার কারণে আশির ঊর্ধ্বে কাউকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। বাদ পড়েন মাস্টারমশাই ও শিবপুরের বিধায়ক জটু লাহিড়ি। তাঁরা এ দিন নাম লেখালেন বিজেপিতে। বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাসকে এবার আর প্রার্থী করেনি তৃণমূল। তিনিও শিবির বদল করলেন। বিজেপিতে এলেন সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

লাল-সবুজ পেরিয়ে এবার গেরুয়া পথে মহাগুরু

কোনও দলের নাম না করে নিজের আগের ভুল সিদ্ধান্তের কথা বললেন। রবিবার ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চে বিজেপি-তে যোগ দিয়ে মিঠুন স্পষ্ট বলেন, তাঁর আগের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। তাঁর কথায়, কারও দিকে আঙুল তুলতে চাই না। কাউকে দোষও দিচ্ছি না। আমারই সিদ্ধান্তে ভুল ছিল।প্রসঙ্গত, ব্রিগেডের সভার পরে মঞ্চের পিছনে মিঠুনের সঙ্গে আলাদা করে অন্তত ১৫ মিনিট কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিঠুনের কথায়, ওঁর সঙ্গে আমার খুব ভাল আলোচনা হয়েছে। সব কথা তো প্রকাশ্যে বলা যায় না। তাঁর আরও বক্তব্য, বাংলায় বিজেপি যথেষ্ট জায়গা তৈরি করেছে। বাংলার মানুষ বিশ্বাস করছে, ওরা রাজ্যের জন্য ভাল কিছু করবে। তারা ক্রমাগত চেষ্টা করে যাচ্ছে। সেটা কখনও মিথ্যে হতে পারে না। তার মধ্যে কিছু সততা থাকে। মিঠুন আগেও বলেছেন, তিনি রাজনীতি নয়, মানবনীতি বোঝেন। কিন্তু তাঁর কথায়, সকলেরই একটা পতাকা প্রয়োজন হয়। প্রধানমন্ত্রী আমায় ডেকে যখন কথা বললেন, আমি বললাম, আমি বাংলার জন্য কাজ করতে চাই। আমি বাংলাকে ভালবাসি। তবে এক সময়ে বাম সঙ্গ থেকে শুরু করে অধুনা সঙ্ঘের হাত ধরা। বেশ কয়েকদিন ধরা চলা জল্পনা সত্যি প্রমাণ করে এদিন মোদির ব্রিগেড মঞ্চে রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন হল মহাগুরুর। আর তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটাগরিকরা।

মার্চ ০৭, ২০২১
দেশ

আদর্শ ভুলেছেন মমতা, বিজেপিতে যোগ দিয়ে দীনেশের আক্রমণ

অন্তরাত্মার ডাকে দল ছেড়েছিলেন। ছেড়েছিলেন সাংসদ পদও। তার পর ১ মাসও কাটেনি। শনিবার বিজেপি-তে যোগ দিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী। রবিবার কলকাতার ব্রিগেডে জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে শনিবার দিল্লিতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল দীনেশকে গেরুয়া শিবিরে স্বাগত জানান। রবিবার ব্রিগেডে মোদির সভায় তাঁকে দেখা যেতে পারে বলে জল্পনা।গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার অধিবেশন চলাকালীন নাটকীয় ভাবে তৃণমূল ছেড়েছিলেন দীনেশ। ইস্তফা দিয়েছিলেন সাংসদ পদ থেকেও। তৃণমূলে দমবন্ধ হয়ে আসছে, তাই অন্তরের ডাকে অন্য ভাবে মানুষের সেবা করতে চান বলে জানিয়েছিলেন। সেই থেকেই গোপনে বিজেপি-র সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা চলছিল বলে খবর। মোদির ব্রিগেডের আগে শেষ পর্যন্ত তাঁকে আনুষ্ঠানিক ভাবে দলে যোগদান করাল বিজেপি।পদ্মশিবিরে নাম লেখানোর পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক হাত নেন দীনেশ। খেলা হবে স্লোগানে রাজ্যে নির্বাচনী পারদ যখন চড়ছে, সেই নিয়ে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা উন্নয়ন চান, দুর্নীতি আর হিংসা নয়। পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে রয়েছেন বাংলার মানুষ। রাজনীতি কোনও খেলা নয়। উনি (মমতা) খেলার চক্করে আদর্শ ভুলে গিয়েছেন।

মার্চ ০৬, ২০২১
কলকাতা

তৃণমূলে বাংলার কীর্তন-কন্যা

ভোটের আগে সক্রিয় রাজনীতিতে তারকা এবং বিশিষ্টদের যোগদানের পালা অব্যাহত। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন সংগীতশিল্পী অদিতি মুন্সি। বৃহস্পতিবারই তৃণমূল ভবনে সৌগত রায়ের হাত থেকে শাসকদলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন তিনি। টেলিভিশনের পর্দা থেকে অনুষ্ঠানের মঞ্চ, সর্বত্র কীর্তনের সুরে দর্শকদের মন জয় করেছেন অদিতি। এর আগে রাজ্য সরকারের একাধিক অনুষ্ঠানে গান গেয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ দেন গায়িকা। যোগদান মঞ্চে গানও গাইলেন তিনি। বৃহস্পতিবারই শশী পাঁজার নেতৃত্বে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন টেলিভিশন অভিনেত্রী সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন ঊষা চৌধুরী।শাসক শিবিরে যোগ দেন ভোজপুরী অভিনেতা-পরিচালক ধীরজ পণ্ডিতও।এর আগে সায়ন্তিকা ছাড়াও আসন্ন ভোটের আগে তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন দীপঙ্কর দে, রাজ চক্রবর্তী, মানালি দে, জুন মালিয়া, কাঞ্চন মল্লিক, সৌরভ দাস, সায়নী ঘোষের মত হেভিওয়েট তারকারা। রণিতা দাস, সৌপ্তিক চক্রবর্তী, শ্রীতমা ভট্টাচার্যের মতো টেলিভিশন তারকারাও শাসকদলে নাম লিখেছেন। অন্যদিকে পদ্ম শিবেরে যোগ দিয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ , যশ দাশগুপ্ত , পাপিয়া অধিকারী, সৌমিলী বিশ্বাস, হিরণ চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকারের মতো তারকারা। ওদিকে আবার শোনা যাচ্ছে বামেদের হয়ে ভোটে লড়তে পারেন বাদশা মৈত্র। কার্যত প্রায় গোটা টলিউড এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজনীতির ময়দানে নেমে পড়েছে।এবার অদিতিও নেমে পড়লেন সক্রিয় রাজনীতিতে।সূত্রের খবর, প্রার্থীও করা হতে পারে কীর্তন শিল্পীকে।

মার্চ ০৪, ২০২১
কলকাতা

তৃণমূলে ফের একঝাঁক তারকা

একুশের ভোটে তৃণমূল প্রার্থী তালিকায় চমক থাকার সম্ভাবনা প্রচুর। একদিকে টলি ইন্ডাস্ট্রির একঝাঁক অভিনেতা সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। শুক্রবারও দলে যোগ দিয়েছেন সাঁওতালি চলচ্চিত্র জগতের তারকা বীরবাহা হাঁসদা। অন্যিদিকে, এদিনই তৃণমূলে যোগ দেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকাও। দিদির পাশে আগেও ছিলাম, আজীবন থাকব, ঘাসফুলে যোগ দিয়েই জানান অভিনেত্রী। এঁদের অধিকাংশেরই এবার টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা। এছাড়া এবারের প্রার্থী তালিকায় তারুণ্যের প্রাবল্য থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। ছাত্রনেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া ভদ্রের মতো ছাত্রনেতৃত্ব একুশের বিধানসভা ভোটে লড়তে পারেন শাসকদলের হয়ে। ফলে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় অনেক নবীনের নাম থাকবে, তেমনটাই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে দলীয় সূত্রে খবর, আশি বছরের ঊর্ধ্বে কোনও জনপ্রতিনিধিই এবারের ভোটে টিকিট পাবেন না। তাঁদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল সুপ্রিমোর। বৃহস্পতিবার দলের কাউন্সিলর ও জেলার ব্লক সভাপতিদের সঙ্গে তৃণমূল ভবনে একপ্রস্ত বৈঠক হবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের। তারপর শুক্রবারই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবেন দলের সুপ্রিমো।

মার্চ ০৩, ২০২১
কলকাতা

বিজেপিতে পায়েল সরকার

বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার। জেপি নাড্ডার উপস্থিতিতেই আজ বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন পায়েল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে দল বদলের পালা অব্যাহত। রুদ্রনীল ঘোষ থেকে যশ দাশগুপ্তরা যখন বিজেপিতে যোগ দেন, সেই সময় জোড়াফুল শিবিরে যোগ দেন অভিনেতা সৌরভ দাস থেকে কাঞ্চন মল্লিক, সায়নী ঘোষরা। যা নিয়ে বিস্তর জল্পনা শুরু হয়ে যায়। বামপন্থী মনোভাবাপন্ন সায়নী ঘোষ যখন বুধবার তৃণমূলে কংগ্রেসে যোগ দেন, সেই সময় একের পর এক মিমে ভরে যায় সামাজিক মাধ্যম। এরপরই সায়নীকে নিয়ে পালটা মুখ খোলেন শ্রীলেখা মিত্র।কাঞ্চন মল্লিক, মনোজ তিওয়ারি, সায়নী ঘোষদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এবার গেরুয়া শিবিরে নিজের নাম লেখালেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজনীতি

গেরুয়া শিবিরে প্রাক্তন পেসার

জল্পনাই সত্যি হল। বঙ্গ ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারির তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার দিনেই তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ অশোক দিন্দাও রাজনীতিতে নামলেন। তবে তিনি যোগ দিলেন বিজেপিতে। বুধবার নেবুতলা পার্কে শুভেন্দু অধিকারী, অর্জুন সিং, সব্যসাচী দত্ত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আয়োজিত ব়্যালির পরই বিজেপিতে যোগ দিলেন দিন্দা। এর পাশাপাশি এদিন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন সজল ঘোষ। তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রবীর ঘোষের ছেলেও তৃণমূলে ছিলেন। কিন্তু তিনিও দলবদল করলেন।এদিন ব়্যালির পর মঞ্চেই উপস্থিত ছিলেন দিন্দা। সেখানেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন। তারপর তাঁকে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতেও শোনা যায়। এসময় মঞ্চে উপস্থিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে তাঁর সঙ্গে মজা করতেও দেখা যায়।এরপরই দিন্দা বলেন, সকলকে ধন্যবাদ জানাই। বিজেপির মতো ভারতের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আমাকে গ্রহণ করেছে। আমি আজ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছি। ১২-১৪ ঘণ্টা সময় দেব। এজন্যই ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছি। দল যখন যা দায়িত্ব দেবে, সেটাই পালন করব। এর আগে চলতি মাসের শুরুতেই সবধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের কথা ঘোষণা করেছিলেন দিন্দা।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

বিজেপির 'যশ প্রাপ্তি', গেরুয়া শিবিরে একঝাঁক টলি তারকা

জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখালেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। তাঁর পাশাপাশি বুধবার বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়ের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নিলেন পাপিয়া অধিকারী, সৌমিলি বিশ্বাস, শর্মিলা ভট্টাচার্য-সহ টলিউডের একঝাঁক তারকা।ভোট ঘোষণার সময় যতই এগোচ্ছে, ততই সরগরম টলিপাড়া। কৌশানী মুখোপাধ্যায়, সৌরভ দাস, রণিতা দাস, সৌপ্তিক চক্রবর্তী, শ্রীতমা ভট্টাচার্যর মতো পর্দার চেনা অভিনেতারা ইতিমধ্যেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। আবার তৃণমূলকে বিদায় জানিয়ে বিজেপির হাত ধরে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। যোগ দিয়েছেন ছোটপর্দার পরিচিত মুখ কৌশিক রায়ও। শাসকদলের মতো তারকাদের সামনে রেখেই চমকদার প্রচার চাইছে বিজেপিও। আর বুধবার সেই লক্ষ্যেই আরও একধাপ এগোল তারা। এদিন বিজেপিতে যোগ দিয়ে যশ বলেন, রাজনীতি মানেই খারাপ কিছু নয়। আমার মনে হয়, পরিবর্তন শুধু চাইলেই হয় না, মুখে পরিবর্তনের কথা বললেই হয় না। বৃহত্তর স্বার্থে ময়দানে নেমে কাজ করতে হয়। কোনও পদের কথা চিন্তা করে যোগ দিইনি। বিজেপির সঙ্গে আমার আদর্শ মেলে। তাই এই দলের হয়ে প্রাণ খুলে কাজ করতে পারব। যুবসমাজের সঙ্গে কাজ করতে চাই আমি।আরও পড়ুন: শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ?

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
কলকাতা

তৃণমূলে টলি-তারকা সমাবেশ

তৃণমূলের বাড়ল টলিউড-যোগ। শুক্রবার তৃণমূলের পতাকা হাতে নিলেন প্রবীণ অভিনেতা দীপঙ্কর দে, ভরত কল এবং লাভলি মৈত্র। তৃণমূলে যোগ দিলেন সঙ্গীতশিল্পী উস্তাদ রাশিদ খানের কন্যা শাওনা খানও। তৃণমূল ভবনে রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর হাত থেকে দলীয় পতাকা হাতে নেন তাঁরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই তাঁরা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সকলে। ওই যোগদানের মঞ্চ থেকেই কৃষক আন্দোলন থেকে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগদান নিয়ে গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণ করেছেন ব্রাত্য।তৃণমূলের পতাকা নেওয়ার পর দীপঙ্কর বলেন, আমি বহু দিন ধরেই তৃণমূলের সঙ্গে আছি। শারীরিক কারণে সব জায়গায় যেতে পারিনি এত দিন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি দায়বদ্ধতা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বর্ষীয়ান অভিনেতা বলেন, উনি আমাকে বঙ্গভূষণ ও বঙ্গবিভূষণ দুটি সম্মানে সম্মানিত করেছিলেন। এটা আমার জীবনে বড় ব্যাপার। আমি যখন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে, তখন উনি দুবার অরূপ বিশ্বাসকে আমার খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন। আমার চিকিৎসার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করেছে। অতএব আমি বেইমানি করতে পারব না। তৃণমূলের সঙ্গেই থাকব।শাওনা সঙ্গীতশিল্পীর পাশাপাশি সমাজকর্মীও। বহু সামাজিক কাজকর্মে তাঁর অবদান রয়েছে বলেই শোনা যায়। লাভলি মৈত্র মোহর এবং জলনুপূর ধারাবাহিকে অভিনয়ের সুবাদে টেলিপাড়ায় জনপ্রিয় মুখ। খাদ, জুলফিকর, বাদশাহি আংটি-র মতো বহু সিনেমায় অভিনয় করেছেন ভরত। এখনও সিনেমা-ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা যায়। ব্রাত্যর দাবি, শুধু এই চার জন নয়, আরও অনেকে যোগদান করছেন। কিন্তু জায়গায় কুলয়ে উঠতে না পারায় এঁদের প্রতীকী যোগদান করানো হল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২১
কলকাতা

মুকুলের পরিবারে উলটপুরাণ!

ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যাওয়ার হিড়িক পড়েছে রাজ্যে। কিন্তু দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুলের পরিবারেই এ বার উলটপুরাণ। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন মুকুল রায়ের শ্যালক সৃজন রায় ওরফে সাজা। বুধবার তৃণমূল ভবনে এসে দলে যোগ দেন তিনি। সেখানে তাঁকে তৃণমূলে স্বাগত জানান রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বছরখানেক আগে সাজা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন। দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুলের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় তৃণমূলে চলে আসায় মুকুল খানিক বিড়ম্বনার মধ্যেই পড়লেন বলে মনে করছেন তাঁর সহকর্মীরা। স্বভাবতই ঘটনাপ্রবাহে উৎফুল্ল শাসক দল।প্রসঙ্গত, রেলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে ২ কোটি টাকার প্রতারণায় অভিযুক্ত সৃজন। মুকুল রেলমন্ত্রী থাকাকালীনই ৫০-৬০ জনের কাছ থেকে তিনি ওই টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ। সেই মামলায় ২০১৮ সালে তাঁকে গ্রেপ্তারও করেছিল রাজ্য পুলিশ। প্রায় ১ বছর জেলে থাকতে হয় তাঁকে। পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে যদিও সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেন তিনি। তারপর গত বছর বিজেপি-তে যোগ দেন।তৃণমূলে ফিরে আসার কারণ জানতে চাইলে সৃজন বলেন, পরিবারে অশান্তি হয়। বড় ভাইয়ের সঙ্গে ছোট ভাইয়ের অশান্তি হয়। তাতে কিছু দিনের জন্য কোনও এক ভাই পরিবারের বাইরে থাকে। কিন্তু মনোমালিন্য মিটে গেলে সবাই ঘরে ফিরে আসে। আমার সঙ্গেও তেমনই হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে এ সব বলতে পারব না। দলের অন্দরের ব্যাপার। ভুল বোঝাবুঝির জন্যই যেতে হয়েছিল আমাকে। প্রসঙ্গত, সোমবার কালনায় দলীয় সভায় জায়গা ছেড়ে দেওয়ার কথা বলতে শোনা গিয়েছিল মুকুলকে। তৃণমূল-ত্যাগী শুভেন্দু অধিকারীকে পাশে নিয়ে মুকুল বলেছিলেন, জায়গা ছেডে় দেওয়ার পালা শুরু হয়েছে। আমি জায়গা ছেড়ে দিচ্ছি। জায়গা ছাড়তে জানাটাও একটা আর্ট। কখন জায়গা ছাড়তে হবে, সেটা শিখতে হবে।তবে মুকুলের ঘনিষ্ঠমহলের দাবি, সরে যাওয়ার কোনও চিন্তাভাবনা তাঁর মাথায় নেই। শারীরিক অসুস্থতা ও বয়সের কারণেই ওই বক্তব্য বলেও তাঁরা জানান।আরও পড়ুন: ৬ দিনের ব্যবধানে মোদি, নাড্ডা, শাহ, রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের মরিয়া প্রয়াস

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
দেশ

শুধুই বৈঠক, আজই নয় যোগদান

বাতিল হয়েছিল অমিত শাহের সভা। তা বলে কি যোগদান আটকে থাকবে! তাই সবাইকে চমক দিয়ে রাতারাতি দিল্লি উড়ে গিয়েছিলেন বিক্ষুব্ধ ৫ তৃণমূল নেতা-নেত্রী। সেখানে অমিত শাহের বাসভবনে বৈঠক সারলেন তাঁরা। কিন্তু শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন না রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈশালী ডালমিয়া, প্রবীর ঘোষাল, রথীন চক্রবর্তী ও পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়রা। সূত্রের খবর, রবিবার ডুমুর জলা ময়দানেই হাতে বিজেপির পতাকা তুলে নেবেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতেই শহরে পিরে আসতে পারেন পাঁচ নেতা-নেত্রী। উল্লেখ্য, এদিনই দুপুরে বিশেষ বিমানে করে কৈলাস বিজয়বর্গী ও মুকুল রায়ের সঙ্গে দিল্লি উড়ে যান এই ৫ জন। Former TMC leaders Mr. Rajib Banerjee, Ms. Baishali Dalmiya, Mr. Prabir Ghoshal, Mr. Rathin Chakraborti and Mr. Rudranil Ghosh joined BJP today in New Delhi. I am sure their induction will further strengthen BJPs fight for Sonar Bangla. pic.twitter.com/twXrHXWCbY Amit Shah (@AmitShah) January 30, 2021

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
কলকাতা

রাজীবের সঙ্গী হচ্ছেন টলি অভিনেতাও!

আজই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন রুদ্রনীল ঘোষও। শোনা যাচ্ছে, আজই গেরুয়া শিবিরে যোগ দিতে বিশেষ বিমানে করে দিল্লি যাচ্ছেন অভিনেতা। বিশেষ বিমানে করে দিল্লি যাওয়ার কথা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে রাজীবকে নিজে ফোন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দিল্লিতে গিয়ে যোগদানের প্রস্তাব দেন তিনি। দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের আরও তিন বিক্ষুব্ধ নেতা বৈশালী ডালমিয়া, রথীন চক্রবর্তী এবং প্রবীর ঘোষালও। সক্রিয় রাজনীতিতে আসতে চান। একথা আগেই জানিয়েছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। কিছুদিন আগে অভিনেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক শঙ্কুদেব পণ্ডা। সূত্রের খবর, সেখানেই শঙ্কু রুদ্রনীলকে বিজেপিতে যোগদানের প্রস্তাব দেন। এরই মধ্যে এক বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর দেখা হয়েছিল। সেই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, প্রাক্তন তৃণমূল ও বর্তমান বিজেপি নেতা তাঁর খুবই পছন্দের মানুষ। শুভেন্দুর কাজের ধরনও রুদ্রনীলের পছন্দ। সেখানেই দুজনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিশেষ বিমানে দিল্লিতে গিয়েছেন বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া, হাওড়ার প্রাক্তন মেয়র ডাঃ রথীন চক্রবর্তী ও উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। এছাড়াও এদিন বিজেপিতে যোগ দিচ্চেন নদিয়ার অপসারিত তৃণমূল জেলা সহসভাপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিতে শুভেন্দু সহ একঝাঁক তৃণমূল নেতার যোগদান

সমস্তরকম জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার অমিত শাহের হাত থেকে তিনি দলীয় পতাকা গ্রহণ করেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর অমিত শাহের পায়ে হাত দিয়ে প্রণামও করেন তিনি। এদিন শুভেন্দুর পাশাপাশি তৃণমূলের একঝাঁক বিধায়ক, কয়েকজন সংখ্যালঘু নেতাও বিজেপিতে যোগ দেন। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কলেজ মাঠের সভায় শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও বিজেপিতে যোগ দিলেন ৯ বর্তমান বিধায়ক , এক সাংসদ, এক প্রাক্তন সাংসদ ও রাজ্যের এক প্রাক্তন মন্ত্রী। তারা হলেন, তাঁর সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত, পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়, হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল, তমলুকের বিধায়ক অশোক দিন্দা, কাঁথি উত্তরের বিধায়ক বনশ্রী মাইতি, কালনার বিধায়ক বিশ্বজিত্ কুণ্ডু , মন্তেশ্বরের বিধায়ক সৈকত পাঁজা, নাগরাকাটার বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা, গাজোলের বিধায়ক দীপালি বিশ্বাস সহ পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডল প্রমুখ। সেইসঙ্গে যোগ দিলেন কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি, কার্তিক পাল, বাণী সিং রায়, ফিরোজ খান প্রমুখ। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছয় সংখ্যালঘু নেতার দলবদল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। আরও পড়ুন ঃ মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তোলাবাজি-ভাইপোরাজে বদলে গিয়েছে, তোপ অমিত শাহর ছয় নেতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামটাই হল কবিরুল ইসলাম। তিনি তৃণমূলের রাজ্য সংখ্যালঘু সেলের সম্পাদক ছিলেন। শুক্রবারই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। এরপর শনিবার অমিত শাহের সভা থেকে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন। এছাড়া রয়েছেন রাজ্যস্তরের তৃণমূল নেতা অধ্যাপক ওইদুল হক, হুগলির প্রাক্তন বিধায়ক পারভেজ রহমান, বীরভূমের দাপুটে নেতা করম হুসেন খান, হুগলির নেতা আলমগীর মোল্লা।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে শুভেন্দুর শ্লোগান ‘তোলাবাজ ভাইপো হঠাও’

তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বকে নিজের মূল প্রতিপক্ষ বলে চিহ্নিত করে নাম না করেই গর্জে উঠলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। মেদিনীপুর কলেজ মাঠের মঞ্চ থেকে বিজেপি নেতার হুঙ্কার, তোলাবাজ ভাইপো হঠাও। সমস্তরকম জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শনিবার শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদান করেন। অমিত শাহ তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে দলে বরণ করে নেন। অমিত শাহকে দাদা বলে সম্বোধন করে বললেন, আমার যখন কোভিড হয়েছিল, ২১ বছর ধরে যে দলে ছিলাম , সেই দলের কেউ খোঁজ নেননি। অমিতজি খোঁজ নিয়েছেন। তিনি বলেন, অর্জুন সিংহের বিরুদ্ধে ১০০টি মামলা হয়েছে। আপনাদের সকলকে আশ্বস্ত করছি, শুভেন্দু কারও উপর নজরদারি করবে না, মাতব্বরি করবে না। কর্মী হিসেবে কাজ করবে। পতাকা লাগাতে বললে, তাইই লাগাব। পার্টি যা নির্দেশ দেবে, সেটাই করব। আমি ছাত্র রাজনীতি করে এসেছি, সব কাজই গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে মনে করি। আমি সিঁড়ি দিয়ে উঠে এসেছি। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের দলটা ভিতর থেকে পচে গিয়েছে, খোলা চিঠি শুভেন্দুর তিনি আরও বলেন, আমায় মুকুল রায় বলেছিলেন, আত্মসম্মানবোধ থাকলে তৃণমূলে থাকবি না। তুই বিজেপিতে চলে আয়। তাঁর কথা রাখতে পেরেছি। আত্মসম্মান আছে বলেই তৃণমূল ছেড়েছি। আজ যিনি আমাকে পৃথিবীর সবথেকে বড় পার্টি পরিবারে প্রাথমিক সদস্য হিসাবে গ্রহণ করলেন আমার বড় ভাই অমিত শাহ। বললেন বিজেপি বহুত্ববাদে বিশ্বাস করে। দেশের শান অমিতজি। ২০১৯ সালে নির্বাচনে জেতার পর যশস্বী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা পূরণ করেছেন। ২০১৪ সালে নির্বাচনে দলকে উত্তরপ্রদেশে বিশাল জয় পাইয়ে দিয়েছিলেন। অশোক রোডে পুরনো পার্টি অফিসের ছোট্ট ঘরে দর্শন দেন তিনি। সুযোগ করে দিয়েছিলেন তৎকালীন রাজ্যের পর্যবেক্ষক সিদ্ধার্থনাথ সিং। ভাইয়ের মতো ভালবাসেন আমায়। শুভেন্দু বলেন, আজকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পার্টিতে যোগ দিলাম। জাতীয়তাবাদ, বহুত্ববাদ, দেশপ্রেমে বিশ্বাস করে এই দল। বসুধৈব কুটুম্বকম, সর্বজন হিতায় সর্বজন সুখায় আদর্শ মেনে চলে। পাশাপাশি তাঁর দিতে ওঠা অনেক অভিযোগের জবাব দিলেন কড়া ভাবে। বলেন, অনেকে আমাকে বিশ্বাসঘাতক বলছে! অনেকে বলছেন মায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছি। আমার মা গায়ত্রী দেবী। আর দেশ আমার মা। আর কেউ আমার মা নয়। এবারও দ্বিতীয় হবেন মমতা, প্রথম হবে বিজেপিই। এবার বাংলায় বিজেপিরই সরকার হবে। মোদীর হাতে বাংলাকে না তুলে দিলে রাজ্যের সর্বনাশ হবে, এমন তোপ দাগেন শিশির পুত্র। তাঁর দাবি, মা বলতে হলে ভারতমাতাকে বলব, অন্য কাউকে নয়।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
দেশ

আগামী বছর চার দফায় জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন‌ পরীক্ষাঃ রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক

আগামী বছর চার দফায় হবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন পরীক্ষা। বুধবার পড়ু্য়া, অভিভাবকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক। প্রথম দফা পরীক্ষা আয়োজিত হবে ২৩ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি। এরপর মার্চ, এপ্রিল এবং মে মাসে আয়োজিত হবে বাকি তিন দফার পরীক্ষা। করোনা আবহে চলতি বছরে কোনও বোর্ডই সঠিক সময়ে তাঁদের সিলেবাস শেষ করে পরীক্ষা আয়োজিত করতে পারেনি। প্রত্যেক বোর্ডকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পরীক্ষা নিতে হবে। আর তাই এই চার দফায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে কোনও পরীক্ষার্থী সুযোগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হন। এদিন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে রেজিস্ট্রেশনও। চলবে আগামী বছর ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। অনলাইনে টাকা জমা দেওয়া যাবে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। আরও পড়ুন ঃ নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম দুই জঙ্গি এছাড়াও তিনি জানান, আগামী বছর কোনও পড়ুয়া চাইলে চার দফার পরীক্ষাতেই বসতে পারবেন। এই চারটির মধ্যে যে পরীক্ষায় তিনি বেশি নম্বর পাবেন, মেরিট লিস্ট তৈরির সময় সেটিকেই ওই পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বর হিসেবে ধরা হবে। এছাড়া এবার থেকে পরীক্ষায় গণিত, রসায়ন এবং পদার্থবিদ্যার ৩০টি করে মোট ৯০টি প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে প্রত্যেক পড়ুয়াকে ৭৫টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সেকশন এতে থাকবে ২০টি এমসিকিউ প্রশ্ন এবং সেকশন বিতে থাকবে ১০টি। এই বি সেকশনেরই ১০টির মধ্যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে পড়ুয়াদের। আগামী বছর কোনও পড়ুয়া চাইলে চার দফার পরীক্ষাতেই বসতে পারবেন। এই চারটির মধ্যে যে পরীক্ষায় তিনি বেশি নম্বর পাবেন, মেরিট লিস্ট তৈরির সময় সেটিকেই ওই পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বর হিসেবে ধরা হবে। এছাড়া এবার থেকে পরীক্ষায় গণিত, রসায়ন এবং পদার্থবিদ্যার ৩০টি করে মোট ৯০টি প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে প্রত্যেক পড়ুয়াকে ৭৫টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সেকশন এতে থাকবে ২০টি এমসিকিউ প্রশ্ন এবং সেকশন বিতে থাকবে ১০টি। এই বি সেকশনেরই ১০টির মধ্যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে পড়ুয়াদের।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি নেতার যোগ তৃণমূলে

মঙ্গলবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন লিওস কুজুর। ২০১৬-তে কুমারগ্রাম বিধানসভা থেকে বিজেপির প্রতীকে প্রার্থী ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তৃণমূলের তরফ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মন্ত্রীর হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন বিজেপি নেতা লিওস কুজুর। তিনি জানান, শাসকদল আদিবাসীদের উন্নয়নে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছে। তাতে সন্তুষ্ট হয়েই আদিবাসী মানুষেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ভরসা করতে পাকরছেন। মানুষের স্বার্থে তৃণমূলে যোগদান করলাম। আরও পড়ুন ঃ মাঝেরহাট ব্রিজের নাম জয় হিন্দ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত লিওস কুজুর। ২০১৬-তে উত্তরবঙ্গের কুমারগ্রাম বিধানসভার বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, প্রতিদিনই বিজেপির তরফ থেকে বলা হচ্ছে, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসার জন্য অনেকে মুখিয়ে রয়েছে। ঠিক সেসময় শ্রমিক ও আদিবাসীদের নেতার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগ দিলেন মিহির গোস্বামী

অবশেষে তৃৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। প্রসঙ্গত, শুক্রবার তিনি তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন। এদিন তিনি দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে কেন্দ্রের শাসকদলে যোগদান করেন। তাঁর যোগদানের সময় উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও অর্জুন সিং। কৈলাস বিজয়বর্গীয় তার গলায় উত্তরীয় পড়িয়ে দলে বরণ করে নেন। বিজেপিতে যোগ দিয়ে মিহির গোস্বামী বলেন, আমি ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়েছি৷ আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে যে অনাচার চলছে, দুর্নীতি ও ঠিকাদারি সংস্থার রাজত্ব তৈরি হয়েছে তার প্রতিবাদেই আমার এই সিদ্ধান্ত। স্বাধীনতার পর থেকে বাম ও ডানপন্থী উভয় জামানায় উত্তরবাংলার প্রতি যে বঞ্চনা, ধারাবাহিকভাবে যে অবহেলা হয়ে এসেছে তার প্রতিবাদে আমার ধর্মযুদ্ধ বলতে পারেন ৷ রাজনৈতিক জীবনের প্রান্তে এসে, আমি আমার বাংলার নতুন দিনের ভোট দেখতে চাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে আমরা উত্তরবঙ্গের মানুষ সুদিন দেখতে পাব ৷ আরও পড়ুন ঃ মারের বদলা মারের নিদান দিলীপের প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে থেকে দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামীর। বারবার দলের নেতা-মন্ত্রী এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিধায়ক। দলের তরফে প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও পরবর্তীতে একাধিক নেতা কথা বলেন মিহিরবাবুর সঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে আসে বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে মিহির গোস্বামীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা। তখন থেকেই শুরু কানাঘুষো। অনেকের মনেই ধারণা তৈরি হয়, সাংগঠনিক পদত্যাগের পাশাপাশি এবার মিহিরবাবু দলবদলও করতে চলেছেন। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত এই জল্পনাকে প্রশ্রয় দেননি বিধায়ক। বরং বারবারই জানিয়েছেন, দলবদল নিয়ে কখনওই কিছু ভাবেননি তিনি। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দলের প্রতি অভিমান ব্যক্ত করে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন বিধায়ক। সেখানেই লেখেন, আজ এই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আমার যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই। আমি আশা করছি, আমার দীর্ঘদিনের সাথী, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা আমাকে মার্জ্জনা করবেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজ্য

শুভেন্দুর জেলার তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগ

প্রত্যাশামতোই বিজেপিতে যোগ দিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ খান। বুধবার তিনি মেচেদাতে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। তাঁরা সিরাজ খানের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। কয়েকদিন আগেই তিনি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে দেখেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমি একজন মৎস্যজীবী। আমাকে মৎস কর্মাধ্যক্ষ না দিয়ে খাদ্য দফতর দেওয়া হয়েছে। সেখানে কোন কাজ করতে পারছি না। এছাড়াও খাদ্য দফতরের বিরুদ্ধে তিনি গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছিলেন। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রের টাকা দিদির ভাইয়েরা লুটেপুটে নিচ্ছেঃ দিলীপ তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা নিয়ে তোলপাড় পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক মহল। এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর অরাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে দল বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা তলে বহু দিন ধরেই কোনও কর্মসূচিতে নন্দীগ্রামের বিধায়ককে দেখা যাচ্ছে না। এদিকে শুভেন্দুর সঙ্গেই দলের সাংসদ সৌগত রায়ের বৈঠক চলছে। এখনও পর্যন্ত কোনও রফাসূত্র মেলেনি বলেই জানা গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের এক মুসলিম তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগ দেওয়া খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে মিমের একাধিক নেতার যোগ তৃণমূলে

রাজ্যে মিমের একাধিক নেতা যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তৃণমূলে যোগ দেওয়া মিমের বাংলার নেতৃত্বের তালিকা পড়ে শোনান ব্রাত্য বসু। সোমবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে ব্রাত্য বসু বলেন, এআইএমএমের পশ্চিমবঙ্গের সব থেকে বড় স্তম্ভ, সব থেকে বড় মুখ। যিনি এ রাজ্যে মিমের ভিত সেই আনোয়ার হোসেন পাসা সহ রাজ্যের নানা জেলা থেকে মিমের একাধিক নেতা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। এই সরকারের কাজে ও উন্নয়নে আকৃষ্ট হয়ে মিমের রাজনীতিতে বিতশ্রদ্ধ হয়ে এঁরা সবাই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। জামিরুল হাসান মিমের তেমন কোনও নেতা নয় বলে পাল্টা দাবি করেছেন আনোয়ার পাসা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে আমলাদের দুর্নীতি নিয়ে সরব ধনকড় পাসা বলেন, জামিরুল হোসেনকে কেউ চেনে না। উনি একজন শিল্পপতি। উনি একবছর হয়েছে দলে এসেছেন। আনোয়ার হাসান পাসাকে সকলে চেনে।। সারা বাংলায় আমরা মাটিতে থেকে সংগঠনের কাজ করেছি। আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে সার্বিক শক্তি দিয়ে ঝাঁপাব। এরাজ্যে বিজেপিকে রুখবই। বিহার হতে দেব না। পাসা আরও বলেন, ধর্মীয় মেরুকরণের চেষ্টা করা হচ্ছে দেশজুড়ে। এটাই এখন দেশে সবচেয়ে বড় সংশয়। সব ধর্মের সহাবস্থান বাংলায়। তাতে বিভাজনের চেষ্টা হচ্ছে।বিহারে ক্ষমতায় এসেছে ধর্মীয় মেরুকরণ করেই। বিহারে যা হয়েছে বাংলায় তা হতে দেওয়া যাবে না। গেরুয়া শক্তিকে রুখতে মমতার হাত শক্ত করুন।অন্যদিকে, বাংলার মিম নেতা সৈয়দ জামিরুল হাসান বলেন, আনোয়ারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। দল ৬ মাস আগেই আনোয়ার সহ অন্যদের সাসপেন্ড করেছে। এঁরা এখন মিমের কেউ নয়।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ

আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি করিনি। বাংলার মানুষ যদি চায় , তাহলে আমাদের ভাবতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন চাওয়া প্রসঙ্গে শুক্রবার এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের রাজ্য দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, রাজ্যে যেভাবে বিরোধীদের কন্ঠ রোধ করা হচ্ছে , গ্রেফতার করা হচ্ছে , শেষকৃ্ত্যে সামিল হতে গেলে বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের মামলা দেওয়া হচ্ছে , তাতে অনেকেই মনে করছেন রাজ্যে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা হোক। আরও পড়ুন ঃ খুনের রাজনীতি বন্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়া হবেঃ বাবুল দিলীপবাবু এদিন আরও বলেন, আমরা আমাদের দলের লোকদের নিয়ে কাজ করছি। যারা আসছেন , তারা আমাদের সহযোগিতা করতে আসছেন তৃণমূল বলুক , পিকে বহিরাগত না দলের? তার কথাতেই দল চলছে। তার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত দলের বহু নেতা। কই আমাদের দলে তো তা নয়। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যে বক্তব্য রাখছেন , সে বিষয়ে তিনি বলেন , মন্ত্রীদের বক্তব্যের ক্ষেত্রে সীমা থাকা উচিত। তিনি আরও বলেন , নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। বাংলার মানুষকে পুলিশ ও গুন্ডা দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। শুভেন্দু প্রসঙ্গে তিনি বলেন , মুষলপর্ব শুরু হয়েছে তৃণমূলে। ওদের দলে যে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে , পরে তা আরও বাড়বে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, বাংলাকে গুজরাত বানাবই। ওরা পারলে আটকে দেখাক। এদিন বিভিন্ন দল থেকে বিজেপিতে কয়েকশো কর্মী যোগ দেন। যারা এদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন তারা হলেন , নন্দীগ্রাম ২ নং ব্লক বয়াল ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পবিত্র কর , উপপ্রধান বিশ্বজিৎ ভুইয়্যা , তুহীন জানা । এছাড়াও বিভিন্ন বিভিন্ন অঞ্চলের বুথ সভাপতিও তৃণমূলে যোগ দেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal