• ৩ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Increasing

রাজ্য

corona Update: দেশে নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ, চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্য

আশঙ্কাই সত্যি হল। দুর্গাপুজো শেষ হতেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতার করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যান। এ শহরের দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় প্রায় ২০০-র কাছে পৌঁছেছে। দুদিনের মধ্যেই কলকাতার নতুন সংক্রমণ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।আরও পড়ুনঃ গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্যকলকাতা ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়ও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে নতুন আক্রান্ত বেড়ে প্রায় ৭০০ হয়েছে। সংক্রমণের দৈনিক হারও ঊর্ধ্বমুখী। সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯০ জন। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের নীচে রয়েছে দেশের কোভিড গ্রাফ। যেহেতু দেশে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছ উৎসবের মরশুম, সেই কারণে সংক্রমণে দাড়ি টানতে বারবার সতর্ক হতে বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারপর বিগত কয়েকদিনের এই সংক্রমণ গ্রাফ অনেকটাই আশা জোগাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে আম-জনতাকে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৩ হাজার ৫৯৬ জন। করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ হাজার ৪৭০ জন।দেশের মৃত্যুর গ্রাফও নিম্নমুখী। গত একমাস আগেও ভয় ধরাচ্ছিল মৃতের সংখ্যা। কখনও ২০০ কখনও বা ৩০০-র গণ্ডি ছুঁইছুঁই ছিল সেই সংখ্যাটা। এরপর তা কমে দেড়শোর কম হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯

রাজ্যে ফের কিছুটা বাড়ল করোনার সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যুও। শনিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। রবিবারের বুলেটিনে দুক্ষেত্রেই পারদ উপরের দিকে উঠেছে। একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৬২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। একই সময়ের মধ্যে করোনা মুক্ত হয়েছেন ৬৩৪ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ১৪৮টি। পজিটিভিটি রেট ২.৩০ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্যএক লাফে কলকাতার সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৯ জন। মারা গিয়েছেন চারজন। শনিবার ১০৮ জন কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছিলেন। একজনের মৃত্যু হয়েছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, দার্জিলিংয়েও একজনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা তিন করে। হুগলিতে দুজন করোনার বলি হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মারা গিয়েছেন একজন।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Corona: পুজোর মুখে বাংলায় ফের বাড়বাড়ন্ত করোনার

পুজোর মুখে ফের আতঙ্ক বাড়াচ্ছে রাজ্যে কোভিডের সংক্রমণ। পর পর চারদিন সাতশোর উপরে একদিনের সংক্রমণ রয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুও দুই সংখ্যার নিচে নামেনি। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৭০৮ জন। মৃত ১৩। এদিকে, পুজোয় সংক্রমণের রাশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে জমায়েত এড়াতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ বছরও গতবারের মতো পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি। এবারও পুজো মণ্ডপে প্রবেশ করা যাবে না। করোনার সংক্রমণে পুজো মণ্ডপগুলিতে যাতে কোনও ভাবেই স্বাস্থ্যবিধি অমান্য না করা হয়, সেই দাবিতেই আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল।গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। এখানে সংক্রমিত হয়েছে ১৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে চারজনের। এরপরই উত্তর ২৪ পরগনার নাম। এখানে একদিনে সংক্রমিত ১১৬ জন। মৃতের সংখ্যা এখানেও চার। একদিনের সংক্রমণে তৃতীয় স্থানে হুগলি। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৯ জন। এরপরই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ার নাম। পুজোর মুখে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে একটা আতঙ্ক রয়েই গিয়েছে। টিকাকরণ হলে বড় বিপদের ঝুঁকি কম ঠিকই। কিন্তু সংক্রমণ হবে না, এমন কথা কোনও বিশেষজ্ঞই দেননি। ফলে শিশু কিংবা যাঁদের বয়সটা অনেক বেশি বা কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের কাছে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ার কথা।গত চারদিনে সাতশোর নিচে নামেনি সংক্রমণ। নিঃসন্দেহে যা উদ্বেগের বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২৮ সেপ্টেম্বর একদিনে এ রাজ্যে সংক্রমিত হয়েছিলেন ৭০৮ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। পরদিন অর্থাৎ ২৯ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৭৪৮-এ। মৃত্যু হয় ১৪ জনের। ৩০ সেপ্টেম্বর একদিনে করোনা আক্রান্ত হন ৭৪৯ জন। মৃত্যু হয় ১৫ জনের।

অক্টোবর ০২, ২০২১
দেশ

Corona: ফের বাড়ছে সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল

দেশে এক লাফে অনেকটা বাড়ল সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ৯২ জন। এই সংখ্যা গত দুমাসে সর্বোচ্চ। ১ জুলাই আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ হাজার ছাড়িয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩৭ জন।করোনা মুক্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ১৮১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০৯ জনের।দেশের বর্তমানে মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে কেরল। গতকাল কেরলে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৮০৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭৩ জনের। তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩৭ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫২৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ২০ লক্ষ ২৮ হাজার ৮২৫ জন।এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা নিয়েছেন ৬৬ কোটি ৩০ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩৩৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকা নিয়েছেন ৮১ লক্ষ ৯ হাজার ২৪৪ জন।আরও পড়ুনঃ একযোগে বিষপান লায়লা-মজনু কাকিমা-ভাইপোর, মৃত এক, অন্যজন সংকটজনক গোটা অতিমারি পর্বে দেশে মোট প্রাণ গেল ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫২৯ জনের। অগস্টের মাঝামাঝিতে যখন সংক্রমণে কিছুটা হলেও কম ছিল, তখন সক্রিয় রোগী কমে সাড়ে তিন লক্ষের নীচে নেমেছিল। গত কয়েক দিন ধরে তা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে ১১ হাজার ৪০২। এখন দেশে মোট সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৮৩ জন।কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৩২ হাজার ৮০৩। মহারাষ্ট্রে সাড়ে চার হাজারের আশপাশেই থাকছে দৈনিক সংক্রমণ। তামিলনাড়ুতে দেড় হাজারের আশপাশে। কর্নাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশে অনেকদিন ধরেই ১২০০-র নীচে থাকছে আক্রান্তের সংখ্যা। ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক সংক্রমণ ৬০০ থেকে ৭০০-র ঘরে ওঠানামা করছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের বাকি রাজ্যগুলিতে আগের থেকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও মিজোরামের পরিস্থিতির ভয়ঙ্কর অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাডার ৯৯২ জন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
কলকাতা

Metro: মেট্রো যাত্রীদের জন্য স্বস্তির খবর!

করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের জেরে সংক্রমণ হু হু করে বেড়েছিল রাজ্যে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতেই অন্যান্য পরিষেবার মতো মেট্রো চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে মেট্রো চালু হলেও এখনও পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এ বার ফের বাড়ানো হচ্ছে মেট্রোর সংখ্যা। আগামী শুক্রবার থেকে বাড়ানো হচ্ছে মেট্রোর সংখ্যা। সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দিনে ২২৮টি করে মেট্রো চলবে কলকাতায়। অফিস যাত্রীদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরা-কাণ্ডের জের, অভিষেক-সহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে এফআইআরকলকাতা মেট্রো রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ১৩ অগস্ট, শুক্রবার থেকে মেট্রোর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে রাত ৯ টা র্পন্ত চলবে মেট্রো। অফিস টাইমে অর্থাৎ সকালের দিকে ও সন্ধের পর ৫ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে। সোম থেকে শুক্রবার দিনে মোট ২২৮টি অর্থাৎ আপ লাইনে ১১৪ টি ও ডাউন লাইনে ১১৪ টি ট্রেন চলবে। শনিবার চলবে মোট ১১৪ টি ট্রেন, আপ ও ডাউন লাউনে ৫২ টি করে মেট্রো চালানো হবে। রবিবার আপাতত কোনও মেট্রো চলবে না।ট্রেনের সংখ্যা বাড়লেও প্রথম ও শেষ ট্রেনের সময় অবশ্য একই থাকছে। অর্থাৎ সকালে প্রথম ট্রেন চলবে সকাল সাড়ে ৭টায়। সন্ধ্যায় শেষ মেট্রোর সময় রাত ৮টা। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা ও দুপুর সাড়ে ৩টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের মধ্যে ১০৪টি মেট্রো চলবে। তবে সেগুলি শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্যই। রবিবার আপাতত পরিষেবা বন্ধই থাকছে। এখনও স্মার্ট কার্ড নিয়েই যাত্রীদের উঠতে হবে ট্রেনে। টোকেন পরিষেবা শুরু হচ্ছে না বলেই জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

আগস্ট ১১, ২০২১
দেশ

Begging: দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

করোনা মহামারি কেড়ে নিয়েছে সাধারণ মানুষের অনেক কিছু। মাথায় হাত পড়ার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এর জেরে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। এমন সব খবর তো গত এক দেড় বছরে অনেক শোনা গিয়েছে। কিন্তু এবার যে খবর সামনে আসছে সেটা শুনে মুষরে পড়তে পারেন অনেকেই। দিল্লি সরকারের একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, দিল্লির রাস্তায় গত কয়েক মাসে ভিখারির সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট- এর সেই সার্ভের রিপোর্ট বলছে, করোনা মহামারির এই চূড়ান্ত দুঃসময়ে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বেকার হয়ে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিচলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেখানে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। দিল্লির রাস্তায় এখন ৫২ শতাংশ বেড়েছে বেকারের সংখ্যা। গত পাঁচ বছর ধরে বহু নতুন ভিখারি দেখা গিয়েছে দিল্লির রাস্তায়। সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, মাত্র ৮ শতাংশ ভিখারি ছোটবেলা থেকে ভিক্ষা করতে বাধ্য হয়েছে। আইএইচডি-র রিপোর্ট বলছে, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অশিক্ষা এবং শারীরিক সমস্যার জন্য ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য হয়েছেন অনেকে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় এমন মানুষদের ভিক্ষাবৃত্তি করতে দেখা গিয়েছে যাঁরা করোনা মহামারির সময় কাজ হারিয়েছেন। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন যাঁরা তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষের মাথার উপরে ছাদ নেই। অর্থাৎ শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় মাথা গোঁজার কোন ঠাই নেই তাঁদের। দিল্লির রাস্তায় ভিক্ষাবৃত্তি করা মানুষদের ৪৫ শতাংশ ঝুপড়িতে থাকতে বাধ্য হন। করোনা মহামারির জন্য কাজ হারিয়ে ভিক্ষা করতে বাধ্য হওয়া মানুষদের সংখ্যাটা উল্লেখযোগ্য। তাঁদের মধ্যে অনেকেই অবশ্য ছোটখাটো কাজ করেন। কিন্তু হাতে যা টাকা আসে তা দিয়ে সংসার চলে না। ফলে বাড়তি উপার্জনের জন্য তারা ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করছেন। কুড়ি শতাংশ ভিখারি এমন রয়েছেন যাঁরা এই পেশায় আসার আগে দিনমজুর, কারখানার শ্রমিক, পরিচারক বা পরিচারিকা হিসেবে কাজ করতেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
দেশ

Corona Update: ফের কপালে ভাঁজ ফেলছে করোনা

ফের বাড়ছে সংক্রমণের মাত্রা। পর পর ছদিন ৪০ হাজারের বেশি থাকার পর মঙ্গলবার দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ নেমেছিল ৩০ হাজারের ঘরে। বুধবার তা ফের ৪০ হাজার ছাড়িয়ে গেল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ হাজার ৬২৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ১৭ লক্ষ ৬৯ হাজার ১৩২।আরও পড়ুনঃ ফের উদ্ধার ২ বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহসংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের দৈনিক মৃত্যুও বেড়েছে বুধবার। দুদিন পর তা ফের ৫০০ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৬২ জনের। গোটা অতিমারি পর্বে করোনা ভাইরাস দেশে প্রাণ কাড়ল ৪ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৫৭ জনের। সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ফের বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় তা বেড়েছে প্রায় ৬ হাজার। এখন দেশে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৩৫৩ জন। সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ফের বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় তা বেড়েছে প্রায় ৬ হাজার। এখন দেশে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৩৫৩ জন।একমাত্র অন্ধ্র প্রদেশ ও মহারাষ্ট্রেই আর-ফ্যাক্টর ক্রমশ নিম্নমুখী। পশ্চিমবঙ্গ, নাগাল্যান্ড, হরিয়ানা, গোয়া, দিল্লি ও ঝাড়খণ্ডের আর-ফ্যাক্টর বর্তমানে ১-এ দাঁড়িয়ে রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন, যখনই আর ভ্যালু ১-র বেশি হবে, তার অর্থ হবে যে সংক্রমণ বাড়ছে এবং তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। উল্লেখ্য, আর ফ্যাক্টর ২ -র অর্থ হল একজন সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে দুইজন করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। আবার সেই দুইজনও নতুন করে আরও দুইজনকে সংক্রমিত করতে পারে। এভাবেই গোটা দেশজুড়ে সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়। এদিকে, করোনার আঁতুরঘর চিনেও ফের নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ। সবমিলিয়ে করোনা আতঙ্ক যেন থামতেই চাইছে না। অন্যদিকে, ভারতে তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কবার্তা জারি হয়ে গিয়েছে। একদল বিশেষজ্ঞর মতে, দ্বিতীয় ঢেউই নাকি এখনও শেষ হয়নি। তারমধ্যেই তৃতীয় ঢেউয়ের আগমনবার্তায় স্বাভাবিকভাবেই সাধারণের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। তারওপর টিকাকরণের গতিও ধীরেই এগোচ্ছে। পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না মেলায় এখনও দেশের ৫০ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিনের একটি ডোজ পর্যন্ত পাননি। সবমিলিয় উদ্বেগ বাড়ছেই।

আগস্ট ০৪, ২০২১
দেশ

রাজধানীতে লকডাউন বাড়ল আরও এক সপ্তাহ

সংক্রমণ কমার কোনও লক্ষণই নেই, তাই আরও এক সপ্তাহ বাড়ল দিল্লির লকডাউন। আজ এক ভিডিও বার্তায় একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।সব দিক পর্যালোচনা করেই লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।দিল্লিতে ক্রমশ বাড়ছে করোনা। সেই সঙ্গে অক্সিজেন ও হাসপাতালে শয্যা সংকটও চলছে। এই পরিস্থিতিতে আরও এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে দিল্লি সরকার, এমনটাই জানা গিয়েছিল। রবিবার দুপুরে সেই জল্পনাকে সত্যি করেই লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লির জন্য দৈনিক অক্সিজেন সরবরাহ ৪৮০ মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ৪৯০ মেট্রিক টন করেছে।দিল্লিতে প্রতিদিন ৭০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন কেজরিওয়াল। শনিবার দিল্লির জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালের তরফে জানা যায়, সেখানে অক্সিজেনের অভাবে ২৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। উৎপাদন কেন্দ্রগুলি থেকে কতটা অক্সিজেন হাসপাতালগুলিতে সরবরাহ করা হচ্ছে তার রেকর্ড রাখার একটি পোর্টাল তৈরি করছে দিল্লি সরকার। সেই পোর্টালে অক্সিজেনে সরবরাহের স্থিতি প্রতি ২ ঘণ্টায় আপডেট করা হবে। উৎপাদন কেন্দ্রগুলি থেকে কতটা অক্সিজেন হাসপাতালগুলিতে সরবরাহ করা হচ্ছে তার রেকর্ড রাখার একটি পোর্টাল তৈরি করছে দিল্লি সরকার। সেই পোর্টালে অক্সিজেনে সরবরাহের স্থিতি প্রতি ২ ঘণ্টায় আপডেট করা হবে।দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ২৪ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫৭ জনের, যা একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে গতকাল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির তরফেও জানানো হয় যে তাঁরা আরও দীর্ঘ লকডাউন চান।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
কলকাতা

শহরে জাল ছড়াচ্ছে ডার্কওয়েব

অপরাধেরর ধরণ পাল্টাচ্ছে কলকাতায়। ডার্কওয়েব ও সাইবার জালিয়াতি সংযুক্ত হচ্ছে অপরাধ জগতে। এবার এই আধুনিক অপরাধের মোকাবিলা করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিলেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। শনিবার প্রত্যেক থানার ওসি ও পুলিশ কর্তার সঙ্গে অপরাধ দমনে বৈঠক করেন পুলিশ কমিশনার। এই পদে দ্বিতীয়বারের জন্য আসার পর থানার ওসি ও পুলিশকর্তাদের নিয়ে এটিই তাঁর প্রথম বৈঠক। অপরাধ দমনের সঙ্গে সঙ্গে যাতে পুলিশের সুনাম বজায় থাকে, সেই ব্যাপারে আধিকারিকদের গুরুত্ব দিতে বলেন। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাহিনীদের থাকার জায়গা ও বাহিনী কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়।পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, কয়েক বছর আগে পর্যন্ত ডাকাতির সংখ্যা বেশি ছিল কলকাতায়। চুরি-ডাকাতির মতো অপরাধের পরিমাণ ক্রমশ কমে আসছে। কিন্তু বাড়ছে অন্য ধরণের অপরাধ।যার মধ্যে ডার্কওয়েব বা সাইবার অপরাধ রয়েছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার কলকাতা থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭৬ গ্রাম কোকেন। এই ধরনের মাদক ডার্কওয়েবের মাধ্যমে বিদেশ থেকে আনা হয়। এ ছাড়াও ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে যে ধরনের অপরাধ সংগঠিত হয়ে থাকে, সেই ব্যাপারে প্রত্যেক থানার ওসি ও পুলিশকর্তাদের জানানো হয়। এ ছাড়াও প্রত্যেকদিন কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাইবার অপরাধের অভিযোগ আসছে। সেই কারণে লালবাজার সাইবার থানা ছাড়াও প্রত্যেকটি ডিভিশনে তৈরি হয়েছে সাইবার সেল। সাইবার অপরাধের মোকাবিলা ব্যাপারে বিভিন্ন নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার। সামনেই তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী কলকাতায় আসছে। এর পর আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী শহরে আসবে। তাদের থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে করার নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাহিনী কলকাতার কোন কোন জায়গায় রুট মার্চ করবে, তা নিয়েও আলোচনা করেন লালবাজারের কর্তারা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২১
দেশ

ফের বাড়ল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

স্থায়ী হল না স্বস্তি। বুধবার ফের বাড়ল দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুও বাড়ল অনেকটা। তবে স্ব্স্তি দিচ্ছে দেশে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা। সুস্থতার হার বেশি থাকায় দেশে ক্রমশ কমছে চিকিৎসাধীন কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের বুধবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৬৭ জন। মঙ্গলবার এই সংখ্যাটা ছিল ৯ হাজার ১১০ জন। এক ধাক্কায় হাজারের বেশি বেড়েছে দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা। এর ফলে দেশে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ কোটি ৮ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৭১ জন। তবে মোট আক্রান্তের মধ্যে অধিকাংশ জনই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সরকারি হিসেব বলছে, ইতিমধ্যে দেশে করোনাকে জয় করেছেন ১ কোটি ৫ লক্ষ ৬১ হাজার ৬০৮ জন। যাঁদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডমুক্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৭ জন। যা দৈনিক সংক্রমিতের চেয়ে অনেকটাই বেশি।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের হিসেব বলছে, ইতিমধ্যে দেশে ৬৬ লক্ষ ১১ হাজার ৫৬১ জনের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে টিকাকরণ চললেও কোভিডবিধিতে ঢিলেমি করতে রাজি নয় সরকার। তাই আমজনতাকে সামাজিক দূরত্ববিধি এবং মাস্ক পরে চলার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal