• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

High Court

রাজ্য

এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতিঃ নিজাম প্যালেসে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শুরু হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ

সন্ধ্যে ৬টার আগেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজাম প্যালেসে প্রবেশ করলেন। ঠিক বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে লিফ্টে করে সিবিআই দফতরে উঠে যান প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআইেয়ের আধিকারিকরা। এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চের রায় বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চ। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি এসএসসির পাঁচ উপাদেষ্টাকে সিবিআই দফতরে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ডিভিশন বেঞ্চ কোনও স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হাজির হতে হবে। সেই মত সময়ের আগে পার্থবাবু সিবিআই দফতরে পৌঁছে যান। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন এই মামলায় রায় দিতে অস্বীকার করেছে। পার্থবাবুর আইনজীবী মৌখিকভাবে আবেদন করেছিলেন। এভাবে এই ধরনের মামলায় শুনানি সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিনে ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় শুধু পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হাজির হতেই বলেননি একই সঙ্গে সহযোগিতা না পেলে মন্ত্রীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। অর্থাৎ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কোনও রক্ষাকবচ পেলেন না আদালত থেকে। জানা গিয়েছে, বিকেল প্যন্ত বাড়িতেই আছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বিকেলের পরই বেরিয়ে পড়েন নিজাম প্যালেসেের দিকে। জানা গিয়েছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে আজ সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ আদালতের

রাজ্য়ের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের অফিসে আজ সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ শিক্ষাদফতরের পাঁচ উপাচেষ্টাকে বিকেল চারটের মধ্যে সিবিআইয়ের ওই দফতরে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। রাজ্যের আরেক মন্ত্রী পরেশ অধিকারীকেও সিবিআইয়ের কাছে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে তিনি ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করেছেন। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন এসএসসির ৭টা মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের সমস্ত রায় বহাল রেখেছে।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ শয়ে শয়ে ভুয়ো নিয়োগ, এসএসসিতে বড়সড় দুর্নীতি! আদালতে রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির রিপোর্ট

এসএসসি গ্রুপ সি দুর্নীতিতে শিক্ষা পর্ষদের উপাদেষ্টা-সহ কর্তাদের নাম জড়িয়ে গেল। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটি এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে। ১৮ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির পক্ষে আইনজীবী অরুনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৩৮১ জনের নিয়োগে নানা দুর্নীতি রয়েছে। তার মধ্যে ২২২জন পরীক্ষায় অংশই নেননি।বিচারপতি বাগ রিপোর্টে জানিয়েছে, ৫ জনের কমিটি বেআইনিভাবে গঠন করা হয়েছে। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সুপারিশে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আদৌ তা আইনসম্মত কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। বড়সড় দুর্নীতি হওয়ায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে এদিন।সূত্রের খবর, বাগ কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো সুপারিশপত্রের সঙ্গে জড়িয়েছেন কল্যানকুমার গঙ্গোপাধ্যায়। মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পর ৩৯১ জনকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে। ২২২ জনের কোনও প্যানেলে বা ওয়েটিং লিস্টে নাম ছিল না। তাঁদের পার্সোনালিটি টেস্টই হয়নি। এরা কেউ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এরা সুপারিশপত্র পেয়ে নিয়োগপত্র হাতে পান। তাঁদের নিয়োগও করা হয়েছে।আদালত সূত্রে খবর, শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়, অশোককুমার সাহারা এই কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর পাশাপাশি আরও একাধিক নামের উল্লেখ রয়েছে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে। শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়,অশোককুমার সাহাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মামলায় এফআইআর করা যেতে পারে বলে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২২
রাজ্য

সিবিআইতে হাজিরাঃ ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে আপতত স্বস্তিতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী

আপতত স্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব। এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সিবিআইতে হাজিরার হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল আজ, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেসের দফতরে হাজির হতে হবে। এমনকী এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডেও ভর্তি হতে পারবেন না বলে নির্দেশ দেয় আদালত। প্রয়োজনে গ্রেফতার করা যেতে পারে। আগামিকাল সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ফের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে।এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাজিরা সংক্রান্ত বিষয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ কোনও মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, কী আইনি প্রক্রিয়া চলছে তা শুনেছি। কিন্তু এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। এর আগে এসএসসি দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় প্রক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করুন বলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে বলেছিলেন কুণাল। সেই বক্তব্যের জের বহুদূর পর্যন্ত গড়িয়েছিল। পাল্টা কুণালের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এদিকে বিজেপির বক্তব্য, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা খুবই জরুরি। তা হলেই সত্যের উদ্ঘাটন হবে।

এপ্রিল ১২, ২০২২
রাজ্য

এবার ডিভিশন বেঞ্চে 'রক্ষাকবচ'-এর আবেদন খারিজ, অস্বস্তি বাড়ল অনুব্রতর

গরু পাচার মামলায় অস্বস্তি কাটছে না তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মণ্ডলের। প্রথম দফায় হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ অনুব্রতর আবেদন নাকচ করে দিয়েছিল। এবার রক্ষাকবচ-এর আবেদন খারিজ করল ডিভিশন বেঞ্চেও। একাধিকবার বীরভূম জেলা তৃণমূবল কংগ্রেসের সভাপতিকে তলবি নোটিশ পাঠায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। শেষ নোটিশ পাঠায় গত ৪ মার্চ। সিবিআইয়ের দেওয়া নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অনুব্রত। দুবারই রক্ষাকবচের আর্জি খারিজ হওয়ায় দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতার সমস্যা বাড়ল বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।গরু ও কয়লা পাচার নিয়ে সিবিআই তদন্ত করছে। বেআইনি ভাবে কোটি কোটি টাকার কারবার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বিনয় মিশ্র বিদেশে আত্মগোপন করেছেন। সেখান থেকে এদেশে আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে সিবিআই। গরু ও কয়লা পাচার চক্রের কোটি কোটি টাকা ঘুর পথে প্রভাবশালীদের কাছে যায়। জিজ্ঞাসাবাদে নাম উঠে আসে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তাঁকে বারে বারে ডেকে পাঠালেও আদালতের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। এদিন সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ বহাল রাখে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।বোলপুরে বা তাঁর বাড়ির কাছাকাছি কোনও জায়গায় যাতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সেই ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন অনুব্রত মণ্ডল। এমনকী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেও তিনি জিজ্ঞাসাবাদে হাজির থাকতে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন। সিবিআই মনে করছে, সর্বত্র অনুব্রত যাতায়াত করছেন। অথচ সিবিআই দফতরে তিনি আসতে চাইছেন না। সেটাই তো বড় প্রশ্ন। আদালতে রক্ষাকবচ খারিজ হওয়ায় ফের অস্বস্তিতে পড়েছেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

রামপুরকাণ্ডে হাইকোর্টের নির্দেশের পরই সিটের থেকে এফআইআর কপি চাইল সিবিআই

রামপুরহাট হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সূত্রের খবর, হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পর রাজ্য পুলিশের সিটের সঙ্গে কথা বললেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের অফিসাররা। সিটের থেকে এফআইআরের কপি চাইলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। মামলা রুজু করে তারপর কেস ডায়েরি হাতে নেবে সিবিআই। এদিকে সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, সিটের তরফেও তদন্তে সবরকম সাহায্য করা হবে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ফোনে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের অর্ডার কপি হাতে পাওয়ার পরই সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা যোগাযোগ করেন সিটের সদস্যদের সঙ্গে। এরপর ই-মেল মারফত এফআইআরের কপি চাওয়া হয়েছে বলে খবর। রামপুরহাটে মূলত দুটি ঘটনার তদন্ত চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা তথা পঞ্চায়েত উপপ্রধান ভাদু শেখের খুন এবং তারপর সোনা শেখের বাড়ি-সহ এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। এক্ষেত্রে বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাতে রাজ্য পুলিশের তরফে যে এফআইআর করা হয়েছে, সেই এফআইআরের কপি চেয়ে পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।জানা গিয়েছে, এই এফআইআর কপি হাতে পাওয়ার পর সিবিআই নিজেদের তদন্তকারী দল গঠন করবে। তারপর যত দ্রুত সম্ভব সেই তদন্তকারী দল রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে পাঠাবে সিবিআই। এখনও পর্যন্ত সূত্র মারফত যা খবর, তাতে শনিবার সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল যেতে পারে বগটুই গ্রামে। সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবের বিশেষজ্ঞ দল ইতিমধ্যেই বগটুই গ্রাম থেকে ঘুরে গিয়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

বগটুই নিয়ে হাইকোর্টের রায়, তৃণমূল কী বলছে?

বগটুই কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এই রায়ের কোনও বিরোধিতা করবে না তৃণমূল কংগ্রেস, জানিয়েছেন দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তবে তদন্ত নিয়ে রাজনীতি হলে গণ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন কুণাল।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সমস্ত অ্যাকশন হয়েছে। আমরা সিবিআই তদন্তের নির্দেশের বিরোধিতা করব না। আমরা সহযোগিতা করব। আমরা বলব সঠিক বিচার হোক। বিজেপির আর এক ভাই সিবিআই। সিবিআই বিজেপির পক্ষে। রাজ্য সরকার তো ব্যবস্থা নিয়েছে। রবীন্দ্রনাথের নোবেল চুরি, নন্দীগ্রামের ঘটনায় সিবিআই বিচার দিতে পারেনি। এ টু জেড সবই বিজেপির কেনা। দুদিন আগেই রাজ্যপাল বলেছেন, এবার কী হয় দেখতে পাবেন।এখনও সারদা, নারদা কাণ্ডের তদন্ত শেষ করতে পারেনি সিবিআই। তৃণমূল মুখপাত্রের হুঁশিয়ারি, যদি দেখা যায় ন্যায় বিচার হয়নি, নির্দিষ্ট ঘটনার পরিধি পার করে অন্য রাজনীতি করে তাহলে গণ আন্দোলন হবে। বৃহত্তর ষড়য়ন্ত্রের আড়াল করছে তার প্রতিবাদ হবে।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ বগটুই কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

বগটুইকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতির তত্বাবধানে সিবিআই তদন্ত হবে। রাজ্য় সরকারের হাতে এই মামলা থাকছে না। উল্লেখ্য বগটুই মোড়ে স্থানীয় তৃণমূল উপপ্রধান ভাদু শেখ খুন হন। তারপরই বগটুই গ্রামের ৮ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে খুন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় সিট গঠন করা হয়েছে। তবে এদিন আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, শীঘ্রই ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করতে হবে সিবিআইকে। সিট আর কোনও তদন্ত করতে পারবে না। প্রধান বিচারপতি নিজেই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই মামলা করেছেন। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে বলেছে সিবিআইকে।রাজ্য আর তদন্ত করতে পারবে না। প্রধান বিচারপতি নির্দেশনামায় বলা হয়েছে, ২২ মার্চ সিট গঠন করা হয়েছিল। তবে কোনও উল্লেখনীয় পদক্ষেপ করা হয়নি। রামপুরহাট থানার কাছাকাছি গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে। থানা থেকে কোনও পুলিশ আধিকারিক এসে গ্রামবাসীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেনি। পুলিশ কর্মীদের তদন্তে একাধিক গাফিলতির কথা উল্লেখ রয়েছে। ঘটনাস্থলে টাওয়ার ডাম্পিং টেকনোলজি ব্যববার করা হয়েছে কীনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এদিকে এদিন বিধানসভায় লাগাতার বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিজেপি। রাজ্য সরকারকে বিবৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে বিজেপি। এদিন নির্দিষ্ট ভাবে বিজেপির দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে বিবৃতি দিতে হবে। বিধানসভায় না জানিয়ে বাইরে কেন বলছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভাকে অন্ধকারে রেখে যা খুশি করছে রাজ্য সরকার। টানা এদিন ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি বিধায়করা।

মার্চ ২৫, ২০২২
কলকাতা

রামপুরহাট কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হাইকোর্টে

রামপুরহাট কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। আজই শুনানি হবে মামলাটির। বেলা ২টোয় শুনানি। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করে আদালত রামপুরহাট কাণ্ডকে কড়া ভাষায় নিন্দা করে। রামপুরহাটের ঘটনাকে শকিং, ঘোরতর অপরাধ বলে উল্লেখ করে আদালত। এই ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলে।প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই রামপুরহাট কাণ্ডে উপপ্রধান খুন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায়, দুটি পৃথক মামলা রুজু হয়েছে। জোড়া মামলার তদন্ত করছে সিট। আজ সব মামলারই একসঙ্গে শুনানি হবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। এখনও পর্যন্ত রামপুরহাটে কাণ্ডে ইতিমধ্যেই মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে ২২ জনকে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, উপপ্রধান খুনে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মার্চ ২৩, ২০২২
দেশ

বাধ্যতামূলক নয় হিজাব, জানাল কর্নাটক হাইকোর্ট

বড় ধাক্কা খেলেন হিজাবের পক্ষে আন্দোলনরত পড়ুয়ারা। হিজাব পরা বাধ্যতামূলক ধর্মীয় অনুশীলন নয়, রায় দিল কর্নাটক হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল হিজাব পরা নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে হাইকোর্টে দায়ের হওয়া সমস্ত পিটিশন। এর ফলে হাইকোর্টে জয় হল রাজ্য সরকারেরই।গোলমালের আশঙ্কা করে কর্নাটক সরকার এক সপ্তাহের জন্য বেঙ্গালুরু শহরে বড় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ম্যাঙ্গালুরুতেও ১৫ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ সমস্ত বড় জমায়েত। হিজাব বিতর্কের ভরকেন্দ্র উদুপিতে মঙ্গলবার বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ।গত পয়লা জানুয়ারি কর্নাটকের উদুপিতে একটি প্রি-ইউনিভার্সিটিতে কয়েকজন হিজাব পরিহিত পড়ুয়াকে ক্লাসে বসতে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। কলেজ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি বিজেপি বিধায়ক রঘুপতি ভাট স্পষ্ট জানিয়ে দেন, হিজাব পরিহিতরা ক্লাসে ঢুকতে পারবেন না। সেই বিতর্ক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য জুড়ে। হিজাবের পাল্টা হিসেবে গেরুয়া উত্তরীয় পরে আন্দোলন শুরু করে একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। কয়েকটি জায়গায় হিজাবের পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলনকারীরা মুখোমুখি হয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গেও একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েকটি জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। শান্তির আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। সমস্ত স্কুল, কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মার্চ ১৫, ২০২২
রাজ্য

আনিস-মৃত্যু তদন্তে রাজ্য পুলিশেই ভরসা হাইকোর্টের

ছাত্রনেতা আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের রিপোর্টও ইতিমধ্যেই এসেছে বলে সূত্রের খবর। সেখানে আনিসের মৃত্যুর কারণ খুব স্পষ্ট নয় বলে সূত্রের দাবি। এরইমধ্যে সোমবার রাজ্য পুলিশের হাতে এই ঘটনার তদন্তভার রাখার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সিটই এই ঘটনার তদন্ত করবে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এদিন বলেন, আপাতত রাজ্য পুলিশ আনিসের মৃত্যুর তদন্ত করবে।অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বিচারপতির, রাজ্যের পুলিশ পৃথিবীর কারও থেকে কম নয়, যদি কেউ তাদের বাধা না দেয়। নিজেদের প্রমাণ করার সময় এটা। তারাই এই ঘটনার তদন্ত করবে। আগামী একমাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।এদিন আদালত জানিয়ে দিয়েছে, অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছাড়া এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে তদন্তের সময়সীমা বাড়ানো হবে না। একইসঙ্গে তদন্তকারীদের এক সপ্তাহের মধ্যে ফরেনসিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং কোনওভাবে প্রভাবিত না হয়ে তদন্ত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

আনিস হত্যায় সিটের হাতেই তদন্তভার বহাল রাখল হাইকোর্ট, দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ

আনিস হত্যা-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি, রাজ্যের দাবি মেনে ছাত্রনেতার দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। তবে তা হাওড়ার জেলা আদালতের বিচারকের তত্ত্বাবধানে হবে।শুক্রবার মধ্যরাতে হাওড়ার আমতায় আনিস খানের মৃত্যুতে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভের আবহে সোমবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই মামলা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। ওই মামলায় সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা রাজ্যের থেকে তিন দিনের মধ্যে আনিসের মৃত্যুর ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছিল। তার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আনিস-মামলার শুনানি ছিল। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতকে জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, ওই সিটের সদস্যেরা প্রত্যেকেই অভিজ্ঞ। তাঁদের প্রত্যেকের সিআইডি-তে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এরই সঙ্গে তিনি জানান, ওই দলে বিভিন্ন ক্ষেত্রের আরও সাত জন রয়েছেন।এর পরেই বিচারপতি মান্থা জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আনিসের দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করা হবে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন হাওড়া জেলা আদালতের বিচারক। দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের সময় ওই বিচারক বা তাঁর মনোনীত কোনও ব্যক্তিকে উপস্থিত থাকতে হবে।আদালতের তরফে জানানো হয়, তদন্তের স্বার্থে আনিসের পরিবারের থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে হায়দরাবাদে পাঠানো হবে। সেখানে সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে মোবাইল ফোনটির পরীক্ষা করা হবে। মোবাইল পরীক্ষার সময় উপস্থিত থাকতে হবে ন্যাশনাল ইনফর্মেটিক সেন্টারের এক জন প্রতিনিধিকে। জেলা বিচারকদের পর্যবেক্ষণে মোবাইলের তথ্য বন্ধ খামে আদালতে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি, এই মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে বলেছে আদালত। হাইকোর্টের নির্দেশ, সিটকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ ডি মামলায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব

গ্রুপ সি-র পর এবার এসএসসি-র গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলাতেও সিবিআই অনুসন্ধানে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জানাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলার রিপোর্ট কমিটিকে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে।স্কুলের গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে প্রায় ৮০০ জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই ঘটনার সিবিআই তদন্তেরও নির্দেশ দেয় একক বেঞ্চ। তবে রাজ্য একক বেঞ্চের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতি মামলাটিতেও স্থগিতাদেশ দেয়।প্রসঙ্গত, গ্রুপ ডি পদে যে ৫৭৩ জনের নিয়োগ দুর্নীতির মামলা হয়েছে তাতে অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ শুক্রবার পর্যন্ত বজায় রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার।আদালতের আরও নির্দেশ, আদালতের কাছে জমা পড়া ভুয়া নিয়োগ সুপারিশপত্র সঙ্গে বাগ কমিটির কাছে থাকা নথি মিলিয়ে দেখতে চায় ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার কমিটির কোনও প্রতিনিধি তাদের কাছে জমা পড়া নিয়োগ সুপারিশপত্রের কিছু নমুনা মুখবন্ধ খামে জমা দেবে আদালতে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

আনিস খান হত্যা মামলা এবার হাইকোর্টে

ছাত্রনেতা আনিস খান হত্যাকাণ্ডের জল গড়াল কলকাতা হাইকোর্টেও। রহস্যমৃত্যুর আসল কারণ কী, তা জানতে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার আরজি জানিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচি। দুপুর ২টোয় লিখিত পিটিশন জমা দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের। এদিকে, ঘটনার তদন্তে আমতায় ছাত্রনেতার বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি ডিএনটি সুব্রত ভৌমিক। নিহতের বাবা সালাম খানের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এদিকে এই ঘটনায় এবার হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী পুলক রায়ের মাধ্যমে আনিসের বাবাকে নবান্নে ডেকে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার দুপুর তিনটে নাগাদ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন আনিসের পরিজনেরা।সোমবার আনিসের বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি সুব্রত ভৌমিক। আমতা থানার ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজ্য সরকারের চাকরির প্রস্তাব তাঁর বাবাকে দেওয়া হয়। যদিও তিনি আগে বিচার চেয়ে বসেছেন। দুদিন কেটে গেলেও এখনও অধরা অভিযুক্ত। এই ঘটনায় হয়নি কেউই। উল্লেখ্য, সোমবার আনিসের বাড়িতে ভর্তি পুলিশ। আনিস আগে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি। তিনি হুমকি পাচ্ছিলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে কোনও গুরুত্বই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

উঠল কোভিড ছাড়, এখন থেকে পুরো বেতন দিতে হবে বেসরকারি স্কুলগুলোকে

করোনা আবহ কেটে গিয়েছে। তাই এবার স্কুলগুলির টিউশন ফি-র উপর থেকে ছাড় দেওয়াও শেষ। আগামী মাস থেকেই এই টিউশন ফি ছাড়ে ইতি পড়তে চলেছে। ১ মার্চ থেকে টিউশন ফি ঠিক করবে সংশ্লিষ্ট স্কুলই। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে স্কুলগুলি আবার নিজেদের মতো করে বেতন চাইতে পারবে পড়ুয়াদের অভিভাবক-অভিভাবিকাদের থেকে। শুক্রবার এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ইন্দ্র প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।কোভিডের বাড়বাড়ন্ত নিয়ন্ত্রণ আনতে রাজ্য সরকার লকডাউন ঘোষণা করে। সেই সময় বন্ধ থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি স্কুলগুলি ফি নিতে থাকে। এর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করেন অভিভাবকরা। ২০২০ সালে ওই মামলার প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল বেসরকারি স্কুলগুলির পড়ুয়ারা ৮০ শতাংশ বেতন দেবে। একই সঙ্গে আদালত বলে, বেসরকারি বেতন নিয়ে যত বিতর্ক থাকুক, কোনও পড়ুয়াকে স্কুল থেকে বিতাড়িত করা যাবে না। এই সঙ্গে প্রতিটি পডুয়াকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে।পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হাওয়ার ফলে শুক্রবার আদালত নির্দেশ দিয়েছে পড়ুয়াদের এখন থেকে ফি ও অন্যান্য চার্জ-সহ পুরো বেতনই দিতে হবে। এর সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, বকেয়া ফি-র ৫০ শতাংশ অভিভাবকদের স্কুলগুলিকে দিতে হবে। আগামী ২৫ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি।হাইকোর্টের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলিই নিজেদের মতো করে স্থির করতে পারবে টিউশন ফি। এ ক্ষেত্রে আদালত জানিয়েছে, করোনা পরিস্থিতি অতিক্রম করে এসে স্কুলগুলি খুলে গিয়েছে। সেই জন্য এবার থেকে আগের মতোই পুরো ফি স্কুলগুলিকে দিতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল হাইকোর্ট

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার সেই মামলা খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানায়, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে রক্ষাকবচ দিয়েছে সংবিধান। সংবিধানের ৩৬১ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজ্যপালকে নোটিস দেওয়া যায় না। আদালতের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন রাজ্যপাল। তাই রাজ্যপালের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ করে দিল আদালত।রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মামলাটি করেন আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার। তাঁর বক্তব্য ছিল, এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে সরকারি কাজে বাধা দিচ্ছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল সংবিধান বহির্ভূত কাজ করছেন বলেও আদালতে জানান মামলাকারী।অন্যান্য কাজের থেকে রাজ্য সরকারের সমালোচনায় তাঁর বেশি আগ্রহ। এদিন আদালত সেই মামলাই খারিজ করে দিয়েছে।প্রসঙ্গত, রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে এর আগে একাধিকবার সরব হয়েছে এ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। রাজ্যপালকে সরানোর দাবিতে সংসদে স্বতন্ত্র প্রস্তাবও আনা হয়। আপাতত এই স্বতন্ত্র প্রস্তাব নিয়ে এগোনোর জন্য রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের সম্মতি প্রয়োজন। তিনি যদি এতে সম্মতি দেন তারপরই এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। এই চিঠির মুখ্য বিষয়ই হল, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে যেন ফিরিয়ে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতিই যেহেতু এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাই চিঠিতে তাঁর কাছেই সে আবেদন জানানো হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধানেও স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় এখনই সিবিআই অনুসন্ধান নয়। এখনই কারও চাকরিও যাচ্ছে না। শুক্রবার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথাও একটা দুর্নীতি হয়েছে ঠিকই। তবে এখনই সিবিআই অনুসন্ধান বা কারও চাকরি যাওয়ার নির্দেশ বহাল রাখছে না আদালত। আগামী মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।চলতি সপ্তাহে ৩৫০ জন গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন ওঠে আদালতে। ৩৫০ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একইসঙ্গে এই নিয়োগ ঘিরে সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। এর আগে গ্রুপ ডি নিয়োগের মামলাতেও একই ধরনের নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মূলত, ৩৫০ জনের নিয়োগ ভুয়ো বলে মামলা দায়ের হয়। অবিলম্বে তাঁদের বেতন বন্ধ করার কথা বলেন বিচারপতি।সরকারি আইনজীবী অনির্বাণ রায় বলেন, মামলার আবেদনপত্রে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। এই মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং পর্ষদকে যুক্ত করা হয়নি। তাদের যুক্ত করতে বলেছে আদালত। অন্যদিকে মামলাকারীদের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত আবেদন করেন, মামলাটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য রাখা হোক। এই মুহূর্তে স্থগিতাদেশে তাঁদের কোনও আপত্তিও নেই বলেই জানান তিনি। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। এদিন বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন বলেন দুর্নীতি হয়েছে। তবে আপাতত স্থগিতাদেশ সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

নজিরবিহীন নির্দেশ হাইকোর্টের, ৩৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি

৩৫ সপ্তাহের গর্ভবতী এক মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল হাইকোর্ট। শারীরিক সমস্যার কারণেই এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট এই নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার বেঞ্চে ছিল এই মামলার শুনানি। গর্ভপাতের জন্য নিজেই আবেদন করেছিলেন ওই মহিলা। তাঁর হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী সুতপা সান্যাল। রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই এই গর্ভপাতে অনুমোদন দেয়নি রাজ্য সরকার। এরপরই ওই মহিলা আদালতের দ্বারস্থ হন।আদালতের নির্দেশে এ ভাবে গর্ভপাত করানোর ঘটনা নতুন নয়। যদিও ৩৫ সপ্তাহ পর এই অনুমতি অনেকটাই নজিরবিহীন। গর্ভবতী মহিলার সম্মত্তি নিয়েই বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা।উত্তর কলকাতার বাসিন্দা এক মহিলা এই আবেদন জানিয়েছিলেন। বিয়ের পর থেকেই শারীরিক সমস্যা ছিল তাঁর। বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও সন্তান হয়নি তাঁর। অবশেষে অনেক চিকিৎসার পর তিনি গর্ভবতী হন। কিন্তু সন্তান গর্ভে ধারণ করার পর থেকেই শুরু হয় ফের সমস্যা। সময় যত বাড়তে থাকে সমস্যাও তত বাড়তে থাকে।মামলাকারী বর্তমানে ৩৫ সপ্তাহের গর্ভবতী। বহু বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছেন শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে তাঁর। যদি না এই মুহূর্তে গর্ভপাত করানো হয়, তাহলে মায়ের জীবনের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। গর্ভস্থ সন্তানেরও শারীর সমস্যা রয়েছে। তাই গর্ভপাতের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা।২০২১ সালের গর্ভপাত আইন সংশোধনী অনুযায়ী, ধর্ষিতা, নাবালিকা, শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে অথবা স্বামী মারা গিয়েছেন বা ডিভোর্স হয়েছে, এমন প্রসূতিদের গর্ভপাত করানো যাবে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে। গর্ভস্থ ভ্রূণের বিশেষ ত্রুটি থাকলেও করানো যাবে গর্ভপাত। জীবনের ঝুঁকি থাকলেও এই আইন প্রযোজ্য। সব ক্ষেত্রেই একটি মেডিক্যাল বোর্ড শারীরিক অবস্থা দেখে চূড়ান্ত অনুমতি দেবে। সেই অনুসারেই ৩৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে এদিন গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

সমস্ত ব্যাংকে বাংলায় পরিষেবার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করল বাংলা পক্ষ

রিজার্ভ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটা ব্যাংককে সেই রাজ্যের ভাষাতেও পরিষেবা দিতে হবে। অর্থাৎ বাংলার সমস্ত ব্যাংকে বাংলা পরিষেবা দেওয়াই আইন। না দেওয়া বেআইনি। অথচ বাংলায় ব্যবসা করা অধিকাংশ ব্যাংকই বাংলা ভাষায় পরিষেবা দেয় না। ২০১১-র আদমশুমারী অনুযায়ী বাংলায় ৮৬% বাঙালি এবং বাঙালিদের মধ্যে ৮২% বাঙালি বাংলা ছাড়া অন্য ভাষা জানে না। ব্যাংকগুলো শুধুমাত্র হিন্দি ও ইংরেজিতে পরিষেবা দেয়, সমস্যায় পড়ে সাধারণ বাঙালি। নিজের মাটিতে কেন বঞ্চিত হবে বাঙালি? বাংলায় পরিষেবার দাবিতে গত চার বছরে প্রায় ৮০০ ব্যাংকে ডেপুটেশন দিয়েছে বাংলা পক্ষ।যাতে সমস্ত ব্যাংকে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যায়, সেই দাবিতে আজ ১৭ ই ফেব্রুয়ারী বাংলা পক্ষর তরফে শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনস্বার্থ মামলা দাখিল করল কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির কোর্টে। বাংলা পক্ষর লিগ্যাল টিম এই বিষয়ে কাজ করেছে, নেতৃত্বে হাইকোর্টের আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবনাথ। আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবনাথ, সাগ্নিক ভট্টাচার্য ও পুনম বসু এই মামলা দায়ের করেন। কোর্টে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় ও শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি ও অন্যান্যরা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

১০৮ পুরসভার ভোট গণনা ২ মার্চ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

২ মার্চ ১০৮ টি পুরসভার ভোটগণনা। বিজ্ঞপ্তিতে জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। স্ক্রুটিনির জন্য আরও এক দিন বরাদ্দ। ২৭ ফেব্রুয়ারি যে ১০৮ পুরসভার ভোট, তার গণনার দিন আগে ঘোষণা করা হয়নি। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, ২ মার্চ ১০৮ পুরসভার ভোটগণনা হবে।এক্ষেত্রে যদি চার পুরসভার ভোটের কথা উল্লেখ করা যায়, তাহলে দেখা যাবে ১২ ফেব্রুয়ারির পর ১৪ ফেব্রুয়ারি, মাত্র এক দিন পরই গণনার দিন স্থির হয়েছিল। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছিল, যে দিন ভোট হল, সেই রাতেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে স্ক্রুটিনি করা সম্ভব? কারণ যদি পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা থাকে, তাহলে সেটা একদিন পরই করতে হবে। কোথাও হয়তো পুনর্নির্বাচনের ভাবনা নেই, তাই কমিশন এই ধরনের পদক্ষেপ করেছে। এমনও অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের আগের দাবি মেনে স্ক্রুটিনির জন্য এক দিন সময় বাড়াল।এদিকে, ১০৮ পুরসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায় কি না, জানাতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপির দায়ের করা মামলায় নির্দেশ প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের। একই সঙ্গে দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধান প্রকল্প ওই পুরএলাকায় বন্ধ রাখা যায় কিনা, তাও জানাতে হবে রাজ্যকে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি। তার মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বিরোধীদের অভিযোগ সম্পর্কে কী ভাবছে রাজ্য সরকার, তা মামলার শুনানিতে জানতে চায় আদালত। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা আছে? দুয়ারে সরকার পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি বন্ধ রাখা যায়? সে বিষয়ে তথ্য চায় হাইকোর্ট। রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই মর্মে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়। আগামী সোমবার মামলার শুনানি। ওইদিনই হলফনামা জমা দিতে হবে। এছাড়াও রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোটকেন্দ্রগুলির সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal