• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fruit

কলকাতা

'দিদিমা' বলে ডেকে গলা কেটে খুন! শহরের বুকে ফের প্রবীণ নাগরিকদের ওপর হামলা

দক্ষিণ কলকাতার নেতাজিনগর এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় একা থাকা এক বৃদ্ধার উপর নৃশংস হামলা চালিয়ে বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে এক পরিচিত ফল বিক্রেতার বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিনি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্ত বৃদ্ধার নাম কৃষ্ণা রায়চৌধুরি। তাঁর বয়স ছিয়াত্তর বছর। তিনি একাই বাড়িতে থাকতেন। এলাকার পরিচিত ফল বিক্রেতা সুকুমার বৈদ্য প্রায়ই তাঁর বাড়িতে যেত। বৃদ্ধা তাঁর কাছ থেকে ফল কিনতেন এবং গাছের প্রতি শখ থাকায় সুকুমার মাঝে মধ্যে গাছও এনে দিত।এই পরিচয়ের সুযোগ নিয়েই অভিযুক্ত বাড়ির ভিতরে যাতায়াত শুরু করে। দিদিমা বলে ডাকত সে। কিন্তু তার নজর ছিল বৃদ্ধার সোনার গয়নার দিকে। গত শুক্রবার কাজের অছিলায় একটি ছুরি নিয়ে বাড়িতে ঢোকে সুকুমার। সেই সময় বৃদ্ধা রান্নাঘরে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ পিছন থেকে গলায় ছুরি চালায় সে। গুরুতর জখম হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন বৃদ্ধা। এরপর তাঁর গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।প্রায় কুড়ি মিনিট পরে বাড়ির পরিচারিকা এসে দরজা খোলা দেখে সন্দেহ করেন। ভিতরে ঢুকে রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধাকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রথমে সরকারি হাসপাতালে এবং পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।ঘটনার খবর পেয়ে তদন্তে নামে নেতাজিনগর থানার পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। আশেপাশের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। তবে ঘটনার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ ছিল।পুলিশ তার খোঁজে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায়। প্রথমে নিজের বাড়ি ছেড়ে সে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে সেখান থেকেও পালিয়ে যায়। নামখানা, বকখালি ঘুরে শেষ পর্যন্ত বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় পৌঁছয় সে।অবশেষে পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে তাকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে লুট করা সোনার গয়নাও উদ্ধার হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং একা থাকা বয়স্কদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

সাগর পেরিয়ে হিম-সাগর! দুবাই, ইংল্যান্ডে বসেই মালদার হিমসাগরের স্বাদ

বিদেশে রপ্তানি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে মালদার আম। এই বছর হিমসাগর প্রজাতির আম বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে আম পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। গতদুই বছর আগে মালদহের আম বিদেশে রফতানি হয়েছিল। বিভিন্ন কারণে গতবছর মালদহের আম বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়নি। এই বছর মালদহের আম বিদেশে পাঠাতে প্রথম থেকে উদ্যোগ নিয়েছেন বেশ কিছু রফতানিকারক। তাঁদের প্রচেষ্টাতেই মালদহের আমের গুনগত মান যাচাই করে ভাল আম বিদেশে পাঠাতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে হিমসাগর আমকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে মালদহের হিমসাগর বিদেশে পাড়ি দিবে।উদ্যান পালন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মরশুমে মালদহে আমের ফলন অনেকটাই কম হয়েছে। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার জন্য এবার আমের ফলনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে এমনটাই দাবি উদ্যান পালন দফতরের। স্থানীয় বাজারে আমের দাম এবার চড়া। তারপরেও বেশ কিছু রফতানিকারক সংস্থা এবছর মালদহের আম বিদেশে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ওয়েস্ট বেঙ্গল এক্সপোর্টার কো-অর্ডিনেশন কমিটির সম্পাদক উজ্জ্বল সাহা বলেন, দুবাই ও ইউকেতে প্রথম পর্যায়ে আম পাঠানো হবে। এই দুটি দেশে প্রথমে ১৩০০ কেজি আম পাঠানো হবে। সমস্ত আম হিমসাগর প্রজাতির। প্রথম পর্যায়ের আম দুটি দেশে ভাল বিক্রি হলে আগামীতে ধাপে ধাপে আরও আম পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে বিদেশে আম রফতানির সমস্ত রকম প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বেছে বেছে জেলার যে সমস্ত বাগানে ভাল মানের আম রয়েছে সেগুলি পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম পর্যায়ের আম বিদেশে পাড়ি দিবে।

জুন ২৮, ২০২৪
টুকিটাকি

তীব্র গরমে কি খাবেন কি আর কি খাবেন না, জেনে নিন

২০২৪ র উষ্ণতম মাস এপ্রিল। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে জনজীবন। ভয়ঙ্কর দাবদহে রাস্তাঘাট শুনশান। পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় অতিরিক্ত আদ্রতার কারনে এই সময় শরীর থেকে প্রচুর ঘাম ঝড়ে। অতিরিক্ত ঘামের কারনে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে ক্লান্তি, অস্বস্তি, মাথা যন্ত্রণা, মাথা ঘোড়ার মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। তাই শরীরের জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে জল বা পানীয় এবং জল যুক্ত ফল খেতে হবে।এই তীব্র গরমে কী কী ধরনের খাবার আমাদের শরীরের জন্য উপাদেয়, সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুষ্টিবিদ অতসী সাহা দত্ত এই গরমেও শরীরকে সুস্থ্য রাখতে বেশ কিছু খাবারের কথা উল্লেখ করেছেন, যা এই তীব্র দাবদহেও শরীরকে সুস্থ রাখবে। দেখে নেওয়া যাক সেই সমস্ত খাবারের তালিকাঃজলঃপূর্ণবয়স্ক একজন নারীর সারাদিনে অন্তত ২.৫লিটার থেকে ৩ লিটার ও একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দিনে ৩ লিটার থেকে ৩.৫ লিটার পরিশুদ্ধ জল পান করা উচিত। যাঁরা কিডনি রোগে ভুগছেন তাঁরা চিকিৎসকের সাথে কথা বলে তাঁর পরামর্শমত জল পান করবেন।এই তীব্র দাবদহে পাতিলেবু বা অন্য যেকোনও ফলের শরবত খাওয়া যেতে পারে। ডাবের জল, তরমুজ খুবই কার্যকর এইসময়ে। এই ধরনের ফল খুব সহজেই মানুশের শরীরের জলের চাহিদা পূরণ করে। ডাব বা ফলের শরবত খেলে জলের সাথে সাথে আমাদের শরীরের যে খনিজ লবণের প্রয়োজন তার চাহিদাও পূরণ হয়।সবজিঃফল বা জলের সাথে সাথে বেশ কিছু সব্জীও আমাদের শরীরে জলাভাব কাটাতে সাহায্য করে। যেমন, কাঁচা পেঁপে, পটল, ধুন্দুল, ঝিঙ্গে, শসা, চিচিঙ্গা, গাজর, কুমড়ো, লাউ, পালংশাক, টমেটোতেও জলের পরিমাণ বেশি থাকে। শরীরে জলাভাব কমাতে এই ধরনের সব্জী আমাদের অবশ্যই খাবার তালিকায় রাখাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, এই সময় রান্না যেন কোনোমতেই রিচ না হয়। এইসময়, আম বা তেঁতুল দিয়ে রান্না করা টক ডাল, সজনে ডাঁটা দিয়ে ডাল শরীর ঠান্ডা রাখতে খুব সাহায্য করে।মরসুমি ফলঃআমঃ এই সময় বাজারে খুব-ই সহজলভ্য কাঁচা আম। কাঁচা আম দিয়ে তৈরি ডাল, শরবত, বা কাঁচা আম পুড়িয়ে শরবত, আম পান্না শরীরের জল শূন্যতা দূর করার জন্য খুব উপকারি। কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। এছাড়া কাঁচা আমে ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি ও আছে, যা মানব দেহ ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।তরমুজঃ এছাড়া এই সময় বাজারে প্রচুর পরিমাণে তরমুজ পাওয়া যায়, এই তরমুজ ও শরীর ঠান্ডা করার জন্য খুব উপকারি। তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও খনিজ লবণ, যা এই গরমে শরীরের জন্য ভীষণ দরকার।পেঁপেঃ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এবং যারা শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান (ওবেসিটি) তাদের জন্য ভিটামিনের একটি চমৎকার উৎস হতে পারে পেঁপে। কোলেস্টেরল কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ বাড়াতেও এই ফলের জুড়ি মেলা ভার। পেঁপেতে আছে ভিটামিন সি, ফাইবার এবং ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে।আখের রসআখের রস-ও শরীরকে ঠান্ডা রাখতে খুবই কার্যকরী। আখের রসের সাথে বিট নুন, পুদিনাপাতা এবং পাতি লেবুর রস মিশিয়ে খেলে এর স্বাদও বৃদ্ধি পায়, সাথে সাথে পুষ্টিগুণও অনেকগুন বেড়ে যায়।বেলের শরবতবেলের আরেক নাম অমৃত ফল। একটি পাকা বেল রোজ খেলে বহু রোগ নিরাময় হয় বলে জানা যায়। বেলে আছে বিটা-ক্যারোটিন, প্রোটিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-১ এবং বি-২, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ফাইবার। বেলের শরবত পাকস্থলী ঠান্ডা রাখতে খুব কার্যকর।পুদিনার শরবতশরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে ও পাকস্থলীতে গ্যাস নিয়ন্ত্রণে পুদিনার জুড়ি মেলা ভার। শরীর সতেজ রাখার জন্য পুদিনার শরবত অতুলনীয়।যা খাবেন নাকোনও ভাবেই তীব্র দাবদাহ মাথায় নিয়ে ঠান্ডা পানীয় পান করবেন না। সাময়িক আরাম আপনার ভয়ঙ্কর বিপদ ডেকে আনতে পারে। এই ধরনের কার্বনেটেড বেভারেজ (স্ফট ড্রিঙ্ক) আমরা গরমের সময় প্রচুর খেয়ে থাকি, যা একেবারেই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। রোদ্দুরে দাঁড়িয়ে গরম চা বা কফি বা গরম কোনও খাবার এই সময় না খেলেই মঙ্গল।খাবেন নাঃ# বাইরের খোলা শরবত,# ঝাল মশালা যুক্ত খাবার,# ফাস্ট ফুড / জাঙ্ক ফুড# ভাজা বা পোড়া খাবার

এপ্রিল ১৯, ২০২৪
রাজ্য

চেরি ফল, কমলা ও লিচু দিয়ে সাজানো গাড়িতে চড়ে বিয়ে করতে গিয়ে তাক লাগালো বর

বিয়ে করতে যাবার আগেই রীতিমতো সেলিব্রিটি বনে গেলেন বর। আর এর কারণটাও যথেষ্ট সড়া ফেলে দেওয়ার মতোই। ঐতিহ্য মনে নতুন ধুতি পাঞ্জাবি পরিহিত বর অভিষেক ঘোষ মাথায় টোপর চাপিয়ে ও গলায় রজনীগন্ধার ঝুলিয়ে বিয়ে করতে যাবার জন্য রওনা হন ঠিকই। কিন্তু বরের গাড়িটি অর্থাৎ বাহনটি ছিল একেবারে ব্যতিক্রমি সাজে সজ্জিত। ফুল নয়, তার বদলে চেরি ফল, লিচু ,কমলা লেবু আর লিচুর পাতা দিয়ে অপরুপ ভাবে সাজানো ছিল বরের গাড়ি। যা দেখে নেটিজেনদের পাশাপাশি মুগ্ধ কণে পরিবারের সদস্যরাও।বর অভিষেক ঘোষের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার হরগোবিন্দপুর গ্রামে। নিজের বিয়েতে ব্যতিক্রমি কিছু একটা করার ইচ্ছা জাগে সংস্কৃতি মনস্কো অভিষেকের। তাই এই ব্যাপারে সে বেছে নেয় বিয়ে করতে যাবার গাড়িটিকেই। যেমন ভাবা তেমনই কাজ। এর জন্যে অভিষেক যোগাযোগ করে জামালপুরের হাটতলা এলাকা নিবাসী শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পালের সঙ্গে। তিনি অভিষেককে ফুলের বদলে হরেক রকম ফল দিয়ে বিয়ে করতে যাবার গাড়িটি সাজানোর প্রস্তাব দেন।সেই প্রস্তাব তৎক্ষণাত অভিষেক লুফে নেয়। চেরি ফল ,লিচু, কমলা লেবু আর লিচু গাছের পাতা দিয়ে সাজানো চারচাকা গাড়িতে চড়েই অভিষেক বৃহস্পতিবার রাতে পাত্রীর বাড়ি মেমারির দেবীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।এর আগে আঙুর আর চেরি ফল দিয়ে বরের গাড়ি সাজিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পাল। আর এবার লিচু, চেরি ফল আর কমলা লেবু দিয়ে বরের গাড়ি সাজিয়ে সকলের প্রশংসা কুড়িয়ে নিলেন শিল্পী রবীন্দ্রনাথ। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন ফুল দিয়ে বরের গাড়ি সাজানোটার মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই। সেই তুলনায় হরেক রকম ফল দিয়ে বরের গাড়ি সাজানোর মধ্যে আলাদা একটা চমক থাকে। অভিষেকও তাঁর নিজের বিয়েতে তেমন চকমই দিতে চেয়েছিল। তাই ৩ কেজি চেরি ফল,২৬ কেজি লিচু, ৬০ টি কমলা লেবু ও লিচু গাছের পাতা দিয়ে বর অভিষেকের গাড়িটি নজরকাড়া ভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন। বর হিসাবে অভিষেককে বাকিদের থেকে আলাদা ভাবে তুলে ধরতেই এতসব কর্মকাণ্ড বলে শিল্পী দাবী করেছেন।অভিষেক ঘোষ জানান, বিয়ে করতে যাবেন বলে তাঁর বাহন টিকে শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পাল যে ভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন তা এককথায় অভিনব। এর সব ক্রেডিটটাই শিল্পীর। শিল্পীর এই ভাবনার তারিফ তাঁর শ্বশুর বাড়ির লোকজনও না করে পারেন নি। অভিষেক এও বলেন,ফল দিয়ে সাজানো গাড়িতে চড়ে বিয়ে করতে গেছি দেখে কনে বাড়ির আমন্ত্রিতরাও মুগ্ধ। আমিও বাহবা কুড়োলাম।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
হেঁসেল

এঁচোড়ের গুলি কাবাব

কাবাব নামটা শুনলেই কত রকম নাম মনের মধ্যে উঁকি দেয়, কখনও লাহোরের সেই বিখ্যাত ফুড স্ত্রীট-এর গালৌটি কাবাব বা লখনৌ-র টুন্ডে কাবাব... । তবে তাঁর সবই আমিষ পদ এবং মাংস দিয়ে বানানো। আজ আমরা একেবারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে এক নিরামিষ কাবাব বানাবো।উপকরণঃ ১। এঁচোড় - ৫০০ গ্রাম২। ছানা - ২০০ গ্রাম৩। ময়দা - ৫০ গ্রাম৪। কাঁচা লঙ্কা - ৩-৪ টি (পরিমাণ মত)৫। আদা (কুচি করে কাটা) - ১ টেবিল চামচ৬। আদা বাঁটা - ১ টেবিল চামচ৭। গরম মশলা - ১ চা চামচ৮। ভাজা ধনে - ১ চা চামচ৯। লঙ্কা গুঁড়ো - ১ চা চামচ১০। কাজু বাদাম (বাঁটা) - ৮ - ১০ টি১১। চারুমগজ - ১ চা চামচ১২। টম্যাটো (কুচি করে কাটা) - ১ টি১৩। টক দই - ২ টেবিল চামচ১৪। জায়ফল ও জয়েত্রী গুঁড়ো - ১ চা চামচ১৫। নুন (স্বাদ মত)১৬। চিনি (স্বাদ মত)১৭। ফ্রেশ ক্রীম - ২ টেবিল চামচপদ্ধতিঃ১। এঁচোড় সেদ্ধ করে জল ঝড়িয়ে শুকনো করে নিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। ২। সেই মন্ড-র সাথে ছানা, ময়দা, আদা কুচি, লঙ্কা কুচি, ভাজা মশালা, স্বাদ মত চিনি ও নুন দিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। ৩। তারপর সে মণ্ডটিকে দুই হাতের সাহায্যে গোল গোল আকৃতি করে গড়ে নিয়ে একটি শুকনো পাত্রে রাখতে হবে।৪। এবার কড়াইয়ে সরষের তেল দিয়ে সেটা গরম হয়ে গেলে ছাঁকা তেলে বল গুলিকে ভেজে নিতে হবে।৫। এবার অন্য একটি পাত্রে সরষে তেল ও ঘি মিশিয়ে তাতে সমস্ত মশালা (টক দই, টম্যাটো, আদা বাঁটা, গরম মশলা, ভাজা ধনে গুঁড়, লঙ্কা গুঁড়ো, কাজু বাদাম বাঁটা, চারুমগজ বাঁটা, জায়ফল ও জয়েত্রী গুঁড়ো) এক এক করে দিয়ে ভালো করে কষতে হবে। ৬। মশলা কষা হয়ে গেলে তাতে গুলি কাবাব গুলি ঢেলে দিতে হবে। কাবাব দেওয়ার পর খুব বেশী ঘাঁটাঘাটি করবেন না, তাতে কাবাব গুলির ভেঙে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। ৭। কষা হয়ে গেলে উপর থেকে গাওয়া ঘি, ফ্রেশ ক্রীম ও ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।মৌমিতা চট্টোপাধ্যায় (বর্ধমান)

এপ্রিল ১৭, ২০২২
বিদেশ

চতুর্থ বৈঠকও নিস্ফলা, ইউক্রেনের দাবি মানতে নারাজ রাশিয়া

চতুর্থ বৈঠকও সম্পূর্ণ নিস্ফলা। ১৫ দিন বাদেও রফাসূত্র মিলল না রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের। বৃহস্পতিবারই তুরস্কে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সার্গেই লাভরভের সঙ্গে বৈঠক করেন। কিন্তু সেই বৈঠকেও কোনও রফাসূত্র মেলেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের উপরে রাশিয়া সামরিক অভিযান শুরু করার পর এই প্রথম দুই বিদেশমন্ত্রী মুখোমুখি বৈঠকে বসেন।বৈঠক শেষে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা জানান, ইউক্রেনের তরফে যুদ্ধবিরতি ও মারিউপোল থেকে মানবিক করিডর তৈরির আর্জি জানানো হয়েছিল, কিন্তু রাশিয়ার তরফে সেই আবেদন স্বীকার করা হয়নি। অন্যদিকে, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী লাভরভ জানান, বেলারুশে কূটনৈতিক স্তরের আলোচনার বিকল্প হতে পারে না। তবে দুইপক্ষেই ফের একবার বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছেন যুদ্ধ থামানোর রফাসূত্র খোঁজার জন্য।ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী বলেন, আমি রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী লাভরভের কাছে খুব সহজ একটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আমি ইউক্রেনের মন্ত্রী, কর্তৃপক্ষ, প্রেসিডেন্টকে এখুনি ফোন করতে পারি এবং মানবিক করিডর তৈরির জন্য ১০০ শতাংশ নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে পারি। আমি ওনার কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে উনিও একই কাজ করতে পারবেন কিনা। উনি কোনও উত্তর দেননি।এদিকে, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর দাবি, ইউক্রেনের প্রতিনিধি কেবল বৈঠকে যোগ দিতে হবে, সেই কারণেই এসেছিলেন। যুদ্ধবিরতির দাবি আলোচ্য বিষয় ছিল না। তিনি পরমাণু আক্রমণ বা যুদ্ধের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিতে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি না যে ইউক্রেনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব পরমাণু যুদ্ধের আকার নিতে পারে। আমি এটা বিশ্বাস করিনা এবং করতেও চাই না।

মার্চ ১১, ২০২২
টুকিটাকি

Black food diet: মারণ রোগমুক্ত জীবন চান? রোজকার ডায়েটে রাখুন কালো খাবার

সুস্থ থাকতে সবুজ শাকসবজি এবং রঙিন ফল খাওয়া উচিত, এ বিষয়ে বারবার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।কিন্তু কখনও কালো খাবার খাওয়ার ব্যাপারে কাউকে উৎসাহ দিতে দেখা যায় না। এমন অনেক কালো রঙে ফল বা সবজি রয়েছে, যা সত্যিই শরীরের জন্য উপকারী ও নিয়মিত ডায়েটে সেই খাবারের প্রাধান্য বৃদ্ধি করা উচিত। ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এই ধরণের খাবার খাওয়া সত্যিই উচিত।ব্ল্যাক ফিগস- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই কালো রঙের ফিগস খুব পরিচিত। এই ফল অত্যন্ত মিষ্টি ও সুস্বাদু। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ফাইবার, যা সামগ্রিকভাবে পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। ওজন কমানোর জন্যও এই উপকারী ফল দারুণ কার্যকরী। এছাড়া ক্যান্সার রোধের জন্য কালো রঙের এই ডুমুর জাতীয় ফল খাওয়া অত্যন্ত ভাল। উচ্চ রক্তচাপ ও হাইপারটেনশনের মোকাবিলার জন্য ব্ল্যাক ফিগস খাওয়া যেতে পারে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণব্ল্যাক বেরিজ- স্বাস্থ্যের সুবিধার ক্ষেত্রে এই বেরিগুলি স্ট্রবেরি এবং ব্লুবেরিগুলির মতো অন্যান্য বেরিগুলিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম। হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক অসুখের প্রবণতাকে হ্রাস করে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করে। এই ফল মহিলাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অনিয়মিত পিরিয়ডস, ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে যন্ত্রণা উপশম করতে এই ফল বেশ কার্যকরী। ব্ল্যাক বেরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান, যার ফলে ত্বকের পরিপূর্ণ দেখভালের জন্যও সহায়তা করে এই বেরি। স্মুদি, স্যালাদ, প্যানকেক, মিষ্টি জাতীয় মেনুতে এই বেরির ব্যবহার অতুলনীয়।কালো তিল- এশিয়ার প্রায় সব প্রান্তেই কালো তিল বীজ পাওয়া যায়। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো ম্যাক্রো খনিজ উপাদান। যা কার্ডিওভাসকুলারের সুস্থতা ও উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে আয়রন, তামা, ম্যাঙ্গানিজ, যা রক্তের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে । কালো তিলের বীজে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। শরীরে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে চাইলে এই বীজ নিয়মিত রান্নায় দিতে পারেন।কালো রসুন কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত কালো রসুন খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। জ্বালাধরা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে কালো রসুনের জুরি মেলা ভার। এই রসুন অ্যালঝাইমার রোগীদের জন্য বিশেষ করে উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ক্যান্সার বিরোধী উপাদান। যা কাঁচা ও সাধারণ রসুনের তুলনায় অনেকগুণ বেশি ভাল।এই কালো সবজি ও ফলের মাধ্যমে আপনি সহজেই নিজের ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়িয়ে নিয়ে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন নির্ভয়ে। পাশাপাশি, নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে গাদা গাদা ওষুধও খেতে হবে না আপনাকে। সুতরাং, ভালো খান থুড়ি, কালো খান, সুস্থ থাকুন।

জুলাই ১১, ২০২১
বিদেশ

Bangladesh Fire: বাংলাদেশে কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত ৫২

বাংলাদেশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মর্মান্তিক মৃত্যু ৫২ জনের। নারায়নগঞ্জে ফলের রসের কারখানায় আগুন লেগে কমপক্ষে ৫২ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার এক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সাজেন ফ্রুট জুস তৈরির এই কারখানাটি হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের।৬ তলা কারখানায় প্রথমে গ্রাউন্ড ফ্লোরেই আগুন লেগেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার অন্যান্য তলাতেও।বৃহস্পতিবার আগুন লাগার পর ১৮টি দমকল ইঞ্জিন পৌঁছেছিল ঘটনাস্থলে। শুক্রবার দুপুরে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর সেখান থেকে ৪৯ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকার সংবাদ সংস্থাটি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক দমকল অফিসার ওই সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ছতলা কারখানাটিতে প্রাথমিক তল্লাশি চালিয়ে পঞ্চাশেরও বেশি মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। পরে এই সংখ্যা আরও বাড়তেও পারে।আরও পড়ুনঃ রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভারদমকলবাহিনীর তরফেই জানানো হয়েছে, কারখানাটির ভিতরে প্রচুর প্লাস্টিকের বোতল, রাসায়নিক পদার্থ এবং অন্যান্য দাহ্য বস্তু মজুত করা ছিল। তাতেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে কোথা থেকে আগুন লেগেছে তা স্পষ্ট নয়। শুক্রবার দুপুরে ঢাকার সংবাদ সংস্থা থেকে প্রকাশিত ঘটনাস্থলের ভিডিওয় দেখা গিয়েছে ওই কারখানার চারপাশে ভিড় করেছেন মানুষ। এঁদের অধিকাংশই মৃত বা নিখোঁজ কর্মীদের আত্মীয় স্বজন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কারখানাটির গ্রাউন্ড ফ্লোরে আগুন লাগায় বাইরে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কারখানার উপর থেকে ঝাঁপ দিতে দেখা যায় ভিতরে আটকে পড়া বহু শ্রমিক ও কর্মচারীকে। তাঁদের অনেকেই গুরুতর জখম হয়ে এখন হাসপাতালে ভর্তি।

জুলাই ০৯, ২০২১
টুকিটাকি

ফলের রাজার রাজকীয় গুণাগুণ

আম সব ফলের রাজা। মুড়ি, ভাত, দই, কেক, জুস- সব কিছুতেই আমের গন্ধে ম ম করে বেড়ায় গ্রীষ্মের দিনগুলিতে। আমের এই লোভনীয় স্বাদ আর গন্ধে মোহ হয়ে পেটপুজোই নয়, আম দিয়ে ত্বকের পরিচর্চা হলেও অবাক হবেন না।ত্বকের পরিচর্চায় আমের ব্যবহার। এতে অবাক হওয়ার নেই। আম যেমন খেলে বহু উপকারিতা রয়েছে, তেমনি স্কিনকেয়ারের জন্যও আম অত্যন্ত কার্যকরী। ত্বকের উজ্জ্বলভাব ধরে রাখতে, ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকেও রক্ষা করে আম। কারোর ত্বকে ব্রণর প্রবণতা বেশি থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করে, আম অ্যান্টি-এজিং হিসেবেও ত্বকের জন্য খুব ভাল।শুধু স্বাদেই নয়, ত্বককে সুস্থ রাখতেও রয়েছে বিশেষ কয়েকটি টিপস১. সেলেব্রিটিরা এমনটা করেই থাকেন। সবচেয়ে সহজ উপায় হল নিয়মিত ত্বকের পরিচর্চার জন্য আমের শাঁস লাগান। একটি গোটা আমের রসাল শাঁস বেশ কার্যকরী। ২০ মিনিট রেখে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উপর ট্যান পড়লে বা রোদে গরমে ত্বক পুড়ে গেলে আমের শাঁস লাগালে তা দূর হয় দ্রুত।২. মুড না থাকলে মাত্র তিনটি উপকরণ দিয়ে একটি ফেসমাস্ক বানিয়ে ফেলুন।, একটি গোটা আমের শাঁসের সঙ্গে মুলতানি মাটি ও দুধ মিশিয়ে ভাল করে পেস্ট বানান। কিছু সময় ধরে মুখের মধ্যে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুখের মধ্যে জমে থাকা ময়লা ও অতিরিক্ত তেল উধাও হবে এই ফেসমাস্কের কারণে।৩. যদি কারোর স্বর্শকাতর স্কিন হয়, তাহলে আমের শাঁসের সঙ্গে মুলতানি মাটি, দই ও গোলাপ জল মেশান। দুর্দান্ত ফেসমাস্কটিতে এই গরমের মরসুমে ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করবে।৪. ম্যাঙ্গো স্ক্রাব বানাতে লাগবে আমের শাঁস, মধু ও দুধ। গোটা মুখের মধ্যে ভাল করে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে আঙ্গুলের আলতো ছোঁয়ায় ঘষতে থাকুন। মধুর জায়গায় ব্রাউন সুগার ব্যবহার করতে পারেন। দ্রুত ত্বকের যৌবন ও উজ্জ্বলতা ফেরাতে এই ফেসমাস্ক ভীষণ কার্যকরী।৫. ত্বকের দেখভালের জন্য গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যেস রয়েছে। এবার থেকে যখনই পারবেন আমের শাঁস লাগাতে পারেন। মানে গ্রিন টির সঙ্গে শাঁস যোগ করে একটি অসাধারণ ফেসমাস্ক তৈরি করে গোটা মুখের মধ্যে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রাখুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকে আপনাআপনিই আলগা চমক ফুটে উঠবে।

মে ২৩, ২০২১
টুকিটাকি

গরমে রোজ আম খাওয়ার পরামর্শ ডায়াটেশিয়ানদের

গরমকালটা আসলেই অনেকেরই মনে হয় কেন আসল, বেশ তো শীতকালটা ছিল। গরম, ঘাম , এনার্জির ক্ষয় , বিরক্তি সব মিলিয়ে গরমকালের নামটা শুনলেই অনেকের নাক কুঁচকে ওঠে। তবে এত খারাপের মধ্যেও গরমকালে এমন একটা ভালো জিনিস আছে, যা প্রতিটা মানুষ পছন্দ করেন। আর তা অবশ্যই আম ।আম খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। গাছে গাছে আম ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। আর কদিন পর থেকেই আম পাকতে শুরু করে দেবে। সেই আশাতেই অনেকে বসে রয়েছেন। আবার অনেকে তো ধৈর্য ধরতে না পেরে দোকান থেকে ইতিমধ্যেই আম কিনে খেতে শুরু করে দিয়েছেন। যদিও তা কোল্ড স্টোরেজের। সে যাই হোক, আম তো আমই.. আপনিও হয়তো আম থেকে শুরু করে দিয়েছেন , কিংবা কদিন পর থেকেই আম খাবেন। তার আগে জেনে নিন আমের গুণাগুণগুলি। শুধু রসনাতেই এর তৃপ্তি, নাকি স্বাস্থ্যের জন্যেও কিছু উপকারিতা রয়েছে, জেনে নিন।১) আমে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি অক্সিডেন্টস উপাদান রয়েছে, যা কোলন , স্তন , প্রস্টেট , লিউকেমিয়া প্রভৃতি ক্যানসার থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে।২) আমে থাকা প্রচুর পরিমানে ফাইবার , পেকটিন , ভিটামিন সি কোলেস্টেরল লেভেলের ভারসাম্য বজায় রাখে।৩) ত্বকের জন্য আম খুবই উপকারী। ব্রণ এবং ত্বকের অন্যান্য অনেক সমস্যা প্রতিরোধ করে আম।৪) এক কাপ আম আমাদের শরীরে ২৫ শতাংশ ভিটামিন এ প্রদান করে। যা আমাদের চোখের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। আম অন্ধত্ব দূর করে, দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করে এবং শুষ্ক চোখের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

এপ্রিল ১১, ২০২১
টুকিটাকি

গরমে শরীর, মন, পেট ঠান্ডা রাখবেন কীভাবে, জানুন

শীতে যেখানে খাওয়া দাওয়ার কোনও অন্ত থাকে না, সেখানে গরমকালে ঠান্ডা খাওয়ার খাবার চেষ্টা করেন অনেকেই। আপনাদের জন্য রইল তেমনই ঠান্ডা খাবার তালিকা।তাপমাত্রার পারদ চড়ছে। গরমকালে ঠান্ডা খাওয়ার খাবার চেষ্টা করেন অনেকেই। তাতে শরীর ঠান্ডাও থাকে আবার হজমের সমস্যাও হয় না। রইল তেমনই কিছু ঠান্ডা খাবারের তালিকা।দইদই শুধুমাত্র অন্ত্রের জন্য ভাল না, পেট ঠান্ডা করতেও কাজে লাগে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। শুধু তাই নয় হজম শক্তি বাড়ায়। দই খাওয়া হার্ট এবং ত্বকের জন্য খুবই ভাল। দই ভাত বা রায়তা হিসাবে দই খেতে মন্দ না। এই গরমে ঘোল কিংবা লস্যি যেমন উপাদেয় পানীয়, তেমনই স্বাস্থকরও।পুদিনা পাতাপুদিনা পাতা মূলত গ্রীষ্মকালে খাওয়া হয়। চাটনি, রায়তা, কিংবা পুদিনা পাতার আইসক্রিম হিসাবে খাওয়া যেতে পারে। পুদিনা পাতা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হজম আর ত্বকের পক্ষেও খুবই ভাল।শসাশীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা যে কোনও সময়ে শসা খাওয়া যায়।স্যালাড হিসাবেই প্রধানত শসা খায় সবাই। শুধু তাই শসা হজমে কাজে লাগে। শসাতে খুবই কম ক্যালোরি আর ফ্যাট থাকে।লেবুর জলগরমে বাইরে থেকে ঘুরে লেবুর জল বা শরবৎ দেওয়া হয়। অল্প মিষ্টি যোগ করলে বেশ ভাল খেতে লাগে।শরীর ঠান্ডা হওয়ার পাশাপাশি মেটাবলিজমও বাড়ায় আর তাড়াতাড়ি খাবার হজম করতে সাহায্য করে।

মার্চ ২১, ২০২১
স্বাস্থ্য

এক টমেটোর হাজারো গুণ, শুনলে আপনিও চমকে যাবেন

লাল টুকটুকে রূপের বাহার দেখে মন তো ভুলবেই। সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে।এমন কোনও খাবার পেলে সকলেই চোখ ভরে দেখবেন ও মন ভরে খাবেন। টমেটো হচ্ছে তেমনই একটি সবজি, যা স্বাদে ও স্বাস্থ্যে একেবারে একে অপরকে টেক্কা দেয় বললেই চলে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টমেটোতে এমন গুণ আছে যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানুষের হার্ট সতেজ ও চাঙ্গা থাকে। মারণ রোগ ক্যানসারের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে টমেটো।টমেটোর মধ্যে কোনওরকম চর্বি জাতীয় উপাদান নেই। তাই এটি খেলে ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা নেই। উলটে শরীরে ভিটামিন সির জোগান বাড়বে। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে যেমন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আর করোনার এই সময় তা কতটা জরুরি, সেকথা তো সবারই জানা। হাড়ের জোর বাড়ানোর ক্ষমতাও রয়েছে টমেটোতে। এতে থাকা লাইকোপিনের উপস্থিতিতে আবার ত্বকের জেল্লাও বাড়ে।কাঁচা খান বা পাঁকা, স্যুপ খান বা চাটনি বা সস, যেভাবে ইচ্ছা টমেটো খেতেই পারেন। কিন্তু এত গুণের পরিমাণ জেনে আবার যথেচ্ছ পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। পেটের সহ্য করার ক্ষমতা বুঝে তবেই স্বাদের কথা ভাববেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
টুকিটাকি

করো্নার সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খান এই বিশেষ ৫ টি ফল

ফল খেলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, তা বলাই বাহুল্য। এই করো্না পরিস্থিতিতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো খুবই জরুরি। তাই এখানে এমন ৫ টি ফল নিয়ে আলোচনা করা হল , যা আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ ্প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুবই উপযোগী। কমলালেবু আমাদের শরীরের প্রতিদিনের ভিটামিন সি -এর চাহিদাকে মেটায়। ভিটামিন সি কোষের ক্ষয় কম করে। গ্রেপফ্রুটেও ্প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফাইবার ও ভিটামিন এ থাকে। এগুলি শরীরে রোগ ্প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুবই উপযোগী। আরও পড়ুনঃ লেবুর খোসার উপকারিতা জানেন, জানলে চমকে যাবেন ব্লুবেরি খুব কম ক্যালোরির একটি ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে , যা আপনার শরীরের জন্য খুবই ভালো। এছাড়াও আপেলের খোসায় কো্রেসটিন রয়েছে। এটা এক ধরণের ফ্ল্যাভোনয়েড , যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও ন্যা্সপাতির কথা কোনওভাবেই ভুলে গেলে চলবে না। ন্যা্সপাতিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এছাড়াও থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও পটাসিয়াম। যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী।

অক্টোবর ১০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal