• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Forcast

রাজ্য

Monsoon: বৃষ্টিস্নাত বঙ্গ, রাতভর বারিধারায় জলমগ্ন কলকাতা

দিনভর আকাশের মুখভার ছিলই। পূর্বাভাসও ছিল বৃষ্টি (Rain) হওয়ার। তবে ভারী বৃষ্টির দেখা মেলেনি দিনের বেলায়। বুধবার রাতে বদলে গেল পরিস্থিতি। রাত থেকে কলকলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি। যার ফলে জলমগ্ন শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। আগামী ২৪ ঘণ্টাও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (West Bengal Weather Update)। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতেও। পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর (Alipur Weather Office)। মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তা সঙ্গে নিম্নচাপের জোড়া প্রভাবে এই ভারী বৃষ্টি হবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও তা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার দিনভর কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে। আগামী দু ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশিম মেদিনীপুর-কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়ার কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। পরের দিকে বৃষ্টি বাড়বে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে। ঝাড়খণ্ড থেকে ক্রমশ বিহারের দিকে সরছে নিম্নচাপ। রাজস্থান থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। এর প্রভাবেই আগামী ৩ দিন বৃষ্টি চলবে রাজ্য জুড়ে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত শহরে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে মোমিনপুর এলাকায়। সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ১৭৯ মিলিমিটার। এরপর বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে বেহালা ফ্লাইং ক্লাব নিকাশী পাম্প স্টেশন এবং কালীঘাট এলাকায়। সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৬৮ এবং ১৬৩ মিমি। ১৫০ মিমির উপর বৃষ্টি হয়েছে তপসিয়া এবং চেতলা লকগেট নিকাশি পাম্পিং স্টেশন এলাকায়। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলকাতার একাধিক এলাকা।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের জেরে সকাল থেকেই ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ

সোমবারের পর মঙ্গলবারও সকাল থেকেই রাজ্যের আকাশের মুখভার। ইতিমধ্যেই দু-এক পশলা বৃষ্টিও হয়েছে জেলায় জেলায়। আগামী তিনদিন এমনই থাকবে রাজ্যের আবহাওয়া। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গেও, জানাল হাওয়া অফিস (Regional Meteorological Centre)।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) থেকে ক্রমশ বিহারের দিকে সরছে নিম্নচাপ। অন্যদিকে রাজস্থান থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। ঝাড়খণ্ডের নিম্নচাপ এলাকার মধ্যে দিয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ওই অক্ষরেখা উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এর প্রভাবেই আগামী তিন দিন বৃষ্টি চলবে রাজ্য জুড়ে। এছাড়া মৌসুমী বায়ু দেশের অধিকাংশ এলাকা প্রবেশ করেছে। যার জেরে উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু এলাকা ছাড়া দেশের সব অংশেই আগামী কয়েক দিনে বিক্ষিপ্ত ও ভারি বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিহারে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ওই রাজ্য ও সংলগ্ন রাজ্যের নদীর জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন।বিহারের (Bihar) পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। আগামী তিনদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বাঁকুড়া পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়ায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় দু-এক পশলা বৃষ্টির হবে বলেই খবর। বৃষ্টি বাড়তে পারে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়াবিদরা। করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত সকলেই গৃহবন্দি। অত্যন্ত প্রয়োজনে ঘর থেকে যদি বেরতেই হয়, ছাতা নিতে ভুলবেন না।

জুন ১৫, ২০২১
কলকাতা

Monsoon: বঙ্গে প্রবেশ বর্ষার, আজ দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

উত্তরবঙ্গে প্রবেশের পাঁচদিন পর দক্ষিণবঙ্গে ঢুকল বর্ষা (Monsoon)। শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাংশে বর্ষা প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবারের মধ্যে রাজ্যের বাকি অংশে প্রবেশ করবে বর্ষা। সাধারণত জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করে বর্ষা। এবার স্বাভাবিক সময়েই প্রবেশ করল মৌসুমী বায়ু। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ক্যানিং, কৃষ্ণনগর, মালদহে এদিন বর্ষা প্রবেশ করেছে। এই জায়গাগুলোর উপর দিয়ে বিস্তৃত রয়েছে মৌসুমী বায়ুর উত্তরসীমা। মৌসুমী বায়ু প্রবেশের পরই বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে ওই এলাকায়। এর পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের অন্যত্রও এদিন থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ছিল ঝোড়ো হাওয়া। তবে অমাবস্যার ভরা কোটালের কারণে সমুদ্রে এবং গঙ্গায় যে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা খুব বেশি হয়নি।শুক্রবার সকালেই উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়েছে। যা শনিবার আরও শক্তিশালী হবে। ফলে বৃষ্টি বাড়বে বঙ্গে। ক্রমশ ওই নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে ওডিশায় ঢুকে যাবে। ফলে ওডিশায় (Odisha) বেশি বৃষ্টি হবে। হতে পারে সাইক্লোনও। এজন্য জগৎসিংপুর, কটক, অঙ্গুল, সম্বলপুরে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। বৃষ্টি হচ্ছে কেন্দাপাড়াতেও। প্রশাসনের তরফে সমস্ত রকম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। অলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে। তবে রবিবার বিকেলের পর কলকাতা-সহ হাওড়া-হুগলিতে বৃষ্টি কমলেও তা বাড়বে রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলোতে। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে। সেই সঙ্গে উপকূলবর্তী জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

জুন ১২, ২০২১
রাজ্য

সোমবার সন্ধের পরই ঝড়ের রূপ নেবে 'যশ'

ধীরে ধীরে শক্তি বাড়ানো শুরু করেছে পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপ। স্বভাবতই আশঙ্কা বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় যশ নিয়ে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, সোমবারই ঝড়ের রূপ নেবে বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ। এর পরই গতি বাড়িয়ে ধেয়ে আসবে বাংলা-ওডিশা উপকূল অভিমুখে।আরও পড়ুন: https://janatarkatha.com/state/this-time-sarla-murmu-of-malda-wants-to-return-home--002235২২ মে শনিবারই পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়। রবিবার সকালে যা গভীর নিম্নচাপের রূপ নিয়েছে। এখন এই নিম্নচাপের অবস্থান বঙ্গোপসাগরের উপর, পারাদ্বীপ থেকে ৫৯০ কিলোমিটার এবং দিঘা থেকে ৬৭০ কিলোমিটার দূরে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সোমবারই সকালে ঝড়ের রূপ নেবে এই গভীর নিম্নচাপ। এরপর তা উত্তর ও পশ্চিম দিকে এগোবে। এই সময়েই ধীরে ধীরে শক্তি বৃদ্ধি করবে সে। ২৪ মে সন্ধ্যা থেকে রাজ্যের উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট বোঝা যাবে। ৪০-৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে হাওয়া। এই বেগ সর্বোচ্চ ৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে।২৫ তারিখ আরও বেশ খানিকটা শক্তি বাড়বে যশের। এদিন উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে বৃষ্টি হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুরে। উপকূলে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। সর্বোচ্চ ৭০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হতে পারে হাওয়ার গতিবেগ। ২৬ মে সকাল থেকে রাজ্যের উপকূলের জেলায় ৬০-৭০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। সর্বোচ্চ ৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা হতে পারে গতিবেগ। দুপুর থেকে শক্তিশালী যশের প্রভাবে ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার এমনকী, ১১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগও হতে পারে। বুধবার পারাদ্বীপ ও সাগরের মধ্যে যশের ল্যান্ডফলের সময় রাজ্যের উপকূলে ১৫৫-১৬৫ কিমি. প্রতি ঘণ্টা বেগে বইবে হাওয়া। সতর্কবার্তা আবহাওয়া দপ্তরের।২৬ তারিখ কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টি হবে। ২৭ তারিখ এই জেলাগুলোর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৭ তারিখ পশ্চিমের প্রতিটি জেলাতেই ঝড়, বৃষ্টি হবে। সবরকম ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী। তৈরি রাজ্য সরকারও।

মে ২৩, ২০২১
রাজ্য

স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল দক্ষিণবঙ্গ, ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

স্বস্তির বৃষ্টিতে ভাসল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার দিনভর চলবে বৃষ্টি। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। ২ মে ভোটের ফল ঘোষণার দিন হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছিল, চলতি সপ্তাহে বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা। ৩ মে থেকে ৪ তারিখের মধ্যে ওডিশায় তুমুল বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানানো হয়েছিল সেদিন। সতর্কতা জারি করা হয়েছিল বাংলায়। সেই পূর্বাভাস সত্যি করে রবিবার সন্ধেয় ছিঁটেফোঁটা বৃষ্টিতে ভিজেছিল তিলোত্তমা ও দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলি। সোমবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ৬২ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায় আলিপুরের উপর দিয়ে। মঙ্গলবার ভোররাতে থেকেই শুরু তুমুল বৃষ্টি। সকালেও পরিস্থিতি একই। অঝোরে বৃষ্টিপাত হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়।আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ দিনভর চলবে বৃষ্টি। করোনা পরিস্থিতি এমনিতেই মানুষজন ঘরবন্দি। উল্লেখ্য, হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখী ও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় ঘর থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি নিচে। সোমবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

ফল ঘোষণার দিন বৃষ্টিতে ভিজল বাংলা

ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল বাংলা। চরম অস্বস্তিতে ভুগছে বঙ্গবাসী। এর মাঝেই রাজ্যবাসীর জন্য সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস। জানাল, আগামী পাঁচদিন বৃষ্টিতে ভিজবে রাজ্যের মাটি। রয়েছে ঝড়ের পূর্বাভাসও। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ দিন অসম এবং মেঘালয়ে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। মে-র ৩ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে ওডিশায় তুমুল বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সতর্কতা জারি হয়েছে বাংলার জন্যও। ২ থেকে ৫ মে পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে রবিবার সন্ধেয় কলকাতা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ দিন অসম এবং মেঘালয়ে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। মে-র ৩ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে ওড়িশায় তুমুল বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সতর্কতা জারি হয়েছে বাংলার জন্যও। ২ থেকে ৫ মে পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে রবিবার সন্ধেয় কলকাতা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হয়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, মধ্যপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণিঝড় অবস্থান করছে। এই রাজ্যের মধ্যভাগে তার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়া দপ্তরের। ঘূর্ণিঝড়ের গতিমুখ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের দিকে রয়েছে। ফলে ২ মে থেকে ৫ মে এ রাজ্যের আর্দ্রতা বাড়বে। তাই বঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যে প্রতি ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ইতিমধ্যে নবান্ন থেকে এ নিয়ে সতর্কতাও জারি হয়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, সোমবার থেকে বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৃষ্টি স্বস্তি দিতে পারে বঙ্গবাসীকে। নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

চৈত্রের দাবদাহে সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস

চৈত্রের তীব্র দহন জ্বালায় জ্বলছে রাজ্য। এর মাঝেই স্বস্তির কথা শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। বৃষ্টিতে ভিজবে উত্তরের জেলাগুলি। দক্ষিণবঙ্গের বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই কয়েকদিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর।মঙ্গলবার বিকেলে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩০ মার্চ থেকে ১ এপ্রিলের মধ্যে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি হয়েছে। বলা হয়েছে, ৩০ তারিখ উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বজ্র-বিদ্যুৎ ছাড়া বৃষ্টি হতে পারে। ৩১ তারিখ দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুর, কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও। হাওয়া অফিস বলছে, আগামী কয়েক দিনে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে গরম বাড়বে। বিভিন্ন জেলায় ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বুধ ও বৃহস্পতিবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তবে ওই জেলাগুলিতে প্রধানত শুষ্ক থাকবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে তাপপ্রবাহেরও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি না থাকলেও গরম ও অস্বস্তি বাড়বে কলকাতাতেও। তবে পশ্চিমের শুকনো বাতাস প্রভাব বিস্তার করায় গরম বাতাস বইবে দুপুরে। ফলে সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে। এদিকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও পরিস্থিতি না থাকলেও উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টি হবে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে। সঙ্গে হালকা ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। তবে ঝোড়ো হাওয়া বইলেও এখনই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও খবর শোনাতে পারেনি হাওয়া অফিস।

মার্চ ৩১, ২০২১
কলকাতা

রবিবারের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা পৌঁছবে ৩৫ ডিগ্রিতে

রাজ্য থেকে প্রায় বিদায় নিয়ে নিয়েছে শীত। ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ। কয়েকদিনের মধ্যেই কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাপমাত্রা আরও বেড়ে যাবে বলেই জানানো হয়েছে পূর্বাভাসে।পাততাড়ি গোটাতে শুরু করেছে শীত। গত কয়েকদিন ধরেই ক্রমশ ফিকে হচ্ছে শীতের আমেজ। সকালের দিকে সামান্য শীত শীত ভাব থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই চড়ছে পারদ। বাড়ছে তাপমাত্রা। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই রীতিমতো গরম অনুভূত হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের কিছু এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায়। দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা। রবিবারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কলকাতায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সকালের দিকে হালকা কুয়াশা হতে পারে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজ্য

বৃষ্টিতে ভাসতে পারে চার জেলা

অবশেষে বঙ্গ থেকে বিদায় নিতে চলেছে শীত। আকাশ মেঘলা থাকলেও কলকাতায় (Kolkata) বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দিনের বেলা ঊর্ধ্বমুখী হবে তাপমাত্রার পারদ। রাতের দিকে অনুভূত হতে পারে শীতের আমেজ, এমনটাই জানাল হাওয়া অফিস।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার একধাক্কায় কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পেরিয়েছে ২১ ডিগ্রির গণ্ডি। এদিনের তিলোত্তমার তাপমাত্রা ২১. ১ ডিগ্রি। সকাল থেকেই মুখভার দক্ষিণবঙ্গে ৪ জেলা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের। সেখানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। জানা গিয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঊর্ধ্বমুখী থাকবে তাপমাত্রার পারদ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁফফাঁস দশা হবে সকলের। তবে রাতের দিকে সামান্য নামতে পারে পারদ। শীতের আমেজ অনুভূত হতে পারে। তবে বঙ্গে আর সেভাবে পারদ পতনের সম্ভাবনা নেই বলেই খবর। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি না হলেও উত্তরবঙ্গে বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই মেঘলা মালদা, দুই জেলার আকাশ।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
কলকাতা

বসন্তে অকালবৃষ্টিতে ভিজতে পারে বঙ্গ

রাজ্য থেকে বিদায় নিচ্ছে শীত। ঊর্ধ্বমুথী তাপমাত্রার পারদ। এরই মাঝে রাজ্য ভিজতে পারে বৃষ্টিতে। অকাল বর্ষণ হতে পারে কলকাতাতেও। সপ্তাহের শুরুতেই এমনই পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর।হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম ও উপকূলের জেলা, উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলোতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস বলছে, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ি এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং হাওড়ার একাংশে। বৃহস্পতিবার হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে। সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতাতেও। শুক্রবার কলকাতা-সহ হাওড়া উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
কলকাতা

শহরে শীত ও কুয়াশার জোড়া দাপট

সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢাকা রাজ্য। ফলে ব্যাহত হয়েছে যানচলাচল। সমস্যায় পড়েছে বিমান পরিষেবা। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম থাকায় দমদম বিমানবন্দর থেকে সকালে উড়ান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোরের দিকে কয়েকটি বিমান বিমানবন্দরে নামতে না-পারায় তাদের রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হয় বলে খবর। যদিও এই শীতের কামড় সোমবার থেকেই বদলাতে চলেছে বলে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে। সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে তাপমাত্রার পারদ ৪ ডিগ্রি বাড়তে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, জম্মু-কাশ্মীরে ঢুকেছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এই ঝঞ্ঝা পথ রুখছে উত্তুরে হাওয়ার। পাশাপাশি, উত্তর-পূর্ব ভারতের উপর তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। ফলে দুই বঙ্গেই চড়বে তাপমাত্রার পারদ। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, সোমবার থেকেই ধাপে ধাপে চড়তে শুরু করবে তাপমাত্রার পারদ। সপ্তাহের শুরুর দুদিন ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত চড়তে পারে তাপমাত্রার পারদ। একই সঙ্গে বজায় থাকবে কুয়াশার দাপটও। আগামী ২৪ ঘন্টায় মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে ঘন কুয়াশা থাকবে, জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে কুয়াশার জেরে দৃ্শ্যমানতা ৫০ মিটারের পর্যন্ত নামতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।সকালে সামান্য কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার হবে কলকাতার আকাশ। রবিবার শহর কলকাতার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যথাক্রমে ১৪ ডিগ্রি ও ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ শহরে শনিবারের তুলনায় কমেছে রবিবারের তাপমাত্রা। রবিবার শহরের বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বাধিক পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal