• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Flood

কলকাতা

মহানগরে 'মহাবৃষ্টি' - টানা বৃষ্টিতে অচল কলকাতা, কোমর সমান জলে বিপর্যস্ত জনজীবন

গতকাল রাত থেকে টানা মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়েছে কলকাতা শহর। রাতের অঝোর বর্ষণ সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকায় শহরের একাধিক রাস্তায় জল জমে যায়। অফিস যাতায়াতের সময়ে তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়েন সাধারণ মানুষ।সবচেয়ে বেশি জল জমেছে পার্ক সার্কাস, টালিগঞ্জ, কাঁকুড়গাছি, বাদামতলা, রাজাবাজার এবং বেলেঘাটা এলাকায়। উত্তর কলকাতার হাতিবাগান, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া, যাদবপুরেও সকাল থেকে কোমর সমান জলে হাঁটতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।মেট্রো, বাস ও ট্যাক্সি পরিষেবা ভোগান্তির মুখে পড়ে। বহু জায়গায় গাড়ি বিকল হয়ে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে যায়। এসএসকেএম, এনআরএস-সহ বিভিন্ন হাসপাতালের বাইরেও জল জমে রোগী ও চিকিৎসকদের যাতায়াত ব্যাহত হয়।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমি অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের উপর সক্রিয় থাকায় নিম্নচাপের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।কলকাতা পুরসভা জরুরি কন্ট্রোল রুম খোলার পাশাপাশি পাম্পিং স্টেশনের মাধ্যমে দ্রুত জল নামানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে সতর্ক রাখা হয়েছে।বৃষ্টির দাপটে নাজেহাল সাধারণ মানুষ বলছেন, প্রতি বছরই সামান্য বৃষ্টিতেই একই ছবি। নর্দমা ও ড্রেনেজ সংস্কার না হলে পরিস্থিতির বদল হবে না।শহরের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন কলকাতার বৃষ্টি মানেই কি জলযন্ত্রণা?

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫
দেশ

প্রকৃতির রোষে ভূস্বর্গ! মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসে ১১ জনের মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে ৫ শিশু

শনিবার সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের রামবণ এবং রিয়াসি জেলায় দুই পৃথক ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচজন শিশু।রামবণ জেলার রাজগড় তেহসিলে শনিবার সকালে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। আকস্মিক বন্যায় ভেসে যায় দুটি বাড়ি ও একটি স্কুল ভবন। এতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই উদ্ধার ও ত্রাণকার্য শুরু হয়েছে।একজন কর্মকর্তা জানান, এখনও পাঁচজন নিখোঁজ বলে খবর পাওয়া গেছে। আমরা তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছি। আকস্মিক বন্যায় ওই এলাকায় প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।অন্যদিকে, রিয়াসি জেলার মহোরে এলাকার দূরবর্তী বাদ্দের গ্রামে শনিবার সকালে ভূমিধসের ঘটনায় মাটি চাপা পড়ে এক পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বাবা-মা ও তাঁদের পাঁচ শিশু সন্তান (সবাই ১২ বছরের নিচে)।মৃত পরিবারের প্রধান ছিলেন নাজির আহমদ। তাঁর স্ত্রী ওয়াজিরা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের সন্তান বিলাল আহমদ (১৩), মোহাম্মদ মুস্তাফা (১১), মোহাম্মদ আদিল (৮), মোহাম্মদ মুবারক (৬) ও মোহাম্মদ ওয়াসিম (৫)-এর মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, উধমপুর থেকে বানিহাল পর্যন্ত একাধিক জায়গায় ধস নামায় জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে টানা পঞ্চম দিন যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি, মেঘভাঙা ও ভূমিধসে জম্মু অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই তীর্থযাত্রী।সম্প্রতি কিস্তওয়ার জেলার চিশোটি গ্রামে মেঘভাঙার ঘটনায় মচাইল মাতা যাত্রা চলাকালীন ৬৫ জন তীর্থযাত্রী প্রাণ হারান। আবার, জম্মুর কাটরায় মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের কাছে ভূমিধসে মারা যান আরও ৩০ জন তীর্থযাত্রী।শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার কাটরা মন্দির সংলগ্ন ভূমিধসে নিহতদের ঘটনা তদন্তে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি ভূমিধসের কারণ, উদ্ধার ও ত্রাণ ব্যবস্থার ত্রুটি এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত পরামর্শ দেবে।প্রবল বর্ষণ, মেঘভাঙা ও ভূমিধসের কারণে জম্মু-কাশ্মীরে হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে বলে সরকারি অনুমান।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
রাজ্য

জলমগ্ন একাধিক গ্রাম, জল ছাড়ছে ডিভিসি, দুর্গাপুর ব্য়ারেজ পরিদর্শন সেচমন্ত্রীর

দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে মঙ্গলবার থেকে ভারি বৃষ্টিপাত চলছে। পাঞ্চেত, মাইথন থেকে জল ছাড়ার পরে দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকেও যথারীতি জল ছাড়া শুরু হয়েছে। আজ, শুক্রবার ৪৬ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে বলে সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া জানিয়েছেন। সেচমন্ত্রী মানস ভুইয়া দুর্গাপুর ব্যারাজের সংস্কারের কাজের পর চালু ব্যারাজ রাস্তা পরিদর্শনে আসেন। সেচমন্ত্রী বলেন, ৪৫ দিনের মধ্যেই কাজ শেষ করা হয়েছে। বর্ষা এসে গিয়েছে। ফলে বাকি যেসব কাজ রয়েছে তা বর্ষার পরেই শুরু হবে।দুর্গাপুর ব্যারাজের পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেচমন্ত্রী বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের ইচ্ছাকৃত বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। সেচমন্ত্রী বারবার বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের যে দায়িত্ব রয়েছে তা পালন করছে না এবং রাজ্যের হকের টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না। তাই ড্রেজিং করা সম্ভব হচ্ছে না। রাজ্য ও ডিভিসির মধ্যে বারবার জল ছাড়া নিয়ে যে বিতর্ক দেখা দেয় তা নিয়ে কোন মন্তব্য না করে সেচমন্ত্রী বলেন, এই মুহুর্তে এই বিতর্কে যাব না। ৪৫ দিনের মধ্যেই কাজ শেষ করা হয়েছে। মাঝে ছয় দিন প্রচন্ড বৃষ্টি হয়েছিল বলে কাজে কিছু অসুবিধা দেখা দিয়েছিল। তবু কাজ ৪৫ দিনের মধ্যেই শেষ করা গিয়েছে। হায়দ্রাবাদ থেকে রাবার সিল আসছে তা দিয়ে কাজ করা হবে।সেচমন্ত্রী বলেন, দেড় মাস দুর্গাপুর ব্যারাজে জল ধরে রাখা হয়। এরপরে দুর্গাপুর, মাইথন ও পাঞ্চেত নিয়ে একটি সেল গঠন করা হয়েছে এবং মনিটরিং করা হচ্ছে জল ছাড়া নিয়ে যেন মানুষের ক্ষতি না হয়। সেচমন্ত্রী বলেন, প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে এবং বিভিন্ন জেলা এবং ঝাড়খণ্ডের জল নামছে ফলে সমস্ত বিষয়ের উপরে নজর রাখা হয়েছে।তেনুঘাট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সেচমন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী, সেচ দপ্তরের কর্তারা এবং আমি নিজে বারবার কথা বলেছি। তেনুঘাটকে নিয়ন্ত্রণে রেখে অপারেট করা যায়।সেচমন্ত্রী একাধিকবার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এবং সেচ দপ্তর মাইথন, পাঞ্চেত এবং দুর্গাপুর ব্যারাজের জল ছাড়া নিয়ে নজর রেখেছেন । আজ ৪১ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। বন্যার যন্ত্রণা যাতে পেতে না হয় তার প্রতি সজাগ রয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা এবং আজ বাঁকুড়ায় আসছেন পরিস্থিতি নিয়ে আলচনা করতে। রাস্তার বিষয় নিয়ে তিনি বলেন, পি ডাব্লু ডিকে নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বৃষ্টি কমলেই।সেচমন্ত্রী ব্যারাজগুলির গভীরতা কমে যাওয়ার জন্য কার্যত কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা না দেওয়ার কথা তুলে ধরেন। সেচমন্ত্রী বলেন, ১২ বছর ধরে কেন্দ্রের জলসম্পদ দপ্তর, প্রধানমন্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার দেখছি দেখছি করে পার করে দিচ্ছে কিন্তু রাজ্যের হকের টাকা দিচ্ছে না। সেচমন্ত্রী বিজেপি সরকারের বাংলাকে বঞ্চনা করার কথা তুলে ধরেন। বন্যার প্রসঙ্গে সেচমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রার্থনা করছি যেন বন্যার মুখে পড়তে না হয় কিন্তু দেড় মাস জল ধরে রাখা হয় আর তারপরে রয়েছে প্রচন্ড বৃষ্টি, ফলে জলের চাপ বাড়ছে, সেদিকেই নজর রাখতে হচ্ছে।দুর্গাপুর ব্যারাজের এক নম্বর গেটে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে । সাংবাদিকেরা এ নিয়ে সেচমন্ত্রীকে প্রশ্ন করলে সেচমন্ত্রী বলেন, সব দিক নজরে রাখা হয়েছে, সংস্কার হবে। তিনি এরপরে আবার বলেন, কেন্দ্রিয় সরকারের কাছ হতে এক কানা কড়ির সাহায্য পাইনি। মুখ্যমন্ত্রী নিজের রাজ্যের কোষাগার থেকেই খরচ করে কাজ করছেন। তিনি এরপরেই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন কিভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সীমিত আর্থিক ক্ষমতায় এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার পরেও কাজ করে চলেছেন। সেচমন্ত্রী জোড়ের সাথে বলেন, একটা নয়া পয়সা কেন্দ্রের সরকার দেয় নি। তবু একের পর এক কাজ হচ্ছে এবং এটাও করা হবে।

জুন ২০, ২০২৫
রাজ্য

কুইন্টাল কুইন্টাল জল! আবার মাস্টার প্ল্যন! শেষমেশ বিজেপি মন্ডল সভাপতির সঙ্গে ছবি, রচনার বন্যা-পরিদর্শন

বলাগড় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনেত্রী সাংসদ বললেন, কুইন্টাল কুইন্টাল জল ছাড়ায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বাড়ি ঘর কিছু নেই। মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছেন। তৃণমূল সাংসদদের এমন মন্তব্য়ে চারিদিকে বিতর্কের ঝড় শুরু করেছে। কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিরোধীরা। কুইন্টাল কুইন্টাল জল! এমন মন্তব্য় জনপ্রতিনিধিরে মুখ থেকে বেরিয়ে আসায় সমালোচনা সর্বত্র। এদিন বাজার থেকে ওল কেনেন সাংসদ। ওল কিনে রচনা জিজ্ঞেস করেন, গলা ধরবে না তো।এদিন দুপুরে হঠাতই হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা ব্যানার্জি তাঁর সঙ্গীসাথী দের নিয়ে চলে যান বাঁশবেড়িয়ার বিজেপি মন্ডল সভাপতি সুমিত অধিকারী বিরিয়ানির দোকানে। তখনও বিরিয়ানি রান্না সম্পূর্ণ হয়নি। তাই লাঞ্চ হল না। বিজেপি সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে ছবিও তুললেন তৃণমূল সাংসদ রচনা। আর এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক মহলে। এদিন হুগলির শ্রীপুর বলাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদরা কলোনী, মিলনগর গ্রামে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব দেখে তিনি বলেন, মাত্র তিনমাস এসেছি সাংসদ হয়ে। চেষ্টা করছি। বলাগড় থেকে চন্দননগর পর্যন্ত নদী বরাবর পাড় ভাঙছে দ্রুত। এই বিশাল জায়গা সামাল দিতে মাস্টার প্ল্যান দরকার এবং একা রাজ্যের দ্বারা সম্ভব নয়। কেন্দ্রের সাহায্য দরকার। আমি দিল্লি গিয়ে এবিষয়ে দরবার করবো সংশ্লিষ্ট জায়গায়। তাঁর অভিযোগ,আগের বিজেপি সাংসদ এলাকার জন্য কিছুই করেনি। এলাকাবাসীদের ক্ষোভের মুখেও পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনমাস আগে যেখানে দাঁড়িয়ে প্রচার করে গিয়েছি সেই জায়গা তলিয়ে গিয়েছে। কয়েকটি বাড়ি, রাস্তাও গঙ্গায় মিশে গিয়েছে। খুবই খারাপ অবস্থা। এলাকার মানুষকে ত্রান দিয়েছি। গঙ্গা ভাঙন রোধ একটা বড় ব্যাপার। আমি লোকসভায় বলেছি। আবারও বলব। কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়া হবে না। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের আদলে বলাগড় মাস্টার প্ল্যান করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

বানভাসি বাংলার একাংশ, বর্ধমানে গিয়েও তোপ দাগলেন ডিভিসির বিরুদ্ধে

বাংলা বানভাসি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় সেই ডিভিসি। ইতিমধ্যে রাজ্যের দুই প্রতিনিধির ডিভিসির কমিটি থেকে সরে এসেছেন। সোমবার বর্ধমানে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই বৈঠকে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, স্বপন দেবনাথ, হাজির ছিলেন।মূলত পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডে প্রবল বৃষ্টির জেরে সেখানকার জলাধারগুলি থেকে বিপুল পরিমাণে জল ছাড়া হয়েছে। ডিভিসির ছাড়া জলেই বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছেন বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। জলমগ্ন পরিস্থিতি নিয়ে ফের একবার কেন্দ্রকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কি বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও সক্রিয় হতে হবেক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা শস্য বীমার টাকা পাবেন। বাংলার দুর্ভাগ্য যে এখানে এবং অসমে যে পরিমাণ বন্যা হয় সেটা অন্য কোথাও হয় না। বাংলা নদী মাতৃকার দেশ। বাংলার অবস্থান নৌকার মতো। একটুকুতেই জলে ডুবে যায়। ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি হলে আমাদের চিন্তা হয়। নিজেদের বাঁচাতে জল ছেড়ে দেয় ঝাড়খণ্ড। নিজেদের বাঁচাতে বাংলায় জল ছেড়ে দেয়আবার বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি খারাপ হবে। সবাই নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেবেন। জল সরে গেলে চাষিরা শস্য বীমার টাকা পাবেন। ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি হলে নিজেদের বাঁচাতে বাংলার উপর জল ছেড়ে দেয়। DVC কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন। কিন্তু কেন্দ্র কিছু না করার জন্য মানুষের বাড়ি ঘর ডুবে যাচ্ছে। ভোটের জন্য যে টাকা খরচ করা হয় তার একাংশ দিলেও বন্যা আটকাতে ব্যবস্থা করতে পারতাম।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আজ বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কোথায় কি নিয়ে বৈঠক?

ডিভিসির ছাড়া জলে পুজোর আগে প্লাবিত হয়েছে পূর্ব বর্ধমান সহ বাংলার আটটি জেলা। তাই বেজায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বন্যা কবলিত বিভিন্ন জেলায় পৌছে গিয়ে পরিস্থিতি সরজমিনে চাক্ষুষ করে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকল্পনা করে বন্যা করা হয়েছে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন। এমনকী ডিভিসির কমিটি থেকে রাজ্যের দুই আধিকারিক পদত্যাগ করেছেন। এই জল ছাড়া নিয়ে ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। গন্ডগোলের জল গড়িয়েছিল বাংলা ঝাড়খণ্ড সীমান্ত পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, আজ, সোমবার বর্ধমানে বন্যা পরিস্থিতি সংক্রান্ত ও প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তা নিয়েই জেলা পুলিশ ও প্রশানের তৎপরতা এখন তুঙ্গে উঠেছে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ কর্মসূচী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পূর্ব বর্ধমান জেলায় আসছেন। এই খবর রবিবার বেলায় জেলা প্রশাসনের সদর দপ্তরে এসে পৌঁছায়। তারপরই শুরু হয়ে যায় চূড়ান্ত প্রস্তুতি। জরুরী বৈঠকে বসেন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। বিকেলে জেলাপ্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ। বিদুৎ দপ্তরের আঞ্চলিক অধিকর্তা গৌতম দত্তও বৈঠক করেন। সম্প্রতি, ডিভিসি জল ছাড়ায় পূর্ব বর্ধমানের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

বন্যা পরিস্থিতি দেখে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

আর্ত মানুষের পাশে আজীবন থাকার প্রতিজ্ঞা নিয়েই রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলাম। আজ আমার রাজ্যবাসীর একাংশ বন্যা পরিস্থিতির কারণে বিপদের সম্মুখীন। কাল আমি হুগলির পুরশুড়া, গোঘাট-আরামবাগ এলাকা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে গিয়েছিলাম। এছাড়াও বীরভূমের বন্যা কবলিত এলাকায় প্রশাসনের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রেখেছি। আজ, পাঁশকুড়া, রাতুলিয়ার বন্যা কবলিত এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখলাম এবং সেখানকার স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আশ্বস্ত করলাম। আমাদের প্রশাসন দিবারাত্রি তাঁদের পাশে আছে। যাঁদের শস্যের ক্ষতি হয়েছে, তাঁরা শস্য বীমার টাকা পাবেন। এখন আমি উদয়নারায়ণপুরের পথে। এই বছর কোনও আলোচনা ব্যতীত প্রায় পাঁচ লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে, যার জন্য দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ বন্যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এটি একটি ম্যান ম্যাড বন্যা ছাড়া আর কিছুই নয়।আমি প্রথমদিন থেকে এই পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। দুর্গতদের পাশে থাকতে আমাদের মা-মাটি-মানুষের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ত্রাণ পরিষেবা চালু আছে। প্রত্যেক পরিবার যেন ত্রাণ পরিষেবা পায়, তা সুনিশ্চিত করেছি। কোনও একজন মানুষেরও ক্ষতি যেন না হয় সেটি নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৪
রাজ্য

বীরভূমে নদীতে উল্টে গেল স্পিড বোট, কোনওমতে প্রাণরক্ষা সাংসদ, বিধায়কসহ প্রশাসনিক কর্তাদের

বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন সাংসদ, বিধায়ক ও প্রশাসনের কর্তারা। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের লাভপুরে।স্থানীয়দের তৎপরতায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়। জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার, দুই সাংসদ, বিধায়ক সহ মোটব১৩ জন চেপেছিলেন স্পিড বোটে। প্রশ্ন উঠছে সেফটি জ্যাকেট না নিয়ে কেন স্পিড বোডে চড়লেন প্রশাসনের শীর্ষকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।জানা গিয়েছে, তিনদিনের অতি বৃষ্টিতে বীরভূমের লাভপুরে কুয়ে নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে নদী সংলগ্ন বলরামপুর গ্রাম সম্পূর্ণ ভেসে যায়। পাশেপাশের আরও কয়েকটি গ্রাম এখনও জলমগ্ন। ওই গ্রামগুলির সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। সেই সমস্ত গ্রামের মানুষদের পাশে দাঁড়াতে বুধবার এলাকা পরিদর্শনে যান জেলা শাসক বিধান রায়, জেলা পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়, বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল, রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম, লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিনহাসহ সহ মোট ১৩ জন। সেফটি জ্যাকেট ছাড়াই একটি স্পিড বোর্ডে তাঁরা দুর্গত এলাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আচমকা বোর্ডটি কুয়ে নদীতে উল্টে যায়। জেলা পুলিশ সুপার ছাড়া সকলেই নদীতে পরে যান। উদ্ধারকারী দল এবং স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় সকলকে উদ্ধার করা হয়।নদী থেকে উঠে সাংসদ অসিত মাল বলেন, হঠাৎ নদীর স্রোতে স্পিড বোর্ড উল্টে যায়। আমি সাঁতার জানতাম। কিন্তু জলের স্রোতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাঁতার কাটতে পারছিলাম না। এরপর একটা গাছের ডাল ধরে ঝুলতে থাকি। কিছুক্ষনের মধ্যেই উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে এলাম।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

তিস্তায় লাল সতর্কতা জারি, গজলডোবায় উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় ৩ টে মৃতদেহ

তিস্তা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করলো সেচ দপ্তর। পাশাপাশি সংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করলো সেচ দপ্তর। আজ সকাল ১০ টায় জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। এদিকে গজলডোবায় তিস্তায় ৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু এখনও তাদের পরিচয় জানা যায়নি।এদিন সকাল ১০ টায় তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়া হয়েছে ৮২৫২.৪০ কিউমেক। আরও জলস্তর বৃদ্ধির সম্ভবনা রয়েছে।সিকিম পাহাড়ে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ জলস্ফীতি তিস্তায়। তিস্তার দোমহনী থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করলো সেচ দপ্তর। তিস্তা পারে মাইকিং এর পাশাপাশি নদীপারে থাকা লোকেদের হুইসেল বাজিয়ে সরিয়ে দিচ্ছেন পুলিশ আধিকারিকেরা।তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমান:১) ভোর ৫ টায় ৩৪৮৪ কিউসেক।২) সকাল ৭ টায় ৭০২৬ কিউসেক।৩) সকাল ৮ টায় ৫০২৩ কিউসেক।৪) সকাল ৯ টায় ৭৯৫১.৩৮ কিউসেক।৫) সকাল ১০ টায় ৮২৫২.৪০ কিউসেক।৬) সকাল ১১ টায় ৭৮৮৫.৬৪ কিউসেক

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বিসর্জনে ভয়াবহ দুর্ঘটনা-জলপাইগুড়ির মাল নদীতে হরপা বানে মৃত ৮, উদ্বেগ প্রধানমন্ত্রীর

বিজয়াতে ঘোর বিষাদের মেঘ জলপাইগুড়িতে। প্রতিমা বিসর্জনে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা জলপাইগুড়ির মাল নদীতে। হঠাৎ হরপা বানে ভেসে গিয়েছে বহু মানুষ। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ইতিমধ্যে হরপা বানের তোড়ে ভেসে গিয়ে ৪ মহিসাসহ ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে মোট কত জন ভেসে গিয়েছে তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। রাতে দুর্ঘটনা ঘটনায় উদ্ধারকার্যে সমস্যা হয়। তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালানো হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির মাল নদীতে। গতকাল, দশমীর বিসর্জন পর্ব চলছিল। নদী ও আশেপাশে বহু মানুষ জড় হয়েছিল। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ আচমকা হরপা বান চলে আসে। কিছু বোঝার আগেই জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে যায় বহু মানুষকে। চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দেন উপস্থিত সকলে। স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে। নদীতে আটকে পড়া ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ মন্ত্রী বুলু চিক বারাইক আশঙ্কা করছেন, মাল নদীতে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার জেরে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রবল জলের স্রোতে বেশ কিছু মানুষ ভেসে গিয়েছেন। জলপাইগুড়ির মাল নদীতে ভয়ঙ্কর এই দুর্ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। মৃত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

অক্টোবর ০৬, ২০২২
রাজ্য

একটানা বৃষ্টিতে নাকাল চাঁচল, বাড়ির ভিতরে জল

নেই নিকাশি ব্যাবস্থা। রাতের টানা বৃষ্টিতেই জল থই থই মালদার চাঁচলের একাধিক এলাকা। ভারী বৃষ্টিতে চাঁচলের অধিকাংশ বাড়িতে ঢুকলো জল। হাটু সমান জলে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। রাস্তার নোঙরা জল বাড়িতে ঢুকতেই অস্থায়ী ভাবে ঘর ছাড়লেন অনেকেই। টানা কয়েকঘন্টা জলমগ্ন থাকলে পঞ্চায়েতের তরফে নিস্কাশন না হওয়ায় সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। জল যন্ত্রণা নিয়ে শুরু তৃণমূল বিজেপি চাপানোতোর।গভীররাতে ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে জল থই থই করছে চাঁচল সদরের বিভিন্ন ওলি গলিতে। কোথাও হাটু সমান জল আবার কোথাও আবার রাস্তা উপচে জল ঢুকেছে শোবার ঘরে। মঙ্গলবার সাত সকালে জল যন্ত্রণার ছবি ফুটে উঠেছে চাঁচলে। চাঁচল সদরের ট্যান্ডেল পাড়া, হাসপাতালপাড়া, থানা পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় জল থই থই করছে।থানা পাড়ার একাধিক বাড়িতে জল ঢুকে একাকার। পঞ্চায়েত প্রশাসনের তরফে জল নিস্কাশন না হওয়ায় বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। থানাপাড়ার বাসিন্দা সৌরভ দাসের অভিযোগ, ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নেন নেতারা। কিন্তু ভোটপর্ব মিটতেই এলাকায় আর দেখা যায়না।কয়েকদশক ধরে থানা পাড়ার শতাধিক বাসিন্দা জলযন্ত্রনায় ভুগছি।বর্ষাকাল হোক বা বর্ষা শেষে। সামান্য বৃষ্টি হলেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে এলাকা। একাধিকবার ড্রেন নির্মাণের দাবি জানালেও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যেরও দেখা নেই। সকাল থেকে জল নিস্কাশনের ব্যবস্থা নেননি কেউ।চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান আজমেরী খাতুনের স্বামী মোক্তার হোসেন জানিয়েছেন,১০০ দিনের প্রকল্পে ড্রেন নির্মাণের টেন্ডার ধরা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকার সেই প্রকল্প বন্ধ রাখায় কাজ থমকে রয়েছে।তবে বৃষ্টির জল নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জল যন্ত্রণা নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি। চাঁচলের বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ শর্মা বলেন, পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই মানুষ জল যন্ত্রণার শিকার হচ্ছে।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

ভোর থেকে ভারী বৃষ্টি জল বন্দি জলপাইগুড়ি

মাঝরাত থেকে প্রবল বর্ষণে জলবন্দী জল্পাইগুরি শহর ও সংলগ্ন এলাকা। আবহাওয়া দপ্তরের পুর্বাভাষ ছিল। সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া অবিরাম বৃষ্টিতে ভাসলো জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকা,কোথাও হাঁটু জল। কোথাও কোমর অবধি জল। সপ্তাহের প্রথম দিনের ভোরে জলে থৈ থৈ জলপাইগুড়ি শহরের পথঘাট, সমস্যায় পরতে হচ্ছে কাজে কর্মে যাওয়া সাধারণ মানুষের।স্কুল ছাত্র ছেতে অফিস যাত্রী সবাই গৃহ বন্দী। রাস্তার পাশের পানীয় জলের কল গুলি ও জলের তলায়। এলাকা বাসিদের আশঙ্কা জল তাড়াতাড়ি না নাম্লে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিতে পারে। সাথে সাথে জল বাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন এলাকার মানুষজন।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

বানভাসি ডুকুর গ্রামের বাসিন্দারা দিন কাটাচ্ছেন অজয়ের পাড়ে, প্রশাসনিক শুকনো আশ্বাস ছাড়া কিছুই জোটেনি

বছর ঘুরে গেল। তবুও মাথা গোঁজার ঠাঁই হল না বানভাসিদের। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া পঞ্চায়েতের ডুকুর গ্রাম। বছর খানেক ধরে পলিথিনের ছাউনি বেঁধে বাস করছেন গ্রামবাসীর একাংশ। তাঁদের অভিযোগ,প্রশসানিক আধিকারিকেরা এলাকা পরিদর্শন করলেও মেলেনি ক্ষতিপূরণ। শুধু মিলেছে প্রতিশ্রুতি। তাঁদের দাবি, ব্লক প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েও কাজ হয়নি। ফলে ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়।গত বছর অক্টোবরের ১ তারিখে আউশগ্রামের সাঁতলার কাছে অজয়ের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় ডুকুর গ্রাম। বাড়িঘর হারিয়ে নদের বাঁধে তাঁবুতে আশ্রয় নেয় গ্রামের ৪২টি পরিবার। তাদের দাবি, শুধু বাড়িঘরই ভাঙেনি, চাষের জমিতে বালির স্তূপ জমে যায়। তিন দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারের বন্দবস্ত করা হয়েছিল। তারপর খোঁজ নিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু শুকনো প্রতিশ্রুতি ছাড়া এখনো কিছু মেলেনি ঘরহারা মানুষজনদের। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন,খুবই খারাপ বিষয়।খোঁজ নিয়ে দেখছি। তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

নিম্নচাপের জের, সুন্দরবনের ভাঙ্গাবাধ পরিদর্শনে সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, হাড়োয়া মিনাখা সহ নদী বাঁধ পরিদর্শন সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের। ৪৮ ঘণ্টা আগে ভরা কোটাল ও নদীর জলস্থর বেড়ে গিয়ে হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের গৌড়েশ্বর নদী বসিরহাটের ইছামতি, হাড়োয়ার বিদ্যাধরি বাঁধ ভেঙেছিল। পাশাপাশি সন্দেশখালি ছোট কলা গাছে রায়মঙ্গল কালিন্দী সহ একাধিক নদী বাধে ফাটল দেখা গিয়েছিল। ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে বাঁধের কাজ হলেও। সরকারিভাবে বসিরহাট মহকুমার সেচও পুর্তোর সরকারি আধিকারিক প্রবীর সাধু, রানা চ্যাটার্জি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পুর্তের কর্মদক্ষ নারায়ণ গোস্বামী সহ ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল বাধ পরিদর্শনে যান। প্রতিনিধি দল সরজমিনে এলাকা খতিয়ে দেখেন। যেসব দুর্বল বাঁধ রয়েছে সেগুলো দ্রুত মেরামতি নির্দেশ দেন তাঁরা। পাশাপাশি ভাঙা বাধ গুলো পরিদর্শন করেন। এদিন, হিঙ্গলগঞ্জ সন্দেশখালি সহ একাধিক ব্লকে বাধ পরিদর্শন প্রশাসনিক আধিকারিকরা পাশাপাশি তারা জানান, চলতি মাসের ১৮ ই আগস্ট সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক রয়েছে, সেখানে সুন্দরবনের নদীবাদের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তুলে দেবেন।

আগস্ট ১৬, ২০২২
রাজ্য

ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের বরাতের অর্থ নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের কোন্দলে দুই নেত্রীর ভিন্নমত

ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের বরাতের অর্থ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে দুই নেত্রীর ভিন্নমত। মালদার মানিকচক বিধানসভার বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের দাবী এলাকার ভাঙণ প্রতিরোধের জন্য ৪২কোটি টাকা মঞ্জুর করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।সেচ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানান ৪২কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানা নেই।তিনি বলেন ভাঙণ প্রতিরোধের জন্য ৭কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে এই সময় ভাঙণ প্রতিরোধের কাজ করলে বরাদ্দ অর্থ জলে যাবে। তাই ভাঙণের প্রবনতা কমলে কাজ হবে। ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের নিয়ে মন্ত্রী ও বিধায়কের মুখে বরাদ্দ অর্থের পরিমান নিয়ে ভিন্ন মত হওয়ায় জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিজেপির দাবী ভোট রাজনীতির জন্য ভাঙণ প্রতিরোধ কাজের বরাদ্দ অর্থের কথা বলছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। আসলে কোন অর্থই বরাদ্দ হয় নি। শুধু তাই নয় অর্থ তছরূপের জন্যও মন্ত্রী বরাদ্দ অর্থের পরিমান কম বলেছেন এমনই অভিযোগ করছেন বিরোধীরা।

আগস্ট ০৯, ২০২২
দেশ

'কীর্তি'-র কীর্তি তে বন্যাবিধ্বস্ত দুর্গতদের মুখেও হাসি, এ এক অন্য আমলার কাহিনি

আসামের কাছাড় জেলায় ডেপুটি কমিশনার কীর্তি জাল্লি-র (আইএএস) সম্প্রতি বন্যাবিদ্ধস্ত এলাকা পরিদর্শনের মুহুর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ভিডিও এবং ছবিগুলিতে তাঁকে বন্যাবিদ্ধস্ত এলাকার কাদা, ঘোলা জলের মধ্যে দিয়ে খালি পায়ে হাঁটতে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিধ্বস্ত স্থানীয় মানুষের সাথে হাঁসি মুখে আলাপচারিতা করতে দেখা যায়। এই ছবিগুলি সামাজিক মাধ্যমে প্রথম ২০০৯-ব্যাচের আইএএস অফিসার অবনীশ শরণ শেয়ার করেছিলেন।কীর্তি নিজে বন্যাবিধ্বস্ত এলাকার কাদা মাটি ওপর দিয়ে খালি পায়ে হেঁটে ঘুরেছেন। সেই দৃশ্য এই ঘোর দুর্দিনেও হাঁসি ফুটিয়েছে বন্যাদুর্গত মানুষগুলোর মুখে। ২০১৩ ব্যাচের আইএএস অফিসার কীর্তি জাল্লি। অতি সম্প্রতি আরও এক আইএএস অফিসার সঞ্জীব খিরওয়ার সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিলেন তাঁর পোষ্য সারমেয়কে স্টেডিয়াম ফাঁকা করে হাঁটানোর জন্য। স্টেডিয়াম-এর ক্রীড়াবিদদের অনুশীলন থামিয়ে বার করে দিয়ে সস্ত্রীক সারমেয় নিয়ে সন্ধ্যাকালীন ভ্রমন করতেন সঞ্জীব খিরওয়ার।দুই উচ্চপদস্থ আমলার দুই মেরুর আচরণ এখন সামাজিক মাধ্যমের প্রধান আলোচ্য বিষয়। একজন পোষ্য সারমেয়কে হাঁটানোর জন্য দিল্লির ত্যাগরাজ স্টেডিয়াম ফাঁকা করে দেন। আর একজন বন্যা বিধ্বস্ত অসমের কাছাড়ে আটপৌড়ে শাড়ি পরে কাদামাখা পায়ে দাঁড়িয়ে কীর্তির অমলিন হাসি, মন জিতে নিয়েছে লাখো মানুষের।কীর্তি জাল্লি-র বন্যাবিদ্ধস্ত এলাকা পরিদর্শনপ্রসঙ্গত দিল্লির সদ্য প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি সঞ্জীব খিরওয়ার ও তাঁর আমলা স্ত্রী রিঙ্কু দুগ্গার এই কাহিনি মুহুর্তে সামাজিক মাধ্যমের আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই, কোনও কারন না দেখিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে সঞ্জীবকে লাদাখ ও স্ত্রী রিঙ্কুকে অরুণাচলে বদলি করা হয়।বন্যাবিদ্ধস্ত কাছাড়, জলে ভাসছে। হাজার হাজার মানুষ অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। পানীয় জল, খাবারের জন্য হাহাকার করছে। তাঁর সাথে বাসস্থান হাড়িয়ে হাহাকার করছেন মানুষজন। কাছাড়ের ডেপুটি কমিশনার কীর্তি এ দৃশ্য দেখার পর ঠান্ডা ঘরে আর বসে থাকতে পারেননি। বেরিয়ে পড়েছেন বন্যা বিদ্ধস্ত মানুষের পাশে থাকার জন্য। সেই ছবিই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। সেই ছবির কোনওটিতে দেখা যাচ্ছে নৌকা করে দুর্গতদের কাছে যাচ্ছেন, আবার তাঁকে খালি পায়ে কাদার উপর দিয়ে শাড়ি তুলে স্থানীয় মহিলার হাত ধরে হাঁটতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর ওই সদা হাস্যময় মুখ-ই এলাকার দুর্গত দের প্রেরণা হয়ে উঠেছে। তাঁর মুখের স্মিত হাসির মধ্যে বন্যাবিদ্ধস্ত মানুষজন নিজের আপনজনকে খুঁজে পাচ্ছেন।There are few more pics... Shes a star 🌟 pic.twitter.com/zSVeM1WP05 kzc (@kzc940) May 27, 2022২০১৩ ব্যাচের এই আইএএস অফিসার এর আগেও শিরনামে এসেছেন। করোনা অতিমারিতে তাঁর বিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে আসার জন্য তাঁকে তাঁর পরিবার থেকে অনুরোধ জানালে তিনি পরিবার এবং বন্ধুদের অবাক করে দিয়ে তাদের বলেছিলেন যে, তিনি তার গুরুত্বপূর্ণ অফিসিয়াল দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে তাঁর বিয়ের জন্য হায়দ্রাবাদে বাড়িতে আসতে পারবেন না। এহেন কীর্তি র কাছে এটাই আসা করা যায়।এখানে উল্লেখ করা দরকার যে ডিসি কাছাড় কাম জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, কীর্তি জাল্লি ভোটার সচেতনতার জন্য বেস্ট ইলেক্টোরাল প্র্যাকটিস অ্যাওয়ার্ড ২০২১ (জাতীয় পুরস্কার) পেয়েছেন। তিনি ২৫ জানুয়ারী, ২০২২-এ নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজুর কাছ থেকে এই সম্মান গ্রহণ করেন। এছাড়াও ডেপুটি কমিশনার জাল্লি রাজ্য/কেন্দ্রের স্কিম/কর্মসূচির দক্ষ ও স্বচ্ছ বাস্তবায়নের একটি উদ্ভাবনী পদক্ষেপ বিভাগের জন্য এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। হাইলাকান্দি জেলার ডেপুটি কমিশনার হিসাবে, কীরথী জলি, আইএএস অ্যানিমিয়া-মুক্ত হাইলাকান্দি প্রকল্পটি গ্রহণ করেছিলেন। হাইলাকান্দি জেলা জুড়ে অ্যানিমিয়া প্রকোপ কমাতে অ্যানিমিয়া মুক্ত হাইলাকান্দি প্রকল্পের জন্য অসামান্য প্রচেষ্টার চিহ্ন হিসাবে, রাজ্য সরকার তাকে এই সম্মান প্রদান করবে।আসামের বিধায়ক করিম উদ্দিন বারভুইয়া বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার জন্য তার আগ্রহের কোনো সীমা নেই। তিনি যেভাবে প্রত্যন্ত বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন, ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিয়েছেন এবং মানুষের দুঃখ-কষ্ট বুঝতে পেরেছেন তা অত্যন্ত সম্মানের দাবি রাখে। আর এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, তার মানবতা দেখে আমরা খুব গর্বিত। তিনি বন্যা পরিস্থিতি দেখতে আমাদের এলাকার নোংরা রাস্তায় হাঁটেন।সেখানকার মানুষজন তাঁকে ভালোবাসা ও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে লিখছেন, কীর্তি জাল্লি ম্যাম, কাছাড়ের ডিসি বন্যা দুর্গতদের দ্বারে। এত সরল এবং গ্রাউন্ডেড। আপনি একজন সত্যিকারের অনুপ্রেরণা। এছাড়া কাছাড়ের সাধারণ মানুষ এলাকার নির্বাচিত নেতাদের অনুপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তাদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করার জন্য কীর্তি জাল্লি প্রশংসায় পঞ্চমুখ।Keerthi Jalli IAS, Deputy Commissioner Cachar.🙏 pic.twitter.com/n5CsOoAFMu Awanish Sharan (@AwanishSharan) May 26, 2022আসামের দশটি জেলা বন্যায় বিপর্যস্ত। বন্যায় ত্রিশ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫.৬ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৬২,২৮৯ জনেরও বেশি মানুষ ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন। নগাঁও জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এর পরে কাছাড় এবং মরিগাঁও রয়েছে। আসামের বন্যা পরিস্থিতি এই মুহুর্তে কিছুটা উন্নতি হয়েছে কারণ রাজ্যের নদীগুলির জলস্তর হ্রাস পেয়েছে।

মে ২৮, ২০২২
রাজ্য

Flood : পূর্ব বর্ধমানে বন্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন অরুপ বিশ্বাস

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য শনিবার আরামবাগে গিয়েও কেন্দ্রকে দুষেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই পূর্ব বর্ধমানের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের কথা ডিভিসি কর্তৃপক্ষকেই ভাবতে হবে। মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসও পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৈরি হওয়া বন্যা পরিস্থিতিকে ম্যানমেড বন্যা বলেই অবিহিত করেন। জেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এদিন প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে খোঁজ খবর নেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস।পরে তিনি জেলার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু সহ জেলার অন্যান্য নেতাদের কাছেও বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে খোঁজ খবর নেন। এরপর দুপুরে তিনি যান বর্ধমান টাউনস্কুলে। সেখানে জেলার জল প্লাবিত এলাকার মানুষদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী বোঝাই দুটি গাড়ি নিয়ে এরপর মন্ত্রীরা কাটোয়া মহকুমার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এখানে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দলের কর্মীরা সর্বত্র বানভাসি মানুষজনের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। রাজ্যে কোথায় কোথায় সাধারণ মানুষের কী কী ক্ষতি হয়েছে সেইসব প্রশাসনিক বিষয়গুলি প্রশাসনিক স্তরে দেখা হবে। আপাতত দলনেত্রীর নির্দেশে তাঁরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাইছেন।এরপরেই কেন্দ্রকে নিশানা করে অরুপ বিশ্বাস বলেন, রাতের অন্ধকারে একতরফা ভাবে জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কাটোয়ার বন্যা পরিস্থিতি ঘুরে দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস কাটোয়ার ভারতীভবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ত্রাণ শিবিরে যান। সেখানে বন্যা দুর্গত মানুষের পরিস্থিতি দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস ত্রাণ শিবিরে থাকা মানুষজনকে আশ্বস্ত করে বলেন, কোন অসুবিধা হবে না। উপরে ভগবান। আর নিচে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন । ত্রাণশিবিরে গিয়ে বন্যাদুর্গত মানুষদের পরিস্থিতি দেখেন। ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেওয়া পরিবারের শিশুদের হাতে দুধ ও বিস্কুটের প্যাকেট তিনি তুলে দেন। ভারতী ভবন বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কাটোয়া পৌরসভা এলাকায় অন্যান্য ফ্লাড সেন্টারেও বন্যা কবলিত পরিবারগুলিকে রাখা হয়েছে। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস কাটোয়ার অন্যান্য ত্রাণ শিবিরগুলি ঘুরে দেখেন ও ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের সঙ্গেও কথা বলেন। এদিনই বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়ে জেলার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। বন্যা দুর্গতদের যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই নির্দেশও তিনি বিধায়কদের দেন।এদিকে জলাধারগুলি থেকে জল ছাড়া কমতেই শনিবার থেকে জেলায় বন্যার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়ায় জলস্তর কমেছে দামোদরে। একই ভাবে অজয় নদে জল কমায় ধীরে ধীরে জেলার মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম ও আউশগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। শুক্রবার দুই দফায় ডিভিসি জলাধার থেকে ৪ লক্ষেল কিউসেকের বেশি জল ছাড়া হয়েছিল। এদিন ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে ১লক্ষ ৫৫ হাজার ৩০০ কিউসেকে নামে। তেনু ঘাট থেকে ১৩ হাজার কিউসেক, মাইথন থেকে ৫০ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত ড্যাম থেকে ৬০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ার হয়। জলাধার থেকে জল ছাড়া কমার সঙ্গে সঙ্গেই অজয় নদের তীরবর্তী মঙ্গলকোটের পালিগ্রাম, লাখুড়িয়া, ঝিলু ১, মাঝিগ্রাম, ভাল্যগ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু গ্রাম ও কেতুগ্রামের পাণ্ডুগ্রাম, পালিটা, নবগ্রাম, বিল্লেশ্বর, তেওরা, চরখি প্রভৃতি গ্রামে বন্যার জল নামতে শুরু করেছে। তবে কাটোয়া ও মঙ্গলকোটের কয়েক হাজার হেক্টর ধান জমি এখনও জলের তলায় রয়ে আছে। কাটোয়া-সিউড়ি রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে এদিন সকালেও জল বয়ে যেতে দেখা যায়। অন্যদিকে জল কমলেও আউসগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চলের মানুষজনের দুর্দশা কমেনি। অজয় নদের বাঁধ ভেঙে গিয়ে আউসগ্রামের সাঁতলা, ধুকুর বাগবাটি, বঙ্গপল্লী সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম জলপ্লাবিত হয়ে পড়ে। জল ঢুকে পড়ায় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে কেউ ভয়ে বাঁধে অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নেন। শিশু সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে এখন তাঁরা বিষধর সাপের সঙ্গেই সহাবস্থান করছেন। চিড়ে, গুড় ও জল খেয়েই সেখানে তাঁদের দিন কাটছে। বাঁধে আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের অনেকেরই ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। নষ্ট হয়েছে জমির ফসলও। এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান অজিত কুমার মণ্ডল এদিন যদিও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ভেঙে যাওয়া বাড়ির বাসিন্দাদের জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করা হবে ।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: এই বন্যার জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী নিজে, বিস্ফোরক শুভেন্দু

এই বন্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। বিগত বছরগুলোতে প্রাক বর্ষার যেসব কাজ হয়ে থাকে, এবার তা কিছুই করা হয়নি। আর তার কারণ, ভবানীপুরের উপনির্বাচন। আর এই নির্বাচনের কারণেই বাংলার মানুষকে বানভাসি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে। এমনই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর ম্যান মেড তত্ত্ব খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু জানান, শুধুমাত্র ডিভিসির জল ছাড়ার জন্য বন্যা হয়নি। বানভাসি এলাকার দুর্বল বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ফান্ডের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে বাঁধ মেরামতি আর করেননি। অতিবর্ষণের ফলে সেই দুর্বল বাঁধগুলো অনায়াসে ভেঙে গিয়েছে। আজ নিজের চেয়ার বাঁচাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডুবিয়েছেন।১৫ দিন ধরে পটাশপুর, সবংয়ের লোক জলের তলায়। এই সরকারের আর কিছু নেই। এই সরকার শুধু ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেন না। এই অপরাধের জন্য ঈশ্বর তাঁকে কখনও ক্ষমা করবেন না।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-DVC: সব টাকা জলে, ডিভিসি-র কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হতে পারে: মমতা

বাংলার বানভাসি অবস্থার জন্য ম্যান মেড তত্ত্ব আগেই খাড়া করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার, ঝাড়খণ্ডের বৃষ্টিকেও দায়ী করেছেন বাংলার বন্যা পরিস্থিতির জন্য। আর এবার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ফের ডিভিসির বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগলেন তিনি। পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝালেন ঠিক কত কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। এই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি-র কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে বলেও উল্লেখ করলেন মমতা। এ দিন আরামবাগে গিয়ে তিনি বলেন, ডিভিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী এ দিন হেলিকপ্টারে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন মমতা। আরামবাগে নেমে এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।এদিন মমতা আরামবাগে দাঁড়িয়ে বলেন, ডিভিসি আর ঝাড়খণ্ডের জন্যই বাংলায় এই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ডিভিসি যদি বছরে চারবার এভাবে জল ছাড়ে, তাহলে বহু মানুষের ক্ষতি হয়। সব টাকা তো জলেই চলে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, যে এলাকায় ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেখানে মানুষ সারাতে না সারাতেই আবার ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এবারের বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ লক্ষ বাড়ি। ৪ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ দিন পরিদর্শন সেরে নবান্নে ফিরে তিনি বৈঠক করবেন আধিকারিকদের সঙ্গে। নবান্ন থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলছে বলেও জানান তিনি।তবে, মমতার এই ক্ষতিপূরণের মানুষের জন্য চাইছেন নাকি দলের জন্য? সেই প্রশ্নই তুলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, যে মানুষগুলোর ক্ষতি হয়েছে তাঁদের জন্য ক্ষতিপূরণের কথা ভাবছেন নাকি ওই টাকা আম্ফানের মতো কাটমানি হিসেবে নেবে তৃণমূল নেতারা? তিনি আরও বলেন, বৃষ্টি বেশি হলে জল ছাড়তে হবে এটাই স্বাভাবিক। আর ভৌগলিক নিয়মেই ঝাড়খণ্ডের জল বাংলায় চলে আসে। কিন্তু, গত কয়েক বছরে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির জন্য উনি কী করেছেন?

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Flood Situatuation: ফুঁসছে দামোদর-অজয়-গন্ধেশ্বরী-দ্বারকেশ্বর, বানভাসী দক্ষিণবঙ্গ, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা

অজয় নদের জলে প্লাবিত হল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চল। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই অজয়ের জল বাড়তে শুরু করে। রাতে ভেদিয়ার সাঁতলা গ্রামের অজয় নদের বাঁধে ফাটল বিশাল আকার ধারণ করে। এই মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে অজয়ের জল সাঁতলা বাগবাটি-সহ চার পাঁচগ্রামকে প্লাবিত করেছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করছে প্রশাসন। বিঘের পর বিঘে ধানের জমি জলের তলায়। ফলে চরম বিপদ শঙ্কায় এলাকার বাসিন্দারা।এদিকে, শুক্রবার সকাল পরিস্থিতির আরও অবনতি। অজয় নদের বাঁধ ভেঙে পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম বহু অংশ প্লাবিত হয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম। ঘর হারানো মানুষজন একটু ডাঙার খোঁজে উত্তাল নদীর স্রোতের মধ্যে দিয়েই সাঁতরে চলেছেন। বিভিন্ন জেলা থেকে একাধিক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলছে। প্রাণহানি নিয়েও আশঙ্কায় প্রশাসন। সাতসকালে মঙ্গলকোটের কোঁয়ারপুর, মালিয়ারা ও গণপুর তিনটি গ্রামের কাছে অজয় নদের বাঁধ ভেঙেছে। বাঁধ ছাপিয়ে জল ঢুকতে শুরু করেছে আউশগ্রামের সাঁতলাতেও। জলবন্দি বেশকিছু গ্রামের মানুষ। আউশগ্রামের সাঁতলায় অজয়ের বাঁধ ভেঙেছে। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরানোর চেষ্টা চলছে। আউশগ্রামের সাঁতলা গ্রাম থেকে সাঁতরে বেরিয়ে এসে বাঁচার চেষ্টা করছেন তাঁরা। বাঁকুড়ার পরিস্থিতিও তথৈবচ। জলের তীব্র স্রোতে বাঁশের সাঁকো ভেঙে পাত্রসায়ের, সোনামুখীর বহুলাংশ প্লাবিত। গন্ধেশ্বরী, দ্বারকেশ্বর নদী ফুঁসছে। দ্বারকেশ্বরের জলে হুগলির আরামবাগ, গোঘাট-সহ একাধিক ব্লক জলমগ্ন। উদ্ধারকাজে নামানো হচ্ছে সেনাবাহিনী।অন্যদিকে, বানভাসী হুগলিও। লাল সতর্কতা জারি হয়েছে আরামবাগে। একদিকে টানা বৃষ্টি অন্যদিকে দফায় দফায় ডিভিসি-র ছাড়া জল আবার পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বর্ষণ সব মিলিয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে রূপনারায়ণ, দ্বারকেশ্বর, মুন্ডেশ্বরী ও দামোদর নদী । কোথাও বাঁধ ভেঙে আবার কোথাও বাঁধ উপচে জল ঢুকছে। তার মধ্যে রয়েছে আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট ও পুরশুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায়। বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং ও নিচু এলাকার মানুষদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। পুরশুড়াতেও বিপদ বাড়িয়েছে ডিভিসির ছাড়া জল।দামোদর ও মুন্ডেশ্বরী নদীও বইছে বিপদ সীমার উপর দিয়ে। ইতিমধ্যেই প্রায় দুই লক্ষ্য কিউসেকেরও বেশি জল ছেড়েছে ডিভিসি। যদিও এখনও ডিভিসির ছাড়া জল মুন্ডেশ্বরী দিয়ে খানাকুলে এসে পৌঁছয়নি। কিন্তু ডিভিসির জল খানাকুলে এসে পৌঁছলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে এবং সমস্ত বন্যা পরিস্থিতিকে ছাপিয়ে যাবে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই নিয়ে ২ মাসে আরামবাগ মহকুমা পরপর তিনবার বন্যার সম্মুখীন হলো। সব মিলিয়ে বড় সড় বন্যা পরিস্থিতির আতঙ্কে আতঙ্কিত গোটা আরামবাগ মহকুমার মানুষ। জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ কমানো হচ্ছে। আজ সকাল থেকে ১ লক্ষ ৮৯ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। গতকাল এই জল ছাড়ার পরিমাণ ২ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি ছিল। নিম্নচাপ ধীরে ধীরে সরে যাওয়ায় বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়েছে। তাই ধীরে ধীরে কমছে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ। নতুন করে নিম্নচাপ না হলে এই জল ছাড়ার পরিমাণ আজকে অনেকটাই কমে যাবে বলে আশা করছে সেচ দপ্তর।

অক্টোবর ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণকে সরাসরি আক্রমণ রচনার! মহুয়াকেও ছাড়লেন না, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

দলবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁদের আচরণ এবং ভাষা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধির ভাষা এবং আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি মহুয়া মৈত্রকেও কটাক্ষ করেন এবং অতীতের কিছু বিতর্কের উল্লেখ করেন।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে রচনা বলেন, একজন প্রবীণ সাংসদের কাছ থেকে এমন ভাষা আশা করা যায় না। তাঁর দাবি, সংসদের ভিতরে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রচনা আরও বলেন, একসময় যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তীব্র আক্রমণ করতেন, এখন তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, যারা অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের বর্তমান অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।উল্লেখ্য, এক সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের ঘটনাও সামনে এসেছিল। বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তিত সমীকরণ নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা বড় সিদ্ধান্ত! ইসকন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাধারমণ দাসকে, নিজেই জানালেন নেপথ্যের কারণ

কলকাতা ইসকনের সহ সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাধারমণ দাসকে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, কোন কোন ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।রাধারমণ দাস জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন। তবে নিজের বক্তব্যে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, গোরক্ষা সংক্রান্ত একটি বিতর্কে মানেকা গান্ধীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হওয়াও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।সমাজমাধ্যমে করা নিজের পোস্টে তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা, কট্টরপন্থী সনাতনী গোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক মন্তব্যও তাঁর মতে বিতর্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া একটি সাক্ষাৎকার দেওয়াকেও ইসকনের নীতির পরিপন্থী আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।রাধারমণ দাস আরও জানান, এখন থেকে তিনি আর ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করবেন না। কারণ বর্তমানে তাঁর সঙ্গে সংগঠনের কোনও প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। তবে পদ হারালেও ইসকনের উন্নতি, অগ্রগতি এবং সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসকনের তরফে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। ফলে রাধারমণ দাসের বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

হেফাজতে থেকেও মদ চাই! সিয়া গোয়েলকে নিয়ে পুলিশের দাবি ঘিরে তুমুল শোরগোল

পুণের লোহাগড় দুর্গে হবু স্বামী কেতন আগরওয়ালকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়া গোয়েলকে ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীনও বারবার মদ্যপানের অনুমতি চেয়েছেন সিয়া। একই সময়ে তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে একটি পুরনো ভিডিওও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দ্বাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই সিয়া মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তিনি একাধিকবার মদ্যপানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন সিয়া এবং চেতন। ভিডিওতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়ার দাদা সাহিলের মাধ্যমে চেতনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পরে সেই পরিচয়ই প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়।এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। প্রথমে রাজি থাকলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। কিন্তু পারিবারিক চাপে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।রবিবার তদন্তকারীরা সিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থল লোহাগড় দুর্গে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর বাবা-মাকেও। তদন্তে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে তদন্তে আরও নানা দাবি সামনে এসেছে। কখনও উঠে এসেছে বিয়ে নিয়ে চাপের অভিযোগ, আবার কখনও প্রেমিকের প্ররোচনার প্রসঙ্গ। প্রথমদিকে একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই বহুল আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার আদালতে শুনানির প্রস্তুতি চলছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলে গেল পার্ক সার্কাস স্টেশন! একের পর এক দোকান গুঁড়িয়ে বড় অভিযান

সোমবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস রেল স্টেশনে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হল। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন চত্বর এবং রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রেল পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই স্টেশন চত্বরে থাকা ব্যবসায়ী ও হকারদের জায়গা খালি করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সোমবার রাত সাড়ে দশটার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর রেলের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিছুটা সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ দোকান সরানো না হওয়ায় বুলডোজার নামানো হয়। একের পর এক দোকান, গুমটি এবং অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।পার্ক সার্কাস স্টেশন দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দোকান ও দখলের সমস্যায় ভুগছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের চলাচলেও বারবার অসুবিধা তৈরি হতো। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযান চলাকালীন স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে কড়া নজরদারি ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান।এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম, হাবরা এবং যাদবপুর-সহ রাজ্যের একাধিক রেল স্টেশন এলাকায় একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রেলের জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দোকানদার। তাঁদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা না করেই জীবিকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আর মাত্র ৭ দিন! কলকাতার দুই বড় সেতুর নিচে যা হতে চলেছে, জানতেই চমকে উঠবেন

কলকাতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুরসভা। এবার নজরে এসেছে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতুর নিচের বেআইনি দখল। শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই দুই জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সমস্ত বেআইনি দোকান ও দখল সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও হকারদের দোকান বসে আসছে। একইভাবে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বহু দোকান ও বড় বাজার গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, এই সবই অনুমতি ছাড়া দখল করে তৈরি হয়েছে। তাই এবার ওই সমস্ত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম-সহ বিভিন্ন রেল স্টেশনের আশপাশের অবৈধ দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার সেই অভিযানের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাও খালি করার নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দখল করে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস। শুধু অস্থায়ী ঘর নয়, বহু পাকা ও দোতলা বাড়িও তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভা ইতিমধ্যেই সেই এলাকাও খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ফলে শহরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal