• ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fir

রাজ্য

বর্ধমান শহরে ব্রয়লার মুরগির দোকানে আগুন, শত্রুতার সন্দেহ দোকান মালিকের

বর্ধমান শহরের বাথানপাড়ায় একটি মুরগির দোকানে আগুনে লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো। আগুনে পুড়ে মারা গেছে বেশ কিছু মুরগি।দোকানের মালিক শেখ সাবির জানান; গতকাল গভীর রাতে একজন মহিলা তার বাড়িতে খবর দেন দোকানে আগুন লেগেছে। তারা ছুটে এসে দেখেন গোটা দোকান জ্বলছে। ভিতরে থাকা সব দেশি ও ব্রয়লার মুরগি পুড়ে গেছে। শেষ অবধি দমকল এসে আগুন নেভায়। ব্রয়লার মুরগি দোকানের মালিক শেখ সাবিরের সন্দেহ কেউ শত্রুতা করেই এই কাজ করেছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক ভিনরাজ্যের ব্যক্তি সহ আট দুস্কৃতী বর্ধমান জেলা পুলিসের হাতে আটক

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপনসূত্রে খবর পেয়ে ৮ জন দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান জেলা পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানের এনএইচ ২ বি র উপরে সাই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কাছে পুলিশী অভিযানে ধরা পড়ে ওই দুস্কৃতীরা।পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিসের ডিএসপি (ট্রাফিক) রাকেশ কুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, এদের কাছে একটি ওয়ান শর্টার পাইপগান ও একটি গুলি পাওয়া গেছে। এছাড়াও এদের কাছে একটি পুরনো কয়েন পাওয়া গেছে। এরা কয়েনগুলিকে পুরাতন দুস্প্রাপ্য কয়েন বলে লোককে প্রতারণা করত বলে জানা গেছে। এছাড়াও এদের কোনও ডাকাতির উদ্দেশ্য ছিল বলেই পুলিশের অনুমান।দুস্কৃতীদের একজনের বাড়ি মুম্বাই, একজন বর্ধমানের, তিন জন মঙ্গলকোটের বাসিন্দা। বাকিদের বাড়ি বীরভুম জেলায় বলে সুত্রে জানা গেছে। এদের আজ আদালতে জেলা পুলিশ পাঠিয়েছে। এদের সাথে পুরনো কোনওঁ ঘটনার যোগ রয়েছে কিনা তাও বিশদে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
নিবন্ধ

ফারাও এর দেশ ঘুরে... (ভ্রমণ কাহিনী) প্রথম পর্ব

শুরুর কথাইতিহাসের ছাত্রী হয়েছি অনেক বড় বয়সে। ছোটবেলায় ইতিহাস নিয়ে পড়ার কথা খুব একটা ভাবিও নি। তবে যেটা ছোট বেলা থেকেই আকর্ষণ করত, তা হল গল্প। গল্প শুনতে বা পড়তে তখন ও ভালো লাগত আজও লাগে। বিভিন্ন দেশের গল্প, বিভিন্ন সময়ের গল্প। বাবা অনেক দেশের বই কিনে দিতেন আর মা পড়ে শোনাতেন। একটু বড় হতে নিজেই পড়তে থাকতাম সে সব। পুরাণ, রুপকথা, ইতিহাস ছোটোদের মতন করে লেখা বই সব। আর সেই রকম ই একটা বই আমার ছিল, Wonders of the World। এই বইটার হাত ধরেই প্রথম পরিচয় হল পিরামিড এর সাথে। এতটাই আশ্চর্য হয়ে গেছিলাম যে বলার নয়। পিরামিড, হিয়েরগ্লিফ, ফারাও তুত, সব মিলিয়ে কেমন ঘোর লেগে গেল। তখনও বুঝিনি যে এই ঘোর অনেক দিন ধরে তাড়া করে বেড়াবে আমায়।বড় হতে লাগলাম এই স্বপ্ন নিয়ে যে একদিন যাব, দেখব, বুঝব মিশরকে। বাবার কাছে মিশর সংক্রান্ত অনেক বই ছিল। খালি ঘাঁটতাম। একদিন আনন্দমেলা বা কোন একটা মাসিক পত্রিকা থেকে জেনে ফেললাম কার্টার ও কারনারভান এর আভিশাপ এর গল্প। সত্যজিৎ নিয়ে গেলেন শেয়াল দেবতার কাছে। জেনে ফেললাম আনুবিস কি ভয়ঙ্কর শক্তিশালী। মিশর রহস্য তে সুনীল গাঙ্গুলী প্রথম ভাল ভাবে সেখালেন হিয়েরগ্লিফ কাকে বলে আর কি ভাবেই বা সেতা লেখা বা পড়া হয়। কাকাবাবুর আর সন্তু কে যেন স্বপ্নে দেখতে পেতাম আর ভাবতাম অদের সাথে আমিও চলেছি রহস্যের সমাধানে। ইংরেজি ছবির হাত ধরে The Mummy দেখে জানার চেষ্টা করলাম মিশরীয় ভাবনা চিন্তা। এ সব ই যেন আমায় মিশরের সাথে আর বেশী করে জুড়ে দিচ্ছিল। আর চোখের সামনে মিশর দেখার স্বপ্ন টাকে তৈরি করতে সাহায্য করছিল।ইতিহাস নিয়ে যখন পড়তে শুরু করলাম, পৃথিবীর ইতিহাস syllabus এ ছিলনা। তবুও বোঝার চেষ্টা করতাম যে আমাদের সাথে অদের কি মিল, কথায় মিল। আমাদের দেশের পুরাণ বা কিংবদন্তির সাথে ওদের এত সাযুজ্য কেন। যেমন Geranldine Pinch বলেছেন many definitions have been proposed সেই থেকেই ধরে নিতে থাকি যে ওরা আর আমরা মানুষ বলেই এত সাযুজ্য। তবে পরে ভুল ভাঙে আর বুঝতে পারি যে ওরা, মিশরীয় রা আমাদের থেকেও অনেকটাই উন্নত মানের মানুষ ছিলেন।পড়া শেষে, ইতিহাস এর শিক্ষিকা হয়ে স্কুলে যোগ দিলাম। বার্ষিক প্রদর্শনী হিসেবে মিশরকে বেছে নিলাম আর অদম্য উৎসাহে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে নেমে পরলাম গবেষণার কাজে। Internet এর যুগে মিশর যেন নিজেকে উজার করে দিতে লাগল আমাদের কাছে। আর বহু দিনের সেই ছুঁতে চাওয়ার ইচ্ছে টাকে বার বার উশকে দিতে লাগল। এর সঙ্গে যোগ হল বাবার উৎসাহ। বিভিন্ন পর্যটন মেলা ঘুরে মিশরে বেড়াতে যাওয়া নিয়ে তথ্য যোগার করে বেড়াতো। আর তাঁর সাথে যুক্ত হল আমার বর। তারও বহুদিনের সখ আর স্বপ্ন যেন মিশে গেল। তারপর আর কি, যেমন ভাবা তেমন কাজ। জীবনসঙ্গীকে আর বাড়ির সবাইকে সঙ্গে করে ২০১৮ এর পূজার ছুটি তে পাড়ি দিলাম মিশর। সঙ্গে অনেক না দেখা স্বপ্ন, কিছু বই , ক্যামেরা আর লেখার খাতা কে নিয়ে। নীলনদের পাড়ে , ফারাও এর দেশে।যা কিছু দেখে এলাম তা ভোলার নয়। তবুও যেন একটা না পাওয়া থেকেই গেল, খালি মনে হতে লাগল যে সব শেষ হল না। তাও যা দেখলাম তাও মন্দ কি।**ফারাও এর দেশ ঘুরে**স্থানীয় সময় দুপুর ১২ টায় আমরা কায়রোর মাটিতে নামলাম। শুরু হল স্বাপ্নের দেশে যাত্রা। ইতিহাস এর ছাত্রী হিসেবে মিশর সব সময়ই প্রিয় বিষয় ছিল। আর স্বপ্ন ও দেখতাম কোন এক দিন ঠিক যাবো সেই দেশ এ। তবে সত্যি সেটা সম্ভব হবে ভাবিনি কোনদিন। নিজের চোখ কে বিশ্বাস করাতে পারছিলাম না যে মিশর আমার সামনে। কায়রোর সুন্দর বিমান বন্দর ছাড়িয়ে যখন বেরলাম মনের মধ্যে এক অদ্ভুত উত্তেজনা অনুভব করছিলাম। গাড়ি তে করে রওনা হলাম নিজেদের হোটেলের দিকে। আর অন্য দিকে যেন স্বপ্ন আস্তে আস্তে তার রঙ দেখাতে লাগল। মিশর আসার আগেই ঠিক করে ছিলাম মনে মনে যে, এই কদিন এ যা দেখব সব ক্যামেরা বন্দি করা যাবেনা। তাই চোখের দায়িত্ব বাড়বে অনেকটাই। দেখতে লাগলাম প্রাণ ভরে কায়রো শহর। ধূসর রঙের শহর কায়রো। মরুভুমির কাছে বলে বাতাসে আর্দ্রতা বেশ কম আর তার ফলে নীল আকাশ ঝক ঝক করছে। নীল আকাশের সাথে ধূসর রঙের ঘর বাড়ি এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য তৈরি করেছে।কায়রো কে এক ঝলক দেখলে মনে হবে নিজের দেশেই আছি। মরুভূমির দেশ বলে এখানে বাড়ির রঙ ধূসর বা হাল্কা। চড়া রঙের ব্যাবহার এরা জানেনা। আসলে এদের দেশের সংস্কৃতি ও ইতিহাস এতটাই বর্ণময় যে অন্য কোথাও রঙ ব্যাবহারের প্রয়োজন হয়না। তবে একটা ব্যাপার বোঝা গেল সহজে, যে এই দেশেরও অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আসতে সময় লাগবে । সামাজিক উন্নয়ন ও অনেকটাই পিছিয়ে বলে মনে হল। রাস্তায় ভাল রকম ট্রাফিক জ্যাম পেতে হল তবে অবশেষে আমরা আমাদের হোটেলে এসে উপস্থিত হলাম। দীর্ঘ যাত্রা ও অপেক্ষার অবসান হল।রাস্তায় আসার পথে একটা ব্যাপার দেখে খুব মজা লাগল যে, প্রতিটি বাড়ির ছাদ আবর্জনায় ভর্তি। বাড়ির যত বাতিল জিনিষ পত্র দিয়ে ছাদ বোঝাই। এর কারণ ঠিক বোঝা গেলনা তবে পরে বুঝেছিলাম যে এটা সমগ্র মিশরের ই চরিত্র। যে কোন শহরেই এই এক ব্যাপার। আর কায়রো রাজধানী হওয়া সত্ত্বেও একটা অদ্ভুত গ্রাম্য চরিত্র আছে, হয়ত সেটা শিকড়ের টানের চটেই।বিমানে আসার কোন ক্লান্তিই যেন আমাদের দমাতে পারছিল না। শুধু মাত্র দুপুরটুকু বিশ্রাম নিয়ে সন্ধেবেলার আয়োজন নিয়ে মেতে উঠলাম। সন্ধ্যের কায়রোর মধ্যে দিয়ে আমরা চললাম Nile Cruise এ রাতের খাবার খেতে। মানে নীল নদের উপর নৌকা বিহার ও তার সাথে খানা পিনা। নীল নদের সামনে দাঁড়িয়ে মনে পরে যেতে লাগল স্কুলের ভূগোল বই এর প্রশ্ন মিশর কে কোন নদীর দান বলা হয়? বা পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীর নাম লেখ। সেই প্রশের উত্তরে ভুল কখনও করিনি তবে এটাও ভাবিনি যে একদিন সেই নদীর সামনে গিয়ে দাঁড়াতে পারব। চওড়া নদী, রাতের অন্ধকারেও তার গভীরতা সম্মন্ধে যথেষ্ট ধারণা করা যায়। শহরের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া সত্ত্বেও নংরা আবর্জনা নদীর ধারে নেই। নদীর দুই পাশ সুন্দর করে বাঁধিয়ে দেওয়া আছে। শহরের বিভিন্ন আলো নীল নদ কে ছুঁয়ে যেন নিজেদের ধন্য করে নেবার চেষ্টা করছে। এত বিশাল সেই নদীর সামনে দাঁড়িয়ে আমার কেমন যেন মনে হল যে, এই যে সব কিছু হচ্ছে তাতে নীল এর কিছু এসে যায়না। সে যেন আপন তালে আপন ছন্দে ও গতি তে বয়ে চলেছে, বয়ে চলাটাই তার এক মাত্র কাজ, যা সে জীবনের শুরু থেকে করে আসছে। এত কিছু ঘটেছে তার চোখের সামনে, সব কিছুর সাক্ষী সে। তাই এই সব মানুষ জন দের বেশি উৎসাহ নিয়ে তার কোন মাথাব্যাথা নেই।আমরা Nile Pharaoh নামের একটি নৌকা বা cruise এ উঠলাম। নৌকার সামনেটা খুব সুন্দর করে সাজানো। পুরো নৌকা টাই ট্র্যাডিশনাল মিশরীয় ধাঁচে সাজানো। মিশরীয় solar boat এর আদলে। নৌকায় প্রবেশের মুখ পাহারা দিচ্ছে রাজার প্রহরীরা। নৌকার ভিতরে অনেক টেবিল সাজানো আর তার এক পাশে একটি মঞ্চ, সেখানে নাকি নাচ গান হবে। নৌকার ছাদেও যাওয়া যায় সেখানেও টেবিল পাতা আছে।Nile Pharoa, বোট, কায়রোছাদে গিয়ে বেশ শীত শীত করছিল। নীল নদের উপর দিয়ে বয়ে আসা ঠাণ্ডা হাওয়ার চোটে। নৌকা চলতে শুরু করল রাত ৮ টায়। আর তার সাথে শুরু হল সেই খালি মঞ্চে বেলি ড্যান্স belly dance আর সুফি গানের অনুষ্ঠান। বিভিন্ন রকম খাবারের মধ্যে দিয়ে শুরু হল রাতের খাওয়া। খাওয়া শেষ করে গেলাম নৌকার ছাদে। নীল নদের কালো জল ঠেলে এগিয়ে চলেছে নৌকা। গোটা শহরটাকে দেখা যাচ্ছে নদী থেকে। জলের আসা যাওয়া দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল যে, এই সেই নীল নদ। যাকে নিয়ে পৃথিবী জুড়ে গল্প বা রোমাঞ্চের শেষ নেই। যার তৈরি প্লাবন ভূমিতে তৈরি হয়েছে পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন তার উপর দিয়ে বয়ে চলা নৌকাতে চলেছি আমি। আর আজও, এত আধুনিক যুগেও মিশরের জন্য এই নদীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। রাত প্রায় ১০.৩০ নাগাদ আমাদের নৌকা ভ্রমণ শেষ হল আর ক্লান্ত শরীরে আমরা হোটেলে ফিরে এলাম। রাতে ভাল ঘুম আমাদের সবার অত্যন্ত প্রয়োজন কারণ পরের দিনের জন্য নিজেদের তৈরি করতে হবে।শ্রেয়া ঘোষ (বর্ধমান)ক্রমশ...

নভেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে এক পরিত্যক্ত কারখানায় আগুন, দমকল গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে

একটি পরিত্যক্ত কারখানায় আগুন লাগলো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। বুধবার দুপুরে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে জামালপুরের নবগ্রাম ময়না এলাকার একটি বন্ধ কারখানায় ভিতরে আগুন ধরে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান বহুদিন ধরে কারখানাটি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। এই পরিত্যক্ত কারখানায় কি উৎপাদন হত স্থানীয়রা কেউই বলতে পারছেন না।আগুন লাগার পর পাশের একটি ইট তৈরীর কারখানার শ্রমিকরা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় খবর দেওয়া হয় মেমারি দমকল বিভাগে। দমকলের একটি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে।দমকল আধিকারিক সঞ্জয় কুমার দত্ত বলেন, কারখানার ভিতরে থাকা প্লাস্টিক জাতীয় জিনিসপত্রে আগুন লাগে। পাশাপাশি সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঝোপঝাড়ে। দমকলের একটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। আর একটি পাম্পসেট দিয়েও পাশের পুকুর থেকে জল নিয়ে আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আচমকা আগুন, হাসপাতালের স্টোররুম ভস্মীভূত

আচমকা আগুন লাগার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসির পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।দমকলের দুটি ইজ্ঞিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে। আগুনে স্টোররুম ভস্মীভূত হয়ে যায়। এমনকি স্টোররুমের সাটার লাগানো গেটও আগুনের লেলিহান শিখায় দুমড়ে মুচড়ে যায়। স্টোররুমে থাকা বেড ও বেশ কিছু নথিপত্রও পুড়ে যায় আগুনে।মঙ্গলবার দুপুর ১ টার সময় স্টোররুম থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের দেখে রুগীর আত্মীয় পরিজনরা।খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান সর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।আগুনের ফুলকি ও ধোঁয়া দেখে রুগী ও রুগীর আত্মীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নভেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভষ্মীভূত হল একটি পোল্ট্রি ফার্ম, ক্ষতি লক্ষাধিক টাকার

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভষ্মীভূত হল একটি পোল্ট্রি ফার্ম। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের খুড়ুল গ্রামে। ভাতারের খুড়ুল গ্রামের বাসিন্দা বুদ্ধদেব ঘোষের একটি পোল্ট্রি ফার্ম ছিল। ওই ফার্মে মুরগি পালন করে সংসার চলতো তাদের। দুএকদিনের মধ্যেই বাচ্ছা মুরগি আসার কথা। তার তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছিল। গতরাতে হঠাৎ দাউ দাউ করে পোল্ট্রি ফার্মটি জ্বলতে দেখা যায়। দু একজনের নজরে আসতেই গ্রামবাসীরা জড়ো হয়ে আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন।ভয়াবহ আগুনে ভষ্মীভূত হয় পোল্ট্রি ফার্মটি। কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান পোল্ট্রি ফার্ম মালিক। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ফার্ম মালিক ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।তাদের সন্দেহ ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে কেউ আগুন লাগাতে পারে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

গোপন সুত্রে খবর পেয়ে দুই ব্যক্তিকে আগ্নেয় অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার বর্ধমান পুলিসের

আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করল বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতদের শনিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ গোদা হাইওয়ের কাছ থেকে রবিদাস নামে একজনকে আটক করে। তার কাছ থেকে একটি পাইকগান ও এক রাউণ্ড গুলি উদ্ধার হয়। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রদীপ কুমার অধিকারী নামে আর এক ব্যক্তির খোঁজ পায় পুলিশ। তার বাড়ি শ্যামসুন্দর। রাতেই বর্ধমান থানা পুলিশ তার বাড়িতে যায় এবং তার কাছ থেকেও একটি পাইপ গান ও এক রাউণ্ড গুলি উদ্ধার করে। পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। শনিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয় দুজনকে। রবিদাসকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ধৃত রবিদাসের বাড়ি বর্ধমানের বিসি রোড এলাকায় ও প্রদীপ কুমার অধিকারীর বাড়ি রায়না থানার শ্যামসুন্দর এলাকায়।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
রাজ্য

এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখায় ভয়াবহ আগুন, রহস্যের গন্ধ!

এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখায় ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘন ধোঁয়ার কুন্ডলী বের হতে থাকে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। দমকলের দুটি ইঞ্জিন আগুন আয়ত্বে আনার চেষ্টা করছে৷ উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলায় তদন্তে নেমে এই ব্যাঙ্কের শাখায় একাধিকবার হানা দিয়েছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, এই শাখায় অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, দেহরক্ষী সায়গল হোসেন সহ ঘনিষ্ঠদের একাউন্ট রয়েছে৷ এছাড়া সুকন্যা মণ্ডলের নামে কেনা জমির লেনদেন এই এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখার মাধ্যমেই হয়েছিল৷ এই আবহে এই ব্যাঙ্কে ভয়াবহ আগুন৷ তথ্য লোপাটের জন্যই কি এই আগুন? নানা মহলে উঠছে এই প্রশ্ন৷

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

ডেমু ট্রেনে আগুন আতঙ্ক যাত্রীদের মধ্যে

তেলটা থেকে রাধিকাপুর যাওয়ার ডেমু ট্রেনে আগুন আতঙ্ক যাত্রীদের মধ্যে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার বাহিন অঞ্চলে।স্থানীয় মানুষেরা নিজেরা জল দিয়ে আগুন নেভানোর ব্যবস্থা করেন। ট্রেনের আগুনের জেরে যাত্রীরা আতংকিত হয়ে পড়েন। চলতি ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে বেশ কয়েকজন পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন। রেল প্রশাসন বা স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে দেরীতে পৌছানোর কারনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন যাত্রীরা।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

একসময়ের কয়লা মাফিয়ার দেহরক্ষীর কাছ থেকে উদ্ধার AK 47 সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র

AK 47, দেশি কার্বাইন সহ বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র এবং এক দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করল পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ। ধৃত দুষ্কৃতীর নাম সুনীল ওরফে শোলে পাশওয়ান। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রগুলি নিয়ে দুর্গাপুরের ডেপুটি কমিশনারের অফিসে সাংবাদিক বৈঠক হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাত্রিতে পাণ্ডবেশ্বরের তিন নম্বর কোলিয়ারি এলাকায় এই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি কেনার জন্য এক দুষ্কৃতী আসে। তখনই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় পাণ্ডবেস্বর থানার পুলিশ। উদ্ধার হয় দেশি কার্বাইন, দেশি পাইপগান, একে 47 সহ বেশ কিছু কার্তুজ। সঙ্গে গ্রেফতার হয় সুনীল পাশওয়ান, আরও এক দুষ্কৃতী মঞ্জিত রাম পলাতক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাণ্ডবেশ্বর এলাকার কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া নূরে আলম এর দেহরক্ষী ছিলেন সুনীল ওরফে শোলে পাশওয়ান। এলাকায় কয়লা কারবারের রমরমার সময় সন্ত্রাস চালাতে এসব আগ্নেয়াস্ত্রগুলি ব্যবহার করা হতো। নূরে আলম খুন হওয়ার পর এলাকায় কয়লা এবং বালির কারবার চালাতে এই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি ব্যবহার করত শোলে পাশওয়ান। বৃহস্পতিবার রাত্রিতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করপ ওই দুষ্কৃতীকে। উদ্ধার হয় এই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি। এই চক্রের সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তদন্ত চালাচ্ছে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

গভীর রাতে ভয়াবহ আগুনে ভষ্মিভুত বাড়ি, অভিযোগ, দমকল দেরিতে আসায় পুড়ে ছাই লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি

গভীররাতে পূর্ববর্ধমানের মেমারির উদয়পল্লীর পশ্চিমপাড়ার একটি বাড়িতে আগুন লাগে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায় বাড়ির আসবাব সহ সমস্ত সামগ্রী। আগুন লাগার পর স্থানীয় মানুষজন খবর দেন মেমারির দমকল বিভাগকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন ও মেমারি থানার পুলিশ যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ দমকল ডাকার অনেক পরে তাঁরা পৌঁছায়, ততক্ষণে স্থানীয়রাই উদ্যোগ নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগে। ভষ্মীভুত বাড়িটির মালিক বলাই গোলদার জনতার কথাকে জানান, তিনি বাড়িতে ছিলেন না, মেলায় গিয়েছিলেন, আগুন লাগার সময় তাঁর স্ত্রী ও সন্তান ছিল, তিনি জানান, তাঁরা কী আহত হননি, স্থানীয়দের সাহায্যে তাঁর পরিবার নিরাপদেই আছে।বলাই গোলদার জানান, তিনি বিভিন্ন মেলায় ব্যবসা করে সংসার চালান। আগুন লাগার আগের দিন মহাজনকে দেওয়ার জন্য বাড়িতে ৫০ হাজার টাকা নগদ রেখেছিলেন। সেই টাকাও উদ্ধার হবেনা জেনে তিনি ভেঙ্গে পরেছেন। স্থানীয় অভিজিৎ মণ্ডল (প্রতিবেশী) জানান তারাই প্রথম আগুনটা দেখেন, তিনি জানান তাঁরা আগুন দেখে দমকলকে ৭টা ১৫ তে ফোন করেন, কিন্তু এক কিলোমিটার দূর থেকে দ্মক্ল বাহিনী আসতে ৮টা ৩০ মিনিট হয়ে যায়। ততক্ষণে স্থানীয় মানুষজনই আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলেছেন। দমকল সুত্রে জানা যায়, তাঁরা মেমারি লেভেল ক্রশিং (রেল গেট) এ ৩০ মিনিট আটকে ছিলেন।মেমারি এলাকায় মাত্র রাজ্য সরকারের অগ্নি নির্বাপণ দপ্তরের একটা মাত্র আগুন নেভানো গাড়ি আছে, সেটাও রেলগেটের দক্ষিন পাড়ে থাকে, কিন্তু মেমারি শহরের সবচেয়ে ঘন বসতি রেলগেটের উত্তর পাড়ে। স্থানীয় মানুষজনের দাবী, দমকল বিভাগ যেন আরও একটা গাড়ি উত্তর পাড়ে রাখেন যাতে রেল গেট পড়ে দেরি হওয়ার কারনে এই রকম ঘটনা না ঘটে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

গভীররাতে বর্ধমানের দু'টি দোকানে আগুন

গভীররাতে বর্ধমানের কার্জনগেটের পাশে বৈদ্যনাথকাটরায় দুটি দোকানে আগুন লাগে। দমকলের দুটি ইঞ্জিন প্রায় ১ ঘন্টা পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দোকান মালিক প্রবীর চৌধুরী বলেন, এটা আগে গ্রহরত্নের (জ্যোতিষ) দোকান ছিলো কয়েকমাস আগে দোকানটা তিনি কেনেন। ব্যাগের দোকান করবেন বলে নতুন করে ইন্টিরিয়ার করাচ্ছিলেন। তাঁর দাবী ইলেক্ট্রিকের মেন লাইন কাটা ছিলো। ভিতরে এ সি-সহ বেশ কিছু সরঞ্জাম ছিলো। কাঠের দোকান, সামনে দুটি সাটার আছে। দোকান মালিকের দাবী, দোকানের বাইরে পরে থাকা কাগজের আগুন থেকে আগুন ভিতরে ঢুকেছে। যদিও পুলিশের অনুমান এসি থেকে আগুন লেগেছে।

আগস্ট ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জীবনে প্রথম নেতৃত্বে বুমরা, চাপ নিয়ে মাঠে নামছে ভারত

শুক্রবার থেকে এজবাস্টনে শুরু হচ্ছে ইংল্যান্ডভারতের অসমাপ্ত সিরিজের পঞ্চম টেস্ট। প্রত্যাশামতোই এই টেস্টে খেলতে পারছেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দেবেন যশপ্রীত বুমরা। সহঅধিনায়কের দায়িত্ব সামলাবেন ঋষভ পন্থ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বুমরার নেতৃত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। রোহিত শর্মার খেলতে না পারাটা ভারতীয় দলের কাছে নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা। চাপ নিয়েই মাঠে নামতে হবে ভারতকে।ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত রোহিত শর্মার জন্য অপেক্ষা করতে চেয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রোহিতের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের রিপোর্ট আবার পজিটিভ আসে। ফলে তাঁর মাঠে নামার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। আগে যে কোনও ধরণের ক্রিকেটে কখনও নেতৃত্ব দেননি বুমরা। এই প্রথম তিনি অধিনায়কের আর্ম ব্যান্ড পরে মাঠে নামবেন। কপিলদেবের পর দীর্ঘ ৩৫ বছরে এই প্রথম কোনও জোরে বোলার দেশকে নেতৃত্ব দেবেন।রোহিত শর্মার পরিবর্ত হিসেবে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে ইংল্যান্ড উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও তাঁকে খেলানো হবে কিনা, তা নিশ্চিত নয়। শুভমান গিলের সঙ্গে কে ওপেন করেন, এখন সেটাই দেখার। প্রস্তুতি ম্যাচে হনুমা বিহারী ও কেএস ভরতকে পরীক্ষা করা হয়েছিল। চেতেশ্বর পুজারার সম্ভাবনার কথাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদি হনুমা বিহারী ওপেন করেন, তাহলে তিন নম্বরে পুজারা। চারে বিরাট কোহলি, পাঁচে শ্রেয়স আয়ার, ছয়ে ঋষভ পন্থ। অলরাউন্ডার হিসেবে প্রথম একাদশে শার্দূল ঠাকুরের খেলার সম্ভাবনা বেশি। দুই জোরে বোলার যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামি নিশ্চিত। তৃতীয় জোরে বোলারের জায়গার জন্য জোর লড়াই মহম্মদ সিরাজ ও উমেশ যাদবের মধ্যে। একমাত্র স্পিনার হিসেবে রবিচন্দ্রন অশ্বিন না রবীন্দ্র জাদেজা খেলবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও পঞ্চম টেস্টে ভারতের লড়াই সহজ হবে না। কারণ নতুন অধিনায়ক বেন স্টোকস ও কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের অধীনে দারুণ ছন্দে রয়েছে ইংল্যান্ড। সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে। ফলে বুমরাদের কাছে কাজ সহজ হবে না।

জুন ৩০, ২০২২
সম্পাদকীয়

দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় শিক্ষাক্ষেত্র, কলেজ-বিশ্ববিদ্য়ালয় স্বজন-পোষণের আঁতুরঘর!

উচ্চমাধ্যমিক, প্রাথমিক, শিক্ষাক্ষেত্রে গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি নিয়োগ নিয়ে এখন দুর্নীতির আর অভিযোগের স্তরে নেই। কিছু ক্ষেত্রে বেআইনি নিয়োগের জন্য চাকরি খোয়াতে হয়েছে। এরইমধ্যে প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসের বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মন্ডলের বিরুদ্ধে সিবিআই এফআইআর করেছে। সে এখন নিপাত্তা। কিন্তু সারা রাজ্যে আর কত রঞ্জন আছে সেটাই এখন মূল বিষয়। তাছাড়া দুর্নীতির চূড়ায় বসে থাকা কর্তা-ব্যক্তিরা তো আছেনই। তবে এটা ঠিক এখন আদালতের নির্দেশে সরকারি চাকরি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ মান্যতা পাচ্ছে। কিন্তু ৩৪ বছরের বাম আমলেও বিভিন্ন সরকারি পোষিত সংস্থায় নিয়োগে চূড়ান্ত স্বজন-পোষণের অভিযোগ রয়েছে, নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই তা-ও স্পষ্ট হবে। মোদ্দা কথা কিছু চাকরি বেআইনি ভাবেই যেন সংরক্ষিত থাকে।বর্ধমান জেলাতেও বেআইনি নিয়োগে প্রাথমিক শিক্ষকদের তালিকায় বেশ কয়েকজনের নাম রয়েছে। তবে বাগদার রঞ্জন-এর ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই এই জেলায় তেমন কোনও ব্যক্তি আছে কীনা তা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। তদন্তকারীদের ধারনা রাজ্যের অন্যত্রও এই বেআইনি নিয়োগে অনেকেই যুক্ত থাকতে পারেন। তাঁদের হন্যে হয়ে খুঁজছে সিবিআই। সাধারণ চাকরি প্রার্থীদের বঞ্চিত করে যেভাবে নিয়োগ হয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে আম জনতা। তাহলে কী তাদের বরাতে কিছুই জুটবে না? সাধারণ ঘরে জন্ম নেওয়াটাই কী অপরাধ? ভাল চ্যানেল বা অর্থ না থাকলে শুধু যোগ্য়তা দিয়ে চাকরি জুটবে না। এ কেমন গণতান্ত্রিক দেশ!তবে শুধু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় স্তরেও শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ইতিমধ্যে বিক্ষোভ দেখিয়েছে প্রার্থীরা। ছাত্র ইউনিয়নের অনেকেই এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বা উচ্চপদে রয়েছে। এর আগে কিছু অভিযোগ উঠলেও তা ফাইল বন্দি হয়ে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। বাম আমলেও যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে অধিকাংশ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বেনিয়ম হয়তো প্রমানিত হয়নি তবে তদন্ত হলে

জুন ১৭, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী রৌনককে সম্বর্ধনা পুর্ব-বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা-র

বর্ধমান শহরের সিএমএস স্কুলের ছাত্র রৌনক মণ্ডল। ২০২২র মাধ্যমিক পরীক্ষায় যুগ্ম প্রথম স্থানাধিকারী। রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন হাই স্কুল (বাঁকুড়া) অর্ণব ঘড়াই রৌনক -এর সাথে যুগ্ম ভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এ বছর ৭ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ অবধি মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছিল। করোনা অতিমারির কারণে ২০২১ এ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়নি। ২০২২ এ মোট মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১১ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৬৩। ছাত্রের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৯ জন। এবং ছাত্রী ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪। সারা রাজ্যে ৪ হাজার ১৫৪ টি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সম্পুর্ণ আদর্শ করোনা বিধি মেনে।পুর্ব-বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী রৌনক মণ্ডল-কে তাঁর জেলাশাসক কার্যালয়ে শুক্রবার সম্বর্ধনা দেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা রৌনক-কে একটি ল্যাপটপ উপহার দেন। ভবিষ্যতে কি হতে চাই সে কথা জানতে চাইলে, রৌনক প্রিয়াঙ্কা সিংলা কে জানান আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই। প্রিয়াঙ্কা সিংলা তার সাফল্য কামনা করে শুভকামনা জানান, যাতে সে তার লক্ষ্যে অবিচল থেকে লক্ষ্য পুরণ করতে পারে।রৌনক জানান, সে মাধ্যমিকে প্রথম হবে সেটা আশা করেননি। তার ধারনা ছিল সে এক থেকে দশের মধ্যে থাকবে। রৌনক কতক্ষণ পড়ত জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এ কথা জানতে চাইলে, তাঁর মা জেলাশাসক-কে জানান, রৌনক দিনে গড়ে আট ঘণ্টা পড়ত। তিনি আরও জানান, রৌনক খুব বেশী রাত জেগে পড়েনি।শুক্রবার মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর প্রথম স্থানাধিকারী পূর্ব বর্ধমানের রৌনক মণ্ডল জানতে পারেন তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। সে জানাই, তার প্রিয় বিষয় জীবনবিজ্ঞান এবং অঙ্ক। যেহেতু আমার লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়া তাই, নিট পরীক্ষার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছি।রৌনকের প্রিয় চরিত্র ফেলুদা, সত্যজিত রায়ের অমর সৃষ্টি পড়েই অবসর সময় অতিবাহিত করে সে। অবসর সময়ে ভলিবল খেলত বলে জানাই রৌনক। রবীন্দ্রসঙ্গীতের অনুরাগী, সময় পেলেই রবীন্দ্রনাথের গান গুনগুনিয়ে ওঠে। জেলাশাসকের কাছ থেকে ল্যাপটপ উপহার পেয়ে খুবই খুশি মাধ্যমিকে প্রথম রৌনক। সে জানাই এই ল্যাপটপ আমার পড়াশোনার জন্য খুব-ই কাজে লাগবে।

জুন ০৩, ২০২২
দেশ

দিল্লিতে ভয়াবহ আগুনে ঝলসে মৃত্যু প্রায় ১৬ জনের, ঘটনাস্থলে ২৪ ইঞ্জিন

দিল্লিতে ভয়াবহ আগুনে প্রায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, দিল্লির মুন্দকা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগে বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ। অনুমান করা হচ্ছে, ওই ভয়ঙ্কর অগ্নিকান্ডে ১৪ থেকে ১৬ জন ঝলসে গিয়েছে। এই ঘটনায় বহু মানুষ জখম হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে ২৪টি ইঞ্জিন পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। জানা গিয়েছে, জখমদের সঞ্জয় গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কী কারণে আগুন তা এখনও জানা যায়নি।#WATCH | Fire near Mundka metro station, Delhi: 1 woman dead in the fire. Rescue operation continues with about 15 fire tenders at the spot, as per DCP Sameer Sharma, Outer district pic.twitter.com/okHUjGE7cn ANI (@ANI) May 13, 2022সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, বিল্ডিংটির ওপরের দুটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ওই এলাকা পুলিশ বাহিনী ঘিরে রেখেছে। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে রয়েছে দমকলের ২৪টি ইঞ্জিন। দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের (ডিএফএস) আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বিকেল ৪.৪০ মিনিটে আগুনের খবর পাওয়া গিয়েছে। ডিএফএস-এর প্রধান অতুল গর্গ জানিয়েছেন, মেট্রো স্টেশনের পিলার ৫৪৪-এর কাছের একটি ভবনে আগুন দেখা গিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও ১৪টি ইঞ্জিন পাঠানো হয়।

মে ১৩, ২০২২
কলকাতা

ফের ট্যাংরায় বিধ্বংশী আগুন, ভষ্মীভূত গাড়ি সমেত গ্যারাজ

টিনের শেডের নীচে এখনও দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দেড়মাসের মধ্যে দুবার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটল ট্যাংরায়। ট্যাংরার ক্রিস্টোফার রোডের বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে একাধিক গ্যারাজ। পুড়ে যায় বেশ কিছু গাড়িও। আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল পাশের গুদাম ঘরেও। বাড়ির ছাদ থেকে জল দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে গিয়েছে।আগুন লাগার আড়াই ঘন্টা পরেও জ্বলছে আগুন। বহু দূর থেকেও আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলতে দেখা যায়। রবিবার গ্যারাজগুলি বন্ধ ছিল। এখনও পর্যন্ত প্রাণহানির কোনও খবর নেই। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কে স্থানীয়রা দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দেয়। আশেপাশের বাড়ির ছাদ থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা জল দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করে। ঘিঞ্জি এলাকা বলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার ভয়ও ছিল বেশি।দেড় মাস আগে এই রোডের ওপরই আগুন লেগেছিল। সেই আগুন নেভাতে ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছিল। এদিনও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেকটা সময় লাগবে বলে মনে করছে দমকল কর্মীরা। টিনের শেডের নীচে আগুন চাপা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ওপর থেকে দেখলে তা বোঝা যাবে না। সেই আগুন নেভাতে আরও সময় লাগবে।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ বগটুইয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর, তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

আনারুলের পর এবার রাজ্যের মন্ত্রী ও রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপোর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ আনলেন মিহিলাল শেখ। মিহিলাল রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁর পরিবারের লোকজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ খুনের পরপরই। সংশোধনাগারে আনারুল, লালনরা খেয়ে-দেয়ে ফূর্তি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মিহিলালের অভিযোগ, এই সমস্ত ব্যবস্থাও করে দিচ্ছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। পুরো বিষয়টা তিনি সিবিআইকে জানাবেন বলেছেন। এদিকে মিহিলালের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন আশিষ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।কী বলেছেন মিহিলাল শেখ?আমার পরিবার তো শেষ হয়ে গেল। আনারুলরা জেলের মধ্যে ফূর্তি করছে। জেলে বিয়ার, মদ খেয়ে এনজয় করছে। বাড়িতে যা পেত তা জেলে পাচ্ছে। বাইরে থেকে খাবার যাচ্ছে। আমাদের লোকজনকে শেলে রেখে দিয়েছে। এসবে মদত দিচ্ছে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপো আমাদের ওপর অত্যাচার করত। আনারুলকে গাইড করছে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এসব কান্ড আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। একমাসেও কোনও খবর নেয়নি। ওর লোকজনও খবর নিতে আসেনি। আমি বিডিওকে হোয়াটসঅ্যাপে খাদ্যদ্রব্যের জন্য পাঠিয়েছিলাম। প্রথমে তিন-চার দিনের জন্য কিছু পাঠিয়েছিলেন। এখন সব বন্ধ। আমরা এক মাসের খাবার চেয়েছিলাম প্রশাসনের কাছ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সত্বেও কোনও খাবার দিচ্ছে না প্রশাসন। পুরো বিষয়টা সিবিআইকে জানাব। চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট নই। কারণ জীবনের বিনিময়ে কিছু হয় না।এর আগে বগটুইয়ের ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের নাম জড়াচ্ছিল। আনারুল কার লোক তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। আনারুলকে সুপারিশের বিষয় সংক্রান্ত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে দেওয়া চিঠিও বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। এবার সরাসরি অভিযোগ উঠলো রামপুরহাটের বিধায়কের বিরুদ্ধে। তবে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অভিযোগকেই পাত্তা দিতে নারাজ।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
রাজ্য

আঞ্চলিক বাণিজ্য কে উৎসাহ দিতে সিডব্লুবিটিএর উন্নয়ন প্রকল্প

৭০টি সংগঠন প্রায় ১৫ লক্ষ ছোট এবং বৃহৎ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ব ভারতের সর্ববৃহৎ বণিক সংগঠন কনফেডারেশন ওফ ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন দেশের পূর্বাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের সার্বিক প্রসারে ১৩০ কোটি টাকা ব্যায়ে দুটি পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প তৈরির কথা ঘোষণা করেছে। বেঙ্গল গ্লোবাল ট্রেড এক্সপো ২০২২ এর উদ্বোধনী মঞ্চে সিডব্লুবিটিএর সভাপতি সুশীল পোদ্দার এই কথার ঘোষণা করেছেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। সুশীল পোদ্দার এদিন জানান, প্রথম পর্যায়ে সিডব্লুবিটিএ হাওড়ার আমতায় ৪০০ একর জমির ওপর ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করে একটি শিল্প ও লজিস্টিক পার্ক তৈরি করছে। এর জন্য ইতিমধ্যেই জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। সল্টলেক, রাজারহাটে ১.২৫ বর্গফুট এলাকায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে অন্য একটি অত্যাধুনিক বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। সংগঠনের সহ সভাপতি রাজেশ ভাটিয়া বলেন, পরিবর্তিত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছোট শিল্প সংস্থাগুলিকে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে পরামর্শ এবং ব্যবসার প্রসারে পরামর্শ যোগানের ক্ষেত্রে সিডব্লুবিটিএ একটি অগ্রণী সংগঠন হিসাবে এগিয়ে এসেছে।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ে গ্রেফতার টোটোচালক, সিবিআইয়ের হাতে পেট্রল পাম্পের সিসি টিভি ফুটেজ

বগটুই কাণ্ডে ফের ওই গ্রামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এর আগে মুম্বাই থেকে চারজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ধৃত ব্যক্তি রিটন শেখ পেশায় টোটোচালক। রিটনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন তথ্য মিলবে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। এদিকে মনসুবা মোড়ের পেট্রল পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে সিবিআই।সূত্রের খবর, বগটুই গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শীরা রিটন শেখের নাম বলে। ওই গ্রামেই বাড়ি তাঁর। সূত্রের খবর, রিটন শেখকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, মনসুবা মোড়ের পেট্রল পাম্প থেকে ঘটনার দিন জারে করে পেট্রল আনা হয়েছিল। সেই পাম্পে গিয়ে সিবিআই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সেই ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বগটুই কাণ্ডে সিট গঠন করেছিল রাজ্য সরকার। পরে আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্তভার হাতে নেয়। অভিযোগ, তৃণমূলের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনের পর পেট্রল দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় ৯ জনকে। তার আগে তাঁদের মারধর করে জখম করা হয়েছিল। নানা অত্যাধুনিক পদ্ধতিও বগটুই তদন্তে ব্যবহার করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ঘটনার পর বগটুই গ্রামে মাটির নীচ থেকে বোমাও উদ্ধার করেছে সিবিআই। রাজ্যের একের পর এক ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে তদন্ত ভার তুলে দিয়েছে হাইকোর্ট। বগটুই কাণ্ডে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ম্যারাথন জেরার পর ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্‌হা বিশ্বাস, ‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা: দীর্ঘ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার টানা জেরার শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই পদক্ষেপ করে। বহুবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও এতদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। এরপরই শুরু হয় দফায় দফায় জেরা।ইডি সূত্রের দাবি, জেরার শুরুতে কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান শান্তনু। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল তথ্য সামনে রাখা হলেও তিনি তা সম্পর্কে অজ্ঞতার দাবি করেন এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু তোলাবাজি ও প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল ভর্তি দুর্নীতি এবং বালি পাচার এই দুই মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের নাম। ইডির অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথিতে শান্তনু সিন্হার নাম মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই ডিসির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।ব্যাঙ্কশাল আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডির দাবি, কলকাতা শহরে একটি প্রভাবশালী জমি দখল ও তোলাবাজির সিন্ডিকেট চালানো হত, যেখানে জয় এস কামদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল শান্তনু সিন্হার। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো এফআইআর দায়ের করে থানায় ডেকে চাপ সৃষ্টি করা হত, এরপর জমি দখলের পথ প্রশস্ত করা হতো। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনি আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ।তদন্তকারীদের হাতে আসা জয় এস কামদারের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে একাধিক এফআইআর নম্বরের উল্লেখ মিলেছে। সেই তথ্য থেকেই ভুয়ো মামলার জাল বিস্তৃত ছিল বলে অনুমান ইডির।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দাবি, এই চক্রে কলকাতা পুলিশের অন্তত ১২ জন আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। ফলে তদন্ত আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বারবার নোটিস উপেক্ষা করায় শান্তনুর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করার প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁর খোঁজে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপরই বৃহস্পতিবার হাজিরা দেন তিনি।ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা শুধু প্রভাব খাটিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, এই সিন্ডিকেট থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। এখন নজর আদালতে আর কী কী বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনে ইডি, সেটাই দেখার।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রামপুরহাট হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক, কড়া নির্দেশ ধ্রুব সাহার

বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বৃহস্পতিবার রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজার এবং প্রিন্সিপ্যালকে ধমক দেন।ধ্রুব সাহা বলেছেন, প্রিন্সিপ্যাল ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেন না। ওয়ার্ড ও শৌচালয়ের অবস্থা খারাপ। রোগীদের পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছে।এদিন বিধায়ক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তিনি প্রিন্সিপ্যালকে স্পষ্ট বলেন, ঠাণ্ডা ঘরে বসে না থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর নজর দিন। নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজারকেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির জন্য সতর্ক করেন বিধায়ক ।গত কয়েক মাস ধরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে নোংরা পরিবেশ, রোগী হয়রানি ও চিকিৎসায় গাফিলতির বিভিন্ন অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। তার পরেই আজ বিধায়কের এই সারপ্রাইজ ভিজিট।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

“তাপস-সজলদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল”, বিধায়ক হয়েই ফেসবুকে বোমা ফাটালেন কুণাল

সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি এমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন, যা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। একদিকে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, অন্যদিকে দলের অন্দরের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।ফেসবুক পোস্টে কুণাল লেখেন, বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলাম। ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার মানুষকে। শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁকে দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। পরে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকেই দল সাসপেন্ড করেছিল।তিনি আরও লেখেন, আজ আমি তৃণমূলের বিধায়ক হয়ে শপথ নিচ্ছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাত থেকে। এটাই ভাগ্যের খেলা।সজল ঘোষকে নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর দাবি, উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপস রায় ও সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি লিখেছেন, ওঁদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সফল হইনি। আজ ওঁরা বিধায়ক। আমি এখনও তৃণমূলের সৈনিক হিসেবেই আছি।তবে এখানেই থামেননি কুণাল। তিনি দলের অন্দরের রাজনীতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে লেখেন, যাঁদের জন্য তাপসদা, সজলরা এবং আরও অনেকে দল ছেড়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এখনও একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি রাজনীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। এতে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে আবার শক্তিশালী করতে আত্মসমালোচনা খুব জরুরি।রাজনৈতিক মহলের মতে, কুণালের এই পোস্টে উত্তর কলকাতা তৃণমূলের সাম্প্রতিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বিতর্কেরও ইঙ্গিত রয়েছে।যদিও এই পোস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ওই দলের আত্মসমালোচনা করে আর কোনও লাভ নেই। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মন বোঝেন বলে দাবি করেন, কিন্তু ফল তো সবাই দেখেছে।অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, হ্যাঁ, কুণালদা আমাদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তখন তাঁর হাতে কিছু ছিল না। যদি থেকে যেতাম, তাহলে আজ চোর স্লোগান শুনতে হতো।

মে ১৪, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ! মোদীর নির্দেশে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ মেনে এবার সপ্তাহে দুদিন সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।শুধু ওয়ার্ক ফ্রম হোম নয়, জ্বালানি বাঁচাতে আরও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে দিল্লি সরকার। সরকারি দফতরের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক এবার অনলাইনে করা হবে। পাশাপাশি যানজট কমাতে ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি অফিসের সময়েও বদল আনা হবে।সরকারের লক্ষ্য শুধু সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে সামিল করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছিলেন, সরকারি কাজে যতটা সম্ভব কম গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রী, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মীদেরও অপ্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে কারপুলিং এবং গণপরিবহণ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।দিল্লি সরকার সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলির জ্বালানির বরাদ্দও কমিয়ে দিয়েছে। অফিসারদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোল ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এখন থেকে মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ করা হবে।গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে দিল্লিতে পালন করা হবে মেট্রো দিবস। সাধারণ মানুষকে সপ্তাহে অন্তত একদিন গাড়িবিহীন দিবস পালন করার আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও সহজ করতে ২৯টি সরকারি আবাসন এলাকা থেকে ৫৮টি বিশেষ বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দিল্লি সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ছয় মাস নতুন কোনও সরকারি গাড়ি কেনা হবে না। জ্বালানি সাশ্রয় এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় আর রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না! কড়া নির্দেশ পুরমন্ত্রীর

কলকাতার রাস্তায় দুধারে গাড়ি দাঁড় করানোর ছবি নতুন নয়। বড় রাস্তা থেকে ছোট গলি, সর্বত্রই রাস্তার ধারে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা দেখা যায়। অনেক সময় গাড়ি রাখার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে স্লিপ নিয়ে হাজির হন কিছু মানুষ। অভিযোগ, এই ধরনের বহু পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে চলছে। সেই সঙ্গে ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও বহুদিনের।এবার সেই বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। এবার তাঁর নজর পড়েছে কলকাতার রাস্তার পার্কিং ব্যবস্থার উপর।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তার দুধারে আর অবৈধভাবে গাড়ি রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আজই নোটিস দেওয়া হবে। যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই, সেখানে কোনও গাড়ি রাখা যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।শুধু পার্কিং নয়, ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে পুরসভা। পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, বহু জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, অথচ সেই টাকা সরকারি রাজস্বে জমা পড়ে না। এবার থেকে এই ধরনের স্লিপ ব্যবহার করে আর টাকা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা আরও জানান, যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো পার্কিং ফি নিতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করা হবে। সেই নির্ধারিত হার মেনেই টাকা নেওয়া যাবে।উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও রাস্তার ধারের পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন। গত বছর কলকাতা পুরনিগম সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারে পার্কিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত শহর পরিষ্কার রাখার কাজের সুবিধার জন্যই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

মন্ত্রিসভা এখনও অসম্পূর্ণ, তার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত! বিধানসভার স্পিকার করলেন শুভেন্দু

এখনও পুরো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি। মাত্র পাঁচজন মন্ত্রীকে নিয়েই কাজ শুরু করেছে নতুন বিজেপি সরকার। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিধানসভার নতুন স্পিকারের নাম ঘোষণা করা হল। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসুকে অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করল বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেন্দু জানান, রথীন্দ্র বসুকেই বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।দায়িত্ব গ্রহণের পর রথীন্দ্র বসু বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটা আমি পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। মানুষ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই বিধানসভা চালানোর চেষ্টা করব।২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন রথীন্দ্র বসু। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকেই তিনি নির্বাচিত হন। জন্ম ও পড়াশোনা সবই কোচবিহারে। কোচবিহারের বি টি অ্যান্ড ইভিনিং কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর নিজের একটি সংস্থাও রয়েছে।রাজনীতিতে আসার আগে তিনি আরএসএসের সদস্য ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই এবার বিধানসভার স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন তিনি।তৃণমূল সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৫ বছর বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের মুখকে সামনে আনল বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতার আবেগঘন আর্জি, তারপরই বড় নির্দেশ হাইকোর্টের!

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টে এক বিরল ছবি দেখল বাংলা। হাতে কাগজ ও ছবি নিয়ে এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়ে তিনি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে আবেদন জানান, রাজ্যের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।এদিন কলকাতা হাইকোর্টে দুটি মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। একটি মামলা করেন আইনজীবী রীতঙ্কর দাস। সেখানে হগ মার্কেটে জেসিবি দিয়ে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ তোলা হয়। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হামলা ও অশান্তি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়।শুনানির পর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশকেই নিতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের দোকান বা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দল না দেখে তাঁদের সাহায্য করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।আদালত আরও জানিয়েছে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেখানে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে।এই রায়ের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আদালত তাদের অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদালতে সওয়াল করেছেন। হাইকোর্টও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত। যেভাবে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, দোকান ভাঙা হচ্ছে, মানুষকে এলাকা ছাড়া করা হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।কুণাল আরও বলেন, আদালতে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন। এই মামলার রায় ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতা, কটাক্ষ শুভেন্দুর! “অযথা বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই” মন্তব্যে নতুন জল্পনা

ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। আর নির্বাচনের পর এবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। তাঁকে দেখে আদালত চত্বরে শুরু হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।এদিন কালো কোট পরে আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাকেই আদালতে ঢুকতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে। অযথা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত নই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে উপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। আদালতের এজলাসে তাঁর উপস্থিতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মামলার শুনানি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal