• ১২ কার্তিক ১৪৩৩, সোমবার ০২ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Feature

বিনোদুনিয়া

8/12 : মুক্তি পেল বহু প্রতীক্ষিত ছবি '৮/১২'-র ট্রেলার

কান সিং সোধার প্রযোজনা সংস্থা KSS Productions and Entertainment প্রযোজিত আসন্ন ছবি ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির ট্রেলার লঞ্চের সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। বিবাদিবাগে, বিনয় বাদল দীনেশের প্রতিমূর্তির সামনে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রতিমূর্তিতে মাল্যদানের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির ট্রেলার লঞ্চ সেই বিশেষ দিনেই করা হয়, ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে যেদিন রাইটার্স বিল্ডিং-এ অনুপ্রবেশ করেন বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্ত এবং অত্যাচারী সিম্পসন সাহেবকে উপযুক্ত শাস্তি দেন ভারতবর্ষকে ব্রিটিশ শাসন মুক্ত করার জন্য। ৮/১২ ছবির মধ্যে দিয়ে যে সেই ঐতিহাসিক ঘটনাই পরিবেশিত হতে চলেছে দর্শকদের সামনে, ছবির ট্রেলারেই তা সুস্পষ্ট। এগারো ও হীরালাল খ্যাত পরিচালক অরুণ রায় পরিচালিত এই ছবিতে বিনয় বসু -র ভূমিকায় অভিনয় করেছে কিঞ্জল নন্দ। বাদল গুপ্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করেছে অর্ণ মুখোপাধ্যায় ও দীনেশ গুপ্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রেমো। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, খরাজ মুখোপাধ্যায়, শংকর দেবনাথ, দেবরাজ মুখোপাধ্যায়, অনুষ্কা চক্রবর্তী, গুলশনারা খাতুন প্রমুখ। ট্রেলার মুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির সব কলাকুশলীরা। প্রযোজক কান সিং সোধা, পরিচালক অরুণ , কিঞ্জল নন্দ, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, রেমো, গুলশনারা খাতুন, অনুষ্কা চক্রবর্তী এবং ছবির সংগীত পরিচালক সৌম্য ঋত - র উপস্থিতিতে হয়ে গেলো ছবির ট্রেলার মুক্তির অনুষ্ঠান। ট্রেলার মুক্তির বিষয়ে বলতে গিয়ে প্রযোজক কান সিং সোধা জানালেন, এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত। আমি গর্বিত এক ভারতীয় হিসেবে যে আমি আজকের এই বিশেষ দিনে এই মঞ্চে দাড়িয়ে বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্তের মতন প্রতঃস্মরণীয় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে পারছি। ১৯৩০ সালের আজকের দিনে রাইটার্স বিল্ডিং এ ব্রিটিশ পোশাক পরে অনুপ্রবেশ করে অত্যাচারী সিম্পসন কে হত্যা করেছিলেন বিনয় বদল দীনেশ। এই তিন তরুণ তাদের ব্যাক্তিগত স্বার্থের কথা ভাবেননি, ভাবেননি নিজেদের খুশির কথা, কেবল দেশকে পরাধীনতা থেকে অত্যাচার থেকে মুক্ত করতে নিজেদের প্রাণ বলিদান দিয়েছেন তারা। এই তিন বীরের বীরগাঁথা নিয়েই ৮/১২, আমি গর্বিত এই ছবির প্রযোজক হিসেবে, এমন তিনজন সংগ্রামী বীরের কাহিনী আমরা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারছি। এই ছবির সঙ্গে অনেক পরিশ্রম, অনেক আত্মত্যাগ জড়িয়ে আছে। আশা করি ছবির ট্রেলার সকলের ভালো লাগবে। আসন্ন বছরের জানুয়ারি মাসেই দর্শক বিনয় বদল দীনেশের বীরত্বের কাহিনী বড় পর্দায় দেখতে পাবেন বলে আশা করছি। ছবির পরিচালক অরুণ রায় জানান, ভারতবাসীর স্বাধীনতা অনেক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ফসল। বিনয় বাদল দীনেশের আত্মবলিদানের কথা আমরা বর্তমানে অনেকেই প্রায় ভুলে গিয়েছি। ১৯৩০ সালে ৮ই ডিসেম্বর, রয়টার্স বিল্ডিং এ তাদের ঐতিহাসিক অনুপ্রবেশ - ই আমাদের ছবির মধ্যে দিয়ে পরিবেশিত হতে চলেছে। ট্রেলারে ও প্রকাশিত তারই ঝলক। আশা করি এই ট্রেলার আপনাদের ভালো লাগবে।বিবাদি বাগে কর্মরত পুলিশ কর্তাদের সামনেই লঞ্চ করা হয় এই ট্রেলার। তাদের মধ্যেই অন্যতম উচ্চ পদস্থ এক পুলিশ কর্তা জানালেন, ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির এই ট্রেলার আমার মনে এক আশ্চর্য শিহরণ জাগিয়ে দিল।। ট্রেলার দেখতে দেখতে আমাদের প্রশিক্ষণের সময়ের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। এগারো ছবির সময় থেকেই অরুণ রায়ের ছবির ভক্ত আমি।।এই ছবির ট্রেলার দেখে আমি নিশ্চিত যে ভারতবাসী এই ছবি দীর্ঘ দিন মনে রাখতে চলেছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Antardhan : ১০ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে অন্তর্ধান, মুক্তি পেল এই ছবির গান

আগামী ১০ ডিসেম্বর বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে পরিচালক অরিন্দম ভট্টাচার্যের ছবি অন্তর্ধান। এই ছবিরই মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল দক্ষিণ কলকাতার একটি হোটেলে। অন্তর্ধান একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। হিমাচল প্রদেশের কসৌলীতে। ক্লাস এইটের এক মিষ্টি মেয়ে জিনিয়াকে নিয়েই গড়ে উঠেছে ছবির প্লট। এই চরিত্রে অভিনয় করেছে মোহর চৌধুরী। মা-বাবার সঙ্গে হিমাচলে থাকে জিনিয়া। মা-বাবার চরিত্রে রয়েছেন পরমব্রত এবং তনুশ্রী। সুখেই দিন কাটছিল তাদের। তবে, আচমকাই তাদের জীবনে নেমে আসে একটা বিপর্যয়। হঠাৎই কিডন্যাপ হয়ে যায় জিনিয়া। আর জিনিয়ার এই অন্তর্ধান রহস্যকে ঘিরেই ছবির গল্পটা এগিয়েছে। এই ছবির মিউজিক লঞ্চে পরিচালক জানালেন,যারা ঘরে বসে হিমাচল প্রদেশের স্বাদ পেতে চান তারা অন্তর্ধান দেখুন। অনেক থ্রিলার তো হয়। এই থ্রিলারটি অন্যান্য থ্রিলারগুলোর থেকে একদমই আলাদা। এই ছবিতে জিনিয়ার চরিত্রে অভিনয় করছেন মোহর চৌধুরী। অন্তর্ধানে তার চরিত্র নিয়ে মোহর জানালেন,আমার চরিত্রটা হল জিনিয়া। পরম্ব্রত ও তনুশ্রীর মেয়ে। এই ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুব কষ্ট করে হয়েছিল। এমনিতে আমার লম্বা চুল। এখানে চুল কেটে দেওয়া হয়েছিল। চশমা পরানো হয়েছিল। ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট যেরকম আস্তে আস্তে হয় সেইভাবেই হয়েছে। ভয়টা আস্তে আস্তে কেটেছে। এই ক্যারেক্টারটা নিয়ে বলতে পারবো যে একটা বাচ্চা যে হারিয়ে যাচ্ছে। এই ছবির গান নিয়ে রাতুল শঙ্কর জানালেন,অন্তর্ধানে আমি দুটো গান করেছি। একটা লালাবাঈ। উজ্জয়িনী গেয়েছে। অম্বরিশ মজুমদার লিখেছে। এটা একটা সফট নাম্বার। আরেকটি ট্র্যাক। যেটা সম্পূর্ণ আলাদা। আশা করি সবাই গানগুলো শুনবেন। হলে এসে ছবিটা দেখবেন। এই আশা করবো। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য অন্তরলীন, ফ্ল্যাট নম্বর-৬০৯ এর পর তৃতীয় ছবি অন্তর্ধান নিয়ে হাজির হয়েছেন পরিচালক। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় এই ছবির প্রমোশন হয়েছে। এখন ১০ ডিসেম্বর পর ছবিটি দর্শকদের কাছে কেমন ফিডব্যাক পায় সেটাই দেখার।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj-Subhasree : নতুন বছরেই সুখবর আসছে রাজ-শুভশ্রীর লাইফে

ডিসেম্বর মাস পড়তে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। ডিসেম্বরের পরেই বাঙালি আরও একটা নতুন বছর কে স্বাগত জানাবে। আর নতুন বছরেই তাদের ফ্যানদের জন্য খুশির খবর নিয়ে আসছেন টলিউডের হ্যাপি ক্যাপল রাজ-শুভশ্রী। দুবছরের অপেক্ষার পর অবশেষে মুক্তি পেতে চলেছে রাজ-শুভশ্রীর ছবি ধর্মযুদ্ধ। আগামী বছরের শুরুতে অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে ধর্মযুদ্ধ। ছবির নতুন পোস্টার শেয়ার করে শুভশ্রী লেখেন, ধর্মের লড়াই নাকি বেঁচে থাকার লড়াই? ২১শে জানুয়ারি, ২০২২ ধর্মযুদ্ধ আসছে বাংলার সমস্ত প্রেক্ষাগৃহে।বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতেই যে এই ছবিটা সেটা নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে। শুভশ্রী ছাড়াও পরিচালক রাজের এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় থাকছেন সোহম চক্রবর্তী, ঋত্বিক চক্রবর্তী, পার্নো মিত্র এবং স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। শুভশ্রী এই ছবিতে রয়েছেন মুন্নীর চরিত্রে, ঋত্বিক চক্রবর্তী, সোহম চক্রবর্তী, পার্নো মিত্রকে দেখা যাবে যথাক্রমে রাঘব,জাফর এবং শবনমের ভূমিকায়।এই বছর পুজোতে বেশ কয়েকটা বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছে। পুজোর পরেও মুক্তি পেয়েছে কয়েকটা বাংলা ছবি। বছর শেষ হতে চলেছে বাংলা ছবি মুক্তি দিয়ে। নতুন বছরটা আবার শুরু হচ্ছে ধর্মযুদ্ধ মুক্তির মাধ্যমে।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Iskabon : জঙ্গলমহল, মাওবাদী, প্রেম মুক্তি পেল 'ইস্কাবন' এর ট্রেলার

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় লেখক রাধামাধব মণ্ডলের রেডস্টারের ক্যাম্প গল্প অবলম্বনে জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের জীবনকে ছবির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন পরিচালক মনদীপ সাহা। এই ছবিরই ট্রেলার মুক্তি পেল। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন অনামিকা চক্রবর্তী, সৌরভ দাস ও সঞ্জু। মুখ্য চরিত্রে সৌরভের এটাই প্রথম প্রোজেক্ট।এসএমডি এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে মুক্তি পাচ্ছে এই ছবি। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন অর্ণব ভৌমিক ও অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায়। পুরো ছবি জুড়ে রয়েছে গুলি, বোমা, বন্দুক, কান্নার ছাপ।এই ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক মনদীপ সাহা জনতার কথা কে জানান,এটার কনসেপ্টটা তো রাধামাধব দার। ওর সাথে একদিন ছবি নিয়ে কথা বলছিলাম। রাধামাধব দা আমাকে বলে একটা কনসেপ্ট আছে শোন। শোনার পর আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। জঙ্গলমহলের বিষয়ে আমরা অল্পবিস্তর সকলেই জানি। ওই পটভূমির ওপর ছবি হবে এটা শোনার পর আমার অন্যরকম ভালোলাগা তৈরি হয়। তারপর কনসেপ্টটা নিয়ে আমি অর্ণব ও অনিন্দ্যর সঙ্গে বসি। গল্পটা দাঁড়িয়ে গেল। তারপর শুট শুরু হয়। শুটিং করতে গিয়ে অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে হয়েছিল জানালেন পরিচালক। তার কথায়,আফটার ফার্স্ট লকডাউন আমরা জঙ্গলমহলের যেসব জায়গায় শুট করতে চাইছিলাম সেখানে পারমিশন পাওয়া নিয়ে একটা সমস্যা হচ্ছিল। তারপর যদিও শুট করা যায়। জঙ্গলের মাঝে গিয়ে, পাহাড়ের চুড়ায় গিয়ে আমরা শুট করেছি। জল, খাবার ঠিকঠাক পাইনি তবুও আমরা ভালোবেসে ছবিটা করে গেছি। অভিনেতা সৌরভ দাস জানালেন,আমি মাওবাদীর ক্যারেক্টার প্লে করছি। এর আগে কখনও করিনি। ভীষণ এক্সাইটিং লাগছে এবং আশা করবো ছবিটা যেন দর্শকরা ভালোবাসেন। এই ছবিতে বাবার চরিত্রে দেখা যাবে টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অরিন্দম গাঙ্গুলি কে। তিনি তার চরিত্র নিয়ে জানালেন,ইস্কাবনের যে নায়ক তার বাবার চরিত্রে আমাকে দেখা যাবে। যদিও চরিত্রটা একটু অন্যধরণের। বাবা ছেলের বিয়ে দিয়ে আনার পর ছেলে মারা যায়। বৌমাকে চাকরি করিয়ে, অন্যরকম একটা রিস্ক নিয়ে বৌমার পাশে এসে দাঁড়ায়। চরিত্রটা ছোট কিন্তু ভালো। এই ছবির মাধ্যমেই বড়পর্দায় অভিষেক হচ্ছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অনামিকা চক্রবর্তীর। তিনি জানালেন,ফ্যান্টাস্টিক এক্সপিরিয়েন্স। আমাকে অনেক রিসার্চ করতে হয়েছে এবং ওদের লোকেদের সাথে অনেক কথা বলেছি। ওদের ভাষাটা ডেভেলপ করা খুব টাফ ছিল বাট আই ডিড ইট। সৌরভ দার সঙ্গে কাজ করার এক্সপিরিয়েন্স কেমন প্রশ্ন করাতেই অনামিকার মুখে একগাল হাসি পাওয়া গেল। জানালেন,আ হি ইস অ্যা ট্যালেন্ট। বাঞ্চ অফ এনার্জি। ফুল অফ এনার্জি। ভেরি পজিটিভ। ভেরি হেল্পফুল। মাই সিনিয়র। মাই টিচার।সঞ্জুর এই ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হচ্ছে। তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমার চরিত্র হচ্ছে একটা সিআরপিএফের চরিত্র। ক্যাপ্টেন সিড মুখার্জী। ও হাত চালাতে বেশি পছন্দ করে না। বুদ্ধি চালাতে বেশি পছন্দ করে। নিজের চরিত্র নিয়ে টলিউডের আরেক বর্ষীয়ান অভিনেতা সুমিত গাঙ্গুলি জানালেন,খুব ভালো লাগছে। যেকোনো চরিত্রই চ্যালেঞ্জ। এই চরিত্রটা অন্যধরণের একটা চরিত্র। আমি যে চরিত্র করে থাকি তার বাইরে একটা চরিত্র। ডিরেক্টর, প্রোডিউসার, লেখককে আমাকে এই চরিত্রে ভাবার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমি একটা মিলিটারি মেজর জেনারেলের চরিত্রে রয়েছি। এই চরিত্রটা করে আমি খুব এনজয় করেছি।৬১ গড়পার লেনের পর অভিনেত্রী রুমা ভদ্রর এটা দ্বিতীয় ছবি হল রিলিজ করতে চলেছে। জনতার কথা কে অভিনেত্রী জানালেন,আমি মাওবাদীর চরিত্রে অভিনয় করছি। শ্যামলী ক্যারেক্টারের নাম। ওয়ার্কশপ করতে হয়েছিল ওদের ভাষাটা শেখার জন্য। শান্তনু দাস যিনি আমাদের ওয়ার্কশপ করাচ্ছিলেন তিনি টোটালি আমাদের গ্রুমিং করিয়েছিলেন। কীভাবে বলবো না বলবো। তাই শুট করার সময় বা আগে ভাষাটা বলতে অসুবিধা হয়নি।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Tonic : খুশির খবর, ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে দেবের ছবি টনিক

২৫ ডিসেম্বর দেবের জন্মদিন। তার আগেই অনুরাগীদের জন্য খুশির খবর নিয়ে এলেন টলিউড সুপারস্টার দেব। ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে দেব অভিনীত ছবি টনিক। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবরটা জানিয়েছেন তারকা অভিনেতা। প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরীর সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় টনিক তৈরি করছেন দেব। ছবিতে অভিনয় করেছেন দেব, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শকুন্তলা বড়ুয়া প্রমুখ।অনেকদিন আগেই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিডের জন্য মুক্তির তারিখ পিছিয়ে যায়। অবশেষে সব অপেক্ষার অবসান হয়ে হলে মুক্তি পেতে চলেছে টনিক। পরিচালক অভিজিৎ সেনের ডেবিউ ছবি টনিক।ছবিতে এক ট্রাভেল এজেন্সির কর্মী দেব। দেবের কাকার ভূমিকায় রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন প্রধান চরিত্রের সম্পর্কের সমীকরণই টনিক এর গল্প। এখানে দেব অভিনীত চরিত্রটির নামই টনিক। তিনি একজন ট্যুর প্ল্যানার। ঘুরতে নিয়ে যান বয়স্ক দুই মানুষকে। এরপরই তাঁরা জীবনের রসদ খুঁজে পান। মূলত ইচ্ছেপূরণেরই গল্প বলবে টনিক।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Olpo Holeo Sotti : মুক্তি পেল 'অল্প হলেও সত্যি'

সব অপেক্ষার অবসান হল। রূপ প্রোডাকশনের ব্যানারে পরিচালক সৌম্যজিত আদকের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি অল্প হলেও সত্যি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল। ছবির প্রিমিয়ারে পরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, প্রযোজক ছাড়াও উপস্থিত ছিল টলিউডের অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। পরিচালক এই বিশেষ দিনে জানালেন,খুব ভালো লাগছে। এটা আমার প্রথম ফিচার ফিল্ম। অনেক গুণীজন, অনেক কাছের মানুষ এসেছেন এই সিনেমাটা দেখতে। আশা করছি ছবিটা দেখার পর মানুষ হনেস্ট ফিডব্যাক দেবে। ভালো, খারাপ সেটা আমরা নিয়েই এগিয়ে যাব। ছবির প্রযোজক অঙ্কিত দাস জানালেন,প্রথমেই বলি অল্প হলেও সত্যি একটা বন্ধুদেরকে নিয়ে বানানো। আমার মনে হয় অল্প হলেও সত্যি অলরেডি বাংলার মানুষের বুকে দাগ কেটেছে কারণ এটা আলাদা প্রেমের গল্প। সৌরভ একটা ক্যানসার পেশেন্ট। ক্যানসার পেশেন্ট হওয়া সত্ত্বেও যে ভালোবাসা, ওষুধ ছাড়াও যে ভালোবাসা দিয়ে তার রোগকে সাড়াচ্ছে সেটাই আমরা এই মুভিতে দেখাতে পেরেছি। আমরা আশাবাদী বাংলার মানুষ এবং প্রত্যেকজন যারা সিনেমা ভালোবাসে তারা এই মুভিটা পছন্দ করবে।ছবির প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন এনা সাহা। তিনি জানালেন,খুব ভালো লাগছে। এটা ওর ফার্স্ট ফিচার ফিল্ম। ওকে অনেক বেস্ট উইশেস, অনেক ভালোবাসা। আমার বিশ্বাস ও একটা ভালো সিনেমা বানিয়েছে। আপনাদের রিকোয়েস্ট করবো হলে এসে সিনেমাটা দেখুন।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Tokhon Kuyasha Chilo : বড়পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে শৈবাল মিত্র'র ছবি 'তখন কুয়াশা ছিল'

পরিচালক শৈবাল মিত্রর নতুন ছবি তখন কুয়াশা ছিল। সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের উপন্যাস তখন কুয়াশা ছিল ছিল থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এই ছবি নির্মাণ করছেন পরিচালক। তখন কুয়াশা ছিলর ট্রেলার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল। উপস্থিত ছিলেন শাশ্বত চ্যাটার্জী, বাসবদত্তা চ্যাটার্জী, সুকৃতি লাহিড়ী, অঙ্কিতা মজুমদার সহ আরও অন্যান্যরা। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এই ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক জনতার কথা কে জানালেন,সইদ মুস্তাফা সিরাজের গল্প তখন কুয়াশা ছিল তে যা ছিল এখানেও সেটাই লক্ষ্য করা যাবে। প্রেমের গল্প। কি ঘটছে না ঘটছে। তার ঘাত-প্রতিঘাতে। এটাই বিষয়। সমসাময়িক সময়টা একটু অন্যভাবে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। তিনি আরও জানান,নভেম্বরে ছবিটি মুক্তি পাবে। প্রথম সপ্তাহটা নন্দন ও নজরুল তীর্থ তে ছবিটি রিলিজ হবে। এরপর আরও অন্যান্য হলে ছবিটি দেখা যাবে। শুটিং কোথায় কোথায় হয়েছে উত্তরে জানালেন,ইলামবাজার, দুবরাজপুর, বর্ধমান, ইলামবাজারে জঙ্গলের মধ্যে একটা বাড়ি আছে সেখানে শুটিং হয়েছে। আর ইন্ডোর হয়েছে কলকাতার টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে।এই ছবির মাধ্যমেই অনেকদিনের বিরতির পর অভিনেত্রী হিসাবে দর্শকরা দেখতে পাবেন অঙ্কিতা মজুমদার কে। জনতার কথা কে তিনি জানালেন,এই ছবির শুটিং ৪ বছর আগে ২০১৭ তে করা। তবে অনেকদিন পর ফাইনালি ছবিটি রিলিজ করছে। সকলের মতো আমারও ভালো লাগছে। একটা লম্বা গ্যাপের পর আবার আমি কাজে ফিরতে পারছি।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Love Story : একটু অন্যধারার ভালোবাসার গল্প বলবেন পরিচালক প্রীতম

পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি লেট দেয়ার বি লাভ এর সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল কলকাতার প্রেস ক্লাবে। এই ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ দেবারতি ভৌমিকের। নির্দেশনা করেছেন প্রীতম মুখার্জী। এই ছবিতে নীলাদ্রি দত্তের চরিত্রে রয়েছেন অনুভব কাঞ্জিলাল যিনি পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সোনালি দত্তর চরিত্রে হৈমন্তী গাঙ্গুলী যিনি নীলাদ্রির স্ত্রীর ভূমিকায় রয়েছেন। মিতালী দত্ত অর্থাৎ নীলাদ্রির মা হয়েছেন পারমিতা মুখার্জী। অনিমেষ রায় যিনি একজন চিকিৎসক তার চরিত্রে দেখা যাবে অরিন্দম আচার্যকে। অজিতের চরিত্রে জিত ভট্টাচাৰ্য। তিনি পেশায় উকিল এবং নীলাদ্রির বাল্য বন্ধু। নয়নার চরিত্রে পৌলোমী পাঁজ। তিনি সোনালীর বাল্য বন্ধু। পরিচালক জনতার কথা কে জানিয়েছেন পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি এটা তার প্রথম। এর আগে একটি শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করেছেন এবং একটি OTT প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি ওয়েবসিরিজ করেছেন। লেট দেয়ার বি লাভ এক মিষ্টি প্রেমের গল্পের এক বেদনার সমাপ্তির গল্প। নীলাদ্রি আর সোনালির ভালবাসায় কানায় কানায় ভর্তি এক সংসার। নীলাদ্রির মা বাবা আর ওরা দুজনে মিলে খুব সুখে ছিল, এমনকি ওঁদের পরিবারে নতুন সদস্য আসার খবরও আনন্দে মাতিয়ে দেবে গোটা দত্ত পরিবারকে। কিন্তু সুখ বেশিদিন সইল না নীলাদ্রির কপালে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয় সোনালি, জীবনের চরম পরিহাস তাকে মানসিকভাবে এমন এক অবস্থায় নিয়ে যায় যে সোনালির মুক্তি চায় নীলাদ্রি। Euthanasia করতে চায় ও। স্বেছা মৃত্যু যা মার্চ ২০১৮ থেকে ভারতে আইন সিদ্ধ কিন্তু কি চরম অবস্থার মধ্যে পড়লে নিজের আপনজন এটা চাইতে পারে সেটাই এই ছবির মাধ্যমে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। ছবি ঃ প্রকাশ পাইন

অক্টোবর ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shohorer Upokotha : 'শহরের উপকথা' নিয়ে পোর্শিয়া

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে বাপ্পার পরিচালিত ফিচার ফিল্ম শহরের উপকথা। বাদল সরকারের বাকী ইতিহাস অবলম্বনে এই ছবি নির্মাণ করছেন পরিচালক। আর এখানেই টাইটেল ট্র্যাক গেয়েছেন পোর্শিয়া সেন। সৌম্য ঋত এই ছবির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর আগে দ্য টেরেসে ফ্যাশন কার্নিভালছবিতে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। এমনটাই জানিয়েছেন পোর্শিয়া। এই প্রসঙ্গে তিনি জানালেন,সৌম্য ঋত দার সঙ্গে অনেকদিন ধরেই ভাবছি কাজ করবো। কিন্তু কানেকশনটা ঠিকমতো না হলে কাজটা ঠিক হয়না। তারপর একদিন দাদা বললো চলে এসো একটা রেকর্ডিং আছে। তার আগে গানটা পাঠালো। শুনে বললাম গানটা খুব ভালো। গেলাম, গাইলাম।আরও পড়ুনঃ এমডিজে জোড়ি নাম্বার ওয়ানের গ্র্যান্ড ফিনালশহরের উপকথা তিনি আরও কথা শেয়ার করলেন। বললেন,আমি ভেবেছিলাম সিনেমাটা হয়তো আরেকটু সময় নেবে রিলিজ করতে। কিন্তু তাড়াতাড়িই রিলিজ করে যাচ্ছে। তবে গানের ফিডব্যাক খুব ভালো পাচ্ছি। কাছের মানুষ অনেকেরই খুব ভালো লেগেছে। আবার অনেকে নিজে থেকে শুনে টেক্সট করেছে। তো গানের রেসপন্স এখনও অবধি ভালোই।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Wrong Number : Klikk এর নতুন ডিজিটাল প্রিমিয়ার - ফিচার ফিল্ম Wrong Number

Klikk এর নতুন ডিজিটাল প্রিমিয়ার - ফিচার ফিল্ম Wrong Number আসতে চলেছে। আগামীকাল মুক্তি পাবে এই ছবি। এক ঝাঁক প্রখ্যাত ও প্রতিভাবান অভিনেতাদের দেখতে পাওয়া যাবে এই ফিল্ম টি তে। এদের মধ্যে রয়েছেন সৌরভ দাস, সায়নী ঘোষ, দূর্গা সাঁতরা, ভরত কল ও বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী।Wrong Number এর গল্পটি হল স্যান্ডি একজন অলস যুবক যে একটি ধনী পরিবার থেকে এসেছে এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখে। তার রুমমেট জয় একজন আংশিক সময়ের (পার্ট টাইম) শিক্ষক যে মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছে এবং সে লেখক হতে চায়। যখন জয় রচিত এবং স্যান্ডির গাওয়া একটি গান ইউটিউবে হিট হয়ে যায়, তখন দিয়া এবং তার বন্ধু শ্রুতি ওই দুই পুরুষদের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে। এই প্রজন্মের চার তরুণ-তরুণীর গল্প Wrong Number যেখানে তাঁরা প্রত্যেকেই তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে গুরুতরভাবে আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগছে। তাঁরা কি পারবে তাদের সেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে? তাদের সম্পর্কেরপরিণতিই বা কি হবে?আরও পড়ুনঃ দক্ষিণ কলকাতায় দেবীসম্মানের ক্যালেন্ডার শুটWrong Number এর পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পন্ডিত সুবেন্দু । প্রযোজনা করছেন জয়দেব সমাদ্দার, লেখক ও গীতিকার সৌরভ মালাকার, লেখক বিশ্বজিৎ হালদার, সঙ্গীতজ্ঞ রাহুল মজুমদার এবং চিত্রগ্রাহক ইন্দ্রনীল সরকার।

আগস্ট ১৩, ২০২১
নিবন্ধ

Mother's Day: মাতৃ দিবস ও রবীন্দ্রনাথ

ছেলেটা বাড়ি নেই একবছরের বেশি হয়ে গেছে, কবে ফিরবে কি জানি! মা-কে ফোন করার সময় হয় না। হলেও একটু কথা বলেই ছেড়ে দেয়। বৌকে নিশ্চয়ই সব বলে। আর মেয়েটাও হয়েছে সেরকম, বাপের বাড়ি আসতেই চায় না। এইসব বসে বসে ভাবছিলেন মাধুরী। আর আমার বৌমাকে দেখ প্রত্যেক সপ্তাহে মা বাবার কাছে যাওয়া চাই। বিয়েটা ছেলে নিজের পছন্দ মত করেছে। কিন্তু ছেলে হাত ছাড়া হয়ে যাবে বলে বিয়েটা মেনে নিতে হয়েছে মাধুরীকে। কিন্তু বৌকে খুব একটা পছন্দ করেন না। মাঝে মাঝে ভাবেন কোথায় নিজের পছন্দের মেয়ের সাথে বিয়ে দেব, ঘরকন্নার কাজ শেখাবেন নিজের হাতে তা নয় ; বাবু যে কি দেখে এই মেয়েকে বিয়ে করলো কি জানি বাপু? না আছে কোনো রূপ আর গুণ কি আছে কি জানি! এই সব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে মেয়েকে ফোন করলেন----- হ্যালো, মান্তু?হ্যাঁ মা বলো কি বলবে তাড়াতাড়ি বলো। আমি এখন খুব ব্যস্ত। আজ Mothers Day তাই তোমার নাতনী আমাকে নিয়ে কোথায় যেন যাবে। বলো তাড়াতাড়ি বলে ফেলো। ও তাহলে থাক পরে কথা বলবো। বলে মনটা খারাপ করে ফোনটা কেটে দিল। ভাবলেন হায়রে, আজ মাতৃ দিবস তাই তোর মেয়ে তোকে নিয়ে কোথাও যাবে আর আমি যে তোর মা সেটা ভুলে গেলি। এমন সময় ফোন বেজে উঠলহ্যালো মাধুরীদেবী বলছেন? হ্যাঁ, কে বলছেন? আপনার একটা parcel আছে। একটু দরজার সামনে আসবেন Please? ফোন রেখে মাধুরী ভাবতে লাগলেন কে আবার আমার জন্য কী পাঠালো! মনে হয় আমার বাবু সারপ্রাইজ গিফ্ট পাঠিয়েছে, নাহলে মান্তু মনে হয়। তাই আমার সঙ্গে এখন কথা বললো না। এই ভাবতে ভাবতে গেটের কাছে গিয়ে দেখেন একটি অল্প বয়সী ছেলে হাতে একটা ফুলের তোড়া আর একটা প্যাকেট নিয়ে দাঁড়িয়ে। হ্যাপি মাদারস্ ডে মাসীমা বলে ছেলেটি এগিয়ে দিল জিনিসগুলো মাধুরীর দিকে। ছেলেটির থেকে হাসি মুখে জিনিসগুলে নিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েন। মনে কৌতূহল কে পাঠিয়েছে--- ছেলে না মেয়ে? ফুলের সঙ্গে একটা চিঠি, উপরে লেখা আগে প্যাকেট খোলো। মাধুরী আস্তে আস্তে প্যাকেট খুললেন। একটা পিওর সিল্ক, ওনার ভীষণ পছন্দের। সুন্দর একটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার বই। এবার চিঠি খুলে পড়তে লাগলেন--মা, জানি ভাবছো কে পাঠালো তোমাকে উপহার? ভেবেছিলে তো তোমার মেয়ে মান্তু কিংবা তোমার বাবু। আমার কথা তোমার মনে আসবে না আমি জানি। কারণ আমাকে তুমি আজও মেনে নিতে পারোনি। কিন্তু আমার কাছে তুমি আমারও মা। আজ মাতৃ দিবস। আজ তুমি মনখারাপ করে বসে থাকলে আমার যে ভালো লাগবে না মা। আমি বেরোবার সময় দেখলাম তোমার মনটা কোনও কারণে আজ ভালো নেই। মন খারাপ কেন মা গো? আমি আছি তোমার সাথে সবসময়। আমি জানি তোমার পছন্দ। দেখতো ঠিক জেনেছি কিনা? আর শোনো অনেক সবার জন্য ভেবেছো এবার শুধু নিজের জন্য ভাববে। আবার আবৃত্তি শুরু করতে হবে।শোনো বিকেলে এই শাড়িটা পড়ে তৈরি থেকো এক জায়গায় যাবো। এবার তো একটু হাসো আমার মিষ্টি মা। তোমার মেয়েপিয়াসীচিঠি পড়তে পড়তে চোখ জলে ভরে গেছে মাধুরীর। যার কথা কোনও দিন মনে ঠাঁই পায়নি আজ সে এতকিছুর কথা ভেবেছে তার জন্য অথচ নিজের পেটের সন্তানরা মায়ের কথা ভুলেই গেছে। মেয়েটা কথাই বললো না! আজ জীবনে প্রথমবার মাতৃ দিবসে কেউ এভাবে আমার কথা ভাবলো রে মা; আজ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনে তুই আবার আমার প্রাণের ঠাকুরকে ফিরিয়ে দিলি। তুই তো আমার সত্যিকারের মেয়ে। আজ আমার মাতৃ দিবস আর রবীন্দ্র জয়ন্তী সার্থক করলি। ফোন করে পিয়াসীকে বললেন মাধুরী। পিয়াসীর চোখেও জল। আজ সে পেরেছে।

জুলাই ১১, ২০২১
নিবন্ধ

A New Beginning: নতুন প্রভাত

রাখী রায়আকাশের হাজার তারার মাঝে জানি না কোথায় তুমি মা?? আজ মা-কে খুব মনে পড়ছে, কথা বলতে ইচ্ছা করছে মায়ের সঙ্গে----তাই পায়ে পায়ে টেবিলে রাখা মায়ের ছবির সামনে এসে বসল সংকল্প---আচ্ছা মা আমার সঙ্গে কেন এমন হয় বলতে পারো? বাবার অবহেলা তোমাকে যখন একটু একটু করে হতাশার গিরিখাতে ঠেলে দিচ্ছিল তখন তো আমি কত ছোট ছিলাম, তবুও চেষ্টা করতাম তোমাকে ভালো রাখার। কিন্তু না আমি পারিনি তোমাকে রক্ষা করতে।। আমাকে এই বিশাল পৃথিবীর বুকে একা রেখে তুমি অজানার জগতে হারিয়ে গেলে। দাশুদা আর উমা পিসি না থাকলে আমার যে কি হত কে জানে! তুমি অ্যাসাইলাম থেকে আর ফিরে এলে না। এলে তো স্বর্গরথে চেপে। আমি সব ভুলে পড়াশোনায় ডুবে গেলাম। শপথ করলাম হতাশায় মানুষকে হারিয়ে যেতে দেব না। না বাবা আমার অর্থনৈতিক কষ্ট রাখেনি। কিন্তু পিতৃ স্নেহ কী জানতে পারিনি। আবার দেখো কলেজ জীবনের প্রথম প্রেম চেতনাকে হারালাম ওর বাবার অহংকার আর একগুঁয়েমির কাছে। সেদিন চেতনাও বিদেশে যাওয়ার লোভটা সামলাতে পারেনি। আমার ভালোবাসাকে উপেক্ষা করে চলে গেল। আজ যখন আমি নিজেকে নিজের মত করে বুঝিয়ে কাজে ডুবতে চাইছি হঠাৎ আবার বিড়ম্বনা। কেন বলতে পারো বারবার আমার সঙ্গে এমন হয়? কেন রে কী হয়েছে সোনা? মা তুমি এসেছ?হ্যাঁ রে এসেছি আমি। এতদিন কেন আসোনি মা? তুইতো এমনি করে আমাকে ডাকিসনি বাবুকি হয়েছে তোর? এত অস্থির কেন তুই? আজ চেম্বারে বসে আছি, তখন আর পেশেন্ট নেই ----আচ্ছা মা তুমি জানো আমি কি কাজ করি? হ্যাঁ রে হ্যাঁ সব জানি। আমাকে ওইভাবে হারিয়ে তুই মানুষের মনের ক্ষতগুলো সাড়াবার শপথ নিয়েছিস। একদম ঠিক বলেছেন মা। মানুষের মনের চোরাকুঠুরিতে অনেক এমন কথা থাকে যা মানুষ কাউকে বলতেও পারে না আবার সহ্য করতেওপারে না, তখন হতাশা গ্রাস করে। আমার কাজ সেইসব না বলা কথা মনে গভীর থেকে টেনে বের করে নিয়ে আসা।একজন হতাশাগ্রস্ত মানুষ যখন আবার স্বাভাবিক হয়ে যায় তখন খুব ভালো লাগে মা।এভাবেই তুই এগিয়ে যা বাবা। মানুষের পাশে যেন থাকিস বাবা। এখন বল দেখি তোর কী হয়েছে?হ্যাঁ বলি--- আজ যখন প্রায় চেম্বার খালি আমি একটু রেস্ট করছি তখন হঠাৎ একজন তার মেয়েকে নিয়ে হাজির হয়। প্রথমে একটু বিরক্ত হলেও ভেতরে আসতে বলি। আমি তো অবাক ভদ্রলোককে দেখে। কেন? কে ছিল? চেতনাকে নিয়ে ওর বাবা। আমি যাকে ভালোবেসে ছিলাম সেই চেতনা। প্রানবন্ত, উচ্ছ্বল মেয়ে। রবীন্দ্র সঙ্গীত যার প্রান। সেই চেতনা আজ চুপচাপ হতাশায় ডুবে গেছে। ওর বাবা আজ আমার কাছে ক্ষমা চাইছে। কিন্তু মা আমার মনে তো কোনো ক্ষোভ নেই। আজ আমি বুঝতে পারছি না কি করব? আজকের চেতনার সঙ্গে কলেজের চেতনার কোন মিল নেই। প্রানবন্ত মেয়েটি, আজ নিষ্প্রাণ হয়ে গেছে। যার রূপ ছিল জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন তার চেহারা আজ শীর্ণকায়। আজ ওকে দেখে আমার একটা কথাই বারবার মনে হচ্ছে যে বাবা মায়েরা মেয়েদের বিয়ে ছাড়া আর কিছু কেন ভাবতে পারে না কি জানি? চেতনার বাবার অহংকার মেয়েটার সর্বনাশ করে দিল। বনেদি বাড়ির মেয়ে বলে সেরকম বন্ধু ছিল না। আমাদের কথা জানতে পেরে খুব তাড়াতাড়ি ওর বিয়ে দিয়ে দেয়। আমি তখন পর্যন্ত নিজের পসার জমাতে পারিনি। আর চেতনা বোধহয় বিদেশে থাকার লোভ সামলাতে পারেনি। যদিও ভালোবাসার কথা আমি ওকে কোনো দিন মুখে বলিনি জানো মা। ও আমার চোখে কি দেখেছিল জানি না। ও কার্ড দিয়ে চলে গেছিল আর যোগাযোগ হয়নি। আজ ওর বাবার কাছে যা শুনলাম তা খুব বেদনা দায়ক। বিয়ের পর ও বরের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড চলে যায়। সেখানে প্রথম কয়েক মাস বেশ ছিল। তারপর শুরু হয় ওর বরের অবহেলা, মানসিক অত্যাচার। যে গান ছিল ওর প্রান সে গান বন্ধ করে দেয়। প্রথম দিকে বছরে একবার করে আসত দেশে। কিন্তু কাউকে কিছু বলতে পারেনি। ওকে একা কোথাও থাকতে দিত না। না বাপের বাড়ি না শ্বশুর বাড়ি। নিজের আলাদা ফ্ল্যাট ছিল সেইখানে থাকত। চেতনাকে ঘরে রেখে সারাদিন নিজের বন্ধু বান্ধবীদের সাথে ঘুরে বেড়াত। ছোটবোনকে একটু একটু বলেছিল। কিন্তু ওর মা বাবা গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি। আর শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওকেই খারাপ ভাবত। এইভাবে মেয়েটার মনটা শেষ করে দেয়। ওর বাবা বললেন, ও একটা বাচ্চা চেয়েছিল তখন শুরু করে শারীরিক অত্যাচার। কোনো রকমে বোনকে একটু জানাতে পেরেছিল। এরপর ও যখন অসুস্থ হয়ে যায় তখন ওর বর ওর বাবাকে ফোন করে নিয়ে আসতে বলে। কয়েক মাস আগে ওর বাবা ওকে নিয়ে আসে। কিন্তু ততদিনে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে। আমাদের এক বন্ধুর কাছ থেকে আমার ঠিকানা নিয়ে আমার কাছে এসেছে। মা আমি পারবো তো চেতনার পুরোনো সব খুশি, আনন্দ ফিরিয়ে দিতে? তোকে যে পারতেই হবে বাবা, নাহলে যে ভালোবাসা হেরে যাবে। তোর স্নেহ দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে নতুন বছরে তুই চেতনার নতুন জীবন দিবি। ওর বাবার কাছ থেকে ওকে চেয়ে নিবি। সারা জীবন ওকে ভালো রাখার অঙ্গীকার করবি নতুন বছরের নতুন প্রভাতে। ঠিক আছে মা। তুমি আমার সঙ্গে থাকলে আমি সব পারব। তুমি থাকবে তো মা? ও খোকা বাবু তুমি এখানেই ঘুমিয়ে পড়েছ? ওঠো অনেক বেলা হয়ে গেছে। কাজ-কম্ম নেই? কারা এয়েছে দেখো! নববর্ষের নতুন সকাল নতুন ভাবে শুরু হলো সংকল্পের।

জুলাই ০২, ২০২১
নিবন্ধ

Friends: একা এবং বন্ধুরা

জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে/ বন্ধু হে আমার রয়েছ দাঁড়ায়ে।। এই পংক্তিটা প্রথম পড়ি কৈশোরে। রবীন্দ্রনাথ হয়তো ঈশ্বরকেই বুঝিয়েছেন বা কোন ঈশ্বরপ্রতিম মানুষকে। কিন্তু আমার মনে পড়ত কতগুলো স্কুল ইউনিফর্ম পরা, এলোমেলো চুল, বা দুই বিনুনি, দুষ্টু হাসির মুখগুলোকে। আর মনে হত, ওরে বাবা! সারাজীবন থাকবে আবার মরার পরেও? কী সাংঘাতিক কান্ড। পৃথিবীতে অবতীর্ণ হওয়ার বছর তিনেক পরেই তাঁরা আমার জীবনে পদার্পণ করেছেন। (জনান্তিকে বলে রাখি এখনও অক্লেশে হাড়মাস ভাজা করে চলেছেন)।পড়তাম এক মিশনারি স্কুলে যেখানে বহুবিধ পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল। জানিয়ে পরীক্ষা, না জানিয়ে পরীক্ষা। কিন্তু চাপ ছিল না। মানে চাপ শব্দটা জানলে তো চাপে পড়বে। আমরা কিছু দুষ্টু ছেলে-মেয়ে হইহই করে উঠে যেতাম পরের ক্লাসে। কড়া নজরদারির মধ্যে দুষ্টুমির নিত্য নতুন উদ্ভাবন। সেই জন্যই বোধ হয় কখনও আমরা কেউ ক্লাসরুম প্রেমের স্বাদ পেলাম না। অধরা থেকে গেল সেই রোমাঞ্চ আমাদের কাছে। একসময় স্কুল শেষ, কিন্তু কলেজেও বন্ধু হলো না সেভাবে। পুরোনো হ্যাংওভার কাটলে তবেই না নতুন বন্ধু?ইউনিভার্সিটিতে এসে দুটো পাখা জুড়লো পিঠে। মনে হলো এলেম নতুন দেশে। আহা! সবই কি সুন্দর। কত নতুন নতুন জিনিস। মুগ্ধ মোহিত আমি-র জুটলো নতুন বন্ধু। চললো নতুন অভিযান। সারা রাতের ক্লাসিক্যাল গানের সুরে ভেসে যাওয়া, কখনও ফটোগ্রাফি এক্সিবিশন-এ ঘুরে ঘুরে ছবি দেখা, সব মিলিয়ে সে এক সব পেয়েছির দেশ। মধ্যিখানে বেশ কিছু বছর যোগাযোগ বিহীন। নেই তো নেইই.. । কি যেন নেই। হঠাৎ অভিমানে নাকের ডগা লাল হয়ে, গলার কাছে ব্যথা করে উঠলেও বলার লোক নেই। দুষ্টুমি করার লোক নেই। খোঁজ নেওয়ার লোকও তো নেই। অতঃপর, হঠাৎ একদিন মিলিল তারা মিলিল সে মেলা কি যে মেলা.... রাত ১২টায় ফোন করে জানান দেওয়া যে আমরা আছি,/তোর কাছাকাছি।আরও পড়ুনঃ প্পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যার আবার শুরু নরক গুলজার, বেড়াতে যাওয়া, পিকনিক করা, সে তো আছেই। এতটুকু মনখারাপেও ফোন বা লিখে লিখে তার গুরুত্বপূর্ণ কাজ শিকেই তোলা। অন্য কোথাও রাগ হলে, তাদের ওপর সেই রাগ ঝাড়া। সেখানে বলতে পারব না মানে কি কোথাওই পারব না? দোস্তলোগ হ্যায় না! এর মধ্যেই আবার সেই সুপ্ত বাসনা লেখালেখি করার মাদকতা ফিরিয়ে দিল এক বন্ধু। সে কি ছিনেজোঁক! প্রায়ই ফোনে উস্কানি দেয়। কিঞ্চিৎ লোভও দেখায়। অতএব মাঠে নেমে পড়া। এখন সবাই মিলে বেঁধে বেঁধে আছি। পৃথিবীতে এত বছর কাটানোর পরে বুঝেছি, জীবন-মরণের সীমানা ছাড়িয়ে বন্ধুই তো থাকে। ওরা আছে তাই আমি আছি।সুদেষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

জুন ২৩, ২০২১
প্রযুক্তি

ভারতের বাজারে ফের ফিরতে চলেছে মাইক্রোম্যাক্স

ভারতের বাজারে ফের নতুনভাবে ফিরতে চলেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় মোবাইল ব্র্যান্ড মাইক্রোম্যাক্স। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারতের অংশীদার হয়ে এবার এই সংস্থা বাজারে আনতে চলেছে নতুন ব্র্যান্ড। যার নাম ইন। এই ফোনের দাম দশ হাজারের মধ্যে থাকবে বলেও জানা গিয়েছে।এই ব্র্যান্ডে মাইক্রোম্যাক্স ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। এর ফলে ভারতের বাজারে দেশীয় কোম্পানির বিকাশ ঘটবে। অন্যদিকে বাড়বে কর্মসংস্থান। জানা গিয়েছে এই ফোনে থাকবে অ্যান্ড্রয়েড টেন অপারেটিং সিস্টেমের সুবিধাও। পাশাপাশি এই ফোনের ক্যামেরা বাকিদের থেকে যথেষ্ট উন্নত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
প্রযুক্তি

মাত্র ৩ হাজারে নয়া স্মার্ট ক্যামেরা, দারুণ সুযোগ রিয়েল মি'র

রিয়েলমি ফোনের ক্ষেত্রে জনপ্রিয় হলেও ইদানিং একাধিক ধরনের নতুন গ্যাজেট তারা নিয়ে এসেছে বাজারে। আগেই সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল এক ঝাঁক নতুন ডিভাইস তারা বাজারে নিয়ে আসবে। সেইমতো বেশ কিছু গ্যাজেট তারা অনলাইনে লঞ্চ করেছে । যার মধ্যে রয়েছে স্মার্ট ক্যামেরা, ইলেকট্রিক টুথ ব্রাশ, তার সঙ্গে পাওয়ার ব্যাংক। গত মাসেই নয়া স্মার্ট ক্যামেরা সম্পর্কে জানা গিয়েছিল। আর এতদিনে এই ডিভাইসটি আসতে চলেছে ভারতের বাজারে। এতে রয়েছে ফুল এইচডি ভিডিও রেকর্ডিং সাপোর্ট। এছাড়া ছবির গুনমান উন্নত করার জন্য একাধিক নতুন ফিচার। এছাড়া নিরাপত্তার জন্য লেন্সে কভারের সুবিধা দিচ্ছে ওই সংস্থা। একইসঙ্গে রাতে ছবি তোলার জন্য রয়েছে নাইট ভিশন মোড। জানা গিয়েছে এই ডিভাইসের দাম পড়বে মাত্র ২৯৯৯ টাকা। তবে এটি বিক্রির ক্ষেত্রে আরও ছাড় দেওয়া হবে। এছাড়া রয়েছে ২০ হাজার এমএএইচ পাওয়ার ব্যাংক। এতে রয়েছে দুটি সাধারণ ইউএসবি পোর্ট এবং একটি ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট। এতে রয়েছে ১৮ ডবলু দ্রুত চার্জের সুবিধা। ফলে যে কোনও রকম দুর্ঘটনা থেকে নিরাপদ থাকবে এই পাওয়ার ব্যাংক। এটির দাম পড়বে মাত্র ১৫০০ টাকা।

অক্টোবর ১০, ২০২০
প্রযুক্তি

এবার আরও আকর্ষণীয় হোয়াটসঅ্যাপ, আসছে নয়া ফিচার

নতুন চমক হোয়াটসঅ্যাপে।এবার তারা অনেকগুলি ফিচার নিয়ে এল অ্যান্ড্রয়েড বিটা ইউজারদের জন্য। সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েডের ২.২০.২০১.১০ বিটা সংস্করণ প্রকাশ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ।এর মধ্যে অন্যতম হল অলওয়েজ মিউট ফিচার। এছাড়া রয়েছে নতুন স্টোরেজ ব্যবহারের ইউআই ও তার টুল।এগুলি ছাড়াও রয়েছে নতুন ফিচার, যার নাম মিডিয়া গাইডলাইনস।তাতেই রয়েছে এই ফিচারগুলি।এছাড়াও বিজনেস অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে ভিডিও ও ভয়েজ কলের বাটনগুলি রাখা হয়নি। এমনকী, কনট্যাক্ট ইনফোতেও ভিডিও ও ভয়েজ কলের বাটনগুলি নেই। কিন্তু প্রোফাইল আইকনগুলিতে ট্যাপ করলেই বাটনগুলি পাওয়া যাবে।পরিবর্তনগুলির মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় সম্ভবত অলওয়েজ মিউট ফিচারটি। এতদিন পর্যন্ত কোনও গ্রুপ বা ব্যক্তিবিশেষকে এক বছরের জন্য মিউট করে রাখা যেত। কিন্তু এবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য মিউট করার সুযোগ দিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ।বদলে গিয়েছে স্টোরেজ ইউজেস সেকশনটি। এতদিন প্রতিটি চ্যাটের মধ্যে ঢুকে সেখানে বিভিন্ন মিডিয়া ফাইলের জন্য কতটা জায়গা খরচ হচ্ছে তা দেখা যেত। নতুন পদ্ধতিতে দেখা যাবে মডার্ন স্টোরেজ বার। পাশাপাশি কোন ফাইলগুলি অদরকারি তাও নির্দেশ করে দেবে হোয়াটসঅ্যাপ। ফলে সেই ফাইল মুছে ফেলে স্পেস বাড়ানো অনেক সহজ হবে।মিডিয়া গাইডলাইনস-এর মাধ্যমে ইউজাররা ইমেজ, ভিডিও ও জিআইএফগুলি এডিট করে ইচ্ছেমতো স্টিকার ও টেক্সট বসাতে পারবেন। তবে এই ফিচারগুলি এখনও সবাই পাননি। হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, আপডেট করার পর সামান্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। কয়েকদিনের মধ্যেই পরিবর্তনগুলি দেখতে পাওয়া যাবে।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যে কোনও মুহূর্তে নেমে আসতে পারে তুষারধস? বদ্রীনাথ নিয়ে গবেষণায় বড় সতর্কবার্তা

চার ধামের অন্যতম বদ্রীনাথ কি বড় বিপদের মুখে? উত্তরাখণ্ডের এই পবিত্র তীর্থক্ষেত্রের উপর ঝুলে রয়েছে তিনটি হিমবাহ। গবেষণায় আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, এই হিমবাহগুলির কোনও একটিতে ফাটল ধরলে সেখান থেকে নেমে আসতে পারে বিশাল বরফের স্রোত। তাতে বদ্রীনাথের মন্দির এলাকা, জনবসতি, রাস্তা এবং কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।সম্প্রতি নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের সাক্ষী থেকেছে বিশ্ব। কয়েক দিন আগে ভুটানে হ্রদ ভেঙে সংকোশ নদীতে জলস্রোত বেড়ে যাওয়ার ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এরই মধ্যে নতুন একটি গবেষণায় বদ্রীনাথের হিমবাহ নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। ভারতের হিমালয়ের বদ্রীনাথ জনপদে ঝুলন্ত হিমবাহ থেকে সৃষ্ট তুষারধসের ঝুঁকি মূল্যায়ন শীর্ষক ওই গবেষণায় এই আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।গবেষণায় বলা হয়েছে, বদ্রীনাথের উপর ঝুলে থাকা তিনটি হিমবাহের কোনও একটিতে ফাটল ধরলে সেখান থেকে বরফের বিশাল অংশ নীচে নেমে আসতে পারে। সেই বরফের স্রোতে জনবসতি, বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কতটা হবে, তা নির্ভর করবে বরফ কত দূর পর্যন্ত নেমে আসছে তার উপর। পাহাড়ের ঢাল এবং জমির গঠনও এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, তুষারধসের গতি এবং তার ফলে কতটা ক্ষতি হতে পারে, তা শুধু বরফের পরিমাণের উপর নির্ভর করে না। বরফ যে পথ দিয়ে নীচে নামবে, সেই পথের আকৃতি এবং আশপাশের ভূপ্রকৃতিও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে। ফলে একই পরিমাণ বরফের ধস হলেও বিভিন্ন এলাকায় তার প্রভাব আলাদা হতে পারে।এই বিপদ মোকাবিলায় আগাম সতর্কতার উপর জোর দিয়েছেন গবেষকেরা। তাঁদের পরামর্শ, বদ্রীনাথের আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলি আগে চিহ্নিত করতে হবে। প্রতিটি এলাকার ঝুঁকি অনুযায়ী আলাদা করে প্রস্তুতি নিতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় নির্মাণকাজের উপর নিয়ন্ত্রণ এবং নজরদারি বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।প্রাকৃতিক বিপর্যয় পুরোপুরি আটকানো সম্ভব নয়। তবে আগাম ঝুঁকি চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া গেলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যেতে পারে। বদ্রীনাথের মতো গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্র এবং সেখানকার মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তাই এখন থেকেই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে এই গবেষণা।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
বিদেশ

৩২ লক্ষ আফ্রিকানকে দাস হিসেবে পাচার! ব্রিটেনের ইতিহাসের সেই অন্ধকার অধ্যায় নিয়ে এবার ক্ষমার সুর

আফ্রিকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে অপহরণ করে দাস হিসেবে বিক্রি করেছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা। সেই দাস ব্যবসায় বড় ভূমিকা ছিল ব্রিটেনেরও। বহু বছর ধরে চলে আসা এই নিষ্ঠুর ব্যবসার জন্য এ বার আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমা চাইতে প্রস্তুত ব্রিটিশ সরকার। সম্প্রতি এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তবে অতীতের এই অন্যায়ের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি তিনি মানতে রাজি নন।শুক্রবার দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী সপ্তাহে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডায় বসতে চলেছে কমনওয়েলথের শীর্ষ সম্মেলন। তার আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ওই সম্মেলনে ক্যারিবিয়ান দেশগুলি ব্রিটেনের কাছে দাস ব্যবসার জন্য ক্ষমা এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।নিবন্ধে বার্নহ্যাম লিখেছেন, দাস ব্যবসার শিকার মানুষদের যে ভয়াবহ যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছিল, তা তিনি বুঝতে পারেন। সেই ঘটনার জন্য তিনি গভীর ভাবে মর্মাহত। তাঁর মতে, অতীতের সেই নিষ্ঠুরতার প্রভাব এখনও পুরোপুরি মুছে যায়নি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, আটলান্টিক মহাসাগর পেরিয়ে আফ্রিকার মানুষদের দাস হিসেবে পাচারের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করছে ব্রিটিশ সরকার। সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমা চাওয়ার যে দাবি উঠেছে, আলোচনায় সেই বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। এই দাবি শুনতে তিনি প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন।তবে আর্থিক ক্ষতিপূরণের প্রশ্নে তাঁর অবস্থান আলাদা। বার্নহ্যামের বক্তব্য, অতীতের অন্যায়ের জন্য বর্তমান ব্রিটিশ নাগরিকদের দায়ী করা যায় না। তাঁর মতে, সেই ঘটনা ঘটেছিল অন্য এক সময়ে, অন্য আইনের অধীনে। সেই সময়ের অন্যায়ের সঙ্গে বর্তমান ব্রিটিশ জনগণ বা সরকারের ব্যক্তিগত কোনও ভূমিকা নেই। তাই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবির সঙ্গে তিনি একমত নন।উল্লেখ্য, ব্রিটেনের রাজা চার্লস বর্তমানে ক্যারিবিয়ান দেশগুলি সফর করছেন। বাহামাসে গিয়ে তিনি সেখানকার দাসপ্রথার ইতিহাসের কথা উল্লেখ করেছেন এবং ব্রিটিশ শাসনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তবে দাস ব্যবসার জন্য ব্রিটেনের তরফে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়া হয়নি। তাই প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।ব্রিটিশ সরকারের বক্তব্য, দাস ব্যবসা থেকে ব্রিটেন যে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছিল, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে পরে দাসপ্রথা বন্ধ করার ক্ষেত্রেও ব্রিটেন ভূমিকা নিয়েছিল বলে দাবি তাদের। ১৮৩৩ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট দাসপ্রথা নিষিদ্ধ করে। যদিও দাসপ্রথা বন্ধের পরেও ভারত-সহ বিভিন্ন দেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলেছিল।ইতিহাসের হিসাব অনুযায়ী, পঞ্চদশ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যে ইউরোপীয় ব্যবসায়ীরা অন্তত ১ কোটি ২৫ লক্ষ আফ্রিকানকে অপহরণ করে দাস হিসেবে বিক্রি করেছিল। এর মধ্যে ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের হাতে পাচার হয়েছিলেন প্রায় ৩২ লক্ষ মানুষ। সেই অন্ধকার ইতিহাসের জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার দাবি নতুন করে জোরালো হচ্ছে। তবে ক্ষমা চাওয়ার পথে এগোলেও ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি নয় ব্রিটেন।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীল গ্রেফতারের তিন দিনের মাথায় স্ত্রীকে লালবাজারে তলব! জেরায় কী জানালেন মধুছন্দা?

ইউনেস্কোর নাম এবং লোগো ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রির অভিযোগে তদন্তে নতুন মোড়। প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে শনিবার লালবাজারে জেরা করল বিশেষ তদন্তকারী দল। ইন্দ্রনীল সেন গ্রেফতার হওয়ার তিন দিনের মধ্যেই তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল। রাত আটটা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে জেরা।যে সংস্থার নামে পুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রি করা হয়েছিল, সেই মাস আর্ট-এর সভাপতি ছিলেন মধুছন্দা। অভিযোগ, ইউনেস্কোর লোগো বেআইনি ভাবে ব্যবহারের অনুমতি নেওয়া থেকে শুরু করে সংস্থার বিভিন্ন নথিতে তাঁর সই ছিল। গত জুন মাসে বউবাজার থানায় যে অভিযোগ জমা পড়েছিল, তাতে দ্বিতীয় অভিযুক্ত হিসেবে মধুছন্দার নাম ছিল। প্রথম অভিযুক্ত ছিলেন তাঁর স্বামী ইন্দ্রনীল সেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেরার সময় মধুছন্দা দাবি করেছেন, মাস আর্ট-এর অন্য কর্তারা যেখানে সই করতে বলেছেন, তিনি সেখানেই সই করেছেন। তাঁকে কোনও বিষয়ে চাপ দেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। বিশেষ করে ইন্দ্রনীল স্ত্রীকে কোনও নথিতে সই করার জন্য চাপ দিতেন কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মধুছন্দাকে জেরা করে সংস্থার সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি বসুর নামও উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়া এফআইআরে নাম থাকা আরও দুজনের ভূমিকা কী ছিল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে মধুছন্দা ও ধ্রুবজ্যোতিকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পরিকল্পনাও রয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন মাস আর্ট সোসাইটিকে ৬৬ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছিল। ওই টাকার মধ্যে ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা আইস্কেপ এবং মায়রা নামে দুটি সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। গোয়েন্দাদের কাছে খবর, এই দুটি সংস্থা ইন্দ্রনীলের মেয়ে নিয়ন্ত্রণ করেন। সেই সূত্রে তাঁকেও লালবাজারে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার কর্মীদের কাছ থেকেও বিভিন্ন তথ্য জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা। প্রয়োজনে ওই সংস্থাগুলির কর্মীদের একে একে জেরা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।অন্য দিকে, তদন্তকারীদের কাছে পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, ইউনেস্কোর লোগো দেখে তাঁরা এই প্রিভিউ শো-তে অংশ নিতে রাজি হয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, মাস আর্ট-এর কর্মীরাই বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর ব্যবস্থা করতেন। এর বদলে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য টাকা এবং এলইডি গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হত। অভিযোগ, ওই গেটে বিজ্ঞাপন দেখানোর পরিবর্তে পুজো উদ্যোক্তাদের দেড় থেকে দুলক্ষ টাকা দেওয়া হত।পুলিশের দাবি, পাস বিক্রির বিনিময়ে পুজো উদ্যোক্তারা খুব সামান্য টাকা পেয়েছিলেন। গোটা আর্থিক লেনদেন এবং সংস্থাগুলির ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মধুছন্দার জেরার পর এই মামলায় আর কার কার নাম উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

উৎসবের মরসুমে নিরাপত্তায় বড়সড় প্রস্তুতি, পুজো কমিটিগুলিকে কী কী করতে বলল নবান্ন?

দুর্গাপুজো শেষ। সামনে কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো এবং ছটপুজো। এই উৎসবগুলিকে ঘিরে বিভিন্ন মণ্ডপ ও ঘাটে প্রচুর মানুষের ভিড় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য প্রশাসন। চোরবাগান কাণ্ডের পর আরও সতর্ক হয়েছে প্রশাসন। উৎসবের ভিড় সামলানো থেকে শুরু করে অগ্নিনির্বাপণ এবং ঘাটের নিরাপত্তাসব বিষয়েই একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন।নির্দেশিকায় পুজো কমিটিগুলিকে মণ্ডপে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রবেশ ও বেরোনোর পথ যথেষ্ট চওড়া রাখতে হবে। কোনওভাবেই যাতে মণ্ডপের ভিতরে অতিরিক্ত ভিড় জমে না যায়, সে দিকে নজর রাখতে হবে। দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।কোন মণ্ডপে কত মানুষের ভিড় হতে পারে, তা মাথায় রেখে পুলিশ মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি মণ্ডপে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখতে হবে। নিরাপত্তার সব ব্যবস্থা ঠিকমতো করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ ও প্রশাসন।মণ্ডপে অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা এড়াতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুজো কমিটিগুলিকে। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে যাতে দমকল পৌঁছতে পারে, সেই ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।শুধু মণ্ডপ নয়, ছটপুজো উপলক্ষে বিভিন্ন ঘাটের নিরাপত্তা নিয়েও সতর্ক প্রশাসন। ঘাটে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে। নৌকায় রাখতে হবে লাইফ জ্যাকেট। পাশাপাশি ঘাটগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহিলাদের পোশাক পরিবর্তনের জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থাও করতে হবে।কালীপুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর পরেই রয়েছে ছটপুজো। ফলে উৎসবের মরসুমে মণ্ডপ এবং ঘাটে ভিড় সামলানো প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। চোরবাগান কাণ্ডের পর কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না নবান্ন। তাই আগেভাগেই পুজো কমিটি, পুলিশ এবং প্রশাসনের জন্য একাধিক নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

মতুয়াদের জন্য বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, দু’মাসের মধ্যে নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার আশ্বাস

আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী আবেদনকারীদের শুনানি শেষ করে শংসাপত্র দেওয়ার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার ঠাকুরনগরে আন্তর্জাতিক মতুয়া গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দিয়ে এই ঘোষণা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এখনও প্রায় আড়াই লক্ষ আবেদনকারীর শুনানি বাকি রয়েছে। আগামী দুমাসের মধ্যে সেই কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নাগরিকত্বের শংসাপত্র পাওয়ার পর ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রেও সরকার সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঠাকুরবাড়িতে আয়োজিত সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, এই সরকার শুধু বিজেপির নয়, মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরও। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে তাঁদের অযথা চিন্তা করার প্রয়োজন নেই বলেও আশ্বাস দেন তিনি। একই সঙ্গে এই আইন কার্যকর করা নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু বলেন, ঠাকুরনগরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর করার কথা বলেছিলেন। ২০২৪ সালের ৬ মার্চ এই আইন কার্যকর করা হয়। তাঁর দাবি, অন্য রাজ্যগুলিতে এই আইনের আওতায় নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া এগোলেও পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরোধিতা করেছিলেন। এর ফলে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ সমস্যায় পড়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর শিলিগুড়িতে অমিত শাহের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, গুজরাত ও রাজস্থানের মতো রাজ্যে এই আইন কার্যকর করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও পশ্চিমবঙ্গে আগের সরকার তা করেনি। কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সাহায্যে যতটা সম্ভব শুনানির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।শুভেন্দুর কথায়, এখন নাগরিকত্বের আবেদন সংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা আধিকারিকদের এ বিষয়ে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই লক্ষ আবেদনকারীর শুনানি বাকি রয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই শুনানি শেষ করে আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।তফসিলি জাতিভুক্ত আবেদনকারীদের শংসাপত্র দেওয়ার বিষয়েও আশ্বাস দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, এই প্রক্রিয়ায় কাউকে বাধা দেওয়া হবে না। তবে কারা শংসাপত্র পাওয়ার যোগ্য, তা সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও যাচাইয়ের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে।শুধু নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়াই নয়, ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রেও সরকার সাহায্য করবে বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, আগামী জানুয়ারিতে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিশেষ অভিযান শুরু হলে সিএএ-র আওতায় শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের নাম তোলার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় নথি তৈরি করতেও সাহায্য করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।মতুয়া সম্প্রদায়ের নাগরিকত্বের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ঠাকুরনগরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর এই ঘোষণার পর এখন নজর থাকবে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুনানি শেষ করে আবেদনকারীদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়ার কাজ কতটা এগোয়।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

মতুয়া-গড়ে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে কী কী পদ দিয়ে সাজল পাত?

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম বার মতুয়া-গড়ে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার ঠাকুরবাড়িতে আন্তর্জাতিক গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে মন্দিরে পুজো দেন তিনি। ঘণ্টা বাজিয়ে প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শান্তনু ঠাকুর এবং তাঁর স্ত্রী তথা বিধায়ক সোমা ঠাকুর। পুজো দেওয়ার পর ঠাকুরনগরে সভা করার কথা শুভেন্দুর। তার পর শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর আপ্যায়নের জন্য সকাল থেকেই বাড়িতে চলেছে বিশেষ আয়োজন।শুভেন্দুর জন্য নিজের হাতে রান্না করেছেন শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা। মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে রয়েছে নানা ধরনের পদ। ভাতের সঙ্গে থাকছে উচ্ছে ভাজা, বেগুন ভাজা, পমফ্রেট মাছ, চিংড়ির মালাইকারি, মটন এবং দেশি মুরগির ঝোল। এ ছাড়াও রয়েছে চিংড়ি দিয়ে মোচা, ইলিশ ভাপা ও ইলিশ ভাজা। তবে এই মেনুর অন্যতম আকর্ষণ ঠাকুরবাড়ির বিশেষ পদ চিংড়ি পিঠে। খাওয়ার শেষে থাকছে দই ও মিষ্টি।মুখ্যমন্ত্রীর আপ্যায়নের জন্য রান্নাঘরে সকাল থেকেই ব্যস্ততা ছিল। সোমা জানিয়েছেন, তিনি নিজের হাতেই রান্না করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম মতুয়া-গড় সফরকে ঘিরে ঠাকুরবাড়িতে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর ঠাকুরবাড়িতে তিন গোঁসাই ঠাকুরকে বরণ করা হয়। এর পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, আগের মুখ্যমন্ত্রী কোনওদিন মতুয়াদের কথা ভাবেনি। নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ভাবেননি। মতুয়াদের আশীর্বাদেই আমি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। আজ এখানে সেবা কার্য করতে এসেছি।জানা গিয়েছে, ঠাকুরবাড়িতে পুজো দেওয়ার পর ঠাকুরনগরে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পর শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তিনি। সব কর্মসূচি শেষ করে বিকেলে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা তাঁর।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের হাহাকার! মজুত ১০ হাজারেরও কম, অস্ত্রোপচার পিছনোর আশঙ্কা

রাজ্যজুড়ে রক্তের জোগান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্ক মিলিয়ে এই মুহূর্তে বাংলায় রক্তের মজুত ১০ হাজার ইউনিটেরও কম বলে জানা গিয়েছে। অথচ প্রতিদিন রাজ্যে প্রায় তিন হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, বর্তমান মজুত দিয়ে আগামী দিনে চাহিদা মেটানো কঠিন হতে পারে। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগী, ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসা, জটিল অস্ত্রোপচার এবং দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন হয়। এই পরিস্থিতিতে রক্তের জোগান নিয়ে চিন্তায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। শনিবারের হিসাব অনুযায়ী, কলকাতায় রক্তের মজুত ছিল প্রায় ৫৬০ ইউনিট।রক্তের জোগান নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর অস্ত্রোপচারের জন্য রক্ত পাওয়া যাচ্ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে। রোগীর পরিবারের অনুরোধে শনিবার রাতে সেখানে যান বরাহনগরের বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর উদ্যোগে সমস্যার সমাধান হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর সজল প্রশ্ন তোলেন, একজন বিধায়ককেই যদি রক্তের জন্য এত সমস্যায় পড়তে হয়, তা হলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হচ্ছে?তবে রাজ্যে রক্তের ঘাটতির কথা মানতে চাননি স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, কোনও বিরল রক্তের গ্রুপের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তবে সাধারণ ভাবে রক্তের ঘাটতি নেই। ও নেগেটিভ বা এবি নেগেটিভ-এর মতো বিরল গ্রুপের রক্ত পেতে সমস্যা হলে মানিকতলার কেন্দ্রীয় ব্লাড ব্যাঙ্কের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। সেখানে পর্যাপ্ত রক্ত মজুত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।দীর্ঘদিন ধরে রক্তদান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ডি আশিসের মতে, রক্ত পাচার নিয়ে নানা খবর ছড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্যে রক্তদান নিয়ে অনীহা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, রক্তদান করেও লাভ নেই, কারণ সেই রক্ত পাচার হয়ে যেতে পারে। তাঁর বক্তব্য, এই ধারণার প্রভাব রক্তদান আন্দোলনের উপর পড়ছে। অন্য দিকে, রক্তের অভাবে কিছু অস্ত্রোপচার পিছিয়ে দিতে হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে সংগৃহীত রক্তের প্রায় ৮০ শতাংশ আসে বিভিন্ন ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, কলেজ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন ক্লাবে নতুন কমিটি গঠন ও দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। ডি আশিসের বক্তব্য, নতুন কমিটিগুলি দায়িত্ব নেওয়ার পর রক্তদান শিবির আয়োজন করতে সময় লাগতে পারে। ফলে এই সময়ে বড় শিবিরের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ব্লাড ডোনর অর্গানাইজেশনের জাতীয় সভাপতি বিশ্বরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, রবিবার একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হবে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আরও বেশি মানুষকে রক্তদানে এগিয়ে আসার আবেদন জানানো হচ্ছে। রক্তের জোগান বাড়াতে সম্প্রতি স্বাস্থ্য দপ্তরও নির্দেশিকা জারি করেছিল। হাসপাতাল সংলগ্ন পুজো কমিটিগুলিকে রক্তদান শিবির আয়োজন করতে উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে রক্তের মজুত বাড়াতে নিয়মিত রক্তদান শিবির আয়োজন এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে রাজ্যে রক্তের প্রকৃত ঘাটতি কতটা, তা নিয়ে চিকিৎসকদের উদ্বেগ এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

হুডখোলা গাড়িতে রাহুল সামনে, মমতা পিছনের সারিতে! বাংলার ভোটে হারের পর বদলে গেল সমীকরণ?

হুডখোলা গাড়ির সামনের সারিতে রাহুল গান্ধী। তাঁর পিছনের সারিতে ফারুক আবদুল্লা ও ডি রাজা। তৃতীয় সারিতে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের পাশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগে এই ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের খারাপ ফলের পর বিরোধী জোটে মমতার অবস্থান বদলেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।একসময় বিভিন্ন আন্দোলনে সামনের সারিতে দেখা যেত মমতাকে। বিরোধী রাজনীতিতেও তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃণমূলের বড় ধাক্কার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলেছে। রামলীলা ময়দানে যাওয়ার পথে হুডখোলা গাড়িতে রাহুল গান্ধীকে সামনের সারিতে এবং মমতাকে পিছনের দিকে দেখা গিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ছবি বিরোধী জোটে নেতাদের অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।ওই গাড়িতে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ফারুক আবদুল্লা, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে এবং তেজস্বী যাদবও। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও দেখা যায়। তবে তিনি ছিলেন পিছনের সারিতে।বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রয়োজনে বাম ও কংগ্রেসের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। যদিও বাংলায় সেই প্রস্তাবে তেমন সাড়া মেলেনি। এর পর দিল্লিতে গিয়ে একাধিক বার রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মমতা। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী জোটে কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়ে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রামলীলা ময়দান এলাকায় পুলিশ ও আধাসেনা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে অন্তত ২০০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-যুক্ত ক্যামেরা।হুডখোলা গাড়িতে কোন নেতা কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। তবে শুধু আসন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিরোধী জোটে কোনও নেতার গুরুত্ব কমেছে বা বেড়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। সমাবেশে নেতাদের বক্তব্য এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর।

নভেম্বর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal