• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fake

রাজ্য

বর্ধমানে চেম্বারের মধ্যেই হাতুড়ে ডাক্তারকে কুপিয়ে খুন, থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ অভিযুক্তের

বর্ধমান শহরে নৃশংস খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। শহরের বাদামতলা এলাকায় নিজের চেম্বারের মধ্যেই এক হাতুড়ে ডাক্তারকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করায় এলাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতের নাম রাজা ভৌমিক (৪৫)। তিনি বর্ধমান শহরের বাবুরবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং গত দুবছর ধরে বাদামতলা এলাকায় একটি চেম্বার চালিয়ে চিকিৎসা করতেন। এই ঘটনায় শক্তিগড়ের আমড়া গ্রামের বাসিন্দা জীবন রুইদাস নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ প্রতিদিনের মতোই চেম্বার খোলেন রাজা ভৌমিক। কিছুক্ষণ পরেই চেম্বারে ঢোকে জীবন রুইদাস। অভিযোগ, তার সঙ্গে থাকা ব্যাগের মধ্যেই ছিল একটি ধারালো কাটারি। চেম্বারের ভেতরে ঢুকেই আচমকা রাজা ভৌমিকের উপর হামলা চালায় অভিযুক্ত। মাথায় একের পর এক কোপ মারলে ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন রাজা ভৌমিক।এই নৃশংস কাণ্ড ঘটানোর পর অভিযুক্ত সরাসরি বর্ধমান থানায় গিয়ে হাজির হয় এবং পুলিশের কাছে খুনের কথা স্বীকার করে। এরপর পুলিশ তাকে সঙ্গে নিয়ে বাদামতলার চেম্বারে যায়। সেখান থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসকরা রাজা ভৌমিককে মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্তের ঠাকুমা প্রায় এক মাস আগে মারা যান। অভিযুক্তের দাবি, রাজা ভৌমিকের চিকিৎসার কারণেই তাঁর ঠাকুমার মৃত্যু হয়েছে। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পনা করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্ক ব্যানার্জী জানান, অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। খুনের কারণ, পূর্বপরিকল্পনা এবং অভিযুক্তের মানসিক অবস্থা, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাদামতলা এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। খুনের ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

নিজের দোকানেই চুরি! ৫০ লক্ষ টাকার নাটক ফাঁস হতেই হতবাক পুলিশ

রাতের অন্ধকারে বাজারের মাঝখানে একটি সোনার দোকানে চুরির ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় শান্তিপুরে। দোকানের শাটার ভেঙে লক্ষ লক্ষ টাকার সোনা ও নগদ টাকা চুরি হয়েছে বলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন দোকানের মালিক। তাঁর দাবি ছিল, দোকান থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার সোনার গয়না এবং ড্রয়ারে রাখা এক লক্ষ টাকা নগদ নিয়ে পালিয়েছে চোরের দল।অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে শান্তিপুর থানার পুলিশ। তবে তদন্তে নেমেই একের পর এক অস্বাভাবিক তথ্য সামনে আসে। দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখা সম্ভব হয়নি, কারণ দোকান মালিক পুলিশকে জানান, চোরেরা সিসিটিভির হার্ড ডিস্কও নিয়ে গিয়েছে।তদন্ত চলাকালীন দোকানের ভিতর থেকে পুলিশ উদ্ধার করে দুটি গোপন ক্যামেরা। এরপরই দোকানের মালিককে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তাঁর বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে পুলিশের কাছে। সন্দেহ আরও গভীর হয়।শেষ পর্যন্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে তদন্তে। দোকানের মালিকের বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার সোনার গয়না। তখনই স্পষ্ট হয়, এই চুরির ঘটনা সম্পূর্ণ সাজানো।পুলিশি জেরায় স্বীকার করেন দোকানের মালিক। জানা যায়, তাঁর নামে ব্যাঙ্কে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ঋণ ছিল। সেই ঋণ শোধ করতেই নিজের দোকানে নিজেই চুরির নাটক সাজান তিনি। শুধু থানায় অভিযোগই নয়, সংবাদমাধ্যমকেও ডেকে চুরির গল্প শোনানো হয়েছিল।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ওই সোনার দোকানের প্রায় এক কোটি টাকার বিমা করা ছিল। বিমার টাকা পেয়ে ঋণ মেটানোর পরিকল্পনাই ছিল এই পুরো ঘটনার মূল উদ্দেশ্য।এই ঘটনায় দোকানের মালিক ও তাঁর ছেলেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, শান্তিপুর স্টেশন বাজার সংলগ্ন এলাকায় এর আগেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় এক পোশাক ব্যবসায়ী নিজের দোকানে আগুন লাগিয়ে বিমার টাকা পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। পরে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছিলেন, ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ ভুয়ো।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

পাঠানখালি পঞ্চায়েতে আবারও জালিয়াতি! ভুয়ো মৃত্যু-সার্টিফিকেট বানিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ

ভুয়ো জন্মসার্টিফিকেটের জালিয়াতির পরে এবার সামনে এল ভুয়ো মৃত্যু-সার্টিফিকেট কাণ্ড। গোসাবার পাঠানখালি পঞ্চায়েতের নাম জড়াল আবারও। ভাড়া নেওয়া দোকানের দখল পেতেই নাকি এক ব্যক্তি জীবিত থাকা সত্ত্বেও তাঁকে মৃত দেখিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল ভুয়ো মৃত্যুর শংসাপত্র। অবশেষে প্রতারণার দায়ে গ্রেফতার হলেন এক দম্পতিজর্জ ক্লিন্টন ডিকসন এবং তাঁর স্ত্রী ক্যারল এরিকসন ডিকসন। শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, বহু বছর আগে এজেসি বোস রোডে একটি দোকান ভাড়া নেন সরল রায় ও নিত্যরঞ্জন ঘোষ। পরে সেই দোকানই সাব-টেনেন্ট হিসেবে ভাড়া নেন ডিকসন দম্পতি। অভিযোগ, দোকানের দখল নিজের দাম্পত্যের হাতে নিতে নিত্যরঞ্জন ঘোষকে ২০১৪ সালেই মারা গেছেন বলে দেখানো হয়। অথচ বাস্তবে তিনি জীবিত ছিলেন। কিন্তু দোকান দখল নিশ্চিত করতে এই দম্পতি ২০২৪ সালের অগস্টে পাঠানখালি পঞ্চায়েত থেকে নিত্যরঞ্জনের নামে নতুন করে এক ভুয়ো মৃত্যু-সার্টিফিকেট বানিয়ে নেন।এই কাজে তাঁদের সাহায্য করেন পাঠানখালি পঞ্চায়েতের চুক্তিভিত্তিক কর্মী গৌতম সর্দার। তদন্তকারীদের দাবি, গৌতমই পুরো নথি জালিয়াতির মূল কারিগর। তাঁর বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ উঠেছিল যে তিনি হাজার হাজার ভুয়ো জন্মসার্টিফিকেট এবং শত শত ভুয়ো মৃত্যুসার্টিফিকেট তৈরি করেছিলেন। প্রায় সাড়ে তিন হাজার ভুয়ো জন্মসার্টিফিকেট এবং ৫১০টি ভুয়ো মৃত্যুসার্টিফিকেট তৈরির ঘটনায় তিনি আগেই গ্রেফতার হয়ে জেল হেফাজতে রয়েছেন। সেই মৃত্যুসার্টিফিকেটগুলির মধ্যেই ছিল নিত্যরঞ্জন ঘোষের নামে প্রস্তুত ভুয়ো শংসাপত্র। সেই নথিই ব্যবহার করে দোকান দখলের চেষ্টা করছিলেন ডিকসন দম্পতিএমনটাই মনে করছে পুলিশ।এই জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে তদন্তকারী সংস্থা। কীভাবে পঞ্চায়েতের ভিতর থেকেই এভাবে ভুয়ো নথি তৈরি হচ্ছিল, কে কে যুক্ত, কোথায় কোথায় এই সার্টিফিকেট ব্যবহার হয়েছেসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একের পর এক নথি জালিয়াতির ঘটনায় পাঠানখালি পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
কলকাতা

ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্রে ব্যবসা! কলকাতায় আফগান নাগরিকদের গোপন নেটওয়ার্কে নড়েচড়ে বসল পুলিশ

ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘ দিন ধরে কলকাতা শহরে লুকিয়ে থাকার অভিযোগে দুই আফগান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম রহমতুল্লাহ খাকসার ও নিয়াজ মহম্মদ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারা বেশ কয়েক বছর ধরে ওয়াটগঞ্জ এলাকায় থেকে ব্যবসা করত। কিন্তু পাঁচ বছর আগেই তাদের ভারতে থাকার অনুমতির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। মেয়াদ নবীকরণ না করে তারা ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে শহরেই গা-ঢাকা দিয়ে থাকতে থাকে। সন্দেহ দেখা দেয় ঠিক সেই জায়গাতেই।সম্প্রতি গোয়েন্দারা রাজ্যজুড়ে খোঁজ শুরু করেন এমন সব বিদেশিদের, যাদের ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে গিয়েছে, তবুও তারা কলকাতা বা আশপাশের জেলায় লুকিয়ে আছে। সেই সূত্র ধরেই নিরাপত্তা দপ্তরের তদন্তকারীরা জানতে পারেন যে রহমতুল্লাহ ও নিয়াজ ভুয়ো পরিচয় দিয়ে ব্যবসার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুজনকে জেরার জন্য ডাকা হলে তাদের নথিতে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। বেআইনিভাবে শহরে থাকার প্রমাণ নিশ্চিত হওয়ার পরই দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয় এবং এরপরই সিকিউরিটি কন্ট্রোল অফিস তাদের গ্রেপ্তার করে। তাদের শহরে থাকার উদ্দেশ্য কী ছিল, কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিল কি নাসবই এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।কয়েক দিন আগেই ওয়াসিম আহমেদ নামে আরও এক আফগান নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাবুলে লুকআউট নোটিস ছিল। জাল নথি ব্যবহার করে সে ভারতে ঢুকে পড়ে এবং পরে নাসির খান নামের ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় পাসপোর্টও বানিয়ে নেয়। সোমবার রাতে ওই পাসপোর্ট দেখিয়ে কুয়ালালামপুর যাওয়ার চেষ্টা করতেই দমদম বিমানবন্দরে তাকে পাকড়াও করে পুলিশ। তার কাছে এক আফগান ও এক ভারতীয়দুটি আলাদা পাসপোর্ট উদ্ধার হয়েছে। সে কী কাজ করত, কারা দিয়েছে তাকে সাহায্য, আর কী উদ্দেশে ভারতে লুকিয়ে ছিলসবই এখন তদন্তের আওতায়।ক্রমাগত ধরা পড়তে থাকা আফগান নাগরিকদের নিয়ে নিরাপত্তা দপ্তর আরও সতর্ক হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, আরও কেউ ভুয়ো পরিচয়ে শহরে লুকিয়ে থাকতে পারে। তাই কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় নথি যাচাইয়ের কাজ আরও জোরদার করা হয়েছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের গুজব ছড়াল সোশ্যাল মিডিয়ায়, এষা দেওলের পাল্টা বার্তা ভাইরাল!

বলিউডে সকাল থেকেই হইচই। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে একটাই খবর প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র! কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সামনে এল সত্য। মৃত্যুর খবর মিথ্যে, এখনও লড়ে যাচ্ছেন হী-ম্যান। মঙ্গলবার দুপুরে ধর্মেন্দ্রর কন্যা এষা দেওল নিজেই ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে গুজবের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন। তিনি লিখেছেন, ভুয়ো খবর ছড়াবেন না। আমার বাবার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। অনুরোধ করছি, আমাদের পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন। বাবার দ্রুত আরোগ্য কামনা করুন।জানা গিয়েছে, ৮৯ বছর বয়সি ধর্মেন্দ্রকে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আপাতত তিনি রয়েছেন আইসিইউতে, রাখা হয়েছে ভেন্টিলেশনে। অভিনেতার শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যাওয়াতেই সোমবার রাতে তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে তাঁর চিকিৎসার জন্য। বর্তমানে ধর্মেন্দ্র রয়েছেন চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে।অভিনেতার স্ত্রী হেমা মালিনীও সোমবার রাতে এক্স (আগের টুইটার)-এ লেখেন, ধরমজির স্বাস্থ্য নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায়। চিকিৎসকেরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন। ঈশ্বরের কৃপায় তিনি দ্রুত সেরে উঠবেন। একই সঙ্গে সানি দেওলের টিমও আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল, ভয়ের কিছু নেই।আগামী ডিসেম্বরেই ৯০ বছরে পা দেবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা। বয়স নব্বই ছুঁলেও বলিউডে এখনও সক্রিয় ধর্মেন্দ্র। করণ জোহরের রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি-তে তাঁর উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল। জয়া বচ্চন ও শাবানা আজমির সঙ্গে তাঁর রোম্যান্টিক দৃশ্য তখনই প্রমাণ করে দিয়েছিল বয়স শুধু একটা সংখ্যা। সম্প্রতি তাঁর নতুন ছবি ইক্কিস-এর প্রথম ঝলকও প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে দর্শকরা দেখে অবাক হয়েছেন তাঁর উজ্জীবিত উপস্থিতি দেখে।তবে কিছুদিন ধরে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন ধর্মেন্দ্র। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর অবস্থা এখন স্থিতিশীল, তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। তবে চিকিৎসকেরা তাঁর বয়সের কথা মাথায় রেখে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত গণমাধ্যমের সামনে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় রটানো মৃত্যুর গুজব ঘিরে নেটপাড়া সরগরম। ভক্তরা প্রার্থনা করছেন তাঁদের প্রিয় ধরম পাজি-র দ্রুত আরোগ্যের জন্য।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

অম্বরীশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত! সিএবিতে চিঠি আজহারের

সিএবিতে চিঠি পাঠালেন মহম্মদ আজহারউদ্দিন। তবে এই আজহার ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক বা ইডেনের বরপুত্র নন। এই আজহারের বাড়ি পশ্চিম বর্ধমানের উখড়ায়। যদিও এই আজহারের দাবি নয়া মাত্রা যোগ করল সিএবিতে চলা সাম্প্রতিক এক বিতর্কে।সম্প্রতি আইনজীবী সুমন কীর্তনীয়া একটি চিঠি সিএবি, বিভিন্ন ক্লাব-সহ নানা জায়গায় পাঠিয়ে সিএবির স্টেডিয়াম কমিটি ও বেঙ্গল প্রো টি২০ লিগের কমিটির সদস্য অম্বরীশ মিত্রর বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ আনেন। অম্বরীশ প্রাক্তন ক্রিকেটার, পূর্ব রেলের শিয়ালদহ শাখায় কর্মরত। রেলের নেতাজি সুভাষ ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিত্ব করেন সিএবিতে। ফলে ভিজিল্যান্স-সহ রেলের কর্তাদের কাছেও অম্বরীশের নামে অভিযোগপত্র পাঠান সুমন। তাঁর দাবি, অম্বরীশ বিভিন্ন ক্লাব, বয়সভিত্তিক বিভিন্ন দলে খেলিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে লক্ষাধিক টাকা তুলেছেন, হাইকোর্ট ক্লাবে বেআইনি কাজকর্ম চালিয়েছেন প্রভাবশালী পরিচয় দেওয়া অম্বরীশ। জালিয়াতি, বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা, দুর্নীতিতে অম্বরীশের সঙ্গী দেবনিক দাস যুক্ত বলেও দাবি সুমনের। উল্লেখ্য, দেবনিক হলেন টাউন ক্লাবের কর্তা। তিনি আবার সিএবি যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাসের পুত্র। দেবব্রত দাসের বিরুদ্ধেও এক কোটি টাকার বেশি দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে সিএবি ওম্বুডসম্যানের কাছে। সুমন চিঠির সঙ্গে জুড়ে দেন কিছু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট। যাতে ইউপিআই লেনদেনের মাধ্যমে অম্বরীশ যে টাকা পেয়েছেন তার প্রমাণ হিসেবে। সেই কথোপকথনে উঠে এসেছিল আজহারের নাম। এবার সেই আজহার চিঠি দিলেন সিএবিতে। আর্জি জানালেন, অম্বরীশের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি নস্যাৎ করে দিতে। সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভার আগে অম্বরীশ ও তাঁর খ্যাতিতে আঘাত দিতেই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের অপব্যাখ্যা করে ওই চিঠি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি আজহারের।আজহার সিএবি সভাপতি ও সচিবকে পাঠানো চিঠিতে লিখেছেন, ক্রিকেট খেলার সূত্রে অম্বরীশের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব। খেলার পাশাপাশি তাঁরা নানাভাবে বিভিন্ন ক্রিকেটারকে সাহায্য করে থাকেন। গত মরশুমে হাইকোর্ট ক্লাবকে সহযোগিতা করেছেন অম্বরীশ, সে কাজে তিনিও অম্বরীশের পাশে ছিলেন।ক্রিকেট দল চালাতে অর্থের প্রয়োজন। ময়দানের বিভিন্ন ক্লাব অনুদান-সহ নানাভাবে অর্থ সংগ্রহ করে খেলাধুলো পরিচালনা করে। সে কাজটাই তিনি ও অম্বরীশ করেছিলেন বলে জানান আজহার। তাঁরা সাধ্যমতো বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহ করে ক্রিকেটারদের জার্সি, ক্রিকেট সরঞ্জাম কিনে দেন, যাতায়াত, টিফিন, লাঞ্চের খরচ জোগান, অনুশীলনের জন্য প্র্যাকটিস-স্লট বুকিং, পরিকাঠামো তৈরি, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা ক্রিকেটারদের সহায়তার কাজে সংগৃহীত অর্থ ব্যয় করেন বলে দাবি আজহারের। তিনি আরও বলেন, যে অর্থ সংগ্রহের প্রমাণ দেওয়া হয়েছে তা হাইকোর্ট ক্লাবের ক্রিকেট চালানোর কাজেই তহবিল গড়তে দেওয়া হয়েছে। যাতে মসৃণভাবে এই প্রক্রিয়া চলে সে কারণেই অম্বরীশের ইউপিআই ব্যবহার করে আর্থিক লেনদেন হয়েছে। এই অর্থ অম্বরীশ ও আজহার ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য তোলেননি বলেই চিঠিতে দাবি করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যাঁর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটকে হাতিয়ার করা হলো তিনিই যখন আসল তথ্য সিএবিকে চিঠি লিখে জানালেন তাতে অভিযোগকারীর দাবি অনেকটাই লঘু হয়ে গেল। অভিযোগকারী সুমন অম্বরীশের কর্মক্ষেত্রে যে ক্ষতিসাধনের চেষ্টা করেছেন সেটিও সমর্থনযোগ্য নয় বলে মনে করছেন বঙ্গ ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত অনেকেই। মঙ্গল-রাতে আজহারের চিঠি জমা পড়ার পর সিএবি কী পদক্ষেপ করে সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

জুলাই ২২, ২০২৫
রাজ্য

এক বছর পুলিশের পোশাক পড়ে ঘোরাঘুরি , সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট, অবশেষে গ্রেফতার যুবক

পুলিশ কনেস্টেবলের পোশাক বানিয়ে সেই পোশাক পড়ে বিভিন্ন যায়গায় ঘোরাঘুরি করত যুবক। নিজেকে এলাকায় পুলিস বলে পরিচয় দিত। পুলিশের পোশাক পরে বিভিন্ন ধরনের ছবি তুলে সোস্যাল মিডিয়া পোস্ট করত। অবশেষে পুলিশের জালে ভুয়ো পুলিশ কনেস্টেবল। মঙ্গলবার তাকে গ্রেফতার করে গাইঘাটা থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতের নাম অঙ্কিত ঘোষ। বাড়ি গাইঘাটা থানার শিমুলপুর চৌরঙ্গী এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানাগিয়েছে, সম্প্রতি গাইঘাটা থানার পুলিশের কাছে খবর আসে গাইঘাটা চৌরঙ্গী এলাকার এক যুবক পুলিশের পরিচয় দিয়ে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। খবর পেয়ে অঙ্কিতের গতিবিধির উপরে নজর রাখছিল গাইঘাটা থানার পুলিশ। তার গতিবিধিতে সন্দেহ হয় আজ অঙ্কিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গাইঘাটা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদে তার কথায় একাধিক অসঙ্গতি দেখা যায়। তখন পুলিশ তার কাগজপত্র দেখতে চায়। কিন্তু পুলিশে চাকরি করার মত কোন নথি সে দেখাতে পারেনি। পরবর্তীতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ সূত্রে খবর ধৃতের কাছ থেকে একাধিক পুলিশের পোশাক, নেম প্লেট সহ একাধিক ভুয়ো নথি উদ্ধার হয়েছে। পরিবারের দাবি, পুলিশের জন্য পরীক্ষা দিয়েছিল। তারপরে তাদের জানায় সে চাকরি পেয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন বাড়ি থেকে পুলিশের পোশাক পরে ডিউটিতে যাচ্ছি বলে বাড়ি থেকে বেরোতে। বিকাশ ভবনে পোস্টিং রয়েছে বলে পরিবার জানত ।

জুলাই ০৪, ২০২৫
কলকাতা

ভূয়ো কল সেন্টারের পর্দা ফাঁস, বাগুইআটিতে গ্রেফতার ৬

গোপন সূত্রে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বাগুইহাটি থানা অধীনস্ত সৃষ্টি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালায় বিধাননগর পুলিশের একটি দল এবং পর্দা ফাঁস করে একটি ভুয়ো কল সেন্টারের। অভিযুক্তরা বিভিন্ন রাজ্যে সমাজের প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ করত এবং কম সুদে ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের কস্টার্জিত অর্থ হাতিয়ে নিতো।স্বতঃপ্রণোদিত অভিযোগের ভিত্তিতে বাগুইআটি থানায় কেস নাম্বার ৩৮২/২০২৫ মামলা রুজু হয়। এই অভিযানে মোট ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার হয়েছে বহু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ইত্যাদি। এই মামলার তদন্ত চলছে। ধৃতদের আজ আদালতে পেশ করা হলে তাদের প্রত্যেকের সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর হয়। মামলার তদন্ত চলছে।

জুন ১৭, ২০২৫
রাজ্য

বিদেশী নাগরিকদের প্রতারণা, ফেক কল সেন্টারের এমডি, ম্যানেজার সহ গ্রেফতার ৪

ফের ইন্টারন্যাশনাল ফেক কল সেন্টারের হদিস। সেক্টর ফাইভে অফিস খুলে টেকনিকাল সাপোর্ট দেওয়ার নাম করে বিদেশী নাগরিকদের প্রতারণা। গ্রেফতার ফেক কল সেন্টারের এমডি, ম্যানেজার ও দুজন কর্মী। গ্রেফতার করলো ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, একটি সূত্র মারফত খবর পায় যে সেক্টর ফাইভে অফিস খুলে বিদেশী নাগরিকদের টেকনিকাল সাপোর্ট দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করছে। সেই খবর পেয়ে তদন্তে নেমে অফিসের খোঁজ পায়। সেখানে হানা দিয়ে মোট চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। আজ তাদের বিধান নগর মহকুমা আদালতে তোলা হবে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৫
রাজ্য

কলকাতা পুলিশ সেজে সোনা গয়না লুট, দুই পান্ডা গ্রেফতার

কোলকাতা পুলিশ পরিচয় দিয়ে লুট। এই ঘটনায় কর্নাটকের কুখ্যাত বিদর গ্যাংয়ের দুই পন্ডা গ্রেফতার। গত ৯ ই মার্চ একটি ছিনতাইয়ের ঘটনার অভিযোগ দায়ের হয় বাগুইআটি থানায়। তদন্ত নেমে পুলিশ বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে এবং সনাক্ত করে অপরাধীদের। বেশ কিছু তথ্য ধরে পুলিশ জানতে পারে মহারাষ্ট্রের লাটুর জেলায় ইউসুফ আলী এবং হাসলি নাসের দুজন গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিশ সেখানে হানা দেয় এবং এই দুজনকে গ্রেফতার করে পরবর্তী ক্ষেত্রে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। বাগুইআটি থানায় হেফাজতে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে এরা কর্নাটকের কুখ্যাত বিদর গ্যাংয়ের অন্যতম পন্ডা। এখনও পর্যন্ত এদের নামে কলকাতা এবং জেলা মিলিয়ে ত্রিশটিরও বেশি এরকম অভিযোগ জমা হয়েছে। কিন্তু কোনও ভাবে তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে এরা বয়স্ক মানুষজনদের কলকাতা পুলিশের পরিচয় দিত এবং নির্জন জায়গায় গাড়ি আটকে বয়স্ক মানুষজনদেরকে বলতো আপনাদের কাছে যে সোনা গয়না এবং টাকা পয়সা আছে সেগুলো আমাদের ব্যাগে দিয়ে দিন। সামনে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে আমরা কলকাতা পুলিশের সদস্য নির্দিষ্ট জায়গায় এগিয়ে গিয়ে দাঁড়ান আপনারা আপনাদের জিনিস ফেরত পেয়ে যাবেন। এই ভাবেই গায়ের অলংকার থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু হাতিয়ে নিত এই গ্যাং। এবং এই গ্যাংয়ের পক্ষ থেকেই প্লাস্টিক দেয়া হতো বলতো এই প্লাস্টিকের মধ্যে রাখতে। এইভাবে দেখত বাইকে করে দুজন কখনও তিনজন যুবক পুলিশ লেখা স্টিকারে এই চক্র চালাতো। বাইকে করে একটু এগিয়ে যেতেই চার চাকা গাড়ি আসতো জামা পাল্টিয়ে তারা গাড়িতে উঠে যেত। গাড়ি থেকে অন্য ব্যক্তি নেমে সেই বাইক নিয়ে চম্পট দিয়ে পালিয়ে যেত। কলকাতা এবং জেলা মিলিয়ে একাধিক থানায় এই অভিযোগ জমা হয়েছে। দিনের পর দিন এই চক্র সক্রিয় হচ্ছে অথচ পুলিশ তাদের খোঁজ পাচ্ছিল না। শেষমেশ বাগুইআটি থানার পুলিশ এই চক্রে দুই পাণ্ডাকে গ্রেফতার করে বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৫
রাজ্য

জাল পাসপোর্ট চক্র ধরতে জোর তল্লাশি ইডির, গেদে থেকে গ্রেফতার বড় মাথা

পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলায় গেদে থেকে গ্রেপ্তার হল অলোক নাথ। ১০ ঘণ্টার বেশি সময় জিজ্ঞাসাবাদের পর আটক অলোক নাথ। তাকে নিয়ে আসা হল সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দপ্তরে। পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলায় নদীয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার গেদে উত্তরপাড়ায় তদন্তে আসে ইডি। দীর্ঘ ১০ ঘন্টা জেরার পর অবশেষে অলক নাথ কে নিয়ে যায় ইডি। তদন্তে জেরার মুখে অসংগতি লক্ষ্য করায় তাকে আটক করে নিয়ে যায় ইডি আধিকারিকরা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নদীয়ার ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা গেদে উত্তর পাড়ায় সাত সকালেই ইডির হানা শুরু হয়। গেদে উত্তরপাড়ার বাসিন্দা অলক নাথের বাড়িতে সাত সকালে পৌঁছায় ইডি আধিকারিক। প্রথমে অলোকনাথের বাড়ি সিআরপিএফ জোয়ানরা ঘিরে ফেলে। এরপর বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করে ইডির আধিকারিকরা। শুরু হয় জেরা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে বিভিন্ন নথিপত্র। দীর্ঘক্ষণ ধরে লাগাতার চলে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ। এই অলক নাথ দীর্ঘদিন ধরে ই পাসপোর্ট অফিসের কাজ করতেন। ইডি সূত্রে খবর, লোকনাথ পাসপোর্ট ভিসা তৈরীর চক্রের অন্যতম এজেন্ট।

এপ্রিল ১৬, ২০২৫
রাজ্য

স্ত্রী মৃত্যুর পরও ভোট দিয়ে চলেছেন! পরিচিয়পত্রহীন স্বামীর ভিক্ষেই সম্বল

স্ত্রী মারা গিয়েছেন বছর পাঁচেক আগে। কিন্তু ভোটার তালিকায় গত লোকসভা পর্যন্তও ছিলেন জীবিত। ফলে ভোটের সময় ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ভোটও দিতে এসেছিলেন বলে দাবি পরিবারের। কিন্তু জীবিত থেকেও ভোটাধিকার নেই স্বামীর। বঞ্চিত সরকারি সুবিধা থেকেও। সরকারি সুবিধা পাবেন কিভাবে! কাগজকলমে মৃত কি ভাবে সুবিধা পাবেন! মৃত মানুষ ভোট দিয়ে যেতে পারেন! তবে সরকারি সুবিধা কখনই নয়!এমনই অদ্ভুত ভুতুড়ে ভোটার তালিকার হদিশ মিলল বীরভূমের রামপুরহাট বিধানসভার নারায়নপুর পঞ্চায়েত কানাইপুর সংসদে। ওই সংসদের হতদরিদ্র ধীরেন মাল জানতে পারেন তিনি মৃত। প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘোরাফেরা করেও তিনি নিজেকে জীবিত প্রমান করতে পারেননি। ফলে এখন ভিক্ষাকে জীবিকা করে কোনওরকমে মৃতপ্রায় হয়ে চলাফেরা করছেন। তবে বছর পাঁচেক আগে মৃত স্ত্রী ভাসানি মাল ভোটার তালিকায় ২০২৪ সাল পর্যন্তও ছিলেন জীবিত। ভোটের সময় আসেন, আর ভোট দিয়ে চলে যান।এদিকে মৃত স্ত্রীর নামে বার্ধক্য ভাতাও ঢুকছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু টাকা তোলা যাচ্ছে না। এদিকে ধীরেন মালকে মৃত ঘোষণা করায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে বার্ধক্য ভাতা পান না। চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে তাঁর। এই বয়সে বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছেন। ভিক্ষাকে জীবিকা করে কোনওরকমে জীবন-মরণের লড়াই চালাচ্ছেন। ধীরেন মলের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে তার ভোটার তালিকায় নাম বাদ দিয়েছে, গত পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে গেলে তাকে বুথ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ জানতে গেলে বলা হয় তিনি মৃত। তাই তার ভোটার তালিকায় নাম নেই। অথচ তাঁর স্ত্রী মৃত্যু হলেও তার নাম ছিল ওই ভোটার তালিকায়। বার বার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বলেও এখনও তাঁর নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি। ধীরেন মালের নাম যাতে ভোটার তালিকায় ওঠে তার ব্যবস্থার নেওয়ায় আস্বাস দিয়েছে প্রশাসন থেকে তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূলের নারায়নপুর অঞ্চল সভাপতি মিলন শেখ বলেন, বিষয়টা আমরা জানি না। হয়তো স্ত্রীর নাম বাদ দিতে গিয়ে স্বামীর নাম বাদ দিয়েছে। তবে তাঁর নাম যাতে ভোটার তালিকায় ওঠে সেই ব্যবস্থা করব। একই সঙ্গে যাতে বার্ধক্য ভাতা পায় সেই বিষয়টাও দেখা হবে।বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, ভোটার তালিকায় গড়মিলের বিষয়টি আমরাই প্রথম অভিযোগ করেছি। মৃত মানুষের ভোটেই তো তৃণমূল ক্ষমতায় রয়েছে। তাছাড়া কানাইপুর সংসদ বিজেপি অধ্যুষিত। ফলে পরিকল্পিত ভাবে ধীরেনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ১৩, ২০২৫
রাজ্য

বিধাননগর গোয়েন্দা অফিসারের নামে ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার একাদশ শ্রেণির ছাত্র

বিধাননগর গোয়েন্দা বিভাগের এসিপি সম্পীতি চক্রবর্তীর নাম করে ফেসবুকে ভুয়ো একাউন্ট খুলে একাধিক ব্যক্তিকে মেসেঞ্জারে এসএমএস পাঠিয়ে টাকা চেয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক ছাত্রকে হাওড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৯ নভেম্বর বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। তাতে বলা হয়, গোয়েন্দা শাখার উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকের নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে তাঁর ছবি ব্যবহার করে একাধিক ব্যক্তির থেকে মেসেঞ্জারে টাকা চাওয়া হচ্ছে। এরপরই বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ তদন্তে নামে তার পরবর্তী ক্ষেত্রে হাওড়া এলাকা থেকে ওই ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়। হাবড়ার বাসিন্দা এই ছাত্রকে আজ আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৫
রাজ্য

ভুয়ো কল সেন্টার খুলে লক্ষ লক্ষ টাকা জালিয়াতি, এবার হাওড়ায়

এবার হাওড়ায় ভুয়ো কল সেন্টার খুলে প্রতারণা চক্রের হদিস। গোয়েন্দা পুলিশের জালে ২ প্রতারক। ধৃতদের কাছ থেকে এখনো পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা, বেশ কিছু সংখ্যক চেক বই, ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড, রাউটার, মোবাইল ফোন সহ অন্যান্য সামগ্রী। কলকাতার বাগুইআটি থেকে ধৃতদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। জানা গেছে, গত আগস্ট মাসে হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার ক্রাইম থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছিল। অভিযোগকারী ব্যক্তি ৫৮ লক্ষ টাকা আমানত করে প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা শুরু হয়। সাইবার ক্রাইম থানার পাশাপাশি কেস হাতে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ। প্রতারকদের গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত চলছে। বাকি টাকা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে এসিপি ডিডি এবং ডিসি নর্থ এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
দেশ

পুরীতে হোটেল বুকিংয়ের নামে ফেক ওয়েবসাইট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতারণা

সাইবার প্রতারণার শিকার খোদ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। পুরী বেড়াতে যাওয়ার জন্যে অনলাইনে হোটেল বুক করে প্রতারণার শিকার বিচারপতি সোমশুভ্র ঘোষাল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজস্থান ও আরামবাগ থেকে মূল অভিযুক্ত সহ দুজনকে গ্রেফতার করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২০২২-এর ৮ অক্টোবর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোমশুভ্র ঘোষাল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন, তিনি তাঁর পরিবার নিয়ে পুরীতে ঘুরতে যাওয়ার জন্যে অনলাইন মাধ্যমে একটি ৫ তারা হোটেল বুকিং করার চেষ্টা করেন। সেই সময় তাঁকে সেই হোটেলের বুকিং প্রসিডিউরের জন্যে একজন ফোন করে। সেখানে তাঁকে হোটেলে বুকিং করার জন্যে টাকা জমা করতে বলা হয় এবং একটি একাউন্ট ডিটেলস দেওয়া হয়। তিনি সেই একাউন্টে ৯২ হাজার টাকা ট্রান্সফার করেন। তবে কিছুদিন পরে ওই হোটেলে খোঁজ নিলে জানতে পারেন তাঁর নামে ওই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে, ওই হোটেলের ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে এই প্রতারণা চক্র চালানো হচ্ছিল। এরপরই টাকা কোন অ্য়াকাউন্টে জমা পড়েছে সেই সূত্র ধরে রাজস্থানের ভরতপুর এলাকায় হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রেম চাঁদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতা নিয়ে আসা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরামবাগ থেকে আরও এক প্রতারক স্বর্ণদীপ রায়কে গ্রেফতার করা হয়।

জুন ১০, ২০২৪
কলকাতা

সোশাল মিডিয়ায় যুবতীর ছবি পোস্ট, সেক্টর ফাইভের অফিস থেকে যুবক গ্রেফতার

আইটি কর্মীর নামে ভুয়ো সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট খুলে অশ্লীল ছবি পোস্টের অভিযোগ। আইটি কর্মী যুবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এর একটি আইটি সংস্থায় কাজ করতেন এক যুবতী। কিছু বছর আগে এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। সেই যুবকও তার সঙ্গে একই অফিসে কাজ করতে বলে পুলিশকে জানান তিনি। এরপরই তার সাথে একই জায়গায় থাকতে শুরু করে তারা। কেষ্টপুর এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন তারা বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এরপরেই যুবতীর সঙ্গে যুবকের সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তার কিছুদিন পরে যুবতী জানতে পারে এই যুবতীর নামে একটি সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট তৈরি করে কেউ বা কারা তার কিছু গোপনীয় ছবি প্রকাশ করছে। ঘটনা তদন্ত শুরু করে পুলিশ লোকেশন ট্র্যাক করে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এর একটি অফিসে হানা দিয়ে বিহারের বাসিন্দা সুভাষ বলে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। আজ তাকে বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতের নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কি কারনে এই ধরনের ঘটনা তিনি ঘটিয়েছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
রাজ্য

দিল্লি থেকে ট্রেনে হাওড়া এসে বাংলাদেশ, দেশে ফিরতেই লক্ষ লক্ষ টাকার নকল নোটসহ গ্রেফতার

বর্ডার পোস্ট রামনগর, দক্ষিণ বঙ্গ সীমান্তের ০৮ ব্যাটালিয়নের সতর্ক বিএসএফ জওয়ানরা, আন্তর্জাতিক সীমান্তে জাল ভারতীয় মুদ্রা পাচারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। ৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মুদ্রার ৩১০০ পিস আটক করেছে। একজন ভারতীয় ব্যবসায়ীর সাথে এই জাল ভারতীয় মুদ্রা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের চেষ্টা করার সময় কারেন্সি নোটগুলোকে হাতেনাতে আটক করা হয়। বিএসএফ-এর গোয়েন্দা বিভাগের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে, বর্ডার পোস্ট রামনগরের বিএসএফ জওয়ানরা ১৫,৫০,০০০/- (মূল্য ৫০০৩১০০ পিস) মূল্যের ভারতীয় জাল নোট উদ্ধার করে। যার মধ্যে নোট নম্বর 8FK-986918, নোট নম্বর 8FK-এর ৭৭৯ টি নোট রয়েছে। - 986916-এর ৭৮০ টি নোট, 8FK-986913-এর ৭৭৩ টি এবং 8FK-986933-এর ৭৬৮ টি নোট রয়েছে।বিএসএফ-এর মুখপাত্রের মতে, ০৮ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি রামনগরের সতর্ক বিএসএফ জওয়ানরা নিজেদের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে জাল ভারতীয় মুদ্রার সম্ভাব্য পাচার সম্পর্কে খবর পান। খবর পেয়ে সৈন্যরা একটি বিশেষ অভিযান শুরু করে এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং রামনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছে একটি মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপন করে। গোয়েন্দা অধিদপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে একটি সন্দেহজনক অটোকে থামিয়ে তাতে বসা সমস্ত ব্যক্তিকে যথাযথভাবে চেক করা হয়, চেকিংয়ের সময় তাদের কাছে কিছু সন্দেহজনক প্যাকেট পাওয়া যায় যার কারণে অটোটি এবং এতে বসা সকল ব্যক্তিকেও আটক করা হয়। সীমান্ত চৌকি রামনগরে আটক করা হয়। এটি তল্লাশির জন্য আনা হয় এবং মালপত্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশির সময় মোহাম্মদ আলীর ব্যাগে সন্দেহজনক প্যাকেট পাওয়া যায়, যা খুললে বিপুল পরিমাণ জাল ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার করা হয়। গণনার ভিত্তিতে তাদের সংখ্যা ৩১০০ পাওয়া গেছে। এরপর জাল ভারতীয় মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করে পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত পাচারকারী মোহাম্মদ আলী, পিতা- শেখ সামশুল হক, ঠিকানা- হযরত নিজামুদ্দিন, নয়াদিল্লি।জিজ্ঞাসাবাদে মোহাম্মদ আলী জানায়, বাংলাদেশে কিছু অবৈধ কাজ করার জন্য বদরপুর (নয়া দিল্লি) থেকে অজ্ঞাত কয়েকজন তার সাথে যোগাযোগ করেছিল। যার জন্য সে রাজি হয়েছিল। তিনি ১৩.০৩.২০২৪ তারিখে ট্রেনে করে হাওড়া পৌঁছান এবং বনগাঁ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের যশোরে পৌঁছান। সেখানে তিনি শান্তি নামে এক বাংলাদেশী পাচারকারীর সাথে দেখা করেন যিনি তাকে ১৫,৫০,০০০/- টাকার জাল মুদ্রা দেন এবং ভারতে পৌঁছানোর পর আব্বাস নামে একজন ব্যক্তির কাছে চালানটি হস্তান্তর করতে বলেন।২০২৪ সালের ২১-২২ মার্চ মধ্যরাতে তিনি একটি অজানা এলাকা থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে উমরপুর, পিএস-হাঁসখালীতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির বাড়িতে থাকেন এবং সকালে চালানটি নিয়ে যাওয়ার সময় বিএসএফ তাকে নকল ভারতীয়সহ ধরে ফেলে। মুদ্রা ছাড়া একই অটো থেকে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন দালাল ও অটো চালককেও আটক করা হয়েছে।এ কে আর্য, বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের জনসংযোগ আধিকারিক, এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এটি তার সৈন্যদের এবং দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা বিভাগের সতর্কতার একটি ইঙ্গিত মাত্র। তিনি জনগণকে কোনও অবস্থাতেই চোরাচালানের পথ অবলম্বন না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কড়া ভাষায় বলেন, তার সৈন্যরা কোনও অবস্থাতেই সীমান্তে চোরাচালান বা অন্য কোনও ধরনের অপরাধ সংঘটিত হতে দেবে না এবং এর সঙ্গে জড়িতদের রেহাই দেবে না।

মার্চ ২৩, ২০২৪
দেশ

প্রচারে কলকাঠি নাড়ছে AI

লোকসভা ভোটের প্রচারে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। ভোট যুদ্ধের ময়দানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রথী- মহারথী রা একে অপরকে বিদ্ধ করতে তূন থেকে বার করছেন নানান তির। সামাজিক মাধ্যমে যেমন, facebook, Instagram, you tube আর x handle য়ে AI বা artificial intelligence ব্যবহার করে চলছে দলীয় প্রার্থীদের মহিমা প্রচার অথবা বিপক্ষ দলকে নিশানা করে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে অভিনব প্রচার ভোটে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এবারে নির্বাচনের প্রচার মত এগোবে ততই AI য়ের ব্যাবহার বাড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এই প্রচারে ভোটার রা কতটা সাড়া দেবেন তা পরে বোঝা যাবে। AI য়ের সাহায্যে প্রচারের ঢেউতে যে শব্দটি ভাসছে তা হলো deep fake । সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রের সফল ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে অপদস্থ করতে বা জনমানসে হেয় করতে deep fake য়ের ব্যবহার বেড়েছে। AI ব্যবহার করে করে কোনো একজনের শরীরে সফল এবং জনপ্রিয় ব্যাক্তির মুখ বসিয়ে দিয়ে সামাজিক ভাবে হেনস্থা করতে সম্পুর্ন মিথ্যা ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়। চলতি বছরের শুরুতে রাজনীতির ময়দানে এই deep fake য়ের প্রবেশ ঘটেছে এই নিয়ে রাজনীতিতে তোলপাড় ও হয়েছে। Deep fake তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় বিজেপি, কংগ্রেস, DMK সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নাম জড়িয়েছে।গত মার্চ মাসে রাহুল গান্ধী কে হাস্যস্পদ করতে deep fake ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। Instagram য়ে ছড়িয়ে পড়ে রাহুল গান্ধীর ছবি এবং সেখানে দেখা যায় রাহুল বলেছেন,আমি কোনো কাজ করি না ।সম্প্রতি বিজেপির বিরুদ্ধে এমন ই আরো একটি অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগ হল বিজেপির ছড়িয়ে দেওয়া একটি video clipping য়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদব সহ আরো কয়েকজন বিরোধী নেতা নেত্রীদের দেখা যায়। AI ব্যবহার করে সেই video তে বিরোধী নেতা নেত্রীদের মুখে বিশেষ কিছু কথা বসানো হয়েছে।গত ফেব্রুয়ারি মাসে এক ই ধরনের অভিযোগ ওঠে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। কংগ্রেসের official Instagram য়ে নিশানা করা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে। Deep fake তৈরি করে চোর শীর্ষক নামের একটি জনপ্রিয় গানের শিল্পী জুস্থের শরীরে জুড়ে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ। AI ব্যবহার করে গানের কথা এক রেখে সঙ্গীত শিল্পীর কণ্ঠস্বরের বদলে প্রধানমন্ত্রীর কন্ঠস্বর বসিয়ে দেওয়া হয়।ওই ফেব্রুয়ারি মাসেই এক অভিনব প্রচার চালায় তামিল নাড়ুর প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল AIADMK । ওই দলের তরফ থেকে প্রচারিত হয় এক অডিও clip। সেই audio বার্তায় শোনা যায় জনগণের কাছে AIADMK নেতা ইপালানিস্বামী কে সমর্থন করার আবেদন জানাচ্ছেন নেতৃ জয়ললিতা। যদিও ২০১৬ সালে এই জননেত্রীর মৃত্যু হয়। গত বছর তেলেঙ্গানা বিধান সভা নির্বাচনের প্রচার কালে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এক গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ কংগ্রেসের অফিসিয়াল x handle য়ে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। সেই video তে দেখা যায় , বিরোধী দল BRSয়ের নেতা কে টি রামারাও ভোটার দের কাছে নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন deep fake তৈরি করে এই মিথ্যা বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে গত জানুয়ারি মাসে কর্মী সম্মেলন করে তামিল নাড়ুর শাসক দল DMK । সেই সম্মেলনে অতিথি তালিকায় ছিলেন তামিল নাড়ুর political icon এম করুনানিধি। সম্মেলন স্থলে giant screen য়ে ট্রেড মার্ক কালো চশমা পরা সাদা শার্ট পরিহিত গায় হলুদ লাল জড়ানো অতি জনপ্রিয় নেতা এম করুনানিধি কে দেখা গিয়েছিল। তিনি কর্মীদের সামনে তামিল নাড়ুর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্তালিন ও অন্য নেতাদের অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন। যদিও এই অতি জনপ্রিয় নেতা ২০১৮ সালে মৃত্যু হয়। প্রচারে AI য়ের ব্যবহার যে ক্রমশ বাড়বে তা সহজেই অনুমান করা যায়। ভোটার দের মন জয় করতে AI য়ের ব্যবহারের জন্য রাজনৈতিক পরামর্শ দাতা সংস্থা গুলির দরজায় নেতা নেত্রীদের ভিড় বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচনের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়। নির্বাচনী প্রচারে রাজনৈতিক দল গুলির কী করতে পারবে আর কী করতে পারবে না তাই নির্দিষ্ট করা থাকে নির্বাচন কমিশনের জারি করা ওই নির্দেশিকায়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে নির্বাচনী প্রচারে AI ব্যবহারের বিষয়ে ওই আচরণবিধিতে নীরব থেকে গিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও প্রচারে AI য়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয়ে নজর রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি রাখতে কমিশন কে তাঁরা অনুরোধ করেছেন।

মার্চ ২২, ২০২৪
কলকাতা

নাকা চেকিংয়ে ভুয়ো কলকাতার পুলিশ আধিকারিক পরিচয়, গ্রেফতার যুবক

লেকটাউন ট্রাফিক গার্ডের অধীনে নাকা চেকিংয়ের সময় এক বাইক আরোহীকে একমুখী রাস্তা লঙ্ঘন এবং হেলমেট না পরার জন্য তার বাইককে দাঁড় করানো হয়। ওই বাইক আরোহী নিজেকে কলকাতা পুলিশের ডিডি ডিপার্টমেন্টের আধিকারিক বলে পরিচয় দেন l সেই সময় কর্তব্যরত আধিকারিক নাসিরউদ্দিন গায়েন এবং সিভিক পুলিশরা ওই বাইক আরোহীকে লেকটাউন থানায় নিয়ে আসেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ করেন l দীর্ঘক্ষণ কলকাতা পুলিশ, লাল বাজারে যোগাযোগ করার পর এটা জানতে পারা যায় যে তার পরিচয় পত্রটি পুরোটাই ভুয়া ছিল। এরপর অনির্বাণ মিত্র নামে ওই বাইক আরোহীকে লেক টাউন থানার পুলিশ গ্রেফতার করে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজ্য

সিজিও কমপ্লেক্সে ভুয়ো ইডি আধিকারিককে দড়ি বেঁধে হাজির উত্তেজিত জনতা, কেন এমন ঘটলো?

এবার মিলল ভুয়ো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিক। এদিন দুপুরে হাত বাধা ও গলায় ইডির ভুয়ো আই কার্ড ঝোলানো অবস্থায় এক ব্যক্তিকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে বেশ কিছু উত্তেজিত মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি তাঁদের পরিবারের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে করার ফন্দি আঁটে। এমনকি অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই পরিবারের থেকে টাকা নিয়েছে বলে দাবি অভিযোগকারীদের। ইডি অফিসের সামনেই অভিযুক্তকে বেধারক মারধরও চলে। প্রদীপ সাহা, সোনারপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ বিরাটির বাসিন্দা একটি মেয়ের সাথে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে পরিচিতি বাড়ে এবং অভিযুক্ত প্রদীপ সাহা নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। এমনকি মেয়েটির সাথে বিয়ের কার্ড পর্যন্ত ছাপা হয়ে গেছে। এরপর মেয়েটির পরিবারের লোকেদের সন্দেহ হওয়ায় তারা ইডি দপ্তরে এসে প্রদীপ সাহার সম্বন্ধে খোঁজ নিলে জানতে পার, ওই নামে কেউ ইডি অফিসে কাজ করে না। এরপরই মঙ্গলবার প্রদীপ সাহাকে বেঁধে নিয়ে তারা উপস্থিত হয় ইডির অফিসে। ইডি অফিসের বাইরে অভিযুক্ত প্রদীপ সাহাকে মারধর করতে থাকে তারা। পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে উঠছে বুঝতে পেরে রক্তাক্ত অবস্থায় অভিযুক্তকে গাড়িতে করে ইডি অফিসের সামনে থেকে নিয়ে যায় অভিযোগকারী পরিবার। ওই যুবক নিজে কিছু বলেনি বলে জানায়। গলায় ঝোলানো ইডির পরিচয় পত্র অভিযোগকারী পরিবারের লোকজন ঝুলিয়ে দিয়েছে বলে অভিযুক্তের দাবি।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

৪৮ ঘণ্টা আগে ভোট, তার আগেই কুপিয়ে হত্যা হিন্দু ব্যবসায়ীকে

ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে ফের নৃশংস হত্যার অভিযোগ। ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম সুষেন চন্দ্র সরকার, বয়স ৬২ বছর। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়মনসিংহ জেলার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুষেন চন্দ্র সরকার পেশায় চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। সোমবার রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে তিনি নিজের দোকানেই ছিলেন। সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী দোকানে ঢুকে তাঁর সঙ্গে বচসা শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুষেনবাবুকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি দোকানের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন। এরপর দোকানের শাটার নামিয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। কী কারণে এই খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই দেশজুড়ে অশান্তির ছবি সামনে আসতে শুরু করে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনুস দায়িত্ব নিলেও কট্টরপন্থীদের দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ। এর আগেও একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রনেতা ওসমান হাদি খুনের পর সংবাদমাধ্যমের অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটেও চালানো হয় হামলা। এরপর সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক দীপু দাসকে গণপিটুনির পর হত্যা করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।এই পরিস্থিতিতে ভোটের ঠিক আগে ফের এক হিন্দু ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ভোটমুখী বাংলাদেশে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলায় আসছে কমিশনের হাইভোল্টেজ টিম

মার্চের ১ ও ২ তারিখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। তারা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করবে। সেই বৈঠকের পর দোলের পরেই ঘোষণা করা হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগে কোনও ঘোষণা হবে না বলেই সূত্রের খবর।আগে ঠিক ছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন জানা যাচ্ছে, নেড়া পোড়া বা হোলিকা দহনের আগে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে না।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচন কমিশন স্বশাসিত সংস্থা হলেও তারা কেন্দ্রের ইঙ্গিত মেনেই চলে। বিজেপি উত্তর ভারতের ধর্মীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেয়। সেই মতে হোলিকা দহনের আগে কোনও শুভ কাজ শুরু করা ঠিক নয় এমন বিশ্বাস থেকেই ভোটের নির্ঘণ্ট দোলের পরে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মত অনেকের। উল্লেখ্য, বাংলার পাশাপাশি অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন রয়েছে। সব রাজ্যের ভোট একসঙ্গেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা।বাংলায় কত দফায় ভোট হবে তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় লোকবল তাদের হাতে রয়েছে। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তবে এক দফায় ভোট করা সম্ভব এবং তাতে হিংসাও কমবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তিন দফায় ভোট করানোর পক্ষেই ঝুঁকছে বলে জানা গিয়েছে। লোকবল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়ার বিষয়টিই এখন প্রধান চিন্তার কারণ।এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই ১ ও ২ মার্চ রাজ্যে আসবে কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। সেই বৈঠকের পরই দোলের পরে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

কৃষি চুক্তির আড়ালে বড় বিপদ? লোকসভায় সতর্কবার্তা অভিষেকের

মঙ্গলবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বাজেটে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক কেউই স্বস্তি পাননি। বরং প্রত্যেকেই আরও বেশি বঞ্চিত হয়েছেন। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি আমেরিকা ও ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন।অভিষেক বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভারতের কৃষকরা। তাঁর দাবি, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির পর ভারতীয় কৃষকরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মার্কিন কৃষি সচিবের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন।অভিষেক জানান, বাণিজ্য চুক্তির পর মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রলিনস এক্স মাধ্যমে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার কৃষকরা আরও বেশি পণ্য ভারতে রফতানি করতে পারবেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি অর্থ ঢুকবে এবং ভারতের সঙ্গে কৃষি-বাণিজ্যের ঘাটতি কমবে।এই মন্তব্যের পরেও ভারত সরকার কেন কোনও প্রতিক্রিয়া জানাল না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ভারতে প্রতিদিন কৃষকদের মৃত্যু হচ্ছে। একের পর এক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তিতে লাভবান হচ্ছেন সে দেশের কৃষকরা, আর ভারতীয় কৃষকরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছেন।অভিষেকের প্রশ্ন, মার্কিন কৃষি সচিব প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করার পরেও ভারত সরকার কেন সেই বক্তব্য খারিজ করল না? কেন কোনও জবাব দেওয়া হল না? সংসদে এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের নীরবতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

৮৫ মিনিটের বাজেটে একবারও বাংলার নাম নয়! সংসদে বিস্ফোরক অভিষেক

লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতায় একবারও বাংলার নাম উচ্চারণ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, এত দীর্ঘ বক্তব্যেও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার ছবিটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।অভিষেকের দাবি, কেন্দ্র যে ফ্রেট করিডরের কথা বাজেটে ঘোষণা করেছে, সেই প্রস্তাব অনেক আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও বাংলাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই সরকার সমতায় নয়, পক্ষপাতেই বিশ্বাস করে।এদিন অভিষেক বলেন, অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগোচ্ছে। অথচ বাংলা বছরে প্রায় ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা কর দেওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত। মনরেগায় নতুন কাজ বন্ধ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সব ক্ষেত্রেই বাংলাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি পানীয় জলের মতো মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও রাজ্যকে দরাদরি করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপ-এর কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে তিনবার কর দিতে হচ্ছে। প্রথমে বেতন থেকে আয়কর কাটা হয়। দ্বিতীয়ত জিএসটি বিস্কুট, স্কুলের খাতা, হাসপাতালের বিল, এমনকি সাবানেও কর দিতে হয়। তৃতীয় কর হল মূল্যবৃদ্ধি, যা অনুমতি ছাড়াই বাড়ে। অভিষেকের কথায়, এটিই হল নীরব কর।মধ্যবিত্তদের অবস্থার কথাও তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, মাসের মাঝপথেই অনেকের বেতন শেষ হয়ে যায়। একটি গাড়ি কিনলেও তিনবার কর দিতে হয় আয়কর, রোড ট্যাক্স এবং টোল ট্যাক্স।এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা ইস্যুতেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, জয় বাংলা বলা বা সোনার বাংলা গান গাইলেই অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া হচ্ছে। সেনাকর্মী, নোবেলজয়ী কিংবা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলায় প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এক কোটি মানুষকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখা হয়েছে।সবশেষে অভিষেক বলেন, কেন্দ্র যদি তহবিল বন্ধ করতে চায়, তা করতেই পারে। কিন্তু বাংলার মেরুদণ্ড কখনও ভাঙবে না। সব কিছু কেড়ে নেওয়া গেলেও মানুষের স্মৃতি মুছে ফেলা যায় না। মানুষ জেগে উঠলে শেষ কথা বাংলাই বলবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

আগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই ১৫০০ টাকা! যুবসাথীতে বড় চমক মমতার

আগস্টের অপেক্ষা আর নয়। এপ্রিল থেকেই চালু হচ্ছে যুবসাথী প্রকল্প। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আগামী এপ্রিল মাস থেকেই রাজ্যের বেকার যুবক ও যুবতীরা প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে পাবেন।কয়েক দিন আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় শিক্ষিত বেকারদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অগস্ট মাস থেকে এই প্রকল্প চালু হবে। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই প্রকল্পটি কার্যকর করা হচ্ছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক ও যুবতীরা, যাঁরা মাধ্যমিক পাশ করার পর এখনও বেকার। কেউ যদি স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন, তাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনও বাধা নেই। তবে স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা যদি কেউ নিয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে যুবসাথীর টাকা মিলবে না।প্রাথমিকভাবে টানা পাঁচ বছর প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাঁচ বছর পরেও কেউ যদি বেকার থাকেন, সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, দুয়ারে সরকার কর্মসূচির আদলে বিধানসভা ভিত্তিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। ১৫ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেখানে সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে সেখানেই আবেদন করা যাবে এবং সঙ্গে সঙ্গে আবেদনপত্রের রসিদও দেওয়া হবে।যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানিয়ে শীঘ্রই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনে ৩৯ বার কাঁপল সিকিম! বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় সতর্কবার্তা

ভূমিকম্পের পরে আফটারশকের কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু টানা চার দিন ধরে একের পর এক কম্পনের ঘটনা খুব একটা শোনা যায় না। পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া পাহাড়ি রাজ্য সিকিমে ঠিক এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত টানা কম্পনে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।জানা গিয়েছে, এই চার দিনে মোট ৩৯ বার কেঁপে উঠেছে সিকিম। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা কখনও ৩, কখনও ৪। মাত্রা খুব বেশি না হলেও বারবার কম্পন হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে প্রথম কম্পন অনুভূত হয়। তার প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায়। এরপর মাত্র ৪ ঘণ্টা ১২ মিনিটের মধ্যে পরপর ১২টি ভূমিকম্প হয়। মঙ্গলবার সকালেও নামচি ও মঙ্গন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারাবাহিক কম্পন ফোর শক হতে পারে। অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এ ধরনের কম্পন দেখা যায়। তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরও নিরাপদ জায়গা খুঁজে রাখার কথা জানিয়েছে বাসিন্দাদের।এই ধারাবাহিক কম্পনের পিছনে পাহাড়ে অতিরিক্ত নির্মাণ, জলাধার তৈরির কাজ, বা রেলপথ নির্মাণের সময় ডিনামাইট ফাটানোর মতো কার্যকলাপ কোনও ভূমিকা রাখছে কি না, তা নিয়েও খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।সিকিম পশ্চিমবঙ্গের খুব কাছেই অবস্থিত। সারা বছরই সেখানে বহু বাঙালি পর্যটক যান। তাই সিকিমে বড় কোনও ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে HIV আতঙ্ক! এক শহরেই আক্রান্ত ৩০ যুবক, চাঞ্চল্য স্বাস্থ্য দফতরে

বর্ধমান জেলায় HIV আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তার মধ্যে একটি বড় অংশই বর্ধমান শহরের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য দফতর। সোমবার দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহরে অন্তত ৩০ জন যুবক HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।জনস্বাস্থ্য দফতরের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় জানিয়েছেন, জেলায় বর্তমানে প্রায় ৯০ জন HIV আক্রান্ত রয়েছেন। তার মধ্যে বর্ধমান শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জন। এঁরা সকলেই যুবক, উচ্চশিক্ষিত এবং অভিজাত পরিবারের বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণের কারণেই সংক্রমণ বেড়েছে।বিশ্বনাথবাবুর কথায়, সাধারণত যৌনপল্লি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত সচেতনতা অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এ বছর একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, সমকামী সম্পর্কের মাধ্যমেও এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক যুবক দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর একাধিক পরীক্ষা করান। সেই পরীক্ষার মধ্যেই ছিল HIV টেস্ট। তখনই ধরা পড়ে তিনি সংক্রমিত। পরে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের আরও কয়েকজন যুবকের পরীক্ষা করা হলে পরপর অনেকেই HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হন। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও বড় যৌনচক্র থাকতে পারে বলেও মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতর প্রস্তুত বলে দাবি করা হয়েছে। আক্রান্তদের পরিচয় গোপন রেখে চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা বাড়ানোর কাজও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, HIV সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিরাপদ যৌন আচরণ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমেই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

ভোটের আগে বড় চুক্তি! আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস সরকারের সমঝোতা ঘিরে জল্পনা

বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজেই এই চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস।তিনি জানান, সোমবার বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তার ফলে আমেরিকা তাদের শুল্কের হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ইউনুস আরও বলেন, ভবিষ্যতে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির বার্তাও দিয়েছে আমেরিকা।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে। ফলে মার্কিন শুল্ক কমায় বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। পরে গত বছরের আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। এবার নতুন চুক্তির ফলে সেই শুল্ক আরও কমে ১৯ শতাংশে এল।প্রায় ৯ মাস ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তি হয়েছে। তবে নির্বাচন একেবারে সামনে, আর অন্তর্বর্তী সরকারও অস্থায়ীভাবে ক্ষমতায়এই পরিস্থিতিতে এমন বড় বাণিজ্য চুক্তির অর্থ কী, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal