• ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজ্য

চার পুরনিগমে শুরু ভোটগ্রহণ

চার জেলার চার পুরনিগমে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি পুরনিগম , হুগলি জেলার চন্দননগর পুরনিগম , উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর পুরনিগম ও পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল পুরনিগমে ভোট। সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আগামী সোমবার ভোটের ফল ঘোষণা। প্রথমে ২২ জানুয়ারি এই চার পুরনিগমে ভোট হওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবারের ভোটে চার পুরনিগমের জন্য ৯ হাজার বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে সাড়ে আট হাজার থাকছে বুথের দায়িত্বে। বাকি ৫০০ বাহিনী থাকছে কুইক রেসপন্স টিম, নাকা চেকিং ইত্যাদির জন্য। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে চার পুরনিগমের নির্বাচনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী থাকবে, থাকবে লাঠিধারীও। সমস্ত পুলিশ কমিশনারেটই প্রস্তুত রয়েছে এদিনের ভোট শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করতে। ১০০ শতাংশ বুথেই থাকছে সিসিটিভি।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

কালনায় প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল নিয়ে মামলার প্রস্তুতি শুরু সিপিএমের

পরপর দুবার সিপিএমের প্রার্থী হয়ে পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। এবারও সিপিএম পূর্ব বর্ধমানের কালনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করেছিল মণিপ্রভা ভাদুড়িকে। কিন্তু কালনা পৌরভার অস্থায়ী কর্মী হয়ে তাঁর ভেটে লড়াটা মেনে নেননি প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী। তৃণমূল প্রার্থী সুনীল চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে কালনার মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানান। তার কারণে রাজ্য নির্বাচন কমিশন বৃহষ্পতিবার স্ক্রুটিনির দিনে সিপিএম প্রার্থী মণিপ্রভাদেবীর মনোনয়ন বাতিল করে দেয়। পৌরসভার একই কাজে যুক্ত থেকে ইতিপূর্বে দুবার ভেটে লড়ে কাউন্সিলার হওয়া মণিপ্রভাদেবীর মনোনয়ন এবার কমিশন বাতিল করায় বেজায় চটেছে সিপিএম নেতৃত্ব। তাঁরা বিয়টি নিয়ে আদালের দ্বারস্থ হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিপিএমের হয়ে মণিপ্রভা ভাদুড়ী মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তার প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী সুনীল চৌধুরী কালনা মহকুমা শাসকের দফতরে অভিযোগ জানান। তার অভিযোগ, মণিপ্রভা ভাদুড়ী কালনা পৌরসভার বেতনভুক স্বাস্থ্যকর্মী। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে বৃহস্পতিবার স্কুটিনির দিনে সিপিএম প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। পৌরসভা থেকে তিনি বেতন পান।সেই তথ্য মহকুমা শাসকের দফতরে তিনি দাখিল করে মণিপ্রভাদেবীর প্রার্থী হওয়ার বিষয়টিকে তিনি চ্যালেঞ্জ করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে পৌর নির্বাচন বিধি মেনে কমিশন যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়েছে। যদিও তৃণমূল প্রার্থীর আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে সিপিএম প্রার্থী মণিপ্রভা ভাদুড়ি বলেন, আসলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিততে চান। তাই তিনি এমন অভিযোগ করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে। মণিপ্রবাদেবী দাবি করেন, তিনি পৌরসভার স্বাস্থ্য কর্মী নন। তাই পৌরসভা থেকে বেতন পান না। তিনি একটি সংস্থার অধীনস্ত স্বাস্থ্যকর্মী। ওই সংস্থা থেকে তিনি বেতন পান। মণিপ্রভাদেবী বলেন, ভোটে লড়ে জিততে পারবেন না বলে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। আর সেটাকেই মান্যতা দিয়ে তাঁর মনোনয়ন কমিশন বাতিল করে দিয়েছে।এই বিষয়ে সিপিএমের পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক সৈয়দ হোসেন বলেন, আমরা আইনের পথে যাব। তার প্রস্তুতিও শুরে করে দেওয়া হয়েছে। কারণ একই কাজ করেও এর আগেও দুবার মণিপ্রভা ভাদুড়ী কাউন্সিলর ছিলেন। তাহলে এখন হঠাৎ করে আইনের কি পরিবর্তন হল? যদি পরিবর্তন হয়েও থাকে তাহলে তা সর্বদলীয় বৈঠকে প্রশাসন জানালো না কেন? যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, আইন তো সবার জন্য সমান। সিপিএম প্রার্থীর জন্য তো আলাদা আইন হতে পারে না। এদিকে মণিপ্রভাদেবীর মনোনয়ন বাতিল করা নিয়ে সিপিএমের নেতারা যখন সোচ্চার তখন পৌরভোট নিয়ে কি কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তা এদিন জানিয়ে দিল জেলা প্রশাসন। এদিন সর্বদলীয় বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে জেলাশাসক প্রিয়ংকা সিংলা বলেন, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, মেমারি ও গুসকরা পৌরসভার নির্বাচন হবে। ভোটে এই ছটি পুরসভার প্রতিটি বুথে সিসি ক্যামেরা থাকবে। সিসি ক্যামেরা ছাড়াও প্রতিটি বুথে থাকবে দুজন করে সশস্ত্র পুলিশ।এছাড়াও প্রতিটি পৌরসভার জন্য একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। জেলার জন্যেও বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আরও জানানো হয়েছে, ছটি পৌরসভার ১১৯টি ওয়ার্ডে ৪ লক্ষ ৬২হাজার ৮৪৮ জন ভোটার রয়েছেন। ২৪১টি চত্বরে ৫৭১টি বুথে ভোট নেওয়া হবে। সব ভোটার যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সেই বিষয়টি সুনিশ্চিৎ করার জন্য এদিন সর্বদলীয় বৈঠকে জেলশাসক আবেদন রাখেন।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় কাল চার পুরসভায় ভোটগ্রহণ

কলকাতা পুরসভার ভোট পর্ব মিটেছে নির্বিঘ্নেই। দ্বিতীয় দফায় শনিবার রাজ্যের চার পুরসভায় ভোটগ্রহণ। আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর ও চন্দননগরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে । ভোটের অনেক আগে থেকেই চলছে নাকা চেকিং এবং রুট মার্চ । বিশেষ করে, বিধাননগরে প্রতিটি প্রবেশ পথে চলছে কড়া নাকা চেকিং । প্রতিটি গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে ।এই পর্যায়ের ভোটে প্রতিটি বুথকেই স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।৪ পুর নিগমে মোট ওয়ার্ড ২১৭টি । সবচেয়ে বেশি ওয়ার্ড রয়েছে আসানসোলে, ১০৬ টি। এছাড়াও শিলিগুড়িতে ৪৭, বিধাননগরে ৪১, এবং চন্দননগরে ৩৩টি। ৪ পুরনিগমে মোট ভোটার ১৯ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৬২ জন।প্রত্যেক পুরনিগমের জন্য ৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং ১জন বিশেষ পর্যবেক্ষক থাকছেন বলে কমিশন সূত্রে খবর। নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি বুথের ভিতরে এবং বাইরে চলবে সিসিটিভির নজরদারি। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, চার পুরনিগমের ভোটের জন্য ৯ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। ভোট কেন্দ্রে থাকবে ৮ হাজার ৫০০ পুলিশ। বাকি ৫০০ পুলিশকর্মীকে নাকা চেকিং-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। কমিশন জানিয়েছে, সশস্ত্র পুলিশ থাকছে ৫ হাজার ৫৫৭ জন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই সশস্ত্র প্রহরী এবং লাঠিধারী কনস্টেবল থাকবেন। ৪ পুরসভার ২০৭৮টি বুথকেই স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে কমিশন।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য পুলিশ দিয়েই চার পুরভোট, সিদ্ধান্ত কমিশনের

রাজ্য পুলিশ দিয়েই হবে ১২ ফেব্রুয়ারির চার পুরভোট। সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিজেপি-র মামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট জানতে চেয়েছিল বিধাননগর পুরভোট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করার বিষয়ে কী ভাবছে কমিশন। আদালতে কমিশন জানিয়ে দেয় এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারা নিয়ে ফেলেছে। কমিশন সূত্রে খবর, বিধাননগর, শিলিগুড়ি, চন্দননগর এবং আসানসোল পুরভোট রাজ্য পুলিশের তত্ত্বাবধানেই করানো হবে।রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোট যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে হয় সে দিকে তারা বিশেষ নজর রাখবে। তবে বিরোধীদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি কার্যত নাকচ করে দিয়েছে কমিশন। জানা গিয়েছে, চার পুরভোটে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে থাকছে কমান্ডো, ইএফআর, এসটিএফ। তা ছাড়া শুক্রবার থেকে স্পর্শকাতর এলাকা ঘুরে দেখবে সিআইডি ও আইবি। ১২ ফেব্রুয়ারি চার পুরসভার ভোটের জন্য আলাদা করে এক জন আইজি অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবে রাজ্য পুলিশ। এ ছাড়া নিযুক্ত হচ্ছেন একজন আইএএস পদমর্যাদার বিশেষ পর্যবেক্ষক।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজনীতি

পুরভোটে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বের আবহে '২০১৯' মনে করালেন দেবাংশু ভট্টাচার্য

রাজ্যে ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়াও সম্পূর্ণ হয়েছে। এই নির্বাচনী আবহে প্রধান আলোচনায় বিষয়ে হয়ে উঠেছে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। গত কয়েকদিনে সংঘাতের যথেষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। আর এবার সেই বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দিলেন তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র তথা যুব সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু ভট্টাচার্য।একদিকে যখন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ে উৎসবে মেতেছে, তখন দেবাংশু মনে করিয়ে দিলেন, ২০১৯ কিন্তু সময়ের অপেক্ষা। বৃহস্পতিবার ফেসবুকে এক বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন তিনি। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিও জানিয়েছেন তিনি, যা দল- বিরোধী মত বলেই দাবি রাজনৈতিক মহলের। তাঁর এই পোস্ট ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুধু তাই নয়, দেবাংশু বলেছেন, আরেকবার ২০১৮ হলে আরেকটা ২০১৯ কিন্তু সময়ের অপেক্ষা.. বারবার সবটা ২০২১ এর মতো হবে না। তাঁর উল্লেখ করা এই সবকটি বছরের একটা বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।২০১৮-তে পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দলের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছিল। বিভিন্ন জায়গায় মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বিরোধীরা। আর তারপরই ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খায় তৃণমূল শিবির। বাংলায় চমক দিয়ে ১৮ টি আসন পায় বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দলের দাদাগিরিই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল।আর এবার পুরভোটের ক্ষেত্রেও সেই ছায়া দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। সেই আবহেই ২০১৯-এর কথা মনে করিয়ে কোনও বিশেষ ইঙ্গিত দিয়ে রাখেলন দেবাংশু।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে পুরভোটের মুখে কেতুগ্রামে বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণ-গ্রেফতার তিন

ক্লাবঘরে বসে বোমা বাঁধার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়ায় আহত হল এক দুস্কৃতী। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম-১ ব্লকের আনকোনা পঞ্চায়েতের ইছাপুর গ্রামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। তারা ঘটনাস্থল থেকে ১১ টি তাজা বোমা ও বেশ কিছু পরিমাণ বোমা তৈরির মশলা উদ্ধার করে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আহত একজন সহ মোট ৩ দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করে। এদিকে পুরভোটের সময়ে ঘটনা ক্লাবঘরে বসে বোমা তৈরির ঘটনা সামনে আসতেই বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর।পুলিশ জানিয়েছে, বোমা কাণ্ডে ধৃতদের নাম বিকাশ ঘোষ, অপূর্ব পাল ও উৎপল দাস। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি কেতুগ্রাম থানার ইছাপুর ও মহুলা গ্রামে। উৎপল মুর্শিদাবাদের সালার থানার মাখালতোড় উত্তর মাঝিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এলাকা সৃত্রে খবর, বোমা বিস্ফোরণে বিকাশ ঘোষের একটি হাতের তালু কার্যত উড়ে যায়। সঙ্গীসাথীরা তাঁকে লুকিয়ে স্থানীয় এক হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করায়। তারই মধ্যে এই খবর পৌছে যায় কেতুগ্রাম থানায়। পুলিশ তিন জনকেই ধরে ফেলে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বৃহস্পতিবার তিন ধৃতদের কাটোয়া মহকুমা এসিজেএম আদালতে পেশ করে। বিচারক ধৃতদের ১৪ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। উদ্ধার হওয়া বোমা এদিন নিস্কৃয় করে বোম স্কোয়াড। ঘটনার বিষয়ে কেতুগ্রামের তৃণমূলের বিধায়ক শেখ শাহনেওয়াজ দাবি করেছেন, ওই ক্লাবটি বিজেপি আশ্রিত দুস্কৃতিদের দ্বারা পরিচালিত হয়। অশান্তি পাকানোর জন্য বিধানসভা ভোটের আগে ওই ক্লাবঘরে বোমা মজুত করেছিল বিজেপির দুস্কৃতিরা। বিষয়টি জানতে পেরে তখন তিনি পুলিশকেও জানিয়ে ছিলেন। বাস্তবেই যে ওই ক্লাব ঘরে বসে বিজেপির দুস্কৃতিরা বোমা বাঁধে তা এবার প্রমাণ হয়ে গেল। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যের বিরোধিতা করে কেতুগ্রামের বিজেপি নেতা অনিল দত্ত বলেন, ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই । তৃণমূলের চক্রান্তেই এই ঘটনা ঘটেছে ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনে ভোট পড়ল ৬০ শতাংশের বেশি

বৃহস্পতিবার প্রায় শান্তিতেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে। বেলা এগারোটা অবধি ভোটের হার ছিল ২০.০৩ শতাংশ, দুপুর একটায় ভোটের হার পৌঁছেছে ৩৫.০৩ শতাংশে। সকাল সাতটা থেকে পশ্চিমাঞ্চলীয় উত্তরপ্রদেশের ১১টি জেলার ৫৮টি আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রথম দফায় উত্তরপ্রদেশের যে জেলাগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে সেই জেলা গুলি হল-শামলি, হাপুর, গৌতম বুদ্ধ নগর, মুজফফরনগর, মেরঠ, বাঘপত, গাজিয়াবাদ, বুলন্দশহর, আলিগড়, মথুরা ও আগ্রা। ২০১৭ সালের নির্বাচনে এই ৫৮টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ের মোট ভোট পড়েছে ৫৯.৮৭ শতাংশ। সর্বাধিক ভোট হয়েছে শামলিতে ৬৬.১৪ শতাংশ, তারপরে মুজাফফরনগর এবং মথুরায় যথাক্রমে ৬৫.৩২ শতাংশ ৬২.৯০ শতাংশ। গৌতম বুদ্ধ নগরে সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত মাত্র ৫৪.৩৮ শতাংশ ভোটারের খবর পাওয়া গেছে। গৌতম বুদ্ধ নগর ব্যতীত সবচেয়ে কম রিপোর্ট করা ভোটার উপস্থিত জেলাগুলি হল গাজিয়াবাদ, মিরাট, আগ্রা যথাক্রমে ৫২.৪৩ শতাংশ, ৬০ শতাংশ এবং ৬০.২৩ শতাংশ৷২০১৭ সালের নির্বাচনে এই ৫৮টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি। সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টি দুটি করে আসনে জিতেছিল। আরএলডি জিতেছিল একটি আসনে। হাপুর হোক অথবা আলিগড় সকাল সকাল ১১টি জেলার বিভিন্ন বুথে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজেপির ঘেরাও অভিযানে ধুন্ধুমার

একাধিক বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য নির্বাচন কমিশন ঘেরাও অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। বিজেপ কর্মীদের টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলার অভিযোগ। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মহিলাও রয়েছেন।আটক করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালকেও।বিজেপির যুব মোর্চার মিছিল কমিশনের অফিসের সামনে পৌঁছতেই ব্যারিকেড করে দেয় পুলিশ। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে শুরু হয় পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় শুয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খায় পুলিশও। বিজেপির অভিযোগ, পুরভোটে রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে শাসকদল। বিরোধীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। কোথাও বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে গুলি, কোথাও বিজেপি প্রার্থীদের রাস্তায় ফেলে পেটানোর অভিযোগ উঠছে। রাজ্যজুড়ে শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ তুলছে বিজেপি। এক্ষেত্রে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলাতে তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি । আর নির্বাচন কমিশন ঠুটো জগন্নাথ হয়ে বসে আছে । রাজ্য নির্বাচন কমিশন দল দাসে পরিণত হয়েছে ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

যোগী রাজ্যের মসনদ দখলে লড়াই শুরু হল আজ

আজ থেকেই শুরু হল উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। সাত দফার এই নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ পর্ব আজ । মোট ১১টি জেলায় ৫৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কোভিড বিধি মেনেই সকাল ৭টা থেকে এই কেন্দ্রগুলিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে সন্ধে ৬টা অবধি।প্রথম দফার ৫৮ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯ টি সংরক্ষিত। ৩৭ টি কেন্দ্র রয়েছে জাট অধ্যুষিত পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে। বাকি ২১ টি বিধানসভা কেন্দ্র দোয়াব অঞ্চলের মধ্যে পড়ছে। প্রথম দফার নির্বাচনে যে কেন্দ্রগুলি বিশেষ উল্লেখযোগ্য, সেগুলি হল শামলি, মুজাফফরনগর, মিরাট, বাগপত, গাজিয়াবাদ, হাপুর, গৌতম বুদ্ধ নগর, বুলন্দশহর, আলিগড়, আলিগার্গ, মথুরা এবং আগ্রা। মোট ৬২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রথম দফার নির্বাচনে। উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রধান লড়াই বিজেপি বনাম সমাজবাদী পার্টির। এছাড়াও কংগ্রেস, বহুজন সমাজ পার্টি, রাষ্ট্রীয় লোক দল, শিবসেনাও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যেও ভোট কেন্দ্রে হাজির ভোটাররা। সকাল থেকেই আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলেও, হাড় কাঁপুনি ঠাণ্ডাকে উপেক্ষা করেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভিড় জমাচ্ছেন ভোটাররা।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রদেশে অখিলেশকে পাশে নিয়ে যোগী-মোদিকে আক্রমণ মমতার

বাংলায় আটকেছেন মোদি-শাহদের। এ বার উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপি-কে হঠাতে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির হয়ে প্রচারে নামলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লখনউ-এর ভার্চুয়াল জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা করলেন, আগামী মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বিজেপি-র বিরুদ্ধে প্রচারে যাবেন খোদ প্রধানমন্ত্রীর কেন্দ্র বারাণসীতে।লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশেও তৃণমূল লড়াই করবে, এই বার্তা আগেই দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার উত্তরপ্রদেশে গিয়ে অখিলেশ যাদবকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লি দখলের বার্তা দিলেন তিনি। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বললেন, আব কি বার, অখিলেশ সরকার, একই সঙ্গে বলতে ভুললেন না, আব কি বার, দেশ কা সরকার। যোগী-রাজ্যে মমতার বার্তা, উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপিকে সরাতে পারলে, দেশ থেকেও সরবে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে প্রচার করতেই গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মঙ্গলবার লখনউয়ে বিক্রমাদিত্য মার্গে সমাজবাদী পার্টির কার্যালয় থেকে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা। আর সেখান থেকেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন নেত্রী।উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও আক্রমণ করেন মমতা। তিনি বলেন, কোভিড মোকাবিলায় না কি পিএম কেয়ার্স ফান্ডের টাকা তোলা হল। আর তার কোনও হিসেব দেওয়া হল না। কেন তা দেশকে জানাতে হবে। চুপ করে থাকলে হবে না। জবাব দিতে হবেই।কেন্দ্রীয় সরকারের বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্পকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন মমতা। তিনি বলেন, এমন একটি প্রকল্প করা হয়েছে যেখানে বরাদ্দ একটি রাজ্যের নারী উন্নয়নের বরাদ্দের থেকেও কম। এবং বরাদ্দের প্রায় পুরো অর্থ বিজ্ঞাপনেই খরচ করা হচ্ছে।গঙ্গায় কোভিডে মৃতদের দেহ ভাসানো থেকে শুরু করে উন্নাও গণধর্ষণ সমস্ত বিষয় উল্লেখ করে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী লখনউয়ে যৌথ ভার্চুয়াল প্রচার শুরু করেন অখিলেশ যাদব-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অখিলেশের সমর্থনে এত তৎপর হওয়ায় তৃণমূল সুপ্রিমোকে ধন্যবাদ জানান সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো। এরপর নিজে অল্প সময় বক্তব্য শেষ করে মাইক্রোফোন এগিয়ে দেন মমতার দিকে। তৃণমূল সুপ্রিমো গোড়া থেকেই বিজেপি বিরোধিতায় চড়া সুর তোলেন। যোগীর উদ্দেশে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, আগে ক্ষমা চান, তারপর ভোট চাইবেন। এ প্রসঙ্গে তাঁর আরও আক্রমণ, বাংলা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাবেন বলে তো গিয়েছিলেন প্রচারে। কিন্তু সেখানে আপনাদের ফল কী হল, দেখলেন তো। এবার বিজেপিকে উত্তরপ্রদেশের মাটি থেকে উৎখাত করার জন্য অখিলেশ যে লড়াই চালাচ্ছেন, তাতে ওর হয়ে আমিও এতে শামিল।সোমবার সন্ধ্যায় লখনউ পৌঁছন মমতা। মঙ্গলবার দুপুরে অখিলেশকে পাশে নিয়ে বক্তৃতা দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি উত্তরপ্রদেশের ভোটে লড়াই করতে আসিনি। আমি এখানে এসেছি, আমার ভাই অখিলেশকে সমর্থন জানাতে। উত্তরপ্রদেশের মানুষ তাঁকে ভোট দিয়ে জয়ী করুন। সেখানেই তিনি ঘোষণা করেন, আমি আবার আসব। ১৫ তারিখে আবারও জনসভা করতে আসব। বারাণসীতে যাব।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
কলকাতা

আসন্ন পুরভোটে পার্থ-সুব্রতর তালিকাকেই চূড়ান্ত ঘোষণা করলেন মমতা

আসন্ন পুর নির্বাচনে সুব্রত বক্সী এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই করা প্রার্থী তালিকাই চূড়ান্ত বলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন। সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে প্রচারে উত্তরপ্রদেশ রওনা হওয়ার আগে সোমবার কলকাতায় তিনি বলেন এই নিয়ে কোনও বিভ্রান্তি নেই। এইদিকে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন সবাইকে প্রার্থী করা সম্ভব নয়। সব দিক বিচার করে দল যাকে প্রার্থী করেছে তার সমর্থনে দলের সব স্তরের কর্মীদের একজোট হয়ে প্রচারে নামার বার্তা দিয়েছেন তিন।শুক্রবার তৃণমূলের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই দলের নীচুতলায় বেশ বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এর মূল কারণ ছিল দুটি তালিকা প্রকাশ হওয়ার ঘটনা। এদিন লখনউ রওয়ানা দেওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি সুব্রত বক্সির সই করা যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেই তালিকাই চূড়ান্ত। একইসঙ্গে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেন, সবাইকে খুশি করা সম্ভব নয়, সবাইকে প্রার্থী করাও সম্ভব নয়। আর ক্ষোভ বিভ্রান্তি থাকা উচিত নয়। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে আরও জানান, এই ১০৮টি পুরসভা নির্বাচনে দলের হয়ে কোঅর্ডিনেটর করার জন্য দলনেত্রী জেলা ধরে ধরে কিছু নেতানেত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তাঁরা জেলা কমিটি ও পুরসভাগুলিতে থাকা দলের কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলবেন। এরপরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, পুলক রায়কে হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুভাশিষ চক্রবর্তী ও অরূপ বিশ্বাস দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা দেখবেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, পার্থ ভৌমিক ও তিনি নিজে। ফিরহাদ হাকিম দেখবেন মালদা, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুর জেলা। সুব্রত বক্সি দেখবেন কোচবিহার ও পূর্ব মেদিনীপুর এই দুই জেলা। ঝাড়গ্রাম দেখবেন তিনি নিজে। দার্জিলিং জেলার দায়িত্বে থাকছেন গৌতম দেব। শশী পাঁজা দেখবেন দক্ষিণ দিনাজপুর। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দেখবেন আলিপুরদুয়ার জেলা। জলপাইগুড়ি দেখবেন সৌরভ চক্রবর্তী। নদিয়া দেখবেন সুখেন্দু শেখর রায়, ব্রাত্য বসু ও তিনি নিজে। পশ্চিম মেদিনীপুর দেখবেন মানস ভুঁইয়া ও অজিত মাইতি। মলয় ঘটক দেখবেন পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলা। লক্ষ্যণীয় বিষয় বীরভূমের ক্ষেত্রে কিন্তু কোনও কো-অর্ডিনেটর এদিন নিয়োগ করার কথা জানানো হয়নি। অর্থাৎ সেখানে অনুব্রত মণ্ডলের হাতেই সব কিছু ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজনীতি

অনুব্রত কি সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের থেকেও বড় নেতা? প্রশ্ন খোদ তৃণমূলেরই প্রাক্তন কাউন্সিলারের

অনুব্রত মণ্ডল কি সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের থেকেও বড় তৃণমূল নেতা হয়ে গেল নাকি? এই প্রশ্ন তুলেই রবিবার বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর মল্লিকা চোঙদার। পৌরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরেও নাম বাদ যাওয়ায় তিনি যে অপমানিত হয়েছেন তাও এদিন স্পষ্ট করে দেন মল্লিকা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বলিষ্ঠ নেতা সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই থাকা তালিকায় প্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁর নাম বাদ দেওয়া করিয়ে বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল নিজের পছন্দের লোককে প্রার্থী করা করিয়েছেন।মল্লিকা চোঙদারের এমন বক্তব্য বিরোধী মহলের পাশাপাশি তৃণমূল শিবিরেও যথেষ্ট শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে পৌরসভা নির্বাচনে যাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সেই সব প্রার্থীদের নামের তালিকা শুক্রবার প্রকাশ করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তারপর দলের ওয়েবসাইটে একটি প্রার্থী তালিকা আপলোড হয়। সেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে ক্ষোভ বিক্ষোভ। তা দেখে দলীয় নেতৃত্ব ফের নতুন করে পার্থী তালিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেন, যে প্রার্থী তালিকায় দলের দুই বলিষ্ঠ নেতা সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই রয়েছে সেটাই দলের নির্দিষ্ট প্রাথী তালিকা। এই তালিকাও আপলোড করে দেওয়া হয় দলের ওয়েবসাইটে। দলীয় নেতৃত্বতারপর ঘোষণা করেন দলীয় ওয়েবসাইটে প্রথম আপলোড হওয়া প্রাথী তালিকাটি দলের নির্দিষ্ট প্রার্থী তালিকা নয়। সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ে সই থাকা প্রার্থী তালিকাটাই দলের সঠিক প্রার্থী তালিকা । এদিন সেই রকমই গুসকরা পৌরসভার একটি প্রার্থী তালিকা সংবাদ মাধ্যমকে দেখান মল্লিকা চোঙদার। সেই প্রার্থী তালিকা দেখিয়ে তিনি দাবী করেন, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়েবসাইটেও এই প্রার্থী তালিকা আপলোড হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে গুসকরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দীতা করার জন্য তাঁর নাম পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সির সই করা তালিকায় উল্লেখ থাকে। তার পরেও তাঁর নাম আবার বাদ চলে যায়। এই ভাবে তালিকায় নাম ওঠা ও নাম বাদ যাওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কাউন্সিলার মল্লিকা চোঙদার এদিন সরাসরি অনুব্রত মণ্ডলকেই দায়ী করেন। মল্লিকা জানান, পর পর পাঁচ বার তিনি গুসকরা পৌরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। এমনকি একবার ভাইস চেয়ারম্যানও ছিলেন। যেহেতু তাঁর সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের মতের মিল হয় না, তাই অনুব্রত মণ্ডলের পছন্দের তালিকাতেও তিনি নেই।সেই কারণে তাঁর নাম বাদ দেওয়া করিয়েছেন বীরভূমে বসে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা চালানো অনুব্রত মণ্ডল বলে মল্লিকা চোঙদার অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে নিজের অসন্তোষের কথা দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছেন বলে মল্লিকা এদিন দাবী করেন।একই সঙ্গে এদিন তিনি বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সির থেকেও অনুব্রত মণ্ডল বড় নেতা হয়ে গেলেন কিনা তাও তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না! মল্লিকা চোঙদারে এমন অভিযোগের বিষয়ে বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তবে পূর্ব বর্ধমান জেলা বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন বলেন, তৃণমূলে এখন সার্কাস চলছে। তাই ওদের সার্কাস নিয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। তবে জেলার মানুষ তৃণমূলে সার্কাস দেখছেন। পৌরসভা ভোটে জেলার মানুষই এর যোগ্য জবাব দিয়ে দেবেন বলে কল্লোল নন্দন মন্তব্য করেছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজনীতি

প্রার্থী বদল নিয়ে তুমুল হট্টগোল তৃণমূলে, এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ

প্রার্থী বদল নিয়ে অসন্তোষের জেরে এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ অব্যাহত। শনিবার তা কার্যত ধর্মঘটের আকার নেয় কিছু জায়গায়। কামারহাটি পুরসভার ১ থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী বদলের দাবিতে রবিবার কারখানা বন্ধেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।১০৮টি পুরসভার (দার্জিলিং ছাড়া) নির্বাচনের জন্য তৃণমূলের প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করা হয় শুক্রবার বিকেলে। পরিস্থিতি ঘোরালো হয় তার পরেই। তৃণমূলের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং মিডিয়া গ্রুপে বিশদ প্রার্থিতালিকা প্রকাশিত হয়। তার পরেই রাজ্যের নানা জায়গা থেকে বিক্ষোভ, অবরোধ, প্রতিবাদের খবর আসতে থাকে। একাধিক নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ-বিধায়ক তাঁদের অসন্তোষের কথা জানাতে থাকেন দলের উপরতলায়। এর পর রাতেই প্রার্থিতালিকা প্রকাশে বিভ্রান্তি স্বীকার করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব জানায়, চূড়ান্ত তালিকা জেলা সভাপতিদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও রাজ্যজুড়ে কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। শনিবার দিনভর তার রেশ দেখা গেল জেলায় জেলায়।হুগলিরও রিষড়া, চুঁচুড়া ও তারকেশ্বর পুরসভা এলাকায় তুমুল বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। রিষড়ার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ঝুম্পা দাস সরকারের নাম না থাকা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারকেশ্বর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ নইমের পরিবর্তে প্রার্থী করা হয়েছে অমরেন্দ্রনাথ সাঁপুইকে। এর প্রতিবাদে পদ্মপুকুর এলাকায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান দলের কর্মীরা। পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রার্থী বদলের দাবি উঠছে জোড়াফুল শিবির থেকে। মেমারি পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী বদলের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। বর্ধমান পুরসভাতেও কয়েকজন প্রার্থী বদল করার দাবি উঠেছে। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বর্ধমান রাজবাড়ির সামনে পথ অবরোধও করেন বিক্ষোভকারীরা।প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় ক্ষোভের আবহ বাঁকুড়াতেও। বাঁকুড়া-দুর্গাপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান দলীয় কর্মীদের একাংশ। প্রার্থী-ক্ষোভে শনিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মেদিনীপুর শহরও। শহরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাঙামাটি এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। পুরভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য ক্ষোভ-বিক্ষোভের পর্ব চলছে তৃণমূলে।দক্ষিণবঙ্গের মতো প্রার্থীতালিকা নিয়ে ক্ষোভের আঁচে ফুটছে উত্তরবঙ্গের তৃণমূল শিবিরও। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী বদলের দাবিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। ক্ষোভের আবহ ডালখোলা পুরসভার তৃণমূল শিবিরেও। সেখানে কয়েক জন প্রার্থী বদলের দাবি তুলে মিছিল করেন তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। প্রার্থী বদলের দাবিতে কোচবিহার চার নম্বর ওয়ার্ডে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। কামেশ্বরী রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। ঘণ্টাখানেক অবরোধের ফলে যানজট তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ পৌঁছে অবরোধ তুলে দেয়।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভবিক্ষোভে কোনও প্রভাব পড়বে না, মন্তব্য তৃণমূল সাংসদ শতাব্দীর

পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থিদের নামের তালিকা তৃণমূল কংগ্রেস প্রকাশ করতেই রাজ্য জুড়ে শুরু হয়ে যায় ক্ষোভ বিক্ষোভ। যার ব্যতিক্রম পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও ঘটেনি। যদিও এইসব ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রদর্শনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার কিছুই দেখছেন না তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। তাঁর মতে এইসব ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে কিছু লাভ হবে না।শনিবার পূর্ব বর্ধমানের রায়নার ধারান বুড়োপীর প্রগতি সংঘের সরস্বতী পূজার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন শতাব্দী রায়। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, পৌরসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব শুক্রবার দলের প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করছে। তারপর থেকে যাঁরা ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন তাঁদের উদ্দেশ্য করে শতাব্দী রায় বলেন, অনেকে ভেবে রাখে তাঁর প্রাথী হবেন। কিন্তু তাঁদের ভাবনা যখন মেলে না তখন একটা অভিযোগ তৈরি হয়। তাঁরাএখন কিভাবে অভিযোগটা প্রকাশ করবে সেটা তাঁদের উপর নির্ভর করছে। যদি দলের প্রতি ভালোবাসা থাকে তাহলে দলের ঘোষিত প্রার্থীকে মেনে নিয়েই তাঁদের কাজ করাটা উচিত।টিকিট পাওয়ার আশা তো সবারই থাকে। কিন্তু টিকিটতো সবাই পায় না। কিন্তু এখন কেউ টিকিট না পেলেই এই সমস্যাটা দেখা যায়। তিনি আরো বলেন, এই বিক্ষোভ দলের উপরে কোনো প্রভাব ফেলবে না।কারণ তৃণমূল কংগ্রেস দলে এখন বহু মানুষের সমর্থন রয়েছে। বহু ভালো মানুষের সমর্থনও রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি। তাই আমি মনে করি এইসব ক্ষোভবিক্ষোভে আগেও কোনও প্রভাব পড়েনি। আর এখনো কোনো প্রভাব পড়বে না।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভবিক্ষোভ সামাল দিতে বর্ধমানে নামাতে হল র‍্যফ

পৌরসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই পূর্ব বর্ধমানেও শুরু হয় যায় ক্ষোভ বিক্ষোভ। শনিবার সকাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের ক্ষোভবিক্ষোভে উত্তাল হয় শহর বর্ধমান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যফও নামাতে হয়।একইরকম ভাবে ক্ষোভবিক্ষোভে উত্তপ্ত হয় জেলার মেমারি, কালনা ও গুসকরা পৌরসভা এলাকাও। মূলত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবীতেই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এদিন সকাল থেকে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেদেন। মেমারির ৫ নম্বর ওর্য়াডের তৃণমূল কর্মীদের একাংশ এদিন বিক্ষোভে সামিল হন কৃষ্ণপদ বিশ্বাসকে প্রার্থীপদ থেকে সরানোর জন্য। প্রার্থী বদলের দাবিতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিকবৃন্দের ব্যানারে পোস্টার দেওয়া হয়।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তৃণমূল কর্মীদের দাবী ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বহিরাগত প্রার্থী তাঁরা চান না। অবিলম্বে প্রার্থীপদ পরিবর্তন করে ওয়ার্ডের বাসিন্দাকেই প্রার্থী করতে হবে। একই ভাবে এদিন জেলার গুসকরা পৌরসভা এলাকাতেও প্রার্থী বদলের দাবিতে সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। এখানকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের একাংশ ৩, ৫, ৯ ও ১৬ ওয়ার্ডের প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে স্বোচ্চার হন। দল গুসকরার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করলেও প্রাক্তন কউন্সিলার জগা তুরিকেই ফের প্রার্থী করার দাবি উঠেছে। অন্যদিকে প্রার্থী বদলের দাবি নিয়ে এদিন শহর বর্ধমানের মেহেদিবাগান এলাকাতেও ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। জিটি রোড অবরোধ করে চলে বিক্ষোভ প্রদর্শন। তারই মধ্যে বর্ধমান পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী চায়না কুমারীর সমর্থনে প্রচারে বের হন তার অনুগামীরা। তখনই তাদের ঘিরে বিরোধী গোষ্ঠী বিক্ষোভ দেখানো শুরু করলে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ ও র্যফ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। একইদিনে বর্ধমান রাজবাড়ির সামনে পথ অবরোধে সামিল হল তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। তাঁরা বর্ধমান শহরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাক্তন কাউন্সিলার শাহাবুদ্দিন খানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শাহাবুদ্দিন এলাকায় কোন উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। উনি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। এমনকি এলাকার এক তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনাতেও শাহাবুদ্দিন খান পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিল বলে বিক্ষুব্ধরা অভিযোগ করেন। দল এবারেও শাহাবুদ্দিন খানকে প্রার্থী করেছে।তাঁকে প্রার্থীপথ থেকে সরানোর দাবি তুলে পথে নামেন তৃণমূল কর্মীদের একংশ। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাশাপাশি ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডও বিক্ষোভে উত্তাল হয়। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দলের নেত্রী মিঠু সিংহের নাম প্রার্থী তালিকায় ঘোষিত হয়েছে। তাঁকে প্রার্থীপদ থেকে সরিয়ে ওয়ার্ডের দলীয় কর্মীকে প্রার্থী করার দাবী তুলেছেন বিক্ষুব্ধরা। তারা শহরের পার্কাস রোডে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। প্রার্থী বদলের দাবিতেও শ্লোগানও দেন। প্রার্থী নিয়ে এদিন জেলার কালনা পৌরসভা এলাকাতেও বিক্ষোব ছড়ায়। কালনার ১৩ নম্বর ওয়াডের প্রার্থী মঞ্জু হালদারের বদলের দাবীতে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলের একাংশ। তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য শনিবার কালনার জুবলি স্টারের পুজো প্যান্ডেলের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, প্রার্থী তালিকা বেরনোর পর অনেক জায়গায় ক্ষোভ দেখা গেছে, কর্মীদের আমি বলব সংযত থাকতে, যদি প্রার্থী পছন্দ না হয়ে থাকে তাহলে দলের নেতৃত্বকে জানান। পাশাপাশি তিনি আরও সংযোজন করেন অনেকেই ভোটের আগে দুনৌকাতে পা দিয়েছিলেন, সেই সমস্ত মানুষ যদি প্রার্থী হয়ে যান তাহলে এটা হওয়া স্বাভাবিক। তবে জেলার কাটোয়া ও দাঁইহাট পৌরসভায় প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ থাকলেও তা আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এটা অভিমান।একে বিক্ষোভ বলা যাবে না। আর দলই প্রার্থী ঠিক করেছে। সেটা দলের সিদ্ধান্ত। সবাইকে মেনে নিতে হবে। গুসকরা পৌরসভার প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই লাগাতার বিক্ষোভের জেরে দুটি ওর্য়াডে প্রার্থী বদল করল তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার বিকালে বোলপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে বৈঠকে প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নেয় গুসকরা পৌরসভার পর্যবেক্ষ অনুব্রত মণ্ডল। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী দীর্ঘদিনের পাঁচবারের কাউন্সিলর মল্লিকা চোংদারের বদলে পূর্নিমা চৌধুরীকে প্রার্থী করা হয়। ৫ ওয়ার্ডের প্রার্থী মুনমুন মালিকের বদলে রিঙ্কু মালিক প্রার্থী করা হয়

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটের পরিবারতন্ত্র থেকেও সরে গেল তৃণমূল

কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচন মিটেছে কিছুদিন আগেই। নির্বাচনে জয় প্রাপ্তি হলেও প্রার্থী তালিকায় পরিবারতন্ত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় শাসক দলকে। এমনকী একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে টিকিট দেওয়ার নজিরও দেখা যায়। আর এবার সেই নীতি থেকে সরে এল তৃণমূল।আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৮টি পুরসভার নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। তার আগে, শুক্রবারই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নতুনদের সুযোগ দিতে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। শুধু তাই নয়, এবার কোনও বিধায়ককেও টিকিট দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে কলকাতা পুরনিগমের ভোটে টিকিট পেয়েছিলেন ফিরহাদ সহ একাধিক বিধায়ক।প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূল এক ব্যক্তি, এক পদ নীতির কথা ঘোষণা করলেও কলকাতা পুরভোটে দেখা যায় একাধিক মন্ত্রী ও বিধায়ক কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। যদিও প্রথমে ঠিক হয়েছিল, ফিরহাদ হাকিম-সহ মোট পাঁচ বিধায়ককে পুরভোটে টিকিট দেওয়া হবে না। কিন্তু শেষমুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যায়নি।পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কয়েকটি আসন বাদ দিয়ে ১০৮ টি পুরসভার সব আসনের প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছে তৃণমূল। প্রায় তিন হাজার প্রার্থীর নাম বাছাই করা হয়েছে। পার্থ জানান, সুব্রত বক্সি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব খতিয়ে দেখেই প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও দীর্ঘ সময় ধরে এই তালিকা দেখেছেন। পাশাপাশি, প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সঙ্গেও তালিকা নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে, সব শেষে তালিকা পাঠানো হয়েছিল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। তিনিই চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল- বিজেপিকে টেক্কা, পূর্ব বর্ধমানের ৬টি পৌরসভায় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা বামেদের, তৃণমূল বিধায়কের প্রার্থী তালিকা ফাঁস মেমারিতে

রাজ্য রাজনীতিতে ২০১১ সালে পালাবদলের পর থেকে প্রতিটি নির্বাচনে ভোটক্ষয় হয়ে চলেছিল বামেদের। সদ্য সমাপ্ত কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচনে সেইভোটক্ষয়ে কিছুটা লাগাম পরাতে সক্ষম হয় বামেরা। আসন সংখ্যার নিরিখে না হলেও ভোট প্রাপ্তির শতাংশ হারের বিচারে তিলোত্তমা কলকাতায় বিজেপিকে পিছনে ফেলে দিয়েছে বামেরা। আর কলকাতা পুরভোটে অক্সিজেন পেয়েই এবার একদা বাম দুর্গ পূর্ব বর্ধমানের ছয়টি পৌরসভার নির্ফাচনেও জয় ছিনিয়ে নিতে মরিয়া সিএপিএম। রাজ্য নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে পৌরসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা করে। এর ঠিক পরেই জেলার ৬ টি পৌরসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েই শাসক দলকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ভোট প্রচারে নেমে পড়েন সিপিএম নেতা কর্মী ও প্রার্থীরা। শাসক নেতৃত্ব বামেদের প্রার্থি ঘোষণার বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দিতে না চাইলেও বিধায়কের তৈরি করা প্রার্থী তালিকা নিয়ে মেমারির তৃণমূল শিবিরে এখন ক্ষোভ বিক্ষোভ চরমে উঠেছে। বাম আমলে বলিষ্ঠ সিপিএম নেতা বিনয় কোঙারের গড় হিসাবেই পরিচিত ছিল মেমারি। সেই মেমারির দলীয় কার্যালয়ে থেকেই এদিন মেমারি পৌরসভার ১৬টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে সিপিএম নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস বা বিজেপি কেউ এদিন প্রর্যন্ত তাঁদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেনি ।প্রার্থীদের নাম ঘোষণা কেরেই নিবাসী সিপিআইএম জেলা নেতা তাপস চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, এদিন থেকেই তাঁরা ভোট যুদ্ধে নেমে পড়বেন। যেমন কথা তেমনই কাজ। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েই বাম নেতা কর্মীদের একদল দেওয়াল লিখন আর অন্য দল বাড়ি বাড়ি প্রচার চালানো শুরু করেদেন।তবে বামেদের আগে তৃণমূলের মেমারিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে না পারাটা শাসক দলের নিচু তলার কর্মীদের যথেষ্টই হতাশ করেছে। গত পৌরসভা নির্বাচনে মেমারি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী।৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী। এছাড়াও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন পিডিএস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী ।বাকি সব আসনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রার্থীরা।এখনও মেমারি পৌরসভা পরিচালনার দায়িত্বে তৃণমূলের মনোনীতরাই রয়েছেন।এদিকে দল মেমারি পুরসভার প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ না হলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্যের নির্দিষ্ট করা প্রার্থীদের নাম। যা নিয়ে মেমারির পৌর এলাকার তৃণমূল শিবিরে যথেষ্টই ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। বিক্ষুদ্ধদের দাবি, মেমারির বিধায়ক মধুসূদনবাবু নিজের অনুগতদের মেমারি পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।যাঁদের তিনি চিহ্নিত করেছেন তাঁদের নাম, ফোন নম্বার ও কোন ওয়ার্ডে কে কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তার তালিকা নিজের বিধায়ক প্যাডে ছাপিয়েছেন। তাতে স্বাক্ষর ও শিলমোহর দিয়ে মধুসূদনবাবু ওই নামের তালিকার লোকজনকেই মেমারির প্রার্থী হিসাবে মনোনীত করার জন্য সুপারিশ করে ১৭ জানুয়ারি রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠিয়েছেন। ওই সুপারিশ পত্রে মেমারি পৌরসভার দুবারের চেয়ারম্যান ও বর্তমান অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্বপন বিষয়ীকে দুর্নীতিগ্রস্ত ও তোলাবাজ বলে অবিহিত করেছেন। আর তা নিয়েই পৌরসভা ভোটের প্রাক্কালে মেমারি শহর জড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার কথা। তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব যদি মেমারির তৃণমূল বিধায়কের সুপারির করা ব্যক্তিদেরই পুরভোটে প্রার্থি করে তবে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হবে বলে মনে করছেন দলেরই অনেকে। তেমনটা হলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের লড়াইয়ে জমজমাট হবে মেমারি পৌরসভার নির্বাচন। ওই তালিকা বিষয়ে মেমারির বিধায়ক মধূসূদন ভট্টাচার্য্যের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন , নিজের অবজারভেশন মোতাবেক প্রার্থী প্রস্তাবপত্র তৈরী করে ছিলেন। তারপর দলের উচ্চ নেতৃত্ব জানিয়ে দেন তারাই মেমারি পর ভোটের প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে সার্ভে করছেন। তাই তিনি আর তার প্রস্তাব পত্র রাজ্যে পাঠাননি। বর্তমান অ্যাডমিনিস্ট্রেটার স্বপন বিষয়ী সন্মন্ধে যেসব যে অভিমত লিখেছেন তার প্রসঙ্গে মধুসূদন বাবু বলেন ,অ্যালিগেশন নিয়ে পাবলিকের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে ওনার বিরুদ্ধে আমার পার্সোনাল অবজারভেশন আমি লিখেছি। স্বপন বিষয়ী যদিও বিধায়কের করা প্রার্থী নির্বাচন তালিকা নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, দলের রাজ্য নেতৃত্ব যথা সময়েই মেমারির পৌর ভোটে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করবেন। প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরীন বিরোধ যখন তুঙ্গে সেই সময়েই মেমারির পর বর্ধমান, গুসকরা, কাটোয়া,কালনা ও দাঁইহাট পৌরসভার প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেদেন সিপিএম নেতারা। এদিন বিকালে সিপিএমের পূর্ব বর্ধমানের জেলা দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলনে করে নেতারা ওইসব পৌরসভার বামফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তাপস সরকার, অপূর্ব চ্যাটার্জি সহ অন্যান্য নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। বর্ধমান পৌরসভার নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য বামেদের এবারের প্রার্থী তালিকায় বেশ কিছু নতুন মুখ স্থান পেয়েছে। তালিকায় ফরোয়ার্ড ব্লকের ৪ জন এবং আর এস পির ২ জনের নাম রয়েছে। মোট ৩৫ টি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের নাম ঘোষিত হয়েছে। দলের দুই ছাত্র নেতা অনির্বাণ রায়চৌধুরী; অতনু হুই; অরিন্দম মৌলিক; মুনমুন হালদারের মত তরুণ মুখের প্রতিনিধিরা রয়েছেন এবারের ভোট যুদ্ধে । ২০১৩ সালে বর্ধমান পুরসভা ভোটের দিন সকালেই সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সব প্রার্থী তুলে নেয় বামেরা। তারা জানিয়েছেন ; এবারে প্রশাসন তার দায়িত্ব পালন করুক।তা সত্বেও তারা শেষ অবধি ময়দানে থাকবেন।গুসকরা, কাটোয়া,কালনা ও দাঁইহাটের প্রার্থী তালিকায় বাম নেতৃত্ব পুরনোদের পাশাপাশি বহু নতুন মুখকে নিয়ে এসেছেন। একেবারে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই জেলার ৬ টি পৌরসভার প্রার্থী তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই মেমারি পুরসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিপিএমের

সিপিআইএম র প্রাক্তন বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জি, জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ কোঙার, জেলা কমিটির সদস্য সনৎ ব্যানার্জি, প্রশান্ত কুমার কুমার, পিযুষ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে মেমারি পুরসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হল। শাসকদল না পারলেও পুরসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা সাথে সাথে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি পৌরসভায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করল সিপিআইএম নেতৃত্ব।বৃহস্পতিবার মেমারির দলীয় কার্যালয়ে থেকে তারা পৌরসভার ১৬টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। যদিও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বা বিজেপি কেউ এখনও পর্যন্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেননি। সিপিআইএম নেতৃত্ব প্রার্থী ঘোষণা করেই জানিয়ে দেন এ দিন থেকেই তারা ভোট যুদ্ধে নেমে পড়বেন। শুরু করে দেবেন বাড়ি বাড়ি প্রচার।সিপিএমের প্রার্থী তালিকামেমারি পৌরসভা পরিচালনার দায়িত্বে এখন তৃণমূলের মনোনিতারাই রয়েছে। গত পৌরসভা নির্বাচনে মেমারি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী। এছাড়াও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন পিডিএস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী। বাকি সব আসনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রার্থীরা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

বাকি ১০৮ পুরসভার ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করল নির্বাচন কমিশন

রাজ্যের বাকি ১০৮ পুরসভার ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করল নির্বাচন কমিশন। ২৭ ফেব্রুয়ারি বাকি ১০৮ পুরসভার নির্বাচন। ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মনোনয়ন জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দিল কমিশন।নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আজ থেকেই মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ শুরু হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৯ ফেব্রুয়ারি। স্ক্রুটিনি ১০ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১২ তারিখ ফেব্রুয়ারি। সাউথ দমদমের ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বাদ দিয়ে হবে নির্বাচন। তবে এখনও পর্যন্ত গণনার দিন জানায়নি কমিশন।আজ থেকেই কার্যকর হয়ে যাবে আদর্শ আচরণবিধি। কোভিড পরিস্থিতি মানতে হবে। এখনও পর্যন্ত প্রচারের সময় একই রাখা রয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএম, এসপি-দের সঙ্গে বৈঠক। ওই বৈঠকের পর প্রচারের সময় বাড়ানো হতে পারে। উল্লেখ্য, এই বৈঠকে গণনার দিন নিয়েও আলোচনা হবে। ১ জানুয়ারি ২০২২ এর ভোটার তালিকা মেনে ভোট হবে। নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠক হবে। তারপরই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।উল্লেখ্য, বিরোধীদের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, ১২ ও ২৭ তারিখের নির্বাচনের গণনা যাতে এক দিনে করা হয়, তার ব্যবস্থা করা হয়। নোটিফিকেশনে গণনার দিন বলা হয় না। পরবর্তীতে ঘোষণা করা হয়। এক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশন গণনার দিন জানায়নি। যেটা জানা যাচ্ছে, গণনা হবে ২৯ কিংবা ৩০ তারিখ। এক্ষেত্রে একই দিনে গণনা হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না। দু-একদিনের মধ্যেই গণনার দিন জানিয়ে দেবে কমিশন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

আদালত অবমাননার দায়ে কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা হাইকোর্টে

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। মামলকারীর আবেদন, কোভিড আবহে আদালত চার পুরসভার নির্বাচন চার থেকে ছয় সপ্তাহ পিছনোর পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু তা মেনে চলেনি কমিশন।প্রসঙ্গত, রাজ্যের চার পুরসভার ভোট ২২ জানুয়ারি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতিতে ওই নির্বাচন বন্ধ করতে চেয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। আদালত কমিশনকে পরামর্শ দেয়, কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভোট চার থেকে ছয় সপ্তাহ পিছনো যায় কি না, তা বিবেচনা করুক কমিশন। আদালতের ওই পরামর্শ মেনে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কথা জানায় কমিশন। কিন্তু তিন সপ্তাহের জন্য। এ নিয়েই অবমাননার মামলা দায়ের হল হাইকোর্ট।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ...
  • 35
  • 36
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
কলকাতা

প্রতীক নিয়েই সবচেয়ে বড় ধাক্কা? উপনির্বাচনের আগে মমতার পরিকল্পনা ঘিরে তুমুল চর্চা

প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু। তৃণমূলের দুই শিবিরই নিজেদের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কমিশনের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এরই মধ্যে তিনটি বিধানসভা এবং একটি লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রতীক নিয়ে জল্পনা।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার প্রতীক নিয়ে আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তাঁর দাবি, প্রতীক হারানোর সম্ভাবনা খুবই কম। তবু যদি সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে নতুন প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে লড়বেন। এমনকি মানুষের কাছে নতুন প্রতীক পরিচিত করাতে প্রয়োজন হলে তা গলায় ঝুলিয়ে প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দল গঠনের পর প্রথম দিকেও নতুন প্রতীক নিয়েই ভোটে লড়েছিল তৃণমূল। তাই নতুন প্রতীক মানুষকে চিনিয়ে দিতে কোনও সমস্যা হবে না।রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা, যদি ঘাসফুল প্রতীক না থাকে, তাহলে বিকল্প কী হতে পারে। সূত্রের দাবি, সেই পরিস্থিতির জন্য একটি বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি রাখা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সূর্যমুখী ফুলকে সম্ভাব্য নতুন প্রতীক হিসেবে ভাবা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও ঘোষণা হয়নি এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে রেজিনগর, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র এবং বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুত হওয়া জরুরি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।অন্যদিকে, প্রতীক বিতর্ক নিয়ে ঋতব্রত শিবির এখনও প্রকাশ্যে কোনও বিকল্প পরিকল্পনার কথা জানায়নি। ওই শিবিরের অন্যতম বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচন কমিশনের উপর তাঁদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। কমিশন সমস্ত নথি এবং আইনি দিক খতিয়ে দেখে যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই তাঁরা মেনে নেবেন। প্রতীক নিয়ে অন্য কোনও ভাবনা এই মুহূর্তে নেই বলেও তিনি জানান।এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, অফিস নেই, অ্যাকাউন্ট নেই, ফুল নিয়ে কী করবেন। স্টেটমেন্ট নিয়ে যা করার করবেন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

দিল্লিতে বড় বৈঠক! শুভেন্দুর সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদদের মুখোমুখি বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লির বঙ্গভবনে মঙ্গলবার এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরুতেই এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে যায়। এবার তৃতীয় সপ্তাহে সেই বৈঠক হতে চলেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই বৈঠকের দিকেই।প্রথমে বৈঠকটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে হওয়ার কথা ছিল। পরে স্থান পরিবর্তন করে বঙ্গভবন ঠিক করা হয়। তবে গত আটাশে জুলাই রাজ্যের ব্যস্ততার কারণে দিল্লি যেতে পারেননি শুভেন্দু। সেই কারণে বৈঠক স্থগিত হয়ে যায়। এবার মঙ্গলবার সেই বৈঠক হওয়ার কথা।বৈঠকে কতজন সাংসদ উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, প্রায় কুড়ি জন সাংসদ উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও শেষ মুহূর্তে সেই সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আলোচনা চলছে।এর আগে বৈঠক স্থগিত হওয়ার পর এনসিপিআই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকের বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে না এলেও, মঙ্গলবারের বৈঠকে সাংগঠনিক এবং রাজনৈতিক একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, কয়েকজন সাংসদ তাঁদের এলাকায় প্রশাসনিক সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলতে পারেন। কোথাও কোথাও সাংসদদের এলাকায় কাজ করতে সমস্যার অভিযোগও উঠে এসেছে। সেই বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা হতে পারে।এদিকে সাংসদ শতাব্দী রায় জানিয়েছেন, এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য এলাকার উন্নয়ন এবং সরকারি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা। অন্যদিকে কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, সাংসদদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বৈঠকে কুড়ি জনের মতো সাংসদ থাকার কথা তিনি শুনেছেন। শেষ পর্যন্ত কতজন উপস্থিত থাকেন, তার উপরেই রাজনৈতিক বার্তার গুরুত্ব অনেকটাই নির্ভর করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।মঙ্গলবারের এই বৈঠক ঘিরে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে একটাও কথা নয়! শশী পাঁজার নীরবতায় নতুন করে তোলপাড় রাজনীতি

হাতে ফাইল নিয়ে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে আসতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং শ্যামপুকুরের প্রাক্তন বিধায়ক শশী পাঁজা। ভোটের ফল ঘোষণার পর দীর্ঘদিন জনসমক্ষে তাঁকে দেখা যায়নি। তাই তাঁকে ঘিরে একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দেন সাংবাদিকেরা। তিনি এখন কোথায়? তৃণমূলের সঙ্গেই আছেন কি না? ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কী? কিন্তু কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দেননি শশী পাঁজা। বরং দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং বারবার সাংবাদিকদের সরিয়ে দেন।শশী পাঁজার এই নীরবতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিকে তাঁর যাওয়া নতুন কোনও ঘটনা নয়। চিকিৎসক হিসেবে কাজ শেখার সময় থেকেই প্রায় নিয়মিত সেখানে যেতেন তিনি। আগে বিষয়টি নিয়ে বিশেষ আলোচনা না হলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই পুরনো সম্পর্ককেও ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।এর মধ্যেই প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সম্প্রতি দাবি করেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে শশী পাঁজার সঙ্গে তাঁর আর যোগাযোগ হয়নি। তিনি জানান, শশী বিদেশে থাকার কথা বলেছিলেন এবং ফিরে এসে যোগাযোগ করবেন বলেও জানিয়েছিলেন। তবে পরে আর যোগাযোগ করেননি। এরপর কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে লেখেন, বিষয়টি নিয়ে কেউ যেন বিভ্রান্তি না ছড়ান।এই পরিস্থিতিতে শশী পাঁজার প্রকাশ্যে আসা রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বাড়িয়েছে। তবে তিনি কোনও মন্তব্য না করায় সব প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গেল। তিনি তৃণমূলে থাকছেন কি না, নাকি অন্য কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন, সে বিষয়ে কোনও ইঙ্গিতও দেননি। ফলে তাঁর নীরবতাকে ঘিরে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, শেষ পর্যন্ত কী নির্দেশ দিল আদালত?

বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শীর্ষ আদালত এই মামলায় সরাসরি কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে সেটি ফের কলকাতা হাইকোর্টে পাঠিয়ে দিল। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টকে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর দাবি, বিভিন্ন মামলার কারণে তাঁর বিদেশযাত্রায় বাধা তৈরি হচ্ছে। অথচ চোখের চিকিৎসার জন্য আগেও আদালতের অনুমতি নিয়ে তিনি বিদেশে গিয়েছেন। এবারও চিকিৎসার স্বার্থে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়।আইনজীবী আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বহু মামলা রয়েছে। সেই সব মামলার কারণ দেখিয়ে যদি প্রতিবার বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়া হয়, তাহলে তাঁর চিকিৎসা ব্যাহত হবে। তিনি তদন্তে সহযোগিতা করেছেন এবং আদালতের নির্দেশ মেনে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াতেও অংশ নিয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।এই যুক্তি শোনার পর সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টেই বিচারাধীন। তাই হাইকোর্টই এই মামলার শুনানি করবে। পাশাপাশি শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেই বিষয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় আদালত জানিয়েছিল, আগে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে হবে। এসএসকেএম হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে পরীক্ষা করার পর যদি বোর্ড মনে করে বিদেশে চিকিৎসা জরুরি, তবেই বিদেশযাত্রার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।পরে হাইকোর্ট তাঁর অন্তর্বর্তী আইনি সুরক্ষার মেয়াদ বাড়ালেও বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেয়নি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শীর্ষ আদালতও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ না করে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের উপরেই ছেড়ে দিয়েছে। ফলে এখন নজর কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে ফ্ল্যাটে হানা! আলমারি খুলতেই চোখ কপালে পুলিশের, কোটি কোটি টাকা উদ্ধার

রবিবার রাতে মালদহে একটি ফ্ল্যাটে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, সোনা এবং নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মালদহ থানা, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিশেষ অভিযানের দল যৌথভাবে এই তল্লাশি চালায়। উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ রাত পর্যন্ত গুনে প্রায় আড়াই কোটি টাকা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোনাও উদ্ধার হয়েছে, তবে তার পরিমাণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুরে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধারের একটি মামলার তদন্তে নতুন তথ্য সামনে আসে। সেই সূত্র ধরেই মালদহের মঙ্গলবাড়ি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে আলমারিতে রাখা বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়। টাকা গোনার জন্য মেশিন আনতে হয় বলে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, ফ্ল্যাটটি দিলীপ সাহা নামে এক ব্যক্তির। স্থানীয়ভাবে তিনি তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গিয়েছে। তবে দিলীপ সাহার দাবি, তিনি ফ্ল্যাটটি পিন্টু সরকার নামে এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দিয়েছিলেন। ভাড়াটিয়া সেখানে কী কাজ করতেন বা কী রাখতেন, সে সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না বলেও তিনি দাবি করেছেন।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া অর্থ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপের অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। এই ঘটনায় আন্তঃরাজ্য কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এই মামলায় অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় এসেছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দেখা উচিত। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তদন্ত চলছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সকালের গরমের পর বদলাবে আবহাওয়া! কোন কোন জেলায় ঝেঁপে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া দফতর

সকাল থেকেই রোদের তেজ আর ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল ছিল রাজ্যবাসী। তবে এই অস্বস্তিকর আবহাওয়া বেশিক্ষণ থাকবে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা এবং উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে বুধবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গেও ধীরে ধীরে বাড়বে বৃষ্টির দাপট।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় অতি ভারী থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড় এবং ডুয়ার্স এলাকায় ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধস, নিচু এলাকা জলমগ্ন হওয়া এবং নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা, তোর্সা, রাইডাক ও জলঢাকা নদীর জলস্তরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। অতিবৃষ্টির জেরে কৃষিকাজেও প্রভাব পড়তে পারে।দক্ষিণবঙ্গে আজ এবং আগামীকাল পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে।কলকাতায় আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। দিনের মধ্যে দু-এক পশলা হালকা বা ঝিরঝিরে বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি না হলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে কলকাতায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আটাশ দশমিক নয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চৌত্রিশ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছেষট্টি থেকে তিরানব্বই শতাংশ। ফলে বৃষ্টি না হলে গরম এবং অস্বস্তি দুই-ই বজায় থাকতে পারে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal