• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজ্য

পিছিয়েই গেল রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোট! পুনরায় দিনক্ষণ ঘোষণা কমিশনের

অবশেষে পিছিয়ে গেল চার পুরনিগমের ভোটের দিন। শনিবারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতকে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল। তা পিছিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি করা হল। শনিবার এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কমিশন। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৮টি পুরসভার যে বকেয়া ভোট তা হবে বলেই এখনও অবধি সিদ্ধান্ত রয়েছে। কারণ, এ নিয়ে এখনও রাজ্য নির্বাচন কমিশন এখনও কিছু বলেনি।আরও পড়ুনঃ চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্নকোভিড কাঁটায় তিন সপ্তাহ পুরনিগমের ভোট পিছিয়ে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে। তবে এই ভোটে নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে না বলেই জানিয়েছে কমিশন। আদালতের নির্দেশে, রাজনৈতিক দলের মতামত শুনে রাজ্যের সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিল। ভোটের দিন পিছিয়ে গেলেও নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার যেমন কোনও বিষয় নেই, একইভাবে কমিশন জানিয়েছে, এই সময় অবধি প্রচার চালাতে পারবে রাজনৈতিক দলগুলি। অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারির ৭২ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালানোয় কোনও বাধা নেই।আরও পড়ুনঃ ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্টের সংখ্যানবান্নের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে, কমিশন ভোট পিছিয়ে দিলে কোনও আপত্তি নেই সরকারের। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পরে ভোট পিছনোয় শিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্ন

পুরভোট পিছিয়ে দিতে সায় রাজ্যের। নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে নবান্ন। আদালতের নির্দেশের পরই রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরই শনিবার চিঠি দেয় নবান্ন। চিঠিতে রাজ্য জানিয়েছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজ্য। তবে ভোট পিছিয়ে দিলে আপত্তি নেই। শনিবার দুপুরেই কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ভোট পিছনোর ঘোষণা করবে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাআগামি ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল এবং চন্দনগর পুরসভার। কোভিড পরিস্থিতিতে এই পুরভোট নিয়ে আপত্তি তুলে অনেকেই আদালতে যান। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভোটের তারিখ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়। কোভিড আবহে জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। তবেআরও পড়ুনঃ অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট রেখে ইন্সটাগ্রামে ফিরলেন রাজ কুন্দ্রাশুক্রবারই হাইকোর্টের রায় নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে চিঠি দেয় কমিশন। তারই উত্তরে শনিবার রাজ্য ভোট পিছনোর পক্ষে সায় দেয়। চিঠিতে তারা জানায়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর রয়েছে রাজ্য। এখন কমিশন যদি কিছু দিনের জন্য ভোট পিছিয়ে দেয়, তাতে তাদের আপত্তি নেই। যদিও এর আগে আদালতে একাধিক বার ভোট পিছনোর বিরোধিতা করেছে নবান্ন। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পর, বিকেলের মধ্যেই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করতে পারে কমিশন। সূত্রের খবর, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট চাইছে নবান্ন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

এবার ‘পাড়ায় সমাধান’-এর প্রতিশ্রুতি তৃণমূলের

আসন্ন পুরনির্বাচনে ইস্তাহারের বদলে উন্নয়নের রূপরেখা প্রকাশ করল তৃণমূল। যার মূল লক্ষ্যই হল সরকারি পরিষেবাকে আরও নাগরিকমুখী করা। শুক্রবার বিধানগর, শিলিগুড়ি ও চন্দননগর এই তিন জায়গার ইস্তাহার একই সময় প্রকাশে করেছে তৃণমূল। শিলিগুড়িতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। অন্যদিকে চন্দননগরে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল রায়, বিধাননগরে দলের ইস্তাহার প্রকাশে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌগত রায় এবং দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।কলকাতার মতো নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে তিন পুরসভাতেই চালু করা হবে পাড়ায় সমাধান নামে বিশেষ অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে রাস্তা থেকে জলনিকাশি যে কোনও সমস্যার ছবি ও তথ্য জিওট্যাগ-সহ আপলোড করা যাবে। ইস্তাহারে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে ১৪ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান করা হবে।জল নিকাশি ও অন্যান্য পরিষেবায় জোর দেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এলাকার পযর্টন ক্ষেত্রের উন্নয়নেও। এ দিন বিধাননগরে সংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, দলের কেউ যদি ভোট বানচালের চেষ্টা করে তবে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

পুরভোট বন্ধ নিয়ে সরাসরি রায় নয় হাইকোর্টের, নির্বাচন পিছানোর সিদ্ধান্ত বর্তাল কমিশনের ওপর

টানা তিন দিন করোনা সংক্রমণ বেড়েছে রাজ্যে। অ্যাক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এরইমধ্যে ব্যক্তিগত মন্তব্যে ভোট এখন বন্ধ রাখা উচিত বলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি পুরনির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করে আসছে। আদালতে ভোট পিছিয়ে দেওয়া নিয়ে মামলা চলছে। সেই মামলায় এদিন কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে করোনা আবহে পুরভোট ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আগামি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।আরও পড়ুনঃ বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরিবাংলায় গড়ে ২০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তৃতীয় ঢেউ নাজেহাল পরিস্থিতি রাজ্যের। ২২ জানুয়ারি বিধাননগর, আসানসোল, চন্দননগর ও শিলিগুড়িতে পুরভোট চার কেন্দ্রেই করোনা বিধি মেনে প্রচারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রচারে করোনা বিধি না মানা নিয়ে প্রতিদিনই নানা অভিযোগ উঠছে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে ডান-বাম কোনও প্রার্থী বাদ যাচ্ছে না। পুলিশ অতি তৎপর বলেও বিরোধীরা অভিযোগ তুলছে। এই পরিস্থিতিতে পুরভোট পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা তা জানাতে কমিশনকে নির্দেশ দিল হাইকোর্টয়।আরও পড়ুনঃ কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লাআদালতের বক্তব্য, করোনা আবহে পুরভোট কি ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে যায় কি? ভোট পিছনোর ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এই সিদ্ধান্ত কমিশনকে নিতে হবে। সিদ্ধান্ত জানাতে আদালত ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছে কমিশনকে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুটি বিষয় চিন্তা করতে হবে কমিশনকে। এই অবস্থায় ভোট হলে কি মানুষের স্বার্থ রক্ষিত হবে? তাছাড়া আদৌ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা এই পরিস্থিতিতে সম্ভব? রাজনৈতিক দল থেকে বিভিন্ন মহল পুরভোট পিছনোর দাবি জানিয়ে আসছে। সরাসরি ভোট বন্ধ করার রায় না দিলেও এবার হাইকোর্ট তাতে সায় দিল। শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বর্তেছে নির্বাচন কমিশনের ওপর।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রেদেশে কংগ্রেসের প্রার্থী হচ্ছেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতার মা

উত্তরপ্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের জমি শক্ত করতে মরিয়া কংগ্রেস। প্রথম দফার প্রার্থী ঘোষণাতেই সকলকে চমকে দিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হল উন্নাওয়ের নির্যাতিতার মায়ের নাম।প্রিয়াঙ্কা গান্ধির গলায় যে নারীশক্তির জয়জয়কার শোনা গিয়েছিল, প্রার্থী ঘোষণার ক্ষেত্রেও তারই প্রতিফলন দেখা গেল। কংগ্রেসের মহিলা প্রার্থীদের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ে নির্যাতিতা তরুণীর মা আশা সিংকেও প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়। নিজের মেয়েকে সুবিচার পাইয়ে দেওয়ার জন্য তিনি যেভাবে লড়াই করেছিলেন, উত্তরপ্রদেশের বাকি মেয়েদের জন্যও তিনি লড়বেন বলে দাবি করেন প্রিয়াঙ্কা।এ দিন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কংগ্রেসের তরফে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। সাংবাদিক বৈঠকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি ১২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন, তারমধ্যে ৫০ জনই মহিলা। সকলকে চমকে দিয়ে উন্নাওয়ে নির্যাতিতার মা আশা সিংয়ের নাম ঘোষণা করেন।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস শুরু করেছিল লড়কি হু, লড় সকতি হু নামে প্রচার অভিযান। রাজ্য তথা দেশের নারীশক্তিকে তুলে ধরতেই এই প্রচার শুরু করেছে কংগ্রেস। এ দিন প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে গিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বলেন, আমাদের প্রার্থী তালিকা এক নতুন বার্তা দিচ্ছে, আপনি যদি নির্যাতন বা হেনস্থার শিকার হন, তবে কংগ্রেস আপনাকে সমর্থন করবেই। নির্বাচনে কংগ্রেসের ৪০ শতাংশ টিকিটই মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে।उन्नाव में जिनकी बेटी के साथ भाजपा ने अन्याय किया, अब वे न्याय का चेहरा बनेंगी- लड़ेंगी, जीतेंगी!#Election2022 Rahul Gandhi (@RahulGandhi) January 13, 2022প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধিও টুইট করে লেখেন, বিজেপি উন্নাওয়ের কন্যার সঙ্গে অবিচার করেছিল। এবার উনি (নির্যাতিতার মা) সুবিচারের মুখ হবেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

WBMPAF: ওয়েস্ট বেঙ্গল মোশন পিকচার্স আর্টিস্টস ফোরামের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন

শনিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল মোশন পিকচার্স আর্টিস্টস ফোরামের বার্ষিক সাধরণ সভায় অনিষ্ঠিত হয়। এই সভায় নতুন সভাপতি নির্বাচিত হলেন টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক। কার্যনির্বাহী সভাপতি নির্বাচিত হলেন জীতেন্দ্র মাদনানি ওরফে জিৎ। সহ- সভাপতি পদে মোট পাঁচ জনের নাম আছে, তাঁরা হলেনঃ১। সব্যসাচী চক্রবর্তী২।সুমন্ত মুখোপাধ্যায়৩।কৌশিক সেন৪।অপরাজিতা আঢ্য৫। ভরত কল।সাধারণ সম্পাদকের পদে নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়। যুগ্ম সম্পাদক পদে দিগন্ত বাগচীর সঙ্গে নতুন নাম অঙ্কুশ হাজরা। নতুন দায়িত্ব পেয়ে খুশি অভিনেতা। তিনি জানিয়েছেন দায়িত্ব আরও বেড়েছে।শিল্পী সংগঠনের নতুন কমিটিতে সহকারী সম্পাদক কুশল চক্রবর্তী এবং শুভাশিস মিত্র। তাপস চক্রবর্তী কোষাধ্যক্ষ। সোহন বন্দ্যোপাধ্যায় থাকছেন সহকারী কোষাধ্যক্ষ পদে। পার্থসারথি দেব, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, আবীর চট্টোপাধ্যায়, পায়েল দে, শুভ্রজিৎ দত্ত, অনিন্দ্য চক্রবর্তী এবং শঙ্কর চক্রবর্তীকে নিয়ে তৈরি হয়েছে সাত সদস্যের কার্যনির্বাহী পরিষদ।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

MLA Arrested: নির্বাচনী প্রচারে কোভিড বিধি ভঙ্গের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি বিধায়ক

করোনা বিধি ভেঙে প্রচার করায় বিজেপি বিধায়ক সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করল চন্দননগর থানার পুলিশ। পরে থানায় জামিনও পেয়ে যায় বিজেপি নেতৃত্ব। চন্দনগরে রবিবাসরীয় পুরনির্বাচনী প্রচারে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে গোন্দলপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের আঙুলি হেলনে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অথচ সিপিম ও তৃণমূল করোনা বিধি না মেনে প্রচার করলেও তাদের দেখতেই পাচ্ছে না পুলিশ।চন্দননগরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সন্ধ্যা দাসের সমর্থনে রবিবার প্রচারে ছিলেন পড়শুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ, হুগলি জেলা বিজেপির সাংগঠনিক সভাপতি তুষার মজুমদার, জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সুরেশ সাউ। সঙ্গে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। কোভিড বিধি ভঙ্গের দায়ে চন্দননগর থানার পুলিশ গিয়ে বিজেপির প্রচার বন্ধ করে দেয়। কেন শতাধিক লোক নির্বাচনী প্রচারে এই প্রশ্ন তুলে বিজেপি নেতৃত্বকে চন্দননগর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নেতৃত্বে ছিলেন চন্দননগর থানার আইসি সৌমেন পাল। পরে প্রত্যেককে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থী সন্ধ্য়া দাসের সমর্থনে প্রচারে ছিলাম। আমরা ৫-৭জন ছিলাম। তারপর কয়েকজন কর্মী-সমর্থক ভিড় করে। পুলিশ অন্য়ায়ভাবে আমাদের গ্রেফতার করেছে। আমাদের ৬ জনকে থানায় নিয়ে আসে। থানা থেকে জামিন হয়। আমাকে পুলিশ কোভিড প্রোটোকলের কথা বলে। অথচ একসঙ্গে ২০ জন পুলিশ সেখানে গিয়েছিল। তাহলে পুলিশের প্রোটোকল কোথায় ছিল?মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে প্রচার, একে অপরের বিরুদ্ধে কোভিড বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে। বিধাননগর পুরনিগমের মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন করোনা বিধি মেনে চলার ছবি দেখা গিয়েছে। অন্য পুরসভাগুলিতেও ছিল একই চিত্র। বিজেপি বিধায়কের কথায়, পুলিশ বলছে শতাধিক লোক ভিড় করেছিল। কোথায় ছিল ১০০ জন? আমরা ৫-৬ জন ছিলাম। সিপিএমের প্রার্থী ২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার করছে। তৃণমূল ৫০ জন নিয়ে প্রচার করছে। পুলিশকে দিয়ে রাজনীতি বেশি দিন চলবে না।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
দেশ

5 States Election: করোনামুক্ত নির্বাচনের লক্ষ্যে ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোট শুরু ১০ ফেব্রুয়ারি, ফল ঘোষণা ১০ মার্চ, উত্তরপ্রদেশে ৭ দফায় নির্বাচন

দেশে করোনার সংক্রমণ গ্রাফ ফের একবার ঊর্ধ্বমুখী। তবে গণতন্ত্রের উৎসব থেমে থাকছে না। নির্ঘণ্ট মেনেই ভোট হবে উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ভোট। করোনা আবহে ভোট হতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, গোয়া, মণিপুর এবং উত্তরাখণ্ডে। এর আগে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ওই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়। উত্তরপ্রদেশের ৪০৩টি আসনে ভোট হয়েছিল সাত দফায়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরের ৬০টি বিধানসভা আসনে দুদফায়। পঞ্জাবের ১১৭, উত্তরাখণ্ডের ৭০ এবং গোয়ার ৪০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল এক দফাতেই।উত্তরপ্রদেশে ভোট হবে সাত দফায় ১০, ১৪, ২০, ২৩, ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ৩ ও ৭ মার্চ। পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড এবং গোয়ায় ভোট হবে এক দফায় ১৪ ফেব্রুয়ারি। মণিপুরে ভোট হচ্ছে দুই দফায় ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ৩ মার্চ। নির্বাচন হচ্ছে, তবে করোনার সংক্রমণ যাতে লাগামছাড়া না হয়ে যায়, তা নিশ্চিত করতে কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কোনও রোড শো, পদযাত্রা, সাইকেল বা বাইক র্যা লি ও মিছিলের অনুমতি দেওয়া হবে না। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে এবং তারপরে নতুন নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।বর্তমানের করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে, নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্যই হল ভোট এবং ভোটারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। শনিবার রাজধানীতে বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই এই কথা জানিয়ে দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র। ভোটারদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ৮০ বছরের বেশি বয়সি প্রবীণ নাগরিক, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং করোনা আক্রান্ত রোগীদের ভোট দেওয়ার জন্য বুথে যেতে হবে না বলেই জানিয়েছে কমিশন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমেই তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। মহিলাদের জন্য মহিলা পরিচালিত ভোটকেন্দ্র থাকবে। ১৬২০টি মহিলা পরিচালিত ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
দেশ

5 State Elections: পাঁচ রাজ্যে ভোটের দিন ঘোষণা শনিবার বিকেলেই

করোনা সংক্রমণের আবহেই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। করোনা ও ওমিক্রন সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে কিছুটা সংশয় দেখা দিলেও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, করোনাবিধি মেনে নির্ধারিত সময়েই বিধানসভা নির্বাচন হবে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টেয় সাংবাদিক বৈঠকে উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, মণিপুর এবং গোয়ার বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করবেন।ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যেই উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়া ও মণিপুরে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রতিটি রাজ্যে পরিদর্শন সেরেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের দাপটে দেশে হারে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার জন্য ৫ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে কিছুটা সংশয় দেখা দিয়েছিল। সেই কারণে দুদিন আগেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণের সঙ্গেও বৈঠকে বসে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠকে দেশের করোনা পরিস্থিতি, বিশেষত উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব, গোয়া ও মণিপুরে করোনা ও ওমিক্রন নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে যাবতীয় তথ্য জানান স্বাস্থ্য সচিব।এর আগে ২০১৭ সালে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ওই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশের ৪০৩টি আসনে ভোট হয়েছিল সাত দফায়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরের ৬০টি বিধানসভা আসনে দুদফায়। পঞ্জাবের ১১৭, উত্তরাখণ্ডের ৭০ এবং গোয়ার ৪০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল এক দফাতেই। ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের গণনা হয়েছিল ১১ মার্চ।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

Municipal Election: করোনা আক্রান্ত কমিশনের ৫ পর্যবেক্ষক, কোভিডবিধি মেনেই পুলিশি তত্ত্বাবধানে পুরভোট

রাজ্য পুলিশের তত্ত্বাবধানেই আগামী ২২ জানুয়ারি চার পুরসভার ভোটগ্রহণ হবে। ভোট প্রক্রিয়ার ওপর নজরদারির জন্য ১০০ শতাংশ বুথেই সিসিটিভি থাকবে। প্রতি বুথেই সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী থাকবে।বুধবার পুর ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের মধ্যে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।ওই বৈঠকে এবং পরে ভোটে নিযুক্ত পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে আরেক দফা বৈঠকে আসন্ন নির্বাচনে করোনা বিধি কঠোরভাবে পালন করতে কমিশনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত যে কেউ করোনাবিধি না মানলে বিপর্যয় মোকাবিলা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কমিশনের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ইতমধ্যেই কমিশন নিযুক্ত ১২ জন পর্যবেক্ষকের মধ্যে পাঁচ জনই করোনা আক্রান্ত বলে কমিশন সূত্রে খবর।এমত অবস্হায় পুরভোটের কারণে করোনা সংক্রমণের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফ একগুচ্ছ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ভোটগ্রহণের ৫ দিন আগে থেকে অর্থাৎ ১৭ থেকে ২১ শে জানুয়ারি পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পুরো এলাকা গুলির বুথে টিকাকরণের কাজ চলবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। প্রচার সবার ক্ষেত্রে জমায়াতের উর্ধ্বসীমা ৫০০ জন থেকে কমিয়ে ২০০ জন করার ব্যাপারেও চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য আগামী ২২ জানুয়ারি আসানসোল, চন্দননগর, শিলিগুড়ি, বিধাননগর এই চার পুরসভাতে ভোট হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Municipal Election: পুরভোটের প্রচারে রোড শো, পদযাত্রা নিষিদ্ধ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন

রাজ্যে চার পুরনিগমের নির্বাচনী প্রচারে রোড শো, পদযাত্রা নিষিদ্ধ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়েছে সাইকেল ও বাইক মিছিল। করোনার লাগামছাড়া সংক্রমণ বৃদ্ধির আবহে কোনওরকম বড় সভা করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিল কমিশন।কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, পুরভোটের প্রচারে কোনওরকম রোড শো এবং পদযাত্রা করতে পারবে না রাজনৈতিক দলগুলি। নিষিদ্ধ সাইকেল বা বাইক মিছিল। আগে যদি কোনও রাজনৈতিক দলকে রোড শো, সাইকেল বা বাইক মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়ে থাকে, তা-ও বাতিল করা হল।আগামী ২২ জানুয়ারি বিধাননগর, চন্দননগর, শিলিগুড়ি আসানসোলে পুরভোট রয়েছে। এই সময় সংক্রমণ বেলাগাম হতেই রবিবার কোভিড বিধিনিষেধ আরও কড়া করেছে রাজ্য সরকার। এই আবহে পুরভোটের প্রচারে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করল কমিশন। পুরভোটের প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করতে পারবেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ চার জন থাকতে পারবেন প্রচারে। কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, রাত ৮টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রচার করতে পারবে না রাজনৈতিক দলগুলি।নির্দেশিকায় কমিশন জানিয়েছে, প্রচারে কোনও বড় সমাবেশ করা যাবে না। বড় মাঠে রাজনৈতিক দলের সভায় সর্বোচ্চ ৫০০ জন উপস্থিত থাকতে পারে। ওই মাঠে ঢোকা এবং বেরনোর পথ আলাদা রাখতে হবে। যদিও চার দেওয়ালের ভিতর অর্থাৎ কোনও অডিটোরিয়াম বা কনফারেন্স হলে সভা হয়, সেখানে মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ উপস্থিত থাকতে হবে। তবে সেই সংখ্যা কখনওই ২০০-র বেশি হবে না।কমিশন আরও জানিয়েছে, ভোটের দিন একেবারে শেষ ঘণ্টায় অর্থাৎ বিকেল ৪টে থেকে ৫টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন কোভিড আক্রান্তরা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

TMC Candidate List: বিধাননগর পুরভোটে প্রার্থী হচ্ছেন কৃষ্ণা-সব্যসাচী, মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

বিধাননগর পুরভোটে শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হতে পারেন বিদায়ী মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এবং প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিধাননগর-সহ শিলিগুড়ি, চন্দননগর ও আসানসোলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা হয় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই সব্যসাচী এবং কৃষ্ণার ফের প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে যায়। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর পুত্র সমুদ্র বসুও বিধানগরের কোনও ওয়ার্ডে প্রার্থী হতে পারেন বলেও সূত্রের খবর।এ দিন কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের অন্যান্য শীর্ষস্তরের নেতাদের বৈঠকের পরই প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে ফিরহাদ হাকিম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেও প্রার্থীদের নাম নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। পরে রাতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায়, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই প্রার্থী করা হয়েছে সব্যসাচীকে। এই ওয়ার্ড থেকেই ২০১৫ তে জয়ী হয়েছিলেন তিনি।সব্যসাচীর টিকিট পাওয়া নিছক সময়ের অপেক্ষা ছিল বলেই দলের একটি অংশের মত। ২০১৫ সালে নতুন করে বিধাননগর পুরসভার তৈরি হওয়ার পর ওই বছর অক্টোবর মাসে তৃণমূলের হয়ে লড়ে ভোটে জিতে মেয়র হয়েছিলেন সব্যসাচী। কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর তৃণমূল-সব্যসাচী দূরত্ব তৈরি হলে মেয়র পদ থেকে ইস্তফা তিনি। পরে কলকাতা নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অমিত শাহের হাত ধরে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি-তে।বিধানসভা ভোটে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র প্রার্থীও হন সব্যসাচী। কিন্তু পরাজিত হন তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুর কাছে। চলতি বছর ৭ অক্টোবর বিধানসভায় তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে যোগ দেন তৃণমূলে। এ বার সেই সব্যসাচী ফের তৃণমূলের প্রতীকে প্রার্থী হতে পারেন।আবার ২০১৫ সালে বিধাননগর পুরসভার ভোটে জয়ী হয়ে চেয়ারপার্সন হন কৃষ্ণা। সব্যসাচী মেয়র পদ ছাড়তে তাঁর ওপরেই আস্থা রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবারও তিনি বিধাননগর পুরভোটে প্রার্থী হচ্ছেন। তাই তাঁর মেয়র হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। সব্যসাচী-কৃষ্ণার মধ্যে মেয়র হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিদায়ী মেয়রই।রাজারহাট নিউটাউটের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় এতদিন বিধাননগরের ডেপুটি মেয়র ছিলেন। কিন্তু এ বারের পুরভোটে তিনি প্রার্থী হবেন না বলেই খবর। বরং তাঁর কন্যাকে পুরভোটে তৃণমূলের প্রতীকে লড়াই করতে দেখা যেতে পারে।অন্যদিকে, শিলিগুড়ি পুরসভা ভোটে প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব। আবার আসানসোলের পুরভোটে প্রার্থী হবেন না প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমানে রানিগঞ্জের বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রার্থী হবেন না বলে তিনি স্বয়ং দলকে জানিয়ে দেওয়ায় তাঁর নামও বিবেচিত হয়নি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Municipal Elections: বাদ রইল হাওড়া, চার পুরনিগমে ভোট ঘোষণা কমিশনের, ফল ২৫ জানুয়ারি

হাওড়াকে বাদ দিয়েই আপাতত হবে পুরনিগমের ভোট। জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা জানান রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস। মঙ্গলবার এই ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। শিলিগুড়ি, বিধাননগর, আসানসোল, চন্দননগরে ভোট হচ্ছে ২২ জানুয়ারি। এবারও সব বুথে থাকছে সিসিক্যামেরা।২৫ জানুয়ারি ভোটের গণনা। ২৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু হবে। পুনর্নির্বাচনের দাবি থাকলে তা ২৪ জানুয়ারি হবে। সোমবার থেকেই জারি হয়ে গেল আদর্শ আচরণ বিধি। শুধুমাত্র যেখানে ভোট হবে সেই পুরনিগম এলাকায় আদর্শ আচরণ বিধি বলবৎ থাকবে।অন্যদিকে হাওড়ার ভোট যে এবারও ঝুলে রইল তাও স্পষ্ট। এখনও হাওড়া বিলে সই করেননি রাজ্যপাল। ফলে এ ভোটের জট যে কবে কাটবে তা কেউ জানে না। এদিন পুরভোট নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সর্বদল বৈঠক ছিল। মাঝপথে সেই বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে যায় সমস্ত বাম শরিক দল। অন্যদিকে কংগ্রেস, বিজেপিও এই বৈঠক বয়কট করে সোমবার। এদিন ১১১টি পুরসভার ভোট প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক ডেকেছিল নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের দাবি, তৃণমূল যাতে এক চেটিয়া ভোট করতে পারে সেই কারণে এই ভাবে নির্বাচন করতে চাইছে।১ নভেম্বর ২০২১ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী নির্বাচন হবে। ভোট হবে ইভিএমে। ২৮ ডিসেম্বর থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩ জানুয়ারি ২০২২। স্ক্রুটিনি ৪ জানুয়ারি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ৬ জানুয়ারি। কোথাও পুনর্নির্বাচন হলে তা হবে ২৪ জানুয়ারি। ২৮ জানুয়ারির মধ্যে ভোটপর্ব সমাপ্ত হবে।১ নভেম্বরের তালিকা অনুযায়ী ভোট হলে জানুয়ারিতে যিনি ভোটার হবেন তাঁরা তালিকাভুক্ত হবেন না। এ বিষয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস বলেন, আইন মোতাবেক আমি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তালিকাকেই গ্রহণ করতে পারি। এই ভোটার তালিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই একটা বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিরোধীদের দাবি, ৫ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে। কেন কিছুদিন অপেক্ষা না করেই ভোট করাচ্ছে কমিশন। এতে প্রচুর ভোটার বঞ্চিত হবেন বলেও দাবি তোলে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Municipality Elections: ২ দফায় বকেয়া পুরভোট, বিধাননগর, হাওড়া-সহ পাঁচ পুরনিগমে ভোট ২২ জানুয়ারি, বাকি ১০৯ পুরসভায় ২৭ ফেব্রুয়ারি

রাজ্যের বাকি পুরনিগম ও পুরসভাগুলিত কবে ভোট হবে, তা বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টকে জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এদিন কমিশন আদালতে জানিয়েছে, আগামী বছর ফেব্রুয়ারির মধ্যেই রাজ্যে বকেয়া পুরভোট মিটে যাবে। রাজ্যের পাঁচ পুরনিগমে ভোট হবে আগামী ২২ জানুয়ারি। আর বাকি ১০৯ পুরসভায় ভোট হতে চলেছে ২৭ ফেব্রুয়ারি।গত মঙ্গলবারই কলকাতা পুরভোটের ফল ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। বাকি পুরসভাগুলিতে কবে ভোট হবে, নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছিল হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, দুই দফায় রাজ্যের বকেয়া পুরভোট হবে। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রথম দফায় হাওড়া, বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল, চন্দননগর এই পাঁচ পুরনিগমে ভোট হতে চলেছে। বাকি বর্ধমান, কালনা, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, কাঁথি, হুগলি-সহ ১০৯টি পুরসভায় ভোট হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি।কলকাতা পুরভোটের দিন ঘোষণার পরেই দুটি জনস্বার্থ মামলায় জানতে চাওয়া হয়েছিল, রাজ্যের বাকি জেলাগুলির ১১৪টি পুরসভায় ভোট কবে হবে? কেনই বা এ ব্যাপারে দেরি করছে রাজ্য? বৃহস্পতিবার মামলাটি আদালতে উঠলে হলফনামা দিয়ে রাজ্যের বাকি পুরসভায় ভোটের দিনক্ষণ জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

KMC Election: কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিমই, ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ

মহারাষ্ট্র নিবাস থেকে কলকাতার নতুন মেয়রের নাম ঘোষণা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী পাঁচ বছরের জন্য কলকাতার মহানাগরিক হলেন ফিরহাদ হাকিম। পুরসভার চেয়ারম্যান হলেন মালা রায়। এদিন শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের জয়ী ১৩৪ জন কাউন্সিলরকে অভিনন্দন জানান। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী নতুন চেয়ারম্যানের নাম প্রস্তাব করেন। কলকাতা পুরসভার চেয়ারম্যান হিসাবে মালা রায়ের নাম প্রস্তাব করেন সুব্রত বক্সী। কলকাতা পুরসভার দলনেতা হিসাবে ফিরহাদ হাকিমের নাম প্রস্তাব করেন বক্সী। দুই প্রস্তাবেই উঠে আসে সমর্থনের হাত।ডেপুটি মেয়র হলেন অতীন ঘোষ। ১৩ জন মেয়র পরিষদের সদস্য হলেন। নাম রয়েছে দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মজুমদার, বাবু বক্সী, আমিরুদ্দিন ববি, সন্দীপন সাহা, জীবন সাহা, রাম পেয়ারী রাম, অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, তারক সিং, মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবন সাহা, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, স্বপন সমাদ্দারের।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের ১৬টা বরোর মধ্যে ১০টি বরো কমিটির চেয়ারম্যানই মহিলা। এটা মহিলাদের এমপাওয়ারমেন্টের একটা প্রকাশ। খুব ভাল করে কাজ করুন। খুব ভাল থাকুন। মালা রায় চেয়ারপার্সন হয়েছেন। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথের যে বিষয়গুলি আছে, সেগুলি সেরে ফেলতে হবে।কলকাতার মহানাগরিক পদে বসেই ফিরহাদ হাকিম বলেন, জীবন যদি যায় যাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বাসকে ভঙ্গ হতে দেব না। তাঁর আদর্শ, বিশ্বাস নিয়েই এতদিন পুরবোর্ড চলেছে। এরপরও চলবে। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে হেঁটে আমরা শুধু কাজ করে যাব। আমৃত্যু ওনার বিশ্বাসের মর্যাদা দিয়ে উনি যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা পালন করব।একই সঙ্গে ১৬টি বরোর চেয়ারম্যানের নামও এদিন ঘোষণা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ১ নম্বর বরো কমিটির দায়িত্বে তরুণ সাহা, ২ বরো সামলাবেন শুক্লা ভোঁড়, ৩ বরো অনিন্দ্যকিশোর রাউত, ৪ বরোয় সাধনা বোস, ৫ বরো রেহানা খাতুন, ৬ বরো সানা আহমেদ, ৭ বরো সুস্মিতা ভট্টাচার্য, ৮ বরো চৈতালী চট্টোপাধ্যায়, ৯ বরো দেবলীনা, ১০ বরো জুঁই বিশ্বাস, ১১ বরো তারকেশ্বর চক্রবর্তী, ১২ বরো সুশান্ত ঘোষ, ১৩ রত্না শূর, ১৪ বরো সংহিতা দাস, ১৫ বরো রঞ্জিত শীল, ১৬ বরো সুদীপ পোলে।এই মঞ্চ থেকেই নব নির্বাচিত কাউন্সিলরদের বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাদ বাকি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাউন্সিলররা আছেন। ধীরে ধীরে আমরা পারফরম্যান্স দেখব। আমরা কাজের রিভিউ করব। যাঁরা ভাল কাজ করবেন, ভাল পাবেন। যাঁরা ভাল কাজ করবেন না তাঁদের জন্য দল সিদ্ধান্ত নেবে। দলের উপর বিশ্বাস রাখুন সব হবে। ব্যক্তিগত লবি নয়। একটাই লবি, দল একটাই। আমাদের সবার নেতা কিন্তু জোড়া ফুলটাই। জোড়া ফুলের নেতা মা মাটি মানুষ।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Municipal Election: বাকি ১১০টি পুরসভায় ভোট হতে পারে ফেব্রুয়ারির মধ্যে!আজ হলফনামা পেশ করতে পারে কমিশন

কলকাতার পর রাজ্যের বাকি জেলাগুলিতে পুর নির্বাচন কবে হবে তার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বাকি জেলাগুলির পুরসভাগুলিতে দুদফায় পুর নির্বাচন শেষ করার কথা ভাবছে রাজ্য। সেক্ষেত্রে দুটি তারিখও ভাবা হয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের মোট ১১২টি পুরসভার মধ্যে ১১০টি পুরসভায় ভোট হতে পারে। কলকাতার ভোট ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। রাজ্যপালের অনুমোদন না পাওয়ায় আপাতত বাকি থাকবে হাওড়া এবং বালির পুরভোটও। এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামাও জমা দিতে পারে কমিশন।কলকাতা পুরভোটের দিন ঘোষণার পরেই দুটি জনস্বার্থ মামলায় জানতে চাওয়া হয়েছিল, রাজ্যের বাকি জেলাগুলির ১১১টি পুরসভায় ভোট কবে হবে? কেনই বা এ ব্যাপারে দেরি করছে রাজ্য? কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এরপর এই প্রশ্ন করে রাজ্যকে। ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। কমিশন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দুপুরেই রাজ্যের বাকি জেলার পুরসভাগুলির ভোটের সম্ভাব্য দিন জানাবে কমিশন। মে মাসের মধ্যে পুরভোটে শেষ করার কথা রাজ্যে। কমিশন তার আগেই দুদফায় রাজ্যের ১১০টি পুরসভায় নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বলবে বলে জানা গিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Congress: পুরভোটের দিন কংগ্রেস প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মার, হাইকোর্টে মামলা

পুর ভোটের দিন নগ্ন করে রাস্তায় ফেলে মারধর করার অভিযোগ। নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে কংগ্রেস প্রার্থী। আদালতের দ্বারস্থ হলেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী রবি সাহা। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা। উল্লেখ্য, রবিবারের পুরভোটে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে সব বিরোধী দলগুলি। রবিবাবুর হয়ে আদালতে লড়ছেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। তিনি পুলিশি নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ করেছেন। দুষ্কৃতীরা এখনও কেন গ্রেফতার হয়নি সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।ভোটের রাতে আক্রান্ত হন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রাথী রবি সাহা। তাঁকে রাস্তায় ফেলে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে। প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মারধরের সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, মার খেতে খেতে বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তাতেই পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। ইতিমধ্যে বটতলা থানার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে তিনি লিখেছেন, রাত ১১ টা ১৫ মিনিট নাগাদ তিনি লোহাপট্টি এলাকায় জিনিস কিনতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই তাঁকে আক্রমণ করে এলাকার কিছু যুবক। রবিবাবুর অভিযোগ, ভোট চলাকালীন বুুুুথের কাছে ভিড় হটিয়ে দিচ্ছিলাম পুলিশকে জানিয়ে। সেই ভিডিও তুলেছি। এই রাগে আমার ওপর আক্রমণ করা হয়। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান অধীর চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় গণতন্ত্র নয়, চলছে বর্বর দিদিতন্ত্র। একজন মানুষকে জনসমক্ষে নগ্ন করে বেধড়ক পেটানো হল কলকাতার রাজপথে। কী তাঁর অপরাধ? তাঁর অপরাধ তিনি কংগ্রেসের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন? ছিঃ দিদি ছিঃ। ধিক্কার।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Bannerjee: বিপুল জয়ে কলকাতাবাসীকে ধন্যবাদ অভিষেকের

সকাল থেকেই শহরজুড়ে ঝোড়া ব্যাটিং করছে তৃণমূল। ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুরনিগমে তৃণমূলের বোর্ড গঠন এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বিজয়োল্লাসে মেতেছেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। আর এরই মধ্যে কলকাতাবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুইট করলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।People of Kolkata have once again proven that politics of HATE VIOLENCE have NO PLACE in BENGAL!I thank everyone for blessing us with such a huge mandate. We are truly humbled and shall always remain committed in our goals towards YOUR BETTERMENT!Thank you Kolkata 🙏 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) December 21, 2021তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক টুইটে লেখেন, কলকাতার মানুষ আবারও প্রমাণ করে দিয়েছেন, বাংলায় ঘৃণা এবং হিংসার রাজনীতির কোনও জায়গা নেই। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের রায়ের জন্য আমি প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের উন্নয়নের যে লক্ষ্য আমরা নিয়েছি, তার প্রতি আমরা সবসময় নিয়োজিত থাকব এবং কখনও এই পথ থেকে বিচলিত থাকব না।ভোটে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় মোটামুটি নিশ্চিত হতেই কলকাতার মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২৩শে ডিসেম্বর নতুন মেয়রের নাম প্রস্তাব করা হবে। সেদিন দুপুরে কলকাতায় মহারাষ্ট্র ভবনে এই অনুষ্ঠান হবে। কলকাতা বিমানবন্দরে এ কথা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

TMC: লালবাড়ি দখলে বিশাল জয় তৃণমূলের, একনজরে দেখে নিন কোন ওয়ার্ডে কে জিতলেন

পুরসভা নির্বাচনে রীতিমতো রেকর্ড গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি করে ছোট লালবাড়ি দখল করেছে ঘাসফুল শিবির। বিধানসভা ভোটের হিসেবে, কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ড অঞ্চলে তৃণমূলের ভোট ছিল ৫৯.০৩ শতাংশ। সেখানে বিজেপির ভোট ছিল ৩২.৯২ শতাংশ। কলকাতা পুরভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের ভোট বেড়ে হয়েছে ৭১ শতাংশ এবং বিজেপির ভোট কমে হয়েছে ৮.৯ শতাংশ। অর্থাৎ বিজেপি-র ভোট কমেছে প্রায় ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ। এই ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ ভোটের একটা সিংহভাগ অংশ তৃণমূলের দিকে গেলেও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে বামেদের দিকে। ফলত বামেদের ভোট ৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১১.৪ শতাংশ।কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরোর ১৪৪টি ওয়ার্ডের ভোট গণনা। রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে সাড়ে ৯০০ প্রার্থীর। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ওয়ার্ডে জিতেছেন কোন প্রার্থী-১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের কার্তিক মান্না।২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের কাকলি সেন।৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের দেবীকা চক্রবর্তী ।৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের গৌতম হালদার।৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের তরুণ সাহা ।১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অতিন ঘোষ।১২ নম্বর বরোর সব ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস।১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অনিন্দ রাউত।১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অমল চক্রবর্তী।২০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিজয় উপাধ্যায়।২১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মীরা হাজরা।২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিত।২৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী বিজয় ওঝা।২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের তারক চক্রবর্তী ।২৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অয়ন চক্রবর্তী ।২৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ইকবাল আহমেদ।৩০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের পাপিয়া ঘোষ বিশ্বাস।৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের পরেশ পাল।৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অলকানন্দা দাস।৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের শচিন সিং।৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোমা চৌধুরী ।৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মহম্মদ জসিমুদ্দিন।৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সুপর্ণা দত্ত।৪১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের রীতা চৌধুরী ।৪২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী মহেশ শর্মা।৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী আয়েশা কানিজ।৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক।৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিমল সিং।৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিশ্বরূপ দে।৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়।৫০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ।৫১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল কুমার।৫২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোহিনী মুখোপাধ্যায়।৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সবিতারানি দাস।৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন।৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সুস্মিতা ভট্টাচার্য চট্টোপাধ্যায়।৬৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী শাম্মি জাহান বেগম।৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের নিবেদিতা শর্মা।৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিজনলাল মুখোপাধ্যায়।৭২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সন্দীপ বক্সী।৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৬,৪৯৩ ভোটে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়।৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের দেবলীনা বিশ্বাস।৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নিজামুউদ্দিন শামস।৭৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ষষ্ঠী দাস।৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের শামিমা রেহান খান।৭৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোমা দাস।৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের রামপেয়ারে রাম।৮০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী আনোয়ার খান।৮১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী জুঁই বিশ্বাস।৮২ নম্বর ওয়ার্ডে ১৪,৮৬৭ ভোটে জয়ী ফিরহাদ হাকিম।৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী প্রবীর মুখোপাধ্যায়।৮৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী পারমিতা চট্টোপাধ্যায়।৮৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের দেবাশিস কুমার।৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী সৌরভ বসু।৮৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী মালা রায়।৮৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী মমতা মজুমদার।৯১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়।৯২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী সিপিএম প্রার্থী মধুছন্দা দেব।৯৬ ওয়ার্ডে জয়ী বসুন্ধরা গোস্বামী।১০১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত।১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৬ ভোটে জয়ী সিপিএম প্রার্থী নন্দিতা রায়।১০৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তারকেশ্বর চক্রবর্তী ।১০৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের অরিজিৎ দাস ঠাকুর।১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের লিপিকা মান্না।১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সুশান্ত কুমার ঘোষ।১১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী স্বরাজ মণ্ডল।১১২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী গোপাল রায়।১১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অনিতা কর মজুমদার।১১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ মণ্ডল১১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী রত্না শূর।১১৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণা সিং।১১৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের অমিত সিং।১১৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের তারক সিং।১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কাকলি বাগ।১২০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সুশান্ত ঘোষ।১২১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের রূপক গঙ্গোপাধ্যায়।১২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সোমা চক্রবর্তী।১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়।১৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী রুবিনা নাজ।১৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেসের ওয়াসিম আনসারি।১৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের আবু মহম্মদ তারিক।১৪১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী পূর্বাশা নস্কর।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
রাজনীতি

Municipal Election: কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে, বিরোধীদের ত্রিফলা আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা পুরভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডই তৃণমূল কংগ্রেসের ল্যান্ডস্লাইড ভিকট্রির ইঙ্গিত দিচ্ছে। একটা বিষয় স্পষ্ট যে কলকাতা কর্পোরেশনে ফের বোর্ড গঠন করতে চলেছে শাসকদল। গুয়াহাটি সফরের আগে এই ফলাফলের জন্য মানুষকে ধন্যবাদ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Heartiest congratulations to all candidates for your victory in the KMC elections. Remember to serve people with utmost diligence and gratitude!I wholeheartedly thank every single resident of KMC for putting their faith on us, once again. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) December 21, 2021তৃণমূল নেত্রী বলেন, আমি সকল মানুষ ও ভাই-বোনদের প্রণাম, অভিনন্দন এবং সেলাম জানাই। গণ উৎসবের মতো করে এই নির্বাচন হয়েছে। এটা গতন্ত্রের জয়। উৎসবের মতো করে ভোট হয়েছে। গণ উৎসবে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। আমরা মা-মাটি-মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনারা যত আশীর্বাদ দেবেন, তত মাথা নত করে কাজ করব। কলকাতা আমাদের গর্ব। বাংলা আমাদের গর্ব। কলকাতা এবং বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে।একযোগে বিজেপি, কংগ্রেস এবং বামেদের কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম মানুষের ভোটে হেরেছে। এই রায় আমাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে আরও সাহায্য করবে। আমরা মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষ। তাই এই ফলাফল। বিজেপি ভোকাট্টা। সিপিএম নোপাত্তা। কংগ্রেস স্যান্ডউইচ হয়ে গিয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 27
  • 28
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal