• ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ear

কলকাতা

খসড়া তালিকায় নাম নেই! এসআইআর শুনানির নোটিস সাংসদ কাকলির পরিবারে, ব্যাখ্যা কমিশনের

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই। এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে বারসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দুই পুত্রকে। শুধু তাই নয়, হাজিরার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁর মা এবং বোনকেও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই মুখ খুলেছে নির্বাচন কমিশন।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কেন সাংসদের পরিবারের সদস্যদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। কমিশনের দাবি, এনুমারেশন ফর্মে লিঙ্কেজ সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। টুইট করে স্পষ্ট করা হয়েছে, এটি কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ নয়। পাশাপাশি কমিশন জানিয়েছে, সাংসদের বৃদ্ধা মাকে শুনানির জন্য বাইরে আসতে হবে না। বাড়িতেই গিয়ে তাঁর শুনানি সম্পন্ন করা হবে।এই নিয়ে আগে থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি জানিয়েছিলেন, খসড়া ভোটার তালিকা দেখতে গিয়ে দেখা যায়, তাঁর দুই ছেলের নাম নেই। তাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। কাকলির কথায়, তাঁদের বাবা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার। তিনি নিজে চারবারের সাংসদ। তাঁর দুই পুত্র সরকারি চাকুরে। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। এতে এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।কাকলি আরও বলেন, তাঁর মা এবং বোন অন্য বুথের ভোটার। অথচ তাঁদের নামও খসড়া তালিকায় নেই। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার যাঁদের তেমন যোগাযোগ বা ধারণা নেই, তাঁরা শুনানির নামে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। জোর করে নাম বাদ দিয়ে সমস্যায় ফেলার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের।খসড়া তালিকায় নাম না ওঠা নিয়ে প্রথম থেকেই এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর বক্তব্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একই বুথের ভোটার। তাঁর দুই পুত্র প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক। তা সত্ত্বেও কীভাবে একসঙ্গে পরিবারের চার জনের নাম বাদ পড়ে এবং শুনানির ডাক আসে, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর চান তিনি।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

ভূমিকম্প! কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে, স্পষ্ট অনুভুত কম্পন, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫.৫, উৎসস্থল বাংলাদেশ

শুক্রবার সকালেই আচমকা আতঙ্ক। ঘড়ির কাঁটা তখন প্রায় ১০টা ৮ মিনিট। কোনও পূর্বাভাস ছাড়াই কেঁপে উঠল কলকাতা-সহ গোটা রাজ্য। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে দক্ষিণের কাকদ্বীপসর্বত্র অনুভূত হল ভূমিকম্পের দোল। ঘরের পাখা, চেয়ার, টেবিল, দেওয়ালের ছবি একের পর এক দুলে ওঠায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মধ্যে। বহু এলাকায় বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। যদিও এখনো পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।কোথায় ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র?আমেরিকার জিওলজিক্যাল সার্ভে (USGS) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। কেন্দ্রস্থল ছিল বাংলাদেশের নরসিংদী থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে, মাটি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। উৎসস্থলের অগভীরতার কারণেই জোরালো ভাবে কেঁপে ওঠে দুই দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল।বাংলাদেশে আতঙ্ক, রাস্তায় নেমে এলেন মানুষপ্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশেও ভয়াবহ দোল অনুভূত হয়। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ও বরিশাল পর্যন্ত কম্পন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর বহু মানুষ নিরাপত্তার জন্য বাড়ি থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। সমাজমাধ্যমে শেয়ার হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়বিল্ডিং থেকে দ্রুত নেমে আসছেন অধিবাসীরা, কোথাও ঝাড়বাতি বা সিলিং ফ্যান দুলছে প্রবল দোলনে।কলকাতায় অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতাকলকাতা সাধারণত বড় ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল নয়। তাই এই ধরনের তীব্র কম্পন শহরে খুবই বিরল। শীতের আমেজে অনেক বাড়িতেই সিলিং ফ্যান বন্ধ ছিল, ফলে কম্পন আরও স্পষ্ট দেখা যায় বলে জানান শহরের বাসিন্দারা। বিভিন্ন জায়গায় ঝুলে থাকা লাইট, দেওয়ালে টাঙানো ছবি দুলে ওঠার দৃশ্য ধরা পড়েছে।হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনাসব জায়গাতেই এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষায়, দোলন অন্তত কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল।সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে পড়েছেভূমিকম্পের পরপরই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে নানা ভিডিও ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন সাধারণ মানুষ। কারও বাড়ির সিলিং ফ্যান দুলছে, কোথাও আবার কর্মীরা অফিস থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসছেনএমন বহু দৃশ্য ভাইরাল হয়েছে ইতিমধ্যেই। যাঁর সত্যতা জনতার কথা যাচাই করেনি।বর্তমান পরিস্থিতিএখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কলকাতা ও বঙ্গের বিভিন্ন দমকল ও প্রশাসনিক দফতর সতর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রস্থল অগভীর হওয়ায় কম্পন তীব্র অনুভূত হলেও বড় বিপর্যয় হয়নি।রাজ্যজুড়ে এই অস্বাভাবিক ভূমিকম্পে সতর্কতা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শপরবর্তী ২৪ ঘণ্টা সাবধান থাকা, বাড়ির ভারী জিনিসপত্র স্থিরভাবে বাঁধা রাখা এবং প্রয়োজনে খোলা জায়গায় সরিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখা জরুরি।

নভেম্বর ২১, ২০২৫
দেশ

গোপনে পরমাণু বিস্ফোরণ? পাকিস্তানকে ঘিরে ফের ছায়াযুদ্ধের গন্ধ, এবার বিস্ফোরক বার্তা দিলেন রাজনাথ সিং

অপারেশন সিঁদুরের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে চাপের মুখে পাকিস্তান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি ইসলামাবাদ গোপনে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে! ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ভূ-রাজনৈতিক তোলপাড়। আর সেই দাবিকে ঘিরে রবিবার পাকিস্তানকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজনাথ সিং বলেন, ওরা যদি সত্যিই পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা করে, তাহলে করুক। ওদের থামানো যাবে না। তবে ভারতও যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। প্রশ্ন ওঠে, পাকিস্তান যদি সত্যিই পরমাণু বিস্ফোরণ চালায়, ভারতও কি পাল্টা পরীক্ষা করবে? রাজনাথের জবাব, আগে ওরা করুক, তারপর দেখা যাবে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান, রাশিয়া, চিন এবং উত্তর কোরিয়া এই চার দেশ গোপনে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে একাধিক ভূমিকম্প আসলে গোপন পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফল। বিশেষ করে এপ্রিল-মে মাসে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে যে ৪.০ থেকে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল, তা ১৯৯৮ সালে পাকিস্তানের চাগাই-১ ও চাগাই-২ বিস্ফোরণের তীব্রতার সঙ্গে মিলে যায়।এই দাবির পরই আন্তর্জাতিক পরমাণু নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। ইসলামাবাদ যদিও এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে মুখ খোলেনি। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া এসেছে বেশ কড়া ভাষায়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, পাকিস্তানের গোপন ও বেআইনি পারমাণবিক কর্মকাণ্ড কোনও নতুন বিষয় নয়। দশকের পর দশক ধরে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক রপ্তানি আইন ভেঙে, চোরাপথে চুক্তি করেছে। ভারত বরাবরই সেই তথ্য আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরেছে।ট্রাম্পের দাবি ও রাজনাথ সিংয়ের মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। দক্ষিণ এশিয়ায় ফের বাড়ছে পারমাণবিক তাপমাত্রা। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের গোপন পরীক্ষা নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং ভবিষ্যতের একটি বড় সংঘাতের ইঙ্গিতও বটে।ভারতীয় কূটনীতিক মহলের দাবি, ইসলামাবাদকে ঘিরে এখন আন্তর্জাতিক নজরদারি বাড়বে। আর নয়াদিল্লি জানিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান যতই গোপনে ষড়যন্ত্র পাকাক, ভারত প্রস্তুত আছে প্রত্যেক পরিস্থিতির জন্য।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
বিদেশ

“পৃথিবী ১৫০ বার ধ্বংস করতে পারি”—ট্রাম্পের বিস্ফোরক হুমকি!

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিস্ফোরক মন্তব্য করে বিতর্কের কেন্দ্রে। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবিতে নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে প্রচার করছিলেন তিনি। দাবি করেছিলেন, তাঁর নেতৃত্বে আমেরিকা নাকি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছে। কিন্তু নোবেল না পেতেই সুর বদলএবার তিনি ঘোষণা করলেন, আমেরিকার কাছে রয়েছে এত পারমাণবিক অস্ত্র আছে, যা দিয়ে পৃথিবী ১৫০ বার উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা যদি পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ রাখে আর প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলি যদি পরীক্ষা চালিয়ে যায়, তা হলে ক্ষতি শুধুই আমেরিকার। তাই ৩৩ বছর পর আবার পারমাণবিক বিস্ফোরণ পরীক্ষা চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া এবং পাকিস্তান গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা করছে। আমেরিকা একা ভদ্র থাকলে চলবে না।নোবেল হাতছাড়া হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্পের এই কড়া ভাষা নজর কাড়ছে। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবুও তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ যখন আরও শক্তি বাড়াচ্ছে, তখন আমেরিকা পিছিয়ে থাকবে না। তাঁর দাবি, আমেরিকার হাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক ভান্ডার। রাশিয়ার অনেক আছে, চীনও দ্রুত বাড়াচ্ছে। আমরাও প্রস্তুত।তবে এখানেই শেষ নয়। সম্প্রতি ভারতপাকিস্তান সীমান্ত উত্তেজনা থামাতে ভূমিকা নেওয়ার দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। বলেছিলেন, তিনি যুদ্ধ থামাতে চান, নিরীহ মানুষ বাঁচাতে চান। অথচ এখনই তাঁর নতুন বার্তাশান্তি নয়, শক্তিই আসল।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
বিদেশ

আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি! ভূকম্পন ভারতেও

আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তান সীমান্তের কাছে রবিবার গভীর রাতে ৬.০ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। আমেরিকার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) এ তথ্য জানিয়েছে।ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের বাসাউল (Bāsawul) শহরের প্রায় ২২ মাইল উত্তর দিকে এবং এর গভীরতা ছিল ৬.২ মাইল। স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে এটি অনুভূত হয়।নানগারহার জনস্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র নাকিবুল্লাহ রহিমি জানান, ভূমিকম্পে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে।প্রায় ২০ মিনিট পর একই প্রদেশে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মাত্রা ছিল ৪.৫ এবং গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।আমেরিকার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার প্রকাশিত মানচিত্রে ভূমিকম্পের অবস্থান দেখানো হয়েছে।আফগানিস্তান ইউরেশীয় ও ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি প্রায়ই ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে ৬.৩ মাত্রার আরেকটি ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে তালেবান সরকারের হিসাব অনুযায়ী অন্তত ৪,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে রাষ্ট্রসঙ্ঘের হিসাবে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ১,৫০০ জনের। এটি সাম্প্রতিক ইতিহাসে আফগানিস্তানের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল।ইউনিসেফ জানিয়েছিল, নিহতদের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি নারী ও শিশু।এর আগে ২০২২ সালের জুন মাসে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল, যাতে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং দেড় হাজারের বেশি আহত হয়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

টলিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব ED-র, কারণ জানলে তাজ্জব হবেন!

কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ED টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে তলব করেছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ইডির কলকাতার সিএজিও কমপ্লেক্সের দফতরে অঙ্কুশ হাজরাকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যদিও অঙ্কুশ বা তাঁর প্রতিনিধি কারও তরফেই ইডির সমন প্রসঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর আগেও নানা ঘটনায় টলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।গত বছর থেকে, বলিউড এবং দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র তারকাদের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের অবৈধ অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচার নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত করছে। ইতিমধ্যেই এই তালিকায় নাম রয়েছে রানা দত্তুগুথি, বিজয় দেবেরাকোন্ডা (Vijay Deverakonda), প্রকাশ রাজ (Prakash Raj), হরভজন সিং, উর্বশী রাউতেলা এবং সুরেশ রৈনার মতো তারকাদের।এবার অঙ্কুশ হাজরাও সেই তালিকায় রয়েছেন। জানা গেছে যে নিষিদ্ধ অনলাইন বেটিং অ্যাপ প্ল্যাটফর্মের প্রচারের বিষয়ে ইডির চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে অভিনেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে, বাঙালি অভিনেতাকেও ইডি অফিসে হাজির হতে হবে।সূত্র জানিয়েছে, যে বেটিং কোম্পানিগুলি তাদের অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট প্রচারের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে। যেহেতু জনপ্রিয় তারকারা এই বিজ্ঞাপনের সাথে যুক্ত, তাই স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহারে প্রভাবিত হচ্ছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
দেশ

রক্ত ও জল একসঙ্গে নয়, স্বাধীনতা দিবসে ফের মোদীর আগুনে হুঙ্কার

আজ দেশের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে রাজধানী দিল্লির লালকেল্লা থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে তেরঙ্গা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীতের পর তিনি ভাষণ শুরু করেন। এদিন তিনি স্পষ্ট বার্তা দেনভারত আর কোনওভাবেই পারমাণবিক হুমকি বা ব্ল্যাকমেলিং সহ্য করবে না।অপারেশন সিঁদুরে অংশ নেওয়া সেনাদের স্যালুট জানিয়ে মোদী বলেন, সাহসী জওয়ানরা শত্রুকে কল্পনার বাইরে শাস্তি দিয়েছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দিল্লিজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে; ১০ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী ও ৩ হাজার ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন হয়েছে।জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মোদী বলেন, প্রতিটি ঘরে তেরঙ্গা উড়ছেহোক তা মরুভূমি, হিমালয়, সমুদ্রতট বা শহর। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানান এবং ১৪০ কোটি মানুষের সম্মিলিত সংকল্পকে দেশের গর্ব বলে উল্লেখ করেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেন।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
শিক্ষা

জেলিফিশ বা স্টারফিশ কি ভূমিকম্পের আগাম সর্তকতা দিতে পারে? কি জানাচ্ছেন পরিবেশবিদ ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত?

সম্প্রতি ভূমিকম্পের সময় সৈকত শহর দীঘা ঘুরে আসা পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক, জাতীয় শিক্ষক, শিক্ষারত্ন, জাতীয় মেন্টার, স্টেম এডুকেটর ও বিশিষ্ট পরিবেশবিদ ও গবেষক কি বলছেন শুনে নেব।ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত ১৯৮৬ -১৯৮৭ কলেজ লাইফ থেকে শিক্ষামূলক ভ্রমণ ও বেড়াবার জন্য ২০২৪ পর্যন্ত অন্তত দশবার দিঘার সমুদ্র বেড়াতে গেছেন, এবং সাতবার পুরীর সমুদ্র গেছেন । প্রথম যখন সরকারি অতিথিশালার সামনে নিউ দীঘায় যান, তখন নিউ দীঘা থেকে খুব সহজেই সি-বিচ ধরে ওল্ড-দিঘা ও মোহনা পায়ে হেঁটে যাওয়া যেত । তখন সৈকতে প্রচুর বিভিন্ন রকমের সামুদ্রিক জীবজন্তু দেখা পাওয়া যেত । কিন্তু বছর তিন চারেক পর ১৯৯১ থেকেই ওল্ড দিঘা সমুদ্র সৈকতের কিনারা ধরে হেঁটে যাওয়া যেত না, এবং জীবজন্তু আগের মত আর পাওয়া যেত না, পরিমাণও কমতে শুরু করে। ২০২৩-২৪ এর আগে জেলিফিশ জেলেদের মাছ ধরার জালে এলেও কখনো দীঘার ব্যাককারেন্টে বা ভাটার সময় সমুদ্র সৈকতে দেখা যেত না। সম্প্রতি ড. দত্ত ২৪ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ যখন দিঘার সমুদ্রে প্রাতঃভ্রমণে বের হন সকালবেলায় অসংখ্য এধার উধার ছড়িয়ে তারার মত স্টারফিশ, এবং জেলির মতো স্বচ্ছ ছাতার মত হালকা নীলাভ দাগ কাটা জেলিফিশ জলে ঢেউয়ের সঙ্গে ভাসতে দেখতে পান। তিনি জানান, এইরকমই দুটি জেলিফিশ ব্যাক কারেন্টে আটকে গেল। তার পাশাপাশি অসংখ্য তারামাছ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকলো । জেলিফিসের উপরের তল অর্থাৎ অ্যাবরাল সাইডে প্রচুর ছোট স্টারফিস ছোট ছোট শামুক, ঝিনুক, ও মাছ দেখতে পেলেন। ওরাল সাইডে বিভিন্ন জুওয়েড সহ হলুদ রঙের গোনোজুওয়েড। এখন ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত কি বলছেন; তিনি কিছু ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের নিয়ে জেলিফিস টিকে জলে ভাসিয়ে দিতে সমর্থ হলেন। কিছুটা চুপসে যাওয়া জেলিফিস গাড়ির টায়ারের মতো বা ছাতার মতো দেখতে লাগলো। সেইদিন দেখেছিলেন আগের দিনের থেকে সমুদ্র বেশ কিছুটা ক্ষেপে উঠেছে। ঢেউগুলো অনেক বেশ বড় বড় আকার নিচ্ছিল এবং তীর পর্যন্ত চলে আসছিল। তখন বোঝা যায়নি কেন এরকম হচ্ছিল।ফেব্রুয়ারি ২৫ তারিখ সকাল ছয়টা দশে ভূমিকম্প দিঘা-তে কম্পন এর মাত্রা ছিল ৫.৩০ যেটার উৎপত্তি সমুদ্রের ২৩ কিলোমিটার গভীর, এবং ১৩১ কিলোমিটার পূর্ব বঙ্গোপসাগরে।এখন ডক্টর সুভাষচন্দ্র দত্ত কি মনে করছেন?তার প্রশ্ন হলো ২০২৩ সালের আগে জেলিফিশ সেভাবে কখনো আসেনি? ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে দেখা গিয়েছিল। তারা মাছও এত সংখ্যায় দেখা যায়নি? বাড়ি এসে বিভিন্ন জার্নালের লিটারেচার সার্ভে করে ডক্টর দত্ত দেখলেন যে জলের দূষণ, তাপমাত্রা, চাপ, তাপ, চৌম্বকত্ব, তীব্রতা, কম্পাঙ্ক, প্লবতা, বিভিন্ন ভারী ধাতু বিশেষ করে ক্যাডমিয়াম, নিকেল, পারদ এর প্রাচুর্যতা ও প্লাস্টিক দূষণ, অত্যাধিক মাছের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত মাছ ধরা, মানুষের কার্যকলাপ, এবং জলবায়ুর পরিবর্তন ইত্যাদি জেলিফিশ কে বিব্রত করে তাদের বাস্তুতন্ত্রে থাকতে এবং এরা সক্রিয়ভাবে সারা দেয় ও ওই ইকোলজিক্যাল নিচ বা থাকার জায়গা থেকে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে। পিঁপড়ে, পাখি, হাতি, ইঁদুর, এবং বিভিন্ন প্রাণীরা যেমন আগে থেকে বুঝতে পারে ভূমিকম্পের কথা।এই সমস্ত কারণে তিনি মনে করেন জেলিফিশ ও স্টারফিস রা ২৪ তারিখে ভূমিকম্পের কথা আগাম বুঝতে পেরে ছিল এবং তাদের বাস্তুতন্ত্র ছেড়ে সমুদ্র সৈকতে চলে এসেছিল। ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত একই ঘটনা চাক্ষুষ করেছিলেন ২০০৪ সালের ২৪ শে ডিসেম্বর সমুদ্রের ভূমিকম্পে তথা সুনামিতে। সেই সময় সমুদ্রের জল পিছিয়ে গেছিল, সমুদ্রের তলদেশ ওঠা নামা করছিল, এবং বিভিন্ন কাংরা, শামুক, ঝিনুক, ও বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ প্রাণী সেদিন দেখেছিলেন। সেদিন বিভিন্ন জলজ প্রাণীরা ভূমিকম্পের তথা সুনামির ফলে সমুদ্র সৈকতের দিকে নিজস্ব বস্তুতন্ত্র ছেড়ে চলে এসেছিল।এই সমস্ত ঘটনা ও বৈজ্ঞানিক যুক্তি, ভবিষ্যতে জেলিফিশ ও স্টারফিশ কে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস জানার বায়ো-ইন্ডিকেটার হিসাবে কাজে লাগানো যেতে পারে । যদিও এ ব্যাপারে অনেক গবেষণা করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত ।

মার্চ ১৬, ২০২৫
কলকাতা

সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকা, এবার উৎসস্থল সমুদ্র

সাত সকালে কেঁপে উঠল কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলি। আজ সকালে ঘড়িতে তখন ঠিক সকাল ৬ টা ১০। ভমিকম্প হল বাংলা ও ওড়িশার বিস্তীর্ণ এলাকায়। রিখটার স্কেলে পরিমাপ ৫.৫। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির করা পোস্টে উল্লেখ, ভূমিকম্পের উৎস স্থল বঙ্গোপসাগরের গভীরে। ১৯.৫২ উত্তর অক্ষাংশ, ৮৮.৫৫ পূর্ব দ্রাঘিমাংস ও ৯১ কিমি গভীরতায়। এদিনের ভূমিকম্পের উৎসস্থল কলকাতার অদূরেই। কলকাতা থেকে দূরত্ব ৩০১ কিলোমিটার। ওড়িশা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার পূর্বে সমুদ্রে ওই কম্পনের উৎসস্থল বলে জানা যাচ্ছে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ওড়িশাতেও এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই নয়, বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। উৎসস্থলের গভীরতা ছিল ৯১ কিলোমিটার। ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। গত জানুয়ারিতে তিব্বতের ভূমিকম্পেই কেঁপে উঠেছিল কলকাতা সহ সারা বাংলা। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.১। পাহাড়ী এলাকায় প্রায়সই ভূমিকম্প হয়, তবে এবার কম্পনের উৎস সমুদ্রের গভীরে। তবে এখনও পর্যন্ত সুনামির সতর্কতা জারি হয়নি। জানা গিয়েছে, কলকাতা, হাওড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ কলকাতা সংলগ্ন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গতকালই উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদ ও হিমাচল প্রদেশের মান্ডি এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তারও আগে দিল্লি কেঁপে ওঠে কম্পনে। পর পর গত কয়েকদিন ধরেই ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে দেশের বহু এলাকায়।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজনীতি

জ্যোতি বসু সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ এন্ড রিসার্চের উদ্বোধনে কারাট, হাজির বাংলাদেশের সঙ্গীত শিল্পী

নিউটাউনে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর স্মরণে নির্মীয়মান জ্যোতি বসু সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ এর প্রথম পর্যায়ে ভবনের আজ উদ্বোধন হয়েছে। উদ্বোধন করেন সিপিআইএম এর পলিটব্যুরো ও কেন্দ্রীয় কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রকাশ কারাট। উপস্থিত ছিলেন বামফ্রণ্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটবুরো সদস্যরা, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা প্রমুখ। রকাশ কারাট বলেন,জ্যোতি বসু দেশের কমিউনিস্ট আন্দলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। বর্তমানে দেশে যেখানে উগ্র হিন্দুত্ব ও সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে সেখানে এই প্রতিষ্ঠান তথ্য সমৃ ধ গবেষণার মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত আর্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক চিত্র তুলে ধরবে। সিপিআইএম এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য কোনো সরকারই কোনওবিষয়ে সঠিক তথ্য প্রকাশ করছে না। সেই কারণে গবেষণার প্রয়োজন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দেশকে আরো সুদৃঢ় করতে এই প্রতিষ্ঠানের বড় ভূমিকা থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দো তোলা ভবনের নিচতলায় জ্যোতি বসুর সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন নথি নিয়ে গ্যালারি ও দোতলায় একটি লাইব্রেরি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৫
কলকাতা

নতুন বছরে শীতের আমেজে ভিড়ে ঠাসা ইকোপার্ক থেকে চিড়িয়াখানা, কাশীপুর উদ্যানবাটী..কোথায় কত দর্শনার্থী?

ফি বছর বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে নয়া বছর শুরুর সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার রাস্তা-ঘাট, মেট্রোতে ভিড় লেগেই থাকে। এবারও তার ব্য়তিক্রম হয়নি। ২৫ ডিসেম্বর বড় দিনে ভিড়ের সূত্রপাত হয়। তারপর বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর, আর তার পরের দিন ১ জানুয়ারি নতুন বছরের শুরুর দিন। কলকাতার দর্শনীয় স্থানে পর্যটকেরা ভিড় করে থাকে। তবে ইকো পার্ক ও চিড়িয়াখানা সবাইকে এবার ভিড়ে টক্কর দিয়েছে। এবার অবশ্য কাশীপুর উদ্যানবাটি কিছুটা জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিবছরই এই দিনগুলিতে আলিপুর চিড়িয়াখানায় ব্যাপক ভিড় হয়। হাটাচলাই সেখানে দায় হয়ে পড়ে। মানুষের তুলনায় যেন জায়গা কম পড়ে যায়। এবার নতুন বছরে খোলামেলা জায়গাকেই বেছে নিল আমজনতার বেশিরভাগ অংশ। মানুষ ভিড় জমাল ইকো পার্কে। পরিবার, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে নতুন বছরে কলকাতার রাস্তায় বেরিয়ে পড়াই দস্তুর। এদিন ঠান্ডার আমেজই ছিল যথেষ্ট।ভিড়ের হিসেবে সকলকে টেক্কা দিয়েছে নিউ টাউনের ইকো-ট্যুরিজ়ম পার্ক। এই পার্কে ভিড় করেছেন ৯১ হাজার ৬৮৩ জন। অবশ্য তারপরেই আছে আলিপুর চিড়িয়াখানা। তবে বরাবর প্রথম স্থানে থাকে এই চিড়িয়াখানা। এবার সেখানে ভিড় জমিয়েছে ৮৫ হাজারের বেশি। দর্শনার্থীদের সংখ্যায় উত্তর কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটীও ইংরেজি নববর্ষে অন্য অনেক জায়গার থেকে এগিয়ে থেকেছে। কারণ কল্পতরু উৎসবকে কেন্দ্র করে এখানে মানুষ ভিড় করে থাকে। এবারও সেই আকর্ষণে ভিড় করেছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। ভিক্টোরিয়ায় বছরের প্রথম দিনে ৩৮ হাজারের বেশি পর্যটক হাজির হয়েছিলেন। সায়েন্সসিটিতে ছিলেন ৩০হাজারের কিছু বেশি দর্শনার্থী। কলকাতা জাদুঘরেও কয়েক হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। তবে তা ১০হাজার অতিক্রম করতে পারেনি।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
কলকাতা

বর্ষশেষে কড়া নিরাপত্তা কলকাতা মেট্রোতে, নজরে পার্কস্ট্রিট, ময়দান ও এসপ্ল্যানেড

নীল লাইনের যাত্রীদের সুবিধার্থে নববর্ষের প্রাক্কালে রাতে ছয়টি অতিরিক্ত পরিষেবা চালাতে চলেছে মেট্রো রেল। যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মেট্রো রেলওয়ে নতুন বছরের প্রাক্কালে মঙ্গলবার এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, রবীন্দ্র সদন, দমদম এবং দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনগুলিতে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চলেছে। এই স্টেশনগুলিতে ভিড়ের পূর্বাভাস, সমস্ত প্রবেশ এবং প্রস্থান গেটে সুপ্রশিক্ষিত RPF কর্মীদের মোতায়েন করা হবে। মেট্রো RPF প্রত্যাশিত বিশাল ভিড় পরিচালনার পাশাপাশি যাত্রীদের ঝামেলামুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য এই স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের ব্যবস্থা করবে।মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে পর্যাপ্ত মহিলা RPF অফিসার এবং কর্মী মোতায়েন করা হবে। একজন সাব-ইন্সপেক্টর/অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরের সমন্বয়ে একটি বিশেষ দল এবং দুজন মহিলা স্টাফ সহ চারজন স্টাফ পার্ক স্ট্রিটে উপস্থিত থাকবে। ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন বছরের শেষ দিনে এই দলটি যেকোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকবে। বাস্তব সময়ের পরিস্থিতি নিরীক্ষণ করার জন্য, উত্তর-দক্ষিণ মেট্রোর সেন্ট্রাল কন্ট্রোলে পর্যাপ্ত কর্মী নিয়োগ করা হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ব্যাপকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।ওই দিন পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনে একজন অফিসার এবং চারজন কর্মচারীর সমন্বয়ে আরেকটি বিশেষ দল মোতায়েন করা হবে। যাত্রীদের সঠিক নির্দেশনা দেওয়ার জন্য পার্ক স্ট্রিট, ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এসব স্টেশনে নাশকতাবিরোধী চেকিংও করা হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে উদ্ধার বিপুল কার্তুজসহ আগ্নেয়াস্ত্র, সিবিআইয়ের তদন্তে এনএসজি

সন্দেশখালিতে এনএসজি-র বম্ব স্কোয়াড। উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক। শুক্রবার বেলা বাড়তেই সন্দেশখালিতে হানা দেয় সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহান শেখের এক ঘনিষ্ঠ স্থানীয় তৃণমূল নেতার আত্মীয়ের বাড়িতে প্রচুর অস্ত্র ও বোমা মজুত রয়েছে। সেই খবর মিলতেই অভিযানে নামে সিবিআই। তল্লাশিতে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র মিলেছে বলে খবর। উদ্ধার করা হয়েছে ১২০টি নাইন এমএম বুলেট। বিভিন্ন ধরণের ৩৪৮টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র।বাড়িটিতে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক জমা রয়েছে বলে সন্দেহ সিবিআই আধিকারিকদের। যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় NSG কম্যান্ডোদের ডাকা হয়। মাইন ডিটেক্টর থেকে রোবোটিক ডিভাইস দিয়ে অস্ত্রভাণ্ডারের তল্লাশি শুরু করে NSG কম্যান্ডোরা।সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার মল্লিকপাড়ায় শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ আবু আবু তালেব মোল্লার বাড়িতে এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই গোয়েন্দারা। তার বাড়িতেই লুকিয়ে রাখা রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক। এরপরই গোটা গ্রাম দখলে নেয় NSG কম্যান্ডোরা। ওই এলাকাটি ঘিরে নিয়ে তাঁদের নিজস্ব অত্যাধুনিক মেশিন, রোবট নিয়ে কাজ শুরু করেন তাঁরা।NSG কম্যান্ডোদের তল্লাশিতে সন্দেশখালি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি পিস্তল, দেশি বোমা, তিনটি বিদেশি রিভালবার, উদ্ধার হয়েছে একটি পুলিশের রিভালবার, মেঝে খুঁড়তেই উদ্ধার হয় বোমা-বারুদ। উদ্ধার করা হয়েছে ৩৫০ রাউন্ড কার্তুজ। পাশাপাশি মিলেছে বেশ কিছু নথি। যার সবের সঙ্গে যোগ রয়েছে শাহাজানের।এদিকে এই ঘটনার পরই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সঙ্গে সিমি বা পিএফআইয়ের কোন ফারাক নেই। মমতা ব্যনার্জিকে গ্রেফতার করে তৃণমূলকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি পুলিশ এই ঘটনায় সরাসরি যুক্ত বলেও দাবি করেন বিরোধী দল নেতা।এদিকে শুভেন্দুর পালটা তৃণমূলের কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে অস্ত্রভান্ডার ছিল নাকি কেউ বদনাম করার জন্য ওখানে রেখে গেছে তা তদন্তসাপেক্ষ। কী পাওয়া গেছে তা আমরা জানি না। অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি নেই। তা পুরো বিষয়টাই একটা চিত্রনাট্য ছাড়া এই মুহূর্তে কিছুই মনে হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
দেশ

ভোটের সুনামি

এই বছর কে বিশ্ব নির্বাচনী বর্ষ বললে খুব একটা ভুল হবেনা। বিশ্বজুড়ে যেন নির্বাচনের ধুম পড়েছে। Reuters যাকে বলছে নির্বাচনের সুনামি। নির্বাচন কে আমরা বলে থাকি গনতন্ত্রের উৎসব। আমাদের প্রতিবেশী সূর্যের নিচে থাকা দুই দেশ পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। সুদূর প্রান্তে রাশিয়াতে নির্বাচন হয়ে পুতিন আবার ক্ষমতায় ফিরেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ইউক্রেনেও এই বছরই নির্বাচন হতো। চলতি বছরে বাকি যে দেশগুলিতে নির্বাচন হবে তার মোট জনসংখ্যা পৃথিবীর জনসংখ্যার অর্ধেক।২৪-র শেষ দিকে দুই মার্কিনী বৃদ্ধ Donald Trump ও Joe Biden য়ের নির্বাচনী ভাগ্য নির্ধারিত হবে। চলতি বছরে ভোটের লাইনে দাঁড়াবে Britain ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর পরেও ভোটমুখি দেশের তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। Haiti, Indonesia, Cambodia,Iran, Slovakia, Portugal, Senegal, Kuwait, দক্ষিণ Korea এবং Solomon দ্বীপপুঞ্জ। এই তালিকা ভুক্ত কয়েক টি দেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, বাকি কয়েকটিতে হবে এই বছরেই।বিশ্বজুড়ে এই গনতান্ত্রিক উৎসবের মেলায় সকল দেশের রানী হয়ে বসে আছে ভারতবর্ষ। ৪৭ -এ স্বাধীনতা। দেশ ভাগ, দাঙ্গা, ছিন্নমূল মানুষের দীর্ঘশ্বাস পেরিয়ে দেশ নির্মাণে গনতন্ত্রের ভিত গাঁথা শুরু। সদ্য স্বাধীন দেশে যার প্রকাশ ১৯৫২-র নির্বাচনে। ১৯৫১-র ২৫শে অক্টোবর থেকে ১৯৫২র ২১শে ফেব্রুয়ারি এই চার মাস ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সতেরো কোটি তিরিশ লক্ষ ভোটার ভোট দিয়েছিলেন। ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের এই বিপুল কর্মযজ্ঞ অবাক হয়ে দেখেছিল পৃথিবী। চলতি লোকসভা নির্বাচনে ৯৭ কোটি ভারতবাসী ভোট দেবেন। উত্তরে কাশ্মীর থেকে দক্ষিণে কন্যাকুমারী, পূর্বে অরুনাচল থেকে পশ্চিমে গুজরাত।পাহাড়, সমুদ্র, গহন বনাঞ্চল, ধুসর মরুভূমি, গ্ৰামীন ক্ষেত্র আর আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক শহরাঞ্চল বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র। এই গনতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ নির্বাচন। গনতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী নির্বাচনে জিতে যারা দেশ চালাবেন দেশের সব প্রান্তের বৈচিত্র্য মাখা মানুষের প্রতিনিধি। কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনের ফল এই ভাবনায় কেমন যেন প্রশ্ন তুলেছে। ২০১৯শে ২০৩ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। হিন্দি বলয়ের দশটি রাজ্যে মোট লোকসভা আসন ২২৫। এই ২২৫ টি আসনের মধ্যে ২০৩টি আসন জিতেছিল গেরুয়া শিবির। সরকার গড়তে লাগে ২৭২ টি আসন। অর্থাৎ ওইখান থেকেই প্রায় finishing point য়ে পৌঁছে গিয়েছিল বিজেপি। দেশের পূর্ব বা দক্ষিণ ভারতের জনমত এই অঙ্কের সামনে কাঁটা বিছানোর অবস্থানে ছিল না। একেবারে সিনেমার চিত্রনাট্যের মতো।এখানেই লুকিয়ে রয়েছে ভারতীয় গনতন্ত্রের fallacy. নির্বাচনী সাফল্য হচ্ছে সংখ্যার খেলা। দিল্লির শাসক তো সারা দেশের শাসনভার সামলায়। অথচ কোনো রাজনৈতিক দল উত্তর ভারতের দশ রাজ্য দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, হরিয়ানা, হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, বিহার, ছত্তিশগঢ়, ঝাড়খণ্ডে বিজয়রথ ছোটাতে পারে তাহলে দিল্লির কুর্সি তার হাতের মুঠোয় চলে আসবে। যা হয়েছিল ২০১৯শে। এবারও ভোটের হাওয়া যা বলছে তাতে নরেন্দ্র মোদীর ই ক্ষমতায় ফেরার কথা।এই বিজয় পথের কেন্দ্রে রয়েছে উত্তর প্রদেশ। উত্তর প্রদেশে বড় সংখ্যায় জিতলে দিল্লির তক্ৎ নাগালের মধ্যে এসে যায় কথাটা প্রবাদে পরিনত হয়েছে। তবে এবারে বিজেপির লক্ষ্য ৩৭০ আসন। তাই এবারের নির্বাচনে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারত বিজেপির কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দফার নির্বাচনে বিজেপির heart land উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও বিহারে ভোট কম পড়েছে। একে তো হিন্দি বলয়ের বাইরে আসন বাড়ানোর লক্ষ্য, তার উপর হৃদয়পুরে ভোট কম পড়া। এই দুয়ে মিলে বিজেপির চিন্তা বেড়েছে। দ্বিতীয় দফাতেও যদি কম ভোট পড়ে তাহলে চিন্তা আরো বাড়বে। শেষ পর্যন্ত যদি ২০২৪ শে ও বিজেপির জেতার অঙ্কে ২০১৯শের ফলের পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে বলতে হবে দেশের নির্বাচনী গনতন্ত্রের চালচিত্র বদলাচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
কলকাতা

'টাকা মিছিল'! বাঙালির ব্যবসা উদযাপন করতে নববর্ষে বাংলা পক্ষর অভিনব উদ্যোগ

পয়লা বৈশাখ বাঙালির হালখাতার দিন। হালখাতা কথাটির অর্থ জিজ্ঞ্যাসা করলে কতজন পারবে তা নিয়ে একসন্ধ্যা চায়ের পেয়ালাতে তুফান তোলা আলোচনা চলতেই পারে। আজকের ডিজিটাইজেসন যুগে কিউ আর এবং ইউপিআই এর দৌলতে ক্যাসলেস বাঙালীর হালখারাপ হতে বসা হালখাতা! তবুও পয়লা বৈশাখ বাঙালির আবেগের দিন। ব্যবসা উদযাপনের দিন। পয়লা বৈশাখ মানে শুধু গান-কবিতা না, পয়লা বৈশাখ মানে ব্যবসাও।বাঙালি তরুন প্রজন্মকে ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করতে, বাঙালি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এক অভিনব ও বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল এর কথা আয়োজন করল বাংলা পক্ষ। এটি টাকা মিছিলর দ্বিতীয় বছর। রবিবার নববর্ষের প্রথম দিনের সন্ধ্যায় কলকাতার রাসবিহারী মোড় থেকে গড়িয়াহাট মোড় পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল হয়।মিছিলে বাঙালি শিল্পপতিদের (যেমন আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, চন্দ্রশেখর ঘোষ, রাজেন মুখার্জী, মতিলাল শীল, আলামোহন দাস, মোস্তাক হোসেন প্রমুখ) বিশাল বিশাল কাট আউট নিয়ে মিছিলে হাঁটা হয়। বাংলা ও বাঙ্গালীর সংগঠন বাংলা পক্ষর তরফে জানানো হয়, শুধুমাত্র সিনেমা বা খেলার নায়ক-নায়িকাদের চিনলে হবে না, বাঙালি পুঁজিপতিদের চিনতে হবে। মিছিলে ছিল ঢাক, রণ পা ও নানা সুসজ্জিত ট্যাবলো।এই মিছিল থেকে বাংলা পক্ষ দাবী তোলে।রাজ্য সরকারি টেন্ডার বাঙালিদের দিতে হবে।খুচরো বাজার থেকে পাইকারি বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে৷সমস্ত শহরাঞ্চলের হকারি স্পট ভূমিপুত্রদের দিতে হবে।এই টাকা মিছিলর নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, মনন মন্ডল, এমডি সাহীন, সৌম্য ঘোড়াই ও জেলা সম্পাদকরা।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
রাজ্য

সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা মুখমন্ত্রীর, তবে আন্দোলন থামছে না

জানুয়ারি মাস থেকে ৪ শতাংশ ডিএ বাড়ছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের। এর ফলে ১৪ লক্ষ সরকারি কর্মী সুবিধা পাবে। বৃহস্পতিবার পার্কস্ট্রিটের এলেন পার্কে বড় দিনের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বড় দিন ও নতুন বছরের এটা খুশির খবর। এর জন্য ২,৪০০ কোটি টাকা বাড়তি খরচ হবে। সরকারি কর্মী, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অশিক্ষক, পেনশন প্রাপকরা এই ডিএ পাবেন। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারের ডিএ বাধ্যতামূলক, রাজ্যপর ডিএ তা ঐচ্ছিক।এদিকে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সরকারি নোটিফিকেশন না করে এমন ঘোষণা ঠিক নয়। সরকারি কর্মীরা ভিক্ষা চায় না। ৪০ শতাংশ বকেয়া রয়েছে ডিএ। ঘোষনা হল ৪ শতাংশের। আমাদের অবস্থান, বিক্ষোভ চলবে। পুরো ডিএ আদায় করে ছাড়বো। এই ঘোষণার পর এখনও কেন্দ্রের সঙ্গে ৩৬ শতাংশ ফারাক রয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৩
রাজ্য

উপাচার্য নিয়োগে জটিলতা কাটাতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, গঠন করা হবে সার্চ কমিটি

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব চরমে চলছে। এরইমধ্যে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগে আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল নবান্ন। রাজ্য সরকারের যুক্তি, আনন্দ বোস যে পদ্ধতিতে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন তা আইনসম্মত নয়। রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা ছাড়াই এককভাবে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন আচার্য। এদিন ছিল সেই মামলার শুনানি। নির্দেশে জানানো হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগের জন্য শীর্ষ আদালতই সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে। সেই সার্চ কমিটিতে কাদের সদস্য করা হবে সে ব্যাপারে রাজ্য সরকার, রাজ্যপাল এবং ইউজিসি-কে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩ থেকে ৫ জনের নাম পাঠাতে হবে। সেই সুপারিশ করা নামের মধ্যে থেকে ব্যক্তিদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট সার্চ কমিটি গঠন করবে। যে কমিটি স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে।সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, রাজ্যপাল আচার্য হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের নিয়োগ কর্তা। অর্থাৎ তিনি অ্যাপয়ন্টিং অথরিটি। কিন্তু রাজ্যপাল উপাচার্যদের নির্বাচন কর্তা নন। কারণ, রাজ্যপালের কাছে কোনও সিলেকশন কমিটি নেই।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৭ সেপ্টেম্বর।শীর্ষ আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, রাজ্য-রাজ্যপালের ভিন্ন মত থাকতে পারে। কিন্তু আদালত তার মধ্যে ঢুকতে চায় না। আদালত স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের লক্ষ্যে শুধু পদক্ষেপ করবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৩
প্রযুক্তি

আদিত্য এল-১ অভিযানের মূল কারিগরকে জানুন, আজ সুর্যাভিযানে যাবে 'আদিত্য'

রবির কিরণে হাসি ছড়াইয়া দিব রে পরান ঢালিশিখর হইতে শিখরে ছুটিব,ভূধর হইতে ভূধরে লুটিব।শনিতে রবির অভিযান। মহাকাশ গবেষণায় চন্দ্রযান-৩ এর মহা সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার ইসরোর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আর এক যানআদিত্য ছুটবে সৌর্য পর্যবেক্ষণে। আদিত্য এল ১ আজ ২রা সেপ্টেম্বর সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ হবে। এই অভিযান স্বমন্ধে জানাতে গিয়ে ইসরো জানিয়েছে, এটির মূল লক্ষ্য হল মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তির উৎস সম্পর্কে আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করা যাতে সূর্যের জটিল প্রক্রিয়াগুলির উপর খুব ঘনিষ্ঠ অধ্যয়নের মাধ্যমে আলোকপাত করা যায়।এই অভিযান কে আদিত্য এল ১ বলা হচ্ছে কেন? এর মানে কী?আদিত্য নামটি এক অর্থে সূর্যকে বোঝানো হয়। আদিত্য বা আদিতেয় বলতে অদিতির সন্তানকে বোঝায়। সাধারণত, আদিত্যগণ সংখ্যায় বারো। এদের একত্রে দ্বাদশ আদিত্য বলা হয়। এরা হলেন অর্যমা, পূষা, ত্বষ্টা, সবিত্র, ভগ, ধাত্রী, মিত্র, বিষ্ণু, বরুণ, মিত্র, অংশ, বিবস্বান বা সূর্য। অনেক পণ্ডিতের মতে, দ্বাদশ আদিত্য বলতে বারোটি মাসকে বুঝানো হয়। ঋকবেদে এর উল্লেখ আছে। আদিত্য নামকরণ করা হয়েছে হিন্দু দেবতানুসারে এবং L1 মানে সূর্য-পৃথিবী সিস্টেমের Lagrange পয়েন্ট ১।আদিত্য L1 এর উদ্দেশ্য কি?মিশনের মূল লক্ষ্য হল সূর্য, সুর্যের করোনা ও এর বাইরের স্তর এবং এর চারপাশের ঘটনা নিয়ে গবেষণা করা। প্রকল্পটি হিন্দু সূর্য দেবতা আদিত্য র নামে নামকরণ করা হয়েছে। সূর্যের কার্যকলাপ এবং মহাকাশ আবহাওয়া এবং পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে গঠনমূলক বৈজ্ঞানিক তথ্য এবং অন্তর্দৃষ্টি সংগ্রহ করতে এই অভযান।আদিত্য এল ১-এর যন্ত্রের বিন্যাস গবেষকদের সূর্যের পৃষ্ঠ এবং করোনাকে অভূতপূর্ব গভীরতায় বিভিন্ন আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যে সূর্যকে দেখে পরীক্ষা করতে সক্ষম হবে। মিশনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল চৌম্বক ক্ষেত্রের গতিশীলতা, সৌর শিখা এবং পৃথিবীর জলবায়ু এবং মহাকাশের আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে এমন অন্যান্য সৌর প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও জানা।PSLV-C57/Aditya-L1 Mission:The 23-hour 40-minute countdown leading to the launch at 11:50 Hrs. IST on September 2, 2023, has commended today at 12:10 Hrs.The launch can be watched LIVEon ISRO Website https://t.co/osrHMk7MZLFacebook https://t.co/zugXQAYy1yYouTube ISRO (@isro) September 1, 2023আদিত্য এল ১ মিশনের প্রধান বিজ্ঞানী কে?আদিত্য এল ১ মিশনের প্রধান বিজ্ঞানী হিসাবে ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার (ইউআরএসসি) বিশিষ্ট সৌর বিজ্ঞানী ডাঃ শঙ্কর সুব্রমণিয়ান কে. দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর বৈজ্ঞানিক গবেষণার মূল দিকগুলি হল, ইন্সট্রুমেন্টেশন, অপটিক্স এবং সৌর চৌম্বক ক্ষেত্র। ইসরোর অ্যাস্ট্রোসাট, চন্দ্রযান-১ ও চন্দ্রযান-২ এ ও তাঁর যথেষ্ট অবদান ছিলো।বর্তমানে তিনি ইউআরএসসির স্পেস অ্যাস্ট্রোনমি গ্রুপের (এসএজি) দায়িত্বে রয়েছেন। চন্দ্রযান-৩ প্রোপালশন মডিউলের উপরে আদিত্য-এল 1, এক্সপোস্যাট এবং বিজ্ঞানের পেলোডের আসন্ন মিশনের জন্য, SAG বৈজ্ঞানিক পেলোড তৈরি করার কাজ করছে। উপরন্তু, তিনি আদিত্য-এল ১ এর এক্স-রে পেলোডগুলির মধ্যে জন্য প্রধান গবেষক হিসাবে কাজ করছেন। আদিত্য-এল ১ সায়েন্স ওয়ার্কিং গ্রুপ, যার মধ্যে অনেক ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা রয়েছে, এর নেতৃত্বে রয়েছেন ড. শঙ্করসুব্রামনিয়ান কে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

প্রসঙ্গ নারী নির্যাতন: গতকাল কাঁদলেন লকেট, আজ তৃণমূল সাংসদের চোখে জল

পশ্চিমবঙ্গে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল্লিতে বসে সংবাদ মাধ্যমের সামনেই কেঁদে ভাসিয়েছেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। আর শনিবার চোখের জলে ভাসিয়ে দিলেন তৃণমূলের আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। যা লকেটের পালটা বলেই মনে করা হচ্ছে।২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে মণিপুর নিয়ে তোপ দেগেছিলেন স্বয়ং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। নারী সুরক্ষা নিয়ে সোচ্চার হয়ে বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন। পালটা রাজ্যে বেহাল নারী নিরাপত্তার কথা বলতে গিয়ে হাওড়ার পাঁচলার ঘটনাকে তুলে ধরেন লকেট। যা বাংলায় নারীদের অসহনীয় পরিণতির প্রমাণ বলে দাবি বিজেপি সাংসদের। সেই সময়ই হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি।লকেট চট্টোপাধ্যায় অসত্য বলছেন বলে এদিন দাবি করেছেন অপরূপা পোদ্দার। আরামবাগের সাংসদের দাবি, আপনি মুখ্যমন্ত্রীর নামে তো মিথ্যা বলছেন। অপরূপার প্রশ্ন, হাথরস, বালেশ্বরের মর্মান্তিক মৃত্যুর সময় লকেটদি আপনার মানবিক মুখ কোথায় ছিল? আপনার তো গর্ব হওয়া উচিত, ভাবা উচিত একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে কাজ করছেন তাতে আপনি পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলের সাংসদ হয়েও সুরক্ষিত। কিন্তু, আমরা এ রাজ্য থেকে গিয়ে ত্রিপুরায় সুরক্ষিত নই। মনে রাখবেন যেভাবে কাজ মমতাদি করেছেন, তাতে দেশের মানুষের মনে উনি রয়েছেন। স্মৃতি ইরানির উচিত মণিপুরে যাওয়া। তাহলেই ফারাক বুঝতে পারবেন।এরপরই ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার খাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে আনেন অপরূপা। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাটিতে ফেলে মেরে সঙ্গে ১৩ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল, সেদিন কারও লজ্জা হয়নি? সেদিন গণতন্ত্র বিপন্ন ছিল না?

জুলাই ২২, ২০২৩
রাজনীতি

খুনের আশঙ্কা করেছিলেন, এবার বিশেষ নিরাপত্তার ঘেরাটোপে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ

নিজেই খুনের আশঙ্কা প্রকাশ করছিলেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। বিশেষ করে ভাঙড়ে পঞ্চায়েতে মনোনয়নে অশান্তি হওয়ার পর সেই শঙ্কা বেড়ে যায় নওশাদের। তাঁর বক্তব্য, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়েও কোনরকম নিরাপত্তা না পাওয়ার কারণে মাননীয় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলাম।নওশাদ বলেন, কলকাতা হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আমার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার ব্যাপারে। সেই অনুযায়ী রবিবার বেলা চারটের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (CISF) সাতজনের একটা টিম আমার বাড়িতে এসে পৌঁছায় এবং আমার নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করে।তবে কোন ক্যাটাগরির নিরাপত্তা তিনি পেয়েছেন তা জানা যায়নি। নওশাদ বলেন, কোন ক্যাটাগরির নিরাপত্তা চূড়ান্ত করা হচ্ছে সে বিষয় এখনো স্পষ্ট হয়নি, আগামীকাল কলকাতা হাইকোর্টে আমার নিরাপত্তা বিষয়ক মামলার শুনানি আছে হয়তো সেখানে বিস্তারিত জানতে পারবো।

জুন ২৫, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণকে সরাসরি আক্রমণ রচনার! মহুয়াকেও ছাড়লেন না, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

দলবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁদের আচরণ এবং ভাষা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধির ভাষা এবং আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি মহুয়া মৈত্রকেও কটাক্ষ করেন এবং অতীতের কিছু বিতর্কের উল্লেখ করেন।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে রচনা বলেন, একজন প্রবীণ সাংসদের কাছ থেকে এমন ভাষা আশা করা যায় না। তাঁর দাবি, সংসদের ভিতরে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রচনা আরও বলেন, একসময় যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তীব্র আক্রমণ করতেন, এখন তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, যারা অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের বর্তমান অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।উল্লেখ্য, এক সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের ঘটনাও সামনে এসেছিল। বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তিত সমীকরণ নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা বড় সিদ্ধান্ত! ইসকন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাধারমণ দাসকে, নিজেই জানালেন নেপথ্যের কারণ

কলকাতা ইসকনের সহ সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাধারমণ দাসকে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, কোন কোন ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।রাধারমণ দাস জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন। তবে নিজের বক্তব্যে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, গোরক্ষা সংক্রান্ত একটি বিতর্কে মানেকা গান্ধীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হওয়াও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।সমাজমাধ্যমে করা নিজের পোস্টে তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা, কট্টরপন্থী সনাতনী গোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক মন্তব্যও তাঁর মতে বিতর্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া একটি সাক্ষাৎকার দেওয়াকেও ইসকনের নীতির পরিপন্থী আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।রাধারমণ দাস আরও জানান, এখন থেকে তিনি আর ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করবেন না। কারণ বর্তমানে তাঁর সঙ্গে সংগঠনের কোনও প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। তবে পদ হারালেও ইসকনের উন্নতি, অগ্রগতি এবং সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসকনের তরফে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। ফলে রাধারমণ দাসের বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

হেফাজতে থেকেও মদ চাই! সিয়া গোয়েলকে নিয়ে পুলিশের দাবি ঘিরে তুমুল শোরগোল

পুণের লোহাগড় দুর্গে হবু স্বামী কেতন আগরওয়ালকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়া গোয়েলকে ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীনও বারবার মদ্যপানের অনুমতি চেয়েছেন সিয়া। একই সময়ে তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে একটি পুরনো ভিডিওও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দ্বাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই সিয়া মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তিনি একাধিকবার মদ্যপানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন সিয়া এবং চেতন। ভিডিওতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়ার দাদা সাহিলের মাধ্যমে চেতনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পরে সেই পরিচয়ই প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়।এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। প্রথমে রাজি থাকলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। কিন্তু পারিবারিক চাপে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।রবিবার তদন্তকারীরা সিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থল লোহাগড় দুর্গে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর বাবা-মাকেও। তদন্তে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে তদন্তে আরও নানা দাবি সামনে এসেছে। কখনও উঠে এসেছে বিয়ে নিয়ে চাপের অভিযোগ, আবার কখনও প্রেমিকের প্ররোচনার প্রসঙ্গ। প্রথমদিকে একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই বহুল আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার আদালতে শুনানির প্রস্তুতি চলছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলে গেল পার্ক সার্কাস স্টেশন! একের পর এক দোকান গুঁড়িয়ে বড় অভিযান

সোমবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস রেল স্টেশনে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হল। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন চত্বর এবং রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রেল পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই স্টেশন চত্বরে থাকা ব্যবসায়ী ও হকারদের জায়গা খালি করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সোমবার রাত সাড়ে দশটার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর রেলের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিছুটা সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ দোকান সরানো না হওয়ায় বুলডোজার নামানো হয়। একের পর এক দোকান, গুমটি এবং অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।পার্ক সার্কাস স্টেশন দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দোকান ও দখলের সমস্যায় ভুগছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের চলাচলেও বারবার অসুবিধা তৈরি হতো। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযান চলাকালীন স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে কড়া নজরদারি ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান।এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম, হাবরা এবং যাদবপুর-সহ রাজ্যের একাধিক রেল স্টেশন এলাকায় একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রেলের জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দোকানদার। তাঁদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা না করেই জীবিকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আর মাত্র ৭ দিন! কলকাতার দুই বড় সেতুর নিচে যা হতে চলেছে, জানতেই চমকে উঠবেন

কলকাতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুরসভা। এবার নজরে এসেছে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতুর নিচের বেআইনি দখল। শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই দুই জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সমস্ত বেআইনি দোকান ও দখল সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও হকারদের দোকান বসে আসছে। একইভাবে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বহু দোকান ও বড় বাজার গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, এই সবই অনুমতি ছাড়া দখল করে তৈরি হয়েছে। তাই এবার ওই সমস্ত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম-সহ বিভিন্ন রেল স্টেশনের আশপাশের অবৈধ দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার সেই অভিযানের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাও খালি করার নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দখল করে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস। শুধু অস্থায়ী ঘর নয়, বহু পাকা ও দোতলা বাড়িও তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভা ইতিমধ্যেই সেই এলাকাও খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ফলে শহরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal