• ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Death

স্বাস্থ্য

ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৫৯ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪৪৬ জন। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের। তার ফলে বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৩২২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা জয় করেছেন ৩ হাজার ৪৮৭ জন। রাজ্যে মোট করোনাজয়ী বর্তমানে ৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন। বর্তমানে রাজ্যের সুস্থতার হার ৯৩.১২ শতাংশ। যা কঠিন পরিস্থিতিতে সকলকে অক্সিজেন জোগাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় বাড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা কিন্তু কলকাতায় করোনা সংক্রমণ যেন রোখা যাচ্ছে না। ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী আক্রান্তের সংখ্যা। সেখানে একদিনে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯০ জন। ঠিক তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলায় সংক্রমিত ৮৬৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ১৮৩ জন। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা টেস্ট হয়েছে ৫৭ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৪৭ জনের।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় বাড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৯ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৯৮৭। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৪ হাজার ৬১৭। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৯৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ১০০ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৩.০৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮২৭০। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা শুক্রবার ৪৫ হাজার ১২৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৯৩ জন। যথারীতি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৫৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়ার সংক্রমণের ছবিটা অবশ্য বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২৩৮ ও ২৩০। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১০২।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের নয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৩৫০৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৫৩৭ জন। এই মুহূর্তে ৯৩ শতাংশ সুস্থতার হারেই করোনাযুদ্ধে এগিয়ে বাংলা। স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট কোভিড রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৯১, যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগী ২৪, ৬৭০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে প্রাণহানি ঘটেছে ৫২ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা তা নিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৮২২৪। কলকাতায় এই মুহূর্তে সংক্রমিতে সংখ্যা ৬৮২৮, উত্তর ২৪ পরগনায় তা সামান্য কম ৬৫৬৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪, ৭১৩ জনের, যার মধ্য়ে ৮.২৬ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৫৬,৫৪, ৫২৪।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫২৮ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৯১। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার ৭৫২। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬০৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬৭ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৯৫ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮১৭২। বুধবার ৪৪ হাজার ৬৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৬ লক্ষ ৫৪ হাজার ৫২৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ৮৮০ জন৷ এই পর্যন্ত শহরে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ২ হাজার ৫০৩ জন৷ এর পরই উত্তর ২৪ পরগণা৷ এই জেলায় মোট আক্রান্ত ৯৬ হাজার ৭৫৯ জন৷ কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণা মিলে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৬২ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭২৯ জন৷কলকাতায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ দুই জেলা মিলে একদিনে মোট মৃত্যু ২৬ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় একদিনে মোট মৃত্যু হয়েছে মাত্র ২৫ জনের৷

নভেম্বর ২৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৪৫ জন। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৬৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৮৮০। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ৪৬২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৮৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮১২১। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ৪৪ হাজার ৫৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৬ লক্ষ ৯ হাজার ৮৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩, ৫৪৫ জন। তাঁদের মধ্যে কলকাতার ৮৬৭ জন। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৮১৬ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানকার মোট ২৩২ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। নদিয়া (২১৯), হুগলি (১৯১), জলপাইগুড়ি (১৩৩), এছাড়াও প্রায় সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন আক্রান্তের হদিশ। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৬৩, ৪৬৩। এদিনে মৃত ৪৯ জনের মধ্যে ১৫ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ মৃত্যুর নিরিখে প্রথমে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সোমবারের মেডিক্যাল বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৭ জন। বাংলায় মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯১৮ জন। দৈনিক মৃতের কমেছে কিছুটা। একদিনে রাজ্যে কোভিডের বলি ৪৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়েছেন ৩ হাজার ৬৮৭ জন। তার ফলে করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২৬ হাজার ৮১৬ জন। বাংলায় করোনায় সুস্থতার হার ৯২.৮০ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার একদিনে বাংলায় কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪২ হাজার ৩৬৭ জনের। তার ফলে বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৫৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৩৩১টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। অন্যদিকে, কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৪৭ জন। তার ফলে শুধুমাত্র মহানগরীতে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ৭৫৬ জন। তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩,৫৯১ জন। ফলে বাংলার মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৫৬, ৩৬১। এদিনে করোনার বলি হয়েছেন বাংলার ৪৯ জন। মোট মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে ৮ হাজারের গণ্ডি। তথ্য অনুযায়ী এই একদিনে করোনাকে পরাস্ত করেছেন বাংলার ৩,৭২৬ জন। এখনও পর্যন্ত করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন বাংলার মোট ৪, ২৩, ১২৯ জন। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মোট ৪৪, ৬৫৩ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৫, ২২, ৯৬৪ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৪ লক্ষের গণ্ডি এছাড়াও কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৭৯ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮২৮ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৩৬৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নতুন আক্রান্ত ২৫৬ জন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৪ লক্ষের গণ্ডি

একদিনে বাংলায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৩৯ জন। ফলে এদিন বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৭০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন ৪ লক্ষ ১৯ হাজার ১০৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনাকে জয় করেছেন ৩ হাজার ৭৯৪ জন। তবে রাজ্যের সুস্থতার হার রয়েছে ৯২.৬৩ শতাংশ। বাংলায় চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৩৯১ জন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সেই হার আবার বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৯৭৬ জন। এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে প্রায় ৫৫ লক্ষ৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৪ হাজার ২০৮ টি৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে একইদিনে করোনায় মৃত্যু ৫০ জনের কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯০ জন। এর সামান্য পিছনে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা। একদিনে এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪২ জন। ২০০-এর বেশি করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে হাওড়া, হুগলি ও নদিয়ায়। এদিকে যথারীতি উত্তরবঙ্গের চিন্তা বাড়িয়েছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি। দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে শতাধিক মানুষ।

নভেম্বর ২২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে একইদিনে করোনায় মৃত্যু ৫০ জনের

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬২৬ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩১। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৫ হাজার ৫৯৯। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫০ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ১৫ হাজার ৬০৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯২.৫৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৯২৩। শুক্রবার ৪৪ হাজার ১৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে অনেকটাই কমল কোভিডজয়ীর সংখ্যা কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭৪ জন। চিন্তা বাড়িয়ে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২২৬, ১৭৮, ৩০৩ এবং ২১০ জন। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১০৪।

নভেম্বর ২১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই কমল কোভিডজয়ীর সংখ্যা

স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬২০ জন। সবমিলিয়ে এদিন বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫০৫ জন। রাজ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৮৭৩ জন। একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩ হাজার ৯৯০ জন। ফলে এদিন রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৭৫৯ জন। শতাংশের হিসেবে ৯২.৪৩। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ৮৭৩ জন। আরও পড়ুন ঃ ফের ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৮২ জন। যথারীতি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৩ জন। চিন্তা বাড়িয়ে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০০ জনেরও বেশি। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি।

নভেম্বর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪২৯ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৭ হাজার ৭৬৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯২.২৮ শতাংশ। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৬৮ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৮৫। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৬ হাজার ২৯৬। এদিনের সংক্রমিতদের মধ্যে ৮৭৪ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮০৫ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন আক্রান্ত ২৪৯ জন। হুগলিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২৪৫। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের দুই জেলা দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িতে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনায় সুস্থতার হার গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৮২০। বুধবার ৪৪ হাজার ৫১৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৮১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্যে ফের লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন ৩৬৫৪ জন। এ নিয়ে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৬৩। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি রাজ্যের ৫২ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৭৬৬। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৩৮৮ জন। সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩ হাজার ৩৪০। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.০৪ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে ফের কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণগত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ২৩৮টি, যার মধ্যে ৮.২৭ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৩ লক্ষ ১ হাজার ১৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে উদ্বেগ বাড়িয়েছে সেই দুই জেলা কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। উভয় জেলাতেই ৬৯০০র বেশি অ্যাকটিভ করোনা রোগী এই মুহূর্তে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে ফের কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১২ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৬৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৭ হাজার ৮৯৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৩ জনের মৃত্য়ু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৭১৪ জন। তবে স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৯৮ হাজার ৯৫২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯১.৮১ শতাংশ। কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭২৮ জন। তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৮ জন। একদিনে পরীক্ষা হয়েছে ৩৮ হাজার ১২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বাংলায় ৫২ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৯৭ জনের কোভিড টেস্ট হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ০৫৩ জন। যা শেষ কিছুদিনের তুলনায় অনেকটাই কম। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৩১, ৫৫১। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫১ জনের মৃ্ত্যু হয়েছে। করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭, ৬৬১। তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ৪, ৪৮০ জন। বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে হল ৩, ৯৪, ৫৭৬। সুস্থতার হার বেড়ে হল ৯১.৪৩ শতাংশ৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ এই একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৮, ৬৫৮ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১, ৮০, ১৩৯ জনের। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৭০১ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ২৪৩ জন।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮২৩ জন। তার ফলে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৪৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। তার ফলে বর্তমানে মোট করোনার বলি ৭ হাজার ৬১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৪৭৯ জন। তার ফলে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৯৬ জন। রাজ্যের সুস্থতার হার ৯১.০৪ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার বাংলায় একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ১২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বঙ্গে মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৫১ লক্ষ ৮০ হাজার ১৩৯ জনের। তার মধ্যে ৮.২৭ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৬ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮২০ জন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী , গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪৬৮ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬১৭ জন। রাজ্য়ে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯০.৮০ শতাংশ। যা প্রকৃ্তপক্ষে আশাব্যঞ্জক। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৫ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৬৭৫। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩১ হাজার ৫০১। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৫৫৭। শুক্রবার ৪৪ হাজার ৩১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫১ লক্ষ ৩৬ হাজার ১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। অন্যদিকে , এবার কলকাতাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেল উত্তর ২৪ পরগণা। এতদিন উল্টোটা ছিল। উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬০ জন। কলকাতাতে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৩৯ জন।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

মদের দোকানের চার কর্মীকে ঘুমন্ত অবস্থায় পিটিয়ে খুন , ধৃত অভিযুক্ত

মদের দোকানের চার কর্মীকে পিটিয়ে খুন করা হল। ঘটনাটি ঘটেছে , পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার শিবপুরে। জানা গিয়েছে , তখন ওই ্চার কর্মী ্দোকানের ভিতরে ঘুমোচ্ছিলেন। অভিযোগ, সাধু মাঝি মাঝরাতে ওই ৪ কর্মীর উপর হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। মৃতদের নাম অম্বুজ মণ্ডল(৪০), প্রশান্ত সাহা(৫৮), সুবোধ বাউরি(৬১)। বাড়ি বাঁকুড়ায়। আরও পড়ুন ঃ করোনা আবহে নৈহাটির বড়মার পুজো এবার অনলাইনে খবর পেয়ে পুলিশ আসতেই জমায়েত করেন স্থানীয়রা। দেহ উদ্ধারের সময় হামলাবাজ সাধু ফিরে এসে ফের লাঠি চালায় জনতার ভিড়ে। সেই সময় লাঠির আঘাতে স্থানীয় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। এরপরই জনতা কোনক্রমে হামলাবাজ সাধু মাঝিকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। মৃত বৃদ্ধের নাম কালিয়া ভুঁইঞা। তিনি তার মেয়ের বাড়িতে এসেছিলেন। জানা গিয়েছে , দিন দুয়েক আগে ওই মদ দোকানে মদ্যপ অবস্থায় সাধু মাঝি অশান্তি পাকায়। মদের দোকানের মালিকের হাত ভেঙে দেয় সে। সেই অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। বৃহস্পতিবার পুলিশ হেফাজত থেকে জামিনে মুক্ত হয়েই প্রতিহিংসা নিতে সে এই ঘটনা ঘটায়।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বৃহস্পতিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫৬ জন। তার ফলে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২০ হাজার ৮৪০ জন। তবে স্বস্তি জাগিয়ে বাংলায় ক্রমশই বাড়ছে সুস্থতা। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৪৫৩ জন। মোট কোভিড জয়ীর সংখ্যা ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ১৪৯ জন। সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০.৫৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে মোট কোভিডের বলি হয়েছেন ৭ হাজার ৫০৬ জন। আরও পড়ুন ঃ স্বস্তি বাড়িয়ে রাজ্যে অনেকটাই কমে গেল মৃত্যুর হার একদিনে রাজ্যে ৪৪ হাজার ৩৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৫০ লক্ষ ৯১ হাজার ৭০০ জনের কোভিড টেস্ট করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৮.২৭ শতাংশের ফল পজিটিভ এসেছে। অন্যদিকে , একদিনে কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছেন ৮৬৭ জন। ঠিক তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫৯ জন।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

স্বস্তি বাড়িয়ে রাজ্যে অনেকটাই কমে গেল মৃত্যুর হার

বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, একদিনে বাংলায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৭২ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৯৮৪। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩২ হাজার ৮৩৬। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪৩১ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৯৬ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯০.৩৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৪৫২। বুধবার ৪৪ হাজার ১৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫০ লক্ষ ৪৭ হাজার ৩৩৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯০ শতাংশের বেশি অন্যদিকে , কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৩৯ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮২০ জন। ২০০ জনেরও বেশি করোনা সংক্রমিত হয়েছে হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলায়। দার্জিলিংয়ে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৫১ জন। এছাড়াও জলপাইগুড়িতে ১১৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯০ শতাংশের বেশি

রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৮৯১ জন৷ এনিয়ে এ রাজ্যে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪,১৩,১১২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪,৪১৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,৭২,২৬৫ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯০ শতাংশের বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা প্রাণ কেড়েছে বাংলার ৫৩ জনের। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার ফলে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭,৪০৩। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪, ১১৭ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০, ০৩, ২০৪ জনের। অন্যদিকে , কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬৯ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৪৪ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে হুগলি।

নভেম্বর ১১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal