• ৩ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Court

রাজ্য

খুনের দায়ে প্রাক্তন বিধায়ক সহ ৩ জনের যাবজ্জীবন সাজা

প্রাক্তন সিপিআইএম বিধায়ককে যাবজ্জীবন সাজার নির্দেশ দিল বিধান নগর এমপি, এমএলএ কোর্ট। ২০১০ সালে বাঁকুড়ার তালডাংরা থানার অন্তর্গত তৃণমূল কর্মী মদন খাঁ খুনের ঘটনায় গতকালই দোষী প্রমাণিত করা হয় প্রাক্তন সিপিআইএম এমএলএ মনোরঞ্জন পাত্র সহ মোট তিন জন। আজ, বৃহস্পতিবার বিধাননগর এমপি, এমএলএ আদালতে তাঁদের সাজা ঘোষণ করা হল। এই তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়।এর পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত। যদি দিতে না পারে তাহলে আরপ ছয় মাস সাজা।এমপি, এমএলএ কোর্টের পিপি ইনচার্জ সোমা মন্ডল জানান, ২০১০ সালে বাঁকুড়ার তালডাংরার প্রাক্তন এমএলএ মনোরঞ্জন পাত্র তৃণমূল কর্মী ইসমাইল খাঁয়ের বাবা মদন খাঁয়ের বাড়িতে যায়। যেটা আমরা অভিযোগে পেয়েছি তখনকার দিনে মদন খাঁ তৃণমূল পার্টি করতেন। মনোরঞ্জন পাত্র দলবল নিয়ে ওনার বাড়িতে গিয়েছিলেন উনাকে তৃণমূল থেকে সিপিএমে আসতে বলছিলেন সেই নিয়ে একটা বচসা তৈরি হয়। সেই সময় এই মনোরঞ্জন পাত্র, জিতেন পাত্র, আজবাহার খাঁ সহ আরো লোকজন ওনার বাড়িতে যায়। তারা গিয়ে ওনাকে চাপ দিতে থাকেন। উনি যখন এই ব্যাপারটা মানতে না চান তখন ওনাকে খুন করা হয়। ওনার বাড়িতে যারা ছিলেন তাদের সামনেই বাড়ির ভেতরে গুলি করা হয়। উনার বডি লোপাট করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এটা ছিল ২৯/৬/২০১০ এর ঘটনা। ৩০ তারিখে ছেলে ইসমাইল খাঁ তালডাংরা পিএসএ অভিযোগ জানায়। এই ঘটনায় মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে কেস শুরু হয়। কিছুটা সাক্ষী ওখানেই হয়ে গেছিল। বাদবাকি সাক্ষী সাক্ষ্য প্রমাণ আর্গুমেন্ট সবকিছু এমপি, এমএলএ কোর্টে সম্পন্ন হয়। এদিন মোট ২১ জনের মধ্যে তিন জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন বিচারক। তিনজনের মধ্যে একজন হল প্রাক্তন সিপিআইএমের এম এলএ মনোরঞ্জন পাত্র, জিতেন পাত্র ও আজবাহার খান। গুলিটা আজবাহার খান চালিয়েছিলেন উনাদের নির্দেশে। বাকি ১৯ জনের ক্ষেত্রে তথ্য প্রমাণ সেভাবে সাপোর্ট করেনি সাক্ষীরা তাদেরকে সেইভাবে আইডেন্টিফাই করতে পারিনি যে ওখানে তারা হাজির ছিলেন বা কিছু সেই কারণে তাদেরকে এই মামলা থেকে খালাস করে দেওয়া হয়েছে। আজ বাকি তিনজনের যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা করল বিধান নগরএমপি, এমএলএ কোর্টে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২২
শিক্ষা

ইংরেজিতেই সব থেকে বেশি অযোগ্য শিক্ষক, ভুয়োদের তালিকা প্রকাশ হতেই শোরগোল

আদালতের নির্দেশের ২৪ ঘন্টার মধ্যে অযোগ্য-ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। গতকালই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এই তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তালিকা প্রকাশ করতেই তা দেখতে হইচই বেধে গিয়েছে।ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। কমিশন তাদের ওয়েবসাইটে ১৮৩ জন শিক্ষকের নাম তুলে দিয়েছে সেই তালিকায়। এরা ভুয়ো সুপারিশপত্রের ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছিলেন তাঁরা।ওই তালিকায় অযোগ্য শিক্ষকদের নাম, রোল নম্বর, আবেদনপত্রের নম্বর থেকে শুরু করে যে বিষয়ে শিক্ষকতার জন্য আবেদন করেছিলেন সবই প্রকাশ করা হয়েছে। অঙ্ক, বাংলা, ইংরাজি, ইতিহাস, ভূগোল, পদার্থ বিজ্ঞান, জীবনবিজ্ঞানের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও রয়েছেন সেই তালিকায়।এদিন সন্ধেয় এই তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। তালিকায় সবচেয়ে বেশি ভুয়ো শিক্ষক রয়েছেন ইংরাজি বিষয়ের। ১৮৩ জনের মধ্যে ৫৭ জন ইংরাজির শিক্ষক-শিক্ষিকা। ৩০ জন ভূগোলের, ২২ জন জীবন বিজ্ঞান, ২১ জন বাংলায়, অঙ্ক ও পদার্থ বিজ্ঞানে ১৮ জন করে এবং ইতিহাসে ১৭ জন রয়েছেন তালিকায়। ১৮৩ জনের নামের তালিকা ওয়েবসাইটে আপলোড করার পর শিক্ষামহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এনমকী ওই শিক্ষকরা কোন স্কুলে কর্মরত তা জানার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

দেহরক্ষী হীন কেষ্ট, সুপ্রিম-রায়ে ইডি-র ডাকে দিল্লি চলল সহগল

একদিকে মানিক ভট্টাচার্য্য ও ২৬৯ জন বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের সাময়িক স্বস্থিদানের রায় দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট ঠিক সেই সমইয়েই, গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত, জেলবন্দি বীরভূমের বেতাজ বাদশা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী রাজ্য সরকারের কনস্টবল পদে কর্মরত সহগল হোসেনের আবেদন খারিজ করে এক অন্য বার্তা দিল শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট।পরিণাম স্বরুপ সহগলকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র আর কোনও বাধাই রইল না। উল্লেখ্য এর আগে সহগলকে দিল্লিতে ইডি-র অফিসে নিয়ে গিয়ে জেরার জন্য আসানসোলে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেছিল ইডি। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তারপর ইডি কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করে এবং কলকাতা হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে তদন্তকারী সংস্থার সেই আবেদনও বাতিল হয়ে যায়।কলকাতা হাইকোর্টে রায় জানার পর পরেই ইডি দিল্লির রউস অ্যাভিনিউ কোর্টের আবেদন করে। সেখানে সোমবার ইডির আবেদনে সম্মতি দিয়ে সহগলকে সহগলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি দেয়। সেই রায়ের বিরোধিতা করে সহগলের আইনজীবী দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করে, তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট রউস আদালতের এই নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ দেয়। এবং জানায়, শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সহগলের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না ইডি। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিল্লি হাই কোর্টই আবার জানায়, গরু পাচার কান্ডে ধৃত সহগলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আবার দিল্লিতে জেরা এড়াতে মড়িয়া সহগল দিল্লি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান। শুক্রবার সহগলের আর্জি খারিজ করে দিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরার আবেদনে শিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট।

অক্টোবর ২১, ২০২২
কলকাতা

মোমিনপুরের হিংসার ঘটনার তদন্তে সিট গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

মোমিনপুরের অশান্তির ঘটনায় বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট(SIT) গঠনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালত জানিয়েছে, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য ও কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের নেতৃত্বে সিটের সদস্যরা কাজ করবে। তদন্তের গতি নিয়ে দু সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।গত শনিবার মোমিনপুরের ময়ুরভঞ্জ রোডে ব্যাপক গোষ্ঠা সংঘর্ষ ঘটে। রবিবারও হিংসা অব্যাহত ছিল। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন স্থানীয় মানুষ জখম হয়েছেন, হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে আহত কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিককেও। ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমেছিল বিজেপি। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছিল তাঁরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপি দেয় তাঁরা। এই হিংসার ঘটনা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়েরও করে বিজেপি। তারই শুনানি ছিল এদিন।আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিশেষ তদন্তকারী দলকে অপরাধীদের চিহ্নিতকরণ ও তাদের উদ্দেশ্য অনুসন্ধান করতে হবে। একইসঙ্গে হিংসার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ ও তা সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করে বহাল রাখার ব্যাপারেও যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। আদালত বলেছে, স্থানীয়রা কোনওভাবেই যেন আতঙ্কের মধ্যে না থাকে। পুলিশ পিকেটিংও চলবে। আদালতের নির্দেশ, ওই দিনের অশান্তির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।আদালতের নির্দেশের পর এদিন বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে কলকাতার নগরপাল বিনীত গোয়েল। তিনি বলেন, এলাকা এখন স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোনও নাগরিক ভয় পেলে বা আতঙ্কগ্রস্ত থাকলে অবশ্য পুলিশকে জানান, পদক্ষেপ করা হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

বেআইনিভাবে চাকরিপ্রাপ্তদের স্বেচ্ছায় ইস্তফার নির্দেশ, এসএসসি নিয়ে কড়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

বেআইনি ভাবে অযোগ্য নিয়োগকারীদের কোনও ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না, ফের নয়া নির্দেশ দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। দুর্নীতির সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করা হবে না। বেআইনি ভাবে স্কুলশিক্ষক এবং অ-শিক্ষক পদে কর্মরতদের উদ্দেশে বুধবার কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি এদিন বলেছেন, টাকা ঘুষ দিয়ে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা নিজেরাই চাকরি থেকে পদত্যাগ করুন। ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ইস্তফার মেয়াদ। না হলে তাঁদের বরখাস্ত করা হবে। এঁরা যাতে ভবিষ্যতে আর কোনও সরকারি চাকরি না পান সেই ব্যবস্থা করবে আদালত।রাজ্যে স্কুলশিক্ষক এবং অ-শিক্ষকদের নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির তদন্ত ও আদালতের নানা নির্দেশ নিয়ে তোলপাড়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রচুর সংখ্যক সাদা খাতা জমা দেওয়া হয়েছে। কিছু খাতায় শুধুমাত্র পাঁচ-ছটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। তার পরও ওই চাকরিপ্রার্থীরা ৫৩ নম্বর পেয়েছেন। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি-র পরীক্ষায়ও একই জিনিস হয়েছে। আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে কতজনকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে তা-ও জানতে চেয়েছেন বিচারপতি।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

সুপ্রিম স্বস্তি মানিকের, আপাতত গ্রেফতার নয় অপসারিত পর্ষদ সভাপতিকে

এক দিনের জন্য মানিকের স্বস্তি। ২৪ ঘন্টার জন্য মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারের মতো কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না, টেট সংক্রান্ত সিবিআই তদন্ত মামলায় নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামীকাল ফের শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। উল্লেখ্য, এদিন রাত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, আজ রাত ৮টার মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজির হতে হবে প্রথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। সহযোগিতা না করলে প্রয়োজনে সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে। তবে সুপ্রিম নির্দেশে কড়া পদক্ষেপ থেকে স্বস্তি পেয়েছেন মানিক। তবে তাঁকে হাজিরা দিতে হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

টেটের OMR শিট নষ্ট নিয়ে তদন্তের নির্দেশ, আজই সিবিআইতে হাজিরা মানিকের

এবার ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার উত্তরপত্র OMR শিট নষ্ট করা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। মোট ১২ লক্ষের বেশি OMR শিট নষ্ট করার অভিযোগ করা হয়েছিল আদলতে। আদালত জানতে চায়, কেন এবং কার নির্দেশে সেগুলি নষ্ট করা হয়েছে? পর্ষদের জবাব, এর কোনও রেকর্ড নেই। মঙ্গলবার OMR শিট নষ্ট সংক্রান্ত মামলায় এক মাসের মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।এদিকে পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। তদন্তে সহযোগিতা না করলে প্রয়োজনে সিবিআই মানিক ভট্টাচার্যকে হেফাজতে নিতে পারে বলেও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন রাত ৮টার মধ্যেই মানিক ভট্টাচার্যকে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হবে।শুনানিতে বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, OMR শিট অপরাধমূলক উদ্দেশ্য নিয়ে নষ্ট করা হয়েছিল, বাছাই করা সংস্থাকে নষ্ট করার বরাত দেওয়া হয়েছিল, তাই গোটাটা খতিয়ে দেখবে সিবিআই। এছাড়াও বিচারপতি জানান, ২০ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে কাদের OMR শিট নষ্ট করা হয়েছে সেই তথ্য পর্ষদের জানা নেই। এদিকে পর্ষদের এই ভূমিকা মোটেই প্রত্যাশিত নয়। বলেছেন বিচারপতি।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

আবারও এক ল'ক্লার্কের নামে হুমকি চিঠি। এবার বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে

বিহারের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদীকে খুনের হুমকি দিয়ে চিঠি বর্ধমান থেকে। এই চিঠি পাঠানোর অভিযোগ উঠলো বর্ধমানের রায়ান গ্রামের বাসিন্দা চম্পা সোমের নামে । চম্পা সোম পূর্ব বর্ধমান জেলা জজ-কোর্টের লক্লার্ক হিসাবে কর্মরত, এই চিঠির বিষয়ে তিনি কিছুই জানে না বলে দাবী করেন চম্পা। তিনি বলেন, আমি বিহারের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদীকে চিনি না, আমি ওনাকে কোনও হুমকির চিঠি পাঠাইনি। কেউ চক্রান্ত করে এই কাজটি করেছে বলে দাবী চম্পা দেবীর।তিনি আরও বলেন, তার অনুমান এই হুমকির চিঠি পাঠানোর পিছনে রয়েছেন বর্ধমান কোর্টের আইনজীবী সুদীপ্ত রায়। উল্লেখ্য, এর আগে সুদীপ্ত আসানসোলের সিবিআই কোর্টের বিচারপতি কে হুমকির চিঠি পাঠিয়ে ছিল অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের বিষয়ে। বিহারের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী কে হুমকি চিঠি নিয়ে তোলপাড় হতেই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন চম্পা দেবী।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

সওয়াল-জবাবে কেঁদে ভাসালেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পিংলার স্কুলে হানা ইডির

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে বসেই ভার্চুয়াল সওয়াল-জবাবে অংশ নিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। সেখানে অর্পিতা ফের বলেন, তিনি জানেন না তাঁর দুই ফ্ল্যাটে কারা টাকা রেখে গিয়েছে তা তিনি জানেন না। তবে বিচারপতি জানিয়ে দেন যেহেতু তাঁর ফ্ল্যাট থেকে টাকা উদ্ধার হয়েছে তার দায় অর্পিতাকেই নিতে হবে। এদিনও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী মক্কেলের জামিনের আবেদন করেন। যদিও তা খারিজ হয়ে যায়।এদিন ইডি পিংলায় পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত স্কুলে হানা দেয়। এই স্কুলের ডিরেক্টর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাই কল্যানময় ভট্টাচার্য। স্কুলটি একেবারের ঝা চকচকে। ১৫ বিঘে জমির ওপর স্কুলটি নির্মাণ করা হয়। বাবলি চট্টোপাধ্যায় ফাউন্ডেশনের নামেই এই স্কুলটি নির্মিত হয়েছে। এসএসসি দুর্নীতির অর্থ এই স্কুল ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে ইডি।সওয়াল জবাবে প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন কেঁদে ভাসিয়েছেন। তা বলতে দেওয়ার সুযোগ দেন বিচারপতি। পার্থবাবু বারে বারে বোঝাতে চেয়েছেন তিনি কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁর ফ্ল্যাটের টাকা যে অর্পিতার নয়, তা বলার সময় কান্নাকাটি করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

মঙ্গলকোট হত্যা কান্ডে হাজিরা দিতে কলকাতা যাওয়ার সময় শক্তিগড়ে কি খেলেন অনুব্রত?

ধৃত বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোল থেকে কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথে তার গাড়ি শক্তিগড়ে দাঁড়ায়। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের শক্তিগড়ের একটি ল্যাংচার দোকানের সামনে তার গাড়ি দাঁড়ালেও অনুব্রত মণ্ডল গাড়ি থেকে নামেন নি। মিনিট দশেক তিনি গাড়ির মধ্যেই ছিলেন। তবে চারটি কচুরী, ছোলার ডাল প্যাকেট করে গাড়ির ভিতরে নিয়ে যায় পুলিশকর্মীরা। পাশাপাশি এক কাপ লিকার চা তিনি খান গাড়ির ভিতরে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান আদালতে ২ ঘন্টার কর্মবিরতি, দাবি মহার্ঘভাতার

৩১ শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার দাবিতে ২ ঘন্টা কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে নামলো বর্ধমান আদালতের কর্মীরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ থেকে বেলা ১ টা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে শামিল হলেন তারা। এদিন কোর্ট চত্ত্বরে মিছিলও করেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলন কারীরা জানিয়েছেন, যেভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যাচ্ছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আয় এক জায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছে।মহামান্য হাইকোর্ট মহার্ঘ ভাতা দেবার কথা বললেও বিভিন্ন অজুহাতে বকেয়া প্রায় ৩১ শতাংশ ভাতা দেওয়া হচ্ছেনা নানান অজুহাতে। দ্রুত এই মহার্ঘভাতা দেবার দাবীতেই তাদের এই আন্দোলন বলে জানাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা জজ আদালতের কর্মীরা। এদিন আদালতের ২৬০ জন কর্মীই এই কর্মবিরতিতে শামিল হন।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

আসানসোল সিবিআই কোর্টের বিচারককে বেনামী হুমকি চিঠির অভিযোগে আইনজীবী সুদীপ্ত রায় গ্রেফতার

রাতভর ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালাল পুলিশ। বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের মামলার বিচারককে হুমকি চিঠির ঘটনায় সোমবার গ্রেফতার হয় বর্ধমান আদালতের আইনজীবী সুদীপ্ত রায়কে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সোমবার রাতেই পূর্ব বর্ধমানের মেমারির চিনুই (সাহানুই) গ্রাম থেকে ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের সহকারী দীপক মহুরীকে বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আসানসোল আদালত চত্বরে গিয়েছিলেন সুদীপ্ত। খবর পেয়েই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।এখানে উল্লেখ্য ২০ আগষ্ট আসানসোলের সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীকে হুমকি চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে লেখা হয় গরু পাচার মামলায় ধৃত বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন না দিলে তাঁর পরিবারকে গাঁজা কেসে ফাঁসানো হবে। সেই চিঠির প্রেরক হিসাবে পূর্ব বর্ধমানের এগজিকিউটিভ আদালতের আপার-ডিভিশন ক্লার্ক (ইউডিসি) বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়ের নাম ও সই ছিল। বাপ্পা প্রথম থেকেই বলে আসছেন, তিনি নির্দোষ। তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে।হুমকি চিঠির তদন্তে গত বৃহস্পতিবারও বাপ্পাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের দুই পুলিশকর্তা। জিজ্ঞাসাবাদের পর বাপ্পা দাবি করেন, সুদীপ্ত রায় নামে বর্ধমান আদালতের এক আইনজীবী দিন দুয়েক আগে তাঁকে আদালত চত্বরে হুমকি দিয়েছিলেন। তাকে বলা হয়, তোর যা ব্যবস্থা করার, হয়ে গিয়েছে। এ বার তোর চাকরি খাব। বাপ্পাবাবু গোটা বিষয়টি বর্ধমান উত্তরের মহকুমাশাসককে জানান। হুমকি চিঠির পিছনে সুদীপ্তেরই হাত রয়েছে। শুক্রবার বাপ্পার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়। তার পরেই সোমবার গ্রেফতার হয় সুদীপ্ত।সোমবার গভীররাতে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ বর্ধমান থানার পুলিশের সহযোগিতায় ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বর্ধমান শহরের বড়নীলপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশী চালায়।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

প্রতিবেশী নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে কুড়ি বছরের জেল ও নগদ জরিমানার আদেশ কালনা কোর্টের

প্রতিবেশী দশ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের বিরুদ্ধে কুড়ি বছরের জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায় আরও ছয় মাস জেলের সাজা ঘোষণা করল আদালত। শুক্রবার কালনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুধীর কুমার এই সাজা ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত সুব্রত হালদারের বাড়ি কালনা থানার সাতগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষপল্লী গ্রামে।গত ২০২০-র ১৪ ই অক্টোবর সন্ধ্যাবেলায় প্রতিবেশী ওই নাবালিকা মুদিখানা দোকানে গিয়েছিল। ফেরার পথে আসামি সুব্রত হালদারের সঙ্গে ওই নাবালিকার দেখা হয়। সুব্রত একটা মোবাইল দেখিয়ে নাবালিকাকে বলে চার্জ ফুরিয়ে গেছে, তুই এটা বাড়িতে দিয়ে আয়। সরল বিশ্বাসে মেয়েটি তার বাড়িতে মোবাইল পৌঁছে দিতে গেলে সুব্রতও চুপিসারে পিছন পিছন বাড়ি ফিরে আসে। নিজের বাড়ির ভিতরে পেঁপে গাছ তলায় তাকে ধর্ষণ করে।বাড়ি ফিরে নাবালিকা বাড়িতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে তার মাকে সব খুলে বললে পরিবার তরফে কালনা থানায় অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়। কালনা থানার পুলিশ সুব্রত হালদারকে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ এ বি এবং পস্ক আইনের ৪ উপ-ধারায় মামলা রজু করে। এই মামলার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন পুলিশ অফিসার সোমনাথ নস্কর। এই মামলায় তদন্তকারী অফিসার সহ ১৬ জনের সাক্ষ্যদানের পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।কালনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুধীর কুমার শুক্রবার তাকে কুড়ি বছর জেল এবং দশ হাজার টাকা জরিমানার রায় ঘোষণা করেন। অনাদায় আরও অতিরিক্ত ছয় মাসের জেলের সাজা দেন। সরকারি আইনজীবী মলয় পাঁজা বলেন, এই মামলার রায়ে সমাজে একটা বার্তা পৌঁছালো যে, নাবালিকার উপর অত্যাচার করলে তার পরিণতি এটাই হবে। তবে নির্যাতিতা ওই মহিলা কেস চলাকালীন আত্মহত্যা করেন এই ঘটনার চাপ সহ্য করতে না পেরে। যদিও তার আগেই এই কেসের তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গিয়েছিল। নির্যাতিতা নাবালিকার মা এদিন শুক্রবার কালনা আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন আমার মেয়ে বেঁচে থাকলে আমি আজ আরও খুশি হতাম।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

বাপ্পা চ্যাটার্জীকে আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের তদন্তকারী অফিসারের জেরা

আসানসোল সিবিআই আদালতের বিচারককে হুমকি চিঠি প্রসঙ্গে অভিযুক্ত বাপ্পা চ্যাটার্জীকে বুধবারের পর ফের বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ করলো আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের দুই পুলিশকর্মী। বুধবারই তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন বর্ধমান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট কোর্টের হেডক্লার্ক বাপ্পা চ্যাটার্জী। আজও আসানসোল পুলিশ থেকে সেই বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানিয়েছেন বাপ্পা বাবু। এদিন বেলা ১২ টার সময় আসানসোল পুলিশের একটি দল তার কাছে যায় এবং হুমকি চিঠি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে এই বিষয়ে বাপ্পা বাবু এদিন কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। সুতরাং তাকে এই বিষয়ে কিছু বলতে মানা করা হয়েছে। তবে তিনি বলেন আইনজীবী সুদীপ্ত রায় তাকে দুদিন আগে কোর্ট চত্বরে বলে তোর যা ব্যবস্থা করা সব হয়েগেছে। এবার তোর চাকরী খাবো।এই বিষয়টি তিনি মহকুমাশাসককে জানিয়েছেন। তার ধারণা এই বিষয়টি সুদীপ্ত রায়ই করেছে।চার পাঁচ দিন আগে হুমকি চিঠি যায় আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর কাছে। সেই চিঠিতে লেখা, গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন দিন। না হলে আপনি এবং আপনার পরিবারকে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে। খামের উপর ব্যবহার করা হয়েছে বাপ্পার নামাঙ্কিত সিলমোহর।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুজোয় ৬০ হাজার! হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

দুর্গাপুজোয় সরকারি অনুদানের সিদ্ধান্ত কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে। প্রসঙ্গত ২২ আগস্ট সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের ৪৩ হাজার দুর্গাপুজো কমিটিকে ৬০ হাজার টাকা করে রাজ্য সরকারের তহবিল থেকে অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। এবার সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের জনস্বার্থ মামলার আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করল কলকাতা হাই কোর্ট।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজেশ ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ পুজো কমিটিগুলিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান নিয়ে রাজ্যের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। মামলাকারী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী কাউন্সিলের আইনজীবী পারমিতা দে। আগামী শুক্রবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। হাই কোর্টের কাছে মামলার দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়েছে আবেদনকারী পক্ষের তরফে।প্রসঙ্গত, আগের দুবছর রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, এককালীন ৬০ হাজার টাকা অনুদানের সাথে পুজো কমিটিগুলির বিদ্যুৎ বিলেও ৬০% ছাড় দেওয়া হবে। কোলকাতা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই ও রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদকে পুজো কমিটিগুলিকে বিদ্যুৎ বিলে ৬০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার অনুরোধও জানান মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যে বিজেপি-সহ বিরোধী দলগুলি মুখ্যমন্ত্রীর ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছে।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান আদালত চত্তরে সিমেন্টের বিশাল চাঙর খসে পড়ল বিচারকের গাড়িতে, অল্পের জন্য প্রাণরক্ষা বিচারক ও চালকের

বিচারকের গাড়িতে চাঙর খসে পড়লো। অল্পের জন্য দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন বর্ধমান জেলা আদালতের বিচারক। মঙ্গলবার বিকেলে আদালত ভবনের চারতলার সিলিং থেকে খসে পড়ে বড় মাপের সিমেন্টের চাঙর। তাতে ভেঙে চুরমার হয়ে যায় বিচারকের গাড়ির কাঁচ। বিচারক তখন গাড়িতেই ছিলেন। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন তিনি। ঘটনায় আদালত চত্বরে শোরগোল পড়ে যায়। আদালত ভবনের বেহাল দশা ও তা নিয়ে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আইনজীবী থেকে শুরু করে বিচারপ্রার্থীরা। অবিলম্বে আদালত ভবনের সংস্কারের দাবি জানান তাঁরা। মুহূর্তে খবর যায় জেলা প্রধান বিচারকের কাছে। খবর দেওয়া হয় পূর্ত দপ্তরকে। পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস মিলেছে বলে দাবি আদালত কর্তৃপক্ষের। ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। সিলিংয়েও ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে নিউ বিল্ডিংয়ে প্রবেশ পথের নীচে পার্কিং প্লেসে প্রথম সিভিল জজ সিনিয়র ডিভিশনের গাড়ি রাখা ছিল। তিনি গাড়িতেই ছিলেন। চালক গাড়িতে স্টার্ট দিচ্ছিলেন। সেই সময় আচমকা চার তলার সিলিং থেকে একটি বড় চাঙর খসে গাড়ির কাচে পড়ে। পিছনের সিটে বসেছিলেন বিচারক পুকার প্রধান। চাঙর পড়ে পিছনের কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। আচমকা এ ধরণের ঘটনায় বিহ্বল হয়ে পড়েন বিচারক। আশপাশের লোকজন সেখানে দৌড়ে যান। বিচারককে গাড়ি থেকে নামানো হয়। মুহূর্তে খবর চলে যায় জেলা জজের কাছে। এরপরই তৎপরতা শুরু হয়। আদালত ভবনের অবিলম্বে সংস্কার প্রয়োজন। তা না হলে যে কোনও দিন কোনও বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজ্য

স্ত্রীকে নোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করার অভিযোগে স্বামীকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল কালনা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক

সিঙেরকোনের আনোকা গ্রামে নিজের স্ত্রীকে নোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করায় তাঁর স্বামীকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল কালনা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক সুধীর কুমার। মঙ্গলবার ২০১৭র আগস্ট মাসের ১৭ তারিখ নিজের স্ত্রীকে নিজের বাড়িতেই নোড়া দিয়ে থেঁতলে খুন করার অভিযোগ ওঠে তাঁর স্বামী নীলু বাগের বিরুদ্ধে।জানা যায় বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর উপর পণের জন্য নানান রকম ভাবে অত্যাচার চালাতো তার স্বামী নিলু বাগ। তার স্ত্রী যেদিন খুন হন, তার আগের দিন নিলু তাঁর স্ত্রীকে বাপের বাড়ি পাঠিয়েছিল পয়সা নিয়ে আসার জন্য। সেখান থেকে সে পয়সা না নিয়ে আসায় রাতের বেলায় তাঁকে খুন করে। এর পরই কালনা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। সংশোধনাগারে রেখেই তার এতদিন ধরেই বিচার চলছিল। কালনা থানার তৎকালীন তদন্তকারী অফিসার শরিফুল ইসলাম সহ মোট পনেরো জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর এদিন মঙ্গলবার তাকে সাজা শোনায় কালনা আদালতের বিচারক।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রতকে জামিন না দিলে মাদক কেসে ফাঁসানোর হুমকি বিচারককে

আসানসোলের সিবিআই কোর্টের বিচারককে হুমকি চিঠি। ঘটনাই চাঞ্চল্য ছড়ালো আসানসোল ও বর্ধমানে। অভিযোগ বর্ধমান কোর্টের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের হেড ক্লার্কের বিরুদ্ধে। এই ঘোরতর অভিযোগ যার দিকে, বর্ধমান কোর্টের সেই হেড ক্লার্ক বাপ্পা চ্যাটার্জি জানান, আমি এই বিষয়ে কিছু জানিনা। আপনাদের কাছ থেকে প্রথম শুনছি। এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। কেউ কি আপনার নাম করে এই হুমকি চিঠি দিয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে বাপ্পা বাবু জানান সেটাও আমি কিছু বুঝতে পারছি না। এখানে উল্লেখ্য বাপ্পা তৃণমূলের জেলাভিত্তিক কর্মচারী সংগঠনের সদস্য।বাপ্পার নামে হুমকি চিঠি আসে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর কাছে। ওই চিঠিতে লেখা হয়, গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন দিন। না হলে আপনি এবং আপনার পরিবারকে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে। চিঠিটি যে খামে করে পাঠানো হয় তাঁর উপর বাপ্পা চ্যাটার্জির নামে সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে। বাপ্পা জানিয়েছেন, তাঁর এবিষয়ে কিছুই জানা নেই। তিনি আরও জানান, সিলমোহর তাঁর কাছেই আছে। চুরি যায়নি, হয়ত কেউ কেউ ওই সিলমোহর নকল করে এই কান্ডটি ঘটিয়েছে।প্রসঙ্গত আগামিকাল বুধবারই অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের শুনানি আছে আসানসোল সিবিআই কোর্টে। অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার মামলায় আপাতত সিবিআই হেপাজতে আছেন।

আগস্ট ২৩, ২০২২
দেশ

পানশালার বিতর্কে স্মৃতি ইরানির মেয়ে, দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশে অশ্বস্তির মুখে তিন কংগ্রেস নেতা

দিল্লী উচ্চ আদালত জানিয়েছে যে, তিন কংগ্রেস নেতা বিজেপি নেত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং তার মেয়ের জোয়িশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের ষড়যন্ত্র করেছিলেন তা মিথ্যা। ওই তিন কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে মহিলা ও শিশুকল্যাণ উন্নয়ন মন্ত্রী ইরানির দায়ের করা ২ কোটি টাকার দেওয়ানি মানহানির মামলার শুনানির সময় আদালত এই নির্দেশ দেয়।আদালত স্মৃতি ও তাঁর মেয়ের বিরুদ্ধে আনা কংগ্রেসের অভিযোগগুলিকে খণ্ডিত করে তাঁর আদেশে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং তার মেয়ে গোয়ার রেস্তোরাঁ এবং বারের মালিক নন। কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল, মৃত ব্যক্তির নথি জাল করে লাইসেন্স পেয়েছে স্মৃতি ইরানির কন্যার গোয়ার রেস্তরাঁ ও পানশালা সিলি সোলস।দিল্লী উচ্চ আদালতের নির্দেশে গোয়ায় উল্লিখিত বারএর নথি যাচাই করে দেখে, যে অভিযোগ জয়রাম রমেশ, পবন খেরা, নেট্টা ডিসুজা করেছেন স্মৃতি ইরানির মেয়ের বিরুদ্ধে,ওই নামে কোনও লাইসেন্স কখনও ইস্যু করা হয়নি এমন কোনও লাইসেন্স আদও ছিল না। ইরানি বা তার মেয়ে ওই রেস্টুরেন্টের মালিকও নন। এবং আদালত সুস্পষ্ট করে জানান, স্মৃতি ইরানি বা তার মেয়ে কখনই লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেনি।উল্লেখ্য,তিন কংগ্রেস নেতা টুইটারে স্মৃতি-র মেয়ে জোয়িশের বিরুদ্ধে জাল নথি পেশ করে পানশালার লাইসেন্স পাওয়ার অভিযোগ জানানোয় ওই তিন নেতাকে আইনি নোটিস পাঠান স্মৃতি ইরানি, এবং দিল্লি হাই কোর্টে মানহানির মামলা দায়ের করেন। দিল্লি হাই কোর্ট গত শুক্রবার জয়রাম রমেশ, পবন খেরা, নেট্টা ডিসুজাকে টুইট মুছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। আজকের আদালতের এই নির্দেশে কংগ্রেসের তিন নেতার আইনি বিপাকে পড়ার সম্ভবনা আরও প্রবল বলেই আইনজ্ঞরা মনে করছেন।

আগস্ট ০১, ২০২২
রাজ্য

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পার্থকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ আদালতের

কাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ওডিষার ভুবনেশ্বরে এইমস নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এখন তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বৃহস্পতিবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। একইসঙ্গে মোট ১৩ জায়গায় তল্লাশি করে ইডি আধিকারিকরা। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২১কোটি টাকা ২০ টাকা উদ্ধার করে ইডি। এসএসকেএম থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে তৃণমূলের মহাসচিবকে।

জুলাই ২৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মৃত্যু জল্পনার মাঝেই ভিডিও বার্তা, কী বলতে চাইলেন নেতানিয়াহু

মৃত্যু নিয়ে জল্পনার মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই ভিডিওর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি সুস্থ আছেন। তবে ভিডিওটি প্রকাশের পরই সমাজমাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে তাঁর হাতে একটি কফির কাপ দেখা যায়। সেই ভিডিওতে ব্যঙ্গের সুরে তিনি বলেন, তিনি কফির জন্য মরতেও রাজি এবং দেশের জন্যও মরতে প্রস্তুত। এর আগে যে বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, সেই বিষয়েও তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।কিন্তু সোমবার সকালে সমাজমাধ্যমে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর একটি পরিষেবা দাবি করে, নেতানিয়াহুর সেই ভিডিওটি নাকি আসলে কৃত্রিমভাবে তৈরি। তাদের মতে, ভিডিওতে কফির কাপের অবস্থান প্রায় একই রকম রয়েছে এবং ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে কথার মিলও ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও তাঁর বাঁ হাতের অবস্থানও অস্বাভাবিক বলে অনেকের দাবি। এই সব কারণেই অনেকে মনে করছেন ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হতে পারে।এই বিতর্কের মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি অজানা পাহাড়ি জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন নেতানিয়াহু। তাঁর পাশে দুজন তরুণীকেও দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে একটি বার্তাও দেওয়া হয়েছে, যেখানে লেখা রয়েছে নির্দেশ মেনে চলেই জয় অর্জন করা হচ্ছে। তবে এই বার্তার অর্থ কী, তা স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে নতুন এই ভিডিও ঘিরে আবারও নানা প্রশ্ন উঠছে। বর্তমানে নেতানিয়াহু ঠিক কোথায় আছেন, তা নিয়েও কোনও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। ফলে গোটা ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও কৌতূহল এবং জল্পনা আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

বকেয়া ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা, তবে পুরোটা নয়—নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানাল রাজ্য

বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগেই সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছিলেন, মার্চ মাস থেকেই এই বকেয়া ভাতা দেওয়া শুরু হবে। সেই ঘোষণার পর সোমবার নবান্নের অর্থদফতর ডিএ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি কর্মীরা বকেয়া ডিএ পাবেন ঠিকই, তবে আপাতত পুরোটা নয়। প্রথম ধাপে জানুয়ারি দুই হাজার ষোলো থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার উনিশ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে।এর আগে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল সমস্ত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে। তবে অর্থদফতরের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের কিছু আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বড় অঙ্কের খরচের কারণে একবারে সব টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে এই বকেয়া ভাতা মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই বকেয়া ডিএ দুই সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালের মার্চ মাসে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে।বকেয়া ডিএ হিসাব করা হবে সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে। পর্যবেক্ষণ কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এই অঙ্কের কিছু সমন্বয়ও করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।এপ্রিল দুই হাজার আট থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার পনেরো পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ কবে দেওয়া হবে, তা পরে আলাদা করে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।সরকারি কর্মীদের মধ্যে যাঁরা গ্রুপ এ, বি এবং সি শ্রেণির কর্মী, তাঁদের বকেয়া ডিএ সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। গ্রুপ ডি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।বর্তমান পেনশনভোগী এবং পারিবারিক পেনশনভোগীদের বকেয়া ভাতা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। কলকাতার বাইরে যাঁরা ট্রেজারি থেকে পেনশন নেন, তাঁদের টাকা সংশ্লিষ্ট ট্রেজারির মাধ্যমে দেওয়া হবে। আর কলকাতা অঞ্চলে যাঁরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন পান, তাঁদের ক্ষেত্রে পেমেন্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যাঙ্কেই টাকা পৌঁছে যাবে।যাঁরা এখন চাকরিতে নেই কিন্তু দুই হাজার ষোলো থেকে দুই হাজার উনিশ সালের মধ্যে কিছু সময় কাজ করেছেন, তাঁরাও সেই সময়ের জন্য বকেয়া ডিএ পাওয়ার যোগ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের শেষ কর্মস্থলের দপ্তরের প্রধানের কাছে আবেদন করতে হবে। কোনও কর্মচারী যদি এর মধ্যে মারা গিয়ে থাকেন, তবে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি বা আইনগত উত্তরাধিকারী এই বকেয়া পাওয়ার অধিকারী হবেন।এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার আদালতের নির্দেশ মানেনি। তাঁর কথায়, এই টাকা সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা হলে কর্মচারীরা অনেকদিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করতে পারবেন না। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং খুব শিগগিরই তারা আন্দোলনে নামতে পারেন।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

আবার মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু? ভবানীপুর ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের নজর ছিল নন্দীগ্রামে। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত জয় পাননি তিনি। পাঁচ বছর পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু এবারও হয়তো একই ধরনের রাজনৈতিক লড়াই দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।কারণ বিজেপি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, এবারও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই লড়তে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সরস্বতী পুজোর সময় ভবানীপুরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপেও ঘুরতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর পর থেকেই জল্পনা আরও বাড়তে থাকে।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী নিজে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়তে আগ্রহী ছিলেন। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কেন্দ্রে কেন শুভেন্দুকে প্রার্থী করা হল।২০২১ সালের নির্বাচনের আগে দীর্ঘদিন নন্দীগ্রামে থেকে প্রচার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অন্য অনেক কেন্দ্রে প্রচারে যেতে পারেননি। তবে তৃণমূল নেত্রী প্রায়ই বলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেরই প্রার্থী। সেই হিসেবে রাজ্যের সব জায়গায় তাঁর প্রচার করাও গুরুত্বপূর্ণ।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ব্যস্ত রাখতেই বিজেপি এই কৌশল নিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইকও প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধীরা কি মমতাকে ওই কেন্দ্রেই ব্যস্ত রাখতে চাইছে। যাতে তিনি সেখানেই বেশি সময় দেন, সেটাই কি উদ্দেশ্য।তবে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হবেন কি না। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই আবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

হিরণকে সরিয়ে দিলীপের প্রত্যাবর্তন, খড়্গপুর সদরে নতুন সমীকরণ

খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত নাম দিলীপ ঘোষের। তিনি এক সময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। পরে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় তাঁকে। তবুও খড়্গপুর সদর এলাকার রাজনীতির সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। এবার সেই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে।সোমবার বিজেপি একশো চুয়াল্লিশ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে রয়েছে দিলীপ ঘোষের নাম। ফলে বর্তমান বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে আর প্রার্থী করা হল না।দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা জ্ঞানসিং সোহনপালকে পরাজিত করেছিলেন। সোহনপাল দীর্ঘদিন ধরে এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। তাঁকে হারানোর পরই রাজ্য রাজনীতিতে বড় করে আলোচনায় আসেন দিলীপ ঘোষ।দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত তিনি খড়্গপুর সদরের বিধায়ক ছিলেন। পরে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিধায়ক পদ ছাড়েন তিনি। সেই সময় উপনির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে জয়ী হন তৃণমূলের প্রদীপ সরকার।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এবারও তিনি টিকিট পাওয়ার আশা করেছিলেন। অন্যদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে খড়্গপুর এলাকায় যাতায়াত বাড়িয়েছিলেন দিলীপ ঘোষও।গত বছর দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার পর দিলীপ ঘোষকে ঘিরে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। সেই সময় বিজেপির কর্মসূচিতে তাঁকে খুব বেশি দেখা যাচ্ছিল না। তবে পরে কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহের রাজ্য সফরের পর আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই তাঁকে আবার পুরনো ভঙ্গিতে রাজনীতিতে সক্রিয় দেখা যেতে থাকে।এই সময়ের মধ্যেই খড়্গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়। প্রথম স্ত্রীকে আইনি ভাবে বিচ্ছেদ না দিয়েই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়। এমনকি তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় অভিযোগও দায়ের করেন।এই সব বিতর্কের আবহেই শেষ পর্যন্ত হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী না করে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে দিলীপ ঘোষকে টিকিট দিল বিজেপি। এখন দেখার, দুই হাজার ষোলো সালের মতো আবারও কি এই কেন্দ্রে জয় ছিনিয়ে আনতে পারেন তিনি।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কাঁথি–তমলুকে নতুন সমীকরণ, শুভেন্দুর শক্ত ঘাঁটিতে লড়াই জমাতে মাঠে বামেরা

পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে কাঁথি ও তমলুক অঞ্চলে অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব অনেকদিনের। এই উপকূলের জেলার বহু এলাকায় মানুষ একে শুভেন্দুর গড় হিসেবেই চেনে।রাজনীতিতে সাধারণত গড় বলতে এমন একটি এলাকাকে বোঝানো হয় যেখানে কোনও নেতা বা রাজনৈতিক দলের দীর্ঘদিনের শক্ত প্রভাব থাকে। সেই অর্থে কাঁথি, তমলুক ও আশপাশের অঞ্চলকে অধিকারী পরিবারের প্রভাবের এলাকা বলেই মনে করেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক। এই পরিস্থিতিতেই সেই এলাকাগুলিতে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামেরা।বাম শিবিরের তরফে তমলুক কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিআই নেতাকে। ময়না কেন্দ্রে লড়ছেন সিপিআইয়ের স্বপন বর্মন। হলদিয়া কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে অশোক পাত্রের। পটাশপুর কেন্দ্রে সিপিআইয়ের সৈকত গিরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।কাঁথি উত্তর কেন্দ্রে, যেখানে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি, সেই এলাকায় সিপিএম প্রার্থী হিসেবে লড়বেন সুতনু মাইতি। আবার কাঁথি দক্ষিণ কেন্দ্রে সিপিআইয়ের প্রার্থী করা হয়েছে তেহরান হোসেনকে। রামনগর কেন্দ্রে লড়বেন অশোক কুমার মাইতি।পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, কাঁথি পূর্ব, খেজুরি, এগরা এবং তমলুক এলাকায় বহু বছর ধরেই অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী এবং ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীও দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশেষ করে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পর এই অঞ্চলে শুভেন্দু অধিকারীর জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। সেই কারণেই এই উপকূলের জেলাকে অনেকেই তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে মনে করেন। এবার সেই এলাকাতেই একাধিক প্রার্থী ঘোষণা করে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিল বামেরা।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোট ঘোষণার পরই বড় চমক, ১৯২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বামফ্রন্টের

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট। মোট একশো বিরানব্বইটি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু। এই তালিকায় যেমন একাধিক নতুন মুখ রয়েছে, তেমনই রয়েছে অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতারাও। পাশাপাশি কয়েকজন পরিচিত ও ভারী ওজনের নেতাকেও লড়াইয়ের ময়দানে নামানো হয়েছে।যাদবপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলেও গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা থেকে শুরু করে বকেয়া ভাতা সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি আদালতে সক্রিয় ছিলেন এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও পেয়েছেন।উত্তরপাড়া কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। তিনি বাম শিবিরের অন্যতম তরুণ ও পরিচিত মহিলা মুখ। এর আগেও বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মতো বড় নেতাদের বিরুদ্ধেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে তাঁর সরাসরি বক্তব্য এবং তীব্র বক্তৃতা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচিত হয়েছে।রানিবাঁধ কেন্দ্রে আবারও প্রার্থী করা হয়েছে দেবলীনা হেমব্রমকে। তিনি দীর্ঘদিন রানিবাঁধের বিধায়ক ছিলেন। দুই হাজার ছয় থেকে দুই হাজার এগারো পর্যন্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় তিনি অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানে তিনি সিপিএমের জেলা নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। দলের তরফে তাঁকে লড়াকু নেত্রী হিসেবেই তুলে ধরা হয়।মহেশতলা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি পেশায় আইনজীবী এবং সিপিএমের তরুণ মুখ হিসেবে পরিচিত। আগের লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন।পানিহাটি কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে কলতান দাসগুপ্তকে। তিনি বামেদের অন্যতম পরিচিত সংগঠক। অতীতে একটি বিতর্কের জেরে তাঁর নাম আলোচনায় উঠেছিল। পরে তিনি জামিন পান এবং নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন। বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমে বামেদের মুখপাত্র হিসেবেও তাঁকে দেখা গেছে।দমদম উত্তর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দীপ্সিতা ধরকে। তিনি বামেদের অন্যতম তরুণ নেত্রী। আগের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছিলেন। পরে লোকসভা নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে দলের তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে তাঁর নাম গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।এই প্রার্থী তালিকার মাধ্যমে বামফ্রন্ট একদিকে অভিজ্ঞ নেতাদের ভরসা রাখার পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বকেও সামনে আনার চেষ্টা করেছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। এখন দেখার, আসন্ন নির্বাচনে এই প্রার্থী তালিকা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতার, “বিনাশকালে বুদ্ধি নাশ” মন্তব্যে তোলপাড়

রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে পথে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই মিছিলে যোগ দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাতের মধ্যে বার্তা পেয়ে তিনি অবাক হয়ে যান। তাঁর প্রশ্ন, মধ্যরাতে এভাবে কোনও রাজ্যের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দেওয়া কি আগে কখনও দেখা গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগে এই ধরনের ক্ষেত্রে রাজ্যের কাছে কয়েকটি নাম চাওয়া হত এবং সেখান থেকে নির্বাচন করা হত। কিন্তু এবার কোনও প্রক্রিয়া মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই সিদ্ধান্ত যেন জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, যাঁকে সরানো হয়েছে তিনি একজন বাঙালি মহিলা আধিকারিক। তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্তের মধ্যে নারী বিদ্বেষের ইঙ্গিত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলার প্রতি এক ধরনের বিরূপ মনোভাব দেখানো হচ্ছে।মিছিলের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যদি কেউ মনে করে ভয় দেখিয়ে তাদের থামানো যাবে, তা হলে তারা ভুল করছে। তাঁর কথায়, লড়াই করতে হলে তারা প্রস্তুত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, শুধু বাঙালি আধিকারিক নয়, অবাঙালি আধিকারিকদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পিযুষ পাণ্ডে নামে এক আধিকারিককেও বদলি করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল এবং রাজ্যের মতামত নেওয়া হল না।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি এই বিষয়টিকে বাঙালি এবং অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের সঙ্গেই যুক্ত করে দেখাতে চাইছেন। তাঁর মতে, যারা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নির্দেশ মেনে চলে তাদেরই পছন্দ করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী একসঙ্গে দুই ধরনের ভোটারের কাছেই বার্তা দিতে চাইছেন। বিশেষ করে এমন এলাকায় যেখানে বাঙালি ও অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের ভোটই গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচনে সেই ভোট সমীকরণ কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ১৬, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের বড় ডাক, ভারত কি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে? স্পষ্ট জানাল দিল্লি

ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলিকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের এখনও কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। কিন্তু এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক কোনও আলোচনা এখনও হয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।এর আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে থাকলে বহু দেশ তার প্রভাবের মুখে পড়বে। তাই চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেনসহ একাধিক দেশকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিরাপদ ও খোলা রাখার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক ক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল করা হয়েছে। তবুও ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই আশঙ্কা থেকেই মিত্র দেশগুলিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।নিজের বার্তায় ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বহু দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আন্তর্জাতিক শক্তিগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে ওই জলপথকে নিরাপদ রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আমেরিকা সমুদ্রপথে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং যে কোনও উপায়ে হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত ও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই সংবেদনশীল বিষয়ে ভারত কী অবস্থান নেয়, তা আন্তর্জাতিক মহলেও নজরে রাখা হচ্ছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal