• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Corona

দেশ

ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি! ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১ লাখ ৫২ হাজারের বেশি

প্রতিদিনই নতুন রেকর্ড সংক্রমণে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৯ জন। গত বছর মার্স মাসে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম একদিনে এত সংখ্যক মানুষ করোনা সংক্রমিত হলেন। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৩৩ লাখ ৫৮ হাজার ৮০৫-এ পৌঁছল। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের কারণে মৃত্যু হয়েছে ৮৩৯ জনের। ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে জারি হয়েছে নৈশ কার্ফু। মহারাষ্ট্রে চলছে সপ্তাহান্তে লকডাউন।এ বার দেশের শীর্ষ আদালতেও থাবা বসাল করোনা। সূত্রের খবর, আদালতের ৫০ শতাংশ কর্মীর করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। আদালতের কর্মীদের মধ্যে এই পরিমাণে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, এমন পরিস্থিতিতে আপাতত বাড়ি থেকেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমস্ত মামলার শুনানি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালত চত্বর, আদালতের সব ঘর জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করার কাজ চলছে বলে ওই সূত্রের খবর।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি

ভোটের মরশুমে রীতিমতো চোখ রাঙাচ্ছে মারণ করোনা। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৪, ৩৯৮ জন। একদিনে করোনার বলি হয়েছেন ১০ জন। অর্থাৎ শনিবারের তুলনায় সামান্য হলেও কমেছে মৃত্যু। এদিনই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিজেপি প্রার্থী আনন্দময় বর্মন।স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত ৪, ৩৯৮ জনের মধ্যে ১,১০৯ জনই কলকাতার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এদিনও প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানকারও একহাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এদিন। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১,০৪৭ জন। তৃতীয় স্থানে হাওড়া। একদিনে নতুন করে করোনা থাবা বসিয়ে সেখানকার ২৯৩ জনের শরীরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা রয়েছে চতুর্থ স্থানে। একদিনে আক্রান্ত সেখানকার ২৮৮ জন। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের করোনা গ্রাফও রীতিমতো ভয় ধরিয়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের। তবে এদিন নতুন আক্রান্তের হদিশ মেলেনি কালিম্পংয়ে। যদিও বাকি সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন সংক্রমিতের হদিশ। ফলে রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬, ১৪, ৮৯৬। একদিনে করোনা রাজ্যের যে ১০ জনের প্রাণ কেড়েছে তাঁদের মধ্যে পাঁচজনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা। একদিনে মৃত্যু হয়েছে সেখানকার ৩ জনের। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় করোনার বলি একজন। ফলে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০, ৪০০।

এপ্রিল ১১, ২০২১
রাজ্য

দৈনিক সংক্রমণ ৪ হাজার, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত ১২

রাজ্যে দৈনিক করোনা সংক্রমণ পেরিয়ে গেল ৪ হাজারে গণ্ডি। শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৪০৪৩ জন নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ১০ হাজার ৪৯৮এ। শতাংশের বিচারে দেখলে দৈনিক সংক্রমণের হারও বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। শেষ ২৪ ঘণ্টার বিচারে সংক্রমণের হার দাঁড়িয়েছে ১০.৯৭ শতাংশ।আক্রান্তের নিরিখে এখনও সর্বোচ্চ স্থানেই রয়েছে কলকাতা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯৭ জন। এরপর রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮৭ জন। রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলায় সমান তালে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এর মধ্যে হাওড়া (২৮৯), হুগলি (১৯১), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (২৯১), পশ্চিম বর্ধমান (২৬৬) ও বীরভূম (২৭১) উল্লেখযোগ্য। এখন পর্যন্ত রাজ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৪২ জন। শুক্রবারে তুলনায় শেষ ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যুও। স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। এদের মধ্যে ৪ জন কলকাতার, ও ৫ জন উত্তর ২৪ পরগনার। মুর্শিদাবাদ, হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে সমান তালে চলছে টিকাকরণের কাজও। এখনও পর্যন্ত ৭৬ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬৩৪ জন করোনার টিকা নিয়েছেন। এর মধ্যে শেষ ২৪ ঘণ্টায় টিকা পেয়েছেন ৩ লক্ষ ৬১ হাজার ৯৪০ জন।

এপ্রিল ১১, ২০২১
দেশ

মারাত্মক পরিস্থিতি, দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৪৫ হাজার

ভয়াবহতার সব মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে করোনা। দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা এক লক্ষের গণ্ডি পেরিয়েছিল সপ্তাহ দেড়েক আগেই। এবার সেই সংখ্যাটা এগোচ্ছে দেড় লক্ষের দিকে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ১ লক্ষ ৪৫ হাজার। রেকর্ড গড়েছে মৃতের সংখ্যাও। একই সঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও।শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৮৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৪ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩২ লক্ষ ৫ হাজার ৯২৬ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪৩৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৭৯৪ জনের। এই সংখ্যাটা চলতি বছরে সর্বোচ্চ।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭৭ হাজার ৫৬৭ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অর্ধেকেরও কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ১০ লক্ষ ৪৬ হাজার ৬৩১ জন। চলতি বছরে প্রথমবার অ্যাকটিভ কেস পেরোল ১০ লক্ষের গণ্ডি। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৯ লক্ষ ৯০ হাজার ৮৫৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ৯ কোটি ৮০ লক্ষ ৭৫ হাজার ১৬০ জন। দেশে ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ এবার রীতিমতো চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তবে, কেন্দ্র এখনই লকডাউনের পথে হাঁটতে চাইছে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যগুলোকে মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরামর্শ নিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

বঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

ভোটের বঙ্গে রাজনৈতিক অশান্তির পাশাপাশি নতুন করে চিন্তা বাড়িয়ে তুলছে রাজ্যের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় লাফিয়ে বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনে নতুন করে কোভিড-১৯-এ সংক্রমিত ৩৬৪৮ জন। বৃহস্পতিবারও এই সংখ্যা ছিল প্রায় ২৮০০। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণ বাড়ল প্রায় ৮০০। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার ছোবলে মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের ৮ জনের। সংক্রমণের হারে সবচেয়ে এগিয়ে কলকাতা। এখানে দৈনিক আক্রান্ত ৬৭৫ জন। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, একদিনে রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক কম। ২৪ ঘণ্টায় ১১৪৬ জন সুস্থ হয়ে ফিরেছেন। করোনা থেকে সুস্থতার হার এ নিয়ে দাঁড়াল ৯৫.২২ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত মহামারির কামড়ে মৃত্যুর মুখে পড়েছেন রাজ্যের ১০,৩৭৮ জন। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ১৮, ৬০৩, যা গত দিনের তুলনায় প্রায় ৩০০০ বেশি। কলকাতার পরই যেসব জেলার করোনা পরিসংখ্যানে মাথাব্যথা বাড়ছে, তা হল উত্তর ২৪ পরগনা, এখানে একদিনেই সংক্রমিত হয়েছেন ৬৫৭ জন। দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আচড়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবারই সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ভোটের প্রচারে ব্যস্ত থাকায় এই বৈঠকে ছিলেন না। বাংলার তরফে ছিলেন মুখ্যসচিব। তাতে নানা সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা হয়েছে ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়েও। বাংলায় টিকাকরণের কী পরিস্থিতি, ভোটযুদ্ধের মাঝে সতর্কতা কতটা নেওয়া হচ্ছে, সেসব নিয়ে সংশয় থাকছে। তার উপর এই লাগামহীনভাবে সংক্রমণ বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের আশঙ্কা বাড়ছে।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
দেশ

করোনা রুখতে ‘টিকা উৎসব’-এর নিদান প্রধানমন্ত্রীর

দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। প্রায় রোজই রেকর্ড সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার চিন্তার ভাঁজ ফেলছে প্রশাসনের কপালে। এহেন পরিস্থিতি ভ্যাকসিনকে হাতিয়ার করে এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার ১১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত টিকা উৎসব পালন করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার, দেশে বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, আমাদের কাছে করোনা সংক্রান্ত পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। যে কোনওভাবে আমাদের মৃত্যুর হার কম রাখতে হবে। আবার কঠিন সময় আসছে। আমাদের সতর্কতায় ঢিলেমি করলে চলবে না। সম্পূর্ণ লকডাউনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোন তৈরির উপর জোর দিয়েছেন। এছাড়া, নাইট কার্ফুয়ের বদলে করোনা কার্ফু শব্দবন্ধ ব্যবহারের আর্জি জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাত ৯টা বা ১০টা থেকে সকাল ৫টা অথবা ৬টা পর্যন্ত নাইট কার্ফুয়ের সময় হওয়া উচিত। সংক্রমণ রুখতে কনট্যাক্ট ট্রেসিং করা উচিত। মহারাষ্ট্র, গুজরাত, পঞ্জাব ও ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্যগুলি করোনার সর্বোচ্চ সংক্রমণের প্রাথমিক ঢেউ দেখেছে। তাই মানুষের মধ্যে কিছুটা গাফিলতি দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে প্রশাসনের মধ্যে ঢিলেমি দেখা যাচ্ছে। এমনটা করলে চলবে না।বৃহস্পতিবার দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা পেরিয়ে গিয়েছে সওয়া এক লক্ষ। যা গত বছর যে সময় দেশের করোনা সংক্রমণের পরিমাণ একেবারে চরমে ছিল তার থেকেও অনেকটা বেশি। এই নিয়ে গত চারদিনের মধ্যে তিনদিন দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক। এই পরিসংখ্যান ভয় ধরানোর জন্য যথেষ্ট। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী টিকা উৎসবের কথা বললেও মহারাষ্ট্র-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় টিকার জোগান পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ আসছে। সব মিলিয়ে দেশে মহামারি পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ১৫ হাজারের বেশি, মৃত ৬৩০

গত বছর এই সময়ই ভারতে প্রভাব বাড়াতে শুরু করেছিল করোনা। আর এখন এই মারণ ভাইরাস নতুন করে জাঁকিয়ে বসেছে। গত বছরও আক্রান্তের যে সংখ্যাটার সাক্ষী হয়নি দেশ, সেটাই হল এবছর। দিন দুয়েক আগেই দৈনিক সংক্রমণ ছাড়িয়েছিল এক লক্ষের গণ্ডি। এবার তা আরও বাড়ল। পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী মৃতের সংখ্যাও।বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৭৩৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রের সেটা বলাই বাহুল্য। গত ২৪ ঘণ্টায় সে রাজ্যে আক্রান্ত ৫৫ হাজারেরও বেশি। মহারাষ্ট্র ছাড়াও পঞ্জাব, কর্নাটক, ছত্তিশগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলিও রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ১ হাজার ৭৮৫ জন। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ৬৩০ জন। দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ১৭৭ জন। এই সংখ্যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই বেশি। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যাও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪৭৩ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৫৯ হাজার ৮৫৬ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ১৭ লক্ষ ৯২ হাজার ১৩৫ করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ৮ কোটি ৭০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪৭৪ জন। টিকাকরণের পাশাপাশি চলছে টেস্টিংও। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১২ লক্ষেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে শুধু বাড়তে থাকা সংক্রমণই নয়, চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেনও। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, পঞ্জাবে ৮০ শতাংশ মানুষের সংক্রমণের কারণ ব্রিটেন থেকে আসা স্ট্রেন। নির্বাচন, কৃষক বিক্ষোভের মতো কারণে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলেো দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

বাংলায় করোনার তাণ্ডব, একদিনে সংক্রমিত ২ হাজারের বেশি

ভোটের মরশুমে রাজ্যজুড়ে নতুন করে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়ে গেল। বেড়েছে মৃত্যুও। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে রাজ্যের সুস্থতার হারও। মঙ্গলবার তৃতীয় দফা ভোট মিটল বঙ্গে। এখনও বাকি পাঁচ দফা। আর তার আগে জোরকদমে চলছে মিটিং-মিছিল-সমাবেশ। কোভিডবিধি উড়িয়ে মাস্ক ছাড়াই জমায়েত করছেন হাজার হাজার মানুষ। আর সেই উদাসীনতার মাশুল গুনতে হচ্ছে বঙ্গবাসীকেই। স্বাস্থ্যদপ্তরের মঙ্গলবারের রিপোর্ট বলছে, একদিনে রাজ্যে কোভিড আক্রান্ত ২ হাজার ৫৮ জন। ফলে এদিন রাজ্যের মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৯৭ হাজার ৬৩৪ জন। স্বাস্থ্যভবনের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে কলকাতায়। সংক্রমিত হয়েছেন ৫৮২ জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭২ জন। এই দুই জেলা ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া ও বীরভূমে। সরকারি হিসেব বলছে, বাংলায় চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৭৭৫ জন। যা সোমবারের তুলনায় ১ হাজার ৩২৯ জন বেশি। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫০৪ জন। একদিনে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭২২ জন। ফলে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৬.১২ শতাংশ। সোমবারের তুলনায় রাজ্যে বেড়েছে মৃত্যুও। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিন জন কলকাতার বাসিন্দা। বাকিরা হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, মালদা ও মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। এদিনে এ রাজ্যে করোনা মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ হাজার ৩৫৫ জন।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
দেশ

দেশে প্রথমবার দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ১ লক্ষ

করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাজেহাল দেশ। এই প্রথমবার দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্ত হলেন লক্ষাধিক। মৃতের সংখ্যা পাঁচশো ছুঁইছুঁই। বিশেষজ্ঞদের কথায়, নিজেদের উদাসীনতার ফল ভুগছে আমজনতা। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দৈনিক আক্রান্তের চেয়ে কম কোভিড জয়ীর সংখ্যা। দৈনিক সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা সংক্রমিতের প্রায় অর্ধেক।উনিশের শেষের দিক থেকেই বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব দেখাচ্ছে করোনা ভাইরাস। চলতি বছরের প্রথমদিকে সামান্য আশার আলো দেখা গিয়েছিল। বাজারে কোভিড টিকা আসার পরই মনে করা হচ্ছিল এবার হয়তো মহামারির শেষ,কিন্তু কোথায় কী! আমজনতার উদাসীনতার খেসারত দিচ্ছে গোটা দেশ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সোমবারের রিপোর্ট বলছে, একদিনে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩ হাজার ৫৫৮ জন। ফলে দেশে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ১ কোটি ২৫ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৭ জন। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৬ লক্ষ ৮২ হাজার ১৩৬জন।সংক্রমণের প্রথমভাগে সুস্থতার হার আশার আলো দেখিয়েছিল। দৈনিক আক্রান্তের চেয়ে বেশি মানুষ করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাক্কায় সেই হিসেবও গণ্ডগোল হয়ে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় যেখানে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক, সেখানে একদিনে কোভিডজয়ীর সংখ্যা মোটে ৫২ হাজার ৮৪৭ জন। ফলে দেশে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৩০ জন।চোখ রাঙাচ্ছে মৃত্যুও। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৪৭৮ জনের। ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ১০১ জন। প্রথমবারের মতো এবারও সংক্রমণের শীর্ষে সেই মহারাষ্ট্র। পরিস্থিতি সামাল দিতে জারি হয়েছে নাইট কার্ফু। বিহারে ১০ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ স্কুল। ওডিশায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। তবে আমজনতার হুঁশ ফেরেনি।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
দেশ

দেশে ৭ মাসে সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ, বাড়ছে আতঙ্ক

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় ক্রমেই নাজেহাল দেশের করোনা পরিস্থিতি। গত বছর সেপ্টেম্বরে দৈনিক সংক্রমণ যেমন শিখরে পৌঁছেছিল, ফের সে রকম পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে দেশে। এর মোকাবিলা কী ভাবে হবে, তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে কেন্দ্র এবং বিভিন্ন রাজ্য প্রশাসনের। এ জন্য রাত্রিকালীন কার্ফুও জারি করা হয়েছে বেশ কিছু রাজ্যে। এখনই লকডাউনের কথা ভাবছে না বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে যদিও জানিয়েছেন, এ ভাবে চলতে থাকলে শীঘ্রই লকডাউন জারি হতে পারে সে রাজ্যে।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯ হাজার ১২৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৯২ হাজার ২৬০ জন। গত বছর ১৭ সেপ্টেম্বর দেশের দৈনিক সংক্রমণ হয়েছিল ৯৭ হাজার। তার পর থেকে তা কমতে শুরু করে। কমতে কমতে এক সময় ১০ হাজারে নীচেও নেমেছিল দেশের দৈনিক সংক্রমণ। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সংক্রমণকে ফের এই পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। দেশের দৈনিক সংক্রমণের অর্ধেকেরও বেশি মহারাষ্ট্রে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ৯১৩ জন। গত বছরেও এতটা করুণ অবস্থা হয়নি সেখানে। কর্নাটকেও গত কদিনে লাফিয়ে বেড়েছে সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় তা প্রায় ৫ হাজার। ছত্তিশগড়ে ৪ হাজার ছাড়িয়েছে। এই সপ্তাহের শুরু থেকে বাড়তে বাড়তে দিল্লিতে শনিবার নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি। ভোট নিয়ে ব্যস্ত তামিলনাড়ুতেও তা তিন হাজার ছাড়াচ্ছে। উত্তরপ্রদেশেও প্রায় ৩ হাজার। গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাবে সংক্রমণ আড়াই থেকে তিন হাজারের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। হরিয়ানা তেলঙ্গানা, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গেও দৈনিক সংক্রমণ গত কদিনে লাফ দিয়ে বেড়েছে। কেরলে অবশ্য একই মাত্রায় হচ্ছে সংক্রমণ। মূলত এই কটি রাজ্যতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে।করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেশের দৈনিক মৃত্যুও বাড়িয়ে দিয়েছে বেশ কয়েক গুণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৭১৪ জনের। গত বছর অক্টোবর নাগাদ এই সংখ্যক দৈনিক মৃত্যুর সাক্ষী শেষবারের মতো থেকেছে দেশ। প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর দৈনিক মৃত্যু ফের এই পর্যায়ে পৌঁছে গেল। ৭১৪ জনের মধ্যে মহারাষ্ট্রেই মৃত্যু হয়েছে ৪৮১ জনের।রাজ্যেও করোনা সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৭৩৩ হয়েছে। যেখানে এপ্রিলের প্রথম দিনে সংক্রমণ ছিল ১ হাজার ২৭৪, দৈনিক সংক্রমণের হার ৪.৯৪ শতাংশ বেড়ে একলাফে ৬.৪২ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে।কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় সংক্রমণ সর্বাধিক। দুই জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ৫১৩ ও ৩৩১ জন। ফলে রাজ্যে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৭ হাজার ৬৯২ হয়েছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনায় আক্রান্ত আলিয়া

মারণ করোনায় এবার আক্রান্ত হলেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আপাতত হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন অভিনেত্রী। বৃহস্পতিবার নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভক্তদের উদ্দেশে একথা জানিয়ে একটি পোস্টও করেন আলিয়া। তারপরই খবরটি প্রকাশ্যে আসে। প্রিয় অভিনেত্রীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় স্বভাবতই চিন্তায় তাঁর অনুরাগীরা।বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজের ইনস্টা স্টোরিতে আলিয়া লেখেন, সবাইকে জানাতে চাই আমার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমি ইতিমধ্যে নিজেকে আইসোলেশনে নিয়ে গিয়েছি। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছি। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে কোভিড সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম মেনে চলছি। আপনাদের প্রত্যেকের ভালবাসা এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। সবাই সাবধানে থাকবেন এবং খেয়াল রাখবেন। এর আগে সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁর বয়ফ্রেন্ড তথা ব্রহ্মাস্ত্র সিনেমার সহ-অভিনেতা রণবীর কাপুর। তবে তিনি আপাতত সুস্থ। তাঁর রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে। কিন্তু এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন বান্ধবী আলিয়া।

এপ্রিল ০২, ২০২১
দেশ

৬ মাস পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ ফের ৮১ হাজার পেরলো

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ক্রমেই বেসামাল হচ্ছে দেশের কোভিড পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭২ হাজার। শুক্রবার তা প্রায় সাড়ে ৮১ হাজার। ২৮ সেপ্টেম্বরের পর এত সংখ্যক লোক এক দিনে আবার আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি সবচেয়ে করুণ। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা গোটা করোনাকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেখানে এক দিনে আক্রান্ত ৪৩ হাজার ছাড়িয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৮১ হাজার ৪৬৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৩ হাজার ১৩১ জন। করোনার নতুন প্রজাতির জন্যই সংক্রমণ এ রকম আকার নিচ্ছে বলে সম্প্রতি মত প্রকাশ করেছিলেন দিল্লি এইমসের প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। দেখা যাচ্ছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এক লাফে বাড়িয়ে দিয়েছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। দেশের দৈনিক মৃত্যু এক মাস আগেও ছিল ১০০-র আশপাশে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৪৬৯। মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৪৯ জনের। কর্নাটক, দিল্লি, পঞ্জাব এবং ছত্তিশগড়েও গত কদিনে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
দেশ

ত্রাস করোনা, দেশে একদিনে আক্রান্ত ৭২ হাজার

দ্বিতীয় ঢেউ, নিত্যনতুন স্ট্রেনের হামলা, এবং সেই সঙ্গে অসাবধানতা। যার জেরে ভারতে নতুন করে ত্রাস হয়ে উঠছে করোনা ভাইরাস। একটা সময় দেশের যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা ১০ হাজারের নিচে নেমে এসেছিল, সেটাই আবার নতুন করে রেকর্ড গড়ার পথে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭২ হাজারের বেশি মানুষ এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে সাড়ে চারশোর বেশি মানুষের। এই আক্রান্তের সংখ্যাটা চলতি বছরের তো বটেই, গত ৬-৭ মাসের মধ্যেই সর্বোচ্চ।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭২ হাজার ৩৩০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ২৬ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২২ লক্ষ ২১ হাজার ৬৬৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৯২৭ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪৫৯ জনের। এই সংখ্যাটা আগের দিনের থেকে অনেক বেশি।এই বিরাট সংখ্যক আক্রান্তের সংখ্যার একটা বড় অংশ মহারাষ্ট্রের হলেও অন্য রাজ্যগুলিও কম যাচ্ছে না। বিশেষ করে ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে লাগাতার বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সঙ্গে গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাবের ছবিটাও সুখকর নয়। তবে, এসবের মধ্যে স্বস্তি দিচ্ছে করোনাজয়ীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৪০ হাজার ৪৫৯ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক অনেক কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫৫ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬৮৩ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ৬ কোটি ৫১ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৯৬ জন।

এপ্রিল ০১, ২০২১
দেশ

২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস, মৃত ৩৫৪ জন

পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন আর হোলির মধ্যে দেশজুড়ে বাড়তে থাকা করোনার দৈনিক গ্রাফ চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল। তবে এই নিয়ে দুদিন দেশে করোনা সংক্রমণ সামন্য কম। তবে ২৪ ঘণ্টায় একলাফে অনেকটা বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৩ হাজার ৪৮০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে সামান্য কম। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩৩৫ জন। তবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে দেশে করোনা চিকিৎসাধীনের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৬৬। একইসঙ্গে মারণ ভাইরাস এখনও কাড়ছে বহু মানুষের প্রাণ। গতকালের বুলেটিন অনুযায়ী যেখানে একদিনে ২৭১ জনের প্রাণ গিয়েছিল, সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি ৩৫৪ জন। অর্থাৎ টেস্টিং কম হওয়ায় আক্রান্ত কমলেও মৃত্যুর সংখ্যা কিন্তু নতুন করে উদ্বেগ বাড়াল। ভারতে এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৪৬৮ জন করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন।এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে শক্তি জোগাচ্ছেন কোভিডজয়ীরাই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ৪১ হাজার ২৮০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৩০১ জন করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন।

মার্চ ৩১, ২০২১
দেশ

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ১ কোটি ২০ লক্ষের, একদিনে মৃত ২৯১

কোনওভাবেই যেন বাগে আনা যাচ্ছে না করোনা সংক্রমণকে। পাঁচ রাজ্যে ভোট ও দেশজুড়ে হোলির আবহে সোমবার একলাফে ফের অনেকখানি বাড়ল আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এদিন সংক্রমিতের সংখ্যা ছাড়াল ৬৮ হাজারের গণ্ডি। যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ফেলছে মহারাষ্ট্র। ফলে ভ্যাকসিন এলেও লকডাউনের পথে হাঁটতে হচ্ছে একাধিক শহরকে।সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬৮ হাজার ২০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২০ লক্ষ ৩৯ হাজার ৬৪৪ জন। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসও। দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ২১ হাজার ৮০৮-এ। একইসঙ্গে মারণ ভাইরাস এখনও কাড়ছে বহু মানুষের প্রাণ। দেশে মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৮৪৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৯১ জনের। দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর থেকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যানেও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসা কোভিড গ্রাফের ছবিটা অনেকটাই স্বস্তি দিচ্ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভর করে করোনাবিধি লঙ্ঘন করাই কাল হয়ে উঠছে। হোলি উৎসব পালনের কারণে যাতে সংক্রমণ না ছড়ায়, তার জন্য প্রকাশ্যে রং খেলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ওডিশা প্রশাসন। চণ্ডীগড়ের বিভিন্ন পার্কেও হোলি খেলা যাবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রত্যেকটি রাজ্যকে টেস্টিংয়ে জোর দিতে বলা হয়েছে। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে শক্তি জোগাচ্ছেন কোভিডজয়ীরাই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ৩২ হাজার ২৩১ জন।

মার্চ ২৯, ২০২১
দেশ

ফের নিয়ন্ত্রণের বাইরে দেশের করোনা গ্রাফ

এতদিন পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক। এবার তা রীতিমতো ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৯ হাজারের বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসের কবলে পড়েছে। যা স্পষ্টতই প্রমাণ দিচ্ছে, এই মারণ ভাইরাস ভারতে দ্বিতীয়বার হানা দিয়েছে।করোনার ডবল মিউট্যান্ট স্ট্রেন ইতিমধ্যেই ছড়িয়েছে ২৮টি রাজ্যে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মহারাষ্ট্রে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় মারাঠাভূমে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজারের বেশি মানুষ। এর মধ্যে খালি মুম্বইয়ে একদিনে আক্রান্ত ৫ হাজার। অন্যান্য কয়েকটি রাজ্যেও পরিস্থিতি ভয়াবহ। বিশেষ করে কেরল-তামিলনাড়ুর মতো ভোটমুখী রাজ্যে। বাংলাতেও গতকাল ফের ৫০০ জনের বেশি আক্রান্ত হয়েছেন।সার্বিকভাবে শুক্রবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৯ হাজার ১১৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৮ লক্ষ ৪৬ হাজার ৬৫২ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬০ হাজার ৯৪৯ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৫৭ জনের। এই সংখ্যাটা আগের দিনের থেকে খানিকটা বেশি।এদিকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার ফলে ঝড়ের গতিতে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেস। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৯৮৭ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের অর্ধেক। ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২১ হাজার ৬৬ জন। গত বেশ কয়েকদিন সংখ্যাটা নিয়মিত হারে বাড়ছে।

মার্চ ২৬, ২০২১
দেশ

এপ্রিলেই ভারতে শিখর ছুঁতে পারে কোভিডের দ্বিতীয় তরঙ্গ

ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারতে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে কোভিড সংক্রমণ। দৈনিক আক্রান্ত ১০ হাজার থেকে বেড়ে ৫০ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সংক্রমণ বাড়তে শুরু করায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ শুরু হয়েছে। আর এই দ্বিতীয় তরঙ্গের শিখর আসতে পারে এপ্রিল মাসের দ্বিতীয়ার্ধে, এমনটাই একটা রিপোর্টে জানিয়েছে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া। অন্তত ১০০ দিন এই দ্বিতীয় তরঙ্গ থাকবে বলেই জানানো হয়েছে এই রিপোর্টে। স্টেট ব্যাংকের এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২৩ মার্চ পর্যন্ত সংক্রমণের গতি-প্রকৃতি বিচার করে বোঝা যাচ্ছে এই দ্বিতীয় তরঙ্গে ভারতে প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হবে। সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে এপ্রিল মাসের দ্বিতীয়ার্ধে এই দ্বিতীয় তরঙ্গ শিখরে পৌঁছবে। ২৮ পাতার এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্থানীয় ভাবে লকডাউন করলে সংক্রমণ থামানো যাবে না। তার বদলে শুধুমাত্র ব্যাপক পরিমাণে টিকাকরণ করলে তবেই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।সংক্রমণ বাড়ায় ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রাজ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তার ফলে কিছু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়েছে। আগামী মাস থেকেই অর্থনীতির উপর এই সংক্রমণের প্রভাব বোঝা যাবে বলেই জানানো হয়েছে রিপোর্টে।

মার্চ ২৫, ২০২১
দেশ

দোলের আগে চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা গ্রাফ, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৫৩ হাজারেরও বেশি

হোলির আগে লাগামছাড়া করোনা সংক্রমণ। চলতি বছর এই প্রথমবার একদিনে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৫৩ হাজারের গণ্ডি। যেখানে স্রেফ মহারাষ্ট্রেই গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৩১ হাজারেরও বেশি মানুষ এই মারণ ভাইরাসের কবলে পড়েছেন। সেই সঙ্গে চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাব, গুজরাতের মতো রাজ্যগুলিও। ইতিমধ্যেই ১৮টি রাজ্যে ছড়িয়েছে করোনার নয়া স্ট্রেন। ফলে চলতি বছর দেশজুড়ে ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা বেড়েই চলেছে।বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৩ হাজার ৪৭৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫৩৪ জন। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসও। দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার ১৯২-এ। একইসঙ্গে মারণ ভাইরাস এখনও কাড়ছে বহু মানুষের প্রাণ। দেশে মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬০ হাজার ৬৯২ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৫১ জনের।দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর থেকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যানেও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসা কোভিড গ্রাফের ছবিটা অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছিল। কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভর করে করোনাবিধি লঙ্ঘন করাই কাল হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাস্ক না পরলে কিংবা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং না মানলে ফের মারাত্মক আকার ধারণ করবে করোনা। যে কারণে হোলির আগেই নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র। একইসঙ্গে রাজ্যগুলিকে টেস্টিংয়ে জোর দিতে বলা হয়েছে।

মার্চ ২৫, ২০২১
দেশ

এবার ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে সবাই পাবে করোনার টিকা

গত বছরের এই সময় দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ রুখতে জারি হয়েছিল লকডাউন। তা সত্ত্বেও মারণ এই ভাইরাসে প্রাণ হারান প্রচুর মানুষ। তবে চলতি বছরের শুরুতেই দেশে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছে করোনার দুটি প্রতিষেধক কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিন। ইতিমধ্যে প্রথম সারির করোনাযোদ্ধাদের টিকা দেওয়া হয়েছে। টিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি-সহ আরও অনেকে। এরপর ঘোষণা করা হয়, ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে তাঁদের করোনার টিকা দেওয়া হবে। কিন্তু এবার এই বয়সের ঊর্ধ্বে দেশের সমস্ত মানুষকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্র।একটি সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণার পাশাপাশি, সবাইকে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য নাম নথিভুক্ত করার কথাও বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জাভরেকর। তাঁর কথায়, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন রয়েছে। যাঁরা উপযুক্ত তাঁদের প্রত্যেকের উচিত টিকাকরণের জন্য নিজেদের নাম নথিভুক্ত করা। কারণ ভ্যাকসিনই করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করবে। তাই ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেককে আমি ভ্যাকসিন নেওয়ার অনুরোধ জানাব। এদিকে, সম্প্রতি পঞ্জাবে পাওয়া গিয়েছে করোনার নয়া স্ট্রেনের হদিশ। যা কিনা ব্রিটেনে দেখা দিয়েছিল। সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে জাভরেকর বলেন, ভাইরাসের একাধিক স্ট্রেন সামনে এসেছে। আরও কেস সামনে আসবে। বিভিন্ন রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। তবে কেন্দ্র প্রত্যেক রাজ্যের সঙ্গেই এই বিষয়ে আলোচনা করেছে। তাই এ ব্যাপারে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন।

মার্চ ২৩, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনে করোনার কবলে প্রায় ৪১ হাজার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ গোটা দেশকে জেরবার করে দিচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরেই দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা ৪০ হাজারের উপরে ঘোরাফেরা করছে। ব্যতিক্রম হল না মঙ্গলবারও। এদিন আরও একবার একদিনে আক্রান্ত হলেন প্রায় ৪১ হাজারের কাছাকাছি। মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভোটমুখী রাজ্য কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি। এরাজ্যেও বাড়ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে হঠাত করোনার এই বাড়বাড়ন্তের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় কারণ মহারাষ্ট্রের মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা। উদ্ধব ঠাকরের রাজ্য শুরু থেকেই করোনার হটস্পট ছিল। দেশের অধিকাংশ রাজ্যে কোভিড নিয়ন্ত্রণে ছিল, তখনও মারণ ভাইরাসকে বাগে আনতে পারেনি মহারাষ্ট্র। এখন আবার নতুন করে এই মহারাষ্ট্রই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় মুম্বইয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজারের বেশি।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪০ হাজার ৭১৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার কম হলেও সার্বিকভাবে উদ্বেগজনক। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৬ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭৯৬ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬০ হাজার ১৬৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৯৯ জনের। এই সংখ্যাটা আগের দিনের থেকে সামান্য কম।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ২৯ হাজার ৭৮৫ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেকটা কম। ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৭৭ জন। গত বেশ কয়েকদিন সংখ্যাটা নিয়মিত হারে বাড়ছে। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন, ১ কোটি ১১ লক্ষ ৮১ হাজার ২৫৩ জন। এখনও পর্যন্ত মোট টিকা পেয়েছেন ৪ কোটি ৮৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৯৪ জন।

মার্চ ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal