• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Campaign

কলকাতা

Bhawanipur: বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়তে পারেন শুভেন্দু, ভবানীপুরের ভোটপ্রচারে কেন এই চ্যালেঞ্জ?

ভবানীপুর উপনির্বাচনে পর পর সভা করে চলেছেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচারে কোনও ফাঁক রাখছেন না তিনি। বিজেপিও সমানতালে প্রচার করছে ভবানীপুরে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন ভবানীপুরের জনসভায় ঘোষনা করেছেন প্রিয়াঙ্কাকে জেতালে তিনি তাঁর পদ ছেড়ে দেবেন। একইসঙ্গে তিনি ভবানীপুরে অকাল ভোটের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। শুভেন্দু এদিন প্রশ্ন তুলেছেন কেন ভবানীপুরে নির্বাচন হচ্ছে? এখানকার তৃণমূলের জয়ী বিধায়ক কি অসুস্থ? নাকি তিনি দল বদলেছেন? নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ভবানীপুরের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সুস্থ। তিনি দলবদলও করেননি। নন্দীগ্রামে হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ভবানীপুরে ভোট চাপিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা্র জন্য জনগণের পকেট কেটে ৫ কোটি টাকা খরচ হবে নির্বাচনে।ভবানীপুরের নির্বাচনী সভায় মমতা বলেছেন, আমাকে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাইলে সবাই আমাকে ভোট দিন। বৃষ্টি পড়লে ছাতা মাথায় দিয়ে বা বর্ষাতি পড়েও ভোট দিতে যাবেন। তিনি চেয়ার আঁকড়ে রাখতে চাইছেন বলেও এদিন কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে নিজে যে চেয়ার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত সেকথাও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।এদিন শুভেন্দু ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে জয়ী করার জন্য আবেদন জানান। বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রী থাকবো না। তোমরা একটা একটা করে ভোট দাও। আমি শুভেন্দু অধিকারী বলে যাচ্ছি, প্রিয়াঙ্কাকে জেতান। আমি দিল্লির নেতাদের বলবো আমার চেয়ারটা ওকে দিয়ে দেওয়ার জন্য। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, আমার চেয়ারটা রাখতে হবে। এই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্যাক্রিফাইস।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
কলকাতা

Mamata Bannerjee: 'বাড়ির সামনে পচা কুকুর ফেলে দিয়ে আসলে বুঝবে!' বিজেপির বিক্ষোভ নিয়ে আক্রমণাত্মক মমতা

বৃহস্পতিবার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহার মৃতদেহ নিয়ে কালীঘাটে মমতার বাড়ির অদূরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি। সেই ঘটনা নিয়ে শুক্রবার ভবানীপুরে নির্বাচনী প্রচারে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার দাবি, ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃত্যু হয়নি। তিনি বলেন,একটি ছেলে মারা গিয়েছে। নির্বাচনের সময় একটা ঘটনা ঘটেছিল। ভালো হয়ে গিয়েছিল। পরে সার্জারি হয়েছিল। সেই সার্জারিতে মারা গিয়েছে। যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক।আরও পড়ুনঃ দিল্লির আদালত কক্ষেই গ্যাংওয়ার, এলোপাথাড়ি গুলিতে নিহত কমপক্ষে ৪বিজেপির বিক্ষোভ নিয়েও বেজায় চটেছেন মমতা। তিনি বলেন, আমার বাড়ির কাছে ডেডবডি নিয়ে ঢুকছে। কত বড় ক্ষমতা বুঝুন! একটা করে কান মুলে দিলে পালিয়ে যাবে। কোনও ক্ষমতা নেই। খালি বড় বড় কথা আর ভাষণ! তাঁর হুঙ্কার, তোমার বাড়ির সামনে যদি পাঠিয়ে দিই একটা কুকুরের ডেডবডি। মেশিনারি আমার নেই? পচা কুকুর তোমার বাড়ির সামনে ফেলে আসব। গন্ধে দশদিন খেতে পাবে না তুমি। বদমাইশি করতে চাইলে কী না করা যায়! এত পাশবিক! এত দানবিক!অন্যদিকে, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নেত্রী। বলেন, কাল অসমে কী করেছে! কত লোককে এনআরসি-র নামে খুন করেছে। ফায়ারিং করে খুন করে ডেডবডির উপরে নাচছো! লজ্জা করে না। আর বাংলার মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন করছো। আজও দিল্লিতে কোর্টে তিন জন মারা গিয়েছে গুলিতে। ইউপি-তে কোনও আইন আছে! না বিহারে কোনও আইন আছে! বিজেপি শাসিত রাজ্যে কোনও আইন নেই।ভোটের পরবর্তী হিংসার অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর বক্তব্য, হিংসায় উন্মত্ত বিজেপি। প্রতিদিন গুন্ডামি করছে। নিজের বাড়িতে নিজে বোম মারছে। আর টিভিতে বলছে আমায় বোমা মেরেছে। কে মারবে রে তোকে? তোর গায়ে ছুঁতেই লজ্জা লাগে। তৃণমূল গুন্ডাদের দল নয়। আগে সিপিএমের আমলে ভোট দিতে গেলে বোমা নিয়ে তাড়া করত। বড় বড় বাড়িগুলি তালা দিয়ে দিত। দেখেননি আপনারা? কলকাতার মানুষ সাক্ষী। ৩০ বছর সিপিএমের সঙ্গে লড়তে পারলে তোমাদের বিরুদ্ধেও লড়তে পারি। ভ-এ ভবানীপুর, ভ-এ ভারতবর্ষ। ভয় দেখিয়ে চমকে লাভ নেই। আমরা লড়াই করি। এজেন্সির ভয় পাই না। জেলে যাব তবু আত্মসমর্পণ করব না।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অত্যাচার, নির্যাতন না হলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না, দাবি মমতার

দেশ ব্যাপী বিজেপির বিরুদ্ধে খেলা হবে স্লোগান আগেই তুলেছিলেন। এবার মুখ্যমন্ত্রী পদ্মপুকুরের জনসভায় বললেন, ভবানীপুর থেকে দেশশাসন করবেন। পাশাপাশি এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ করেছেন, সঠিকভাবে নির্বাচন হলে এরাজ্যে বিজেপি ৩০টার বেশি আসনে জয় পেত না। গায়ের জোরে ৫০টি আসনে জিতেছে।৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন। ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার একবালপুরে সভা করেছেন। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভোট দিতে আবেদন রেখেছেন। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৬ মাসের মধ্যে যে কোনও বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হতে হবে। এদিন পদ্মপুকুরে মমতা বলেন, আমি যতক্ষণ বিধায়ক না হব ততদিন মুখ্যমন্ত্রীর পদটা শোভনীয় হবে না। নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন আমাকে আঘাত করা হয়েছিল। হুইল চেয়ারে করে দেড় মাস নির্বাচনে প্রচার করতে হয়েছিল।আরও পড়ুনঃ তিন বছরে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করার হুংকার অভিষেকের২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এরাজ্যে ৩টি আসনে জয় পেয়েছিল। এবার ৩ থেকে থেকে ৭৭ হয়েছে। রাজ্য জয় করতে না পেরে বিজেপি নেতৃত্ব এই তত্ব আউরে চলেছে। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির ৭৭ আসনে জয়কেও চ্যালেঞ্জ করেছেন। নির্বাচনী সভায় তৃণমূলনেত্রী বলেন, আগেরবার নির্বাচনে অনেক অত্যাচার হয়েছে, অনেক নির্যাতন হয়েছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি সেই সময় যে ভাবে নির্বাচন করা হয়েছে যদি নির্বাচন সেভাবে না করা হতো তাহলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না। ৫০ টা আসন বিজেপি গায়ের জোরে জিতেছে। তার কারণ সেদিন বাংলার প্রশাসন ছিল না। দিল্লির প্রশাসন বাংলায় এসে হাজির হয়েছিল। ডেলি প্যাসেঞ্জারি করত। সাধারণ মানুষের কোনও কথা শুনত না।এবার রাজ্যে তৃণমূল ২১৩টি আসনে জয় পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর আশা সংখ্যাটা ২২১ অবধি গড়িয়ে যাবে। মমতা বলেন, কেউ ভাবতেও পারেনি এত আসনে তৃণমূল জিতবে। আমি কিন্তু ২২১ বলেছিলাম। ইতিমধ্যে পাঁচ-ছজন চলে এসেছে। একটা অ্যাস্ট্রোলজিক্যাল বিষয় থাকে। ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রীকে নির্বাচন করবে আর এই ভবানীপুর থেকেই দেশ পরিচালনা করা হবে সেকথাও এদিন জানিয়ে দেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুর থেকে মুখ্যন্ত্রী হবে। ভাবনীপুর থেকে দেশ দেখবে। ভবানীপুর থেকেই ভারতবর্ষ শুরু হয়। মনে রাখবেন বি-তে ভবানীপুর, বি থেকেই ভারতবর্ষ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: আপনার একটা ভোট না পেলেও ক্ষতি হয়ে যাবে...কেন এমন বললেন মমতা?

ভবানীপুরের ভোটের দিন এগিয়ে আসছে। মমতার পাড়ায় এসে প্রচার করে যাচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। মানুষ তাঁর কথা শুনছেনও। আর এতেই কিছুটা হলেও স্নায়ুর চাপে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? ভবানীপুরের মাটি মমতার কাছে হাতের তালুর মতো চেনা। তাই এই লড়াই জেতা তাঁর কাছে খুব একটা কঠিন হবে না। কিন্তু তারপরেও একেবারে চিন্তামুক্ত থাকতে পারছেন না মমতা। তাই আজ নিজের পাড়ায় ভোটে প্রচারে নেমে বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে বলেন,আপনার একটি ভোট না পেলে্ও ক্ষতি হয়ে যাবে আমার। আমাকে আর পাবেন না। কিন্তু চেনা মাঠে কেন এমন কথা বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো? তাহলে কী তিনি স্নায়ুর চাপে ভুগছেন?আরও পড়ুনঃ আচমকাই চোখের সামনে নিজেদের বাড়ি দুলতে দেখলেন বাসিন্দারাএদিন ভবানীপুরের জনসভায় মমতা বলেন, ২০২১-এর নির্বাচনে কৃষক আন্দোলনে জায়গা নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। তাই দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু ওখানে যে কী ভাবে হারানো হয়েছে তা প্রকাশ্যে আসবে। আদালতে মামলা চলছে। জানা যাবে, আমার বিরুদ্ধে সেখানে কী করা হয়নি! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হলে ভবানীপুর থেকেই হবে। এটা ভাগ্যের খেলা। আপনাদের ছেড়ে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সেই সূত্রেই তিনি বলেন, অনেকে ভাবছেন দিদি এমনিই জিতে যাবে। কিন্তু প্রতিটা ভোট দামি। একটা ভোট না দিলে আমার ক্ষতি হবে। ভোট না দিলে আমাকে পাবেন না। নিজেকে জনগণের পাহারাদার বলেও আখ্যাও দিয়েছেন মমতা। এদিনের জনসভা থেকে বিজেপিকে আক্রমণ শানাতেও ভোলেননি তিনি। বলেন, আমি মোদি-শাহকে দাদা-ভাই বলতে পারি। এটা সৌজন্য। কিন্তু তাই বলে দেশে তালিবানি শাসন মেনে নেব না। দেশে সকলে থাকবে। দেশকে টুকরো করতে দেব না। রাজ্যকেও টুকরো করতে দেব না। সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভাজন আসতে দেব না।ত্রিপুরা, অসম, গোয়া এবং উত্তরপ্রদেশে খেলা হবে।মমতার বার্তা, আপনাদের এক একটা ভোট আগামিদিনে দিল্লির পথে পা বাড়াতে সাহায্য করবে। আপনাদের ভোট দাঙ্গাবাজদের রুখে দিতে সাহায্য করবে। এখানে গাছ পুঁতলে দিল্লিতে গিয়ে গাছ বড় হবে। এখানে গাছের চারাটা পুঁতে দিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Campaign: 'এই তো সবে শুরু, দেখুন কি হয়', ভবানীপুরে প্রচারে গিয়ে আত্মবিশ্বাসী অভিষেক

ভবানীপুর উপনির্বাচনের দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জনসংযোগ ও প্রচার শুরু করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শরৎ বোস রোডে বিখ্যাত লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন তিনি। মূলত হিন্দিভাষী অবাঙালি মানুষজনের সঙ্গে মিলিত হন অভিষেক। নিজের বক্তব্যের পর তাঁদের প্রশ্নের জবাব দেন।আরও পড়ুনঃ বল ভেবে খেলতে গিয়েই কেঁপে উঠল পরিত্যক্ত বাড়ি, ছিটকে পড়ল রক্তবৈঠক শেষে অভিষেক বেরিয়ে উপস্থিত সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের বাবুল সুপ্রিয়র তৃণমূলে যোগদান নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। আর কারা লাইনে আছে, মুচকি হেসে অভিষেকের ছোট্ট জবাব, এই তো সবে শুরু। দেখুন কী হয়! প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক মহলকে চমকে দিয়ে শনিবার অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে তৃণমূলে যোগ দেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়ান। গোটা যোগদানপর্ব কার্যত গোপন রাখা হয়েছিল। এরপর তৃণমূলের অফিসিয়াল টুইট পেজে ছবি সহকারে তা প্রকাশ করা হয়। রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন পড়ে যায়। তারপর সন্ধ্যায় লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের অনুষ্ঠান শেষে অভিষেকের ছোট্ট প্রতিক্রিয়া, এই তো সবে শুরু, দেখুন কী হয়!এদিন লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে হিন্দিভাষীদের বৈঠকেও অভিষেক বাবুল সম্পর্কে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেটা বলে সেটা করে দেখায়। তাই তো বাবুল সুপ্রিয়ের মতো সাংসদরাও এখন মুখ্যমন্ত্রী হাত ধরছে। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চাইছে। এটা শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা ভারতের ছবি।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Hiran: স্বচ্ছতা অভিযানে হিরণ

স্বচ্ছতা অভিযান এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে খড়গপুর-এর, প্রেমবাজারে (ওয়ার্ড নং -৩৪) কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর -এর মূর্তি পরিষ্কার করে, ও তাতে মাল্যদান করে আজ স্বচ্ছতা অভিযান পালিত হল।স্বচ্ছতা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন খড়গপুর সদরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। হাতে ঝাটা, জলের মগ নিয়ে মূর্তি পরিষ্কার করেন তিনি। কয়েক ধরেই বিধায়ককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়েছিল। এদিন হিরণের টুইটার হ্যান্ডেলে এই স্বচ্ছতা অভিযানের কিছু ছবি পোস্ট করে নিন্দুকদের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হল বলেই মনে করা হচ্ছে। এই অভিযানের ট্যাগলাইন ছিল, পরিচ্ছন্নতাই পরিচয়, যত্রতত্র আবর্জনা নয়। সুস্থ পরিবেশ গড়ে উঠুক প্রকৃতির হাত ধরে।

আগস্ট ১০, ২০২১
কলকাতা

‘মমতার পা ভেঙেছে, মন ভাঙতে পারেনি’, প্রচারে এসে বললেন জয়া

বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ নয়, তৃণমূলের হয়ে প্রচারে এসে নিজেকে বাংলার মেয়ে হিসেবে তুলে ধরলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন। বললেন, আমি জয়া বচ্চন। আগে জয়া ভাদুড়ি ছিলাম। বাবার নাম তরুণ কুমার ভাদুড়ি। আমরা প্রবাসী বাঙালি।রবিবারই কলকাতায় এসেছেন জয়া বচ্চন। সোমবার শুরু করলেন তৃণমূলের হয়ে প্রচার। তার আগে তৃণমূল ভবনে একদিকে দোলা সেন ও অন্যদিকে পূর্ণেন্দু বসুকে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তিনি। সেখানেই শুরুতে নিজেকে প্রবাসী বাঙালি হিসেবে উল্লেখ করেন জয়া। ভিন রাজ্য থেকে বিজেপি নেতাদের নির্বাচনী প্রচারে আসা নিয়ে শুরু থেকেই বহিরাগত অভিযোগে আক্রমণ চালাচ্ছে তৃণমূল। সেখানে জয়ার প্রচারে অংশ নেওয়া নিয়ে যাতে গেরুয়াশিবির পাল্টা প্রশ্ন তুলতে না পারে সেই রাস্তাই যেন শুরুতে বন্ধ করে দিলেন জয়া।স্পষ্ট বাংলা উচ্চারণে সাংবাদিক বৈঠক শুরু করেন জয়া। বলেন, অভিয়ন করতে আসিনি। যে কাজ দেওয়া হয়েছে, পালন করতে এসেছি। বলিউডের বাঙালি তারকা মিঠুন চক্রবর্তীকে ইতিমধ্যেই বাংলায় প্রচারে নামিয়েছে বিজেপি। তার জবাব দিতেই জয়াকে তৃণমূল আসরে নামিয়েছে বলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, মিঠুন চক্রবর্তীর একটা পা বাংলায় ছিল, কিন্তু জয়ার তা ছিল না। সাংবাদিক বৈঠকে বেশির ভাগ সময়ই বাংলায় কথা বলেন জয়া। শুধু তাই নয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলার মাটি, বাংলার জল গানের দুটি লাইন পাঠও করেন জয়া।২০০৬ সালে জমি আন্দোলনের সময় থেকে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে এক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের। সেই দলেরই রাজ্যসভার সাংসদ জয়া। সে কথা বৈঠকের শুরুতেই মনে করিয়ে দেন দোলা সেন। দোলার কথার সূত্র ধরেই জয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলার গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই একা লড়ছেন মমতাজি। ওঁর মাথা ফাটিয়ে, পা ভেঙেও থামাতে পারেনি বিরোধীরা। ভাঙতে পারেনি হৃদয়। উনি বাংলাকে শ্রেষ্ঠ রাজ্য হিসাবে গড়ে তুলতে চাইছেন। আমি জানি যে কাজটা উনি করতে চান, তা সম্পূর্ণ করবেন। শেষে মমতা বিরোধীদের জয়ার কটাক্ষ, মমতাকে যাঁরা বাজে কথা বলছেন, তাঁদের জন্য একটাই কথা, লজ্জা, লজ্জা!সোমবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকের আগে জয়াকে স্বাগত জানান রাজ্যের মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু। ছিলেন দোলা সেন ছাড়াও সমাজবাদী পার্টির এই রাজ্যের কয়েকজন নেতা। জয়ার মাথায় ছিল সমাজবাদী পার্টির লাল টুপি। নিজের দলের কথা উল্লেখ করে জয়া বলেন, অখিলেশজি আমাকে বলেছিলেন, এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের সমাজবাদী পার্টি তৃণমূলকে সমর্থন করছে। আমাকে প্রচারে আসতে হবে। আমি খুব খুশি হয়েছি। অখিলেশ যাদব ও মমতাজিকে ধন্যবাদ জানাই। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, আমার ধর্মকে আমি অপহরণ করতে দেব না। আমার গণতন্ত্রকে অপহরণ করতে দেব না। মমতা একজন মহিলা, যিনি সমস্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একা লড়াই করছেন। মহিলাদের জন্য নিরাপদতম রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। সেটা তৈরি করেছেন মমতা।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
রাজ্য

আজ রাজ্যে নাড্ডা-জয়ার প্রচার

আগামিকাল রাজ্যে তৃতীয় দফার ভোট। অন্যদিকে, চতুর্থ দফাকে সামনে রেখেও শুরু প্রচার ঝড়। অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদির পর এবার রাজ্যে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। সোমবার রাজ্যে পরপর তিনটি সভায় থাকবেন তিনি। অন্যদিকে, মমতার ডাকে তৃণমূলের হয়ে প্রচারে রাজ্যে এসেছেন অভিনেত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন। সোমবার টালিগঞ্জ থেকে শুরু করবেন প্রচার। প্রথম দিনই প্রচারে নামবেন তৃণমূল প্রার্থী অরূপ বিশ্বাসের জন্য। চতুর্থ দফার জন্য আজ রাজ্যে চার জনসভা করবেন তৃণমূল নেত্রী।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে ভোটপর্ব মিটতেই উত্তরবঙ্গের প্রচারে যাচ্ছেন মমতা

নন্দীগ্রামে ভোটপর্ব মিটতেই উত্তরবঙ্গে প্রচারে যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামের ভোট শেষ হলেও কলকাতায় ফিরছেন না তিনি। বরং রাতটুকু নন্দীগ্রামে কাটিয়ে শুক্রবার সকালে কলকাতা ছুঁয়ে দমদম বিমানবন্দর থেকে উত্তরবঙ্গ রওনা হবেন প্রচারে জন্য।উত্তরবঙ্গের ২ জেলায় ৩টি জনসভা রয়েছে তাঁর। মূলত কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায় তিনটি জনসভা হবে। এই তিনটি জনসভা থেকে উত্তরবঙ্গের ১৪টি আসনের জন্য ভোট প্রচার সারবেন। আগামী ১০ এপ্রিল রাজ্যে চতুর্থ দফার নির্বাচন। সেই দফায় মোট ৪৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। যাঁর মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলির সঙ্গেই উত্তরবঙ্গের কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলাতেও ভোট হবে। সেই ভোটের প্রচারেই মমতা যাচ্ছেন উত্তরবঙ্গে। দুটি জেলায় ৩টি জনসভার কর্মসূচি মাধ্যমে ১৪টি বিধানসভার ভোট তৃণমূল শিবিরের দিকে টানাই লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রীর। কারণ, এই ১৪টি আসনের মধ্যে লোকসভার নিরিখে ১২টিতেই এগিয়ে ছিল গেরুয়া শিবির। শুক্রবার দুপুরে দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র সমর্থনে দিনহাটা টাউনে সংহতি ময়দানে সভা করবেন। তারপরে তুফানগঞ্জ এসএমএ মাঠে তুফানগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী প্রণব কুমার দে-র সমর্থনে জনসভা হবে মমতার। এরপর ফালাকাটায় টাউন ক্লাবের মাঠে প্রার্থী সুভাষ রায়ের সমর্থনে সভা রয়েছে তাঁর।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজ্য

ভোট প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত অশোক দিন্দা

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটপ্রচারের শেষলগ্নে আক্রান্ত হলেন বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দা। মঙ্গলবার সভা সেরে ফেরার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে তিনি আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। যদিও ওই ঘটনাকে বিজেপি-র আদি এবং নব্য-র দ্বন্দ্বের ফলাফল বলে পাল্টা অভিযোগ করেছে তৃণমূল।অশোকের দাবি, মঙ্গলবার তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এলাকায় ৪টি সভা করেন। কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে ময়না বাজার এলাকায় তাঁর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। ইট দিয়ে তাঁর কাঁধেও আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। আচমকা হামলায় প্রাথমিক ভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পরে আরও লোকজন সঙ্গে করে এনে বিজেপি কর্মীরা পাল্টা চড়াও হলে হামলাকারীরা চম্পট দেয় বলে গেরুয়াশিবিরের দাবি। অশোকের দাবি, বিজেপি-কে আটকাতেই মঙ্গলবার পরিকল্পনা করে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে বহিরাগতদের ঢুকতে না দেওয়ার সতর্কবার্তা মমতার

পায়ে চোট নিয়েই প্রায় মাসখানেক ধরে হুইলচেয়ারে বসে নির্বাচনী প্রচার সারছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর মন্দির দর্শনে গিয়ে পায়ে আঘাত পান তিনি। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বিশ্রাম নেননি তেমন। হুইলচেয়ারকে সঙ্গী করেই বেরিয়ে পড়েছেন। ঘুরেফিরে আজ ফের নন্দীগ্রামে তৃণমূল সুপ্রিমো। টানা তিনদিন এখানেই রয়েছেন, একাধিক জায়গায় জনসভা করছেন। আর প্রায় প্রতিবারই ঘুরেফিরে আসছে তাঁর চোটের প্রসঙ্গ। মঙ্গলবার বাঁশুলিয়াচকের সভা থেকে নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থীর গলায় ফের শোনা গেল সেই কথা। বললেন, নন্দীগ্রামের মানুষকে দোষ দিই না। আমার পায়ে চোট করানো হয়েছে বহিরাগত গুন্ডাদের দিয়ে। এরপরই তাঁর বার্তা, সন্ধে ৬টার পর কাউকে ঢুকতে দেবেন না। এদিন তাঁকে দেখেই জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে শোনা যায়। এরপরই তিনি বহিরাগত গুন্ডাদের কথা বলেন। সোমবার নন্দীগ্রামের বয়াল-২র সভা থেকে মমতা নাম না করে তাঁর আঘাতের জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে দায়ী করেছিলেন। বলেছিলেন, আমাকে মেরেছে। আমার পা জখম করেছে। তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা হতে পারে না। নন্দীগ্রামের কেউ এই ঘটনা ঘটায়নি। বহিরাগত গুণ্ডাদের এনে এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আর এখন দলের লোকেদের মারছে। হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে ভোটের আগে বহিরাগতদের আনাগোনা নিয়ে ইতিমধ্যেই কমিশনে গিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, ভোটে অশান্তি তৈরির জন্য এসব ষড়যন্ত্র চলছে। এবার নন্দীগ্রামে অশান্তি রুখতে একজন প্রশাসনিক প্রধানের মতোই পরামর্শ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাইরের মানুষজনের আনাগোনা ভোটের দিন যে কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতি হতে পারে, সর্বোপরি সাধারণ মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি থেকে বেরনোর ঝুঁকিও না নিতে পারেন, এসব সম্ভাবনা বেশ টের পেয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই পরিস্থিতিতে কিন্তু তিনি সজাগ, এক অভিভাবকের মতোই। তাই স্থানীয়দের প্রতি তাঁর সরাসরি বার্তা, বাইরের কাউকে আর ঢুকতে দেবেন না। শুধু ইনসাইডাররা থাকবেন, আর আমি থাকব। আমি ভোটার, আমাকে তো থাকতেই হবে। এই প্রসঙ্গেই তিনি আরও বলেন, আপনারা শান্ত থাকুন, কোনও অশান্তি করবেন না। কেউ অন্য়ায় করলে আমি আছি তো শাস্তি দেওয়ার জন্য। আসলে, নন্দীগ্রামে কতটা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হবে, তা নিয়ে চিন্তায় সবমহলই।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

গোরুর গাড়িতে চড়ে ভোট প্রচারে লকেট

রাজ্যের যেখানে যখনই তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও ইস্যু হাতে পেয়েছেন, সঙ্গে সঙ্গে সেখানে দৌঁড়ে গিয়েছেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবার সেই সাংসদকেই বিধানসভা ভোটের ময়দানে নামিয়েছে দল। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে তিনিও কার্যত কোমর বেঁধে ভোট ময়দানে নেমে পড়েছেন। শুক্রবার হুগলির চুঁচুড়ায় নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের অন্তর্গত পোলবায় ভোট প্রচারে বেরিয়ে ছিলেন। প্রচার করতে গিয়ে তিনি গোরুর গাড়িতেও চড়ে বসলেন। যদিও তাঁর এই কাজকে সুযোগ পেয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রতিপক্ষ তৃণমূল প্রার্থীও।পোলবার দনারপাড়ায় পচারের জন্য লকেট চট্টোপাধ্যায়ের জন্য একটি গোরুর গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। গোরুর গাড়িটিকে গেরুয়া পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়। সেই গোরুর গাড়িতে চড়ে গ্রামের রাস্তায় মাঠের মাঝখান দিয়ে প্রচারে বেরন লকেট। হঠাৎ কেন গোরুর গাড়িতে তিনি এই প্রশ্নের উত্তরে লকেট বলেন, এই এলাকায় প্রচুর কৃষক বাস করেন। আর গোরুর গাড়ির সঙ্গে কৃষকদের বহু দিনের গভীর সম্পর্ক। যেহেতু রাজ্যের কৃষকদের অবস্থা খুব খারাপ তাই তাঁদের পাশে দাঁড়াতে, সম্মান জানাতে আমি গোরুর গাড়িতে চড়ে প্রচার করছি। ভোট প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ইস্যুকেও হাতিয়ার করেন তিনি। লকেট শুক্রবার পোলবায় ঝোরোর পাড়া, ঠাকুরপুকুর, বিষহিতলা হয়ে সংগ্রামপুরে গিয়ে প্রচার শেষ করেন।

মার্চ ২৬, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে ভোটের দিন বাংলায় প্রচারে মোদি

আগামী ১ এপ্রিল নন্দীগ্রামে ভোটের ময়দানে যেদিন পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন যুযুধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-শুভেন্দু অধিকারী, সেদিনই নির্বাচনী প্রচারে বাংলায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওইদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর এবং হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় দুটি নির্বাচনী সভা করবেন তিনি। প্রসঙ্গত, ওইদিনই প্রথম মোদি একইদিনে বাংলায় দুটি জনসভা করবেন। বিজেপি সূত্রের খবর, অসমে ভোট মিটে যাওয়ার পর বাংলায় দিনে তিনটি করে সভা করতে চাইছেন মোদি। ঘটনাচক্রে, তার আগেই শুক্র এবং শনিবার দুদিনের সফরে বাংলাদেশ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে মতুয়ামন জয়ের চেষ্টা করবেন তিনি। বৃহস্পতিবার জারি করা তাঁর সফরসূচি তেমনই বলছে। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন মতুয়াদের ঠাকুরবাড়ির সদস্য তথা বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর।ওয়াকিবহালরা মনে করছেন, পরিকল্পনা করেই প্রধানমন্ত্রী প্রচারে আসার জন্য এমন একটি দিন বেছেছেন, যেদিন সারা রাজ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসনের নির্বাচন। বস্তুত, নন্দীগ্রাম আসনের ভোটের দিকে রাজ্য তো বটেই, তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলও। নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর ছেড়ে মমতা নন্দীগ্রামে ভোট লড়বেন বলে ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম আসনের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু আগে থেকেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে বসে রয়েছেন যে, মমতাকে অন্তত ৫০,০০০ ভোটে হারাতে না পারলে তিনি রাজনীতি করা ছেড়ে দেবেন! ফলে নন্দীগ্রাম নিয়ে সমস্ত মহলেই একটা কী হয়-কী হয় ভাব রয়েছে। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, নন্দীগ্রামে ভোটের দিন একদিকে তৃণমূল শিবিরের উপর বাড়তি চাপ তৈরির জন্য এবং অন্যদিকে, বিজেপি শিবিরের মনোবল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী ওইদিন রাজ্যে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিজেপি ওই তত্ত্ব উড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারসূচি তৈরি হয়েছে একেবারেই প্রধানমন্ত্রীর সময়ের উপর ভিত্তি করে। এর সঙ্গে কোথায় কবে ভোট, তার কোনও সম্পর্ক নেই। এটা একেবারেই কাকতালীয় যে, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার দিনের সঙ্গে নন্দীগ্রামের ভোটের দিন মিলে গিয়েছে। এর মধ্যে অন্য কোনও অভিসন্ধি নেই। ভোট দেবেন মানুষ। তাঁদের সঙ্গে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর থাকা বা না-থাকার কী সম্পর্ক!

মার্চ ২৬, ২০২১
রাজনীতি

প্রথমবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূলকে হালকা 'ছোবল' মিঠুনের

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবারই প্রথম ভোটের ময়দানে নামলেন মিঠুন চক্রবর্তী। আর প্রথম দফার ভোট প্রচারের শেষ দিনে মাঠে নেমেই বাজিমাত। ৪টি রোড শোতে মানুষের মন জয় করে নিতে সময় লাগেনি। শালতোড়া, মানবাজার, কেশিয়াড়ি এবং ঝাড়গ্রামে রোড শো করেন মিঠুন। তাঁকে দেখতে সব জায়গাতেই মানুষের ঢল নামে। যার জেরে কোথাও কোথাও কিছুটা বিশৃঙ্খলাও তৈরি হয়। তার মাঝে এবারের ভোটের সব থেকে ব্যবহৃত শব্দ বহিরাগত প্রসঙ্গেও তিনি মুখ খোলেন। কারও নাম না করেও তৃণমূলকে নিজের স্বভাবসিদ্ধ বাচনভঙ্গিতে কটাক্ষ করে নিজেকেও বহিরাগত বলেন মহাগুরু।বাঁকুড়ার শালতোড়াতে প্রচারের সময় মিঠুনকে বহিরাগত ইস্যুতে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে কটাক্ষের সুরে মিঠুন বলেন, স্বীকার করছি আমিও বহিরাগত। আর এইভাবে বহিরাগত বললে তো সিস্টার নিবেদিতাও বহিরাগত ছিলেন। বহিরাগত ছিলেন মাদার টেরেসাও। কারও নাম না করলেও রাজ্যের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ঘুরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করে মিঠুন বলেন, আসলে বহিরাগত তাঁরাই, যাঁরা ক্ষমতায় থেকেও মানুষের পাশে থাকেননি। একই সঙ্গে নিজের ভোটে না দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে মিঠুন বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতিতে আসিনি। মানুষের পাশে থাকতে এসেছি।চার জায়গাতেই মিঠুনকে দেখতে জনতার বিশাল ঢল নামে। বাঁকুড়ার শালতোড়ায় বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরির সমর্থনে রোড শো করেন। সকাল ৯টা নাগাদ হেলিকপ্টারে পৌঁছনোর পর প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তায় রোড শো করেন। জনতার আবদার মিটিয়ে অটোগ্রাফ, সিনেমার সংলাপও বলেন তিনি। শালতোড়া থেকে পুরুলিয়ার মানবাজারের উদ্দেশে উড়ে যান মিঠুন। মানবাজারের বিজেপি প্রার্থী গৌরি সিংয়ের সমর্থনে তাঁর প্রায় ২ কিলোমিটার রোড শো করার কথা ছিল। কিন্তু মিঠুনকে দেখতে এতটাই ভিড় হয়েছিল যে তিনি ১৫ মিনিট হেলিকপ্টার থেকে নামতেই পারেননি। পরে নিরাপত্তা কর্মীরা, হামলে পড়া জনতার ভিড় কোনওরকমে সরিয়ে তাঁকে একটি হুড খোলা জিপে তোলেন। কিন্তু তাঁকে দেখতে এতটাই ভিড় হয়েছিল যে ২ কিলোমিটার রোড শোয়ের পুরোটা শেষই করতে পারেননি। মাঝপথ থেকে তাঁকে হেলিপ্যাডে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাই মিঠুনকে দেখতে আসা প্রচুর মানুষ তাঁর দেখাই পাননি শেষ পর্যন্ত। মহাগুরুকে দেখতে না পেয়ে তাঁরা হতাশ বলেও দুঃখ প্রকাশ করেন। মানবাজারের পর পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি এবং ঝাড়গ্রামেও রোড শো করেন মিঠুন। সব জায়গাতেই মিঠুনকে এক ঝলক দেখতে উপচে পড়ে ভিড়। ভিড় থেকে মানুষ মহাগুরু মহাগুরু করে চিৎকার করতে থাকেন। সিনেমার সংলাপ বলারও অনুরোধ আসতে থাকে তাঁর কাছে। এমনকী, অনেকে তাঁর অটোগ্রাফ পাওয়ার জন্য হামলে পড়েন। যতটা সম্ভব তিনি জনতার আব্দার মেটানোর চেষ্টাও করেন। মিঠুনের রোড শোতে ভিড় দেখে স্বভাবতই উচ্ছসিত গেরুয়া শিবির। প্রার্থী না হলেও প্রথম দিনের প্রচারেই মিঠুন যে ভিড় টানলেন, তা ভোট বাক্সে প্রভাব ফেলবে বলেই আশা বিজেপির।

মার্চ ২৫, ২০২১
রাজনীতি

নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে আলিঙ্গন, করমর্দন করলেই জেল হতে পারে প্রার্থীর!

প্রচারে বেরিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ। মায়ের কোল থেকে ফুটফুটে শিশুকে কোলে তুলে নিয়ে গালে আদরের চুম্বন। উৎসাহী সমর্থকদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেলফি। রোড-শোয়ে গাড়ি থেকে ঝুঁকে ঝুঁকে জনতার সঙ্গে হাত মেলানো। কত কাছের লোক, ভোটারদের তা বোঝাতে প্রার্থীরা চেষ্টায় একতিল ফাঁক রাখতে নারাজ। কিন্তু করোনা অতিমারির আবহে এহেন শারীরিক নৈকট্য রাজনৈতিক কেরিয়ারে কার্যত দাঁড়ি টেনে দিতে পারে। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিতেই সেকথা স্মরণ করিয়ে ফের এমনই কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশ অমান্য করলে মহামারী আইনের ৫১ থেকে ৬০ নম্বর ধারায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা খোদ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মহামারী আইনের ওই ধারায় বিধিভঙ্গের শাস্তি হিসাবে দুই বছর পর্যন্ত কারাবাস ও সঙ্গে মোটা জরিমানার বিধান রয়েছে। কমিশনের হুঁশিয়ারি, সংক্রমণ ঠেকাতে ইতিমধ্যে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি রয়েছে। যাতে এই ধরনের শারীরিক সংস্পর্শে অনুমোদন নেই। তা সত্ত্বেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় প্রার্থীদের গাছাড়া মনোভাব দেখা যাচ্ছে। প্রার্থীরা এই ধরনের হঠকারী অচরণ করতে থাকলে প্রার্থীপদ তো দূরে থাক শেষপর্যন্ত তাদের ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে। সঙ্গে খসতে পারে গাঁটের কড়িও।ইতিমধ্যেই এব্যাপারে জেলাশাসক তথা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের কোভিড বিধি পালনের সমস্ত নির্দেশিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সতর্ক করে দিতে বলা হয়েছে। প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ঠিক কী কী বিধিনিষেধ রয়েছে নির্দেশনামায়? নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে, বাড়ি বাড়ি প্রচারের ক্ষেত্রে প্রার্থীরা পাঁচ জনের বেশি সদস্য-সমর্থক সঙ্গে রাখতে পারবেন না। প্রচারে বেরিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক, স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখতে হবে। অতিমারি সংক্রান্ত দূরত্ব বিধি মানতে হবে। একইরকমভাবে রোড শোয়ের ক্ষেত্রেও বিধি নিষেধ রয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীর গাড়ি বাদে রোড-শোয় পাঁচের বেশি গাড়ি একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না। এবং এই পাঁচ গাড়ির একটি কনভয়ের সঙ্গে পরেরটির দূরত্ব থাকতে হবে কমপক্ষে আধ ঘণ্টার। এছাড়াও রাজনৈতিক দলগুলোকে জনসভার অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে জেলাশাসকদের আরও সতর্ক হতে বলেছে কমিশন। প্রবেশ ও প্রস্থান পথ রয়েছে শুধুমাত্র এমন ময়দানকেই জনসভার অনুমতি দেওয়া যাবে। ময়দানগুলো আগে থেকে চিহ্নিত করতে হবে। একাজে সংশ্লিষ্ট জেলার কোভিড নোডাল অফিসারকে যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি জমায়েত কখনওই যাতে নির্ধারিত মাত্রা না ছাড়ায় সেদিকে কড়া নজর রাখতে বলা হয়েছে।

মার্চ ২৪, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে রণক্ষেত্র শিলিগুড়ি, মৃত্যু এক কর্মীর

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে পুলিশের লাঠির ঘায়ে এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যু্র অভিযোগ উঠল। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম উলেন রায়। বয়স ৫০ বছর। বাড়ি গজলডোবায়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আমাদের কর্মী উলেন রায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। খবর পাওয়া গেছে, সেখানে তিনি মারা গেছেন। আমাদের বহু কর্মী আহত হয়েছেন। কয়েকজন রাস্তায় আছেন। আর কয়েকজন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তৃণমূল খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। সিপিএম খুনের রাজনীতি করে বিদায় নিয়েছে। তৃণমূলকেও একইভাবে বিদায় নিতে হবে। উলেন রায়ের মৃত্যু্র পর হাসপাতালে যান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি সেখানে মৃতের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিবারের লোকেরা দাবি করেন, পুলিশের লাঠির ঘায়ে বিজেপই কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক দীপেন প্রামানিক অভিযোগ করেন উত্তরকন্যার দিকে এগোনোর সময় বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। লাঠির আঘাতে তাঁদের বেশ কয়েকজন ঘায়েল হন। এঁদের মধ্যে মহিলা কর্মীরাও রয়েছেন। গুরুতর জখম উলেন রায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে মারা যান তিনি। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে অবশ্য মন্ত্রী গৌতম দেব বলেছেন, এই অভিযানে কারও মৃত্যু হয়নি। পুলিশের তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। পুলিশের তরফ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, কোনওরকম গুলি চালানো হয়নি। আরও পড়ুন ঃ ভোটের আগে ব্ল্যাকমেলিং, বার্গেনিং করার চেষ্টা করে তৃণমূলকে জব্দ করতে পারবেন নাঃ মমতা অন্যদিকে, বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি এলাকা। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতেই তিনবাত্তি মোড়ে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপির কর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেমে পড়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী। সোমবার বেলা একটু বাড়তেই বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা জড়ো হন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেয়। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি মোড় থেকে মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু। বাকি দুটি মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়। বেলা ২ টো নাগাদ শিলিগুড়ির তিনবাত্তি মোড়ে আচমকা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন যুব মোর্চার কর্মীরা। পুলিশ-বিজেপি কর্মী ধস্তাধস্তিতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিনবাত্তি মোড়ের কাছে রাস্তায় বসে পড়েন যুব মোর্চার কর্মীরা। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে পুলিশের তরফে ঘোষণা করা হয়, ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। বিজেপির এই জমায়েতকে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেনি বিজেপির যুব মোর্চা। অভিযোগ উঠেছে, বিজেপির মিছিল আটকাতে তিনবাত্তি মোড়ে যে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে তাতে ব্যবহার করা হয়েছে মোবিল ও গ্রিজ। আন্দোলনকারীরা যাতে এই ব্যারিকেড টপকাতে না পারে সেই জন্য এই ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। আর কেমিক্যালের এই ব্যবহার নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। সবমিলিয়ে এলাকায় দুই-তরফে খন্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। পুলিশের তরফে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, লাঠিচার্জ ব্যবহার করা হয়। পাল্টা ঢিল, লাঠি দিয়ে পুলিশের উপর আক্রমণ করে বিজেপিরও। এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। ইতিমধ্যেই পুলিসের বহু আধিকারিক আক্রান্ত হয়েছেন। জখম হয়েছেন বিজেপির নেতা- কর্মীরাও। কাঁদানে গ্যাসের জেরে অসুস্থ বোধ করতে থাকেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। ব্যারিকেড ভাঙতে গিয়ে আহত হন কোচবিহার জেলা বিজেপি সভানেত্রী মালতি রাভা রায়ও।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

উত্তরকন্যা অভিযান শুরুর আগেই পুলিশি বাধার মুখে দিলীপ ঘোষ ও সায়ন্তন বসু

উত্তরকন্যা অভিযান শুরুর আগেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও সম্পাদক সায়ন্তন বসু পড়লেন পুলিশি বাধার মুখে। যা নিয়ে উত্তেজনা ছড়াল ফুলবাড়ি মোড়ে। সোমবার বেলা একটু বাড়তেই বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা জড়ো হন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নিতে। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি মোড় থেকে মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু। উত্তরকন্যার দিকে মিছিল সামান্য এগোতেই সেখানে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। বাধার মুখে পড়েন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লাও। সেখানে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয়। পরে অবশ্য দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন, আমি স্টেশন থেকে নেমে গেস্ট হাউজে যাব, সেটাও পর্যন্ত যেতে পারছি না। আধঘণ্টা ধরে এখানে দাঁড়িয়ে আছি। জানি না, কী ধরনের গণতন্ত্রের পরিবেশ এখানে আছে। স্বৈরাচারী শাসন! পুরো শহরকে ঘিরে দেওয়া হয়েছে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে। বাইরে থেকে লোককে ঢুকতে, বেরতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের সাংসদ জন বার্লাকেও আটকে দেওয়া হয়েছে। এই স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে পশ্চিমবাংলায় এই সরকার কতদিন টিকে থাকতে পারবে জানি না। আরও পড়ুন ঃ কৃষকদের ডাকা ভারত বনধকে নৈতিক সমর্থন মমতার তাঁর আগে গাড়িতে বসেই বিমল গুরুং প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারের প্রতি তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, যে লোকটাকে এতদিন দেশদ্রোহী বলা হত, গতকাল তাঁকে পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে এসে জনসভা করা হল। আর আমরা গণতন্ত্র রক্ষার জন্য লড়াই করছি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তারজন্য আমাদের আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে উত্তরকন্যাকে একেবারে ঘিরে ফেলা হয়েছে। লোহার ব্যারিকেড, গার্ডওয়াল, জলকামান সব নিয়ে বিজেপি যুব মোর্চার অভিযান রুখতে প্রস্তুত পুলিশ। অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি থেকে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র নেতৃত্বে মিছিল এগোতে চাইলেও পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। মমতা সরকারের আমলে উত্তরবঙ্গের কোনও উন্নয়ন হয়নি, এই অভিযোগে উন্নয়নের দাবি তুলে এদিনের অভিযানে নেমেছে বিজেপি যুব মোর্চা। বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় বলেন, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদকে কত টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার? শ্বেতপত্র প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
কলকাতা

নবান্ন অভিযানে জলকামানের রং নিয়ে অমিত শাহকে চিঠি লকেটের

নবান্ন অভিযানে বিজেপির সঙ্গে পুলিশ ভীষণই ন্যক্কারজনক ব্যবহার করেছে। সেদিন বিজেপির বিক্ষোভ প্রতিহত করতে পুলিশ যে জলকামান ব্যবহার করেছিল , তাতে রঙের ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই রং গায়ে লাগার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। অনেক দলীয় সদস্যও সেদিন গায়ে রং লাগার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের চিহ্নিত করতেই পুলিশ রাসায়নিককে হাতিয়ার হিসাবে প্রয়োগ করেছিল। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাস্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা একটি চিঠিতে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের বিষয়ে এভাবেই তোপ দাগলেন তিনি। শান্তিপূর্ণ মিছিলকে ছত্রভঙ্গ করতে এভাবে রং ছোঁড়া হল , এটা ভারতীয় রাজনীতিতে প্রথম। আরও পড়ুনঃ বাংলায় দুর্গোৎসব বন্ধ রাখা হোক, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা চিনে কমিউনিস্টরা যে প্রক্রিয়ায় বিরোধীদের আন্দোলন দমিয়ে দেন সেই প্রক্রিয়াতেই বিজেপির নবান্ন চলো অভিযান আটকানোর চেষ্টা করেছে মমতা সরকারের পুলিশ। এই রংয়ে কোনও ক্ষতিকারক রাসায়নিক ছিল বলে বিজেপি সাংসদ অভিযোগ করেছেন। আপনি যদি এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেন, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। এছাড়াও এদিনের চিঠিতে মণীশ শুক্লা হত্যা ও বলবিন্দর সিংয়ের সঙ্গে হওয়া ঘটনারও প্রতিবাদ জানিয়ে কড়া সমালোচনা করেন বিজেপি সাংসদ।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল কলকাতা ও হাওড়া

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কলকাতা ও হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ বিজেপির নবান্ন অভিযান শুরু হয়। শহরের বিভিন্ন অংশ থেকে মিছিল নবান্নের দিকে আসতে শুরু করে। মিছিলের শুরুতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কলকাতার হেস্টিংস ও সাঁতরাগাছি৷ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ বিজেপির। কাঁদাতে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। এছাড়াও মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জলকামানের মাধ্যমে রঙিন জল ব্যবহার করা হয়৷ এদিকে এদিন এই মিছিলের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ। সাঁতরাগাছিতে মিছিল থেকে পাল্টা পাথরও ছোঁড়া হয়। অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। হেস্টিংসে বহু বিজেপি কর্মী আহত হন৷ হেস্টিংস মোড়ে বসে পড়েন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ বিজেপির নেতানেত্রীরা৷ অপরদিকে হাওড়া ময়দান এলাকায় মিছিল লক্ষ্য করে বোমা মারার অভিযোগ উঠেছে। এখানেও অশান্ত হয়ে ওঠে এলাকা। একটি বহুতলের ছাদ থেকে বোমা মারার অভিযোগ উঠছে।প্রসঙ্গত, এদিন সকালে সাঁতরাগাছি থেকে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শুরু হয় বিজেপির নবান্ন অভিযান। বাঁশের ব্যারিকেডের সামনে মিছিল এলে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। সামনে থাকেন রাজু। সেই সময় জলকামান থেকে রঙিন জল স্প্রে শুরু করে পুলিশ। এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শুরু হয় রক্তবমি।পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকায় সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারের হাসপাতালে।এছাড়াও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিজেপি নেতা তাপস ঘোষ। আহত হয়েছেন অরবিন্দ মেনন, সায়ন্তন বসু ও জ্যোতির্ময় মাহাতো। দিলীপ ঘোষে্র নেতৃত্বে একটি মিছিল হাওড়া ব্রিজে উঠতেই বাধা দেয় পুলিশ। শুরু হয় লাঠিচার্জ। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, তাঁর উপরও লাঠিচার্জ করা হয়। পড়ে যান তিনি। জখম হন বেশ কয়েকজন কর্মী। তাঁদের পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। অন্যদিকে পুলিশের কিয়স্ক ভাঙচুর চালানো হয় হাওড়া ময়দানে। বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় সেখানেও। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, কলকাতাকে গোটা দেশের থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিকে হেস্টিংস মোড়ে দ্বিতীয় সেতুতে ওঠার মুখেই পুলিশের ব্যারিকেড। হেস্টিংসের মিছিলকে আটকায় পুলিশ। জলকামান থেকে জল ছেটানো হয়। লাঠি উচিয়ে মিছিলকে তাড়া করে পুলিশ। কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এদিন তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, দুর্নীতিমুক্ত করতে পুরো রাজ্য সরকারের স্যানিটাইজেশন হোক। রাজ্য সরকার ঘাবড়ে গিয়েছে। বেহালা, ভবানীপুর, ডানকুনিতে বিজেপি কর্মীদের আটকেছে পুলিশ। লাঠিচার্জ করছে। তৃণমূল কার্যকর্তাদের মতো কাজ করছে পুলিশ। তৃণমূল সরকার ঘাবড়ে গিয়েছে। গণতন্ত্র বাঁচাও, বাংলা বাঁচাওয়ের দাবিতে এই আন্দোলন চলবে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal