• ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bolpur

রাজ্য

শান্তিনিকেতন থানায় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি অনুব্রত মন্ডল

অবশেষে পুলিশি জেরার মুখোমুখি বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। সাত দিন পর তিনি বোলপুরের এসডিপিও অফিসে যান। ওই চত্বটরে শান্তিনিকেতন থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলে। বিকেল ৩ টে ২০ মিনিট নাগাদ অনুব্রত সেখানে আসেন। এর আগে পুলিশ ২বার বোলপুর তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির ওই সদস্যকে তলব করে। অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি বোলপুরের আইসি লিটন হালদারকে ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। সেই অডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় বয়ে যায়। এদিকে বোলপুরের আইসির দুটো মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কে ভাইরাল করল ওই অডিও তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। প্রথম দফায় অনুব্রত ক্ষমা চেয়েছেন, সেই চিঠি প্রকাশ্যে এসেছিল। পরে অনুব্রতর আইনজীবী এআইয়ের অডিও বলে দাবি করেন। অনুব্রত অনুগামীরা বোলপুর আইসির তুলোধোনা করেন। আপাতত শান্তুনিকেতন থানায় অনুব্রত।

জুন ০৬, ২০২৫
রাজ্য

আইসিকে কদর্য ভাষা অনুব্রতর, FIR, শেষমেশ ক্ষমা প্রার্থনা

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়ে যায়। সেই অডিওর শোনা যাচ্ছে, বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির অন্যতম সদস্য অনুব্রত মণ্ডল বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। দুদিন আগে এই অডিও ক্লিপটি যে কোনও কারণেই ভাইরাল হয়ে যায়। তারপরেই জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ সিং, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার বোলপুর রানা মুখোপাধ্যায় বৈঠক ডেকে আইসি লিটন হালদারকেও ডেকে পাঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোলপুর এসডিপিও রিকি আগরওয়াল সহ চার পুলিশ কর্তা। উল্লেখ্য, গতকালই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার নাগরিক কমিটির ডাকে বোলপুর থানায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরা। অভিযোগ, আইসি লিটন হালদার বিভিন্ন জনের কাছ থেকে তোলাবাজি অর্থ দাবি করেন। অনুব্রত মণ্ডলকেও, এ ব্যাপারে সোচ্চার হতে দেখা যায়। যদিও এ ব্যাপারে পুলিশের তরফে কোন বক্তব্য জনসমক্ষে আসেনি। অনুব্রতর কদর্য বক্তব্য সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই তীব্র নিন্দা হয় বিভিন্ন মহল থেকে। এমনকি বিজেপির রাজ্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব শাসকদলকে আক্রমণ করার হাতিয়ার পেয়ে যায়। একইসঙ্গে তৃণমূল দল থেকে নিজস্ব হ্যান্ডেলে অনুব্রত মণ্ডলের ঘটনার নিন্দা করা হয়। বলা হয় যে, অনুব্রত মণ্ডল একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তার সঙ্গে আমাদের দল সম্পূর্ণ দ্বিমত প্রকাশ করছে। এবং এই মন্তব্যকে ও সমর্থন করছে না। পাশাপাশি, দল তাকে নির্দেশ দেয় যে আগামী চার ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে দল শোকজ নোটিশ জারি করবে। ইতিমধ্যে, পুলিশের তরফে একটি মুখবন্ধ খামে চিঠি এসে পৌঁছায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে। অন্যদিকে, বোলপুর থানায় বিএনএস এর ৭৫, ১৩২, ২২৪ ও ৩৫১ ধারায় অনুব্রতর বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। পাশাপাশি, অডিও ক্লিপটি কিভাবে ভাইরাল হল তা নিয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানান, বীরভূমের পুলিশ সুপার আমানদীপ সিং। অবমাননাকর মন্তব্যের তদন্ত শুক্রবার বোলপুর দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডল একটি ভিডিও বার্তায় সকলের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, যে নানুরের শিঙ্গিতে তার এক দলীয় কর্মীর পা ভেঙে গুড়ো করে দেওয়া হয় সে ব্যাপারে তিনি আইসিকে দেখার অনুরোধ করেন। অনুব্রত বলেন, যে নুরুল নামে সেই দলীয় কর্মী গুরুতর অবস্থায় আহত হন। তারপর সেখান থেকে তাকে ফোন করা হয়। রাত্রি দশটায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। ফোনে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর, তিনি আইসিকে বলেন যে, ওই আহত ব্যক্তিকে বাঁচানোর জন্য আপাতত হাসপাতালে ভর্তি করুন। একইভাবে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ ও আইসিকে অনুরোধ করেন। কিন্তু আইসি তাকে একটি খারাপ কথা বলেন। যেটা তিনি আর বলতে চাইছেন না। তার পক্ষে (অনুব্রতর) এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত হয়নি। তিনি ক্ষমা চাইছেন।

মে ৩০, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

বোলপুরে এসে অভিভূত সৌরভ, বললেন, কঠোর পরিশ্রমই সাফল্যের চাবিকাঠি

বোলপুর পুরসভা ও বীরভূম জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত বোলপুর শহরে রবিবার আসেন বাংলার মহারাজ। গত ৯ মে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বোলপুরে আসার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারেননি। এদিন বোলপুরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। মঞ্চে উঠে সৌরভ বলেন, এই প্রথম বোলপুরে এলাম। এখানে রবীন্দ্র সঙ্গীত নৃত্য ও পরিবেশ দেখে আমি মুগ্ধ। এখানে ভলি, বাস্কেট, ক্যারাটে সহ বিভিন্ন খেলার প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছেন। তাঁদের সম্বর্ধনা দেওয়া হল। বীরভূম থেকে বহু খেলোয়াড় সিএবি যায়। সিএবি তাদের সাহায্য করে থাকে। সেটাই তাদের কাজ। এদিন ঝুলন গোস্বামী সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের আইকন ঝুলন গোস্বামী। ঝুলন যদি নদিয়ার একটি সাধারণ ঘরের মেয়ে হয়ে এই জায়গায় পৌঁছাতে পারে, বীরভূম কেন পারবে না? নিশ্চয় পারবে। শুধু পরিশ্রম করতে হবে। মঞ্চে দাঁড়িয়ে সৌরভের কাছে অনুব্রত মণ্ডল অনুরোধ করেন বোলপুরে একটি ক্রিকেট কোচিং সেন্টার চালু করার। সৌরভ অবশ্য অনুব্রতর অনুরোধ রাখার কোন প্রতিশ্রুতি দেননি। এদিন বোলপুর সাংসদ অসিত মালকে ধন্যবাদ জানিয়ে সৌরভ বলেন, অসিত মাল ৪ কোটি টাকা দিয়েছেন স্টেডিয়ামের উন্নয়নে। তাঁকে ধন্যবাদ। এদিন অসিত মাল ছাড়াও সুদীপ্ত ঘোষ এবং অনুব্রত মণ্ডলকে ধন্যবাদ জানান বাংলার মহারাজ।

মে ১৮, ২০২৫
রাজ্য

অনুব্রতর বাড়ির দরজায় আটকে গেলেন মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, কান্নায় ভাসলেন সকন্যা "বীরভূমের বাঘ"

গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাওয়ার পর আজ সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা রওয়ানা দেন বোলপুরের নীচুপট্টির বাড়ির দিকে। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন অসংখ্য অনুগামী।এরই মধ্যে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীকে অনুব্রত তাঁর বাড়িতে ঢোকার অনুমতি না দেওয়ায়। তাঁদের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাংসদ অসিত মালকেও দরজার বাইরে থেকে ফিরে আসতে হচ্ছে। অনুব্রত মন্ডল ও তাঁর কন্যা সুকন্যাকে দেখা গেল হাত দিয়ে চোখের জল মুছতে। আবেগি অনুব্রত দু হাত দিয়ে চোখ চেপে ছিলেন। আজ বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক করবেন। অনুব্রতর সঙ্গে দেখা হয়নি দলনেত্রীর। বাড়িতে ঢোকার সময় অনুব্রত এদিন বলেন, তিনি দিদির সঙ্গেই আছেন। পায়ে ব্যথা রয়েছে। শরীর ভালো থাকলে তিনি দেখা করবেন দিদির সঙ্গে। কাজল এখন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি। অনুব্রত তিহাড় জেলে থাকলেও তিনিই দলের সভাপতি পদে বহাল রয়েছেন। ফলে তাঁর প্রত্যাবর্তনে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দেবে কিনা তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বরাবরই অনুব্রতর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হয়েছে, কেড়ে নেওয়া হয়েছে দলের সাংগঠনিক পদ। তবে তাঁরা বিধায়ক রয়েছেন। অনুব্রত জেলে থাকলেও দলের সভাপতিই থেকে গিয়েছেন।অনুব্রত বাড়ি ফেরার পর তাঁরা দেখা করতে গিয়েছিলেন দলের জেলা সভাপতির সঙ্গে। যদিও কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের মাধ্যমে তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়, বাড়িতে প্রবেশাধিকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে সেখান থেকে ফিরে যান চন্দ্রনাথ, বিকাশ, অসিত মাল। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ পেয়েছেন জেলা নেতা সুদীপ্ত ঘোষ, নলহাটির বিধায়ক, বোলপুরের পুর প্রধান। অনুব্রতর সঙ্গে জেলা কোর কমিটির সদস্য সুদীপ্ত ঘোষ দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছিলেন। সেখানে ছিলেন অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা। ছিলেন আরও কয়েকজন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিপাকে, পাটুলি, বিষ্ণুপুর, বোলপুরের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ইডির

নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আরও বিপাকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তদন্তের সূত্রে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর আরও অনেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কলকাতার পাটুলি, বোলপুর, বিষ্ণুপুর-সহ একাধিক জায়গা থেকে তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, যে সম্পত্তি তারা বাজেয়াপ্ত করেছে তা সরাসরি পার্থের নামে নয় তবে তদন্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সি জানতে পেরেছে, এই সম্পত্তিগুলি পার্থরই। শুধুমাত্র বোলপুরেই অন্তত পাঁচটি সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল। যার বাজারমূল্য প্রায় কয়েক কোটি টাকা। জমি ছাড়াও একাধিক সংস্থার কাছ থেকে নগদ টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। এগুলি পার্থর বলেই মনে করা হচ্ছে। নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে এই সব জমি-সম্পত্তির যোগ রয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে শুরুতে পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে বোলপুরে একটি বাড়ির সন্ধান পেয়েছিল ইডি। সেই বাড়ির নাম আবার অপা। পরে সেই বাড়ি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। তবে এক্ষেত্রে ইডি সূত্রের খবর, কোনও সম্পত্তিই নিজের নামে রাখেননি পার্থ। সব নথিতেই তাঁর কোনও না কোনও ঘনিষ্ঠের নাম রয়েছে।নিয়োগ মামলার তদন্তে নেমে ২০২২ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সেই থেকে তিনি জেলবন্দি। সে সময়ে পার্থের বান্ধবী হিসাবে পরিচিত অর্পিতার ডায়মন্ড সিটির ফ্ল্যাট থেকে ২২ কোটির বেশি এবং বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে ২৭ কোটির বেশি টাকা উদ্ধার হয়। দুই ফ্ল্যাট থেকে বিদেশি মুদ্রা এবং সোনাও উদ্ধার করে ইডি। এই সমস্ত সম্পত্তি এবং সোনাদানা, ফ্ল্যাট-বাড়ি মিলিয়ে কম করে ৬০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। যা আদতে অর্পিতার নামে থাকা পার্থের সম্পত্তি বলেই দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার।এবার পাটুলি, বোলপুর, বিষ্ণুপুর থেকে যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তাতে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ ৬০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় মোট ১৩৫ কোটি টাকার নগদ এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

জুন ১৪, ২০২৪
রাজ্য

টানা ৩ দিন আয়কর তল্লাশি রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইয়ের বাড়িতে, ইডির হানা আরেক মন্ত্রীর ঘরে

একটানা ৩ দিন! রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে টানা তিন দিন ধরে আয়কর দফতরের টানা তল্লাশি। নিউ আলিপুরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে একটানা চলছে আয়কর দফতরের তল্লাশি। স্বভাবিকভাবেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। এদিন বোলপুরে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।টানা ৩ দিন ধরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে আয়কর তল্লাশি চলছে। সূত্রের খবর, আপাতত টানা তল্লাশিতে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন আয়কর দফতরের অফিসাররা বাজেয়াপ্ত করেছেন। একইসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্যও হাতে এসেছে আয়কর অফিসারদের।এদিকে, টানা এই তল্লাশি অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। এপ্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য সংবাদমাধ্যমে বলেন, এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া। আয়কর দফতর কঠিনভাবে সক্রিয় হয়েছে। তবে যতক্ষণ না পর্যন্ত কিছু জানা যাচ্ছে ততক্ষণ রাজনৈতিক বিতর্ক চাই না।এদিকে, লোকসভা নির্বাচনের ঠিক মুখে শুক্রবার একযোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হানা দিয়েছে আর এক কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বোলপুরের বাড়ির পাশাপাশি কলকাতা শহরের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দেয় ইডিনিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা ঘুরপথে বেশ কয়েকজন ব্যাবসায়ীর মাধ্যমেই সাদা করার চেষ্টা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তারই ভিত্তিতে কলকাতায় এদিন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তল্লাশি চালিয়েছে। অন্যদিকে, নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলার তদন্তে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নাম উঠে এসেছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বাড়িতেও এদিন ইডি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে।

মার্চ ২২, ২০২৪
রাজ্য

বীরভূমে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের হেলিপ্যাড বেদখল, আবর্জনার স্তুপে দুর্গন্ধে এলাকায় টেকাই দায়

আবর্জনার স্তুপে মুখ ঢেকেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের হেলিপ্যাড। মুখ্যমন্ত্রী বোলপুর সফরে এলেই ওই হেলিপ্যাড ব্যবহার করেন। এখন সেই জায়গার উপর নজর পড়েছে ঠিকাদারদের। ফলে লোকচক্ষুর আড়ালে হেলিপ্যাডটিকে রীতিমতো ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে। ফাঁকা অংশ ঠিকাদারদের ফেলে রাখা ইমারতি দ্রব্য দখল করে নিয়েছে। তবে বিষয়টি নাকি জানা নেই পুরসভার। শুক্রবার সেই হেলিপ্যাড পরিদর্শন করেন বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ, বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা।রাজ্যে পালা বদলের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন তীর্থক্ষেত্র এবং পর্যটন কেন্দ্র থেকে কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য হেলিকপ্টার চলাচলের সিদ্ধান্ত নেন। সেই তালিকায় বোলপুরের পাশাপাশি ছিল তারাপীঠ, দিঘা সহ বেশ কয়েকটি জায়গা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় হেলিপ্যাড। বোলপুরে গীতাঞ্জলী প্রেক্ষাগৃহ সংলগ্ন এলাকায় সেই হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বোলপুর সফরে এলে তাঁর হেলিকপ্টার সেখানেই অবতরণ করত। এখন সেই জায়গা কার্যত ঠিকাদারদের দখলে চলে গিয়েছে। হেলিপ্যাডের চারিদিক আগাছায় ঢেকেছে। পুরসভা শহরের আবর্জনা সেখানে ফেলে ভাগাড়ের রুপ দেওয়া হয়েছে। আর এক শ্রেণির ঠিকাদার বিল্ডিং নির্মাণ করার জন্য ইমারতি দ্রব্য মজুতের জায়গা করে নিয়েছে সেই হেলিপ্যাড। এনিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। তবে বিষয়টি জানা নেই বোলপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পর্ণা ঘোষের। তিনি জানিয়েছেন, স্থানীয় কাউন্সিলরের মাধ্যমে খোঁজ নেবেন।এদিকে খবর পেয়ে শুক্রবার সেই হেলিপ্যাড পরিদর্শনে যান বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। তিনি বলেন, তৃণমূল এক বিচিত্র দল। বোলপুরে স্বয়ং দলনেত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের জায়গাটার অর্ধেক দখল করে নিয়েছে দিদিমনির স্থানীয় কিছু প্রমোটার এবং তোলাবাজ ভাইয়েরা। এলাকায় গিয়ে দেখলাম কেষ্টবাবুর পাচার করতে না পারা দু-চারটে গরু ঘুরে বেড়াচ্ছে। আশপাশটা আবর্জনায় ভরে গিয়েছে। পুরসভার সহযোগিতায় দুর্গন্ধে পারিপার্শ্বিক এলাকা সুরভিত। যারা মুখ্যমন্ত্রীর হেলিপ্যাড দখল করতে পারে তারা সমস্ত জায়গা দখল করতে পারে। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বোলপুরে এসে তাঁর হেলিপ্যাড একবার দেখে যান।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যলয়ের কার্যকলাপ নিয়ে তোপ বিজেপি'র কেন্দ্রীয় সম্পাদকের, আশ্রমিকদের সাথে দেখা করে চাপে রাখলেন উপাচার্যকে

দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে গত দুদিনের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যেই আরও এক বিদ্যুৎ বিভ্রাট আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্টিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় গত দশ জুড়ে বারবারই আলোচনা কেন্দ্র বিন্দুতে, কখনো কেষ্ট মণ্ডলের (অনুব্রত মণ্ডল) দাপটে তো কখনো অমর্ত্য সেনের বাড়ি বিতর্ক তো আবার কখনো বর্তমান বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে নিয়ে একাধিক বিতর্ক দানা বেঁধেছে। মাঝেমাঝেই বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর করা মন্তব্য উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে।এবার বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে নিয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্র, অধ্যাপক ও শান্তিনিকেতনের বাসিন্দা তদুপরি বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ (তৃণমুল কংগ্রেস) ডঃ অনুপম হাজরা। তিনি সামাজিক মাধ্যমে বরাবরই খুব অ্যাক্টিভ। সামাজিক মাধ্যমের তাঁর চাঁচাছোলা বক্তব্যের জন্য ভীষন জনপ্রিয় অনুপম। তিনি সামাজিক মাধ্যমে জানান, উপাচার্যের স্বেচ্ছাচারিতার জন্যই বিশ্বভারতীর বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীকে সমালোচিত হতে হয়। ইতিমধ্যে বিশ্বভারতীকে সার্চ কমিটি গঠন করার নির্দেশ এসেছে দিল্লী থেকে। বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে নতুন উপাচার্য নিয়োগের জন্য সার্চ কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।এরই মধ্যে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ বিশ্বভারতীর হৃত সম্মান পুনরুদ্ধারের জন্য মাঠে নেমে পরেছেন। তিনি প্রবীন আশ্রমিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিশ্বভারতীর সমস্যা, কোন কোন যায়গায় আরও উন্নয়ন প্রয়োজন তা জানার চেষ্টা করছেন। বৃহস্পতিবার সকালে অনুপম শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর প্রবীন আশ্রমিক তথা কবিগুরুর আত্মীয় সুপ্রিয় ঠাকুর ও তাঁর স্ত্রী শুভ্রা ঠাকুরের বাসভবনে যান বিশ্বভারতীর হালহকিকত সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল হতে। একাধিক বিষয় নিয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করেন বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা।বেশ কিছু দিন দলীয় দায়িত্ব নিয়ে দিল্লিতে বসবাস করতেন অনুপম। কিছুদিন আগেই বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি তাঁকে দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক ঘোষণার করার পর থেকেই অনুপমের বাংলা যাত্রা আধিক্য লক্ষণীয়। বৃহস্পতিবার কবিগুরুর আত্মীয় তথা আশ্রমিক সুপ্রিয় ঠাকুরের বাড়ি থেকে ফিরে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন। বিশষজ্ঞদের ধারণা পোস্টটি যথেষ্ট ইঙ্গিতপুর্ণ।পোস্টে তিনি লেখেনঃ এবার আজ সকাল বেলা সুপ্রিয় দা (শ্রী সুপ্রিয় ঠাকুর) এবং তাঁর স্ত্রী শুভ্রা দির (শ্রীমতি শুভ্রা ঠাকুর) সঙ্গে বিশ্বভারতী নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং আড্ডা...বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রক্ত যাঁর শরীরে বইছে, সেই শ্রদ্ধেয় সুপ্রিয় ঠাকুরের মতো আরো অনেক প্রবীণ আশ্রমিকদের ব্রাত্য করে রেখেছেন বিশ্বভারতীর বর্তমান উপাচার্য! সৌজন্যের খাতিরেও বিশ্বভারতী পরিচালনার কাজে কখনো তাঁদের মতো প্রবীণ আশ্রমিকদের কোন পরামর্শ নেন না। আর অন্যদিকে বিশ্বভারতীর পঠন-পাঠনএর গুণগত মান সর্বভারতীয় স্তরে দিন দিন তলানিতে ঠেকেছে । উপাচার্যের স্বেচ্ছাচারিতার জন্য সমালোচিত হতে হচ্ছে বিশ্বভারতীর আচার্য তথা আমাদের দেশের সকলের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি Narendra Modi মহাশয়কেও, আর অন্য দিকে বিভিন্ন উপায়ে উপাচার্য নিজেকে অতি-বিজেপি প্রমাণ করার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। হয়তো কোনো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা রয়েছে বা রয়েছে নিজের মেয়াদ কালকে বৃদ্ধি করার প্রবল তাগিদ; অথচ এই মহামানবেরই কার্যকালে বন্ধ হয়ে গেছে শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা থেকে শুরু করে বসন্ত উৎসব, যা ছিল শান্তিনিকেতনের প্রধান আকর্ষণ !!!বিশ্বভারতীর মতো ঐতিহ্যময় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের দরুন অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতিকে আর বেশিদিন প্রশ্রয় দেওয়া সমীচীন হবে না !!!আমার অফিসে জমা পড়া বহু লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এটুকু বলতে অন্তত কোনো দ্বিধা নেই যে - বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্র, প্রাক্তন অধ্যাপক, শান্তিনিকেতনের একজন বাসিন্দা এবং বোলপুরে প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে বিশ্বভারতী পরিচালনা করার বর্তমান আদব-কায়দা আমার আমার মতো বহু প্রাক্তনী, শান্তিনিকেতনের বহু আশ্রমিক তথা বোলপুর শান্তিনিকেতনের স্থানীয় মানুষদের আবেগে আঘাত করে !!!প্রবীণ আশ্রমিক ও ঠাকুর পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর বলেন,বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্র ও প্রাক্তন অধ্যাপক অনুপম হাজরা বিশ্বভারতী প্রসঙ্গে সদিচ্ছা দেখাচ্ছেন এটা দেখে আমার খুবই ভালো লাগছে। ওনার বিশ্বভারতীর উন্নতির জন্য উৎসাহ দেখে খুবই আনন্দিত হয়েছি। আশা করব, ভবিষ্যতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি জন্য আরও সদর্থক ভূমিকা পালন করবেন।।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৩
রাজনীতি

একবার নয়, একাধাকিবার লটারির পুরস্কার পেয়েছে অনুব্রতর পরিবার, নয়াতথ্যে বাড়ছে রহস্য

লটারি কাণ্ডের বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের। তৃণমূলের নানা স্তরের নেতৃত্ব ও আত্মীয়ের লটারিতে পুরস্কার পাওয়া নিয়েই চলছে বিতর্ক। বিরোধী দলনেতা একাধিকবার অভিযোগ করেছেন ডিয়ার লটারি তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে মিলিমিশে কেলেঙ্কারি চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে অনুব্রত মন্ডলের লটারিতে এক কোটি টাকা পাওয়া নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে আরও রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। তাঁর মেয়ের অ্যাকাউন্টেও লটারির টাকার হদিশ মিলেছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। এমনকী অনুব্রতর অ্যাকাউন্টেও আরেকটি লটারির টিকিট থেকে প্রাইজমানির টাকা জমা পড়েছিল বলে সূত্রের খবর। সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি খতিয়ে দেখছে।এর আগে ডিয়ার লটারিতে ১ কোটি টাকা জিতেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল, এখবর প্রকাশ্যে এসেছিল। তার আগে নাকি ২০১৯ সালেও লটারি জিতেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রতর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে জানা গিয়েছে তখন পেয়েছিলেন ১০ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি অনুব্রতর কন্যা প্রাথমিক শিক্ষিকা সুকন্যা দুবার জিতেছেন লটারি। একবার ২৫ লক্ষ টাকা। অন্যবার জিতেছেন ২৬ লক্ষ। একাধিকবার তৃণমূল নেতা ও তাঁর মেয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লটারির টিকিট জেতার টাকা জমা পড়ায় সন্দেহ বেড়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। এই লটারি জেতার মাধ্যে কালো টাকা সাদা হয়েছে কীনা তাই খতিয়ে দেখছে সিবিআই। তাছাড়া অনুব্রতর কোনও নিকট আত্মীয় বা বাড়ি কাজের লোকেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। সেই সব অ্যাকাউন্টেও লটারির জয়ের টাকা পড়তে পারে বলে সন্দেহ করছে সিবিআই। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ডিয়ার লটারি কতৃপক্ষের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের আঁতাঁত নিয়ে সরব হয়েছিলেন। ডিয়ার (ভাইপো) লটারির বলে কটাক্ষও করেছেন তিনি। এদিকে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বক্তব্য, লটারির খেলা চলে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়মানুসারে। তৃণমূলের কে লটারির টিকিট পেয়ে পুরস্কার পেল কি পেল না তা নিয়ে বলার কিছু নেই। অনুব্রত মন্ডল ডিয়ার লটারির প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন, তারপর তৃণমূল বিধায়ক বিবেক গুপ্তর স্ত্রী প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন। এই সব ঘটনায় রহস্য বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখায় ভয়াবহ আগুন, রহস্যের গন্ধ!

এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখায় ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘন ধোঁয়ার কুন্ডলী বের হতে থাকে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। দমকলের দুটি ইঞ্জিন আগুন আয়ত্বে আনার চেষ্টা করছে৷ উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলায় তদন্তে নেমে এই ব্যাঙ্কের শাখায় একাধিকবার হানা দিয়েছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, এই শাখায় অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, দেহরক্ষী সায়গল হোসেন সহ ঘনিষ্ঠদের একাউন্ট রয়েছে৷ এছাড়া সুকন্যা মণ্ডলের নামে কেনা জমির লেনদেন এই এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখার মাধ্যমেই হয়েছিল৷ এই আবহে এই ব্যাঙ্কে ভয়াবহ আগুন৷ তথ্য লোপাটের জন্যই কি এই আগুন? নানা মহলে উঠছে এই প্রশ্ন৷

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআইয়ের

অনুব্রত মণ্ডলের আরও এক ঘনিষ্ঠর হদিশ পেল সিবিআই। সেই সঙ্গে কিছু সম্পত্তিরও হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সমস্ত সম্পত্তি কোনওটা মেয়ের নামে কোনটা বা তাঁর মৃত স্ত্রীর নামে। আবার কোনও সম্পত্তি অনুব্রত মণ্ডল কন্যা সুকন্যার দুই কোম্পানির নামে রয়েছে বলে জানতে পেড়েছে তদন্তকারী সংস্থা। স্থানীয়দের দাবি ওই সমস্ত সম্পত্তি বছর চারেক আগে কেনা হয়েছে।এবার অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই৷ অনুব্রত মণ্ডলের নামে ও বেনামে কত জমি কেনা হয়েছে, তা জানতেই রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালায় সিবিআই৷ গরু পাচারের টাকাতেই এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কেনা হয়েছে কিনা তা জানতে এই অভিযান চালানো হয়েছে৷ সিবিআই-এর আধিকারিকরা রেজিস্ট্রি অফিসের কম্পিউটার এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখছেন৷মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ শান্তিনিকেতন পূর্বপল্লী গেস্ট হাউস থেকে বোলপুরের নেতাজী মার্কেটের বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যান সিবিআই আধিকারিকরা। প্রথমে দপ্তরে ঢুকে রেজিস্ট্রারের ঘরে যান সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানে প্রথমে রুদ্ধদার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। পরে দফতরের কর্মীদের পাশে রেখেই কম্পিউটারে সব নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এদিন ঐ অফিসের বসে তাঁদের নিজস্ব ল্যাপটপে সব তথ্য লিপিবদ্ধ করতে থাকেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রে খবর, অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে কত জমি রয়েছে, সে সমস্ত তথ্য জানতেই এই অভিযান বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।সিবিআই সূত্রে খবর, জমি দফতরের এই অফিসে তথ্য তলাশ করে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর একাধিক আত্মীয়ের নামে বহু সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। তেমনই তথ্য গত কয়েকদিনের তদন্তে সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে বলে খবর। কার নামে, কোথায়, কত জমি, বাড়ি বা সংস্থা রয়েছে, তা জানতে এ দিন রেজিস্ট্রি অফসে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। রেজিস্ট্রি অফিসের সব কম্পিউটার খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে একাধিক নথি আধিকারিকরা পেয়েছেন। কাগজপত্র ছাড়াও অনলাইনে নথিভিক্ত জায়গাজমি সম্পর্কেও তথ্যতালাশ করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যার নামে একাধিক জমির খোঁজ মিলেছে বলে খবর। বোলপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি চলাকালীন সুকন্যার নামে জমির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআইয়ের একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বল্লভপুর এলাকায় ০.৬২ একর জমির সন্ধান মিলেছে সুকন্যার নামে। এছাড়াও বোলপুর বাইপাসে ইংরেজিতে সিএম এবং ব্যাকেটে মানা লেখা তিনটি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সম্পত্তি গুলি আড়াই থেকে ৫ বিঘার মধ্যে। সিবিআই আধিকারিকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠদের নামেও কী পরিমাণে স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তার খোঁজ চলছে বলেও সিবিআইয়ের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে।অনুব্রতের দেহরক্ষী সহেগল হোসেনের নামেও কোনও জমি আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে সিবিআই। সহেগল এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন। পাশাপাশি বীরভূমের একাধিক চালকলের লিজের কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সহেগল হোসেনের ঘনিষ্ঠ মাধব কৈবর্ত্যের নামেও কোনও জমিজমা আছে কি না সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কিছু দিন আগে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন এই মাধব। এছাড়া অনুব্রত ঘনিষ্ঠ আমোদপুরের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য এবার সিবিআই নজরে এসেছে। কারণ ২০১৯ সালে অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সেই হাসপাতালে ৬৬ লক্ষ টাকা মিটিয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। ওই টাকার উৎস কি তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সিবিআই আমোদপুরে বেশ কয়েকটি রাইসমিল এবং কোম্পানির খোঁজ পেয়েছে। যার কয়েকটির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। মোবাইল বন্ধ থাকায় রাজিব ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।প্রসঙ্গত, আগামিকাল তৃতীয় দফায় অনুব্রত মণ্ডলকে আদালতে পেশ করা হবে। গরু পাচার মামলায় এই মুহূর্তে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তারই মাঝে গত কয়েকদিনে বোলপুর এবং তার আশেপাশে একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। গরু পাচারের টাকায় কোথায়, কত সম্পত্তি রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর আত্মীয়দের নামে। এ বার সেই তথ্য জানতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই। শুরুটা হয়েছিল অনুব্রতর মেয়ের নামে থাকা রাইস মিল দিয়ে। মাঝে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বোলপুর পৌরসভার গাড়ির খালাসি বিদ্যুৎবরণ গায়েনের বিপুল সম্পত্তির উৎস খুঁজতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এর পর গতকাল বীরভূম জেলা সভাপতির দিদির নামে থাকা রাইস মিলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা।বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসের হেড ক্লার্ক সামসের আলি বলেন, ২০০৮ সালের পর থেকে বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে কোনও জমি কেনা হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দলিল সংক্রান্ত তথ্য এবং কোনও সম্পত্তি লিজ নেওয়া হয়েছে কি না সে সম্পর্কেও তথ্য নেয় ওরা। অনুব্রতের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত বিদ্যুৎবরণ। রবিবার বোলপুরের কালিকাপুরের বাসিন্দা এই বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। বোলপুর পুরসভার গ্রুপ ডি কর্মী তিনি। সামসের আলি আরও বলেন, রেজিস্ট্রি হওয়া যে দলিল আমাদের সিস্টেমে আছে তা আমরা দিলাম। ওরা যাদের নাম করে জমি সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছেন সেই তালিকায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম আছে।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

'অপেক্ষা করলে হয়ত আরও কিছু পাওয়া যেতে পারে' অনুব্রত প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি

বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের চারদিনের সিবিআই হেফাজতকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন চালকল থেকে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। সিবিআই হেফাজতে থাকলে আরো অনেক কিছু জানা যাবে। আরও অনেক সম্পত্তির হদিস মিলবে। অন্যদিকে ক্যানিংয়ে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন দলদাসে পরিণত হয়েছে। সেইজন্যই এইসব ঘটছে। হয়তো দেখা যাবে ওই তৃণমূল নেতা চাকরীর নামে টাকা নিয়েছিল। তবে পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হবে। বোলপুরে মলয় পিটের মেডিকেল কলেজ নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, গরুর টাকায় অনুব্রত মণ্ডল মেডিকেল কলেজ বানিয়েছেন। উল্লেখ্য মলয় পিট অনুব্রত মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার আগের দিন অনুব্রতের বাড়িতে দেখা করতে আসেন।শনিবার রাজ্য কিষাণমোর্চার বৈঠকে বর্ধমানের টাউনহলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, পূর্ব-বর্ধমান জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিত তা।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অনুব্রত মন্ডল গ্রেফতার, গরুপাচার মামলায় সিবিআইয়ের জালে তৃণমূলের কেষ্ট

গরুপাচার মামলায় একাধিকবার তলব সত্ত্বেও হাজিরা এড়িয়ে চলেছেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বৃহস্পতিবার বোলপুরের বাড়িতে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে হানা দিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করল সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকালে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অনুব্রতর বাড়িতে পৌঁছন সিবিআই আধিকারিকরা। সকালে তাঁকে দেড় ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তখন বাড়ির সমস্ত গেটে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।সিবিআই সূত্রে খবর, গতকাল বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারীর সঙ্গে কথা বলে অনুব্রতর শারীরিক অবস্থা নিয়ে খোঁজ করেন। তবে যে কায়দায় এদিন অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি ঘিরে রেখে সিবিআই আধিকারিকরা হানা দিয়েছেন তাতে তাঁকে গ্রেফতারের জল্পনা ক্রমশ বাড়ছিল। শিষমেশ অনুব্রতকে গ্রেফতার করে সিবিআই। জানা গিয়েছে, আসানসোলের ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে অনুব্রত মণ্ডলের। তার পর আজই হয়তো আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হবে কেষ্টকে। এদিকে অনুব্রতকে গ্রেফতারির ঘটনায় ফের চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের তৎকালীন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির এক মাসের মধ্যে আরেক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি। অনুব্রত ইস্যুতে দল পাশে থাকে দল না কিনা সেটাই দেখার।

আগস্ট ১১, ২০২২
রাজ্য

শান্তিনিকেতনে আদিবাসী নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ, ভর্তি বোলপুর হাসপাতালে

হাঁসখালির নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে দুজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এই ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। এবার শান্তিনিকেতনে এক আদিবাসী নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। তার চিকিৎসা চলছে বোলপুর হাসপাতালে। দুদিন আগেই বোলপুরে আরেক আদিবাসী নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শান্তিনিকেতনের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। এদিন বীরভূমে নির্যাতিতার গ্রামে যান জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী, বোলপুরের এসডিও অভিষেক রায় ও শান্তিনিকেতন থানার ওসি দেবাশিস পন্ডিত।জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন থানার অদিত্যপুরে চড়কমেলা দেখতে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। পাঁচ যুবক এই অপকর্ম করেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অন্ধকারের মধ্যে তাকে ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়েছিল অভিয়ুক্তরা। নাবালিকার পরিবারের লোকজন শুক্রবার শান্তিনিকেতন থানায় ঘটনাটি জানায়। এরপর জেলা পুলিশ নড়েচড়ে বসে। ঘটনাস্থলে ছুটে যান এসপিসহ উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। রাজ্যে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিদ্বজনেরা। উদ্বিগ্ন জাতীয় মহিলা কমিশন।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
কলকাতা

অমর্ত্য সেনের অসম্মান করছে বিজেপি, প্রতিবাদ করুন বুদ্ধিজীবীরাও: মমতা

অমর্ত্য সেন আদর্শগতভাবে ওদের বিরোধী বলে তাঁকে নানাভাবে অসম্মান করছে বিজেপি। প্রতীচী নিয়ে অমর্ত্য সেনের এই অসম্মান আমাদের সবার অসম্মান। বুদ্ধিজীবীদের কাছে আমার আবেদন, আপনারাও এর প্রতিবাদ করুন। বৃহস্পতিবার ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ নবান্নে এ কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আমি বোলপুরে একটা মিছিল করব। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অমর্ত্য সেনকে কেন অসম্মান করা হচ্ছে? বিদ্যাসাগরের মূর্তি কেন ভেঙেছে, কেন অসম্মান করছে? পৌষমেলা কেন বন্ধ হলো? এই সবের কৈফিয়ত চাইব। বিনা কৈফিয়তে এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে অমর্ত্য সেনের পরিবারের সম্পর্কের ইতিহাস যারা জানে না তারা মিথ্যাচার, কুৎসা করছে। আমাকে আঘাত করতে গিয়ে মণীষীদের অসম্মান করছে! বাংলার ইতিহাস ভুলিয়ে দিতে দেব না। বিশ্বভারতীর শতবর্ষের অনুষ্ঠানে তাঁকে চিঠি পাঠিয়ে বা ফোন করে কোনও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই অনুষ্ঠানে ডাকা না হলেও আমি নিজে টুইট করেছি। আমি ২৮ তারিখ বোলপুরে গেলে যেতে বলেছিলেন উপাচার্য। কিন্তু দেড় দিনে ঠাসা কর্মসূচি থাকায় এবার যেতে পারছি না। কেন্দ্রকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় উগ্রবাদ বিশ্বভারতীকে শেষ করতে পারে না। এ সব টেম্পোরারি। আর তো কয়েকটা দিন। ডেজ আর নাম্বারড। আমি সহজ সরল ঘরের মেয়ে, আমাকে যা খুশি বলে আক্রমণ করছে, কিছু বলি না ভেবে। আমাকে বলে কী আর করবে? যত আক্রমণ করুক আমিই জিতব।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

রোড শো’তে উপচে পড়া ভিড়, হুডখোলা গাড়ি থেকে পরিবর্তনের ডাক শাহের

রবিবার অনুব্রত মণ্ডলের খাস তালুকে রোড শো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কর্মীদের ভিড় এতটাই ছিল এক কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে সময় লেগে গেল এক ঘণ্টারও বেশি। শুধু তাই নয় রাস্তার দুপাশে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের ভিড় এতটাই ছিল যে রাস্তার দুপাশে দড়ি দিয়ে আটকে রাখা যাচ্ছিল না কর্মী-সমর্থকদের। রীতিমতো পুলিশকে বেগ পেতে হয় কর্মী-সমর্থকদের আটকানোর জন্য। অমিত শাহের রোড শো এর একদম প্রথমে ছিলেন বীরভূমের পুলিশ সুপার। হুডখোলা গাড়িতে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কে সঙ্গে নিয়ে এদিন রোড শো-র প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো মুডে দেখা গেল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রোড শো-র প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত গোলাপের পাপড়ি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ছুঁড়তে ছুঁড়তে গেলেন অমিত শাহ। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ে বিমলের সভার আগে আদিবাসীদের হুঁশিয়ারি আগুন জ্বলবে এরপর হুডখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে সুর চড়ালেন অমিত শাহ। বলেন, এরকম রোড শো জীবনে দেখিনি। এটা ঐতিহাসিক। ডাকবাংলো মোড় থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত রোড শোতে ভিড় প্রসঙ্গে বার্তা দেন শাহ। মেদিনীপুরের পর বীরভূমে অনুব্রতর গড়ে ফের পরিবর্তনের বার্তা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। এছাড়াও বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় আসলে সোনার বাংলা গড়ার ডাক শাহের। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে শাহ বলেন, তোলাবাজি বন্ধে পরিবর্তন দরকার। বিজেপি বাংলার উন্নয়ন করবে। রোড শো ঐতিহাসিক। এরকম র্যালি আগে দেখিনি। মোদিজির প্রতি ভালবাসা দেখছি। হিংসা বদলে বদল জরুরি। ভাইপোর দাদাগিরি বন্ধ হবে। অমিতের দাবি, বাংলার উন্নয়ন করবে বিজেপির সরকারই। বলেন, যেখানে বিজেপির শাসন, সেখানেই উন্নয়ন। উন্নয়নের রাস্তা থেকে সরে গিয়েছে বাংলা। পাশাপাশি মানুষের কাছে বিজেপিকে ভোটে জয়ী করার আহ্বানও জানান তিনি। বলেন, এতদিন তো কংগ্রেস, কমিউনিস্ট, তৃণমূলকে দেখলেন। কিন্তু তাতে কি অবস্থার কোনও বদল হয়েছে? বিজেপিকে একটি বার সুযোগ দিন, সোনার বাংলা গড়ব।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

বোলপুরের বাউল বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ অমিত শাহর

শ্যমবাটিতে বাউল শিল্পী বাসুদেব দাসের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নির্দিষ্ট সময়ের খানিকটা পরেই অমিত শাহ পৌঁছন বাউল বাসুদেবের বাড়িতে। সেখানকার শিবমন্দিরে প্রথমে পুজো দেন। এরপর দাওয়ায় এসে বসেন। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন বাড়ির মেয়েরা। তোমায় হৃদমাঝারে রাখব গান শুনে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়, অনুপম হাজরা প্রমুখ। কথা ছিল, বোলপুরে গেলে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একেবারে স্থানীয় খাবার খাবেন বাউল পরিবারে। আরও পড়ুন ঃ ৭০ বছর পর ঐতিহাসিক সাফল্য ভারত সরকারের সেইমতো রবিবার অতিথি আপ্যায়ণের জন্য সকাল থেকেই তোড়জোড় শুরু হয় রতনপল্লির বাউল বাসুদেব দাসের পরিবারে। পাতে ছিল, ভাত, মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, পালং শাকের তরকারি, আলু পোস্ত, চাটনি। কলাপাতায় এই সব পদ সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নিজের গলায় একখানা গানও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শোনান শিল্পী। মাটির দাওয়ায় বসেই তা বেশ উপভোগও করলেন অমিত শাহ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

বোলপুরে বিজেপির পোস্টার, অমিত শাহের ছবির নীচে স্থান পেলেন রবি ঠাকুর!

২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা দখল করতে মরিয়া বিজেপি। নরেন্দ্র মোদি থেকে অমিত শাহ সবার মুখেই তাই এখন শোনা যাচ্ছে বাংলার নাম। প্রায় প্রতিদিনই দিল্লি থেকে কোনও না কোনও বিজেপি নেতা আসছেন বাংলায়, করছেন বাংলার মনীষীদের বন্দনা। আরও পড়ুন ঃ দুয়ারে-দুয়ারে নয়, যমের দুয়ারে যাচ্ছে তৃণমূল সরকার, বদলা নেওয়া হবে, হুঙ্কার দিলীপের এই ধারা বজায় রেখেই আগামী ২০ ডিসেম্বর বোলপুরে আসছেন নরেন্দ্র মোদির প্রধান সেনাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পা রাখবেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজরিত শহরে। যোগ দেবেন রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে। তার আগে শুক্রবার সকাল থেকেই বোলপুর শহর ছেয়েছে বিজেপির পোস্টারে। আর তাতেই বেঁধেছে বিপত্তি। রবীন্দ্র প্রীতি দেখাতে গিয়ে নিজেদের অজান্তেই বিটর্কে জড়িয়েছে পদ্ম শিবির। এদিন বিজেপি পোস্টারে দেখা গিয়েছে অমিত সাহহের ছবির তলায় স্থান পেয়েছেন রবি ঠাকুর! তাঁর নিচে আবার স্থানীয় বিজেপি সাংসদ অনুপম হাজরার ছবি দেওয়া। এই ঘটনায় অমিত শাহের বোলপুর সফরের আগেই রীতিমতো ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে বিজেপি। নিন্দায় ফেটে পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শান্তিনিকেতনের প্রাক্তনী ও আশ্রমিকরা। একে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপমান হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সমালোচনার মুখে পড়ে অবশ্য পোস্টার গুলি খোলার উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় সিআইডি, তারপর যা করলেন অভিষেক জানলে চমকে যাবেন

সিআইডির নোটিস ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁর কালীঘাটের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করার পরও সরাসরি তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে পারেননি তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত নোটিস গ্রহণ করেন তাঁর অফিসের এক কর্মী।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, তিনি কখনও তদন্ত থেকে পালিয়ে যাননি এবং সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবারই তিনি সিআইডি দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। আগামী চৌদ্দ তারিখ আবারও সিআইডি দফতরে হাজিরা দেবেন বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ।সিআইডিকে এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অভিষেক বলেন, সেদিন দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তদন্তকারীরা নোটিস দিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁর সহকারীকে নোটিস গ্রহণ করার জন্য বলেছিলেন। তবে যদি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর হাতেই নোটিস দিতে হয়, তাহলে অপেক্ষা করতেই হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং তদন্ত এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই।এদিন সিআইডির ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীভবনে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকেই সেই তথ্য বাইরে এসেছে বলে তাঁর সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় করা ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে শুক্রবার বিকেলে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডির একটি দল। কিন্তু সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে তদন্তকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ও জমতে শুরু করে।সূত্রের খবর, ওই সময় কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। পরে সন্ধ্যা সাতটার পর তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখার পর বাড়ির ভিতরে চলে যান। তবে তদন্তকারীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেননি। কিছুক্ষণ আরও অপেক্ষা করার পর সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর অফিসের এক কর্মীর হাতে নোটিস তুলে দেন।জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী ষোলো জুন সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগে সই জালিয়াতি মামলায় চৌদ্দ জুন তাঁকে আবার ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

৬৩৫ কোটি টাকার ‘বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারি’! মমতা জমানার খরচ ঘিরে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আয়োজিত শিল্প সম্মেলনকে ঘিরে এবার দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট আয়োজনের জন্য একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মানুষের করের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে, তার পূর্ণ হিসাব সামনে আনতেই তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছেও বিষয়টি পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, জনগণ তাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে বলেই কোনও অভিযোগকে উপেক্ষা করা হবে না।একই সুর শোনা যায় রাজ্যের নতুন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের গলায়। তিনি বলেন, সরকারি অর্থ অপচয় বা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিজিবিএস নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কতগুলি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কতটা প্রকৃত লগ্নি এসেছে এবং শিল্পের ক্ষেত্রে তার বাস্তব ফল কী হয়েছে, সেই তথ্য আগামী সপ্তাহে সরকারের হাতে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।তাপস রায়ের বক্তব্য, শিল্প সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন এবং সেখানে দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা আসবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য এত বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, বাংলায় নতুন শিল্প আনার জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।টাটা গোষ্ঠীর প্রসঙ্গও ওঠে সাংবাদিক বৈঠকে। তাপস রায়ের দাবি, ভবিষ্যতে টাটা-সহ একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে। শিল্পায়নের জন্য জমি নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বারো বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং অবকাঠামোগত সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উদ্বোধনের পর প্রদর্শনী ঘুরেও দেখেন তিনি।এদিকে, বিজিবিএসকে ঘিরে ৬৩৫ কোটি টাকার ব্যয়ের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ মিলেছে, কিন্তু বিপদ কাটেনি! এবার নতুন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি

সই জালিয়াতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি কমছে না। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। সেই মামলার নোটিস দিতেই শুক্রবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা।বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানীভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে সেই মামলায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্য একটি মামলায় তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁর বক্তব্যে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। প্রথমে এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। পরে সেই তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার দুপুরে সিআইডির একটি দল কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। তবে সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে নোটিস সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে পরে পৌঁছন অভিষেকের আইনজীবীরা। তাঁদের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনেই চলছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ভবিষ্যতেও আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে দাবি আইনজীবীদের।উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।অন্যদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সেই মামলায় একাধিকবার তলবের পর সম্প্রতি সিআইডির সামনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণের বিস্ফোরক আক্রমণের পর অভিষেকের জবাব! যা বললেন, তা শুনে চমকে গেলেন সবাই

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা আরও তীব্র হয়েছে। একদিন আগেই দলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভিষেকের আচরণ এবং সিদ্ধান্তের কারণেই দলের বড় ক্ষতি হয়েছে। এমনকি তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি কল্যাণকে রাখবেন, নাকি অভিষেককে।এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অনেকটাই সংযত এবং সম্মানজনক অবস্থান নিলেন তিনি।শুক্রবার নিজের বাড়িতে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর সম্পর্কে কথা বলার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটূ কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন, বড় হতে দেখেছেন।এরপর আরও নরম সুরে অভিষেক জানান, তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে ব্যক্তিগতভাবে খারাপভাবে নেননি। তাঁর কথায়, হয়তো কোনও বিষয় ওনার খারাপ লেগেছে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত রাগ বা ক্ষোভ নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, এখনও করি এবং ভবিষ্যতেও করব।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আদালতে সওয়াল করা থেকে সরে দাঁড়ান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগও তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পরেও তিনি প্রাপ্য সম্মান পাননি।এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের সংযত প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের এই মতপার্থক্য আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা! কারা পাবেন টাকা, কারা পাবেন না জানালেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবের মধ্যে এবার অনুদান দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রতি বছর পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হত। গত বছর সেই অনুদানের পরিমাণ ছিল এক লক্ষ দশ হাজার টাকা। সরকার পরিবর্তনের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, নতুন সরকারের আমলেও কি সেই অনুদান চালু থাকবে?এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খুব শীঘ্রই তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকেই অনুদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর মতে, যেসব ক্লাব আর্থিক সমস্যার কারণে পুজো আয়োজন করতে অসুবিধায় পড়ে, মূলত তাদেরই সাহায্য করা উচিত। যেসব বড় ক্লাবের নিজস্ব আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তাদের সরকারি অনুদানের প্রয়োজন নাও হতে পারে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁদের সত্যিই অর্থের প্রয়োজন, তাঁরাই অনুদান পাবেন। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজনও নেই। ফলে এবার অনুদান বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি নেওয়া হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এ বছর রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যায় দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হবে বলে তাঁর আশা। সেই কারণেই পুজোকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করবে।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমবার দুর্গাপুজোর অনুদান চালু হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালে। তখন প্রতিটি ক্লাবকে দশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রতি বছর সেই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত গত বছর তা বেড়ে এক লক্ষ দশ হাজার টাকায় পৌঁছায়। পুজোর আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে অনুদানের ঘোষণা করা হত। নতুন সরকারের আমলে সেই প্রথা বজায় থাকবে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের হাজার হাজার পুজো কমিটির।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার মদন! সই জাল মামলায় সিআইডি নোটিসে তৃণমূলে নতুন অস্বস্তি

বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এবার নতুন মোড়। শুক্রবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দিল সিআইডি। নোটিস পাওয়ার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।মদন মিত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে এসে একটি নোটিস দিয়ে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি বলেও সূত্রের দাবি।অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই মদন মিত্রের কাছে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যাঁরা এখনও দৃঢ়ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। তাই তাঁর কাছে তদন্ত সংস্থার নোটিস পৌঁছনোকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে টানাপোড়েন বেড়েছে। দলের একাংশের বিধায়ক ও সাংসদদের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সই জালিয়াতি মামলায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিআইডি।অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তেই একাধিক ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এখন দেখার, মদন মিত্রকে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কি না এবং এই মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! উস্কানিমূলক মন্তব্য ঘিরে থানায় মামলা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি চাপ আরও বাড়ল। বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার তাঁর নামে নতুন করে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। জানা গিয়েছে, হেয়ারস্ট্রিট থানায় জমা পড়া ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তও শুরু করেছে।এর আগেই গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের একটি সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় শিলিগুড়ি সাইবার থানায় এক আইনজীবী অভিযোগ জানান। এবার আরও একটি বক্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ভোটের প্রচারের সময় ধর্মতলার একটি জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার মুখে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।তবে কয়েক মাস পর ফের সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, ওই মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তা জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে বলে সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। তার মধ্যেই নতুন এই অভিযোগ রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। এখন নজর রয়েছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে। পুলিশ এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিকে, রানি রাসমণি রোডের সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়েও চাপের মুখে রয়েছে তৃণমূল শিবির। দুই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপূজার অনুদানে আমূল বদল! ‘সবার জন্য নয়’, নতুন নীতির ইঙ্গিত শুভেন্দুর

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল নতুন বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে আগের মতো সমস্ত পুজো কমিটিকে এক ছাঁচে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসতে চলেছে সরকার।শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন সরকার আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল নীতি গ্রহণ করতে চায়। সেই কারণেই দুর্গাপূজার অনুদান ব্যবস্থার উপর শীঘ্রই একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।প্রসঙ্গত, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপূজার অনুদান প্রতি বছরই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ২০২৫ সালে রাজ্যের প্রতিটি নিবন্ধিত দুর্গাপূজা কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। তার আগের বছর এই অনুদানের পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ফায়ার লাইসেন্সের ফি মকুব এবং একাধিক প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল পুজো কমিটিগুলিকে।তবে নতুন সরকার সেই মডেলকে পুনর্বিবেচনা করতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং বড় বাজেটের পুজোগুলিকে সরকারি অনুদানের আওতার বাইরে রাখা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পুজো কমিটি কর্পোরেট স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব পুজো কমিটি নিজেদের সামর্থ্যে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে, তাদের সরকারি অর্থ দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে কি না, তা সরকার বিবেচনা করবে। কিন্তু যেসব কমিটি আর্থিকভাবে পিছিয়ে, যাদের এই সহায়তা ছাড়া পুজো আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে, তাদের পাশে সরকার অবশ্যই থাকবে।সরকারি সূত্রে খবর, সম্ভাব্য নতুন নীতিতে পুজো কমিটির আর্থিক অবস্থা, বাজেট, স্পনসরশিপের পরিমাণ এবং স্থানীয় সামাজিক ভূমিকার মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে অনুদান পেতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হতে পারে পুজো কমিটিগুলিকে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে চাইছে, অন্যদিকে সরকারি সাহায্য প্রকৃত প্রয়োজনমাফিক বণ্টনের বার্তাও দিতে চাইছে। বিরোধীদের মতে, এটি জনপ্রিয় একটি প্রকল্পের পরিধি সংকুচিত করার পদক্ষেপ হতে পারে, যদিও সরকারের দাবিএটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ ও আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন।এখন নজর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আসন্ন বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই স্পষ্ট হবে, ২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় কোন ধরনের কমিটিগুলি সরকারি অনুদানের আওতায় থাকবে এবং নতুন নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা ঠিক কী হতে চলেছে।কর্পোরেট স্পনসর পাওয়া বড় পুজোগুলির জন্য অনুদান অনিশ্চিত, আর্থিকভাবে দুর্বল কমিটিগুলির পাশে থাকার আশ্বাস সরকারের।

জুন ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal