• ৪ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ১৮ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp

কলকাতা

আগামী ৬ নভেম্বর পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর  বাড়িতে অমিত শাহঃ অর্জু্ন সিং

ক্যানিংয়ে আমাদের কোনও সংগঠন নেই যে আমাদের লোকেরা ওদের গুলি মারবে। নিজের নিজের ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে লড়ছে । ভাইপো বনাম পিসির লড়াই চলছে ওখানে। মঙ্গলবার তৃ্ণমূলের সমালোচনা করে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ অর্জু্ন সিং। তিনি বলেন , পশ্চিমবঙ্গে যারা রাজনৈতিক দলের লোক আছে , তাদের সবাইকে বলব , সাবধানে থাকুন। তৃ্ণমূলের গোষ্ঠী্দ্বন্ধের লড়াইতে সাধারণ মানুষ খুন হচ্ছে। আর দোষ চাপাচ্ছে বিজেপির উপরে। কখনও অন্য রাজনৈতিক দলের উপরে। ভো্ট যখন আসে , তখন তৃ্ণমূলের লোকেরা এসব করে থাকে। পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এটা পুরোপুরি অরাজনৈতিক ব্যাপার। আগামী ৬ নভেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওনার সঙ্গে দেখা করবেন। সে বিষয়ে ওনার কাছে আবেদন জানাতে গিয়েছিলাম। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ে গুরুংয়ের কোনও অস্তিত্ব নেইঃ বিনয় কৈলাস বিজয়বর্গীয় পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে বলেন , উনি বাংলা তথা দেশের গর্ব। আমি ওনাকে প্রণাম করতে গিয়েছিলাম। তৃ্ণমূলের যে গণ্ডগো্ল তা সিন্ডিকেট , কাট্মানি ও পয়সার জন্য হচ্ছে।কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, সকালে ও বিকালে বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দুটি বৈঠক করবেন অমিত শাহ। অনেকের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ

রাজ্যের রাজ্যপালের পাহাড় সফর নিয়ে যাঁরা বিরোধিতা করছেন তাদের পাহাড়ে ওঠার হিম্মত নেই। তাই তাঁরা রাজ্যপালকে নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সমালোচনা করছেন। মঙ্গলবার সকালে বিষ্ণুপুর রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে চায়ে পে চর্চা কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাজ্যপালের স্বপক্ষে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও বলেন , রাজ্যপালের পাহাড় সফর যুক্তি সম্মত। রাজ্যপালের পাহাড়ে যাওয়াতে পাহাড়ের মানুষ সাহস পাবে, উৎসাহিত হবে। একজন রাজ্যপাল তার দায়িত্ব কর্তব্যকে বজায় রেখে কাজ করছেন। আরও পড়ুন ঃ বিমল গুরং আইনের ঊর্ধ্বে নয়ঃ বিনয় উল্লেখ্য , পাহাড় ইস্যুতে বুধবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে বিনয় তামাংয়ের। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন , যাঁরা রাষ্ট্রদ্রোহী যাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ রয়েছে তাদের হাত ধরে মমতা ব্যানার্জী পাহাড়ে উঠতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাই করুক পাহাড়ে তৃণমুলের ঝান্ডা উড়বে না। এদিনের এই কর্মসূচিতে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

বিজ্ঞাপনে টাকা খরচ নিয়ে মোদির সমালোচনা তৃণমূলের

করোনাকালে অজস্র পরিযায়ী শ্রমিক ও চিকিৎসার সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন, তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । কোনও কিছু না ভেবেই বৃথ বিজ্ঞাপনের পিছনে টাকা খরচ করা হয়েছে , এটা ভয়ঙ্কর। সোমবার টুইট করে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে এভাষাতেই তোপ দাগলেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার টুইটে লিখেছেন , নির্লজ্জভাবে জনগণের টাকা অপব্যবহার করছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। গরিব ও প্রান্তিক মানুষদের জন্য এই সঙ্কটজনক সময়ে অনেক কিছু করা যেত। রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম টুইটে লেখেন, কেন্দ্রীয় সরকার দেশের মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে।নিজের সরকারের বিজ্ঞাপনের জন্য জনগণের টাকা নয়ছয় করছে। এটাই মোদির সুশাসন। আচ্ছে দিন ?

নভেম্বর ০২, ২০২০
দেশ

বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার আগে রাজনীতি থেকে অবসর নেবঃ মায়াবতী

বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার আগে রাজনীতি থেকে অবসর নেব। ভো্লবদল করে সোমবার একথা জানালেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। প্রসঙ্গত , সম্প্রতি তিনি বলেছিলেন, সপা প্রার্থীকে হারাতে প্রয়োজনে তিনি বিজেপিকে সমর্থন করবেন। বিএসপি নেত্রী এদিন বলেছেন , রাজনৈতিক ফায়দার জন্য তাঁর বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করেছে সমাজবাদি পার্টি ও কংগ্রেস। ভবিষ্যতে কোনও নির্বাচনেই বিজেপির সঙ্গে বিএসপির জোট হতে পারে না। আমাদের আদর্শ সর্বধর্ম সেবা। আর বিজেপি আপাদমস্তক সাম্প্রদায়িক দল। ওঁদের সঙ্গে জোট করার আগে আমি রাজনীতি থেকে অবসর নেব। আরও পড়ুন ঃ বিহারের মসনদের জন্য লড়াই করা যুবরাজকে মানুষ ধরাশায়ী করে দেবেঃ মোদি মায়াবতী আরও বলেন, তিনি সপা প্রার্থীকে সমর্থন করবেন না বলে জানিয়েছিলেন। বহুজন সমাজবাদি পার্টির দিক থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের সমর্থন কেড়ে নিতেই তাঁকে বিজেপির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখ্য , মায়াবতীর বিজেপিকে সমর্থন করা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় দলের অন্দরে। তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে কংগ্রেসও। পরিস্থিতি সামাল দিতেই তাই এদিন নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মায়াবতী।

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে পালিত বিজেপির থানা ঘেরাও কর্মসূচি

নদীয়া জেলায় বিজেপি কার্যকর্তা বিজয় শীলকে হত্যার প্রতিবাদে সোমবার রাজ্যজুড়ে থানা ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিজেপি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। এদিন যাদবপুরে থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে এসে বিজেপি সম্পাদিকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, বর্তমান সরকার কানে তুলো গুঁজে আছেন। প্রতিদিন কেন বিজেপি কর্মীকে কেন খুন হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী জবাব দিচ্ছেন না। সাধারণ মানুষ জানতে চাইছে বিরোধী রাজনীতি কি অপরাধ। আমরা বিচার চাই। আরও পড়ুন ঃ দলীয় কর্মীকে খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে মিশ্র প্রভাব কল্যাণীতে অন্যদিকে বিধাননগরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারকে। তার নেতৃত্বে থানার গেটের সামনে রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। এদিন সল্টলেকের বিধান চন্দ্র রায়ের মূর্তির সামনে থেকে মিছিল করে বিধান নগর উত্তর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এদিন বিজেপির পক্ষ থেকে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ডোমজুড়ের নিশ্চিন্দা থানা ঘেরাও করে ৩ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি কর্মীরা। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কার্যকর্তাদের হত্যার প্রতিবাদে পুরুলিয়া টাউন থানা ও রঘুনাথগঞ্জ থানা ঘেরাও করে বিজেপি কর্মীরা। মালদা থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। অন্যদিকে , এদিন কিংকর মাঝিকে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার এবং যুবনেতা প্রেমাংশু রানা সহ আটজন নিরপরাধ বিজেপি কর্মীর মুক্তির দাবিতে রাজাপুর থানাতে প্রতিনিধিমূলক ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিজেপির তরফ থেকে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

দলীয় কর্মীকে খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে মিশ্র প্রভাব কল্যাণীতে

দলীয় কর্মীকে খুনের অভিযোগে বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্ধে মিশ্র প্রভাব পড়ল কল্যাণীতে। গয়েশপুর এলাকায় বন্ধ কিছুটা সফল কল্যাণীর অন্যান্য এলাকায় বন্ধের কোনও প্রভাব পড়েনি। কল্যাণীর বিভিন্ন জায়গায় এদিন দেখা গিয়েছে বন্ধ উপেক্ষা করে যানচলাচল করছে । খোলা রয়েছে দোকানপাটও। এদিকে এদিন বন্ধের সমর্থনে বাইক মিছিল করে বিজেপি কর্মীরা। বন্ধ সমর্থনের জন্য সকালে মিছিলও বের করে বিজেপি। ইতিমধ্যে মিছিল করার অপরাধে কল্যাণী থেকে ৬ জন বিজেপি কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। কল্যাণীতে তারা টায়ার জ্বালিয়ে ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভও দেখায়। কিন্তু ওই পর্যন্তই। এদিন বিজেপি নেতাদের টিকিটাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এদিন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এদিকে তৃণমূলের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে , বিজেপির বন্ধকে আদৌ গুরুত্বই দেননি সাধারণ বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ ফের স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ যাত্রী উঠতে চাওয়ায় ধুন্ধু্মার বৈদ্যবাটি স্টেশনে প্রসঙ্গত , রবিবার সকালে নদিয়ার গয়েশপুরে গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় বিজেপি কর্মী বিজয় শীলের দেহ উদ্ধার হয় । তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুনের অভিযোগে সরব হয়ে ওঠে বিজেপি। তখনই বিজেপি নেতৃত্ব সোমবার ১২ ঘণ্টার জন্য কল্যাণী বন্ধের ডাক দেয়। থানা ঘেরাও কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করে। এদিকে , পরিবারের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে , বিজয় কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিল না।

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় বিজেপি কর্মী খুন

এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম বীরেন্দ্র সাউ (৪৪)। স্থানীয়রা জানান, গত ১০ অক্টোবর মিথ্যা বোমাবাজির জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পঞ্চমীর দিন বীরেন্দ্র জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিল। অভিযোগ , সপ্তমীর দিন রাতে ঠিক বাড়ির উল্টোদিকে বসেছিলেন বীরেন্দ্র সাউ। ঠিক সেই সময় বাবুয়া, মন্নু সাউ-সহ তৃণমূলের পাঁচ-ছয়জন এসে পিস্তলের বাট দিয়ে বেধড়ক পেটায় বীরেন্দ্রকে। মাথায় আঘাত পেয়ে তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁকে কল্যাণী হোমে রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছিল। ফের বুকে ব্যথা শুরু হলে শনিবার রাতে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আরও পড়ুন ঃ অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি অধীরের এই ঘটনা প্রসঙ্গে ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন কুমার সিং বলেন, পিস্তলের বাট দিয়ে চিপ্পাকে মারধোর করেছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। মাথায় আঘাত লাগায় ওকে কল্যাণীর একটি হোমে রেখে চিকিৎসা করানো হচ্ছিল। শনিবার রাতে বুকে ব্যাথা শুরু হলে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পবনের দাবি, বাংলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। নিত্যদিন বাংলায় বিজেপি কর্মী খুন হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন উদাসীন।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

মল্লারপুরের ঘটনায় পুলিশের বক্তব্যে সিলমোহর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে

মল্লারপুরের বাসিন্দা শুভ মেহেনার পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি । পুলিশ প্রথন থেকেই বলে আসছিল , শুভ গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এবার ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে পুলিশের বক্তব্যকেই স্বীকৃ্তি দিল। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই রিপোর্টে নাবালকের গলায় দড়ির দাগ পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া অন্য কোনও ক্ষতচিহ্ন পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন ঃ ফের বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার উল্লেখ্য, চুরির অভিযোগে মল্লারপুরের বারুইপাড়ার বাসিন্দা শুভ মেহেনা নামে এক নাবালককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। গভীর রাতে মৃত্যু হয় শুভর। এরপরই পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার মল্লারপুরে বন্ধ ডাকে বিজেপি। মল্লারপুর বাজার থেকে থানা পর্যন্ত মিছিল করে গেরুয়া শিবির। তাতে নেতৃত্ব দেন সৌমিত্র খাঁ। মিছিল শেষে থানায় ঢুকতে গিয়ে বাধা পান বিজেপি নেতা। তারপর তুমুল অশান্তিও হয়। সৌমিত্র খাঁ ওসির শাস্তির দাবি জানান। সুবিচারের দাবিতে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হওয়ার কথাও বলেন তিনি।

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের

ওনারা ওকে বিজেপিতে পাঠিয়েই দেবেন? আমরা দরজা বড়ো করে খুলে রেখেছি সবাইকে নেওয়ার জন্য। ওনারা যদি কাউকে পাঠিয়ে দেন আমরা দলে নেব। রবিবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর সুলঙগুড়িতে চা চক্রে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত , ববি হাকিম বলেছিলেন , শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গিয়ে বিজেপি তাদের রাজ্য সদর দফতর মুরলিধর সেন স্ট্রিটে বসাক। সেই কথার সূ্ত্র ধরেই এদিন এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, একজন রাজনীতিবিদ রাজনীতি করতে চাইলে বিজেপি সুযোগ দেবে। আমার সঙ্গে অবশ্য কারও কোনো আলোচনা এখনও হয়নি। ববি-শুভেন্দুর বাকযুদ্ধ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, সেটা ওদের পার্টির ভিতরে চলছে। আমার কিছু বলার নেই। তারাই মিটিয়ে নিক নিজেদের ব্যাপার। আরও পড়ুন ঃ আগুনে পুড়ে মৃত্যু জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর রেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এই নিয়ে এতদিন বসেনি কেন ? কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চিঠি লিখেছে। ওনাদের কানে জল ঢোকেনি। যখন মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে , পুলিশ লাঠি চালাচ্ছে। তখন এই সরকার নড়েচড়ে বসছে। এদের চামরা এত মোটা হয়ে গেছে। কানে তালা লেগে গেছে। মানুষের দুঃখ - কষ্ট শুনতে পায় না। যদি অন্যান্য রাজ্যে লোকাল ট্রেন চলতে পারে , এই রাজ্যে মেট্রো , টোটো , অটো , বাস , ট্রাম চলতে পারে। তাহলে লোকাল ট্রেন কেন চলবে না ? এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, জেদের জন্য এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই বিষয়ে তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

ফের বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

ফের বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। এবার ঘটনাস্থল নদিয়া জেলার গয়েশপুর। মৃতের নাম বিজয় শীল(৩৪)। পেশায় দিনমজুর ছিল সে। তিনি বিজেপি যুব মোর্চার কার্যকর্তা ছিলেন। আমগাছের ডালে ফাঁস লাগানো অবস্থায় বিজয়ের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। বিজেপির অভিযোগ , বিজয় শীলকে গলায় ফাঁস দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূলের লো্কেরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল কল্যাণী বন্ধের ডাক দিল বিজেপি। এর পাশাপাশি রাজ্যের সমস্ত থানা ঘেরাও করা হবে বলে জানিয়েছে বিজেপি। জানা গিয়েছে , প্রতিদিনের মতো শনিবারও সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হন বিজয়। কিন্তু রাত পেরলেও সে বাড়ি ফেরেনি। ফলে তাঁকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। তা সত্ত্বেও খোঁজ মেলেনি বিকাশের। রবিবার সকালে স্থানীয়রা তাঁর দেহ আমগাছের ডালে ফাঁস লাগা অবস্থায় দেখতে পান। আরও খবর ঃ উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগতঃ ধনকড় এই ঘটনার নিন্দা করে টুইটে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি মুকুল রায় লিখেছেন, একই কায়দায় ফের খুন হল বিজেপি কর্মী। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। রাজ্যপালকে অনুরোধ , আপনি এই ধরণের ঘটনার বিচার করুন। ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এই ঘটনার নিন্দা করে টুইট করেন। তিনি লেখেন , আগে রবিবার সকালে সকলে টিভি খুলে রামায়ণ ও মহাভারত দেখার জন্য অপেক্ষা করত। কিন্তু এখন টিভি খুলে সকলে রাজনৈ্তিক কর্মী খুনের খবর দেখতে পায়। বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেনন এই ঘটনার নিন্দা করে টুইটে লিখেছেন , বিজেপি যুব মোর্চার কার্যকর্তা বিজয় শীলকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। টিএমসির গুন্ডাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এই ঘটনার নিন্দা করে জানিয়েছেন , পশ্চিমবঙ্গে কিভাবে গণতন্ত্র ঝুলে আছে। প্রত্যেকটি জায়গায় একই ভাবে বিজেপি কর্মীদের খুনের ধারা অব্যাহত। আমরা থামবো না, খুন হওয়া সমস্ত কর্মীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে বিজেপি!

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

৬ নভেম্বর কলকাতায় অমিত শাহঃ দিলীপ

আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আমাদের হিসেব অনুযায়ী ৫ টা জোনের মধ্যে একটা জোনের বৈঠক হয়ে গেছে। রাঢ়বঙ্গ ও মেদিনীপুর জোনের বৈঠক ৫ তারিখ বাঁকুড়া জেলায় হবে। বাঁকুড়াতে রবীন্দ্র ভবনে অথবা সপ্তর্ষি হোটেলে এই সভা হবে। ৬ তারিখ নবদ্বীপ ও কলকাতা জোনের বৈঠক কলকাতায় হবে। কলকাতার ইজেডসিসিতে এই বৈঠক হবে। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এই বৈঠক হবে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন। শনিবার ছিল বিজেপির সাংগঠনিক সভা। সেই সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের আগামীদিনের কর্মসূচি বিস্তারিত জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) শিবপ্রকাশ , জাতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন সহ আরও অনেকে। আরও পড়ুন ঃ নিম্নচাপের জের , বিকেলে কলকাতায় হালকা বৃষ্টিপাত এদিন তিনি আরও বলেন , মল্লারপুরের ওই নাবালক যদি তৃণমূলেরই হয় , তাহলে তাকে মারার অধিকার পুলিশের আছে নাকি ? ওখানে তো মরে গেলে সব টিএমসি হয়ে যায়। কার দলের মারা গেছে তা গৌণ। সে তো নাবালক ছিল , কোনও দলের সদস্যই সে ছিল না। তাকে তুলে নিয়ে এসে পুলিশ লক আপে মেরে ফেলা হল। সেটা নিয়ে আবার রাজনীতি খোঁজা হচ্ছে। তার মৃত্যুটা নিঃসন্দেহে খুব মর্মান্তিক। এটা আইনশৃঙ্খলাহীনতা।পুলিশ যে কি নির্মম হয়ে গেছে , কেবল রাজনৈ্তিক দলের কথা বলছে।তারপর তার পরিবারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বলানো হচ্ছে, আমরা টিএমসি করি। তাতে কি সাতখুন মাফ হয়ে গেল ? প্রশাসনের উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তোলে্ন তিনি। বিমল গুরুং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক নেই , উনি ঘোষণা করেছেন। আমরা কাউকে তাড়াইনি। এবার তাদের ওখানে জমি দখলের লড়াই হচ্ছে। সেটা ওনারা বুঝে নেবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি-ভাইরাসের ভ্যাকসিন কী? আরামবাগে জানালেন শান্তনু

ভ্যাকসিন না বের হওয়া অবধি করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সাবধানে থাকতে হবে। একইভাবে রাজ্য তথা দেশকে রক্ষায় বিজেপি-ভাইরাসকে উৎখাত করতে হবে, ২০২১-এ ইভিএমে প্রয়োগ করুন সেই ভ্যাকসিন। শনিবার ৩১ অক্টোবর আরামবাগে বিজেপি হঠানোর এমন দাওয়াই দিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। আরামবাগ তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে শহরের বাসস্ট্যান্ডের কাছে ইন্দিরা গান্ধীর প্রয়াণ দিবসে এদিন ৩৬তম রক্তদান শিবির ও প্রবীণ নাগরিকদের সংবর্ধিত করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রক্তদাতাদের উৎসাহ দিয়ে শান্তনু বলেন, বিজেপি মানুষে মানুষে বিভেদ লাগিয়ে দ্বন্দ্ব, হানাহানির রাজনীতি করে। তাদের হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আশীর্বাদ করুন। মনে রাখবেন, আপনারা ইভিএমে বিজেপির অ্যান্টি ভাইরাস প্রয়োগ করলে নারীরা সুরক্ষিত থাকবেন, কাউকে ধর্ষিতা হতে হবে না, বাবা-মায়ের সামনে কোনও কন্যাসন্তানকে হত্যা বা পোড়ানো হবে না। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, যুবশ্রীর মতো নানা সামাজিক প্রকল্প তো চলবেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অনেক মানবিক প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার মানুষের সুখে, শান্তিতে থাকার পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখবেন। তাই আগামী বিধানসভা ভোট বাংলার শান্তির পক্ষে ভোট। আপনাদের আশীর্বাদ নিয়ে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের নেতৃত্বে বাংলা তো বটেই, দেশ থেকে বিজেপিকে উৎখাত করা সম্ভব। আমাদের মা-বোনেরা যেমন সন্তান, পরিবারের মঙ্গল চেয়ে বছরের নানা সময় উপোস করেন, রোজা পালন করেন তাই সকলে ঠিক করুন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঙ্গলকামনায়, বাংলার মঙ্গলকামনায় ইভিএমে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে তবেই সেদিন জল পান করে উপবাস ভঙ্গ করবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজ্য

নাবালক খুনের ঘটনায় বিজেপির মিছিলে রণক্ষেত্র মল্লারপুর

পুলিশ হেফাজতে নাবালকের মৃত্যুর প্রতিবাদে শনিবার ১২ ঘণ্টা মল্লারপুর বন্ধের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সকাল থেকেই থমথমে ছিল এলাকা। বন্ধ ছিল এলাকার বাজার এবং দোকানপাট। এদিন সকালে নাবালকের মৃত্যুর প্রতিবাদে মিছিল বের করে বিজেপি। মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। পুলিশ বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দিলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এমনকি পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙে আন্দোলনকারীরা। এরপর মল্লারপুর থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে শুরু করে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এই বিক্ষোভে সামিল হন সৌমিত্র খাঁ সহ বিজেপি নেতৃত্ব। আরও পড়ুন ঃ সবার অলক্ষ্যে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের সামনে পড়ে মহিলার দেহ, পুলিশি তৎপরতায় দেহ উদ্ধার এদিন সৌমিত্র খাঁ বলেন , মল্লারপুর থানার ওসিকে গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হব। মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হব। এলাকায় যাতে কেউ বিজেপি করতে না পারে , সেই জন্য এই নাবালককে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। তিনি আরও বলেন , সর্বাত্মক বন্ধ পালিত হচ্ছে মল্লারপুরে। এটা কোনওভাবেই আত্মহত্যা নয়। পুলিশের নির্যাতনেই মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন হবে। এই ঘটনায় তিনি সিবিআই তদন্তেরও দাবি জানান। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার চুরির অভিযোগে শুভ মেহেনা নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সে মল্লারপুরের বারুইপাড়ার বাসিন্দা। গভীর রাতে থানার লকআপে মৃত্যু হয় শুভর। এরপরই পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, লকআপে অমানুষিক অত্যাচারের কারণেই মৃত্যু হয়েছে শুভর। পুলিশই খুন করেছে তাঁদের পরিবারের সদস্যকে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। পরে যদিও নিজেদের বয়ান বদল করে ওই নাবালকের বাবা-মা এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলেই দাবি করেন। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি মল্লারপুর থানার পুলিশের। তাঁদের কথায়, লকআপে থাকাকালীন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন শুভ। পুলিশ কর্মীরা তাঁকে কোনওরকম নিগ্রহ করেনি।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজনীতি

জেপি নাড্ডার বদলে নভেম্বরে রাজ্যে অমিত শাহ

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাজ্যে আসছেন না। তাঁর বদলে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, ৫ নভেম্বর মেদিনীপুর এবং রাঢ়বঙ্গের বৈঠক এবং ৬ ডিসেম্বর কলকাতা এবং নবদ্বীপ জোনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেপি নাড্ডা আসছেন না, সেকথাও জানিয়ে দেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের সংগঠন এই এলাকাগুলিতে কি অবস্থায় রয়েছে , সে বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে দলীয় সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ হেপাজতে কিশোরের মৃত্যুতে উত্তপ্ত মল্লারপুর , শনিবার ১২ ঘণ্টার বনধ বিজেপির প্রসঙ্গত , নভেম্বর মাসে রাজ্যে আসবেন জেপি নাড্ডা , দলের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিশেষ অনিবার্য কারণ বশত তিনি এই সময় রাজ্যে আসতে পারছেন না বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিধানসভা ভোটকে মাথায় রেখে রাজ্যে অমিত শাহকে এনে সভা করতে চেয়ে দিল্লির কাছে দরবার করেছিল রাজ্য বিজেপি। দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু নিজেই সেকথা জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ধৃত ২ শার্প শুটার

টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় দুই শার্প শুটারকে পাঞ্জাব থেকে গ্রেফতার করল সিআইডি। অভিযুক্তদের ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ধৃতদের নাম রোশন রাই, সুদীপ যাদব। প্রসঙ্গত , ওই খুনের ঘটনায় আগেই খুররম, গুলাব শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের জেরা করার পর সিআইডি দাবি করে , পাটনার জেলে বন্দী সুবোধ সিং এই খুনের ঘটনায় সরাসরি জড়িত। আরও পড়ুন ঃ তারাপীঠে মহাসমারোহে পালিত হল তারা মায়ের আবির্ভাব তিথি জেলে বসেই সে তৈরি করে এই খুনের ব্লু-প্রিন্ট । সুবোধ রায় নামে অপর অভিযুক্তকেও পাকড়াও করা হয়। এরপর সুবো্ধকে জেরা করে প্রচুর তথ্য জোগাড় করেন তারা। এরপর তাদের খোঁজে বিহারে রীতিমতো ঘাঁটি গেড়েছিলেন তদন্তকারীরা । সেখান থেকেই সূত্র মেলে । তারপর এদিন তাদের পাঞ্জাব থেকে গ্রেফতার করা হয়।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

পুলিশ হেপাজতে কিশোরের মৃত্যুতে উত্তপ্ত মল্লারপুর , শনিবার ১২ ঘণ্টার বনধ বিজেপির

লকআপে ধৃতের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বীরভূমের মল্লারপুর। মৃতের নাম শুভ মেহেনা। মল্লারপুরের বারুইপাড়ার বাসিন্দা। শুভকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করেছে বিজেপি। এই ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার ১২ ঘন্টার মল্লারপুর বনধ ডেকেছে বিজেপি।জানা গিয়েছে , মোবাইল চুরির অভিযোগে সপ্তমীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ । পরিবারের অভিযোগ, গত সপ্তমীর দিন চুরির মিথ্যা অভিযোগে মল্লারপুর থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে লকআপে রাখে। শুভকে আদালতে তোলেনি পুলিশ । লকআপে তাকে পুলিশ পিটিয়ে মেরেছে। শুক্রবার সকালে শুভর বাড়িতে মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়। মল্লারপুর বাহিনা মোড়ের ১৪নং জাতীয় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অরবোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশের উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেছেন তারা। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি মল্লারপুর থানার পুলিশের। আরও পড়ুন ঃ ক্ষমতায় এলে সব রাজনৈতিক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেওয়া হবে : দিলীপ এবিষয়ে বীরভূমের পুলিশ সুপার শ্যাং সিং বলেন, লকআপে শুভ মেহেনা নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। যেহেতু থানায় মৃত্য হয়েছে, তাই পর্যাপ্ত তদন্ত হবে। আসল সত্য প্রকাশ্যে আসবে। জানা গিয়েছে, পুলিশ লক-আপে মৃত্যু ও ওসি-র শাস্তির দাবিতে শুক্রবার রাত ৯টায় রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁয়ের নেতৃত্বে মল্লারপুর থানা ঘেরাও করা হবে।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
কলকাতা

নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য দাম বেড়েছে আলু- পিঁয়াজেরঃ দিলীপ

আলু-পিঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার প্রাতঃভ্রমণে ইকো পার্কে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন , এই সময় এমনিতেই শাকসবজি, ফলের দাম বাড়ে ৷ বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব এখানকার সরকারের ৷ ইচ্ছাকৃতভাবে পুজোকে কেন্দ্র করে কিছু লোক লুটপাট করে ৷ কিন্তু এখনও আমরা সেরকম দেখিনি ৷ আলু ও পিঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে ৷ নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য এগুলি করা হচ্ছে ৷ সরকারের সতর্ক হওয়া উচিত ৷ মানুষ এমনিতেই কষ্টের মধ্যে আছেন ৷ এরপরে মানুষের বিক্ষোভ আরও বাড়বে ৷ পিঁয়াজের দাম বাড়া নিয়ে তিনি বলেন, পিঁয়াজ নাসিক থেকে আসে ৷ তাই পিঁয়াজের দাম বাড়ার একটা কারণ আছে ৷ হতে পারে ফসল কম হয়েছে, নষ্ট হয়েছে ৷ কিন্তু আলুর দাম কেন বাড়বে ? আলু তো তারকেশ্বর থেকে আসে ৷ পশ্চিমবঙ্গে আলু চাষ হয় ৷ এখনও হিমঘরে প্রচুর আলু আছে ৷ শেষে ফেলে দিতে হবে ৷ কিন্তু বার করে বাজারে কেন আনা হচ্ছে না ? সব ফড়েদের হাত চলে গেছে ৷ এখানকার সরকারের কোনও কিছুতে কন্ট্রোল নেই ৷ তাই অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে ৷ আরও পড়ুন ঃ পুলিশের মাধ্যমে শাসন চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ ধনকড় এদিন শোভন-বৈশাখী প্রশ্ন করা হলে সাংসদ বলেন, শোভন ও বৈশাখি দুজনেই রাজনীতি সচেতন মানুষ ৷ ওঁরা কখন কী করতে হবে জেনেই রাজনীতিতে এসেছেন ৷ ওঁরা যখন রাজি হবেন, যে কাজ করতে চাইবেন, সেই কাজ দেওয়া হবে ৷ মুখ্যমন্ত্রীকে শোভন ও বৈশাখির শাড়ি পাঠানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক অনেকের সঙ্গেই থাকে ৷ আমিও অসুস্থ ছিলাম ৷ মুখ্যমন্ত্রী আমায় ফোন করেছিলেন ৷ সৌজন্যবোধ, সামাজিক সম্পর্ক থাকতেই পারে ৷ এতে মনে হয় না চিন্তার কিছু কারণ আছে ৷

অক্টোবর ৩০, ২০২০
দেশ

কাশ্মীরে খুন তিন বিজেপি কর্মী , নিন্দা মোদির

তিন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন করল অজ্ঞাতপরিচয় জঙ্গিরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিহত তিনজন হলেন বিজেপি-র যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক ফিদা হোসেন , উমের হাজাম এবং উমের রশিদ বেগ৷ কুলগামের ওয়াই কে পোরা এলাকায় এই তিনজনের উপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ ঘটনাস্থলে মারা যায় ফিদা হোসেন। বাকি দুই দলীয় কর্মী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যায়। টিআরএফ এই হামলার দায় স্বীকার করেছে৷ আরও পড়ুন ঃ সমাজবাদী পার্টিকে হারাতে প্রয়োজনে বিজেপিকে ভোটঃ মায়াবতী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই হামলার নিন্দা করে টুইটারে লিখেছেন, আমাদের তিনজন তরুণ কার্যকর্তার হত্যার নিন্দা করছি৷ যুব প্রজন্মের উজ্জ্বল প্রতিনিধি হিসেবে জম্মু কাশ্মীরে এঁরা খুব ভাল কাজ করছিল৷ এই শোকের সময়ে আমি তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই৷ তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি৷ পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লাহও এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন৷

অক্টোবর ৩০, ২০২০
দেশ

সমাজবাদী পার্টিকে হারাতে প্রয়োজনে বিজেপিকে ভোটঃ মায়াবতী

আসন্ন বিধান পরিষদের নির্বাচনে আমরা সমাজবাদী পার্টির বিরোধিতা করব। যে কোনও মূল্যে ওদের দ্বিতীয় প্রার্থীকে হারাব। আর সেজন্য যদি আমাদের বিজেপিকে ভোট দিতে হয়, সেটাই দেব। বৃহস্পতিবার সরাসরি বিজেপিকে সমর্থন করে নিজের অবস্থান পরিস্কার করলেন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতী। আরও পড়ুন ঃ বিহারে প্রথম দফার বিধানসভা ভোট শান্তিপূর্ণ তিনি আরও বলেন , যখন আমরা উত্তরপ্রদেশের লোকসভা নির্বাচনের জন্য সমাজবাদী পার্টির সাথে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তখন আমরা এর জন্য খুব কঠোর পরিশ্রম করেছি। কিন্তু আমাদের জোটের প্রথম দিন থেকে সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব এসসি মিশ্রকে বলে চলেছেন যেহেতু বিএসপি-সপা হাত মিলিয়েছিল, তাই আমার উচিত ১৯৯৫ সালের জুন মাসে দায়ের করা মামলাটি তুলে নেওয়া। বন্ধুত্ব রাখতে সেটাই করেছি। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পরে যখন আমরা সমাজবাদী পার্টির আচরণ দেখেছি তখন আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে আমরা তাঁদের বিরুদ্ধে ১৯৯৫ সালের ২ জুনের মামলাটি ফিরিয়ে নিয়ে বড় ভুল করেছি এবং তাঁদের সঙ্গে আমাদের যোগ দেওয়া উচিত হয়নি। প্রসঙ্গত , এর আগে বিভিন্ন ইস্যু্তে তিনি পরোক্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এবার তিনি তার সমর্থনের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করলেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাজ্য

পুলিশ - বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বাগনান , আটক ৬

দলীয় কর্মীর হত্যার প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্ধের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাগনান । বৃহস্পতিবার সেখানে মিছিল করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয় রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি তথা সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে। তাতেই পুলিশের সঙ্গে বিজেপি নেতাকর্মীরা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পরে অবশ্য সৌমিত্র খাঁকে এলাকায় ঢুকতে দেয় পুলিশ। সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ৬ বিজেপি কর্মীকে আটক করেছে। কেন দলীয় কর্মীদের আটক করা হল, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন সৌমিত্র খাঁ। এরপরই টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বাগনান থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন তাঁরা। পালটা এলাকায় শান্তি মিছিল করে তৃণমূল। বাগনান স্টেশন চত্বরে বিক্ষোভও দেখায় তৃণমূল কর্মীরা। সৌমিত্র খাঁ বলেন, আমাদের দলীয় কর্মীকে খুন করা হয়েছে। আর আমাদেরই মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের কর্মীদের মারধর করে গ্রেফতার করছে পুলিশ। আর সেখানে তৃণমূল নেতারা আজ মিছিল বের করলেন। এছাড়াও হাওড়া জ্বলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বাগনানের বিজেপি নেতা কিঙ্কর মাজির মৃত্যু নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন , যে কর্মীকে আমাদের গুলি করা হয়েছিল সে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করতে করতে গতকাল মারা যায়। সে রকম সিতাই, মেদিনীপুর ও উত্তর ২৪ পরগনার একজন মারা গিয়েছে। পুজোর মধ্যেও এই খুনখারাপি চলেছে। আমার মনে হয় এগুলো ইচ্ছা করে করছে। প্রশাসনের উপর কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই সরকারের। যারা সমাজবিরোধী তারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সাধারণ মানুষকে খুন করছে। অন্যদিকে , দলীয় কর্মীর হত্যার প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বাগনান বন্ধে অধিকাংশ দোকান খোলেনি। অবশ্য বাগনানের স্টেশনের দক্ষিণ পাশে দোকানপাট খোলাই ছিল। বাসস্ট্যান্ডে দেখা মিলেছে অটোর। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় রাস্তায় যানবাহন চলাচল কিছুটা কম। এছারাও ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে স্বাভাবিক ছিল যান চলাচল। আরও পড়ুন ঃ কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যর জন্য কাজ করলে হবে নাঃ শুভেন্দু প্রসঙ্গত , অষ্টমীর রাতে বাগনানের চন্দনাপাড়া গ্রামে কিঙ্কর মাজি নামে এক বিজেপি নেতাকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। হামলায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মী পরিতোষ মাজির বিরুদ্ধে। আহত অবস্থায় প্রথমে কিঙ্করকে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রেফার করা হয় এনআরএস-এ। সেখানেই বুধবার সকালে মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় বিজেপির অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনায় তাদের কোনও যোগ নেই।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দুর্নীতির অভিযোগে জড়িত কারা পেল টিকিট, কারা বাদ, তালিকায় চমক

রেশন দুর্নীতি হোক বা নিয়োগ দুর্নীতি, একাধিক মামলায় নাম জড়িয়েছিল রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতার। সেই সব অভিযোগে কেউ জেলে গিয়েছেন, কেউ এখনও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর দেখা গেল, এইসব নেতাদের মধ্যে কেউ টিকিট পেয়েছেন, আবার কেউ বাদ পড়েছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। শুরুতে মনে করা হচ্ছিল, তিনি বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে প্রার্থী করা হয়েছে রত্না চট্টোপাধ্যায়কে।একই মামলায় অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্য, যিনি পলাশিপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক, তাকেও এবার টিকিট দেওয়া হয়নি। তার জায়গায় প্রার্থী হয়েছেন রুকবানুর রহমান। মুর্শিদাবাদের বড়ঞা কেন্দ্রে নতুন মুখ হিসেবে সামনে এসেছেন প্রতিমা রজক। তিনি আগে কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন এবং কিছুদিন আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ওই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা বর্তমানে নিয়োগ মামলায় জেলে রয়েছেন।অন্যদিকে দেগঙ্গা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে আনিসুর রহমানকে। রেশন দুর্নীতি মামলায় তার নাম জড়িয়েছিল এবং তিনি জেলও খেটেছেন। তবুও তাকে প্রার্থী করেছে দল। একইভাবে হাবড়া কেন্দ্র থেকে আবার প্রার্থী হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনিও একই মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন এবং বর্তমানে জামিনে মুক্ত।সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়ালেও অনেক ক্ষেত্রে দল প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কতটা প্রভাব ফেলবে ভোটে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

বন্ধু দেশ পাশে নেই, ক্ষোভে বিস্ফোরণ ট্রাম্পের, বললেন আমাদের কাউকে দরকার নেই

বিপদের সময়ে কে সত্যিই পাশে থাকে, সেই প্রশ্নই যেন সামনে এনে দিল হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি। এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু সেই ডাকে সাড়া দেয়নি কোনও দেশই। এরপরেই সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ এবং তাদের কাউকে প্রয়োজন নেই।ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের উপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। পালটা পদক্ষেপ হিসেবে হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ইরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে। আমেরিকাতেও তার প্রভাব পড়ছে এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে।এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে হরমুজে রণতরী পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি ন্যাটোর সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কোনও দেশই তার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি।এরপরেই ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার শক্তিশালী সেনাবাহিনী রয়েছে এবং তারা নিজেরাই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম। তিনি আরও জানান, তিনি আসলে দেখতে চেয়েছিলেন, তার ডাকে অন্য দেশগুলি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। তার দাবি, অনেক সময় প্রয়োজনের মুহূর্তে এই দেশগুলি পাশে থাকে না।তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা বিভিন্ন দেশকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে এসেছে। তবুও এই পরিস্থিতিতে তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেনের মতো দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেনি। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে ইরানের সঙ্গে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নিজেদের জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে পার করার চেষ্টা চালাচ্ছে।সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতিতে বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকা কিছুটা একা হয়ে পড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে এবং পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

কাবুলে রক্তাক্ত রাত, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন রশিদ খানরা

পবিত্র রমজান মাসে কাবুলের একটি হাসপাতালে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। এই হামলায় অন্তত চারশো জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে হাসপাতালের বড় অংশ। আগুনে জ্বলতে থাকে পুরো এলাকা। এই ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন আফগানিস্তানের একাধিক ক্রিকেটার।রশিদ খান, মহম্মদ নবি এবং নবীন উল হক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তারা সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করে সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেছেন, এই ধরনের হামলা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। রমজানের মতো পবিত্র মাসে এমন ঘটনা আরও বেশি কষ্টদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন তারা।নবীন উল হক এক পোস্টে লেখেন, তিনি ইজরায়েল এবং পাকিস্তানের মধ্যে কোনও পার্থক্য দেখছেন না। এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। রমজান মাসে মুসলিম দেশ হয়েও এমন হামলা চালানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।রশিদ খানও নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানান, কাবুলের হাসপাতালে হামলার খবর শুনে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি এটিকে যুদ্ধাপরাধ বলে উল্লেখ করেন। তার দাবি, রাষ্ট্রসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলির এই ঘটনার তদন্ত করা উচিত। এই কঠিন সময়ে দেশের মানুষের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।মহম্মদ নবি তার পোস্টে লেখেন, হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিল বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ। তাদের উপর এই হামলা অত্যন্ত নিষ্ঠুর। তিনি জানান, অনেক মা তাদের সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন, কিন্তু সেই সন্তানরা আর বাড়ি ফিরতে পারেনি।উল্লেখ্য, এর আগেও পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের তরুণ ক্রিকেটারদের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন আফগান ক্রিকেটাররা। এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি প্রতিযোগিতাও বয়কট করা হয়েছিল।এই নতুন হামলার পর আবারও প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রীড়া সম্পর্ক আদৌ বজায় রাখা হবে কি না। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, তা এখন দেখার অপেক্ষা।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা থাকছেন আর কারা বাদ, তৃণমূলের তালিকা ঘিরে চরম জল্পনা

মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে বলে জোর জল্পনা চলছে। সূত্রের খবর, এদিনই রাজ্যের সমস্ত বিধানসভা আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন মুখ যেমন জায়গা পেতে পারেন, তেমনই বেশ কিছু পুরনো নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, নতুন প্রার্থী হিসেবে কয়েকটি পরিচিত নাম উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি তারকা প্রার্থী হিসেবেও কিছু নাম শোনা যাচ্ছে। সংগীত ও অভিনয় জগতের কয়েকজন পরিচিত মুখকেও প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কয়েকজন বর্তমান প্রার্থীর কেন্দ্র বদলও হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।অন্যদিকে, কিছু বিদায়ী বিধায়কের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে বলে জল্পনা। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে বর্তমান বিধায়কের টিকিট পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ওই কেন্দ্রে অন্য কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে খবর। একই সঙ্গে সোনারপুর কেন্দ্র নিয়েও জল্পনা চলছে। বর্তমান বিধায়ককে টিকিট দেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।বারাসত কেন্দ্রেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সেখানে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এদিন বিকেলের মধ্যেই পুরো ছবিটা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় বিয়ের বিতর্কেই কি কাটা পড়ল টিকিট, হিরণকে সরিয়ে চমক বিজেপির

খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। একসময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কয়েক মাস আগে তার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে অভিযোগ ওঠে। তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং মেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। অভিযোগ ছিল, ডিভোর্স না দিয়েই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তার প্রার্থী হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের নাম না থাকায় জল্পনা আরও বেড়ে যায়। তার বদলে খড়গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, এই বিতর্কের প্রভাবই পড়েছে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর।এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কে কাকে বিয়ে করছেন, তা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই জিজ্ঞেস করতে বলেন তিনি।মঙ্গলবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ আরও জানান, আগের নির্বাচনে হিরণ অন্য একটি কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন। তাই দল চাইলে তাকে অন্যত্র প্রার্থী করতেই পারে। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখা উচিত এবং দলের নেতৃত্বই ঠিক করবে কে কোথা থেকে লড়বেন।তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে ওঠানামা থাকেই। অনেক সময় অভিজ্ঞ নেতারাও কিছুদিন সুযোগ পান না, আবার পরে তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই দল এবং তার আদর্শের উপর আস্থা রাখা প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, দুই হাজার ষোল সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন দিলীপ ঘোষ। পরে তাকে সরিয়ে ওই কেন্দ্রে হিরণকে প্রার্থী করা হয়েছিল এবং তিনি জয়ী হন। তবে এবার আবার সেই পুরনো কেন্দ্রে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ।তিনি জানান, খড়গপুরে গত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করেছে এবং এইবারও তারা আরও বেশি ভোটে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তার দাবি, কর্মীরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য স্থির করেছেন, এই কেন্দ্রে এক লক্ষ ভোট পাওয়ার চেষ্টা করা হবে। খুব শীঘ্রই তিনি পুরোদমে প্রচার শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়গপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। হিরণের ভবিষ্যৎ কী হবে এবং দিলীপ ঘোষের প্রার্থিতা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে আবার বড় লড়াই, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কি নতুন চমক দেবে তৃণমূল

বাংলার রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। কলকাতা থেকে প্রায় একশো তিরিশ কিলোমিটার দূরের এই কেন্দ্র আবারও নির্বাচনের আগে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনের মতো এবারও নন্দীগ্রাম ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিদায়ী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি এই কেন্দ্র ছাড়বেন না। সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, দল তার সেই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করেছে। তিনি একসঙ্গে দুটি কেন্দ্র থেকে লড়ছেন।তবে এবার বড় প্রশ্ন, নন্দীগ্রামে তার প্রতিপক্ষ কে হবেন। আগের নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে লড়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন তিনি। তাই এবার তৃণমূল প্রার্থী বাছাইয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে নানা নাম ঘুরে বেড়ালেও এখনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।সূত্রের খবর, তৃণমূল এবার স্থানীয় কোনও মুখের উপরেই ভরসা রাখতে পারে। এমনই এক নাম সামনে এসেছে, যাকে ঘিরে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। শোনা যাচ্ছে, নন্দীগ্রাম দুই নম্বর ব্লকের এক বিজেপি নেতা খুব শীঘ্রই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। তিনি আগে তৃণমূলেই ছিলেন এবং পরে বিজেপিতে যোগ দেন। এলাকায় তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।এই নেতার নাম প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারে বলেই জল্পনা। তিনি এলাকায় খুব বেশি প্রচারে থাকেন না, কিন্তু চুপচাপ কাজ করে গেছেন দীর্ঘদিন। অনেকেই তাকে এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করেন। ফলে যদি তাকে প্রার্থী করা হয়, তাহলে নন্দীগ্রামে লড়াই আরও জমে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি দুইটি ব্লক নিয়ে গঠিত এবং তার মধ্যে একটি ব্লকে বিজেপির প্রভাব বেশি। সেই ব্লকেরই বাসিন্দা এই সম্ভাব্য প্রার্থী। তাই তাকে সামনে আনা হলে লড়াই আরও কঠিন হতে পারে।সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম এবারও রাজ্যের রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কে হবেন শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিপক্ষ, তা জানার জন্য এখন সকলের নজর রয়েছে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিকে। মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যেই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকায় নাম ঝুলে, তবু প্রার্থী কলিতা মাজি, আউশগ্রামে তুমুল বিতর্ক

সোমবার বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরই পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই তালিকায় বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নাম রয়েছে কলিতা মাজির। পেশায় পরিচারিকা কলিতাকে আগের বিধানসভা নির্বাচনেও প্রার্থী করেছিল বিজেপি, যদিও তখন তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। এবারও তার উপরেই ভরসা রেখেছে দল। তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত এই আসনে তাকে প্রার্থী করা নিয়ে আগেও চমক তৈরি হয়েছিল, তবে এবার তার নাম ঘিরে অন্য কারণে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে।গত আঠাশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা যায়, কলিতা মাজির নাম এখনও বিবেচনাধীন অবস্থায় রয়েছে। গুসকরা পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের মাঝপুকুর পাড়ের বাসিন্দা তিনি। গুসকরা পুরসভার একশো পঁচানব্বই নম্বর বুথে তিনশো সাতানব্বই নম্বরে তার নাম থাকলেও পাশে বিবেচনাধীন উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ তার ভোটার পরিচয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, তিনি নিজে ভোট দিতে পারবেন কি না এবং এমন অবস্থায় তিনি কীভাবে প্রার্থী হলেন। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।যদিও এই বিতর্কের মাঝেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কলিতা মাজি। তার দাবি, প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু নথি সংক্রান্ত অসঙ্গতির কারণে তাকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং তিনি সেখানে উপস্থিতও ছিলেন। তিনি জানান, তাদের সাত বোনের মধ্যে বাকি ছয়জনের নাম তালিকায় চূড়ান্ত হলেও শুধুমাত্র তার নাম এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান, এবার জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত আসন। গত নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভেদানন্দ থাণ্ডার জয়ী হয়েছিলেন। তিনি এক লক্ষের বেশি ভোট পেয়েছিলেন, আর বিজেপির প্রার্থী হিসেবে কলিতা মাজি দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন।এই ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপির প্রার্থীর নাম যখন এখনও বিবেচনাধীন, তখন তাকে প্রার্থী করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তাদের মতে, এতে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে এবং নির্বাচন কমিশন নিয়ম মেনেই কাজ করছে।পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে আউশগ্রাম এবং আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। ভোটের আগে এই বিতর্ক কোন দিকে যায়, তা নিয়েই এখন সবার নজর।

মার্চ ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীতেই লণ্ডভণ্ড কলকাতা, ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত একাধিক জেলা

মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীর দাপটে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলা। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির দফা চলছিল। তারই মধ্যে সোমবার সন্ধ্যা নামতেই হঠাৎ ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি শুরু হয় শহরে। এরপরই তীব্র ঝড় বয়ে যায়। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায় ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ছবি সামনে আসে। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ পৌঁছে যায় ঘণ্টায় প্রায় বাহাত্তর কিলোমিটার।আবহাওয়া দফতর আগেই সতর্ক করেছিল। সোমবার রাতে হাওড়া, কলকাতা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। ঘণ্টায় সত্তর থেকে আশি কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। উত্তর চব্বিশ পরগনায় জারি ছিল কমলা সতর্কতা। সেই সতর্কতার মধ্যেই শুরু হয় ঝড়ের তাণ্ডব।শহরের বিভিন্ন জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে এবং বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। জিনজিরা বাজারের কাছে একটি বড় হোর্ডিং ভেঙে পড়ে রাস্তা আটকে দেয়, ফলে যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়। কলকাতার কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টিও দেখা যায়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ায়।পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকায় একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে রাস্তার উপর পড়ে যাওয়ায় যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। দাসপুর এলাকায় একটি বড় দুর্ঘটনাও ঘটে। ঝড়বৃষ্টির মধ্যে একটি মোটরসাইকেলের উপর গাছ ভেঙে পড়ায় তিনজন গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।এর আগে রবিবার সন্ধ্যাতেও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং মেদিনীপুরে বৃষ্টির দেখা মিলেছিল। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড দিক থেকে বজ্রগর্ভ মেঘ ঢোকার কারণেই এই ঝড়বৃষ্টি। আগামী দিনেও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে ঝড়সহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। হঠাৎ আবহাওয়ার এই বদলে যাওয়ায় আগামী কয়েকদিন রাজ্যে এমন পরিস্থিতি আরও তৈরি হতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal