• ৬ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ২১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp

রাজ্য

BJP: উপনির্বাচনে ভরাডুবিতে 'সন্ত্রাস' দেখছে বিজেপি

উপনির্বাচনে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। মাস খানেক আগেই যে দ্বিমুখী লড়াইয়ের ছবি দেখা গিয়েছিল, তা যেন এবার একেবারে উধাও। চারটি কেন্দ্রের তিনটিতেই জামানত জব্দ। কোনওরকমে মুখ রক্ষা হয়েছে শান্তিপুরে। আজ ভোটের ফলাফলের পর বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, যেভাবে ভোট হয়েছে তাতে আগামী দিনে উপনির্বাচনে হলে তৃণমূল ১০০ শতাংশ ভোট পাবে।দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, দিনাহাটায় একটি গাড়িও দেওয়া হয়নি। গোসাবায় বলা হচ্ছে, বাড়ি থেকে বেরাবেন না। খড়দহে প্রার্থী নিজে ভোট দিতে পারেননি। তবে বিজেপির যে একেবারে কোমর ভেঙে পড়েছে বাংলায়, এমনটা মানতে নারাজ তিনি। আগামী দিনে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি। বললেন, সাধারণ নির্বাচনে আবার জিতব। এদিকে আজ দিলীপ ঘোষের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শমীক ভট্টাচার্যও। তৃণমূলকে উপনির্বাচনের চারটি আসনে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন শমীক। তবে একইসঙ্গে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের উপর যে হামলা হয়েছে, তা ভোলার নয়। হাইকোর্টের নির্দেশেই তা স্পষ্ট। প্রচুর বিজেপি কর্মী এখনও ঘরছাড়া। সন্ত্রাসের আবহে দলের মধ্যে একাংশের মত ছিল, আমরা নির্বাচনে যেন অংশ না নিই। যেখানে যেখানে উপনির্বাচন হয়েছে, সেখানেও দলের স্থানীয় নেতা ও কর্মীদের অনেকে এই মত দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও আমরা লড়াই করি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bandyopadhyay: 'আজ খুঁটি পুজো, ২৩-এ বিসর্জন', আগরতলায় হুঙ্কার অভিষেকের

নানা বিতর্কের পর হাইকোর্টের রায়ে অবশেষে ত্রিপুরায় সভা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবাসরীয় এই সভায় তৃণমূলে যোগ দিলেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য় তথা প্রাক্তনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরার মাচিতে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন সভায় অভিষেক বলেন, আজ খুঁটি পুজো করলাম। ২০২৩-এ বিসর্জন। এতো ভয় কিসের! তৃণমূলকে আটকাব, অভিষেককে ঢুকতে দেব না। যত কুৎসা করবেন তত তৃণমূলের শক্তি বাড়বে। দুমাসে ১০০ গাড়ি ভেঙেছে। আজ আমরা একটা কর্মসূচি নিয়েছি, ত্রিপুরার জন্য তৃণমূল। যে শিক্ষকদের চাকরি গিয়েছে তাঁদের চাকরি ফিরিয়ে দেব।তিন দিন আগে গোয়া সফরে গিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। ত্রিপুরায় সভা করলেন অভিষেক। এরপর ডিসেম্বরে আগরতলায় সভা করবেন মমতা। দিপাবলীর পর ফের ত্রিপুরায় আসবেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, ডিসেম্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন। আস্তাবলে মিটিং হবে। পুলিশই বলছিল, এদিনের সভায় ১০হাজার লোক আসবে। তলায় তলায় নিঃশব্দ বিপ্লব শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্য চালাচ্ছে বিপ্লব দেব। তাঁর একটা ক্লাব চালানোর যোগ্যতা নেই। একটা কাউন্সিলর হওয়ারও যোগ্যতা নেই। ত্রিপুরাকে বিজেপি মুক্ত ও মা-মাটি-মানুষের সরকার গড়ার কথা ঘোষণা করেন অভিষেক।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
রাজনীতি

Rajib Bandyopadhyay: 'আমি ভুল করেছি, আমি অনুতপ্ত,' তৃণমূলে যোগ দিয়ে বললেন বিজেপি নেতা

শেষমেশ ত্রিপুরায় তৃণমূলের জনসভায় ঘাসফুলে যোগ দিলেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য রাজীব বন্দ্য়োপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে মঞ্চেই তিনি স্বীকার করেন বিজেপিতে গিয়ে অনুতপ্ত। এদিনের মঞ্চেই তিনি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিতেও ভোলেননি রাজীব। মমতাকে দেবী হিসাবে ঘোষণা করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। বারে বারে মার্জনা প্রার্থনা করেন রাজীব।অভিষেককে পাশে বসিয়ে প্রাক্তন বিজেপি নেতা বলেন, আমি বারবার বলেছিলাম পেট্রল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম কমাতে হবে। বলেছিল হবে হবে। শিল্পের কথা বলেছিলাম। ডানলপ খুলুক আর ইন্ডাস্ট্রি হবে, একথা আপনারা ঘোষণা করুন। আমাকে ভুল বুঝিয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, ডবল ইঞ্জিন সরকার ত্রিপুরায় কোনও কাজ করছে না। আমি সমালোচনা করেছিলাম দুয়ারে সরকার, স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে ভেবেছিলাম ভোটের জন্য। আমি ভুল ছিলাম। এখনও সব প্রকল্প চলছে। এখানে লক্ষ্মীর ভান্ডার আছে? তৃণমূলের ভয়ে কাঁপছেন।তৃণমূলে ফিরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজনীতি করবেন তা ঘোষণা করেন ডোমজুরের প্রাক্তন বিধায়ক। রাজীব বলেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বলেছিলাম বাংলার উন্নয়ন চায় মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় ছাড়া আর কেউ নন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের মা, আজ দেবী রূপে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। আমি চিনতে ভুল করেছি। আমি ভুল করেছি। স্বীকার করছি। আমি অনুতপ্ত।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
রাজ্য

Khardah By Poll: খড়দহে দফায় দফায় উত্তেজনা, কাজল সিনহার ছেলেকে মারধর

খড়দহে ফের ভুয়ো ভোটারের অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় শনিবার। মুড়াগাছায় জাল ভোটার ধরতে গাড়ি থেকে নেমে ধাওয়া করেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, শশীভূষণ জুনিয়র বেসিক স্কুলে ভোট দিতে আসেন কয়েকজন জাল ভোটার। একজনকে ধরে ফেলেন বলে দাবি করেন বিজেপি প্রার্থী। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে ভয়ে পালাচ্ছিলেন বলে দাবি অভিযোগকারীর।এ দিন খড়দায় ফের ভুয়ো ভোটারের অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। আইডিয়াল অ্যাকাডেমির সামনে তীব্র উত্তেজনা। অন্যের ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে আসার অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনেই নিজেকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দেন ওই ব্যক্তি। এই সংবাগদ প্রকাশিত হওয়া মাত্রই ঘটনার রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশনের। অন্যদিকে, এদিন খড়দহে প্রয়াত বিধায়ক কাজল সিনহার ছেলে আর্যদীপ সিনহাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে খড়দহ বিটি রোড অবরোধ করে তৃণমূল। বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার গাড়ি ঘিরেও বিক্ষোভ দেখানো হয়।উল্লেখ্য, ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচন সম্পন্ন হল আজ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনহাটায় ভোট পড়েছে ৭০%। শান্তিপুরে ভোট পড়েছে ৭৬%। খড়দায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৬৪%। গোসাবায় ভোট পড়েছে ৭৬%।ভোট শুরু হওয়ার একঘণ্টার মধ্যেই বিলকান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের যুগবেড়িয়ায় তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পড়েন খড়দহর বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা। তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, প্রতীক লাগানো গাড়িতে চড়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন বিজেপি প্রার্থী। এই অভিযোগে যুগবেড়িয়া এলাকায় বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মীরা। বুথের বাইরে বেআইনি জমায়েত করে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূলই, পাল্টা অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজনীতি

TMC: বিজেপির সংখ্যা কমল আরও এক, তৃণমূলে ফিরলেন কৃষ্ণ কল্যাণী

বিজেপি-র ছেড়ে আরও এক বিধায়ক যোগ দিলেন তৃণমূলে। বুধবার দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হোটেলে রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীকে তৃণমূলে যোগদান করান তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যোগদানপর্বে ছিলেন তৃণমূলে হিন্দিভাষী সেলের সভাপতি তথা জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিবেক গুপ্ত।তৃণমূলে ফিরে কৃষ্ণ বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা কথা দেন, তা করে দেখান। ভোটের আগে উনি যা যা বলেছিলেন, ক্ষমতায় ফিরে সব করে দেখিয়েছেন। আমি তা দেখে অভিভূত। ধন্যবাদ জানাই মমতাদি এবং অভিষেকদাকে। আগের দল সম্পর্কে তাঁর ব্যাখ্যা, বিজেপি-তে ভাল কাজের মূল্যায়ন নেই। ছমাস আগে ভুল করেছিলাম। এ বার তা শুধরে নিচ্ছি। মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতেও বিজেপি-র সমালোচনা করেছেন তিনি।গত ১ অক্টোবর দলবিরোধী কাজের অভিযোগে কৃষ্ণকে শোকজ করেছিল বিজেপি। শোকজের সিদ্ধান্ত জানার পরেই দলত্যাগের কথা ঘোষণাও করেছিলেন কৃষ্ণ। এ বার সরাসরি নিজের পুরনো দলে ফিরে গেলেন তিনি। তাঁকে নিয়ে মোট পাঁচজন বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিলেন।উল্লেখ্য, বিধানসভা ভোটের আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন কৃষ্ণ। গিয়েই রায়গঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপি-র টিকিট পেয়ে জিতেও যান তিনি। কিন্তু বিধায়ক হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই রায়গঞ্জের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধী শুরু হয় তাঁর। প্রকাশ্যেই দলীয় সাংসদের বিরুদ্ধে তাঁকে হারানোর চক্রান্ত করার অভিযোগ আনেন রায়গঞ্জের বিধায়ক। বিরোধী এমন জায়গায় পৌঁছয় অঘোষিতভাবে দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন তিনি। আর বুধবার বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি হল কৃষ্ণর।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
দেশ

Goa-TMC: গোয়ায় তৃণমূলের হোর্ডিং-পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া সফরের আগেই উত্তপ্ত সেখানকার রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার হোর্ডিং-পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। যদিও সবটাই অস্বীকার করেছে সেখানকার শাসকদল।COWARDS. BJP defaces all communication featuring @MamataOfficial across Goa days before her visit.They miss the point.Contracts state that liability from such damage is the vendors,who are fellow Goans.Why hurt Goemkar enterprise? This State deserves better #GoenchiNaviSakal pic.twitter.com/YOfbUZaDJq Derek OBrien | ডেরেক ওব্রায়েন (@derekobrienmp) October 26, 2021উত্তরবঙ্গ সফর শেষে তৃণমূলের হয়ে প্রচারে গোয়ায় যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে মঙ্গলবার সেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের প্রচার হোর্ডি-পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। পোস্টারে থাকা মুখ্যমন্ত্রীর মুখে কালি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ডেরেক ওব্রায়েন ।ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন গোয়ারপ্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলাইরো। তিনি বলেন, এতদিন গোয়ায় সমস্ত রাজনৈতিক দলকে তাঁদের প্রচার করতে দেওয়া হত। মানুষের কাছে তাঁদের কথা তুলে ধরতে দেওয়া হত। কিন্তু তৃণমূলের আগমনে বিজেপি এতটাই সন্ত্রস্ত যে তাঁরা তৃণমূলের হোর্ডিং ভাঙছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek-Dinhata: দিনহাটায় দাঁড়িয়ে গোয়া জয়ের ডাক অভিষেকের

তিন মাসের মধ্যে গোয়ায় সরকার গঠন করবে তৃণমূল। দিনহাটায় উপনির্বাচনের প্রচার মঞ্চ থেকে এমনই হুংকার দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী দিনে তৃণমূলের সংগঠনকে সর্বভারতীয় স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার রূপেরখাও তুলে ধরেন অভিষেক। পাশাপাশি বিজেপি-কে নিশানা করে দেগেছেন একের পর এক তোপ। কোচবিহার থেকে বিজেপি-কে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন সোমবার দুপুরে শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাচক্রে, একই সময়ে দিনহাটায় ভোট প্রচার সারছিলেন অভিষেক। দিনহাটার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহের সমর্থনে জনসভা করেন তিনি। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও কয়েকটি রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া তৃণমূলের পাখির চোখ। সেই ইচ্ছার কথা জনসভায় জানান অভিষেক। বলেন, দিনহাটায় উদয়ন গুহ নন, প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের মানুষ এই ফলের দিকে তাকিয়ে আছেন। উপনির্বাচনের ফল ৪-০ হবে। তবে জয়ের ব্যবধান বাড়াতে হবে। কোচবিহার থেকে বিজেপি-কে উৎখাত করতে হবে।আমরা ত্রিপুরায় গিয়েছি। গোয়াতেও ঢুকেছি। আরও ৫-৭টা রাজ্যে যাব। এটা কী মাস? অক্টোবর। সামনে নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি। হাতে তিন মাস হাতে সময় আছে। গোয়ায় বিধানসভা আসন ৪০টি। দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। তিন মাসে গোয়ায় জোড়াফুল ফুটবে। ওখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। আপনারা লিখে নিন। এর পর ত্রিপুরা, মেঘালয়, অসম এবং উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যেও আমরা যাব। তার কারণ বাংলা পথ দেখিয়েছে। দেশকে পথ দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কথায়, দেশে বহু রাজনৈতিক দল আছে। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম, যদিও খাতায়-কলমে সর্বভারতীয় দল। মাঠে ময়দানে নেই, হাওয়া...জিরো। এনসিপি জাতীয় দল। তেমন তৃণমূলও সর্বভারতীয় দল। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য কী? যত রাজনৈতিক দল আছে সকলকে ইডি, সিবিআই দিয়ে একটু ধমকে চমকে ঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল বিশুদ্ধ লোহা। যত তাতাবে, যত পোড়াবে, যত প্রহার করবে, তত বিশুদ্ধ হবে। আমাকেও তো কত ধমকেছে, চমকেছে। দিল্লিতে ৯ ঘণ্টা জেরা করেছে। ভেবেছে কংগ্রেসের মতো বসে যাবে। কিন্তু আমরা বিশ্বাসঘাতকের দল নই।বিজেপি-কে ঝাঁঝালো আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, গোসাবা এবং খড়দহে উপনির্বাচন হচ্ছে তার কারণ তৃণমূলের সৈনিকরা ওই কেন্দ্রে জিতেছিলেন। কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। কিন্তু শান্তিপুর এবং দিনহাটায় উপনির্বাচন হচ্ছে কেউ সাংসদ থেকে মন্ত্রী হবেন বলে, নিজেদের রাজনৈতিক লালসা চরিতার্থ করবেন বলে মানুষের ভালবাসাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ওঁরা সাংসদ হবেন, মন্ত্রী হবেন। তা হলে দাঁড়ালেন কেন? ভেবেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। ক্ষমতায় এলে মন্ত্রী হবেন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Rally: গোসাবা ও খড়দহে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে লোকসভার রাস্তা মসৃণ করা শুরু অভিষেকের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশনেত্রী হিসেবে অভিহিত করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ৩০ অক্টোবর গোসাবা, খড়দহ, শান্তিপুর এবং দিনহাটায় উপনির্বাচন। তার মধ্যে গোসাবা ও খড়দহে জয়ী প্রার্থীর মৃত্যুতে এবং শান্তিপুর ও দিনহাটায় জয়ী প্রার্থীরা বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় উপনির্বাচন হচ্ছে। এই আবহে শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় দলীয় প্রার্থী সুব্রত মণ্ডলের সমর্থনে জনসভা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক।আরও পড়ুনঃ ভয় ধরিয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৬৬ জনেরঅভিষেক বলেন, গোটা ভারত আজ তাকিয়ে দেশনেত্রী মমতার দিকে। কারণ একমাত্র তিনি-ই পারেন বিজেপি-কে হারিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে। অভিষেক বলেন, যেখানে গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করছে বিজেপি, সেখানেই প্রতিবাদের ধ্বজা ধরে এগিয়ে যাচ্ছেন মমতা। গোটা ভারত আজ দেশনেত্রী মমতার দিকে তাকিয়ে। গোয়া ও ত্রিপুরায় সংগঠন কাজ শুরু করে দিয়েছে। তাঁর ঘোষণা, আগামী ৩ মাসের মধ্যে গোয়া এবং দেড় বছরের মধ্যে ত্রিপুরায় তৃণমূলের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার গঠন হবে। বিজেপি-র ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখাক। পাশাপাশি বিজেপি নেতৃত্বকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি অভিষেক। বিজেপি-র শীর্ষ নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম করে তাঁর কটাক্ষ, বিধানসভা ভোটের আগে এখানে এসে বলে গিয়েছিলেন, সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করে তার উন্নয়নে ২ লক্ষ কোটি টাকা দেব। আজ যখন আবারও একটা ভোটের সামনে দাঁড়িয়ে গোসাবা, কোথায় গেলেন বিজেপি-র নেতারা? দিল্লি, মধ্যপ্রদেশের নেতাদের কথা না হয় ছেড়ে দিলাম, করোনা বা আম্ফানের সময় বিজেপি-র স্থানীয় নেতাদেরও দেখেছেন কি? এটাই হল তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপি-র পার্থক্য। গত সাত বছর ধরে তৃণমূলই যে বিজেপি-কে হারিয়ে আসছে, সেই দাবি তুলে ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের মূল পার্থক্যও ফের একবার জানিয়ে দেন অভিষেক।পাশাপাশি এদিন খড়দহের সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, দরজা খুলে দিলে দলটাই (বিজেপি) উঠে যাবে। কিন্তু আমরা তা করছি না। আমি দলনেত্রীর পা ধরে অনুরোধ করেছি, কর্মীদের আবেগ সবার আগে। তাদের মনে দুঃখ দিয়ে কাউকে দলে ফেরাবেন না। হ্যাঁ কয়েকজনকে দলে ফিরিয়েছি, কিন্তু এমনি-এমনি নয়। অনেক প্রায়শ্চিত্ত করিয়েই তবে তাদের দলে এনেছি। তা বলে সবাইকে আনব না। আগের তৃণমূলের সঙ্গে এখনকার তৃণমূলের পার্থক্য আছে। সেটা বুঝতে পারছেন তো? পাশাপাশি, তৃণমূলের ভবিষ্যতের ব্লু প্রিন্টও তুলে ধরেন অভিষেক।আরও পড়ুনঃ ৩ দিনের ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে কাশ্মীরে অমিত শাহতৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কথায়, দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে আরও ৫ রাজ্যে সংগঠন গড়বে তৃণমূল। ১ বছরের মধ্যে ১২-১৫ রাজ্যে আমাদের ওয়ার্কিং কমিটি থাকবে। যেখানে যেখানে বিজেপি মানুষকে উপেক্ষা করেছে, মানুষকে যন্ত্রণা দিয়েছে, গণতন্ত্র কেড়ে নিয়েছে সেখানেই লড়বে তৃণমূল। অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, বিজেপিকে হারাতে পারে একমাত্র তৃণমূল। ত্রিপুরায় গিয়েছি, গোয়াতে গিয়েছি। উত্তরপ্রদেশেও যাব। এদিন নতুন স্লোগানও তোলেন তিনি। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বলছেন, গোটা দেশ বলছে, দেশ কি নেত্রী ক্যায়সি হো, মমতা দিদি য্যায়সি হো।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Rape: মঙ্গলকোটে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে হুমকি দেখিয়ে সহবাসের অভিযোগ বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে

হুমকি দিয়ে দিনের পরদিন সহবাস করে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে অন্তঃসত্ত্বা করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে। ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ কবে তরুণীর পরিবার বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত চুনী আনসারির বিরুদ্ধে মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনা জানার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারি ও তাঁর ভাই চুনী আনসারি। মামলা রুজু করে পুলিশ হন্যে হয়ে অভিযুক্তের সন্ধান চালাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, বাম আমলে মঙ্গলকোটে সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা ছিলেন ডাবলু আনসারী। ২০১১ সালে রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর তিনি এলাকা ছাড়া হয়ে যান। কয়েক বছর আগে ডাবলু আনসারী বিজেপিতে যোগদান করেন। মঙ্গলকোটের টালিপাড়ার তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারির ভাই চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন তাঁদের পরিবারের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবতী মেয়ের সঙ্গে সহবাস করে।তরুনী তাঁর দরিদ্র দাদার কাছে থাকে। দাদা মুটিয়ার কাজ করেন। আর পরিবারের অন্যান্যরা জনমজুরির কাজ করেন। সকাল হতেই পরিবারের সবাই কাজে বেড়িয়ে যান। দিনের বেলায় তরুণী বাড়িতে একাই থাকতো। অভিযোগ তারই সূযোগ নিয়ে চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ওই তরুণীর সঙ্গে সহবাস করতো। সম্প্রতি তরুনীর শারীরিক পরিবর্তন হতে শুরু করলে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। বৃহস্পতিবার বাড়ির সকলে মিলে তরুনীকে চেপে ধরলে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে। তরুণী চুনী আনসারির কুকীর্তির কথা পরিবারের লোকজনকে জানায়। তরুণীর মখ থেকে থেকে চুনীর কুকীর্তি জানার পর ওই দিনই পরিবারের লোকজন মঙ্গলকোট থানার দ্বারস্থ হন। এই ঘটনা সামনে আসার পর মঙ্গলকোট পঞ্চায়েতের উপপ্রধান চন্দন সরকার ও বিজেপির বর্ধমান পূ্র্ব (গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি রানাপ্রতাপ গোস্বামী উভয়েই চুনী আনসারির দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

কাটোয়ায় বিজেপির সাংগঠনিক সভায় দুই গোষ্ঠীর মারপিট-ভাঙচুর, দিলীপ ঘোষকে গো-ব্যাক শ্লোগান

রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ দলের সাংগঠনিক সভায় পৌছানোর আগেই বাঁধলো ধুন্ধুমার। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দাঁইহাটের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতি মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা কর্মীরা। একই সঙ্গে চলে পার্টি অফিসের আসবাবপত্র ও টেবিল চেয়ার ভাঙচুর।সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পার্টি অফিসে পৌছানোর পরেও দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতিতে বিরাম পড়েনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিচার্জ করে বিক্ষুব্ধদের পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। এর পাল্টা দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করে গো ব্যাক শ্লোগান দিয়ে বিক্ষুব্ধরা।বিজেপির এই গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কটাক্ষ করলেও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে এদিনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের ইন্ধন রয়েছে। কাটোয়ার বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল এই প্রথম প্রকাশ্যে আসলো এমনটা নয়। বিধানসভা ভোটের অনেক আগে থেকেই বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষের সঙ্গে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠীর বিবাদ চরমে ওঠে। এদিন দাঁইহাটের পার্টি অফিসে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মারপিটে জড়ানোর ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করে দিল ভোটে ভরাঢুবির পরেও কাটোয়ায় বিজেপির গোষ্ঠী বিবাদে বিরাম পড়েনি। এদিন দাঁইহাটের জেলা বিজেপি কার্যালয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে একটি সাংগঠনিক সভা ছিল। সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পৌছানোর আগে জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ সেই সভা পৌরহিত্য করা শুরু করতেই ক্ষোভ বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। কৃষ্ণ ঘোষের বিরোধী গোষ্ঠী সভাস্থলেই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। তাঁরা কৃষ্ণ ঘোষ ও দাঁইহাট নগর মণ্ডল সভাপতি অনুপ বসুকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দেন। বিক্ষুদ্ধরা অভিযোগ তোলেন, এই দুই নেতার জন্যই কাটোয়ায় বিজেপি হেরেছে। কৃষ্ণ ঘোষ টাকার বিনিময়ে তৃণমূল দলকে কাটোয়ায় জিতিয়েছে। তাঁরা দলের কর্মীদের কোন গুরুত্ব দেন না। কৃষ্ণ ঘোষ ও অনুপ বসুর পদত্যাগের দাবিও তোলেন বিক্ষুব্ধরা। এইসব অভিযোগ তোলা নিয়ে সভা শুরুর আগেই জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। শুরু হয়ে যায় টেবিল চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি। বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মারধোর করা শুরু করে দেয় দলের পদাধীকারীদের। এমন পরিস্থিতি চলার সময়েই দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদার দাঁইহাটের জেলা পার্টি অফিসে এসে পৌঁছান। তার পরেও বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা জেলা কার্যালয়ে ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে দেখে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিপেটা করিয়ে বিক্ষুব্ধদের বের করে দেওয়ার হুমকি দিলে পাল্টা তাঁকে গো- ব্যাক শ্লোগান শুনতে হয়। এই ঘটনা যথেষ্টই বিড়ম্বনায় ফেলে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বকে। এদিনের ঘটনা নিয়ে কৃষ্ণ ঘোষ সংবাদ মাধ্যমে কোন মন্তব্য করতে চাননি। তবে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এদিন যাঁরা ভাঙচুর, অশান্তির ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা বিজেপির কেউ হতে পারে না। এটা তৃণমূলের চক্রান্ত । যদি এদিনের ঘটনায় বিজেপির কেউ যুক্ত থাকেন তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাল্টা অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,বিধানসভা ভোটে ভরাঢুবির পর শৃঙ্খলাহীন বিজেপি দলে এখন অন্দরের কোন্দল চরমে উঠেছে। তারই বহিপ্রকাশ এদিন ঘটেছে দাঁইহাটে বিজেপির সভায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

BJP-Clash: পূর্ব বর্ধমানে প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ

ফের প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব।প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্য সভাপতির সভার আগেই তাঁদের সামনেই তুমুল উত্তেজনা ছড়াল বর্ধমান জেলার দাঁইহাট শহরে। দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের সামনেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দলের কর্মীরা। সভার শুরুর আগেই ভাঙচুর করা হয় চেয়ার টেবিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা। আরও পড়ুনঃ বর্ষা বিদায়ের আগাম সুখবর শোনাল হাওয়া অফিসএদিন বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ দলের একাংশ বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ ও দাঁইহাট নগর কমিটির সভাপতি অনুপ বসুকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। দুই নেতাকে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কৃষ্ণ ঘোষ ও অনুপ বসুর মতন নেতাদের জন্য একুশের নির্বাচনে ফল খারাপ হয়েছে বিজেপি। তাঁদের আরও অভিযোগ, ভোটের ফল ঘোষণার পর ওই নেতারা কর্মীদের কোনও খোঁজখবর রাখেনি। সেই ক্ষোভেই এদিন ওই দুই নেতার পদত্যাগের দাবি জানান দলের কর্মীদের একাংশ।জানা গিয়েছে, শুক্রবার পূ্র্ব বর্ধমানের দাঁইহাটের বাগতিকর এলাকায় বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা কার্যালয় অফিসে বিশেষ সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষের। আলোচনা সভার পর বিকেলে নবনির্বাচিত রাজ্য সভাপতিকে সম্বর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ সেখানে পৌঁছনোর আগেই তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজনীতি

Bangladesh-BJP: বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপি

বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকার ও তৃণমূলের ভূমিকা নিয়ে বুধবার অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এ দিন তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের ভূমিকায় আমরা মোটেই সন্তুষ্ট নই। দলের অবস্থানও একই বলেই জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিষয়ে বিবৃতি দেওয়া উচিৎ ছিল বলে মনে করেন তিনি।সুকান্ত মজুমদার বলেন, এত বড় ঘটনা ঘটে গিয়েছে অথচ সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফ থেকে বা মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে কোনও ধরনের বিবৃতি আমরা পাইনি। তাঁর দাবি, যে ধরনের বিবৃতি দেওয়া উচিৎ ছিল, তা দেওয়া হয়নি।আরও পড়ুনঃ অবশেষে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বাবুলগতকালই বাংলাদেশের দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চুপ করে আছেন কেন, সেই প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র জাগো বাংলায় মোদির নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। তৃণমূলের অভিযোগ, এ ক্ষেত্রে বিজেপি কুৎসিত রাজনীতি করছে।আজ সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কী কথা বলেছে না বলেছে আপনারা ভবিষ্যতে ঠিক জানতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের একটি আইন সিএএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলতে পারেন যে তিনি রাষ্ট্রসঙ্ঘে যাবেন, সে ক্ষেত্রে তার পার্শ্ববর্তী দেশ যেখানে নাকি বাঙালিরাই থাকে সেই জায়গায় এত বড় ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কিছু বলছেন না, এটা খুব চিন্তার বিষয় বলে আমার মনে হয়।

অক্টোবর ২০, ২০২১
রাজ্য

BJP Murder: উত্তর দিনাজপুরে বিজেপির জেলা সহ সভাপতিকে খুন

বিজেপির যুব মোর্চার উত্তর দিনাজপুর জেলা সহ সভাপতি মিঠুন ঘোষকে গুলি করে খুন করল একদল দুষ্কৃতী। ইটাহারের দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের রাজবাড়ি এলাকার বাড়ির সামনে তিন দুষ্কৃতী ওই যুব নেতাকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে বাড়ির সামনে লুটিয়ে পড়ে ছিল ওই নেতা। শেষপর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের লোকজনেরা উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।@MedinipurSp (Purba) seems to be in a hurry to pass on judgement before conducting a conclusive investigation. If his assertion is true, why doesnt he release the CCTV footage to the Media?By the way, the twitter handle is unverified, keeping the door open for denial in future. pic.twitter.com/Qdckvb7AHn Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) October 18, 2021রবিবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, ইটাহারে খুন হওয়া ওই ব্যক্তি উত্তর দিনাজপুর জেলা বিজেপির সহ- সভাপতি। কে বা কারা তাঁকে খুন করল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।Shri Mithun Ghosh, District Yuva Morcha Secretary was brutally shot dead by Trinamool goons.One after another opposition activist in West Bengal is being killed in a jihadist manner! Intellectuals are tight-lipped. Death of democracy in West Bengal! pic.twitter.com/FHrBi6UvWC BJP Bengal (@BJP4Bengal) October 18, 2021 ঘটনার নিন্দা করে টুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুরো ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গুন্ডার হাত রয়েছে বলে মত তাঁর। রাজ্য বিজেপির তরফেও নিজেদের টুইটার হ্যান্ডেলে ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।ফের একবার রাজ্যে দলীয় কর্মী হত্যার ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
বিদেশ

Sheikh Hasina: বাংলাদেশে দুর্গামন্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু, কড়া বার্তা শেখ হাসিনার

পরশি বাংলাদেশে দুর্গামন্ডপ ও হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কুমিল্লার ঘটনার ব্যাপক তদন্ত হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী নামাতে হয়েছে। স্থানীয় সংবাদপত্রের সূত্র অনুযায়ী, হিংসার ঘটনা ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, একাধিক ব্যক্তি জখম হয়েছেন।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। বাংলাদেশে সব ধর্মের লোক বসবাস করে। যে যার ধর্ম সে পালন করবে। অর্থাৎ ধর্ম যার যার উৎসব সবার। একসঙ্গে সবাই মিলে উৎসবে সামিল হয়ে আনন্দ উপভোগ করে এই দেশে। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু দুষ্টু চক্র কিছু ঘটনা ঘটিয়ে চেতনাটাকে নষ্ট করতে চায়। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কুমিল্লার ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। অনেক তথ্য আমরা পাচ্ছি। এই ধরনের ঘটনা যারা ঘটাবে তাদের খুঁজে বের করবই। এটা প্রযুক্তির যুগ। যে ব্যক্তিই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা অবশ্যই নেব। যখন একটা জিনিস সুন্দর ভাবে চলছে সেটাকে নষ্ট করা। দেশের উন্নয়নে বাধা দেওয়া ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। জনগনের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারে না তারাই এই কাজ করে। সকলকেই সচেতন থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কথাও স্মরণ করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বলেছিলেন বাংলার মাটিতে সাম্প্রদায়িকতার স্থান নেই। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যারাই এখানে বসবাস করেন সবাই এদেশের নাগরিক। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁরা সম অধিকার ভোগ করবেন। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্ম পালন সকলেই করতে পারবেন তা সংবিধানে অধিকার দিয়ে গিয়েছেন তিনি।সংখ্যায় কম হলেই সংখ্যালঘু বেশি হলেই সংখ্যাগুরু। সাধারণত একথা সব দেশেই প্রচলিত আছে। এই ধারনাও ঠিক নয় বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিজেদের কখনও ক্ষুদ্র সম্প্রদায় ভাববেন না। এখানে আপনাদের জন্ম। আপনি স্বাধীন নাগরিক। সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরু এসব কেউ ভাববেন না।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
বিদেশ

bangladesh temple attack: বাংলাদেশে দুর্গাপুজো মন্ডপ ও হিন্দু মন্দিরে হামলা, মৃত তিন, সরব বিজেপি-তৃণমূল

বাংলাদেশে দুর্গাপুজো মন্ডপ ও হিন্দু মন্দিরে আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, বেশ কিছু জায়গায় দুষ্কৃতীরা প্রতিমাও ভেঙে দিয়েছে। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনার নিন্দা করে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। এদিকে বাংলাদেশের সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ২২টি জেলায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সংবাদ সূত্রে খবর।কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মন্দিরে হামলার চেষ্টার সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছে। বুধবার রাতের এই সংঘর্ষে আহত হয়েছে ১৫ পুলিশসহ অন্তত ২৫ জন। চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ তিনজন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার জানান, হাজীগঞ্জ বাজার ও এর আশপাশের এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ জানান, হাজীগঞ্জে দুই প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হচ্ছে।সংবাদপত্র সূত্রে খবর, বিভিন্ন ধর্মীয় ভাবাবেগকে রটিয়ে হিংসা ছড়ানো হচ্ছে। বুধবার রাতে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে হাজীগঞ্জ পশ্চিম বাজার থেকে শ্রীশ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ জিউর আখড়ার গেটে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য প্রথমে লাঠিপেটা করে। উত্তেজিত জনতা তখন পুলিশের ওপর হামলা করে। পুলিশ ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। হামলাকারীরা হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাশে ইসকন মন্দিরের গেটেও ইটপাটকেল ছোড়ে। সেখানে গিয়েও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাড়তি পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে। তারপর পরিস্থিতি শান্ত হয়। পুলিশও ঘটনায় জখম হয়েছে।কালের কণ্ঠ জানাচ্ছে, কুমিল্লায় একই ভাবে অভিযোগ ছড়ানার পর তিনটে পুজো মন্ডপে ভাঙচুর হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষ ঘটে। পুলিশ রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায়। এই ঘটনায় কুমিল্লায় ৩০ জন আহত হয়েছে। আহতদের কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে জকিগঞ্জেও। কালের কণ্ঠের খবরে প্রকাশ, উত্তেজিত জনতা উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও জকিগঞ্জ থানার ওসির গাড়ী ভাঙচুর করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আহমদ, একাধিক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০-৩৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রামের বাঁশখালি এবং কক্সবাজারের পেকুয়াতে হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুরের খবর পাওয়া গিয়েছে।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের টুইট, বাংলাদেশে দুর্গাপুজোর উপর আঘাত ও অশান্তির গুরুতর অভিযোগ আসছে। এটা উদ্বেগের। অভিযোগের তদন্ত হোক। ঘটনাক্রম সত্যি হলে বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থা নিক। ভারত সরকার অবিলম্বে কথা বলুন। আমরা ভারতে যেমন সংখ্যালঘু সুরক্ষার পক্ষে, তেমনই বাংলাদেশেও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার সুনিশ্চিত চাই। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা নিয়ে পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছে বিজেপি।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
রাজনীতি

Sabyasachi Dutta: বিধনসভায় পরিষদীয়মন্ত্রীর ঘরে সব্যসাচীর তৃণমূলে যোগ, রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে

বিধানসভায় দলবদল। বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরলেন প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত। দলবদল হল একেবারে বিধানসভা চত্বরে। বৃহস্পতিবার পরিষদীয়মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের উপস্থিতিতে মুকুলপন্থী বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন। এই দলবদল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, এটা একটি বিরল এবং ব্যতিক্রমী ঘটনা। দেশের অন্য কোনও বিধানসভা কখনও এমন দৃশ্য দেখেনি বা প্রত্যক্ষ করেনি। বিধানসভাকে নিজের দলীয় অফিস হিসেবে ব্যবহার করছে।বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরে আসার যেন মিছিল পড়ে গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল আসন নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য় ক্ষমতায় আসার পর থেকে তৃণমূলে ফেরার হিরিক লেগেছে। একাধিক বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে এসেছেন। হেরে যাওয়া বিজেপি প্রার্থীদেরও দলে নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপি গিয়েছিলেন সব্যসাচী দত্ত। বিধানসভার ফল বেরনোর পর সর্বপ্রথম কৃষ্ণনগরের বিধায়ক মুকুল রায় তৃণমূলে ফেরেন। তখনও অনেকটাই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল মুকুলপন্থীরা ঘাসফুল শিবিরে ফিরবেন। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই আভাস দিয়েছিলেন। এদিন তা একেবারে স্পষ্ট হল।তবে সব্যসাচীর দলে ফেরা নিয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরেই ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সাংবাদমাধ্যমে বলেছেন, নির্বাচনে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গলমন্দ করলেন, তাঁরাই এখন দলে ফিরছেন। এতে কর্মীদের মনোবল ভেঙে যায়।এর আগে কখনও রাজ্য বিধানসভা সত্বরে দলবদল হয়েছে, এমন নজির নেই। বিরোধী নেতৃত্ব নবান্নে গিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানে ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু বিধানসভা চত্বরে এই প্রথম দলবদলের ঘটনা ঘটেছে। এবার ঘটেছে একেবারে পরিষদীয়মন্ত্রীর ঘরে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেরও বক্তব্য, বিধানসভা চত্বরে এই দলবদলের ঘটনা ঐতিহাসিক নজির হয়ে থাকবে। আবার এমন দিনে তৃণমূলে যোগ দিলেন সব্যসাচী দত্ত যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় রাজ্যপালের কাছে বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Mamata banerjee: ভবানীপুরে বিপুল ভোটে জয় মমতার, লক্ষ্য এবার দিল্লি

প্রত্যাশামতো বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫৮,৮৩২ ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত করেছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওযালকে। এই জয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি বলেন, কোনও ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে হারায়নি। এর আগে একটা দুটি ওয়ার্ডে হেরেছি। এই কেন্দ্রে ৪৬ শতাংশ অবাঙালি ভোটার। সবাই শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিয়েছেন। আজ আমার মন ভরে গিযেছে। ভবানীপুরের মানুষ দেখিয়ে দিল। সারা বাংলা আজ ভবানীপুরে দিকে তাকিয়ে ছিল। এর আগে বাংলা আঘাত পেয়েছিল। নন্দীগ্রামে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আদালতে মামলা চলছে। আদালতে বিচারাধীন বলে হারের কারণ বলছি না। আমার মনে পড়ে আছে জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে। ওই দুটিতেও আমরা জিতছি। মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ দেন তিনি।তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম আগেই বলেছিলেন ৫০ হাজারের ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। জয় পেলেন তার থেকেও বেশি ভোটে। তৃণমূল নেতা মদন মিত্রর বক্তব্য, এবার আমরা অবাঙালি এলাকায় বিপুল ভোট পেয়েছি। রাজনৈতিক মহলের মতে, অবাঙালি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের লীড এই নির্বাচনে বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। এবার নিজের জয়ের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন মমতা।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Banerjee: প্রায় ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেতে চলেছেন মমতা

ভবানীপুর, সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর তিন কেন্দ্রেই জয়ের পথে তৃণমূল কংগ্রেস। তার মধ্যে ভবানীপুর ও জঙ্গিপুরে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। ভবানীপুরে ইতিমধ্যে ১২ রাউন্ড গণনার পর প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে গিয়েছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের থেকে। এই কেন্দ্রে নামমাত্র ভোট পেয়ে জামানত খোয়াতে চলেছেন সিপিএম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস। সাতসকালেই রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘোষণা করেছিলেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটগণনার গতি দেখে মনে করা হচ্ছে মমতার জয়ের ব্যবধান ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ইতিমধ্যে কালিঘাটে ভিড় জমিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। আবির খেলাও শুরু হয়ে গিয়েছে। উচ্ছ্বাসে আত্মহারা তৃণমূলের সমর্থকরা। অন্যদিকে জঙ্গিপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর থেকে প্রায় ২৬ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন। সামশেরগঞ্জ কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী জইদুল ইসলামের থেকে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম ৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।এই কেন্দ্রে বিজেপি ও বামপ্রার্থী কংগ্রেস প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট থেকেও পিছিয়ে আছেন। এদিকে ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজয় উৎসব করতে নিষেধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এবিষয়ে কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

By Election: ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সামশেরগজ্ঞ ও জঙ্গিপুরেও এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস

হাইভোল্টেজ ভবানীপুরে টানটান উত্তেজনায় সকাল থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়ে গিয়েছে। ভবানীপুরের উপনির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের গণনায় এগিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভবানীপুরে ২১ রাউন্ড গণনা হবে। প্রথমে শুরু হওয়া পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে মমতা। অন্য়দিকে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ ও জলঙ্গি কেন্দ্রেও গণনা শুরু হয়ে গিয়েছে। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে গণনা কেন্দ্রগুলিতে। এর আগে নন্দীগ্রামের ভোট গণনা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল। শেষমেশ বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী ওই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাইকোর্টে মামলা করেছেন নন্দীগ্রামের ভোটের ফল নিয়ে। সেই মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এদিকে তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছে, ভবানীপুর কেন্দ্রে ৫০ থেকে ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধান জয়ী হবেন মমতা{ জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে সামশেরগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম ও জঙ্গিপুরে জাকির হোসেন ১৩০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: এই বন্যার জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী নিজে, বিস্ফোরক শুভেন্দু

এই বন্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। বিগত বছরগুলোতে প্রাক বর্ষার যেসব কাজ হয়ে থাকে, এবার তা কিছুই করা হয়নি। আর তার কারণ, ভবানীপুরের উপনির্বাচন। আর এই নির্বাচনের কারণেই বাংলার মানুষকে বানভাসি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে। এমনই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর ম্যান মেড তত্ত্ব খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু জানান, শুধুমাত্র ডিভিসির জল ছাড়ার জন্য বন্যা হয়নি। বানভাসি এলাকার দুর্বল বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ফান্ডের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে বাঁধ মেরামতি আর করেননি। অতিবর্ষণের ফলে সেই দুর্বল বাঁধগুলো অনায়াসে ভেঙে গিয়েছে। আজ নিজের চেয়ার বাঁচাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডুবিয়েছেন।১৫ দিন ধরে পটাশপুর, সবংয়ের লোক জলের তলায়। এই সরকারের আর কিছু নেই। এই সরকার শুধু ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেন না। এই অপরাধের জন্য ঈশ্বর তাঁকে কখনও ক্ষমা করবেন না।

অক্টোবর ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে বেকার ভাতা! ইস্তাহারে চমকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের ইস্তাহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিজ্ঞা নামে এই ইস্তাহারে দশটি অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক প্রকল্পে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ইস্তাহারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে আবারও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মহিলারা সারা জীবন এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আগে ঘোষণা করা ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টিও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।যুবকদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এতে বহু বেকার যুবক-যুবতী উপকৃত হবেন বলে দাবি করা হয়েছে।কৃষিক্ষেত্রেও বড় প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কৃষির উন্নতির জন্য ত্রিশ হাজার কোটি টাকার বাজেটের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যে নতুন বিনিয়োগ এবং পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।স্বাস্থ্য পরিষেবায় দুয়ারে চিকিৎসা নামে নতুন প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি বছর প্রতিটি ব্লক ও শহরে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছয়।প্রবীণদের জন্যও বিশেষ উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। অনেক সময় পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকেন, ফলে বয়স্ক মানুষদের দেখাশোনার সমস্যা হয়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে। নতুন সাতটি জেলা গঠন এবং পৌরসভার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি আবাস প্রকল্পে কাঁচা বাড়িকে পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।পানীয় জলের ক্ষেত্রেও বড় লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু বাড়িতে জল পৌঁছেছে বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী দিনে প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগও তুলেছেন।সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে এই ইস্তাহার ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। প্রতিশ্রুতিগুলি কতটা বাস্তবায়িত হবে, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

খড়গপুরে ফিরেই আগুন দিলীপ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বিস্ফোরক মন্তব্য

দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর অবশেষে বিজেপির মধ্যে নিজের জায়গা আরও মজবুত করলেন দিলীপ ঘোষ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর পছন্দের খড়গপুর কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী করা হয়েছে তাঁকে। নাম ঘোষণার পর থেকেই আবার আগের মতোই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেল তাঁকে।শুক্রবার খড়গপুরে চা চক্রে অংশ নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন দিলীপ। তৃণমূলের ইশতেহার নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এখন আর কেউ এই ইশতেহার পড়ে না বা গুরুত্ব দেয় না। তাঁর দাবি, ভোটের আগে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না।ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ার ও গ্রাম পুলিশদের বোনাস ঘোষণার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। দিলীপের বক্তব্য, একদিকে রাজ্য সরকার বলছে টাকা নেই, অন্যদিকে আবার নানা খাতে খরচ বাড়ানো হচ্ছে। তিনি সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভাতা নয়, যদি বেতন বাড়াতে চান, তাহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভোট দিতে হবে।রাজ্যে বিজেপির জয়ের ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তাঁর দাবি, একের পর এক রাজ্যে জয়ের ধারা বজায় রেখে এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য বাংলায় বিজেপির সরকার প্রয়োজন।এছাড়াও, নির্বাচন কমিশনকে লেখা মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি নিয়েও কড়া প্রতিক্রিয়া দেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন রাজ্যে শাসন করার পর এখন মুখ্যমন্ত্রীর বিশ্রাম নেওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশন তার কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে বাকি দায়িত্ব বিজেপি সামলাবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।ভোটের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা যে আরও বাড়বে, তা বলাই যায়।

মার্চ ২০, ২০২৬
বিদেশ

ইরান ভেঙে পড়ছে! আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় কার্যত শেষ পরমাণু শক্তি, দাবি নেতানিয়াহুর

ইরানকে ঘিরে চলা যুদ্ধে নতুন করে বড় দাবি করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকাকে এই যুদ্ধে টেনে আনার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুয়ো। তাঁর কথায়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিজে সিদ্ধান্ত নেন, তাঁকে কেউ প্রভাবিত করতে পারে না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে এই যুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রয়েছে এবং তারা খুব দ্রুত নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করছে। তাঁর দাবি, টানা কুড়ি দিনের হামলার ফলে ইরান এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে না, এমনকি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সামর্থ্যও অনেকটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।নেতানিয়াহুর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের মিসাইল ও ড্রোন শক্তি কার্যত ধ্বংসের মুখে। এখন মূলত সেই সব কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যেখান থেকে এই অস্ত্র তৈরি হত। তবে তাঁর এই দাবির পক্ষে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি।তিনি আরও দাবি করেন, ইরান এখন আগের থেকে অনেক দুর্বল, আর ইজরায়েল এই অঞ্চলের শক্তিশালী দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। প্রয়োজন হলে এই অভিযান আরও দীর্ঘ সময় চলবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে, নেতানিয়াহুর সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীনই ইরান ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইজরায়েলের সেনাবাহিনীও জানায়, নতুন করে হামলা হয়েছে তাদের দিকে।ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্রে হামলার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ওই হামলা ইজরায়েল নিজের সিদ্ধান্তেই চালিয়েছিল। তবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ভবিষ্যতে এমন হামলা না করার অনুরোধ করেছেন, তাই আপাতত সেই সিদ্ধান্ত মেনে চলছে ইজরায়েল।নেতানিয়াহু আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে বিশ্বকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে ইরান। কিন্তু সেই কৌশল সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ যে আরও জটিল আকার নিতে পারে, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

আচমকা বদলাবে আবহাওয়া! ঘণ্টায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়, সতর্ক করল আবহাওয়া দফতর

তীব্র গরমের মধ্যেই দেশজুড়ে হঠাৎ করে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিনে দেশের একাধিক রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২১টি রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কিছু জায়গায় এই বেগ ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সঙ্গে থাকবে বজ্রপাত এবং বিদ্যুৎ চমক। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়েই দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড গরম পড়েছে। তাপমাত্রা বাড়ায় মানুষ বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে বৃষ্টির খবর কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমলেও ঝড়-বৃষ্টির জন্য নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে।১৯ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে আবহাওয়ার এই বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে জানানো হয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অংশে আকাশ মেঘে ঢেকে যাবে এবং হঠাৎ করেই ঝড়-বৃষ্টি নামতে পারে।বর্তমানে উত্তর প্রদেশের পশ্চিম অংশ এবং পূর্ব অংশের উপর দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এই দুই আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের বহু এলাকায় আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। প্রবল বাতাস, বজ্রপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।পশ্চিমবঙ্গেও এই প্রভাব পড়বে বলে জানানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর এবং মালদহ জেলায় শনিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকতে পারে। শুক্রবার থেকে এই পরিস্থিতি আরও জোরালো হতে পারে।আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি ফসলের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও এই আবহাওয়ার পরিবর্তন নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মাঝেই অ্যাপ ক্যাবে ২৫ লক্ষ! নিউটাউনে পুলিশের হানা, গ্রেফতার এক

রাজ্যে ভোটের আবহের মধ্যেই কলকাতায় বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার নিউটাউনের সিটি সেন্টারের কাছে একটি অ্যাপ ক্যাব থেকে ২৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তিনি গুজরাতের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে তথ্য পেয়ে সকাল থেকেই নিউটাউনের ওই এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছিল বিধাননগর গোয়েন্দা পুলিশ এবং ইকোপার্ক থানার পুলিশ। সন্দেহজনক একটি অ্যাপ ক্যাবকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময় গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম সুরেশ ঠাকুর। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি গুজরাতের বাসিন্দা। তাঁর দাবি, কলকাতার বড়বাজার এলাকা থেকে এই টাকা নিয়ে নিউটাউনে যাচ্ছিলেন। তবে এত বড় অঙ্কের টাকার সঠিক নথি তিনি দেখাতে পারেননি বলে জানা গেছে। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।উল্লেখযোগ্য, এর আগেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নাকাতল্লাশির সময় নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। কয়েকদিন আগে আলিপুরদুয়ারে একটি গাড়ি থেকে প্রায় ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেই ক্ষেত্রেও টাকার উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।গত ১৫ মার্চ রাজ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ৫০ হাজার টাকার বেশি নগদ বা ১০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের জিনিস নিয়ে যাতায়াত করলে তার সঠিক নথি দেখাতে হয়। এই নিয়ম ভাঙলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।এই ঘটনার পর ভোটের আগে নগদ টাকার লেনদেন এবং তার উৎস নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা! নির্বাচন কমিশনের টানা বৈঠক, নজরে আইন-শৃঙ্খলা

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে প্রস্তুতি জোরদার করতে শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করছে নির্বাচন কমিশন। দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ভার্চুয়াল মাধ্যমে জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এই বৈঠকে ভোটের প্রস্তুতি, সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে।জানা গেছে, এই বৈঠকের পর শনিবার আবার সব পর্যবেক্ষকদের নিয়ে আলাদা বৈঠক করা হবে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য মোট ২৯৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং ৮৪ জন পুলিশ ও ব্যয় পর্যবেক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করবেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।এদিকে নতুন দফতরের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে নির্বাচন কমিশনের। শিপিং কর্পোরেশন ভবনে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নতুন অফিস আগামী সোমবার থেকে পুরোপুরি চালু হবে। কিন্তু সেই অফিসের নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে কিছু উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে।এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই নতুন দফতরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বলয়েও রাখা হবে এই অফিসকে। কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।ভোটের আগে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এই ধারাবাহিক বৈঠক ও পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

অটো নেই, বাসও উধাও! গ্যাসের দাম বাড়তেই শহরে যাতায়াতে চরম সঙ্কট

কলকাতায় গ্যাসের দামের বড় বৃদ্ধি এবং ভোটের প্রস্তুতির জেরে পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই বহু অটো রাস্তায় নামছে না। তার উপর ভোটের কাজে বাস তুলে নেওয়া শুরু হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কলকাতায় অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। প্রতি লিটার গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা। এক ধাক্কায় প্রায় ৮ টাকা বেড়েছে দাম। এর আগেও মার্চের শুরুতে দাম বেড়েছিল। তখন লিটার প্রতি দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বেড়ে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা হয়েছিল। বারবার দাম বাড়ায় অটো চালকদের অনেকেই রাস্তায় নামতে চাইছেন না। ফলে ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০ শতাংশ অটো বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। যেগুলি চলছে, সেগুলিও অনিয়মিত এবং অনেক ক্ষেত্রে ভাড়াও বেড়েছে।এর মধ্যে আবার ভোটের জন্য ধীরে ধীরে বাস কমতে শুরু করবে। নির্বাচন কমিশনের কাজে বহু বাস তুলে নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১৬০০ বেসরকারি বাস নেওয়া হয়েছে বলে বাসমালিকদের দাবি। এই বাসগুলি নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হবে। সামনে আরও বাস নেওয়া হতে পারে। কলকাতা ও আশপাশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে বাস তোলার প্রস্তুতি চলছে।বাসমালিকদের মতে, শহরে প্রায় আড়াই হাজার বেসরকারি বাস চলে। তার মধ্যে প্রায় দুই হাজার বাস রাস্তায় কমে যেতে পারে। ফলে যাত্রীদের সমস্যার শেষ থাকবে না। সরকারি বাসের সংখ্যাও এমনিতেই কম, ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।অন্যদিকে শুধু বাস নয়, স্কুলবাস, অ্যাপ ক্যাব, পুলকারসব ধরনের গাড়িই নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা হবে। এতে রাস্তায় সাধারণ মানুষের জন্য গাড়ির সংখ্যা আরও কমে যাবে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে অটো কিছুটা ভরসা দেয়, কিন্তু এবার গ্যাসের সঙ্কটের কারণে সেই সুযোগও কমে গেছে। গ্যাস ভরার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে চালকদের, ফলে রাস্তায় অটো কম দেখা যাচ্ছে।পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী মাসের শুরু থেকেই এই সমস্যা আরও বাড়বে। ভোটের কারণে একসঙ্গে অনেক গাড়ি তুলে নেওয়া হলে শহরের রাস্তায় বের হওয়া মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক! নতুন ইস্তেহারে কী দিচ্ছে তৃণমূল, জানলে অবাক হবেন

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুব সাথীর মতো একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হাতে সরাসরি টাকা পৌঁছে দিয়েছে রাজ্য সরকার। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বেশ কিছু ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। এবার নজর তৃণমূলের নতুন ইস্তেহারের দিকে। সূত্রের খবর, ইস্তেহার প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তা প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যেই সেটি সামনে আসতে পারে।জানা যাচ্ছে, এবারের ইস্তেহারে সামাজিক সুরক্ষার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন পরিকল্পনার কথা থাকতে পারে। নতুন কোনও প্রকল্প ঘোষণা করা হবে কি না, তা নিয়েও কৌতূহল বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।এবারের ভোটে তৃণমূল আবারও বাংলা অস্মিতাকে বড় ইস্যু করতে চাইছে। অতীতে মুখ্যমন্ত্রী বারবার বাঙালিদের সম্মান এবং অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন। ভিনরাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদও করেছেন। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বাংলা-বিরোধী মনোভাবের অভিযোগ এনে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র করেছেন তিনি। সেই ধারাই বজায় রাখতে চায় শাসক দল।২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূলের স্লোগান ছিল বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। এবার নতুন স্লোগান সামনে এসেছেযে লড়ছে সবার ডাকে, সেই বাঁচাবে বাংলা মা কে। এই স্লোগানকে সামনে রেখে ভোটের ময়দানে নামতে প্রস্তুত তৃণমূল। এখন দেখার, সাধারণ মানুষের জন্য কী কী প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসে এই ইস্তেহার।

মার্চ ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal