• ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp,

দেশ

কংগ্রেসে বড় ভাঙন! ১৫ মিনিট কথা বলেও আটকাতে পারলেন না রাহুল, ২২ ফেব্রুয়ারি বিজেপিতে ভূপেন?

অনেক চেষ্টা করেও তাঁকে ধরে রাখা গেল না। কংগ্রেস নেতৃত্বের একাধিক বৈঠক, শীর্ষ নেতাদের অনুরোধ, এমনকি ফোনে প্রায় ১৫ মিনিট কথা বলেন রাহুল গান্ধী। তবু শেষরক্ষা হল না। অসম কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি ভূপেন বোরা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর কথায়, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাবেন ভূপেন।ভূপেন বোরা অসম কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন। তবে ভোটের এক বছর আগে তাঁকে সরিয়ে প্রদেশ সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় গৌরব গগৈ-কে। এই সিদ্ধান্তে তিনি অপমানিত বোধ করেন বলে দলীয় সূত্রের খবর। অভিযোগ, পরে তাঁর অনুগামীদেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এর জেরেই তিনি সোমবার পদত্যাগ করেন।পদত্যাগের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। গৌরব গগৈ এবং দলের পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্র সিং তাঁর বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়। ফোন করেন রাহুল গান্ধীও। একই সময়ে বিরোধী শিবিরের নেতা অখিল গগৈ-ও প্রকাশ্যে জানান, কোনওভাবেই ভূপেনকে বিজেপিতে যেতে দেওয়া হবে না।এই টানাপোড়েনের মধ্যেই হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, ভূপেন বিজেপিতে যোগ দিলে তাঁকে স্বাগত জানানো হবে। তাঁর দাবি, ভূপেন কংগ্রেসের শেষ জনপ্রিয় হিন্দু নেতা এবং বিজেপিতে এলে তিনি যোগ্য সম্মান পাবেন। একদিকে কংগ্রেসের অনুরোধ, অন্যদিকে বিজেপির খোলা আমন্ত্রণএই পরিস্থিতিতে দোটানায় পড়েন ভূপেন। পরে শোনা যায়, তিনি নাকি ইস্তফাপত্র প্রত্যাহার করতে পারেন।তবে মঙ্গলবার হিমন্তের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা আরও বাড়ে। বৈঠকের পরই অসমের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন ভূপেন বোরা। তিনি আরও বলেন, বিজেপিতে অনেক নেতা আছেন যারা পারিবারিক প্রভাব নয়, নিজের যোগ্যতায় জায়গা করে নিয়েছেন। দলের সভাপতি নীতীন নবীনও নাকি ভূপেনের যোগদানে সায় দিয়েছেন বলে দাবি করেন হিমন্ত।যদিও ভূপেন বোরার তরফে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে হিমন্তের দাবি সত্যি হলে ভোটের আগে অসম কংগ্রেস বড় ধাক্কা খেতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের রাজনীতিতে এই পালাবদল নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
দেশ

সংসদে দেশবিরোধী মন্তব্য? রাহুলের পদ বাতিল চেয়ে বড় পদক্ষেপ বিজেপির

অপরাধমূলক মানহানির মামলায় আগে একবার রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ বাতিল হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে তিনি সেই পদ ফিরে পান। এবার ফের তাঁর সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে জানিয়েছেন, তিনি লোকসভায় রাহুলের বিরুদ্ধে একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছেন।নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ, রাহুল গান্ধী সংসদে দাঁড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে দেশবিরোধী ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন। তাঁর বক্তব্যে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও দাবি বিজেপি সাংসদের। দুবে বলেন, আমি লোকসভায় রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রস্তাব জমা দিয়েছি। জর্জ সোরসের মতো দেশবিরোধী শক্তির মদতে এই সদন থেকে গোটা দেশকে বিভ্রান্ত করেছেন তিনি। সবটাই দেশের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশে। আমার দাবি, রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করা হোক এবং তাঁকে আজীবন নির্বাচনে লড়তে না দেওয়া হোক। তাঁর দাবি, এই প্রস্তাব নিয়ে লোকসভায় আলোচনা হওয়া উচিত।বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। প্রথমে প্রাক্তন সেনাপ্রধানের অপ্রকাশিত আত্মজীবনী নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। পরে ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন। লোকসভায় দাঁড়িয়ে রাহুল বলেন, আপনারা ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন, আপনাদের লজ্জা হয় না? আপনারা ভারত মাতাকে বিক্রি করেছেন। আপনারা আমেরিকার কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করেছেন। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছেন।রাহুল আরও দাবি করেন, যদি ইন্ডিয়া জোট সরকার আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা করত, তাহলে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলত ভারতকে সমান মর্যাদা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রাক্তন সেনাপ্রধান নারাভানের বইয়ের প্রসঙ্গ তুলেও তিনি সরকারকে আক্রমণ করে চলেছেন।রাহুলের এই বক্তব্যের পর থেকেই বিজেপির একাংশ ক্ষুব্ধ। তাদের অভিযোগ, সংসদে দাঁড়িয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য করছেন বিরোধী দলনেতা। কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ মোশন আনার কথাও বলেন। তবে নিশিকান্ত দুবে সরাসরি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন।এখন দেখার, লোকসভায় এই প্রস্তাব নিয়ে আদৌ আলোচনা হয় কি না এবং এই বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
রাজনীতি

নির্বাচনী প্রস্তুতির বার্তা নিয়ে কলকাতায় অমিত শাহ, হোটেল বৈঠক থেকে কর্মী সম্মেলনের ব্যস্ত সফর

শুক্রবার রাতে কলকাতায় এসে পৌঁছোলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অমিত শাহ। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি নিউ টাউনের একটি হোটেলে যান। প্রকাশ্যে কোনও কর্মসূচি না থাকলেও, রাতেই দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন তিনি। বিজেপি সূত্রে খবর, এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনের প্রস্তুতি ও কৌশল নির্ধারণ।হোটেলেই অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির একাধিক প্রথম সারির রাজ্য নেতা এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা। যদিও বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ মন্তব্য করেননি, দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, কর্মীসংগঠন এবং নির্বাচনী রণকৌশল নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। পরে আরও কয়েক জন শীর্ষ নেতার সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনাও ছিল বলে খবর।শনিবার তাঁর কর্মসূচি পুরোপুরি কর্মী সম্মেলন ঘিরে। সকাল ১১টা ১০ নাগাদ তিনি যাবেন উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে। আনন্দপুরী মাঠে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বনগাঁ, বসিরহাট, বারাসত ও ব্যারাকপুর এই চারটি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কর্মীরা। এরপর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে তিনি রওনা দেবেন বাগডোগরার উদ্দেশে।বিকেলে শিলিগুড়ির এয়ারফোর্স ময়দানে দ্বিতীয় কর্মী সম্মেলনে যোগ দেবেন অমিত শাহ। সেখানে শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই পাঁচটি সাংগঠনিক জেলার কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। কর্মী সম্মেলন শেষে বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ বাগডোগরা থেকেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সফর স্পষ্টভাবেই রাজ্যে বিজেপির নির্বাচনী প্রস্তুতির গতি বাড়ানোর বার্তা বহন করছে, যেখানে সংগঠন মজবুত করা ও কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করাই মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূল নেত্রী পদ্মশিবিরের পথে? তৃণমূলের জনপ্রিয় ছাত্র নেত্রীর রাজনৈতিক অবস্থান ঘিরে জোর জল্পনা

এক সময় যাঁর কণ্ঠে তৃণমূলের স্লোগান মুখরিত হয়েছে ব্রিগেডের মঞ্চ, যাঁকে দেখা গিয়েছে রাজ্য শাসক দলের ভিআইপি প্রচারক হিসেবে, সেই ডাকসাইটে তৃণমূল ছাত্র নেত্রী রাজন্যা হালদারকে ঘিরে এখন রাজনীতির ময়দানে তুমুল জল্পনা। প্রশ্ন উঠছেতবে কি তৃণমূল থেকে সরে বিজেপির দিকে পা বাড়াচ্ছেন তিনি?সম্প্রতি রাজন্যার সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত দুটি পোস্ট এই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, একসময় তিনি তমলুকে প্রচার করলেও মানুষ জ্ঞান, শিক্ষা ও ন্যায়ের পক্ষে ভোট দিয়েছেন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন। সেই সূত্রেই তাঁর সাক্ষাৎ হয় তমলুকের বিজেপি সাংসদ, প্রাক্তন বিচারক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়এর সঙ্গে। সেখানে রাজন্যা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তাঁদের লড়াই কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ নয়, বরং যুবসমাজের ভবিষ্যৎ, কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব সমস্যার বিরুদ্ধে সংগ্রাম।এই বক্তব্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি বড় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। একসময় ২১শে জুলাই ব্রিগেডের মঞ্চে রাজন্যার কণ্ঠে শোনা গিয়েছিলजुल्मी जब जब जुल्म करेगा सत्ता के गलियारों से, चप्पा चप्पा गूंज उठेगा ममता दी के नारों से!এই স্লোগান ছাত্র-যুব সমাজে সাড়া ফেলেছিল। গত লোকসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি ছিলেন তৃণমূলের ভিআইপি প্রচারক। একাধিক কর্মসূচিতে তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়এর খুব কাছাকাছি।কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দৃশ্যপট বদলাতে শুরু করে। আর জি কর চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের পর থেকে রাজন্যার অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বক্তব্যে রাজ্য সরকার ও তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তাঁর কড়া সমালোচনা নজরে আসে রাজনৈতিক মহলের। এই অবস্থান বদলের মাঝেই সরস্বতী পুজোর আগের দিন তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়এর বাড়িতে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক মহলে দুইয়ে দুইয়ে চারজল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি রাজন্যা হালদারের বিজেপিতে যোগদান শুধুই সময়ের অপেক্ষা? তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের একসময়কার পরিচিত মুখের এমন অবস্থান পরিবর্তন রাজ্য রাজনীতিতে বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।যদিও এখনও পর্যন্ত রাজন্যা হালদার প্রকাশ্যে দলত্যাগের কোনো ঘোষণা করেননি, তবে তাঁর সামাজিক মাধ্যমের বক্তব্য, রাজনৈতিক অবস্থান এবং বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এই জল্পনাকে আরও জোরালো করছে। রাজ্য রাজনীতিতে ছাত্র-যুব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত রাজন্যার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

সময় বাড়ানোর দাবিতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

সোমবার ফর্ম ৭ জমা দেওয়াকে ঘিরে রাজ্যের নানা জায়গায় উত্তেজনা ছড়ায়। দিনভর একাধিক এলাকায় সংঘর্ষ, ধস্তাধস্তি এবং ফর্ম ছিঁড়ে ফেলা বা পুড়িয়ে দেওয়ার ছবি সামনে আসে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী সোমবার, ১৯ জানুয়ারিই ছিল ফর্ম ৭ জমা দেওয়ার শেষ দিন। আগে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হলেও পরে সেই সময়সীমা বাড়ানো হয়। এবার সেই সময় আরও বাড়ানোর দাবি তুলল বিজেপি।সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব এই দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়। বিজেপির অভিযোগ, ফর্ম ৭ জমা দিতে গেলেই তৃণমূলের লোকজন কোনওভাবে খবর পেয়ে যাচ্ছে। এরপর বিজেপির কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে, হেনস্থা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আরও অন্তত সাত দিন সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে বিজেপি। এই মর্মে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠিও দিয়েছে তারা।খসড়া ভোটার তালিকায় যদি কোনও মৃত ভোটার বা অন্যত্র চলে যাওয়া ব্যক্তির নাম থাকে, তা বাদ দেওয়ার জন্য ফর্ম ৭ জমা দিতে হয়। সেই ফর্ম ৭ নিয়েই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির কর্মীরা ফর্ম ৭ জমা দিতে গেলে বাধার মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, বিজেপি এই ফর্মের মাধ্যমে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। সেই কারণেই তারা প্রতিবাদ করছে বলে তৃণমূলের বক্তব্য।সোমবার রাজ্যের একাধিক জায়গায় ফর্ম ৭ ছিঁড়ে ফেলা বা আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। কিছুদিন আগেই এক সভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কেউ বাড়াবাড়ি করলে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেটাও শোনানো হবে। সোমবারের ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, সেই বক্তব্যের প্রভাবেই কি মাঠে নেমেছেন তৃণমূলের কর্মীরা।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

ফাইল চুরির অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা, নবান্নের সামনে ধর্নায় বসতে চলেছে বিজেপি

I-PAC কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশির সময় নথি চুরির অভিযোগ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির অভিযোগ, তল্লাশির সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে নবান্নের সামনে ধর্নায় বসতে চায় বিজেপি। তবে প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি না মেলায় বিষয়টি গড়ায় আদালতে।এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। আদালত বিজেপিকে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। ফলে নবান্ন অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বাংলায় এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কয়লা পাচার মামলায় ইডি আধিকারিকরা I-PAC কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। সেই সময় আচমকাই ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির অভিযোগ, তল্লাশির মাঝেই মুখ্যমন্ত্রী নথি নিয়ে বেরিয়ে যান এবং এতে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে বাধা দেওয়া হয়।এই ঘটনার প্রতিবাদে নবান্নের বাইরে ধর্নায় বসার ঘোষণা করে বিজেপি। কিন্তু অনুমতি না পাওয়ায় তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়।এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য কটাক্ষ করে বলেন, যারা কোনও দিন নবান্নের ভিতরে বসতে পারবে না, তারা বাইরে বসতে চাইছে। তাঁর বক্তব্য, শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম ধর্নার ডাক দিয়েছিলেন। দেবাংশুর দাবি, বিজেপি নিজেদের সমীক্ষাতেই বুঝে গিয়েছে তারা এবার ৫০-৬০ আসনের বেশি পাবে না, তাই বাইরে বসে রাজনৈতিক উপস্থিতি জানানোর চেষ্টা করছে।এই I-PAC সংক্রান্ত মামলার রেশ গিয়ে পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্টেও। ইডি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশের কমিশনারের বিরুদ্ধে মোট ১৭টি ধারায় মামলা দায়েরের আবেদন জানিয়েছে। ইডির অভিযোগ, বাজেয়াপ্ত করা বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ ইডি অফিসারদের হাত থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিযোগের সপক্ষে পিটিশনে ছবিও জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।ইডির আরও দাবি, পঞ্চনামা রেকর্ড করতে মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ আধিকারিকরা বাধা দিয়েছেন এবং ইডি আধিকারিকদের ভয় দেখানো হয়েছে। সেই কারণে তল্লাশির সমস্ত প্রক্রিয়া ঠিকভাবে সম্পন্ন করা যায়নি। কেন্দ্রীয় সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, কোনও অনুমতি ছাড়াই মুখ্যমন্ত্রী প্রতীক জৈনের বাড়িতে ঢুকে নিজে হাতে তথ্যপ্রমাণ নিয়ে যান।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজনীতি

চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে ফাঁড়িতে ধর্না বিরোধী দলনেতার

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ঘিরে শনিবার রাত থেকে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরাই এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। ঘটনার প্রতিবাদে চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে মেঝেতে বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়া থেকে একটি জনসভা সেরে ফিরছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। পথে গড়বেতা থানার অন্তর্গত চন্দ্রকোনা রোড বাজার এলাকায় তাঁর কনভয় পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাত প্রায় সাড়ে ৮টা নাগাদ চৌরাস্তার কাছে কনভয়ের পথ আটকানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, লাঠি ও বাঁশ নিয়ে একদল তৃণমূল কর্মী শুভেন্দুর গাড়ির উপর চড়াও হন এবং আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে দুপক্ষের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান শুরু হয়। প্রকাশ্য রাস্তায় দীর্ঘ সময় ধরে উত্তেজনা চললেও পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ বিজেপির। পরিস্থিতি সামাল না পেয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে পড়েন এবং সেখানেই অবস্থানে বসেন।ফাঁড়িতে বসেই তিনি পুলিশ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে উঠবেন না। এসপি-সহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকদের বিষয়টি জানাতে বলেন তিনি। ফাঁড়ির মেঝেতেই বসে আইনজীবী ডেকে অভিযোগপত্র লেখানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও অভিযোগপত্র গ্রহণ ও এফআইআর নথিভুক্ত করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা বেঁধে যায়।প্রায় দুঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফাঁড়িতে অবস্থান করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি স্পষ্ট জানান, এফআইআর নম্বর হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এবং কোন কোন ধারায় মামলা রুজু হচ্ছে তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি থানা ছাড়বেন না। খুনের চেষ্টার অভিযোগ-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজুর দাবিও তোলেন তিনি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, খড়্গপুর ও ডেবরায় তাঁকে একাধিকবার আটকানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু সফল হয়নি। চন্দ্রকোনায় এসে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে রাজ্যে নির্বাচিত বিধায়করাও নিরাপদ নন।ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থল ও ফাঁড়িতে পৌঁছয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।এই ঘটনার জেরে চন্দ্রকোনায় রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে, ফলে এলাকায় নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

খালের বাঁধ, রাস্তা, শ্মশান—সবই বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ! ময়নায় রাজনৈতিক ঝড়

সরকারি সেচ দফতরের জমি বেআইনি ভাবে বিক্রি করা হচ্ছেএই অভিযোগ তুলে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভায় তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ তুলেছেন ময়নার বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তমলুক ব্লকের শ্রীরামপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তেলিপোতা বাজার এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।বিধায়কের দাবি, শ্রীরামপুর গ্রামের তেলিপোতা বাজার এলাকায় হাঁসুয়াখালি খালের বাঁধ সংলগ্ন রাস্তার পাশে দীর্ঘ অংশ জুড়ে বেআইনি ভাবে বেড়া দিয়ে জায়গা দখল করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই জায়গা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হচ্ছে। এই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জ্যোৎস্না ভৌমিক ব্লক প্রশাসন ও পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, খালের বাঁধের ধারে যে রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষ যাতায়াত করতেন, সেই সরকারি জায়গা বেআইনি ভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এমনকি খালের পাশে থাকা শ্মশানের জমিও বিক্রির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ। এই খবর পেয়ে ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দা নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকা পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন।পরিদর্শনের পর অশোক দিন্দা অভিযোগ করেন, খালের পাড়ের জমি সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য ছিল। অথচ তৃণমূল নেতারা মোটা টাকার বিনিময়ে সেই জমি বিক্রি করছেন। তাঁর দাবি, সরকারি জমির গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে বিডিও এবং ভূমি সংস্কার দফতরের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি চিত্তরঞ্জন। তাঁর বক্তব্য, তেলিপোতা বাজারের কাছে ৭৬০ দাগের জমিটি সম্পূর্ণ রায়ত জমি এবং তিনি সহ পাঁচজন সেই জমি বৈধ ভাবে কিনেছেন। সেখানে কোনও রাস্তা নেই বলেও দাবি করেন তিনি। চিত্তরঞ্জনের আরও বক্তব্য, খালের উল্টো দিকে ৭৬২ দাগে শ্মশানের জমি রয়েছে এবং যাতায়াতের জন্য আলাদা রাস্তা আছে। নিজেদের রায়ত জমি ঘিরে দেওয়াই হয়েছে, টাকার বিনিময়ে জমি বিক্রির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা কী হয়, তা নিয়ে এখন তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয় মানুষ ও রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

৪৬ মৃত্যুর দায় কার? নির্বাচন কমিশনকে দুষে বিজেপির পাল্টা আক্রমণ

এসআইআর-এর শুনানি শুরুর ঠিক আগেই ফের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হল তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, এসআইআর পর্বে রাজ্যে যে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, তার দায় সম্পূর্ণভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের উপর বর্তায়। তৃণমূলের দাবি, এসআইআর নিয়ে তৈরি হওয়া আতঙ্কই এই মৃত্যুগুলির কারণ।তৃণমূল যখন নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় তুলছে, তখন পাল্টা আক্রমণে নামল বিজেপি। বিজেপি নেতা তাপস রায় তৃণমূলের অভিযোগকে যুক্তিহীন বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কোনও পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অনেক সময় পড়ুয়ারা আত্মহত্যা করে। তাই বলে কি পরীক্ষা নেওয়া বা ফল প্রকাশ বন্ধ করে দেওয়া উচিত? তাঁর বক্তব্য, কোনও মৃত্যু যদি আকস্মিক বা অন্য কোনও কারণে হয়, তা অবশ্যই দুঃখজনক। কিন্তু তার দায় কোনও প্রক্রিয়ার উপর চাপানো যায় না।তাপস রায় আরও বলেন, পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না হলে অনেক ছাত্রছাত্রী চরম সিদ্ধান্ত নেয়। তাই বলে কি পরীক্ষা নেওয়াই বন্ধ করে দেওয়া হবে? তাঁর দাবি, একই যুক্তি এসআইআর-এর ক্ষেত্রেও খাটে।উল্লেখ্য, এসআইআর পর্বে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একের পর এক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। সেই সব ক্ষেত্রে মৃতদের পরিবার এবং শাসকদলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত নোটিস ও আতঙ্কের জেরেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু বা আত্মঘাতী হয়েছেন তাঁরা।শনিবার থেকেই শুরু হচ্ছে এসআইআর-এর শুনানি। তার ঠিক আগের দিনই মুর্শিদাবাদ থেকে আসে আরও এক মৃত্যুর খবর। পরিবারের দাবি, বাবার পদবির সঙ্গে ছেলের পদবি না মেলায় এসআইআর-এর নোটিস এসেছিল। সেই বিষয়টি নিয়ে মানসিক চাপে পড়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। একই রকমভাবে বীরভূমের সাঁইথিয়াতেও এক ভোটারের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।এই সমস্ত মৃত্যুর জন্য বরাবরই নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুনানি পর্ব শুরু হওয়ার আগে ফের সেই ইস্যুকেই সামনে আনল শাসকদল। তার প্রেক্ষিতেই বিজেপির তরফে এই পাল্টা যুক্তি তুলে ধরলেন তাপস রায়।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
রাজ্য

নরেন্দ্র মোদীর পর এবার রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, ৩০ ডিসেম্বর বৈঠক করবেন নেতৃত্বের সঙ্গে

একদিন আগেই রাজ্যে এসেছিলেন বিজেপির পোস্টারবয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবার রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামী ৩০ডিসেম্বর বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন। ওই বৈঠকে আগামী ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের কৌশল রচনা করবেন। তারপর সাংবাদিক বৈঠক করবেন অমিত শাহ। যদিও তাঁর এই বঙ্গসফরকে পাত্তা দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের বক্তব্য, বাংলায় নরেন্দ্র মোদী হোক বা অমিত ষশাহ হোক, এঁরা কেউ এখানে বিজেপির জয় এনে দিতে পারবেন না। আগেও নির্বাচনের আগে বারে বারে এসেছেন এবারও আসবেন। তবে ব্যর্থ হবেন বলেই দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

লাইভ মঞ্চে লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে হেনস্থার অভিযোগ, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত, ওসির ভূমিকা নিয়েও তদন্ত

লাইভ পারফরম্যান্স চলাকালীন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে হেনস্থার অভিযোগে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক মহল। পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরে একটি বেসরকারি স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করতে গিয়ে এই ঘটনার মুখে পড়েন তিনি। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যার নাম তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সন্ধ্যায় ভগবানপুরের একটি বেসরকারি স্কুল প্রাঙ্গণে। অভিযোগ অনুযায়ী, লগ্নজিতা চক্রবর্তী যখন জাগো মা গানটি পরিবেশন করছিলেন, তখন অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা ও ওই স্কুলের মালিক মেহবুব মল্লিক আচমকাই মঞ্চে উঠে আসেন। শিল্পীর অভিযোগ, তিনি গালিগালাজ করেন এবং চিৎকার করে বলেন, অনেক হয়েছে জাগো মা, এবার কিছু সেকুলার গান গাও। পাশাপাশি মারধরের হুমকি ও শারীরিকভাবে আক্রমণের চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ।পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অনুষ্ঠান কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে লগ্নজিতা চক্রবর্তী ভগবানপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, প্রথমে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর মামলা রুজু হয় এবং অভিযুক্ত মেহবুব মল্লিককে গ্রেপ্তার করা হয়।পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ভগবানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং আরও এক পুলিশকর্মীর ভূমিকা নিয়েও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের গাফিলতির প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও তীব্র হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য। বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা অভিযোগ করেন, একজন শিল্পী কি গান গাইবেন, সেটাও শাসক দলের লোক ঠিক করে দিচ্ছে। এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। তিনি আরও দাবি করেন, পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেছিল। যদিও এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।লাইভ মঞ্চে একজন শিল্পীর গান বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে ওঠা এই প্রশ্ন এখন আর শুধু ব্যক্তিগত অভিযোগে সীমাবদ্ধ নয়। সাংস্কৃতিক পরিসরে মতপ্রকাশের অধিকার, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব সব মিলিয়ে এই ঘটনা রাজ্যজুড়ে বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
কলকাতা

রোহিঙ্গা ভোটার নিয়ে বিজেপির দাবি ভুয়ো? কমিশনের নাম করে পাল্টা অভিষেক

অনুপ্রবেশকারী ভোটার ইস্যুতে ফের বিজেপিকে কড়া আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, বিজেপির তোলা অভিযোগ নির্বাচন কমিশন নিজেই খারিজ করে দিয়েছে। বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, ভোটার তালিকার সামারি রিভিশন বা এসএসআর প্রক্রিয়ায় সাধারণত দেড় থেকে দুই শতাংশ মৃত ভোটারের নাম বাদ যায়, এটা নতুন কিছু নয়।অভিষেকের বক্তব্য, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ক্লেম অ্যান্ড অবজেকশন পর্ব শেষ হওয়ার পরে, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। তখনই স্পষ্ট হবে কার নাম থাকছে আর কার নাম বাদ যাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি যে এক কোটি বা দেড় কোটি রোহিঙ্গা ভোটারের গল্প ছড়াচ্ছে, তা নির্বাচন কমিশনই নাকচ করে দিয়েছে।তিনি আরও বলেন, যদি সত্যিই কোথাও অনুপ্রবেশকারী বা রোহিঙ্গা ভোটার থাকে, বিজেপি সেই তালিকা প্রকাশ করুক। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব যাঁর হাতে, সেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাঁর অধীনে থাকা বিএসএফ ও সিআরপিএফ তখন কী করছিল? সীমান্তে নজরদারি যদি ঠিকমতো হয়, তা হলে এত অনুপ্রবেশ ঘটছে কীভাবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।অনুপ্রবেশ ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই সরব। বিজেপির দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে দেশছাড়া করা হবে। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত এলাকায় এমন ছবি সামনে এসেছে, যেখানে একাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে বাক্স-প্যাটরা নিয়ে সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। তাঁরা বিএসএফ-এর অনুমতির অপেক্ষায় ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।এই আবহেই এসআইআর-এর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়েছে। সেই তালিকা থেকে প্রায় ৫৪ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
কলকাতা

২৫ কোটি কে দিল? যুবভারতী বিতর্কে মমতা সরকারকে নিশানা বিজেপির

যুবভারতী কাণ্ডে মুখ পুড়েছে কলকাতার। এই ঘটনা নিয়ে শুধু রাজ্য নয়, দেশ-বিদেশেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। হাইকোর্টের এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত চলছে। আলাদা করে সিট গঠন করেছে কলকাতা পুলিশ। ইতিমধ্যেই শোকজ করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে। ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে অরূপ বিশ্বাসকে। এর পাশাপাশি যুবভারতীতে ভাঙচুরের ঘটনায় গত ৪৮ ঘণ্টায় একের পর এক গ্রেপ্তারির খবর সামনে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে সুর চড়ালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশের ভূমিকা ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান শমীক। তাঁর বক্তব্য, যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁরা সকলেই টিকিট কেটে খেলা দেখতে গিয়েছিলেন। অনেকেই চাকরিজীবী, কেউ সরকারি কর্মী, কেউ বা বহুজাতিক সংস্থায় কাজ করেন। শিক্ষিত যুবকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।শমীকের প্রশ্ন, যুবভারতীতে যে প্রাতিষ্ঠানিক লুঠ হয়েছে, তার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁরা কোথায়। মেসিকে আনার জন্য প্রথম ২৫ কোটি টাকা অগ্রিম কে দিয়েছিল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, গোটা তৃণমূল দল এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। শুধু ক্রীড়ামন্ত্রীকে সরিয়ে নাটক করা হচ্ছে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য পুলিশের ডিজিকে কে পরিচালনা করেন, শেষ পর্যন্ত দায় সরকারেরই।এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীও জানান, ধৃতদের আইনি সহায়তায় বিজেপি সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তাঁর বক্তব্য, বিষয়টি দলের তরফে নজরে রাখা হচ্ছে। বিজেপির আইনজীবীরা কলকাতা হাইকোর্টে মামলায় স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করবেন। পাশাপাশি ধৃতদের মুক্তির দাবিও জানানো হবে বলে জানান তিনি।যুবভারতী কাণ্ড ঘিরে এ বার রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
দেশ

বিধায়ক থেকে একেবারে সর্বভারতীয় নেতৃত্ব: বিজেপির তরুণ মুখ হিসেবে নীতিন নাবীন বড় দায়িত্বে

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রবিবার পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৃহৎ সিদ্ধান্তে নীতিন নাবীনকে দলের সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি (National Working President) হিসেবে নিয়োগ করেছে। এই নিয়োগ আজই জরুরি ভিত্তিতে কার্যকরী হয়েছে। নীতিন নাবীন বর্তমানে বিহার সরকারের কেবিনেট মন্ত্রী এবং পাটনার বাঁকিপুর থেকে নির্বাচিত চারবারের বিধায়ক। তিনি বিহার বিজেপির সাংগঠনিক কাজ ও সরকারি দায়িত্বে দীর্ঘদিন কার্যকর ভূমিকা পালন করেছেন।এই পদে নিযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে নীতিন ভবিষ্যতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। দল জানিয়েছে, নীতিন নাবীনের নিযুক্তি সংগঠনে নবীন শক্তি ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রস্তুতির প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নীতিন নাবীনের এই নিযুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে তাঁকে পরিশ্রমী ও প্রতিশ্রুতিশীল নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে দলের সংগঠন আরো শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।भाजपा के नवनियुक्त राष्ट्रीय कार्यकारी अध्यक्ष श्री नितिन नबीन के 15 दिसंबर, 2025 को नई दिल्ली में कार्यक्रम।लाइव देखें:📺https://t.co/OaPd6HRrq3📺https://t.co/vpP0MIos7C📺https://t.co/lcXkSnOnsV📺https://t.co/4XQ2GzrhRl pic.twitter.com/lZEgmFF6jf BJP (@BJP4India) December 14, 2025অন্যদিকে বিভিন্ন রাজ্য নেতৃত্বও নীতিন নাবীনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও সাংগঠনিক প্রভাব দলের এগিয়ে চলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেছেন। এই পরিবর্তনকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের নবায়ন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নতুন গতিশীলতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে ২০২৫২৬ সালে আসন্ন রাজ্য ও লোকসভা পরিস্থিতি এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপলক্ষে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

৪৫ বছরের বাম দুর্গ ভাঙল বিজেপি! কেরলের রাজধানীতে ইতিহাস গড়ল এনডিএ

কেরলের রাজধানী তিরুবনন্তপুরমে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন। পুরসভা নির্বাচনে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে। এর ফলে টানা ৪৫ বছর ধরে চলা বামফ্রন্টের দখল ভেঙে গেল রাজধানীর কর্পোরেশনে। এই ফলাফলকে কেরলের রাজনীতিতে ঐতিহাসিক বলেই মনে করা হচ্ছে।১০১টি ওয়ার্ডের মধ্যে এনডিএ জিতেছে ৫০টিতে। শাসক বামফ্রন্ট এলডিএফ নেমে এসেছে মাত্র ২৯টি আসনে। কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ পেয়েছে ১৯টি ওয়ার্ড। দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন নির্দল প্রার্থীরা। এক ওয়ার্ডে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট বাতিল হয়েছে।এই ফলের ফলে তিরুবনন্তপুরম কর্পোরেশনে সরকার গঠনের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল এনডিএ। শহরের রাজনৈতিক সমীকরণে যে বড় পরিবর্তন এসেছে, তা স্পষ্ট বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।ফলাফলটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ তিরুবনন্তপুরম জেলা কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা ও সাংসদ শশী থারুরের নিজের এলাকা। তাঁর ঘাঁটিতেই বিজেপির এই সাফল্য কেরলের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে বলে মত পর্যবেক্ষকদের।এখানেই শেষ নয়। কেরলের স্থানীয় নির্বাচন শেষে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পেয়েছে এনডিএ। ত্রিপুনিথুরা পুরসভাতেও ক্ষমতা হারিয়েছে এলডিএফ, সেখানে দখল নিয়েছে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন জোট।ফল প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শশী থারুর বলেন, কেরলের গণতন্ত্রের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য দিন। তিনি ইউডিএফ-এর সামগ্রিক ফলের প্রশংসা করেন এবং একই সঙ্গে তিরুবনন্তপুরম কর্পোরেশনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের কথা স্বীকার করেন। থারুর বলেন, মানুষের রায়কে সম্মান জানানোই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, সে রায় বিরোধীদের পক্ষেও গেলে। তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিনের শাসনের বিরুদ্ধে মানুষের পরিবর্তনের ইচ্ছাই এই ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে। শশী থারুরের কথায়, এলডিএফের ৪৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে তিনি পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন, কিন্তু ভোটাররা অন্য একটি দলকে সেই পরিবর্তনের দায়িত্ব দিয়েছেন। সেটাই গণতন্ত্রের শক্তি।শেষে তিনি বলেন, কংগ্রেস কেরলের মানুষের জন্য কাজ চালিয়ে যাবে এবং ভাল শাসনের পক্ষে তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
কলকাতা

কাজ না হলেও প্রচার চাই! জেলাশাসকদের ‘বিশেষ নির্দেশ’—বোমা ফাটালেন শুভেন্দু, ভোটের মুখে দলে ঢল বিজেপিতে

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, জেলায় জেলায় উন্নয়নমূলক কাজ না হলেও সরকারের তরফে জেলাশাসকদের প্রচার বাড়ানোর বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যজুড়ে ৯১১৪টি প্রকল্পে সাত হাজার কোটি টাকার টেন্ডার করা হচ্ছে, অথচ সেই টাকার মাত্র দশ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সরকার জানে বাকি টাকা দেওয়া সম্ভব নয়, তাই জেলাশাসকদের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের মাধ্যমে প্রচার বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুভেন্দুর অভিযোগ, কাজ না হলেও এলাকায় দৃশ্যমান প্রচার চালিয়ে যেতে হবে বলে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের শিলান্যাসের পরে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরেও মিটিং করতে বলা হয়েছে। সেখানে অন্তত ৫০০ জনকে উপস্থিত রাখতে হবে এবং তার অর্ধেকই হতে হবে মহিলাএমন নির্দেশ এসেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।এদিন শুভেন্দু আরও বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বহু মানুষ বিজেপিতে যোগ দিতে আগ্রহী। বিজেপির লক্ষ্য৩৯ শতাংশ ভোটকে বাড়িয়ে ৫১ শতাংশে নিয়ে যাওয়া। এই দিনই তিনজন বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী অধ্যাপক অজয় কুমার দাস, যিনি আগে আইএসএফের প্রার্থী ছিলেন। যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক সঞ্জীব হাঁসদা, যিনি আদিবাসী সমাজ নিয়ে কাজ করেন। আরও যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন পুলিশ অফিসার বঙ্কিম বিশ্বাস, যিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে পদত্যাগ করেছেন।ভোটের আগে সরকারের নির্দেশ, প্রশাসনের ভূমিকা এবং দলে যোগদানসব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানের জেলাশাসককে বেনজির হুঁশিয়ারি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর

মেমারির এক জনসভা থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরসারি আক্রমণ শানালেন বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েষা রানীর বিরুদ্ধে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, বর্ধমানের জেলাশাসক এখানে আছেন বেআইনি ভাবে। ইলেকশন কমিশনের গাইড লাইন অনুযায়ী ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার হওয়ার যোগ্য়তা তাঁর নেই। বর্ধমানের জেলাশাসক তৃণমূলের বিধায়ক, নেতাদের ডেকে ডেকে বলছেন বিজেপি ভালো ভোটার লিস্ট করছেন আপনারা করছেন না কেন? এটা আয়েষা রানীর কাজ? তবে এখানেই থামেননি শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে বর্ধমানের দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের বিরুদ্ধেও মারাত্মক অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, কয়েকদিন আগে তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ৫টাকার খাওয়ার উদ্ধোধন করতে গিয়েছিলেন জেলাশাসক। আমি জেলাশাসকের কাছ থেকে জানতে চাই খোকন দাসের সোর্স কি। এই ৫টাকার খাবার দিচ্ছে ব্যক্তিগত ভাবে, তার সোর্স কি? বালির টাকা না তোলার টাকা? সোর্স না জেনে ডিএম চলে যেতে পারেন? ইনকাম ট্যাক্স দফতর জানতে চাইলে দেখাতে পারবেন তো? ডিএম এখানে অবৈধ কাজের সঙ্গ যুক্ত। তিনি বলেন, আমি জেলাশাসকের কাছে জানতে চাই সোর্স না জেনে তিনি কি যেতে পারেন? ডিএম কবে অবৈধ কাজের জন্য় যুক্ত হলেন? এদিন পূর্ব বর্ধমান ছাড়া হুগলি ও পূর্ব মেদিনীপুরের ডিএমদের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এই জেলাশাসকরা কিছু বিএলও কে ডেকেছেন ওটিপি দেওয়ার জন্য়। এটা হ্যান্ডওভার করার জিনিস নয়। ওটিপির নম্বর আই প্যাকের কাছে দিয়ে দিচ্ছে। বিএলওরা আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। বিএলওর নাম দিয়ে আজ ইলেকশন কমিশিনের কাছে জেলাশাসকের নামে অভিযোগ করেছি। মাননীয়া আয়েষা রানী এসব কাজ করবেন না। আপনাকে আগে থেকে চিনি। এসব করলে বিপেদে পড়বেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
দেশ

বিহার ভোটে কেন হারল আরজেডি? নীতীশের এক ঘোষণাতেই খেলা ঘুরল

বিহারের ভোটে মোদী ম্যাজিকের চেয়ে বড় হয়ে দেখা দিল এনডিএ-র সম্মিলিত ম্যাজিক। গণনা শুরু হওয়ার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে গেলবিহারে ফের এনডিএ-র সরকার। নীতীশ কুমারের অভিজ্ঞ হাত, সঙ্গে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের উন্নয়ন ও প্রতিশ্রুতির জুটিএই দুই ফ্যাক্টরই ভোটারদের মন জিতে নিয়েছে। উন্নয়নের স্রোতে গা ভাসিয়ে বিহার এবার নতুন অধ্যায়ে ঢুকতে চলেছে। কিন্তু কীভাবে এত বিপুল সমর্থন পেল এনডিএ? কোন কোন প্রতিশ্রুতি আসলে ভোটের ছবি পুরো বদলে দিল?সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলেছে নীতীশ কুমারের মহিলাদের জন্য ঘোষণা করা আর্থিক প্যাকেজ। রাজ্যের প্রায় ১.৩ কোটি মহিলার অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১০ হাজার টাকা ঢুকে যাওয়ায় মহিলাদের ভোটে রেকর্ড ভিড় দেখা গেছে। এই নির্বাচনে ৭১ শতাংশেরও বেশি মহিলা ভোট দিয়েছেনযা বিহারের ইতিহাসে নজিরবিহীন। তেজস্বী যাদব যদিও ২৫০০ টাকার স্কিম ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু নীতীশের দশ হাজার টাকার প্রতিশ্রুতি এবং বাস্তবায়নেই বাজিমাৎ।আলাদা করে প্রভাব ফেলেছে ফ্রি বিদ্যুতের ঘোষণা। ১২৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিনামূল্যে পাওয়ার সিদ্ধান্ত বিহারের গ্রামের, বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে বিশাল স্বস্তি এনে দিয়েছে। বহু পরিবার যেখানে প্রতিদিন অর্ধ অন্ধকারে দিন কাটাত, সেখানে এই সুবিধাই ভোটের অন্যতম বড় চালক।আরও বড় গেম চেঞ্জারপেনশন। বিহারের প্রায় ১.২ কোটি প্রবীণ নাগরিকের পেনশন ৪০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১০০ টাকা করার সিদ্ধান্ত এনডিএ-কে প্রবল বাড়তি সুবিধা দিয়েছে। বহু প্রবীণ ভোটার জানিয়ে দিয়েছেন, এই এক প্রতিশ্রুতি তাঁদের জীবনে বড় বদল আনে। নীতীশকেও এই স্কিম জনদরদী নেতার ভাবমূর্তিতে আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে। বেকারত্ব, ক্ষোভসব ছাপিয়ে ভোটগণনায় এই স্কিমগুলিই শেষ কথা বলেছে।প্রচারের ময়দানে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁরা উন্নয়নের পরিসংখ্যানের পাশাপাশি বারবার তুলে ধরেছেন আরজেডির আমলের জঙ্গলরাজ। জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে কাট্টা শব্দও শোনা গেছে, যা বিহারের পুরনো ভয়কে মনে করিয়ে দিয়েছে বহু ভোটারের। ফলত, ভয় ও উন্নয়নদুই মিশ্রণেই ভোটারদের বড় অংশ এনডিএ-র দিকে ঝুঁকেছে।সব মিলিয়ে উন্নয়ন, আর্থিক সাহায্য, সরকারি স্কিম এবং বিরোধীদের প্রতি অবিশ্বাসএই চার স্তম্ভই এনডিএ-র বিপুল জয়ের ভিত্তি হয়ে উঠেছে।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
বিদেশ

গাজা শান্তি সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি কীর্তি বর্ধন সিং

মিশরের শর্ম-এল-শেখে সোমবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে গাজা শান্তি সম্মেলন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ দূত হিসেবে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসি শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানান। তবে মোদি নিজে অংশ না নিয়ে প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীকে।এই সম্মেলনে অংশ নেবেন আরও বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল মাক্রোঁ, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদরো স্যাঞ্চেজ এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।কূটনৈতিক মহল মনে করছে, গাজা উপত্যকার সংঘাত পরিস্থিতি নিয়ে এই বৈঠকে আন্তর্জাতিক পরিসরে শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার রূপরেখা তৈরি হতে পারে। উল্লেখ্য গাজায় আপাতত যুদ্ধবিরতি চলছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 29
  • 30
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal