• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ২৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bardhaman

রাজ্য

বিরল আকৃতির গরুর জন্মানোই চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে

বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম ঘিরে চাঞ্চল্য ছাড়লো পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের খুরুল গ্রামে। ভাতারের খুড়ুল গ্রামের বাসিন্দা খোকন ঘোষ পেশায় গো-পালক। তাঁর গৃহপালিত গাভী একটি বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম নেয়। দুটি মাথা ও ছটি পা বিশিষ্ট বাছুরের জন্ম ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর ছড়াতেই খোকন বাবুর বাড়িতে এলাকার মানুষের ঢল নামে। যদিও বাছুরটি জন্মের কিছুক্ষণ পরই মারা যায়।গাভীর মালিক খোকন ঘোষ বলেন, সকাল থেকেই গাভিটি যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। স্থানীয় পশু চিকিৎসক এবং আমরা দুভাই মিলে বাছুরটিকে ভূমিষ্ঠ করার চেষ্টা করি। ঘন্টাখানেক চেষ্টার পর বাছুরটি ভূমিষ্ঠ হয়। যার দুটি মাথা ও ছটি পা। জন্মের ঘন্টাখানেকের মধ্যে বাছুরটি মারা যায়। স্বভাবতই মন খারাপ গোপালক খোকন ঘোষের।গ্রামবাসীরা জানান, বছর ত্রিশ পঁয়ত্রিশ আগে এই গ্রামে বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম হয়েছিল। এটা নিয়ে দ্বিতীয়বার বিরল আকৃতির বাছুরের জন্ম হল ভাতারের খুড়ুলগ্রামে।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
রাজ্য

শাসক দলের বিরুদ্ধে বামেদের ফ্ল্যাগ ও ফষ্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগে বর্ধমানে

সিপিএমের ফ্ল্যাগ ও ফেষ্টুন ছিঁড়ে দেবার অভিযোগ উঠলো পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে। অভিযোগ উঠলো শাসকদলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল কংগ্রেসের মেমারি ১ নম্বর ব্লক সভাপতি। প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মেমারির চকদিঘি মোড়ে প্রতিবাদ সভা ও মিছিল করে সিপিএম।সিপিএমের অভিযোগ সিআইটিইউর জেলা সম্মেলন উপলক্ষে মেমারি শহর ও শহরের আশপাশে ফ্ল্যাগ ও ফেষ্টুন লাগানো হয়েছিলো রাস্তার ধারে। সিপিএম নেতা অভিজিত কোঙারের অভিযোগ মেমারির বাগিলা, কালসি ও নুদীপুর মোড় এলাকায় রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতিরা তাদের ফ্ল্যাগ ও ফেষ্টুন ছিঁড়ে ফেলে দেয়।যদিও মেমারি ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নিত্যানন্দ ব্যানার্জী সিপিএমের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন সিপিএমের পতাকা লাগানোর লোক কোথায়? পতাকা টাঙিয়েছিলো দেখাক। এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে সিপিএম।আগামীকাল শুক্রবার পূর্ব বর্ধমান জেলা সিআইটিইউর একাদশ তম সম্মেলন হবে মেমারিতে। শুক্রবার বিকেলে মেমারির পুরনো বাসস্ট্যাণ্ড এলাকায় সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশ হবে। ওই সভায় উপস্থিত থাকবেন সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষ।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
রাজ্য

দোকানে হানা দিয়ে প্রচুর পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত

একটি দোকানে হানা দিয়ে প্রচুর পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে পূর্ববর্ধমানের মেমারি থানার পুলিস। বেআইনিভাবে শব্দবাজি মজুতের অভিযোগে দোকানের মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের নাম তপন অধিকারী। মেমারি থানার উলাড়া গ্রামে তার বাড়ি। মেমারি থানার রসুলপুর বাজারে তার দশকর্মার দোকান রয়েছে। সেখানে মঙ্গলবার রাতে হানা দেয় পুলিস।পুলিসের দাবি, দোকান থেকে ৩টি বস্তায় মজুত করে রাখা ৪৪ কেজি ৮৭০ গ্রাম ওজনের বিভিন্ন ধরণের নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার হয়। সাব-ইনসপেক্টর বুদ্ধদেব ঘোষের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৮৬ ও ফায়ার সাির্ভস অ্যাক্টের ২৪ ধারায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিস তপনকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে বুধবার বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম চন্দা হাসমত।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

বিসর্জনের মাইক বাজানোকে কেন্দ্র করে দুই পাড়ার মধ্যে সংঘর্ষে জখম হয় দু'পক্ষের ৫ জন

লক্ষ্মী প্রতিমা বিসর্জনের সময় মাইক বাজানোকে কেন্দ্র করে দুই পাড়ার মধ্যে সংঘর্ষে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের শিবদা গ্রামে। সংঘর্ষের ঘটনায় জখম হয় দুপক্ষের ৫ জন। পুলিশ আটক করে দুপক্ষের বেশ কয়েকজনকে। জখমদের চিকিৎসার জন্য গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। উত্তেজনা থামাতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী ও র্যাফ।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারস্বরে মাইক বাজিয়ে শিবদা গ্রামের পশ্চিমপাড়ার ঠাকুর নিয়ে বিসর্জনের শোভাযাত্রা বের হয়। সেই শোভাযাত্রা ঠাকুর গয়লাগড়ে বাগদিপাড়ার পুজো মণ্ডপের সামনে আসতেই দুপক্ষই প্রতিযোগিতা করে উচ্চস্বরে মাইক বাজাতে থাকে। যাকে কেন্দ্র করে বচসা শুরু হয়। বচসা ক্রমে রূপান্তরিত হয় সংঘর্ষে।আউসগ্রাম থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালেও ফের দুপক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ডিএসপি ডিএনটি বীরেন্দ্র পাঠকের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ও র্যাফ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়।তাদের উদ্ধার করে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে আউসগ্রাম থানার পুলিশ।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

হনুমানের অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকাবাসী, অবশেষে বনদপ্তরের পাতা ফাঁদে ধরা পড়ল হনুমান

অবশেষে বনদপ্তরের পাতা ফাঁদে ধরা পড়ল হনুমান। গত এক সপ্তাহ ধরে হনুমানের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের বাসিন্দারা। বনকর্মীরাও লাগাতার চেষ্টা করছিলেন হনুমানটিকে বাগে আনার।কিন্তু তারা সক্ষম হন নি।হনুমানের আক্রমণে ১০-১২ জন বাসিন্দা জখম হন। হনুমানের কামড়ে জখমদের জনের মধ্যে দুজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে হনুমানের বিষয়ে মাইকে প্রচার করে এলাকার বাসিন্দাদের সাবধান করা হয়।বুধবার দুপুরে বড়শুলের বাজেসালেপুর এলাকায় ফাঁদ পেতে হনুমানটিকে খাঁচা বন্দি করে বনদফতরের কর্মীরা। বনদফতরের কর্মী দীপক মণ্ডল জানান, ব্লক প্রশাসনের কাছে খবর পেয়ে কয়েক দিন আগে হনুমানটিকে ধরার জন্য চেষ্টা করা হয়। কিন্তু হনুমানটিকে চিহ্নিত করা যায়নি। বুধবার দুপুরে হনুমানটি গ্রামের মানুষের সাহায্যে বন্দি করতে সক্ষম হন তারা।বিডিও সুবর্ণা মজুমদার জানান, হনুমানটির বিষয় বন দপ্তরকে খবর দেওয়ার পর বুধবার দুপুরে ধরা পড়েছে। বেশ কয়েক দিন ধরে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত ছিলেন হনুমানের আক্রমণে বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জখমও হন।স্থানীয় বাসিন্দা লক্ষ্মণ পাল বলেন, হনুমানটি আক্রমনে তারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন। বেশ কয়েকজন হনুমানের কামড়ে জখম হয়েছে। তারা খুব আতঙ্কে ছিলেন বাড়ির ছোটদের নিয়ে। হনুমানটি ধরা পড়ায় স্বস্তি ফিরিছে এলাকায়।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

মন্তেশ্বর জয়রামপুরে ট্রাক্টর ও স্কুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত এক যুবক

ট্রাক্টর ও স্কুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত এক যুবক ঘটনাটি ঘটেছে মন্তেশ্বর জয়রামপুর ক্যানেল পুলের নিকট। পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকে নাদানঘাট থানার অন্তর্গত ভৈদপাড়ায় সুব্রত সরকার নামে এক যুবক মন্তেশ্বরে ক্যারাটে প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলেন, প্রশিক্ষণের শেষে স্কুটি নিয়ে নাদান ঘাটে ভৈদপারা গ্রামে বাড়ি ফিরছিলেন। মন্তেশ্বরে জয়রামপুর ক্যানেল পুলের নিকট উল্টো দিক থেকে আসা একটি কাঠ বোঝাই ট্রাক্টর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জখম হয়।স্থানীয়রা ও কর্তব্যরত মন্তেশ্বর থানার পুলিশ উদ্ধার করে মন্তেশ্বর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসে, কর্তব্যরত চিকিৎসক দেখে মূত বলে ঘোষণা করেন, মন্তেশ্বর থানার পুলিশ খবর পেয়ে মৃতদেহ মন্তেশ্বর থানায় নিয়ে আসে আজ বুধবার ময়নাতদন্তের জন্য কালনা মহকুমা হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

হঠাৎ পঞ্চায়েত পরিদর্শনে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা

বুধবার মন্তেশ্বরের গ্রাম পঞ্চায়েত পরিদর্শনে এলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা। এদিন তিনি পঞ্চায়েতের বিভিন্ন খাতের হিসাব নিকাশ সহ বিভিন্ন কাজ খতিয়ে দেখে উক্ত পঞ্চায়েত ভালো কাজ করছে বলে জানান। অন্যদিকে এদিন জেলাশাসককে কাছে পেয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন জামনা সমবায় সমিতির অ্যাসিষ্ট্যান্ট ম্যানেজার সুমন ঘোষ। তিনি এদিন জেলাশাসককে জানান, জামনা সমবায় এক মিলারের কাছ থেকে সুদ সহ প্রায় দেড় কোটি টাকা প্রাপ্য থাকলেও তা এখনও না মেলায় সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে সমবায়ের গ্রাহকদের। এরপরেই জেলাশাসক বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলে তিনি জানান। এদিন জেলাশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগত, বিডিও গোবিন্দ দাস সহ অন্যান্যরা।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে রেস্তোরাঁয় আরও তোলার দাবিতে ব্যাপক মারধর, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

শাসকদলের নাম করে রেস্তোরাঁয় ঢুকে টাকা ও মদ চেয়ে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে বর্ধমান শহরে। তবে টাকা দিয়েও রেহাই মেলেনি। আরও বেশি টাকা চেয়ে মালিকের ভাইপোকে চলল বেধড়ক মারধর। এই ঘটনা তিনদিন হয়ে গেলেও অধরা দুস্কৃতীরা। বিজেপির অভিযোগ শাসকদলের মদতেই তোলাবাজরা এত সাহস পাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র জানিয়েছেন, দোষী যে দলেরই হোক শাস্তি হবেই।তোলার টাকা চেয়ে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায় রেস্তোরাঁতে হামলার অভিযোগ ওঠে। দুদিনের বেশী কেটে গেলেও ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা বলে অভিযোগ। বিজপির দাবি, অভিযুক্তরা বর্ধমান-দক্ষিন বিধানসভার বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ{ এলাকায় অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশের খাতায় তারা ফেরার, তাদের ধরতে বর্ধমান থানার পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরেও অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় আতঙ্কিত রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী পরিবার। প্রসঙ্গত, ৭ই অক্টোবর বর্ধমানে দুর্গাপুজো কার্নিভালের দিন শহরের ছোটনীলপুর এলাকায় সদ্য ব্যবসা শুরু করা এক রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীর কাছে ৫০হাজার টাকা তোলা চেয়ে না পেয়ে রেস্টুরেন্টের সামনেই ওই ব্যবসায়ীর ভাইপোকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ{ এই ঘটনায় জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদার জানান, জঘন্য কাজের জন্য দোষীদের শাস্তি পাওয়া উচিত, যদি তারা দোষী হয়। প্রশাসন প্রশাসনের মতো কাজ করবে, দোষীদের রেয়াত করবে না।নতুন খোলা এই রেস্তোরাঁ ঘটনার পর দুদিন বন্ধ ছিল। মালিক সুজিত চৌধুরী জানান, তাঁরা মধ্যবিত্ত ঘরের মানুষ। কষ্ট করে ব্যাবসা করছেন। দোকান খোলার আগে থেকে কয়েকজন হুমকি দিচ্ছিল। বারবার ৫০ হাজার টাকা ও প্রতিদিন মদের বোতল দাবি করে। ভয় পেয়ে তাঁর ছেলে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও তার ভাইপোকে মারা হয়।এই ঘটনার জেরে শেফ কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে গেছেন। তাঁরা শান্তিতে ব্যবসা করতে চান।দোকানের কর্মচারিরা জানান, তাঁরা এসে মাংস ও ডিম চায়। বিল ছাড়া তাঁরা দিতে পারেন না জানানোয় হুমকি দিয়ে চলে যায়। দুদিন পরেই মালিকের ভাইপোকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয়।বিজেপি জেলা যুব মোর্চার সভাপতি পিন্টু সাম বলেন, শাসকদলের বিধায়ক ও স্থানীয় কাউন্সিলরের মদতেই দুস্কৃতীরা এত বেড়েছে। দোকানের মালিক অবশ্য জানিয়েছেন, বিধায়কের বিরুদ্ধে তার কোনও অভিযোগ নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু, বলেছেন এসব গর্হিত কাজ। তাদের দল এসব কাজের তীব্র বিরোধী। আইন মেনে পুলিশ ঠিকই ব্যবস্থা নেবে।

অক্টোবর ১১, ২০২২
রাজ্য

পাইপ আছে জল নাই, জলের দাবীতে পথ অবরোধ বর্ধমানের ভাতারে

পানীয় জলের দাবীতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন গ্রামবাসীরা। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ভূমসোর গ্রামের ঘটনা। সোমবার বর্ধমান কাটোয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গ্রামের মহিলারাও। ভাতারের ভূমসোর গ্রামে বছরখানেক আগে সজল ধারা প্রকল্পের পাইপলাইন বাড়ি বাড়ি সংযোগ হয়। গ্রামবাসীদের দাবি, বাড়ি বাড়ি সংযোগ হলেও তাতে জল আসেনা। বর্তমানে চরম জল কষ্টে ভুগছেন তারা। বারবার পঞ্চায়েত প্রধানকে জানিও কোন সুরাহা মেলেনি। অবশেষে পানীয় জলের দাবিতে পথ অবরোধে সামিল হয়েছেন তারা। ঘন্টাখানেক ধরে চলে অবরোধ। আটকে পড়ে বহু গাড়ি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ভাতার থানার পুলিশ। পুলিশ বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। পুলিশ সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিলে গ্রামবাসীরা অবরোধ তোলেন। তবে আগামীদিনে সমস্যা সমাধান না হলে পুনঃরায় অবরোধে নামার হুঁশিয়ারি গ্রামবাসীদের। ভাতারের বিডিও অরুণ কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে।

অক্টোবর ১০, ২০২২
রাজ্য

জেলা সংশোধনাগারে বিচারাধীন বন্দীর মৃত্যু ঘিরে রহস্যের গন্ধ

বর্ধমান জেলা সংশোধনাগারে এক বিচারাধীন বন্দীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। মৃতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ তাদের সময়মত খবর দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।মৃত বন্দীর নাম শেখ মোশাররফ হোসেন ওরফে চাঁদ। তার দুই ভাই শেখ জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও কবীর হাসান জানান; তাদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার ধরমপুর গ্রামে। গত ৩ রা অক্টোবর চাঁদ বর্ধমানে ঠাকুর দেখতে এসেছিল। সে সময় সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ একটি চুরির কেসে তাকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তোলার আগে পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। তারা জানান ; আদালতে এবং জেল হেফাজতে কোনো অসুস্থতা তার ছিলনা।আজ সকালে হঠাৎই ভাতার থানা থেকে তাদের ফোনে জানান হয়; আসামী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তারা জানতে পারেন তার মৃত্যু ঘটেছে। মৃতের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য; হঠাৎই কেউ লো প্রেসারে এভাবে মরে যেতে পারেনা। যদি তাই হবে হাসপাতালে ভর্তি করার সময় তাদের খবর দেওয়া হয়নি কেন। আজ বর্ধমানে এসে হাসপাতালের সেলে যান। সেখানে না দেখতে পেয়ে তারা বর্ধমান থানায় এসে জেল কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন।তাদের ধারণা; আসামীকে মারধর করা হয়ে থাকতে পারে। গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চাইছেন মৃতের পরিবার।এই ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুরের যৌনপল্লীর স্যাঁত স্যাঁতে গলির ঘরে ঘরে চলছে লক্ষ্মীর পাঁচালী পাঠ

দুর্গাপুজো শেষ হলেও পুজোর রেশ চলতেই থাকে। পরিবার নিয়ে শ্বশুর বাড়ি ফিরে গেলেও প্রথম পুজো হয় মা লক্ষ্মীর। এই সময় কোজাগরী লক্ষ্মীর পুজো হয় বাংলায়।সাধারণ ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন চলছে। রবিবার এই পুজোর আয়োজন করেছিল দুর্গাপুরের কাদারোডের পতিতালয়ের যৌনকর্মীরাও। পরিবারের শান্তি কামনায় দুর্গাপুরের এই যৌনপল্লীতেও পূজিত হচ্ছেন মহালক্ষ্মী। ফল কাটা থেকে আলপনা সবই করেন যৌনকর্মীরা নিজেরাই। এতদিন যাদের অচ্ছুত বলে সামাজিক উৎসব থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল, এবারে সেই যৌনপল্লীর মেয়েরা নিজেরাই পুজোয় ফল কাটেন৷ নিজেরাই ভোগ রান্না করেন, নিজেদের ইচ্ছামত পুজো করেন আবার পুষ্পাঞ্জলি দেন।স্বভাবতই নিষিদ্ধ পল্লী এলাকায় দুর্গাপুজোর পর আবারও ধুমধাম করে ঘরে ঘরে পালিত হচ্ছে লক্ষ্মীপুজো। আলোকবিহীন স্যাঁত স্যাঁত গলির আনাচে কানাচে তাই এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে লক্ষ্মীর পাঁচালী পাঠ। আলোর ঝলকানি। তাঁরা জানিয়েছেন, লক্ষ্মীর পাঁচালী পড়লে মনে শান্তি পান। তাঁদের পাঁচালী পড়তে ভালো লাগে।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে দেরিয়াপুরে 'মণ্ডল পরিবারের' লক্ষ্মী পুজো এবছরে শতবর্ষে পদার্পন করলো

আজ রবিবার ৯ অক্টোবর ২০২২ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। দেবী লক্ষ্মী হলেন শান্তি, শ্রী ও সম্পদের প্রতীক। বাংলার ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন করা হয়। আমবাঙালীর মনে করে যে বাড়িতে মা লক্ষ্মীর বাস, সেখানে কখনও কোনোদিন অভাব আসবে না। সাধারনভাবে বৃহস্পতীবার কে লক্ষ্মীবার বলে মানা হয়। ওইদিন বাংলার ঘরে ঘরে নিরামিষ খাওয়ার চল। হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের ধারণা ভক্তি ভরে রীতিনীতি মেনে লক্ষ্মীদেবীর পুজার্চনা করা হলে, দেবীর কৃপায় সংসার সর্বদা ধন-সম্পদের অভাব থাকবেনা।লক্ষ্মী মণ্ডপ ও প্রতিষ্ঠাতা কেদারনাথ মণ্ডলদক্ষিণবঙ্গে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর চল সবথেকে বেশী দক্ষিণ দামোদর এলাকায়। সেখানকার রায়না, আনগুনো, শ্যামসুন্দর, মেরাল, বোখরা, দেরিয়াপুর এলাকায় বাড়ি বাড়ি লক্ষ্মী পুজোর ধুমধাম লক্ষ্য করা যায়। এবছর পূর্ব বর্ধমানের দেরিয়াপুরে মণ্ডল বাড়ির লক্ষ্মী পুজো ১০০ বছরে পদার্পণ করলো। ১৯২৩ এ মণ্ডল বংশের কেদারনাথ মণ্ডল এই পুজোর প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর পর এই পুজো দ্বায়িত্ব সামলেছেন গীতাপদ মন্ডল, শান্তিময় মন্ডল ও হরিনারায়ণ মন্ডলেরা। কালের নিয়মে একান্নবর্তী পরিবার ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে ছোট হয়ে এলেও দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা ধূমধামের সাথে দেরিয়াপুরের মণ্ডল পরিবার এখনও একসাথেই করে আসছেন।বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সুজিত মণ্ডলপরিবারের সদস্য সুমিত মণ্ডল জানান, বর্তমানে পরিবারের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৮০ জন, তাঁদের অধিকাংশই কর্মসুত্রে গ্রামে না থাকলেও পুজো উপলক্ষে সকলে এই দুদিন একত্রিত হন দেরিয়াপুরে। পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয় কুটুম্ব সকলে মিলে প্রত্যেক বছর প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন মানুষ পুজোর পরের দিন দেবীর ভোগ গ্রহণ করেন। সুমিত জানান এই পুজোর নানা দ্বায়িত্ব বাড়ির বড়দের সাথে তিনি ছাড়াও পরিবারের সদস্য সন্দীপন, স্বস্তিক, অনিরুদ্ধরাও ভাগ করে নেন। তাঁরা জানান, এবছরে ১০০ বছর উদযাপনের জন্য আত্মীয়সজন, বন্ধুবান্ধব মিলে প্রায় ৮০০ জনের বেশী মানুষ এই পুজোতে আমন্ত্রিত। তিনি আরও জানান শতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে পরিবারের তরফ থেকে ১৫০ জন মানুষকে বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল কালনায়

এদিন শনিবার বিকেলে কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় ঘরের মধ্যেই হঠাতই গলা কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃত ওই ব্যক্তির নাম উৎপল গুপ্ত (8৯) বাড়ি কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। মৃতের পরিবার পরিজনদের দাবি তিনি প্রতিদিনই প্রচণ্ড নেশা করতেন। এদিনও বিকেলে বাড়ি থেকে নেশা করবে বলে মোটরবাইকের চাবি নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময় হঠাৎই তাঁর ছেলে মোটরবাইকের চাবিটি কেড়ে নেয়, তারপরই ঘর থেকে একটি বিকট শব্দ এলে পরিবারের লোকেরা দেখতে পায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন উৎপলবাবু। এরপরই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। স্থানীয় মানুশে খবর দেওয়ায় ঘটনাস্থলে হাজির হয় কালনা থানা পুলিশ। মৃতের ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কালনা থানায় নিয়ে যায় কালনা থানা পুলিশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

সুর কাটলো কার্নিভালের, ক্ষোভ উগরে দিয়ে মঞ্চ ত্যাগ পুরসভার চেয়ারম্যানের, জেলাশাসকের প্রশংসা

কার্নিভালের মঞ্চ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে নেমে গেলেন বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার। তিনি বলেন, কার্নিভাল খুব ভাল হচ্ছে আমার কারো বিরুদ্ধে ক্ষোভ বা রাগ নেই। আমার একটাই দুঃখ৷ দুমাস ধরে পৌরকর্মীরা কার্নিভালের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এদিন কার্নিভালের মঞ্চ থেকে একবারের জন্যও পৌরকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হলো না। তিনি বলেন, রাস্তা পরিস্কার করা থেকে দুর্গাপুজো ও কার্নিভালের জন্য সবকিছু প্রস্তুত করেছে দু-আড়াই হাজার পৌরকর্মী। পৌরকর্মী ও আধিকারিকদের ধন্যবাদ জানানো হল না এটাই আমার দুঃখ। আমি একজন সামান্য শিক্ষক, আমার বয়স হয়েছে তাই আমি কারো অন্যায়টা গিলতে পারিনা। এরপর তিনি আর মঞ্চে ওঠেননি।এখানে উল্লেখ্য রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি বর্ধমান শহরেও কার্নিভালের আয়োজন করা হয়। উদ্বোধন করেন মুম্বাইয়ের চলচিত্র অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডে।এবিষয়ে জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, তারা পৌরসভার কাছে কৃতজ্ঞ। কার্নিভাল খুব ভাল ও সাক্সেস হয়েছে। জেলাশাসক জানান, আজকের কার্নিভালে ৩০টি পূজা কমিটি অংশগ্রহণ করেছে। মানুষের উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখে তিনি এ খুশি সে কথাও তিনি জানান। পরবর্তি সময়ে আরও বড়ো ভাবে কার্নিভাল করার কথাও তিনি ঘোষণা করেন। তিনি আরও জানান, পরের বছর জেলার অন্যান্য সাব-ডিভিশন থেকেও দুর্জাপূজা কমিটি গুলিকে আহ্বান করবেন এই কার্নিভালে অংশগ্রহণ করার জন্য। জেলাশাসক জানান এই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ১ সেপ্টেম্বর থেকে। সেদিন ইউনেস্কোর আমাদের বাংলার দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ ঘোষণা করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন র্যালি করা হয়েছিলো বর্ধমান শহরে। শুক্রবারের অনুষ্ঠানটিকে সফল করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

অক্টোবর ০৭, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুজোয় বর্ধমানে শশুরবাড়িতে গিয়ে মিলল জামাইয়ের ঝুলন্ত দেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য

শ্বশুর বাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের নরজা গ্রামে। মৃতের নাম রাজেন ঘোষ(২৪)। বাড়ি ভাতারের পালার গ্রামে।রাজেন ঘোষ একটি বেসরকারী কোম্পানিতে কাজ করতেন। বছর দেড়েক আগে ভাতারের নরজা গ্রামে তাঁর বিয়ে হয়। পুজো উপলক্ষে দিন পাঁচেক আগে নরজা গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে শ্বশুর বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। শ্বশুরবাড়ি লোকজন তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভাতার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা রাজেনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং শুক্রবার দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। রাজেনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন রাজেনের পরিবারের লোকজন।রাজেনের বাবা মানিক ঘোষ বলেন, তাদের ছেলেকে মেরে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি ঘটনার উপযুক্ত তদন্তের দাবিতে ভাতার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।অন্যদিকে মৃতের শ্বশুর মৃন্ময় ঘোষ বলেন, গতকাল রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য হয়। বাড়ির সদস্যরা অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েছিলেন ফিরে এসে দেখেন দরজা বন্ধ। সিলিং ফ্যান থেকে রাজেনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুজো কার্নিভাল-২০২২ বর্ধমানে উদ্বোধনে বলিউডি অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডে, উপচে পড়া ভিড়

মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দুর্গাপুজোর শেষে বিসর্জনের কার্নিভাল শুরু জেলায় জেলায়। চারদিনের জমজমাট পুজোর শেষে রাজ্য জুড়ে আবার উৎসবে মেতেছে আবাল-বৃদ্ধা-বনিতা। পুর্ব বর্ধমানের বর্ধমান শহরেও চলছে কার্নিভাল। এই কার্নিভালের উদ্ধোধন করেন বলিউডের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা চাঙ্কি পাণ্ডে। ফিতে কেটে তিনি কার্নিভালের শোভাযাত্রার সূচনা করেন। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভারাপ্রাপ্ত মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, প্রধান উদ্যোক্তা বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন, জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি দেবু টুডু, অতিরিক্ত জেলাশাসক সুপ্রিয় অধিকারী, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার এছাড়াও জেলার অন্য বিধায়করা, প্রশাসনিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক, জেলা পরিষদের কর্মাধক্ষরাও ছিলেন। কার্নিভালে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

অক্টোবর ০৭, ২০২২
নিবন্ধ

স্বীকারোক্তি (ছোট গল্প)

গাড়িটা গ্রামের পথ ধরতেই মনটা যেন কেমন ভেসে গেল শরতের আকাশে সাদা মেঘের মত। দুপাশে সবুজ ধানক্ষেতের পাশে সাদা কালো ফুলের বন কতদিন পর দেখে মনটা নেচে উঠল। কতদিন পরে গ্রামের মাটির গন্ধ নিল বুক ভরে । প্রায় পনেরো বছর গ্রাম ছেড়ে বেরিয়ে গেছে চেতনা। আর প্রায় আট বছর দেশ ছাড়া। গ্রামের দূর্গা পূজো দেখেনি কতদিন। গ্রামের এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। রাস্তা ঘাট আর আগের এবড়োখেবড়ো নেই, সামান্য বৃষ্টির জলে যেখানে সাঁতার কাটা যেত। স্কুল থেকে ফেরার পথে ওই জমা জলে লাফিয়ে খেলা করে জামা ভিজিয়ে বাড়ি গিয়ে মায়ের কাছে বকা খেয়েছে কতদিন। গ্রামে ঢোকার মুখে গাড়ি থামিয়ে দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ মাঠের সামনে দাঁড়িয়ে মনের জানালা দিয়ে উঁকি দিতে লাগল চেতনার ছেলেবেলা। মেধা আর চেতনা দুই বন্ধু। গ্রামের লোকে বলত হরিহর আত্মা। মেধার মা ছিল না, তাই চেতনার মা ওকে খুব স্নেহ করতেন। চেতনা মাঝে মাঝে ওর মাকে বলত, তুমি আমার থেকে মেধাকে বেশি ভালোবাসো। অন্যদিকে মেধার বাবা চেতনা কে বলতেন তুই আমার আরেক মেয়ে। এইভাবে উভয়ের বাড়িতে উভয়েই ভালোবাসা পেয়েছে। এই ভাবে বড় হতে থাকে দুজনে। চেতনা বরাবর পড়াশোনায় খুব ভালো আর মেধা মোটামুটি। কিন্তু কোনো দিন চেতনাকে হিংসা করেনি। বরং ও খুব খুশি হত চেতনার রেজাল্টে। বলত , কার বন্ধু দেখতে হবে তো। চেতনা মাধ্যমিক পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করলো। ওর ইচ্ছা ছিল কোনো ভালো স্কুলে পড়ার কিন্তু ওর বাবার সামর্থ্যের বাইরে তা, তাই কাছাকাছি জেলার স্কুলে ভর্তি হলো। মেধা ও একই স্কুলে ভর্তি হলো। যদিও চাইলেই অন্য আরও বড়ো স্কুলে ভর্তি হতে পারতো কিছুতেই যে দুজনে আলাদা হবে না। একই জায়গায় মেডিকেল কলেজে পড়ত ওই গ্রামেরই ছেলে তড়িৎ। ওই ওদের ভর্তির সব ব্যবস্থা করে। তিনজন এক সাথে যাতায়াত করে। পড়াশোনার বিভিন্ন বিষয়ে সাহায্য করে চেতনাকে। চেতনা স্বপ্ন দেখে অনেক বড় ইঞ্জিনিয়ার হবে। কিন্তু ভাবে কি করে সম্ভব? ওদের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো না। বাবা গ্রামের স্কুলে শিক্ষকতা করেন আর কিছু জমি জায়গা আছে। আজকের দিনে হয়ত অনেক কিন্তু তখন ওটা সামান্যই ছিল। জানে যে জেলা মানে মেধার বাবা সবরকম সাহায্য করবে ও চাইলে কিন্তু ও চায়না সেটা। ও নিজের স্কলারশিপের টাকাতেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায়। তাই পড়াশোনা খুব মন দিয়ে করে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফল করত হবে। জয়েন্টে ভালো ফল করতে না পারলে সরকারি কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। পড়াশোনা হবে না এইসব ভেবে দিনরাত পরিশ্রম করে আর ওকে সাহায্য করে যায় তড়িৎ। এইভাবে কখন যে দুটি মন কাছাকাছি এসে যায় নিজেরাই বুঝতে পারে না। জানে শুধু মেধা। ওই ওদের মধ্যে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এরপর জয়েন্টে খুব ভালো ফল করে চেতনা শিবপুরে পড়তে চলে যায়। মেধা ওখানেই ইকনমিক্স নিয়ে ভর্তি হয়। মেধার বাবা চেতনাকে পড়াশোনা করতে সাহায্য করতে চান। কিন্তু চেতনার বাবা নিজের জমিজমা বিক্রি করে মেয়েকে পড়াবেন ঠিক করেন। তড়িৎ আর মেধা মাঝে মাঝে যায় চেতনার সাথে দেখা করতে। ছুটি ছাটা য় চেতনা চলে আসে গ্রামে। এইভাবে চলতে থাকে ওদের ছাত্র জীবন। তারপর হঠাৎ হয় ছন্দপতন। মেধার গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট হতেই জানতে পারে ওর বিয়ের কথা। মেধার বাবা একদিন ফোন করে বিয়ের বাজার করার জন্য। আর সেই সময় যে ধাক্কা টা খায় আজও তার রেশ রয়ে গেছে। গাড়িতে তড়িৎ কে দেখে অবাক হয়ে বলে, তুমি! মেধার জন্য শাড়ি কী তুমি পছন্দ করবে? তখন জেঠুর উত্তর শুনে চমকে ওঠে। জেঠু মানে মেধার বাবা বলেন ও না থাকলে বরের পোশাক পছন্দ করবে কে? আচ্ছা তাই বলো। আমি ভাবলাম ---বলে ও চুপ করে যায়। মেধা তখন বলে ওঠ ওঠ গাড়িতে ওঠ। পরে সব জানবি। চেতনা বুঝতে পারে না কি ঘটছে। চেতনা কোনোরকমে ওদের সঙ্গ দেয়। ওকে হোস্টেলে ছাড়ার সময় মেধা বলে আগামী অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম সপ্তাহে আমার বিয়ে। তোকে কিন্তু দুই তিন দিন আগে আসতে হবে। তুই ছাড়া আমার আর কে আছে বল? ওকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ওদের গাড়ি ছেড়ে দেয়। চেতনা যেন খুশি হতে পারছে না মেধার বিয়ের কথা শুনে। মনে হচ্ছে কি যেন আড়ালে রাখতে চাইছে মেধা। তড়িৎ কে ফোন করলে ফোন ধরে না। চেতনা আরও উতলা হয়ে পড়ে। ওর রুমমেট সুদেষ্ণা বোঝে কিছু একটা চলছে ওর মধ্যে। বারবার জানতে চায় চেতনার কাছে যে কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা? কিন্তু কি করে বলবে ও নিজেই তো কিছু বুঝতে পারছে না। এগিয়ে আসে মেধার বিয়ে। দুদিন আগে না বিয়ের আগের দিন বিকেলে গিয়ে পৌঁছায় বাড়িতে। ও তখনই মেধার বাড়িতে যেতে চাইলে মা বলে কতদিন পরে এলি, আজ আর যেতে হবে না, একদম কাল সকালে যাবি। মায়ের কথা শুনে অবাক হয় চেতনা। যে মা ওকে সবসময় মেধার সাথে থাকতে বলত আজ সেই কিনা বলছে কাল যাবি! বিস্মিত হয় ও। বিস্ময়ের আরও বাকি ছিল যা বিয়ের দিন ঘটতে থাকে। আর একটা ব্যাপার খুব অবাক লাগে মেধা সেই থেকে আর ওর সাথে কোনো যোগাযোগ করেনি। ওর বাবা আবার ফোন করে চেতনা কে আসতে বলেন। সকাল বেলা ওদের বাড়িতে যায় ওকে দেখে খুব খুশি হয় মেধার বাবা। মেধা ও রাগ দেখিয়ে বলে এতক্ষণে আসার সময় হলো তোর? চেতনা কিছু বলে না কাজে লেগে পরে। ওদের বাড়ির আত্মীয়স্বজন সবাই চেতনা কে চেনে। তাই ও সহজেই কাজে লেগে যায়। এক ফাঁকে শুধু জিজ্ঞাসা করে তড়িৎ দা আসবে না? মেধা বলে সময় হলেই আসবে। যেন না আসলেও হয় আরকি। চেতনা আর কিছু বলে না। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয় চেতনা মেধাকে সাজাতে বসে, সাজানো হয়ে গেলে বাড়ি যায় নিজে তৈরি হতে। মা, বাবা ওনাদের সাথেই চেতনা কে যেতে বলেন। ও একটু বিশ্রাম করে তৈরি হয়ে মা, বাবার সাথে ওদের বাড়িতে ঢোকে। কে যেন হাত ধরে টেনে নিয়ে যায় বর আসনের কাছে। বরকে দেখে ও বাকরূদ্ধ হয়ে যায়। এ কাকে দেখছে ও! নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না। ও প্রায় পড়েই যেত ওর বাবা এসে না ধরলে। নিজেকে কোনো রকমে সামলে মেধার কাছে যায়। তখন রাগে, দুঃখে, অভিমানে ঠিক রাখতে পারছিল না। ওর মা, বাবা ওকে ধরে রাখেন। মা হয়ত কিছু আন্দাজ করেছিলেন। মেধা কে অভিনন্দন জানিয়ে কোনো রকমে বাড়ি ফিরে আসে। তিনজনের কিছু খাওয়া হয়না। মেধার বাবা অনুরোধ করেন কিন্তু চেতনা শরীর খারাপ লাগছে বলে চলে আসে। মায়ের কাছে খুবই কাঁদে। মুখে কিছু না বললেও মা সব বোঝেন! পরেরদিন ভোর হতেই চলে যায় কলেজে। সুদেষ্ণা ওকে দেখে অবাক হয়। বোঝে কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছে। জানতে চাইলে চেতনা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে না। সব বলে সুদেষ্ণাকে। সুদেষ্ণা ওকে বলে আগে তুই কেঁদে হালকা হয়ে নে তারপর কথা বলব। দুদিন চেতনা বিছানা থেকে ওঠে না। সুদেষ্ণা খাবার এনে ওকে খাওয়ায়। তৃতীয় দিনে ওকে সুদেষ্ণা বলে শোনা তোর ভবিষ্যৎ সামনে। কলেজ ক্যাম্পাসিং এ ভালো ভালো কোম্পানি আসবে তার জন্য তৈরি হতে হবে। ওরা তোর সাথে কী করেছে সেটা ভেবে তুই তোর স্বপ্নটাকে নষ্ট করে দিতে পারিস না। আমি সব মেনে নিতাম যদি এটা মেধা না হয়ে অন্য কেউ হতো। কিন্তু মেধা! আমি ভাবতে পারছি না এত বড় বিশ্বাসঘাতকতা ও কি করে করল? তাও আমার সাথে। যে কোনো দিন আমাকে হিংসা করেনি! আমি কিছু বুঝতে পারছি না। এই সময় সুদেষ্ণা পাশে না থাকলে হয়তো চেতনার জীবনটা নষ্ট হয়ে যেত। অনেক কষ্টে আবার পড়াশোনাতে মন দেয়। পাশ করার আগেই ভালো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে জব পেয়ে যায়। প্রথম যায় ব্যাঙ্গালোর, তারপর মুম্বাই আর সেখান থেকে আমেরিকা। এর মধ্যে মা বাবাকে কোলকাতায় নিয়ে চলে আসে। গ্রামের সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে দেয়। দেশে ফিরলেও সুদেষ্ণা ছাড়া কারও সাথে যোগাযোগ রাখেনি।। মহালয়ার কদিন আগে যখন ফোন টা আসে একটু ঘাবড়ে গেছিল অচেনা নম্বর দেখে। ইন্ডিয়ার কল বোঝে, তাই ভাবে মা, বাবার আবার কিছু হলো বোধহয়। কিন্তু ফোন ধরে বুঝতে পারে বৃন্দাবন জেঠু। বলেন, মা আমার একটা অনুরোধ, তুই একবার গ্রামে আয়, মেধা তোকে দেখতে চায়, ও খুব অসুস্থ, মৃত্যু শয্যায়। একথা শুনে চেতনার মনে যত অভিমান ছিল এক নিমেষে কোথায় চলে গেল। রাগ তো কবেই পড়ে গেছে। সোজা দেশে আসার ব্যবস্থা করে;মা, বাবাকেও কিছু জানায়নি। এয়ারপোর্ট থেকে গাড়ি নিয়ে সোজা গ্রামে। মেধা দের বাড়ির সামনে গাড়ি থামতেই জেঠু বেরিয়ে এলেন। যেন ওর জন্যই অপেক্ষায় ছিলেন। হাত ধরে নিয়ে যান সোজা মেধার কাছে। ওর ঘরে ঢুকে দেখে একদম বিছানার সাথে লেগে আছে প্রানবন্ত মেধা। আয় তনি আমার কাছে আয় বলে কৃশ হাত বাড়িয়ে দেয়। তনি নামটি কতদিন পর শুনল চেতনা। এটা ছিল মেধার দেওয়া নাম। ওর এই অবস্থা দেখে খুব কষ্ট হয় চেতনার। ও ছুটে গিয়ে হাতটা ধরে। কি হয়েছে তোর? তুই ঠিক ভালো হয়ে যাবি। আমি এসে গেছি আর কিছু হবে না তোর। চেতনার চোখে জল। তুই আমার জন্য কাঁদছিল কেন? আমার তো এটাই হবার ছিল। আমি তোর সাথে যেটা করছি সেটা যে মহাপাপ। বিশ্বাস ঘাতকতা করেছি তোর মত বন্ধুর সাথে। আমার পাপের শাস্তি ভোগ করছি। কেন এমন বলছিস? তুই চুপ কর। বলে চেতনা। আমাকে আজ বলতে দে। আজ তোর কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করবো বলেই আমার প্রাণ রয়েছে এখনো। চেতনা অস্থির হয়ে জিজ্ঞাসা করে জেঠু কি হয়েছে ওর? তড়িৎ সামনে আসে, বলে ওকে বলতে দাও কথাগুলো নাহলে ও মুক্তি পাবে না। আমাকে আগে কেন খবর দাওনি তোমরা? কি করে দিতাম? তোমাদের কোনো ঠিকানা জানা ছিল না। তোমাকে যেদিন জানালাম ওই দিন কলকাতায় একটা কাজে গেছিলাম, সেখানেই কাকুর সাথে হঠাৎ দেখা হয়ে যায়। সব জানাই ঠাকুরের। কাকু তোমার নম্বর দেন। চেতনা চুপ করে থাকে। ক্ষীণ গলায় মেধা বলে, বন্ধু হয়ে আমি যা করেছি তার কোনো ক্ষমা হয়না জানি। আমাকে না তড়িৎ কে পারলে ক্ষমা করিস সব শোনার পর। বলতে থাকে মেধা, আমরা তিনজন যখন একসাথে যাতায়াত করতাম করুন আর তড়িৎ বিজ্ঞান বিভাগের হওয়ায় পড়াশোনা নিয়ে আলোচনা করতে খুব। আমি সেখানে চুপচাপ থাকতাম। ধীরে তড়িৎ তোকে পছন্দ করতে শুরু করে আমিই প্রথম সেটা আন্দাজ করি। আমি নিজে অনুঘটকের কাজটা করি। কিন্তু কোথায় একটা খিচ ছিল মনে। তাই তুই যখন পড়তে চলে গেলি আমরা একসাথে যাতায়াত করতাম ঠিক কিন্তু ওর মুখে সবসময় তোর কথা, তোদের ভবিষ্যতের কল্পনা লেগে থাকত। যে আমি তোকে কোনো দিন হিংসা করিনি, তোর রেজাল্ট ভালো হলে আমি পাড়া মাথায় করেছি আনন্দের চোটে সেই আমার মনে তখন হিংসা বাসা বাঁধে। মনে মনে ভাবি কি করে তড়িৎ আমার হবে। ঠিক সেই সময় সূযোগ পেয়ে যাই। তড়িৎ বিদেশি ইউনিভার্সিটি থেকে উচ্চ শিক্ষা নিতে চায় কিন্তু টাকার জন্য আটকে যাচ্ছে। আমি তখন বাবাকে বললাম টাকা টা দিতে, বাবা এককথায় রাজী হয়ে গেল । জানিস তো আমি কিছু চাইলে বাবা না করে না। আমিই তখন বাবা কে বললাম তুমি শুধু তড়িৎ এর বাবার থেকে আমার আর তড়িৎ এর বিয়ের প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসবে। বাবা আমার কথায় কোনো প্রশ্ন না করে রাজী হয়ে গেল এবং কাজটা করেও ফেলল। কিন্তু তড়িৎ যখন এসব জানতে পারল তখন ও সবাইকে সব বললো। ওর মা বাবা কে এবং আমার বাবা কে। আমার বাবা প্রথমে বিশ্বাস করেনি কারণ আমি বাবা কে বলেছিলাম আমরা পরস্পর কে ভালোবাসি। তড়িৎ যখন কিছুতেই বিয়ে করতে চায় না তখন বাবা বুঝতে পারে আমি কোন ফন্দি করছি, বাবা আমাকে অনেক বোঝায় কিন্তু তখন তো আমার মাথায় শয়তান বাসা বেঁধে আছে। আমি আত্মহত্যার হুমকি দিই। ব্যস সবাই চুপচাপ বিয়ে তে রাজী হয়ে যায়। কিন্তু আজ পর্যন্ত ও আমাকে স্ত্রী বলে স্বীকার করাতো দুর আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক টাও থাকে না। আমি কিছু দিনের মধ্যেই নিজের ভুল বুঝতে পারি। কিন্তু লোকসমাজের জন্য আলাদা হতে পারিনি। আমার একটা ভুল আমাদের তিনটি জীবন নষ্ট করে দিল। আমি তোর কাছে ক্ষমা চাইবো না। শুধু তড়িৎ কে তুই আর ভুল বুঝিস না। ওর কোনো দোষ ছিল না। এই সত্য টা বলব বলেই আমি বেঁচে আছি। এবার আমি নিশ্চিন্তে মরব। এই বলে একটা দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলে মেধা। আর তখনই চন্ডী মন্ডপে বেজে ওঠে বিসর্জনের বাজনা। ঘরে নীরবতা ছেয়ে যায়। চেতনার চোখ থেকে বসু ধারা বয়ে যায়। তড়িৎ নীরবে তাকিয়ে থাকে মেধার মুখ পানে। আর ওর বাবা শুধু বলেন মেধার স্বীকারোক্তি আজ ওকে কষ্টের জীবন থেকে মুক্তি দিল।

অক্টোবর ০৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের পূজা কার্নিভালের মঞ্চে বসতে চলেছে বলিউডি তাড়কাদের চাঁদের হাট

শুক্রবার বর্ধমান শহরে হতে চলে দুর্গাপূজা কার্নিভালের জন্য যানচলাচলে নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নির্দেশিকা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারী করল পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। পূর্ব বর্ধমান জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশংকর মন্ডল জানিয়েছেন, কার্নিভাল শুরু হবে বিকাল ৫ টে নাগাদ নীলপুর মোড় সংলগ্ন সৎসঙ্গ ভবন এলাকা থেকে। এই র্যালী শেষ হবে লক্ষ্মীপুর মাঠের পাঞ্জাবী পাড়া মোড়ে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্জন গেটের সামনে করা হয়েছে তিনটি ভাগে প্রায় বিশাল মঞ্চ বাঁধা হয়েছে যা প্রায় ২০০ ফুট লম্বা । যেখানে উপস্থিত থাকবেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মন্ত্রীরা-সহ বিধায়ক অন্যান্য জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা। গড়ে তোলা হয়েছে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়কের ব্যবস্থাপনায় বর্ধমান শহরের ৩১ টি পুজো কমিটিকে নিয়ে হচ্ছে দুর্গাপূজা এবারের কার্নিভাল।আরও জানা গেছে, জি টি রোড ধরে চলবে এই কার্নিভালের র্যালী। সুত্র মারফত জানা গেছে কার্নিভ্যালে হাজির থাকবেন মুম্বাইয়ের বিশিষ্ট অভিনেতা চাংকি পান্ডে-সহ আরও অনেক সেলিব্রেটিরাই। কার্জনগেট চত্বরে প্রত্যেকটি পুজো কমিটিকে ৩-৪ মিনিট করে নিজেদের পারফরম্যান্স তুলে ধরার জন্য সময় দেওয়া হবে। সামগ্রিক বিচারের নিরিখে তাদের মধ্য থেকে পুরস্কৃতও করা হবে। প্রসঙ্গত, দুর্গাপূজাকে ইউনেস্কো হেরিটেজ ঘোষণা করাতে, মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যে সমস্ত জেলাতেই কালকে এই কার্নিভ্যালের আয়োজন করা হয়েছে।জি টি রোড ধরে হতে চলা এই কার্নিভালের জন্য বর্ধমান শহরে যানচলাচলে নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে একটি নির্দেশিকা জারী করল পূর্ব-বর্ধমান জেলা পুলিশ। শুক্রবার আলিশা বাস স্ট্যান্ড থেকে কার্জনগেট এলাকা ও রেলওয়ে ওভারব্রিজ হয়ে গোলাপবাস মোড় পর্যন্ত জি টি রোড বরাবর এই নির্দিশিকা কার্যকরী থাকবে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, সকাল ৮ টা থেকেই পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলা নিষেধাজ্ঞা থাকছে (যতক্ষন কার্নিভাল চলবে)। বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকছে দুপুর ১২ টা থেকে। ইকো-রিক্সায় (টোটো) নিষেধাজ্ঞা থাকছে দুপুর ২ টো থেকে। চারচাকা গাড়ীতে নিষেধাজ্ঞা থাকছে বিকেল চারটে থেকে এবং দু-চাকা যানে নিষেধাজ্ঞা থাকছে বিকেল সাড়ে চারটে থেকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২২
রাজ্য

আউশগ্রামের গোয়ালআড়া গ্রামে পুজো কার্নিভাল ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা

পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের গোয়ালআড়া গ্রামে পুজো কার্নিভাল ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা গেল এলাকাবাসীর মধ্যে। বিজয়াদশমীর বিকেলে গোয়ালআড়া সার্বজনীন পুজো কমিটির পুজো কার্নিভাল বের হয়। তাতে অংশ নেন আউশগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্দার ও আব্দুল লালন । এই পুজো কার্নিভালে ছিল বিভিন্ন বাজনার দল, মহিলা ঢাকিদের দল,জীবন্ত প্রতিমার মডেল। পাশাপাশি হিন্দু,মুসলিম,খীষ্টান,শিখ, আদিবাসী এই জীবন্ত মানুষের মডেল নিয়ে সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়।গ্রামের মহিলারা শঙ্খ ধ্বনি দিয়ে গ্রাম ঘোরেন।পাশাপাশি ঢাকের তালে তালে নাচলেন বিধায়ক অভেদানন্দ থান্দার ও আব্দুল লালন। বৃষ্টির জন্য এদিন একটু অসুবিধা হয় পুজো উদ্যোক্তাদের।আশপাশের গ্রামের মানুষ এই কার্নিভাল দেখতে সামিল হন আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের ৭ টি অঞ্চলের হাজার খানেক মহিলা ও পুরুষ।

অক্টোবর ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দশমীতে বাপের বাড়িতে সিঁদুর খেলায় মাতলেন অভিনেত্রী শুভশ্রী

বিজয়া দশমীতে বর্ধমানের বাড়িতে দেবী দুর্গাকে বরণ করলেন চলচিত্র অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। দশমীর দুপুরে কলকাতা থেকে স্বামী বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও ছেলে ইউহানকে সঙ্গে নিয়ে বর্ধমানে বাজেপ্রতাপপুরে বাবার বাড়িতে আসেন অভিনেত্রী। বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে দেখা যায় আত্মীয়দের সঙ্গে সেলফি তুলতে। ঢাকের কাঠি হাতে নিয়ে ঢাক বাজানোর চেষ্টাও করেন বিধায়ক। শুভশ্রী গাঙ্গুলীর দেবী দুর্গাকে বরণ করার গোটা দৃশ্য মোবাইল বন্দী করেন স্বামী রাজ চক্রবর্তী। পরিবারের সদস্যদের সাথে এদিন সিঁদুর খেলেন অভিনেত্রী। সিঁদুর খেলতে দেখা যায় স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গেও। অতঃপর দেবীর বিদায় বেলায় পরিবারের সদস্যদের সাথে একসাথে নাচতে দেখা যায় টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ...
  • 40
  • 41
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রতিটি বুথে নজরদারি, এবার ভোটে থাকবে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। বুথের ভিতরে এবং বাইরে দুজায়গাতেই ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি বুথে অন্তত দুটি ক্যামেরা থাকবে এবং তার সঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্যধারণ করতে সক্ষম বিশেষ ক্যামেরাও বসানো হবে।কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের শতভাগ বুথেই এই নজরদারি চালানো হবে। ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থায় এই পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রথম স্তরে রিটার্নিং অফিসার, দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং তৃতীয় স্তরে মুখ্য নির্বাচনী দফতর থেকে সবকিছু দেখা হবে। একাধিক স্ক্রিনে এই সমস্ত ফুটেজ নজরদারি করা হবে এবং প্রতিটি স্ক্রিনের সামনে দুইজন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন, একজন নজর রাখবেন এবং অন্যজন তথ্য নথিভুক্ত করবেন।এছাড়াও ভোটযন্ত্র বহনকারী গাড়িগুলির উপরও নজর রাখা হবে। সেই গাড়িগুলিতে জিপিএস থাকবে, যাতে তারা নির্দিষ্ট পথেই যাচ্ছে কি না তা বোঝা যায়। কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির মাধ্যমে সবকিছু রেকর্ড করা হবে। ভোটের এক থেকে দুই দিন আগে থেকেই বুথগুলিতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে এবং হাজার হাজার মাইক্রো পর্যবেক্ষক এই কাজে যুক্ত থাকবেন।সংবেদনশীল বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বুথের ভিতরে একাধিক ক্যামেরা বসানো হবে। যদি কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটে, তাহলে সেই ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।কমিশন আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়, ভোটারদের ভোট দিতে না দেয় বা জোর করে বুথ দখল করে, তাহলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। এই ধরনের অপরাধে জেল ও জরিমানার শাস্তি হতে পারে। সরকারি কর্মচারী কেউ এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্ট নয়, পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারের রিপোর্টও গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। নিরাপত্তার দিক থেকেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে অতিরিক্ত কর্মী রাখা হবে, যারা বুথের বাইরে নজর রাখবেন।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘বিচারাধীন’ থেকে সরাসরি বাদ, প্রাক্তন সাংসদের নাম ঘিরে চাঞ্চল্য

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত নতুন তালিকায় বড় চমক সামনে এল। আগে যার নাম বিচারাধীন হিসেবে ছিল, দ্বিতীয় দফার তালিকায় সেই নামই সম্পূর্ণ বাদ পড়ে গেল। এই ঘটনায় জড়িত প্রাক্তন সাংসদ ও এসইউসি নেতা তরুণ মণ্ডল। তাঁর স্ত্রীর নামও আগে বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফার তালিকা প্রকাশ করে। তবে কত নাম রাখা হয়েছে বা কত নাম বাদ গেছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এর মধ্যেই জানা যায়, তরুণ মণ্ডলের নাম আর তালিকায় নেই।এক সময় রাজ্য রাজনীতিতে পরিচিত মুখ ছিলেন তরুণ মণ্ডল। তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জয়নগর কেন্দ্র থেকে সাংসদ হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে হাওড়ায় থাকেন। তাঁর নাম দক্ষিণ হাওড়া এলাকার একটি বুথে ছিল।প্রথম তালিকায় দেখা গিয়েছিল, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন। পরে শুনানির সময় তিনি একাধিক নথি জমা দেন। তারপর তাঁর নাম বিবেচনাধীন তালিকায় ওঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার তালিকায় তাঁর নাম সম্পূর্ণ বাদ পড়ে যায়।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তরুণ মণ্ডল। তিনি বলেন, তিনি সরকারি চাকরি করেছেন, পেনশন পান এবং সাংসদও ছিলেন। তিনি একাধিক নথি জমা দিয়েছেন। তবুও কেন তাঁর নাম বাদ গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি ও লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি লিখবেন। তাঁর মতে, একজন প্রাক্তন সাংসদের যদি এই পরিস্থিতি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা কমিশনের, থানার ওসিদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশ

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে একাধিক কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের পক্ষ থেকে থানার ওসিদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।নির্দেশ অনুযায়ী, আগের নির্বাচনের সময় হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং কোনও পরোয়ানা ১০ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না। থানাগুলিকে পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।এছাড়া, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশকে। অতীতে যেখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে, সেই সব এলাকা চিহ্নিত করে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অপরাধপ্রবণ এলাকা ও মাদক চক্র সক্রিয় এমন জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত টহল চালাতে হবে। সন্দেহজনক হোটেল, লজ বা অন্য জায়গায় তল্লাশি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কোনও অশান্তির খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে হবে।আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সব গাড়িতে তল্লাশি বাড়াতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সবসময় চালু রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজনৈতিক সভা, রোড শো এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন বা ঝুঁকিতে থাকতে পারেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভোট সংক্রান্ত সমস্ত আধিকারিক কমিশনের অধীনে কাজ করবেন এবং নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলকে আক্রমণ, বাম শাসনের প্রশংসা শাহর, রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় এসে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তিনি দাবি করেন, বর্তমান তৃণমূল সরকারের তুলনায় বাংলায় বামফ্রন্টের শাসন অনেক ভালো ছিল। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।কলকাতায় বিজেপির চার্জশিট প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, বাংলায় সোনার বাংলা গড়ার নামে হিংসা ও অরাজকতা বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছে এবং সিন্ডিকেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, তোষণের রাজনীতি করা হচ্ছে এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।শাহ দাবি করেন, পরিবর্তনের আশায় বাংলার মানুষ একসময় তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মনে করছেন, আগের বাম শাসনই ভালো ছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি তৃণমূল সরকারের সঙ্গে বাম আমলের তুলনা টানেন।এদিন তিনি তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রকাশ করেন। সেখানে দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এবারের নির্বাচনে বাংলার মানুষকে ভয় আর ভরসার মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে।শাহ আরও দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দেশের একাধিক রাজ্যে বিজেপি প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে। এবার বাংলাতেও বিজেপি বড় জয় পাবে বলে তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, অঙ্গ, বঙ্গ এবং কলিঙ্গে একই দলের সরকার গঠনের সময় এসে গেছে।এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বিস্ফোরক চার্জশিট অমিত শাহর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

বাংলায় এসে তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে চার্জশিট প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নিউ টাউনের একটি হোটেলে এই চার্জশিট প্রকাশ করেন তিনি। শাহর দাবি, এটি শুধু বিজেপির চার্জশিট নয়, বাংলার মানুষের অভিযোগের প্রতিফলন।তিনি বলেন, দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, শিল্প ও স্বাস্থ্যসব ক্ষেত্রেই তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরা হয়েছে এই নথিতে। তাঁর কথায়, গত ১৫ বছরে বাংলায় ভয়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং বিভেদের রাজনীতি চলেছে। এবার মানুষকে ঠিক করতে হবে তারা ভয়ের পক্ষে থাকবে, না উন্নয়নের পক্ষে।অমিত শাহ অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন। তিনি অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে এবং এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের জীবিকা দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অল্প সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে এবং সীমান্ত সুরক্ষিত করা হবে।বাংলায় বিজেপির ভোটের বৃদ্ধি নিয়েও তথ্য দেন শাহ। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে বিজেপির ভোটের হার অনেক বেড়েছে এবং রাজ্যে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে।অমিত শাহ বলেন, এই নির্বাচন বাংলার মুক্তির নির্বাচন। অনেক মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং পরিবর্তন চান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তিনি বারবার সহানুভূতি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল নেন। তবে বাংলার মানুষ এখন সেই রাজনীতি বুঝে গিয়েছেন।নারী নিরাপত্তার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। তিনি দাবি করেন, বাংলায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সমস্যা রয়েছে এবং বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণও তুলে ধরেন।এছাড়া তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় একই দলের সরকার গঠন হতে পারে। তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারীর নামও উঠে আসে, যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সভা শেষে হঠাৎ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা অভিষেকের

শনিবার বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শেষে হঠাৎ মঞ্চের একাংশে আগুন লাগে। এই ঘটনায় সভাস্থলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই আগুন লাগে। তিনি তখন হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথাও জানান।সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎ মঞ্চের উপরের অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সেখানে উপস্থিত দমকল কর্মীরা দ্রুত মঞ্চে উঠে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। নিরাপত্তার জন্য এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল ও পুলিশ।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও একটি সভা করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তিনি কলকাতায় ফিরে ভারচুয়াল মাধ্যমে প্রচার করবেন বলে জানা গেছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

রঘুনাথগঞ্জে সংঘর্ষে বিস্ফোরক মমতা, সরাসরি কমিশন ও বিজেপিকে দায়ী

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অফিসারদের সরিয়ে দিয়ে দাঙ্গা বাধানো হয়েছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, কাউকেই ছাড়া হবে না।শনিবার রানিগঞ্জের খান্দরা ফুটবল মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারা দাঙ্গা বাধানোর অধিকার দিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে টাকা ঢোকানো হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাম নবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে বের হওয়া হয়েছে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এই ঘটনার জন্য তিনি দুঃখপ্রকাশও করেন। বলেন, প্রশাসন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকায় কিছু ক্ষেত্রে গা ছাড়া মনোভাব দেখা গিয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখবেন।নির্বাচন ঘোষণার পর শীর্ষ স্তর থেকে জেলা প্রশাসনের একাধিক অফিসার বদলি করা হয়েছিল। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। তৃণমূলের দাবি, রঘুনাথগঞ্জের ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই সত্যি প্রমাণ করেছে।প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মতো এবারও রঘুনাথগঞ্জে রাম নবমীর শোভাযাত্রা বের হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল ম্যাকাঞ্জি পার্কের দিকে যাচ্ছিল। সিসাতলা এলাকায় একটি মিছিল পৌঁছলে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।মিছিলে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে এবং এলাকা মুহূর্তে অশান্ত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে বড় শোভাযাত্রা ফুলতলা মোড় এলাকায় পৌঁছলে আবারও উত্তেজনা ছড়ায়। দুই পক্ষের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি চলতে থাকে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন লাগিয়ে দেয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ। তাদের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
বিদেশ

গোপন ফোনালাপে তৃতীয় ব্যক্তি, মোদি-ট্রাম্প কথোপকথনে কেন মাস্ক

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হয়। সেই ফোনালাপে অপ্রত্যাশিতভাবে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলা উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প মোদিকে ফোন করেন। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ অভিযানের পর এই প্রথম দুই নেতার মধ্যে কথা হয়। সেই আলোচনায় মাস্কের উপস্থিতিকে অস্বাভাবিক বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ যুদ্ধের সময় এমন উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় তৃতীয় কোনও ব্যক্তির থাকা খুবই বিরল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, মাস্ক ফোনালাপে ছিলেন ঠিকই, তবে তিনি কথা বলেছেন কি না তা স্পষ্ট নয়। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো এবং তাঁদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।এই ফোনালাপে হরমুজ প্রণালী নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। দুই দেশনেতাই মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে খোলা ও নিরাপদ রাখা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই পথ বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, গত বছর প্রশাসন ছাড়ার পর ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal