• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Banner

রাজনীতি

Dilip Ghosh: মমতাকে কটাক্ষ করে দিল্লি গেলেন দিলীপও

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজকের দিল্লি সফর নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল চর্চা। এরই মধ্যে আজই আবার দিল্লি গেলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যাওয়ার আগে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি দিলীপ ঘোষও । মমতার দিল্লি যাত্রা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, মোদির কাছে হাতজোড় করতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী, মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচির সমালোচনা করতেও ছাড়েননি তিনি।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতদিলীপ বলেন,সংসদে সেশন চলছে। গত সপ্তাহে বিরোধীরা সংসদে কিছু কাজ করতে দেয়নি ।আশা করবো এবারে তারা সহযোগিতা করবে যাতে সংসদীয় কাজ ঠিক মত চলে। বিল পাশ হয়। সাধারণ মানুষের সমস্যা তুলে ধরা সম্ভব হয়। পশ্চিমবঙ্গে অনেকগুলো সমস্যা চলছে, হিংসা চলছে, ভ্যাকসিন নিয়ে দুর্নীতি চলছে ,ভুয়ো অফিসার নিয়ে মানুষ জেরবার। তাই এখান থেকে খানিকটা রিল্যাক্স করার জন্য দিল্লী যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাতিনি আরও বলেন, মোদিজির সঙ্গে দেখা করে উনি বলবেন যে বেতন দিতে পারছি না, মানুষের সেবা করতে পারছি না তাই সহযোগিতা করুন। না হলে তো আমার সরকার চলবে না। কংগ্রেসও খুব দুর্দশার মধ্যে আছে বিভিন্ন ঝামেলা নিয়ে। তারাও চাইছে ২৪ এর জন্য সেটিং শুরু করতে। এছাড়াও পেগাসাস নিয়ে ও বলতে শোনা যায় দিলীপকে। তিনি বলেন, পেগাসাস কি, খায় না মাথায় দেয় সাধারণ মানুষ জানেনা। কংগ্রেসের আজকে এত দুর্দশা কেন জানেন, সিপিআইএমের হাত ধরেছিল তাই। এখন তৃণমূলের হাত ধরতে চাইছে। কমপক্ষে ওই ঘটনা থেকে তৃণমূলের শিক্ষা নেওয়া উচিত।

জুলাই ২৬, ২০২১
দেশ

Pegasus-Congress: পেগাসাস-কাণ্ডে অভিষেকের পাশে কংগ্রেস

পেগাসাস কাণ্ডে কাছাকাছি কংগ্রেস-তৃণমূল! রবিবার কংগ্রেসের অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে একটি পোস্ট ঘিরে এমনই জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, নিজের শত্রুদের চোখে চোখে রাখতে হয়। এই প্রবাদ নিয়ে মোদি একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন। এই বক্তব্যটির নীচে দেওয়া হয়, হ্যাশট্যাগ পেগাসাসস্নুপগেট। টুইটটির সঙ্গে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। ছবির পাশে লেখা হয়েছে, আপনি ক্রোনোলজিটা বুঝুন। পেগাসাসে গুপ্তচরবৃত্তির লক্ষ্য। কে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো। কখন? ২০২১। কেন? পশ্চিমবঙ্গের ভোটের সময়। তার নীচে মন্তব্য, মোদি সরকারের নিরাপত্তাহীনতার শেষ নেই।PM Modi took the adage, keep your enemies closer a little too far. #PegasusSnoopgate pic.twitter.com/YfaIP2rH44 Congress (@INCIndia) July 25, 2021ইতিপূর্বে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন প্রকাশ্যেই। এ বার নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে অভিষেকের ছবি দিয়ে ফোনে আড়িপাতার ঘটনায় মোদি সরকারে বিরুদ্ধে সরব হয়ে এআইসিসি মমতাকে জোটের বার্তা পাঠিয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। উল্লেখ্য, সোমবার দিল্লি রওনা হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। চার দিনের দিল্লি সফরে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ২০২৪ সালের ভোট নিয়ে আলোচনাও হতে পারে তাঁর। তার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর ফোনে আড়িপাতার ঘটনা নিয়ে সরব হয়ে কৌশলেই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে আলোচনায় বসার বার্তাই পাঠিয়েছেন বলে মত অনেকের। তবে এই প্রতিবাদকে কংগ্রেসের তৃণমূলের প্রতি জোটবার্তা বলে মানতে চাননি রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব বিরোধী কোনও নেতার ফোনে আড়িপাতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই পারে। শুধুই অভিষেকই নয়, দেশের অনেক বিরোধী নেতা আছেন যাঁদের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ উঠেছে। শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্ব নন, দেশের বহু উল্লেখ্যযোগ্য মানুষের ফোনেও আড়ি পাতা হয়েছে। সবার আগে পুরো বিষয়টির তদন্ত হওয়া দরকার।এই ঘটনায় কংগ্রেস সার্বিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। এবং তা কোনও বিশেষ দলের জন্য নয়। প্রতিবাদ মানে এই নয় যে, কোনও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-meeting: দিল্লি সফরের আগেই মন্ত্রিসভার বৈঠক মমতার

তৃণমূলের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দিল্লিতে তৃণমূলের চেয়ারপার্সন হিসেবে প্রথম বৈঠকে থাকবেন তিনি। ওই দিনই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা। অন্যদিকে, দিল্লি যাওয়ার আগে তড়িঘড়ি সোমবারই মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, দিল্লি সফরের আগে সোমবার মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই দিন কলকাতার ও আশেপাশের জেলার মন্ত্রীদের বৈঠকে থাকতে বলা হয়েছে। এই বৈঠকটি ২ অগস্ট হওয়ার কথা ছিল। তবে তড়িঘড়ি বৈঠক কেন সে ব্যাপারে মন্ত্রীদের জানায়নি মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়। শোনা যাচ্ছে, সোমবার কোনও বড় ঘোষণা করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হবে। আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুপ্রধানমন্ত্রী সাক্ষাতের সময় দিয়েছেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বুধবার দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ওই দিনই তৃণমূলের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে প্রথম বৈঠকেও থাকবেন তিনি। উল্লেখ্য, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে দ্রুত মোদি বিরোধী জোট গঠনের ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার, দিল্লি সফরে একাধিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক হতে চলেছে তাঁর। চব্বিশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এবার থেকে একের পর এক কর্মসূচি আগামি দিনে মুখ্যমন্ত্রী নেবেন বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

জুলাই ২৫, ২০২১
রাজ্য

Utsoshree: শিক্ষকদের মমতার উপহার 'উৎসশ্রী' আসলে কী? জানুন

রাজ্যের শিক্ষকদের কথা ভেবে এবার মুখ্যমন্ত্রী উপহার উৎসশ্রী। রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বৃহস্পতিবার নতুন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত যে শিক্ষকরা বদলি চান, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই প্রকল্পের সূচনা বলেন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এই নতুন প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে উৎসশ্রী। এই প্রকল্পের সাহায্যে কোনও শিক্ষক যদি বাড়ির কাছাকাছি বদলি চান, তবে আবেদন জানাতে পারেন। যদিও সবাই মিলে একসঙ্গে বদলি চাইলে সেই দাবি পূরণ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেন মমতা।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রা গ্রেফতারের পর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট দিলেন শিল্পামুখ্যমন্ত্রীর কথায়,উৎসশ্রী প্রকল্পটা মূলত শিক্ষকদের জন্য। যারা হয়তো নিজের জেলায়, বা বাড়ির সামনে বদলি চায় তাঁদের জন্য। তবে একটা স্কুলের ১০ জন শিক্ষকের মধ্যে ১০ জনই যদি একই জায়গায় বদলি চায় সেটা দেওয়া সম্ভব হবে না। কিন্তু এটা যেভাবে হোক অ্যাডজাস্ট করে আমরা করে দেব। এই বিষয়ে রাজ্যের একটা নীতি আমরা আগেই বলেছিলাম। শিক্ষকদের যাতে অনেক দূরে যেতে না হয়, যতটা কাছাকাছি তাদের পোস্টিং করা যায়, সেই চেষ্টা আমরা করব।বদলির আবেদন জানানোর জন্য উৎসশ্রী নামের একটি পোর্টাল তৈরি করা হচ্ছে বলে এ দিন ঘোষণা করেন মমতা। সেই পোর্টালে শিক্ষকরা নিজেরাই বদলির আবেদন জানাতে পারবেন। সেটা দেখার পর রাজ্য সরকার এবং শিক্ষা দপ্তর বদলির বিষয়ে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু এই পোর্টালের নাম উৎসশ্রী কেন? ব্যাখা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এটা শিক্ষার ব্যাপার। এবং শিক্ষা সমস্ত কিছুর উৎস, এবং উৎস সবকিছুর শ্রী-বৃদ্ধি করে, তাই এটার নাম দেওয়া হয়েছে উৎসশ্রী।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Sand Mine: বালি খাদান নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের বালি খাদান নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটপর্বে বিরোধীদের অন্যতম ইস্যু ছিল কয়লা-বালি পাচার-চুরির অভিযোগ। এনিয়ে শাসকদলের একাধিক নেতাকে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। তাই এবার শক্ত হাতে রাশ টানার উদ্যোগ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের বালি খাদান নীতির কেন্দ্রীয়করণের কথা ঘোষণা করলেন। পাশাপাশি কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়ে দিলেন, স্থানীয় সম্পদ লুঠ করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছেন প্রণতি নায়েক, সুতীর্থা মুখার্জিরা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় আমাদের কাছে অভিযোগ আসে। বহুদিন ধরে চেষ্টা করেও কিছু স্থানীয় মাফিয়ার জন্য এটা করা যাচ্ছিল না। বালি, কয়লা, সুরকি, পাথর এগুলি প্রাকৃতিক সম্পদ, রাজ্যের সম্পদ। এগুলি জেলাশাসক স্থানীয়স্তরে নিলাম করলে বা পাঁচ বছরের জন্য যদি কাউকে দেন তাহলে তাঁর যতটা নেওয়ার কথা তার চার গুণ নিয়ে পালিয়ে যায়। এর জেরে প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট হয়, পরিবেশের ক্ষতি হয় এবং সরকারের রোজগারও কমে যায়। তাই আমরা মিনারেল মাইনিং কর্পোরেশনকে শক্তিশালী করছি। জেলাশাসকদের হাতে আগে নিলাম করার দায়িত্ব ছিল। সেখান থেকে ওটা সরিয়ে নিয়ে এবার মিনারেল মাইনিং বোর্ডের কাছে দেওয়া হচ্ছে। চিফ ও ফাইনান্স সেক্রেটারি এর তদারকি করবেন। সিসিটিভি থেকে শুরু করে ডিজিটাল যা যা সিস্টেম আছে সব করা হবে। যাতে আগামী দিনে সকলেই মনে রাখে স্থানীয় সম্পদ লুঠ করা যাবে না।তিনি আরও বলেন, বালি প্রাকৃতিক সম্পদ। রাজ্যের সম্পদ। মাটি-সুরকি রাজ্যের সম্পদ। কয়লা কেন্দ্রীয় সরকারের আওতায়। কিন্তু, ওরা দোষ দিয়ে বেড়ায় অন্য লোকের। সিআইএসএফকেও একটু শক্তভাবে বিষয়টা দেখতে হবে। আমাদের আইন-শৃঙ্খলার মধ্যে যতটা পড়বে আমরা করব। এখন থেকে শক্ত হাতে বিষয়টাকে ধরার চেষ্টা করছি। জনগণের জন্য ফোন নম্বর দিয়ে দেওয়া হবে। যদি দেখেন কেউ আপনার এলাকায় এসব করে খাচ্ছে, সোজা অভিযোগ জানান। সেই অনুয়ায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তা সেই কোনও আধিকারিক হোক বা রাজনৈতিক নেতা বা কোনও কর্মচারী।

জুলাই ২২, ২০২১
দেশ

Dainik Bhaskar: কর ফাঁকির অভিযোগে 'দৈনিক ভাস্কর'-এ আয়কর হানা

ফের গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের চেষ্টা। এবার একটু অন্যরকমভাবে। কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে দৈনিক সংবাদপত্র দৈনিক ভাস্কর-এর একাধিক অফিসে হানা দিলেন আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার দিল্লি, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, রাজস্থানের জয়পুর, গুজরাতের আমদাবাদ-সহ পত্রিকার বেশ কয়েকটি অফিসে হানা দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করলেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। টুইট করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।The attack on journalists media houses is yet another BRUTAL attempt to stifle democracy.#DainikBhaskar bravely reported the way @narendramodi ji mishandled the entire #COVID crisis and led the country to its most horrifying days amid a raging pandemic. (1/2) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) July 22, 2021প্রসঙ্গত, কোভিড দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে দেশ জুড়ে চরম অব্যবস্থা নিয়ে লাগাতার লেখালেখি চলেছিল দৈনিক ভাস্কর-এ। বিরোধীদের দাবি, সরকারি তরফে সে সময়ে যা যা দাবি করা হয়েছিল, সেই সব দাবিকে খণ্ডন করে সত্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল এই সংবাদপত্র। তার জেরে সরকারের অস্বস্তি বেড়েছিল বলে দাবি তাঁদের। দৈনিক ভাস্করের অফিসে আয়কর দপ্তরের হানা দেওয়া প্রসঙ্গে টুইটারে মমতা লেখেন, দেশের সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যমগুলির উপর আক্রমণ গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধেরই প্রচেষ্টা। অতিমারি পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্যর্থতাই তুলে ধরেছিল দৈনিক ভাস্কর। পরে আরও একটি টুইটে তিনি লেখেন, যারা সত্য তুলে ধরছে, তাদের মুখ বন্ধ করার এই প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা করছি। মিডিয়ার সঙ্গে যুক্তদের বলব, আপনারা শক্ত থাকুন। আমরা একসঙ্গে থাকলে স্বৈরাচারি শক্তি কোনও দিনই জিততে পারবে না।

জুলাই ২২, ২০২১
কলকাতা

United India: শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে 'ইউনাইটেড ইন্ডিয়া'র ডাক

শহিদ দিবসে তৃণমূল নেত্রীর বার্তা শোনাতে দিল্লির কনস্টিটিউশন হলে জায়ান্ট স্ক্রিন লাগানো হয়েছিল। সেই হলে এদিন অভিনব বিরোধী জোটের সাক্ষী রইল গোটা দেশ। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা শুনতে দিল্লির কনস্টিটিউশন হলে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা তথা দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম, দিগ্বিজয় সিং, এনএসপি প্রধান শরদ পওয়ার, নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে, সমাজবাদি পার্টি নেত্রী জয়া বচ্চন। উপস্থিত ছিলেন রামগোপাল যাদব, ত্রিরুচি শিবা, কেশব রাও (টিআরএস), সঞ্জয় সিং, মনোজ ঝাঁ, প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী (শিব সেনা), বলবিন্দর সিং ভাণ্ডারি (অকালি দল)। রাজনৈতিক মহল বলছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি বিরোধী জোটের সলতে এদিন পাকিয়ে ফেলল তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ লন্ডনের পর্ন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাজ কুন্দ্রা!শহিদ দিবসের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান থেকে অবিজেপি নেতাদের তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, বাংলা দেখিয়েছে। সব রাজ্যকে বলছি, যান নিজেদের দলকে বোঝান। সবাই মিলে ফ্রন্ট বানান। রোগী মৃত্যুর পর ডাক্তার এলে কোনও লাভ হয় না। এখন আর সময় নেই। আমি দিল্লি যাচ্ছি। ২৬, ২৭, ২৮ এর মধ্যে কোনও মিটিং ডাকতে পারলে ডাকুন। সবাইকে মিলিয়ে আমরা ইউনাইটেড ইন্ডিয়া করতে চাই। এমনকী, জাতীয়স্তরে বিজেপি বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলারও ডাক দিয়েছেন তিনি। এদিন তিনি আরও বলেন, উন্নততর তৃণমূল গড়তে হবে। তবেই উন্নততর দেশ গড়তে পারব। তৃণমূল নেত্রীর কথায়, নির্বাচনের আগে আড়াই বছর এখনও বাকি।ভোটের আগে জোট বেঁধে লাভ হবে না। আমাদের এখন থেকেই জোট বাঁধতে হবে। ভারতবাসীকে আলো দেখাতে হবে।

জুলাই ২১, ২০২১
কলকাতা

Khela Hobe Diwas: ২৪-এর লক্ষ্যে রাজ্যে রাজ্যে 'খেলা দিবস' উদযাপন

খেলা এখনও শেষ হয়নি। বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে না সরানো পর্যন্ত খেলা চলবে। একুশের মঞ্চ থেকে জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘোষণা করলেন, ১৬ অগস্ট উদযাপিত হবে খেলা হবে দিবস হিসেবে। বাংলায় ভোটে খেলা হবে স্লোগান দিয়েছিল তৃণমূল। সেই খেলায় জয় হয়েছে নেত্রীর। তবে খেলা এখনও শেষ হয়নি। ২৪-র লক্ষ্য বেঁধে দিলেন মমতা। তাঁর কথায়,খেলা হবে। খেলা একটা হয়েছে। ৫ মে যার রেজাল্ট আপনারা দেখতে পেয়েছেন। খেলা আবার হবে। যত দিন বিজেপিকে ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়িত না করতে পারি ততদিন রাজ্যে রাজ্যে খেলা হবে। খেলা হবে বুথে বুথে। সমস্ত জায়গায় খেলা হবে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?খেলা হবে দিবস উদযাপনের কথা বিধানসভায় জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন দিনক্ষণ বলে দিলেন। মমতা জানান,পশ্চিমবঙ্গে খেলা হবে দিবস আমরা পালন করব। ১৬ অগস্ট পালিত হবে। ওই দিন আমরা যে যেখানে পারব কিছু ফুটবল দেব। যারা এই সব নিয়ে খেলাধুলো করবে। খেলা ছাড়া জীবন গড়ে ওঠে না। খেলা সুস্থ, সভ্য, মানবিক সংস্কৃতির প্রতীক। আজ আমাদের দেশের স্বাধীনতা বিপদে। এদিকে মমতার ঘোষণার পরই তাঁকে নিশানা করে বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর কালো অধ্যায়কে মনে করান। টুইটে স্বপন দাশগুপ্ত লেখেন, ১৬ অগস্টকে খেলা হবে দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৪৬ সালে এই দিনেই মুসলিম লিগ তাদের ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে এবং গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং শুরু করেছিল। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে খেলা হবে স্লোগান বিরোধীদের উপর অত্যাচারের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

জুলাই ২১, ২০২১
রাজনীতি

CM Speech: মমতার একুশের বার্তা শুনবে ৭ রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী একুশের বার্তা শুনবে ৭ রাজ্য। বিধানসভা নির্বাচনে ল্যান্ডস্লাইড ভিকট্রি পাওয়ার পর প্রথম শহিদ দিবস পালন হতে চলেছে। তাও দিল্লির দরবার থেকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বার্তা প্রচার করবেন। এবারের কর্মসূচির একটা অন্যতম আকষর্ণ ভিনরাজ্যে মমতার ভাষণের সরাসরি সম্প্রচার। দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবের পাশাপাশি গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, অসম, ত্রিপুরা, তামিলনাড়ু, ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন এলাকায় তার সম্প্রচার হবে। আরও পড়ুনঃ আজ থেকে শুরু উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউসূত্রের খবর, গুজরাতের ৩২টি জেলায় ৫০টি স্ক্রিন বসানোর কথা হয়েছে। প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, এবার বিধানসভা ভোটে বড় সাফল্যে পর স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের বাইরে নেত্রীর ভাষণ শুনতে চাইছেন অসংখ্য মানুষ। এছাড়া অবিজেপি রাজ্যে গিয়ে মমতার কর্মসূচি নিয়েও একপ্রস্থ আলোচনা সারা। একুশের কর্মসূচির কদিন পরই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা। বাদল অধিবেশন চলছে এখন। ফলে এ সময় মমতাকে ঘিরে আলাদা আকর্ষণ তৈরি হবে। তিনি নিজেও জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। পাশাপাশি অবিজেপি দলগুলির নেতৃত্বের সঙ্গেও বৈঠকের পরিকল্পনা সামনে এসেছে। ফলে হাইভোল্টেজ সফর। তার আগে দিল্লির উদ্দেশে মমতার বার্তা চূড়ান্ত উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে কর্মীসমর্থকদের মধ্যে।

জুলাই ১৯, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Bannerjee: কলার টিউনে 'বাংলার যুবরাজ'

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বাংলার যুবরাজ গানটি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধীদের আক্রমণ উপেক্ষা করে দলকে জয় ছিনিয়ে এনে দিতে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সেই ভূমিকাকেই গানের আকারে ছড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। এবার সেই গানকেই কলার টিউন করে বাজারে ছাড়া হল। আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রদেশবাসীর কাছে সহজেই এই গান কলার টিউন হিসেবে পৌঁছে দিতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মোবাইল ফোনের যে কোনও নেটওয়ার্ক ইউজাররাই কলার টিউন হিসেবে গানটি ব্যবহার করতে পারবেন। বিভিন্ন অ্যাপ থেকে কলাজ টিউনটি ডাউনলোড করা যাবে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
কলকাতা

NHRC Report: ভোট পরবর্তী হিংসায় মানবাধিকার কমিশনের বিস্ফোরক রিপোর্ট, পালটা মমতা

পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে হাইকোর্টে বিস্ফোরক রিপোর্ট জমা দিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদল। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো ভোট পরবর্তী হিংসায় কবলিত রাজ্যের একাধিক জায়গা ঘুরে আলাদতে এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্যে আইনের শাসন নয়, শাসকের শাসন চলছে।এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই ক্ষোভে রীতিমতো ফেটে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পালটা তোপ দেগে তিনি বলেন, কমিশনের নামে মিথ্যা রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে আদালতে।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংমানবাধিক কমিশনের এই বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠকে বিষয়টি তোলা হলে তিনি ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আদালতে জমা পড়া রিপোর্ট কেন প্রকাশ্যে এল সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ পক্ষাপাতমূলক একটা রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। রাজ্যকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। উত্তরপ্রদেশের নদী থেকে লাশ গঙ্গায় ভেসে আসার সময় মানবাধিকার কমিশন কোথায় থাকে। যদিও বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন, কোনও মন্তব্য করব না। কিন্তু যা হয়নি তা নিয়ে মিথ্যা প্রচার চলছে। উত্তরপ্রদেশ বিজেপি শাসিত রাজ্য বলে ওদের সাত খুন মাফ। ভোটের আগে যে হিংসা হয়েছে তখন নির্বাচন কমিশন দায়িত্বে ছিল। বিজেপি হার হজম করতে পারছে না। তাই হারের পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এইসব অভিযোগ তুলছে।আরও পড়ুনঃ জেএমবি-কাণ্ডে ধৃত মূল লিঙ্কম্যানভোট পরবর্তী হিংসার যে যে অভিযোগ রাজ্যে উঠেছিল, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের ঘুরে দেখে একটি রিপোর্ট জমা দিতে বলেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রিপোর্টই বৃহস্পতিবার আদালতে জমা পড়ে। রিপোর্টে উঠে আসে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হিংসার ঘটনায় যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রতি রাজ্য সরকার চরম উদাসীন আচরণ দেখিয়েছে। এখানেই শেষ নয়। হিংসার ঘটনার কারণে একাধিক পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে। খুন, অস্বাভাবিক মৃত্যু ও ধর্ষণের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্যের বাইরে মামলা হওয়া বাঞ্ছনীয় বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করেছে মানবাধিকার কমিশন। এর পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে একটি সিট গঠন করে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। যারা আহত বা মৃত, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিশন।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

Mamata-Dhankhar: নবান্ন ফেরত হঠাৎ রাজভবনে মমতা

বুধবার ফের একবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্ন থেকে ফেরার পথে হঠাৎই রাজভবনে ঢুকে যান মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, রাজ্যপালের সঙ্গে কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে তিনি রাজভবনে এই সফর করছেন। যদিও ঠিক কী নিয়ে রাজ্যের প্রশাসনিক এবং সাংবিধানিক প্রধানের আলোচনা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে প্রায় ২ ঘণ্টা সময় কাটিয়ে বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বেরিয়ে আসেন মমতা।আরও পড়ুনঃ আবার লালহলুদে ভাঙন, ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে পুরনো ক্লাবে ব্রাইট সূত্রের খবর, রাজ্যে বিধান পরিষদ তৈরি করতে চেয়ে রাজ্য সরকার যেহেতু সক্রিয়তা দেখাচ্ছে, ফলে সেই বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়ে থাকতে পারে দুজনের মধ্যে। বুধবার নবান্নে করোনা বিধি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে বেরিয়ে সোজা রাজভবনের দিকে ঘুরে যায় তাঁর গাড়ির চাকা। সূত্রের খবর, এ দিন পৌনে ৪ টে নাগাদ রাজভবনে ঢোকেন মমতা। সূত্রের খবর, ভোট পরবর্তী হিংসা প্রসঙ্গেও রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর সামনে মুখ খুলতে পারেন। এ ছাড়াও বিধানসভায় মুকুল রায়কে পিএসি চেয়ারম্যান করার প্রতিবাদে গতকালই রাজভবনে গিয়ে নালিশ জানিয়ে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীরা। সেই নিয়েও মমতা ধনখড়ের আলোচনা হয়ে থাকতে পারে।

জুলাই ১৪, ২০২১
কলকাতা

Nandigram-High Court: নন্দীগ্রামের ভোট সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের

নন্দীগ্রামে (Nandigram) ভোট সংক্রান্ত যাবতীয় নথি, ভিডিও সংরক্ষিত রাখতে হবে। বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মামলা গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) এই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এ দিন এই মামলায় সমস্ত পার্টিকে নোটিস পাঠিয়েছে আদালত। এ ছাড়া গণনাকেন্দ্রে যে রিটার্নিং অফিসার ছিলেন তাঁকে ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিসের একটি করে কপি দেওয়া হবে। এ ছাড়া মামলার নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব নথি সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকারের এজলাসে চলছে এই মামলার শুনানি।আরও পড়ুনঃ কাপ্পার কবলে এবার রাজস্থানও নন্দীগ্রামের ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ওই রায় চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর আবেদনপত্র স্ক্রুটিনি করেছেন রেজিস্টার। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী পিটিশনে কোন ত্রুটি নেই। এরপর নন্দীগ্রাম মামলা গ্রহণ করে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ভোট সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও ভিডিও সংরক্ষণ করার জন্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে নির্দেশ দেয় আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ অগস্ট। মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী পিটিশন মামলা ওঠে বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে। বিচারপতি চন্দের সঙ্গে বিজেপি যোগের অভিযোগ তুলে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মামলা প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কায় অন্য বেঞ্চে সরানোর আর্জি করেন। বিচারপতি কৌশিক চন্দকেও চিঠি দেন। এরপর নন্দীগ্রাম মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি চন্দ। একইসঙ্গে বিচারব্যবস্থাকে কলুষিত করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন তিনি। সোমবার এজলাস বদল হয়। মামলা ওঠে বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে।

জুলাই ১৪, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Prashant: ভরসার পাত্র ভোটকুশলীকে এখনই ছাড়তে নারাজ মমতা

বাংলায় বড় জয়ের পিছনে কৌশল ছিল ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের। ফল ঘোষণার পরই ভোটকুশলী পদ ছেড়ে দেওয়ার দাবিও করেন। কিন্তু, এত সহজে যে তাঁকে ছাড়া যাবে না তা প্রমাণ করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভরসার পাত্র প্রশান্তকে সম্ভবত এখনই ছাড়তে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার দু্পুরে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে প্রায় ৩ ঘণ্টা বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী সপ্তাহে জেলাস্তরের সাংগঠনিক রদবদলের আগে ভোটকৌশলীর সঙ্গে নেত্রীর আলোচনা হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর। আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত ৫২ভোটের পর এক নেতা এক পদ নীতি চালু শুরু করেছে তৃণমূল। জেলাতেও সেই হিসেবে সংগঠনে বদল আনা হচ্ছে। তার আগে প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা (Mamata Banerjee)। সূত্রের খবর, ঘণ্টা তিনেক ধরে চলে বৈঠক। জেলার সংগঠন নিয়ে প্রশান্তের মত জানতে চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নিয়েও কথা হয়েছে দুজনের।২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে বাংলায় প্রথমবার ১৮টি আসন জিতে তৃণমূলকে চাপে ফেলে দিয়েছিল বিজেপি। ভোটের পরই প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) রণনীতি তৈরি হয়। আইপ্যাকের কাজকর্ম নিয়ে তৃণমূল নেতাদের একাংশ আপত্তি করলেও আগাগোড়া প্রশান্তের পাশে ছিলেন অভিষেক। ভোটকৌশলীর মস্তিষ্কপ্রসূত বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়, বাংলার গর্ব মমতা, দিদিকে বলোর মতো কর্মসূচিতে নতুন উদ্যম পায় শাসক দল। সেই সঙ্গে নবান্নের তরফে দুয়ারে সরকার প্রকল্প। অমিত শাহ ২০০টি আসনপ্রাপ্তির দাবি করলেও বিজেপি একশোও পেরোবে না বলে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন প্রশান্ত। কার্যক্ষেত্রে হলও তাই। বিজেপি থমকে যায় ৭৭ আসনে। দুশোর বেশি আসন পেয়ে হ্যাটট্রিক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইপ্যাকের সঙ্গে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ায় তৃণমূল। এদিনের বৈঠকের পর ভোটকুশলীর বৈঠকের পর রাজ্যে ফের বড়সড় রদবদল হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৯, ২০২১
কলকাতা

Nandigram Case: মমতাকে জরিমানা করে নন্দীগ্রাম মামলা থেকে সরলেন কৌশিক চন্দ

নন্দীগ্রাম মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। তিনি নিজেই বুধবার বেলা ১১টা নাগাদ সেই রায় ঘোষণা করলেন। সেই সঙ্গে মামলাকারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানাও করল কলকাতা হাইকোর্ট।বিচারব্যবস্থাকে কলুষিত করার জন্যই জরিমানা করা হয়েছে। ওই জরিমানার অর্থ জমা দিতে হবে রাজ্য বার কাউন্সিলে, যা পরবর্তীকালে কোভিড চিকিৎসায় ব্যবহৃত হবে। এ বার এই মামলা কোন বেঞ্চে যাবে, মাস্টার অব রোস্টার হিসেবে তা ঠিক করবেন হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল।আরও পড়ুনঃ কলকাতায় সেঞ্চুরি হাঁকাল পেট্রলমামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি চন্দ স্পষ্ট জানান, তাঁর বিরুদ্ধে মামলাকারীর পক্ষ থেকে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার জন্য তিনি সরছেন না। বরং, বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ার কারণেই তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, আমার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দলের গভীর সম্পর্ক রয়েছে, তাই মামলাটি ছেড়ে দেওয়া উচিত এই অভিযোগের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সাধারণ মানুষের উপর ছাড়া যায় না। এটা বিচারপতি ঠিক করবেন। কারও কোনও রাজনৈতিক পছন্দ থাকতে পারে না, এটা এ দেশে প্রায় অসম্ভব। বিচারপতিরাও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন। তাঁরাও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন। তাছাড়া বিচারপতির নিয়োগ সংক্রান্ত সিক্রেট রিপোর্ট জনসমক্ষে আনাটা কি ঠিক? একজন মুখ্যমন্ত্রী গোপনীয়তা বজায় রাখারও শপথ নেন।মামলার রায় ঘোষণার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্ট শেখ সুফিয়ান বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রীকে এই ভাবে জরিমানা করা লজ্জাজনক ঘটনা। এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ব্যবস্থা করছি। মমতাকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানার বিরুদ্ধে সরব হয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ তথা জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ওব্রায়েন টুইটে লেখেন, আমরা এমন একটা পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে সত্যি কথা বলার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা দিতে হয়। আমরা এমন একটা পৃথিবীতে বাস করি যেখানে মিথ্যে প্রচারের জন্য কোনও দাম দিতে হয় না। প্রসঙ্গটা ধরা গেল? মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায় ।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজনীতি

CM letter to PM: পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মোদিকে প্রতিবাদী চিঠি মমতার

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিবাদী চিঠি মমতার। আগামী ১০ ও ১১ জুলাই রাজ্যজুড়ে জ্বালানি তেলের মৃল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে তৃণমূল কংগ্রেস। তার আগেই আজ পেট্রোপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যেভাবে পেট্রোপণ্যের দাম বেড়েছে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এর জন্য কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ করা উচিত।আরও পড়ুনঃ জল্পনার অবসান, তৃণমূলেই যোগ দিলেন প্রণবপুত্র অভিজিৎমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, পেট্রোলের দাম কোনও কোনও রাজ্যে একশো টাকা ছুঁয়েছে। গত ৪ মে থেকে কেন্দ্র এখনও পর্যন্ত ডিজেলের দাম ৮ বার বাড়িয়েছে। এর মধ্যে জুনেই দাম বেড়েছে ৬ বার। এর ফলে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কারণ জ্বালানির মূল্যবৃ্দ্ধির প্রভাব সরাসরি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের উপরে পড়ছে। প্রধানমন্ত্রীকে(Narendra Modi) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) মনে করিয়ে দিয়েছেন, ২০২০ সালের মে মাসের তুলনায় এবছর মে মাসে খুচরো পণ্যের দামের সূচক বেড়েছে ১২.৯৪ শতাংশ। ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে ৩০.৮ শতাংশ, ডিমের দাম বেড়েছে ১৫.২ শতাংশ, ফলমূলের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ। এর পেছনে প্রত্যক্ষভাবে দায়ি জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, পেট্রোলিয়াম প্রোডাক্ট থেকে সরকারের কর আদায় বেড়েছে ৩৭০ শতাংশ। এর পেছনে রয়েছে ওইসব পণ্যের উপরে কেন্দ্রের লাগাতার শুল্ক বৃদ্ধি। এরকম এক পরিস্থিতিতে রাজ্যসরকার পেট্রোল ও ডিজেলের উপরে শুল্কে কিছুটা ছাড়া দিয়েছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রে সেস বাড়িয়েই চলেছে। আমার অনুরোধ, মানুষের উপর চাপ কমানোর জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের উপরে কর কম করুক কেন্দ্রীয় সরকার।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

TMC-Tushar Mehta: বিজেপির 'সিক্রেট জেনারেল' তুষার, অভিষেকের টুইট তোপ

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ও শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎ ঘিরে ইতিমধ্যেই তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল। তুষার মেহতার অপসারণের দাবিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার কথাও তৃণমূল শিবিরের। এরইমধ্যে সোমবার টুইট করে সলিসিটর জেনারেলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তুষারকে বিজেপির সিক্রেট জেনারেল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। আরও পড়ুনঃ বাড়ির পোষা কুকুরের নীরবতাই কাল হল ডাকাতদলেরটুইটে অভিষেক লেখেন, ৭২ ঘণ্টা পরেও নিজের মন্তব্যের সমর্থনে ২০ মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করতে পারেননি তুষার মেহতা। মিস্টার এসজি, এই দুর্বল রক্ষণ নিয়ে আপনি বিজেপি-র সিক্রেট জেনারেল হিসাবে কাজ করতে পারবেন, ভারতের সলিসিটর জেনারেল হিসাবে নয়। এর আগে রবিবার দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনও রবিবার সকালে টুইট করে কাঠগড়ায় দাঁড় করান সলিসিটর জেনারেলকে।Even after 72 hours, Mr Tushar Mehta, Honble SG of India, has failed to release the 20 mins of CCTV footage of his OWN HOUSE to corroborate his OWN STATEMENT.Mr SG, with such weak defence you can continue serving as @BJP4Indias SECRET GENERAL, not INDIAS SOLICITOR GENERAL. Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) July 5, 2021বৃহস্পতিবার তুষারের দিল্লির বাড়িতে শুভেন্দু গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন কুণাল। শনিবার তৃণমূল দলীয় ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে এই ঘটনার জন্য সলিসিটার জেনারেলের অপসারণ দাবি করে। সেই সময়ও তুষারের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছিলেন অভিষেক। যদিও তুষার জানিয়েছেন, শুভেন্দু তাঁর বাড়িতে এলেও সাক্ষাৎ হয়নি। একই দাবি করেছেন শুভেন্দুরও। যদিও তা মানতে নারাজ তৃণমূল।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

CM-Dhankhar: অতীত টেনে রাজ্যপালকে পালটা দুর্নীতিগ্রস্ত বললেন মমতা

উত্তরবঙ্গ সফর শেষে কলকাতায় ফেরার আগেই জিটিএ-কে দুর্নীতির আখড়া বলে চিহ্নিত করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। ক্যাগ (CAG) অডিট করানোর কথাও বলেছিলেন। এবার তারই জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আর তা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তীব্র আক্রমণ শানালেন। বলেন, উনি নিজে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত। হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে কার নাম উল্লেখ ছিল? তারপর কীভাবে পার পেয়েছেন? জিটিএ-র দুর্নীতির কথা বলার আগে উনি কাদের নিয়ে, কত খরচ করে দার্জিলিং গেলেন, রাজভবনে কত খরচ হলো, সেসব নিয়ে তদন্ত হোক। আর ক্যাগ (CAG) দিয়ে জিটিএ-র অডিটের বিরোধিতায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, রাজ্য সরকার নিজেই তার অডিট করছে, ক্যাগ (CAG) অডিট প্রয়োজন নেই।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ কবীর সুমনএদিন অতীত টেনে এনে রাজ্যপালকে বিদ্ধ করার পাশাপাশি ফের রাজ্যপালের অপসারণের দাবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, যতদিন এ রাজ্যের দায়িত্বে রয়েছেন, ততদিন কাজ করব একসঙ্গে। এটা সৌজন্য, কর্তব্য। ওঁকে সরানোর জন্য তিনটে চিঠি দিয়েছি কেন্দ্রকে। তাদের এবার বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলে মনে হয়। এখনও কেন্দ্রের তরফে কোনও উত্তর পাইনি। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত বাংলার পরিচিত ছবি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সঙ্গে রাজভবনের একটা দ্বন্দ্ব চলছে বরাবর। এমনকী তৃতীয়বার রাজ্যের ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই তাঁর সমালোচনা করেন। তা নিয়েও বেশ জলঘোলা হয়েছিল। এবার দুর্নীতির মতো ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীও কড়া ভাষায় তাঁকে পালটা আক্রমণে নামলেন।

জুন ২৮, ২০২১
দেশ

Narad-Supreme Court: মমতার আবেদনে সাড়া সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টকে হলফনামা জমা নেওয়ার নির্দেশ

নারদ মামলায় (Narada case) কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ জারি করল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের দায়ের করা হলফনামা গ্রহণ করতে হবে হাইকোর্টকে (Calcutta HC)। এই মর্মে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ২৯ জুন, মামলার পরবর্তী শুনানির দিনই তা গ্রহণ করতে হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মলয় ঘটককে নতুন করে হলফনামা জমা দিতে হবে। তা রেকর্ডও করতে হবে। এমনই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। ফলে নারদ মামলায় আপাতত স্বস্তিতে রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ-কাণ্ডে কারগিল থেকে ধৃত ৪ পড়ুয়ামুখ্যমন্ত্রীদের জবাবি হলফনামা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। সময়ের মধ্যে হলফনামা পেশ করা হয়নি, এই যুক্তিতে তাঁদের হলফনামা উচ্চ আদালত তা খারিজ করে। তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ২১ তারিখ নারদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে মঙ্গলবারের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর বেঞ্চে শুনানির কথা থাকলেও, শুরুতেই নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু। তৈরি হয় নতুন বেঞ্চ। বিচারপতি বিনীত শরণ ও বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর নতুন বেঞ্চ তৈরি করে শুনানি হয়। এরপর শুক্রবার নারদ মামলার শুনানিতে বিচারপতিরা জানান, কলকাতা হাইকোর্টকে এই হলফনামা গ্রহণ করতে হবে। নতুন করে হলফনামা পেশ করতে হবে এবং তার রেকর্ড রাখতে হবে।

জুন ২৫, ২০২১
রাজ্য

Student Credit Card: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড

কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প। আগামী ৩০ জুন এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ সিএবি-র উদ্যোগে ক্রিকেটারদের ৫ দিন ব্যাপী টিকাকরণ অভিযাননির্বাচনের আগে ইস্তেহারে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল (TMC)। সেখানে বলা হয়েছিল, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের কথা। এই প্রকল্পে পড়াশোনার জন্য পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা ঋণ দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে এই প্রকল্প। তিনি জানিয়েছেন, দশম শ্রেণি থেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন পড়ুয়ারা। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাএদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পড়ুয়াদের ঋণ দেওয়ার যে প্রকল্পের কথা জানানো হয়েছিল, তা মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে। আজকের দিনটি পড়ুয়াদের। রাজ্যে দশম শ্রেণিতে প্রতিবছর কম-বেশি ১০ লক্ষ পড়ুয়া থাকে, দ্বাদশ শ্রেণিতে থাকে সাড়ে ৯ লক্ষ। দশম থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর-সহ যাবতীয় পড়াশোনার জন্য রাজ্যের তরফে এবার পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। যা ক্রেডিট হবে তা ফেরত দেওয়ার জন্য চাকরি পাওয়ার পর ১৫ বছর সময় পাবেন পড়ুয়ারা।

জুন ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal