• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Asansol

রাজনীতি

বিধাননগরে মেয়র কৃষ্ণাই, চেয়ারম্যান সুব্রত, ঘোষিত ৩ পুর নিগমের মেয়রের নামও

তিন পুরনিগমের মেয়র পদে দলের বিশ্বস্ত সৈনিকদেরই বেছে নিল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। বিধাননগরের মেয়রের দায়িত্ব ফের দেওয়া হয়েছে কৃষ্ণা চক্রবর্তীকে। ডেপুটি মেয়র করা হয়েছে অনিতা মণ্ডলকে। বিজেপি থেকে ঘর ওয়াপসি করা সব্যসাচী দত্তকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আসানসোল পুর নিগমের মেয়র হয়েছেন বিধান উপাধ্যায়কে। আর চন্দননগরের মহানাগরিকের দায়িত্ব ফের বর্তেছে রাম চক্রবর্তীর কাঁধে। শুক্রবার দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক শেষে এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী ও কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম।গত সোমবার চার পুরনিগমের ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই শিলিগুড়ি পুরনিগমের মেয়র হিসেবে দলের দীর্ঘদিনের নেতা গৌতম দেবের নাম ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাকি তিন পুরনিগমের মেয়র পদ নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই জল্পনা শুরু হয়েছিল, তিন পুরনিগমের মেয়র পদে কারা বসবেন তা নিয়ে। একাধিক নামও বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছিল। বিধাননগরের মেয়র পদে দৌড়ে যেমন কৃষ্ণা চক্রবর্তী, সব্যসাচী দত্তের নাম নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল, তেমনই আসানসোলের মেয়র হিসেবে বর্তমান প্রশাসক অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটকের ভাই অভিজিৎ ঘটকের নাম নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল।এদিন কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক বসেছিল। ওই বৈঠকেই তিন পুরনিগমের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও চেয়ারম্যানকে বেছে নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, আসানসোলের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন বিধান উপাধ্যায়। দুজনকে ডেপুটি মেয়রের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। অভিজিৎ ঘটক ও ওয়াসিমুল হক ওই দায়িত্ব পাচ্ছেন। চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলাবেন অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। চন্দননগরের মেয়রের দায়িত্ব থাকছে রাম চক্রবর্তীর কাঁধেই। বিধাননগরের মেয়রের দায়িত্ব পাচ্ছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র হচ্ছেন প্রাক্তন সাংসদ মনোরঞ্জন ভক্তের মেয়ে অনিতা মণ্ডল। চেয়ারম্যান হচ্ছেন প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। পুরবোর্ডের বাকি পদাধিকারীদের পরে বেছে নেওয়া হবে বলে এদিন জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজনীতি

দিদি-ঝড়ে চার পুরনিগমে সবুজ ঢেউ

সোমবার ভোটগণনা শুরুর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল ছবিটা। শিলিগুড়ি, আসানসোল, চন্দননগর এবং বিধাননগরের পুরনিগম চলে আসে তৃণমূলের দখলে। এই অভূতপূর্ব জয়ে মানুষকে ধন্যবাদ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে বিজেপিকে একহাত নিয়ে বলে দেন, কোনও কাজ না করার জন্যই শিলিগুড়িতে ভরাডুবি হয়েছে গেরুয়া শিবিরের।সোমবার বিধাননগর পুরনিগমের ৪১ টি ওয়ার্ডের ২০৩ প্রার্থীর ভাগ্য গণনা শুরু হয়। প্রথম থেকেই দেখা যায়, বিধাননগরে একাধিক ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই এই পুরনিগমের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়লাভ করেছেন তাপস ভট্টাচার্যের কন্যা আরাত্রিকা ভট্টাচার্য। তিনি ১০ হাজার ৩৪২ ভোটে জয়ী। অন্যদিকে, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী সব্যসাচী দত্ত। এখানকার ১৬ থেকে ৩০ সবকটি ওয়ার্ডে এগিয়ে তৃণমূল। বিধাননগরে, ৭ থেকে ১৪ রাউন্ডে গণনা হচ্ছে এ বার।শিলিগুড়িতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল তৃণমূল।মোট আসন ৪৭। তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে ৩৭ টি আসন। বিজেপির ঝুলিতে পাঁচটি আসন এসেছে। চারটি আসন পেলে বামেরা। কংগ্রেসের দখলে এসেছে একটি আসন। বিজেপি জিতেছে ৪, ৫, ৮, ৯ এবং ১১ নম্বর ওয়ার্ডে। বামেদের দখলে এসেছে ১৯, ২২, ২৯ এবং ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড। ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে জিতেছে কংগ্রেস। ১,২,৩,৬, ৭, ১০, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৭, ১৮, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪, ৪৬, ৪৭ ওয়ার্ডে জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস।আসানসোলে ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ইভিএম খারাপ। কমিশন খতিয়ে দেখছে পুর বিষয়টা। সব প্রার্থী এবং পর্যবেক্ষকদের ডাকা হয়েছে দুপুত ২টোর সময়ে। ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে টাই হওয়ায় টস করে জয়ী নির্ধারণ করা হবে। আসানসোলের মোট ১০৪ তি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ৮৯টি আসন। বিজেপি পেয়েছে ৭টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ৩টি আসন, বামেদের দখলে ২টি এবং নির্দল পেয়েছে ৩টি আসন। একটি আসনের ফলাফল অমিমাংসিত থাকায় সেখানে টস হবে বিকেল ৫টায়। আসানসোলে ৫৬টি ওয়ার্ড দখল করল তৃণমূল।It is once again an overwhelming victory of Ma, Mati, Manush.My heartiest congratulations to the people of Asansol, Bidhannagar, Siliguri Chandanagore for having put their faith and confidence on All India Trinamool Congress candidates in the Municipal Corporation elections. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 14, 2022এদিন টুইটারে দলনেত্রী লেখেন, আবারও মা-মাটি-মানুষের জয়। আসানসোল, বিধাননগর, শিলিগুড়ি এবং চন্দননগরের মানুষকে অভিনন্দন। তৃণমূলের উপর ভরসা রাখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন। এরপরই জুড়ে দেন, আমরা এভাবেই উন্নয়নের কাজ করে যাব। এমন জয়ের জন্য সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।We are committed to carry forward our development work further with greater zeal and enthusiasm.My sincerest gratitude to Ma Mati Manush. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 14, 2022

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় শুরু চার পুরনিগমের ভোটগণনা

রাজ্যের চার পুরসভার ভোট গণনা শুরু হয়েছে। ভোটের মত গণনা পর্বেও কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। কোভিড বিধি মেনে নির্বিঘ্নে সম্পাদন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে । রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল আটটা থেকে গণনা শুরু হয়েছে। কিন্তু সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সকাল সাতটার মধ্যে এসে উপস্থিত হতে হয়েছে গণনা কেন্দ্রে। সাড়ে সাতটা থেকে নিরাপত্তা কর্মীরা তাঁদের ভিতরে প্রবেশ করান।গণনা কেন্দ্র-সহ গণনা কেন্দ্রের বাইরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। একদম বাইরে রয়েছে আরটি মোবাইল, এইচআরএসএসও, কিউআরটি ফোর্স, সশস্ত্র বাহিনী ও লাঠিধারী পুলিশ। দ্বিতীয় স্তরে শুধুমাত্র বন্দুকধারী পুলিশ রয়েছে। তৃতীয় স্তরে একেবারে বন্দুকধারী পুলিশ। তারা শুধুমাত্র গণনা কেন্দ্রের মধ্যে তাদেরকেই প্রবেশ করতে দেবেন যারা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত অনুমতি পত্র নিয়ে যাবেন। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে দ্বিতীয় স্তর পর্যন্ত। তৃতীয় স্তরে শুধুমাত্র তারাই প্রবেশ করতে পারবেন যাবেন কমিশন নিয়ে যাবে। সেখানে রাজ্য তথ্য-সংস্কৃতি ও জেলাশাসকদের দপ্তরের কর্মীরা থাকবেন। তাঁরাই এ কাজে সহযোগিতা করবেন। তবে গণনা কেন্দ্রের প্রথম স্তরেই ঢুকতে গেলে শুধুমাত্র সাদা কাগজ এবং পেন ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে যাওয়া যাবে না। শুধুমাত্র সংবাদকর্মীদের এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্তর পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনার কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে অন্য কক্ষে শুরু হয়ে যাবে ইভিএম গণনা।রাজ্য নির্বাচন কমিশন নিরাপত্তার জন্য কঠোরতম ব্যবস্থা নিয়েছে। এই ফলাফলকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেই দিকে কমিশন সজাগ দৃষ্টি রেখেছে। পাশাপাশি কমিশন সূত্রে খবর, দুপুর ১টার মধ্যে ফলাফল সম্পূর্ণ প্রকাশিত হয়ে যাবে।কমিশন জানাচ্ছে, আসানসোলে ২২ রাউন্ড, বিধাননগরে সর্বনিম্ন ৮ এবং সর্বোচ্চ ১৪ রাউন্ড, চন্দননগরের সর্বনিম্ন ৬ এবং সর্বোচ্চ ১১ রাউন্ড ও শিলিগুড়িতে সর্বনিম্ন ৬ এবং সর্বোচ্চ ৭ রাউন্ড গণনা হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

আসানসোলে বুথের সামনে পর পর গুলি

চার পুরনিগমে ভোটগ্রহণ চলাকালীন তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল আসানসোলের জামুড়িয়ায়। শনিবার জামুড়িয়ার শ্রীপুর হাইস্কুলের সামনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা একের পর এক বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় বলে দাবি সিপিএমের। তৃণমূলের পালটা দাবি, গুলি নয়, বাজি ফাটানোর শব্দ পাওয়া গিয়েছে।সিপিএমের অভিযোগ, শনিবার সকাল থেকেই জামুড়িয়ার ১১২ ও ১১৪ নম্বর বুথ দখলের চেষ্টা চালাচ্ছিল তৃণমূল। প্রতিরোধ গড়ে তোলেন স্থানীয়রা। বেলা বাড়তে বেশ কয়েকটি গাড়িতে করে দুষ্কৃতীদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসেন তৃণমূল প্রার্থী। দুষ্কৃতীদের হাতে ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। সিপিএম প্রার্থী দয়াময় বাউড়িকে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বুথ থেকে বার করে দেয় তারা। এর পর সশস্ত্র অবস্থায় বুথ ঘিরে রেখে শূন্যে গুলি চালাতে থাকে তারা। ওদিকে বুথের ভিতরে চলে দেদার ছাপ্পা। গোটা ঘটনার ফেসবুক লাইভ করেন আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থীর মেয়ে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Durgapur: চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা দুর্গাপুরে

চিকিৎসায় গাফিলতিতে মৃত্য়ুকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল দুর্গাপুরে। মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে হাসপাতালে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ চলে। হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে মৃতের পরিবারের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে মৃতের পরিজনরা। পুলিশকে ঘিরে ধরে প্রবল দেখাতে থাকে। মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করতে থাকে পরিবারের লোকেরা। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধুন্দুমার কান্ড ঘটে দুর্গাপুরের সোভাপুরের কাছে এক বেসরকারি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনার জেরে হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশকে ঘিরে ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে দেয় মৃতের পরিবার-পরিজনরা। হাসপাতালের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে। ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে। ঠেলাঠেলি শুরু হয়ে যায় পুলিশের সঙ্গেও। হাসপাতালের গেটের সামনে বসে পড়ে প্রবল বিক্ষোভ শুরু করে দেয় মৃতের পরিবার পরিজনরা।মৃতের পরিবারের দাবি. যত ক্ষণ না চিকিৎসক আসছেন ততক্ষন তাঁরা বসে থাকবেন হাসপাতালের গেটের সামনে। এছাড়া তাঁরা ক্ষতিপূরণের দাবি করতে থাকেন। প্রবল বিক্ষোভের জেরে হাসপাতালে চত্বরে চরম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। বোঝাতে এলে পুলিশকে ঘিরে ধরে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। গত ৮ নভেম্বর অন্ডালের কাজোড়ার কাজল মন্ডলকে বুকে ব্যাথা নিয়ে সোভাপুরের এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে ভর্তি করা হয় এই হাসপাতালে। অভিযোগ, বুধবার পর্যন্ত রুগী ভালো আছে বলে জানানো হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎই হাসপাতাল থেকে খবর দেওয়া হয় রুগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক, হাসপাতালে এসে দেখেন তাদেরকে প্রিয়জনের মৃত্য়ু হয়েছে। অবিলম্বে অভিযুক্ত চিকিৎসককে এসে ক্ষমা চাইতে হবে এই দাবিতে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয় হাসপাতাল গেটের সামনে, এরপরই শুরু হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বচসা, দু এক কথা হতে হতে শুরু হয়ে যায় ধস্তাধস্তি, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে তাদেরকে ঘিরে ধরেও প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয় জনতার। গোটা ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরই মধ্যে হাসপাতালের এক নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে উত্তপ্ত হয় হাসপাতাল চত্বর। দাবি ওঠে অবিলম্বে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে হবে। ফের চলতে থাকে বিক্ষোভ। পরিস্তিতির সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে দূর্গাপুর থানার পুলিশ। আটকে দেওয়া হয় হাসপাতালের বাকি রুগীদের পরিবার-পরিজনকে, পুলিশের মধ্যস্থাতায় পরিস্থিতি শান্ত হলেও ক্ষতিপূরণ আর অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে চলতে থাকে বিক্ষোভ। মীমাংসা না হওয়া মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করে মৃতের পরিবারের সদস্যরা। প্রবল উত্তেজনা থাকায় হাসপাতাল চত্বরে পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র

করোনা ভ্যাকসিন দেওয়াকে কেন্দ্রে করে বিতর্কে জড়ালেন আসানসোল পুর প্রশাসক বোর্ডের সদস্যা তাবাসসুম আরা। অভিযোগ, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মী থাকা সত্বেও তিনি নিজে এক মহিলাকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন।ঘটনায় ইতিমধ্যেই পুরসভার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র তথা তৃণমূল নেত্রী তাবাস্সুম আরাকে শোকজ করা হল। সেই সঙ্গে চবকার ওই শিবিরে উপস্থিত থাকা এক চিকিৎসক এবং দুই নার্সকেও কারণ দর্শানোর নোটিস ধরানো হয়েছে। ঘটনায় সরব হয়েছেন বাবুল সুপ্রিয় ও অগ্নিমিত্রা পল। শনিবার চবকায় যৌন কর্মীদের জন্য আয়োজন করা টিকা শিবিরে গুড়িয়া মাহাতো নামে এক মহিলাকে নিজেই টিকা দেন তাবাসসুম। ওই সময়কার যে ভিডিও পাওয়া গিয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে তাবাস্সুমের হাতে সিরিঞ্জ তুলে দিচ্ছেন নার্স। ওই কাণ্ডে স্বাভাবিক ভাবেই শোরগোল পড়ে যায়। এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আসানসোল পুরসভার পুর প্রশাসক বোর্ডের সদস্য তবস্সুমকে শোকজ করেছেন বোর্ডের চেয়ারপার্সন অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। শীঘ্রই ওই কাণ্ডেব জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যত ভুবনেরবিষয়টি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলতে রাজি নন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা। তবে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ফোনে বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ তারা করলেই ভালো। অন্য কারও তা করা উচিত নয়। এটি খুবই সেনসেটিভ বিষয়।আসানসোল(Asansol) পুরসভার স্বাস্থ্য আধিকারিক দিলীপ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, স্বাস্থ্য কর্মীরা নিজেদের কাজ করছিলেন। সেখানে অন্য কেউ তা না করাই উচিত। যে মহিলাকে উনি ভ্যাকসিন দিয়েছেন তাকে নজরে রাখা হচ্ছে। তাবাসসুম আরা এনিয়ে বলেন তাঁর নার্সিং ট্রেনিং রয়েছে। এসব কাজ তিনি জানেন। তবে তিনি মনে করেন কাজটা মনে হয় ভুলই হয়েছে।Seems like TMC govt has no control over its administrators.TMCs Tabassum Ara, a member of the administrative body of AMC, has vaccinated people herself and risked hundreds of livesWill her political colour shield her from stern punishment?@MamataOfficial pic.twitter.com/EaF3EsK9Bw Babul Supriyo (@SuPriyoBabul) July 3, 2021অন্যদিকে টিকা কাণ্ডে চবকার ওই টিকা শিবিরে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক অপূর্বকুমার পানকেও শোকজন করেছেন আসানসোলের পুর কমিশনার নীতিন সিংহানিয়া। তার পাশাপাশি, মনালি ভট্টাচার্য এবং শাহনওয়াজ পারভিন নামে দুই নার্সকেও শোকজ করা হয়েছে। তাঁরাও ওই টিকা শিবিরে ছিলেন।TMCs manhandling of the lives of people knows no bounds..A non-medical official, TMCs Tabassum Ara, member of administrative board of AMC, chose to vaccinate the people herself, in spite of doctors and nurses being present there Is she even medically authorised to do so? pic.twitter.com/3WSFqKw6hE Agnimitra Paul Official (@paulagnimitra1) July 3, 2021বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরও। গুড়িয়া নামের ওই মহিলাকে নজরে রাখার জন্য এক চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশ্বিনী কুমার মাজি। তিনি বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্য পুরসভার চিকিৎসক দীপক গঙ্গোপাধ্যায়কে নজর রাখতে বলা হয়েছে। কোনও রকম কোনও অসুবিধা হলে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সব সময় ওই মহিলার পাশে থাকবে।

জুলাই ০৩, ২০২১
রাজনীতি

'ছোট থেকে জয় শ্রী রাম বলতাম', ফাঁস করলেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা

শেষমেশ তৃণমূল ছাড়লেন, যোগ দিলেন বিজেপিতে। টানা তিন মাস টালবাহানার পর আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র, পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি গেরুয়া শিবিরে ভিড়লেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বৈদ্যবাটিতে এক সভায় পদ্মপতাকা হাতে তুলে নেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি।শুভেন্দু অধিকারী বিধায়ক পদ ছাড়ার পরই কাঁকসায় তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে হাজির ছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তারপর বেসুরো বক্তব্যও রাখছিলেন তিনি। রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আলোচনার পর দলেই থেকে যান। তবে তৃণমূল তাঁকে দলে কোনও পদে রাখেনি। অন্যদিকে আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় জিতেন্দ্রর বিজেপি যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। জিতেন্দ্রর ঘটনায় মন্তব্য করায় শোকজের ঘটনাও ঘটে।বিজেপিতে যোগদানের পর জিতেন্দ্র তিওয়ারির মুখে জয় শ্রী রাম ধ্বনি শোনা যায়। তিনি বলেন, ছোট থেকে জয় শ্রী রাম বলতাম। মনে এক বাইরে অনেক কথা বলতে হত। সব কথা বলতে দেওয়া হত না। সেই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিজেপিকে ধন্যবাদ।জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে পুরনো বিরোধের কথা বললেও তাঁকে দলে স্বাগত জানিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। মোদিজির সঙ্গে তিনি কাজ করতে চান, জানান বাবুল।

মার্চ ০২, ২০২১
রাজ্য

আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষ , আহত ২

বিজেপির আর নয় অন্যায়কর্মসূচিতে গুলি ও বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আসানসোলের বারাবনি। এই ঘটনায় দুজন পায়ে গুলি লেগে আহত হয়েছেন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম স্বপন বাউড়ি ও সাধন রাউত। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে মিছিল বের করেছিল বিজেপি। বারাবনির জামগ্রাম থেকে কাপিস্টা পর্যন্ত বিজেপির মিছিল যাওয়ার কথা ছিল। তার জন্য সকাল থেকে কর্মী, সমর্থকরা জমায়েত হয়েছিলেন জামাগ্রামে। কিন্তু মিছিল শুরুর আগেই তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই মিছিলকে লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃ্তীরা। বোমাবাজিতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। মোটরবাইকও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আরও পড়ুনঃ বর্ধমান শহরে দাদার অনুগামী পোস্টার, চাঞ্চল্য অন্যদিকে, বারাবনি তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, জামগ্রাম এলাকায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে শিবির করেছিলেন দলীয় কর্মীরা। ব্লক তৃণমূল সভাপতি অসিত সিংয়ের দাবি, তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বিজেপি। তারাই ঝাড়খণ্ড থেকে দুষ্কৃতীদের জড়ো করে বোমা-গুলি চালিয়েছে। আর যেসব গাড়ি পুড়েছে, তা তৃণমূল সমর্থকদেরই। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বারাবনি থানার পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় বিজেপির মিছিল। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস বেশ কিছু তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। যে মোটরবাইকে আগুন লাগানো হয় বলে অভিযোগ, সেই আগুন নিভিয়েছে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

কবর থেকে দেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো্র নির্দেশ বিচারকের

ময়লা ফেলা নিয়ে বিবাদকে কেন্দ্র করে খুন হয় ইশরার। তিনি আসানসোল উত্তর থানার রেলপাড়ের বাসিন্দা। তার পিতার নাম হাজি ইমতিয়াজ। ইশরারের শশুর মুস্তাফিজ আলম আসানসোল দক্ষিণ থানায় ইশরারকে খুন করার অভিযোগ দায়ের করেন।মামলা আদালতে গেলে বিচারক কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ পালন করতে গিয়ে স্থানীয় লো্কজনের বাধায় ফিরে আসতে হয় পুলিশকে। এরপর শুক্রবার বিশাল পুলিশ বাহিনী, বিচারক, চিকিৎসকের উপস্থিতিতে কবর থেকে মৃতদেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও ১ জানা গিয়েছে, কাপড়ের দোকানের সামনে ময়লা ফেলা নিয়ে বিবাদ। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় ইশরার।এরপর মহঃ জালোর পাঁচ ছেলে মিলে ইশরারকে মারধর করে। ঘটনাটি ঘটেছে, গত রবিবার আসানসোল বাজারে। এরপর ইশরারকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই মারা যান তিনি। এরপর তার মৃতদেহ শীতলাডাঙ্গা কবরস্থানে কবর দেওয়া হয়।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

বৃদ্ধ দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

এক বৃদ্ধ দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বৃহস্পতিবার। ঘটনাটি ঘটেছে,আসানসোল উত্তর বিধান সভার অন্তর্গত কাল্লা গিরমিট অঞ্চলের ইসিএলের আবাসনে। স্থানীয় সূত্রে খবর, পেশায় প্রাক্তন ইসিএল কর্মী অনাদি সিংহ (৭৫ )ও তার স্ত্রী নীলিমা সিংহ (৬৫) দীর্ঘদিন ধরেই ওই অঞ্চলে বসবাস করতেন ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, মানসিক অবসাদের কারণেই এই আত্মহত্যার ঘটনা। বয়েস জনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরেই রোগভোগের মধ্যে ছিলেন এই দম্পতি ৷ কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে পাড়া প্রতিবেশীদের ওপরেই তাদের নির্ভর করতে হত ৷ তবে পারিপার্শ্বিক কোনো বিবাদে তারা ছিলেন না ৷ বৃহস্পতিবার সকালে অনেক দেরি পর্যন্ত আবাসনের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয় ৷ তারা আসানসোল উত্তর থানায় খবর দেয় ৷ পুলিশ পৌঁছে আবাসনের ভিতর থেকে বৃদ্ধ দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে ৷

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজ্য

এটিএমে টাকা ভরার সময় দুষ্কৃতী হামলা

এটিএমে টাকা ভরার সময় দুষ্কৃতী হামলা। বোলেরো গাড়ির চাবি ছিনিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর আসানসোলে ঘটনাটি ঘটে। আসানসোলের ইসলামপুরের বাসিন্দা বছর ৪০-এর মাকসুদ আলম মল্লিক এটিএম-এ টাকা লোড করার এজেন্সিতে কাজ করেন। বুধবার সন্ধ্যায় রিভারসাইডের একটি ব্যাঙ্কের এটিএম-এ একটি গাড়িতে চেপে টাকা লোডিং করতে যান ওই এজেন্সির তিনজন কর্মী। সেই সময় কিছু দুষ্কৃতী তাঁদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ওই এজেন্সির কর্মীদের উপর গুলি চালিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা ও বোলেরো গাড়ির চাবি নিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। গুলি লাগে মাকসুদের বাম হাতের কনুইতে। হীরাপুর থানার পুলিশ আহত গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আহত ব্যক্তির অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal