• ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩, শনিবার ০৯ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrested

কলকাতা

ভূয়ো কল সেন্টারের পর্দা ফাঁস, বাগুইআটিতে গ্রেফতার ৬

গোপন সূত্রে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বাগুইহাটি থানা অধীনস্ত সৃষ্টি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালায় বিধাননগর পুলিশের একটি দল এবং পর্দা ফাঁস করে একটি ভুয়ো কল সেন্টারের। অভিযুক্তরা বিভিন্ন রাজ্যে সমাজের প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ করত এবং কম সুদে ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের কস্টার্জিত অর্থ হাতিয়ে নিতো।স্বতঃপ্রণোদিত অভিযোগের ভিত্তিতে বাগুইআটি থানায় কেস নাম্বার ৩৮২/২০২৫ মামলা রুজু হয়। এই অভিযানে মোট ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার হয়েছে বহু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ইত্যাদি। এই মামলার তদন্ত চলছে। ধৃতদের আজ আদালতে পেশ করা হলে তাদের প্রত্যেকের সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর হয়। মামলার তদন্ত চলছে।

জুন ১৭, ২০২৫
রাজ্য

মেমারিতে বাবা-মাকে খুন করে বনগাঁয় গিয়ে তান্ডব, গ্রেফতার গুণধর ছেলে, ধুন্ধুমার কাণ্ড

শুরু মেমারিতে, যার শেষ হল বনগাঁতে। গুনধর ইঞ্জিনিয়ার ছেলে বাবা-মাকে নৃশংস ভাবে খুন করে পালিয়েছিল বনগাঁয়। সেখানে গিয়ে এলোপাথারি ছুরি চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে জখম করেছে। তাকে জোর করে বের করার জন্য থানা আক্রমণ করেছে স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। ধুন্ধুমার কাণ্ড। বুধবার সকালে গলার নলি কাটা অবস্থায় বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে উদ্ধার হয় বৃদ্ধ মা ও বাবার রক্তাত মৃতদেহ। মোস্তাফিজুর রহমান (৬৫) ও মমতাজ পারভীন (৫৫)। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিয়ারা মুক্তারবাগান এলাকায়। জোড়া খুনের খবর পেয়ে জেলার পুলিশ সুপার সায়ক দাস দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তবে মৃত দম্পতির ছেলে বাড়িতে না থাকায় পুলিশের সন্দেহ বাড়তে থাকে। তবে এটা যে খুনের ঘটনা তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত ছিল পুলিশ। খুনের পর বৃদ্ধ দম্পতিকে ঘর থেকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে বের করে আনা হয়েছিল। সেই কারণে গোটা নানা জায়গায় রক্তের দাগ দেখা গিয়েছে। রাতে দিকে এই ঘটনার আঁচ গিয়ে পড়ে সীমান্ত এলাকায় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয়। জানা গিয়েছে, ওই দম্পতির ছেলে হুমায়ূন কবির বাইরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতো। হুমায়ুনের মানসিক সমস্যা আছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তাছাড়া বাড়ির সিসিটিভির হার্ড ডিস্ক উধাও বলে জানা গিয়েছে। বৃদ্ধ দম্পতির দেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা নমুনা সংগ্রহ করেছেন। এদিকে বুধবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি বনগাঁ খান শরীফে ঢুকে বেশ কয়েকজনের ওপরে ছুরি নিয়ে আক্রমণ করে। এই ঘটনায় কয়েকজন আহত অবস্থায় বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বনগাঁ খান শরীফের সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান করে সংখ্যালঘুরা। জানা গিয়েছে, একদল বনগাঁ থানায় এসে আসামিকে ছাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে এবং বনগাঁ থানায় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং কয়েকজনকে আটক করেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান বনগাঁর এসপি দীনেশ কুমার। পরে পুলিশ জানতে পারে ওই যুবক মেমারিতে বাবা-মাকে খুন করে বনগাঁয় এসে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।বনগাঁ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার সাংবাদিকদের জানান, আক্রমণকারী যুবকের নাম হুমায়ন কবির। বয়স ৩৫ বছর, বাড়ি বর্ধমানের মেমারি। আজ সকালে এই ব্যক্তি তার বাবা-মাকে খুন করে এখানে এসেছে। তারা ছুরির আঘাতে চার জন আহত হয়েছে। এদিকে থানা ভাঙচুরের ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আঘাত পেয়েছেন একজন কনস্টেবল ও একজন এএসআই। এদিকে রাতেই মেমারি থানার পুলিশ পৌঁছে গিয়েছে বনগাঁ থানায়।

মে ২৯, ২০২৫
রাজ্য

১০ লক্ষ টাকা ঘুষ! সিবিআই গ্রেফতার করল বর্ধমানের নামি চিকিৎসককে, উদ্বার ৫৪.৬০ লক্ষ টাকা, হিরে, সোনার গয়না

জাতীয় মেডিকেল কাউন্সিলের পক্ষ থেকে মূল্যায়নের সময় একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। ধৃত চিকিৎসকের নাম তপন কুমার জানা। বর্ধমান পুর এলাকার মিঠাপুকুর হাতিশাল এলাকায় ডাক্তার তপন জানার বাড়িতে শনিবার রাত ১১টা থেকে রবিবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সিবিআইয়ের ৮ জনের একটি তদন্তকারী দল ব্যাপক তল্লাশি চালায়। সিবিআই অভিযানের সময় চিকিৎসকের স্ত্রী সুস্মিতা জানা ওই বাড়িতে ছিলেন। চিকিৎসক তপন জানার বাড়ি থেকে নগদ প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা, হিরে, সোনার গহনা সহ মূল্যবান রত্ন উদ্ধার করে নিয়ে যায় সিবিআই। পাশাপাশি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও কিছু কাগজপত্র নিয়ে যায় সিবিআই তদন্তকারীরা। বর্ধমান থানার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেই সিবিআই এই অভিযান চালিয়েছে।বর্ধমানে চিকিৎসক হিসাবে যথেষ্ট পরিচিত তপন কুমার জানা। তিনি মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শারীরিক বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান পদে কর্মরত রয়েছেন। তাঁর স্ত্রী চিকিৎসক সুস্মিতা জানা কলকাতার একটি মেডিকেল কলেজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তল্লাশির পর এদিন দেখা যায় বাড়ির ভিতরে কাগজপত্র সবই ছড়িয়ে ছিটিয়ে মেঝেতে পড়ে আছে। আলমারি খোলা অবস্থায় রয়েছে।ডাক্তার তপন কুমার জানার গ্রেপ্তারি নিয়ে সিবিআই দাবি করেছে, জাতীয় মেডিকেল কাউন্সিলের পক্ষ থেকে মূল্যায়নের সময় একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেন ডাক্তার তপন কুমার জানা। এই টাকা সহ আরও ৪৪.৬ লক্ষ টাকা তল্লাশিতে তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। মোট ৫৪.৬০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে সিবিআই।

মে ২৫, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানে ঘাপটি মেরেছিল জামতারা গ্যাংয়ের তিন প্রতারক, গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ

বর্ধমান শহরে ঘাপটি মেরে দিব্যি প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছিল ঝাড়খণ্ডের জামতারা গ্যাংয়ের তিন প্রতারক। বর্ধমান থানার পুলিশ এঁদের বিষয়ে কোনও কিছু টের পায়নি। কিন্তু দিল্লি পুলিশের হাত থেকে রেহাই মেলেনি ওই তিন প্রতারকের। বর্ধমান শহরের আলমগঞ্জের একটি ভাড়াবাড়িতে হানা দিয়ে দক্ষিণ- পশ্চিম দিল্লির সবদরজং এনক্লেবের সাইবার থানার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম রবি মণ্ডল, রমেশ কুমার মণ্ডল ও মহেন্দ্র কুমার মণ্ডল। রবির বাড়ি ঝাড়খণ্ডের জামতারা জেলার শিয়াতর গ্রামে। রমেশের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের দেওঘর জেলার মাের্গা মুণ্ডা থানার কেন্দুয়াতণ্ডে। অপর ধৃত মহেন্দ্র ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলার বেঙ্গাবাদ থানার রাতডি এলাকার বাসিন্দ।এদিন রাতেই তিন ধৃতকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করে দিল্লি পুলিশ। হাতিয়ে নেওয়া টাকা উদ্ধার এবং গ্যাংয়ের বাকিদের হদিশ পেতে দিল্লি পুলিল তিন ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ আবেদন জানায়। সিজেএম বিনোদ কুমার মাহাত সেই আবেদন মঞ্জর করেন। আগামী ২৭ মের মধ্যে ধৃতদের পাতিয়ালা হাউস কোর্টের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পেশ করার জন্য সিজেএম তদন্তকারী অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছেন।২৮ মের মধ্যে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট ই-মেইল করে পাঠানোর নির্দেশও সিজেএম দিয়েছেন । সাইবার প্রতারণায় এই ধৃতরা বেশ পটু বলে পুলিশের দাবি। দিল্লির সেক্টর আর কে পুরম এলাকার বাসিন্দা লক্ষ্মণ আগওয়াল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ১২ মে লক্ষ্মণ আগরওয়ালের ফোনে একটি মেসেজ আসে। মেসেজটি দিল্লির জলবোর্ড থেকে পাঠানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়। মিটার রিডিং আপ-টু ডেট না করার জন্য তাঁর জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে বলে সেই মেসেজে জানানো হয়। জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া আটকাতে লক্ষ্মণ আগরওয়ালকে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করার কথাও মেসেজে বলা হয়। সরল মনে তা বিশ্বাস করে লক্ষ্মণ ওই অ্যাপ ডাউনলোড করেন। অভিযোগ, এর পরেই লক্ষ্মণের কাছে তাঁর ব্যাঙ্কের বিভিন্ন তথ্য জানতে চাওয়া হয়। তিনি তাও দিয়ে দেন। এরপরই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে থাকা তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৮ হাজার ১৬১ টাকা তুলে নেওয়া হয়। এ নিয়ে খোঁজখবর চালিয়ে লক্ষ্মণ জানতে পারেন, তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। জলবোের্ডর কর্মীর মিথ্যা পরিচয় দিয়ে তাঁকে ঠকানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি দক্ষিণ- পশ্চিম দিল্লির সবদরজং এনক্লেবের সাইবার থানার অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে সেই সাইবার থানার পুলিশ যে মোবাইল নম্বর থেকে লক্ষ্মণকে মেসেজ পাঠানো হয়েছিল সেটির সম্পের্ক তথ্য সংগ্রহ করে। টেকনিক্যাল সাপোর্টের মাধ্যমে দিল্লি পুলিল জেনে যায় প্রতারকরা বর্ধমান থানা এলাকায় রয়েছে। এরপরেই দিল্লি পুলিশের একটি দল বর্ধমানে এসে স্থানীয় পুলিশের সাহায্য নিয়ে তিন প্রতারককে পাকড়াও করে।

মে ২৫, ২০২৫
রাজ্য

ধৃত জঙ্গি আব্বাসের বাংলাদেশ ও পাকিস্তানযোগ, তদন্তে এসটিএফ

জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) জঙ্গি সন্দেহে ধৃত আব্বাস উদ্দিন মোল্লার সঙ্গে পাকাস্তিন ও বাংলাদেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। শুক্রবার জঙ্গি সন্দেহে ধৃতদের সম্পর্কে বীরভূমের রামপুরহাট মহকুমা আদালতে এমনটাই জানিয়েছে স্পেশাল ট্যাক্স ফোর্স। এদিন ধৃত তিনজনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৯ মে জেএমবি জঙ্গি সন্দেহে বীরভূমের নলহাটি থানার বানিওর গ্রাম পঞ্চায়েতের চণ্ডীপুর গ্রাম থেকে আজমল হোসেন, মুরারই থানার চাতরা গ্রাম থেকে সাহেব আলি খান এবং পরদিন দক্ষিণ ২৪ পরগণার ডায়মন্ড হারবার থেকে আব্বাস উদ্দিন মোল্লাকে গ্রেফতার করে স্পেশাল ট্যাক্স ফোর্স। তাদের প্রত্যেককে পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। শুক্রবার ফের তিনজনকে আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী সৈকত হাতি বলেন, ধৃত আব্বাস উদ্দিন মোল্লার সঙ্গে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। স্পেশাল ট্যাক্স ফোর্স জিজ্ঞাসাবাদে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। এর সঙ্গে আরও অনেকের জড়িত থাকার সম্ভবনা রয়েছে বলে তদন্তকারী অফিসার আদালতকে জানিয়েছেন। বিচারক তিনজনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

মে ২৪, ২০২৫
দেশ

নেট প্রভাবী জ্যোতির মোবাইলে ‘জাট রনধাওয়া’ নামে কার নম্বর সেভ ছিল

হরিয়ানার জনপ্রিয় ইউটিউবার ও ভ্রমণ ব্লগার জ্যোতি মলহোত্রা সম্প্রতি পাকিস্তানের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য শাকির ওরফে রানা শাহবাজের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং তার নম্বর মোবাইলে জাট রনধাওয়া নামে সেভ করে রেখেছিলেন ।পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, মলহোত্রা পাকিস্তানে ভ্রমণের সময় পাকিস্তান হাই কমিশনের এক কর্মকর্তা, এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এই সম্পর্কের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং তাদের সঙ্গে এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন ।তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন, মলহোত্রা ভারতীয় সেনাবাহিনীর সংবেদনশীল তথ্য পাকিস্তানি সংস্থার কাছে সরবরাহ করতেন এবং তার সামাজিক প্রভাব ব্যবহার করে পাকিস্তানের পক্ষে ইতিবাচক প্রচার চালাতেন । এই ঘটনায় আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

মে ১৮, ২০২৫
দেশ

পাক গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার ইউটিউবার, পাকিস্তানেও গিয়েছেন তিনি

পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে হরিয়ানার হিসারে গ্রেফতার হলেন ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রা। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে কমিশনের মাধ্যমে ভিসা নিয়ে তিনি পাকিস্তানে যান, যেখানে লাভজিহাদের ফাঁদে পড়ে পাক হাইকমিশনের কর্মচারী দানিশের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গোয়েন্দা সূত্রের মতে, জ্যোতি পাকিস্তানি গোয়েন্দা এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন এবং বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য পাচার করে দিতেন ।পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার জনপ্রিয় ব্লগার জ্যোতি রানী। হরিয়ানা পুলিশ জানিয়েছে, জ্যোতি রানী পাকিস্তান হাইকমিশনের ওই কর্মকর্তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলেন এবং দুবার পাকিস্তান ভ্রমণ করেন।অপারেশন সিন্দুরের সময় পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে শুক্রবার হরিয়ানা পুলিশ ৩৩ বছর বয়সী ভ্রমণ ব্লগার জ্যোতি রানীকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে , রানির একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে যার নাম ট্র্যাভেল উইথ জো। তার ৩,৭৭,০০০ এরও বেশি সাবস্ক্রাইবার এবং ১,৩২,০০০ এরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে। দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মকর্তার সাথে সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৫
রাজ্য

অবৈধভাবে ভারতে এসেই হয়ে গেলেন মাদ্রাসার শিক্ষক, পাচ্ছেন ইমাম ভাতাও! গ্রেপ্তার বাংলাদেশি

অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করল বিএসএফ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইন্দো-বাংলা সীমান্ত মেখলিগঞ্জের বাগডোকরা-ফুলকাডাবরির অর্জুন সীমা চৌকি এলাকায় বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে ওই বাংলাদেশি যুবক। সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিল সে। ধৃতকে টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর তুলে দেওয়া হয়েছে কুচলিবাড়ি থানার পুলিশের হাতে।জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মোহাম্মদ সেলিম আনসারি (৩৩)। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার অন্তর্গত এলাকায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই ধৃত ব্যক্তি স্বীকার করেন, তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। চার বছর আগে তিনি অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেন এবং মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বসবাস শুরু করেন তাঁর মাকে নিয়ে। সেখানে একটি দর্জির দোকানে জামাকাপড় সেলাইয়ের কাজ নেন। এদেশে এসে তিনি আধার কার্ড, প্যান কার্ড এবং ব্যাংক পাসবইয়ের মতো একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে নেন। এরপর স্থানীয় এক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে তিনি মকরামপুর দক্ষিণপাড়া মসজিদের ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হন এবং একই সঙ্গে একটি স্থানীয় মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও শুরু করেন। শুধু তাই নয় অন্যের নামে ইমাম ভাতাও তোলেন বলে অভিযোগ। ইমাম ভাতার জন্য আবেদনের সময় সমস্ত ডকুমেন্টস না থাকায় স্থানীয় এক ব্যক্তির নামে আবেদন করেন। এবং যা ভাতা ঢোকে সেই ভাতা মাসের শেষে ভাগও করে নেন।এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে এক বাংলাদেশি নাগরিক বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে বসবাস করে, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্বপ্রাপ্ত হতে পারেন? বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি মোহিত ত্যাগী জানান, ধৃতকে কুচলিবাড়ি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং তাকে সীমান্ত পারাপারে সাহায্যকারী দুই ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধেও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত সেলিম আনসারির বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে তোলা হবে। জিজ্ঞাসাবাদে সেলিম জানান, আমি এদেশে এসে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছি, যদিও কিছু নথি এখনও তৈরি হয়নি। আমি একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতাম এবং একটি মসজিদের ইমাম ছিলাম। বড় ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতেই বাংলাদেশে ফিরছিলাম, দালালদের মোটা টাকা দিয়ে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করছিলাম, তখনই বিএসএফ আমাকে ধরে ফেলে।উল্লেখযোগ্যভাবে, সম্প্রতি মুর্শিদাবাদে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার ঘটনায় বাংলাদেশি মদতের অভিযোগ উঠেছে। এমতাবস্থায়, ওই জেলার এক মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে ধৃত ব্যক্তি যে প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশি নাগরিক, তা প্রকাশ্যে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছেপশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসা কি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠছে?অন্যদিকে এই ঘটনা সামনে আসতেই বিজেপি শাসক দলকে এক হাতে নিয়েছে। দলের জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দধীরাম রায় বলেন, শাসক দলের মদতেই বাংলাদেশিরা ভারতে আশ্রয় নিচ্ছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় তৃণমূল ভুতুড়ে ভোটার খোঁজা বন্ধ করে যখন দেখছে একের পর এক তাদের ভোট ব্যাংক বাংলাদেশি বের হচ্ছে। যদিও এসবে দল প্রশ্রয় দেয় না। আইন আইনের পথে চলবে বলে জানান কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি লক্ষ্মীকান্ত সরকার।

মে ১৭, ২০২৫
কলকাতা

ভিন রাজ্যের দুই কুখ্যাত গ্যাংস্টার গ্রেফতার কলকাতায়, জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশের

গতকাল গভীর রাতে চিংড়িঘাটা থেকে জামশেদপুরের কুখ্যাত গ্যাংস্টার মনোজ বিবার ও বিশাল বিবারকে গ্রেফতার করল বিধান নগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গতকাল ধৃত এই দুই ভাই জামশেদপুরে এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে তাতে জখম হন ওখানকার ব্যবসায়ী। ঘটনার পর গা ঢাকা দিতে কলকাতায় চলে আসে। প্রথমে ট্রেনে করে সাঁতরাগাছিতে নামে সেখান থেকে তাদের গন্তব্য ছিল নিউটাউনে তার পরিচিত এক ব্যক্তির বাড়ি। কিন্তু চিংড়িঘাটার কাছে তাদের গতিবিধির সন্দেহজনক মনে হয়। বিধাননগর দক্ষিণ থানার টহলদারি গাড়ি নাকা চেক করছিল সেই সময়। সেই সময় পালানোর চেষ্টা করে এই দুই ভাই। সেখান থেকে অগ্নেয়াস্ত্র সহ মনোজ বিবর ও বিশাল বিবরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে তাদের সঙ্গে আর কেউ ছিল কিনা এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে বিধান নগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই বিধাননগর পুলিশের পক্ষ থেকে জামশেদপুর পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং তাদেরকে জামশেদপুর পুলিশের হাতে তুলে দেবে বিধান নগর পুলিশ, এমনটাই সূত্রের খবর। ফের ভিনরাজ্যের দুষ্কৃতী এখানে ধরা পড়ায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পরেছে রাজ্য পুলিশের।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫
রাজ্য

দিল্লি থেকে ট্রেনে হাওড়া এসে বাংলাদেশ, দেশে ফিরতেই লক্ষ লক্ষ টাকার নকল নোটসহ গ্রেফতার

বর্ডার পোস্ট রামনগর, দক্ষিণ বঙ্গ সীমান্তের ০৮ ব্যাটালিয়নের সতর্ক বিএসএফ জওয়ানরা, আন্তর্জাতিক সীমান্তে জাল ভারতীয় মুদ্রা পাচারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। ৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মুদ্রার ৩১০০ পিস আটক করেছে। একজন ভারতীয় ব্যবসায়ীর সাথে এই জাল ভারতীয় মুদ্রা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের চেষ্টা করার সময় কারেন্সি নোটগুলোকে হাতেনাতে আটক করা হয়। বিএসএফ-এর গোয়েন্দা বিভাগের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে, বর্ডার পোস্ট রামনগরের বিএসএফ জওয়ানরা ১৫,৫০,০০০/- (মূল্য ৫০০৩১০০ পিস) মূল্যের ভারতীয় জাল নোট উদ্ধার করে। যার মধ্যে নোট নম্বর 8FK-986918, নোট নম্বর 8FK-এর ৭৭৯ টি নোট রয়েছে। - 986916-এর ৭৮০ টি নোট, 8FK-986913-এর ৭৭৩ টি এবং 8FK-986933-এর ৭৬৮ টি নোট রয়েছে।বিএসএফ-এর মুখপাত্রের মতে, ০৮ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি রামনগরের সতর্ক বিএসএফ জওয়ানরা নিজেদের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে জাল ভারতীয় মুদ্রার সম্ভাব্য পাচার সম্পর্কে খবর পান। খবর পেয়ে সৈন্যরা একটি বিশেষ অভিযান শুরু করে এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং রামনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছে একটি মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপন করে। গোয়েন্দা অধিদপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে একটি সন্দেহজনক অটোকে থামিয়ে তাতে বসা সমস্ত ব্যক্তিকে যথাযথভাবে চেক করা হয়, চেকিংয়ের সময় তাদের কাছে কিছু সন্দেহজনক প্যাকেট পাওয়া যায় যার কারণে অটোটি এবং এতে বসা সকল ব্যক্তিকেও আটক করা হয়। সীমান্ত চৌকি রামনগরে আটক করা হয়। এটি তল্লাশির জন্য আনা হয় এবং মালপত্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশির সময় মোহাম্মদ আলীর ব্যাগে সন্দেহজনক প্যাকেট পাওয়া যায়, যা খুললে বিপুল পরিমাণ জাল ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার করা হয়। গণনার ভিত্তিতে তাদের সংখ্যা ৩১০০ পাওয়া গেছে। এরপর জাল ভারতীয় মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করে পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত পাচারকারী মোহাম্মদ আলী, পিতা- শেখ সামশুল হক, ঠিকানা- হযরত নিজামুদ্দিন, নয়াদিল্লি।জিজ্ঞাসাবাদে মোহাম্মদ আলী জানায়, বাংলাদেশে কিছু অবৈধ কাজ করার জন্য বদরপুর (নয়া দিল্লি) থেকে অজ্ঞাত কয়েকজন তার সাথে যোগাযোগ করেছিল। যার জন্য সে রাজি হয়েছিল। তিনি ১৩.০৩.২০২৪ তারিখে ট্রেনে করে হাওড়া পৌঁছান এবং বনগাঁ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের যশোরে পৌঁছান। সেখানে তিনি শান্তি নামে এক বাংলাদেশী পাচারকারীর সাথে দেখা করেন যিনি তাকে ১৫,৫০,০০০/- টাকার জাল মুদ্রা দেন এবং ভারতে পৌঁছানোর পর আব্বাস নামে একজন ব্যক্তির কাছে চালানটি হস্তান্তর করতে বলেন।২০২৪ সালের ২১-২২ মার্চ মধ্যরাতে তিনি একটি অজানা এলাকা থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে উমরপুর, পিএস-হাঁসখালীতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির বাড়িতে থাকেন এবং সকালে চালানটি নিয়ে যাওয়ার সময় বিএসএফ তাকে নকল ভারতীয়সহ ধরে ফেলে। মুদ্রা ছাড়া একই অটো থেকে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন দালাল ও অটো চালককেও আটক করা হয়েছে।এ কে আর্য, বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের জনসংযোগ আধিকারিক, এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এটি তার সৈন্যদের এবং দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা বিভাগের সতর্কতার একটি ইঙ্গিত মাত্র। তিনি জনগণকে কোনও অবস্থাতেই চোরাচালানের পথ অবলম্বন না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কড়া ভাষায় বলেন, তার সৈন্যরা কোনও অবস্থাতেই সীমান্তে চোরাচালান বা অন্য কোনও ধরনের অপরাধ সংঘটিত হতে দেবে না এবং এর সঙ্গে জড়িতদের রেহাই দেবে না।

মার্চ ২৩, ২০২৪
দেশ

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার

অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার, আবগারি দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিয়ালের বাড়িতে ইডি হানা দেয় ! ভর সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘিরে ফেলে দিল্লী পুলিশের বিশাল পুলিশ বাহিনী। এর আগে ৯ বার আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির সমন এড়ান আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লী হাইকোর্ট এর আগে তাঁকে রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করে। তাঁর পরিপ্রেক্ষীতে বৃহস্পতিবার সুপ্রীম কোর্টে তার আগাম জামিনের আবেদন ও খারিজ হয়ে যায়। তার পরেই দিল্লী পুলিশের ডিজি কে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কেজরিয়ালের বাসভবনে সন্ধ্যায় হাজির ইডির আধিকারিকরা।কেজরিয়াল -ই ভারতের ইতিহাসে প্রথম মুখ্যমন্ত্রী, যিনি পদে থাকাকালীন গ্রেফতার হলেন। কিছুদিন আগে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকেও গ্রেফতার করে ইডি। সেক্ষেত্রে গ্রেফতারির আগে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সোরেন। মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির পর-পরই তাঁর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আপ কর্মী-সমর্থকেরা। গোটা দিলী জুড়েই প্রতিবাদ শুরু করেন আপ সমর্থকেরা। বাজেয়াপ্ত করা হল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর মোবাইল, এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা।

মার্চ ২১, ২০২৪
কলকাতা

ইডি দফতরে CISF জওয়ানের রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা, আটক তরুণী

বুধবার বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ এক মহিলাকে আটক করেছে ইডি দফতর থেকে। সূত্রের খবর বেলা সাড়ে ১২ টা নাগাদ ওই মহিলা ইডি দফতরে সিজও কমপ্লেক্সের ৭ তলায় যান। সেখানে তাঁকে নিরাপত্তা রক্ষীরা প্রশ্ন করেন কোথায় কার কাছে যাবেন?অভিযোগ সেই সময় আচমকা কর্তব্যরত CISF জওয়ান এর রাইফেল ধরে টানা হ্যাঁচড়া করেন মহিলারা। তারপরেই নিরাপত্তা রক্ষীরা তাকে ইডি দফতরে আটকে রেখে খবর দেন পুলিশ কে। পুলিশ সূত্রে খবরআটক মহিলার নাম প্রিয়াঙ্কা কুন্ডু। বাড়ি সল্টলেকে।প্রাথমিক ভাবে পুলিসের অনুমান মহিলা মানসিক ভারসাম্যহীন। পুলিশ মহিলার বাড়িতে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বোঝার চেষ্টা করছে কেনও তিনি ইডি দফতরে গিয়েছিলেন।

মার্চ ১৩, ২০২৪
রাজ্য

সিজিও কমপ্লেক্সে ভুয়ো ইডি আধিকারিককে দড়ি বেঁধে হাজির উত্তেজিত জনতা, কেন এমন ঘটলো?

এবার মিলল ভুয়ো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিক। এদিন দুপুরে হাত বাধা ও গলায় ইডির ভুয়ো আই কার্ড ঝোলানো অবস্থায় এক ব্যক্তিকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে বেশ কিছু উত্তেজিত মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি তাঁদের পরিবারের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে করার ফন্দি আঁটে। এমনকি অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই পরিবারের থেকে টাকা নিয়েছে বলে দাবি অভিযোগকারীদের। ইডি অফিসের সামনেই অভিযুক্তকে বেধারক মারধরও চলে। প্রদীপ সাহা, সোনারপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ বিরাটির বাসিন্দা একটি মেয়ের সাথে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে পরিচিতি বাড়ে এবং অভিযুক্ত প্রদীপ সাহা নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। এমনকি মেয়েটির সাথে বিয়ের কার্ড পর্যন্ত ছাপা হয়ে গেছে। এরপর মেয়েটির পরিবারের লোকেদের সন্দেহ হওয়ায় তারা ইডি দপ্তরে এসে প্রদীপ সাহার সম্বন্ধে খোঁজ নিলে জানতে পার, ওই নামে কেউ ইডি অফিসে কাজ করে না। এরপরই মঙ্গলবার প্রদীপ সাহাকে বেঁধে নিয়ে তারা উপস্থিত হয় ইডির অফিসে। ইডি অফিসের বাইরে অভিযুক্ত প্রদীপ সাহাকে মারধর করতে থাকে তারা। পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে উঠছে বুঝতে পেরে রক্তাক্ত অবস্থায় অভিযুক্তকে গাড়িতে করে ইডি অফিসের সামনে থেকে নিয়ে যায় অভিযোগকারী পরিবার। ওই যুবক নিজে কিছু বলেনি বলে জানায়। গলায় ঝোলানো ইডির পরিচয় পত্র অভিযোগকারী পরিবারের লোকজন ঝুলিয়ে দিয়েছে বলে অভিযুক্তের দাবি।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৪
রাজ্য

বিরল প্রজাতির পাঁচটি কচ্ছপ সহ দুই মহিলা পাচারকারী আটক

বিরল প্রজাতির পাঁচটি কচ্ছপ সহ দুই মহিলা পাচারকারীকে গ্রেফতার করল মালদা টাউন রেল পুলিশ। বিহারের সাহেবগঞ্জ থেকেই ওই কচ্ছপগুলি বস্তাবন্দী করে মালদার অথবা দক্ষিণ দিনাজপুরের সীমান্তের ওপারে পাচার করার পরিকল্পনা ছিল মহিলা পাচারকারীদের বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে রেল পুলিশ। উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলি পূর্ণবয়স্ক এবং একেকটির ওজন প্রায় ১৫ থেকে ২০ কেজি। ফলে এই ধরনের পূর্ণবয়স্ক কচ্ছপের তেল, চর্বি, হড় বিভিন্ন মাদক তৈরির অথবা উত্তেজক পদার্থ তৈরীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়ে যায় থাকে বলেও জানিয়েছে রেল পুলিশের একাংশ কর্তারা। যদিও টাকার বিনিময়ে ওই দুই মহিলা ক্যারিয়ার হিসেবেই কচ্ছপগুলিকে পাচার করার পরিকল্পনা নিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের সোমবার মালদা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ।রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুই মধ্য বয়স্ক মহিলার নাম মিনাদেবী এবং লাখোদেবী। এদের বাড়ি বিহারের ভাগলপুরে। ধৃতরা সম্পর্কে দুই বোন। বিহারের সাহেবগঞ্জ থেকে ওই পাঁচটি কচ্ছপকে বস্তাবন্দী অবস্থায় দিল্লি - মালদা ফারাক্কা গ্রামী এক্সপ্রেস ট্রেনে করেই পাচার করা হচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যায় মালদা টাউন স্টেশনে আরপিএফের কর্তব্যরত অফিসারেরা। এরপরই এদিন দুপুরে ট্রেনটি মালদায় ঢুকতেই একটি কামরা থেকে ওই দুই মহিলাকে বস্তাবন্দী কচ্ছপ সহ হাতে হাতে ধরে ফেলে।রেল পুলিশের প্রাথমিক জেরাই ওই দুই মহিলা পাচারকারী জানিয়েছেন , টাকার বিনিময়ে তারা এই কচ্ছপগুলি পাচার করছিল। মালদা থেকে দক্ষিণ দিনাজপুরের সীমান্ত এলাকায় তাদের যাওয়ার কথা ছিল । সেখানেই এই কচ্ছপগুলি হস্তান্তর করে দেওয়া হতো।পুলিশ জানিয়েছে , এই কচ্ছপ পাচারের ঘটনায় একটা বড় চক্র কাজ করছে। ওই দুই মহিলা পাচারকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই অনেক রহস্য বেরিয়ে আসতে পারে। এর আগেও মালদা টাউন স্টেশনে বিভিন্ন ট্রেন থেকে বেআইনিভাবে কচ্ছপ পাচারের ঘটনা রুখে দেয় জিআরপি এবং আরপিএফ। এদিনের এই কচ্ছপ পাচারের ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বনদপ্তর জানিয়েছে, আরপিএফের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া পাঁচটি কচ্ছপ জেলা বনদপ্তর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই কচ্ছপগুলিকে আদিনা ডিয়ার ফরেস্টের জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

জয়নগরের তৃণমূল নেতা খুন, নদিয়া থেকে গ্রেফতার সিপিএম নেতা, পুলিশের জালে আরও ৪

জয়নগরের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে খুনের অভিযোগে নদিয়া গ্রেফতার করা হল সিপিএম নেতা আনিসুর রহমান লস্করকে। গাড়ি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন আনিসুর। শেষপর্যন্ত মোবাইল ট্র্যাক করে ঘটনার ৩ দিন পরে অভিযুক্তদের ধরে ফেলে পুলিশ। এছাড়া আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে তাঁদের নাম, পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।সইফুদ্দিন লস্করকে খুনে সিপিএম নেতা আনিসুর রহমানই মূল চক্রী বলে মনে করছে পুলিশ। নিহত তৃণমূল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, সেখানে নাম ছিল এলাকায় সিপিএম নেতা বলে পরিচিত আনিসুরের।পুলিশ সূত্রে খবর, সইফুদ্দিন খুনের পর থেকেই পলাতক ছিলেন সিপিএম নেতা আনিসুর। বন্ধ ছিল তাঁর মোবাইলও। সইফুদ্দিন খুনে জড়িত সন্দেহে গত মঙ্গলবার ভোরে গণপিটুনিতে প্রাণ যায় সাহাবুদ্দিন নামে এক ব্যক্তির। গ্রেফতার করা হয় শাহরুল শেখ নামে আরেক অভিযুক্তকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর আটকও করা হয় বেশ কয়েকজনকে। তাদের জেরা করেই সইফুদ্দিন খুনে আনিসুর যোগের কথা জানতে পারে পুলিশ।তদন্তের স্বার্থে পুলিশ দলুয়াখাঁকির আনিসুর রহমান লস্করের খোঁজ শুরু করে। বাড়ি সহ সম্ভাব্য জায়গায় তল্লাশি চালালেও অনুসুরের খো্জ মেলেনি। তার আগেই পালিয়ে যান আনিসুর। ফলে অভিযুক্তের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করা শুরু করে পুলিশ। সেই মত নানা জায়গায় হানা দিলেও কোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষপর্ষন্ত নদিয়ার রানাঘাটে আনিসুরের মোবাইল ফোনের লোকেশন দেখে সেখানে যায়। ওখান থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তবে আনিসুরকে দলের নেতা বলে মানতে অস্বীকার করেছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আনিসুরের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। সে আমাদের সমর্থক হতে পারে। আসলে পুলিশ তৃণমূলের নেতা খুনে যে কোনও উপায়ে বিরোধী সিপিএমকে জড়াতে মরিয়া। তাই আততায়ীকে ধরে এখন আমাদের দলের নেতা বলে দেওয়া হচ্ছে। আবার বলা হচ্ছে উনি নাকি কর্মী। আসলে পুরোটাই সাজানো গল্প। তৃণমূলের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, আইন আইনের পথে চলবে। সিপিএম যে ধোয়া তুলসী পাতা নয় এই গ্রেফতারি থেকে তা প্রমাণ হয়ে গেল। আসলে এই সন্ত্রাস, খুনের রাজনীতিই সিপিএমের সংস্কৃতি।ভোরবেলা নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় বামনগাছি অঞ্চলের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে গুলি করে খুন করা হয় মঙ্গলবার ভোরে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোটরবাইকে আসা দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করেছে। এই খুনের খবর জানাজানি হতেই দলুয়াখাঁকি, লস্করপাড়ার একাধিক বাড়িতে পরপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে জয়নগরের দলুয়াখাঁকি গ্রাম। গ্রাম ছাড়া হয় বহু পরিবার।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
বিদেশ

দোষী সাব্যস্ত ইমরান খান গ্রেফতার, উত্তেজনা ছড়াতে পারে পাকিস্তানে

বিপাকে পিটিআই প্রধান তথা পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি তোষাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত। পাশাপাশি ইমরান খানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে পাক আদালত। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকার জরিমানা। প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। তোষাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ইমরান খান। ইসলামাবাদের জেলা ও দায়রা আদালত ইমরান খানকে তিন বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। এই সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ আছে ইমরানের। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রায়াল কোর্টের বিচারপতি। আদালতের নির্দেশের পর ইমরানকে লাহোরের জামান পার্কের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে লাহোর থেকে ইসলামাবাদে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আদালতের নির্দেশ ইমরান খান আগামী ৫ বছরের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেও পারবেন না। ইমরান খানের বিরুদ্ধে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন পদের অপব্যবহার এবং সরকারি উপহার সংক্রান্ত বিষয়ে ক্ষমতা অপব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়। উপহারগুলি ইমরান খান তার বিদেশ সফরের সময় পেয়েছিলেন, সেগুলোর মূল্য ছিল 635,000 ডলার। এরপর ট্রায়াল কোর্ট শুনানি শেষে ইমরান খানকে সম্পত্তির হিসাবের গড়মিল এবং সরকারি উপহার বিক্রির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে ইমরান খানের আইনজীবীরা ইতিমধ্যেই ট্রায়াল কোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন। রায়ের বিরুদ্ধে ইমরান যেতে পারেন উচ্চ আদালতে। এই ঘটনার পর নতুন করে উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে পাকিস্তানে।

আগস্ট ০৫, ২০২৩
রাজ্য

আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক ভিনরাজ্যের ব্যক্তি সহ আট দুস্কৃতী বর্ধমান জেলা পুলিসের হাতে আটক

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপনসূত্রে খবর পেয়ে ৮ জন দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান জেলা পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানের এনএইচ ২ বি র উপরে সাই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কাছে পুলিশী অভিযানে ধরা পড়ে ওই দুস্কৃতীরা।পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিসের ডিএসপি (ট্রাফিক) রাকেশ কুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, এদের কাছে একটি ওয়ান শর্টার পাইপগান ও একটি গুলি পাওয়া গেছে। এছাড়াও এদের কাছে একটি পুরনো কয়েন পাওয়া গেছে। এরা কয়েনগুলিকে পুরাতন দুস্প্রাপ্য কয়েন বলে লোককে প্রতারণা করত বলে জানা গেছে। এছাড়াও এদের কোনও ডাকাতির উদ্দেশ্য ছিল বলেই পুলিশের অনুমান।দুস্কৃতীদের একজনের বাড়ি মুম্বাই, একজন বর্ধমানের, তিন জন মঙ্গলকোটের বাসিন্দা। বাকিদের বাড়ি বীরভুম জেলায় বলে সুত্রে জানা গেছে। এদের আজ আদালতে জেলা পুলিশ পাঠিয়েছে। এদের সাথে পুরনো কোনওঁ ঘটনার যোগ রয়েছে কিনা তাও বিশদে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহরে অস্ত্রসহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেফতার

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার গভীর রাতে বর্ধমানের গুডশেড এলাকা থেকে অস্ত্রসহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করলো বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতের নাম আলী হোসেন, সে অসমের বাসিন্দা। ধৃতের কাছ থেকে একটি রিভালবার ও এক রাউণ্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃত আলী হোসেন অস্ত্র বিক্রির উদ্দেশ্যে বর্ধমানে এসেছিল। মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃত জামালপুরের দম্পতির পরিচয়ের খোঁজে জেলায় বেঙ্গালুরু পুলিস

অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে পশ্চিম বাংলার দম্পতি জেলে বন্দি। বেঙ্গালুরু পুলিশ নগরিকত্ত্বের তথ্য যাচাই করতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে চষে বেড়ালো। বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে রাজ্যের এক শ্রমিক দম্পতিকে। রেহাই পায়নি তাঁদের দেড়বছরের শিশু পুত্রও। প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়েই বেঙ্গালুরুর জেলে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী।বেঙ্গালুরুর ভারথুর থানার পুলিশ এখন এরাজ্যে এসে বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে ঘুরে নথি সংগ্রহ করছেন। তার মাধ্যমে তাঁরা নিশ্চিৎ হতে চাইছেন, তাঁদের করা মামলার জেরে বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি থাকা দম্পতি আদৌ কি বাংলাদেশি! নাকি তারা প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক। এমনটা জেনে অধিকারী পরিবারের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, এবার হয়তো পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও পুত্র জেল থেকে মুক্তি পাবে।দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রাম পঞ্চায়েতের তেলে গ্রামের বাসিন্দা। পলাশ ও তাঁর পরিবারের সবাই শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। পলাশ স্ত্রী শুক্লাদেবী ও শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়ে চলতি বছরের জুন মাসের শেষের দিকে পলাশ কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরূ যান। একই উদ্দেশ্যে পলাশের বাবা পঙ্কজ অধিকারী এবং মা সবিতাদেবীও বেঙ্গালুরু যান। সেখানকার মারাথাহাল্লি (Marathahalli) মহকুমার ভারথুর (varthur) থানার সুলিবেলে (sulibela) গ্রামের কায়েন খাঁনের ডেরায় তারা ওঠেন।সেখানে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা মজুরির শর্তে তারা কায়েন খাঁনের অধীনে কাজ করা শুরু করেন।তাদের কাজ ছিল হোটেল,রেঁস্তোরা, সিনেমা হল সহ বিভিন্ন জয়গা থেকে সংগৃহীত বর্জ্যবস্তু,বোতল,প্লাস্টিক সরঞ্জাম এইসব বাছাই করা।গত ২৭ জুলাই ভারথুর (varthur) থানার পুলিশ কায়েন খাঁনের ডেরায় হানা দেয়। সেখানে যাঁরা যাঁরা বাংলাভাষী ছিল তারা সবাই নাকি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, এমন সন্দেহে ভারথুর থানার পুলিশ তাদেরও আরো পাঁচ জনকে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে যায়। ওই সময়ে পলাশ,তাঁর স্ত্রী,বাবা-মা সবাই ভারথুর থানার পুলিশকে জানান তাঁরা কেউই বাংলাদেশী নন। তাঁরা নিজেদেরকে ভারতীয় বলে জানিয়ে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড দেখান। সেইসব দেখে সেখানকার ভারথুর থানার পুলিশ পলাশের বৃদ্ধ বাবা,মাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও শিশুপুত্র সহ সাত জনকে ছাড়ে না। তাদের বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে ভারথুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শিশুপুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়েই বেঙ্গালুরুর জেলে দিন কাটাচ্ছে পলাশ ও তাঁর স্ত্রী শুক্লা। ছেলে,বৌমা ও নাতি কে জেল থেকে মুক্ত করার জন্য পলাশের বাবা ও মা বেঙ্গালুরুতে থেকে নানাভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু সুরাহার কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় তাঁরাও যথেষ্ট হতাশ হয়ে পড়েছেন।বিডিও ( জামালপুর) শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, আমার ব্লকের তেলে গ্রামের বাসিন্দা এক দম্পতিকে ফরেনার্স এ্যাক্টে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সেখানকার জেলে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে বন্দি হয়ে রয়েছে। বিডিও জানান, তিন চারদিন আগে বেঙ্গালুরুর ভারথুর থানার তিন পুলিশ আধিকারিক তদন্তের স্বার্থে তাঁর কাছে আসে। পলাশ অধিকারী ও তাঁদের স্ত্রী প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক কিনা এবং তাদের ভোটার ও আধার কার্ডটি সঠিক কিনা, সেইসব বিষয়ে বেঙ্গালুরু পুলিশ তাঁর কাছে জানতে চায়। এছাড়াও পলাশদের পারিবারিক পরিচিতি, কতদিন ধরে তারা তেলে গ্রামে বসবাস করছে,তাদের কাস্ট স্ট্যটাস সহ নানা বিষয়ে জানতে চায়। সব তথ্য ভারথুর থারার মেইল আইডি তে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে বিডিও জানান। পশাপাশি তিনি এও বলেন, দম্পতি যে জৌগ্রামের তেলে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা সেই বিষয়ে জামালপুর থানার পুলিশও রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছে। বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার আরও জানানা, ভারথুর থানার তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা শুধু জামালপুর বিডিও অফিস ও থানায় এসে তথ্য যাচাই করে ফিরে গিয়েছেন, এমনটা নয়। বেশ কয়েকদিন ধরে ওই পুলিশ আধিকারিক দল জামালপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি দফতরের অফিস, জৌগ্রাম পঞ্চায়েত, এমনকি বর্ধমান দক্ষিন মহকুমা শাসকের অফিসেও তথ্য যাচাইয়ের জন্য গিয়েছিল।পলাশের বোন শম্পা হালদার বলেন, বেঙ্গালুরূ পুলিশ আধিকারিক দল আমাদের তেলে গ্রামের বাড়িতে এসেছিল। বাড়ি ঘর ঘর দেখার পাশাপাশি ওই পুলিশ দল আমার দাদা, বৌদি ও ভাইপোর ভারতীয় নাগরিকত্ত্ব সংক্রান্ত সব নথিও যাচাই করে। পাড়া প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। কোন খুঁত বেঙ্গালুরু পুলিশ বার করতে পারেননি । তাই আমরা প্রত্যাশা করছি, এবার হয়তো বেঙ্গালুরুর জেল থেকে আমার দাদা, বৌদি ও ভাইপো মুক্তি পাবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

তিন কুখ্যাত দুস্কৃতী গ্রেফতার, উদ্ধার লক্ষাধিক টাকা মুল্যের সরঞ্জাম

তিনি কুখ্যাত দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে লক্ষাধিক টাকা মূলের বোমাইল ফোন ও ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম উদ্ধার করলো পুলিশ। বুধবার বিকাল থেকে বৃহস্পতিবার ভোররাত পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ হুগলী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় টানা অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ধরা পড়ে দুস্কৃতিরা। পুলিশ জানিয়েছে ,ধৃতদের নাম পিযুশ হালদার, মৃত্যুঞ্জয় শা ওরফে মনি ও মানু সাঁতরা ওরফে বিজয়। এদের মধ্যে পিযুশ জামালপুর থানার কলুপুকুর গ্রামের বাসিন্দা।বাকি দুই ধৃতর মধ্যে মত্যুঞ্জয় হুগলী জেলার শ্রীরামপুর এবং মানু হুগলীর গুড়াপ থানা এলাকার বাসিন্দা । বৃহস্পতিবার তিন দুস্কৃতিকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। আরো চোরাই সামগ্রী উদ্ধার ও চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। বর্ধমান দক্ষিণ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুপ্রভাত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, গত ২৩ নভেম্বর জৌগ্রামের আমড়ার মোড়ে একটি দোকানের পিছনের দিকে তালা ভেঙে চুরি হয়।তারপরই পুলিশ টেকনোলজি ও সোর্স কাজে লাগিয়ে দুস্কৃতির নাগাল পায়।

নভেম্বর ১০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটে ভরাডুবির পর তৃণমূলে বিস্ফোরণ! অভিষেককে নিশানা করতেই শোকজ

বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূলের অন্দরে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। দলের একাধিক নেতা ও মুখপাত্র এবার সরাসরি নিশানা করতে শুরু করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল তৃণমূলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। অভিষেকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মন্তব্য করায় পাঁচ নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে তাঁদের।১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর এবারের নির্বাচনে তৃণমূল তিন অঙ্কের আসনও পায়নি। নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন সভা থেকে তিনি বিজেপিকে কড়া আক্রমণ করেছিলেন। ভোটের ফল বেরনোর পর দলের ভরাডুবি হলেও অভিষেকের প্রশংসা করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি জয়ী বিধায়কদের বৈঠকে সবাইকে উঠে দাঁড়িয়ে অভিষেককে অভিনন্দন জানানোর নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি।সেই বৈঠকেই মমতা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দলের ভিতরে বা বাইরে কেউ মন্তব্য করলে কিংবা শৃঙ্খলাভঙ্গ করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কিন্তু সেই সতর্কবার্তার পরও দলের অন্দরে অসন্তোষ থামেনি। তৃণমূল মুখপাত্র কোহিনুর মজুমদার প্রকাশ্যে দাবি করেন, দলের পরাজয়ের জন্য যদি কাউকে দায়ী করতে হয়, তাহলে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, অভিষেকের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও নেতাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো।মালদহের বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীও অভিষেকের বিরুদ্ধে সরব হন। অন্যদিকে তৃণমূল মুখপাত্র ঋজু দত্ত সমাজমাধ্যমে ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে বিজেপির পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। একইভাবে দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষও।এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে বাড়তে থাকা অসন্তোষ থামাতেই সক্রিয় হয়েছে তৃণমূলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনের তরফে পাঁচজনকে শোকজ চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই তালিকায় রয়েছেন কোহিনুর মজুমদার, কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, ঋজু দত্ত, পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষ।শোকজ নোটিসে বলা হয়েছে, দলের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং মানহানিকর মন্তব্য করা হয়েছে। কেন তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে দল।

মে ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেড ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা, ড্রোনে নজরদারি গোটা ময়দান চত্বরে

ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত শপথ গ্রহণ এবং বিজয় সমাবেশ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করল প্রশাসন। কোনও রকম ঝুঁকি এড়াতে গোটা ময়দান চত্বরকে কার্যত নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।প্রশাসন সূত্রে খবর, নিরাপত্তার সুবিধার জন্য পুরো ব্রিগেড এলাকা ৩৫টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। কয়েকটি সেক্টর নিয়ে তৈরি করা হয়েছে আলাদা ব্লক। প্রতিটি ব্লকের দায়িত্বে থাকবেন একজন করে আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিক। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকি করবেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার নিজে।অনুষ্ঠান মঞ্চের সামনের অংশ মূলত ভিভিআইপিদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রায় ৪০ জন ভিভিআইপি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। তাঁদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং ব্রিগেড সংলগ্ন এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি মাঠের চারপাশের বহুতল ভবনের ছাদেও মোতায়েন থাকবেন পুলিশ কর্মীরা।অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা প্রত্যেক মানুষকেই কড়া নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্যে দিয়ে মাঠে ঢুকতে হবে। সাধারণ মানুষ থেকে আমন্ত্রিত অতিথি, সবার ক্ষেত্রেই একই নিয়ম কার্যকর থাকবে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, মাঠে কোনওভাবেই ছাতা, ব্যাগ বা জলের বোতল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। কেউ এই ধরনের জিনিস নিয়ে এলে তাঁকে গেট থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হবে।শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষকে আগেই সতর্ক করা হয়েছে, যাতে নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গোটা ব্রিগেড এলাকা এবং সংলগ্ন অঞ্চলে পুলিশি টহলও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে পুরো এলাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে রয়েছে।

মে ০৮, ২০২৬
কলকাতা

‘আমি’ নয়, ‘আমরা’ বলেই শুরু শুভেন্দুর, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগেই দিলেন বড় বার্তা

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করল বিজেপি। শুক্রবার বিজেপির ২০৭ জন জয়ী বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেন্দুকেই বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। আর পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।শপথ গ্রহণের আগেই নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন হলে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠকে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখানে তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে আমরা শব্দটি। দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি স্পষ্ট করেন, এই জয় শুধু তাঁর একার নয়, গোটা বিজেপি সংগঠনের। দলের জন্য যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের সকলকেই এই জয়ের কৃতিত্ব দেন শুভেন্দু।বক্তৃতায় তিনি অমিত শাহ, শমীক ভট্টাচার্য এবং বিজেপির আদর্শের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিত্বদের কথাও উল্লেখ করেন। শুভেন্দুর দাবি, নির্বাচনের আগে যে সংকল্পপত্র প্রকাশ করা হয়েছিল, তার প্রতিটি প্রতিশ্রুতি সময়ের মধ্যে পূরণ করার চেষ্টা করবে নতুন সরকার। তাঁর কথায়, আমাদের মন্ত্র সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।রাজনৈতিক মহলে অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুই সবচেয়ে এগিয়ে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তাঁকে সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছিল। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরপর দুবার পরাজিত করার রাজনৈতিক কৃতিত্বও এদিন শুভেন্দুর ঝুলিতেই তুলে দেন অমিত শাহ।মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েও বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানিয়েছেন, বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে দিয়ে কমিশন গঠন করা হবে। সরকারি অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। পাশাপাশি সন্দেশখালি এবং আরজি কর কাণ্ডের তদন্তেও কমিশন বসানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু।শনিবারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে শুভেন্দুর শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে।

মে ০৮, ২০২৬
রাজ্য

সব জল্পনার অবসান! বাংলার প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেন্দুর নাম পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। স্বাভাবিকভাবেই পরিষদীয় দলনেতাই মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী।পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষক হিসেবে কলকাতায় এসেছিলেন অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিও। বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পরই শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকের আগে মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন, তা নিয়ে দলের কোনও নেতা বা বিধায়ক মুখ খোলেননি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়ে গিয়েছিল।যদিও শুরু থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারের নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের পিছনে বড় ভূমিকা ছিল শুভেন্দুর। বিশেষ করে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর জয়কে বিজেপির বড় রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতাও তাঁর পক্ষে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করে অমিত শাহ বলেন, বিজেপি বিধায়কদের তরফে আটটি প্রস্তাব জমা পড়েছিল এবং প্রতিটি প্রস্তাবেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ছিল। দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হলেও কেউ অন্য কোনও নাম দেননি। এরপরই শুভেন্দুর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।শনিবার সকাল ১০টায় ব্রিগেড ময়দানে হবে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি, ধর্মেন্দ্র প্রধান-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা। এছাড়াও দেশের ২০টি রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে শুভেন্দুর শান্তিকুঞ্জের বাড়িতেও নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। বাংলার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে শনিবারের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।

মে ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বঙ্গ জয়ের পরই কড়া বার্তা শাহর, ‘প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করা হবে’

বাংলার নির্বাচন শুধু রাজ্যের জন্য নয়, গোটা দেশের নিরাপত্তার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপির জয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণার পর প্রথম বক্তব্যেই ফের অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গ তুলে কড়া বার্তা দিলেন তিনি।অমিত শাহ বলেন, দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনওরকম আপস করা হবে না। বাংলাকে অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ জায়গা হতে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট জানান তিনি। তাঁর দাবি, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে দেশ থেকে তাড়ানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারেও বিজেপির অন্যতম প্রধান ইস্যু ছিল অনুপ্রবেশ। প্রায় প্রতিটি সভা থেকেই সীমান্ত সিল করা এবং অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের কথা বলেছিলেন অমিত শাহ। এবার ক্ষমতায় আসার পর সেই অবস্থান আরও স্পষ্ট করলেন তিনি।শাহর বক্তব্য, বিজেপি যে সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেখানে অনুপ্রবেশকারীদের কোনও জায়গা থাকবে না। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষকে কথা দিচ্ছি, আগামী পাঁচ বছরে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে তাড়ানো হবে।অনুপ্রবেশ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলার রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলেই অনুপ্রবেশ বেড়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, সীমান্ত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বিএসএফ। তবে বিজেপির মতে, সীমান্ত পুরোপুরি সিল না হলে এই সমস্যা বন্ধ করা সম্ভব নয়।এদিন অমিত শাহ আশ্বাস দেন, এবার বাংলার সীমান্ত সম্পূর্ণ সিল করা হবে। জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট জানান তিনি।অনুপ্রবেশের ইস্যু নিয়ে বিরোধীদের একাংশ বিজেপির বিরুদ্ধে মেরুকরণের অভিযোগ তোলে। তবে সেই অভিযোগও খারিজ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বিজেপি ভোটের রাজনীতির জন্য নয়, শুধুমাত্র দেশের নিরাপত্তার স্বার্থেই অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে সরব হয়।শাহর বক্তব্যে স্পষ্ট, নতুন সরকার গঠনের পর বাংলায় অনুপ্রবেশ রুখতেই বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে বিজেপি।

মে ০৮, ২০২৬
কলকাতা

দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিয়ে বড় বৈঠকে শাহ, বাংলার নতুন মুখ কে? জোর জল্পনা

নতুন বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণের ঠিক একদিন আগে কলকাতায় পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার বেলা প্রায় ১১টা নাগাদ তিনি দমদম বিমানবন্দরে নামেন। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী। বিমানবন্দর থেকে সোজা দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে যান শাহ। সেখানে পুজোও দেন তিনি।কলকাতায় পৌঁছেই সমাজমাধ্যমে বাংলায় পোস্ট করেন অমিত শাহ। বঙ্গবাসীকে প্রণাম জানিয়ে তিনি লেখেন নতুন সরকারের জন্য আশীর্বাদ কামনা করছেন। দক্ষিণেশ্বর থেকে বেরিয়ে নিউটাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে যাওয়ার কথা তাঁর। সেখানেই বিকেলে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন তিনি। সেই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত হতে পারে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পরিষদীয় নেতা নির্বাচনও হতে পারে।রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে। শেষ মুহূর্তে কোনও পরিবর্তন না হলে মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে তিনিই এগিয়ে রয়েছেন বলে সূত্রের খবর। উপমুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়েও চলছে নানা জল্পনা। অগ্নিমিত্রা পাল, মালতী রাভা রায় এবং দীপক বর্মনের নাম ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হতে চলেছে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ছাড়াও বিজেপি শাসিত ২১টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, প্রথম দফায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন মন্ত্রী শপথ নিলেও পরে ডেপুটি, পূর্ণমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিয়ে মোট ৩৬ থেকে ৪০ জনের মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে। কে মন্ত্রী হচ্ছেন, কার কাছে ফোন যাচ্ছে, তা নিয়ে এখন তীব্র উত্তেজনা বিজেপির অন্দরে। অনেক জয়ী বিধায়ক এখনও কোনও বার্তা পাননি বলেও জানা গিয়েছে।বিজেপি সূত্রে খবর, মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করার আগে আরএসএস নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন অমিত শাহ। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্রিগেডে থাকছে বিশেষ আয়োজন। রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন হওয়ায় অনুষ্ঠানে বাজবে রবীন্দ্রসঙ্গীত। থাকছে আলাদা সাংস্কৃতিক মঞ্চও। বিশিষ্ট অতিথিদের জন্য বিশেষ বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।বিজেপির লক্ষ্য, অন্তত এক লক্ষ মানুষের জমায়েত করা। প্রত্যেক নবনির্বাচিত বিধায়ককে কমপক্ষে এক হাজার সমর্থক নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। অনুষ্ঠান ঘিরে গোটা শহর এবং ব্রিগেড এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোট চার হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন থাকবেন।

মে ০৮, ২০২৬
রাজ্য

মাধ্যমিকে চমক! পাশের হারে সবাইকে টপকে গেল এই জেলা, প্রথম দশে ১৩১ জন

প্রকাশিত হল মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল । শুক্রবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করে ফল ঘোষণা করেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। এবছর মোট ৯ লক্ষ ৫৯ হাজার পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তার মধ্যে পাশ করেছে ৮৬.৮৩ শতাংশ পড়ুয়া ।এবার পাশের হারের নিরিখে প্রথম স্থানে রয়েছে কালিম্পং। সেখানে পাশের হার ৯৫.১০ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে পূর্ব মেদিনীপুর এবং তৃতীয় স্থানে কলকাতা। এবারের মাধ্যমিকের প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছে মোট ১৩১ জন পরীক্ষার্থী।পর্ষদ সূত্রে খবর, শুক্রবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে অনলাইনে নিজেদের ফল দেখতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে সকাল ১০টা থেকে ক্যাম্প অফিস থেকে স্কুলগুলিকে মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট দেওয়া শুরু হবে। পরে স্কুলের পক্ষ থেকে সেই মার্কশিট সংগ্রহ করে পড়ুয়াদের হাতে তুলে দেওয়া হবে ।ফলাফল দেখতে হলে পরীক্ষার্থীদের প্রথমে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সরকারি ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে রেজাল্ট বিভাগে ক্লিক করে রোল নম্বর, জন্মতারিখ-সহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেই স্ক্রিনে দেখা যাবে মাধ্যমিকের ফলাফল। চাইলে সেখান থেকেই প্রিন্টও করে নেওয়া যাবে।এছাড়াও অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমেও দেখা যাবে মাধ্যমিকের রেজাল্ট। ফলে বাড়িতে বসেই খুব সহজে নিজেদের ফল জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। এবারের ফল প্রকাশ ঘিরে সকাল থেকেই পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের মধ্যে ছিল প্রবল উৎসাহ ও উত্তেজনা।

মে ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিমানে উঠতেই মহুয়ার দিকে ‘চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল শোরগোল

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জায়গায় জনরোষের মুখে পড়ছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এর আগে গণনাকেন্দ্রে অভিনেতা-পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর দিকে কাদা ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিনেতা দেবকেও প্রকাশ্যে চোর স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।শুক্রবার দিল্লিগামী বিমানে উঠেছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, তাঁকে দেখামাত্রই কয়েকজন সহযাত্রী আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিমানের ভিতরেই ওঠে, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সব চোর স্লোগান। আচমকা এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ। তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন। পরে বিমানকর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই দলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, অভিনেতা দেব কার্যত টি-শার্ট দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। সেই ঘটনার পর এবার মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে নতুন ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ইতিমধ্যেই বিমানের ভিতরের সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ভোটের ফলের পর কি রাজ্যে জনরোষ আরও বাড়ছে? যদিও এই ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি মহুয়া মৈত্র।

মে ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal