• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrest

রাজ্য

তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে থানায় বিক্ষোভ জেলা সাধারণ সম্পাদকের

শাসক দলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে অভিযুক্ত মহম্মদ সেলিমকে গ্রেফতারের দাবিতে থানা ঘেরাও হল বর্ধমানে। আর সেই থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন খোদ তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস। ঘন্টা দেড়েক বিক্ষোভ চলার পর পুলিশি আশ্বাসে ঘেরাও কর্মসূচি উঠে যায়। আরও পড়ুন ঃ হাওড়ায় নতুন পুর কমিশনার ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার দুপুরে। বর্ধমানের লোকো কলোনীতে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বিবদমান গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয় । এই ঘটনায় দুই গোষ্ঠীরই বেশ কয়েকজন জখম হয়। বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রেলওয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বসেছিল। সেখানেই ক্যাম্পের দখলদারি নিয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস ও ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের অনুগামীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। অভিযোগ , শিবু ঘোষ তার বৌদি ও স্ত্রীকে নিয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল। তখন মহম্মদ সেলিমের অনুগামীরা খোকন দাসের অনুগামী শিবু ঘোষকে মারধর করে। এরপর এলাকার একটি বাড়িতে শিবু ঘোষ আশ্রয় নিলে সেখানেও ঢুকে মারধর করা হয়। পাশের দলীয় কার্যালয়ে হামলা হয় ও ভাঙচুর চালানো হয়। খোকন দাস পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন যদি বিকেলের মধ্যে অভিযুক্তদের না ধরা হয়, তাহলে তারা থানা ঘেরাও করবেন। পুলিশ প্রশাসন ঠিক মত কাজ করছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম বলেন, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে হাজির হয়ে শিবু ঘোষের নেতৃত্বে কয়েকজন দাদাগিরি করছিল। এলাকার বাসিন্দারা প্রতিবাদ করলে প্রথমে বাদানুবাদ হয়।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের তাড়া করলে ছুটে পালাতে গিয়ে কেউ আহত হতে পারে। কেউ তাদের মারধর করেনি। আর ওখানে কোন তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস নেই। শিবু ঘোষের দাবি, সেলিমের নেতৃত্বে একদল যুবক তাঁদের উপর হামলা করে। ব্যাপক মারধর করেছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে অশ্লীল মেসেজ পাঠানোর অভিযোগ , ধৃত যুবক

টলিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে অশ্লীল মেসেজ পাঠানোর অভিযোগ এক বাংলাদেশি যুবককে গ্রেফতার করা হল। ধৃতের নাম মাহাবুর রহমান। সে বাংলাদেশের খুলনার বাসিন্দা। অভিযোগ , বেশ কিছুদিন ধরেই ওই যুবক শ্রাবন্তীকে অশ্লীল এবং ভারতবিরোধী ম্যাসেজ পাঠাচ্ছিল। প্রথমদিকে গুরুত্ব না দিলেও বারবার এই ঘটনা ঘটায় বিরক্ত হয়ে নম্বর ব্লক করে দেন। আরও পড়ুন ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে সম্মান দেওয়ার কথা ভাবেনি রাজ্য সরকারঃ অধীর কিন্তু তাতেও সমস্যার সমাধান হয় না। বরং অন্য নম্বর থেকে মেসেজ ও হোয়াটসঅ্যাপে করে তাঁকে উত্যক্ত করতেই থাকে অভিযুক্ত যুবক। এরপরেই শ্রাবন্তী অভিযোগ করেন বাংলাদেশের হাইকমিশনে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পুলিশ এই অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হলে খুলনার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাকে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত

হাওড়ার শিবপুরে বহুতল আবাসনে বৃদ্ধ দম্পতি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ছেলে শুভজিৎ বসুকে। বৃহস্পতিবার তাঁকে হাওড়া জেলা আদালতে তোলা হলে তাঁর ২ দিনের পুলিশ হেফাজতের আদেশ দেন বিচারক। পুলিশ ধৃত শুভজিৎ এর বিরুদ্ধে খুন সহ ভারতীয় দন্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করেছে। বুধবার দুপুরে শিবপুর থানা এলাকার কৈপুকুর লেনের এক আবাসনে ওই ঘটনা ঘটে। আবাসনের চারতলার ঘর থেকে উদ্ধার হয় প্রদ্যোৎ বসু (৭৫) এবং তাঁর স্ত্রী গোপা বসুর(৭০) মৃতদেহ। পুলিশ দরজা ভেঙে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। আরও পড়ুন ঃ মালদা বিস্ফোরণের ঘটনায় সরকারের কড়া সমালোচনা রাজ্যপাল - দিলীপের , পালটা প্রতিক্রিয়া রাজ্যের পুলিশের দাবি, ধৃত শুভজিৎ তাঁর বাবা-মাকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুনের কথা স্বীকার করে। বাবা-মাকে খুন করে নিজেও ব্লেড চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। কালীপুজোর রাতে তিনি ওই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন বলে শুভজিৎবাবুর দাবি। শুভজিৎবাবু পুলিশের কাছে জানিয়েছেন, তাঁকে বাড়ি থেকে বেড়োতে দেওয়া হত না। চাকরি করতে দিতে আপত্তি থাকায় চাকরিও তিনি করতেন না। পুলিশের ধারণা, আর্থিক সঙ্কট অন্যদিকে মানসিক অবসাদ এই দুই কারণেই বাবা-মাকে হত্যা করেন তিনি। মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন শুভজিৎ।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

বৃদ্ধ দম্পতির দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ছেলে

বন্ধ বহুতলে আবাসনের ভেতর থেকে উদ্ধার হল এক বৃদ্ধ দম্পতির পচাগলা দেহ। বাবা- মায়ের দেহের পাশেই রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ছেলেকে। ঘটনাটি ঘটেছে , হাওড়ার শিবপুরের ১৭, কৈপুকুর লেনের আবাসনে। মৃতের পরিবার ওই আবাসনের চারতলার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। বুধবার দুপুরে শিবপুর থানার পুলিশ দরজা ভেঙে দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতদের নাম প্রদ্যুৎ বোস(৭৫), গোপা বোস( ৭০)। বাবা - মাকে হত্যার অভিযোগে ছেলে শুভজিৎ বোসকে (৪২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত শুভজিৎ খুনের কথা স্বীকার করেছে। অসুস্থ রক্তাক্ত অবস্থায় ছেলেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের দাবি , মানসিক অবসাদ থেকে ছেলে তার বাবাকে খুন করে নিজেও আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। আরও পড়ুনঃ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে সমবায়ঃ শুভেন্দু জানা গিয়েছে , মৃত প্রদ্যুৎবাবুর দেহ পড়েছিল খাটে এবং শোফায় পড়েছিল গোপাদেবীর দেহ। পুলিশ আরও জানিয়েছে, মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত কারণে বেশ কয়েক বছর শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। তাঁর চিকিৎসার জন্য খরচ অনেক বেড়ে গিয়েছিল। একমাত্র ছেলে শুভজিৎ উচ্চশিক্ষিত। তিনি একটি বেসরকারি কলেজ থেকে এমসিএ পাশ করেন। কিন্ত্য তিনি চাকরি করতেন না। এর পাশাপাশি পাড়ায় কারও সঙ্গে কথা বলতেন না তিনি। তার বাড়ির লোক জানিয়েছেন, শুভজিৎ উচ্চশিক্ষিত ছিল। চাকরি না পেয়ে অবসাদে ভুগছিলেন। পরিবার দীর্ঘদিন আর্থিক অনটনে ভুগছিল। এই মানসিক অবসাদ থেকেই খুন বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ ওই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছেলে স্বীকার করেছে যে বাবা-মাকে খুন করে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পুলিশ জানিয়েছে, মা, বাবাকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ছেলে শুভজিৎকে। সে খুনের কথা স্বীকার করেছে। শনিবার রাতে এই ঘটনাটি ঘটায়। এরপর সে আত্মহত্যার চেষ্টাও করে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
দেশ

দিল্লিতে ধৃত দুই জইশ জঙ্গি

জইশ-ই-মহম্মদের দুই জঙ্গিকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। ধৃতদের নাম আবদুল লতিফ মীর ও মহম্মদ আশরাফ। বয়স আনুমানিক ২০ থেকে ২২ বছর। দুজনই জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা। একজনের বাড়ি কুপওয়ারা, অন্যজনের বারামুল্লায়। সূত্রের খবর, রাজধানীতে বড়সড় নাশকতার ছক ছিল জইশের। পাশাপাশি, একাধিক ভিভিআইপি-ও ছিল তাঁদের নিশানায়। গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়ে অভিযান চালায় দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। আরও পড়ুন ঃ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতিশ কুমার সেলের ডিসিপি সঞ্জীব যাদব জানান, সরাই কালে খান অঞ্চলের মিলেনিয়াম পার্কে জঙ্গিদের জন্য ফাঁদ পাতে পুলিশ। রাত ১০টা নাগাদ জালে ধরা পড়ে দুই জইশ জঙ্গি। দুজনের কাছ থেকে পিস্তল ও তাজা গুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

 বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করল বর্ধমান আদালত। প্রায় বছরখানেক আগে দিলীপের বিরুদ্ধে পুলিশকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলাতেই তাঁর বিরুদ্ধে এবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল আদালত। প্রসঙ্গত , গতবছর ৪ নভেম্বর বর্ধমানের রায়নার একটি সভায় দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের পুলিশকর্মীরা আকন্ঠ দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে। টাকা না দিলে পুলিশের চাকরি মেলে না। প্রমোশনের জন্যও পুলিশকে টাকা দিতে হয়। এসপি থেকে ওসি সকলকে টাকা তুলতে হয় এবং সেই টাকা যায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে। আরও পড়ুন ঃ মদের দোকানের চার কর্মীকে ঘুমন্ত অবস্থায় পিটিয়ে খুন , ধৃত অভিযুক্ত বিজেপি রাজ্য সভাপতির এই মন্তব্যের জেরে অভিযোগ দায়ের করেন রায়নার সেহারাবাজার ফাঁড়ির এক পুলিশকর্মী। এই অভিযোগের ভিত্তিতে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই মামলায় চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। আদালতে বিজেপি রাজ্য সভাপতির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। শুক্রবার সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

মদের দোকানের চার কর্মীকে ঘুমন্ত অবস্থায় পিটিয়ে খুন , ধৃত অভিযুক্ত

মদের দোকানের চার কর্মীকে পিটিয়ে খুন করা হল। ঘটনাটি ঘটেছে , পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার শিবপুরে। জানা গিয়েছে , তখন ওই ্চার কর্মী ্দোকানের ভিতরে ঘুমোচ্ছিলেন। অভিযোগ, সাধু মাঝি মাঝরাতে ওই ৪ কর্মীর উপর হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। মৃতদের নাম অম্বুজ মণ্ডল(৪০), প্রশান্ত সাহা(৫৮), সুবোধ বাউরি(৬১)। বাড়ি বাঁকুড়ায়। আরও পড়ুন ঃ করোনা আবহে নৈহাটির বড়মার পুজো এবার অনলাইনে খবর পেয়ে পুলিশ আসতেই জমায়েত করেন স্থানীয়রা। দেহ উদ্ধারের সময় হামলাবাজ সাধু ফিরে এসে ফের লাঠি চালায় জনতার ভিড়ে। সেই সময় লাঠির আঘাতে স্থানীয় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। এরপরই জনতা কোনক্রমে হামলাবাজ সাধু মাঝিকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। মৃত বৃদ্ধের নাম কালিয়া ভুঁইঞা। তিনি তার মেয়ের বাড়িতে এসেছিলেন। জানা গিয়েছে , দিন দুয়েক আগে ওই মদ দোকানে মদ্যপ অবস্থায় সাধু মাঝি অশান্তি পাকায়। মদের দোকানের মালিকের হাত ভেঙে দেয় সে। সেই অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। বৃহস্পতিবার পুলিশ হেফাজত থেকে জামিনে মুক্ত হয়েই প্রতিহিংসা নিতে সে এই ঘটনা ঘটায়।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করায় আক্রান্ত পুলিশ , ধৃত ৫

আবাসনের বাসিন্দাদের শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করেছিলেন কয়েকজন পুলিশকর্মী। তার পরিণাম হল ভয়ানক। এবার আবাসনের বাসিন্দাদের হাতেই মার খেতে পুলিশকে। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বালিতে। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন। তার মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি-র ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রচুর বাজি উদ্ধা্র করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে শব্দবাজিও। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ গার্ড অব অনার না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল পুলিশ সূত্রে খবর , হাইকোর্টের নির্দেশ , করোনা পরিস্থিতিতে কোনওরকম বাজি ফাটানো যাবে না। সুপ্রিম কোর্টও হাইকোর্টের এই নির্দেশ বহাল রেখেছে। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে বেলুড়ের ওই আবাসনে বাজি ফাটানো হচ্ছিল বলে খবর পায় পুলিশ। বৃহস্পতি্বার রাত ৯টা নাগাদ আবাসনে হানা দেয় পুলিশ। অভিযোগ, এর পরই তাঁদের উপর চড়াও হন ওই আবাসনের বাসিন্দারা। পুলিশ কর্মীদের মারধরও করা হয়। ঘটনায় জখম হন ৭ পুলিশকর্মী। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ কর্মীদের উদ্ধার করে। আহতদের তড়িঘড়ি স্থানীয় টি এল জয়সওয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির

অন্যায়ভাবে বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকেই খড়্গপুর টাউন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিক্ষোভ চলতে থাকে। বিক্ষোভ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের প্রথমে বচসা বাধে। তারপর ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। প্রসঙ্গত , বুধবার খড়্গপুর শহরের আঠারো নম্বর ওয়ার্ডের কার্যকর্তা লিপু বেরাকে গ্রেপ্তার করে খড়্গপুর টাউন থানার পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল এরই প্রতিবাদ জানাতে খড়গপুর টাউন থানা ঘেরাওয়ের ডাক দেয় বিজেপি। বিজেপির এই কর্মসূচির জেরে খড়্গপুর শহরে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় প্রচুর পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

গরু পাচার কাণ্ডের মূল চক্রী এনামুল গ্রেফতার

গরু পাচার কাণ্ডের মূল মাথা মুর্শিদাবাদের ব্যবসায়ী এনামুল হককে শুক্রবার দিল্লি থেকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এই খবর জানার পরেই সিবিআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একটি দল এনামুলকে কলকাতায় নিয়ে আসার জন্য দিল্লি রওনা দিয়েছে। তাকে কলকাতার সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই এনামুলের সঙ্গে কলকাতারও ঘনিষ্ঠ যোগ সূত্র ছিল। মূলত মুর্শিদাবাদের লালগোলার বাসিন্দা এনামুলের কলকাতাতেও বাড়ি রয়েছে, রয়েছে দিল্লিতেও। কয়েকদিন আগে তার কলকাতার বাড়িতেও তল্লাশি চালায় সিবিআই। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে গরু পাচার কাণ্ডের তদন্ত সিবিআই শুরু করতেই গা ঢাকা দেয় এনামুল। অবশেষে তার দিল্লির বাড়ি থেকে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। আরও পড়ুন ঃ তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ প্রসঙ্গত , রাজ্যে গরু পাচারকাণ্ডে বৃহস্পতিবার কলকাতার চার জায়গায় তল্লাশি চালায় সিবিআই। মানিকতলায় ব্যবসায়ী রাজন পোদ্দারের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি আটক করা হয়। কয়েকদিন আগে এই কাণ্ডে জড়িত থাকা এনামুল ঘনিষ্ঠ এক বিএসএফ কর্তাকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। দিন দুয়েক আগেও কলকাতায় শুল্ক দপ্তরের আধিকারিক-সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। গোটা চক্রের জাল খুলে ধীরে ধীরে এগোচ্ছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছিল, সীমান্তে গরুপাচারে যোগসাজশ ছিল বিএসএফেরও। প্রতি গরুতে হাজার দুয়েক টাকা পেত বিএসএফের এক শ্রেণির কর্তারা। গরুর এই দরদাম চলত মুর্শিদাবাদের শুল্ক দপ্তরের এক শ্রেণির কর্তাদের যোগসাজশে। গরু পাচারের ঘটনার সঙ্গে এই রাজ্যের কোনও রাজনৈতিক নেতা জড়িত আছে কিনা , তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
দেশ

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেফতার অর্ণব গোস্বামী

দুবছর আগে ঋণ শোধ না করা এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের এডিটর অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেফতার করল মহারাষ্ট্র সিআইডি। তাঁকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ। অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেফতারের ঘটনার কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এদিন এই বিষয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে টুইটে লেখেন, কংগ্রেস এবং সঙ্গীরা আরও একবার গনতন্ত্রকে লজ্জায় ফেলল। অর্ণব গোস্বামীর উপর আক্রমণ ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের উপর হামলা। এটা আমাকে জরুরি অবস্থার কথা মনে করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করা হবে। জানা গিয়েছে , বুধবার সকালে অর্ণবের বাড়িতে হানা দেয় মুম্বই পুলিশ ও সিআইডির একটি দল। সেই দলে ছিলেন ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ আধিকারিক। অর্ণবের অভিযোগ, তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করেছে পুলিশ। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, তাঁকে বলপূর্বক পুলিশ ভ্যানে তোলা হচ্ছে। যে মামলায় অর্ণবকে আটক করা হয়েছে সেটি বছর দুয়েকের পুরনো।ওই বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে শোধ না করা এবং আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ছিল। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার আগে রাজনীতি থেকে অবসর নেবঃ মায়াবতী প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের মে মাসে ইন্টেরিয়র ডিজাইনার অন্বয় নায়েক এবং তাঁর মা কুমুদ নায়েককে আলিবাগের একটি বাংলোতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্বয়ের মেয়ে আদন্যা দাবি করেন, ওই বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের থেকে বকেয়া টাকা না পেয়ে আত্মহত্যা করেন তাঁর বাবা ও ঠাকুমা।সেইসময় ওই বেসরকারি সংবাদমাধ্যম সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে। পরে দাবি করে, কিছু সংগঠন অসৎ উদ্দেশে ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এই ধরনের মিথ্যা প্রচারর করছে। অন্যদিকে , এদিন অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেফতার করার নিন্দা করে বিজেপি নেতা তথা সাংবাদিক রন্তিদেব সেনগুপ্ত লিখেছেন , এই ঘটনায় ধর্মনিরপেক্ষ বা্মপন্থী ও তৃণমূলপন্থী্রা মুখে কুলুপ এঁটেছেন। বাক স্বাধীনতা নিয়ে এবার কিছু বলতে এলে এদের একদম বিদায় করুন। তিনি সকলকে এই ঘটনার বিরুদ্ধে একসঙ্গে প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্ত এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে টুইটে লিখেছেন , আমি মনে করি না , এই গ্রেফতারি অর্ণব গোস্বামীকে চুপ করাতে পারবে।এই ঘটনা তাঁর আবেদন আরও বাড়িয়ে তুলবে। কংগ্রেস ও শিবসেনাকে আরও হাস্যকর করে তুলবে। বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা টুইটে লিখেছেন , মহারাষ্ট্র সরকারের প্রতিহিংসামূলক চিন্তাভাবনায় বাংলার সরকারের চিন্তাভাবনার প্রতিচ্ছবি। নির্লজ্জ মুম্বই পুলিশ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের যোগ্য প্রতিযোগী। দেশের সমস্ত সাংবাদিক বন্ধুদের এই লজ্জাজনক ঘটনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই। মহারাষ্ট্র সরকারের পতন আসন্ন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

ক্যানিংয়ে গুলিবিদ্ধ তিন তৃণমূল কর্মী , ধৃত ২

তৃণমূল কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ক্যানিংয়ের জীবনতলার দাহারানি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একজন দুষ্কৃতীর নাম বিশাল দাস। এই বিশাল দাসের বিরুদ্ধে একাধিক খুনের অভিযোগ আছে। বেশ কিছুদিন আগে এক ব্যক্তিকে খুন করার পর দেহ টুকরো টুকরো করে দিয়েছিল সে। এরপর সেখান থেকে সে গা ঢাকা দেয়। আশ্রয় নেয় জীবনতলা থানার কুতুবুদ্দিন শেখের বাড়িতে। কুতুবউদ্দিন বিশালের পূর্বপরিচিত বলেই জানা গিয়েছে। সোমবার রাতের ঘটনার পর বারুইপুর জেলা পুলিশের একটি বিরাট টিম ওই এলাকায় আসে। শুরু হয়েছে তল্লাশির কাজ। দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ মন্তেশ্বরে গায়ে আগুন দিয়ে একই পরিবারের তিনজন আত্মঘাতী উল্লেখ্য , অসামাজিক কাজের উদ্দেশ্যে একদল দুষ্কৃতী গ্রামে ঢুকেছে বলে সোমবার রাতে খবর যায় মাজেদ গাজি, আলমগীর গাজি ও মোসলেম মোল্লা নামে ওই তিন তৃণমূল কর্মীর কাছে। তাঁরা জানতে পারেন, এলাকারই এক রিকশাচালকের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এরপরই ওই ব্যক্তির বাড়িতে যান তৃণমূল কর্মীরা। সেখানে গিয়ে কারও দেখা পাননি তাঁরা। এরপরই ওই রিকশাচালকের আলা ঘরে দুষ্কৃতীদের খোঁজে যান ওই তিন যুবক। অভিযোগ, তাঁদের দেখতে পেয়েই আচমকা গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। পায়ে ও বুকে গুলি লাগে তৃণমূল কর্মীদের। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তাঁরা। স্থানীয়রা তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে ক্যানিং হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর গুলিবিদ্ধদের এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তারা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ধৃত ২ শার্প শুটার

টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় দুই শার্প শুটারকে পাঞ্জাব থেকে গ্রেফতার করল সিআইডি। অভিযুক্তদের ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ধৃতদের নাম রোশন রাই, সুদীপ যাদব। প্রসঙ্গত , ওই খুনের ঘটনায় আগেই খুররম, গুলাব শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের জেরা করার পর সিআইডি দাবি করে , পাটনার জেলে বন্দী সুবোধ সিং এই খুনের ঘটনায় সরাসরি জড়িত। আরও পড়ুন ঃ তারাপীঠে মহাসমারোহে পালিত হল তারা মায়ের আবির্ভাব তিথি জেলে বসেই সে তৈরি করে এই খুনের ব্লু-প্রিন্ট । সুবোধ রায় নামে অপর অভিযুক্তকেও পাকড়াও করা হয়। এরপর সুবো্ধকে জেরা করে প্রচুর তথ্য জোগাড় করেন তারা। এরপর তাদের খোঁজে বিহারে রীতিমতো ঘাঁটি গেড়েছিলেন তদন্তকারীরা । সেখান থেকেই সূত্র মেলে । তারপর এদিন তাদের পাঞ্জাব থেকে গ্রেফতার করা হয়।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
দেশ

সোপিয়ান থেকে ধৃত ৩ মাদ্রাসা শিক্ষক

জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ান থেকে ৩ মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার করা হল। ধৃতদের নাম আবদুল বাট, মহম্মদ ইউসুফ ওয়ানি ও রউফ বাট। তাদের পিএসএ আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তাদের ওই মাদ্রাসা থেকে জঙ্গি দলে যোগ দিয়েছে ১৩ পড়ুয়া। সোপিয়ান, অনন্তনাগ ও কুলগামের বহু ছাত্র ওই মাদ্রাসাটিতে পড়াশোনা করে। সোপিয়ানের ওই মাদ্রাসাটি থেকে পাস করেছিল সাজাদ বাট। এই সাজাদই ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী হামলা চালায়। আরও পড়ুনঃ দৈনিক করোনা সংক্রমণ কমলেও বিপদ এখনও কাটেনি, মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর কাশ্মীর জোনের আইজি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, মাদ্রাসাটি চালায় কাশ্মীরে নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-ই-ইসলামি। সিরাজ-উলুম ইমাম সাহিব নামে ওই মাদ্রাসার ৩ শিক্ষকের নামে অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই মাদ্রাসাটি বহুদিন ধরেই গোয়েন্দাদের নজরে ছিল। প্রয়োজন হলে ওই মাদ্রাসার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
কলকাতা

স্পা-এর আড়ালে মধুচক্র , ধৃত টেলি অভিনেতা সহ ১৬

স্পা-এর আড়ালে চলছিল মধুচক্রের আসর। সেখানে হানা দিয়ে বাংলা সিরিয়ালের এক অভিনেতা-সহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করল কলকাতা পুলিশের এসটিএফ ও গোয়েন্দা পুলিশ। কলকাতার রাসবিহারী অ্যাভিনিউ ও রফি আহমেদ কিদোয়াই রোড়ের ওই স্পা দুটিতে মধুচক্র চালানো হচ্ছে, কিছুদিন আগে এমন খবর পৌঁছয় পুলিশের কাছে। সেই খবরের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে ওই স্পা-তে হানা দেয় তদন্তকারীরা। সেখান থেকে বেশ কয়েকজন তরুণীকেও উদ্ধার করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ একটি রাজনৈতিক দল রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে , টুইট নবান্নের এদিন রাতে প্রথমে তল্লাশি চালানো হয় রাসবিহারী অ্যাভিনিউয়ের স্পা-তে। সেখান থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে একজন বাংলা সিরিয়ালের পরিচিত মুখ। অভিযোগ তিনিও নাকি ক্রেতা হিসেবেই ওই মধুচক্রের আসরে গিয়েছিলেন। এরপরই তালতলা থানা এলাকার রফি আহমেদ কিদোয়াই রোড়ের স্পায়ে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ৫ জনকে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অক্টোবর ১১, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির নবান্ন অভিযানে আটক ১১৩ঃ মুখ্যসচিব

বিজেপির নবান্ন অভিযান মহামারী আইন ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের পরিপন্থী। কলকাতা ও হাওড়ায় মোট ১১৩ জনকে বিশৃঙ্খলার জন্য আটক করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের এলাকায় ৮৯ জন ও হাওড়া পুলিশের এলাকায় ২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানালেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জলকামানে ব্যবহার করা রং নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয়েছিল মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আরও পড়ুনঃ করোনায় প্রয়াত শিক্ষাবিদ আনন্দদেব মুখোপাধ্যায় তিনি সাফ জানিয়ে দেন, জলে হোলির রঙ মেশানো হয়েছিল। যদি এই বিক্ষোভ-মিছিলের পরবর্তী সময় হট্টগোলকারীদের সহজেই চিহ্নিত করা যায়, তার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এদিন মুখ্যসচিব স্পষ্ট জানান, বুধবার সন্ধ্যাতেই আন্দোলনকারী সংগঠনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভাবে মিছিল করতে প্রশাসনও সাহায্য করবে। সেই চিঠির জবাব তো আসেইনি বরং চরম মিছিলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল বিজেপি। কোথায় জ্বলন্ত টায়ার ইতিউতি ফেলে দেওয়া হয়, কোথাও বোমাবাজি হয়, এমনকী আগ্নেয়াস্ত্র-সহ এক বিজেপি কর্মীকেও আটক করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও ১

বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় সুবোধ যাদব নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। এই হত্যাকাণ্ডের সময় গোটা ঘটনা সে পরিচালনা করেছে বলে খবর। এই সুবোধ যাদব ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাসের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের। পুলিশ সূত্রে খবর, এই সুবোধ ব্যারাকপুরের একটি নির্মীয়মান বহুতলে ৬ জন সুপারি কিলারকে গত ১ মাস ধরে আশ্রয় দিয়েছিল।এর আগে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাজির খান নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই নাজির খানের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন নিহত মণীশের বাবা। আরও পড়ুনঃ স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে ওঠায় যাত্রী-পুলিশ সংঘর্ষ , আহত ২ পুলিশ সূত্রে খবর, সুপারি কিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এই নাজির খানই। সে নিজেও গুলি চালিয়েছিল বলে সন্দেহ পুলিশের।এখনও পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডে মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। প্রথম যে দুজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ, তার হল খুররম ও গুলাব শেখ।পুলিশ সূত্রে খবর, মণীশ শুক্লার ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল নাজির খান। সে সুপারি কিলারদের সঙ্গে টাকার হিসেব নিয়ে কথাও বলেছিল বলে মনে করছে পুলিশ। নাজিরকে জেরা করেই আরও তথ্য উঠে্ আসবে বলে মনে করছে সিআইডি।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
কলকাতা

কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, আটক ৩

মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক বিজেপির তিন মহিলা কর্মী। জয় শ্রীরাম স্লোগানও তারা দিতে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উপস্থিত পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধরপাকড় শুরু করে দেয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভে বসেন বিজেপি মহিলা মোর্চার সমর্থকরা। আরও পড়ুনঃ বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার প্রকাশ এসএফআইয়ের বিক্ষোভকারীরা কালীঘাট মন্দিরে যাওযার দিকের রাস্তা দিয়ে ঢোকেন বলেই পুলিশ সূ্ত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে।এরপর বড় রাস্তার ওপরেই প্ল্যাকার্ড হাতে বসে পড়েন, তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ এসে তিন বিক্ষোভকারীকে সরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
কলকাতা

অরূপ বিশ্বাসের ভাইপো পরিচয় দিয়ে মডেলদের প্রতারণা, গ্রেপ্তার যুবক

রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইপো হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। সেই পরিচয় দিয়ে টলিউডে মহিলা মডেলদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার টোপ ও ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি করছিলেন। সেই অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবককে। ধৃতের নাম রণজিৎ বিশ্বাস ওরফে আকাশ।রিজেন্ট পার্কের ২৭, বাবুরাম ঘোষ রোডে তার বাড়ি। সম্প্রতি এক প্রতারিতা ফেসবুকে ওই যুবকের ছবি সহ পুরো বিষয়টি শেয়ার করেন। আর সেটা নজরে পড়ে মন্ত্রীর। এরপর অরূপ বিশ্বাসই এফআইআর দায়ের করেন রিজেন্ট পার্ক থানায়। সোমবার রাতে পুলিশ ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে রয়েছে মমতাক্রেসিঃ অধীর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে কয়েকজন মডেলের সঙ্গে ছবি শেয়ার করেই প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল রণজিৎ।এই প্রতারণা চালাতে ফেসবুকে আটটি অ্যাকাউন্ট খুলেছিল সে। আর সেগুলি থেকেই উঠতি মডেলদের টোপ দিত রণজিৎ। কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা টাকা চাইত সে। এরপর কিছু ঘনিষ্ঠ ছবি দেখিয়ে ভয় দেখাতো সে। ঝাড়গ্রামের এক উঠতি মডেল এভাবেই প্রতারিত হন। তিনি টাকা ফেরত চাইতেই হুমকি পান বলে অভিযোগ।এরপরেই ওই তরুণী ফেসবুকে পুরো বিষয়টি জানিয়ে একটি পোস্ট করেন। সেই সঙ্গে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে কয়েকটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন।এরপরেই বিষয়টি নজরে আসে পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। তারপর তিনি থানায় এফআইআর দায়ের করলে রণজিৎ গ্রেফতার হয়।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে ধৃত ২

বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করল সিআইডি। ধৃতদের নাম মহম্মদ খুররম ও গুলাব শেখ। পিতৃহত্যার বদলা নিতেই নাকি মণীশকে নৃশংসভাবে খুন করার চক্রান্ত করেছিল খুররম। অন্তত প্রাথমিকভাবে পুলিশের ইঙ্গিত এমনই। এই দুজনকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের দ্রুত কিনারা করতে মরিয়া তদন্তকারীরা।প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে খুররমের বাবা খুন হন। সেই খুনের ঘটনায় জড়িয়ে যায় মণীশের নাম। তারপর থেকে মণীশের সঙ্গে খুররমের শত্রুতা লেগেই রয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকবার মণীশের উপর হামলা হয়েছে। কিন্তু বরাত জোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু এবার আর রক্ষা পেলেন না। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, নিখুঁত পরিকল্পনা মণীশ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। রীতিমত একমাস ধরে বিজেপি নেতার গতিবিধিতে নজর রেখেছিল শত্রুরা। সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীরা ছুটিতে যেতেই চূড়ান্ত ছক কষা হয়। সেইমতো অপারেশন চলে রবিবার সন্ধেবেলা। প্রায় ১৫টি গুলি মণীশের শরীরে ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছে। যে বাইক চড়ে দুষ্কৃতীরা এসেছিল, সেগুলোর খোঁজ চলছে। খোঁজ চলছে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাকিদের।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal